সহিহ মুসলিম > মেযবানের সন্তুষ্টি সম্পর্কে নিশ্চিত থাকলে অন্যকে সাথে নিয়ে তার গৃহে উপস্থিত হওয়া জায়িয, আর একত্র থেকে খাওয়া মুস্তাহাব।
সহিহ মুসলিম ৫২০৯
وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو هشام، - يعني المغيرة بن سلمة - حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا يزيد، حدثنا أبو حازم، قال سمعت أبا هريرة، يقول بينا أبو بكر قاعد وعمر معه إذ أتاهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما أقعدكما ها هنا " . قالا أخرجنا الجوع من بيوتنا والذي بعثك بالحق . ثم ذكر نحو حديث خلف بن خليفة .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আবূ বাকর (রাঃ) বসে ছিলেন। তাঁর সাথে ‘উমার (রাঃ) ও ছিলেন। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের পাশে এসে বললেনঃ কোন জিনিস তোমাদের এ স্থানে বসিয়ে রেখেছে? তাঁরা বললেন, সে আল্লাহ্র কসম! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন। ক্ষুধা আমাদের ঘর থেকে আমাদের বাইরে নিয়ে এসেছে। অতঃপর বর্ণনাকারী খালাফ ইব্নে খলীফা (রহঃ) –এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৫১৪১, ই.সে. ৫১৫৩)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার আবূ বাকর (রাঃ) বসে ছিলেন। তাঁর সাথে ‘উমার (রাঃ) ও ছিলেন। সে সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের পাশে এসে বললেনঃ কোন জিনিস তোমাদের এ স্থানে বসিয়ে রেখেছে? তাঁরা বললেন, সে আল্লাহ্র কসম! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন। ক্ষুধা আমাদের ঘর থেকে আমাদের বাইরে নিয়ে এসেছে। অতঃপর বর্ণনাকারী খালাফ ইব্নে খলীফা (রহঃ) –এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৫১৪১, ই.সে. ৫১৫৩)
وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو هشام، - يعني المغيرة بن سلمة - حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا يزيد، حدثنا أبو حازم، قال سمعت أبا هريرة، يقول بينا أبو بكر قاعد وعمر معه إذ أتاهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما أقعدكما ها هنا " . قالا أخرجنا الجوع من بيوتنا والذي بعثك بالحق . ثم ذكر نحو حديث خلف بن خليفة .
সহিহ মুসলিম ৫২১২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، حدثني أنس بن مالك، قال بعثني أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لأدعوه وقد جعل طعاما - قال - فأقبلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مع الناس فنظر إلى فاستحييت فقلت أجب أبا طلحة . فقال للناس " قوموا " . فقال أبو طلحة يا رسول الله إنما صنعت لك شيئا - قال - فمسها رسول الله صلى الله عليه وسلم ودعا فيها بالبركة ثم قال " أدخل نفرا من أصحابي عشرة " . وقال " كلوا " . وأخرج لهم شيئا من بين أصابعه فأكلوا حتى شبعوا فخرجوا فقال " أدخل عشرة " . فأكلوا حتى شبعوا . فما زال يدخل عشرة ويخرج عشرة حتى لم يبق منهم أحد إلا دخل فأكل حتى شبع ثم هيأها فإذا هي مثلها حين أكلوا منها .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) কিছু খাদ্যের ব্যবস্থা করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দাওয়াত করার জন্য আমাকে প্রেরণ করলেন। আমি তাঁর নিকট গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথীদের সাথে ছিলেন। তিনি আমার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। আমি লজ্জার সাথে বললাম, আপনি আবূ তালহার দাওয়াত কবুল করুন। তখন তিনি লোকদের বললেনঃ তোমরা সবাই চলো। আবূ তালহাহ (রাঃ) হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি তো শুধুমাত্র আপনার জন্য সামান্য খাবার ব্যবস্থা করেছি। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবারগুলো ছুঁয়ে দেখলেন এবং এতে বারাকাতের দু’য়া করলেন। অতঃপর বললেন, আমার সাথীদের মধ্য থেকে দশজন করে ঘরে নিয়ে এসো। তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা খেতে থাক। তিনি তাঁদের জন্য তাঁর আঙ্গুলের মধ্য থেকে কিছু বের করে দিলেন। তাঁরা সকলে তৃপ্তি সহ খাওয়ার পর বেরিয়ে গেলেন। অতঃপর বললেন, আরো দশজনকে ঘরে নিয়ে এসো। তারাও আহার শেষে বের হয়ে গেলেন। এভাবে দশজন ঘরে প্রবেশ করে এবং দশজন বের হয়ে যায়। এমনকি তাদের মাঝ থেকে একজন বাকী থাকেনি যে ঘরে ঢুকেনি। অতঃপর তিনি পাত্র খুলে দেখলেন, সকলে আহার করার পূর্বে যেমন ছিল এখনও ঠিক তেমনি আছে। [১১] (ই. ফা. ৫১৪৪ ই.সে.৫১৫৬)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) কিছু খাদ্যের ব্যবস্থা করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দাওয়াত করার জন্য আমাকে প্রেরণ করলেন। আমি তাঁর নিকট গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথীদের সাথে ছিলেন। তিনি আমার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। আমি লজ্জার সাথে বললাম, আপনি আবূ তালহার দাওয়াত কবুল করুন। তখন তিনি লোকদের বললেনঃ তোমরা সবাই চলো। আবূ তালহাহ (রাঃ) হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি তো শুধুমাত্র আপনার জন্য সামান্য খাবার ব্যবস্থা করেছি। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবারগুলো ছুঁয়ে দেখলেন এবং এতে বারাকাতের দু’য়া করলেন। অতঃপর বললেন, আমার সাথীদের মধ্য থেকে দশজন করে ঘরে নিয়ে এসো। তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা খেতে থাক। তিনি তাঁদের জন্য তাঁর আঙ্গুলের মধ্য থেকে কিছু বের করে দিলেন। তাঁরা সকলে তৃপ্তি সহ খাওয়ার পর বেরিয়ে গেলেন। অতঃপর বললেন, আরো দশজনকে ঘরে নিয়ে এসো। তারাও আহার শেষে বের হয়ে গেলেন। এভাবে দশজন ঘরে প্রবেশ করে এবং দশজন বের হয়ে যায়। এমনকি তাদের মাঝ থেকে একজন বাকী থাকেনি যে ঘরে ঢুকেনি। অতঃপর তিনি পাত্র খুলে দেখলেন, সকলে আহার করার পূর্বে যেমন ছিল এখনও ঠিক তেমনি আছে। [১১] (ই. ফা. ৫১৪৪ ই.সে.৫১৫৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا سعد بن سعيد، حدثني أنس بن مالك، قال بعثني أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لأدعوه وقد جعل طعاما - قال - فأقبلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مع الناس فنظر إلى فاستحييت فقلت أجب أبا طلحة . فقال للناس " قوموا " . فقال أبو طلحة يا رسول الله إنما صنعت لك شيئا - قال - فمسها رسول الله صلى الله عليه وسلم ودعا فيها بالبركة ثم قال " أدخل نفرا من أصحابي عشرة " . وقال " كلوا " . وأخرج لهم شيئا من بين أصابعه فأكلوا حتى شبعوا فخرجوا فقال " أدخل عشرة " . فأكلوا حتى شبعوا . فما زال يدخل عشرة ويخرج عشرة حتى لم يبق منهم أحد إلا دخل فأكل حتى شبع ثم هيأها فإذا هي مثلها حين أكلوا منها .
