সহিহ মুসলিম > আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬২৬৩
حدثنا أبو الربيع العتكي، وخلف بن هشام، وأبو كامل الجحدري كلهم عن حماد، بن زيد - قال أبو الربيع حدثنا حماد بن زيد، - حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال رأيت في المنام كأن في يدي قطعة إستبرق وليس مكان أريد من الجنة إلا طارت إليه - قال - فقصصته على حفصة فقصته حفصة على النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أرى عبد الله رجلا صالحا " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমার হাতে মোলায়েম রেশমী কাপড়ের একটি টুকরা এবং জান্নাতের যেখানে আমি আকাঙ্খা করতাম সে কাপড়ের খণ্ডটি আমাকে সেখানেই উড়িয়ে নিয়ে যেত। তিনি বলেন, তারপর আমি হাফসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট কাহিনীটি রিওয়ায়াত করলাম। হাফসাহ্ (রাঃ) তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট রিওয়ায়াত করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি ‘আবদুল্লাহকে একজন ভাল ব্যক্তি বলে জানি। (ই. ফা. ৬১৪৫, ই. সে. ৬১৮৫)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমার হাতে মোলায়েম রেশমী কাপড়ের একটি টুকরা এবং জান্নাতের যেখানে আমি আকাঙ্খা করতাম সে কাপড়ের খণ্ডটি আমাকে সেখানেই উড়িয়ে নিয়ে যেত। তিনি বলেন, তারপর আমি হাফসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট কাহিনীটি রিওয়ায়াত করলাম। হাফসাহ্ (রাঃ) তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট রিওয়ায়াত করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি ‘আবদুল্লাহকে একজন ভাল ব্যক্তি বলে জানি। (ই. ফা. ৬১৪৫, ই. সে. ৬১৮৫)
حدثنا أبو الربيع العتكي، وخلف بن هشام، وأبو كامل الجحدري كلهم عن حماد، بن زيد - قال أبو الربيع حدثنا حماد بن زيد، - حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال رأيت في المنام كأن في يدي قطعة إستبرق وليس مكان أريد من الجنة إلا طارت إليه - قال - فقصصته على حفصة فقصته حفصة على النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أرى عبد الله رجلا صالحا " .
সহিহ মুসলিম ৬২৬৫
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا موسى بن خالد، ختن الفريابي عن أبي إسحاق الفزاري، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنت أبيت في المسجد ولم يكن لي أهل فرأيت في المنام كأنما انطلق بي إلى بئر . فذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث الزهري عن سالم عن أبيه .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাত্রে মাসজিদে থাকতাম। সে সময় আমার কোন পরিবার-পরিজন ছিল না। একদা আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন আমাকে একটি কূপের কাছে নেয়া হয়েছে। অতঃপর বর্ণনাকারী (‘উাবইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) সালিম তদীয় পিতা সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যুহরীর হাদীসের অর্থানুরূপ উল্লেখ করেন। (ই. ফা. ৬১৪৭, ই. সে. ৬১৯০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাত্রে মাসজিদে থাকতাম। সে সময় আমার কোন পরিবার-পরিজন ছিল না। একদা আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন আমাকে একটি কূপের কাছে নেয়া হয়েছে। অতঃপর বর্ণনাকারী (‘উাবইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার) সালিম তদীয় পিতা সানাদে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যুহরীর হাদীসের অর্থানুরূপ উল্লেখ করেন। (ই. ফা. ৬১৪৭, ই. সে. ৬১৯০)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا موسى بن خالد، ختن الفريابي عن أبي إسحاق الفزاري، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنت أبيت في المسجد ولم يكن لي أهل فرأيت في المنام كأنما انطلق بي إلى بئر . فذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث الزهري عن سالم عن أبيه .
সহিহ মুসলিম ৬২৬৪
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - واللفظ لعبد - قالا أخبرنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال كان الرجل في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأى رؤيا قصها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فتمنيت أن أرى رؤيا أقصها على النبي صلى الله عليه وسلم قال وكنت غلاما شابا عزبا وكنت أنام في المسجد على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت في النوم كأن ملكين أخذاني فذهبا بي إلى النار فإذا هي مطوية كطى البئر وإذا لها قرنان كقرنى البئر وإذا فيها ناس قد عرفتهم فجعلت أقول أعوذ بالله من النار أعوذ بالله من النار أعوذ بالله من النار - قال - فلقيهما ملك فقال لي لم ترع . فقصصتها على حفصة فقصتها حفصة على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " نعم الرجل عبد الله لو كان يصلي من الليل " . قال سالم فكان عبد الله بعد ذلك لا ينام من الليل إلا قليلا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবিতাবস্থায় জনৈক লোক স্বপ্নে দেখলে তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করতেন। আমি প্রত্যাশা করে ছিলাম যে, আমি কোন স্বপ্নে দেখলে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করি। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় আমি বলিষ্ঠ অবিবাহিত যুবক ছিলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি মাসজিদে ঘুমাতাম। তখন আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন দু’জন ফেরেশ্তা আমাকে ধরে তাঁরা আমাকে জাহান্নামের নিকট নিয়ে গেলন। তখন দেখলাম যে, সেটি একটি গভীর গর্ত, একটি কূপের গর্তের ন্যায়। তাতে দু’টি কাষ্ঠখণ্ড দেখলাম যা কূপের উপরে স্বাভাবিকভাবে থাকে। সেকানে কিছু ব্যক্তি ছিল যাদের আমি চিনলাম। আমি তখন বলতে শুরু করলাম- ………………. . . “আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই”। বর্ণনাকারী বেলেন, সে দু’ফেরেশ্তার সাথে আরও কতিপয় ফেরেশ্তা মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, তোমার কোন শঙ্কা নেই। অতঃপর আমি এ স্বপ্নের কথা হাফসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। হাফসাহ্ (রাঃ) তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা দিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলরেন, ‘আবদুল্লাহ কতই না উত্তম লোক! সে রাতে যদি (তাহাজ্জুদ) সলাত আদায় করত। সালিম (রাঃ) বলেন, এরপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাত্রে খুব কম সময়ই ঘুমিয়ে যেতেন। (ই. ফা. ৬১৪৬, ই. সে. ৬১৮৯)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবিতাবস্থায় জনৈক লোক স্বপ্নে দেখলে তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করতেন। আমি প্রত্যাশা করে ছিলাম যে, আমি কোন স্বপ্নে দেখলে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করি। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় আমি বলিষ্ঠ অবিবাহিত যুবক ছিলাম এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমি মাসজিদে ঘুমাতাম। তখন আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন দু’জন ফেরেশ্তা আমাকে ধরে তাঁরা আমাকে জাহান্নামের নিকট নিয়ে গেলন। তখন দেখলাম যে, সেটি একটি গভীর গর্ত, একটি কূপের গর্তের ন্যায়। তাতে দু’টি কাষ্ঠখণ্ড দেখলাম যা কূপের উপরে স্বাভাবিকভাবে থাকে। সেকানে কিছু ব্যক্তি ছিল যাদের আমি চিনলাম। আমি তখন বলতে শুরু করলাম- ………………. . . “আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই, আমি জাহান্নাম হতে আল্লাহর আশ্রয় চাই”। বর্ণনাকারী বেলেন, সে দু’ফেরেশ্তার সাথে আরও কতিপয় ফেরেশ্তা মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, তোমার কোন শঙ্কা নেই। অতঃপর আমি এ স্বপ্নের কথা হাফসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। হাফসাহ্ (রাঃ) তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা দিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলরেন, ‘আবদুল্লাহ কতই না উত্তম লোক! সে রাতে যদি (তাহাজ্জুদ) সলাত আদায় করত। সালিম (রাঃ) বলেন, এরপর ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) রাত্রে খুব কম সময়ই ঘুমিয়ে যেতেন। (ই. ফা. ৬১৪৬, ই. সে. ৬১৮৯)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - واللفظ لعبد - قالا أخبرنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال كان الرجل في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأى رؤيا قصها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فتمنيت أن أرى رؤيا أقصها على النبي صلى الله عليه وسلم قال وكنت غلاما شابا عزبا وكنت أنام في المسجد على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت في النوم كأن ملكين أخذاني فذهبا بي إلى النار فإذا هي مطوية كطى البئر وإذا لها قرنان كقرنى البئر وإذا فيها ناس قد عرفتهم فجعلت أقول أعوذ بالله من النار أعوذ بالله من النار أعوذ بالله من النار - قال - فلقيهما ملك فقال لي لم ترع . فقصصتها على حفصة فقصتها حفصة على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " نعم الرجل عبد الله لو كان يصلي من الليل " . قال سالم فكان عبد الله بعد ذلك لا ينام من الليل إلا قليلا .
