সহিহ মুসলিম > অনুমতি গ্রহন প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৫৫২১
حدثني أبو الطاهر، أخبرني عبد الله بن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، أن بسر بن سعيد، حدثه أنه، سمع أبا سعيد الخدري، يقول كنا في مجلس عند أبى بن كعب فأتى أبو موسى الأشعري مغضبا حتى وقف فقال أنشدكم الله هل سمع أحد منكم رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع " . قال أبى وما ذاك قال استأذنت على عمر بن الخطاب أمس ثلاث مرات فلم يؤذن لي فرجعت ثم جئته اليوم فدخلت عليه فأخبرته أني جئت أمس فسلمت ثلاثا ثم انصرفت قال قد سمعناك ونحن حينئذ على شغل فلو ما استأذنت حتى يؤذن لك قال استأذنت كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فوالله لأوجعن ظهرك وبطنك . أو لتأتين بمن يشهد لك على هذا . فقال أبى بن كعب فوالله لا يقوم معك إلا أحدثنا سنا قم يا أبا سعيد . فقمت حتى أتيت عمر فقلت قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا .
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এর নিকট একটি মাজলিসে ছিলাম। তখন আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) ক্রোধাম্বিত অবস্থায় এসে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহ্র শফথ দিয়ে বলছি, তোমাদের মাঝে কেউ কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছ যে, ‘অনুমতি গ্রহণ’ তিনবার, এতে যদি তোমাকে অনুমতি দেয়া হয়, ‘ভাল’, নতুবা তুমি প্রত্যাবর্তন কর। উবাই (রাঃ) বললেন, তাতে কী হয়েছে? তিনি বললেন, গতকাল (খলীফা) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তারপর আমি প্রত্যাবর্তন করলাম। পরদিন তাঁর নিকট গমন করলাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে সংবাদ দিলাম যে, আমি গতকাল এসেছিলাম এবং তিনবার সালাম করে (উত্তর না পেয়ে) চলে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, আমরা তোমার শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা তখন ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হয় সে পর্যন্ত তুমি তা চাইতে থাকলে না কেন? তিনি বললেন, আমি তো সে অনুমতি চেয়েছি, যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। ‘উমার (রহঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! তোমার পিঠে ও পেটে আঘাত করব; অথবা তুমি এমন ব্যক্তি পেশ করবে, যে এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আমাদের মধ্যে সবচেয়ে অল্প বয়সের লোকই তোমার সঙ্গে যাবে; তিনি বলেন, হে আবূ সা‘ঈদ! দাঁড়াও, অতঃপর আমি দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৩, ই.সে. ৫৪৬৫)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এর নিকট একটি মাজলিসে ছিলাম। তখন আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) ক্রোধাম্বিত অবস্থায় এসে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহ্র শফথ দিয়ে বলছি, তোমাদের মাঝে কেউ কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছ যে, ‘অনুমতি গ্রহণ’ তিনবার, এতে যদি তোমাকে অনুমতি দেয়া হয়, ‘ভাল’, নতুবা তুমি প্রত্যাবর্তন কর। উবাই (রাঃ) বললেন, তাতে কী হয়েছে? তিনি বললেন, গতকাল (খলীফা) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তারপর আমি প্রত্যাবর্তন করলাম। পরদিন তাঁর নিকট গমন করলাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে সংবাদ দিলাম যে, আমি গতকাল এসেছিলাম এবং তিনবার সালাম করে (উত্তর না পেয়ে) চলে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, আমরা তোমার শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা তখন ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হয় সে পর্যন্ত তুমি তা চাইতে থাকলে না কেন? তিনি বললেন, আমি তো সে অনুমতি চেয়েছি, যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। ‘উমার (রহঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! তোমার পিঠে ও পেটে আঘাত করব; অথবা তুমি এমন ব্যক্তি পেশ করবে, যে এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আমাদের মধ্যে সবচেয়ে অল্প বয়সের লোকই তোমার সঙ্গে যাবে; তিনি বলেন, হে আবূ সা‘ঈদ! দাঁড়াও, অতঃপর আমি দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৩, ই.সে. ৫৪৬৫)
حدثني أبو الطاهر، أخبرني عبد الله بن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، أن بسر بن سعيد، حدثه أنه، سمع أبا سعيد الخدري، يقول كنا في مجلس عند أبى بن كعب فأتى أبو موسى الأشعري مغضبا حتى وقف فقال أنشدكم الله هل سمع أحد منكم رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع " . قال أبى وما ذاك قال استأذنت على عمر بن الخطاب أمس ثلاث مرات فلم يؤذن لي فرجعت ثم جئته اليوم فدخلت عليه فأخبرته أني جئت أمس فسلمت ثلاثا ثم انصرفت قال قد سمعناك ونحن حينئذ على شغل فلو ما استأذنت حتى يؤذن لك قال استأذنت كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فوالله لأوجعن ظهرك وبطنك . أو لتأتين بمن يشهد لك على هذا . فقال أبى بن كعب فوالله لا يقوم معك إلا أحدثنا سنا قم يا أبا سعيد . فقمت حتى أتيت عمر فقلت قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا .
সহিহ মুসলিম ৫৫২২
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - حدثنا سعيد، بن يزيد عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن أبا موسى، أتى باب عمر فاستأذن فقال عمر واحدة . ثم استأذن الثانية فقال عمر ثنتان . ثم استأذن الثالثة فقال عمر ثلاث . ثم انصرف فأتبعه فرده فقال إن كان هذا شيئا حفظته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فها وإلا فلأجعلنك عظة . قال أبو سعيد فأتانا فقال ألم تعلموا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الاستئذان ثلاث " . قال فجعلوا يضحكون - قال - فقلت أتاكم أخوكم المسلم قد أفزع تضحكون انطلق فأنا شريكك في هذه العقوبة . فأتاه فقال هذا أبو سعيد .
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ মুসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) এর দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) (শব্দ শুনে মনে মনে) বললেন, একবার হলো। অতঃপর দ্বিতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, দু‘বার হলো। অতঃপর তৃতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তিনবার হলো। অতঃপর তিনি প্রত্যাবর্তন করলেন। পরে [‘উমার (রাঃ)] তাঁর পশ্চাতে লোক প্রেরণ করে তাকে ডেকে নিয়ে বললেন, এটি যদি এমন হয়, যা তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে সংরক্ষণ করেছ, তাহলে তা উপস্থাপন করো। নতুবা আমি তোমাকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিব। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় তিনি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমরা কি জান না যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ ‘অনুমতি গ্রহণ তিনবার’। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা তখন (এ কথা শুনে) হাসাহাসি করতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তোমাদের নিকট একজন মুসলিম ভাই আগমন করেছেন, যাকে ভয় দেখানো হয়েছে, আর তোমরা হাসছ? (তাঁকে বললাম) চলুন! এ শাস্তিতে আমি আপনার অংশীদার হবো। সে সময় তিনি (আমাকে সাথে নিয়ে) তার নিকট গিয়ে বললেন, এ যে আবূ সা‘ঈদ ... (আমার সাক্ষী)। (ই.ফা. ৫৪৪৪, ই.সে. ৫৪৬৬)
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ মুসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) এর দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) (শব্দ শুনে মনে মনে) বললেন, একবার হলো। অতঃপর দ্বিতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, দু‘বার হলো। অতঃপর তৃতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তিনবার হলো। অতঃপর তিনি প্রত্যাবর্তন করলেন। পরে [‘উমার (রাঃ)] তাঁর পশ্চাতে লোক প্রেরণ করে তাকে ডেকে নিয়ে বললেন, এটি যদি এমন হয়, যা তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে সংরক্ষণ করেছ, তাহলে তা উপস্থাপন করো। নতুবা আমি তোমাকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিব। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় তিনি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমরা কি জান না যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ ‘অনুমতি গ্রহণ তিনবার’। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা তখন (এ কথা শুনে) হাসাহাসি করতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তোমাদের নিকট একজন মুসলিম ভাই আগমন করেছেন, যাকে ভয় দেখানো হয়েছে, আর তোমরা হাসছ? (তাঁকে বললাম) চলুন! এ শাস্তিতে আমি আপনার অংশীদার হবো। সে সময় তিনি (আমাকে সাথে নিয়ে) তার নিকট গিয়ে বললেন, এ যে আবূ সা‘ঈদ ... (আমার সাক্ষী)। (ই.ফা. ৫৪৪৪, ই.সে. ৫৪৬৬)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - حدثنا سعيد، بن يزيد عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن أبا موسى، أتى باب عمر فاستأذن فقال عمر واحدة . ثم استأذن الثانية فقال عمر ثنتان . ثم استأذن الثالثة فقال عمر ثلاث . ثم انصرف فأتبعه فرده فقال إن كان هذا شيئا حفظته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فها وإلا فلأجعلنك عظة . قال أبو سعيد فأتانا فقال ألم تعلموا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الاستئذان ثلاث " . قال فجعلوا يضحكون - قال - فقلت أتاكم أخوكم المسلم قد أفزع تضحكون انطلق فأنا شريكك في هذه العقوبة . فأتاه فقال هذا أبو سعيد .
সহিহ মুসলিম ৫৫১৯
حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا - والله، - يزيد بن خصيفة عن بسر بن سعيد، قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول كنت جالسا بالمدينة في مجلس الأنصار فأتانا أبو موسى فزعا أو مذعورا . قلنا ما شأنك قال إن عمر أرسل إلى أن آتيه فأتيت بابه فسلمت ثلاثا فلم يرد على فرجعت فقال ما منعك أن تأتينا فقلت إني أتيتك فسلمت على بابك ثلاثا فلم يردوا على فرجعت وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع " . فقال عمر أقم عليه البينة وإلا أوجعتك . فقال أبى بن كعب لا يقوم معه إلا أصغر القوم . قال أبو سعيد قلت أنا أصغر القوم . قال فاذهب به .
