সহিহ মুসলিম > উম্মু যার্’ই-এর হাদীস

সহিহ মুসলিম ৬১৯৯

حدثنا علي بن حجر السعدي، وأحمد بن جناب، كلاهما عن عيسى، - واللفظ لابن حجر - حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا هشام بن عروة، عن أخيه عبد الله بن عروة، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت جلس إحدى عشرة امرأة فتعاهدن وتعاقدن أن لا يكتمن من أخبار أزواجهن شيئا قالت الأولى زوجي لحم جمل غث على رأس جبل وعر لا سهل فيرتقى ولا سمين فينتقل ‏.‏ قالت الثانية زوجي لا أبث خبره إني أخاف أن لا أذره إن أذكره أذكر عجره وبجره ‏.‏ قالت الثالثة زوجي العشنق إن أنطق أطلق وإن أسكت أعلق ‏.‏ قالت الرابعة زوجي كليل تهامة لا حر ولا قر ولا مخافة ولا سآمة ‏.‏ قالت الخامسة زوجي إن دخل فهد وإن خرج أسد ولا يسأل عما عهد ‏.‏ قالت السادسة زوجي إن أكل لف وإن شرب اشتف وإن اضطجع التف ولا يولج الكف ليعلم البث ‏.‏ قالت السابعة زوجي غياياء أو عياياء طباقاء كل داء له داء شجك أو فلك أو جمع كلا لك ‏.‏ قالت الثامنة زوجي الريح ريح زرنب والمس مس أرنب ‏.‏ قالت التاسعة زوجي رفيع العماد طويل النجاد عظيم الرماد قريب البيت من النادي ‏.‏ قالت العاشرة زوجي مالك وما مالك مالك خير من ذلك له إبل كثيرات المبارك قليلات المسارح إذا سمعن صوت المزهر أيقن أنهن هوالك ‏.‏ قالت الحادية عشرة زوجي أبو زرع فما أبو زرع أناس من حلي أذنى وملأ من شحم عضدى وبجحني فبجحت إلى نفسي وجدني في أهل غنيمة بشق فجعلني في أهل صهيل وأطيط ودائس ومنق فعنده أقول فلا أقبح وأرقد فأتصبح وأشرب فأتقنح ‏.‏ أم أبي زرع فما أم أبي زرع عكومها رداح وبيتها فساح ‏.‏ ابن أبي زرع فما ابن أبي زرع مضجعه كمسل شطبة ويشبعه ذراع الجفرة ‏.‏ بنت أبي زرع فما بنت أبي زرع طوع أبيها وطوع أمها وملء كسائها وغيظ جارتها ‏.‏ جارية أبي زرع فما جارية أبي زرع لا تبث حديثنا تبثيثا ولا تنقث ميرتنا تنقيثا ولا تملأ بيتنا تعشيشا ‏.‏ قالت خرج أبو زرع والأوطاب تمخض فلقي امرأة معها ولدان لها كالفهدين يلعبان من تحت خصرها برمانتين فطلقني ونكحها فنكحت بعده رجلا سريا ركب شريا وأخذ خطيا وأراح على نعما ثريا وأعطاني من كل رائحة زوجا ‏.‏ قال كلي أم زرع وميري أهلك فلو جمعت كل شىء أعطاني ما بلغ أصغر آنية أبي زرع ‏.‏ قالت عائشة قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كنت لك كأبي زرع لأم زرع ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এগারজন মহিলা একত্রে বসে অঙ্গীকার ও চুক্তিবদ্ধ হলো যে, তারা নিজ নিজ স্বামীর বিষয়ে কিছুই গোপন করবে না। প্রথম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী দূর্বল উটের গোশতের মতো, যা দূর্গম এক পর্বতের চুঁড়ায় রক্ষিত। না ওখানে আরোহন করা সম্ভব আর না এমন মোটা তাজা যা সংরক্ষণ করা যায়। দ্বিতীয় মহিলা বললোঃ আমি আমার স্বামীর সংবাদ প্রকাশ করতে পারব না। আমার আশঙ্কা হয়, আমি তাকে ছেড়ে না দেই। আমি যদি তার বর্ণনা দিতে যাই তবে তার প্রকাশ্য ও গোপনীয় সব ত্রুটিই উল্লেখ করতে হবে। তৃতীয় মহিলা বললোঃ আমার স্বামী খুব লম্বা। ওর ত্রুটি বললে আমি ত্যাজ্য হবো, আর চুপ থাকলে ঝুলে থাকব। চতুর্থ মহিলা বললোঃ আমার স্বামী ‘তিহামাহ্’-এর রাত্রের মতো। নাতিশীতোষ্ণ (গরমও নয় আর ঠাণ্ডাও নয়) ভয়ও নেই, ক্লান্তিও নেই। পঞ্চম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী যখন গৃহে প্রবেশ করে তখন চিতা বাঘ, আর যখন বাইরে যায় তখন সিংহ। সংরক্ষিত ধন-সম্পদ নিয়ে সে কোন প্রশ্ন করে না। ষষ্ঠ মহিলা বললঃ আমার স্বামী খেতে বসলে সব খেয়ে ফেলে, পান করলে একেবারে শেষ করে ফেলে। আর ঘুমাতে গেলে একেবারে হাত পা গুটিয়ে নেয়। আমার প্রতি হাত বাড়ায় না, যাতে আমার অবস্থা বুঝতে পারে। সপ্তম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী বোকা, অক্ষম ও বোবার মতো। সব ত্রুটিই তার মধ্যে বিদ্যমান। ইচ্ছা করলে তোমার মাথায় আঘাত করবে কিংবা গায়ে মারবে অথবা উভয়টিই একত্রে সংঘটিত করবে। অষ্টম মহিলা বললোঃ আমার স্বামীর ‘যারনাব’ নামক সুগন্ধির মতো, তার খরগোশের স্পর্শের ন্যায় কোমল। নবম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী এমন যার প্রাসাদের খুঁটিগুলো সুউচ্চ, তারবারির খাপগুলো দীর্ঘ, বাড়ীর উঠোনে অধিক ছাই। মাজলিসের পাশেই তার গৃহ। দশম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী ‘মালিক’। আর মালিক-এর কথা কি বলব, আমর এ প্রশংসার চেয়ে তিনি আরো শ্রেষ্ঠ। তার রয়েছে অনেক উট, উটশালায় উটের সংখ্যা অনেক, তবে চারণভূমিতে তার সংখ্যা কম। উটেরা যখন বাদ্য-বাজনার উওয়াজ শোনে তখন নিজেদের যাবাহের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে পড়ে। একাদশ মহিলা বললোঃ আমার স্বামীর নাম আবূ যার্‘ই। কী চমৎকার আবূ যার্‘ই। অলংকার দিয়ে সে আমার দু’কান ঝুলিয়ে দিয়েছে, বাহুদ্বয় ভরপুর করেছে চর্বিতে। আমাকে মর্যাদা দিয়েছে, আমিও নিজেকে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করছি। সে আমাকে পাহাড়ের কিনারায় ভেড়া ও বকরীওয়ালাদের ভিতরে পেয়েছিল। তারপর সে আমাকে উট, ঘোড়া, জমি-জমা ও ফসল ফসলাদির অধিকারী বানিয়েছে। তার নিকট আমি কথা বললে সে তা ফেলে না। আমি শুইলে ভোর পর্যন্ত শুয়ে থাকি আর পান করলে আত্মতৃপ্ত লাভ করি। আবূ যার্‘ই-এর মা, কতই না ভালো আবূ যার্‘ই-এর মা। তাঁর সম্পদ-কোষ অনেক বড় আকারের। তাঁর কুঠরী প্রশস্ত। আবূ যার্‘ই-এর ছেলে, কতো ভালো আবূ যার্‘ই-এর ছেলে, তার শয্যা যেন তলোয়ারের কোষ। বকরির একটি হাতা খেয়েই সে তৃপ্তি বোধ করে। আবূ যার্‘ই-এর মেয়ে, কতই না ভাল আবূ যার্‘ই-এর মেয়ে। সে তার বাবা মায়ের অনুগত। পোশাক পরিচ্ছদে ভরপুর তার প্রতিবেশীদের ঈর্ষার পাত্র। আবূ যার্‘ই-এর দাসী। কতই না