সহিহ মুসলিম > শিরক মুক্ত ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই
সহিহ মুসলিম ৫৬২৫
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن، بن جبير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم يكن فيه شرك " .
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী (মূর্খতার) যুগে (বিভিন্ন) মন্ত্র দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতাম। এজন্যে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আবেদন করলাম-হে আল্লাহর রসূল! এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন, তোমাদের মন্ত্রগুলো আমার নিকট উপস্থাপন করো, ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই-যদি তাতে কোন শিরক (জাতীয় কথা) না থাকে। (ই.ফা. ৫৫৪৪, ই.সে. ৫৫৬৯)
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী (মূর্খতার) যুগে (বিভিন্ন) মন্ত্র দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতাম। এজন্যে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আবেদন করলাম-হে আল্লাহর রসূল! এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন, তোমাদের মন্ত্রগুলো আমার নিকট উপস্থাপন করো, ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই-যদি তাতে কোন শিরক (জাতীয় কথা) না থাকে। (ই.ফা. ৫৫৪৪, ই.সে. ৫৫৬৯)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن، بن جبير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم يكن فيه شرك " .
সহিহ মুসলিম > কুরআন মাজীদ এবং অন্যান্য দু‘আ-যিকর দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে বিনিময় গ্রহণ বৈধ
সহিহ মুসলিম ৫৬২৭
حدثنا محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن غندر، محمد بن جعفر عن شعبة، عن أبي بشر، بهذا الإسناد وقال في الحديث فجعل يقرأ أم القرآن ويجمع بزاقه ويتفل فبرأ الرجل .
আবূ বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে (ওঝা) উম্মুল কুরআন-সূরা আল-ফাতিহাহ্ পাঠ করতে লাগল এবং তার থু-থু একত্রে করে থুক দিতে লাগল। ফলে ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে গেল। (ই.ফা ৫৫৪৬, ই.সে. ৫৫৭১)
আবূ বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে (ওঝা) উম্মুল কুরআন-সূরা আল-ফাতিহাহ্ পাঠ করতে লাগল এবং তার থু-থু একত্রে করে থুক দিতে লাগল। ফলে ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে গেল। (ই.ফা ৫৫৪৬, ই.সে. ৫৫৭১)
حدثنا محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن غندر، محمد بن جعفر عن شعبة، عن أبي بشر، بهذا الإسناد وقال في الحديث فجعل يقرأ أم القرآن ويجمع بزاقه ويتفل فبرأ الرجل .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أخيه، معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري، قال نزلنا منزلا فأتتنا امرأة فقالت إن سيد الحى سليم لدغ فهل فيكم من راق فقام معها رجل منا ما كنا نظنه يحسن رقية فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوه غنما وسقونا لبنا فقلنا أكنت تحسن رقية فقال ما رقيته إلا بفاتحة الكتاب . قال فقلت لا تحركوها حتى نأتي النبي صلى الله عليه وسلم . فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له . فقال " ما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم معكم " .
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি স্থানে নামলাম। অতঃপর আমাদের নিকট একটি মহিলা এসে বলল, এলাকার সর্দারকে সাপে কেটেছে, তোমাদের মাঝে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? সে সময় আমাদের এক লোক উঠে তার সাথে গেল- সে যে সুন্দর ঝাড়ফুঁক করতে পারে তা আমাদের জানা ছিল না। সে সূরা আল-ফাতিহা দ্বারা তাকে ঝাড়ফুঁক করল। এতে সে সুস্থ হয়ে গেল। তখন তারা তাকে একপাল বকরী দিল এবং আমাদের দুধ পান করাল। আমরা বললাম, তুমি কি ভাল ঝাড়ফুঁক করতে জানতে? সে বলল, আমি তো সূরা আল-ফাতিহাহ্ ব্যতীত আর কিছু দিয়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করিনি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি বললাম, তোমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গমন না করা পর্যন্ত ঐ বকরীগুলোকে এখান হতে নিয়ে যেওনা। তারপরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর নিকট তা পেশ করলাম। তিনি বললেন, সে-কি করে বুঝল যে, এ সূরাটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়? তোমরা বকরীগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যে তোমাদের সাথে একটি অংশ রেখ। (ই.ফা. ৫৫৪৭, ই.