সহিহ মুসলিম > মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তার জন্য ত্যাগ স্বীকার করার ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম ৫২৫৫
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، عن فضيل بن غزوان، عن أبي، حازم عن أبي هريرة، . أن رجلا، من الأنصار بات به ضيف فلم يكن عنده إلا قوته وقوت صبيانه فقال لامرأته نومي الصبية وأطفئي السراج وقربي للضيف ما عندك - قال - فنزلت هذه الآية { ويؤثرون على أنفسهم ولو كان بهم خصاصة}
আবূ হুরাইরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক আনসারী লোকের বাড়িতে এক অতিথি রাত কাটালেন। তাঁর কাছে তাঁর ও সন্তানদের জন্য অল্প কিছু খাদ্য ব্যতীত আর কিছু ছিল না। তিনি তার স্ত্রীকে বললেন, বাচ্চাদের ঘুমিয়ে দাও, আলোটা বন্ধ করে দাও এবং তোমার নিকট যা কিছু আছে তাই অতিথির জন্য পেশ করো। রাবী বলেন, এরপর এ আয়াতটি নাযিল হয় : “তারা তাদের উপর অপরকে প্রাধান্য দেয়, যদিও তারা অনাহারে থাকে”- (সূরা আল হাশ্র ৫৯ : ৯) (ই.ফা. ৫১৮৭, ই.সে. ৫১৯৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক আনসারী লোকের বাড়িতে এক অতিথি রাত কাটালেন। তাঁর কাছে তাঁর ও সন্তানদের জন্য অল্প কিছু খাদ্য ব্যতীত আর কিছু ছিল না। তিনি তার স্ত্রীকে বললেন, বাচ্চাদের ঘুমিয়ে দাও, আলোটা বন্ধ করে দাও এবং তোমার নিকট যা কিছু আছে তাই অতিথির জন্য পেশ করো। রাবী বলেন, এরপর এ আয়াতটি নাযিল হয় : “তারা তাদের উপর অপরকে প্রাধান্য দেয়, যদিও তারা অনাহারে থাকে”- (সূরা আল হাশ্র ৫৯ : ৯) (ই.ফা. ৫১৮৭, ই.সে. ৫১৯৯)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، عن فضيل بن غزوان، عن أبي، حازم عن أبي هريرة، . أن رجلا، من الأنصار بات به ضيف فلم يكن عنده إلا قوته وقوت صبيانه فقال لامرأته نومي الصبية وأطفئي السراج وقربي للضيف ما عندك - قال - فنزلت هذه الآية { ويؤثرون على أنفسهم ولو كان بهم خصاصة}
সহিহ মুসলিম ৫২৫৬
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليضيفه فلم يكن عنده ما يضيفه فقال " ألا رجل يضيف هذا رحمه الله " . فقام رجل من الأنصار يقال له أبو طلحة فانطلق به إلى رحله . وساق الحديث بنحو حديث جرير وذكر فيه نزول الآية كما ذكره وكيع .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মেহমান হয়ে এক লোক তাঁর নিকট এলেন। কিন্তু তাঁর কাছে এমন কিছু ছিল না যা দিয়ে তিনি সে ব্যক্তির আপ্যায়ন করবেন। তখন তিনি বললেন, এর মেহমানদারী করার মতো কেউ কি আছে? আল্লাহ তার উপর দয়া করুক! এ সময় আবূ তাল্হাহ্ নামক এক আনসারী লোক দাঁড়ালেন এবং লোকটিকে আপন গৃহে নিয়ে গেলেন। অতঃপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীসটি জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। আর তিনি ওয়াকী’ (রহঃ)-এর মতো আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কথাও বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫১৮৮, ই.সে. ৫২০০)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মেহমান হয়ে এক লোক তাঁর নিকট এলেন। কিন্তু তাঁর কাছে এমন কিছু ছিল না যা দিয়ে তিনি সে ব্যক্তির আপ্যায়ন করবেন। তখন তিনি বললেন, এর মেহমানদারী করার মতো কেউ কি আছে? আল্লাহ তার উপর দয়া করুক! এ সময় আবূ তাল্হাহ্ নামক এক আনসারী লোক দাঁড়ালেন এবং লোকটিকে আপন গৃহে নিয়ে গেলেন। অতঃপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীসটি জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। আর তিনি ওয়াকী’ (রহঃ)-এর মতো আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কথাও বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫১৮৮, ই.সে. ৫২০০)
وحدثناه أبو كريب، حدثنا ابن فضيل، عن أبيه، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليضيفه فلم يكن عنده ما يضيفه فقال " ألا رجل يضيف هذا رحمه الله " . فقام رجل من الأنصار يقال له أبو طلحة فانطلق به إلى رحله . وساق الحديث بنحو حديث جرير وذكر فيه نزول الآية كما ذكره وكيع .
সহিহ মুসলিম ৫২৫৪
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني مجهود . فأرسل إلى بعض نسائه فقالت والذي بعثك بالحق ما عندي إلا ماء . ثم أرسل إلى أخرى فقالت مثل ذلك حتى قلن كلهن مثل ذلك لا والذي بعثك بالحق ما عندي إلا ماء . فقال " من يضيف هذا الليلة رحمه الله " . فقام رجل من الأنصار فقال أنا يا رسول الله . فانطلق به إلى رحله فقال لامرأته هل عندك شىء . قالت لا إلا قوت صبياني . قال فعلليهم بشىء فإذا دخل ضيفنا فأطفئي السراج وأريه أنا نأكل فإذا أهوى ليأكل فقومي إلى السراج حتى تطفئيه . قال فقعدوا وأكل الضيف . فلما أصبح غدا على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " قد عجب الله من صنيعكما بضيفكما الليلة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, আমি চরম অনাহারে ভুগছি। তিনি তাঁর কোন এক সহধর্মিণীর নিকট লোক প্রেরণ করলে তিনি বললেন, যে স্রষ্টা আপনাকে সঠিক দীনসহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! আমার নিকট পানি ব্যতীত আর কিছু নেই। তিনি অপর এক স্ত্রীর নিকট লোক প্রেরণ করলে তিনিও অনুরূপ কথা বললেন। এভাবে তাঁরা সবাই একই কথা বললেন যে, সে সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন, আমার কাছে পানি ব্যতীত আর কিছু নেই। তখন তিনি বললেন, আজ রাত্রে লোকটির কে অতিথিপরায়ণ হবে? আল্লাহ তার উপর দয়া করুন! তখন এক আন্সারী লোক উঠে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি। অতঃপর লোকটিকে নিয়ে আন্সারী নিজ বাড়িতে গেলেন এবং তাঁর সহধর্মিণীকে বললেন, তোমার নিকট কিছু আছে কি? সে বলল না। তবে সন্তানদের জন্য অল্প কিছু খাবার আছে। তিনি বললেন, তুমি তাদের কিছু একটা দিয়ে ব্যস্ত রাখো। আর যখন অতিথি ঘরে ঢুকবে, তখন তুমি আলোটা নিভিয়ে দেবে। আর তাকে বুঝাবে যে, আমরাও খাবার খাচ্ছি। সে (মেহমান) যখন খাওয়া আরম্ভ করবে তখন তুমি আলোর পাশে যেয়ে সেটা নিভিয়ে দেবে। রাবী বলেন, অতঃপর তারা বসে থাকলেন এবং অতিথি খেতে শুরু করলো। সকালে তিনি (আনসারী) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আসলে, তিনি বললেনঃআজ রাত্রে অতিথির সঙ্গে তোমাদের উভয়ের ব্যবহারে আল্লাহ খুশী হয়েছেন। (ই.ফা. ৫১৮৬, ই.সে. ৫১৯৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, আমি চরম অনাহারে ভুগছি। তিনি তাঁর কোন এক সহধর্মিণীর নিকট লোক প্রেরণ করলে তিনি বললেন, যে স্রষ্টা আপনাকে সঠিক দীনসহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! আমার নিকট পানি ব্যতীত আর কিছু নেই। তিনি অপর এক স্ত্রীর নিকট লোক প্রেরণ করলে তিনিও অনুরূপ কথা বললেন। এভাবে তাঁরা সবাই একই কথা বললেন যে, সে সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন, আমার কাছে পানি ব্যতীত আর কিছু নেই। তখন তিনি বললেন, আজ রাত্রে লোকটির কে অতিথিপরায়ণ হবে? আল্লাহ তার উপর দয়া করুন! তখন এক আন্সারী লোক উঠে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি। অতঃপর লোকটিকে নিয়ে আন্সারী নিজ বাড়িতে গেলেন এবং তাঁর সহধর্মিণীকে বললেন, তোমার নিকট কিছু আছে কি? সে বলল না। তবে সন্তানদের জন্য অল্প কিছু খাবার আছে। তিনি বললেন, তুমি তাদের কিছু একটা দিয়ে ব্যস্ত রাখো। আর যখন অতিথি ঘরে ঢুকবে, তখন তুমি আলোটা নিভিয়ে দেবে। আর তাকে বুঝাবে যে, আমরাও খাবার খাচ্ছি। সে (মেহমান) যখন খাওয়া আরম্ভ করবে তখন তুমি আলোর পাশে যেয়ে সেটা নিভিয়ে দেবে। রাবী বলেন, অতঃপর তারা বসে থাকলেন এবং অতিথি খেতে শুরু করলো। সকালে তিনি (আনসারী) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আসলে, তিনি বললেনঃআজ রাত্রে অতিথির সঙ্গে তোমাদের উভয়ের ব্যবহারে আল্লাহ খুশী হয়েছেন। (ই.ফা. ৫১৮৬, ই.সে. ৫১৯৮)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن فضيل بن غزوان، عن أبي حازم الأشجعي، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني مجهود . فأرسل إلى بعض نسائه فقالت والذي بعثك بالحق ما عندي إلا ماء . ثم أرسل إلى أخرى فقالت مثل ذلك حتى قلن كلهن مثل ذلك لا والذي بعثك بالحق ما عندي إلا ماء . فقال " من يضيف هذا الليلة رحمه الله " . فقام رجل من الأنصار فقال أنا يا رسول الله . فانطلق به إلى رحله فقال لامرأته هل عندك شىء . قالت لا إلا قوت صبياني . قال فعلليهم بشىء فإذا دخل ضيفنا فأطفئي السراج وأريه أنا نأكل فإذا أهوى ليأكل فقومي إلى السراج حتى تطفئيه . قال فقعدوا وأكل الضيف . فلما أصبح غدا على النبي صلى الله عليه وسلم فقال " قد عجب الله من صنيعكما بضيفكما الليلة " .