ভালো আবূ যার্‘ই-এর দাসী। আমাদের কথা বলে বেড়ায় না। আমাদের খাদ্য বিনষ্ট করে না, বাড়ী-ঘর ময়লাস্তুপে পরিণত করে না। উম্মু যার্‘ই বলেন, একদিন আবূ যার্‘ই বাইরে বের হলেন। তখন আমাদের অবস্থা ছিল এই যে, বড় বড় দুধের মাখন উঠিয়ে নেয়া হত। সে সময় জনৈক নারীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তার সঙ্গে ছিল দু’টো শিশু। শিশু দু’টো ছিল দু’টো চিতার মতো। তারা তার কোলের নীচ দিয়ে দু’টি ডালিম নিয়ে খেলা করছিল। তখন আবূ যার্‘ই আমাকে তালাক দেয় এবং সে মহিলাকে বিবাহ করে। এরপর আমি জনৈক লোককে বিয়ে করলাম। সে ছিল সরদার, খুব ভালো ঘোড় সওয়ার ও বর্শা ধারণকারী। সে আমার আস্তাবলে বহু চতুষ্পদ জন্তু জড়ো করে। প্রত্যেক প্রকার হতে সে আমাকে একেক জোড়া দান করে এবং সে আমাকে বলে, হে উম্মু যার্‘ই! তুমি খাও এং তোমার আপনজনকে বিলিয়ে দাও। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী আমায় যা কিছু দিয়েছে তার সব যদি জমা করি তবুও আবূ যার্‘ই-এর ছোট্ট একটি পাত্রের সমতুল্য হবে না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃতোমার জন্য আমি উম্মু যার্‘ই-এর জন্য আবূ যার্‘ই-এর ন্যায়। (ই.ফা. ৬০৮৫, ই.সে. ৬১২৪)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এগারজন মহিলা একত্রে বসে অঙ্গীকার ও চুক্তিবদ্ধ হলো যে, তারা নিজ নিজ স্বামীর বিষয়ে কিছুই গোপন করবে না। প্রথম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী দূর্বল উটের গোশতের মতো, যা দূর্গম এক পর্বতের চুঁড়ায় রক্ষিত। না ওখানে আরোহন করা সম্ভব আর না এমন মোটা তাজা যা সংরক্ষণ করা যায়। দ্বিতীয় মহিলা বললোঃ আমি আমার স্বামীর সংবাদ প্রকাশ করতে পারব না। আমার আশঙ্কা হয়, আমি তাকে ছেড়ে না দেই। আমি যদি তার বর্ণনা দিতে যাই তবে তার প্রকাশ্য ও গোপনীয় সব ত্রুটিই উল্লেখ করতে হবে। তৃতীয় মহিলা বললোঃ আমার স্বামী খুব লম্বা। ওর ত্রুটি বললে আমি ত্যাজ্য হবো, আর চুপ থাকলে ঝুলে থাকব। চতুর্থ মহিলা বললোঃ আমার স্বামী ‘তিহামাহ্’-এর রাত্রের মতো। নাতিশীতোষ্ণ (গরমও নয় আর ঠাণ্ডাও নয়) ভয়ও নেই, ক্লান্তিও নেই। পঞ্চম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী যখন গৃহে প্রবেশ করে তখন চিতা বাঘ, আর যখন বাইরে যায় তখন সিংহ। সংরক্ষিত ধন-সম্পদ নিয়ে সে কোন প্রশ্ন করে না। ষষ্ঠ মহিলা বললঃ আমার স্বামী খেতে বসলে সব খেয়ে ফেলে, পান করলে একেবারে শেষ করে ফেলে। আর ঘুমাতে গেলে একেবারে হাত পা গুটিয়ে নেয়। আমার প্রতি হাত বাড়ায় না, যাতে আমার অবস্থা বুঝতে পারে। সপ্তম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী বোকা, অক্ষম ও বোবার মতো। সব ত্রুটিই তার মধ্যে বিদ্যমান। ইচ্ছা করলে তোমার মাথায় আঘাত করবে কিংবা গায়ে মারবে অথবা উভয়টিই একত্রে সংঘটিত করবে। অষ্টম মহিলা বললোঃ আমার স্বামীর ‘যারনাব’ নামক সুগন্ধির মতো, তার খরগোশের স্পর্শের ন্যায় কোমল। নবম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী এমন যার প্রাসাদের খুঁটিগুলো সুউচ্চ, তারবারির খাপগুলো দীর্ঘ, বাড়ীর উঠোনে অধিক ছাই। মাজলিসের পাশেই তার গৃহ। দশম মহিলা বললোঃ আমার স্বামী ‘মালিক’। আর মালিক-এর কথা কি বলব, আমর এ প্রশংসার চেয়ে তিনি আরো শ্রেষ্ঠ। তার রয়েছে অনেক উট, উটশালায় উটের সংখ্যা অনেক, তবে চারণভূমিতে তার সংখ্যা কম। উটেরা যখন বাদ্য-বাজনার উওয়াজ শোনে তখন নিজেদের যাবাহের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে পড়ে। একাদশ মহিলা বললোঃ আমার স্বামীর নাম আবূ যার্‘ই। কী চমৎকার আবূ যার্‘ই। অলংকার দিয়ে সে আমার দু’কান ঝুলিয়ে দিয়েছে, বাহুদ্বয় ভরপুর করেছে চর্বিতে। আমাকে মর্যাদা দিয়েছে, আমিও নিজেকে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করছি। সে আমাকে পাহাড়ের কিনারায় ভেড়া ও বকরীওয়ালাদের ভিতরে পেয়েছিল। তারপর সে আমাকে উট, ঘোড়া, জমি-জমা ও ফসল ফসলাদির অধিকারী বানিয়েছে। তার নিকট আমি কথা বললে সে তা ফেলে না। আমি শুইলে ভোর পর্যন্ত শুয়ে থাকি আর পান করলে আত্মতৃপ্ত লাভ করি। আবূ যার্‘ই-এর মা, কতই না ভালো আবূ যার্‘ই-এর মা। তাঁর সম্পদ-কোষ অনেক বড় আকারের। তাঁর কুঠরী প্রশস্ত। আবূ যার্‘ই-এর ছেলে, কতো ভালো আবূ যার্‘ই-এর ছেলে, তার শয্যা যেন তলোয়ারের কোষ। বকরির একটি হাতা খেয়েই সে তৃপ্তি বোধ করে। আবূ যার্‘ই-এর মেয়ে, কতই না ভাল আবূ যার্‘ই-এর মেয়ে। সে তার বাবা মায়ের অনুগত। পোশাক পরিচ্ছদে ভরপুর তার প্রতিবেশীদের ঈর্ষার পাত্র। আবূ যার্‘ই-এর দাসী। কতই না ভালো আবূ যার্‘ই-এর দাসী। আমাদের কথা বলে বেড়ায় না। আমাদের খাদ্য বিনষ্ট করে না, বাড়ী-ঘর ময়লাস্তুপে পরিণত করে না। উম্মু যার্‘ই বলেন, একদিন আবূ যার্‘ই বাইরে বের হলেন। তখন আমাদের অবস্থা ছিল এই যে, বড় বড় দুধের মাখন উঠিয়ে নেয়া হত। সে সময় জনৈক নারীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তার সঙ্গে ছিল দু’টো শিশু। শিশু দু’টো ছিল দু’টো চিতার মতো। তারা তার কোলের নীচ দিয়ে দু’টি ডালিম নিয়ে খেলা করছিল। তখন আবূ যার্‘ই আমাকে তালাক দেয় এবং সে মহিলাকে বিবাহ করে। এরপর আমি জনৈক লোককে বিয়ে করলাম। সে ছিল সরদার, খুব ভালো ঘোড় সওয়ার ও বর্শা ধারণকারী। সে আমার আস্তাবলে বহু চতুষ্পদ জন্তু জড়ো করে। প্রত্যেক প্রকার হতে সে আমাকে একেক জোড়া দান করে এবং সে আমাকে বলে, হে উম্মু যার্‘ই! তুমি খাও এং তোমার আপনজনকে বিলিয়ে দাও। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী আমায় যা কিছু দিয়েছে তার সব যদি জমা করি তবুও আবূ যার্‘ই-এর ছোট্ট একটি পাত্রের সমতুল্য হবে না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃতোমার জন্য আমি উম্মু যার্‘ই-এর জন্য আবূ যার্‘ই-এর ন্যায়। (ই.ফা. ৬০৮৫, ই.সে. ৬১২৪)

