সহিহ মুসলিম > ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৭৪

حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثني مالك، عن أبي النضر، عن عامر بن سعد، قال سمعت أبي يقول، ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحى يمشي أنه في الجنة إلا لعبد الله بن سلام ‏.‏

সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ই. ফা. ৬১৫৬, ই. সে. ৬১৯৯)

সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ই. ফা. ৬১৫৬, ই. সে. ৬১৯৯)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثني مالك، عن أبي النضر، عن عامر بن سعد، قال سمعت أبي يقول، ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحى يمشي أنه في الجنة إلا لعبد الله بن سلام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৭৫

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن قيس بن عباد، قال كنت بالمدينة في ناس فيهم بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل في وجهه أثر من خشوع فقال بعض القوم هذا رجل من أهل الجنة هذا رجل من أهل الجنة ‏.‏ فصلى ركعتين يتجوز فيهما ثم خرج فاتبعته فدخل منزله ودخلت فتحدثنا فلما استأنس قلت له إنك لما دخلت قبل قال رجل كذا وكذا قال سبحان الله ما ينبغي لأحد أن يقول ما لا يعلم وسأحدثك لم ذاك رأيت رؤيا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه رأيتني في روضة - ذكر سعتها وعشبها وخضرتها - ووسط الروضة عمود من حديد أسفله في الأرض وأعلاه في السماء في أعلاه عروة ‏.‏ فقيل لي ارقه ‏.‏ فقلت له لا أستطيع ‏.‏ فجاءني منصف - قال ابن عون والمنصف الخادم - فقال بثيابي من خلفي - وصف أنه رفعه من خلفه بيده - فرقيت حتى كنت في أعلى العمود فأخذت بالعروة فقيل لي استمسك ‏.‏ فلقد استيقظت وإنها لفي يدي فقصصتها على النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ تلك الروضة الإسلام وذلك العمود عمود الإسلام وتلك العروة عروة الوثقى وأنت على الإسلام حتى تموت ‏"‏ ‏.‏ قال والرجل عبد الله بن سلام ‏.‏

কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এম ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাঁদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক সহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলরেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু’ রাকা‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে অনুকরণ করলাম। তিনি তাঁর গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মাসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবাহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিন নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বলরেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্নের কথা তাঁর নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এত সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু ‘আওন (রহঃ)-এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তাঁর পেছন হতে তাঁকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আঁকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগনটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সৃদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। (ই. ফা. ৬১৫৭, ই. সে. ৬২০০)

কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এম ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাঁদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক সহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলরেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু’ রাকা‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে অনুকরণ করলাম। তিনি তাঁর গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মাসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবাহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিন নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বলরেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্নের কথা তাঁর নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এত সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু ‘আওন (রহঃ)-এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তাঁর পেছন হতে তাঁকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আঁকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগনটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সৃদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। (ই. ফা. ৬১৫৭, ই. সে. ৬২০০)

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن قيس بن عباد، قال كنت بالمدينة في ناس فيهم بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل في وجهه أثر من خشوع فقال بعض القوم هذا رجل من أهل الجنة هذا رجل من أهل الجنة ‏.‏ فصلى ركعتين يتجوز فيهما ثم خرج فاتبعته فدخل منزله ودخلت فتحدثنا فلما استأنس قلت له إنك لما دخلت قبل قال رجل كذا وكذا قال سبحان الله ما ينبغي لأحد أن يقول ما لا يعلم وسأحدثك لم ذاك رأيت رؤيا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه رأيتني في روضة - ذكر سعتها وعشبها وخضرتها - ووسط الروضة عمود من حديد أسفله في الأرض وأعلاه في السماء في أعلاه عروة ‏.‏ فقيل لي ارقه ‏.‏ فقلت له لا أستطيع ‏.‏ فجاءني منصف - قال ابن عون والمنصف الخادم - فقال بثيابي من خلفي - وصف أنه رفعه من خلفه بيده - فرقيت حتى كنت في أعلى العمود فأخذت بالعروة فقيل لي استمسك ‏.‏ فلقد استيقظت وإنها لفي يدي فقصصتها على النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ تلك الروضة الإسلام وذلك العمود عمود الإسلام وتلك العروة عروة الوثقى وأنت على الإسلام حتى تموت ‏"‏ ‏.‏ قال والرجل عبد الله بن سلام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৭৬

حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا قرة بن خالد، عن محمد بن سيرين، قال قال قيس بن عباد كنت في حلقة فيها سعد بن مالك وابن عمر فمر عبد الله بن سلام فقالوا هذا رجل من أهل الجنة ‏.‏ فقمت فقلت له إنهم قالوا كذا وكذا ‏.‏ قال سبحان الله ما كان ينبغي لهم أن يقولوا ما ليس لهم به علم إنما رأيت كأن عمودا وضع في روضة خضراء فنصب فيها وفي رأسها عروة وفي أسفلها منصف - والمنصف الوصيف - فقيل لي ارقه ‏.‏ فرقيت حتى أخذت بالعروة فقصصتها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يموت عبد الله وهو آخذ بالعروة الوثقى ‏"‏ ‏.‏

কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক মাজলিসে ছিলাম, যেখানে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) ও উবনু ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) যাচ্ছিলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাঁকে বললাম, তাঁরা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাঁদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাঁদের ‘ইল্‌ম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট ‘মিনসাফ’ (দণ্ডায়মান) ছিল। মিন্সাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃমজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যুরবণ করবে। (ই.ফা. ৬১৫৮, ই.সে. ৬২০১)

কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক মাজলিসে ছিলাম, যেখানে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) ও উবনু ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) যাচ্ছিলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাঁকে বললাম, তাঁরা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাঁদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাঁদের ‘ইল্‌ম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট ‘মিনসাফ’ (দণ্ডায়মান) ছিল। মিন্সাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃমজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যুরবণ করবে। (ই.ফা. ৬১৫৮, ই.সে. ৬২০১)

حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا قرة بن خالد، عن محمد بن سيرين، قال قال قيس بن عباد كنت في حلقة فيها سعد بن مالك وابن عمر فمر عبد الله بن سلام فقالوا هذا رجل من أهل الجنة ‏.‏ فقمت فقلت له إنهم قالوا كذا وكذا ‏.‏ قال سبحان الله ما كان ينبغي لهم أن يقولوا ما ليس لهم به علم إنما رأيت كأن عمودا وضع في روضة خضراء فنصب فيها وفي رأسها عروة وفي أسفلها منصف - والمنصف الوصيف - فقيل لي ارقه ‏.‏ فرقيت حتى أخذت بالعروة فقصصتها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يموت عبد الله وهو آخذ بالعروة الوثقى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৭৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن سليمان بن مسهر، عن خرشة بن الحر، قال كنت جالسا في حلقة في مسجد المدينة - قال - وفيها شيخ حسن الهيئة وهو عبد الله بن سلام - قال - فجعل يحدثهم حديثا حسنا - قال - فلما قام قال القوم من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا ‏.‏ قال فقلت والله لأتبعنه فلأعلمن مكان بيته ‏.‏ قال فتبعته فانطلق حتى كاد أن يخرج من المدينة ثم دخل منزله - قال - فاستأذنت عليه فأذن لي فقال ما حاجتك يا ابن أخي قال فقلت له سمعت القوم يقولون لك لما قمت من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا ‏.‏ فأعجبني أن أكون معك قال الله أعلم بأهل الجنة وسأحدثك مم قالوا ذاك إني بينما أنا نائم إذ أتاني رجل فقال لي قم ‏.‏ فأخذ بيدي فانطلقت معه - قال - فإذا أنا بجواد عن شمالي - قال - فأخذت لآخذ فيها فقال لي لا تأخذ فيها فإنها طرق أصحاب الشمال - قال - فإذا جواد منهج على يميني فقال لي خذ ها هنا ‏.‏ فأتى بي جبلا فقال لي اصعد - قال - فجعلت إذا أردت أن أصعد خررت على استي - قال - حتى فعلت ذلك مرارا - قال - ثم انطلق بي حتى أتى بي عمودا رأسه في السماء وأسفله في الأرض في أعلاه حلقة فقال لي ‏.‏ اصعد فوق هذا ‏.‏ قال قلت كيف أصعد هذا ورأسه في السماء - قال - فأخذ بيدي فزجل بي - قال - فإذا أنا متعلق بالحلقة - قال - ثم ضرب العمود فخر - قال - وبقيت متعلقا بالحلقة حتى أصبحت - قال - فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه فقال ‏ "‏ أما الطرق التي رأيت عن يسارك فهي طرق أصحاب الشمال - قال - وأما الطرق التي رأيت عن يمينك فهي طرق أصحاب اليمين وأما الجبل فهو منزل الشهداء ولن تناله وأما العمود فهو عمود الإسلام وأما العروة فهي عروة الإسلام ولن تزال متمسكا بها حتى تموت ‏"‏ ‏.‏

