সহিহ মুসলিম > সন্তান জন্ম নিলে নবজাতককে খুরমা (ইত্যাদি) চিবিয়ে তাঁর মুখে দেয়া এবং এ উদ্দেশে তাকে কোন নেককার ব্যক্তির নিকট নিয়ে যাওয়া মুস্তাহাব; জন্মের দিন নাম রাখা জায়িয; ‘আব্দুল্লাহ এবং ইবরাহীম ও অন্যান্য নাবীগণের নামে নামকরণ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৫৫১২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا هشام، - يعني ابن عروة - عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يؤتى بالصبيان فيبرك عليهم ويحنكهم ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে (নবজাতক) সন্তানদের নিয়ে আসা হত। তাদের জন্য তিনি বারাকাতের দু’আ করতেন এবং খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। (ই.ফা. ৫৪৩৪, ই. সে. ৫৪৫৬)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে (নবজাতক) সন্তানদের নিয়ে আসা হত। তাদের জন্য তিনি বারাকাতের দু’আ করতেন এবং খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। (ই.ফা. ৫৪৩৪, ই. সে. ৫৪৫৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا هشام، - يعني ابن عروة - عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يؤتى بالصبيان فيبرك عليهم ويحنكهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن هشام، بن عروة عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أنها هاجرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي حبلى بعبد الله بن الزبير ‏.‏ فذكر نحو حديث أبي أسامة ‏.‏

আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কে গর্ভে ধারণ করে হিজরাত করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে পৌছলেন। অতঃপর উসামাহ্‌ (রাঃ) এর হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৫৪৩৩, ই. সে. ৫৪৫৫)

আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কে গর্ভে ধারণ করে হিজরাত করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে পৌছলেন। অতঃপর উসামাহ্‌ (রাঃ) এর হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৫৪৩৩, ই. সে. ৫৪৫৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن هشام، بن عروة عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أنها هاجرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي حبلى بعبد الله بن الزبير ‏.‏ فذكر نحو حديث أبي أسامة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫০৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالوا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال ولد لي غلام فأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم فسماه إبراهيم وحنكه بتمرة ‏.‏

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার একটি পুত্র সন্তান ভুমিষ্ঠ হলে আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইব্‌রাহীম এবং একটি খেজুর চিবিয়ে তাঁর মুখে দিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩০, ই. সে. ৫৪৫২)

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার একটি পুত্র সন্তান ভুমিষ্ঠ হলে আমি তাকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইব্‌রাহীম এবং একটি খেজুর চিবিয়ে তাঁর মুখে দিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩০, ই. সে. ৫৪৫২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالوا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال ولد لي غلام فأتيت به النبي صلى الله عليه وسلم فسماه إبراهيم وحنكه بتمرة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫০৫

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس، بن مالك قال ذهبت بعبد الله بن أبي طلحة الأنصاري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد ورسول الله صلى الله عليه وسلم في عباءة يهنأ بعيرا له فقال ‏"‏ هل معك تمر ‏"‏ ‏.‏ فقلت نعم ‏.‏ فناولته تمرات فألقاهن في فيه فلاكهن ثم فغر فا الصبي فمجه في فيه فجعل الصبي يتلمظه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ حب الأنصار التمر ‏"‏ ‏.‏ وسماه عبد الله ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ তাল্‌হাহ্‌ আনসারী এর জন্মকালে আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে নিয়ে গেলাম। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় গায়ে একটি ‘আল্খাল্লা’ জড়িয়ে তাঁর উটের গায়ে তৈল মালিশ করছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমার সাথে খেজুর আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর আমি তাঁর হাতে কয়েকটি খেজুর দিলাম। তিনি তাঁর মুখে জড়িয়ে দিয়ে চিবালেন। তারপর শিশুটির মুখ ফাঁক করে তার মুখের ভিতরে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগল। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আনসারীদের খেজুরের প্রতি ভালবাসা’ এবং তিনি তাঁর নাম রাখলেন, ‘আব্দুল্লাহ। (ই.ফা. ৫৪২৭, ই. সে. ৫৪৪৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ তাল্‌হাহ্‌ আনসারী এর জন্মকালে আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে নিয়ে গেলাম। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় গায়ে একটি ‘আল্খাল্লা’ জড়িয়ে তাঁর উটের গায়ে তৈল মালিশ করছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমার সাথে খেজুর আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর আমি তাঁর হাতে কয়েকটি খেজুর দিলাম। তিনি তাঁর মুখে জড়িয়ে দিয়ে চিবালেন। তারপর শিশুটির মুখ ফাঁক করে তার মুখের ভিতরে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগল। সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ‘আনসারীদের খেজুরের প্রতি ভালবাসা’ এবং তিনি তাঁর নাম রাখলেন, ‘আব্দুল্লাহ। (ই.ফা. ৫৪২৭, ই. সে. ৫৪৪৯)