حدثنا علي بن حجر السعدي، وأحمد بن جناب، كلاهما عن عيسى، - واللفظ لابن حجر - حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا هشام بن عروة، عن أخيه عبد الله بن عروة، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت جلس إحدى عشرة امرأة فتعاهدن وتعاقدن أن لا يكتمن من أخبار أزواجهن شيئا قالت الأولى زوجي لحم جمل غث على رأس جبل وعر لا سهل فيرتقى ولا سمين فينتقل ‏.‏ قالت الثانية زوجي لا أبث خبره إني أخاف أن لا أذره إن أذكره أذكر عجره وبجره ‏.‏ قالت الثالثة زوجي العشنق إن أنطق أطلق وإن أسكت أعلق ‏.‏ قالت الرابعة زوجي كليل تهامة لا حر ولا قر ولا مخافة ولا سآمة ‏.‏ قالت الخامسة زوجي إن دخل فهد وإن خرج أسد ولا يسأل عما عهد ‏.‏ قالت السادسة زوجي إن أكل لف وإن شرب اشتف وإن اضطجع التف ولا يولج الكف ليعلم البث ‏.‏ قالت السابعة زوجي غياياء أو عياياء طباقاء كل داء له داء شجك أو فلك أو جمع كلا لك ‏.‏ قالت الثامنة زوجي الريح ريح زرنب والمس مس أرنب ‏.‏ قالت التاسعة زوجي رفيع العماد طويل النجاد عظيم الرماد قريب البيت من النادي ‏.‏ قالت العاشرة زوجي مالك وما مالك مالك خير من ذلك له إبل كثيرات المبارك قليلات المسارح إذا سمعن صوت المزهر أيقن أنهن هوالك ‏.‏ قالت الحادية عشرة زوجي أبو زرع فما أبو زرع أناس من حلي أذنى وملأ من شحم عضدى وبجحني فبجحت إلى نفسي وجدني في أهل غنيمة بشق فجعلني في أهل صهيل وأطيط ودائس ومنق فعنده أقول فلا أقبح وأرقد فأتصبح وأشرب فأتقنح ‏.‏ أم أبي زرع فما أم أبي زرع عكومها رداح وبيتها فساح ‏.‏ ابن أبي زرع فما ابن أبي زرع مضجعه كمسل شطبة ويشبعه ذراع الجفرة ‏.‏ بنت أبي زرع فما بنت أبي زرع طوع أبيها وطوع أمها وملء كسائها وغيظ جارتها ‏.‏ جارية أبي زرع فما جارية أبي زرع لا تبث حديثنا تبثيثا ولا تنقث ميرتنا تنقيثا ولا تملأ بيتنا تعشيشا ‏.‏ قالت خرج أبو زرع والأوطاب تمخض فلقي امرأة معها ولدان لها كالفهدين يلعبان من تحت خصرها برمانتين فطلقني ونكحها فنكحت بعده رجلا سريا ركب شريا وأخذ خطيا وأراح على نعما ثريا وأعطاني من كل رائحة زوجا ‏.‏ قال كلي أم زرع وميري أهلك فلو جمعت كل شىء أعطاني ما بلغ أصغر آنية أبي زرع ‏.‏ قالت عائشة قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كنت لك كأبي زرع لأم زرع ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০০

وحدثنيه الحسن بن علي الحلواني، حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا سعيد، بن سلمة عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد غير أنه قال عياياء طباقاء ‏.‏ ولم يشك وقال قليلات المسارح ‏.‏ وقال وصفر ردائها وخير نسائها وعقر جارتها ‏.‏ وقال ولا تنقث ميرتنا تنقيثا ‏.‏ وقال وأعطاني من كل ذابحة زوجا ‏.‏

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাতে নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম এতটুকু রয়েছে যে, …………….। আরো আছে- . . . এবং রয়েছে- …… (অর্থাৎ- তার চাদর হলদে রংয়ের চাদর বিশিষ্ট, অন্যান্য মহিলার মতো ছিল শ্রেষ্ঠ, সতীনের ঈর্ষার প্রাত্রী এবং বলেছেন- ……. . . অর্থাৎ ‘সে আমাদের খাদ্যদ্রব্য বৃথা নষ্ট করে না’। আরো বলেছেন- ……………………. ‘প্রত্যেক উপাদেয় বস্তু হতে আমাকে একজোড়া দিয়েছে’। (ই. ফা. ৬০৮৫, ই. সে. ৬১২৫)

হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাতে নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম এতটুকু রয়েছে যে, …………….। আরো আছে- . . . এবং রয়েছে- …… (অর্থাৎ- তার চাদর হলদে রংয়ের চাদর বিশিষ্ট, অন্যান্য মহিলার মতো ছিল শ্রেষ্ঠ, সতীনের ঈর্ষার প্রাত্রী এবং বলেছেন- ……. . . অর্থাৎ ‘সে আমাদের খাদ্যদ্রব্য বৃথা নষ্ট করে না’। আরো বলেছেন- ……………………. ‘প্রত্যেক উপাদেয় বস্তু হতে আমাকে একজোড়া দিয়েছে’। (ই. ফা. ৬০৮৫, ই. সে. ৬১২৫)

وحدثنيه الحسن بن علي الحلواني، حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا سعيد، بن سلمة عن هشام بن عروة، بهذا الإسناد غير أنه قال عياياء طباقاء ‏.‏ ولم يشك وقال قليلات المسارح ‏.‏ وقال وصفر ردائها وخير نسائها وعقر جارتها ‏.‏ وقال ولا تنقث ميرتنا تنقيثا ‏.‏ وقال وأعطاني من كل ذابحة زوجا ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমা (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২০১