সহিহ মুসলিম ৫২০৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خلف بن خليفة، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم أو ليلة فإذا هو بأبي بكر وعمر فقال " ما أخرجكما من بيوتكما هذه الساعة " . قالا الجوع يا رسول الله . قال " وأنا والذي نفسي بيده لأخرجني الذي أخرجكما قوموا " . فقاموا معه فأتى رجلا من الأنصار فإذا هو ليس في بيته فلما رأته المرأة قالت مرحبا وأهلا . فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " أين فلان " . قالت ذهب يستعذب لنا من الماء . إذ جاء الأنصاري فنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وصاحبيه ثم قال الحمد لله ما أحد اليوم أكرم أضيافا مني - قال - فانطلق فجاءهم بعذق فيه بسر وتمر ورطب فقال كلوا من هذه . وأخذ المدية فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " إياك والحلوب " . فذبح لهم فأكلوا من الشاة ومن ذلك العذق وشربوا فلما أن شبعوا ورووا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر وعمر " والذي نفسي بيده لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة أخرجكم من بيوتكم الجوع ثم لم ترجعوا حتى أصابكم هذا النعيم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিনে কিংবা রাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তার বাড়ী থেকে) বের হয়ে আবূ বকর (রাঃ) ও ‘উমার (রাঃ) –কে দর্শন করলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, এ সময় কিসে তোমাদের গৃহ হতে বের করেছে? তাঁরা বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! উপবাসের যন্ত্রনায়। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন,যে মহান আল্লাহ্র হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম, যা তোমাদের বের করে এনেছে, আমাকেও তা-ই বের করে এনেছে, চলো। তাঁরা উভয়ে তাঁর সাথে চলতে লাগলেন। তার পর তিনি এক আনসারীর গৃহে এলেন। তখন তিনি বাড়ীতে ছিলেন না। তাঁর সধর্মিণী তাঁকে [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] দেখে বলল, মারহাবা ওয়া আহলান (আরবী)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রশ্ন করলেন, অমুক কোথায়? স্ত্রীলোকটি বলল, তিনি আমাদের জন্য মিষ্ট পানি আনতে গেছেন। তখনই আনসারী ব্যক্তিটি উপস্থিত হয়ে রাসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দু’ সাথীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আল্লাহ্র প্রশংসা, আজ মেহমানের দিক হতে আমার থেকে সৌভাগ্যবান আর কেউ নেই। তারপর সে গিয়ে একটি খেজুরের ছড়া নিয়ে আসলেন। তাতে কাচা, পাকা ও শুকনা খেজুর ছিল। তিনি বললেন, আপনারা এ ছড়া থেকে খান। এরপর তিনি ছুরি নিলেন (ছাগল যাবাহ করার জন্য) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, সাবধান, দুধওয়ালা বকরী যাবাহ করবে না। অতঃপর তাদের জন্য (বকরী) যাবাহ করলে তাঁরা বকরীর গোশত ও কাঁদির খেজুর খেলেন এবং (মিঠা) পানি পান করলেন। তাঁরা সকলে ক্ষুদা মিটালেন ও পরিতৃপ্ত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আবূ বক্র ও ‘উমার (রাঃ) –কে কেন্দ্র করে বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম! কিয়ামতের দিন এ নি’য়ামত সম্বন্ধে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে। ক্ষুধা তোমাদের বাড়ি হতে বের করে এনেছে অথচ তোমরা এ নি’য়ামত লাভ না করে ফেরত যাওনি। (ই.ফা. ৫১৪০, ই.সে. ৫১৫২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিনে কিংবা রাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তার বাড়ী থেকে) বের হয়ে আবূ বকর (রাঃ) ও ‘উমার (রাঃ) –কে দর্শন করলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, এ সময় কিসে তোমাদের গৃহ হতে বের করেছে? তাঁরা বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! উপবাসের যন্ত্রনায়। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন,যে মহান আল্লাহ্র হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম, যা তোমাদের বের করে এনেছে, আমাকেও তা-ই বের করে এনেছে, চলো। তাঁরা উভয়ে তাঁর সাথে চলতে লাগলেন। তার পর তিনি এক আনসারীর গৃহে এলেন। তখন তিনি বাড়ীতে ছিলেন না। তাঁর সধর্মিণী তাঁকে [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] দেখে বলল, মারহাবা ওয়া আহলান (আরবী)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে প্রশ্ন করলেন, অমুক কোথায়? স্ত্রীলোকটি বলল, তিনি আমাদের জন্য মিষ্ট পানি আনতে গেছেন। তখনই আনসারী ব্যক্তিটি উপস্থিত হয়ে রাসূলুল্লহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দু’ সাথীকে দেখতে পেয়ে বললেন, আল্লাহ্র প্রশংসা, আজ মেহমানের দিক হতে আমার থেকে সৌভাগ্যবান আর কেউ নেই। তারপর সে গিয়ে একটি খেজুরের ছড়া নিয়ে আসলেন। তাতে কাচা, পাকা ও শুকনা খেজুর ছিল। তিনি বললেন, আপনারা এ ছড়া থেকে খান। এরপর তিনি ছুরি নিলেন (ছাগল যাবাহ করার জন্য) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, সাবধান, দুধওয়ালা বকরী যাবাহ করবে না। অতঃপর তাদের জন্য (বকরী) যাবাহ করলে তাঁরা বকরীর গোশত ও কাঁদির খেজুর খেলেন এবং (মিঠা) পানি পান করলেন। তাঁরা সকলে ক্ষুদা মিটালেন ও পরিতৃপ্ত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আবূ বক্র ও ‘উমার (রাঃ) –কে কেন্দ্র করে বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম! কিয়ামতের দিন এ নি’য়ামত সম্বন্ধে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে। ক্ষুধা তোমাদের বাড়ি হতে বের করে এনেছে অথচ তোমরা এ নি’য়ামত লাভ না করে ফেরত যাওনি। (ই.ফা. ৫১৪০, ই.সে. ৫১৫২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خلف بن خليفة، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم أو ليلة فإذا هو بأبي بكر وعمر فقال " ما أخرجكما من بيوتكما هذه الساعة " . قالا الجوع يا رسول الله . قال " وأنا والذي نفسي بيده لأخرجني الذي أخرجكما قوموا " . فقاموا معه فأتى رجلا من الأنصار فإذا هو ليس في بيته فلما رأته المرأة قالت مرحبا وأهلا . فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " أين فلان " . قالت ذهب يستعذب لنا من الماء . إذ جاء الأنصاري فنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وصاحبيه ثم قال الحمد لله ما أحد اليوم أكرم أضيافا مني - قال - فانطلق فجاءهم بعذق فيه بسر وتمر ورطب فقال كلوا من هذه . وأخذ المدية فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " إياك والحلوب " . فذبح لهم فأكلوا من الشاة ومن ذلك العذق وشربوا فلما أن شبعوا ورووا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر وعمر " والذي نفسي بيده لتسألن عن هذا النعيم يوم القيامة أخرجكم من بيوتكم الجوع ثم لم ترجعوا حتى أصابكم هذا النعيم " .
