সহিহ মুসলিম > মু‘আববিযাত[২৭] সূরাহ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা এবং দম করা
সহিহ মুসলিম ৫৬০৮
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ على نفسه بالمعوذات وينفث فلما اشتد وجعه كنت أقرأ عليه وأمسح عنه بيده رجاء بركتها .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু’আব্বিযাত’ পাঠ করে স্বশরীরে দম করতেন। তাঁর ব্যাধি কঠিন রূপ ধারণ করলে আমি তা পড়ে তাঁর হাত দ্বারা তাঁর দেহটি মুছে দিতাম ঐ হাতের বারাকাতের আশায়। (ই.ফা. ৫৫২৭, ই.সে. ৫৫৫২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু’আব্বিযাত’ পাঠ করে স্বশরীরে দম করতেন। তাঁর ব্যাধি কঠিন রূপ ধারণ করলে আমি তা পড়ে তাঁর হাত দ্বারা তাঁর দেহটি মুছে দিতাম ঐ হাতের বারাকাতের আশায়। (ই.ফা. ৫৫২৭, ই.সে. ৫৫৫২)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ على نفسه بالمعوذات وينفث فلما اشتد وجعه كنت أقرأ عليه وأمسح عنه بيده رجاء بركتها .
সহিহ মুসলিম ৫৬০৭
حدثني سريج بن يونس، ويحيى بن أيوب، قالا حدثنا عباد بن عباد، عن هشام، بن عروة عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مرض أحد من أهله نفث عليه بالمعوذات فلما مرض مرضه الذي مات فيه جعلت أنفث عليه وأمسحه بيد نفسه لأنها كانت أعظم بركة من يدي . وفي رواية يحيى بن أيوب بمعوذات .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরিবারবর্গের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু’আব্বিযাত’ সূরাগুলো পড়ে তাকে ফুঁক দিতেন। পরবর্তীতে তিনি যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত হলেন তখন আমি তাকে ফুঁক দিতে লাগলাম এবং তাঁর-ই হাত দিয়ে তাঁর দেহটি মুছে দিতে লাগলাম। কেননা আমার হাতের তুলনায় তাঁর হাতটি ছিল অনেক বারাকাতপূর্ণ। আর ইয়াহ্ইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ‘মু’আব্বিযাত’ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করতেন। (ই.ফা. ৫৫২৬, ই.সে. ৫৫৫১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পরিবারবর্গের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু’আব্বিযাত’ সূরাগুলো পড়ে তাকে ফুঁক দিতেন। পরবর্তীতে তিনি যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত হলেন তখন আমি তাকে ফুঁক দিতে লাগলাম এবং তাঁর-ই হাত দিয়ে তাঁর দেহটি মুছে দিতে লাগলাম। কেননা আমার হাতের তুলনায় তাঁর হাতটি ছিল অনেক বারাকাতপূর্ণ। আর ইয়াহ্ইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ‘মু’আব্বিযাত’ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করতেন। (ই.ফা. ৫৫২৬, ই.সে. ৫৫৫১)
حدثني سريج بن يونس، ويحيى بن أيوب، قالا حدثنا عباد بن عباد، عن هشام، بن عروة عن أبيه، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا مرض أحد من أهله نفث عليه بالمعوذات فلما مرض مرضه الذي مات فيه جعلت أنفث عليه وأمسحه بيد نفسه لأنها كانت أعظم بركة من يدي . وفي رواية يحيى بن أيوب بمعوذات .
সহিহ মুসলিম ৫৬০৯
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا روح، ح وحدثنا عقبة بن مكرم، وأحمد بن عثمان النوفلي، قالا حدثنا أبو عاصم، كلاهما عن ابن جريج، أخبرني زياد، كلهم عن ابن شهاب، بإسناد مالك . نحو حديثه . وليس في حديث أحد منهم رجاء بركتها . إلا في حديث مالك وفي حديث يونس وزياد أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى نفث على نفسه بالمعوذات ومسح عنه بيده .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে মালিকের সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মালিকের হাদীস ছাড়া তাদের কারো হাদীসে ‘তাঁর হাতের বারাকাতের আশায়’ কথাটি নেই। ইউনুস (রহঃ) ও যিয়াদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে-নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে গেলে নিজেকে ‘মু’আব্বিযাত’ দ্বারা দম করতেন এবং নিজ হস্তে স্বশরীরে মুছতেন। (ই.ফা. ৫৫২৮, ই.সে. ৫৫৫৩)
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে মালিকের সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মালিকের হাদীস ছাড়া তাদের কারো হাদীসে ‘তাঁর হাতের বারাকাতের আশায়’ কথাটি নেই। ইউনুস (রহঃ) ও যিয়াদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে-নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে গেলে নিজেকে ‘মু’আব্বিযাত’ দ্বারা দম করতেন এবং নিজ হস্তে স্বশরীরে মুছতেন। (ই.ফা. ৫৫২৮, ই.সে. ৫৫৫৩)
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، ح وحدثني محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا روح، ح وحدثنا عقبة بن مكرم، وأحمد بن عثمان النوفلي، قالا حدثنا أبو عاصم، كلاهما عن ابن جريج، أخبرني زياد، كلهم عن ابن شهاب، بإسناد مالك . نحو حديثه . وليس في حديث أحد منهم رجاء بركتها . إلا في حديث مالك وفي حديث يونس وزياد أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى نفث على نفسه بالمعوذات ومسح عنه بيده .