খারাশাহ্ ইবনু হুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনার মাসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাঁদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি [খারাশাহ্ (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তাঁর অনুসরণ করব, যাতে আমি তাঁর আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাঁকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ্ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌঁছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন আমিও তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ঘরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, এদিকে যেয়ো না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌঁছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খূঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃতুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ই.ফা. ৬১৫৯, ই.সে. ৬২০২)

খারাশাহ্ ইবনু হুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাদীনার মাসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাঁদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি [খারাশাহ্ (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তাঁর অনুসরণ করব, যাতে আমি তাঁর আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাঁকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ্ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌঁছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন আমিও তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ঘরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, এদিকে যেয়ো না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌঁছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খূঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃতুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ই.ফা. ৬১৫৯, ই.সে. ৬২০২)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن سليمان بن مسهر، عن خرشة بن الحر، قال كنت جالسا في حلقة في مسجد المدينة - قال - وفيها شيخ حسن الهيئة وهو عبد الله بن سلام - قال - فجعل يحدثهم حديثا حسنا - قال - فلما قام قال القوم من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا ‏.‏ قال فقلت والله لأتبعنه فلأعلمن مكان بيته ‏.‏ قال فتبعته فانطلق حتى كاد أن يخرج من المدينة ثم دخل منزله - قال - فاستأذنت عليه فأذن لي فقال ما حاجتك يا ابن أخي قال فقلت له سمعت القوم يقولون لك لما قمت من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا ‏.‏ فأعجبني أن أكون معك قال الله أعلم بأهل الجنة وسأحدثك مم قالوا ذاك إني بينما أنا نائم إذ أتاني رجل فقال لي قم ‏.‏ فأخذ بيدي فانطلقت معه - قال - فإذا أنا بجواد عن شمالي - قال - فأخذت لآخذ فيها فقال لي لا تأخذ فيها فإنها طرق أصحاب الشمال - قال - فإذا جواد منهج على يميني فقال لي خذ ها هنا ‏.‏ فأتى بي جبلا فقال لي اصعد - قال - فجعلت إذا أردت أن أصعد خررت على استي - قال - حتى فعلت ذلك مرارا - قال - ثم انطلق بي حتى أتى بي عمودا رأسه في السماء وأسفله في الأرض في أعلاه حلقة فقال لي ‏.‏ اصعد فوق هذا ‏.‏ قال قلت كيف أصعد هذا ورأسه في السماء - قال - فأخذ بيدي فزجل بي - قال - فإذا أنا متعلق بالحلقة - قال - ثم ضرب العمود فخر - قال - وبقيت متعلقا بالحلقة حتى أصبحت - قال - فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه فقال ‏ "‏ أما الطرق التي رأيت عن يسارك فهي طرق أصحاب الشمال - قال - وأما الطرق التي رأيت عن يمينك فهي طرق أصحاب اليمين وأما الجبل فهو منزل الشهداء ولن تناله وأما العمود فهو عمود الإسلام وأما العروة فهي عروة الإسلام ولن تزال متمسكا بها حتى تموت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৭৮

حدثنا عمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، كلهم عن سفيان، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن عمر، مر بحسان وهو ينشد الشعر في المسجد فلحظ إليه فقال قد كنت أنشد وفيه من هو خير منك ‏.‏ ثم التفت إلى أبي هريرة فقال أنشدك الله أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أجب عني اللهم أيده بروح القدس ‏"‏ ‏.‏ قال اللهم نعم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার ‘উমার (রাঃ) হাস্সান (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মাসজিদে কবিতা আবৃত্তিতে মত্ত ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর দিকে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মাসজিদে আমি কবিতা আবৃত্তি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিব্রীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।” আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ই.ফা. ৬১৬০, ই.সে. ৬২০৩)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার ‘উমার (রাঃ) হাস্সান (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মাসজিদে কবিতা আবৃত্তিতে মত্ত ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর দিকে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মাসজিদে আমি কবিতা আবৃত্তি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিব্রীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।” আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ই.ফা. ৬১৬০, ই.সে. ৬২০৩)

حدثنا عمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، كلهم عن سفيان، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن عمر، مر بحسان وهو ينشد الشعر في المسجد فلحظ إليه فقال قد كنت أنشد وفيه من هو خير منك ‏.‏ ثم التفت إلى أبي هريرة فقال أنشدك الله أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أجب عني اللهم أيده بروح القدس ‏"‏ ‏.‏ قال اللهم نعم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৭৯

حدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، أن حسان، قال في حلقة فيهم أبو هريرة أنشدك الله يا أبا هريرة أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر مثله ‏.‏

ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-সহ সহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরায়রা্! আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৬১, ই.সে. ৬২০৪)

ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-সহ সহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরায়রা্! আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৬১, ই.সে. ৬২০৪)

حدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، أن حسان، قال في حلقة فيهم أبو هريرة أنشدك الله يا أبا هريرة أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮০

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة أنشدك الله هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يا حسان أجب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم أيده بروح القدس ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة نعم ‏.‏

আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হাস্সান ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-কে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরায়রা্! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাস্সান! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাঁকে রূহুল কুদুসের (জিব্রীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আচ্ছা। (ই.ফা. ৬১৬২, ই.সে. ৬২০৫)

আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি হাস্সান ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-কে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরায়রা্! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাস্সান! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাঁকে রূহুল কুদুসের (জিব্রীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আচ্ছা। (ই.ফা. ৬১৬২, ই.সে. ৬২০৫)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة أنشدك الله هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يا حسان أجب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم أيده بروح القدس ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة نعم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮১

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت البراء بن عازب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان بن ثابت ‏ "‏ اهجهم أو هاجهم وجبريل معك ‏"‏ ‏.‏

বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিব্রীল (‘আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৬)

বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিব্রীল (‘আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৬)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت البراء بن عازب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان بن ثابت ‏ "‏ اهجهم أو هاجهم وجبريل معك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৭

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يحيى بن زكرياء، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال حسان يا رسول الله ائذن لي في أبي سفيان قال ‏ "‏ كيف بقرابتي منه ‏"‏ ‏.‏ قال والذي أكرمك لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من الخمير ‏.‏ فقال حسان وإن سنام المجد من آل هاشم بنو بنت مخزوم ووالدك العبد قصيدته هذه ‏.‏

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাস্সান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে আবূ সুফ্ইয়ানের তিরস্কার করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, কিভাবে অনুমতি দিব? তার সাথে আমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে? তখন তিনি বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আটার খামির হতে যেভাবে চুল আলাদা করে নেয়া হয়, আমি ঠিক সেভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব। তারপর হাস্সান (রাঃ) বললেন: “মান-সম্মান ও আভিজাত্য বানূ হাশিমের বংশধরদের মাঝে বিনতু মাখযুমের সন্তানদের জন্য এবং তোমার পিতা তো দাস ছিল।” এ হলো তার কাসীদাহ্ (দীর্ঘ কবিতা)। (ই.ফা. ৬১৬৮, ই.সে. ৬২১২)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাস্সান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে আবূ সুফ্ইয়ানের তিরস্কার করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, কিভাবে অনুমতি দিব? তার সাথে আমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে? তখন তিনি বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আটার খামির হতে যেভাবে চুল আলাদা করে নেয়া হয়, আমি ঠিক সেভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব। তারপর হাস্সান (রাঃ) বললেন: “মান-সম্মান ও আভিজাত্য বানূ হাশিমের বংশধরদের মাঝে বিনতু মাখযুমের সন্তানদের জন্য এবং তোমার পিতা তো দাস ছিল।” এ হলো তার কাসীদাহ্ (দীর্ঘ কবিতা)। (ই.ফা. ৬১৬৮, ই.সে. ৬২১২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يحيى بن زكرياء، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال حسان يا رسول الله ائذن لي في أبي سفيان قال ‏ "‏ كيف بقرابتي منه ‏"‏ ‏.‏ قال والذي أكرمك لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من الخمير ‏.‏ فقال حسان وإن سنام المجد من آل هاشم بنو بنت مخزوم ووالدك العبد قصيدته هذه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৫

حدثني بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال دخلت على عائشة وعندها حسان بن ثابت ينشدها شعرا يشبب بأبيات له فقال حصان رزان ما تزن بريبة وتصبح غرثى من لحوم الغوافل فقالت له عائشة لكنك لست كذلك ‏.‏ قال مسروق فقلت لها لم تأذنين له يدخل عليك وقد قال الله ‏{‏ والذي تولى كبره منهم له عذاب عظيم‏}‏ فقالت فأى عذاب أشد من العمى إنه كان ينافح أو يهاجي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরূক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (‘আয়িশাহ্কে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”- (সূরাহ্ আন্ নূর ২৪:১১)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৬, ই.সে. ৬২১০)

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরূক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (‘আয়িশাহ্কে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”- (সূরাহ্ আন্ নূর ২৪:১১)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৬, ই.সে. ৬২১০)