সহিহ মুসলিম ৫২৫৯
وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد، الأعلى جميعا عن المعتمر بن سليمان، - واللفظ لابن معاذ - حدثنا المعتمر، حدثنا أبي، عن أبي عثمان، - وحدث أيضا، - عن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هل مع أحد منكم طعام " . فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أبيع أم عطية - أو قال - أم هبة " . فقال لا بل بيع . فاشترى منه شاة فصنعت وأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بسواد البطن أن يشوى . قال وايم الله ما من الثلاثين ومائة إلا حز له رسول الله صلى الله عليه وسلم حزة حزة من سواد بطنها إن كان شاهدا أعطاه وإن كان غائبا خبأ له - قال - وجعل قصعتين فأكلنا منهما أجمعون وشبعنا وفضل في القصعتين فحملته على البعير . أو كما قال .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একশ’ ত্রিশ জন ব্যক্তি (এক সফরে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মাঝে কারো নিকট খাবার আছে কি? দেখা গেল, এক লোকের নিকটে এক সা’ বা সমপরিমাণ খাদ্য রয়েছে। তা (মিশিয়ে) খামীর করা হলো। অতঃপর এলামেলো চুলে দীর্ঘাঙ্গ এক মুশ্রিক লোক কিছু ছাগল হাঁকিয়ে নিয়ে আসলো। নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এগুলো বিক্রি করে দিবে না উপঢৌকন হিসেবে দিবে? কিংবা উপঢৌকন শব্দের স্থলে তিনি দান করবে বলেছিলেন। লোকটি বলল, না; আমি বরং বিক্রি করবো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট থেকে একটি বকরী ক্রয় করলেন। বকরীটা যাবাহ করা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কলিজা ভূনা করতে নির্দেশ দিলেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র শপথ! একশ’ ত্রিশজনের মাঝে একজনও এমন ছিলনা যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এক টুকরো কলিজা দেননি। যারা সমবেত ছিল তাদেরকে তো তখনই দিয়েছেন। আর যারা উপস্থিত ছিল না তাদের জন্য পৃথকভাবে তুলে রেখেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, গোশ্ত দুটি বাসনে বণ্টন করে রাখলেন। আমরা সবাই তৃপ্তি সহকারে খেলাম। তরপরও বাসন দু’টিতে গোশত অতিরিক্ত থাকলো। আমি তা উটের উপর বহন করে নিয়ে গেলাম। কিংবা তিনি (রাবী) যেভাবে রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫১৯১, ই.সে. ৫২০৩)
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা একশ’ ত্রিশ জন ব্যক্তি (এক সফরে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মাঝে কারো নিকট খাবার আছে কি? দেখা গেল, এক লোকের নিকটে এক সা’ বা সমপরিমাণ খাদ্য রয়েছে। তা (মিশিয়ে) খামীর করা হলো। অতঃপর এলামেলো চুলে দীর্ঘাঙ্গ এক মুশ্রিক লোক কিছু ছাগল হাঁকিয়ে নিয়ে আসলো। নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এগুলো বিক্রি করে দিবে না উপঢৌকন হিসেবে দিবে? কিংবা উপঢৌকন শব্দের স্থলে তিনি দান করবে বলেছিলেন। লোকটি বলল, না; আমি বরং বিক্রি করবো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট থেকে একটি বকরী ক্রয় করলেন। বকরীটা যাবাহ করা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কলিজা ভূনা করতে নির্দেশ দিলেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র শপথ! একশ’ ত্রিশজনের মাঝে একজনও এমন ছিলনা যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এক টুকরো কলিজা দেননি। যারা সমবেত ছিল তাদেরকে তো তখনই দিয়েছেন। আর যারা উপস্থিত ছিল না তাদের জন্য পৃথকভাবে তুলে রেখেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, গোশ্ত দুটি বাসনে বণ্টন করে রাখলেন। আমরা সবাই তৃপ্তি সহকারে খেলাম। তরপরও বাসন দু’টিতে গোশত অতিরিক্ত থাকলো। আমি তা উটের উপর বহন করে নিয়ে গেলাম। কিংবা তিনি (রাবী) যেভাবে রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫১৯১, ই.সে. ৫২০৩)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد، الأعلى جميعا عن المعتمر بن سليمان، - واللفظ لابن معاذ - حدثنا المعتمر، حدثنا أبي، عن أبي عثمان، - وحدث أيضا، - عن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثين ومائة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هل مع أحد منكم طعام " . فإذا مع رجل صاع من طعام أو نحوه فعجن ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أبيع أم عطية - أو قال - أم هبة " . فقال لا بل بيع . فاشترى منه شاة فصنعت وأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بسواد البطن أن يشوى . قال وايم الله ما من الثلاثين ومائة إلا حز له رسول الله صلى الله عليه وسلم حزة حزة من سواد بطنها إن كان شاهدا أعطاه وإن كان غائبا خبأ له - قال - وجعل قصعتين فأكلنا منهما أجمعون وشبعنا وفضل في القصعتين فحملته على البعير . أو كما قال .
সহিহ মুসলিম ৫২৫৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن المقداد، قال أقبلت أنا وصاحبان، لي وقد ذهبت أسماعنا وأبصارنا من الجهد فجعلنا نعرض أنفسنا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فليس أحد منهم يقبلنا فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق بنا إلى أهله فإذا ثلاثة أعنز فقال النبي صلى الله عليه وسلم " احتلبوا هذا اللبن بيننا " . قال فكنا نحتلب فيشرب كل إنسان منا نصيبه ونرفع للنبي صلى الله عليه وسلم نصيبه - قال - فيجيء من الليل فيسلم تسليما لا يوقظ نائما ويسمع اليقظان - قال - ثم يأتي المسجد فيصلي ثم يأتي شرابه فيشرب فأتاني الشيطان ذات ليلة وقد شربت نصيبي فقال محمد يأتي الأنصار فيتحفونه ويصيب عندهم ما به حاجة إلى هذه الجرعة فأتيتها فشربتها فلما أن وغلت في بطني وعلمت أنه ليس إليها سبيل - قال - ندمني الشيطان فقال ويحك ما صنعت أشربت شراب محمد فيجيء فلا يجده فيدعو عليك فتهلك فتذهب دنياك وآخرتك . وعلى شملة إذا وضعتها على قدمى خرج رأسي وإذا وضعتها على رأسي خرج قدماى وجعل لا يجيئني النوم وأما صاحباى فناما ولم يصنعا ما صنعت - قال - فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فسلم كما كان يسلم ثم أتى المسجد فصلى ثم أتى شرابه فكشف عنه فلم يجد فيه شيئا فرفع رأسه إلى السماء فقلت الآن يدعو على فأهلك . فقال " اللهم أطعم من أطعمني وأسق من أسقاني " . قال فعمدت إلى الشملة فشددتها على وأخذت الشفرة فانطلقت إلى الأعنز أيها أسمن فأذبحها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هي حافلة وإذا هن حفل كلهن فعمدت إلى إناء لآل محمد صلى الله عليه وسلم ما كانوا يطمعون أن يحتلبوا فيه - قال - فحلبت فيه حتى علته رغوة فجئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أشربتم شرابكم الليلة " . قال قلت يا رسول الله اشرب . فشرب ثم ناولني فقلت يا رسول الله اشرب . فشرب ثم ناولني فلما عرفت أن النبي صلى الله عليه وسلم قد روي وأصبت دعوته ضحكت حتى ألقيت إلى الأرض - قال - فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إحدى سوآتك يا مقداد " . فقلت يا رسول الله كان من أمري كذا وكذا وفعلت كذا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما هذه إلا رحمة من الله أفلا كنت آذنتني فنوقظ صاحبينا فيصيبان منها " . قال فقلت والذي بعثك بالحق ما أبالي إذا أصبتها وأصبتها معك من أصابها من الناس .
