সহিহ মুসলিম > ভারতীয় চন্দন দ্বারা চিকিৎসা করা- সেটাই কুস্‌ত

সহিহ মুসলিম ৫৬৫৮

قال عبيد الله وأخبرتني أن ابنها ذاك بال في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فنضحه على بوله ولم يغسله غسلا ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তার ঐ ছেলেটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তার প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি ধুলেন না। (ই. ফা. ৫৫৭৫, ই. সে. ৫৬০০)

‘উবাইদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আমাকে আরও জানিয়েছেন যে, তার ঐ ছেলেটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোলে প্রস্রাব করে দিল। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামান্য পানি নিয়ে আসতে বললেন এবং তার প্রস্রাবের উপর ঢেলে দিলেন, কিন্তু একেবারে পুরোপুরি ধুলেন না। (ই. ফা. ৫৫৭৫, ই. সে. ৫৬০০)

قال عبيد الله وأخبرتني أن ابنها ذاك بال في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فنضحه على بوله ولم يغسله غسلا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৫৫

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وابن أبي عمر - واللفظ لزهير - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان، بن عيينة عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أم قيس بنت محصن، أخت عكاشة بن محصن قالت دخلت بابن لي على رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يأكل الطعام فبال عليه فدعا بماء فرشه ‏.‏

‘উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান-এর ভগ্নি উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার এক ছেলেকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম, সে তখনও (সাধারণ) খাবার গ্রহণের বয়সে পৌঁছেনি- বাচ্চাটি তাঁর শরীরে প্রস্রাব করে দিল। তিনি পানি আনালেন এবং তা ছিটিয়ে দিলেন। (ই. ফা. ৫৫৭৪, ই. সে. ৫৫৯৯)

‘উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান-এর ভগ্নি উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার এক ছেলেকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম, সে তখনও (সাধারণ) খাবার গ্রহণের বয়সে পৌঁছেনি- বাচ্চাটি তাঁর শরীরে প্রস্রাব করে দিল। তিনি পানি আনালেন এবং তা ছিটিয়ে দিলেন। (ই. ফা. ৫৫৭৪, ই. সে. ৫৫৯৯)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وابن أبي عمر - واللفظ لزهير - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان، بن عيينة عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن أم قيس بنت محصن، أخت عكاشة بن محصن قالت دخلت بابن لي على رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يأكل الطعام فبال عليه فدعا بماء فرشه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৫৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن أم قيس بنت محصن، - وكانت من المهاجرات الأول اللاتي بايعن رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي أخت عكاشة بن محصن أحد بني أسد بن خزيمة - قال أخبرتني أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها لم يبلغ أن يأكل الطعام وقد أعلقت عليه من العذرة - قال يونس أعلقت غمزت فهي تخاف أن يكون به عذرة - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ علامه تدغرن أولادكن بهذا الإعلاق عليكم بهذا العود الهندي - يعني به الكست - فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب ‏"‏ ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ্‌ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ) তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর হাতে বাই‘আত গ্রহণকারিণী প্রথম পর্যায়ের মুহাজির নারীগণের অন্যতমা। আর তিনি হলেন বানূ আসাদ ইবনু খুযাইমার একজন সদস্য ‘উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান (রাঃ) -এর ভগ্নি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (উম্মু কায়স) আমাকে সংবাদ জানিয়েছন যে, তিনি তার একটি ছেলেকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলেন, যে তখনও (সাধারণ) খাদ্য খাওয়ার উপযোগী হয়নি। আর তখন তিনি পাকানো নেকড়া নাসারন্দ্রে ঢুকিয়ে ঐ ছেলেটির গলা ব্যাথা সাড়ানোর ব্যবস্থা করে ছিলেন। বর্ণনাকারী ইউনুস (রহঃ) বলেন, (আরবি) অর্থ (আরবি) অর্থাৎ- ঘাড়ের আশেপাশে ব্যথা বা রক্ত জমার আশঙ্কায় নাসিকারন্ধ্রে নেকড়া ঢুকিয়ে নিরাময়ের বন্দোবস্ত করেছিলেন। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পাকানো নেকড়া ঢুকিয়ে তোমাদের বাচ্চাদের নিরাময়ের বন্দোবস্ত করো কেন? তোমরা (বরং) এ ভারতীয় চন্দন ব্যবহার করবে, কেননা তাতে নিশ্চয়ই সাতটি (রোগের) ওষুধ আছে। তার মধ্যে (আরবি) একটি। (ই. ফা. ৫৫৭৫, ই. সে. ৫৬০০)