বুস্র ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা মাদীনার আনসারীদের একটি বৈঠকে উপবিষ্ট ছিলাম। সেময় আবূ মূসা (রাঃ) অস্থির হয়ে, অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আমাদের নিকট এলেন। আমরা বললাম, আপনার সমস্যা কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট লোক প্রেরন করলেন, যেন আমি তাঁর নিকট যাই। আমি তাঁর চৌকাঠে তিনবার সালাম করলাম। তিনি আমাকে উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে আসলাম। পরে আমাকে (ডেকে নিয়ে) তিনি বললেন, আমাদের নিকট আসতে কোন বিষয় তোমাকে নিষেধ করলো। অতঃপর আমি বললাম, আমি আপনার নিকট এসেছিলাম এবং আপনার চৌকাঠে (দাঁড়িয়ে) তিনবার সালাম করেছিলাম। তবে তারা (গৃহের কেউ) আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে গেলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যদি কেউ তিনবার অনুমতি চায়, আর তাকে অনুমতি দেয়া না হয়, তাহলে সে যেন ফিরে আসে। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে প্রমান দাও। নতুবা তোমাকে প্রহার করব। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, তার সাথে গোষ্ঠীর সবচেয়ে অল্প বয়সের সন্তানই যাবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, আমি গোষ্ঠীর কনিষ্ঠতম। তিনি বললেন, তবে একে নিয়ে যাও। (ই.ফা. ৫৪৪১, ই.সে. ৫৪৬৩)
বুস্র ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা মাদীনার আনসারীদের একটি বৈঠকে উপবিষ্ট ছিলাম। সেময় আবূ মূসা (রাঃ) অস্থির হয়ে, অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আমাদের নিকট এলেন। আমরা বললাম, আপনার সমস্যা কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট লোক প্রেরন করলেন, যেন আমি তাঁর নিকট যাই। আমি তাঁর চৌকাঠে তিনবার সালাম করলাম। তিনি আমাকে উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে আসলাম। পরে আমাকে (ডেকে নিয়ে) তিনি বললেন, আমাদের নিকট আসতে কোন বিষয় তোমাকে নিষেধ করলো। অতঃপর আমি বললাম, আমি আপনার নিকট এসেছিলাম এবং আপনার চৌকাঠে (দাঁড়িয়ে) তিনবার সালাম করেছিলাম। তবে তারা (গৃহের কেউ) আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে গেলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যদি কেউ তিনবার অনুমতি চায়, আর তাকে অনুমতি দেয়া না হয়, তাহলে সে যেন ফিরে আসে। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে প্রমান দাও। নতুবা তোমাকে প্রহার করব। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, তার সাথে গোষ্ঠীর সবচেয়ে অল্প বয়সের সন্তানই যাবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, আমি গোষ্ঠীর কনিষ্ঠতম। তিনি বললেন, তবে একে নিয়ে যাও। (ই.ফা. ৫৪৪১, ই.সে. ৫৪৬৩)
حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا - والله، - يزيد بن خصيفة عن بسر بن سعيد، قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول كنت جالسا بالمدينة في مجلس الأنصار فأتانا أبو موسى فزعا أو مذعورا . قلنا ما شأنك قال إن عمر أرسل إلى أن آتيه فأتيت بابه فسلمت ثلاثا فلم يرد على فرجعت فقال ما منعك أن تأتينا فقلت إني أتيتك فسلمت على بابك ثلاثا فلم يردوا على فرجعت وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع " . فقال عمر أقم عليه البينة وإلا أوجعتك . فقال أبى بن كعب لا يقوم معه إلا أصغر القوم . قال أبو سعيد قلت أنا أصغر القوم . قال فاذهب به .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৪
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، عن ابن جريج، حدثنا عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر ثلاثا فكأنه وجده مشغولا فرجع فقال عمر ألم تسمع صوت عبد الله بن قيس ائذنوا له . فدعي له فقال ما حملك على ما صنعت قال إنا كنا نؤمر بهذا . قال لتقيمن على هذا بينة أو لأفعلن . فخرج فانطلق إلى مجلس من الأنصار فقالوا لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا . فقام أبو سعيد فقال كنا نؤمر بهذا . فقال عمر خفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني عنه الصفق بالأسواق .
‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(খলীফা) ‘উমার (রাঃ) এর নিকট আবূ মূসা (রাঃ) তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তখন (উত্তর না পেয়ে) তিনি যেন তাঁকে ব্যতিব্যস্ত মনে করে চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসা) এর শব্দ শোননি? তোমরা তাকে অনুমতি দাও! সে সময় তাকে ‘উমারের নিকট ডাকা হলো। তখন তিনি তাঁকে বললেন, এ রকম করতে তোমাকে কোন্ বিষয় তোমাকে উৎসাহিত করেছে? তিনি বললেন, আমাদের এ রকম করার আদেশ করা হয়েছে। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তুমি এ বিষয়ে সাক্ষী হাজির করবে, নতুবা অবশ্যই আমি এমন করবো অর্থাৎ শাস্তি দিবো। তিনি বেরিয়ে গিয়ে আনসারীদের এক বৈঠকে পৌছলেন। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সের লোকই এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। তখন আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) উঠলেন এবং বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ ব্যাপারটি আমার নিকট অজ্ঞাত রয়েছে। (কারন) বাজারের বাণিজ্যে আমাকে এ ব্যাপারে উদাসীন রেখেছে। (ই.ফা. ৫৪৪৬, ই.সে. ৫৪৬৮)
‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
(খলীফা) ‘উমার (রাঃ) এর নিকট আবূ মূসা (রাঃ) তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তখন (উত্তর না পেয়ে) তিনি যেন তাঁকে ব্যতিব্যস্ত মনে করে চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসা) এর শব্দ শোননি? তোমরা তাকে অনুমতি দাও! সে সময় তাকে ‘উমারের নিকট ডাকা হলো। তখন তিনি তাঁকে বললেন, এ রকম করতে তোমাকে কোন্ বিষয় তোমাকে উৎসাহিত করেছে? তিনি বললেন, আমাদের এ রকম করার আদেশ করা হয়েছে। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তুমি এ বিষয়ে সাক্ষী হাজির করবে, নতুবা অবশ্যই আমি এমন করবো অর্থাৎ শাস্তি দিবো। তিনি বেরিয়ে গিয়ে আনসারীদের এক বৈঠকে পৌছলেন। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সের লোকই এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। তখন আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) উঠলেন এবং বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ ব্যাপারটি আমার নিকট অজ্ঞাত রয়েছে। (কারন) বাজারের বাণিজ্যে আমাকে এ ব্যাপারে উদাসীন রেখেছে। (ই.ফা. ৫৪৪৬, ই.সে. ৫৪৬৮)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، عن ابن جريج، حدثنا عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر ثلاثا فكأنه وجده مشغولا فرجع فقال عمر ألم تسمع صوت عبد الله بن قيس ائذنوا له . فدعي له فقال ما حملك على ما صنعت قال إنا كنا نؤمر بهذا . قال لتقيمن على هذا بينة أو لأفعلن . فخرج فانطلق إلى مجلس من الأنصار فقالوا لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا . فقام أبو سعيد فقال كنا نؤمر بهذا . فقال عمر خفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني عنه الصفق بالأسواق .
সহিহ মুসলিম ৫৫২০
حدثنا قتيبة بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، بهذا الإسناد . وزاد ابن أبي عمر في حديثه قال أبو سعيد فقمت معه فذهبت إلى عمر فشهدت .
ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুতাইবাহ্ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আবূ ‘উমার (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি তার সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলাম। (ই.ফা. ৫৪৪২, ই.সে. ৫৪৬৮)
ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুতাইবাহ্ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আবূ ‘উমার (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি তার সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলাম। (ই.ফা. ৫৪৪২, ই.সে. ৫৪৬৮)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، بهذا الإسناد . وزاد ابن أبي عمر في حديثه قال أبو سعيد فقمت معه فذهبت إلى عمر فشهدت .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৩
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، ح وحدثنا أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن الجريري، وسعيد بن يزيد كلاهما عن أبي نضرة، قالا سمعناه يحدث، عن أبي سعيد الخدري، . بمعنى حديث بشر بن مفضل عن أبي مسلمة، .