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن الليث بن سعد، قال ابن يونس حدثنا ليث، حدثنا عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة القرشي التيمي، أنحدثه أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وهو يقول ‏ "‏ إن بني هشام بن المغيرة استأذنوني أن ينكحوا ابنتهم علي بن أبي طالب فلا آذن لهم ثم لا آذن لهم ثم لا آذن لهم إلا أن يحب ابن أبي طالب أن يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فإنما ابنتي بضعة مني يريبني ما رابها ويؤذيني ما آذاها ‏"‏ ‏.‏

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপর থেকে বলতে শুনেছেন, হিশাম ইবনু মুগীরার ছেলেরা আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে যে, তাদের কন্যাকে ‘আলী ইবনু আবূ তালিবের নিকট তারা বিবাহ দিতে চায়। আমি তাদের অনুমতি দিব না, আমি তাদের দিব না, আমি তাদের দিব না। কিন্তু যদি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের মেয়েকে বিবাহ করতে চায়, সেটা আলাদা কথা। কারণ আমার কন্যা আমারই একটা অংশ। যা তাকে সম্মানহানি করে তা আমাকেও সম্মানহানি করে, তাকে যা কষ্ট দেয়, আমাকেও তা কষ্ট দেয়। (ই. ফা. ৬০৮৬, ই. সে. ৬১২৬)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপর থেকে বলতে শুনেছেন, হিশাম ইবনু মুগীরার ছেলেরা আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে যে, তাদের কন্যাকে ‘আলী ইবনু আবূ তালিবের নিকট তারা বিবাহ দিতে চায়। আমি তাদের অনুমতি দিব না, আমি তাদের দিব না, আমি তাদের দিব না। কিন্তু যদি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের মেয়েকে বিবাহ করতে চায়, সেটা আলাদা কথা। কারণ আমার কন্যা আমারই একটা অংশ। যা তাকে সম্মানহানি করে তা আমাকেও সম্মানহানি করে, তাকে যা কষ্ট দেয়, আমাকেও তা কষ্ট দেয়। (ই. ফা. ৬০৮৬, ই. সে. ৬১২৬)

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن الليث بن سعد، قال ابن يونس حدثنا ليث، حدثنا عبد الله بن عبيد الله بن أبي مليكة القرشي التيمي، أنحدثه أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وهو يقول ‏ "‏ إن بني هشام بن المغيرة استأذنوني أن ينكحوا ابنتهم علي بن أبي طالب فلا آذن لهم ثم لا آذن لهم ثم لا آذن لهم إلا أن يحب ابن أبي طالب أن يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فإنما ابنتي بضعة مني يريبني ما رابها ويؤذيني ما آذاها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০২

حدثني أبو معمر، إسماعيل بن إبراهيم الهذلي حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما فاطمة بضعة مني يؤذيني ما آذاها ‏"‏ ‏.‏

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ফাতিমা আমারই অংশবিশেষ, তাঁকে যা কষ্ট দেয় তা আমার প্রতিও কষ্টদায়ক। (ই. ফা. ৬০৮৭, ই. সে. ৬১২৭)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ফাতিমা আমারই অংশবিশেষ, তাঁকে যা কষ্ট দেয় তা আমার প্রতিও কষ্টদায়ক। (ই. ফা. ৬০৮৭, ই. সে. ৬১২৭)

حدثني أبو معمر، إسماعيل بن إبراهيم الهذلي حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن أبي مليكة، عن المسور بن مخرمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما فاطمة بضعة مني يؤذيني ما آذاها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৬

حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن سعد - عن أبيه، عن عروة، عن عائشة، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دعا فاطمة ابنته فسارها فبكت ثم سارها فضحكت فقالت عائشة فقلت لفاطمة ما هذا الذي سارك به رسول الله صلى الله عليه وسلم فبكيت ثم سارك فضحكت قالت سارني فأخبرني بموته فبكيت ثم سارني فأخبرني أني أول من يتبعه من أهله فضحكت ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কন্যা ফাতিমাকে ডেকে চুপিসারে কিছু বললেন। তখন তিনি ক্রন্দন করলেন। পুনরায় চুপিসারে তিনি কিছু বললেন, তখন তিনি হেসে ফেললেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি ফাতিমাকে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে চুপিচুপি কি বললেন যে, তুমি কান্নাকাটি করে ফেললে এবং এরপর কি বললেন যে, তুমি হেসে ফেললে? ফাতিমা বললেন, চুপিসারে তিনি আমাকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিলেন, তাই আমি কান্নাকাটি করলাম। অতঃপর চুপিচুপি তিনি বললেন, তাঁর পরিবার-পরিজনদের মাঝে সর্বপ্রথম তাঁর পেছনে যাবে আমি, তাই হাসলাম। (ই. ফা. ৬০৯০, ই. সে. ৬১৩১)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কন্যা ফাতিমাকে ডেকে চুপিসারে কিছু বললেন। তখন তিনি ক্রন্দন করলেন। পুনরায় চুপিসারে তিনি কিছু বললেন, তখন তিনি হেসে ফেললেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি ফাতিমাকে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে চুপিচুপি কি বললেন যে, তুমি কান্নাকাটি করে ফেললে এবং এরপর কি বললেন যে, তুমি হেসে ফেললে? ফাতিমা বললেন, চুপিসারে তিনি আমাকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিলেন, তাই আমি কান্নাকাটি করলাম। অতঃপর চুপিচুপি তিনি বললেন, তাঁর পরিবার-পরিজনদের মাঝে সর্বপ্রথম তাঁর পেছনে যাবে আমি, তাই হাসলাম। (ই. ফা. ৬০৯০, ই. সে. ৬১৩১)

حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن سعد - عن أبيه، عن عروة، عن عائشة، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن أبيه، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دعا فاطمة ابنته فسارها فبكت ثم سارها فضحكت فقالت عائشة فقلت لفاطمة ما هذا الذي سارك به رسول الله صلى الله عليه وسلم فبكيت ثم سارك فضحكت قالت سارني فأخبرني بموته فبكيت ثم سارني فأخبرني أني أول من يتبعه من أهله فضحكت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৩

حدثني أحمد بن حنبل، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن الوليد بن كثير، حدثني محمد بن عمرو بن حلحلة الدؤلي، أن ابن شهاب، حدثه أن علي بن الحسين حدثه أنهم، حين قدموا المدينة من عند يزيد بن معاوية مقتل الحسين بن علي رضى الله عنهما لقيه المسور بن مخرمة فقال له هل لك إلى من حاجة تأمرني بها قال فقلت له لا ‏.‏ قال له هل أنت معطي سيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فإني أخاف أن يغلبك القوم عليه وايم الله لئن أعطيتنيه لا يخلص إليه أبدا حتى تبلغ نفسي إن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل على فاطمة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخطب الناس في ذلك على منبره هذا وأنا يومئذ محتلم فقال ‏"‏ إن فاطمة مني وإني أتخوف أن تفتن في دينها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم ذكر صهرا له من بني عبد شمس فأثنى عليه في مصاهرته إياه فأحسن قال ‏"‏ حدثني فصدقني ووعدني فأوفى لي وإني لست أحرم حلالا ولا أحل حراما ولكن والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله مكانا واحدا أبدا ‏"‏ ‏.‏

আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুসায়ন ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর শাহাদতের পর ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নিকট হতে রাযা যখন মাদীনায় এলেন, মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ তখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাঁকে বললেন, আপনার কোন প্রয়োজন থাকলে আমাকে বলবেন। আমি বললাম, না। মিসওয়ার বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তলোয়ারটি কি আপনি আমাকে দান করবেন? কেননা আমার ভয় হয় যে, লোকেরা এটি আপনার নিকট হতে আয়ত্ব করে নিবে। আল্লাহর শপথ আপনি যদি সে তলোয়ারটি আমাকে দিয়ে দেন তাহলে যতক্ষণ আমার জীবন থাকে এটি কেউ ছুঁইতে পারবে না। (মিসওয়ার আরো বলেন) ফাতিমার জীবিতাবস্থায় ‘আলী (রাঃ) আবূ জাহ্লের মেয়েকে বিবাহরে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপার নিয়ে মানুষদের সম্মুখে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিতে শুনেছি। আমি তখন সদ্য বালিগ বয়সের। তখন তিনি বললেন, ফাতিমা আমারেই অংশ। আমার আশঙ্কা হচ্ছে, সে তার দ্বীনের সম্পর্কে ফিতনায় না পতিত হয়। তারপর তিনি ‘আব্দ-ই-শাম্স গোষ্ঠীয় তাঁর জামাতার আলোচনা করলেন, তার আত্মীয়তার প্রশংসা করলেন এবং বললেন, সে আমায় যা বলেছে সত্য বলেছে, সে আমার সাথে ওয়া‘দা করেছে, আর তা পালন করেছে। আর আমি কোন হালালকে হারাম করি না, বা হারামকে হালাল করি না, তবে আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রসূলের কন্যা এবং আল্লাহর শত্রুর কন্যা কক্ষনো এক স্থানে একত্র হতে পারে না। (ই. ফা. ৬০৮৭, ই. সে. ৬১২৭)

আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুসায়ন ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর শাহাদতের পর ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর নিকট হতে রাযা যখন মাদীনায় এলেন, মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ তখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং তাঁকে বললেন, আপনার কোন প্রয়োজন থাকলে আমাকে বলবেন। আমি বললাম, না। মিসওয়ার বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তলোয়ারটি কি আপনি আমাকে দান করবেন? কেননা আমার ভয় হয় যে, লোকেরা এটি আপনার নিকট হতে আয়ত্ব করে নিবে। আল্লাহর শপথ আপনি যদি সে তলোয়ারটি আমাকে দিয়ে দেন তাহলে যতক্ষণ আমার জীবন থাকে এটি কেউ ছুঁইতে পারবে না। (মিসওয়ার আরো বলেন) ফাতিমার জীবিতাবস্থায় ‘আলী (রাঃ) আবূ জাহ্লের মেয়েকে বিবাহরে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপার নিয়ে মানুষদের সম্মুখে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিতে শুনেছি। আমি তখন সদ্য বালিগ বয়সের। তখন তিনি বললেন, ফাতিমা আমারেই অংশ। আমার আশঙ্কা হচ্ছে, সে তার দ্বীনের সম্পর্কে ফিতনায় না পতিত হয়। তারপর তিনি ‘আব্দ-ই-শাম্স গোষ্ঠীয় তাঁর জামাতার আলোচনা করলেন, তার আত্মীয়তার প্রশংসা করলেন এবং বললেন, সে আমায় যা বলেছে সত্য বলেছে, সে আমার সাথে ওয়া‘দা করেছে, আর তা পালন করেছে। আর আমি কোন হালালকে হারাম করি না, বা হারামকে হালাল করি না, তবে আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রসূলের কন্যা এবং আল্লাহর শত্রুর কন্যা কক্ষনো এক স্থানে একত্র হতে পারে না। (ই. ফা. ৬০৮৭, ই. সে. ৬১২৭)

حدثني أحمد بن حنبل، أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن الوليد بن كثير، حدثني محمد بن عمرو بن حلحلة الدؤلي، أن ابن شهاب، حدثه أن علي بن الحسين حدثه أنهم، حين قدموا المدينة من عند يزيد بن معاوية مقتل الحسين بن علي رضى الله عنهما لقيه المسور بن مخرمة فقال له هل لك إلى من حاجة تأمرني بها قال فقلت له لا ‏.‏ قال له هل أنت معطي سيف رسول الله صلى الله عليه وسلم فإني أخاف أن يغلبك القوم عليه وايم الله لئن أعطيتنيه لا يخلص إليه أبدا حتى تبلغ نفسي إن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل على فاطمة فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخطب الناس في ذلك على منبره هذا وأنا يومئذ محتلم فقال ‏"‏ إن فاطمة مني وإني أتخوف أن تفتن في دينها ‏"‏ ‏.‏ قال ثم ذكر صهرا له من بني عبد شمس فأثنى عليه في مصاهرته إياه فأحسن قال ‏"‏ حدثني فصدقني ووعدني فأوفى لي وإني لست أحرم حلالا ولا أحل حراما ولكن والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله مكانا واحدا أبدا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৪

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني علي بن حسين، أن المسور بن مخرمة، أخبره أن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل وعنده فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما سمعت بذلك فاطمة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت له إن قومك يتحدثون أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكحا ابنة أبي جهل ‏.‏ قال المسور فقام النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد ثم قال ‏ "‏ أما بعد فإني أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني فصدقني وإن فاطمة بنت محمد مضغة مني وإنما أكره أن يفتنوها وإنها والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله عند رجل واحد أبدا ‏"‏ ‏.‏ قال فترك علي الخطبة ‏.‏

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) নাবী-তনয় ফাতিমাকে ঘরে রেখেই আবূ জাহ্লের কন্যাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফাতিমা (রাঃ) যখন এ খব শুনলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, লোকেরা কথোপকথন করে যে, আপনি আপনার কন্যাদের সম্বন্ধে রাগ প্রকাশ করেন না। আর এই যে, ‘আলী (রাঃ) আবূ জাহ্লের কন্যাকে বিবাহ করতে যাচ্ছেন। মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন। এ সময় আমি শুনলাম, তিনি তাশাহুদ পড়লেন এবং বললেনঃআবি আবুল ‘আস ইবনু রাবী‘র নিকট বিয়ে দিয়েছি, সে আমাকে যা বলেছে তা বাস্তবে পরিণত করেছে। আর মুহাম্মাদ কন্যা ফাতিমা আমারিই একটা টুকরা, আমি অপছন্দ করি যে, লোকে তাঁকে ফিতনায় ফেলুক। আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রসূলের মেয়ে ও আল্লাহর শত্রুর মেয়ে কোন লোকের নিকট কক্ষনো একসাথে মিলিত হতে পারে না। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ) প্রস্তাব প্রত্যাহার করেন। (ই. ফা. ৬০৮৯, ই. সে. ৬১২৯)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) নাবী-তনয় ফাতিমাকে ঘরে রেখেই আবূ জাহ্লের কন্যাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফাতিমা (রাঃ) যখন এ খব শুনলেন তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, লোকেরা কথোপকথন করে যে, আপনি আপনার কন্যাদের সম্বন্ধে রাগ প্রকাশ করেন না। আর এই যে, ‘আলী (রাঃ) আবূ জাহ্লের কন্যাকে বিবাহ করতে যাচ্ছেন। মিসওয়ার (রাঃ) বললেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন। এ সময় আমি শুনলাম, তিনি তাশাহুদ পড়লেন এবং বললেনঃআবি আবুল ‘আস ইবনু রাবী‘র নিকট বিয়ে দিয়েছি, সে আমাকে যা বলেছে তা বাস্তবে পরিণত করেছে। আর মুহাম্মাদ কন্যা ফাতিমা আমারিই একটা টুকরা, আমি অপছন্দ করি যে, লোকে তাঁকে ফিতনায় ফেলুক। আল্লাহর শপথ! আল্লাহর রসূলের মেয়ে ও আল্লাহর শত্রুর মেয়ে কোন লোকের নিকট কক্ষনো একসাথে মিলিত হতে পারে না। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, তারপর ‘আলী (রাঃ) প্রস্তাব প্রত্যাহার করেন। (ই. ফা. ৬০৮৯, ই. সে. ৬১২৯)

