সহিহ মুসলিম > পর্দা তুলে দেয়া বা অপর কোন আলামতকে ‘অনুমতি’ বানানো বৈধ
সহিহ মুসলিম ৫৫৫৯
حدثنا أبو كامل الجحدري، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن عبد الواحد، - واللفظ لقتيبة - حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا الحسن بن عبيد الله، حدثنا إبراهيم بن سويد، قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد، قال سمعت ابن مسعود، يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذنك على أن يرفع الحجاب وأن تستمع سوادي حتى أنهاك " .
ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমার নিকট তোমার জন্যে প্রবেশাধিকার হলো পর্দা উঠিয়ে রাখা এবং (ঘরে) আমার আলাপচারিতা শুনতে পাওয়া। যে পর্যন্ত না আমি তোমাকে বারণ করি। (ই.ফা. ৫৪৮০, ই.সে. ৫৫০৩)
ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, আমার নিকট তোমার জন্যে প্রবেশাধিকার হলো পর্দা উঠিয়ে রাখা এবং (ঘরে) আমার আলাপচারিতা শুনতে পাওয়া। যে পর্যন্ত না আমি তোমাকে বারণ করি। (ই.ফা. ৫৪৮০, ই.সে. ৫৫০৩)
حدثنا أبو كامل الجحدري، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن عبد الواحد، - واللفظ لقتيبة - حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا الحسن بن عبيد الله، حدثنا إبراهيم بن سويد، قال سمعت عبد الرحمن بن يزيد، قال سمعت ابن مسعود، يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذنك على أن يرفع الحجاب وأن تستمع سوادي حتى أنهاك " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬০
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الحسن بن عبيد الله، بهذا الإسناد مثله .
হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও ইস্হাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮১, ই.সে. ৫৫০৪)
হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও ইস্হাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... হাসান ইবনু উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮১, ই.সে. ৫৫০৪)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الحسن بن عبيد الله، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম > প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের জন্যে মহিলাদের ঘরের বাইরে যাওয়ার বৈধতা
সহিহ মুসলিম ৫৫৬১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت خرجت سودة بعد ما ضرب عليها الحجاب لتقضي حاجتها وكانت امرأة جسيمة تفرع النساء جسما لا تخفى على من يعرفها فرآها عمر بن الخطاب فقال يا سودة والله ما تخفين علينا فانظري كيف تخرجين . قالت فانكفأت راجعة ورسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي وإنه ليتعشى وفي يده عرق فدخلت فقالت يا رسول الله إني خرجت فقال لي عمر كذا وكذا . قالت فأوحي إليه ثم رفع عنه وإن العرق في يده ما وضعه فقال " إنه قد أذن لكن أن تخرجن لحاجتكن " . وفي رواية أبي بكر يفرع النساء جسمها . زاد أبو بكر في حديثه فقال هشام يعني البراز .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পর্দার বিধান আমাদের উপরে আসার পর সাওদাহ্ (রাঃ) তার প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলেন, তিনি ছিলেন স্বাস্থ্যবতী, দেহাকৃতিতে তিনি মহিলাদের উপরে থাকতেন; যারা তাঁকে চিনতো, তাদের নিকট নিজেকে আড়াল করতে পারতেন না। তখন উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তাকে দেখতে পেয়ে বললেন, হে সাওদাহ্! আল্লাহ্র কসম! তুমি আমাদের নিকট আড়াল করতে পারবে না। চিন্তা করে দেখো, কিভাবে তুমি বের হচ্ছো? আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে তিনি ফিরে আসলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে ছিলেন এবং রাতে আহার করছিলেন। তাঁর হাতে সে সময় গোশ্তের টুকরো একটি হাড় ছিল। সাওদাহ্ (রাঃ) (প্রবেশ করে বললেন,) হে আল্লাহ্র রসূল! আমি বের হয়েছিলাম, উমার আমাকে এ এ কথা বলেছে। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, সে সময় আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। অতঃপর তাঁর উপর হতে (ওয়াহীর) অবস্থা উঠিয়ে নেয়া হয় এবং হাড়টি তখনও তাঁর হাতেই ছিল, তা তিনি রেখে দেননি। তখন তিনি বললেন, তোমাদের দরকারে বের হওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে (এ বর্ণনা আবূ কুরায়ব-এর)। আবূ বাক্র (রহঃ) বর্ণিত বর্ণনায় রয়েছে-“তাঁর দেহাকৃতি নারীদের ঊর্ধ্বে থাকত”। আবূ বাক্র (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বেশি বর্ণনা করেছেন যে, বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ) বলেছেন, (আরবি) অর্থাৎ-পায়খানার প্রয়োজনে। (ই.ফা. ৫৪৮২, ই.সে. ৫৫০৫)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পর্দার বিধান আমাদের উপরে আসার পর সাওদাহ্ (রাঃ) তার প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলেন, তিনি ছিলেন স্বাস্থ্যবতী, দেহাকৃতিতে তিনি মহিলাদের উপরে থাকতেন; যারা তাঁকে চিনতো, তাদের নিকট নিজেকে আড়াল করতে পারতেন না। তখন উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তাকে দেখতে পেয়ে বললেন, হে সাওদাহ্! আল্লাহ্র কসম! তুমি আমাদের নিকট আড়াল করতে পারবে না। চিন্তা করে দেখো, কিভাবে তুমি বের হচ্ছো? আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, এ কথা শুনে তিনি ফিরে আসলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরে ছিলেন এবং রাতে আহার করছিলেন। তাঁর হাতে সে সময় গোশ্তের টুকরো একটি হাড় ছিল। সাওদাহ্ (রাঃ) (প্রবেশ করে বললেন,) হে আল্লাহ্র রসূল! আমি বের হয়েছিলাম, উমার আমাকে এ এ কথা বলেছে। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, সে সময় আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। অতঃপর তাঁর উপর হতে (ওয়াহীর) অবস্থা উঠিয়ে নেয়া হয় এবং হাড়টি তখনও তাঁর হাতেই ছিল, তা তিনি রেখে দেননি। তখন তিনি বললেন, তোমাদের দরকারে বের হওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে (এ বর্ণনা আবূ কুরায়ব-এর)। আবূ বাক্র (রহঃ) বর্ণিত বর্ণনায় রয়েছে-“তাঁর দেহাকৃতি নারীদের ঊর্ধ্বে থাকত”। আবূ বাক্র (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বেশি বর্ণনা করেছেন যে, বর্ণনাকারী হিশাম (রহঃ) বলেছেন, (আরবি) অর্থাৎ-পায়খানার প্রয়োজনে। (ই.ফা. ৫৪৮২, ই.সে. ৫৫০৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت خرجت سودة بعد ما ضرب عليها الحجاب لتقضي حاجتها وكانت امرأة جسيمة تفرع النساء جسما لا تخفى على من يعرفها فرآها عمر بن الخطاب فقال يا سودة والله ما تخفين علينا فانظري كيف تخرجين . قالت فانكفأت راجعة ورسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي وإنه ليتعشى وفي يده عرق فدخلت فقالت يا رسول الله إني خرجت فقال لي عمر كذا وكذا . قالت فأوحي إليه ثم رفع عنه وإن العرق في يده ما وضعه فقال " إنه قد أذن لكن أن تخرجن لحاجتكن " . وفي رواية أبي بكر يفرع النساء جسمها . زاد أبو بكر في حديثه فقال هشام يعني البراز .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৪
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أن أزواج، رسول الله صلى الله عليه وسلم كن يخرجن بالليل إذا تبرزن إلى المناصع وهو صعيد أفيح وكان عمر بن الخطاب يقول لرسول الله صلى الله عليه وسلم احجب نساءك . فلم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل فخرجت سودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ليلة من الليالي عشاء وكانت امرأة طويلة فناداها عمر ألا قد عرفناك يا سودة . حرصا على أن ينزل الحجاب . قالت عائشة فأنزل الله عز وجل الحجاب .