সে. ৫৫৭২)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি স্থানে নামলাম। অতঃপর আমাদের নিকট একটি মহিলা এসে বলল, এলাকার সর্দারকে সাপে কেটেছে, তোমাদের মাঝে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? সে সময় আমাদের এক লোক উঠে তার সাথে গেল- সে যে সুন্দর ঝাড়ফুঁক করতে পারে তা আমাদের জানা ছিল না। সে সূরা আল-ফাতিহা দ্বারা তাকে ঝাড়ফুঁক করল। এতে সে সুস্থ হয়ে গেল। তখন তারা তাকে একপাল বকরী দিল এবং আমাদের দুধ পান করাল। আমরা বললাম, তুমি কি ভাল ঝাড়ফুঁক করতে জানতে? সে বলল, আমি তো সূরা আল-ফাতিহাহ্ ব্যতীত আর কিছু দিয়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করিনি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি বললাম, তোমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গমন না করা পর্যন্ত ঐ বকরীগুলোকে এখান হতে নিয়ে যেওনা। তারপরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর নিকট তা পেশ করলাম। তিনি বললেন, সে-কি করে বুঝল যে, এ সূরাটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়? তোমরা বকরীগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যে তোমাদের সাথে একটি অংশ রেখ। (ই.ফা. ৫৫৪৭, ই.সে. ৫৫৭২)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أخيه، معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري، قال نزلنا منزلا فأتتنا امرأة فقالت إن سيد الحى سليم لدغ فهل فيكم من راق فقام معها رجل منا ما كنا نظنه يحسن رقية فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوه غنما وسقونا لبنا فقلنا أكنت تحسن رقية فقال ما رقيته إلا بفاتحة الكتاب . قال فقلت لا تحركوها حتى نأتي النبي صلى الله عليه وسلم . فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له . فقال " ما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم معكم " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৬
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا فى سفر فمروا بحى من أحياء العرب فاستضافوهم فلم يضيفوهم . فقالوا لهم هل فيكم راق فإن سيد الحى لديغ أو مصاب . فقال رجل منهم نعم فأتاه فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ الرجل فأعطي قطيعا من غنم فأبى أن يقبلها . وقال حتى أذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم . فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له . فقال يا رسول الله والله ما رقيت إلا بفاتحة الكتاب . فتبسم وقال " وما أدراك أنها رقية " . ثم قال " خذوا منهم واضربوا لي بسهم معكم " .
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কিছু সংখ্যক সহাবী কোন এক সফরে ছিলেন, তাঁরা কোন একটি আরব সম্প্রদায়ের বসতির নিকট দিয়ে রাস্তা অতিক্রমকালে তাদের নিকট মেহমানদারীর ব্যাপারে বললেন। কিন্তু তারা তাদের আতিথেয়তা করল না। পরে তাদেরকে তারা বলল, তোমাদের দলে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? কারণ, বসতির সর্দারকে সাপে দংশন করেছেন অথবা (বর্ণনাকারীর সংশয়ে তারা বলল-) বিপদগ্রস্থ হয়েছে। সে সময় এক লোক বলল, হ্যাঁ। তারপরে সে তার নিকট গমন করে সূরা আল আল-ফাতিহাহ্ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করল। যার দরুন ব্যক্তিটি ভাল হয়ে গেল এবং ঝাড়ফুঁককারীকে বকরীর একটি ক্ষুদ্র পাল দেয়া হলো। সে তা নিতে আপত্তি জানালো এবং সে বলল, যতক্ষন তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বর্ণনা না করি-(ততক্ষন গ্রহণ করতে পারি না)। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁর নিকট বর্ণনা করে সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আমি ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া ভিন্ন কোন কিছু দিয়ে ঝাড়ফুঁক করিনি। সে সময় তিনি মৃদু হাসঁলেন এবং বললেন, তুমি কি করে বুঝলে যে, তা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা যায়? অতঃপর বললেন, তাদের নিকট থেকে তা নিয়ে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমার জন্যও একাংশ রেখো। (ই.ফা. ৫৫৪৫, ই.সে. ৫৫৭০)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কিছু সংখ্যক সহাবী কোন এক সফরে ছিলেন, তাঁরা কোন একটি আরব সম্প্রদায়ের বসতির নিকট দিয়ে রাস্তা অতিক্রমকালে তাদের নিকট মেহমানদারীর ব্যাপারে বললেন। কিন্তু তারা তাদের আতিথেয়তা করল না। পরে তাদেরকে তারা বলল, তোমাদের দলে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? কারণ, বসতির সর্দারকে সাপে দংশন করেছেন অথবা (বর্ণনাকারীর সংশয়ে তারা বলল-) বিপদগ্রস্থ হয়েছে। সে সময় এক লোক বলল, হ্যাঁ। তারপরে সে তার নিকট গমন করে সূরা আল আল-ফাতিহাহ্ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করল। যার দরুন ব্যক্তিটি ভাল হয়ে গেল এবং ঝাড়ফুঁককারীকে বকরীর একটি ক্ষুদ্র পাল দেয়া হলো। সে তা নিতে আপত্তি জানালো এবং সে বলল, যতক্ষন তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বর্ণনা না করি-(ততক্ষন গ্রহণ করতে পারি না)। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁর নিকট বর্ণনা করে সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আমি ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া ভিন্ন কোন কিছু দিয়ে ঝাড়ফুঁক করিনি। সে সময় তিনি মৃদু হাসঁলেন এবং বললেন, তুমি কি করে বুঝলে যে, তা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা যায়? অতঃপর বললেন, তাদের নিকট থেকে তা নিয়ে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমার জন্যও একাংশ রেখো। (ই.ফা. ৫৫৪৫, ই.সে. ৫৫৭০)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا فى سفر فمروا بحى من أحياء العرب فاستضافوهم فلم يضيفوهم . فقالوا لهم هل فيكم راق فإن سيد الحى لديغ أو مصاب . فقال رجل منهم نعم فأتاه فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ الرجل فأعطي قطيعا من غنم فأبى أن يقبلها . وقال حتى أذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم . فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له . فقال يا رسول الله والله ما رقيت إلا بفاتحة الكتاب . فتبسم وقال " وما أدراك أنها رقية " . ثم قال " خذوا منهم واضربوا لي بسهم معكم " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৯
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد . نحوه غير أنه قال فقام معها رجل منا ما كنا نأبنه برقية .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .......... হিশাম (রহঃ) এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন-সে সময় তার সঙ্গে আমাদের এক লোক উঠে দাঁড়াল-যাকে আমরা ঝাড়ফুঁক বিষয়ে (পারদর্শী) মনে করতাম না। (ই.ফা. ৫৫৪৮, ই.সে. ৫৫৭৩)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .......... হিশাম (রহঃ) এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন-সে সময় তার সঙ্গে আমাদের এক লোক উঠে দাঁড়াল-যাকে আমরা ঝাড়ফুঁক বিষয়ে (পারদর্শী) মনে করতাম না। (ই.ফা. ৫৫৪৮, ই.সে. ৫৫৭৩)
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد . نحوه غير أنه قال فقام معها رجل منا ما كنا نأبنه برقية .
সহিহ মুসলিম > ঝাড়ফুঁকের সময় আক্রান্ত জায়গায় হাত রাখা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৫৬৩০
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني نافع بن جبير بن مطعم، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، أنه شكا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وجعا يجده في جسده منذ أسلم . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ضع يدك على الذي تألم من جسدك وقل باسم الله . ثلاثا . وقل سبع مرات أعوذ بالله وقدرته من شر ما أجد وأحاذر " .
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস-সাকাফী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি ব্যথার অভিযোগ করলেন, যা তিনি ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তার দেহে অনুভব করছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার শরীরের যে অংশ ব্যথাযুক্ত হয়, তার উপরে তোমার হাত রেখে তিনবার ‘বিসমিল্লা-হ’ বলবে এবং সাতবার বলবে- “আল্লাহ এবং তাঁর ক্ষমতার আশ্রয় প্রার্থনা করছি-যা আমি অনুভব করি এবং যা ধারণা করি তার অনিষ্ট হতে।” (ই. ফা. ৫৫৫১, ই. সে. ৫৫৭৪)
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস-সাকাফী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি ব্যথার অভিযোগ করলেন, যা তিনি ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তার দেহে অনুভব করছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমার শরীরের যে অংশ ব্যথাযুক্ত হয়, তার উপরে তোমার হাত রেখে তিনবার ‘বিসমিল্লা-হ’ বলবে এবং সাতবার বলবে- “আল্লাহ এবং তাঁর ক্ষমতার আশ্রয় প্রার্থনা করছি-যা আমি অনুভব করি এবং যা ধারণা করি তার অনিষ্ট হতে।” (ই. ফা. ৫৫৫১, ই. সে. ৫৫৭৪)
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني نافع بن جبير بن مطعم، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، أنه شكا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وجعا يجده في جسده منذ أسلم . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ضع يدك على الذي تألم من جسدك وقل باسم الله . ثلاثا . وقل سبع مرات أعوذ بالله وقدرته من شر ما أجد وأحاذر " .