حدثني بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال دخلت على عائشة وعندها حسان بن ثابت ينشدها شعرا يشبب بأبيات له فقال حصان رزان ما تزن بريبة وتصبح غرثى من لحوم الغوافل فقالت له عائشة لكنك لست كذلك ‏.‏ قال مسروق فقلت لها لم تأذنين له يدخل عليك وقد قال الله ‏{‏ والذي تولى كبره منهم له عذاب عظيم‏}‏ فقالت فأى عذاب أشد من العمى إنه كان ينافح أو يهاجي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৯

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني خالد بن يزيد، حدثني سعيد بن أبي هلال، عن عمارة بن غزية، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، بن عبد الرحمن عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ اهجوا قريشا فإنه أشد عليها من رشق بالنبل ‏"‏ ‏.‏ فأرسل إلى ابن رواحة فقال ‏"‏ اهجهم ‏"‏ ‏.‏ فهجاهم فلم يرض فأرسل إلى كعب بن مالك ثم أرسل إلى حسان بن ثابت فلما دخل عليه قال حسان قد آن لكم أن ترسلوا إلى هذا الأسد الضارب بذنبه ثم أدلع لسانه فجعل يحركه فقال والذي بعثك بالحق لأفرينهم بلساني فرى الأديم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تعجل فإن أبا بكر أعلم قريش بأنسابها - وإن لي فيهم نسبا - حتى يلخص لك نسبي ‏"‏ ‏.‏ فأتاه حسان ثم رجع فقال يا رسول الله قد لخص لي نسبك والذي بعثك بالحق لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من العجين ‏.‏ قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان ‏"‏ إن روح القدس لا يزال يؤيدك ما نافحت عن الله ورسوله ‏"‏ ‏.‏ وقالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ هجاهم حسان فشفى واشتفى ‏"‏ ‏.‏ قال حسان هجوت محمدا فأجبت عنه وعند الله في ذاك الجزاء هجوت محمدا برا تقيا رسول الله شيمته الوفاء فإن أبي ووالده وعرضي لعرض محمد منكم وقاء ثكلت بنيتي إن لم تروها تثير النقع من كنفى كداء يبارين الأعنة مصعدات على أكتافها الأسل الظماء تظل جيادنا متمطرات تلطمهن بالخمر النساء فإن أعرضتمو عنا اعتمرنا وكان الفتح وانكشف الغطاء وإلا فاصبروا لضراب يوم يعز الله فيه من يشاء وقال الله قد أرسلت عبدا يقول الحق ليس به خفاء وقال الله قد يسرت جندا هم الأنصار عرضتها اللقاء لنا في كل يوم من معد سباب أو قتال أو هجاء فمن يهجو رسول الله منكم ويمدحه وينصره سواء وجبريل رسول الله فينا وروح القدس ليس له كفاء

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কুরায়শদের বিপক্ষে তোমরা বিদ্রূপ কবিতা তৈরি কর। কারণ, তা তাদের বিপক্ষে তীর ছোড়ার চেয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী। তারপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর নিকট জনৈক লোককে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, ওদের বিপক্ষে বিদ্রূপ করে কবিতা তৈরি কর। অতঃপর তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনা করলেন। কিন্তু তাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তখন তিনি কা‘ব ইবনু মালিককে ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি হাস্সান ইবনু সাবিতের নিকট এক ব্যক্তি প্রেরণ করলেন। সে যখন তার নিকট গেল তখন হাস্সান (রাঃ) বললেন, তোমাদের জন্য সঠিক সময় হয়েছে যে, তোমরা সে সিংহকে ডেকে পাঠিয়েছ, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে দেয়। তারপর তিনি তার জিহ্বা বের করে নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, তিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি আমার জিহ্বার মাধ্যমে তাদেরকে এমনভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিব, যেমনভাবে হিংস্র বাঘ তার থাবা দিয়ে চামড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাস্সান! তুমি তাড়াতাড়ি করো না। কারণ আবূ বকর (রাঃ) কুরায়শদের বংশ তালিকা সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কেননা, তাদের সাথে আমারও আত্মীয়তার বন্ধন বিদ্যমান। অতএব তিনি এসে আমার বংশ তোমাকে আলাদা করে বলে দিবেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) তাঁর [আবূ বকর (রাঃ)]-এর নিকট গেলেন এবং (বংশ তালিকা সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়ে) ফিরে এলেন। সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আমি আপনাকে তাদের মাঝখান হতে এমন সুকৌশলে বের করে আনব, যেমনভাবে আটার খামির থেকে সূক্ষ্ম চুল বের করা হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাস্সান-এর ব্যাপারে বলতে শুনেছি যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ হতে কাফিরদের দাঁতভাঙ্গা উত্তর দিতে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ‘রূহুল কুদুস’ অর্থাৎ-জিব্রীল (‘আঃ) সারাক্ষণ তোমাকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। আর তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাস্সান তাদের (কাফিরদের বিরুদ্ধে) ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি এনে দিলেন এবং কাফিরদের মান-সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেন। হাস্সান (রাঃ) বললেন: তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্নাম করছ, আর আমি তাঁর পক্ষ হতে জবাব দিচ্ছি। এর পুরস্কার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। তুমি দুর্নাম করছ এমন মুহাম্মাদের, যিনি নেক লোক, সর্বশ্রেষ্ঠ পরেহযগার; তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল, যাঁর চরিত্র মাধুর্য অনুপম। আমার পিতা-মাতা আমার ইয্যত-আবরু মুহাম্মাদের সম্মানের খাতিরে উৎসর্গিত হোক। আমি শপথ করে বলছি, কাদ্দা নামক পাহাড়ের দু’পান্তে (মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর) বিজয় ধূলি উড়বে তা তোমরা দেখতে পাবে, কিংবা আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব। আনসারগণ পর্বত শৃঙ্গ থেকে কাঁধে ধারণ করবেন বর্শা এবং তাঁরা থাকবেন তৃষ্ণা-কাতর জানোয়ারের মতো ওঁৎ পেতে (অর্থাৎ- আনসারগণ শত্রু মুকাবিলায় সতত প্রস্তুত থাকেন)। আমাদের অশ্বারোহীরা এত দ্রুতবেগে চলে যেন মুষলধারে বারি বর্ষিত হচ্ছে। আর নারীরা তা হতে মুক্ত হওয়ার জন্যে পর্দা করে তাদের মুখমণ্ডল ঢেকে নিচ্ছে। তোমরা যদি আমাদের (ইসলামের) বিমুখ হও, তাহলেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়বে আর অন্ধকার চিরদিনের জন্য বিদূরিত হয়ে যাবে। কিংবা তোমরা অপেক্ষায় থাকো ঐ সময়ের, যেদিন মুসলিমদের সঙ্গে কাফিরদের মুকাবিলা হবে; আর সেদিন আল্লাহ যাকে চান বিজয় মালা পরাবেন। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, আমি আমার বান্দাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি; আর তিনি সবসময় লোকদের সত্যের দিকে ডাকেন, যাঁর মধ্যে নেই কোন কপটতা, অস্পষ্টতা। আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন, আমি এমন মুজাহিদদের মদদ করি, যারা আনসার এবং যাদের একমাত্র লক্ষ হচ্ছে শত্রু মুকাবিলা করা। প্রত্যহ তারা শত্রু মুকাবিলায় থাকে সতত প্রস্তুত। কক্ষনো বা গাল-মন্দ, যুদ্ধ-বিগ্রহ অথবা নিন্দাবাদ দ্বারা। তোমাদের মাঝে এমন কারো দুঃসাহস আছে যে, আল্লাহর রসূলের বিদ্রূপ করে; অথচ মাখলুকাত ব্যতীতও এক মহান সত্তা রয়েছেন, যিনি তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সহায়ক। জিব্রীল(‘আঃ) আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে নির্বাচিত সম্মানিক বাণীবাহক (দূত) এবং তিনি রূহুল কুদুস (পূতঃ-পবিত্র আত্মা) যাঁর সাদৃশ্য ফেরেশ্তাকুলে দ্বিতীয় কেউ নেই। (ই.ফা. ৬১৭০, ই.সে. ৬২১৪)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কুরায়শদের বিপক্ষে তোমরা বিদ্রূপ কবিতা তৈরি কর। কারণ, তা তাদের বিপক্ষে তীর ছোড়ার চেয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী। তারপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর নিকট জনৈক লোককে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, ওদের বিপক্ষে বিদ্রূপ করে কবিতা তৈরি কর। অতঃপর তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনা করলেন। কিন্তু তাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তখন তিনি কা‘ব ইবনু মালিককে ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি হাস্সান ইবনু সাবিতের নিকট এক ব্যক্তি প্রেরণ করলেন। সে যখন তার নিকট গেল তখন হাস্সান (রাঃ) বললেন, তোমাদের জন্য সঠিক সময় হয়েছে যে, তোমরা সে সিংহকে ডেকে পাঠিয়েছ, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে দেয়। তারপর তিনি তার জিহ্বা বের করে নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, তিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি আমার জিহ্বার মাধ্যমে তাদেরকে এমনভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিব, যেমনভাবে হিংস্র বাঘ তার থাবা দিয়ে চামড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাস্সান! তুমি তাড়াতাড়ি করো না। কারণ আবূ বকর (রাঃ) কুরায়শদের বংশ তালিকা সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কেননা, তাদের সাথে আমারও আত্মীয়তার বন্ধন বিদ্যমান। অতএব তিনি এসে আমার বংশ তোমাকে আলাদা করে বলে দিবেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) তাঁর [আবূ বকর (রাঃ)]-এর নিকট গেলেন এবং (বংশ তালিকা সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়ে) ফিরে এলেন। সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আমি আপনাকে তাদের মাঝখান হতে এমন সুকৌশলে বের করে আনব, যেমনভাবে আটার খামির থেকে সূক্ষ্ম চুল বের করা হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাস্সান-এর ব্যাপারে বলতে শুনেছি যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ হতে কাফিরদের দাঁতভাঙ্গা উত্তর দিতে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ‘রূহুল কুদুস’ অর্থাৎ-জিব্রীল (‘আঃ) সারাক্ষণ তোমাকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। আর তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাস্সান তাদের (কাফিরদের বিরুদ্ধে) ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি এনে দিলেন এবং কাফিরদের মান-সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেন। হাস্সান (রাঃ) বললেন: তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্নাম করছ, আর আমি তাঁর পক্ষ হতে জবাব দিচ্ছি। এর পুরস্কার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। তুমি দুর্নাম করছ এমন মুহাম্মাদের, যিনি নেক লোক, সর্বশ্রেষ্ঠ পরেহযগার; তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল, যাঁর চরিত্র মাধুর্য অনুপম। আমার পিতা-মাতা আমার ইয্যত-আবরু মুহাম্মাদের সম্মানের খাতিরে উৎসর্গিত হোক। আমি শপথ করে বলছি, কাদ্দা নামক পাহাড়ের দু’পান্তে (মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর) বিজয় ধূলি উড়বে তা তোমরা দেখতে পাবে, কিংবা আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব। আনসারগণ পর্বত শৃঙ্গ থেকে কাঁধে ধারণ করবেন বর্শা এবং তাঁরা থাকবেন তৃষ্ণা-কাতর জানোয়ারের মতো ওঁৎ পেতে (অর্থাৎ- আনসারগণ শত্রু মুকাবিলায় সতত প্রস্তুত থাকেন)। আমাদের অশ্বারোহীরা এত দ্রুতবেগে চলে যেন মুষলধারে বারি বর্ষিত হচ্ছে। আর নারীরা তা হতে মুক্ত হওয়ার জন্যে পর্দা করে তাদের মুখমণ্ডল ঢেকে নিচ্ছে। তোমরা যদি আমাদের (ইসলামের) বিমুখ হও, তাহলেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়বে আর অন্ধকার চিরদিনের জন্য বিদূরিত হয়ে যাবে। কিংবা তোমরা অপেক্ষায় থাকো ঐ সময়ের, যেদিন মুসলিমদের সঙ্গে কাফিরদের মুকাবিলা হবে; আর সেদিন আল্লাহ যাকে চান বিজয় মালা পরাবেন। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, আমি আমার বান্দাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি; আর তিনি সবসময় লোকদের সত্যের দিকে ডাকেন, যাঁর মধ্যে নেই কোন কপটতা, অস্পষ্টতা। আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন, আমি এমন মুজাহিদদের মদদ করি, যারা আনসার এবং যাদের একমাত্র লক্ষ হচ্ছে শত্রু মুকাবিলা করা। প্রত্যহ তারা শত্রু মুকাবিলায় থাকে সতত প্রস্তুত। কক্ষনো বা গাল-মন্দ, যুদ্ধ-বিগ্রহ অথবা নিন্দাবাদ দ্বারা। তোমাদের মাঝে এমন কারো দুঃসাহস আছে যে, আল্লাহর রসূলের বিদ্রূপ করে; অথচ মাখলুকাত ব্যতীতও এক মহান সত্তা রয়েছেন, যিনি তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সহায়ক। জিব্রীল(‘আঃ) আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে নির্বাচিত সম্মানিক বাণীবাহক (দূত) এবং তিনি রূহুল কুদুস (পূতঃ-পবিত্র আত্মা) যাঁর সাদৃশ্য ফেরেশ্তাকুলে দ্বিতীয় কেউ নেই। (ই.ফা. ৬১৭০, ই.সে. ৬২১৪)