সহিহ মুসলিম > আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬২৬৬
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس، عن أم سليم، أنها قالت يا رسول الله خادمك أنس ادع الله له فقال " اللهم أكثر ماله وولده وبارك له فيما أعطيته " .
উম্মু সুলায়ম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার খাদিম আনাসের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তখন তিনি দু‘আ করলেন, ……… “হে আল্লাহ! তাকে ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততিতে বারাকাত দিন এবং আপনি তাঁকে যা দান করেছেন তাতেও বারাকাত দিন।” (ই. ফা. ৬১৪৮, ই. সে. ৬১৯১)
উম্মু সুলায়ম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার খাদিম আনাসের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তখন তিনি দু‘আ করলেন, ……… “হে আল্লাহ! তাকে ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততিতে বারাকাত দিন এবং আপনি তাঁকে যা দান করেছেন তাতেও বারাকাত দিন।” (ই. ফা. ৬১৪৮, ই. সে. ৬১৯১)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، سمعت قتادة، يحدث عن أنس، عن أم سليم، أنها قالت يا رسول الله خادمك أنس ادع الله له فقال " اللهم أكثر ماله وولده وبارك له فيما أعطيته " .
সহিহ মুসলিম ৬২৬৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت أنسا، يقول قالت أم سليم يا رسول الله خادمك أنس . فذكر نحوه .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার খাদিম আনাস . . . এরপর তাঁর অবিকল বর্ননা করেন। (ই. ফা. ৬১৪৯, ই. সে. ৬১৯২)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলেছেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার খাদিম আনাস . . . এরপর তাঁর অবিকল বর্ননা করেন। (ই. ফা. ৬১৪৯, ই. সে. ৬১৯২)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت أنسا، يقول قالت أم سليم يا رسول الله خادمك أنس . فذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম ৬২৬৮
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول مثل ذلك .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অর্থানুরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ৬১৫০, ই. সে. ৬১৯৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অর্থানুরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ৬১৫০, ই. সে. ৬১৯৩)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، سمعت أنس بن مالك، يقول مثل ذلك .
সহিহ মুসলিম ৬২৬৯
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، عن ثابت، عن أنس، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم علينا وما هو إلا أنا وأمي وأم حرام خالتي فقالت أمي يا رسول الله خويدمك ادع الله له - قال - فدعا لي بكل خير وكان في آخر ما دعا لي به أن قال " اللهم أكثر ماله وولده وبارك له فيه " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে এলেন। সে সময় আমি, আমার মা ও আমার খালা উম্মু হারাম ছাড়া সেখানে কেউ ছিল না। আমার মা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার ছোট খাদিমের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। রাবী বলেন, তিনি আমার জন্য সব ধরণের বারাকাতের দু’আ করলেন। তিনি আমার জন্য যে দু’আ করেছিলেন তার শেষাংশ ছিল- .“হে আল্লাহ! তাঁকে ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি করুন এবং তাতে তাঁকে বারাকাত দিন।” (ই. ফা. ৬১৫১, ই. সে. ৬১৯৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে এলেন। সে সময় আমি, আমার মা ও আমার খালা উম্মু হারাম ছাড়া সেখানে কেউ ছিল না। আমার মা বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার ছোট খাদিমের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন। রাবী বলেন, তিনি আমার জন্য সব ধরণের বারাকাতের দু’আ করলেন। তিনি আমার জন্য যে দু’আ করেছিলেন তার শেষাংশ ছিল- .“হে আল্লাহ! তাঁকে ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি করুন এবং তাতে তাঁকে বারাকাত দিন।” (ই. ফা. ৬১৫১, ই. সে. ৬১৯৪)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، عن ثابت، عن أنس، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم علينا وما هو إلا أنا وأمي وأم حرام خالتي فقالت أمي يا رسول الله خويدمك ادع الله له - قال - فدعا لي بكل خير وكان في آخر ما دعا لي به أن قال " اللهم أكثر ماله وولده وبارك له فيه " .
সহিহ মুসলিম ৬২৭১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن الجعد أبي عثمان، قال حدثنا أنس بن مالك، قال مر رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعت أمي أم سليم صوته فقالت بأبي وأمي يا رسول الله أنيس . فدعا لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث دعوات قد رأيت منها اثنتين في الدنيا وأنا أرجو الثالثة في الآخرة .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথাও যাচ্ছিলেন। তখন আমার মা উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাঁর কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন এবং তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসগিৃত হোক, এ ছোট বালক আনাস। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তিনটি দু‘আ করলেন। এর দু‘টি আমি দুনিয়াতে পেয়েছি এবং আখিরাতে তৃতীয়টি পাওয়ার দৃঢ় প্রত্যাশা করি। (ই. ফা. ৬১৫৩, ই. সে. ৬১৯৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথাও যাচ্ছিলেন। তখন আমার মা উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাঁর কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন এবং তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসগিৃত হোক, এ ছোট বালক আনাস। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য তিনটি দু‘আ করলেন। এর দু‘টি আমি দুনিয়াতে পেয়েছি এবং আখিরাতে তৃতীয়টি পাওয়ার দৃঢ় প্রত্যাশা করি। (ই. ফা. ৬১৫৩, ই. সে. ৬১৯৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن الجعد أبي عثمان، قال حدثنا أنس بن مالك، قال مر رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعت أمي أم سليم صوته فقالت بأبي وأمي يا رسول الله أنيس . فدعا لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث دعوات قد رأيت منها اثنتين في الدنيا وأنا أرجو الثالثة في الآخرة .
সহিহ মুসলিম ৬২৭০
حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، حدثنا إسحاق، حدثنا أنس، قال جاءت بي أمي أم أنس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أزرتني بنصف خمارها وردتني بنصفه فقالت يا رسول الله هذا أنيس ابني أتيتك به يخدمك فادع الله له . فقال " اللهم أكثر ماله وولده " . قال أنس فوالله إن مالي لكثير وإن ولدي وولد ولدي ليتعادون على نحو المائة اليوم .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মা উম্মু আনাস (রাঃ) আমাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলেন। তখন তিনি তাঁর ওড়নার অর্ধাংশ দিয়ে আমার ইযার (পায়জামা) এবং বাকী অর্ধাংশ দ্বারা আমার চাদর তৈরি করেছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ আমার বালক পুত্র উনায়স, আমি তাকে আপনার নিকট নিয়ে এসেছি, সে আপনার সেবায় থাকবে। তার জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন। তখন তিনি দু‘আ করলেন, ……………………… “ হে আল্লাহ! তাঁর ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন।” আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার ধন-মাল অনেক আর সে যুগে আমার সন্তান ও সন্তানের নাতী-নাতনীর সংখ্যা ছিল একশ’র মতো। (ই. ফা. ৬১৫২, ই. সে. ৬১৯৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মা উম্মু আনাস (রাঃ) আমাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলেন। তখন তিনি তাঁর ওড়নার অর্ধাংশ দিয়ে আমার ইযার (পায়জামা) এবং বাকী অর্ধাংশ দ্বারা আমার চাদর তৈরি করেছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এ আমার বালক পুত্র উনায়স, আমি তাকে আপনার নিকট নিয়ে এসেছি, সে আপনার সেবায় থাকবে। তার জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন। তখন তিনি দু‘আ করলেন, ……………………… “ হে আল্লাহ! তাঁর ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন।” আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার ধন-মাল অনেক আর সে যুগে আমার সন্তান ও সন্তানের নাতী-নাতনীর সংখ্যা ছিল একশ’র মতো। (ই. ফা. ৬১৫২, ই. সে. ৬১৯৫)
حدثني أبو معن الرقاشي، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة، حدثنا إسحاق، حدثنا أنس، قال جاءت بي أمي أم أنس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أزرتني بنصف خمارها وردتني بنصفه فقالت يا رسول الله هذا أنيس ابني أتيتك به يخدمك فادع الله له . فقال " اللهم أكثر ماله وولده " . قال أنس فوالله إن مالي لكثير وإن ولدي وولد ولدي ليتعادون على نحو المائة اليوم .