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না এবং ইবনু বাশ্শার (রহঃ) আহ্মাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ... আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে আবূ মাসলামাহ্ (রহঃ) হতে নেয়া বিশ্র ইবনু মুফায্যাল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৪৫, ই.সে. ৫৪৬৭)
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না এবং ইবনু বাশ্শার (রহঃ) আহ্মাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ... আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে আবূ মাসলামাহ্ (রহঃ) হতে নেয়া বিশ্র ইবনু মুফায্যাল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৪৫, ই.সে. ৫৪৬৭)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، ح وحدثنا أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن الجريري، وسعيد بن يزيد كلاهما عن أبي نضرة، قالا سمعناه يحدث، عن أبي سعيد الخدري، . بمعنى حديث بشر بن مفضل عن أبي مسلمة، .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৫
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا حسين بن حريث، حدثنا النضر، - يعني ابن شميل - قالا جميعا حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ولم يذكر في حديث النضر ألهاني عنه الصفق بالأسواق .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার ও হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী নায্র (রহঃ) তাঁর বর্নিত হাদীসে ‘বাজারের ক্রয়-বিক্রয় আমাকে এ বিষয় হতে উদাসীন রেখেছে’ বাক্যটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৪৪৭, ই.সে. ৫৪৬৯)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার ও হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী নায্র (রহঃ) তাঁর বর্নিত হাদীসে ‘বাজারের ক্রয়-বিক্রয় আমাকে এ বিষয় হতে উদাসীন রেখেছে’ বাক্যটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৪৪৭, ই.সে. ৫৪৬৯)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا حسين بن حريث، حدثنا النضر، - يعني ابن شميل - قالا جميعا حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ولم يذكر في حديث النضر ألهاني عنه الصفق بالأسواق .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৭
وحدثناه عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان، حدثنا علي بن هاشم، عن طلحة، بن يحيى بهذا الإسناد غير أنه قال فقال يا أبا المنذر آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال نعم فلا تكن يا ابن الخطاب عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر من قول عمر سبحان الله . وما بعده .
তাল্হাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবান (রহঃ) ... তাল্হাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘উমার (রাঃ) (‘উবাইকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, হে আবুল মুন্যির! আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথাটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিনি আরো বলেন) হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীদের প্রতি শাস্তিদাতা স্বরূপ হবেন না। তবে তিনি ‘উমার (রাঃ) এর সুবহানাল্লাহ্ ও পরবর্তী উক্তিটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫৪৪৯, ই.সে. ৫৪৭১)
তাল্হাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবান (রহঃ) ... তাল্হাহ্ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) হতে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘উমার (রাঃ) (‘উবাইকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, হে আবুল মুন্যির! আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথাটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিনি আরো বলেন) হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীদের প্রতি শাস্তিদাতা স্বরূপ হবেন না। তবে তিনি ‘উমার (রাঃ) এর সুবহানাল্লাহ্ ও পরবর্তী উক্তিটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫৪৪৯, ই.সে. ৫৪৭১)
وحدثناه عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان، حدثنا علي بن هاشم، عن طلحة، بن يحيى بهذا الإسناد غير أنه قال فقال يا أبا المنذر آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال نعم فلا تكن يا ابن الخطاب عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر من قول عمر سبحان الله . وما بعده .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৬
حدثنا حسين بن حريث أبو عمار، حدثنا الفضل بن موسى، أخبرنا طلحة بن، يحيى عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال جاء أبو موسى إلى عمر بن الخطاب فقال السلام عليكم هذا عبد الله بن قيس . فلم يأذن له فقال السلام عليكم هذا أبو موسى السلام عليكم هذا الأشعري . ثم انصرف فقال ردوا على ردوا على . فجاء فقال يا أبا موسى ما ردك كنا في شغل . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع " . قال لتأتيني على هذا ببينة وإلا فعلت وفعلت . فذهب أبو موسى قال عمر إن وجد بينة تجدوه عند المنبر عشية وإن لم يجد بينة فلم تجدوه . فلما أن جاء بالعشي وجدوه قال يا أبا موسى ما تقول أقد وجدت قال نعم أبى بن كعب . قال عدل . قال يا أبا الطفيل ما يقول هذا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك يا ابن الخطاب فلا تكونن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال سبحان الله إنما سمعت شيئا فأحببت أن أتثبت .