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ্‌ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু কায়স বিনতু মিহ্‌সান (রাঃ) তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর হাতে বাই‘আত গ্রহণকারিণী প্রথম পর্যায়ের মুহাজির নারীগণের অন্যতমা। আর তিনি হলেন বানূ আসাদ ইবনু খুযাইমার একজন সদস্য ‘উক্কাশাহ্‌ ইবনু মিহ্‌সান (রাঃ) -এর ভগ্নি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (উম্মু কায়স) আমাকে সংবাদ জানিয়েছন যে, তিনি তার একটি ছেলেকে নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলেন, যে তখনও (সাধারণ) খাদ্য খাওয়ার উপযোগী হয়নি। আর তখন তিনি পাকানো নেকড়া নাসারন্দ্রে ঢুকিয়ে ঐ ছেলেটির গলা ব্যাথা সাড়ানোর ব্যবস্থা করে ছিলেন। বর্ণনাকারী ইউনুস (রহঃ) বলেন, (আরবি) অর্থ (আরবি) অর্থাৎ- ঘাড়ের আশেপাশে ব্যথা বা রক্ত জমার আশঙ্কায় নাসিকারন্ধ্রে নেকড়া ঢুকিয়ে নিরাময়ের বন্দোবস্ত করেছিলেন। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পাকানো নেকড়া ঢুকিয়ে তোমাদের বাচ্চাদের নিরাময়ের বন্দোবস্ত করো কেন? তোমরা (বরং) এ ভারতীয় চন্দন ব্যবহার করবে, কেননা তাতে নিশ্চয়ই সাতটি (রোগের) ওষুধ আছে। তার মধ্যে (আরবি) একটি। (ই. ফা. ৫৫৭৫, ই. সে. ৫৬০০)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، أن ابن شهاب، أخبره قال أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن أم قيس بنت محصن، - وكانت من المهاجرات الأول اللاتي بايعن رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي أخت عكاشة بن محصن أحد بني أسد بن خزيمة - قال أخبرتني أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها لم يبلغ أن يأكل الطعام وقد أعلقت عليه من العذرة - قال يونس أعلقت غمزت فهي تخاف أن يكون به عذرة - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ علامه تدغرن أولادكن بهذا الإعلاق عليكم بهذا العود الهندي - يعني به الكست - فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৫৬

قالت ودخلت عليه بابن لي قد أعلقت عليه من العذرة فقال ‏ "‏ علامه تدغرن أولادكن بهذا العلاق عليكن بهذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يسعط من العذرة ويلد من ذات الجنب ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্ধ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রনা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে-মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানী চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটি (আরবি) গলা ব্যথায় নাকে হিন্দী চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আর (আরবি) চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে। (ই. ফা. ৫৫৭৪, ই. সে. ৫৫৯৯)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আর একবার আমি আমার (এক) ছেলেকে নিয়ে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম- যার গলদেশে ব্যথার কারণে আমি তার (নাসারন্ধ্রে পাকানো নেকড়া দ্বারা) যন্ত্রনা সারানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তিনি বললেন, নেকড়ার এ প্রক্রিয়ায় তোমাদের ছেলে-মেয়ের গলার ব্যথার চিকিৎসা করো কেন? তোমরা (বরং) হিন্দুস্তানী চন্দন ব্যবহার করবে। কারণ এতে সাতটি (রোগের) নিরাময় আছে। তন্মধ্যে একটি (আরবি) গলা ব্যথায় নাকে হিন্দী চন্দনের নির্যাস দেয়া হবে, আর (আরবি) চোয়ালের এক পার্শ্ব দিয়ে ঢেলে দেয়া হবে। (ই. ফা. ৫৫৭৪, ই. সে. ৫৫৯৯)

قالت ودخلت عليه بابن لي قد أعلقت عليه من العذرة فقال ‏ "‏ علامه تدغرن أولادكن بهذا العلاق عليكن بهذا العود الهندي فإن فيه سبعة أشفية منها ذات الجنب يسعط من العذرة ويلد من ذات الجنب ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কালো জিরা দিয়ে চিকিৎসাকরণ