সহিহ মুসলিম ৬২৭২
حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال أتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ألعب مع الغلمان - قال - فسلم علينا فبعثني إلى حاجة فأبطأت على أمي فلما جئت قالت ما حبسك قلت بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة . قالت ما حاجته قلت إنها سر . قالت لا تحدثن بسر رسول الله صلى الله عليه وسلم أحدا . قال أنس والله لو حدثت به أحدا لحدثتك يا ثابت .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন। আমি তখন বালকদের সঙ্গে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। তিনি বলেন, তিনি আমাদের সালাম করলেন। তিনি আমাকে কোন একটি বিশেষ প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি আমার মায়ের নিকট বিলম্বে ফিরে আসলাম। আমি মায়ের নিকট গেলে তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তোমাকে কিসে আটকিয়েছিল? আমি বললাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আমাকে একটি প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বললেন, প্রয়োজনটি কি? আমি বললাম, তা গোপনীয়। তিনি বলরেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপনীয় বিষয় কক্ষনো কাউকে বলবে না। আনাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, হে সাবিত! সে গোপনীয় ব্যাপার কারও নিকট উল্লেখ করলে তা তোমাকে অবশ্যই বলতাম। (ই. ফা. ৬১৫৪, ই. সে. ৬১৯৯)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন। আমি তখন বালকদের সঙ্গে খেলায় লিপ্ত ছিলাম। তিনি বলেন, তিনি আমাদের সালাম করলেন। তিনি আমাকে কোন একটি বিশেষ প্রয়োজনে পাঠালেন। আমি আমার মায়ের নিকট বিলম্বে ফিরে আসলাম। আমি মায়ের নিকট গেলে তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তোমাকে কিসে আটকিয়েছিল? আমি বললাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আমাকে একটি প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বললেন, প্রয়োজনটি কি? আমি বললাম, তা গোপনীয়। তিনি বলরেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপনীয় বিষয় কক্ষনো কাউকে বলবে না। আনাস (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, হে সাবিত! সে গোপনীয় ব্যাপার কারও নিকট উল্লেখ করলে তা তোমাকে অবশ্যই বলতাম। (ই. ফা. ৬১৫৪, ই. সে. ৬১৯৯)
حدثنا أبو بكر بن نافع، حدثنا بهز، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال أتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ألعب مع الغلمان - قال - فسلم علينا فبعثني إلى حاجة فأبطأت على أمي فلما جئت قالت ما حبسك قلت بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة . قالت ما حاجته قلت إنها سر . قالت لا تحدثن بسر رسول الله صلى الله عليه وسلم أحدا . قال أنس والله لو حدثت به أحدا لحدثتك يا ثابت .
সহিহ মুসলিম ৬২৭৩
حدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا عارم بن الفضل، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يحدث، عن أنس بن مالك، قال أسر إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم سرا فما أخبرت به أحدا بعد . ولقد سألتني عنه أم سليم فما أخبرتها به .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে আমার নিকট বলেছিলেন। তারপর আমি কারও নিকট তা প্রকাশ করিনি এমনকি (আমার মা) উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সে ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন; কিন্তু আমি তাঁকেও তা জানায়নি। (ই. ফা. ৬১৫৫, ই. সে. ৬১৯৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গোপনীয় বিষয় সম্পর্কে আমার নিকট বলেছিলেন। তারপর আমি কারও নিকট তা প্রকাশ করিনি এমনকি (আমার মা) উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সে ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন; কিন্তু আমি তাঁকেও তা জানায়নি। (ই. ফা. ৬১৫৫, ই. সে. ৬১৯৮)
حدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا عارم بن الفضل، حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي يحدث، عن أنس بن مالك، قال أسر إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم سرا فما أخبرت به أحدا بعد . ولقد سألتني عنه أم سليم فما أخبرتها به .
সহিহ মুসলিম > ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬২৭৪
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثني مالك، عن أبي النضر، عن عامر بن سعد، قال سمعت أبي يقول، ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحى يمشي أنه في الجنة إلا لعبد الله بن سلام .
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ই. ফা. ৬১৫৬, ই. সে. ৬১৯৯)
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) ব্যতিরেকে ভূ-পৃষ্ঠে অবস্থানকারী কোন জীবিত লোকের ব্যাপারে বলতে শুনিনি যে, সে জান্নাতে বিচরণ করছে। (ই. ফা. ৬১৫৬, ই. সে. ৬১৯৯)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسحاق بن عيسى، حدثني مالك، عن أبي النضر، عن عامر بن سعد، قال سمعت أبي يقول، ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحى يمشي أنه في الجنة إلا لعبد الله بن سلام .
সহিহ মুসলিম ৬২৭৫
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن قيس بن عباد، قال كنت بالمدينة في ناس فيهم بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل في وجهه أثر من خشوع فقال بعض القوم هذا رجل من أهل الجنة هذا رجل من أهل الجنة . فصلى ركعتين يتجوز فيهما ثم خرج فاتبعته فدخل منزله ودخلت فتحدثنا فلما استأنس قلت له إنك لما دخلت قبل قال رجل كذا وكذا قال سبحان الله ما ينبغي لأحد أن يقول ما لا يعلم وسأحدثك لم ذاك رأيت رؤيا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه رأيتني في روضة - ذكر سعتها وعشبها وخضرتها - ووسط الروضة عمود من حديد أسفله في الأرض وأعلاه في السماء في أعلاه عروة . فقيل لي ارقه . فقلت له لا أستطيع . فجاءني منصف - قال ابن عون والمنصف الخادم - فقال بثيابي من خلفي - وصف أنه رفعه من خلفه بيده - فرقيت حتى كنت في أعلى العمود فأخذت بالعروة فقيل لي استمسك . فلقد استيقظت وإنها لفي يدي فقصصتها على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " تلك الروضة الإسلام وذلك العمود عمود الإسلام وتلك العروة عروة الوثقى وأنت على الإسلام حتى تموت " . قال والرجل عبد الله بن سلام .
কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এম ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাঁদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক সহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলরেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু’ রাকা‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে অনুকরণ করলাম। তিনি তাঁর গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মাসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবাহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিন নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বলরেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্নের কথা তাঁর নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এত সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু ‘আওন (রহঃ)-এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তাঁর পেছন হতে তাঁকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আঁকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগনটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সৃদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। (ই. ফা. ৬১৫৭, ই. সে. ৬২০০)
কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাদীনাতে এম ব্যক্তিদের মাঝে ছিলাম, যাঁদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতক সহাবী বিদ্যমান ছিলেন। ইত্যবসরে এক লোক এলো, যার মুখমণ্ডলে ভয়-ভীতির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। তখন লোকদের মধ্য থেকে কেউ কেউ বলরেন, এ লোক জান্নাতীদের একজন, এ লোক জান্নাতীদের একজন। তিনি সেখানে দু’ রাকা‘আত সলাত আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে অনুকরণ করলাম। তিনি তাঁর গৃহে ঢুকলেন। আমিও ঢুকলাম। এরপর আমরা আলাপচারিতায় ছিলাম। উভয়ের মধ্যে যখন অন্তরঙ্গতা তৈরি হলো তখন তাকে আমি বললাম, আপনি যখন একটু আগে (মাসজিদে) প্রবেশ করেছিলেন, তখন জনৈক লোক এরূপ এরূপ বলেছিল (এ লোক জান্নাতীদের একজন)। তিনি বললেন, সুবাহানাল্লাহ! কারো পক্ষে এমন কোন কথা বলা ঠিন নয়, যা সে অজ্ঞাত। তিনি বলরেন, আমি তোমার সাথে আলাপ করব, কেন এমন হয়? (অর্থাৎ লোকেরা কেন এ কথা বলে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একদা আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি সে স্বপ্নের কথা তাঁর নিকট প্রকাশ করেছিলাম। আমি নিজেকে একটি বাগিচায় দেখতে পাই। এ বাগানের ব্যাপকতা, উৎপন্ন ফসলাদি ও সৌন্দর্যের কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। এ বাগানের মাঝখানে একটি লৌহস্তম্ভ ছিল যার নিম্নভাগ ছিল মাটির মাঝে এবং উপরিভাগ ছিল আকাশে। এর উপরিভাগে ছিল একটি রশি। তখন আমাকে বলা হলো, তুমি এত সওয়ার হও। আমি বললাম, আমি সওয়ার হতে পারব না। তারপর একজন মিনসাফ আসলো। তিনি বলেন, ইবনু ‘আওন (রহঃ)-এর মতে মিনসাফ অর্থ খাদিম। তিনি বলেন, তিনি পশ্চাৎদিক থেকে আমার বস্ত্র ধরলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সে (খাদিম) তার হাত দিয়ে তাঁর পেছন হতে তাঁকে তুলে দিল। আমি সওয়ার হলাম, এমনকি খুঁটি বেয়ে উঠলাম, তারপর রজ্জুটি ধরলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো একে আঁকড়িয়ে ধরো। আমি যখন জেগে গেলাম, তখনও ঐ রজ্জুটি আমার হাতেই ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন, সে বাগনটি হলো ইসলাম। আর সে খুঁটিটি হলো ইসলামের খুঁটি এবং সে রজ্জুটি হলো সৃদৃঢ় রজ্জু। তুমি আমৃত্যু শক্তভাবে ইসলামের উপরে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, আর সে লোকই ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। (ই. ফা. ৬১৫৭, ই. সে. ৬২০০)
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن قيس بن عباد، قال كنت بالمدينة في ناس فيهم بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فجاء رجل في وجهه أثر من خشوع فقال بعض القوم هذا رجل من أهل الجنة هذا رجل من أهل الجنة . فصلى ركعتين يتجوز فيهما ثم خرج فاتبعته فدخل منزله ودخلت فتحدثنا فلما استأنس قلت له إنك لما دخلت قبل قال رجل كذا وكذا قال سبحان الله ما ينبغي لأحد أن يقول ما لا يعلم وسأحدثك لم ذاك رأيت رؤيا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه رأيتني في روضة - ذكر سعتها وعشبها وخضرتها - ووسط الروضة عمود من حديد أسفله في الأرض وأعلاه في السماء في أعلاه عروة . فقيل لي ارقه . فقلت له لا أستطيع . فجاءني منصف - قال ابن عون والمنصف الخادم - فقال بثيابي من خلفي - وصف أنه رفعه من خلفه بيده - فرقيت حتى كنت في أعلى العمود فأخذت بالعروة فقيل لي استمسك . فلقد استيقظت وإنها لفي يدي فقصصتها على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " تلك الروضة الإسلام وذلك العمود عمود الإسلام وتلك العروة عروة الوثقى وأنت على الإسلام حتى تموت " . قال والرجل عبد الله بن سلام .
সহিহ মুসলিম ৬২৭৬
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا قرة بن خالد، عن محمد بن سيرين، قال قال قيس بن عباد كنت في حلقة فيها سعد بن مالك وابن عمر فمر عبد الله بن سلام فقالوا هذا رجل من أهل الجنة . فقمت فقلت له إنهم قالوا كذا وكذا . قال سبحان الله ما كان ينبغي لهم أن يقولوا ما ليس لهم به علم إنما رأيت كأن عمودا وضع في روضة خضراء فنصب فيها وفي رأسها عروة وفي أسفلها منصف - والمنصف الوصيف - فقيل لي ارقه . فرقيت حتى أخذت بالعروة فقصصتها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يموت عبد الله وهو آخذ بالعروة الوثقى " .
কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক মাজলিসে ছিলাম, যেখানে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) ও উবনু ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) যাচ্ছিলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাঁকে বললাম, তাঁরা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাঁদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাঁদের ‘ইল্ম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট ‘মিনসাফ’ (দণ্ডায়মান) ছিল। মিন্সাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃমজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যুরবণ করবে। (ই.ফা. ৬১৫৮, ই.সে. ৬২০১)
কায়স ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এক মাজলিসে ছিলাম, যেখানে সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) ও উবনু ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত ছিলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) যাচ্ছিলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যক্তিটি জান্নাতীদের একজন। আমি দণ্ডায়মান হলাম এবং তাঁকে বললাম, তাঁরা আপনাকে এমন এমন বলেছেন। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! তাঁদের এমন কোন কথা ব্যক্ত করা ঠিক নয়, যে ব্যাপারে তাঁদের ‘ইল্ম নেই। একবার (স্বপ্নে) আমি দেখতে পেলাম, যেন একটি খুঁটি রাখা হয়েছে একটি সবুজ শ্যামল বাগানের মধ্যস্থলে, এর চূড়ায় একটি রজ্জু ছিল। এর নিম্নে একটি ছোট্ট ‘মিনসাফ’ (দণ্ডায়মান) ছিল। মিন্সাফ অর্থ খাদিম। তখন আমাকে বলা হলো, এতে সওয়ার হও। আমি তাতে সওয়ার হলাম। শেষ অবধি রজ্জুটি সুদৃঢ়ভাবে ধরলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তা ব্যক্ত করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃমজবুত রজ্জুটি আঁকড়ে ধরা অবস্থায় ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যুরবণ করবে। (ই.ফা. ৬১৫৮, ই.সে. ৬২০১)
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا قرة بن خالد، عن محمد بن سيرين، قال قال قيس بن عباد كنت في حلقة فيها سعد بن مالك وابن عمر فمر عبد الله بن سلام فقالوا هذا رجل من أهل الجنة . فقمت فقلت له إنهم قالوا كذا وكذا . قال سبحان الله ما كان ينبغي لهم أن يقولوا ما ليس لهم به علم إنما رأيت كأن عمودا وضع في روضة خضراء فنصب فيها وفي رأسها عروة وفي أسفلها منصف - والمنصف الوصيف - فقيل لي ارقه . فرقيت حتى أخذت بالعروة فقصصتها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يموت عبد الله وهو آخذ بالعروة الوثقى " .
সহিহ মুসলিম ৬২৭৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن سليمان بن مسهر، عن خرشة بن الحر، قال كنت جالسا في حلقة في مسجد المدينة - قال - وفيها شيخ حسن الهيئة وهو عبد الله بن سلام - قال - فجعل يحدثهم حديثا حسنا - قال - فلما قام قال القوم من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا . قال فقلت والله لأتبعنه فلأعلمن مكان بيته . قال فتبعته فانطلق حتى كاد أن يخرج من المدينة ثم دخل منزله - قال - فاستأذنت عليه فأذن لي فقال ما حاجتك يا ابن أخي قال فقلت له سمعت القوم يقولون لك لما قمت من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا . فأعجبني أن أكون معك قال الله أعلم بأهل الجنة وسأحدثك مم قالوا ذاك إني بينما أنا نائم إذ أتاني رجل فقال لي قم . فأخذ بيدي فانطلقت معه - قال - فإذا أنا بجواد عن شمالي - قال - فأخذت لآخذ فيها فقال لي لا تأخذ فيها فإنها طرق أصحاب الشمال - قال - فإذا جواد منهج على يميني فقال لي خذ ها هنا . فأتى بي جبلا فقال لي اصعد - قال - فجعلت إذا أردت أن أصعد خررت على استي - قال - حتى فعلت ذلك مرارا - قال - ثم انطلق بي حتى أتى بي عمودا رأسه في السماء وأسفله في الأرض في أعلاه حلقة فقال لي . اصعد فوق هذا . قال قلت كيف أصعد هذا ورأسه في السماء - قال - فأخذ بيدي فزجل بي - قال - فإذا أنا متعلق بالحلقة - قال - ثم ضرب العمود فخر - قال - وبقيت متعلقا بالحلقة حتى أصبحت - قال - فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه فقال " أما الطرق التي رأيت عن يسارك فهي طرق أصحاب الشمال - قال - وأما الطرق التي رأيت عن يمينك فهي طرق أصحاب اليمين وأما الجبل فهو منزل الشهداء ولن تناله وأما العمود فهو عمود الإسلام وأما العروة فهي عروة الإسلام ولن تزال متمسكا بها حتى تموت " .