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني خالد بن يزيد، حدثني سعيد بن أبي هلال، عن عمارة بن غزية، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، بن عبد الرحمن عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ اهجوا قريشا فإنه أشد عليها من رشق بالنبل ‏"‏ ‏.‏ فأرسل إلى ابن رواحة فقال ‏"‏ اهجهم ‏"‏ ‏.‏ فهجاهم فلم يرض فأرسل إلى كعب بن مالك ثم أرسل إلى حسان بن ثابت فلما دخل عليه قال حسان قد آن لكم أن ترسلوا إلى هذا الأسد الضارب بذنبه ثم أدلع لسانه فجعل يحركه فقال والذي بعثك بالحق لأفرينهم بلساني فرى الأديم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا تعجل فإن أبا بكر أعلم قريش بأنسابها - وإن لي فيهم نسبا - حتى يلخص لك نسبي ‏"‏ ‏.‏ فأتاه حسان ثم رجع فقال يا رسول الله قد لخص لي نسبك والذي بعثك بالحق لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من العجين ‏.‏ قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان ‏"‏ إن روح القدس لا يزال يؤيدك ما نافحت عن الله ورسوله ‏"‏ ‏.‏ وقالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ هجاهم حسان فشفى واشتفى ‏"‏ ‏.‏ قال حسان هجوت محمدا فأجبت عنه وعند الله في ذاك الجزاء هجوت محمدا برا تقيا رسول الله شيمته الوفاء فإن أبي ووالده وعرضي لعرض محمد منكم وقاء ثكلت بنيتي إن لم تروها تثير النقع من كنفى كداء يبارين الأعنة مصعدات على أكتافها الأسل الظماء تظل جيادنا متمطرات تلطمهن بالخمر النساء فإن أعرضتمو عنا اعتمرنا وكان الفتح وانكشف الغطاء وإلا فاصبروا لضراب يوم يعز الله فيه من يشاء وقال الله قد أرسلت عبدا يقول الحق ليس به خفاء وقال الله قد يسرت جندا هم الأنصار عرضتها اللقاء لنا في كل يوم من معد سباب أو قتال أو هجاء فمن يهجو رسول الله منكم ويمدحه وينصره سواء وجبريل رسول الله فينا وروح القدس ليس له كفاء


সহিহ মুসলিম ৬২৮২

حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৭)

শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৭)

حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৪

حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، أن حسان بن ثابت، كان ممن كثر على عائشة فسببته فقالت يا ابن أختي دعه فإنه كان ينافح عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

হিশাম (রহঃ) হতে তার পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যাঁরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাকে ভর্ৎসনা করেছিলাম। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৪, ই.সে. ৬২০৮)

হিশাম (রহঃ) হতে তার পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ

হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যাঁরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাকে ভর্ৎসনা করেছিলাম। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৪, ই.সে. ৬২০৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، أن حسان بن ثابت، كان ممن كثر على عائشة فسببته فقالت يا ابن أختي دعه فإنه كان ينافح عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৬

حدثناه ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، في هذا الإسناد وقال قالت كان يذب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يذكر حصان رزان ‏.‏

শু‘বাহ সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তিনি রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় ………. (পবিত্র) ও …………. (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৬৭, ই.সে. ৬২১১)

শু‘বাহ সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তিনি রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় ………. (পবিত্র) ও …………. (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৬৭, ই.সে. ৬২১১)

حدثناه ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، في هذا الإسناد وقال قالت كان يذب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يذكر حصان رزان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৮৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد قالت استأذن حسان بن ثابت النبي صلى الله عليه وسلم في هجاء المشركين ‏.‏ ولم يذكر أبا سفيان وقال بدل الخمير العجين ‏.‏

হিশাম উবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ)-এর এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা রচনার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাঁরা এ বর্ণনায় আবূ সুফ্ইয়ানের কথা বর্ণনা করেননি। ‘আবদার বর্ণনায় ……. . . (আটার খামির)-এর স্থলে ………. (ঘোলা আটা) আছে। (ই.ফা. ৬১৬৯, ই.সে. ৬২১৩)

হিশাম উবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ)-এর এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা রচনার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাঁরা এ বর্ণনায় আবূ সুফ্ইয়ানের কথা বর্ণনা করেননি। ‘আবদার বর্ণনায় ……. . . (আটার খামির)-এর স্থলে ………. (ঘোলা আটা) আছে। (ই.ফা. ৬১৬৯, ই.সে. ৬২১৩)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد قالت استأذن حسان بن ثابت النبي صلى الله عليه وسلم في هجاء المشركين ‏.‏ ولم يذكر أبا سفيان وقال بدل الخمير العجين ‏.‏


সহিহ মুসলিম > আবূ হুরাইরাহ্ আদ্-দুসী (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯১