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن أنس، بن مالك قال ذهبت بعبد الله بن أبي طلحة الأنصاري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد ورسول الله صلى الله عليه وسلم في عباءة يهنأ بعيرا له فقال ‏"‏ هل معك تمر ‏"‏ ‏.‏ فقلت نعم ‏.‏ فناولته تمرات فألقاهن في فيه فلاكهن ثم فغر فا الصبي فمجه في فيه فجعل الصبي يتلمظه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ حب الأنصار التمر ‏"‏ ‏.‏ وسماه عبد الله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫০৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا ابن عون، عن ابن، سيرين عن أنس بن مالك، قال كان ابن لأبي طلحة يشتكي فخرج أبو طلحة فقبض الصبي فلما رجع أبو طلحة قال ما فعل ابني قالت أم سليم هو أسكن مما كان ‏.‏ فقربت إليه العشاء فتعشى ثم أصاب منها فلما فرغ قالت واروا الصبي ‏.‏ فلما أصبح أبو طلحة أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال ‏"‏ أعرستم الليلة ‏"‏ ‏.‏ قال نعم قال ‏"‏ اللهم بارك لهما ‏"‏ ‏.‏ فولدت غلاما فقال لي أبو طلحة احمله حتى تأتي به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم وبعثت معه بتمرات فأخذه النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أمعه شىء ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم تمرات ‏.‏ فأخذها النبي صلى الله عليه وسلم فمضغها ثم أخذها من فيه فجعلها في في الصبي ثم حنكه وسماه عبد الله ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) এর এক পুত্র সন্তান রোগগ্রস্ত ছিল। (একদিন) আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) (তাঁর কর্মে) বের হলো এদিকে তাঁর বাচ্চাটি মারা যায়। যখন আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) ফিরে আসলেন, তিনি (স্ত্রীকে) প্রশ্ন করলেন, আমার সন্তান কি করছে? (স্ত্রী) উন্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, সে পুর্বের চেয়ে অধিকতর শান্ত। তারপর তিনি তাঁকে রাতের খাদ্য দিলেন, তিনি তা খেলেন, তারপর তার সাথে মিলিত হলেন। তারপর তিনি অবসর হলে উন্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, শিশুটিকে দাফন করে এসো। যখন সকাল হলো আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে এসে তাঁকে (সব) ঘটনা অবহিত করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি গতরাতে মিলিত হয়েছো? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (দু’আ করে) বললেন, হে আল্লাহ! তাদের দু’জনের জন্যে বারাকাত দিন। তারপর তাঁর স্ত্রী একটি সন্তান প্রসব করলেন। সে সময় আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) আমাকে বললেন, তাকে (কোলে) তুলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে নিয়ে যাও। তাকে নিয়ে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। উন্মু সুলায়ম (রাঃ) তাঁর সঙ্গে কতক খেজুরও দিলেন। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (শিশুটিকে) কোলে নেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তার সাথে কিছু আছে কি? তাঁরা বললো, হ্যাঁ, কয়েকটি খেজুর। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো বের করলেন ও চিবালেন। তারপর তা তাঁর মুখ হতে নিলেন এবং বাচ্চাটির মুখের মধ্যে দিলেন। এরপর তাকে তাহনীক করে তাঁর জন্যে দু’আ করলেন এবং তার নাম রাখলেন ‘আব্দুল্লাহ। (ই.ফা. ৫৪২৮, ই. সে. ৫৪৫০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) এর এক পুত্র সন্তান রোগগ্রস্ত ছিল। (একদিন) আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) (তাঁর কর্মে) বের হলো এদিকে তাঁর বাচ্চাটি মারা যায়। যখন আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) ফিরে আসলেন, তিনি (স্ত্রীকে) প্রশ্ন করলেন, আমার সন্তান কি করছে? (স্ত্রী) উন্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, সে পুর্বের চেয়ে অধিকতর শান্ত। তারপর তিনি তাঁকে রাতের খাদ্য দিলেন, তিনি তা খেলেন, তারপর তার সাথে মিলিত হলেন। তারপর তিনি অবসর হলে উন্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, শিশুটিকে দাফন করে এসো। যখন সকাল হলো আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে এসে তাঁকে (সব) ঘটনা অবহিত করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি গতরাতে মিলিত হয়েছো? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (দু’আ করে) বললেন, হে আল্লাহ! তাদের দু’জনের জন্যে বারাকাত দিন। তারপর তাঁর স্ত্রী একটি সন্তান প্রসব করলেন। সে সময় আবূ তালহাহ্‌ (রাঃ) আমাকে বললেন, তাকে (কোলে) তুলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে নিয়ে যাও। তাকে নিয়ে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলেন। উন্মু সুলায়ম (রাঃ) তাঁর সঙ্গে কতক খেজুরও দিলেন। রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (শিশুটিকে) কোলে নেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তার সাথে কিছু আছে কি? তাঁরা বললো, হ্যাঁ, কয়েকটি খেজুর। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো বের করলেন ও চিবালেন। তারপর তা তাঁর মুখ হতে নিলেন এবং বাচ্চাটির মুখের মধ্যে দিলেন। এরপর তাকে তাহনীক করে তাঁর জন্যে দু’আ করলেন এবং তার নাম রাখলেন ‘আব্দুল্লাহ। (ই.ফা. ৫৪২৮, ই. সে. ৫৪৫০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا ابن عون، عن ابن، سيرين عن أنس بن مالك، قال كان ابن لأبي طلحة يشتكي فخرج أبو طلحة فقبض الصبي فلما رجع أبو طلحة قال ما فعل ابني قالت أم سليم هو أسكن مما كان ‏.‏ فقربت إليه العشاء فتعشى ثم أصاب منها فلما فرغ قالت واروا الصبي ‏.‏ فلما أصبح أبو طلحة أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره فقال ‏"‏ أعرستم الليلة ‏"‏ ‏.‏ قال نعم قال ‏"‏ اللهم بارك لهما ‏"‏ ‏.‏ فولدت غلاما فقال لي أبو طلحة احمله حتى تأتي به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم وبعثت معه بتمرات فأخذه النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أمعه شىء ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم تمرات ‏.‏ فأخذها النبي صلى الله عليه وسلم فمضغها ثم أخذها من فيه فجعلها في في الصبي ثم حنكه وسماه عبد الله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১০

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن أسماء، أنها حملت بعبد الله بن الزبير بمكة قالت فخرجت وأنا متم، فأتيت المدينة فنزلت بقباء فولدته بقباء ثم أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة فمضغها ثم تفل في فيه فكان أول شىء دخل جوفه ريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم حنكه بالتمرة ثم دعا له وبرك عليه وكان أول مولود ولد في الإسلام ‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মাক্কায় (থাকাকালে) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেন, আমি (মক্কা থেকে) মাদীনায় (হিজরাতের উদ্দেশ্যে) বের হলাম। সে সময় আমার গর্ভকাল পূর্ণ হয়ে আসছে। আমি মাদীনায় এসে কুবায় গমন করলাম এবং তাঁকে প্রসব করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমাতে গেলাম। তিনি তাকে (নবজাতককে) তাঁর কোলে রাখলেন, এরপর একটি খেজুর আনিয়ে তা চিবালেন, অতঃপর তাঁর মুখ থেকে লালাসহ তার (বাচ্চাটির) মুখে দিলেন। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর লালাই ছিল প্রথম খাদ্য, যা তার পেটে ঢুকলো। অতঃপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দেয়ার পর তার জন্য দু’আ করলেন এবং তাকে বারাকাত (এর দু’আ) দিলেন। এ সন্তানই ছিল (মাদীনায়) হিজরাতের পর ইসলামের প্রথম নবজাতক। (ই.ফা. ৫৪৩২, ই. সে. ৫৪৫৪)

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মাক্কায় (থাকাকালে) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেন, আমি (মক্কা থেকে) মাদীনায় (হিজরাতের উদ্দেশ্যে) বের হলাম। সে সময় আমার গর্ভকাল পূর্ণ হয়ে আসছে। আমি মাদীনায় এসে কুবায় গমন করলাম এবং তাঁকে প্রসব করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমাতে গেলাম। তিনি তাকে (নবজাতককে) তাঁর কোলে রাখলেন, এরপর একটি খেজুর আনিয়ে তা চিবালেন, অতঃপর তাঁর মুখ থেকে লালাসহ তার (বাচ্চাটির) মুখে দিলেন। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর লালাই ছিল প্রথম খাদ্য, যা তার পেটে ঢুকলো। অতঃপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দেয়ার পর তার জন্য দু’আ করলেন এবং তাকে বারাকাত (এর দু’আ) দিলেন। এ সন্তানই ছিল (মাদীনায়) হিজরাতের পর ইসলামের প্রথম নবজাতক। (ই.ফা. ৫৪৩২, ই. সে. ৫৪৫৪)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن أسماء، أنها حملت بعبد الله بن الزبير بمكة قالت فخرجت وأنا متم، فأتيت المدينة فنزلت بقباء فولدته بقباء ثم أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة فمضغها ثم تفل في فيه فكان أول شىء دخل جوفه ريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم حنكه بالتمرة ثم دعا له وبرك عليه وكان أول مولود ولد في الإسلام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت جئنا بعبد الله بن الزبير إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه فطلبنا تمرة فعز علينا طلبها ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে (নবজাতক) নিয়ে আসলাম তাকে তাহনীক করার জন্য। অতঃপর আমরা একটি খেজুর চাইলাম। তবে তা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়লো। (ই.ফা. ৫৪৩৫, ই. সে. ৫৪৫৭)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে (নবজাতক) নিয়ে আসলাম তাকে তাহনীক করার জন্য। অতঃপর আমরা একটি খেজুর চাইলাম। তবে তা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়লো। (ই.ফা. ৫৪৩৫, ই. সে. ৫৪৫৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت جئنا بعبد الله بن الزبير إلى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه فطلبنا تمرة فعز علينا طلبها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৪

حدثني محمد بن سهل التميمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا محمد، - وهو ابن مطرف أبو غسان - حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال أتي بالمنذر بن أبي أسيد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد فوضعه النبي صلى الله عليه وسلم على فخذه وأبو أسيد جالس فلهي النبي صلى الله عليه وسلم بشىء بين يديه فأمر أبو أسيد بابنه فاحتمل من على فخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقلبوه فاستفاق رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أين الصبي ‏"‏ ‏.‏ فقال أبو أسيد أقلبناه يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ ما اسمه ‏"‏ ‏.‏ قال فلان يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ لا ولكن اسمه المنذر ‏"‏ ‏.‏ فسماه يومئذ المنذر ‏.‏

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুনযির ইবনু আবূ উসায়দ (রাঃ) কে তাঁর জন্মের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আনা হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রানের উপরে তাকে রাখলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) (পাশে) উপবিষ্ট। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনে কোন বিষয় মনোযোগ দিলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) তার সন্তানের ব্যাপারে (কাউকে) আদেশ করলেন। তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর রানের উপর থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সজাগ হলেন এবং বললেন, বাচ্চাটি কোথায়? আবূ উসায়দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করলেন, তার নাম কী? তারা বলল ‘অমুক’- হে আল্লাহ’র রসূল! তিনি বললেন, না; বরং তাঁর নাম মুনযির। এভাবে তিনি সেদিন থেকে তাঁর নাম ‘মুনযির’ রেখে দিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩৬, ই. সে. ৫৪৫৮)

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুনযির ইবনু আবূ উসায়দ (রাঃ) কে তাঁর জন্মের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আনা হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রানের উপরে তাকে রাখলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) (পাশে) উপবিষ্ট। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সামনে কোন বিষয় মনোযোগ দিলেন। আবূ উসায়দ (রাঃ) তার সন্তানের ব্যাপারে (কাউকে) আদেশ করলেন। তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর রানের উপর থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সজাগ হলেন এবং বললেন, বাচ্চাটি কোথায়? আবূ উসায়দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করলেন, তার নাম কী? তারা বলল ‘অমুক’- হে আল্লাহ’র রসূল! তিনি বললেন, না; বরং তাঁর নাম মুনযির। এভাবে তিনি সেদিন থেকে তাঁর নাম ‘মুনযির’ রেখে দিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩৬, ই. সে. ৫৪৫৮)

حدثني محمد بن سهل التميمي، وأبو بكر بن إسحاق قالا حدثنا ابن أبي مريم، حدثنا محمد، - وهو ابن مطرف أبو غسان - حدثني أبو حازم، عن سهل بن سعد، قال أتي بالمنذر بن أبي أسيد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد فوضعه النبي صلى الله عليه وسلم على فخذه وأبو أسيد جالس فلهي النبي صلى الله عليه وسلم بشىء بين يديه فأمر أبو أسيد بابنه فاحتمل من على فخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقلبوه فاستفاق رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أين الصبي ‏"‏ ‏.‏ فقال أبو أسيد أقلبناه يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ ما اسمه ‏"‏ ‏.‏ قال فلان يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ لا ولكن اسمه المنذر ‏"‏ ‏.‏ فسماه يومئذ المنذر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৫

حدثنا أبو الربيع، سليمان بن داود العتكي حدثنا عبد الوارث، حدثنا أبو التياح، حدثنا أنس بن مالك، ح وحدثنا شيبان بن فروخ، - واللفظ له - حدثنا عبد الوارث، عن أبي التياح، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أحسن الناس خلقا وكان لي أخ يقال له أبو عمير - قال أحسبه قال - كان فطيما - قال - فكان إذا جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فرآه قال ‏ "‏ أبا عمير ما فعل النغير ‏"‏ ‏.‏ قال فكان يلعب به ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মাঝে চরিত্রগুণে সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, যাকে আবূ ‘উমায়র বলে সম্বোধন করা হতো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই (আমাদের ঘরে) আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবূ ‘উমায়র! কি করেছো নুগায়র (চড়ূইছানা)? এ কথা বলে তিনি তাঁর সঙ্গে খেলা করতেন। (ই.ফা. ৫৪৩৭, ই. সে. ৫৪৫৯)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষের মাঝে চরিত্রগুণে সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, যাকে আবূ ‘উমায়র বলে সম্বোধন করা হতো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই (আমাদের ঘরে) আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবূ ‘উমায়র! কি করেছো নুগায়র (চড়ূইছানা)? এ কথা বলে তিনি তাঁর সঙ্গে খেলা করতেন। (ই.ফা. ৫৪৩৭, ই. সে. ৫৪৫৯)

حدثنا أبو الربيع، سليمان بن داود العتكي حدثنا عبد الوارث، حدثنا أبو التياح، حدثنا أنس بن مالك، ح وحدثنا شيبان بن فروخ، - واللفظ له - حدثنا عبد الوارث، عن أبي التياح، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أحسن الناس خلقا وكان لي أخ يقال له أبو عمير - قال أحسبه قال - كان فطيما - قال - فكان إذا جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فرآه قال ‏ "‏ أبا عمير ما فعل النغير ‏"‏ ‏.‏ قال فكان يلعب به ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫০৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا حماد بن مسعدة، حدثنا ابن عون، عن محمد، عن أنس، بهذه القصة نحو حديث يزيد ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) হতে এ ঘটনা সহকারে রাবী ইয়াযীদ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪২৯, ই. সে. ৫৪৫১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) হতে এ ঘটনা সহকারে রাবী ইয়াযীদ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪২৯, ই. সে. ৫৪৫১)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا حماد بن مسعدة، حدثنا ابن عون، عن محمد، عن أنس، بهذه القصة نحو حديث يزيد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫০৯

حدثنا الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب، - يعني ابن إسحاق - أخبرني هشام بن عروة، حدثني عروة بن الزبير، وفاطمة بنت المنذر بن الزبير، أنهما قالا خرجت أسماء بنت أبي بكر حين هاجرت وهي حبلى بعبد الله بن الزبير فقدمت قباء فنفست بعبد الله بقباء ثم خرجت حين نفست إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليحنكه فأخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم منها فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة قال قالت عائشة فمكثنا ساعة نلتمسها قبل أن نجدها فمضغها ثم بصقها في فيه فإن أول شىء دخل بطنه لريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قالت أسماء ثم مسحه وصلى عليه وسماه عبد الله ثم جاء وهو ابن سبع سنين أو ثمان ليبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره بذلك الزبير فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين رآه مقبلا إليه ثم بايعه ‏.‏

‘উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র ও ফাতিমাহ্‌ বিনতু মুনযির ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) যে সময় হিজরাত করলেন, সে সময় তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কে পেটে ধারণ করছিলেন। কুবায় পৌছলে তিনি ‘আব্দুল্লাহকে প্রসব করলেন। তারপর প্রসবের পর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে গেলেন যাতে তিনি তাকে (নবজাতককে) খেজুর চিবিয়ে বারাকাত দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাচ্চাটিকে তাঁর নিকট হতে নিয়ে নিজের কোলে রাখলেন। এরপর একটি খেজুর নিয়ে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খুঁজে যোগাড় করতে আমাদের কিছু সময় দেরী হলো। তারপর তিনি তা চিবিয়ে নিজ মুখে থেকে তার মুখের ভিতরে দিলেন। অতএব তাঁর পেটে প্রথম যা ঢুকল তা ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর লালা। আসমা (রাঃ) আরও বলেছেন, তারপর তিনি তাকে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তার জন্যে দু’আ করলেন, আর তার নাম রাখলেন ‘আব্দুল্লাহ। তারপর সাত কিংবা আট বছর বয়সে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে বাই’আত হওয়ার জন্য এলো। (পিতা) যুবায়র (রাঃ) তাকে তা করার উপদেশ দিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগিয়ে আসতে দেখে মুচকি হাসলেন। তারপর তাকে বাই’আত করে নিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩১, ই.সে. ৫৪৫৩)