সহিহ মুসলিম ৫২১০
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثني الضحاك بن مخلد، من رقعة عارض لي بها ثم قرأه على قال أخبرناه حنظلة بن أبي سفيان حدثنا سعيد بن ميناء قال سمعت جابر بن عبد الله يقول لما حفر الخندق رأيت برسول الله صلى الله عليه وسلم خمصا فانكفأت إلى امرأتي فقلت لها هل عندك شىء فإني رأيت برسول الله صلى الله عليه وسلم خمصا شديدا . فأخرجت لي جرابا فيه صاع من شعير ولنا بهيمة داجن - قال - فذبحتها وطحنت ففرغت إلى فراغي فقطعتها في برمتها ثم وليت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت لا تفضحني برسول الله صلى الله عليه وسلم ومن معه - قال - فجئته فساررته فقلت يا رسول الله إنا قد ذبحنا بهيمة لنا وطحنت صاعا من شعير كان عندنا فتعال أنت في نفر معك . فصاح رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " يا أهل الخندق إن جابرا قد صنع لكم سورا فحيهلا بكم " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تنزلن برمتكم ولا تخبزن عجينتكم حتى أجيء " . فجئت وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يقدم الناس حتى جئت امرأتي فقالت بك وبك . فقلت قد فعلت الذي قلت لي . فأخرجت له عجينتنا فبصق فيها وبارك ثم عمد إلى برمتنا فبصق فيها وبارك ثم قال " ادعي خابزة فلتخبز معك واقدحي من برمتكم ولا تنزلوها " . وهم ألف فأقسم بالله لأكلوا حتى تركوه وانحرفوا وإن برمتنا لتغط كما هي وإن عجينتنا - أو كما قال الضحاك - لتخبز كما هو .
জাবির ইব্নে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (খন্দক যুদ্ধের প্রাক্কালে) পরিখা খোড়ার সময় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দেহে ক্ষুধার যন্ত্রণা লক্ষ্য করলাম। অতঃপর আমার সহধর্মিণীর নিকট ফিরে এসে তাঁকে বললাম, তোমার কাছে কিছু আছে কি? কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– কে চরম ক্ষুধারত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর সে একটি চামড়ার ব্যাগ বের করলো, যার মধ্যে এক সা’ পরিমাণ যব ছিল। আর আমাদের একটা গৃহপালিত বকরী ছিল। আমি ওটা যাবাহ করলাম, আর স্ত্রী যবগুলো ভালভাবে পিষে নিল। আমার কাজ সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেও তাঁর কাজ শেষ করলো। আমি (রান্নার জন্য) গোশ্ত কেটে ডেগচিতে রাখলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর কাছে ফিরে এলাম। (যাওয়ার সময়) আমার স্ত্রী আমাকে বলল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথীদের দিয়ে তুমি আমাকে লাঞ্ছিত কর না। তিনি বলেন, তারপর আমি তাঁর নিকট এসে চুপি চুপি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা একটি বকরী যাবাহ করেছি আর আমাদের এক সা’ পরিমাণ যব ছিল আমার স্ত্রী তাই পিষে নিয়েছে। সুতরাং আপনি কয়েকজনকে সাথে নিয়ে আসুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দরাজ কণ্ঠে বললেন, হে পরিখা খননকারীরা! জাবির তোমাদের জন্য কিছু খাবার তৈরী করেছে। তোমরা সকলে চলো। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে বললেনঃ আমি না আসা পর্যন্ত তোমাদের ডেগ (চুলা থেকে) নামাবে না এবং খামীর দ্বারা রুটি প্রস্তত করবে না। আমি আসলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষদের আগে আগে আসলেন। আমি আমার স্ত্রীর নিকট এলে সে আমাকে (তিরস্কার করে) বলল, তোমার ধ্বংস হোক, তোমার ধ্বংস হোক। আমি বললাম, আমি তাই করেছি, তুমি যাই আমাকে বলেছিলে। অতঃপর সে খামিরগুলো বের করলো তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মধ্যে একটু লালা দিলেন এবং বারাকাতের দু’য়া করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, রুটি প্রস্ততকারীনিকে ডাক, যে তোমার সঙ্গে রুটি প্রস্তত করবে। আর তুমি পাতিল হতে পেয়ালা ভরে ভরে নিবে। আর ডেগ (চুল্লি হতে) নামাবে না। তাঁরা ছিলেন মোট এক হাজার মানুষ। আল্লাহ্র নামে শপথ করছি! তাঁরা সকলে খাবার খেলেন। পরিশেষে তাঁরা তা রেখে এমনভাবে ফিরে গেলেন যে, আমাদের ডেগ আগের মতো উতলিয়ে পড়ছিল। আর আমাদের খামীর পূর্বের মতো রুটি প্রস্তত করা হচ্ছিল। (ই.ফা. ৫১৪২, ই.সে. ৫১৫৪)
জাবির ইব্নে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (খন্দক যুদ্ধের প্রাক্কালে) পরিখা খোড়ার সময় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দেহে ক্ষুধার যন্ত্রণা লক্ষ্য করলাম। অতঃপর আমার সহধর্মিণীর নিকট ফিরে এসে তাঁকে বললাম, তোমার কাছে কিছু আছে কি? কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– কে চরম ক্ষুধারত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর সে একটি চামড়ার ব্যাগ বের করলো, যার মধ্যে এক সা’ পরিমাণ যব ছিল। আর আমাদের একটা গৃহপালিত বকরী ছিল। আমি ওটা যাবাহ করলাম, আর স্ত্রী যবগুলো ভালভাবে পিষে নিল। আমার কাজ সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেও তাঁর কাজ শেষ করলো। আমি (রান্নার জন্য) গোশ্ত কেটে ডেগচিতে রাখলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)– এর কাছে ফিরে এলাম। (যাওয়ার সময়) আমার স্ত্রী আমাকে বলল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথীদের দিয়ে তুমি আমাকে লাঞ্ছিত কর না। তিনি বলেন, তারপর আমি তাঁর নিকট এসে চুপি চুপি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা একটি বকরী যাবাহ করেছি আর আমাদের এক সা’ পরিমাণ যব ছিল আমার স্ত্রী তাই পিষে নিয়েছে। সুতরাং আপনি কয়েকজনকে সাথে নিয়ে আসুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দরাজ কণ্ঠে বললেন, হে পরিখা খননকারীরা! জাবির তোমাদের জন্য কিছু খাবার তৈরী করেছে। তোমরা সকলে চলো। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (আমাকে বললেনঃ আমি না আসা পর্যন্ত তোমাদের ডেগ (চুলা থেকে) নামাবে না এবং খামীর দ্বারা রুটি প্রস্তত করবে না। আমি আসলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষদের আগে আগে আসলেন। আমি আমার স্ত্রীর নিকট এলে সে আমাকে (তিরস্কার করে) বলল, তোমার ধ্বংস হোক, তোমার ধ্বংস হোক। আমি বললাম, আমি তাই করেছি, তুমি যাই আমাকে বলেছিলে। অতঃপর সে খামিরগুলো বের করলো তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মধ্যে একটু লালা দিলেন এবং বারাকাতের দু’য়া করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, রুটি প্রস্ততকারীনিকে ডাক, যে তোমার সঙ্গে রুটি প্রস্তত করবে। আর তুমি পাতিল হতে পেয়ালা ভরে ভরে নিবে। আর ডেগ (চুল্লি হতে) নামাবে না। তাঁরা ছিলেন মোট এক হাজার মানুষ। আল্লাহ্র নামে শপথ করছি! তাঁরা সকলে খাবার খেলেন। পরিশেষে তাঁরা তা রেখে এমনভাবে ফিরে গেলেন যে, আমাদের ডেগ আগের মতো উতলিয়ে পড়ছিল। আর আমাদের খামীর পূর্বের মতো রুটি প্রস্তত করা হচ্ছিল। (ই.ফা. ৫১৪২, ই.সে. ৫১৫৪)
حدثني حجاج بن الشاعر، حدثني الضحاك بن مخلد، من رقعة عارض لي بها ثم قرأه على قال أخبرناه حنظلة بن أبي سفيان حدثنا سعيد بن ميناء قال سمعت جابر بن عبد الله يقول لما حفر الخندق رأيت برسول الله صلى الله عليه وسلم خمصا فانكفأت إلى امرأتي فقلت لها هل عندك شىء فإني رأيت برسول الله صلى الله عليه وسلم خمصا شديدا . فأخرجت لي جرابا فيه صاع من شعير ولنا بهيمة داجن - قال - فذبحتها وطحنت ففرغت إلى فراغي فقطعتها في برمتها ثم وليت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت لا تفضحني برسول الله صلى الله عليه وسلم ومن معه - قال - فجئته فساررته فقلت يا رسول الله إنا قد ذبحنا بهيمة لنا وطحنت صاعا من شعير كان عندنا فتعال أنت في نفر معك . فصاح رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " يا أهل الخندق إن جابرا قد صنع لكم سورا فحيهلا بكم " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تنزلن برمتكم ولا تخبزن عجينتكم حتى أجيء " . فجئت وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يقدم الناس حتى جئت امرأتي فقالت بك وبك . فقلت قد فعلت الذي قلت لي . فأخرجت له عجينتنا فبصق فيها وبارك ثم عمد إلى برمتنا فبصق فيها وبارك ثم قال " ادعي خابزة فلتخبز معك واقدحي من برمتكم ولا تنزلوها " . وهم ألف فأقسم بالله لأكلوا حتى تركوه وانحرفوا وإن برمتنا لتغط كما هي وإن عجينتنا - أو كما قال الضحاك - لتخبز كما هو .