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن سفيان، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن الأعرج، قال سمعت أبا هريرة، يقول إنكم تزعمون أن أبا هريرة، يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والله الموعد كنت رجلا مسكينا أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني وكان المهاجرون يشغلهم الصفق بالأسواق وكانت الأنصار يشغلهم القيام على أموالهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه فلن ينسى شيئا سمعه مني ‏"‏ ‏.‏ فبسطت ثوبي حتى قضى حديثه ثم ضممته إلى فما نسيت شيئا سمعته منه ‏.‏

আ‘রাজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা বলছ যে, আবূ হুরায়রা্ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অধিক হাদীস রিওয়ায়াত করছে। আর আল্লাহেই হিসাব গ্রহণকারী। আমি ছিলাম একজন নিরীহ লোক। আমি সর্বদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেবায় থাকতাম (খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম) যখন মুহাজিরগণ বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতেন এবং আনসারগণ তাদের ধন-সম্পদের সংরক্ষণ ও হিফাযাতে ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। একবার রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে লোক তার বস্ত্রের আঁচল বিছিয়ে দিবে সে আমার নিকট হতে যা কিছু শুনবে তা ভুলবে না। আমি আমার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিলাম এবং তিনি হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। তারপর আমি সে বস্ত্রটা আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। তখন হতে আমি তাঁর কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি তার কিছুই ভুলে যাইনি। (ই.ফা. ৬১৭২, ই.সে. ৬২১৬)

আ‘রাজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা বলছ যে, আবূ হুরায়রা্ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অধিক হাদীস রিওয়ায়াত করছে। আর আল্লাহেই হিসাব গ্রহণকারী। আমি ছিলাম একজন নিরীহ লোক। আমি সর্বদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেবায় থাকতাম (খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম) যখন মুহাজিরগণ বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে মনোনিবেশ করতেন এবং আনসারগণ তাদের ধন-সম্পদের সংরক্ষণ ও হিফাযাতে ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। একবার রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে লোক তার বস্ত্রের আঁচল বিছিয়ে দিবে সে আমার নিকট হতে যা কিছু শুনবে তা ভুলবে না। আমি আমার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিলাম এবং তিনি হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। তারপর আমি সে বস্ত্রটা আমার বুকের সাথে মিলিয়ে নিলাম। তখন হতে আমি তাঁর কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি তার কিছুই ভুলে যাইনি। (ই.ফা. ৬১৭২, ই.সে. ৬২১৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وزهير بن حرب جميعا عن سفيان، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن الأعرج، قال سمعت أبا هريرة، يقول إنكم تزعمون أن أبا هريرة، يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم والله الموعد كنت رجلا مسكينا أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني وكان المهاجرون يشغلهم الصفق بالأسواق وكانت الأنصار يشغلهم القيام على أموالهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه فلن ينسى شيئا سمعه مني ‏"‏ ‏.‏ فبسطت ثوبي حتى قضى حديثه ثم ضممته إلى فما نسيت شيئا سمعته منه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯০

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، عن أبي كثير، يزيد بن عبد الرحمن حدثني أبو هريرة، قال كنت أدعو أمي إلى الإسلام وهي مشركة فدعوتها يوما فأسمعتني في رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أكره فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي قلت يا رسول الله إني كنت أدعو أمي إلى الإسلام فتأبى على فدعوتها اليوم فأسمعتني فيك ما أكره فادع الله أن يهدي أم أبي هريرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اهد أم أبي هريرة ‏"‏ ‏.‏ فخرجت مستبشرا بدعوة نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما جئت فصرت إلى الباب فإذا هو مجاف فسمعت أمي خشف قدمى فقالت مكانك يا أبا هريرة ‏.‏ وسمعت خضخضة الماء قال - فاغتسلت ولبست درعها وعجلت عن خمارها ففتحت الباب ثم قالت يا أبا هريرة أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله - قال - فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيته وأنا أبكي من الفرح - قال - قلت يا رسول الله أبشر قد استجاب الله دعوتك وهدى أم أبي هريرة ‏.‏ فحمد الله وأثنى عليه وقال خيرا - قال - قلت يا رسول الله ادع الله أن يحببني أنا وأمي إلى عباده المؤمنين ويحببهم إلينا - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم حبب عبيدك هذا - يعني أبا هريرة وأمه - إلى عبادك المؤمنين وحبب إليهم المؤمنين ‏"‏ ‏.‏ فما خلق مؤمن يسمع بي ولا يراني إلا أحبني ‏.‏

আবূ কাসীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি আমার মাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতাম, তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। একদা আমি তাকে ইসলাম গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ব্যাপারে আমাকে এমন কথা শুনালেন, যা আমার নিকট অনেক অপছন্দনীয় মহে হচ্ছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার মাকে ইসলামের দা‘ওয়াত দিয়েছিলাম আর তিনি আমার দা‘ওয়াত অস্বীকার করে আসছেন। তাপর আমি তাকে আজ দা‘ওয়াত দেয়াতে তিনি আমাকে আপনার ব্যাপারে এমন কথা শুনালেন, যা আমি সর্বদাই অপছন্দ করি। অতএব আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করো।” তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আর কারণে আমি খুশী মনে বেরিয়ে এলাম। যখন আমি ঘরে পৌঁছলাম তখন তার দরজা বন্ধ দেখতে পেলাম। আমার মা আমার পায়ের আওয়াজ শুনতে পেলেন। তারপর তিনি বললেন, আবূ হুরায়রা্! একটু দাঁড়াও (থামো)। তখন আমি পানির কলকল শব্দ শুনছিলাম। তিনি বলেন, এরপর তিনি (আমার মা) গোসল করলেন এবং শরীরে চাদর দিলেন। আর তাড়াতাড়ি করে ওড়না জড়িয়ে নিলেন, তারপর বাড়ীর দরজা খুলে দিলেন। অতঃপর বললেন, “হে আবূ হুরায়রা্! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল।” তিনি বলেন, তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাতে উপস্থিত হলাম। তারপর তাঁর নিকট গেলাম এবং আমি তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কাঁদছিলাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সুখবর শুনুন। আল্লাহ আপনার দু’আ কবূল করেছেন এবং আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত করেছেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন ও তাঁর প্রশংসা করলেন। আর বললেন, ‘উত্তম’। তিনি বলেন, তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, তিনি যেন আমাকে এবং আমার মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করেন এবং তাঁদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! তোমার এ বান্দা আবূ হুরাইরাকে এবং তাঁর মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করে দাও এবং তাঁদের নিকটও মু’মিন বান্দাদের প্রিয়পাত্র করে দাও।” তারপর এমন কোন মু’মিন বান্দা পয়দা হয়নি, যে আমার কথা শুনেছে কিংবা আমাকে দেখেছে অথচ আমাকে ভালবাসেনি। (ই.ফা. ৬১৭১, ই.সে. ৬২১৫)

আবূ কাসীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি আমার মাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতাম, তখন তিনি মুশরিকা ছিলেন। একদা আমি তাকে ইসলাম গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে তখন তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ব্যাপারে আমাকে এমন কথা শুনালেন, যা আমার নিকট অনেক অপছন্দনীয় মহে হচ্ছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার মাকে ইসলামের দা‘ওয়াত দিয়েছিলাম আর তিনি আমার দা‘ওয়াত অস্বীকার করে আসছেন। তাপর আমি তাকে আজ দা‘ওয়াত দেয়াতে তিনি আমাকে আপনার ব্যাপারে এমন কথা শুনালেন, যা আমি সর্বদাই অপছন্দ করি। অতএব আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াত দান করো।” তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আর কারণে আমি খুশী মনে বেরিয়ে এলাম। যখন আমি ঘরে পৌঁছলাম তখন তার দরজা বন্ধ দেখতে পেলাম। আমার মা আমার পায়ের আওয়াজ শুনতে পেলেন। তারপর তিনি বললেন, আবূ হুরায়রা্! একটু দাঁড়াও (থামো)। তখন আমি পানির কলকল শব্দ শুনছিলাম। তিনি বলেন, এরপর তিনি (আমার মা) গোসল করলেন এবং শরীরে চাদর দিলেন। আর তাড়াতাড়ি করে ওড়না জড়িয়ে নিলেন, তারপর বাড়ীর দরজা খুলে দিলেন। অতঃপর বললেন, “হে আবূ হুরায়রা্! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল।” তিনি বলেন, তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমাতে উপস্থিত হলাম। তারপর তাঁর নিকট গেলাম এবং আমি তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কাঁদছিলাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সুখবর শুনুন। আল্লাহ আপনার দু’আ কবূল করেছেন এবং আবূ হুরাইরার মাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত করেছেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন ও তাঁর প্রশংসা করলেন। আর বললেন, ‘উত্তম’। তিনি বলেন, তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন, তিনি যেন আমাকে এবং আমার মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করেন এবং তাঁদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ“হে আল্লাহ! তোমার এ বান্দা আবূ হুরাইরাকে এবং তাঁর মাকে মু’মিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করে দাও এবং তাঁদের নিকটও মু’মিন বান্দাদের প্রিয়পাত্র করে দাও।” তারপর এমন কোন মু’মিন বান্দা পয়দা হয়নি, যে আমার কথা শুনেছে কিংবা আমাকে দেখেছে অথচ আমাকে ভালবাসেনি। (ই.ফা. ৬১৭১, ই.সে. ৬২১৫)