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرني علي بن حسين، أن المسور بن مخرمة، أخبره أن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل وعنده فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما سمعت بذلك فاطمة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت له إن قومك يتحدثون أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكحا ابنة أبي جهل ‏.‏ قال المسور فقام النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد ثم قال ‏ "‏ أما بعد فإني أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني فصدقني وإن فاطمة بنت محمد مضغة مني وإنما أكره أن يفتنوها وإنها والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله عند رجل واحد أبدا ‏"‏ ‏.‏ قال فترك علي الخطبة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৭

حدثنا أبو كامل الجحدري، فضيل بن حسين حدثنا أبو عوانة، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة، قالت كن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده لم يغادر منهن واحدة فأقبلت فاطمة تمشي ما تخطئ مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا فلما رآها رحب بها فقال ‏"‏ مرحبا بابنتي ‏"‏ ‏.‏ ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله ثم سارها فبكت بكاء شديدا فلما رأى جزعها سارها الثانية فضحكت ‏.‏ فقلت لها خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين نسائه بالسرار ثم أنت تبكين فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما كنت أفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره ‏.‏ قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما حدثتني ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت أما الآن فنعم أما حين سارني في المرة الأولى فأخبرني ‏"‏ أن جبريل كان يعارضه القرآن في كل سنة مرة أو مرتين وإنه عارضه الآن مرتين وإني لا أرى الأجل إلا قد اقترب فاتقي الله واصبري فإنه نعم السلف أنا لك ‏"‏ ‏.‏ قالت فبكيت بكائي الذي رأيت فلما رأى جزعي سارني الثانية فقال ‏"‏ يا فاطمة أما ترضى أن تكوني سيدة نساء المؤمنين أو سيدة نساء هذه الأمة ‏"‏ ‏.‏ قالت فضحكت ضحكي الذي رأيت ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীরা সবাই তাঁর নিকট ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেউ বাদ ছিলেন না। এমন সময় ফাতিমা (রাঃ) আসলেন। তাঁর চলার ভঙ্গি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চলার ধরণ থেকে একটুও আলাদা ছিল না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাঁকে দেখলেন যখন তিনি এ বলে খোশ-আমদেদ জানালেন, মারহাবা, হে আমার আদরের মেয়ে! তারপর তাঁকে তাঁর ডানদিকে অথবা বামদিকে বসালেন এবং তাঁর সঙ্গে চুপিসারে কিছু বললেন। এতে তিনি খুব কান্নাকাটি করলেন। যখন তিনি তাঁর অস্থিরতা দেখলেন, তিনি আবার তাঁর সাথে চুপেচুপে কিছু বললেন, তখন তিনি হেসে দিলেন। আমি তাঁকে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিণীগণের উপস্থিতিতেই তোমার সাথে বিশেষভাবে কোন গোপন কথা বলেছেন। আবার তুমি কাঁদছ? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গেলেন। আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার নিকট কি বলেছেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রচার করবো না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকাল হয়ে গেলে তখন আমি তার উপর আমার অধিকারের কসম দিয়ে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কী বলেছেন, আমাকে অবশ্যই বলতে হবে। তিনি বললেন, আচ্ছা, এখন তবে হ্যাঁ। প্রথমবার তিনি আমাকে গোপনে বললেন, জিব্রীল (‘আঃ) প্রতি বছর একবার কি দু’বার আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করান। এ বছর তিনি দু’বার পুনরাবৃত্তি করালেন, আমার ধারণা হয় আমার সময় সন্নিকটে এসে গেছে। তুমি আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো। কারণ, আমি তোমার জন্য কত উত্তম পূর্বসূরী। তখন আমি কাঁদলাম, যা আপনি দেখেছেন। তারপর আমার অস্থিরতা দেখে তিনি দ্বিতীয়বার চুপিসারে বললেন, হে ফাতিমা! মু’মিন রমণীদের প্রধান ও এ উম্মাতের সকল মহিলাদের নেত্রী হওয়া কি তুমি অপছন্দ করো? ফাতিমা (রাঃ) বললেন, তখন আমি হাসলাম, আমার যে হাসি আপনি তা প্রত্যক্ষ করেছেন। (ই. ফা. ৬০৯১, ই. সে. ৬১৩২)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীরা সবাই তাঁর নিকট ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কেউ বাদ ছিলেন না। এমন সময় ফাতিমা (রাঃ) আসলেন। তাঁর চলার ভঙ্গি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চলার ধরণ থেকে একটুও আলাদা ছিল না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাঁকে দেখলেন যখন তিনি এ বলে খোশ-আমদেদ জানালেন, মারহাবা, হে আমার আদরের মেয়ে! তারপর তাঁকে তাঁর ডানদিকে অথবা বামদিকে বসালেন এবং তাঁর সঙ্গে চুপিসারে কিছু বললেন। এতে তিনি খুব কান্নাকাটি করলেন। যখন তিনি তাঁর অস্থিরতা দেখলেন, তিনি আবার তাঁর সাথে চুপেচুপে কিছু বললেন, তখন তিনি হেসে দিলেন। আমি তাঁকে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিণীগণের উপস্থিতিতেই তোমার সাথে বিশেষভাবে কোন গোপন কথা বলেছেন। আবার তুমি কাঁদছ? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে গেলেন। আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার নিকট কি বলেছেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রচার করবো না। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকাল হয়ে গেলে তখন আমি তার উপর আমার অধিকারের কসম দিয়ে বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে কী বলেছেন, আমাকে অবশ্যই বলতে হবে। তিনি বললেন, আচ্ছা, এখন তবে হ্যাঁ। প্রথমবার তিনি আমাকে গোপনে বললেন, জিব্রীল (‘আঃ) প্রতি বছর একবার কি দু’বার আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করান। এ বছর তিনি দু’বার পুনরাবৃত্তি করালেন, আমার ধারণা হয় আমার সময় সন্নিকটে এসে গেছে। তুমি আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো। কারণ, আমি তোমার জন্য কত উত্তম পূর্বসূরী। তখন আমি কাঁদলাম, যা আপনি দেখেছেন। তারপর আমার অস্থিরতা দেখে তিনি দ্বিতীয়বার চুপিসারে বললেন, হে ফাতিমা! মু’মিন রমণীদের প্রধান ও এ উম্মাতের সকল মহিলাদের নেত্রী হওয়া কি তুমি অপছন্দ করো? ফাতিমা (রাঃ) বললেন, তখন আমি হাসলাম, আমার যে হাসি আপনি তা প্রত্যক্ষ করেছেন। (ই. ফা. ৬০৯১, ই. সে. ৬১৩২)