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) এর সানাদে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্নিত। আবূ বুরদাহ্ (রহঃ) বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ (আমি) ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স। তবে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না। তখন (পুনরায়) বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ যে, আবূ মূসা। আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ যে আশ‘আরী। তারপর (উত্তর না পেয়ে) চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, (তাকে) আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। আমার নিকট ফিরিয়ে নিয়ে আসো। প্রত্যাবর্তন শেষে তিনি বললেন, কিসে তোমাকে ফিরিয়ে দিল, হে আবূ মূসা? আমরা কোন্ কর্মে মশগুল ছিলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি- ‘অনুমতি প্রার্থনা তিনবার’। এতে তোমাকে অনুমতি দেয়া হলে ভাল, নতুবা ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে অবশ্যই তুমি আমার নিকট প্রমাণাদি নিয়ে আসবে। নতুবা আমি এমন করব, তেমন করব, (সাজা দিব)। তখন আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, প্রমান যোগাড় করতে পারলে, বিকালে তাকে তোমরা মিম্বারের নিকট দেখতে পাবে, আর যদি প্রমান না পায়, তাহলে তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে না। বিকালে তিনি এলে তাঁরা তাঁকে (মিম্বারের নিকট দেখতে) পেল। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মূসা! কি বলছ? প্রমান পেয়েছ? তিনি বললেন, হাঁ- উবাই ইবনু কা‘ব! তিনি বললেন, ইনি ন্যায়পরায়ণ! তারপর উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন- হে আবূ তুফায়ল![২৩} ইনি কী বলেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন বলতে আমি শুনেছি- হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি কখনো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীগণের জন্য শাস্তি স্বরূপ হয়ে পরবেন না। তিনি বললেন, সুব্হানাল্লাহ্! (আমি তা কখনো চাই না)। আমি তো একটি বিষয় শোনার পর সে ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে আমার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৮, ই.সে. ৫৪৭০)
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) এর সানাদে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্নিত। আবূ বুরদাহ্ (রহঃ) বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ (আমি) ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স। তবে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না। তখন (পুনরায়) বললেন, আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ যে, আবূ মূসা। আস্সালামু ‘আলাইকুম- এ যে আশ‘আরী। তারপর (উত্তর না পেয়ে) চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, (তাকে) আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। আমার নিকট ফিরিয়ে নিয়ে আসো। প্রত্যাবর্তন শেষে তিনি বললেন, কিসে তোমাকে ফিরিয়ে দিল, হে আবূ মূসা? আমরা কোন্ কর্মে মশগুল ছিলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি- ‘অনুমতি প্রার্থনা তিনবার’। এতে তোমাকে অনুমতি দেয়া হলে ভাল, নতুবা ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে অবশ্যই তুমি আমার নিকট প্রমাণাদি নিয়ে আসবে। নতুবা আমি এমন করব, তেমন করব, (সাজা দিব)। তখন আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, প্রমান যোগাড় করতে পারলে, বিকালে তাকে তোমরা মিম্বারের নিকট দেখতে পাবে, আর যদি প্রমান না পায়, তাহলে তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে না। বিকালে তিনি এলে তাঁরা তাঁকে (মিম্বারের নিকট দেখতে) পেল। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মূসা! কি বলছ? প্রমান পেয়েছ? তিনি বললেন, হাঁ- উবাই ইবনু কা‘ব! তিনি বললেন, ইনি ন্যায়পরায়ণ! তারপর উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন- হে আবূ তুফায়ল![২৩} ইনি কী বলেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন বলতে আমি শুনেছি- হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি কখনো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীগণের জন্য শাস্তি স্বরূপ হয়ে পরবেন না। তিনি বললেন, সুব্হানাল্লাহ্! (আমি তা কখনো চাই না)। আমি তো একটি বিষয় শোনার পর সে ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে আমার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৮, ই.সে. ৫৪৭০)
حدثنا حسين بن حريث أبو عمار، حدثنا الفضل بن موسى، أخبرنا طلحة بن، يحيى عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال جاء أبو موسى إلى عمر بن الخطاب فقال السلام عليكم هذا عبد الله بن قيس . فلم يأذن له فقال السلام عليكم هذا أبو موسى السلام عليكم هذا الأشعري . ثم انصرف فقال ردوا على ردوا على . فجاء فقال يا أبا موسى ما ردك كنا في شغل . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع " . قال لتأتيني على هذا ببينة وإلا فعلت وفعلت . فذهب أبو موسى قال عمر إن وجد بينة تجدوه عند المنبر عشية وإن لم يجد بينة فلم تجدوه . فلما أن جاء بالعشي وجدوه قال يا أبا موسى ما تقول أقد وجدت قال نعم أبى بن كعب . قال عدل . قال يا أبا الطفيل ما يقول هذا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك يا ابن الخطاب فلا تكونن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال سبحان الله إنما سمعت شيئا فأحببت أن أتثبت .
সহিহ মুসলিম > অনুমতি প্রার্থীকে “কে এখানে” প্রশ্ন করা হলে “আমি” বলে উত্তর দেওয়া মাকরুহ
সহিহ মুসলিম ৫৫২৮
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فدعوت فقال النبي صلى الله عليه وسلم " من هذا " . قلت أنا . قال فخرج وهو يقول " أنا أنا " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে তাঁকে ডাকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তখন তিনি বের হয়ে এলেন আর বলছিলেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫০, ই.সে. ৫৪৭২)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে তাঁকে ডাকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তখন তিনি বের হয়ে এলেন আর বলছিলেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫০, ই.সে. ৫৪৭২)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فدعوت فقال النبي صلى الله عليه وسلم " من هذا " . قلت أنا . قال فخرج وهو يقول " أنا أنا " .
সহিহ মুসলিম ৫৫২৯
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال يحيى أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا - وكيع، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد، الله قال استأذنت على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " من هذا " . فقلت أنا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أنا أنا " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫১, ই.সে. ৫৪৭৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫১, ই.সে. ৫৪৭৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال يحيى أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا - وكيع، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد، الله قال استأذنت على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " من هذا " . فقلت أنا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أنا أنا " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩০
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا النضر بن شميل، وأبو عامر العقدي ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد . وفي حديثهم كأنه كره ذلك .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ‘আবদুর রহমান ইবনু বিশ্র (রহঃ) সবাই শু’বাহ্ (রহঃ) সূত্রে উল্লিখিত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তিনি যেন তা (‘আমি’ ‘আমি’ বলা) পছন্দ করলেন না। (ই.ফা. ৫৪৫২, ই.সে. ৫৪৭৪)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ‘আবদুর রহমান ইবনু বিশ্র (রহঃ) সবাই শু’বাহ্ (রহঃ) সূত্রে উল্লিখিত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তিনি যেন তা (‘আমি’ ‘আমি’ বলা) পছন্দ করলেন না। (ই.ফা. ৫৪৫২, ই.সে. ৫৪৭৪)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا النضر بن شميل، وأبو عامر العقدي ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد . وفي حديثهم كأنه كره ذلك .
সহিহ মুসলিম > পরের ঘরে উঁকি দেয়া নিষিদ্ধকরণ
সহিহ মুসলিম ৫৫৩১
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، - واللفظ ليحيى - ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، أن سهل بن سعد الساعدي، أخبره أن رجلا اطلع في جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو أعلم أنك تنظرني لطعنت به في عينك " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما جعل الإذن من أجل البصر " .
সাহ্ল ইবনু সা’দ আস-সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজার একটি ছিদ্র দিয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি (মাথার চুল আঁচড়ানো) চিরুনি ছিল, যা দ্বারা তিনি তাঁর মাথা আচরাচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখতে পেয়ে বললেনঃ আমি যদি জানতাম যে, তুমি আমাকে দেখছ তাহলে নিশ্চয়ই তা দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা দিতাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেনঃ চোখের জন্যেই তো অনুমতির বিধান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৫৪৫৩, ই.সে. ৫৪৭৫)
সাহ্ল ইবনু সা’দ আস-সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরজার একটি ছিদ্র দিয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি (মাথার চুল আঁচড়ানো) চিরুনি ছিল, যা দ্বারা তিনি তাঁর মাথা আচরাচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখতে পেয়ে বললেনঃ আমি যদি জানতাম যে, তুমি আমাকে দেখছ তাহলে নিশ্চয়ই তা দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা দিতাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বললেনঃ চোখের জন্যেই তো অনুমতির বিধান করা হয়েছে। (ই.ফা. ৫৪৫৩, ই.সে. ৫৪৭৫)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، - واللفظ ليحيى - ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، أن سهل بن سعد الساعدي، أخبره أن رجلا اطلع في جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يحك به رأسه فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو أعلم أنك تنظرني لطعنت به في عينك " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما جعل الإذن من أجل البصر " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৬
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو أن رجلا اطلع عليك بغير إذن فخذفته بحصاة ففقأت عينه ما كان عليك من جناح " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যদি বিনা অনুমতিতে তোমার প্রতি উঁকি দেয় আর তুমি তাকে পাথর মেরে তার চোখ ফুঁড়ে দাও, তাতে তোমার কোন গুনাহ হবে না। (ই.ফা. ৫৪৫৮, ই.সে. ৫৪৮০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক যদি বিনা অনুমতিতে তোমার প্রতি উঁকি দেয় আর তুমি তাকে পাথর মেরে তার চোখ ফুঁড়ে দাও, তাতে তোমার কোন গুনাহ হবে না। (ই.ফা. ৫৪৫৮, ই.সে. ৫৪৮০)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لو أن رجلا اطلع عليك بغير إذن فخذفته بحصاة ففقأت عينه ما كان عليك من جناح " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৪
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كامل فضيل بن حسين وقتيبة بن سعيد - واللفظ ليحيى وأبي كامل - قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد، الله بن أبي بكر عن أنس بن مالك، أن رجلا، اطلع من بعض حجر النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه بمشقص أو مشاقص فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يختله ليطعنه .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন এক হুজরার ভিতরে তাকাল। তখন তিনি তাকে দেখে একটি তীরের ফলক অথবা বর্ণনাকারীর সংশয় কয়েকটি ফলক নিয়ে দাঁড়ালেন। আমি যেন (এখনও ঐ দৃশ্য) দেখছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খোঁচা দেয়ার উদ্দেশে সুযোগ সন্ধান করছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৬, ই.সে. ৫৪৭৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন এক হুজরার ভিতরে তাকাল। তখন তিনি তাকে দেখে একটি তীরের ফলক অথবা বর্ণনাকারীর সংশয় কয়েকটি ফলক নিয়ে দাঁড়ালেন। আমি যেন (এখনও ঐ দৃশ্য) দেখছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে খোঁচা দেয়ার উদ্দেশে সুযোগ সন্ধান করছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৬, ই.সে. ৫৪৭৮)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كامل فضيل بن حسين وقتيبة بن سعيد - واللفظ ليحيى وأبي كامل - قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد، الله بن أبي بكر عن أنس بن مالك، أن رجلا، اطلع من بعض حجر النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه بمشقص أو مشاقص فكأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يختله ليطعنه .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৫
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اطلع في بيت قوم بغير إذنهم فقد حل لهم أن يفقئوا عينه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক কোন গোত্রের ঘরে তাদের নির্দেশ ছাড়া উঁকি মারে, তাহলে তার চোখে আঘাত করা তাদের জন্য জায়িয হয়। (ই.ফা. ৫৪৫৭, ই.সে. ৫৪৭৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক কোন গোত্রের ঘরে তাদের নির্দেশ ছাড়া উঁকি মারে, তাহলে তার চোখে আঘাত করা তাদের জন্য জায়িয হয়। (ই.ফা. ৫৪৫৭, ই.সে. ৫৪৭৯)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من اطلع في بيت قوم بغير إذنهم فقد حل لهم أن يفقئوا عينه " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩২
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أنأخبره أن رجلا اطلع من جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يرجل به رأسه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو أعلم أنك تنظر طعنت به في عينك إنما جعل الله الإذن من أجل البصر " .
শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহ্ল ইবনু সা’দ আনসারী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ঘরের একটি দরজার ছিদ্র দিয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে একটি চিরুনি ছিল, যা দ্বারা তিনি মাথার চুল আচড়াচ্ছিলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, যদি আমি জানতাম যে, তুমি দেখছো, তাহলে সেটি দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা দিতাম। চোখের জন্যই আল্লাহ অনুমতি নেয়ার বিধান করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৪, ই.সে. ৫৪৭৬)
শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহ্ল ইবনু সা’দ আনসারী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ঘরের একটি দরজার ছিদ্র দিয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে একটি চিরুনি ছিল, যা দ্বারা তিনি মাথার চুল আচড়াচ্ছিলেন। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, যদি আমি জানতাম যে, তুমি দেখছো, তাহলে সেটি দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা দিতাম। চোখের জন্যই আল্লাহ অনুমতি নেয়ার বিধান করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৪, ই.সে. ৫৪৭৬)
وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أنأخبره أن رجلا اطلع من جحر في باب رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع رسول الله صلى الله عليه وسلم مدرى يرجل به رأسه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو أعلم أنك تنظر طعنت به في عينك إنما جعل الله الإذن من أجل البصر " .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৩
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن سهل بن سعد، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث الليث ويونس .
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘আম্র আন্ নাকিদ, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইবনু আবূ ‘উমার ও আবূ কামিল জাহ্দারী (রহঃ) ... সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আল্-লায়স (রহঃ) ও ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবুহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৫, ই.সে. ৫৪৭৭)
সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, ‘আম্র আন্ নাকিদ, যুহায়র ইবনু হার্ব, ইবনু আবূ ‘উমার ও আবূ কামিল জাহ্দারী (রহঃ) ... সাহ্ল ইবনু সা’দ (রাঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আল্-লায়স (রহঃ) ও ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবুহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৫৫, ই.সে. ৫৪৭৭)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، وابن أبي عمر، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن سهل بن سعد، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث الليث ويونس .
সহিহ মুসলিম > হঠাৎ দৃষ্টি পড়া
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৭
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، كلاهما عن يونس، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا هشيم، أخبرنا يونس، عن عمرو بن سعيد، عن أبي زرعة، عن جرير بن عبد الله، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظر الفجاءة فأمرني أن أصرف بصري .
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আচমকা নজর পড়া ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, যেন আমি আমার দৃষ্টি দ্রুত ফিরিয়ে নেই। (ই.ফা. ৫৪৫৯, ই.সে. ৫৪৮১)
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আচমকা নজর পড়া ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, যেন আমি আমার দৃষ্টি দ্রুত ফিরিয়ে নেই। (ই.ফা. ৫৪৫৯, ই.সে. ৫৪৮১)
حدثني قتيبة بن سعيد، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، كلاهما عن يونس، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا هشيم، أخبرنا يونس، عن عمرو بن سعيد، عن أبي زرعة، عن جرير بن عبد الله، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظر الفجاءة فأمرني أن أصرف بصري .
সহিহ মুসলিম ৫৫৩৮
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الأعلى، وقال، إسحاق أخبرنا وكيع، حدثنا سفيان، كلاهما عن يونس، بهذا الإسناد مثله .
ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ... ইউনুস (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবুহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৬০, ই.সে. ৫৪৮২)
ইউনুস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ... ইউনুস (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবুহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৬০, ই.সে. ৫৪৮২)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الأعلى، وقال، إسحاق أخبرنا وكيع، حدثنا سفيان، كلاهما عن يونس، بهذا الإسناد مثله .