حدثنا عمرو الناقد، حدثنا عمر بن يونس اليمامي، حدثنا عكرمة بن عمار، عن أبي كثير، يزيد بن عبد الرحمن حدثني أبو هريرة، قال كنت أدعو أمي إلى الإسلام وهي مشركة فدعوتها يوما فأسمعتني في رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أكره فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أبكي قلت يا رسول الله إني كنت أدعو أمي إلى الإسلام فتأبى على فدعوتها اليوم فأسمعتني فيك ما أكره فادع الله أن يهدي أم أبي هريرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم اهد أم أبي هريرة ‏"‏ ‏.‏ فخرجت مستبشرا بدعوة نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما جئت فصرت إلى الباب فإذا هو مجاف فسمعت أمي خشف قدمى فقالت مكانك يا أبا هريرة ‏.‏ وسمعت خضخضة الماء قال - فاغتسلت ولبست درعها وعجلت عن خمارها ففتحت الباب ثم قالت يا أبا هريرة أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله - قال - فرجعت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيته وأنا أبكي من الفرح - قال - قلت يا رسول الله أبشر قد استجاب الله دعوتك وهدى أم أبي هريرة ‏.‏ فحمد الله وأثنى عليه وقال خيرا - قال - قلت يا رسول الله ادع الله أن يحببني أنا وأمي إلى عباده المؤمنين ويحببهم إلينا - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم حبب عبيدك هذا - يعني أبا هريرة وأمه - إلى عبادك المؤمنين وحبب إليهم المؤمنين ‏"‏ ‏.‏ فما خلق مؤمن يسمع بي ولا يراني إلا أحبني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৩

وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة قالت ألا يعجبك أبو هريرة جاء فجلس إلى جنب حجرتي يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم يسمعني ذلك وكنت أسبح فقام قبل أن أقضي سبحتي ولو أدركته لرددت عليه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يسرد الحديث كسردكم ‏.‏ قال ابن شهاب وقال ابن المسيب إن أبا هريرة قال يقولون إن أبا هريرة قد أكثر والله الموعد ويقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يتحدثون مثل أحاديثه وسأخبركم عن ذلك إن إخواني من الأنصار كان يشغلهم عمل أرضيهم وإن إخواني من المهاجرين كان يشغلهم الصفق بالأسواق وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا ولقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ‏"‏ أيكم يبسط ثوبه فيأخذ من حديثي هذا ثم يجمعه إلى صدره فإنه لم ينس شيئا سمعه ‏"‏ ‏.‏ فبسطت بردة على حتى فرغ من حديثه ثم جمعتها إلى صدري فما نسيت بعد ذلك اليوم شيئا حدثني به ولولا آيتان أنزلهما الله في كتابه ما حدثت شيئا أبدا ‏{‏ إن الذين يكتمون ما أنزلنا من البينات والهدى‏}‏ إلى آخر الآيتين ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (হে ‘উরওয়াহ্!) তোমার নিকট কি বিস্ময়কর বলে মনে হয় না যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) আমার কক্ষে একদিকে বসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস রিওয়ায়াত করছেন এবং তিনি তা আমাকে শুনাচ্ছেন? কিন্তু আমি সে সময় তাসবীহ পাঠে (নাফল সলাতে) মগ্ন ছিলাম। আর তিনি আমার তাসবীহ পাঠের ফারেগ হওয়ার আগেই উঠে চলে গেলেন। যদি আমি তখন তাঁকে পেতাম তাহলে তাকে প্রতিবাদ করতাম। কারণ, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকম তাড়াতাড়ি করে কথাবার্তা বলতেন না যেমন তোমরা বলছ। ইবনু শিহাব ও ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) বলেন যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, লোকেরা বলাবলি করত যে, আবূ হুরায়রা্ বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেন এবং আল্লাহই (এর প্রামাণ্যতা সম্পর্কে) অধিক অবহিত। তিনি বলেন যে, ব্যক্তিরা এ মর্মে আরও নালিশ করত যে, মুহাজির ও আনসারগণ আবূ হুরাইরার ন্যায় বেশি বেশি হাদীস রিওয়ায়াত করেননি কেন? এর প্রত্যুত্তরে আমি তোমাদের নিকট বলতে চাই যে, আমার আনসার ভাইয়েরা তো ফসলাদির কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতেন। আর আমার মুহাজির ভাইয়েরা হাট-বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে মগ্ন থাকতেন। আর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুহবত আমার জন্য আবশ্যকীয় করে নিতাম এবং খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম। তাঁরা যখন উপস্থিত না থাকতেন তখন আমি উপস্থিত থাকতাম এবং তাঁরা ভুলে যেতেন আমি মুখস্থ করতাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বললেনঃতোমাদের মাঝে কে আছে, যে তার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিবে আর আমার হদীস গ্রহণ করবে? এরপর তা আপন বক্ষে স্পর্শ করবে তাহলে সে যা শুনবে কখনো ভূলবে না। আমি আমার চাদর পেতে দিলাম এবং তিনি তাঁর হাদীস বর্ণনার ইতি টানলেন। তারপর আমি চাদরখানি আমার বুকে জড়িয়ে নিলম। সেদিন থেকে আমি কোন ব্যাপারেই ভুলে যাইনি যা তিনি বলেছেন। (সবটুকুই মনে রয়েছে)। আল্লাহ তাঁর কিতাবে দু’টি আয়াত যদি অবতীর্ণ না করতেন তাহলে আমি কখনো হাদীস রিওয়ায়াত করতাম না। আয়াত দু’টি এই- “আমি যে স্পষ্ট নমুনা ও পথ নির্দেশ মানুষের জন্য নাযিল করেছি, কিতাবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার পরও যারা তা লুকিয়ে রাখে আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত দেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিশাপ দেয়; কিন্তু যারা তাওবাহ্ করে এবং নিজেদের সংশোধন করে আর সত্যকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, এ সমস্ত ব্যক্তি তারাই যাদের প্রতি আমি ক্ষমা করে দিব। কেননা আমি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২: ১৫৯-১৬০) [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৩৯৭] (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (হে ‘উরওয়াহ্!) তোমার নিকট কি বিস্ময়কর বলে মনে হয় না যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) আমার কক্ষে একদিকে বসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস রিওয়ায়াত করছেন এবং তিনি তা আমাকে শুনাচ্ছেন? কিন্তু আমি সে সময় তাসবীহ পাঠে (নাফল সলাতে) মগ্ন ছিলাম। আর তিনি আমার তাসবীহ পাঠের ফারেগ হওয়ার আগেই উঠে চলে গেলেন। যদি আমি তখন তাঁকে পেতাম তাহলে তাকে প্রতিবাদ করতাম। কারণ, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকম তাড়াতাড়ি করে কথাবার্তা বলতেন না যেমন তোমরা বলছ। ইবনু শিহাব ও ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) বলেন যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, লোকেরা বলাবলি করত যে, আবূ হুরায়রা্ বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেন এবং আল্লাহই (এর প্রামাণ্যতা সম্পর্কে) অধিক অবহিত। তিনি বলেন যে, ব্যক্তিরা এ মর্মে আরও নালিশ করত যে, মুহাজির ও আনসারগণ আবূ হুরাইরার ন্যায় বেশি বেশি হাদীস রিওয়ায়াত করেননি কেন? এর প্রত্যুত্তরে আমি তোমাদের নিকট বলতে চাই যে, আমার আনসার ভাইয়েরা তো ফসলাদির কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতেন। আর আমার মুহাজির ভাইয়েরা হাট-বাজারে ব্যবসায়-বাণিজ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে মগ্ন থাকতেন। আর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুহবত আমার জন্য আবশ্যকীয় করে নিতাম এবং খেয়ে না খেয়ে তাঁর সাহচর্যে থাকতাম। তাঁরা যখন উপস্থিত না থাকতেন তখন আমি উপস্থিত থাকতাম এবং তাঁরা ভুলে যেতেন আমি মুখস্থ করতাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বললেনঃতোমাদের মাঝে কে আছে, যে তার কাপড়ের আঁচল বিছিয়ে দিবে আর আমার হদীস গ্রহণ করবে? এরপর তা আপন বক্ষে স্পর্শ করবে তাহলে সে যা শুনবে কখনো ভূলবে না। আমি আমার চাদর পেতে দিলাম এবং তিনি তাঁর হাদীস বর্ণনার ইতি টানলেন। তারপর আমি চাদরখানি আমার বুকে জড়িয়ে নিলম। সেদিন থেকে আমি কোন ব্যাপারেই ভুলে যাইনি যা তিনি বলেছেন। (সবটুকুই মনে রয়েছে)। আল্লাহ তাঁর কিতাবে দু’টি আয়াত যদি অবতীর্ণ না করতেন তাহলে আমি কখনো হাদীস রিওয়ায়াত করতাম না। আয়াত দু’টি এই- “আমি যে স্পষ্ট নমুনা ও পথ নির্দেশ মানুষের জন্য নাযিল করেছি, কিতাবে তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করার পরও যারা তা লুকিয়ে রাখে আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত দেন এবং অভিসম্পাতকারীরাও অভিশাপ দেয়; কিন্তু যারা তাওবাহ্ করে এবং নিজেদের সংশোধন করে আর সত্যকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে, এ সমস্ত ব্যক্তি তারাই যাদের প্রতি আমি ক্ষমা করে দিব। কেননা আমি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ২: ১৫৯-১৬০) [দ্রষ্টব্য হাদীস ২৩৯৭] (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)

وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة قالت ألا يعجبك أبو هريرة جاء فجلس إلى جنب حجرتي يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم يسمعني ذلك وكنت أسبح فقام قبل أن أقضي سبحتي ولو أدركته لرددت عليه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يسرد الحديث كسردكم ‏.‏ قال ابن شهاب وقال ابن المسيب إن أبا هريرة قال يقولون إن أبا هريرة قد أكثر والله الموعد ويقولون ما بال المهاجرين والأنصار لا يتحدثون مثل أحاديثه وسأخبركم عن ذلك إن إخواني من الأنصار كان يشغلهم عمل أرضيهم وإن إخواني من المهاجرين كان يشغلهم الصفق بالأسواق وكنت ألزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني فأشهد إذا غابوا وأحفظ إذا نسوا ولقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ‏"‏ أيكم يبسط ثوبه فيأخذ من حديثي هذا ثم يجمعه إلى صدره فإنه لم ينس شيئا سمعه ‏"‏ ‏.‏ فبسطت بردة على حتى فرغ من حديثه ثم جمعتها إلى صدري فما نسيت بعد ذلك اليوم شيئا حدثني به ولولا آيتان أنزلهما الله في كتابه ما حدثت شيئا أبدا ‏{‏ إن الذين يكتمون ما أنزلنا من البينات والهدى‏}‏ إلى آخر الآيتين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯২

حدثني عبد الله بن جعفر بن يحيى بن خالد، أخبرنا معن، أخبرنا مالك، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي، هريرة بهذا الحديث غير أن مالكا، انتهى حديثه عند انقضاء قول أبي هريرة ولم يذكر في حديثه الرواية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه ‏"‏ ‏.‏ إلى آخره ‏.‏

আ‘রজ (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু মালিক ইবনু আনাস আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর উক্তি পর্যন্ত তাঁর হাদীসের রিওয়ায়াত শেষ করেছেন এবং তিনি তাঁর হাদীসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে “যে তার বস্ত্র বিছাবে” হতে বর্ণনার শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৭৩, ই.সে. ৬২১৭)

আ‘রজ (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু মালিক ইবনু আনাস আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর উক্তি পর্যন্ত তাঁর হাদীসের রিওয়ায়াত শেষ করেছেন এবং তিনি তাঁর হাদীসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে “যে তার বস্ত্র বিছাবে” হতে বর্ণনার শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৭৩, ই.সে. ৬২১৭)

حدثني عبد الله بن جعفر بن يحيى بن خالد، أخبرنا معن، أخبرنا مالك، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي، هريرة بهذا الحديث غير أن مالكا، انتهى حديثه عند انقضاء قول أبي هريرة ولم يذكر في حديثه الرواية عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من يبسط ثوبه ‏"‏ ‏.‏ إلى آخره ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৪

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، عن شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏

সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা বলাবলি করছ যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। হাদীসের অবশিষ্টাংশ তাঁদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬১৭৫, ই.সে. ৬২১৯)

সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব ও আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেছেন, তোমরা বলাবলি করছ যে, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বেশি সংখ্যক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। হাদীসের অবশিষ্টাংশ তাঁদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল। (ই.ফা. ৬১৭৫, ই.সে. ৬২১৯)

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، عن شعيب، عن الزهري، أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة، قال إنكم تقولون إن أبا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হাতিব ইবনু আবূ বালতা‘আহ্ এবং বদরী সহাবীগণ (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২৯৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الله بن إدريس، ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - كلهم عن حصين، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا مرثد الغنوي والزبير بن العوام وكلنا فارس فقال ‏ "‏ انطلقوا حتى تأتوا روضة خاخ فإن بها امرأة من المشركين معها كتاب من حاطب إلى المشركين ‏"‏ ‏.‏ فذكر بمعنى حديث عبيد الله بن أبي رافع عن علي ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আবূ মারসাদ গানাবী ও যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-কে প্রেরণ করলেন। আমরা সকলে অশ্বারোহী ছিলাম। তিনি বললেনঃতোমরা ‘রাওযায়ে খাখ’ নামক জায়গার দিকে রওনা হয়ে যাও। সেখানে এক মুশরিকা নারী রয়েছে। তার কাছে হাতিবের পক্ষ হতে মুশরিকদের নিকটে লেখা একটি পত্র রয়েছে। তারপর তিনি (বর্ণনাকারী) ‘আলী (রাঃ) হতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি‘ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৭৭, ই.সে. ৬২২১)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এবং আবূ মারসাদ গানাবী ও যুবায়র ইবনুল ‘আও্ওয়াম (রাঃ)-কে প্রেরণ করলেন। আমরা সকলে অশ্বারোহী ছিলাম। তিনি বললেনঃতোমরা ‘রাওযায়ে খাখ’ নামক জায়গার দিকে রওনা হয়ে যাও। সেখানে এক মুশরিকা নারী রয়েছে। তার কাছে হাতিবের পক্ষ হতে মুশরিকদের নিকটে লেখা একটি পত্র রয়েছে। তারপর তিনি (বর্ণনাকারী) ‘আলী (রাঃ) হতে ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি‘ বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৭৭, ই.সে. ৬২২১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الله بن إدريس، ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله - كلهم عن حصين، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا مرثد الغنوي والزبير بن العوام وكلنا فارس فقال ‏ "‏ انطلقوا حتى تأتوا روضة خاخ فإن بها امرأة من المشركين معها كتاب من حاطب إلى المشركين ‏"‏ ‏.‏ فذكر بمعنى حديث عبيد الله بن أبي رافع عن علي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أن عبدا، لحاطب جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يشكو حاطبا فقال يا رسول الله ليدخلن حاطب النار ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كذبت لا يدخلها فإنه شهد بدرا والحديبية ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাতিবের এক দাস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর বিপক্ষে অভিযোগ উথপান করল। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)হাতিব অবশ্যই জাহান্নাম ঢুকবে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি মিথ্যা বলেছ, সে জাহান্নামে প্রবেশকরবে না। কারণ সে বদর যুদ্ধে ও হুদাইবিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত হয়েছিল। ( সহীহ মুসলিম হাদীস নং- ৬২৯৭) (ই.ফা.৬১৭৮, ই.সে.৬২২২) অধ্যায়ঃ হাতিব ইবনু আবূ বালতা’আহ এবং বাদরী সাহাবীগণ (রাঃ) এর ফযিলত।৫ম খন্ড ৪৪৮ পৃষ্টা, আহলে হাদীস লাইব্রেরী ঢাকা প্রকাসীত।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাতিবের এক দাস রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর বিপক্ষে অভিযোগ উথপান করল। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)হাতিব অবশ্যই জাহান্নাম ঢুকবে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন তুমি মিথ্যা বলেছ, সে জাহান্নামে প্রবেশকরবে না। কারণ সে বদর যুদ্ধে ও হুদাইবিয়ার প্রান্তরে উপস্থিত হয়েছিল। ( সহীহ মুসলিম হাদীস নং- ৬২৯৭) (ই.ফা.৬১৭৮, ই.সে.৬২২২) অধ্যায়ঃ হাতিব ইবনু আবূ বালতা’আহ এবং বাদরী সাহাবীগণ (রাঃ) এর ফযিলত।৫ম খন্ড ৪৪৮ পৃষ্টা, আহলে হাদীস লাইব্রেরী ঢাকা প্রকাসীত।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أن عبدا، لحاطب جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يشكو حاطبا فقال يا رسول الله ليدخلن حاطب النار ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كذبت لا يدخلها فإنه شهد بدرا والحديبية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২৯৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر - واللفظ لعمرو - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن الحسن بن محمد، أخبرني عبيد الله بن أبي رافع، - وهو كاتب علي قال سمعت عليا، رضى الله عنه وهو يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا والزبير والمقداد فقال ‏"‏ ائتوا روضة خاخ فإن بها ظعينة معها كتاب فخذوه منها ‏"‏ ‏.‏ فانطلقنا تعادى بنا خيلنا فإذا نحن بالمرأة فقلنا أخرجي الكتاب ‏.‏ فقالت ما معي كتاب ‏.‏ فقلنا لتخرجن الكتاب أو لتلقين الثياب ‏.‏ فأخرجته من عقاصها فأتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا فيه من حاطب بن أبي بلتعة إلى ناس من المشركين من أهل مكة يخبرهم ببعض أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا حاطب ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال لا تعجل على يا رسول الله إني كنت امرأ ملصقا في قريش - قال سفيان كان حليفا لهم ولم يكن من أنفسها - وكان ممن كان معك من المهاجرين لهم قرابات يحمون بها أهليهم فأحببت إذ فاتني ذلك من النسب فيهم أن أتخذ فيهم يدا يحمون بها قرابتي ولم أفعله كفرا ولا ارتدادا عن ديني ولا رضا بالكفر بعد الإسلام ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال ‏"‏ إنه قد شهد بدرا وما يدريك لعل الله اطلع على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تتخذوا عدوي وعدوكم أولياء‏}‏ وليس في حديث أبي بكر وزهير ذكر الآية وجعلها إسحاق في روايته من تلاوة سفيان ‏.‏