حدثنا أبو كامل الجحدري، فضيل بن حسين حدثنا أبو عوانة، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة، قالت كن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده لم يغادر منهن واحدة فأقبلت فاطمة تمشي ما تخطئ مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا فلما رآها رحب بها فقال ‏"‏ مرحبا بابنتي ‏"‏ ‏.‏ ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله ثم سارها فبكت بكاء شديدا فلما رأى جزعها سارها الثانية فضحكت ‏.‏ فقلت لها خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين نسائه بالسرار ثم أنت تبكين فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سألتها ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما كنت أفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره ‏.‏ قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما حدثتني ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت أما الآن فنعم أما حين سارني في المرة الأولى فأخبرني ‏"‏ أن جبريل كان يعارضه القرآن في كل سنة مرة أو مرتين وإنه عارضه الآن مرتين وإني لا أرى الأجل إلا قد اقترب فاتقي الله واصبري فإنه نعم السلف أنا لك ‏"‏ ‏.‏ قالت فبكيت بكائي الذي رأيت فلما رأى جزعي سارني الثانية فقال ‏"‏ يا فاطمة أما ترضى أن تكوني سيدة نساء المؤمنين أو سيدة نساء هذه الأمة ‏"‏ ‏.‏ قالت فضحكت ضحكي الذي رأيت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحدثنا عبد الله بن نمير، عن زكرياء، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة، قالت اجتمع نساء النبي صلى الله عليه وسلم فلم يغادر منهن امرأة فجاءت فاطمة تمشي كأن مشيتها مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ مرحبا بابنتي ‏"‏ ‏.‏ فأجلسها عن يمينه أو عن شماله ثم إنه أسر إليها حديثا فبكت فاطمة ثم إنه سارها فضحكت أيضا فقلت لها ما يبكيك فقالت ما كنت لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما رأيت كاليوم فرحا أقرب من حزن ‏.‏ فقلت لها حين بكت أخصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بحديثه دوننا ثم تبكين وسألتها عما قال فقالت ما كنت لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ حتى إذا قبض سألتها فقالت إنه كان حدثني ‏"‏ أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل عام مرة وإنه عارضه به في العام مرتين ولا أراني إلا قد حضر أجلي وإنك أول أهلي لحوقا بي ونعم السلف أنا لك ‏"‏ ‏.‏ فبكيت لذلك ثم إنه سارني فقال ‏"‏ ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين أو سيدة نساء هذه الأمة ‏"‏ ‏ فضحكت لذلك ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকল স্ত্রীগণ একত্রিত হলেন। তাঁদের মাঝে একজনও বাকী রইলেন না। তখন ফাতিমা (রাঃ) হেঁটে আসলেন। তার হাঁটার ধরণ যেন একেবারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চলার ন্যায়। তিনি বললেন, হে কন্যা! তোমাকে স্বাগতম। অতঃপর তিনি তাকে তাঁর ডান পাশে অথবা বাম পাশে বসালেন এবং চুপিসারে কিছু কথা বললেন। এতে ফাতিমা (রাঃ) কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। এরপর তিনি তাঁকে চুপিসারে আবার কিছু বললেন, এতে তিনি হাসলেন। আমি তাঁকে বললাম, কিসে তোমাকে কাঁদাল? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রকাশ করতে পারি না। আমি বললাম, আমি আজকের ন্যায় কোন আনন্দকে বেদনার এতো কাছাকাছি দেখিনি। আমি বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাদ দিয়ে তোমাকে তাঁর কথা বলার জন্য বিশেষত্ব দান করলেন। আর তুমি কাঁদছ? পুনরায় তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা ফাঁস করতে পারি না। পরিশেষে যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলেন তখন আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, “জিব্রীল (‘আঃ) প্রতি বছর একবার তাঁর সাথে কুরআন তিলওয়াত করতেন। আর এ বছর তিনি তাঁর সাথে দু’বার পুনরাবৃত্তি করেছেন। এতে আমার ধারণা হয় নিশ্চয় মৃত্যু আমার সন্নিকটে। আর তুমিই আমার পরিবার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমার সাথে মিলিত হবে। তোমার জন্য কতই না ইত্তম অগ্রগামী। যখন আমি কেঁদেছি। তারপর তিমি আমাকে চুপিসারে বললেন, তুমি মু’মিনা নারীদের প্রধান কিংবা এ উম্মাতের নারীদের নেত্রী হবে তা কি পছন্দ করো না? এ কথা শুনে আমি হেসেছি।” (ই. ফা. ৬০৯২, ই. সে. ৬১৩৩)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকল স্ত্রীগণ একত্রিত হলেন। তাঁদের মাঝে একজনও বাকী রইলেন না। তখন ফাতিমা (রাঃ) হেঁটে আসলেন। তার হাঁটার ধরণ যেন একেবারে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চলার ন্যায়। তিনি বললেন, হে কন্যা! তোমাকে স্বাগতম। অতঃপর তিনি তাকে তাঁর ডান পাশে অথবা বাম পাশে বসালেন এবং চুপিসারে কিছু কথা বললেন। এতে ফাতিমা (রাঃ) কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। এরপর তিনি তাঁকে চুপিসারে আবার কিছু বললেন, এতে তিনি হাসলেন। আমি তাঁকে বললাম, কিসে তোমাকে কাঁদাল? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রকাশ করতে পারি না। আমি বললাম, আমি আজকের ন্যায় কোন আনন্দকে বেদনার এতো কাছাকাছি দেখিনি। আমি বললাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাদ দিয়ে তোমাকে তাঁর কথা বলার জন্য বিশেষত্ব দান করলেন। আর তুমি কাঁদছ? পুনরায় তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কী বলেছেন, তা প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা ফাঁস করতে পারি না। পরিশেষে যখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলেন তখন আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, “জিব্রীল (‘আঃ) প্রতি বছর একবার তাঁর সাথে কুরআন তিলওয়াত করতেন। আর এ বছর তিনি তাঁর সাথে দু’বার পুনরাবৃত্তি করেছেন। এতে আমার ধারণা হয় নিশ্চয় মৃত্যু আমার সন্নিকটে। আর তুমিই আমার পরিবার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমার সাথে মিলিত হবে। তোমার জন্য কতই না ইত্তম অগ্রগামী। যখন আমি কেঁদেছি। তারপর তিমি আমাকে চুপিসারে বললেন, তুমি মু’মিনা নারীদের প্রধান কিংবা এ উম্মাতের নারীদের নেত্রী হবে তা কি পছন্দ করো না? এ কথা শুনে আমি হেসেছি।” (ই. ফা. ৬০৯২, ই. সে. ৬১৩৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحدثنا عبد الله بن نمير، عن زكرياء، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة، قالت اجتمع نساء النبي صلى الله عليه وسلم فلم يغادر منهن امرأة فجاءت فاطمة تمشي كأن مشيتها مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ مرحبا بابنتي ‏"‏ ‏.‏ فأجلسها عن يمينه أو عن شماله ثم إنه أسر إليها حديثا فبكت فاطمة ثم إنه سارها فضحكت أيضا فقلت لها ما يبكيك فقالت ما كنت لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما رأيت كاليوم فرحا أقرب من حزن ‏.‏ فقلت لها حين بكت أخصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بحديثه دوننا ثم تبكين وسألتها عما قال فقالت ما كنت لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ حتى إذا قبض سألتها فقالت إنه كان حدثني ‏"‏ أن جبريل كان يعارضه بالقرآن كل عام مرة وإنه عارضه به في العام مرتين ولا أراني إلا قد حضر أجلي وإنك أول أهلي لحوقا بي ونعم السلف أنا لك ‏"‏ ‏.‏ فبكيت لذلك ثم إنه سارني فقال ‏"‏ ألا ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين أو سيدة نساء هذه الأمة ‏"‏ ‏ فضحكت لذلك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬২০৫