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার (প্রস্রাব-পায়খানায় যাওয়ার) সময় রাতের বেলা ‘মানাসি’-এর দিকে বেরিয়ে যেতেন। ‘মানাসি’ হলো প্রশস্ত খোলা জায়গা। ওদিকে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতেন- আপনার স্ত্রীগণের প্রতি পর্দার বিধান আরোপ করুন। কিন্তু রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি করেননি। একরাতে ‘ইশার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী সাওদাহ্ বিনতু যাম্‘আহ্ (রাঃ) বের হলেন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী নারী। উমার (রাঃ) তাঁকে ডাক দিয়ে বললেন, হে সাওদাহ্! আমরা তোমাকে চিনে ফেলেছি। পর্দার বিধান অবতীর্ণ করার প্রতি দৃঢ় প্রত্যাশায় তিনি এমন করলেন। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ্ তা’আলা পর্দা-বিধি অবতীর্ণ করলেন। (ই.ফা. ৫৪৮৪, ই.সে. ৫৫০৮)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রীগণ প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার (প্রস্রাব-পায়খানায় যাওয়ার) সময় রাতের বেলা ‘মানাসি’-এর দিকে বেরিয়ে যেতেন। ‘মানাসি’ হলো প্রশস্ত খোলা জায়গা। ওদিকে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতেন- আপনার স্ত্রীগণের প্রতি পর্দার বিধান আরোপ করুন। কিন্তু রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি করেননি। একরাতে ‘ইশার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী সাওদাহ্ বিনতু যাম্‘আহ্ (রাঃ) বের হলেন। তিনি ছিলেন দীর্ঘাঙ্গী নারী। উমার (রাঃ) তাঁকে ডাক দিয়ে বললেন, হে সাওদাহ্! আমরা তোমাকে চিনে ফেলেছি। পর্দার বিধান অবতীর্ণ করার প্রতি দৃঢ় প্রত্যাশায় তিনি এমন করলেন। আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তখন আল্লাহ্ তা’আলা পর্দা-বিধি অবতীর্ণ করলেন। (ই.ফা. ৫৪৮৪, ই.সে. ৫৫০৮)
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أن أزواج، رسول الله صلى الله عليه وسلم كن يخرجن بالليل إذا تبرزن إلى المناصع وهو صعيد أفيح وكان عمر بن الخطاب يقول لرسول الله صلى الله عليه وسلم احجب نساءك . فلم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل فخرجت سودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ليلة من الليالي عشاء وكانت امرأة طويلة فناداها عمر ألا قد عرفناك يا سودة . حرصا على أن ينزل الحجاب . قالت عائشة فأنزل الله عز وجل الحجاب .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৩
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن هشام، بهذا الإسناد .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুওয়াইদ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৩, ই.সে. ৫৫০৭)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুওয়াইদ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৩, ই.সে. ৫৫০৭)
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن هشام، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬২
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد وقال وكانت امرأة يفرع الناس جسمها . قال وإنه ليتعشى .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি ছিলেন এমন এক নারী, যার শরীর অন্যদের তুলনায় উঁচু থাকত। তিনি (আরও) বলেছেন, আর তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের খাবার গ্রহণ করছিলেন। (ই.ফা. ৫৪৮৩, ই.সে. ৫৫০৬)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি ছিলেন এমন এক নারী, যার শরীর অন্যদের তুলনায় উঁচু থাকত। তিনি (আরও) বলেছেন, আর তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের খাবার গ্রহণ করছিলেন। (ই.ফা. ৫৪৮৩, ই.সে. ৫৫০৬)