সহিহ মুসলিম ৫৬৫৯

حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، أخبرهما أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن في الحبة السوداء شفاء من كل داء إلا السام ‏"‏ ‏.‏ والسام الموت ‏.‏ والحبة السوداء الشونيز ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, কালো জিরা সকল প্রকার রোগের উপশম আছে-তবে ‘আস্‌সাম’ ব্যতীত। আর ‘আস্‌সা-ম’ হলো মৃত্যু। এর ‘আল হাব্বাতুস্‌ সাওদা’ হলো (স্থানীয় ভাষায়) ‘শূনীয’ (অর্থাৎ- কালো জিরা)। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০১)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, কালো জিরা সকল প্রকার রোগের উপশম আছে-তবে ‘আস্‌সাম’ ব্যতীত। আর ‘আস্‌সা-ম’ হলো মৃত্যু। এর ‘আল হাব্বাতুস্‌ সাওদা’ হলো (স্থানীয় ভাষায়) ‘শূনীয’ (অর্থাৎ- কালো জিরা)। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০১)

حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، أخبرهما أنه، سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن في الحبة السوداء شفاء من كل داء إلا السام ‏"‏ ‏.‏ والسام الموت ‏.‏ والحبة السوداء الشونيز ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৬০

وحدثنيه أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، كلهم عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث عقيل وفي حديث سفيان ويونس الحبة السوداء ‏.‏ ولم يقل الشونيز ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ তাহির (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (পূর্বোক্ত) ‘উকায়ল (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (দ্বিতীয় সানাদে) সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) ও (প্রথম সূত্রে) ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসে ‘আল হাব্বাতুস্‌ সাওদা রয়েছে। (তার বিশ্লেষণে) তিনি ‘শূণীয’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০২)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ তাহির (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) -এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে (পূর্বোক্ত) ‘উকায়ল (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে (দ্বিতীয় সানাদে) সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) ও (প্রথম সূত্রে) ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসে ‘আল হাব্বাতুস্‌ সাওদা রয়েছে। (তার বিশ্লেষণে) তিনি ‘শূণীয’ শব্দটি বলেননি। (ই. ফা. ৫৫৭৬, ই. সে. ৫৬০২)

وحدثنيه أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، كلهم عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث عقيل وفي حديث سفيان ويونس الحبة السوداء ‏.‏ ولم يقل الشونيز ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৬১

وحدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من داء إلا في الحبة السوداء منه شفاء إلا السام ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা‘ইদ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ...আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালো জিরায় যার আরোগ্যতা নেই। (ই. ফা ৫৫১৫, ই. সে ৫৬০৩)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা‘ইদ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ...আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালো জিরায় যার আরোগ্যতা নেই। (ই. ফা ৫৫১৫, ই. সে ৫৬০৩)

وحدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من داء إلا في الحبة السوداء منه شفاء إلا السام ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > তালবীনাহ্‌- (সাগু-বার্লি তরল হালুয়া) রোগীর অন্তরের জন্য প্রশান্তিদায়ক

সহিহ মুসলিম ৫৬৬২

وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن خالد، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت إذا مات الميت من أهلها فاجتمع لذلك النساء ثم تفرقن إلا أهلها وخاصتها - أمرت ببرمة من تلبينة فطبخت ثم صنع ثريد فصبت التلبينة عليها ثم قالت كلن منها فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ التلبينة مجمة لفؤاد المريض تذهب بعض الحزن ‏"‏ ‏.‏

‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল মালিক ইবনু শু‘আয়ব ইবনু লায়স ইবনু সা‘দ (রহঃ) ‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর নীতি ছিল যে, যখন তার পরিবারের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করতো এবং সে প্রেক্ষিতে মহিলাগণ একত্রিত হত, তারপরে পরিবারের লোক ও বিশিষ্ট (আত্নীয়) ছাড়া অবশিষ্টরা চলে যেত, তখন তিনি এক ডেকচি তালবীনাহ্‌ রান্না করার আদেশ দিতেন। তা রান্না করা হত; অতঃপর ‘সারীদ’ প্রস্তুত করে তালবীনাহ্‌ তার উপর ঢেলে দেয়া হত। অতঃপর তিনি বলতেন, এটা হতে তোমরা খাও। কারণ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ‘তালবীনাহ্‌’ রোগীর মনে প্রশান্তি দেয় এবং দুঃখ কিছুটা লাঘব করে। (ই.ফা. ৫৫৭৮, ই. সে. ৫৬০৪)

‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল মালিক ইবনু শু‘আয়ব ইবনু লায়স ইবনু সা‘দ (রহঃ) ‘উরওয়াহ্‌ (রহঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর নীতি ছিল যে, যখন তার পরিবারের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করতো এবং সে প্রেক্ষিতে মহিলাগণ একত্রিত হত, তারপরে পরিবারের লোক ও বিশিষ্ট (আত্নীয়) ছাড়া অবশিষ্টরা চলে যেত, তখন তিনি এক ডেকচি তালবীনাহ্‌ রান্না করার আদেশ দিতেন। তা রান্না করা হত; অতঃপর ‘সারীদ’ প্রস্তুত করে তালবীনাহ্‌ তার উপর ঢেলে দেয়া হত। অতঃপর তিনি বলতেন, এটা হতে তোমরা খাও। কারণ আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি ‘তালবীনাহ্‌’ রোগীর মনে প্রশান্তি দেয় এবং দুঃখ কিছুটা লাঘব করে। (ই.ফা. ৫৫৭৮, ই. সে. ৫৬০৪)

وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث بن سعد، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن خالد، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت إذا مات الميت من أهلها فاجتمع لذلك النساء ثم تفرقن إلا أهلها وخاصتها - أمرت ببرمة من تلبينة فطبخت ثم صنع ثريد فصبت التلبينة عليها ثم قالت كلن منها فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ التلبينة مجمة لفؤاد المريض تذهب بعض الحزن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মধু পানে চিকিৎসা প্রসঙ্গ

সহিহ মুসলিম ৫৬৬৪

وحدثنيه عمرو بن زرارة، أخبرنا عبد الوهاب، - يعني ابن عطاء - عن سعيد، عن قتادة، عن أبي المتوكل الناجي، عن أبي سعيد الخدري، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي عرب بطنه ‏.‏ فقال له ‏ "‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ بمعنى حديث شعبة ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হয়েছে। তিনি বললেন, তাকে মধু পান করাও। ... হাদীসের বাকী অংশটুকু শু‘বাহ্‌ বর্ণিত হাদীসের অর্থেই বর্ণিত হয়েছেন। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৬)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হয়েছে। তিনি বললেন, তাকে মধু পান করাও। ... হাদীসের বাকী অংশটুকু শু‘বাহ্‌ বর্ণিত হাদীসের অর্থেই বর্ণিত হয়েছেন। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৬)

وحدثنيه عمرو بن زرارة، أخبرنا عبد الوهاب، - يعني ابن عطاء - عن سعيد، عن قتادة، عن أبي المتوكل الناجي، عن أبي سعيد الخدري، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي عرب بطنه ‏.‏ فقال له ‏ "‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ بمعنى حديث شعبة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৬৬৩

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي استطلق بطنه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ فسقاه ثم جاءه فقال إني سقيته عسلا فلم يزده إلا استطلاقا ‏.‏ فقال له ثلاث مرات ثم جاء الرابعة فقال ‏"‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ فقال لقد سقيته فلم يزده إلا استطلاقا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق الله وكذب بطن أخيك ‏"‏ ‏.‏ فسقاه فبرأ ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধুপান করালো। তারপর এসে বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু তার পীড়া আরও বেড়ে গেছে। তিনি এভাবে তিনবার বললেন। অতঃপর লোকটি চতুর্থবার এসে বললে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে মধু পান করাও। লোকটি বলল, মধুপান করিয়েছি কিন্তু উদারাময় ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহই সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের পেটের যন্ত্রণাটি মিথ্যা। অতঃপর পুনরায় তাকে পান করালে সুস্থ হয়ে গেল। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৫)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদারাময় হচ্ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধুপান করালো। তারপর এসে বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু তার পীড়া আরও বেড়ে গেছে। তিনি এভাবে তিনবার বললেন। অতঃপর লোকটি চতুর্থবার এসে বললে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে মধু পান করাও। লোকটি বলল, মধুপান করিয়েছি কিন্তু উদারাময় ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহই সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের পেটের যন্ত্রণাটি মিথ্যা। অতঃপর পুনরায় তাকে পান করালে সুস্থ হয়ে গেল। (ই. ফা. ৫৫৭৯, ই. সে. ৫৬০৫)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إن أخي استطلق بطنه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ فسقاه ثم جاءه فقال إني سقيته عسلا فلم يزده إلا استطلاقا ‏.‏ فقال له ثلاث مرات ثم جاء الرابعة فقال ‏"‏ اسقه عسلا ‏"‏ ‏.‏ فقال لقد سقيته فلم يزده إلا استطلاقا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق الله وكذب بطن أخيك ‏"‏ ‏.‏ فسقاه فبرأ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00