মিক্দাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রচুর খাদ্য সংকটে আমার ও আমার দু’সাথীর দৃষ্টিশক্তি ও শ্রুতিশক্তি কমে যায়। অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের নিকটে নিজেদের উত্থাপন করতে লাগলাম। কিন্তু তাঁদের কেউ আমাদের কথা শুনলেন না। সবশেষে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলে তিনি আমাদের সাথে নিয়ে তার পরিবারের নিকটে গেলেন। সেখানে তিনটি বকরী ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা দুধ দোহন করবে। এ দুধ আমরা বণ্টন করে পান করবো। তিনি বলেন, এরপর থেকে আমরা দুধ দোহন করতাম। আমাদের সবাই যার যার অংশ পান করতো। আর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য তাঁর অংশ উঠিয়ে রাখতাম। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, তিনি রাত্রে এসে এমনভাবে সালাম দিতেন যাতে নিদ্রারত লোক উঠে না যায় এবং জাগ্রত লোক শুনতে পায়। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি মাসজিদে এসে সলাত আদায় করতেন। প্রত্যাবর্তন করে দুধ পান করতেন। একদা রাতে আমার নিকটে শাইতান আগমন করলো। আমি তো আমার অংশ পান করে ফেলেছিলাম। সে বলল, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের নিকটে গেলে তারা তাঁকে উপঢৌকন দিবে এবং তাদের নিকটে তাঁর এ অল্প দুধের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে যাবে। অতঃপর আমি এসে সেটুকুও পান করে ফেললাম। দুধ যখন উত্তমভাবে আমার পেটে ঢুকে গেলে আমি বুঝলাম, এ দুধ বের করার আর কোন উপায় নেই তখন শইতান আমার থেকে দূরে সরে গিয়ে বলল, তোমার ধ্বংস হোক, তুমি একি করলে! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধ পান করে ফেলেছ? তিনি জাগ্রত হয়ে যখন তা পাবেন না, তখন তোমার উপর বদ-দু’আ করবেন এতে তুমি সর্বনাশ হয়ে যাবে এবং তোমার ইহকাল ও পরকাল নিঃশেষ হয়ে যাবে। আমার শরীরে একটা চাদর ছিল। আমি যদি তা আমার পাদ্বয়ের উপর রাখি তাহলে আমার মাথা বের হয়ে পড়ে, আর যদি আমি তা আমার মাথার উপর রাখি তাহলে আমার পদদ্বয় বেরিয়ে পড়ে। কিছুতেই আমার ঘুম আসছিল না। আমার সাথীদ্বয় তো নিদ্রাচ্ছন্ন ছিল। তারা তো আমার মতো কাজ করেনি। তিনি বলেন অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করে যেভাবে সালাম করতেন সেভাবেই সালাম করলেন। অতঃপর তিনি মাসজিদে এসে সলাত আদায় করলেন। অতঃপর দুধের নিকটে এসে ঢাকনা খুলে সেখানে কিছুই পেলেন না। এরপর তিনি নিজ মাথা আকাশের দিকে তুললেন। আমি তখন (মনে মনে) বললাম, এখনই হয়তো আমার উপর তিনি বদ্দু’আ করবেন, আর আমি নিঃশেষ হয়ে যাবো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! যে লোক আমার খাবারের ব্যবস্থা করে তুমি তার খাদ্যের ব্যবস্থা কর। আর যে আমাকে পান করায় তাকে তুমি পান করাও। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, তখন আমি চাদরটি নিয়ে গায়ে বাঁধলাম এবং একটি ছুরি নিলাম, অতঃপর (এ ভেবে) বকরীগুলোর কাছে গেলাম যে, এদের মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি মোটাতাজা আমি সেটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য যাবাহ করবো। সেখানে গিয়ে দেখলাম, সেটি দুধে পরিপূর্ণ এবং অন্যান্য সব বকরীও দুধে স্বয়ংস্পূর্ণ। অতঃপর আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারের একটি বাসন নিয়ে এলাম যার মধ্যে তাঁরা দুধ দোহাতেন না। তিনি [মিকদাদ (রাঃ)] বলেন, আমি তার মধ্যেই দুধ দোহন করলাম, এমনকি বাসনের উপরের অংশ ফেনা ফেসে উঠলো। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি রাত্রের দুধ পান করেছো? তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি পান করুন। তিনি পান করে আমাকে দিলেন। আমি যখন বুঝতে পারলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন এবং আমি তাঁর নেক দু’আ পেয়ে গেছি, তখন আমি খুশীতে হাসতে হাসতে মাটিতে নুয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মিকদাদ! এটা তোমার এক মন্দকাজ? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার এ ঘটনা ঘটে গেছে। কিংবা তিনি বলেছেন, আমার দ্বারা এরূপ কাজ হয়ে গেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা একমাত্র আল্লাহ্র মেহেরবানী! তুমি কেন আমাকে জানালে না? আমরা আমাদের সঙ্গীদ্বয়কে জাগাতাম, তাহলে তারাও এর অংশ পেত। তিনি বলেন, আমি তখন বললাম, যে মহান স্রষ্টা আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন তাঁর কসম! আপনি যখন পেয়েছেন এবং আমি যখন আপনার সঙ্গে ভাগ পেয়েছি, তখন ভিন্ন কোন ব্যক্তি পাওয়া না পাওয়ার আমি তোয়াক্কা করি না। (ই.ফা. ৫১৮৯, ই.সে. ৫২০১)
মিক্দাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, প্রচুর খাদ্য সংকটে আমার ও আমার দু’সাথীর দৃষ্টিশক্তি ও শ্রুতিশক্তি কমে যায়। অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের নিকটে নিজেদের উত্থাপন করতে লাগলাম। কিন্তু তাঁদের কেউ আমাদের কথা শুনলেন না। সবশেষে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করলে তিনি আমাদের সাথে নিয়ে তার পরিবারের নিকটে গেলেন। সেখানে তিনটি বকরী ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা দুধ দোহন করবে। এ দুধ আমরা বণ্টন করে পান করবো। তিনি বলেন, এরপর থেকে আমরা দুধ দোহন করতাম। আমাদের সবাই যার যার অংশ পান করতো। আর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য তাঁর অংশ উঠিয়ে রাখতাম। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, তিনি রাত্রে এসে এমনভাবে সালাম দিতেন যাতে নিদ্রারত লোক উঠে না যায় এবং জাগ্রত লোক শুনতে পায়। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি মাসজিদে এসে সলাত আদায় করতেন। প্রত্যাবর্তন করে দুধ পান করতেন। একদা রাতে আমার নিকটে শাইতান আগমন করলো। আমি তো আমার অংশ পান করে ফেলেছিলাম। সে বলল, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীদের নিকটে গেলে তারা তাঁকে উপঢৌকন দিবে এবং তাদের নিকটে তাঁর এ অল্প দুধের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে যাবে। অতঃপর আমি এসে সেটুকুও পান করে ফেললাম। দুধ যখন উত্তমভাবে আমার পেটে ঢুকে গেলে আমি বুঝলাম, এ দুধ বের করার আর কোন উপায় নেই তখন শইতান আমার থেকে দূরে সরে গিয়ে বলল, তোমার ধ্বংস হোক, তুমি একি করলে! তুমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুধ পান করে ফেলেছ? তিনি জাগ্রত হয়ে যখন তা পাবেন না, তখন তোমার উপর বদ-দু’আ করবেন এতে তুমি সর্বনাশ হয়ে যাবে এবং তোমার ইহকাল ও পরকাল নিঃশেষ হয়ে যাবে। আমার শরীরে একটা চাদর ছিল। আমি যদি তা আমার পাদ্বয়ের উপর রাখি তাহলে আমার মাথা বের হয়ে পড়ে, আর যদি আমি তা আমার মাথার উপর রাখি তাহলে আমার পদদ্বয় বেরিয়ে পড়ে। কিছুতেই আমার ঘুম আসছিল না। আমার সাথীদ্বয় তো নিদ্রাচ্ছন্ন ছিল। তারা তো আমার মতো কাজ করেনি। তিনি বলেন অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করে যেভাবে সালাম করতেন সেভাবেই সালাম করলেন। অতঃপর তিনি মাসজিদে এসে সলাত আদায় করলেন। অতঃপর দুধের নিকটে এসে ঢাকনা খুলে সেখানে কিছুই পেলেন না। এরপর তিনি নিজ মাথা আকাশের দিকে তুললেন। আমি তখন (মনে মনে) বললাম, এখনই হয়তো আমার উপর তিনি বদ্দু’আ করবেন, আর আমি নিঃশেষ হয়ে যাবো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! যে লোক আমার খাবারের ব্যবস্থা করে তুমি তার খাদ্যের ব্যবস্থা কর। আর যে আমাকে পান করায় তাকে তুমি পান করাও। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, তখন আমি চাদরটি নিয়ে গায়ে বাঁধলাম এবং একটি ছুরি নিলাম, অতঃপর (এ ভেবে) বকরীগুলোর কাছে গেলাম যে, এদের মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি মোটাতাজা আমি সেটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য যাবাহ করবো। সেখানে গিয়ে দেখলাম, সেটি দুধে পরিপূর্ণ এবং অন্যান্য সব বকরীও দুধে স্বয়ংস্পূর্ণ। অতঃপর আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারের একটি বাসন নিয়ে এলাম যার মধ্যে তাঁরা দুধ দোহাতেন না। তিনি [মিকদাদ (রাঃ)] বলেন, আমি তার মধ্যেই দুধ দোহন করলাম, এমনকি বাসনের উপরের অংশ ফেনা ফেসে উঠলো। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি রাত্রের দুধ পান করেছো? তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি পান করুন। তিনি পান করে আমাকে দিলেন। আমি যখন বুঝতে পারলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন এবং আমি তাঁর নেক দু’আ পেয়ে গেছি, তখন আমি খুশীতে হাসতে হাসতে মাটিতে নুয়ে পড়লে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মিকদাদ! এটা তোমার এক মন্দকাজ? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার এ ঘটনা ঘটে গেছে। কিংবা তিনি বলেছেন, আমার দ্বারা এরূপ কাজ হয়ে গেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা একমাত্র আল্লাহ্র মেহেরবানী! তুমি কেন আমাকে জানালে না? আমরা আমাদের সঙ্গীদ্বয়কে জাগাতাম, তাহলে তারাও এর অংশ পেত। তিনি বলেন, আমি তখন বললাম, যে মহান স্রষ্টা আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন তাঁর কসম! আপনি যখন পেয়েছেন এবং আমি যখন আপনার সঙ্গে ভাগ পেয়েছি, তখন ভিন্ন কোন ব্যক্তি পাওয়া না পাওয়ার আমি তোয়াক্কা করি না। (ই.ফা. ৫১৮৯, ই.সে. ৫২০১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن المقداد، قال أقبلت أنا وصاحبان، لي وقد ذهبت أسماعنا وأبصارنا من الجهد فجعلنا نعرض أنفسنا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فليس أحد منهم يقبلنا فأتينا النبي صلى الله عليه وسلم فانطلق بنا إلى أهله فإذا ثلاثة أعنز فقال النبي صلى الله عليه وسلم " احتلبوا هذا اللبن بيننا " . قال فكنا نحتلب فيشرب كل إنسان منا نصيبه ونرفع للنبي صلى الله عليه وسلم نصيبه - قال - فيجيء من الليل فيسلم تسليما لا يوقظ نائما ويسمع اليقظان - قال - ثم يأتي المسجد فيصلي ثم يأتي شرابه فيشرب فأتاني الشيطان ذات ليلة وقد شربت نصيبي فقال محمد يأتي الأنصار فيتحفونه ويصيب عندهم ما به حاجة إلى هذه الجرعة فأتيتها فشربتها فلما أن وغلت في بطني وعلمت أنه ليس إليها سبيل - قال - ندمني الشيطان فقال ويحك ما صنعت أشربت شراب محمد فيجيء فلا يجده فيدعو عليك فتهلك فتذهب دنياك وآخرتك . وعلى شملة إذا وضعتها على قدمى خرج رأسي وإذا وضعتها على رأسي خرج قدماى وجعل لا يجيئني النوم وأما صاحباى فناما ولم يصنعا ما صنعت - قال - فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فسلم كما كان يسلم ثم أتى المسجد فصلى ثم أتى شرابه فكشف عنه فلم يجد فيه شيئا فرفع رأسه إلى السماء فقلت الآن يدعو على فأهلك . فقال " اللهم أطعم من أطعمني وأسق من أسقاني " . قال فعمدت إلى الشملة فشددتها على وأخذت الشفرة فانطلقت إلى الأعنز أيها أسمن فأذبحها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هي حافلة وإذا هن حفل كلهن فعمدت إلى إناء لآل محمد صلى الله عليه وسلم ما كانوا يطمعون أن يحتلبوا فيه - قال - فحلبت فيه حتى علته رغوة فجئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أشربتم شرابكم الليلة " . قال قلت يا رسول الله اشرب . فشرب ثم ناولني فقلت يا رسول الله اشرب . فشرب ثم ناولني فلما عرفت أن النبي صلى الله عليه وسلم قد روي وأصبت دعوته ضحكت حتى ألقيت إلى الأرض - قال - فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إحدى سوآتك يا مقداد " . فقلت يا رسول الله كان من أمري كذا وكذا وفعلت كذا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما هذه إلا رحمة من الله أفلا كنت آذنتني فنوقظ صاحبينا فيصيبان منها " . قال فقلت والذي بعثك بالحق ما أبالي إذا أصبتها وأصبتها معك من أصابها من الناس .