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، بهذا الإسناد وقال وكانت امرأة يفرع الناس جسمها . قال وإنه ليتعشى .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৫
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد نحوه .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
৫৫৬৫-(.../...) আম্র ইন্ নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত হাদীস সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৫, ই.সে. ৫৫০৯)
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
৫৫৬৫-(.../...) আম্র ইন্ নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত হাদীস সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৫, ই.সে. ৫৫০৯)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম > নির্জনে আজ্নাবিয়্যাহ্ [২৪] মেয়েলোকের নিকট অবস্থান করা এবং তার নিকট প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধকরণ
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৬
حدثنا يحيى بن يحيى، وعلي بن حجر، قال يحيى أخبرنا وقال ابن حجر، حدثنا هشيم، عن أبي الزبير، عن جابر، ح وحدثنا محمد بن الصباح، وزهير بن حرب، قالا حدثنا هشيم، أخبرنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا لا يبيتن رجل عند امرأة ثيب إلا أن يكون ناكحا أو ذا محرم " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! কোন পুরুষ কোন বয়স্কা নারীর সাথে কিছুতেই রাত্রি যাপন করবে না; তবে যদি সে তার স্বামী হয় কিংবা মাহ্রাম হয় (তাহলে করতে পারে)। (ই.ফা. ৫৪৮৬, ই.সে. ৫৫১০)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! কোন পুরুষ কোন বয়স্কা নারীর সাথে কিছুতেই রাত্রি যাপন করবে না; তবে যদি সে তার স্বামী হয় কিংবা মাহ্রাম হয় (তাহলে করতে পারে)। (ই.ফা. ৫৪৮৬, ই.সে. ৫৫১০)
حدثنا يحيى بن يحيى، وعلي بن حجر، قال يحيى أخبرنا وقال ابن حجر، حدثنا هشيم، عن أبي الزبير، عن جابر، ح وحدثنا محمد بن الصباح، وزهير بن حرب، قالا حدثنا هشيم، أخبرنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا لا يبيتن رجل عند امرأة ثيب إلا أن يكون ناكحا أو ذا محرم " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إياكم والدخول على النساء " . فقال رجل من الأنصار يا رسول الله أفرأيت الحمو قال " الحمو الموت " .
উকবাহ্ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! (বেগানাহ) নারীদের নিকট তোমরা প্রবেশ করা পরিত্যাগ করো। সে সময় আনসারীদের এক লোক বলল- দেবর সম্পর্কে আপনার কি মতামত? তিনি বললেন- দেবর তো মৃত্যু তুল্য। (ই.ফা. ৫৪৮৭, ই.সে. ৫৫১১)
উকবাহ্ ইবনু আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হুঁশিয়ার! (বেগানাহ) নারীদের নিকট তোমরা প্রবেশ করা পরিত্যাগ করো। সে সময় আনসারীদের এক লোক বলল- দেবর সম্পর্কে আপনার কি মতামত? তিনি বললেন- দেবর তো মৃত্যু তুল্য। (ই.ফা. ৫৪৮৭, ই.সে. ৫৫১১)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إياكم والدخول على النساء " . فقال رجل من الأنصار يا رسول الله أفرأيت الحمو قال " الحمو الموت " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৭০
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، أن بكر بن سوادة، حدثه أن عبد الرحمن بن جبير حدثه أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن نفرا من بني هاشم دخلوا على أسماء بنت عميس فدخل أبو بكر الصديق وهي تحته يومئذ فرآهم فكره ذلك فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لم أر إلا خيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله قد برأها من ذلك " . ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال " لا يدخلن رجل بعد يومي هذا على مغيبة إلا ومعه رجل أو اثنان " .