খারাশাহ্ ইবনু হুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাদীনার মাসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাঁদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি [খারাশাহ্ (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তাঁর অনুসরণ করব, যাতে আমি তাঁর আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাঁকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ্ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌঁছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন আমিও তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ঘরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, এদিকে যেয়ো না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌঁছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খূঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃতুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ই.ফা. ৬১৫৯, ই.সে. ৬২০২)
খারাশাহ্ ইবনু হুর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মাদীনার মাসজিদে একটি সমাবেশে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি বলেন, সে মাজলিসে বসা ছিলেন সুন্দর চেহারার অধিকারী একজন বৃদ্ধ লোক। তিনিই ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি তাঁদের সম্মুখে ভাল ভাল কথা বলছিলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, যখন তিনি সমাবেশ হতে উঠছিলেন সে সময় ব্যক্তিরা বলল, কোন লোক যদি জান্নাতীকে দেখে আনন্দিত হতে চায় তবে যেন সে ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টিপাত করে। তিনি [খারাশাহ্ (রাঃ)] বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি তাঁর অনুসরণ করব, যাতে আমি তাঁর আবাসস্থল জানতে পারি। তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন, এরপর আমি তাঁকে অনুসরণ করলাম। তিনি রওনা হলেন এবং মাদীনাহ্ শহর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সন্নিকটবর্তী জায়গায় পৌঁছে নিজ ঘরে ঢুকলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন আমিও তাঁর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। অতঃপর বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি কি চাও? রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি যখন সমাবেশ থেকে উঠে আসছিলেন তখন আমি আপনার ব্যাপারে ব্যক্তিদের বলতে শুনেছি, যে লোক একজন জান্নাতীকে দেখে আনন্দ পেতে চায়, সে যেন এ লোকের দিকে তাকায়। তখন আমার মনে আপনার সঙ্গ লাভের আগ্রহ জাগে। তিনি বললেন, জান্নাতীদের ব্যাপারে আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। কিন্তু ব্যক্তিদের এ কথা বলার কারণ আমি তোমার নিকট উল্লেখ করছি। একবার আমি ঘুমে অচেতন ছিলাম। স্বপ্নে দেখলাম যে, জনৈক লোক আমার নিকট এসেছে। সে আমাকে বলল, দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর সে আমার হাত আঁকড়ে ধরল। আমি তার সাথে রওনা করলাম। আমি আমার বামপাশে কয়েকটি পথ দেখতে পেলাম এবং আমি সে পথ ঘরে চলতে চাইলাম। সে আমাকে বলল, এদিকে যেয়ো না। কারণ, এটা হলো বামপন্থীদের (কাফিরদের) পথ। তিনি বলেন, এরপর আমি আমার ডানপাশে কয়েকটি আলোক সরল পথ দেখতে পেলাম। এরপর সে বলল, এ রাস্তায় চলো। তিনি বলেন, অতঃপর সে আমাকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে আসলো। অতঃপর আমাকে পাহাড়ে উঠতে বলল। আমি পাহাড়ে উঠতে চেষ্টারত ছিলাম। কিন্তু পাছায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকবার এরূপ চেষ্টা করতে লাগলাম। তিনি বলেন, এরপর সে আমাকে নিয়ে রওনা হলো এবং একটি খুঁটির নিকট পৌঁছল, যার মাথা ছিল আকাশে এবং তার নিম্নভাগ ভূ-পৃষ্ঠের নীচে ছিল। খূঁটির চূড়ায় একটি কড়া ছিল। সে বলল, এর উপরে উঠো। তিনি বলেন, আমি বললাম, এতে কিভাবে চড়ব? এর মাথা তো আকাশের উপরিভাগে। তিনি বলেন, এরপর সে আমার হাত ধরল এবং আমাকে উপরে ঠেলে দিল। অকস্মাৎ আমি দেখলাম যে, আমি কড়ার সাথে ঝুলে আছি। তিনি বলেন, এরপর সে খুঁটির উপর করাঘাত করল এবং তা পড়ে গেল। তিনি বলেন, আর আমি কড়ার সাথে ঝুলে গেলাম। এভাবে আমার সকাল হলো। তিনি বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে স্বপ্নের কথা সবিস্তারে বিবরণ দিলাম। তিনি বললেনঃতুমি তোমার বামপাশে যে পথগুলো দেখেছ, তা হচ্ছে বামপন্থীদের রাস্তা এবং তোমার ডানপাশে যেসব রাস্তা দেখেছ, তা হচ্ছে আসহাবুল ইয়ামীন বা জান্নাতীগণের রাস্তা। তুমি যে পাহাড়টি দেখেছিলে তা হচ্ছে শাহীদগণের আবাসস্থল আর তা তুমি পাবে না। তুমি যে খুঁটিটি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের খুঁটি। যে কড়াটি তুমি দেখেছিলে সেটা হচ্ছে ইসলামের কড়া। আর তুমি আমৃত্যু ইসলামের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (ই.ফা. ৬১৫৯, ই.সে. ৬২০২)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ لقتيبة - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن سليمان بن مسهر، عن خرشة بن الحر، قال كنت جالسا في حلقة في مسجد المدينة - قال - وفيها شيخ حسن الهيئة وهو عبد الله بن سلام - قال - فجعل يحدثهم حديثا حسنا - قال - فلما قام قال القوم من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا . قال فقلت والله لأتبعنه فلأعلمن مكان بيته . قال فتبعته فانطلق حتى كاد أن يخرج من المدينة ثم دخل منزله - قال - فاستأذنت عليه فأذن لي فقال ما حاجتك يا ابن أخي قال فقلت له سمعت القوم يقولون لك لما قمت من سره أن ينظر إلى رجل من أهل الجنة فلينظر إلى هذا . فأعجبني أن أكون معك قال الله أعلم بأهل الجنة وسأحدثك مم قالوا ذاك إني بينما أنا نائم إذ أتاني رجل فقال لي قم . فأخذ بيدي فانطلقت معه - قال - فإذا أنا بجواد عن شمالي - قال - فأخذت لآخذ فيها فقال لي لا تأخذ فيها فإنها طرق أصحاب الشمال - قال - فإذا جواد منهج على يميني فقال لي خذ ها هنا . فأتى بي جبلا فقال لي اصعد - قال - فجعلت إذا أردت أن أصعد خررت على استي - قال - حتى فعلت ذلك مرارا - قال - ثم انطلق بي حتى أتى بي عمودا رأسه في السماء وأسفله في الأرض في أعلاه حلقة فقال لي . اصعد فوق هذا . قال قلت كيف أصعد هذا ورأسه في السماء - قال - فأخذ بيدي فزجل بي - قال - فإذا أنا متعلق بالحلقة - قال - ثم ضرب العمود فخر - قال - وبقيت متعلقا بالحلقة حتى أصبحت - قال - فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقصصتها عليه فقال " أما الطرق التي رأيت عن يسارك فهي طرق أصحاب الشمال - قال - وأما الطرق التي رأيت عن يمينك فهي طرق أصحاب اليمين وأما الجبل فهو منزل الشهداء ولن تناله وأما العمود فهو عمود الإسلام وأما العروة فهي عروة الإسلام ولن تزال متمسكا بها حتى تموت " .