সহিহ মুসলিম ৫২৬০
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن معاذ - حدثنا المعتمر بن سليمان، قال قال أبي حدثنا أبو عثمان، أنه حدثه عبد الرحمن بن أبي بكر، أن أصحاب الصفة، كانوا ناسا فقراء وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مرة " من كان عنده طعام اثنين فليذهب بثلاثة ومن كان عنده طعام أربعة فليذهب بخامس بسادس " . أو كما قال . وإن أبا بكر جاء بثلاثة وانطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم بعشرة وأبو بكر بثلاثة - قال - فهو وأنا وأبي وأمي - ولا أدري هل قال وامرأتي وخادم بين بيتنا وبيت أبي بكر - قال وإن أبا بكر تعشى عند النبي صلى الله عليه وسلم . ثم لبث حتى صليت العشاء ثم رجع فلبث حتى نعس رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء بعد ما مضى من الليل ما شاء الله قالت له امرأته ما حبسك عن أضيافك - أو قالت - ضيفك قال أوما عشيتهم قالت أبوا حتى تجيء قد عرضوا عليهم فغلبوهم - قال - فذهبت أنا فاختبأت وقال يا غنثر . فجدع وسب وقال كلوا لا هنيئا . وقال والله لا أطعمه أبدا - قال - فايم الله ما كنا نأخذ من لقمة إلا ربا من أسفلها أكثر منها - قال - حتى شبعنا وصارت أكثر مما كانت قبل ذلك فنظر إليها أبو بكر فإذا هي كما هي أو أكثر . قال لامرأته يا أخت بني فراس ما هذا قالت لا وقرة عيني لهي الآن أكثر منها قبل ذلك بثلاث مرار - قال - فأكل منها أبو بكر وقال إنما كان ذلك من الشيطان - يعني يمينه - ثم أكل منها لقمة ثم حملها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأصبحت عنده - قال - وكان بيننا وبين قوم عقد فمضى الأجل فعرفنا اثنا عشر رجلا مع كل رجل منهم أناس الله أعلم كم مع كل رجل إلا أنه بعث معهم فأكلوا منها أجمعون . أو كما قال .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আসহাবে সুফ্ফার মানুষজন দরিদ্র ছিলেন। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বললেনঃ যার কাছে দু’জনের খাদ্য আছে সে যেন তৃতীয় এক জনকে নিয়ে যায়। আর যার নিকটে চার জনের খাদ্য রয়েছে, সে যেন পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে যায়। কিংবা রাবী যেভাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী বলেন, আবূ বকর (রাঃ) তিনজনকে সাথে নিয়ে আগমন করলেন। আর আল্লাহ্র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশজনকে নিয়ে রওনা হলেন। আমার পরিবারে আমরা ছিলাম তিনজন আমি, আমার আব্বা ও আমার আম্মা। রাবী বলেন, আমি জানি না, তিনি বলেছেন কি-না যে, আমার সহধর্মিণী আমাদের ও আবূ বকরের গৃহে শারীক খাদিম। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাড়িতে রাতের খাবার খেলেন। অতঃপর তিনি প্রতীক্ষা করলেন। পরিশেষে ‘ইশার সলাত আদায় করা হলো। সলাত শেষে ফিরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিদ্রাচ্ছন্ন হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রতীক্ষা করলেন। অতঃপর আল্লাহ্র ইচ্ছায় রাত্রির কিছু অংশ পার হতে তিনি (বাড়িতে) প্রত্যাবর্তন করলেন। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বললেন, অতিথি রেখে দেরী করলেন কেন? তিনি বললেন, কেন? তুমি কি তাঁদের রাত্রের খাবার খাওয়াওনি? তাঁর সহধর্মিণী বললেন, আপনি না ফেরা পর্যন্ত তাঁরা খাবার খেতে নারাজ। কয়েক বারই খাবার দেয়া হয়েছে কিন্তু মেহমানরা তাঁদের কথা হতে ফিরে আসেনি। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আমি যেয়ে পালিয়ে রইলাম। তিনি বললেন, হে নির্বোধ! অতঃপর তিনি আমাকে বকাঝকা করলেন। আর (মেহমানদের) বললেন, ভাল হলো না। আপনারা খাবার গ্রহণ করুন। তিনি আরও বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আমি এ খাবার গ্রহণ করবো না। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র কসম! আমরা যে লোকমাই মুখে দিচ্ছিলাম তার নীচে এর থেকে বহু পরিমাণে বৃদ্ধি পেলে আবূ বকর (রাঃ) খাবারের প্রতি খেয়াল করে দেখলেন, তা যেমন ছিল তেমনি আছে বা তার চেয়েও বেশী হয়েছে। তিনি তাঁর স্ত্রীকে বললেন, হে উখ্ত (বোন) বানী ফিরাস! একি অবস্থা, তিনি বললেন, কিছু না। আমার চোখের প্রশান্তি এগুলো যা আগে ছিল তার থেকে তিন গুণ বর্ধিত হয়েছে। ‘আবদুর রহমান বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) কিছু খেয়ে বললেন, ওটা অর্থাৎ- শপথটা ছিল শাইতানের নিকট থেকে, তারপর আরও এক লোকমা খেলেন। অতঃপর সেগুলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে চললেন। আমিও তার নিকটে সকাল পর্যন্ত ছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের এবং কোন এক গোত্রের মধ্যে একটি অঙ্গীকারনামা ছিল। যার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আমরা (বারটি দল করে) বার জন ব্যক্তি নিযুক্ত করলাম। প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে অনেক ব্যক্তি ছিল। আল্লাহই ভাল জানেন, প্রত্যেক লোকের সাথে কতজন ব্যক্তি ছিল। তাদের প্রত্যেকের কাছে এ খাদ্য প্রেরণ করা হলো এবং তারা সকলেই সে খাবার খেলেন। কিংবা রাবী যেভাবে বর্ননা করেছেন। (ই.ফা. ৫১৯২, ই.সে. ৫২০৪)
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আসহাবে সুফ্ফার মানুষজন দরিদ্র ছিলেন। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বললেনঃ যার কাছে দু’জনের খাদ্য আছে সে যেন তৃতীয় এক জনকে নিয়ে যায়। আর যার নিকটে চার জনের খাদ্য রয়েছে, সে যেন পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে যায়। কিংবা রাবী যেভাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী বলেন, আবূ বকর (রাঃ) তিনজনকে সাথে নিয়ে আগমন করলেন। আর আল্লাহ্র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দশজনকে নিয়ে রওনা হলেন। আমার পরিবারে আমরা ছিলাম তিনজন আমি, আমার আব্বা ও আমার আম্মা। রাবী বলেন, আমি জানি না, তিনি বলেছেন কি-না যে, আমার সহধর্মিণী আমাদের ও আবূ বকরের গৃহে শারীক খাদিম। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাড়িতে রাতের খাবার খেলেন। অতঃপর তিনি প্রতীক্ষা করলেন। পরিশেষে ‘ইশার সলাত আদায় করা হলো। সলাত শেষে ফিরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিদ্রাচ্ছন্ন হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রতীক্ষা করলেন। অতঃপর আল্লাহ্র ইচ্ছায় রাত্রির কিছু অংশ পার হতে তিনি (বাড়িতে) প্রত্যাবর্তন করলেন। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বললেন, অতিথি রেখে দেরী করলেন কেন? তিনি বললেন, কেন? তুমি কি তাঁদের রাত্রের খাবার খাওয়াওনি? তাঁর সহধর্মিণী বললেন, আপনি না ফেরা পর্যন্ত তাঁরা খাবার খেতে নারাজ। কয়েক বারই খাবার দেয়া হয়েছে কিন্তু মেহমানরা তাঁদের কথা হতে ফিরে আসেনি। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আমি যেয়ে পালিয়ে রইলাম। তিনি বললেন, হে নির্বোধ! অতঃপর তিনি আমাকে বকাঝকা করলেন। আর (মেহমানদের) বললেন, ভাল হলো না। আপনারা খাবার গ্রহণ করুন। তিনি আরও বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আমি এ খাবার গ্রহণ করবো না। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্র কসম! আমরা যে লোকমাই মুখে দিচ্ছিলাম তার নীচে এর থেকে বহু পরিমাণে বৃদ্ধি পেলে আবূ বকর (রাঃ) খাবারের প্রতি খেয়াল করে দেখলেন, তা যেমন ছিল তেমনি আছে বা তার চেয়েও বেশী হয়েছে। তিনি তাঁর স্ত্রীকে বললেন, হে উখ্ত (বোন) বানী ফিরাস! একি অবস্থা, তিনি বললেন, কিছু না। আমার চোখের প্রশান্তি এগুলো যা আগে ছিল তার থেকে তিন গুণ বর্ধিত হয়েছে। ‘আবদুর রহমান বলেন, অতঃপর আবূ বকর (রাঃ) কিছু খেয়ে বললেন, ওটা অর্থাৎ- শপথটা ছিল শাইতানের নিকট থেকে, তারপর আরও এক লোকমা খেলেন। অতঃপর সেগুলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে চললেন। আমিও তার নিকটে সকাল পর্যন্ত ছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের এবং কোন এক গোত্রের মধ্যে একটি অঙ্গীকারনামা ছিল। যার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আমরা (বারটি দল করে) বার জন ব্যক্তি নিযুক্ত করলাম। প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে অনেক ব্যক্তি ছিল। আল্লাহই ভাল জানেন, প্রত্যেক লোকের সাথে কতজন ব্যক্তি ছিল। তাদের প্রত্যেকের কাছে এ খাদ্য প্রেরণ করা হলো এবং তারা সকলেই সে খাবার খেলেন। কিংবা রাবী যেভাবে বর্ননা করেছেন। (ই.ফা. ৫১৯২, ই.সে. ৫২০৪)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن معاذ - حدثنا المعتمر بن سليمان، قال قال أبي حدثنا أبو عثمان، أنه حدثه عبد الرحمن بن أبي بكر، أن أصحاب الصفة، كانوا ناسا فقراء وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مرة " من كان عنده طعام اثنين فليذهب بثلاثة ومن كان عنده طعام أربعة فليذهب بخامس بسادس " . أو كما قال . وإن أبا بكر جاء بثلاثة وانطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم بعشرة وأبو بكر بثلاثة - قال - فهو وأنا وأبي وأمي - ولا أدري هل قال وامرأتي وخادم بين بيتنا وبيت أبي بكر - قال وإن أبا بكر تعشى عند النبي صلى الله عليه وسلم . ثم لبث حتى صليت العشاء ثم رجع فلبث حتى نعس رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء بعد ما مضى من الليل ما شاء الله قالت له امرأته ما حبسك عن أضيافك - أو قالت - ضيفك قال أوما عشيتهم قالت أبوا حتى تجيء قد عرضوا عليهم فغلبوهم - قال - فذهبت أنا فاختبأت وقال يا غنثر . فجدع وسب وقال كلوا لا هنيئا . وقال والله لا أطعمه أبدا - قال - فايم الله ما كنا نأخذ من لقمة إلا ربا من أسفلها أكثر منها - قال - حتى شبعنا وصارت أكثر مما كانت قبل ذلك فنظر إليها أبو بكر فإذا هي كما هي أو أكثر . قال لامرأته يا أخت بني فراس ما هذا قالت لا وقرة عيني لهي الآن أكثر منها قبل ذلك بثلاث مرار - قال - فأكل منها أبو بكر وقال إنما كان ذلك من الشيطان - يعني يمينه - ثم أكل منها لقمة ثم حملها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأصبحت عنده - قال - وكان بيننا وبين قوم عقد فمضى الأجل فعرفنا اثنا عشر رجلا مع كل رجل منهم أناس الله أعلم كم مع كل رجل إلا أنه بعث معهم فأكلوا منها أجمعون . أو كما قال .