আবদুল্লাহ ইবনু আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) [‘আবদুর রহ্মান ইবনু জুবায়র (রাঃ) -এর নিকট] থেকে বর্নিতঃ
(বানূ) হাশিম সম্প্রদায়ের একদল লোক আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) -এর নিকট প্রবেশ করলো। তারপর আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) ও (গৃহে) প্রবেশ করলেন, তখন তিনি [আসমা (রাঃ) ], তাঁর সহধর্মিণী ছিলেন। তাদের দেখতে পেয়ে ঐ বিষয়টি (অনুমতি ছাড়া প্রবেশ) অপছন্দ করলেন। তিনি তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আলোচনা করলেন এবং (এ কথাও) বললেন, ‘অকল্যাণ কিছুই দেখিনি’। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহ্ অবশ্যই তাকে এ থেকে পবিত্র রেখেছেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে বললেন, আমার আজকের এ দিনের পরে কোন পুরুষ তার সঙ্গে একজন পুরুষ বা দু’জন পুরুষ ছাড়া কোন মহিলার নিকট প্রবেশ করবে না যার স্বামী উপস্থিত নেই। (ই.ফা. ৫৪৯০, ই.সে. ৫৫১৪)
আবদুল্লাহ ইবনু আম্র ইবনুল ‘আস (রাঃ) [‘আবদুর রহ্মান ইবনু জুবায়র (রাঃ) -এর নিকট] থেকে বর্নিতঃ
(বানূ) হাশিম সম্প্রদায়ের একদল লোক আসমা বিনতু উমায়স (রাঃ) -এর নিকট প্রবেশ করলো। তারপর আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) ও (গৃহে) প্রবেশ করলেন, তখন তিনি [আসমা (রাঃ) ], তাঁর সহধর্মিণী ছিলেন। তাদের দেখতে পেয়ে ঐ বিষয়টি (অনুমতি ছাড়া প্রবেশ) অপছন্দ করলেন। তিনি তা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আলোচনা করলেন এবং (এ কথাও) বললেন, ‘অকল্যাণ কিছুই দেখিনি’। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহ্ অবশ্যই তাকে এ থেকে পবিত্র রেখেছেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়িয়ে বললেন, আমার আজকের এ দিনের পরে কোন পুরুষ তার সঙ্গে একজন পুরুষ বা দু’জন পুরুষ ছাড়া কোন মহিলার নিকট প্রবেশ করবে না যার স্বামী উপস্থিত নেই। (ই.ফা. ৫৪৯০, ই.সে. ৫৫১৪)
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، أن بكر بن سوادة، حدثه أن عبد الرحمن بن جبير حدثه أن عبد الله بن عمرو بن العاص حدثه أن نفرا من بني هاشم دخلوا على أسماء بنت عميس فدخل أبو بكر الصديق وهي تحته يومئذ فرآهم فكره ذلك فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لم أر إلا خيرا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الله قد برأها من ذلك " . ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فقال " لا يدخلن رجل بعد يومي هذا على مغيبة إلا ومعه رجل أو اثنان " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৮
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، والليث، بن سعد وحيوة بن شريح وغيرهم أن يزيد بن أبي حبيب، حدثهم بهذا الإسناد، مثله .
ইয়াযীদ আবূ হাবীব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তাহির (রহঃ) ..... ইয়াযীদ আবূ হাবীব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৮, ই.সে. ৫৫১২)
ইয়াযীদ আবূ হাবীব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তাহির (রহঃ) ..... ইয়াযীদ আবূ হাবীব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৮৮, ই.সে. ৫৫১২)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، والليث، بن سعد وحيوة بن شريح وغيرهم أن يزيد بن أبي حبيب، حدثهم بهذا الإسناد، مثله .
সহিহ মুসলিম ৫৫৬৯
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال سمعت الليث بن سعد، يقول الحمو أخ الزوج وما أشبهه من أقارب الزوج ابن العم ونحوه .
ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) বলেন, লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, (--) শব্দের অর্থ স্বামীর ভাই (দেবর-ভাসুর) এবং স্বামীর আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে তার (স্বামীর ভাইয়ের) সমপর্যায়ের চাচাত ভাই প্রমুখ। (ই.ফা. ৫৪৮৯, ই.সে. ৫৫১৩)
ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) বলেন, লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) -কে আমি বলতে শুনেছি যে, (--) শব্দের অর্থ স্বামীর ভাই (দেবর-ভাসুর) এবং স্বামীর আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে তার (স্বামীর ভাইয়ের) সমপর্যায়ের চাচাত ভাই প্রমুখ। (ই.ফা. ৫৪৮৯, ই.সে. ৫৫১৩)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال سمعت الليث بن سعد، يقول الحمو أخ الزوج وما أشبهه من أقارب الزوج ابن العم ونحوه .