সহিহ মুসলিম > চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৫৬১৬
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن عاصم الأحول، عن يوسف بن، عبد الله عن أنس بن مالك، في الرقى قال رخص في الحمة والنملة والعين .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া, পার্শ্বঘা ও চোখলাগা থেকে (বাঁচার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৫৫৩৫, ই.সে. ৫৫৬০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া, পার্শ্বঘা ও চোখলাগা থেকে (বাঁচার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। (ই.ফা. ৫৫৩৫, ই.সে. ৫৫৬০)
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو خيثمة، عن عاصم الأحول، عن يوسف بن، عبد الله عن أنس بن مالك، في الرقى قال رخص في الحمة والنملة والعين .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৫
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن معبد بن خالد، عن عبد الله بن، شداد عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرني أن أسترقي من العين .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কুদৃষ্টি হতে (বাঁচার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার আদেশ করতেন। (ই.ফা. ৫৫৩৪, ই.সে. ৫৫৫৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কুদৃষ্টি হতে (বাঁচার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার আদেশ করতেন। (ই.ফা. ৫৫৩৪, ই.সে. ৫৫৫৯)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن معبد بن خالد، عن عبد الله بن، شداد عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمرني أن أسترقي من العين .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، وأبو كريب - واللفظ لهما - حدثنا محمد بن بشر، عن مسعر، حدثنا معبد بن خالد، عن ابن شداد، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمرها أن تسترقي من العين .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চোখলাগা হতে (মুক্ত হওয়ার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার আদেশ করতেন। (ই.ফা. ৫৫৩২, ই.সে. ৫৫৫৭)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চোখলাগা হতে (মুক্ত হওয়ার জন্য) ঝাড়ফুঁক করার আদেশ করতেন। (ই.ফা. ৫৫৩২, ই.সে. ৫৫৫৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم - قال إسحاق أخبرنا وقال أبو بكر، وأبو كريب - واللفظ لهما - حدثنا محمد بن بشر، عن مسعر، حدثنا معبد بن خالد، عن ابن شداد، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمرها أن تسترقي من العين .
সহিহ মুসলিম ৫৬১২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن عبد ربه بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى الإنسان الشىء منه أو كانت به قرحة أو جرح قال النبي صلى الله عليه وسلم بإصبعه هكذا ووضع سفيان سبابته بالأرض ثم رفعها " باسم الله تربة أرضنا بريقة بعضنا ليشفى به سقيمنا بإذن ربنا " . قال ابن أبي شيبة " يشفى " . وقال زهير " ليشفى سقيمنا " .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিয়ম করে ছিলেন যে, মানুষ তার (শরীরের) কোথাও অসুস্থতা অনুভব করলে অথবা তাতে কোন ফোঁড়া বা আঘাতপ্রাপ্ত (হয়ে) থাকলে- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আঙ্গুল দ্বারা এ রকম করতেন- (এ কথা বলে এভাবে করার ধরণ বুঝানোর জন্য)। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহঃ) তার বুড়ো আঙ্গুলটি জমিনে রাখলেন- অতঃপর তা তুলে নিলেন এবং সে সময় এ দু’আ পড়তেন (আরবী) অর্থাৎ- আল্লাহর নামে- আমাদের জমিনের ধূলামাটি আমাদের কারো (মুখের) লালার সঙ্গে (মিলিয়ে) -আমাদের পালনকর্তার আদেশে তা দিয়ে আমাদের অসুস্থ ব্যক্তির আরোগ্য লাভের উদ্দেশে (মালিশ করছি)। তবে ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) (তার বর্ণনাতে) বলেছেন- (আরবী) ‘শিফা দান করা হয়। ’ এবং যুহায়র (রহঃ) বলেছেন, (আরবী) ‘আমাদের রোগীর সুস্থতা লাভের উদ্দেশে।’ (ই.ফা. ৫৫৩১, ই.সে. ৫৫৫৬)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিয়ম করে ছিলেন যে, মানুষ তার (শরীরের) কোথাও অসুস্থতা অনুভব করলে অথবা তাতে কোন ফোঁড়া বা আঘাতপ্রাপ্ত (হয়ে) থাকলে- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আঙ্গুল দ্বারা এ রকম করতেন- (এ কথা বলে এভাবে করার ধরণ বুঝানোর জন্য)। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহঃ) তার বুড়ো আঙ্গুলটি জমিনে রাখলেন- অতঃপর তা তুলে নিলেন এবং সে সময় এ দু’আ পড়তেন (আরবী) অর্থাৎ- আল্লাহর নামে- আমাদের জমিনের ধূলামাটি আমাদের কারো (মুখের) লালার সঙ্গে (মিলিয়ে) -আমাদের পালনকর্তার আদেশে তা দিয়ে আমাদের অসুস্থ ব্যক্তির আরোগ্য লাভের উদ্দেশে (মালিশ করছি)। তবে ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) (তার বর্ণনাতে) বলেছেন- (আরবী) ‘শিফা দান করা হয়। ’ এবং যুহায়র (রহঃ) বলেছেন, (আরবী) ‘আমাদের রোগীর সুস্থতা লাভের উদ্দেশে।’ (ই.ফা. ৫৫৩১, ই.সে. ৫৫৫৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالوا حدثنا سفيان، عن عبد ربه بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى الإنسان الشىء منه أو كانت به قرحة أو جرح قال النبي صلى الله عليه وسلم بإصبعه هكذا ووضع سفيان سبابته بالأرض ثم رفعها " باسم الله تربة أرضنا بريقة بعضنا ليشفى به سقيمنا بإذن ربنا " . قال ابن أبي شيبة " يشفى " . وقال زهير " ليشفى سقيمنا " .
সহিহ মুসলিম ৫৬১১
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل بيت من الأنصار في الرقية من الحمة .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের একটি গৃহের লোকদের বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া থেকে (রোগমুক্তি লাভের আশায়) ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫৩০, ই.সে. ৫৫৫৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের একটি গৃহের লোকদের বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া থেকে (রোগমুক্তি লাভের আশায়) ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫৩০, ই.সে. ৫৫৫৫)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل بيت من الأنصار في الرقية من الحمة .
সহিহ মুসলিম ৫৬১০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن عبد الرحمن، بن الأسود عن أبيه، قال سألت عائشة عن الرقية، فقالت رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل بيت من الأنصار في الرقية من كل ذي حمة .
আস্ওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে ঝাড়ফুঁক সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের একটি পরিবারকে যে কোন বিষধর প্রানীর বিষক্রিয়া হতে মুক্তির জন্যে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫২৯, ই.সে. ৫৫৫৪)
আস্ওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ) -কে ঝাড়ফুঁক সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের একটি পরিবারকে যে কোন বিষধর প্রানীর বিষক্রিয়া হতে মুক্তির জন্যে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫২৯, ই.সে. ৫৫৫৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن الشيباني، عن عبد الرحمن، بن الأسود عن أبيه، قال سألت عائشة عن الرقية، فقالت رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل بيت من الأنصار في الرقية من كل ذي حمة .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، عن سفيان، ح وحدثني زهير، بن حرب حدثنا حميد بن عبد الرحمن، حدثنا حسن، - وهو ابن صالح - كلاهما عن عاصم، عن يوسف بن عبد الله، عن أنس، قال رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم في الرقية من العين والحمة والنملة . وفي حديث سفيان يوسف بن عبد الله بن الحارث .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুদৃষ্টি লাগা, বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া ও বিষাক্ত পার্শ্বঘা থেকে বেঁচে থাকতে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫৩৬, ই.সে ৫৫৬১) সুফইয়ান ইউসুফ ইবনু ‘আবদুল্লাহর ইবনু হারিস-এর সূত্রে হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুদৃষ্টি লাগা, বিষাক্ত জন্তুর বিষক্রিয়া ও বিষাক্ত পার্শ্বঘা থেকে বেঁচে থাকতে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দিয়েছেন। (ই.ফা. ৫৫৩৬, ই.সে ৫৫৬১) সুফইয়ান ইউসুফ ইবনু ‘আবদুল্লাহর ইবনু হারিস-এর সূত্রে হাদীস বর্ণিত রয়েছে।
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، عن سفيان، ح وحدثني زهير، بن حرب حدثنا حميد بن عبد الرحمن، حدثنا حسن، - وهو ابن صالح - كلاهما عن عاصم، عن يوسف بن عبد الله، عن أنس، قال رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم في الرقية من العين والحمة والنملة . وفي حديث سفيان يوسف بن عبد الله بن الحارث .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৮
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني محمد بن الوليد، الزبيدي عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لجارية في بيت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رأى بوجهها سفعة فقال " بها نظرة فاسترقوا لها " . يعني بوجهها صفرة .
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর গৃহে একটি বালিকার মুখমন্ডলে (কালো বা হলুদ) দাগ লক্ষ্য করে বললেন, তার কুদৃষ্টি লেগেছে, তার জন্য ঝাড়ফুঁক করো। অর্থাৎ তার চেহারায় হলুদ দাগ পড়ার কারণে। (ই.ফা. ৫৫৩৭, ই.সে ৫৫৬২)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর গৃহে একটি বালিকার মুখমন্ডলে (কালো বা হলুদ) দাগ লক্ষ্য করে বললেন, তার কুদৃষ্টি লেগেছে, তার জন্য ঝাড়ফুঁক করো। অর্থাৎ তার চেহারায় হলুদ দাগ পড়ার কারণে। (ই.ফা. ৫৫৩৭, ই.সে ৫৫৬২)
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود حدثنا محمد بن حرب، حدثني محمد بن الوليد، الزبيدي عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لجارية في بيت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رأى بوجهها سفعة فقال " بها نظرة فاسترقوا لها " . يعني بوجهها صفرة .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৯
حدثني عقبة بن مكرم العمي، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال وأخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول رخص النبي صلى الله عليه وسلم لآل حزم في رقية الحية وقال لأسماء بنت عميس " ما لي أرى أجسام بني أخي ضارعة تصيبهم الحاجة " . قالت لا ولكن العين تسرع إليهم . قال " ارقيهم " . قالت فعرضت عليه فقال " ارقيهم " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাযম পরিবারকে সাপের ছোবলে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীকে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন এবং আসমা বিনতু ‘উমায়স (রাঃ) -কে বললেন, আমার ভাই [জা‘ফার (রাঃ)] এর ছেলে-মেয়েদের কি হলো যে, তাদের শরীর আমি দুর্বল দেখতে পাচ্ছি? তাদের কি অভাব দেখা দিয়েছে? তিনি (আসমা) বললেন, না কিন্তু তাদের উপর তাড়াতাড়ি কুনযর লেগে যায়। তিনি বললেন, তুমি তাদের ঝাড়-ফুঁক কর। তিনি বললেন, তখন আমি তাঁর নিকট (দু‘আটি) উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, (ঠিক আছে) তুমি তাদের ঝাড়ফুঁক করে দাও। (ই.ফা. ৫৫৩৮, ই.সে. ৫৫৬৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাযম পরিবারকে সাপের ছোবলে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীকে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন এবং আসমা বিনতু ‘উমায়স (রাঃ) -কে বললেন, আমার ভাই [জা‘ফার (রাঃ)] এর ছেলে-মেয়েদের কি হলো যে, তাদের শরীর আমি দুর্বল দেখতে পাচ্ছি? তাদের কি অভাব দেখা দিয়েছে? তিনি (আসমা) বললেন, না কিন্তু তাদের উপর তাড়াতাড়ি কুনযর লেগে যায়। তিনি বললেন, তুমি তাদের ঝাড়-ফুঁক কর। তিনি বললেন, তখন আমি তাঁর নিকট (দু‘আটি) উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, (ঠিক আছে) তুমি তাদের ঝাড়ফুঁক করে দাও। (ই.ফা. ৫৫৩৮, ই.সে. ৫৫৬৩)
حدثني عقبة بن مكرم العمي، حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، قال وأخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول رخص النبي صلى الله عليه وسلم لآل حزم في رقية الحية وقال لأسماء بنت عميس " ما لي أرى أجسام بني أخي ضارعة تصيبهم الحاجة " . قالت لا ولكن العين تسرع إليهم . قال " ارقيهم " . قالت فعرضت عليه فقال " ارقيهم " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২০
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أرخص النبي صلى الله عليه وسلم في رقية الحية لبني عمرو . قال أبو الزبير وسمعت جابر بن عبد الله، يقول لدغت رجلا منا عقرب ونحن جلوس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال رجل يا رسول الله أرقي قال " من استطاع منكم أن ينفع أخاه فليفعل " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানু ‘আমরকে সাপের ছোবলে আক্রান্ত রোগীর ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দেন। আবূ যুবায়র (রহঃ) আরও বলেছেন-আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে আরও বলতে শুনেছি যে, একটি বিছা আমাদের এক লোককে ছোবল দিল। আমরা সেথায় রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসাছিলাম। তখন এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি (তাকে) ঝেড়ে দেই? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কোন লোক যদি তার ভাইয়ের (কোনও) উপকার করতে পারে, সে যেন (তা) করে। (ই.ফা. ৫৫৩৯, ই.সে. ৫৫৬৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানু ‘আমরকে সাপের ছোবলে আক্রান্ত রোগীর ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দেন। আবূ যুবায়র (রহঃ) আরও বলেছেন-আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে আরও বলতে শুনেছি যে, একটি বিছা আমাদের এক লোককে ছোবল দিল। আমরা সেথায় রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে বসাছিলাম। তখন এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি (তাকে) ঝেড়ে দেই? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কোন লোক যদি তার ভাইয়ের (কোনও) উপকার করতে পারে, সে যেন (তা) করে। (ই.ফা. ৫৫৩৯, ই.সে. ৫৫৬৪)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أرخص النبي صلى الله عليه وسلم في رقية الحية لبني عمرو . قال أبو الزبير وسمعت جابر بن عبد الله، يقول لدغت رجلا منا عقرب ونحن جلوس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال رجل يا رسول الله أرقي قال " من استطاع منكم أن ينفع أخاه فليفعل " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان لي خال يرقي من العقرب فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرقى - قال - فأتاه فقال يا رسول الله إنك نهيت عن الرقى وأنا أرقي من العقرب . فقال " من استطاع منكم أن ينفع أخاه فليفعل " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার একজন মামা ছিলেন, যিনি বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতেন। এ সময় (একদিন) রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেন। সে সময় তিনি (আমার মামা) তাঁর খিদমাতে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি ঝাড়ফুঁক হারাম করে দিয়েছেন। হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমি তো বিছার ছোবল থেকে আত্মরক্ষার্থে ঝাড়ফুঁক করে থাকি? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের কোন উপকার করতে সমর্থ হলে সে যেন তা করে। (ই.ফা. ৫৫৪১, ই.সে. ৫৫৬৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার একজন মামা ছিলেন, যিনি বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতেন। এ সময় (একদিন) রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সব ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেন। সে সময় তিনি (আমার মামা) তাঁর খিদমাতে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনি ঝাড়ফুঁক হারাম করে দিয়েছেন। হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমি তো বিছার ছোবল থেকে আত্মরক্ষার্থে ঝাড়ফুঁক করে থাকি? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের কোন উপকার করতে সমর্থ হলে সে যেন তা করে। (ই.ফা. ৫৫৪১, ই.সে. ৫৫৬৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كان لي خال يرقي من العقرب فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرقى - قال - فأتاه فقال يا رسول الله إنك نهيت عن الرقى وأنا أرقي من العقرب . فقال " من استطاع منكم أن ينفع أخاه فليفعل " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৪
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرقى فجاء آل عمرو بن حزم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنه كانت عندنا رقية نرقي بها من العقرب وإنك نهيت عن الرقى . قال فعرضوها عليه . فقال " ما أرى بأسا من استطاع منكم أن ينفع أخاه فلينفعه " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এক সময়) ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিলেন। অতঃপর ‘আমর ইবনু হাযম সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের নিকট একটি ঝাড়ফুঁক ছিল, যা দিয়ে আমরা বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতাম, এখন আপনি তো ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তারা তা তাঁর নিকট উপস্থাপন করল। তখন তিনি বললেন, কোন সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না তোমাদের মধ্যে যে কেউ তার ভাইয়ের কোনও উপকার করতে সমর্থ হলে সে যেন তার উপকার করে। (ই.ফা. ৫৫৪৩, ই.সে. ৫৫৬৮)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এক সময়) ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিলেন। অতঃপর ‘আমর ইবনু হাযম সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের নিকট একটি ঝাড়ফুঁক ছিল, যা দিয়ে আমরা বিচ্ছুর ছোবলে ঝাড়ফুঁক করতাম, এখন আপনি তো ঝাড়ফুঁক নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তারা তা তাঁর নিকট উপস্থাপন করল। তখন তিনি বললেন, কোন সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না তোমাদের মধ্যে যে কেউ তার ভাইয়ের কোনও উপকার করতে সমর্থ হলে সে যেন তার উপকার করে। (ই.ফা. ৫৫৪৩, ই.সে. ৫৫৬৮)
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرقى فجاء آل عمرو بن حزم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنه كانت عندنا رقية نرقي بها من العقرب وإنك نهيت عن الرقى . قال فعرضوها عليه . فقال " ما أرى بأسا من استطاع منكم أن ينفع أخاه فلينفعه " .
সহিহ মুসলিম ৫৬১৪
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، قال حدثنا أبي، حدثنا مسعر، بهذا الإسناد مثله .
মিস’আর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মিস’আর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৩৩, ই.সে. ৫৫৫৮)
মিস’আর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মিস’আর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৩৩, ই.সে. ৫৫৫৮)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، قال حدثنا أبي، حدثنا مسعر، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৩
وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ)..... আ‘মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৪২, ই.সে. ৫৫৬৭)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ)..... আ‘মাশ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৫৪২, ই.সে. ৫৫৬৭)
وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৫৬২১
وحدثني سعيد بن يحيى الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد . مثله غير أنه قال فقال رجل من القوم أرقيه يا رسول الله ولم يقل أرقي .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) (থেকে) উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেছেন-তখন ব্যক্তিদের মাঝে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তাকে ঝাড়ফুঁক করতে পারি? তিনি (শুধু) ‘ঝাড়ফুঁক করি’ বলেননি (বরং ‘তাকে’ শব্দটিও বলেছেন)। (ই.ফা. ৫৫ ৪০, ই.সে ৫৫৬৫)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) (থেকে) উপরোক্ত সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেছেন-তখন ব্যক্তিদের মাঝে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি তাকে ঝাড়ফুঁক করতে পারি? তিনি (শুধু) ‘ঝাড়ফুঁক করি’ বলেননি (বরং ‘তাকে’ শব্দটিও বলেছেন)। (ই.ফা. ৫৫ ৪০, ই.সে ৫৫৬৫)
وحدثني سعيد بن يحيى الأموي، حدثنا أبي، حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد . مثله غير أنه قال فقال رجل من القوم أرقيه يا رسول الله ولم يقل أرقي .
সহিহ মুসলিম > শিরক মুক্ত ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই
সহিহ মুসলিম ৫৬২৫
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن، بن جبير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم يكن فيه شرك " .
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী (মূর্খতার) যুগে (বিভিন্ন) মন্ত্র দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতাম। এজন্যে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আবেদন করলাম-হে আল্লাহর রসূল! এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন, তোমাদের মন্ত্রগুলো আমার নিকট উপস্থাপন করো, ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই-যদি তাতে কোন শিরক (জাতীয় কথা) না থাকে। (ই.ফা. ৫৫৪৪, ই.সে. ৫৫৬৯)
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী (মূর্খতার) যুগে (বিভিন্ন) মন্ত্র দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতাম। এজন্যে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আবেদন করলাম-হে আল্লাহর রসূল! এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন, তোমাদের মন্ত্রগুলো আমার নিকট উপস্থাপন করো, ঝাড়ফুঁকে কোন দোষ নেই-যদি তাতে কোন শিরক (জাতীয় কথা) না থাকে। (ই.ফা. ৫৫৪৪, ই.সে. ৫৫৬৯)
حدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن، بن جبير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم يكن فيه شرك " .
সহিহ মুসলিম > কুরআন মাজীদ এবং অন্যান্য দু‘আ-যিকর দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে বিনিময় গ্রহণ বৈধ
সহিহ মুসলিম ৫৬২৭
حدثنا محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن غندر، محمد بن جعفر عن شعبة، عن أبي بشر، بهذا الإسناد وقال في الحديث فجعل يقرأ أم القرآن ويجمع بزاقه ويتفل فبرأ الرجل .
আবূ বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে (ওঝা) উম্মুল কুরআন-সূরা আল-ফাতিহাহ্ পাঠ করতে লাগল এবং তার থু-থু একত্রে করে থুক দিতে লাগল। ফলে ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে গেল। (ই.ফা ৫৫৪৬, ই.সে. ৫৫৭১)
আবূ বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে (ওঝা) উম্মুল কুরআন-সূরা আল-ফাতিহাহ্ পাঠ করতে লাগল এবং তার থু-থু একত্রে করে থুক দিতে লাগল। ফলে ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে গেল। (ই.ফা ৫৫৪৬, ই.সে. ৫৫৭১)
حدثنا محمد بن بشار، وأبو بكر بن نافع كلاهما عن غندر، محمد بن جعفر عن شعبة، عن أبي بشر، بهذا الإسناد وقال في الحديث فجعل يقرأ أم القرآن ويجمع بزاقه ويتفل فبرأ الرجل .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أخيه، معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري، قال نزلنا منزلا فأتتنا امرأة فقالت إن سيد الحى سليم لدغ فهل فيكم من راق فقام معها رجل منا ما كنا نظنه يحسن رقية فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوه غنما وسقونا لبنا فقلنا أكنت تحسن رقية فقال ما رقيته إلا بفاتحة الكتاب . قال فقلت لا تحركوها حتى نأتي النبي صلى الله عليه وسلم . فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له . فقال " ما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم معكم " .
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি স্থানে নামলাম। অতঃপর আমাদের নিকট একটি মহিলা এসে বলল, এলাকার সর্দারকে সাপে কেটেছে, তোমাদের মাঝে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? সে সময় আমাদের এক লোক উঠে তার সাথে গেল- সে যে সুন্দর ঝাড়ফুঁক করতে পারে তা আমাদের জানা ছিল না। সে সূরা আল-ফাতিহা দ্বারা তাকে ঝাড়ফুঁক করল। এতে সে সুস্থ হয়ে গেল। তখন তারা তাকে একপাল বকরী দিল এবং আমাদের দুধ পান করাল। আমরা বললাম, তুমি কি ভাল ঝাড়ফুঁক করতে জানতে? সে বলল, আমি তো সূরা আল-ফাতিহাহ্ ব্যতীত আর কিছু দিয়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করিনি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি বললাম, তোমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গমন না করা পর্যন্ত ঐ বকরীগুলোকে এখান হতে নিয়ে যেওনা। তারপরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর নিকট তা পেশ করলাম। তিনি বললেন, সে-কি করে বুঝল যে, এ সূরাটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়? তোমরা বকরীগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যে তোমাদের সাথে একটি অংশ রেখ। (ই.ফা. ৫৫৪৭, ই.সে. ৫৫৭২)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একটি স্থানে নামলাম। অতঃপর আমাদের নিকট একটি মহিলা এসে বলল, এলাকার সর্দারকে সাপে কেটেছে, তোমাদের মাঝে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? সে সময় আমাদের এক লোক উঠে তার সাথে গেল- সে যে সুন্দর ঝাড়ফুঁক করতে পারে তা আমাদের জানা ছিল না। সে সূরা আল-ফাতিহা দ্বারা তাকে ঝাড়ফুঁক করল। এতে সে সুস্থ হয়ে গেল। তখন তারা তাকে একপাল বকরী দিল এবং আমাদের দুধ পান করাল। আমরা বললাম, তুমি কি ভাল ঝাড়ফুঁক করতে জানতে? সে বলল, আমি তো সূরা আল-ফাতিহাহ্ ব্যতীত আর কিছু দিয়ে তাকে ঝাড়ফুঁক করিনি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি বললাম, তোমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গমন না করা পর্যন্ত ঐ বকরীগুলোকে এখান হতে নিয়ে যেওনা। তারপরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর নিকট তা পেশ করলাম। তিনি বললেন, সে-কি করে বুঝল যে, এ সূরাটি দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়? তোমরা বকরীগুলো বন্টন করে নাও এবং আমার জন্যে তোমাদের সাথে একটি অংশ রেখ। (ই.ফা. ৫৫৪৭, ই.সে. ৫৫৭২)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن أخيه، معبد بن سيرين عن أبي سعيد الخدري، قال نزلنا منزلا فأتتنا امرأة فقالت إن سيد الحى سليم لدغ فهل فيكم من راق فقام معها رجل منا ما كنا نظنه يحسن رقية فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوه غنما وسقونا لبنا فقلنا أكنت تحسن رقية فقال ما رقيته إلا بفاتحة الكتاب . قال فقلت لا تحركوها حتى نأتي النبي صلى الله عليه وسلم . فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فذكرنا ذلك له . فقال " ما كان يدريه أنها رقية اقسموا واضربوا لي بسهم معكم " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৬
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا فى سفر فمروا بحى من أحياء العرب فاستضافوهم فلم يضيفوهم . فقالوا لهم هل فيكم راق فإن سيد الحى لديغ أو مصاب . فقال رجل منهم نعم فأتاه فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ الرجل فأعطي قطيعا من غنم فأبى أن يقبلها . وقال حتى أذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم . فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له . فقال يا رسول الله والله ما رقيت إلا بفاتحة الكتاب . فتبسم وقال " وما أدراك أنها رقية " . ثم قال " خذوا منهم واضربوا لي بسهم معكم " .
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কিছু সংখ্যক সহাবী কোন এক সফরে ছিলেন, তাঁরা কোন একটি আরব সম্প্রদায়ের বসতির নিকট দিয়ে রাস্তা অতিক্রমকালে তাদের নিকট মেহমানদারীর ব্যাপারে বললেন। কিন্তু তারা তাদের আতিথেয়তা করল না। পরে তাদেরকে তারা বলল, তোমাদের দলে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? কারণ, বসতির সর্দারকে সাপে দংশন করেছেন অথবা (বর্ণনাকারীর সংশয়ে তারা বলল-) বিপদগ্রস্থ হয়েছে। সে সময় এক লোক বলল, হ্যাঁ। তারপরে সে তার নিকট গমন করে সূরা আল আল-ফাতিহাহ্ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করল। যার দরুন ব্যক্তিটি ভাল হয়ে গেল এবং ঝাড়ফুঁককারীকে বকরীর একটি ক্ষুদ্র পাল দেয়া হলো। সে তা নিতে আপত্তি জানালো এবং সে বলল, যতক্ষন তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বর্ণনা না করি-(ততক্ষন গ্রহণ করতে পারি না)। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁর নিকট বর্ণনা করে সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আমি ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া ভিন্ন কোন কিছু দিয়ে ঝাড়ফুঁক করিনি। সে সময় তিনি মৃদু হাসঁলেন এবং বললেন, তুমি কি করে বুঝলে যে, তা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা যায়? অতঃপর বললেন, তাদের নিকট থেকে তা নিয়ে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমার জন্যও একাংশ রেখো। (ই.ফা. ৫৫৪৫, ই.সে. ৫৫৭০)
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কিছু সংখ্যক সহাবী কোন এক সফরে ছিলেন, তাঁরা কোন একটি আরব সম্প্রদায়ের বসতির নিকট দিয়ে রাস্তা অতিক্রমকালে তাদের নিকট মেহমানদারীর ব্যাপারে বললেন। কিন্তু তারা তাদের আতিথেয়তা করল না। পরে তাদেরকে তারা বলল, তোমাদের দলে কি কোন ঝাড়ফুঁককারী আছে? কারণ, বসতির সর্দারকে সাপে দংশন করেছেন অথবা (বর্ণনাকারীর সংশয়ে তারা বলল-) বিপদগ্রস্থ হয়েছে। সে সময় এক লোক বলল, হ্যাঁ। তারপরে সে তার নিকট গমন করে সূরা আল আল-ফাতিহাহ্ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করল। যার দরুন ব্যক্তিটি ভাল হয়ে গেল এবং ঝাড়ফুঁককারীকে বকরীর একটি ক্ষুদ্র পাল দেয়া হলো। সে তা নিতে আপত্তি জানালো এবং সে বলল, যতক্ষন তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বর্ণনা না করি-(ততক্ষন গ্রহণ করতে পারি না)। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁর নিকট বর্ণনা করে সে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর শপথ! আমি ফাতিহাতুল কিতাব ছাড়া ভিন্ন কোন কিছু দিয়ে ঝাড়ফুঁক করিনি। সে সময় তিনি মৃদু হাসঁলেন এবং বললেন, তুমি কি করে বুঝলে যে, তা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করা যায়? অতঃপর বললেন, তাদের নিকট থেকে তা নিয়ে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমার জন্যও একাংশ রেখো। (ই.ফা. ৫৫৪৫, ই.সে. ৫৫৭০)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا، من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كانوا فى سفر فمروا بحى من أحياء العرب فاستضافوهم فلم يضيفوهم . فقالوا لهم هل فيكم راق فإن سيد الحى لديغ أو مصاب . فقال رجل منهم نعم فأتاه فرقاه بفاتحة الكتاب فبرأ الرجل فأعطي قطيعا من غنم فأبى أن يقبلها . وقال حتى أذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم . فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له . فقال يا رسول الله والله ما رقيت إلا بفاتحة الكتاب . فتبسم وقال " وما أدراك أنها رقية " . ثم قال " خذوا منهم واضربوا لي بسهم معكم " .
সহিহ মুসলিম ৫৬২৯
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد . نحوه غير أنه قال فقام معها رجل منا ما كنا نأبنه برقية .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .......... হিশাম (রহঃ) এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন-সে সময় তার সঙ্গে আমাদের এক লোক উঠে দাঁড়াল-যাকে আমরা ঝাড়ফুঁক বিষয়ে (পারদর্শী) মনে করতাম না। (ই.ফা. ৫৫৪৮, ই.সে. ৫৫৭৩)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .......... হিশাম (রহঃ) এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন-সে সময় তার সঙ্গে আমাদের এক লোক উঠে দাঁড়াল-যাকে আমরা ঝাড়ফুঁক বিষয়ে (পারদর্শী) মনে করতাম না। (ই.ফা. ৫৫৪৮, ই.সে. ৫৫৭৩)
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد . نحوه غير أنه قال فقام معها رجل منا ما كنا نأبنه برقية .