‘উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র ও ফাতিমাহ্‌ বিনতু মুনযির ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা বলেন, আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) যে সময় হিজরাত করলেন, সে সময় তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) কে পেটে ধারণ করছিলেন। কুবায় পৌছলে তিনি ‘আব্দুল্লাহকে প্রসব করলেন। তারপর প্রসবের পর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে গেলেন যাতে তিনি তাকে (নবজাতককে) খেজুর চিবিয়ে বারাকাত দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাচ্চাটিকে তাঁর নিকট হতে নিয়ে নিজের কোলে রাখলেন। এরপর একটি খেজুর নিয়ে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খুঁজে যোগাড় করতে আমাদের কিছু সময় দেরী হলো। তারপর তিনি তা চিবিয়ে নিজ মুখে থেকে তার মুখের ভিতরে দিলেন। অতএব তাঁর পেটে প্রথম যা ঢুকল তা ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর লালা। আসমা (রাঃ) আরও বলেছেন, তারপর তিনি তাকে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তার জন্যে দু’আ করলেন, আর তার নাম রাখলেন ‘আব্দুল্লাহ। তারপর সাত কিংবা আট বছর বয়সে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে বাই’আত হওয়ার জন্য এলো। (পিতা) যুবায়র (রাঃ) তাকে তা করার উপদেশ দিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এগিয়ে আসতে দেখে মুচকি হাসলেন। তারপর তাকে বাই’আত করে নিলেন। (ই.ফা. ৫৪৩১, ই.সে. ৫৪৫৩)

حدثنا الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب، - يعني ابن إسحاق - أخبرني هشام بن عروة، حدثني عروة بن الزبير، وفاطمة بنت المنذر بن الزبير، أنهما قالا خرجت أسماء بنت أبي بكر حين هاجرت وهي حبلى بعبد الله بن الزبير فقدمت قباء فنفست بعبد الله بقباء ثم خرجت حين نفست إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليحنكه فأخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم منها فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة قال قالت عائشة فمكثنا ساعة نلتمسها قبل أن نجدها فمضغها ثم بصقها في فيه فإن أول شىء دخل بطنه لريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قالت أسماء ثم مسحه وصلى عليه وسماه عبد الله ثم جاء وهو ابن سبع سنين أو ثمان ليبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره بذلك الزبير فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين رآه مقبلا إليه ثم بايعه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নিজের ছেলে ছাড়া অন্যকে ‘হে বৎস! বলা জায়িজ এবং আদর প্রকাশের উদ্দেশ্যে তা করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৫৫১৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا يزيد بن هارون، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن المغيرة، بن شعبة قال ما سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد عن الدجال أكثر مما سألته عنه فقال لي ‏"‏ أى بنى وما ينصبك منه إنه لن يضرك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إنهم يزعمون أن معه أنهار الماء وجبال الخبز ‏.‏ قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏

আল-মুগীরাহ্‌ ইবনু শু‘বাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ‘দাজ্জাল’ সম্বন্ধে আমার চেয়ে বেশি কেউ প্রশ্ন করেনি যত প্রশ্ন আমি করেছি। তিনি আমাকে বলেন, হে বৎস! তার কোন্‌ বিষয় তোমাকে অস্থির করেছে? সে কিছুতেই তোমার অনিষ্ট করতে পারবে না। মুগীরাহ্‌ বলেন, আমি বললাম, তারা তো ধারণা করে থাকে যে, তার সাথে পানির নহরসমুহ এবং রুটির পাহাড়সমুহ থাকবে। তিনি বললেন, তা আল্লাহ্‌র নিকট তার থেকে সহজতর। (ই.ফা. ৫৪৩৯, ই.সে. ৫৪৬১)

আল-মুগীরাহ্‌ ইবনু শু‘বাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ‘দাজ্জাল’ সম্বন্ধে আমার চেয়ে বেশি কেউ প্রশ্ন করেনি যত প্রশ্ন আমি করেছি। তিনি আমাকে বলেন, হে বৎস! তার কোন্‌ বিষয় তোমাকে অস্থির করেছে? সে কিছুতেই তোমার অনিষ্ট করতে পারবে না। মুগীরাহ্‌ বলেন, আমি বললাম, তারা তো ধারণা করে থাকে যে, তার সাথে পানির নহরসমুহ এবং রুটির পাহাড়সমুহ থাকবে। তিনি বললেন, তা আল্লাহ্‌র নিকট তার থেকে সহজতর। (ই.ফা. ৫৪৩৯, ই.সে. ৫৪৬১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا يزيد بن هارون، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن المغيرة، بن شعبة قال ما سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد عن الدجال أكثر مما سألته عنه فقال لي ‏"‏ أى بنى وما ينصبك منه إنه لن يضرك ‏"‏ ‏.‏ قال قلت إنهم يزعمون أن معه أنهار الماء وجبال الخبز ‏.‏ قال ‏"‏ هو أهون على الله من ذلك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৬

حدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن أبي عثمان، عن أنس بن، مالك قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا بنى ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে বৎস! (ই.ফা. ৫৪৩৮, ই. সে. ৫৪৬০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে বৎস! (ই.ফা. ৫৪৩৮, ই. সে. ৫৪৬০)

حدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن أبي عثمان، عن أنس بن، مالك قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا بنى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا سريج بن، يونس حدثنا هشيم، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، ح وحدثني محمد بن، رافع حدثنا أبو أسامة، كلهم عن إسماعيل، بهذا الإسناد ‏.‏ وليس في حديث أحد منهم قول النبي صلى الله عليه وسلم للمغيرة ‏ "‏ أى بنى ‏"‏ ‏.‏ إلا في حديث يزيد وحده ‏.‏

ইসমাঈ’ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ ও ইবনু নুমায়র, সুরায়জ ইবনু ইউনুস, ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম ও মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ) ... ইসমাঈ’ল (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাঁদের মাঝে ইয়াযীদ (রহঃ) বর্নিত হাদীস ছাড়া কারো হাদীসে মুগীরাহ্‌ (রাঃ)-এর প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিটি “হে বৎস” শব্দের উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৫৪৪০, ই.সে. ৫৪৬২)

ইসমাঈ’ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ ও ইবনু নুমায়র, সুরায়জ ইবনু ইউনুস, ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম ও মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ) ... ইসমাঈ’ল (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাঁদের মাঝে ইয়াযীদ (রহঃ) বর্নিত হাদীস ছাড়া কারো হাদীসে মুগীরাহ্‌ (রাঃ)-এর প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিটি “হে বৎস” শব্দের উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৫৪৪০, ই.সে. ৫৪৬২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا سريج بن، يونس حدثنا هشيم، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، ح وحدثني محمد بن، رافع حدثنا أبو أسامة، كلهم عن إسماعيل، بهذا الإسناد ‏.‏ وليس في حديث أحد منهم قول النبي صلى الله عليه وسلم للمغيرة ‏ "‏ أى بنى ‏"‏ ‏.‏ إلا في حديث يزيد وحده ‏.‏


সহিহ মুসলিম > অনুমতি গ্রহন প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ৫৫২১