সহিহ মুসলিম ৫২১১
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك بن أنس عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال أبو طلحة لأم سليم قد سمعت صوت، رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شىء فقالت نعم . فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخذت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه ثم دسته تحت ثوبي وردتني ببعضه ثم أرسلتني إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فذهبت به فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرسلك أبو طلحة " . قال فقلت نعم . فقال " ألطعام " . فقلت نعم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه " قوموا " . قال فانطلق وانطلقت بين أيديهم حتى جئت أبا طلحة فأخبرته فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس وليس عندنا ما نطعمهم فقالت الله ورسوله أعلم - قال - فانطلق أبو طلحة حتى لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم معه حتى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هلمي ما عندك يا أم سليم " . فأتت بذلك الخبز فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم ففت وعصرت عليه أم سليم عكة لها فأدمته ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال " ائذن لعشرة " . حتى أكل القوم كلهم وشبعوا والقوم سبعون رجلا أو ثمانون .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (একদা) আবূ তালহাহ্ (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)- কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুর্বল শব্দ শ্রবণ করে বুঝতে পেরেছি যে, তিনি ক্ষুধার্ত। তাই তোমার কাছে কিছু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি যবের কয়েক খণ্ড রুটি বের করলেন। তারপর তার ওড়না নিলেন এবং এটির একাংশ দিয়ে রুটিগুলো পেচিয়ে আমার কাপড়ের তলায় গুঁজে দিলেন এবং ওপর অংশ আমার দেহে জড়িয়ে দিলেন। অতঃপর আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে প্রেরণ করলেন। তিনি (আনাস) বলেন, আমি এগুলো নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে দেখতে পেলাম তিনি মসজিদে বসে আছেন। তাঁর সাথে আরও মানুষ ছিলেন। আমি তাঁদের নিকট গিয়ে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাকে আবূ তালহাহ প্রেরণ করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, খাওয়ার ব্যাপারে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথীদের বললেন, সবাই চলো। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গেলেন। আর আমি তাদের সামনে চলতে লাগলাম। পরিশেষে আমি আবূ তালহাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে (ঘটনা) খবর দিলাম তখন আবূ তালহাহ (রাঃ) বললেন, হে উম্মু সুলায়ম (রাঃ)! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো লোকদের নিয়ে আসছেন, অথচ আমাদের কাছে সে পরিমাণ খাদ্য নেই যা দিয়ে তাঁদের আপ্যায়ন করতে পারি। [উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, (তুমি উদ্বিগ্ন হয়ো না) আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর আবূ তালহাহ (রাঃ) যেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সাথে দেখা করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে এসে (উভয়ে) ঘরে ঢুকলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলায়ম (রাঃ) –কে লক্ষ্য করে বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে নিয়ে আসো। তিনি সে রুটিগুলো তা সাথে করে নিয়ে আসলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দান করলেন সেগুলো টুকরা টুকরা করা হলো। আর উম্মু সুলায়ম (রাঃ) চামড়া দ্বারা তৈরী ঘি-এর পাত্রটি চিপে সেটি সালুন হিসেবে দিলেন। আর এর ভিতরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী কিছু পড়লেন। অতঃপর বললেন , দশজনকে আসতে বলো। তাদের ডাকা হলে এসে তৃপ্তির সাথে খাবার খেয়ে বেরিয়ে গেলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আরো দশজনকে আসতে বলো। তাদের ডাকা হলে তারা পেট ভরে খেয়ে চলে গেলেন। পুনরায় তিনি বললেন, দশ জনকে ডাক। এভাবে দলের সকলে পেটপুরে খাবার খেলেন। সত্তর কিংবা আশিজন লোক তাদের দলে ছিল। (ই. ফা. ৫১৪৩, ই.সে. ৫১৫৫)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (একদা) আবূ তালহাহ্ (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)- কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুর্বল শব্দ শ্রবণ করে বুঝতে পেরেছি যে, তিনি ক্ষুধার্ত। তাই তোমার কাছে কিছু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি যবের কয়েক খণ্ড রুটি বের করলেন। তারপর তার ওড়না নিলেন এবং এটির একাংশ দিয়ে রুটিগুলো পেচিয়ে আমার কাপড়ের তলায় গুঁজে দিলেন এবং ওপর অংশ আমার দেহে জড়িয়ে দিলেন। অতঃপর আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে প্রেরণ করলেন। তিনি (আনাস) বলেন, আমি এগুলো নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে দেখতে পেলাম তিনি মসজিদে বসে আছেন। তাঁর সাথে আরও মানুষ ছিলেন। আমি তাঁদের নিকট গিয়ে দাঁড়ালাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাকে আবূ তালহাহ প্রেরণ করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, খাওয়ার ব্যাপারে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথীদের বললেন, সবাই চলো। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গেলেন। আর আমি তাদের সামনে চলতে লাগলাম। পরিশেষে আমি আবূ তালহাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে (ঘটনা) খবর দিলাম তখন আবূ তালহাহ (রাঃ) বললেন, হে উম্মু সুলায়ম (রাঃ)! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো লোকদের নিয়ে আসছেন, অথচ আমাদের কাছে সে পরিমাণ খাদ্য নেই যা দিয়ে তাঁদের আপ্যায়ন করতে পারি। [উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, (তুমি উদ্বিগ্ন হয়ো না) আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর আবূ তালহাহ (রাঃ) যেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সাথে দেখা করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাথে এসে (উভয়ে) ঘরে ঢুকলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলায়ম (রাঃ) –কে লক্ষ্য করে বললেন, হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে নিয়ে আসো। তিনি সে রুটিগুলো তা সাথে করে নিয়ে আসলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দান করলেন সেগুলো টুকরা টুকরা করা হলো। আর উম্মু সুলায়ম (রাঃ) চামড়া দ্বারা তৈরী ঘি-এর পাত্রটি চিপে সেটি সালুন হিসেবে দিলেন। আর এর ভিতরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী কিছু পড়লেন। অতঃপর বললেন , দশজনকে আসতে বলো। তাদের ডাকা হলে এসে তৃপ্তির সাথে খাবার খেয়ে বেরিয়ে গেলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আরো দশজনকে আসতে বলো। তাদের ডাকা হলে তারা পেট ভরে খেয়ে চলে গেলেন। পুনরায় তিনি বললেন, দশ জনকে ডাক। এভাবে দলের সকলে পেটপুরে খাবার খেলেন। সত্তর কিংবা আশিজন লোক তাদের দলে ছিল। (ই. ফা. ৫১৪৩, ই.সে. ৫১৫৫)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك بن أنس عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال أبو طلحة لأم سليم قد سمعت صوت، رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا أعرف فيه الجوع فهل عندك من شىء فقالت نعم . فأخرجت أقراصا من شعير ثم أخذت خمارا لها فلفت الخبز ببعضه ثم دسته تحت ثوبي وردتني ببعضه ثم أرسلتني إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فذهبت به فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا في المسجد ومعه الناس فقمت عليهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرسلك أبو طلحة " . قال فقلت نعم . فقال " ألطعام " . فقلت نعم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه " قوموا " . قال فانطلق وانطلقت بين أيديهم حتى جئت أبا طلحة فأخبرته فقال أبو طلحة يا أم سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناس وليس عندنا ما نطعمهم فقالت الله ورسوله أعلم - قال - فانطلق أبو طلحة حتى لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم معه حتى دخلا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هلمي ما عندك يا أم سليم " . فأتت بذلك الخبز فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم ففت وعصرت عليه أم سليم عكة لها فأدمته ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله أن يقول ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فأكلوا حتى شبعوا ثم خرجوا ثم قال " ائذن لعشرة " . حتى أكل القوم كلهم وشبعوا والقوم سبعون رجلا أو ثمانون .
সহিহ মুসলিম ৫২১৩
وحدثني سعيد بن يحيى الأموي، حدثني أبي، حدثنا سعد بن سعيد، قال سمعت أنس بن مالك، قال بعثني أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بنحو حديث ابن نمير غير أنه قال في آخره ثم أخذ ما بقي فجمعه ثم دعا فيه بالبركة - قال - فعاد كما كان فقال " دونكم هذا " .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে প্রেরণ করলেন। রাবী ইব্নে নুমায়র (রহঃ) –এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। তবে হাদীসটির শেষাংশে তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাকী অংশ জমা করে এতে বারাকাতের প্রার্থনা করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, ফলে তা (পূর্বে) যেমনি ছিল আবার তেমনি হয়ে গেল এবং তিনি বললেনঃ এবার তোমরা নাও। (ই. ফা. ৫১৪৫, ই. সে. ৫১৫৭)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে প্রেরণ করলেন। রাবী ইব্নে নুমায়র (রহঃ) –এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। তবে হাদীসটির শেষাংশে তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাকী অংশ জমা করে এতে বারাকাতের প্রার্থনা করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, ফলে তা (পূর্বে) যেমনি ছিল আবার তেমনি হয়ে গেল এবং তিনি বললেনঃ এবার তোমরা নাও। (ই. ফা. ৫১৪৫, ই. সে. ৫১৫৭)
وحدثني سعيد بن يحيى الأموي، حدثني أبي، حدثنا سعد بن سعيد، قال سمعت أنس بن مالك، قال بعثني أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بنحو حديث ابن نمير غير أنه قال في آخره ثم أخذ ما بقي فجمعه ثم دعا فيه بالبركة - قال - فعاد كما كان فقال " دونكم هذا " .
সহিহ মুসলিম ৫২১৭
وحدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت جرير بن زيد، يحدث عن عمرو بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال رأى أبو طلحة رسول الله صلى الله عليه وسلم مضطجعا في المسجد يتقلب ظهرا لبطن فأتى أم سليم فقال إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم مضطجعا في المسجد يتقلب ظهرا لبطن وأظنه جائعا . وساق الحديث وقال فيه ثم أكل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة وأم سليم وأنس بن مالك وفضلت فضلة فأهديناه لجيراننا .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে মাসজিদে শয়ন করে ও পিঠ উপর-নিচ করতে দেখলেন। তখন তিনি উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর সন্নিকটে এসে বসলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মাসজিদে শয়ন করে পেট ও পিঠ উপর-নীচ করতে লক্ষ্য করেছি। আমার ধারণা হল , তিনি ক্ষুধার্ত। তারপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীস টি বর্ণনা করেন। এতে তিনি বলেছেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালহাহ (রাঃ), উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ও আনাস (রাঃ) খাবার খেলেন। সামান্য অবশিষ্ট রয়ে গেলে আমরা সেটা প্রতিবেশীরদের কাছে উপটৌকন প্রেরণ করলাম। (ই. ফা. ৫১৪৯, ই . সে. ৫১৬১)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ তালহাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে মাসজিদে শয়ন করে ও পিঠ উপর-নিচ করতে দেখলেন। তখন তিনি উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর সন্নিকটে এসে বসলেন। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মাসজিদে শয়ন করে পেট ও পিঠ উপর-নীচ করতে লক্ষ্য করেছি। আমার ধারণা হল , তিনি ক্ষুধার্ত। তারপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীস টি বর্ণনা করেন। এতে তিনি বলেছেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ তালহাহ (রাঃ), উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ও আনাস (রাঃ) খাবার খেলেন। সামান্য অবশিষ্ট রয়ে গেলে আমরা সেটা প্রতিবেশীরদের কাছে উপটৌকন প্রেরণ করলাম। (ই. ফা. ৫১৪৯, ই . সে. ৫১৬১)
وحدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت جرير بن زيد، يحدث عن عمرو بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال رأى أبو طلحة رسول الله صلى الله عليه وسلم مضطجعا في المسجد يتقلب ظهرا لبطن فأتى أم سليم فقال إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم مضطجعا في المسجد يتقلب ظهرا لبطن وأظنه جائعا . وساق الحديث وقال فيه ثم أكل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة وأم سليم وأنس بن مالك وفضلت فضلة فأهديناه لجيراننا .
