সহিহ মুসলিম > শারী’য়াত হিসেবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা আদেশ করেছেন তা পালন করা ওয়াজিব আর পার্থিব বিষয়ে তিনি যে অভিমত ব্যক্ত করেন তা পালন করা ওয়াজিব নয়

সহিহ মুসলিম ৬০২২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، كلاهما عن الأسود بن عامر، - قال أبو بكر حدثنا أسود بن عامر، - حدثنا حماد بن سلمة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، وعن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بقوم يلقحون فقال ‏"‏ لو لم تفعلوا لصلح ‏"‏ ‏.‏ قال فخرج شيصا فمر بهم فقال ‏"‏ ما لنخلكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا قلت كذا وكذا قال ‏"‏ أنتم أعلم بأمر دنياكم ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যারা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত এদের কতক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এটি যদি না করতে তাহলে তোমাদের ভাল হতো। লোকেরা বিরত থাকল। এতে চিটা খেজুর উৎপন্ন হলো। তারপরে কোন এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের খেজুর বৃক্ষের কি হলো? ব্যক্তিরা বলল, আপনি এরূপ এরূপ বলেছিলেন (সেটি করায় এমন হয়েছে)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের দুনিয়াবী ব্যাপারে তোমরাই ভাল জানো। (ই.ফা. ৫৯১৬, ই.সে. ৫৯৫৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যারা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত এদের কতক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এটি যদি না করতে তাহলে তোমাদের ভাল হতো। লোকেরা বিরত থাকল। এতে চিটা খেজুর উৎপন্ন হলো। তারপরে কোন এক সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের খেজুর বৃক্ষের কি হলো? ব্যক্তিরা বলল, আপনি এরূপ এরূপ বলেছিলেন (সেটি করায় এমন হয়েছে)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের দুনিয়াবী ব্যাপারে তোমরাই ভাল জানো। (ই.ফা. ৫৯১৬, ই.সে. ৫৯৫৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، كلاهما عن الأسود بن عامر، - قال أبو بكر حدثنا أسود بن عامر، - حدثنا حماد بن سلمة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، وعن ثابت، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بقوم يلقحون فقال ‏"‏ لو لم تفعلوا لصلح ‏"‏ ‏.‏ قال فخرج شيصا فمر بهم فقال ‏"‏ ما لنخلكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا قلت كذا وكذا قال ‏"‏ أنتم أعلم بأمر دنياكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২০

حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، وأبو كامل الجحدري - وتقاربا في اللفظ وهذا حديث قتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة عن سماك عن موسى بن طلحة عن أبيه قال مررت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بقوم على رءوس النخل فقال ‏"‏ ما يصنع هؤلاء ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يلقحونه يجعلون الذكر في الأنثى فيلقح ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أظن يغني ذلك شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال فأخبروا بذلك فتركوه فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك فقال ‏"‏ إن كان ينفعهم ذلك فليصنعوه فإني إنما ظننت ظنا فلا تؤاخذوني بالظن ولكن إذا حدثتكم عن الله شيئا فخذوا به فإني لن أكذب على الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

তাল্‌হাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খর্জুর বৃক্ষের মাথায় দাঁড়ানো একদল লোকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরা কি করছে? মানুষেরা বলল, এরা খেজুর গাছের পরাগায়ণ করছে। নরকে মাদীর (কেশর) সংমিশ্রণ করে, ফলে তা গর্ভ ধারণ করে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার মনে হয় না এতে কোন লাভ হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য সাহাবাদের নিকট পৌঁছলে তাঁরা প্রজনন কর্ম থেকে বিরত থাকেন। তারপর এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেয়া হলো। তিনি বললেন, এতে যদি তাদের লাভ হয়ে থাকে তবে তাঁরা করুক। আমি তো ধারণাপ্রসুত- এ কথা বলেছি। তাই তোমরা আমার অনুমানকে ধরে রেখো না। কিন্তু আমি যদি আল্লাহর তরফ হতে কোন কথা বলি, তবে সেটার উপর ‘আমাল করো। কারণ আমি আল্লাহর উপর কখনই মিথ্যা অপবাদ দেই না। (ই.ফা. ৫৯১৪, ই.সে. ৫৯৫২)

তাল্‌হাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে খর্জুর বৃক্ষের মাথায় দাঁড়ানো একদল লোকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এরা কি করছে? মানুষেরা বলল, এরা খেজুর গাছের পরাগায়ণ করছে। নরকে মাদীর (কেশর) সংমিশ্রণ করে, ফলে তা গর্ভ ধারণ করে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার মনে হয় না এতে কোন লাভ হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বক্তব্য সাহাবাদের নিকট পৌঁছলে তাঁরা প্রজনন কর্ম থেকে বিরত থাকেন। তারপর এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেয়া হলো। তিনি বললেন, এতে যদি তাদের লাভ হয়ে থাকে তবে তাঁরা করুক। আমি তো ধারণাপ্রসুত- এ কথা বলেছি। তাই তোমরা আমার অনুমানকে ধরে রেখো না। কিন্তু আমি যদি আল্লাহর তরফ হতে কোন কথা বলি, তবে সেটার উপর ‘আমাল করো। কারণ আমি আল্লাহর উপর কখনই মিথ্যা অপবাদ দেই না। (ই.ফা. ৫৯১৪, ই.সে. ৫৯৫২)

حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، وأبو كامل الجحدري - وتقاربا في اللفظ وهذا حديث قتيبة - قالا حدثنا أبو عوانة عن سماك عن موسى بن طلحة عن أبيه قال مررت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بقوم على رءوس النخل فقال ‏"‏ ما يصنع هؤلاء ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يلقحونه يجعلون الذكر في الأنثى فيلقح ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما أظن يغني ذلك شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال فأخبروا بذلك فتركوه فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك فقال ‏"‏ إن كان ينفعهم ذلك فليصنعوه فإني إنما ظننت ظنا فلا تؤاخذوني بالظن ولكن إذا حدثتكم عن الله شيئا فخذوا به فإني لن أكذب على الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২১

حدثنا عبد الله بن الرومي اليمامي، وعباس بن عبد العظيم العنبري، وأحمد بن، جعفر المعقري قالوا حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا أبو النجاشي، حدثني رافع بن خديج، قال قدم نبي الله صلى الله عليه وسلم المدينة وهم يأبرون النخل يقولون يلقحون النخل فقال ‏"‏ ما تصنعون ‏"‏ ‏.‏ قالوا كنا نصنعه قال ‏"‏ لعلكم لو لم تفعلوا كان خيرا ‏"‏ ‏.‏ فتركوه فنفضت أو فنقصت - قال - فذكروا ذلك له فقال ‏"‏ إنما أنا بشر إذا أمرتكم بشىء من دينكم فخذوا به وإذا أمرتكم بشىء من رأى فإنما أنا بشر ‏"‏ ‏.‏ قال عكرمة أو نحو هذا ‏.‏ قال المعقري فنفضت ‏.‏ ولم يشك ‏.‏

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আসলেন। সে সময় লোকেরা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ- খেজুর বৃক্ষকে পরাগায়ন করাত। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি করছ? তাঁরা বলল, আমরা তো এমন করে আসছি। তিনি বললেন, (আমার মনে হয়) তোমরা এমন না করলেই ভাল হয়। তাই তাঁরা তা ছেড়ে দিল। আর এতে করে খেজুর ঝরে পড়ল কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, তার উৎপাদন হ্রাস পেল। বর্ণনাকারী বলেন, মানুষেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ঘটনা ব্যক্ত করল। তখন তিনি বললেন, আমি তো একজন মানুষ মাত্র এতে কোন সন্দেহ নেই। দ্বীনের ব্যাপারে যখন তোমাদের আমি কোন নির্দেশ দেই তোমরা তখন তা পালন করবে, আর যখন কোন কথা আমি আমার ধ্যান-ধারণা থেকে বলি, তখন (বুঝতে হবে) আমি একজন মানুষ মাত্র। বর্ণনাকারী ‘ইকরামাহ্ (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বলেছেন। আর মা’কিরী (রহঃ) নিঃসন্দেহে শুধু ‘নাফাযাত’ (ঝড়ে পড়ল) বলেছেন। (ই.ফা. ৫৯১৫, ই.সে. ৫৯৫৩)

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আসলেন। সে সময় লোকেরা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ- খেজুর বৃক্ষকে পরাগায়ন করাত। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা কি করছ? তাঁরা বলল, আমরা তো এমন করে আসছি। তিনি বললেন, (আমার মনে হয়) তোমরা এমন না করলেই ভাল হয়। তাই তাঁরা তা ছেড়ে দিল। আর এতে করে খেজুর ঝরে পড়ল কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, তার উৎপাদন হ্রাস পেল। বর্ণনাকারী বলেন, মানুষেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ঘটনা ব্যক্ত করল। তখন তিনি বললেন, আমি তো একজন মানুষ মাত্র এতে কোন সন্দেহ নেই। দ্বীনের ব্যাপারে যখন তোমাদের আমি কোন নির্দেশ দেই তোমরা তখন তা পালন করবে, আর যখন কোন কথা আমি আমার ধ্যান-ধারণা থেকে বলি, তখন (বুঝতে হবে) আমি একজন মানুষ মাত্র। বর্ণনাকারী ‘ইকরামাহ্ (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ বলেছেন। আর মা’কিরী (রহঃ) নিঃসন্দেহে শুধু ‘নাফাযাত’ (ঝড়ে পড়ল) বলেছেন। (ই.ফা. ৫৯১৫, ই.সে. ৫৯৫৩)