সহিহ মুসলিম ৫২৬১
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح العطار، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال نزل علينا أضياف لنا - قال - وكان أبي يتحدث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من الليل - قال - فانطلق وقال يا عبد الرحمن افرغ من أضيافك . قال فلما أمسيت جئنا بقراهم - قال - فأبوا فقالوا حتى يجيء أبو منزلنا فيطعم معنا - قال - فقلت لهم إنه رجل حديد وإنكم إن لم تفعلوا خفت أن يصيبني منه أذى - قال - فأبوا فلما جاء لم يبدأ بشىء أول منهم فقال أفرغتم من أضيافكم قال قالوا لا والله ما فرغنا . قال ألم آمر عبد الرحمن قال وتنحيت عنه فقال يا عبد الرحمن . قال فتنحيت - قال - فقال يا غنثر أقسمت عليك إن كنت تسمع صوتي إلا جئت - قال - فجئت فقلت والله ما لي ذنب هؤلاء أضيافك فسلهم قد أتيتهم بقراهم فأبوا أن يطعموا حتى تجيء - قال - فقال ما لكم ألا تقبلوا عنا قراكم - قال - فقال أبو بكر فوالله لا أطعمه الليلة - قال - فقالوا فوالله لا نطعمه حتى تطعمه . قال فما رأيت كالشر كالليلة قط ويلكم ما لكم أن لا تقبلوا عنا قراكم قال ثم قال أما الأولى فمن الشيطان هلموا قراكم - قال - فجيء بالطعام فسمى فأكل وأكلوا - قال - فلما أصبح غدا على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله بروا وحنثت - قال - فأخبره فقال " بل أنت أبرهم وأخيرهم " . قال ولم تبلغني كفارة .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার কিছু অতিথি আমাদের গৃহে আসলেন। (বর্ণনাকারী বলেন)। আমার আব্বা রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথোপকথন করতেন। তাই তিনি যাওয়ার সময় বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! মেহমাদারীর সব কাজ সুন্দরভাবে শেষ করবে। ‘আবদুর রহমান বলেন, রাত হলে আমি অতিথিদের আহার নিয়ে আসলাম। কিন্তু তারা খেতে সম্মত হলেন না। তারা বললেন, যতক্ষণ গৃহের মালিক এসে আমাদের সঙ্গে না খাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা খাবো না। আমি তাঁদের বললাম, তিনি অত্যন্ত ক্ষিপ্ত লোক। আপনারা যদি খাওয়া-দাওয়া না করেন তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে তার পক্ষ হতে আমাকে হয়তো বকাঝকা শুনতে হবে। তিনি বলেন, তাঁরা কেউ সম্মত হলোই না। আমার আব্বা এসে শুরুতেই তাঁদের সংবাদ নিলেন। তিনি বললেন, তোমরা কি অতিথিপরায়ণের কাজ শেষ করেছো? তাঁরা বললো, না। আল্লাহ্র শপথ! আমরা সমাপ্ত করিনি। তিনি বললেন, আমি কি ‘আবদুর রহমানকে আদেশ দিয়ে যাইনি? ‘আবদুর রহমান বলেন, আমি তাঁর চোখের পলক হতে আড়ালে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! আমি আরও সরে গেলাম। তিনি আবার বললেন, ওরে নির্বোধ! আমি শপথ করে তোমাকে বলছি যদি তুমি আমার শব্দ শুনে থাকো তাহলে উপস্থিত হও। তিনি বলেন, তখন আমি উপস্থিত হয়ে বললাম, আল্লাহ্র শপথ! আমার কোন দোষ নেই। আপনার অতিথিদের প্রশ্ন করে দেখুন। আমি তাঁদের আহার নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু আপনি না ফেরা পর্যন্ত তাঁরা খেতে রাযী হলেন না। তখন তিনি (অতিথিদের) বললেন, আপনাদের কি হয়েছে? আপনারা কেন আমাদের পরিবেশন কবূল করেননি। ‘আবদুর রহমান বলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আজ রাতে খাবো না। অতিথিরাও শপথ করে বলল, যতক্ষণ আপনি না খাবেন ততক্ষণ আমরাও খাব না। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আজকের রাত্রের মতো এতো মন্দ রাত আমি আর দেখিনি। আফসোস, তোমরা কেন আমাদের আপ্যায়ন কবূল করবে না? তিনি বললেন, প্রথমে যা হয়েছে তা শাইতানের তরফ হতে হয়েছে। তোমরা খাবার নিয়ে আসো। রাবী বলেন, অতঃপর খাবার নিয়ে আসলে তিনি ‘বিসমিল্লাহ্’ পড়ে খাওয়া শুরু করলেন। তাঁরাও খাওয়া শুরু করলো। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, পরদিন সকালে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যেয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তারা তো শপথ পূর্ণ করেছে। কিন্তু আমি শপথ ভেঙ্গে ফেলেছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বরং তুমি সবচেয়ে বেশী সৎকর্মশীল এবং উত্তম ব্যক্তি। ‘আবদুর রহমান বলেন, কাফ্ফারার কথা আমার নিকটে পৌঁছেনি। (ই.ফা. ৫১৯৩, ই.সে. ৫২০৫)
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার কিছু অতিথি আমাদের গৃহে আসলেন। (বর্ণনাকারী বলেন)। আমার আব্বা রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথোপকথন করতেন। তাই তিনি যাওয়ার সময় বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! মেহমাদারীর সব কাজ সুন্দরভাবে শেষ করবে। ‘আবদুর রহমান বলেন, রাত হলে আমি অতিথিদের আহার নিয়ে আসলাম। কিন্তু তারা খেতে সম্মত হলেন না। তারা বললেন, যতক্ষণ গৃহের মালিক এসে আমাদের সঙ্গে না খাবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা খাবো না। আমি তাঁদের বললাম, তিনি অত্যন্ত ক্ষিপ্ত লোক। আপনারা যদি খাওয়া-দাওয়া না করেন তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে তার পক্ষ হতে আমাকে হয়তো বকাঝকা শুনতে হবে। তিনি বলেন, তাঁরা কেউ সম্মত হলোই না। আমার আব্বা এসে শুরুতেই তাঁদের সংবাদ নিলেন। তিনি বললেন, তোমরা কি অতিথিপরায়ণের কাজ শেষ করেছো? তাঁরা বললো, না। আল্লাহ্র শপথ! আমরা সমাপ্ত করিনি। তিনি বললেন, আমি কি ‘আবদুর রহমানকে আদেশ দিয়ে যাইনি? ‘আবদুর রহমান বলেন, আমি তাঁর চোখের পলক হতে আড়ালে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! আমি আরও সরে গেলাম। তিনি আবার বললেন, ওরে নির্বোধ! আমি শপথ করে তোমাকে বলছি যদি তুমি আমার শব্দ শুনে থাকো তাহলে উপস্থিত হও। তিনি বলেন, তখন আমি উপস্থিত হয়ে বললাম, আল্লাহ্র শপথ! আমার কোন দোষ নেই। আপনার অতিথিদের প্রশ্ন করে দেখুন। আমি তাঁদের আহার নিয়ে এসেছিলাম, কিন্তু আপনি না ফেরা পর্যন্ত তাঁরা খেতে রাযী হলেন না। তখন তিনি (অতিথিদের) বললেন, আপনাদের কি হয়েছে? আপনারা কেন আমাদের পরিবেশন কবূল করেননি। ‘আবদুর রহমান বলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্র শপথ! আজ রাতে খাবো না। অতিথিরাও শপথ করে বলল, যতক্ষণ আপনি না খাবেন ততক্ষণ আমরাও খাব না। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, আজকের রাত্রের মতো এতো মন্দ রাত আমি আর দেখিনি। আফসোস, তোমরা কেন আমাদের আপ্যায়ন কবূল করবে না? তিনি বললেন, প্রথমে যা হয়েছে তা শাইতানের তরফ হতে হয়েছে। তোমরা খাবার নিয়ে আসো। রাবী বলেন, অতঃপর খাবার নিয়ে আসলে তিনি ‘বিসমিল্লাহ্’ পড়ে খাওয়া শুরু করলেন। তাঁরাও খাওয়া শুরু করলো। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন, পরদিন সকালে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যেয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তারা তো শপথ পূর্ণ করেছে। কিন্তু আমি শপথ ভেঙ্গে ফেলেছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বরং তুমি সবচেয়ে বেশী সৎকর্মশীল এবং উত্তম ব্যক্তি। ‘আবদুর রহমান বলেন, কাফ্ফারার কথা আমার নিকটে পৌঁছেনি। (ই.ফা. ৫১৯৩, ই.