حدثني أبو الطاهر، أخبرني عبد الله بن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، أن بسر بن سعيد، حدثه أنه، سمع أبا سعيد الخدري، يقول كنا في مجلس عند أبى بن كعب فأتى أبو موسى الأشعري مغضبا حتى وقف فقال أنشدكم الله هل سمع أحد منكم رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال أبى وما ذاك قال استأذنت على عمر بن الخطاب أمس ثلاث مرات فلم يؤذن لي فرجعت ثم جئته اليوم فدخلت عليه فأخبرته أني جئت أمس فسلمت ثلاثا ثم انصرفت قال قد سمعناك ونحن حينئذ على شغل فلو ما استأذنت حتى يؤذن لك قال استأذنت كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فوالله لأوجعن ظهرك وبطنك ‏.‏ أو لتأتين بمن يشهد لك على هذا ‏.‏ فقال أبى بن كعب فوالله لا يقوم معك إلا أحدثنا سنا قم يا أبا سعيد ‏.‏ فقمت حتى أتيت عمر فقلت قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এর নিকট একটি মাজলিসে ছিলাম। তখন আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) ক্রোধাম্বিত অবস্থায় এসে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহ্‌র শফথ দিয়ে বলছি, তোমাদের মাঝে কেউ কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছ যে, ‘অনুমতি গ্রহণ’ তিনবার, এতে যদি তোমাকে অনুমতি দেয়া হয়, ‘ভাল’, নতুবা তুমি প্রত্যাবর্তন কর। উবাই (রাঃ) বললেন, তাতে কী হয়েছে? তিনি বললেন, গতকাল (খলীফা) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তারপর আমি প্রত্যাবর্তন করলাম। পরদিন তাঁর নিকট গমন করলাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে সংবাদ দিলাম যে, আমি গতকাল এসেছিলাম এবং তিনবার সালাম করে (উত্তর না পেয়ে) চলে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, আমরা তোমার শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা তখন ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হয় সে পর্যন্ত তুমি তা চাইতে থাকলে না কেন? তিনি বললেন, আমি তো সে অনুমতি চেয়েছি, যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। ‘উমার (রহঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! তোমার পিঠে ও পেটে আঘাত করব; অথবা তুমি এমন ব্যক্তি পেশ করবে, যে এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমাদের মধ্যে সবচেয়ে অল্প বয়সের লোকই তোমার সঙ্গে যাবে; তিনি বলেন, হে আবূ সা‘ঈদ! দাঁড়াও, অতঃপর আমি দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৩, ই.সে. ৫৪৬৫)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) এর নিকট একটি মাজলিসে ছিলাম। তখন আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) ক্রোধাম্বিত অবস্থায় এসে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি তোমাদের আল্লাহ্‌র শফথ দিয়ে বলছি, তোমাদের মাঝে কেউ কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছ যে, ‘অনুমতি গ্রহণ’ তিনবার, এতে যদি তোমাকে অনুমতি দেয়া হয়, ‘ভাল’, নতুবা তুমি প্রত্যাবর্তন কর। উবাই (রাঃ) বললেন, তাতে কী হয়েছে? তিনি বললেন, গতকাল (খলীফা) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম। আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তারপর আমি প্রত্যাবর্তন করলাম। পরদিন তাঁর নিকট গমন করলাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁকে সংবাদ দিলাম যে, আমি গতকাল এসেছিলাম এবং তিনবার সালাম করে (উত্তর না পেয়ে) চলে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, আমরা তোমার শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা তখন ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু যে পর্যন্ত না তোমাকে অনুমতি দেয়া হয় সে পর্যন্ত তুমি তা চাইতে থাকলে না কেন? তিনি বললেন, আমি তো সে অনুমতি চেয়েছি, যেরূপ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি। ‘উমার (রহঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! তোমার পিঠে ও পেটে আঘাত করব; অথবা তুমি এমন ব্যক্তি পেশ করবে, যে এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমাদের মধ্যে সবচেয়ে অল্প বয়সের লোকই তোমার সঙ্গে যাবে; তিনি বলেন, হে আবূ সা‘ঈদ! দাঁড়াও, অতঃপর আমি দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ কথা বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৩, ই.সে. ৫৪৬৫)

حدثني أبو الطاهر، أخبرني عبد الله بن وهب، حدثني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، أن بسر بن سعيد، حدثه أنه، سمع أبا سعيد الخدري، يقول كنا في مجلس عند أبى بن كعب فأتى أبو موسى الأشعري مغضبا حتى وقف فقال أنشدكم الله هل سمع أحد منكم رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال أبى وما ذاك قال استأذنت على عمر بن الخطاب أمس ثلاث مرات فلم يؤذن لي فرجعت ثم جئته اليوم فدخلت عليه فأخبرته أني جئت أمس فسلمت ثلاثا ثم انصرفت قال قد سمعناك ونحن حينئذ على شغل فلو ما استأذنت حتى يؤذن لك قال استأذنت كما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فوالله لأوجعن ظهرك وبطنك ‏.‏ أو لتأتين بمن يشهد لك على هذا ‏.‏ فقال أبى بن كعب فوالله لا يقوم معك إلا أحدثنا سنا قم يا أبا سعيد ‏.‏ فقمت حتى أتيت عمر فقلت قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২২

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - حدثنا سعيد، بن يزيد عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن أبا موسى، أتى باب عمر فاستأذن فقال عمر واحدة ‏.‏ ثم استأذن الثانية فقال عمر ثنتان ‏.‏ ثم استأذن الثالثة فقال عمر ثلاث ‏.‏ ثم انصرف فأتبعه فرده فقال إن كان هذا شيئا حفظته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فها وإلا فلأجعلنك عظة ‏.‏ قال أبو سعيد فأتانا فقال ألم تعلموا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الاستئذان ثلاث ‏"‏ ‏.‏ قال فجعلوا يضحكون - قال - فقلت أتاكم أخوكم المسلم قد أفزع تضحكون انطلق فأنا شريكك في هذه العقوبة ‏.‏ فأتاه فقال هذا أبو سعيد ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মুসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) এর দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) (শব্দ শুনে মনে মনে) বললেন, একবার হলো। অতঃপর দ্বিতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, দু‘বার হলো। অতঃপর তৃতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তিনবার হলো। অতঃপর তিনি প্রত্যাবর্তন করলেন। পরে [‘উমার (রাঃ)] তাঁর পশ্চাতে লোক প্রেরণ করে তাকে ডেকে নিয়ে বললেন, এটি যদি এমন হয়, যা তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে সংরক্ষণ করেছ, তাহলে তা উপস্থাপন করো। নতুবা আমি তোমাকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিব। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় তিনি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমরা কি জান না যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ ‘অনুমতি গ্রহণ তিনবার’। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা তখন (এ কথা শুনে) হাসাহাসি করতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তোমাদের নিকট একজন মুসলিম ভাই আগমন করেছেন, যাকে ভয় দেখানো হয়েছে, আর তোমরা হাসছ? (তাঁকে বললাম) চলুন! এ শাস্তিতে আমি আপনার অংশীদার হবো। সে সময় তিনি (আমাকে সাথে নিয়ে) তার নিকট গিয়ে বললেন, এ যে আবূ সা‘ঈদ ... (আমার সাক্ষী)। (ই.ফা. ৫৪৪৪, ই.সে. ৫৪৬৬)

আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মুসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) এর দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) (শব্দ শুনে মনে মনে) বললেন, একবার হলো। অতঃপর দ্বিতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, দু‘বার হলো। অতঃপর তৃতীয়বার অনুমতি চাইলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তিনবার হলো। অতঃপর তিনি প্রত্যাবর্তন করলেন। পরে [‘উমার (রাঃ)] তাঁর পশ্চাতে লোক প্রেরণ করে তাকে ডেকে নিয়ে বললেন, এটি যদি এমন হয়, যা তুমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে সংরক্ষণ করেছ, তাহলে তা উপস্থাপন করো। নতুবা আমি তোমাকে দৃষ্টান্তমূলক সাজা দিব। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় তিনি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমরা কি জান না যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ ‘অনুমতি গ্রহণ তিনবার’। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা তখন (এ কথা শুনে) হাসাহাসি করতে লাগল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তোমাদের নিকট একজন মুসলিম ভাই আগমন করেছেন, যাকে ভয় দেখানো হয়েছে, আর তোমরা হাসছ? (তাঁকে বললাম) চলুন! এ শাস্তিতে আমি আপনার অংশীদার হবো। সে সময় তিনি (আমাকে সাথে নিয়ে) তার নিকট গিয়ে বললেন, এ যে আবূ সা‘ঈদ ... (আমার সাক্ষী)। (ই.ফা. ৫৪৪৪, ই.সে. ৫৪৬৬)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - حدثنا سعيد، بن يزيد عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، أن أبا موسى، أتى باب عمر فاستأذن فقال عمر واحدة ‏.‏ ثم استأذن الثانية فقال عمر ثنتان ‏.‏ ثم استأذن الثالثة فقال عمر ثلاث ‏.‏ ثم انصرف فأتبعه فرده فقال إن كان هذا شيئا حفظته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فها وإلا فلأجعلنك عظة ‏.‏ قال أبو سعيد فأتانا فقال ألم تعلموا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الاستئذان ثلاث ‏"‏ ‏.‏ قال فجعلوا يضحكون - قال - فقلت أتاكم أخوكم المسلم قد أفزع تضحكون انطلق فأنا شريكك في هذه العقوبة ‏.‏ فأتاه فقال هذا أبو سعيد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫১৯

حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا - والله، - يزيد بن خصيفة عن بسر بن سعيد، قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول كنت جالسا بالمدينة في مجلس الأنصار فأتانا أبو موسى فزعا أو مذعورا ‏.‏ قلنا ما شأنك قال إن عمر أرسل إلى أن آتيه فأتيت بابه فسلمت ثلاثا فلم يرد على فرجعت فقال ما منعك أن تأتينا فقلت إني أتيتك فسلمت على بابك ثلاثا فلم يردوا على فرجعت وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر أقم عليه البينة وإلا أوجعتك ‏.‏ فقال أبى بن كعب لا يقوم معه إلا أصغر القوم ‏.‏ قال أبو سعيد قلت أنا أصغر القوم ‏.‏ قال فاذهب به ‏.‏

বুস্‌র ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা মাদীনার আনসারীদের একটি বৈঠকে উপবিষ্ট ছিলাম। সেময় আবূ মূসা (রাঃ) অস্থির হয়ে, অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আমাদের নিকট এলেন। আমরা বললাম, আপনার সমস্যা কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট লোক প্রেরন করলেন, যেন আমি তাঁর নিকট যাই। আমি তাঁর চৌকাঠে তিনবার সালাম করলাম। তিনি আমাকে উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে আসলাম। পরে আমাকে (ডেকে নিয়ে) তিনি বললেন, আমাদের নিকট আসতে কোন বিষয় তোমাকে নিষেধ করলো। অতঃপর আমি বললাম, আমি আপনার নিকট এসেছিলাম এবং আপনার চৌকাঠে (দাঁড়িয়ে) তিনবার সালাম করেছিলাম। তবে তারা (গৃহের কেউ) আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে গেলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যদি কেউ তিনবার অনুমতি চায়, আর তাকে অনুমতি দেয়া না হয়, তাহলে সে যেন ফিরে আসে। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে প্রমান দাও। নতুবা তোমাকে প্রহার করব। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, তার সাথে গোষ্ঠীর সবচেয়ে অল্প বয়সের সন্তানই যাবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, আমি গোষ্ঠীর কনিষ্ঠতম। তিনি বললেন, তবে একে নিয়ে যাও। (ই.ফা. ৫৪৪১, ই.সে. ৫৪৬৩)

বুস্‌র ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, আমরা মাদীনার আনসারীদের একটি বৈঠকে উপবিষ্ট ছিলাম। সেময় আবূ মূসা (রাঃ) অস্থির হয়ে, অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন) ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আমাদের নিকট এলেন। আমরা বললাম, আপনার সমস্যা কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমার নিকট লোক প্রেরন করলেন, যেন আমি তাঁর নিকট যাই। আমি তাঁর চৌকাঠে তিনবার সালাম করলাম। তিনি আমাকে উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে আসলাম। পরে আমাকে (ডেকে নিয়ে) তিনি বললেন, আমাদের নিকট আসতে কোন বিষয় তোমাকে নিষেধ করলো। অতঃপর আমি বললাম, আমি আপনার নিকট এসেছিলাম এবং আপনার চৌকাঠে (দাঁড়িয়ে) তিনবার সালাম করেছিলাম। তবে তারা (গৃহের কেউ) আমাকে সালামের উত্তর দিলেন না। তাই আমি ফিরে গেলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যদি কেউ তিনবার অনুমতি চায়, আর তাকে অনুমতি দেয়া না হয়, তাহলে সে যেন ফিরে আসে। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে প্রমান দাও। নতুবা তোমাকে প্রহার করব। সে সময় উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বললেন, তার সাথে গোষ্ঠীর সবচেয়ে অল্প বয়সের সন্তানই যাবে। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, আমি গোষ্ঠীর কনিষ্ঠতম। তিনি বললেন, তবে একে নিয়ে যাও। (ই.ফা. ৫৪৪১, ই.সে. ৫৪৬৩)

حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا - والله، - يزيد بن خصيفة عن بسر بن سعيد، قال سمعت أبا سعيد الخدري، يقول كنت جالسا بالمدينة في مجلس الأنصار فأتانا أبو موسى فزعا أو مذعورا ‏.‏ قلنا ما شأنك قال إن عمر أرسل إلى أن آتيه فأتيت بابه فسلمت ثلاثا فلم يرد على فرجعت فقال ما منعك أن تأتينا فقلت إني أتيتك فسلمت على بابك ثلاثا فلم يردوا على فرجعت وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر أقم عليه البينة وإلا أوجعتك ‏.‏ فقال أبى بن كعب لا يقوم معه إلا أصغر القوم ‏.‏ قال أبو سعيد قلت أنا أصغر القوم ‏.‏ قال فاذهب به ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৪

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، عن ابن جريج، حدثنا عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر ثلاثا فكأنه وجده مشغولا فرجع فقال عمر ألم تسمع صوت عبد الله بن قيس ائذنوا له ‏.‏ فدعي له فقال ما حملك على ما صنعت قال إنا كنا نؤمر بهذا ‏.‏ قال لتقيمن على هذا بينة أو لأفعلن ‏.‏ فخرج فانطلق إلى مجلس من الأنصار فقالوا لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا ‏.‏ فقام أبو سعيد فقال كنا نؤمر بهذا ‏.‏ فقال عمر خفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني عنه الصفق بالأسواق ‏.‏

‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খলীফা) ‘উমার (রাঃ) এর নিকট আবূ মূসা (রাঃ) তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তখন (উত্তর না পেয়ে) তিনি যেন তাঁকে ব্যতিব্যস্ত মনে করে চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসা) এর শব্দ শোননি? তোমরা তাকে অনুমতি দাও! সে সময় তাকে ‘উমারের নিকট ডাকা হলো। তখন তিনি তাঁকে বললেন, এ রকম করতে তোমাকে কোন্‌ বিষয় তোমাকে উৎসাহিত করেছে? তিনি বললেন, আমাদের এ রকম করার আদেশ করা হয়েছে। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তুমি এ বিষয়ে সাক্ষী হাজির করবে, নতুবা অবশ্যই আমি এমন করবো অর্থাৎ শাস্তি দিবো। তিনি বেরিয়ে গিয়ে আনসারীদের এক বৈঠকে পৌছলেন। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সের লোকই এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। তখন আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) উঠলেন এবং বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ ব্যাপারটি আমার নিকট অজ্ঞাত রয়েছে। (কারন) বাজারের বাণিজ্যে আমাকে এ ব্যাপারে উদাসীন রেখেছে। (ই.ফা. ৫৪৪৬, ই.সে. ৫৪৬৮)