حدثنا عبد الله بن الرومي اليمامي، وعباس بن عبد العظيم العنبري، وأحمد بن، جعفر المعقري قالوا حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا أبو النجاشي، حدثني رافع بن خديج، قال قدم نبي الله صلى الله عليه وسلم المدينة وهم يأبرون النخل يقولون يلقحون النخل فقال ‏"‏ ما تصنعون ‏"‏ ‏.‏ قالوا كنا نصنعه قال ‏"‏ لعلكم لو لم تفعلوا كان خيرا ‏"‏ ‏.‏ فتركوه فنفضت أو فنقصت - قال - فذكروا ذلك له فقال ‏"‏ إنما أنا بشر إذا أمرتكم بشىء من دينكم فخذوا به وإذا أمرتكم بشىء من رأى فإنما أنا بشر ‏"‏ ‏.‏ قال عكرمة أو نحو هذا ‏.‏ قال المعقري فنفضت ‏.‏ ولم يشك ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখার ফযীলত ও এর আকাঙ্ক্ষা

সহিহ মুসলিম ৬০২৩

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والذي نفس محمد في يده ليأتين على أحدكم يوم ولا يراني ثم لأن يراني أحب إليه من أهله وماله معهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحاق المعنى فيه عندي لأن يراني معهم أحب إليه من أهله وماله وهو عندي مقدم ومؤخر ‏.‏

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের নিকট রিওয়ায়াত করেছেন, তার মাঝ হতে একটি হাদীস হলো এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন তাঁর শপথ! তোমাদের উপর এমন এক মুহূর্ত আসবে যখন তোমরা আমার সাক্ষাৎ পাবে না; আর আমার সাক্ষাৎ লাভ তোমাদের নিকট তখন তোমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের চেয়েও অধিক আকাঙ্খার বস্তু হবে। আবূ ইসহাক্ বলেন, হাদীসের শব্দের মধ্যে কিছু তাক্‌দীম ও তাখীর হয়েছে। আমার মতে, হাদীসের অর্থ হল “আমাকে তাদের সাথে দেখতে পাওয়াটা তাদের নিকট তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়ে অধিক প্রিয় হবে।” (ই.ফা. ৫৯১৭, ই.সে. ৫৯৫৫)

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের নিকট রিওয়ায়াত করেছেন, তার মাঝ হতে একটি হাদীস হলো এই যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন তাঁর শপথ! তোমাদের উপর এমন এক মুহূর্ত আসবে যখন তোমরা আমার সাক্ষাৎ পাবে না; আর আমার সাক্ষাৎ লাভ তোমাদের নিকট তখন তোমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের চেয়েও অধিক আকাঙ্খার বস্তু হবে। আবূ ইসহাক্ বলেন, হাদীসের শব্দের মধ্যে কিছু তাক্‌দীম ও তাখীর হয়েছে। আমার মতে, হাদীসের অর্থ হল “আমাকে তাদের সাথে দেখতে পাওয়াটা তাদের নিকট তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়ে অধিক প্রিয় হবে।” (ই.ফা. ৫৯১৭, ই.সে. ৫৯৫৫)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والذي نفس محمد في يده ليأتين على أحدكم يوم ولا يراني ثم لأن يراني أحب إليه من أهله وماله معهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحاق المعنى فيه عندي لأن يراني معهم أحب إليه من أهله وماله وهو عندي مقدم ومؤخر ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত

সহিহ মুসলিম ৬০২৪

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أنأخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أنا أولى الناس بابن مريم الأنبياء أولاد علات وليس بيني وبينه نبي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমি মারইয়ামের পুত্রের সর্বাধিক কাছাকাছি। নবী গণ একে অপরের ভাইয়ের মতো এবং আমার ও তাঁর মাঝে কোন নবী নেই। (ই.ফা. ৫৯১৮, ই.সে. ৫৯৫৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আমি মারইয়ামের পুত্রের সর্বাধিক কাছাকাছি। নবী গণ একে অপরের ভাইয়ের মতো এবং আমার ও তাঁর মাঝে কোন নবী নেই। (ই.ফা. ৫৯১৮, ই.সে. ৫৯৫৬)

حدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أنأخبره أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ أنا أولى الناس بابن مريم الأنبياء أولاد علات وليس بيني وبينه نبي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو داود، عمر بن سعد عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنا أولى الناس بعيسى الأنبياء أبناء علات وليس بيني وبين عيسى نبي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সর্বাধিক কাছাকাছি। নবী গণ একে অপরের (বৈমাত্রেয় ভাইয়ের) পিতৃসন্তানের মতো এবং আমার ও ‘ঈসার মধ্যবর্তী সময়ে কোন নবী নেই। (ই.ফা. ৫৯১৯, ই.সে. ৫৯৫৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সর্বাধিক কাছাকাছি। নবী গণ একে অপরের (বৈমাত্রেয় ভাইয়ের) পিতৃসন্তানের মতো এবং আমার ও ‘ঈসার মধ্যবর্তী সময়ে কোন নবী নেই। (ই.ফা. ৫৯১৯, ই.সে. ৫৯৫৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو داود، عمر بن سعد عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنا أولى الناس بعيسى الأنبياء أبناء علات وليس بيني وبين عيسى نبي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২৬