সহিহ মুসলিম > সালাতে কুমন্ত্রণাদাতা শাইতান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা
সহিহ মুসলিম ৫৬৩৩
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن سعيد الجريري، حدثنا يزيد بن عبد الله بن الشخير، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، قال قلت يا رسول الله . ثم ذكر بمثل حديثهم .
‘উসমান ইবনু আবুল আস্-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল!....... অতঃপর তাদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৫২, ই.সে. ৫৫৭৭)
‘উসমান ইবনু আবুল আস্-সাকাফী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল!....... অতঃপর তাদের বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৫২, ই.সে. ৫৫৭৭)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن سعيد الجريري، حدثنا يزيد بن عبد الله بن الشخير، عن عثمان بن أبي العاص الثقفي، قال قلت يا رسول الله . ثم ذكر بمثل حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৫৬৩১
حدثنا يحيى بن خلف الباهلي، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد الجريري، عن أبي، العلاء أن عثمان بن أبي العاص، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن الشيطان قد حال بيني وبين صلاتي وقراءتي يلبسها على . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذاك شيطان يقال له خنزب فإذا أحسسته فتعوذ بالله منه واتفل على يسارك ثلاثا " . قال ففعلت ذلك فأذهبه الله عني .
‘আবদুল আ’লা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল আ’লা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ‘উসমান ইবনু আবুল আস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন-হে আল্লাহর রসূল! শাইতান আমার, আমার সালাত ও কিরাআতের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং সব কিছুতে গোলমাল বাধিয়ে দেয়। তখন রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটা এক (প্রকারের) শাইতান-যার নাম ‘খিনযিব’। যে সময় তুমি তার উপস্থিতি বুঝতে পারবে তখন (আঊযুবিল্লাহ পড়ে) তার অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে তিনবার তোমার বাম পাশে থু থু ফেলবে। তিনি বলেন, তারপরে আমি তা করলাম আর আল্লাহ আমার হতে তা দূর করে দিলেন। (ই.ফা. ৫৫৫০, ই.সে. ৫৫৭৫)
‘আবদুল আ’লা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল আ’লা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ‘উসমান ইবনু আবুল আস (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন-হে আল্লাহর রসূল! শাইতান আমার, আমার সালাত ও কিরাআতের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এবং সব কিছুতে গোলমাল বাধিয়ে দেয়। তখন রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: এটা এক (প্রকারের) শাইতান-যার নাম ‘খিনযিব’। যে সময় তুমি তার উপস্থিতি বুঝতে পারবে তখন (আঊযুবিল্লাহ পড়ে) তার অনিষ্ট হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে তিনবার তোমার বাম পাশে থু থু ফেলবে। তিনি বলেন, তারপরে আমি তা করলাম আর আল্লাহ আমার হতে তা দূর করে দিলেন। (ই.ফা. ৫৫৫০, ই.সে. ৫৫৭৫)
حدثنا يحيى بن خلف الباهلي، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد الجريري، عن أبي، العلاء أن عثمان بن أبي العاص، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن الشيطان قد حال بيني وبين صلاتي وقراءتي يلبسها على . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذاك شيطان يقال له خنزب فإذا أحسسته فتعوذ بالله منه واتفل على يسارك ثلاثا " . قال ففعلت ذلك فأذهبه الله عني .
সহিহ মুসলিম ৫৬৩২
حدثناه محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، كلاهما عن الجريري، عن أبي العلاء، عن عثمان بن أبي العاص، أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم . فذكر بمثله ولم يذكر في حديث سالم بن نوح ثلاثا .
তিনি ‘উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ...........তিনি ‘উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলেন। তারপর অবিকল (হাদীস) বর্ণনা করেছেন, কিন্তু সালিম ইবনু নূহ্ ‘তিনবার এর কথাটি তার হাদীসে বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৫৫১, ই.সে. ৫৫৭৬)
তিনি ‘উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ...........তিনি ‘উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলেন। তারপর অবিকল (হাদীস) বর্ণনা করেছেন, কিন্তু সালিম ইবনু নূহ্ ‘তিনবার এর কথাটি তার হাদীসে বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৫৫১, ই.সে. ৫৫৭৬)
حدثناه محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، كلاهما عن الجريري، عن أبي العلاء، عن عثمان بن أبي العاص، أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم . فذكر بمثله ولم يذكر في حديث سالم بن نوح ثلاثا .