‘উবায়দ ইবনু ‘উমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

(খলীফা) ‘উমার (রাঃ) এর নিকট আবূ মূসা (রাঃ) তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তখন (উত্তর না পেয়ে) তিনি যেন তাঁকে ব্যতিব্যস্ত মনে করে চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসা) এর শব্দ শোননি? তোমরা তাকে অনুমতি দাও! সে সময় তাকে ‘উমারের নিকট ডাকা হলো। তখন তিনি তাঁকে বললেন, এ রকম করতে তোমাকে কোন্‌ বিষয় তোমাকে উৎসাহিত করেছে? তিনি বললেন, আমাদের এ রকম করার আদেশ করা হয়েছে। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তুমি এ বিষয়ে সাক্ষী হাজির করবে, নতুবা অবশ্যই আমি এমন করবো অর্থাৎ শাস্তি দিবো। তিনি বেরিয়ে গিয়ে আনসারীদের এক বৈঠকে পৌছলেন। তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সের লোকই এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। তখন আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) উঠলেন এবং বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ ব্যাপারটি আমার নিকট অজ্ঞাত রয়েছে। (কারন) বাজারের বাণিজ্যে আমাকে এ ব্যাপারে উদাসীন রেখেছে। (ই.ফা. ৫৪৪৬, ই.সে. ৫৪৬৮)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، عن ابن جريج، حدثنا عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر ثلاثا فكأنه وجده مشغولا فرجع فقال عمر ألم تسمع صوت عبد الله بن قيس ائذنوا له ‏.‏ فدعي له فقال ما حملك على ما صنعت قال إنا كنا نؤمر بهذا ‏.‏ قال لتقيمن على هذا بينة أو لأفعلن ‏.‏ فخرج فانطلق إلى مجلس من الأنصار فقالوا لا يشهد لك على هذا إلا أصغرنا ‏.‏ فقام أبو سعيد فقال كنا نؤمر بهذا ‏.‏ فقال عمر خفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني عنه الصفق بالأسواق ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২০

حدثنا قتيبة بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، بهذا الإسناد ‏.‏ وزاد ابن أبي عمر في حديثه قال أبو سعيد فقمت معه فذهبت إلى عمر فشهدت ‏.‏

ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্‌ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আবূ ‘উমার (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি তার সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলাম। (ই.ফা. ৫৪৪২, ই.সে. ৫৪৬৮)

ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ) ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ... ইয়াযীদ ইবনু খুসাইফাহ্‌ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং আবূ ‘উমার (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে বাড়তি বলেছেন যে, আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, সে সময় আমি তার সাথে উঠে দাঁড়ালাম এবং ‘উমার (রাঃ) এর নিকট গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলাম। (ই.ফা. ৫৪৪২, ই.সে. ৫৪৬৮)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، بهذا الإسناد ‏.‏ وزاد ابن أبي عمر في حديثه قال أبو سعيد فقمت معه فذهبت إلى عمر فشهدت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৩

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، ح وحدثنا أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن الجريري، وسعيد بن يزيد كلاهما عن أبي نضرة، قالا سمعناه يحدث، عن أبي سعيد الخدري، ‏.‏ بمعنى حديث بشر بن مفضل عن أبي مسلمة، ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না এবং ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) আহ্‌মাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ... আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে আবূ মাসলামাহ্‌ (রহঃ) হতে নেয়া বিশ্‌র ইবনু মুফায্‌যাল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৪৫, ই.সে. ৫৪৬৭)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না এবং ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) আহ্‌মাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ... আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে আবূ মাসলামাহ্‌ (রহঃ) হতে নেয়া বিশ্‌র ইবনু মুফায্‌যাল (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৪৪৫, ই.সে. ৫৪৬৭)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي مسلمة، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، ح وحدثنا أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن الجريري، وسعيد بن يزيد كلاهما عن أبي نضرة، قالا سمعناه يحدث، عن أبي سعيد الخدري، ‏.‏ بمعنى حديث بشر بن مفضل عن أبي مسلمة، ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا حسين بن حريث، حدثنا النضر، - يعني ابن شميل - قالا جميعا حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ولم يذكر في حديث النضر ألهاني عنه الصفق بالأسواق ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু বাশ্‌শার ও হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী নায্‌র (রহঃ) তাঁর বর্নিত হাদীসে ‘বাজারের ক্রয়-বিক্রয় আমাকে এ বিষয় হতে উদাসীন রেখেছে’ বাক্যটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৪৪৭, ই.সে. ৫৪৬৯)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু বাশ্‌শার ও হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী নায্‌র (রহঃ) তাঁর বর্নিত হাদীসে ‘বাজারের ক্রয়-বিক্রয় আমাকে এ বিষয় হতে উদাসীন রেখেছে’ বাক্যটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫৪৪৭, ই.সে. ৫৪৬৯)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، ح وحدثنا حسين بن حريث، حدثنا النضر، - يعني ابن شميل - قالا جميعا حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ولم يذكر في حديث النضر ألهاني عنه الصفق بالأسواق ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৭

وحدثناه عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان، حدثنا علي بن هاشم، عن طلحة، بن يحيى بهذا الإسناد غير أنه قال فقال يا أبا المنذر آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال نعم فلا تكن يا ابن الخطاب عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يذكر من قول عمر سبحان الله ‏.‏ وما بعده ‏.‏

তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবান (রহঃ) ... তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) হতে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘উমার (রাঃ) (‘উবাইকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, হে আবুল মুন্‌যির! আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথাটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিনি আরো বলেন) হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীদের প্রতি শাস্তিদাতা স্বরূপ হবেন না। তবে তিনি ‘উমার (রাঃ) এর সুবহানাল্লাহ্‌ ও পরবর্তী উক্তিটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫৪৪৯, ই.সে. ৫৪৭১)

তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবান (রহঃ) ... তাল্‌হাহ্‌ ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) হতে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘উমার (রাঃ) (‘উবাইকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, হে আবুল মুন্‌যির! আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথাটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (তিনি আরো বলেন) হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীদের প্রতি শাস্তিদাতা স্বরূপ হবেন না। তবে তিনি ‘উমার (রাঃ) এর সুবহানাল্লাহ্‌ ও পরবর্তী উক্তিটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫৪৪৯, ই.সে. ৫৪৭১)

وحدثناه عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان، حدثنا علي بن هاشم، عن طلحة، بن يحيى بهذا الإسناد غير أنه قال فقال يا أبا المنذر آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال نعم فلا تكن يا ابن الخطاب عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يذكر من قول عمر سبحان الله ‏.‏ وما بعده ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৬

حدثنا حسين بن حريث أبو عمار، حدثنا الفضل بن موسى، أخبرنا طلحة بن، يحيى عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال جاء أبو موسى إلى عمر بن الخطاب فقال السلام عليكم هذا عبد الله بن قيس ‏.‏ فلم يأذن له فقال السلام عليكم هذا أبو موسى السلام عليكم هذا الأشعري ‏.‏ ثم انصرف فقال ردوا على ردوا على ‏.‏ فجاء فقال يا أبا موسى ما ردك كنا في شغل ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال لتأتيني على هذا ببينة وإلا فعلت وفعلت ‏.‏ فذهب أبو موسى قال عمر إن وجد بينة تجدوه عند المنبر عشية وإن لم يجد بينة فلم تجدوه ‏.‏ فلما أن جاء بالعشي وجدوه قال يا أبا موسى ما تقول أقد وجدت قال نعم أبى بن كعب ‏.‏ قال عدل ‏.‏ قال يا أبا الطفيل ما يقول هذا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك يا ابن الخطاب فلا تكونن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال سبحان الله إنما سمعت شيئا فأحببت أن أتثبت ‏.‏

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) এর সানাদে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্নিত। আবূ বুরদাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ (আমি) ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স। তবে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না। তখন (পুনরায়) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ যে, আবূ মূসা। আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ যে আশ‘আরী। তারপর (উত্তর না পেয়ে) চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, (তাকে) আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। আমার নিকট ফিরিয়ে নিয়ে আসো। প্রত্যাবর্তন শেষে তিনি বললেন, কিসে তোমাকে ফিরিয়ে দিল, হে আবূ মূসা? আমরা কোন্‌ কর্মে মশগুল ছিলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি- ‘অনুমতি প্রার্থনা তিনবার’। এতে তোমাকে অনুমতি দেয়া হলে ভাল, নতুবা ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে অবশ্যই তুমি আমার নিকট প্রমাণাদি নিয়ে আসবে। নতুবা আমি এমন করব, তেমন করব, (সাজা দিব)। তখন আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, প্রমান যোগাড় করতে পারলে, বিকালে তাকে তোমরা মিম্বারের নিকট দেখতে পাবে, আর যদি প্রমান না পায়, তাহলে তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে না। বিকালে তিনি এলে তাঁরা তাঁকে (মিম্বারের নিকট দেখতে) পেল। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মূসা! কি বলছ? প্রমান পেয়েছ? তিনি বললেন, হাঁ- উবাই ইবনু কা‘ব! তিনি বললেন, ইনি ন্যায়পরায়ণ! তারপর উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন- হে আবূ তুফায়ল![২৩} ইনি কী বলেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন বলতে আমি শুনেছি- হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি কখনো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীগণের জন্য শাস্তি স্বরূপ হয়ে পরবেন না। তিনি বললেন, সুব্‌হানাল্লাহ্‌! (আমি তা কখনো চাই না)। আমি তো একটি বিষয় শোনার পর সে ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে আমার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৮, ই.সে. ৫৪৭০)

আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) এর সানাদে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্নিত। আবূ বুরদাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ (আমি) ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স। তবে তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন না। তখন (পুনরায়) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ যে, আবূ মূসা। আস্‌সালামু ‘আলাইকুম- এ যে আশ‘আরী। তারপর (উত্তর না পেয়ে) চলে গেলেন। সে সময় ‘উমার (রাঃ) বললেন, (তাকে) আমার নিকট ডেকে নিয়ে আসো। আমার নিকট ফিরিয়ে নিয়ে আসো। প্রত্যাবর্তন শেষে তিনি বললেন, কিসে তোমাকে ফিরিয়ে দিল, হে আবূ মূসা? আমরা কোন্‌ কর্মে মশগুল ছিলাম। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছি- ‘অনুমতি প্রার্থনা তিনবার’। এতে তোমাকে অনুমতি দেয়া হলে ভাল, নতুবা ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে অবশ্যই তুমি আমার নিকট প্রমাণাদি নিয়ে আসবে। নতুবা আমি এমন করব, তেমন করব, (সাজা দিব)। তখন আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, প্রমান যোগাড় করতে পারলে, বিকালে তাকে তোমরা মিম্বারের নিকট দেখতে পাবে, আর যদি প্রমান না পায়, তাহলে তোমরা তাঁকে দেখতে পাবে না। বিকালে তিনি এলে তাঁরা তাঁকে (মিম্বারের নিকট দেখতে) পেল। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আবূ মূসা! কি বলছ? প্রমান পেয়েছ? তিনি বললেন, হাঁ- উবাই ইবনু কা‘ব! তিনি বললেন, ইনি ন্যায়পরায়ণ! তারপর উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন- হে আবূ তুফায়ল![২৩} ইনি কী বলেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন বলতে আমি শুনেছি- হে ইবনুল খাত্তাব! আপনি কখনো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহাবীগণের জন্য শাস্তি স্বরূপ হয়ে পরবেন না। তিনি বললেন, সুব্‌হানাল্লাহ্‌! (আমি তা কখনো চাই না)। আমি তো একটি বিষয় শোনার পর সে ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে আমার আগ্রহ প্রকাশ করেছি। (ই.ফা. ৫৪৪৮, ই.সে. ৫৪৭০)

حدثنا حسين بن حريث أبو عمار، حدثنا الفضل بن موسى، أخبرنا طلحة بن، يحيى عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال جاء أبو موسى إلى عمر بن الخطاب فقال السلام عليكم هذا عبد الله بن قيس ‏.‏ فلم يأذن له فقال السلام عليكم هذا أبو موسى السلام عليكم هذا الأشعري ‏.‏ ثم انصرف فقال ردوا على ردوا على ‏.‏ فجاء فقال يا أبا موسى ما ردك كنا في شغل ‏.‏ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ الاستئذان ثلاث فإن أذن لك وإلا فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال لتأتيني على هذا ببينة وإلا فعلت وفعلت ‏.‏ فذهب أبو موسى قال عمر إن وجد بينة تجدوه عند المنبر عشية وإن لم يجد بينة فلم تجدوه ‏.‏ فلما أن جاء بالعشي وجدوه قال يا أبا موسى ما تقول أقد وجدت قال نعم أبى بن كعب ‏.‏ قال عدل ‏.‏ قال يا أبا الطفيل ما يقول هذا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك يا ابن الخطاب فلا تكونن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال سبحان الله إنما سمعت شيئا فأحببت أن أتثبت ‏.‏


সহিহ মুসলিম > অনুমতি প্রার্থীকে “কে এখানে” প্রশ্ন করা হলে “আমি” বলে উত্তর দেওয়া মাকরুহ

সহিহ মুসলিম ৫৫২৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فدعوت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ قلت أنا ‏.‏ قال فخرج وهو يقول ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে তাঁকে ডাকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তখন তিনি বের হয়ে এলেন আর বলছিলেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫০, ই.সে. ৫৪৭২)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটে এসে তাঁকে ডাকলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। বর্ণনাকারী [জাবির (রাঃ)] বলেন, তখন তিনি বের হয়ে এলেন আর বলছিলেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫০, ই.সে. ৫৪৭২)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فدعوت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ قلت أنا ‏.‏ قال فخرج وهو يقول ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫২৯

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال يحيى أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا - وكيع، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد، الله قال استأذنت على النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ فقلت أنا ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫১, ই.সে. ৫৪৭৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি বললেন, ‘এ কে’? আমি বললাম, ‘আমি’। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি! আমি!! (ই.ফা. ৫৪৫১, ই.সে. ৫৪৭৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال يحيى أخبرنا وقال أبو بكر، حدثنا - وكيع، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد، الله قال استأذنت على النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ فقلت أنا ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৫৫৩০

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا النضر بن شميل، وأبو عامر العقدي ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهم كأنه كره ذلك ‏.‏

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসহাক্ ইবনু ইব্‌রাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ‘আবদুর রহমান ইবনু বিশ্‌র (রহঃ) সবাই শু’বাহ্‌ (রহঃ) সূত্রে উল্লিখিত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তিনি যেন তা (‘আমি’ ‘আমি’ বলা) পছন্দ করলেন না। (ই.ফা. ৫৪৫২, ই.সে. ৫৪৭৪)

শু’বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসহাক্ ইবনু ইব্‌রাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ‘আবদুর রহমান ইবনু বিশ্‌র (রহঃ) সবাই শু’বাহ্‌ (রহঃ) সূত্রে উল্লিখিত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাদের বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তিনি যেন তা (‘আমি’ ‘আমি’ বলা) পছন্দ করলেন না। (ই.ফা. ৫৪৫২, ই.সে. ৫৪৭৪)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، حدثنا النضر بن شميل، وأبو عامر العقدي ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، كلهم عن شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ وفي حديثهم كأنه كره ذلك ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00