সহিহ মুসলিম > হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত
সহিহ মুসলিম ৬২৭৮
حدثنا عمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، كلهم عن سفيان، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن عمر، مر بحسان وهو ينشد الشعر في المسجد فلحظ إليه فقال قد كنت أنشد وفيه من هو خير منك . ثم التفت إلى أبي هريرة فقال أنشدك الله أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أجب عني اللهم أيده بروح القدس " . قال اللهم نعم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার ‘উমার (রাঃ) হাস্সান (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মাসজিদে কবিতা আবৃত্তিতে মত্ত ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর দিকে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মাসজিদে আমি কবিতা আবৃত্তি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিব্রীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।” আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ই.ফা. ৬১৬০, ই.সে. ৬২০৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার ‘উমার (রাঃ) হাস্সান (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। তিনি তখন মাসজিদে কবিতা আবৃত্তিতে মত্ত ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁর দিকে তাকালেন। তখন তিনি বললেন, এমন অবস্থায় মাসজিদে আমি কবিতা আবৃত্তি করছিলাম, যখন তাতে আপনার চাইতে ভাল লোক উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, “তুমি আমার পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাকে পবিত্র আত্মা (জিব্রীল) দ্বারা সহযোগিতা করো।” আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, “ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ।” (ই.ফা. ৬১৬০, ই.সে. ৬২০৩)
حدثنا عمرو الناقد، وإسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، كلهم عن سفيان، قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن عمر، مر بحسان وهو ينشد الشعر في المسجد فلحظ إليه فقال قد كنت أنشد وفيه من هو خير منك . ثم التفت إلى أبي هريرة فقال أنشدك الله أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أجب عني اللهم أيده بروح القدس " . قال اللهم نعم .
সহিহ মুসলিম ৬২৭৯
حدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، أن حسان، قال في حلقة فيهم أبو هريرة أنشدك الله يا أبا هريرة أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر مثله .
ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-সহ সহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরায়রা্! আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৬১, ই.সে. ৬২০৪)
ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার হাস্সান (রাঃ) আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-সহ সহাবীদের এক মাজলিসে বলেছিলেন, হে আবূ হুরায়রা্! আল্লাহর শপথ! আপনি কি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তারপর তিনি উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৬১৬১, ই.সে. ৬২০৪)
حدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، أن حسان، قال في حلقة فيهم أبو هريرة أنشدك الله يا أبا هريرة أسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر مثله .
সহিহ মুসলিম ৬২৮০
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة أنشدك الله هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " يا حسان أجب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم أيده بروح القدس " . قال أبو هريرة نعم .
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাস্সান ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-কে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরায়রা্! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাস্সান! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাঁকে রূহুল কুদুসের (জিব্রীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আচ্ছা। (ই.ফা. ৬১৬২, ই.সে. ৬২০৫)
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাস্সান ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-কে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-কে সাক্ষী করতে শুনেছেন যে, হে আবূ হুরায়রা্! আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি, আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, হে হাস্সান! তুমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে উত্তর দাও। হে আল্লাহ! তাঁকে রূহুল কুদুসের (জিব্রীলের) মাধ্যমে সাহায্য করুন। তখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বললেন, আচ্ছা। (ই.ফা. ৬১৬২, ই.সে. ৬২০৫)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أنه سمع حسان بن ثابت الأنصاري، يستشهد أبا هريرة أنشدك الله هل سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " يا حسان أجب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم اللهم أيده بروح القدس " . قال أبو هريرة نعم .
সহিহ মুসলিম ৬২৮১
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت البراء بن عازب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان بن ثابت " اهجهم أو هاجهم وجبريل معك " .
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিব্রীল (‘আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৬)
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাস্সান ইবনু সাবিতের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা রচনা করো কিংবা বলেছেন, তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিব্রীল (‘আঃ) তোমার সাথে আছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৬)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - قال سمعت البراء بن عازب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان بن ثابت " اهجهم أو هاجهم وجبريل معك " .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৭
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يحيى بن زكرياء، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال حسان يا رسول الله ائذن لي في أبي سفيان قال " كيف بقرابتي منه " . قال والذي أكرمك لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من الخمير . فقال حسان وإن سنام المجد من آل هاشم بنو بنت مخزوم ووالدك العبد قصيدته هذه .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাস্সান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে আবূ সুফ্ইয়ানের তিরস্কার করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, কিভাবে অনুমতি দিব? তার সাথে আমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে? তখন তিনি বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আটার খামির হতে যেভাবে চুল আলাদা করে নেয়া হয়, আমি ঠিক সেভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব। তারপর হাস্সান (রাঃ) বললেন: “মান-সম্মান ও আভিজাত্য বানূ হাশিমের বংশধরদের মাঝে বিনতু মাখযুমের সন্তানদের জন্য এবং তোমার পিতা তো দাস ছিল।” এ হলো তার কাসীদাহ্ (দীর্ঘ কবিতা)। (ই.ফা. ৬১৬৮, ই.সে. ৬২১২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাস্সান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে আবূ সুফ্ইয়ানের তিরস্কার করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, কিভাবে অনুমতি দিব? তার সাথে আমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে? তখন তিনি বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আটার খামির হতে যেভাবে চুল আলাদা করে নেয়া হয়, আমি ঠিক সেভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব। তারপর হাস্সান (রাঃ) বললেন: “মান-সম্মান ও আভিজাত্য বানূ হাশিমের বংশধরদের মাঝে বিনতু মাখযুমের সন্তানদের জন্য এবং তোমার পিতা তো দাস ছিল।” এ হলো তার কাসীদাহ্ (দীর্ঘ কবিতা)। (ই.ফা. ৬১৬৮, ই.সে. ৬২১২)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا يحيى بن زكرياء، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال حسان يا رسول الله ائذن لي في أبي سفيان قال " كيف بقرابتي منه " . قال والذي أكرمك لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من الخمير . فقال حسان وإن سنام المجد من آل هاشم بنو بنت مخزوم ووالدك العبد قصيدته هذه .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৫
حدثني بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال دخلت على عائشة وعندها حسان بن ثابت ينشدها شعرا يشبب بأبيات له فقال حصان رزان ما تزن بريبة وتصبح غرثى من لحوم الغوافل فقالت له عائشة لكنك لست كذلك . قال مسروق فقلت لها لم تأذنين له يدخل عليك وقد قال الله { والذي تولى كبره منهم له عذاب عظيم} فقالت فأى عذاب أشد من العمى إنه كان ينافح أو يهاجي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরূক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (‘আয়িশাহ্কে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”- (সূরাহ্ আন্ নূর ২৪:১১)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৬, ই.সে. ৬২১০)
মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন। মাসরূক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (‘আয়িশাহ্কে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকার অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”- (সূরাহ্ আন্ নূর ২৪:১১)। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৬, ই.সে. ৬২১০)
حدثني بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، عن سليمان، عن أبي الضحى، عن مسروق، قال دخلت على عائشة وعندها حسان بن ثابت ينشدها شعرا يشبب بأبيات له فقال حصان رزان ما تزن بريبة وتصبح غرثى من لحوم الغوافل فقالت له عائشة لكنك لست كذلك . قال مسروق فقلت لها لم تأذنين له يدخل عليك وقد قال الله { والذي تولى كبره منهم له عذاب عظيم} فقالت فأى عذاب أشد من العمى إنه كان ينافح أو يهاجي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৯
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني خالد بن يزيد، حدثني سعيد بن أبي هلال، عن عمارة بن غزية، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، بن عبد الرحمن عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اهجوا قريشا فإنه أشد عليها من رشق بالنبل " . فأرسل إلى ابن رواحة فقال " اهجهم " . فهجاهم فلم يرض فأرسل إلى كعب بن مالك ثم أرسل إلى حسان بن ثابت فلما دخل عليه قال حسان قد آن لكم أن ترسلوا إلى هذا الأسد الضارب بذنبه ثم أدلع لسانه فجعل يحركه فقال والذي بعثك بالحق لأفرينهم بلساني فرى الأديم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تعجل فإن أبا بكر أعلم قريش بأنسابها - وإن لي فيهم نسبا - حتى يلخص لك نسبي " . فأتاه حسان ثم رجع فقال يا رسول الله قد لخص لي نسبك والذي بعثك بالحق لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من العجين . قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان " إن روح القدس لا يزال يؤيدك ما نافحت عن الله ورسوله " . وقالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " هجاهم حسان فشفى واشتفى " . قال حسان هجوت محمدا فأجبت عنه وعند الله في ذاك الجزاء هجوت محمدا برا تقيا رسول الله شيمته الوفاء فإن أبي ووالده وعرضي لعرض محمد منكم وقاء ثكلت بنيتي إن لم تروها تثير النقع من كنفى كداء يبارين الأعنة مصعدات على أكتافها الأسل الظماء تظل جيادنا متمطرات تلطمهن بالخمر النساء فإن أعرضتمو عنا اعتمرنا وكان الفتح وانكشف الغطاء وإلا فاصبروا لضراب يوم يعز الله فيه من يشاء وقال الله قد أرسلت عبدا يقول الحق ليس به خفاء وقال الله قد يسرت جندا هم الأنصار عرضتها اللقاء لنا في كل يوم من معد سباب أو قتال أو هجاء فمن يهجو رسول الله منكم ويمدحه وينصره سواء وجبريل رسول الله فينا وروح القدس ليس له كفاء
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কুরায়শদের বিপক্ষে তোমরা বিদ্রূপ কবিতা তৈরি কর। কারণ, তা তাদের বিপক্ষে তীর ছোড়ার চেয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী। তারপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর নিকট জনৈক লোককে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, ওদের বিপক্ষে বিদ্রূপ করে কবিতা তৈরি কর। অতঃপর তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনা করলেন। কিন্তু তাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তখন তিনি কা‘ব ইবনু মালিককে ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি হাস্সান ইবনু সাবিতের নিকট এক ব্যক্তি প্রেরণ করলেন। সে যখন তার নিকট গেল তখন হাস্সান (রাঃ) বললেন, তোমাদের জন্য সঠিক সময় হয়েছে যে, তোমরা সে সিংহকে ডেকে পাঠিয়েছ, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে দেয়। তারপর তিনি তার জিহ্বা বের করে নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, তিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি আমার জিহ্বার মাধ্যমে তাদেরকে এমনভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিব, যেমনভাবে হিংস্র বাঘ তার থাবা দিয়ে চামড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাস্সান! তুমি তাড়াতাড়ি করো না। কারণ আবূ বকর (রাঃ) কুরায়শদের বংশ তালিকা সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কেননা, তাদের সাথে আমারও আত্মীয়তার বন্ধন বিদ্যমান। অতএব তিনি এসে আমার বংশ তোমাকে আলাদা করে বলে দিবেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) তাঁর [আবূ বকর (রাঃ)]-এর নিকট গেলেন এবং (বংশ তালিকা সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়ে) ফিরে এলেন। সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আমি আপনাকে তাদের মাঝখান হতে এমন সুকৌশলে বের করে আনব, যেমনভাবে আটার খামির থেকে সূক্ষ্ম চুল বের করা হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাস্সান-এর ব্যাপারে বলতে শুনেছি যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ হতে কাফিরদের দাঁতভাঙ্গা উত্তর দিতে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ‘রূহুল কুদুস’ অর্থাৎ-জিব্রীল (‘আঃ) সারাক্ষণ তোমাকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। আর তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাস্সান তাদের (কাফিরদের বিরুদ্ধে) ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি এনে দিলেন এবং কাফিরদের মান-সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেন। হাস্সান (রাঃ) বললেন: তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্নাম করছ, আর আমি তাঁর পক্ষ হতে জবাব দিচ্ছি। এর পুরস্কার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। তুমি দুর্নাম করছ এমন মুহাম্মাদের, যিনি নেক লোক, সর্বশ্রেষ্ঠ পরেহযগার; তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল, যাঁর চরিত্র মাধুর্য অনুপম। আমার পিতা-মাতা আমার ইয্যত-আবরু মুহাম্মাদের সম্মানের খাতিরে উৎসর্গিত হোক। আমি শপথ করে বলছি, কাদ্দা নামক পাহাড়ের দু’পান্তে (মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর) বিজয় ধূলি উড়বে তা তোমরা দেখতে পাবে, কিংবা আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব। আনসারগণ পর্বত শৃঙ্গ থেকে কাঁধে ধারণ করবেন বর্শা এবং তাঁরা থাকবেন তৃষ্ণা-কাতর জানোয়ারের মতো ওঁৎ পেতে (অর্থাৎ- আনসারগণ শত্রু মুকাবিলায় সতত প্রস্তুত থাকেন)। আমাদের অশ্বারোহীরা এত দ্রুতবেগে চলে যেন মুষলধারে বারি বর্ষিত হচ্ছে। আর নারীরা তা হতে মুক্ত হওয়ার জন্যে পর্দা করে তাদের মুখমণ্ডল ঢেকে নিচ্ছে। তোমরা যদি আমাদের (ইসলামের) বিমুখ হও, তাহলেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়বে আর অন্ধকার চিরদিনের জন্য বিদূরিত হয়ে যাবে। কিংবা তোমরা অপেক্ষায় থাকো ঐ সময়ের, যেদিন মুসলিমদের সঙ্গে কাফিরদের মুকাবিলা হবে; আর সেদিন আল্লাহ যাকে চান বিজয় মালা পরাবেন। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, আমি আমার বান্দাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি; আর তিনি সবসময় লোকদের সত্যের দিকে ডাকেন, যাঁর মধ্যে নেই কোন কপটতা, অস্পষ্টতা। আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন, আমি এমন মুজাহিদদের মদদ করি, যারা আনসার এবং যাদের একমাত্র লক্ষ হচ্ছে শত্রু মুকাবিলা করা। প্রত্যহ তারা শত্রু মুকাবিলায় থাকে সতত প্রস্তুত। কক্ষনো বা গাল-মন্দ, যুদ্ধ-বিগ্রহ অথবা নিন্দাবাদ দ্বারা। তোমাদের মাঝে এমন কারো দুঃসাহস আছে যে, আল্লাহর রসূলের বিদ্রূপ করে; অথচ মাখলুকাত ব্যতীতও এক মহান সত্তা রয়েছেন, যিনি তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সহায়ক। জিব্রীল(‘আঃ) আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে নির্বাচিত সম্মানিক বাণীবাহক (দূত) এবং তিনি রূহুল কুদুস (পূতঃ-পবিত্র আত্মা) যাঁর সাদৃশ্য ফেরেশ্তাকুলে দ্বিতীয় কেউ নেই। (ই.ফা. ৬১৭০, ই.সে. ৬২১৪)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: কুরায়শদের বিপক্ষে তোমরা বিদ্রূপ কবিতা তৈরি কর। কারণ, তা তাদের বিপক্ষে তীর ছোড়ার চেয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী। তারপর তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহাহ্ (রাঃ)-এর নিকট জনৈক লোককে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, ওদের বিপক্ষে বিদ্রূপ করে কবিতা তৈরি কর। অতঃপর তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনা করলেন। কিন্তু তাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তখন তিনি কা‘ব ইবনু মালিককে ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি হাস্সান ইবনু সাবিতের নিকট এক ব্যক্তি প্রেরণ করলেন। সে যখন তার নিকট গেল তখন হাস্সান (রাঃ) বললেন, তোমাদের জন্য সঠিক সময় হয়েছে যে, তোমরা সে সিংহকে ডেকে পাঠিয়েছ, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে দেয়। তারপর তিনি তার জিহ্বা বের করে নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, তিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি আমার জিহ্বার মাধ্যমে তাদেরকে এমনভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিব, যেমনভাবে হিংস্র বাঘ তার থাবা দিয়ে চামড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃহে হাস্সান! তুমি তাড়াতাড়ি করো না। কারণ আবূ বকর (রাঃ) কুরায়শদের বংশ তালিকা সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কেননা, তাদের সাথে আমারও আত্মীয়তার বন্ধন বিদ্যমান। অতএব তিনি এসে আমার বংশ তোমাকে আলাদা করে বলে দিবেন। তারপর হাস্সান (রাঃ) তাঁর [আবূ বকর (রাঃ)]-এর নিকট গেলেন এবং (বংশ তালিকা সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়ে) ফিরে এলেন। সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আমি আপনাকে তাদের মাঝখান হতে এমন সুকৌশলে বের করে আনব, যেমনভাবে আটার খামির থেকে সূক্ষ্ম চুল বের করা হয়। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাস্সান-এর ব্যাপারে বলতে শুনেছি যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ হতে কাফিরদের দাঁতভাঙ্গা উত্তর দিতে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ‘রূহুল কুদুস’ অর্থাৎ-জিব্রীল (‘আঃ) সারাক্ষণ তোমাকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। আর তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাস্সান তাদের (কাফিরদের বিরুদ্ধে) ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি এনে দিলেন এবং কাফিরদের মান-সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেন। হাস্সান (রাঃ) বললেন: তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুর্নাম করছ, আর আমি তাঁর পক্ষ হতে জবাব দিচ্ছি। এর পুরস্কার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। তুমি দুর্নাম করছ এমন মুহাম্মাদের, যিনি নেক লোক, সর্বশ্রেষ্ঠ পরেহযগার; তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল, যাঁর চরিত্র মাধুর্য অনুপম। আমার পিতা-মাতা আমার ইয্যত-আবরু মুহাম্মাদের সম্মানের খাতিরে উৎসর্গিত হোক। আমি শপথ করে বলছি, কাদ্দা নামক পাহাড়ের দু’পান্তে (মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর) বিজয় ধূলি উড়বে তা তোমরা দেখতে পাবে, কিংবা আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব। আনসারগণ পর্বত শৃঙ্গ থেকে কাঁধে ধারণ করবেন বর্শা এবং তাঁরা থাকবেন তৃষ্ণা-কাতর জানোয়ারের মতো ওঁৎ পেতে (অর্থাৎ- আনসারগণ শত্রু মুকাবিলায় সতত প্রস্তুত থাকেন)। আমাদের অশ্বারোহীরা এত দ্রুতবেগে চলে যেন মুষলধারে বারি বর্ষিত হচ্ছে। আর নারীরা তা হতে মুক্ত হওয়ার জন্যে পর্দা করে তাদের মুখমণ্ডল ঢেকে নিচ্ছে। তোমরা যদি আমাদের (ইসলামের) বিমুখ হও, তাহলেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়বে আর অন্ধকার চিরদিনের জন্য বিদূরিত হয়ে যাবে। কিংবা তোমরা অপেক্ষায় থাকো ঐ সময়ের, যেদিন মুসলিমদের সঙ্গে কাফিরদের মুকাবিলা হবে; আর সেদিন আল্লাহ যাকে চান বিজয় মালা পরাবেন। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, আমি আমার বান্দাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি; আর তিনি সবসময় লোকদের সত্যের দিকে ডাকেন, যাঁর মধ্যে নেই কোন কপটতা, অস্পষ্টতা। আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন, আমি এমন মুজাহিদদের মদদ করি, যারা আনসার এবং যাদের একমাত্র লক্ষ হচ্ছে শত্রু মুকাবিলা করা। প্রত্যহ তারা শত্রু মুকাবিলায় থাকে সতত প্রস্তুত। কক্ষনো বা গাল-মন্দ, যুদ্ধ-বিগ্রহ অথবা নিন্দাবাদ দ্বারা। তোমাদের মাঝে এমন কারো দুঃসাহস আছে যে, আল্লাহর রসূলের বিদ্রূপ করে; অথচ মাখলুকাত ব্যতীতও এক মহান সত্তা রয়েছেন, যিনি তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সহায়ক। জিব্রীল(‘আঃ) আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে নির্বাচিত সম্মানিক বাণীবাহক (দূত) এবং তিনি রূহুল কুদুস (পূতঃ-পবিত্র আত্মা) যাঁর সাদৃশ্য ফেরেশ্তাকুলে দ্বিতীয় কেউ নেই। (ই.ফা. ৬১৭০, ই.সে. ৬২১৪)
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني خالد بن يزيد، حدثني سعيد بن أبي هلال، عن عمارة بن غزية، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، بن عبد الرحمن عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اهجوا قريشا فإنه أشد عليها من رشق بالنبل " . فأرسل إلى ابن رواحة فقال " اهجهم " . فهجاهم فلم يرض فأرسل إلى كعب بن مالك ثم أرسل إلى حسان بن ثابت فلما دخل عليه قال حسان قد آن لكم أن ترسلوا إلى هذا الأسد الضارب بذنبه ثم أدلع لسانه فجعل يحركه فقال والذي بعثك بالحق لأفرينهم بلساني فرى الأديم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تعجل فإن أبا بكر أعلم قريش بأنسابها - وإن لي فيهم نسبا - حتى يلخص لك نسبي " . فأتاه حسان ثم رجع فقال يا رسول الله قد لخص لي نسبك والذي بعثك بالحق لأسلنك منهم كما تسل الشعرة من العجين . قالت عائشة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لحسان " إن روح القدس لا يزال يؤيدك ما نافحت عن الله ورسوله " . وقالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " هجاهم حسان فشفى واشتفى " . قال حسان هجوت محمدا فأجبت عنه وعند الله في ذاك الجزاء هجوت محمدا برا تقيا رسول الله شيمته الوفاء فإن أبي ووالده وعرضي لعرض محمد منكم وقاء ثكلت بنيتي إن لم تروها تثير النقع من كنفى كداء يبارين الأعنة مصعدات على أكتافها الأسل الظماء تظل جيادنا متمطرات تلطمهن بالخمر النساء فإن أعرضتمو عنا اعتمرنا وكان الفتح وانكشف الغطاء وإلا فاصبروا لضراب يوم يعز الله فيه من يشاء وقال الله قد أرسلت عبدا يقول الحق ليس به خفاء وقال الله قد يسرت جندا هم الأنصار عرضتها اللقاء لنا في كل يوم من معد سباب أو قتال أو هجاء فمن يهجو رسول الله منكم ويمدحه وينصره سواء وجبريل رسول الله فينا وروح القدس ليس له كفاء
সহিহ মুসলিম ৬২৮২
حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد مثله .
শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৭)
শু‘বাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬১৬৩, ই.সে. ৬২০৭)
حدثنيه زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثني أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৪
حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৬১৬৫, ই.সে. ৬২০৯)
حدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، أن حسان بن ثابت، كان ممن كثر على عائشة فسببته فقالت يا ابن أختي دعه فإنه كان ينافح عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
হিশাম (রহঃ) হতে তার পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যাঁরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাকে ভর্ৎসনা করেছিলাম। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৪, ই.সে. ৬২০৮)
হিশাম (রহঃ) হতে তার পিতার সানাদ থেকে বর্নিতঃ
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যাঁরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাকে ভর্ৎসনা করেছিলাম। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন। (ই.ফা. ৬১৬৪, ই.সে. ৬২০৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، أن حسان بن ثابت، كان ممن كثر على عائشة فسببته فقالت يا ابن أختي دعه فإنه كان ينافح عن رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৬
حدثناه ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، في هذا الإسناد وقال قالت كان يذب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر حصان رزان .
শু‘বাহ সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তিনি রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় ………. (পবিত্র) ও …………. (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৬৭, ই.সে. ৬২১১)
শু‘বাহ সূত্রে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তিনি রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় ………. (পবিত্র) ও …………. (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৬১৬৭, ই.সে. ৬২১১)
حدثناه ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، في هذا الإسناد وقال قالت كان يذب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر حصان رزان .
সহিহ মুসলিম ৬২৮৮
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد قالت استأذن حسان بن ثابت النبي صلى الله عليه وسلم في هجاء المشركين . ولم يذكر أبا سفيان وقال بدل الخمير العجين .
হিশাম উবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ)-এর এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা রচনার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাঁরা এ বর্ণনায় আবূ সুফ্ইয়ানের কথা বর্ণনা করেননি। ‘আবদার বর্ণনায় ……. . . (আটার খামির)-এর স্থলে ………. (ঘোলা আটা) আছে। (ই.ফা. ৬১৬৯, ই.সে. ৬২১৩)
হিশাম উবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ)-এর এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা রচনার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাঁরা এ বর্ণনায় আবূ সুফ্ইয়ানের কথা বর্ণনা করেননি। ‘আবদার বর্ণনায় ……. . . (আটার খামির)-এর স্থলে ………. (ঘোলা আটা) আছে। (ই.ফা. ৬১৬৯, ই.সে. ৬২১৩)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبدة، حدثنا هشام بن عروة، بهذا الإسناد قالت استأذن حسان بن ثابت النبي صلى الله عليه وسلم في هجاء المشركين . ولم يذكر أبا سفيان وقال بدل الخمير العجين .