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنا أولى الناس بعيسى ابن مريم في الأولى والآخرة ‏"‏ ‏.‏ قالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ الأنبياء إخوة من علات وأمهاتهم شتى ودينهم واحد فليس بيننا نبي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতে আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সর্বাধিক নিকটবর্তী। লোকেরা বলল, এটি কীভাবে হে আল্লাহর রসূল? তখন তিনি বললেনঃ নবী গণ একই পিতার সন্তানের মতো। তাঁদের মাতা ভিন্ন। তাঁদের দ্বীন একটিই। আর তাঁর এবং আমার মাঝে কোন নবীও নেই। (ই.ফা. ৫৯২০, ই.সে. ৫৯৫৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতে আমি ‘ঈসা (‘আঃ)-এর সর্বাধিক নিকটবর্তী। লোকেরা বলল, এটি কীভাবে হে আল্লাহর রসূল? তখন তিনি বললেনঃ নবী গণ একই পিতার সন্তানের মতো। তাঁদের মাতা ভিন্ন। তাঁদের দ্বীন একটিই। আর তাঁর এবং আমার মাঝে কোন নবীও নেই। (ই.ফা. ৫৯২০, ই.সে. ৫৯৫৮)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنا أولى الناس بعيسى ابن مريم في الأولى والآخرة ‏"‏ ‏.‏ قالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ الأنبياء إخوة من علات وأمهاتهم شتى ودينهم واحد فليس بيننا نبي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ما من مولود يولد إلا نخسه الشيطان فيستهل صارخا من نخسة الشيطان إلا ابن مريم وأمه ‏"‏ ‏.‏ ثم قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وإني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجيم‏}‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন কোন নবভূমিষ্ঠ সন্তান নেই যাকে শাইতান স্পর্শ করে না। আর সে নবজাত সন্তান শাইতানের স্পর্শে কান্নাকাটি শুরু করে, কেবল মারইয়াম পুত্র এবং তাঁর মা ব্যতীত। তারপর আবু হুরায়রা্‌(রাঃ) বলেন, তোমাদের ইচ্ছা হলে পড়োঃ “অবশ্যই আমি অভিশপ্ত শাইতান থেকে তাঁর ও তাঁর বংশধরদের জন্য তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি”–(সূরাহ্‌ আ-লি ‘ইমরান ৩ : ৩৬)। (ই.ফা. ৫৯২১, ই.সে.৫৯৫৯)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন কোন নবভূমিষ্ঠ সন্তান নেই যাকে শাইতান স্পর্শ করে না। আর সে নবজাত সন্তান শাইতানের স্পর্শে কান্নাকাটি শুরু করে, কেবল মারইয়াম পুত্র এবং তাঁর মা ব্যতীত। তারপর আবু হুরায়রা্‌(রাঃ) বলেন, তোমাদের ইচ্ছা হলে পড়োঃ “অবশ্যই আমি অভিশপ্ত শাইতান থেকে তাঁর ও তাঁর বংশধরদের জন্য তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি”–(সূরাহ্‌ আ-লি ‘ইমরান ৩ : ৩৬)। (ই.ফা. ৫৯২১, ই.সে.৫৯৫৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ما من مولود يولد إلا نخسه الشيطان فيستهل صارخا من نخسة الشيطان إلا ابن مريم وأمه ‏"‏ ‏.‏ ثم قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم ‏{‏ وإني أعيذها بك وذريتها من الشيطان الرجيم‏}‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩০

حدثنا شيبان بن فروخ، أخبرنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صياح المولود حين يقع نزغة من الشيطان ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রাক্কালে বাচ্চার চিৎকার শাইতানের খোঁচার কারণে হয়। (ই.ফা. ৫৯২৩, ই.সে. নেই)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রাক্কালে বাচ্চার চিৎকার শাইতানের খোঁচার কারণে হয়। (ই.ফা. ৫৯২৩, ই.সে. নেই)

حدثنا شيبان بن فروخ، أخبرنا أبو عوانة، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صياح المولود حين يقع نزغة من الشيطان ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩১

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رأى عيسى ابن مريم رجلا يسرق فقال له عيسى سرقت قال كلا والذي لا إله إلا هو ‏.‏ فقال عيسى آمنت بالله وكذبت نفسي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, মারইয়াম পুত্র ‘ঈসা (‘আঃ) জনৈক লোককে চুরি করতে দেখলেন। সে সময় তিনি তাকে বললেন, তুমি চুরি করেছো। সে বলল, কক্ষনো না। যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোন মা’বূদ নেই, তাঁর কসম! (আমি চুরি করিনি)। তখন ‘ঈসা (‘আঃ) বললেন, আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করলাম আর আমি নিজেকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করলাম। (ই.ফা. ৫৯২৪, ই.সে. ৫৯৬২)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, মারইয়াম পুত্র ‘ঈসা (‘আঃ) জনৈক লোককে চুরি করতে দেখলেন। সে সময় তিনি তাকে বললেন, তুমি চুরি করেছো। সে বলল, কক্ষনো না। যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোন মা’বূদ নেই, তাঁর কসম! (আমি চুরি করিনি)। তখন ‘ঈসা (‘আঃ) বললেন, আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করলাম আর আমি নিজেকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করলাম। (ই.ফা. ৫৯২৪, ই.সে. ৫৯৬২)

حدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رأى عيسى ابن مريم رجلا يسرق فقال له عيسى سرقت قال كلا والذي لا إله إلا هو ‏.‏ فقال عيسى آمنت بالله وكذبت نفسي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২৯

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، أن أبا يونس، سليما مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ كل بني آدم يمسه الشيطان يوم ولدته أمه إلا مريم وابنها ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, প্রত্যেক বানী আদামকেই শাইতান স্পর্শ করে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করে, কেবল মারইয়াম ও তাঁর পুত্র [‘ঈসা(‘আ:)] এর ব্যতিক্রম। (ই.ফা. ৫৯২২, ই.সে. ৫৯৬১)

আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, প্রত্যেক বানী আদামকেই শাইতান স্পর্শ করে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করে, কেবল মারইয়াম ও তাঁর পুত্র [‘ঈসা(‘আ:)] এর ব্যতিক্রম। (ই.ফা. ৫৯২২, ই.সে. ৫৯৬১)

حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، أن أبا يونس، سليما مولى أبي هريرة حدثه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ كل بني آدم يمسه الشيطان يوم ولدته أمه إلا مريم وابنها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০২৮

وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثني عبد الله، بن عبد الرحمن الدارمي حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، جميعا عن الزهري، بهذا الإسناد وقالا ‏"‏ يمسه حين يولد فيستهل صارخا من مسة الشيطان إياه ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث شعيب ‏"‏ من مس الشيطان ‏"‏ ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন, “জন্মের সময় সে তাকে স্পর্শ করে, তখন শাইতানের স্পর্শে সে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়”। শু’আয়বের হাদিসে আছে “শাইতানের স্পর্শ”। (ই.ফা. ৫৯২১, ই.সে. ৫৯৬০)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন, “জন্মের সময় সে তাকে স্পর্শ করে, তখন শাইতানের স্পর্শে সে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়”। শু’আয়বের হাদিসে আছে “শাইতানের স্পর্শ”। (ই.ফা. ৫৯২১, ই.সে. ৫৯৬০)

وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثني عبد الله، بن عبد الرحمن الدارمي حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، جميعا عن الزهري، بهذا الإسناد وقالا ‏"‏ يمسه حين يولد فيستهل صارخا من مسة الشيطان إياه ‏"‏ ‏.‏ وفي حديث شعيب ‏"‏ من مس الشيطان ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ইব্‌রাহীম খলীল ‘(আঃ)- এর মর্যাদা

সহিহ মুসলিম ৬০৩২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وابن، فضيل عن المختار، ح وحدثني علي بن حجر السعدي، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا المختار، بن فلفل عن أنس بن مالك، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا خير البرية ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذاك إبراهيم عليه السلام ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে সৃষ্টির সেরা! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি (সৃষ্টির সেরা) তো ইব্‌রাহীম (‘আঃ)। (ই.ফা. ৫৯২৫, ই.সে. ৫৯৬৩)

আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে সৃষ্টির সেরা! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি (সৃষ্টির সেরা) তো ইব্‌রাহীম (‘আঃ)। (ই.ফা. ৫৯২৫, ই.সে. ৫৯৬৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وابن، فضيل عن المختار، ح وحدثني علي بن حجر السعدي، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، أخبرنا المختار، بن فلفل عن أنس بن مالك، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا خير البرية ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذاك إبراهيم عليه السلام ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اختتن إبراهيم النبي عليه السلام وهو ابن ثمانين سنة بالقدوم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্‌রাহীম (‘আঃ) খত্‌না করেছেন কুড়ালজাত অস্ত্র দ্বারা, সে সময় তাঁর বয়স হয়েছিল আশি বছর। (ই.ফা.৫৯২৮, ই.সে.৫৯৬৬)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্‌রাহীম (‘আঃ) খত্‌না করেছেন কুড়ালজাত অস্ত্র দ্বারা, সে সময় তাঁর বয়স হয়েছিল আশি বছর। (ই.ফা.৫৯২৮, ই.সে.৫৯৬৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اختتن إبراهيم النبي عليه السلام وهو ابن ثمانين سنة بالقدوم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৬

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ نحن أحق بالشك من إبراهيم إذ قال رب أرني كيف تحيي الموتى ‏.‏ قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي ‏.‏ ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা ইব্‌রাহীম (‘আঃ)-এর চেয়ে সর্বাধিক সন্দেহপরায়ণ। যখন তিনি বলেছিলেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আপনি মৃতকে কিভাবে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি বিশ্বাস করো না? তিনি বললেনঃ কেন করব না, তবে তা শুধু আমার আত্মার প্রশান্তির জন্য। লুত (‘আঃ)-কে আল্লাহ রহম করুন, তিনি মজবুত-কঠিন স্তম্ভের আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। আমি যদি ইউসুফ(‘আঃ)-এর মত দীর্ঘ সময় জেলখানায় কারাবদ্ধ হতাম তবে আহ্বানকারীর ডাক শুনামাত্র সাড়া দিতাম। (ই.ফা. ৫৯২৯, ই.সে. ৫৯৬৭)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা ইব্‌রাহীম (‘আঃ)-এর চেয়ে সর্বাধিক সন্দেহপরায়ণ। যখন তিনি বলেছিলেনঃ হে আমার প্রতিপালক! আপনি মৃতকে কিভাবে জীবিত করেন, আমাকে দেখান। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি বিশ্বাস করো না? তিনি বললেনঃ কেন করব না, তবে তা শুধু আমার আত্মার প্রশান্তির জন্য। লুত (‘আঃ)-কে আল্লাহ রহম করুন, তিনি মজবুত-কঠিন স্তম্ভের আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। আমি যদি ইউসুফ(‘আঃ)-এর মত দীর্ঘ সময় জেলখানায় কারাবদ্ধ হতাম তবে আহ্বানকারীর ডাক শুনামাত্র সাড়া দিতাম। (ই.ফা. ৫৯২৯, ই.সে. ৫৯৬৭)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ نحن أحق بالشك من إبراهيم إذ قال رب أرني كيف تحيي الموتى ‏.‏ قال أولم تؤمن قال بلى ولكن ليطمئن قلبي ‏.‏ ويرحم الله لوطا لقد كان يأوي إلى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول لبث يوسف لأجبت الداعي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৯

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني جرير بن حازم، عن أيوب السختياني، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم يكذب إبراهيم النبي عليه السلام قط إلا ثلاث كذبات ثنتين في ذات الله قوله ‏{‏ إني سقيم‏}‏ ‏.‏ وقوله ‏{‏ بل فعله كبيرهم هذا‏}‏ وواحدة في شأن سارة فإنه قدم أرض جبار ومعه سارة وكانت أحسن الناس فقال لها إن هذا الجبار إن يعلم أنك امرأتي يغلبني عليك فإن سألك فأخبريه أنك أختي فإنك أختي في الإسلام فإني لا أعلم في الأرض مسلما غيري وغيرك فلما دخل أرضه رآها بعض أهل الجبار أتاه فقال له لقد قدم أرضك امرأة لا ينبغي لها أن تكون إلا لك ‏.‏ فأرسل إليها فأتي بها فقام إبراهيم عليه السلام إلى الصلاة فلما دخلت عليه لم يتمالك أن بسط يده إليها فقبضت يده قبضة شديدة فقال لها ادعي الله أن يطلق يدي ولا أضرك ‏.‏ ففعلت فعاد فقبضت أشد من القبضة الأولى فقال لها مثل ذلك ففعلت فعاد فقبضت أشد من القبضتين الأوليين فقال ادعي الله أن يطلق يدي فلك الله أن لا أضرك ‏.‏ ففعلت وأطلقت يده ودعا الذي جاء بها فقال له إنك إنما أتيتني بشيطان ولم تأتني بإنسان فأخرجها من أرضي وأعطها هاجر ‏.‏ قال فأقبلت تمشي فلما رآها إبراهيم عليه السلام انصرف فقال لها مهيم قالت خيرا كف الله يد الفاجر وأخدم خادما ‏.‏ قال أبو هريرة فتلك أمكم يا بني ماء السماء ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ নবী ইব্‌রাহীম (‘আঃ) কক্ষনো মিথ্যা বলেননি; তিনবার ছাড়া। দু’বার আল্লাহ সম্পর্কিত। একবার তো তিনি বলেছিলেন, ‘আমি রোগগ্রস্ত’ আর তাঁর কথা, “বরং এদের বড়টাই এ কাজ করেছে”। অন্যটা ‘সারা’ সম্বন্ধে। যে সময় তিনি এক যালিম শাসকের দেশে গিয়েছিলেন, সারাও তাঁর সাথে ছিলেন। সারা ছিলেন সুন্দরীদের সেরা। সে সময় ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সারাকে বললেন, এ যালিম শাসক যদি অবহিত হন যে, তুমি আমার সহধর্মিনী তবে তোমাকে জোরপূর্বক নিয়ে নেবে। সুতরাং তোমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, তুমি বলবে যে, তুমি আমার বোন। ইসলামের দিক দিয়ে তুমি তো আমার বোনই হও। কারণ তুমি আর আমি ব্যতীত দুনিয়াতে আর কোন মুসলিম রয়েছে বলে আমার জানা নেই। যখন ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সে যালিম শাসকের দেশে পৌঁছলেন, তখন শাসকের লোকজন তাঁর নিকট সারাকে দেখতে পেয়ে শাসকের নিকট এসে বলল, আপনার ভূমিতে এমন একজন নারী এসেছে, আপনিই কেবল তার উপযুক্ত। শাসক সারাকে ডেকে পাঠালে ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সলাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন সারা শাসকের নিকট পৌঁছলেন, সে বেহুঁশের মতো সারার দিকে হাত বাড়াতেই তার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে এঁটে গেল। শাসক বলল, তুমি আল্লাহর নিকট আমার হাত খুলে যাওয়ার দু’আ করো। আমি তোমাকে বিরক্ত করব না। তিনি দু’আ করলেন। আবার সে হাত বাড়াল, তখন প্রথম মুষ্টির চেয়ে অধিক শক্ত হয়ে হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে গেল। সারাকে সে আগের মতই বলল। তিনি দু’আ করলেন। পুনরায় সে হাত বাড়াল। তখন প্রথম দু’বারের চেয়ে আরো বেশি শক্তভাবে তার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে গেল। তখন শাসক বলল, তুমি আল্লাহর কাছে আমার হাত খুলে দেয়ার জন্য দু’আ করো, আল্লাহর শপথ! তোমাকে আমি উত্যক্ত করব না। তিনি দু’আ করলেন। তার হাত খুলে গেল। তখন সে ঐ ব্যক্তিটিকে ডাকলো যে সারাকে এনেছিল। বলল, তুই তো আমার নিকট শাইতান নিয়ে এসেছিস, মানুষ আনিসনি। একে আমার ভূমি হতে বের করে দে। সঙ্গে হাজেরাকে দিয়ে দে। রাবী বলেন, সারা এগিয়ে চললেন। ইব্‌রাহীম (‘আঃ) তাকে দেখে এগিয়ে আসলেন এবং তাঁকে প্রশ্ন করলেন, কি ঘটল? তিনি বললেন, ভালই। আল্লাহ তা’আলা আমার উপর হতে এ দুষ্কৃতির হাতকে ফিরিয়ে রেখেছেন। আর একটা সেবিকাও দিয়েছেন। আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, এ সেবিকাই তোমাদের মা, হে আকাশের পানির সন্তানেরা। (ই.ফা. ৫৯৩২, ই.সে. ৫৯৭০)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ নবী ইব্‌রাহীম (‘আঃ) কক্ষনো মিথ্যা বলেননি; তিনবার ছাড়া। দু’বার আল্লাহ সম্পর্কিত। একবার তো তিনি বলেছিলেন, ‘আমি রোগগ্রস্ত’ আর তাঁর কথা, “বরং এদের বড়টাই এ কাজ করেছে”। অন্যটা ‘সারা’ সম্বন্ধে। যে সময় তিনি এক যালিম শাসকের দেশে গিয়েছিলেন, সারাও তাঁর সাথে ছিলেন। সারা ছিলেন সুন্দরীদের সেরা। সে সময় ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সারাকে বললেন, এ যালিম শাসক যদি অবহিত হন যে, তুমি আমার সহধর্মিনী তবে তোমাকে জোরপূর্বক নিয়ে নেবে। সুতরাং তোমাকে যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, তুমি বলবে যে, তুমি আমার বোন। ইসলামের দিক দিয়ে তুমি তো আমার বোনই হও। কারণ তুমি আর আমি ব্যতীত দুনিয়াতে আর কোন মুসলিম রয়েছে বলে আমার জানা নেই। যখন ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সে যালিম শাসকের দেশে পৌঁছলেন, তখন শাসকের লোকজন তাঁর নিকট সারাকে দেখতে পেয়ে শাসকের নিকট এসে বলল, আপনার ভূমিতে এমন একজন নারী এসেছে, আপনিই কেবল তার উপযুক্ত। শাসক সারাকে ডেকে পাঠালে ইব্‌রাহীম (‘আঃ) সলাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন সারা শাসকের নিকট পৌঁছলেন, সে বেহুঁশের মতো সারার দিকে হাত বাড়াতেই তার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে এঁটে গেল। শাসক বলল, তুমি আল্লাহর নিকট আমার হাত খুলে যাওয়ার দু’আ করো। আমি তোমাকে বিরক্ত করব না। তিনি দু’আ করলেন। আবার সে হাত বাড়াল, তখন প্রথম মুষ্টির চেয়ে অধিক শক্ত হয়ে হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে গেল। সারাকে সে আগের মতই বলল। তিনি দু’আ করলেন। পুনরায় সে হাত বাড়াল। তখন প্রথম দু’বারের চেয়ে আরো বেশি শক্তভাবে তার হাত মুষ্টিবদ্ধ হয়ে গেল। তখন শাসক বলল, তুমি আল্লাহর কাছে আমার হাত খুলে দেয়ার জন্য দু’আ করো, আল্লাহর শপথ! তোমাকে আমি উত্যক্ত করব না। তিনি দু’আ করলেন। তার হাত খুলে গেল। তখন সে ঐ ব্যক্তিটিকে ডাকলো যে সারাকে এনেছিল। বলল, তুই তো আমার নিকট শাইতান নিয়ে এসেছিস, মানুষ আনিসনি। একে আমার ভূমি হতে বের করে দে। সঙ্গে হাজেরাকে দিয়ে দে। রাবী বলেন, সারা এগিয়ে চললেন। ইব্‌রাহীম (‘আঃ) তাকে দেখে এগিয়ে আসলেন এবং তাঁকে প্রশ্ন করলেন, কি ঘটল? তিনি বললেন, ভালই। আল্লাহ তা’আলা আমার উপর হতে এ দুষ্কৃতির হাতকে ফিরিয়ে রেখেছেন। আর একটা সেবিকাও দিয়েছেন। আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) বলেন, এ সেবিকাই তোমাদের মা, হে আকাশের পানির সন্তানেরা। (ই.ফা. ৫৯৩২, ই.সে. ৫৯৭০)

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني جرير بن حازم، عن أيوب السختياني، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لم يكذب إبراهيم النبي عليه السلام قط إلا ثلاث كذبات ثنتين في ذات الله قوله ‏{‏ إني سقيم‏}‏ ‏.‏ وقوله ‏{‏ بل فعله كبيرهم هذا‏}‏ وواحدة في شأن سارة فإنه قدم أرض جبار ومعه سارة وكانت أحسن الناس فقال لها إن هذا الجبار إن يعلم أنك امرأتي يغلبني عليك فإن سألك فأخبريه أنك أختي فإنك أختي في الإسلام فإني لا أعلم في الأرض مسلما غيري وغيرك فلما دخل أرضه رآها بعض أهل الجبار أتاه فقال له لقد قدم أرضك امرأة لا ينبغي لها أن تكون إلا لك ‏.‏ فأرسل إليها فأتي بها فقام إبراهيم عليه السلام إلى الصلاة فلما دخلت عليه لم يتمالك أن بسط يده إليها فقبضت يده قبضة شديدة فقال لها ادعي الله أن يطلق يدي ولا أضرك ‏.‏ ففعلت فعاد فقبضت أشد من القبضة الأولى فقال لها مثل ذلك ففعلت فعاد فقبضت أشد من القبضتين الأوليين فقال ادعي الله أن يطلق يدي فلك الله أن لا أضرك ‏.‏ ففعلت وأطلقت يده ودعا الذي جاء بها فقال له إنك إنما أتيتني بشيطان ولم تأتني بإنسان فأخرجها من أرضي وأعطها هاجر ‏.‏ قال فأقبلت تمشي فلما رآها إبراهيم عليه السلام انصرف فقال لها مهيم قالت خيرا كف الله يد الفاجر وأخدم خادما ‏.‏ قال أبو هريرة فتلك أمكم يا بني ماء السماء ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৮

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يغفر الله للوط إنه أوى إلى ركن شديد ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ লূত (‘আঃ)-কে মাফ করে দিন, তিনি শক্ত-কঠিন খুঁটির আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। (ই.ফা.৫৯৩১, ই.সে.৫৯৬৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আল্লাহ লূত (‘আঃ)-কে মাফ করে দিন, তিনি শক্ত-কঠিন খুঁটির আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। (ই.ফা.৫৯৩১, ই.সে.৫৯৬৯)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يغفر الله للوط إنه أوى إلى ركن شديد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৪

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن المختار، قال سمعت أنسا، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.‏

আনাস (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৯২৭, ই.সে. ৫৯৬৫)

আনাস (রাঃ) এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৯২৭, ই.সে. ৫৯৬৫)

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن المختار، قال سمعت أنسا، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৩

وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن إدريس، قال سمعت مختار بن فلفل، مولى عمرو بن حريث قال سمعت أنسا، يقول قال رجل يا رسول الله ‏.‏ بمثله ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৯২৬, ই.সে. ৫৯৬৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৯২৬, ই.সে. ৫৯৬৪)

وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن إدريس، قال سمعت مختار بن فلفل، مولى عمرو بن حريث قال سمعت أنسا، يقول قال رجل يا رسول الله ‏.‏ بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৬০৩৭

وحدثناه إن، شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث يونس عن الزهري ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ইউনুস তার সানাদে যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদিসের মর্মে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৫৯৩০, ই.সে.৫৯৬৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে ইউনুস তার সানাদে যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদিসের মর্মে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা.৫৯৩০, ই.সে.৫৯৬৮)

وحدثناه إن، شاء الله عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، وأبا، عبيد أخبراه عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث يونس عن الزهري ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00