সে. ৫২০৫)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا سالم بن نوح العطار، عن الجريري، عن أبي عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال نزل علينا أضياف لنا - قال - وكان أبي يتحدث إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من الليل - قال - فانطلق وقال يا عبد الرحمن افرغ من أضيافك . قال فلما أمسيت جئنا بقراهم - قال - فأبوا فقالوا حتى يجيء أبو منزلنا فيطعم معنا - قال - فقلت لهم إنه رجل حديد وإنكم إن لم تفعلوا خفت أن يصيبني منه أذى - قال - فأبوا فلما جاء لم يبدأ بشىء أول منهم فقال أفرغتم من أضيافكم قال قالوا لا والله ما فرغنا . قال ألم آمر عبد الرحمن قال وتنحيت عنه فقال يا عبد الرحمن . قال فتنحيت - قال - فقال يا غنثر أقسمت عليك إن كنت تسمع صوتي إلا جئت - قال - فجئت فقلت والله ما لي ذنب هؤلاء أضيافك فسلهم قد أتيتهم بقراهم فأبوا أن يطعموا حتى تجيء - قال - فقال ما لكم ألا تقبلوا عنا قراكم - قال - فقال أبو بكر فوالله لا أطعمه الليلة - قال - فقالوا فوالله لا نطعمه حتى تطعمه . قال فما رأيت كالشر كالليلة قط ويلكم ما لكم أن لا تقبلوا عنا قراكم قال ثم قال أما الأولى فمن الشيطان هلموا قراكم - قال - فجيء بالطعام فسمى فأكل وأكلوا - قال - فلما أصبح غدا على النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله بروا وحنثت - قال - فأخبره فقال " بل أنت أبرهم وأخيرهم " . قال ولم تبلغني كفارة .
সহিহ মুসলিম ৫২৫৮
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا سليمان بن المغيرة، بهذا الإسناد .
সুলাইমান ইবনু মুগীরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৫১৯০, ই.সে. ৫২০২)
সুলাইমান ইবনু মুগীরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৫১৯০, ই.সে. ৫২০২)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا سليمان بن المغيرة، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম > সামান্য খাদ্য সমানভাবে বণ্টনের ফাযীলাত এবং দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট হওযা প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৫২৬২
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " طعام الاثنين كافي الثلاثة وطعام الثلاثة كافي الأربعة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’জনের খাদ্য তিনজনের জন্য এবং তিনজনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট। (ই.ফা. ৫১৯৪, ই.সে. ৫২০৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’জনের খাদ্য তিনজনের জন্য এবং তিনজনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট। (ই.ফা. ৫১৯৪, ই.সে. ৫২০৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " طعام الاثنين كافي الثلاثة وطعام الثلاثة كافي الأربعة " .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا روح بن عبادة، ح وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طعام الواحد يكفي الاثنين وطعام الاثنين يكفي الأربعة وطعام الأربعة يكفي الثمانية " . وفي رواية إسحاق قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . لم يذكر سمعت .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, একজনের খাদ্য দু’জনের জন্য পর্যাপ্ত এবং দু’জনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট, এমনিভাবে চারজনের খাবার আটজনের জন্য যথেষ্ট। ইসহাক্ (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি “আমি শুনেছি” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫১৯৫, ই.সে. ৫২০৭)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, একজনের খাদ্য দু’জনের জন্য পর্যাপ্ত এবং দু’জনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট, এমনিভাবে চারজনের খাবার আটজনের জন্য যথেষ্ট। ইসহাক্ (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনি “আমি শুনেছি” কথাটি বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৫১৯৫, ই.সে. ৫২০৭)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا روح بن عبادة، ح وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " طعام الواحد يكفي الاثنين وطعام الاثنين يكفي الأربعة وطعام الأربعة يكفي الثمانية " . وفي رواية إسحاق قال رسول الله صلى الله عليه وسلم . لم يذكر سمعت .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৫
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم قال أبو بكر وأبو كريب حدثنا وقال الآخران، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي، سفيان عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " طعام الواحد يكفي الاثنين وطعام الاثنين يكفي الأربعة " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একজনের খাদ্য দু’জনের জন্য পর্যাপ্ত এবং দু’জনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট। (ই.ফা. ৫১৯৭, ই.সে. ৫২০৯)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একজনের খাদ্য দু’জনের জন্য পর্যাপ্ত এবং দু’জনের খাদ্য চারজনের জন্য যথেষ্ট। (ই.ফা. ৫১৯৭, ই.সে. ৫২০৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم قال أبو بكر وأبو كريب حدثنا وقال الآخران، أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي، سفيان عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " طعام الواحد يكفي الاثنين وطعام الاثنين يكفي الأربعة " .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " طعام الرجل يكفي رجلين وطعام رجلين يكفي أربعة وطعام أربعة يكفي ثمانية " .
জাবির (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ এক লোকের খাবার দু’লোকের জন্য যথেষ্ট। দু’লোকের খাদ্য চার লোকের জন্য যথেষ্ট। আর চারজনের খাদ্য আটজনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট। (ই.ফা.৫১৯৮, ই.সে. ৫২১০)
জাবির (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ এক লোকের খাবার দু’লোকের জন্য যথেষ্ট। দু’লোকের খাদ্য চার লোকের জন্য যথেষ্ট। আর চারজনের খাদ্য আটজনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট। (ই.ফা.৫১৯৮, ই.সে. ৫২১০)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعثمان بن أبي شيبة، قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " طعام الرجل يكفي رجلين وطعام رجلين يكفي أربعة وطعام أربعة يكفي ثمانية " .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৪
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث ابن جريج .
জাবির (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হাদীসের হুবহু বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৫১৯৬, ই.সে. ৫২০৮)
জাবির (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হাদীসের হুবহু বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৫১৯৬, ই.সে. ৫২০৮)
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث ابن جريج .