সহিহ মুসলিম > কোন লোককে নারীদের সঙ্গে একাকী দেখা পেলে এবং সে মহিলা তার স্ত্রী বা তার মাহরাম হলে কু-ধারণা কে দমনের জন্য এ স্ত্রীলোক অমুক বলে দেয়া মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৫৫৭১
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان مع إحدى نسائه فمر به رجل فدعاه فجاء فقال " يا فلان هذه زوجتي فلانة " . فقال يا رسول الله من كنت أظن به فلم أكن أظن بك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণের কোন একজনের সাথে ছিলেন, সে সময় তাঁর নিকট দিয়ে এক লোক যাচ্ছিল। তিনি তাকে ডাকলেন। সে (কাছে) আসলে তিনি বললেন, ওহে! এটা আমার অমুক স্ত্রী। সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! অপর কারো সম্বন্ধে আমি মন্দ ধারণা করলেও হয়ত করতাম, কিন্তু আপনার সম্বন্ধে তো মন্দ ধারণা করতাম না। সে সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ শাইতান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে থাকে। (ই.ফা. ৫৪৯১, ই.সে. ৫৫১৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগণের কোন একজনের সাথে ছিলেন, সে সময় তাঁর নিকট দিয়ে এক লোক যাচ্ছিল। তিনি তাকে ডাকলেন। সে (কাছে) আসলে তিনি বললেন, ওহে! এটা আমার অমুক স্ত্রী। সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! অপর কারো সম্বন্ধে আমি মন্দ ধারণা করলেও হয়ত করতাম, কিন্তু আপনার সম্বন্ধে তো মন্দ ধারণা করতাম না। সে সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ শাইতান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে থাকে। (ই.ফা. ৫৪৯১, ই.সে. ৫৫১৫)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان مع إحدى نسائه فمر به رجل فدعاه فجاء فقال " يا فلان هذه زوجتي فلانة " . فقال يا رسول الله من كنت أظن به فلم أكن أظن بك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৭৩
وحدثنيه عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرنا علي بن حسين، أن صفية، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم تزوره في اعتكافه في المسجد في العشر الأواخر من رمضان فتحدثت عنده ساعة ثم قامت تنقلب وقام النبي صلى الله عليه وسلم يقلبها . ثم ذكر بمعنى حديث معمر غير أنه قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إن الشيطان يبلغ من الإنسان مبلغ الدم " . ولم يقل " يجري " .
আলী ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী সাফিয়্যাহ্ (রাঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রমাযানের শেষ দশকে মাসজিদে (নাবাবীতে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ই’তিকাফের সময় তিনি তাঁর সাথে দেখা করতে গেলেন। তিনি তাঁর সাথে কিছু সময় আলোচনা করলেন, তারপর প্রত্যাবর্তনের জন্যে উঠে দাঁড়ালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তাঁকে বিদায় দিতে উঠে দাঁড়ালেন .....। অতঃপর (পূর্ববর্তী হাদীসের রাবী) মা’মার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শাইতান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় পৌঁছে। “প্রবাহিত হয়” বলেননি। (বরং তিনি এ বর্ণনায় (আরবি) বলেছেন, তিনি (আরবি) বলেন নি (ই.ফা. ৫৪৯২, ই.সে. ৫৫১৭)
আলী ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী সাফিয়্যাহ্ (রাঃ) তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রমাযানের শেষ দশকে মাসজিদে (নাবাবীতে) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ই’তিকাফের সময় তিনি তাঁর সাথে দেখা করতে গেলেন। তিনি তাঁর সাথে কিছু সময় আলোচনা করলেন, তারপর প্রত্যাবর্তনের জন্যে উঠে দাঁড়ালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -ও তাঁকে বিদায় দিতে উঠে দাঁড়ালেন .....। অতঃপর (পূর্ববর্তী হাদীসের রাবী) মা’মার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, শাইতান মানুষের রক্ত সঞ্চারণের শিরায় শিরায় পৌঁছে। “প্রবাহিত হয়” বলেননি। (বরং তিনি এ বর্ণনায় (আরবি) বলেছেন, তিনি (আরবি) বলেন নি (ই.ফা. ৫৪৯২, ই.সে. ৫৫১৭)
وحدثنيه عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري، أخبرنا علي بن حسين، أن صفية، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم تزوره في اعتكافه في المسجد في العشر الأواخر من رمضان فتحدثت عنده ساعة ثم قامت تنقلب وقام النبي صلى الله عليه وسلم يقلبها . ثم ذكر بمعنى حديث معمر غير أنه قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إن الشيطان يبلغ من الإنسان مبلغ الدم " . ولم يقل " يجري " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৭২
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - وتقاربا في اللفظ - قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن صفية بنت حيى، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم معتكفا فأتيته أزوره ليلا فحدثته ثم قمت لأنقلب فقام معي ليقلبني . وكان مسكنها في دار أسامة بن زيد فمر رجلان من الأنصار فلما رأيا النبي صلى الله عليه وسلم أسرعا فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على رسلكما إنها صفية بنت حيى " . فقالا سبحان الله يا رسول الله . قال " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما شرا " . أو قال " شيئا " .
সাফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই‘তিকাফরত ছিলেন। আমি রাত্রিতে তাঁর সাথে দেখা করতে এলাম। (কিছু সময়) তাঁর সাথে কথা বললাম, এরপর ফিরে যাওয়ার জন্যে উঠলাম। তিনিও আমাকে বিদায় দেয়ার জন্যে আমার সঙ্গে উঠলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) , সে সময় তার [সাফিয়্যাহ্ (রাঃ) ] বাসস্থান ছিল উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) -এর ঘরে। তখন (সেখান দিয়ে) আনসারীদের দু’জন লোক গমন করছিলেন। তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (এক মহিলার সঙ্গে) দেখতে পেয়ে জলদি যেতে লাগল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ তোমরা দু’জন আস্তে আস্তে যাও। এ কিন্তু সাফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই (আমার স্ত্রী)। তারা দু’জন বলল, সুব্হানাল্লাহ্! হে আল্লাহ্র রসূল (আমরা তো কিছু ভাবিনি) ! তিনি বললেন, শাইতান মানুষের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে। আর আমি আশঙ্কা করলাম যে, শাইতান তোমাদের দু’জনের মনে কোন মন্দ ধারণা ঢেলে দিবে অথবা (বর্ণনা সন্দেহ) এ বিষয়ে কোন কিছু তৈরি করতে পারে। (ই.ফা. ৫৪৯২, ই.সে. ৫৫১৬)
সাফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই‘তিকাফরত ছিলেন। আমি রাত্রিতে তাঁর সাথে দেখা করতে এলাম। (কিছু সময়) তাঁর সাথে কথা বললাম, এরপর ফিরে যাওয়ার জন্যে উঠলাম। তিনিও আমাকে বিদায় দেয়ার জন্যে আমার সঙ্গে উঠলেন। (বর্ণনাকারী বলেন) , সে সময় তার [সাফিয়্যাহ্ (রাঃ) ] বাসস্থান ছিল উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) -এর ঘরে। তখন (সেখান দিয়ে) আনসারীদের দু’জন লোক গমন করছিলেন। তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (এক মহিলার সঙ্গে) দেখতে পেয়ে জলদি যেতে লাগল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন বললেনঃ তোমরা দু’জন আস্তে আস্তে যাও। এ কিন্তু সাফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই (আমার স্ত্রী)। তারা দু’জন বলল, সুব্হানাল্লাহ্! হে আল্লাহ্র রসূল (আমরা তো কিছু ভাবিনি) ! তিনি বললেন, শাইতান মানুষের শিরায় শিরায় চলাফেরা করে। আর আমি আশঙ্কা করলাম যে, শাইতান তোমাদের দু’জনের মনে কোন মন্দ ধারণা ঢেলে দিবে অথবা (বর্ণনা সন্দেহ) এ বিষয়ে কোন কিছু তৈরি করতে পারে। (ই.ফা. ৫৪৯২, ই.সে. ৫৫১৬)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - وتقاربا في اللفظ - قالا أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن صفية بنت حيى، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم معتكفا فأتيته أزوره ليلا فحدثته ثم قمت لأنقلب فقام معي ليقلبني . وكان مسكنها في دار أسامة بن زيد فمر رجلان من الأنصار فلما رأيا النبي صلى الله عليه وسلم أسرعا فقال النبي صلى الله عليه وسلم " على رسلكما إنها صفية بنت حيى " . فقالا سبحان الله يا رسول الله . قال " إن الشيطان يجري من الإنسان مجرى الدم وإني خشيت أن يقذف في قلوبكما شرا " . أو قال " شيئا " .