وحدثنيه أبو معن الرقاشي، حدثنا وهب، - يعني ابن جرير - عن أبيه، قال سمعت النعمان، - يعني ابن راشد - يحدث عن الزهري، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেনে। (ই. ফা. ৬০৮৯, ই. সে. ৬১৩০)

যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেনে। (ই. ফা. ৬০৮৯, ই. সে. ৬১৩০)

وحدثنيه أبو معن الرقاشي، حدثنا وهب، - يعني ابن جرير - عن أبيه، قال سمعت النعمان، - يعني ابن راشد - يحدث عن الزهري، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > উম্মুল মু’মিনীন উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২০৯

حدثني عبد الأعلى بن حماد، ومحمد بن عبد الأعلى القيسي، كلاهما عن المعتمر، - قال ابن حماد حدثنا معتمر بن سليمان، - قال سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن سلمان، قال لا تكونن إن استطعت أول من يدخل السوق ولا آخر من يخرج منها فإنها معركة الشيطان وبها ينصب رايته ‏.‏ قال وأنبئت أن جبريل عليه السلام أتى نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده أم سلمة - قال - فجعل يتحدث ثم قام فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم لأم سلمة ‏ "‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال قالت هذا دحية - قال - فقالت أم سلمة ايم الله ما حسبته إلا إياه حتى سمعت خطبة نبي الله صلى الله عليه وسلم يخبر خبرنا أو كما قال قال فقلت لأبي عثمان ممن سمعت هذا قال من أسامة بن زيد ‏.‏

সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমার পক্ষে যদি সম্ভব হয় তবে বাজারে প্রবেশকারীদের মাঝে তুমি প্রথম হয়ো না এবং সেখান থেকে বহির্গমনকারীদের মাঝে তুমি শেষ লোক হয়ে না। কেননা বাজার হলো শাইতানের আড্ডাখানা। আর সেখানেই সে তার ঝাণ্ডা উঁচু করে রাখে। সালমান (রাঃ) বলেন, আমাকে এ সংবাদও দেয়া হয়েছে যে, জিব্রীল (‘আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তখন তাঁর পাশে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) ছিলেন। জিব্রীল (‘আঃ) কথা বলতে লাগলেন এবং পরে চলে গেলেন। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সালামাহ্কে প্রশ্ন করলেন, ইনি কে ছিলেন? বা এমন কথা বললেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) জবাব দিলেন, ইনি দিহ্য়াহ্ কালবী (রাঃ)। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে দিহ্য়াহ্ কালবী বলেই মনে করেছিলাম। যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তৃতা শুনলাম। তিনি আমাদের কথা বলছিলেন, কিংবা এম বলছিলেন। অর্থাৎ- জিব্রীল প্রবেশের বিররণ দিচ্ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রাবী আবূ উসামাহ্কে প্রশ্ন করলাম যে, আপনি এ হাদীস কার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে। (ই. ফা. ৬০৯৩, ই. সে. ৬১৩৪)

সালমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমার পক্ষে যদি সম্ভব হয় তবে বাজারে প্রবেশকারীদের মাঝে তুমি প্রথম হয়ো না এবং সেখান থেকে বহির্গমনকারীদের মাঝে তুমি শেষ লোক হয়ে না। কেননা বাজার হলো শাইতানের আড্ডাখানা। আর সেখানেই সে তার ঝাণ্ডা উঁচু করে রাখে। সালমান (রাঃ) বলেন, আমাকে এ সংবাদও দেয়া হয়েছে যে, জিব্রীল (‘আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তখন তাঁর পাশে উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) ছিলেন। জিব্রীল (‘আঃ) কথা বলতে লাগলেন এবং পরে চলে গেলেন। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সালামাহ্কে প্রশ্ন করলেন, ইনি কে ছিলেন? বা এমন কথা বললেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) জবাব দিলেন, ইনি দিহ্য়াহ্ কালবী (রাঃ)। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে দিহ্য়াহ্ কালবী বলেই মনে করেছিলাম। যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তৃতা শুনলাম। তিনি আমাদের কথা বলছিলেন, কিংবা এম বলছিলেন। অর্থাৎ- জিব্রীল প্রবেশের বিররণ দিচ্ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রাবী আবূ উসামাহ্কে প্রশ্ন করলাম যে, আপনি এ হাদীস কার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে। (ই. ফা. ৬০৯৩, ই. সে. ৬১৩৪)

حدثني عبد الأعلى بن حماد، ومحمد بن عبد الأعلى القيسي، كلاهما عن المعتمر، - قال ابن حماد حدثنا معتمر بن سليمان، - قال سمعت أبي، حدثنا أبو عثمان، عن سلمان، قال لا تكونن إن استطعت أول من يدخل السوق ولا آخر من يخرج منها فإنها معركة الشيطان وبها ينصب رايته ‏.‏ قال وأنبئت أن جبريل عليه السلام أتى نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده أم سلمة - قال - فجعل يتحدث ثم قام فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم لأم سلمة ‏ "‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ أو كما قال قالت هذا دحية - قال - فقالت أم سلمة ايم الله ما حسبته إلا إياه حتى سمعت خطبة نبي الله صلى الله عليه وسلم يخبر خبرنا أو كما قال قال فقلت لأبي عثمان ممن سمعت هذا قال من أسامة بن زيد ‏.‏


সহিহ মুসলিম > উম্মুল মু’মিনীন যাইনাব (রাঃ)-এর ফযিলত

সহিহ মুসলিম ৬২১০

حدثنا محمود بن غيلان أبو أحمد، حدثنا الفضل بن موسى السيناني، أخبرنا طلحة بن يحيى بن طلحة، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أسرعكن لحاقا بي أطولكن يدا ‏"‏ ‏.‏ قالت فكن يتطاولن أيتهن أطول يدا ‏.‏ قالت فكانت أطولنا يدا زينب لأنها كانت تعمل بيدها وتصدق ‏.‏

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে সর্বপ্রথম সেই-আমার সঙ্গে দেখা হবে যার হাত অধিক লম্বা। অতএব সব স্ত্রীরা নিজ নিজ হাত মেপে দেখতে লাগলেন কার হাত অধিক লম্বা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, পরিশেষে আমাদের মাঝে যাইনাবের হাতই সবচেয়ে লম্বা বলে ঠিক হলো। কেননা, তিনি হাত দ্বারা কাজ করতেন এবং দান করতেন। (ই. ফা. ৬০৯৪, ই. সে. ৬১৩৫)

আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মাঝে সর্বপ্রথম সেই-আমার সঙ্গে দেখা হবে যার হাত অধিক লম্বা। অতএব সব স্ত্রীরা নিজ নিজ হাত মেপে দেখতে লাগলেন কার হাত অধিক লম্বা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, পরিশেষে আমাদের মাঝে যাইনাবের হাতই সবচেয়ে লম্বা বলে ঠিক হলো। কেননা, তিনি হাত দ্বারা কাজ করতেন এবং দান করতেন। (ই. ফা. ৬০৯৪, ই. সে. ৬১৩৫)

حدثنا محمود بن غيلان أبو أحمد، حدثنا الفضل بن موسى السيناني، أخبرنا طلحة بن يحيى بن طلحة، عن عائشة بنت طلحة، عن عائشة أم المؤمنين، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أسرعكن لحاقا بي أطولكن يدا ‏"‏ ‏.‏ قالت فكن يتطاولن أيتهن أطول يدا ‏.‏ قالت فكانت أطولنا يدا زينب لأنها كانت تعمل بيدها وتصدق ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00