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যুবায়র ও মিকদাদ (রাঃ)-কে (বিশেষ কাজে) প্রেরণ করে বললেনঃতোমরা দ্রুত ‘আওযায়ে খাখ’ (মাদীনার সন্নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম) যাও। সেখানে উষ্ট্রারোহিণী এক নারী রয়েছে তার কাছে একটি গোপনীয় পত্র রয়েছে। তোমরা তার নিকট হতে সেটা নিয়ে এসো। আমরা ঘোড়ার পৃষ্ঠে আরোহিত হয়ে ছুটে চললাম। সেখানে আমরা জনৈক নারীকে দেখতে পেলাম। আমরা তাকে বললাম, পত্র বের করে দাও। সে বলল, আমার নিকট কোন পত্র নেই। আমরা বললাম, তোমাকে পত্র বের করতেই হবে, আর না হলে গায়ের বস্ত্র খুলতে বাধ্য হব। তারপর সে তার চুলের বেণীর মাঝখান থেকে পত্র বের করে দিল। তখন আমরা তা নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। পত্র খুলে দেখা গেল যে, তা হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ)-এর পক্ষ হতে মাক্কার কতিপয় মুশরিকের প্রতি লিখিত একটি চিঠি ছিল। তিনি এ চিঠিতে রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক গুরুত্বপূর্ণ কাজের লুকানো তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাতিব! তুমি এমন কাজ কেন করলে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার ব্যাপারে অনুগ্রহ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করবেন না। আমি এমন একজন লোক, কুরায়শদের সঙ্গে যার সম্পর্ক রয়েছে (কিন্তু আমি তাদের বংশের কেউ নেই)। সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি তাদের মিত্র ছিলেন, কিন্তু তাদের (বংশোদ্ভূত) গোত্রভুক্ত ছিলেন না। আর আপনার মুহাজির সহাবীদের অনেকের আত্মীয়-স্বজন সেখানে আছে, যাদের মাধ্যমে তাঁদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। তাই আমি স্থির করলাম যে, কুরায়শদের সাথে যখন আমা্র কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই তখন এমন কোন কাজ করি যার দ্বারা আমার পরিবার-পরিজন মুক্তি পেতে পারে। আমি এ কাজটি এজন্য করিনি যে, আমি কাফির হয়ে গেছি অথবা মুরতাদ হয়েছি দ্বীন থেকে। আর আমি ইসলাম কবূলের পরে কুফ্রের প্রতি আসক্ত হইনি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে সত্যই বলেছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের গর্দান কেটে দিব। তখন তিনি বললেন, সে তো বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিল এবং তুমি কি জান না যে, আল্লাহ বদরী সহাবীদের সম্পর্কে অধিক অবহিত আছেন। তিনি বলেছেন: “তোমরা যা খুশী করতে পারো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।” এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “হে মু’মিনগণ! আমার ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না”- (সুরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০: ১)। আবূ বকর ও যুহায়র বর্ণিত হাদীসে আয়াতের বর্ণনা নেই। আর ইসহাক্ তাঁর বর্ণনায় আয়াতটিকে সুফ্ইয়ানের তিলাওয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬১৭৬, ই.সে. ৬২২০)

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে যুবায়র ও মিকদাদ (রাঃ)-কে (বিশেষ কাজে) প্রেরণ করে বললেনঃতোমরা দ্রুত ‘আওযায়ে খাখ’ (মাদীনার সন্নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম) যাও। সেখানে উষ্ট্রারোহিণী এক নারী রয়েছে তার কাছে একটি গোপনীয় পত্র রয়েছে। তোমরা তার নিকট হতে সেটা নিয়ে এসো। আমরা ঘোড়ার পৃষ্ঠে আরোহিত হয়ে ছুটে চললাম। সেখানে আমরা জনৈক নারীকে দেখতে পেলাম। আমরা তাকে বললাম, পত্র বের করে দাও। সে বলল, আমার নিকট কোন পত্র নেই। আমরা বললাম, তোমাকে পত্র বের করতেই হবে, আর না হলে গায়ের বস্ত্র খুলতে বাধ্য হব। তারপর সে তার চুলের বেণীর মাঝখান থেকে পত্র বের করে দিল। তখন আমরা তা নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। পত্র খুলে দেখা গেল যে, তা হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ)-এর পক্ষ হতে মাক্কার কতিপয় মুশরিকের প্রতি লিখিত একটি চিঠি ছিল। তিনি এ চিঠিতে রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক গুরুত্বপূর্ণ কাজের লুকানো তথ্য প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাতিব! তুমি এমন কাজ কেন করলে? সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার ব্যাপারে অনুগ্রহ করে দ্রুত রায় ঘোষণা করবেন না। আমি এমন একজন লোক, কুরায়শদের সঙ্গে যার সম্পর্ক রয়েছে (কিন্তু আমি তাদের বংশের কেউ নেই)। সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, তিনি তাদের মিত্র ছিলেন, কিন্তু তাদের (বংশোদ্ভূত) গোত্রভুক্ত ছিলেন না। আর আপনার মুহাজির সহাবীদের অনেকের আত্মীয়-স্বজন সেখানে আছে, যাদের মাধ্যমে তাঁদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। তাই আমি স্থির করলাম যে, কুরায়শদের সাথে যখন আমা্র কোন আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই তখন এমন কোন কাজ করি যার দ্বারা আমার পরিবার-পরিজন মুক্তি পেতে পারে। আমি এ কাজটি এজন্য করিনি যে, আমি কাফির হয়ে গেছি অথবা মুরতাদ হয়েছি দ্বীন থেকে। আর আমি ইসলাম কবূলের পরে কুফ্রের প্রতি আসক্ত হইনি। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে সত্যই বলেছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে অনুমতি দিন, আমি এ মুনাফিকের গর্দান কেটে দিব। তখন তিনি বললেন, সে তো বদর যুদ্ধে শারীক হয়েছিল এবং তুমি কি জান না যে, আল্লাহ বদরী সহাবীদের সম্পর্কে অধিক অবহিত আছেন। তিনি বলেছেন: “তোমরা যা খুশী করতে পারো, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।” এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “হে মু’মিনগণ! আমার ও তোমাদের শত্রুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না”- (সুরাহ্ আল মুমতাহিনাহ্ ৬০: ১)। আবূ বকর ও যুহায়র বর্ণিত হাদীসে আয়াতের বর্ণনা নেই। আর ইসহাক্ তাঁর বর্ণনায় আয়াতটিকে সুফ্ইয়ানের তিলাওয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৬১৭৬, ই.সে. ৬২২০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر - واللفظ لعمرو - قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن، عيينة عن عمرو، عن الحسن بن محمد، أخبرني عبيد الله بن أبي رافع، - وهو كاتب علي قال سمعت عليا، رضى الله عنه وهو يقول بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا والزبير والمقداد فقال ‏"‏ ائتوا روضة خاخ فإن بها ظعينة معها كتاب فخذوه منها ‏"‏ ‏.‏ فانطلقنا تعادى بنا خيلنا فإذا نحن بالمرأة فقلنا أخرجي الكتاب ‏.‏ فقالت ما معي كتاب ‏.‏ فقلنا لتخرجن الكتاب أو لتلقين الثياب ‏.‏ فأخرجته من عقاصها فأتينا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا فيه من حاطب بن أبي بلتعة إلى ناس من المشركين من أهل مكة يخبرهم ببعض أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا حاطب ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال لا تعجل على يا رسول الله إني كنت امرأ ملصقا في قريش - قال سفيان كان حليفا لهم ولم يكن من أنفسها - وكان ممن كان معك من المهاجرين لهم قرابات يحمون بها أهليهم فأحببت إذ فاتني ذلك من النسب فيهم أن أتخذ فيهم يدا يحمون بها قرابتي ولم أفعله كفرا ولا ارتدادا عن ديني ولا رضا بالكفر بعد الإسلام ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال ‏"‏ إنه قد شهد بدرا وما يدريك لعل الله اطلع على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تتخذوا عدوي وعدوكم أولياء‏}‏ وليس في حديث أبي بكر وزهير ذكر الآية وجعلها إسحاق في روايته من تلاوة سفيان ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00