সহিহ মুসলিম ৫২১৮
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة، أنحدثه أنه، سمع أنس بن مالك، يقول جئت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فوجدته جالسا مع أصحابه يحدثهم وقد عصب بطنه بعصابة - قال أسامة وأنا أشك - على حجر فقلت لبعض أصحابه لم عصب رسول الله صلى الله عليه وسلم بطنه فقالوا من الجوع . فذهبت إلى أبي طلحة وهو زوج أم سليم بنت ملحان فقلت يا أبتاه قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم عصب بطنه بعصابة فسألت بعض أصحابه فقالوا من الجوع . فدخل أبو طلحة على أمي فقال هل من شىء فقالت نعم عندي كسر من خبز وتمرات فإن جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وحده أشبعناه وإن جاء آخر معه قل عنهم . ثم ذكر سائر الحديث بقصته .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে এসে তাঁকে দেখলাম, তিনি সাহাবীদের সাথে বসে আলোচনায় রত আছেন এবং এবং তিনি তাঁর পেট একটি কাপড়ের টুকরো দিয়ে বেঁধে রেখেছেন। বর্ণনাকারী উসামাহ্ বলেন, পাথর সহ ছিল কি-না এতে আমার মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। আমি তাঁর কোন এক সাহাবীকে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পেট কেন বেধে রেখেছেন? তাঁরা বললেন, ক্ষুধার তাড়নায়। তারপর আমি আবূ তালহাহ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি উম্মু সুলায়ম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর স্বামী ছিলেন। আমি বললাম, আব্বা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে প্রত্যক্ষ করলাম, তিনি বস্ত্র দ্বারা তাঁর পেট বেঁধে রেখেছেন। আমি তাঁর এক সাহাবীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বললেন, ক্ষুধার যন্ত্রণায়। অতঃপর আবূ তালহাহ (রাঃ) আমার মায়ের নিকট গিয়ে বললেন, কিছু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আমার কাছে কয়েক টুকরা রুটি আর কিছু খেজুর আছে। যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে একাকী আসেন, তাহলে আমরা তাঁকে তৃপ্তি সহকারে আহার করাতে পারি। আর যদি ভিন্ন কেউ তাঁর সাথে তাহলে তাঁদের সামান্য হবে। অতঃপর বর্ণনাকারী ঘটনা সহ পূর্ব হাদীস টি বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৫১৫০, ই. সে. ৫১৬২)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে এসে তাঁকে দেখলাম, তিনি সাহাবীদের সাথে বসে আলোচনায় রত আছেন এবং এবং তিনি তাঁর পেট একটি কাপড়ের টুকরো দিয়ে বেঁধে রেখেছেন। বর্ণনাকারী উসামাহ্ বলেন, পাথর সহ ছিল কি-না এতে আমার মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। আমি তাঁর কোন এক সাহাবীকে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পেট কেন বেধে রেখেছেন? তাঁরা বললেন, ক্ষুধার তাড়নায়। তারপর আমি আবূ তালহাহ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি উম্মু সুলায়ম বিনতে মিলহান (রাঃ) –এর স্বামী ছিলেন। আমি বললাম, আব্বা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে প্রত্যক্ষ করলাম, তিনি বস্ত্র দ্বারা তাঁর পেট বেঁধে রেখেছেন। আমি তাঁর এক সাহাবীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বললেন, ক্ষুধার যন্ত্রণায়। অতঃপর আবূ তালহাহ (রাঃ) আমার মায়ের নিকট গিয়ে বললেন, কিছু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আমার কাছে কয়েক টুকরা রুটি আর কিছু খেজুর আছে। যদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে একাকী আসেন, তাহলে আমরা তাঁকে তৃপ্তি সহকারে আহার করাতে পারি। আর যদি ভিন্ন কেউ তাঁর সাথে তাহলে তাঁদের সামান্য হবে। অতঃপর বর্ণনাকারী ঘটনা সহ পূর্ব হাদীস টি বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৫১৫০, ই. সে. ৫১৬২)
وحدثني حرملة بن يحيى التجيبي، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة، أنحدثه أنه، سمع أنس بن مالك، يقول جئت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فوجدته جالسا مع أصحابه يحدثهم وقد عصب بطنه بعصابة - قال أسامة وأنا أشك - على حجر فقلت لبعض أصحابه لم عصب رسول الله صلى الله عليه وسلم بطنه فقالوا من الجوع . فذهبت إلى أبي طلحة وهو زوج أم سليم بنت ملحان فقلت يا أبتاه قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم عصب بطنه بعصابة فسألت بعض أصحابه فقالوا من الجوع . فدخل أبو طلحة على أمي فقال هل من شىء فقالت نعم عندي كسر من خبز وتمرات فإن جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وحده أشبعناه وإن جاء آخر معه قل عنهم . ثم ذكر سائر الحديث بقصته .
সহিহ মুসলিম ৫২১৪
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أنس بن مالك، قال أمر أبو طلحة أم سليم أن تصنع، للنبي صلى الله عليه وسلم طعاما لنفسه خاصة ثم أرسلني إليه . وساق الحديث وقال فيه فوضع النبي صلى الله عليه وسلم يده وسمى عليه ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فدخلوا فقال " كلوا وسموا الله " . فأكلوا حتى فعل ذلك بثمانين رجلا . ثم أكل النبي صلى الله عليه وسلم بعد ذلك وأهل البيت وتركوا سؤرا .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একমাত্র নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর জন্য খাবার তৈরী করতে আবূ তালহাহ (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)–কে আদেশ করলেন। অতঃপর তিনি আমাকে তাঁর কাছে প্রেরণ করলেন। অতঃপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীস তি রিওয়ায়াত করেন। এ হাদীসে তিনি বলেছেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে হাত-রাখলেন এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ করলেন। অতঃপর বললেন, দশজনকে ডাকো। তাদের ডাকলে তারা ঘরে ঢুকলো। তিনি বললেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহ’ (আল্লাহ্র নামে) বলে খাওয়া শুরু করো। তারা আহার করলো। এভাবে আশিজনের সাথে এ রকম করলেন। সবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও ঘরের লোকেরা খাবার খেলেন এবং কিয়দংশ রেখে গেলেন। (ই. ফা. ৫১৪৬, ই. সে. ৫১৫৮)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একমাত্র নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর জন্য খাবার তৈরী করতে আবূ তালহাহ (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)–কে আদেশ করলেন। অতঃপর তিনি আমাকে তাঁর কাছে প্রেরণ করলেন। অতঃপর রাবী শেষ পর্যন্ত হাদীস তি রিওয়ায়াত করেন। এ হাদীসে তিনি বলেছেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে হাত-রাখলেন এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ করলেন। অতঃপর বললেন, দশজনকে ডাকো। তাদের ডাকলে তারা ঘরে ঢুকলো। তিনি বললেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহ’ (আল্লাহ্র নামে) বলে খাওয়া শুরু করো। তারা আহার করলো। এভাবে আশিজনের সাথে এ রকম করলেন। সবশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও ঘরের লোকেরা খাবার খেলেন এবং কিয়দংশ রেখে গেলেন। (ই. ফা. ৫১৪৬, ই. সে. ৫১৫৮)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أنس بن مالك، قال أمر أبو طلحة أم سليم أن تصنع، للنبي صلى الله عليه وسلم طعاما لنفسه خاصة ثم أرسلني إليه . وساق الحديث وقال فيه فوضع النبي صلى الله عليه وسلم يده وسمى عليه ثم قال " ائذن لعشرة " . فأذن لهم فدخلوا فقال " كلوا وسموا الله " . فأكلوا حتى فعل ذلك بثمانين رجلا . ثم أكل النبي صلى الله عليه وسلم بعد ذلك وأهل البيت وتركوا سؤرا .
সহিহ মুসলিম ৫২১৯
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا حرب بن ميمون، عن النضر بن أنس، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في طعام أبي طلحة نحو حديثهم .
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ তালহার আহারের ব্যাপারে তাঁদের (উপরোল্লিখিত রাবীদের) হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। ( ই. ফা. ৫১৫১, ই. সে. ৫১৬৩)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আবূ তালহার আহারের ব্যাপারে তাঁদের (উপরোল্লিখিত রাবীদের) হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। ( ই. ফা. ৫১৫১, ই. সে. ৫১৬৩)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا حرب بن ميمون، عن النضر بن أنس، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في طعام أبي طلحة نحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৫২১৬
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا خالد بن مخلد البجلي، حدثني محمد بن موسى، حدثني عبد الله بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث وقال فيه ثم أكل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأكل أهل البيت وأفضلوا ما أبلغوا جيرانهم .
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে বর্ণনাকারী বলেছেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার খেলেন। ঘরের অধিকারীরা ও খাবার খেলো এবং তাদের প্রতিবেশীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য কিয়দাংশ রাখলেন। (ই.ফা. ৫১৪৮, ই.সে. ৫১৬০)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এতে বর্ণনাকারী বলেছেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবার খেলেন। ঘরের অধিকারীরা ও খাবার খেলো এবং তাদের প্রতিবেশীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য কিয়দাংশ রাখলেন। (ই.ফা. ৫১৪৮, ই.সে. ৫১৬০)
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا خالد بن مخلد البجلي، حدثني محمد بن موسى، حدثني عبد الله بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث وقال فيه ثم أكل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأكل أهل البيت وأفضلوا ما أبلغوا جيرانهم .
সহিহ মুসলিম ৫২১৫
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أنس بن مالك، . بهذه القصة في طعام أبي طلحة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال فيه فقام أبو طلحة على الباب حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له يا رسول الله إنما كان شىء يسير . قال " هلمه فإن الله سيجعل فيه البركة " .
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) –এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহাহ্ (রাঃ)- এর খাবারের এ বর্ণনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে রিওয়ায়াত করেছেন। এর মধ্যে রাবী বলেছেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আবূ তালহাহ্ (রাঃ) দরজায় দাঁড়িয়ে থাকলেন। তারপর তাঁকে বললেন, হে আল্লহার রাসূল! এতো কিছু মাত্র (অল্প খাবার)। তিনি বললেন, তাই নিয়ে আসো। আল্লাহ অবশ্যই এতে বারাকাত দান করবেন। (ই.ফা ৫১৪৭, ই.সে. ৫১৫৯)
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) –এর সনদ থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহাহ্ (রাঃ)- এর খাবারের এ বর্ণনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে রিওয়ায়াত করেছেন। এর মধ্যে রাবী বলেছেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমনের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত আবূ তালহাহ্ (রাঃ) দরজায় দাঁড়িয়ে থাকলেন। তারপর তাঁকে বললেন, হে আল্লহার রাসূল! এতো কিছু মাত্র (অল্প খাবার)। তিনি বললেন, তাই নিয়ে আসো। আল্লাহ অবশ্যই এতে বারাকাত দান করবেন। (ই.ফা ৫১৪৭, ই.সে. ৫১৫৯)
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أنس بن مالك، . بهذه القصة في طعام أبي طلحة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال فيه فقام أبو طلحة على الباب حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له يا رسول الله إنما كان شىء يسير . قال " هلمه فإن الله سيجعل فيه البركة " .
সহিহ মুসলিম > ঝোল খাওয়া জায়িয এবং লাউ খাওয়া মুস্তাহাব আর মেযবান অপছন্দ না করলে, মেহমান হয়েও একই দস্তরখানে উপবেশনকারীদের একজন অন্যজনকে এগিয়ে দেয়া জায়িয।
সহিহ মুসলিম ৫২২১
حدثنا محمد بن العلاء أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فانطلقت معه فجيء بمرقة فيها دباء فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل من ذلك الدباء ويعجبه - قال - فلما رأيت ذلك جعلت ألقيه إليه ولا أطعمه . قال فقال أنس فما زلت بعد يعجبني الدباء .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দা’ওয়াত করলো। আমি ও তাঁর সাথে গেলাম। তরকারী আনা হলো যাতে লাউ ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে লাউগুলো খেতে লাগলেন। লাউ তাঁর নিকট ভাল লাগছিল। তিনি বলেন, এ অবস্থা দেখে স্বয়ং আমি না খেয়ে এগুলো তাঁর নিকট বাড়িয়ে দিতে লাগলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর থেকে সব সময় লাউ আমার প্রিয় খাবার হয়ে যায়। (ই. ফা. ৫১৫৩, ই. সে. ৫১৬৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দা’ওয়াত করলো। আমি ও তাঁর সাথে গেলাম। তরকারী আনা হলো যাতে লাউ ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে লাউগুলো খেতে লাগলেন। লাউ তাঁর নিকট ভাল লাগছিল। তিনি বলেন, এ অবস্থা দেখে স্বয়ং আমি না খেয়ে এগুলো তাঁর নিকট বাড়িয়ে দিতে লাগলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর থেকে সব সময় লাউ আমার প্রিয় খাবার হয়ে যায়। (ই. ফা. ৫১৫৩, ই. সে. ৫১৬৫)
حدثنا محمد بن العلاء أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فانطلقت معه فجيء بمرقة فيها دباء فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل من ذلك الدباء ويعجبه - قال - فلما رأيت ذلك جعلت ألقيه إليه ولا أطعمه . قال فقال أنس فما زلت بعد يعجبني الدباء .
সহিহ মুসলিম ৫২২২
وحدثني حجاج بن الشاعر، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ثابت البناني، وعاصم الأحول، عن أنس بن مالك، أن رجلا، خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم . وزاد قال ثابت فسمعت أنسا يقول فما صنع لي طعام بعد أقدر على أن يصنع فيه دباء إلا صنع .
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক দর্জি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে দা’ওয়াত করলো। রাবী অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সাবিত (রহঃ) বলেছেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর আমার জন্য যদি আহার তৈরী করা হতো এবং এতে আমি লাউ দিতে সমর্থ হলে তাই করা হতো। (ই. ফা. ৫১৫৪, ই. সে. ৫১৬৬)
আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক দর্জি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে দা’ওয়াত করলো। রাবী অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সাবিত (রহঃ) বলেছেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর আমার জন্য যদি আহার তৈরী করা হতো এবং এতে আমি লাউ দিতে সমর্থ হলে তাই করা হতো। (ই. ফা. ৫১৫৪, ই. সে. ৫১৬৬)
وحدثني حجاج بن الشاعر، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن ثابت البناني، وعاصم الأحول، عن أنس بن مالك، أن رجلا، خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم . وزاد قال ثابت فسمعت أنسا يقول فما صنع لي طعام بعد أقدر على أن يصنع فيه دباء إلا صنع .
সহিহ মুসলিম ৫২২০
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول إن خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه . قال أنس بن مالك فذهبت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ذلك الطعام فقرب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم خبزا من شعير ومرقا فيه دباء وقديد . قال أنس فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء من حوالى الصحفة . قال فلم أزل أحب الدباء منذ يومئذ .
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক দর্জি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য কিছু খাদ্য প্রস্তত করে তাঁকে দাওয়াত করলো। আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) বলেন, সে দা’ওয়াতে আমি ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে গেলাম। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সম্মুখে যবের রুটি, ঝোল বিশিষ্ট লাউ ও শুকনো গোশত পেশ করা হলো। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে লক্ষ্য করলাম, তিনি থালার চারপাশে থেকে লাউ সন্ধান করেছেন। সেদিন থেকে আমিও লাউ পছন্দ করতে লাগলাম। (ই. ফা. ৫১৫২, ই. সে. ৫১৬৪)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক দর্জি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর জন্য কিছু খাদ্য প্রস্তত করে তাঁকে দাওয়াত করলো। আনাস ইব্নে মালিক (রাঃ) বলেন, সে দা’ওয়াতে আমি ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে গেলাম। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সম্মুখে যবের রুটি, ঝোল বিশিষ্ট লাউ ও শুকনো গোশত পেশ করা হলো। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে লক্ষ্য করলাম, তিনি থালার চারপাশে থেকে লাউ সন্ধান করেছেন। সেদিন থেকে আমিও লাউ পছন্দ করতে লাগলাম। (ই. ফা. ৫১৫২, ই. সে. ৫১৬৪)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة أنه سمع أنس بن مالك، يقول إن خياطا دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه . قال أنس بن مالك فذهبت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ذلك الطعام فقرب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم خبزا من شعير ومرقا فيه دباء وقديد . قال أنس فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتتبع الدباء من حوالى الصحفة . قال فلم أزل أحب الدباء منذ يومئذ .
সহিহ মুসলিম > খেজুরের বিচি খেজুরের বাহিরে ফেলা মুস্তাহাব এবং মেজবানের জন্য মেহমানের দু’আ করা, সৎ মেহমান থেকে দু’আ চাওয়া ও মেহমানের তাতে সাড়া দেয়া মুস্তাহাব।
সহিহ মুসলিম ৫২২৩
حدثني محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يزيد، بن خمير عن عبد الله بن بسر، قال نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي - قال - فقربنا إليه طعاما ووطبة فأكل منها ثم أتي بتمر فكان يأكله ويلقي النوى بين إصبعيه ويجمع السبابة والوسطى - قال شعبة هو ظني وهو فيه إن شاء الله إلقاء النوى بين الإصبعين - ثم أتي بشراب فشربه ثم ناوله الذي عن يمينه - قال - فقال أبي وأخذ بلجام دابته ادع الله لنا فقال " اللهم بارك لهم في ما رزقتهم واغفر لهم وارحمهم " .
আব্দুল্লাহ ইব্নে বুস্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার আব্বার কাছে আসলেন। আমরা তাঁর সম্মুখে কিছু খাবার ও ওয়াতবাহ (খেজুর চূর্ণ, পনির ও ঘি যোগে তৈরী এক প্রকার খাদ্য) পেশ করলাম। তিনি তা হতে খেলেন। অতঃপর খেজুর নিয়ে আসলে তিনি তা খেতে লাগলেন। আর বিচিগুলো মধ্যমা ও সাহাদাত অঙ্গুলি একত্র করে দু’আঙ্গুলের মাঝখান দিয়ে ফেলতে লাগলেন। শু’বাহ্ বলেন, এটা আমার অনুমান। তবে ইন্শা আল্লাহ্ এতে দু’আঙ্গুলের মাঝখানে দিয়ে বীজ ফেলার কথাটি আছে। অতঃপর তাঁর নিকটে সুপেয় আনা হলে তিনি তা পান করেন। পরে তিনি তাঁর ডান পাশের লোককে দিলেন। ‘আব্দুল্লাহ ইব্নে বুস্র (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমার আব্বা তাঁর সাওয়ারীর লাগাম ধরে বললেন, আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্র নিকট প্রার্থনা করুন। তখন তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ্! তুমি তাঁদের রিযকে বারাকাত দাও, তাঁদের ক্ষমা করো এবং তাঁদের প্রতি দয়া করো। (ই. ফা. ৫১৫৫, ই. সে. ৫১৬৭)
আব্দুল্লাহ ইব্নে বুস্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার আব্বার কাছে আসলেন। আমরা তাঁর সম্মুখে কিছু খাবার ও ওয়াতবাহ (খেজুর চূর্ণ, পনির ও ঘি যোগে তৈরী এক প্রকার খাদ্য) পেশ করলাম। তিনি তা হতে খেলেন। অতঃপর খেজুর নিয়ে আসলে তিনি তা খেতে লাগলেন। আর বিচিগুলো মধ্যমা ও সাহাদাত অঙ্গুলি একত্র করে দু’আঙ্গুলের মাঝখান দিয়ে ফেলতে লাগলেন। শু’বাহ্ বলেন, এটা আমার অনুমান। তবে ইন্শা আল্লাহ্ এতে দু’আঙ্গুলের মাঝখানে দিয়ে বীজ ফেলার কথাটি আছে। অতঃপর তাঁর নিকটে সুপেয় আনা হলে তিনি তা পান করেন। পরে তিনি তাঁর ডান পাশের লোককে দিলেন। ‘আব্দুল্লাহ ইব্নে বুস্র (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমার আব্বা তাঁর সাওয়ারীর লাগাম ধরে বললেন, আপনি আমাদের জন্য আল্লাহ্র নিকট প্রার্থনা করুন। তখন তিনি বললেন, ইয়া আল্লাহ্! তুমি তাঁদের রিযকে বারাকাত দাও, তাঁদের ক্ষমা করো এবং তাঁদের প্রতি দয়া করো। (ই. ফা. ৫১৫৫, ই. সে. ৫১৬৭)
حدثني محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يزيد، بن خمير عن عبد الله بن بسر، قال نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم على أبي - قال - فقربنا إليه طعاما ووطبة فأكل منها ثم أتي بتمر فكان يأكله ويلقي النوى بين إصبعيه ويجمع السبابة والوسطى - قال شعبة هو ظني وهو فيه إن شاء الله إلقاء النوى بين الإصبعين - ثم أتي بشراب فشربه ثم ناوله الذي عن يمينه - قال - فقال أبي وأخذ بلجام دابته ادع الله لنا فقال " اللهم بارك لهم في ما رزقتهم واغفر لهم وارحمهم " .
সহিহ মুসলিম ৫২২৪
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، ح وحدثنيه محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن حماد، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ولم يشكا في إلقاء النوى بين الإصبعين .
শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত সূত্রে হাদীস টি বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁরা দু’জনেই দু’আঙ্গুলের মধ্য দিয়ে বিচি ফেলে দেয়ার ব্যাপারে শু’বাহর সন্দেহের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৫১৫৬, ই.সে.৫১৬৮)
শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত সূত্রে হাদীস টি বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁরা দু’জনেই দু’আঙ্গুলের মধ্য দিয়ে বিচি ফেলে দেয়ার ব্যাপারে শু’বাহর সন্দেহের কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৫১৫৬, ই.সে.৫১৬৮)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن أبي عدي، ح وحدثنيه محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن حماد، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد ولم يشكا في إلقاء النوى بين الإصبعين .
সহিহ মুসলিম > শশা ও তাজা খেজুরের সংমিশ্রণে আহার করা।
সহিহ মুসলিম ৫২২৫
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وعبد الله بن عون الهلالي، - قال يحيى أخبرنا وقال ابن عون، حدثنا - إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن عبد الله بن جعفر، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل القثاء بالرطب .
আব্দুল্লাহ ইব্নে জা’ফর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে সতেজ খেজুরের সঙ্গে শশা খেতে লক্ষ্য করেছি। (ই. ফা. ৫১৫৭, ই. সে. ৫১৬৯)
আব্দুল্লাহ ইব্নে জা’ফর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে সতেজ খেজুরের সঙ্গে শশা খেতে লক্ষ্য করেছি। (ই. ফা. ৫১৫৭, ই. সে. ৫১৬৯)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وعبد الله بن عون الهلالي، - قال يحيى أخبرنا وقال ابن عون، حدثنا - إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن عبد الله بن جعفر، قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل القثاء بالرطب .