সহিহ মুসলিম > ঈমানদার লোক এক আঁতে খায় আর কাফির লোক সাত আঁতে খায়
সহিহ মুসলিম ৫২৬৯
وحدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن واقد، بن محمد بن زيد أنه سمع نافعا، قال رأى ابن عمر مسكينا فجعل يضع بين يديه ويضع بين يديه - قال - فجعل يأكل أكلا كثيرا - قال - فقال لا يدخلن هذا على فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) এক মিসকীন কে প্রত্যক্ষ করলেন, সে শুধু সম্মুখে হাত মারছে এবং এভাবে সে প্রচুর খাবার শেষ করে ফেলেছে। তিনি (নাফি’) বলেন, তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি এ জাতীয় লোককে আর কখনো আমার নিকটে নিয়ে আসবেনা। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, কাফির লোক সাত আঁতে ভক্ষণ করে। (ই.ফা. ৫২০১, ই.সে. ৫২১৩)
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) এক মিসকীন কে প্রত্যক্ষ করলেন, সে শুধু সম্মুখে হাত মারছে এবং এভাবে সে প্রচুর খাবার শেষ করে ফেলেছে। তিনি (নাফি’) বলেন, তখন ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তুমি এ জাতীয় লোককে আর কখনো আমার নিকটে নিয়ে আসবেনা। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, কাফির লোক সাত আঁতে ভক্ষণ করে। (ই.ফা. ৫২০১, ই.সে. ৫২১৩)
وحدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن واقد، بن محمد بن زيد أنه سمع نافعا، قال رأى ابن عمر مسكينا فجعل يضع بين يديه ويضع بين يديه - قال - فجعل يأكل أكلا كثيرا - قال - فقال لا يدخلن هذا على فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
সহিহ মুসলিম ৫২৭৪
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن سهيل بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ضافه ضيف وهو كافر فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أخرى فشربه ثم أخرى فشربه حتى شرب حلاب سبع شياه ثم إنه أصبح فأسلم فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فشرب حلابها ثم أمر بأخرى فلم يستتمها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمن يشرب في معى واحد والكافر يشرب في سبعة أمعاء " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক কাফির লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অতিথি হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বকরীর দুধ দোহন করতে নির্দেশ দিলেন। দুধ দোহন শেষ হলে ব্যক্তিটি সে দুধটুকু পান করলো। এরপর অন্য একটি বকরী দোহন করা হলে সে তাও পান করলো। পুনরায় আরেকটি দোহন করা হলে সে টার দুধও সে পান করলো। এভাবে সে সাতটি বকরীর দুধপান করে ফেলল। পরবর্তী দিন সকালে সেই ইসলাম গ্রহণ করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় তার জন্য একটি বকরীর দুধ দোহন করার নির্দেশ দিলে তখন সে আর তার পুরো টুকু পান করতে পারল না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মু’মিন একআঁতে পান করে। আর কাফির সাতআঁতে পান করে। (ই.ফা. ৫২০৬, ই.সে. ৫২১৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক কাফির লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অতিথি হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি বকরীর দুধ দোহন করতে নির্দেশ দিলেন। দুধ দোহন শেষ হলে ব্যক্তিটি সে দুধটুকু পান করলো। এরপর অন্য একটি বকরী দোহন করা হলে সে তাও পান করলো। পুনরায় আরেকটি দোহন করা হলে সে টার দুধও সে পান করলো। এভাবে সে সাতটি বকরীর দুধপান করে ফেলল। পরবর্তী দিন সকালে সেই ইসলাম গ্রহণ করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় তার জন্য একটি বকরীর দুধ দোহন করার নির্দেশ দিলে তখন সে আর তার পুরো টুকু পান করতে পারল না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মু’মিন একআঁতে পান করে। আর কাফির সাতআঁতে পান করে। (ই.ফা. ৫২০৬, ই.সে. ৫২১৮)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا إسحاق بن عيسى، أخبرنا مالك، عن سهيل بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ضافه ضيف وهو كافر فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فحلبت فشرب حلابها ثم أخرى فشربه ثم أخرى فشربه حتى شرب حلاب سبع شياه ثم إنه أصبح فأسلم فأمر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة فشرب حلابها ثم أمر بأخرى فلم يستتمها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " المؤمن يشرب في معى واحد والكافر يشرب في سبعة أمعاء " .
সহিহ মুসলিম ৫২৭৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديثهم .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তাঁদের সবার হাদীসের হুবহু বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৫২০৫, ই.সে. ৫২১৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তাঁদের সবার হাদীসের হুবহু বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৫২০৫, ই.সে. ৫২১৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৫২৭২
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا بريد، عن جده، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ মু’মিন একআঁতে খায় এবং কাফির সাত আঁতে খায়। (ই.ফা. ৫২০৪, ই.সে. ৫২১৬)
আবূ মূসা (রাঃ)-এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ মু’মিন একআঁতে খায় এবং কাফির সাত আঁতে খায়। (ই.ফা. ৫২০৪, ই.সে. ৫২১৬)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا بريد، عن جده، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
সহিহ মুসলিম ৫২৭১
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر ابن عمر .
জাবির (রাঃ) এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত আছে। এখানে রাবী ‘উমার (রাঃ)-এর কথা বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫২০৩, ই.সে. ৫২১৫)
জাবির (রাঃ) এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত আছে। এখানে রাবী ‘উমার (রাঃ)-এর কথা বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫২০৩, ই.সে. ৫২১৫)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر ابن عمر .
সহিহ মুসলিম ৫২৭০
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، وابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
জাবির ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমানদার লোক এক আঁতে ভক্ষণ করে আর কাফির লোক সাত আঁতে ভক্ষণ করে। (ই.ফা. ৫২০২, ই.সে. ৫২১৪)
জাবির ও ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমানদার লোক এক আঁতে ভক্ষণ করে আর কাফির লোক সাত আঁতে ভক্ষণ করে। (ই.ফা. ৫২০২, ই.সে. ৫২১৪)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، وابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المؤمن يأكل في معى واحد والكافر يأكل في سبعة أمعاء " .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৭
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا أخبرنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الكافر يأكل في سبعة أمعاء والمؤمن يأكل في معى واحد " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, কাফির লোক সাত আঁতে খায় আর মু’মিন খায় এক আঁতে। [১৩] (ই.ফা. ৫১৯৯, ই.সে. ৫২১১)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, কাফির লোক সাত আঁতে খায় আর মু’মিন খায় এক আঁতে। [১৩] (ই.ফা. ৫১৯৯, ই.সে. ৫২১১)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا أخبرنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الكافر يأكل في سبعة أمعاء والمؤمن يأكل في معى واحد " .
সহিহ মুসলিম ৫২৬৮
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير قالا حدثنا عبيد الله، ح وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن، حميد عن عبد الرزاق، قال أخبرنا معمر، عن أيوب، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫২০০, ই.সে. ৫২১২)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সনদ থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫২০০, ই.সে. ৫২১২)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير قالا حدثنا عبيد الله، ح وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن، حميد عن عبد الرزاق، قال أخبرنا معمر، عن أيوب، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম > খাবারের দোষ-ত্রুটি প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৫২৭৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب ومحمد بن المثنى وعمرو الناقد - واللفظ لأبي كريب - قالوا أخبرنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن أبي يحيى مولى آل جعدة عن أبي هريرة قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم عاب طعاما قط كان إذا اشتهاه أكله وإن لم يشتهه سكت . وحدثناه أبو كريب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কক্ষনো কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখিনি। তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইচ্ছা জাগলে খেতেন আর অনিচ্ছা হলে চুপ থাকতেন। (ই.ফা. ৫২১০, ই.সে.) আবূ কুরায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ)……… আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সনদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৫২১১, ই.সে. ৫২২২-৫২২৩)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কক্ষনো কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখিনি। তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইচ্ছা জাগলে খেতেন আর অনিচ্ছা হলে চুপ থাকতেন। (ই.ফা. ৫২১০, ই.সে.) আবূ কুরায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ)……… আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর সনদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত রয়েছে। (ই.ফা. ৫২১১, ই.সে. ৫২২২-৫২২৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب ومحمد بن المثنى وعمرو الناقد - واللفظ لأبي كريب - قالوا أخبرنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن أبي يحيى مولى آل جعدة عن أبي هريرة قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم عاب طعاما قط كان إذا اشتهاه أكله وإن لم يشتهه سكت . وحدثناه أبو كريب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৫২৭৫
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال زهير حدثنا وقال الآخران، أخبرنا جرير، عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال ما عاب رسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما قط كان إذا اشتهى شيئا أكله وإن كرهه تركه .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সময় কোন খাদ্যকে মন্দ বলেননি। কোন খাদ্য প্রিয় হলে খেয়েছেন আর পছন্দ না হলে ছেড়ে দিয়েছেন। [১৪] (ই.ফা. ৫২০৭, ই.সে. ৫২১৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন সময় কোন খাদ্যকে মন্দ বলেননি। কোন খাদ্য প্রিয় হলে খেয়েছেন আর পছন্দ না হলে ছেড়ে দিয়েছেন। [১৪] (ই.ফা. ৫২০৭, ই.সে. ৫২১৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال زهير حدثنا وقال الآخران، أخبرنا جرير، عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال ما عاب رسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما قط كان إذا اشتهى شيئا أكله وإن كرهه تركه .
সহিহ মুসলিম ৫২৭৬
وحدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سليمان الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সনদে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫২০৮, ই.সে. ৫২২০)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত সনদে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫২০৮, ই.সে. ৫২২০)
وحدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سليمان الأعمش، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৫২৭৭
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، وعبد الملك بن عمرو، وعمر بن سعد، أبو داود الحفري كلهم عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه .
আ’মাশ হতে উল্লেখিত সনদ থেকে বর্নিতঃ
হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫২০৯, ই.সে. ৫২২১)
আ’মাশ হতে উল্লেখিত সনদ থেকে বর্নিতঃ
হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৫২০৯, ই.সে. ৫২২১)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، وعبد الملك بن عمرو، وعمر بن سعد، أبو داود الحفري كلهم عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه .