সহিহ মুসলিম > মদ হারাম এবং আঙ্গুরের রস, কাঁচা-পাকা খেজুর এবং কিসমিস ইত্যাদি থেকে তৈরি পানীয় যা নেশাগ্রস্ত করে সেগুলোর বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৫০২৮
حدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، قال قال أنس كنت قائما على الحى أسقيهم . بمثل حديث ابن علية غير أنه قال فقال أبو بكر بن أنس كان خمرهم يومئذ . وأنس شاهد فلم ينكر أنس ذاك . وقال ابن عبد الأعلى حدثنا المعتمر عن أبيه قال حدثني بعض من كان معي أنه سمع أنسا يقول كان خمرهم يومئذ .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সম্প্রদায়ের মাঝে দাঁড়িয়ে তাদের মদপান করাচ্ছিলাম। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু উলাইয়্যার মতো বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেন, তারপর আবূ বকর ইবনু আনাস বললেন, সেকালে ওটাই ছিল তাদের মদ। আনাস (রাঃ) তথায় উপস্থিত ছিলেন, তিনি এ কথা অস্বীকার করেননি। ইবনু ‘আবদুল আ’লা মু’তামির-এর সূত্রে তাঁর বাবা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যারা তাঁর সাথে ছিল তাঁদের একজন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, ‘তৎকালীন সময়ে সেটাই ছিল তাদের মদ।’ (ই.ফা. ৪৯৭০, ই.সে. ৪৯৭৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সম্প্রদায়ের মাঝে দাঁড়িয়ে তাদের মদপান করাচ্ছিলাম। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু উলাইয়্যার মতো বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেন, তারপর আবূ বকর ইবনু আনাস বললেন, সেকালে ওটাই ছিল তাদের মদ। আনাস (রাঃ) তথায় উপস্থিত ছিলেন, তিনি এ কথা অস্বীকার করেননি। ইবনু ‘আবদুল আ’লা মু’তামির-এর সূত্রে তাঁর বাবা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ যারা তাঁর সাথে ছিল তাঁদের একজন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, ‘তৎকালীন সময়ে সেটাই ছিল তাদের মদ।’ (ই.ফা. ৪৯৭০, ই.সে. ৪৯৭৮)
حدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، عن أبيه، قال قال أنس كنت قائما على الحى أسقيهم . بمثل حديث ابن علية غير أنه قال فقال أبو بكر بن أنس كان خمرهم يومئذ . وأنس شاهد فلم ينكر أنس ذاك . وقال ابن عبد الأعلى حدثنا المعتمر عن أبيه قال حدثني بعض من كان معي أنه سمع أنسا يقول كان خمرهم يومئذ .
সহিহ মুসলিম ৫০২৭
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سليمان التيمي، حدثنا أنس بن مالك، قال إني لقائم على الحى على عمومتي أسقيهم من فضيخ لهم وأنا أصغرهم سنا فجاء رجل فقال إنها قد حرمت الخمر فقالوا اكفأها يا أنس . فكفأتها . قال قلت لأنس ما هو قال بسر ورطب . قال فقال أبو بكر بن أنس كانت خمرهم يومئذ . قال سليمان وحدثني رجل عن أنس بن مالك أنه قال ذلك أيضا .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যখানে দাঁড়িয়ে আমার চাচাদের ‘ফাযীখ’ পান করাচ্ছিলাম। আর বয়সে আমি তাদের সবার ছোট ছিলাম। এ সময় এক লোক এসে বলল, মদ তো হারাম করা হয়েছে। তারা সবাই বললেন, হে আনাস! এ হাড়িগুলো উল্টিয়ে দাও। আমি সেগুলো উপুড় করে ফেলে দিলাম। সুলাইমান বলেন, আমি আনাসকে বললাম, ফাযীখ কি জিনিস? তিনি বললেন, কাঁচা-পাকা খেজুর দ্বারা তৈরিকৃত মদ। তিনি বলেন, আবূ বকর ইবনু আনাস বলেছেন, তখন এটাই ছিল তাদের একমাত্র নেশাজাতীয় দ্রব্য। সুলাইমান বলেন, আমার নিকটে জনৈক লোক আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনিও (আনাস) এ কথা বলেছেন। (ই.ফা. ৪৯৬৯, ই.সে. ৪৯৭৭)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যখানে দাঁড়িয়ে আমার চাচাদের ‘ফাযীখ’ পান করাচ্ছিলাম। আর বয়সে আমি তাদের সবার ছোট ছিলাম। এ সময় এক লোক এসে বলল, মদ তো হারাম করা হয়েছে। তারা সবাই বললেন, হে আনাস! এ হাড়িগুলো উল্টিয়ে দাও। আমি সেগুলো উপুড় করে ফেলে দিলাম। সুলাইমান বলেন, আমি আনাসকে বললাম, ফাযীখ কি জিনিস? তিনি বললেন, কাঁচা-পাকা খেজুর দ্বারা তৈরিকৃত মদ। তিনি বলেন, আবূ বকর ইবনু আনাস বলেছেন, তখন এটাই ছিল তাদের একমাত্র নেশাজাতীয় দ্রব্য। সুলাইমান বলেন, আমার নিকটে জনৈক লোক আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনিও (আনাস) এ কথা বলেছেন। (ই.ফা. ৪৯৬৯, ই.সে. ৪৯৭৭)
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سليمان التيمي، حدثنا أنس بن مالك، قال إني لقائم على الحى على عمومتي أسقيهم من فضيخ لهم وأنا أصغرهم سنا فجاء رجل فقال إنها قد حرمت الخمر فقالوا اكفأها يا أنس . فكفأتها . قال قلت لأنس ما هو قال بسر ورطب . قال فقال أبو بكر بن أنس كانت خمرهم يومئذ . قال سليمان وحدثني رجل عن أنس بن مالك أنه قال ذلك أيضا .
সহিহ মুসলিম ৫০২৫
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود العتكي حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - أخبرنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كنت ساقي القوم يوم حرمت الخمر في بيت أبي طلحة وما شرابهم إلا الفضيخ البسر والتمر . فإذا مناد ينادي فقال اخرج فانظر فخرجت فإذا مناد ينادي ألا إن الخمر قد حرمت - قال - فجرت في سكك المدينة فقال لي أبو طلحة اخرج فاهرقها . فهرقتها فقالوا أو قال بعضهم قتل فلان قتل فلان وهي في بطونهم - قال فلا أدري هو من حديث أنس - فأنزل الله عز وجل { ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات}
আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মদ হারাম হওয়ার দিন আমি আবূ তালহার ঘরে লোকদের মদ পান করাচ্ছিলাম। তারা শুকনো ও কাঁচা খেজুরের মদ পান করতো (অর্থাৎ শুকনো ও কাঁচা খেজুর দ্বারা তৈরি ঘন তৈলাক্ত ও সিরকা পান করতো)। হঠাৎ শুনা গেল জনৈক লোক ঘোষণা দিচ্ছে। তিনি বললেন, বের হয়ে দেখো। আমি বের হয়ে দেখলাম, এক লোক ঘোষণা দিচ্ছে : শুনে রাখো মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অতঃপর মাদীনার চারপাশে ও অলিগলি দিয়ে মদের ঢল প্রবাহিত বইতে থাকে। আবূ তাল্হাহ্ আমাকে বললেন, বের হও এবং এগুলো ঢেলে দিয়ে আসো। অতঃপর আমি সেগুলো ঢেলে দেই। তারা সবাই বা তাদের কেউ কেউ বললেন, অমুক নিহত হয়েছে! অমুক নিহত হয়েছে! অথচ তাদের উদরে মদ আছে। রাবী বলেন, আমি জ্ঞাত নই যে, এ কথাও আনাস (রাঃ)-এর হাদীসের অন্তর্ভুক্ত কি-না। এরপর আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করেন: “যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে তারা পূর্বে যা খেয়েছে তাতে তাদের কোন গুনাহ নেই, যদি তারা সতর্ক হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকাজ করে”– (সূরা আল-মায়িদাহ্) ৫:৯৩)। (ই.ফা.৪৯৬৭, ই.সে.৪৯৭৫)
আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মদ হারাম হওয়ার দিন আমি আবূ তালহার ঘরে লোকদের মদ পান করাচ্ছিলাম। তারা শুকনো ও কাঁচা খেজুরের মদ পান করতো (অর্থাৎ শুকনো ও কাঁচা খেজুর দ্বারা তৈরি ঘন তৈলাক্ত ও সিরকা পান করতো)। হঠাৎ শুনা গেল জনৈক লোক ঘোষণা দিচ্ছে। তিনি বললেন, বের হয়ে দেখো। আমি বের হয়ে দেখলাম, এক লোক ঘোষণা দিচ্ছে : শুনে রাখো মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অতঃপর মাদীনার চারপাশে ও অলিগলি দিয়ে মদের ঢল প্রবাহিত বইতে থাকে। আবূ তাল্হাহ্ আমাকে বললেন, বের হও এবং এগুলো ঢেলে দিয়ে আসো। অতঃপর আমি সেগুলো ঢেলে দেই। তারা সবাই বা তাদের কেউ কেউ বললেন, অমুক নিহত হয়েছে! অমুক নিহত হয়েছে! অথচ তাদের উদরে মদ আছে। রাবী বলেন, আমি জ্ঞাত নই যে, এ কথাও আনাস (রাঃ)-এর হাদীসের অন্তর্ভুক্ত কি-না। এরপর আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করেন: “যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে তারা পূর্বে যা খেয়েছে তাতে তাদের কোন গুনাহ নেই, যদি তারা সতর্ক হয় এবং ঈমান আনে ও সৎকাজ করে”– (সূরা আল-মায়িদাহ্) ৫:৯৩)। (ই.ফা.৪৯৬৭, ই.সে.৪৯৭৫)
حدثني أبو الربيع، سليمان بن داود العتكي حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - أخبرنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال كنت ساقي القوم يوم حرمت الخمر في بيت أبي طلحة وما شرابهم إلا الفضيخ البسر والتمر . فإذا مناد ينادي فقال اخرج فانظر فخرجت فإذا مناد ينادي ألا إن الخمر قد حرمت - قال - فجرت في سكك المدينة فقال لي أبو طلحة اخرج فاهرقها . فهرقتها فقالوا أو قال بعضهم قتل فلان قتل فلان وهي في بطونهم - قال فلا أدري هو من حديث أنس - فأنزل الله عز وجل { ليس على الذين آمنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا إذا ما اتقوا وآمنوا وعملوا الصالحات}
সহিহ মুসলিম ৫০২৬
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، أخبرنا عبد العزيز بن صهيب، قال سألوا أنس بن مالك عن الفضيخ، فقال ما كانت لنا خمر غير فضيخكم هذا الذي تسمونه الفضيخ إني لقائم أسقيها أبا طلحة وأبا أيوب ورجالا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتنا إذ جاء رجل فقال هل بلغكم الخبر قلنا لا قال فإن الخمر قد حرمت فقال يا أنس أرق هذه القلال قال فما راجعوها ولا سألوا عنها بعد خبر الرجل .
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মানুষেরা আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করল ‘ফাযীখ’ (খেজুরের তৈরি মদ) সম্পর্কে। তিনি বললেন, তোমরা যাকে ‘ফাযীখ’ বলে সম্বোধন কর, তোমাদের এ ফাযীখ ব্যতীত আমাদের আর কোন মদ-ই ছিল না। আমি আমাদের ঘরে আবূ তাল্হা, আবূ আইয়ূব (রাঃ) এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আরো কতিপয় সাহাবীকে মদপান করাতে মত্ত ছিলাম। এমন সময় এক লোক এসে বলল, তোমাদের নিকট কি কোন সংবাদ এসেছে? আমরা বললাম, না। সে বলল, মদ তো সম্পূর্ণরুপে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি (আবূ তালহা) বললেন, হে আনাস! এ মদের কলসগুলো ঢেলে দাও। তিনি বলেন,তারা উক্ত ব্যক্তির সংবাদের পর কোন খোঁজখবরও করেননি। এ সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাসাবাদও করেননি। (ই.ফা. ৪৯৬৮ ই.সে. ৪৯৭৬)
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মানুষেরা আনাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করল ‘ফাযীখ’ (খেজুরের তৈরি মদ) সম্পর্কে। তিনি বললেন, তোমরা যাকে ‘ফাযীখ’ বলে সম্বোধন কর, তোমাদের এ ফাযীখ ব্যতীত আমাদের আর কোন মদ-ই ছিল না। আমি আমাদের ঘরে আবূ তাল্হা, আবূ আইয়ূব (রাঃ) এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আরো কতিপয় সাহাবীকে মদপান করাতে মত্ত ছিলাম। এমন সময় এক লোক এসে বলল, তোমাদের নিকট কি কোন সংবাদ এসেছে? আমরা বললাম, না। সে বলল, মদ তো সম্পূর্ণরুপে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি (আবূ তালহা) বললেন, হে আনাস! এ মদের কলসগুলো ঢেলে দাও। তিনি বলেন,তারা উক্ত ব্যক্তির সংবাদের পর কোন খোঁজখবরও করেননি। এ সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাসাবাদও করেননি। (ই.ফা. ৪৯৬৮ ই.সে. ৪৯৭৬)
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، أخبرنا عبد العزيز بن صهيب، قال سألوا أنس بن مالك عن الفضيخ، فقال ما كانت لنا خمر غير فضيخكم هذا الذي تسمونه الفضيخ إني لقائم أسقيها أبا طلحة وأبا أيوب ورجالا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتنا إذ جاء رجل فقال هل بلغكم الخبر قلنا لا قال فإن الخمر قد حرمت فقال يا أنس أرق هذه القلال قال فما راجعوها ولا سألوا عنها بعد خبر الرجل .
সহিহ মুসলিম ৫০২১
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن علي بن حسين بن علي، عن أبيه، حسين بن علي عن علي بن أبي طالب، قال أصبت شارفا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في مغنم يوم بدر وأعطاني رسول الله صلى الله عليه وسلم شارفا أخرى فأنختهما يوما عند باب رجل من الأنصار وأنا أريد أن أحمل عليهما إذخرا لأبيعه ومعي صائغ من بني قينقاع فأستعين به على وليمة فاطمة وحمزة بن عبد المطلب يشرب في ذلك البيت معه قينة تغنيه فقالت ألا يا حمز للشرف النواء فثار إليهما حمزة بالسيف فجب أسنمتهما وبقر خواصرهما ثم أخذ من أكبادهما . قلت لابن شهاب ومن السنام قال قد جب أسنمتهما فذهب بها . قال ابن شهاب قال علي فنظرت إلى منظر أفظعني فأتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة فأخبرته الخبر فخرج ومعه زيد وانطلقت معه فدخل على حمزة فتغيظ عليه فرفع حمزة بصره فقال هل أنتم إلا عبيد لآبائي فرجع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقهقر حتى خرج عنهم .
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর দিবসে আমি গনীমাত (যুদ্ধলব্ধ মাল) হতে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আর একটি বয়স্ক উট দিয়েছিলেন। একদিন আমি জনৈক আনসারী ব্যক্তির দরজার সামনে সে দু’টি বেঁধে রাখলাম। আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল, সে দু’টির পিঠে করে কিছু ইযখির ঘাস বয়ে আনবো, আর তা বিক্রয় করে ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর ওয়ালীমায় সাহায্য নিব। আমার সঙ্গে ছিল বানূ কাইনুকা‘ গোত্রের জনৈক স্বর্ণকার। হামযাহ্ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সে বাড়িতেই মদ পান করছিল। তার সাথে ছিল একজন গায়িকা। সে (তার গানের মধ্যে) বললঃ (............ আরবি) অর্থাৎ- হে হামযাহ্! হৃষ্টপুষ্ট উট দু’টির কাছে যাও এবং মেহমানদের জন্য তা যাবাহ করো। তারপর হামযাহ্ ও দু’টির নিকট ছুটে গেল। পরে দু’টিরই কুজ [৩]কেটে ফেললো এবং তাদের পেট ফেড়ে দিল। তারপর সে এ দু’টির কলিজা বের করে নিল। আমি ইবনু শিহাবকে বললাম, তিনি কুজ দু’টি কি করলেন? তিনি বললেন, কুজ দু’টি কেটে সাথে নিয়ে চললেন। ইবনু শিহাব বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, এ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তাঁর নিকট ছিল যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)। এরপর আমি তাঁকে পুরো ঘটনা জানালাম। তিনি যায়দ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। আমিও তাঁর সাথে চললাম। হামযাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তিনি তাকে কিছু কঠিন কথা বললেন। হামযাহ্ (রাঃ) চোখ তুলে বলল, তোমরা তো আমার বাবার ক্রীতদাস ছাড়া কিছু নও। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছন দিকে ফিরে আসলেন। এমনকি তিনি তাদের নিকট থেকে বেরিয়ে চলে এলেন। (ই. ফা. ৬ষ্ঠ খণ্ড-৪৯৬৪, ই. সে. ৪৯৭১) বিঃ দ্রঃ ৪৯৬৪ নম্বরটি ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ ভুলক্রমে দুইবার দিয়েছে।
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর দিবসে আমি গনীমাত (যুদ্ধলব্ধ মাল) হতে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আর একটি বয়স্ক উট দিয়েছিলেন। একদিন আমি জনৈক আনসারী ব্যক্তির দরজার সামনে সে দু’টি বেঁধে রাখলাম। আমার আকাঙ্ক্ষা ছিল, সে দু’টির পিঠে করে কিছু ইযখির ঘাস বয়ে আনবো, আর তা বিক্রয় করে ফাতিমাহ্ (রাঃ)-এর ওয়ালীমায় সাহায্য নিব। আমার সঙ্গে ছিল বানূ কাইনুকা‘ গোত্রের জনৈক স্বর্ণকার। হামযাহ্ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সে বাড়িতেই মদ পান করছিল। তার সাথে ছিল একজন গায়িকা। সে (তার গানের মধ্যে) বললঃ (............ আরবি) অর্থাৎ- হে হামযাহ্! হৃষ্টপুষ্ট উট দু’টির কাছে যাও এবং মেহমানদের জন্য তা যাবাহ করো। তারপর হামযাহ্ ও দু’টির নিকট ছুটে গেল। পরে দু’টিরই কুজ [৩]কেটে ফেললো এবং তাদের পেট ফেড়ে দিল। তারপর সে এ দু’টির কলিজা বের করে নিল। আমি ইবনু শিহাবকে বললাম, তিনি কুজ দু’টি কি করলেন? তিনি বললেন, কুজ দু’টি কেটে সাথে নিয়ে চললেন। ইবনু শিহাব বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, এ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তাঁর নিকট ছিল যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)। এরপর আমি তাঁকে পুরো ঘটনা জানালাম। তিনি যায়দ (রাঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে বের হলেন। আমিও তাঁর সাথে চললাম। হামযাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তিনি তাকে কিছু কঠিন কথা বললেন। হামযাহ্ (রাঃ) চোখ তুলে বলল, তোমরা তো আমার বাবার ক্রীতদাস ছাড়া কিছু নও। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছন দিকে ফিরে আসলেন। এমনকি তিনি তাদের নিকট থেকে বেরিয়ে চলে এলেন। (ই. ফা. ৬ষ্ঠ খণ্ড-৪৯৬৪, ই. সে. ৪৯৭১) বিঃ দ্রঃ ৪৯৬৪ নম্বরটি ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ ভুলক্রমে দুইবার দিয়েছে।
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، حدثني ابن شهاب، عن علي بن حسين بن علي، عن أبيه، حسين بن علي عن علي بن أبي طالب، قال أصبت شارفا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في مغنم يوم بدر وأعطاني رسول الله صلى الله عليه وسلم شارفا أخرى فأنختهما يوما عند باب رجل من الأنصار وأنا أريد أن أحمل عليهما إذخرا لأبيعه ومعي صائغ من بني قينقاع فأستعين به على وليمة فاطمة وحمزة بن عبد المطلب يشرب في ذلك البيت معه قينة تغنيه فقالت ألا يا حمز للشرف النواء فثار إليهما حمزة بالسيف فجب أسنمتهما وبقر خواصرهما ثم أخذ من أكبادهما . قلت لابن شهاب ومن السنام قال قد جب أسنمتهما فذهب بها . قال ابن شهاب قال علي فنظرت إلى منظر أفظعني فأتيت نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة فأخبرته الخبر فخرج ومعه زيد وانطلقت معه فدخل على حمزة فتغيظ عليه فرفع حمزة بصره فقال هل أنتم إلا عبيد لآبائي فرجع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقهقر حتى خرج عنهم .
সহিহ মুসলিম ৫০২৩
وحدثني أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا سعيد بن كثير بن عفير أبو عثمان المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، أخبرني علي بن حسين، بن علي أن حسين بن علي، أخبره أن عليا قال كانت لي شارف من نصيبي من المغنم يوم بدر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاني شارفا من الخمس يومئذ فلما أردت أن أبتني بفاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم واعدت رجلا صواغا من بني قينقاع يرتحل معي فنأتي بإذخر أردت أن أبيعه من الصواغين فأستعين به في وليمة عرسي فبينا أنا أجمع لشارفى متاعا من الأقتاب والغرائر والحبال وشارفاى مناخان إلى جنب حجرة رجل من الأنصار وجمعت حين جمعت ما جمعت فإذا شارفاى قد اجتبت أسنمتهما وبقرت خواصرهما وأخذ من أكبادهما فلم أملك عينى حين رأيت ذلك المنظر منهما قلت من فعل هذا قالوا فعله حمزة بن عبد المطلب وهو في هذا البيت في شرب من الأنصار غنته قينة وأصحابه فقالت في غنائها ألا يا حمز للشرف النواء فقام حمزة بالسيف فاجتب أسنمتهما وبقر خواصرهما فأخذ من أكبادهما قال علي فانطلقت حتى أدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة - قال - فعرف رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهي الذي لقيت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك " قلت يا رسول الله والله ما رأيت كاليوم قط عدا حمزة على ناقتى فاجتب أسنمتهما وبقر خواصرهما وها هو ذا في بيت معه شرب - قال - فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بردائه فارتداه ثم انطلق يمشي واتبعته أنا وزيد بن حارثة حتى جاء الباب الذي فيه حمزة فاستأذن فأذنوا له فإذا هم شرب فطفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يلوم حمزة فيما فعل فإذا حمزة محمرة عيناه فنظر حمزة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صعد النظر إلى ركبتيه ثم صعد النظر فنظر إلى سرته ثم صعد النظر فنظر إلى وجهه فقال حمزة وهل أنتم إلا عبيد لأبي فعرف رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ثمل فنكص رسول الله صلى الله عليه وسلم على عقبيه القهقرى وخرج وخرجنا معه .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বাদ্রের দিন আমি গনীমাত থেকে আমার ভাগে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেদিন ‘এক পঞ্চমাংশ’ থেকে আমাকে আর একটি উট দিয়েছিলেন। আমি যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তনয়া ফাতিমাহ্-এর সাথে বাসর যাপনের আকাঙ্ক্ষা করলাম, তখন বানূ কাইনুকা’ গোত্রের জনৈক স্বর্ণকার ও আমি উভয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ হলাম। সে আমার সাথে যাবে আর আমরা (দু’জনে) ইয্খির (ঘাস) নিয়ে আসবো। আমি ইচ্ছা করলাম, এগুলো স্বর্ণকারদের কাছে বিক্রি করে তা দিয়ে আমার বিয়ের ওয়ালীমার বিষয়ে সাহায্য নিব। আমি উট দু’টির জন্য বসার গদি, থলে এবং রশি ইত্যাদি জিনিস সংগ্রহ করছিলাম। আর আমার উট দু’টি একজন আন্সারী লোকের গৃহের পাশে বাঁধা ছিল। আমিও যা সংগ্রহ করার সংগ্রহ করলাম। এমন সময় অকস্মাৎ লক্ষ্য করি সে দু’টি (উটের) কুজ কেটে ফেলা হয়েছে, পেটের দিক কেটে ফেলা হয়েছে এবং উভয়ের কলিজা বের করে নেয়া হয়েছে। আমার দু’ নয়ন এ দৃশ্য সহ্য করতে পারল না। আমি বলে উঠলাম, এ কাজ কোন্ লোক করল? লোকেরা, বলল হামযাহ্ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব। সে এ বাড়িতে আনসারদের একদল মদ্যপায়ীকারীদের মাঝে আছে। তাকে ও তার সঙ্গীদেরকে গান শুনাচ্ছিল এক গায়িকা। সে তার গানে বললঃ (.........আরবি) অর্থাৎ- হে হামযাহ্! তুমি হৃষ্টপুষ্ট উট দু’টির সন্মুখে যাবে কি? পরে হামযাহ্ তরবারি নিয়ে উঠলো, উট দু’টির কুজ কেটে ফেললো, পশ্চাৎদিক চিড়ে ফেললো। অতঃপর ও দু’টোর কলিজা নিয়ে গেল। ‘আলী (রাঃ) বলেন, সরাসরি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে গিয়ে উপস্থিত হলাম, তখন তাঁর কাছে ছিল যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার অবয়ব দেখে বুঝতে পারলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কি হয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্র কসম, আজকের দিনের মতো আমি আর কখনও দেখিনি! হামযাহ্ আমার উট দু’টির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উভয়ের কুজ দু’টি কেটে ফেলেছে, পিছনের দিক কেটে ফেলেছে, এবং কলিজা খুলে নিয়েছে! সে ঐ গৃহে আছে আর তার সাথে আছে মদ্যপায়ীদের কিছু লোক। তিনি বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদর নিয়ে আসতে বললেন। অতঃপর তা পরিধান করে হাঁটতে লাগলেন। আমি এবং যায়দ ইবনু হারিসাহ্ তাঁর পিছনে পিছনে অনুকরণ করলাম। পরিশেষে তিনি সে ঘরের দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন যে ঘরে হামযাহ্ ছিল। তারা তাঁকে অনুমতি দিল। তিনি প্রবেশ করেই লক্ষ্য করলেন মদ্যপায়ীর দল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামযার অপকর্মের জন্য তাকে শাসন ও নিন্দা করতে লাগলেন। এমতাবস্থায় হামযার চোখ দুটি লাল হয়ে গেল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো। এরপর সে তার হাঁটুর দিকে তাকালো, তারপর আরো উঁচুতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করল তাঁর নাভীর দিকে, এরপর দৃষ্টি উঠালো তার চেহারার দিকে। এরপর হামযাহ্ বলল, তোমরা তো আমার পিতার গোলাম ছাড়া কিছুই নও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন সে নেশাগ্রস্ত, তখন তিনি পিছনে হেঁটে বের হয়ে পড়লেন। আমরাও তাঁর সাথে বের হলাম। ( ই. ফা. ৪৯৬৬, ই. সে. ৪৯৭৩)
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বাদ্রের দিন আমি গনীমাত থেকে আমার ভাগে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেদিন ‘এক পঞ্চমাংশ’ থেকে আমাকে আর একটি উট দিয়েছিলেন। আমি যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তনয়া ফাতিমাহ্-এর সাথে বাসর যাপনের আকাঙ্ক্ষা করলাম, তখন বানূ কাইনুকা’ গোত্রের জনৈক স্বর্ণকার ও আমি উভয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ হলাম। সে আমার সাথে যাবে আর আমরা (দু’জনে) ইয্খির (ঘাস) নিয়ে আসবো। আমি ইচ্ছা করলাম, এগুলো স্বর্ণকারদের কাছে বিক্রি করে তা দিয়ে আমার বিয়ের ওয়ালীমার বিষয়ে সাহায্য নিব। আমি উট দু’টির জন্য বসার গদি, থলে এবং রশি ইত্যাদি জিনিস সংগ্রহ করছিলাম। আর আমার উট দু’টি একজন আন্সারী লোকের গৃহের পাশে বাঁধা ছিল। আমিও যা সংগ্রহ করার সংগ্রহ করলাম। এমন সময় অকস্মাৎ লক্ষ্য করি সে দু’টি (উটের) কুজ কেটে ফেলা হয়েছে, পেটের দিক কেটে ফেলা হয়েছে এবং উভয়ের কলিজা বের করে নেয়া হয়েছে। আমার দু’ নয়ন এ দৃশ্য সহ্য করতে পারল না। আমি বলে উঠলাম, এ কাজ কোন্ লোক করল? লোকেরা, বলল হামযাহ্ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব। সে এ বাড়িতে আনসারদের একদল মদ্যপায়ীকারীদের মাঝে আছে। তাকে ও তার সঙ্গীদেরকে গান শুনাচ্ছিল এক গায়িকা। সে তার গানে বললঃ (.........আরবি) অর্থাৎ- হে হামযাহ্! তুমি হৃষ্টপুষ্ট উট দু’টির সন্মুখে যাবে কি? পরে হামযাহ্ তরবারি নিয়ে উঠলো, উট দু’টির কুজ কেটে ফেললো, পশ্চাৎদিক চিড়ে ফেললো। অতঃপর ও দু’টোর কলিজা নিয়ে গেল। ‘আলী (রাঃ) বলেন, সরাসরি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে গিয়ে উপস্থিত হলাম, তখন তাঁর কাছে ছিল যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার অবয়ব দেখে বুঝতে পারলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কি হয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ্র কসম, আজকের দিনের মতো আমি আর কখনও দেখিনি! হামযাহ্ আমার উট দু’টির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উভয়ের কুজ দু’টি কেটে ফেলেছে, পিছনের দিক কেটে ফেলেছে, এবং কলিজা খুলে নিয়েছে! সে ঐ গৃহে আছে আর তার সাথে আছে মদ্যপায়ীদের কিছু লোক। তিনি বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদর নিয়ে আসতে বললেন। অতঃপর তা পরিধান করে হাঁটতে লাগলেন। আমি এবং যায়দ ইবনু হারিসাহ্ তাঁর পিছনে পিছনে অনুকরণ করলাম। পরিশেষে তিনি সে ঘরের দরজায় এসে অনুমতি চাইলেন যে ঘরে হামযাহ্ ছিল। তারা তাঁকে অনুমতি দিল। তিনি প্রবেশ করেই লক্ষ্য করলেন মদ্যপায়ীর দল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামযার অপকর্মের জন্য তাকে শাসন ও নিন্দা করতে লাগলেন। এমতাবস্থায় হামযার চোখ দুটি লাল হয়ে গেল। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো। এরপর সে তার হাঁটুর দিকে তাকালো, তারপর আরো উঁচুতে দৃষ্টি নিবদ্ধ করল তাঁর নাভীর দিকে, এরপর দৃষ্টি উঠালো তার চেহারার দিকে। এরপর হামযাহ্ বলল, তোমরা তো আমার পিতার গোলাম ছাড়া কিছুই নও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বুঝতে পারলেন সে নেশাগ্রস্ত, তখন তিনি পিছনে হেঁটে বের হয়ে পড়লেন। আমরাও তাঁর সাথে বের হলাম। ( ই. ফা. ৪৯৬৬, ই. সে. ৪৯৭৩)
وحدثني أبو بكر بن إسحاق، أخبرنا سعيد بن كثير بن عفير أبو عثمان المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، أخبرني علي بن حسين، بن علي أن حسين بن علي، أخبره أن عليا قال كانت لي شارف من نصيبي من المغنم يوم بدر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاني شارفا من الخمس يومئذ فلما أردت أن أبتني بفاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم واعدت رجلا صواغا من بني قينقاع يرتحل معي فنأتي بإذخر أردت أن أبيعه من الصواغين فأستعين به في وليمة عرسي فبينا أنا أجمع لشارفى متاعا من الأقتاب والغرائر والحبال وشارفاى مناخان إلى جنب حجرة رجل من الأنصار وجمعت حين جمعت ما جمعت فإذا شارفاى قد اجتبت أسنمتهما وبقرت خواصرهما وأخذ من أكبادهما فلم أملك عينى حين رأيت ذلك المنظر منهما قلت من فعل هذا قالوا فعله حمزة بن عبد المطلب وهو في هذا البيت في شرب من الأنصار غنته قينة وأصحابه فقالت في غنائها ألا يا حمز للشرف النواء فقام حمزة بالسيف فاجتب أسنمتهما وبقر خواصرهما فأخذ من أكبادهما قال علي فانطلقت حتى أدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة - قال - فعرف رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهي الذي لقيت . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك " قلت يا رسول الله والله ما رأيت كاليوم قط عدا حمزة على ناقتى فاجتب أسنمتهما وبقر خواصرهما وها هو ذا في بيت معه شرب - قال - فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بردائه فارتداه ثم انطلق يمشي واتبعته أنا وزيد بن حارثة حتى جاء الباب الذي فيه حمزة فاستأذن فأذنوا له فإذا هم شرب فطفق رسول الله صلى الله عليه وسلم يلوم حمزة فيما فعل فإذا حمزة محمرة عيناه فنظر حمزة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صعد النظر إلى ركبتيه ثم صعد النظر فنظر إلى سرته ثم صعد النظر فنظر إلى وجهه فقال حمزة وهل أنتم إلا عبيد لأبي فعرف رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ثمل فنكص رسول الله صلى الله عليه وسلم على عقبيه القهقرى وخرج وخرجنا معه .
সহিহ মুসলিম ৫০২৯
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال كنت أسقي أبا طلحة وأبا دجانة ومعاذ بن جبل في رهط من الأنصار فدخل علينا داخل فقال حدث خبر نزل تحريم الخمر . فكفأناها يومئذ وإنها لخليط البسر والتمر . قال قتادة وقال أنس بن مالك لقد حرمت الخمر وكانت عامة خمورهم يومئذ خليط البسر والتمر .
আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ তাল্হাহ্, আবূ দুজানাহ্ ও মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে আনসারীদের একদল মানুষের মাঝে মদপান করাচ্ছিলাম। তখন এক লোক আমাদের নিকট এসে বলল, একটি নতুন ব্যাপার ঘটেছে, মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতঃপর আমরা তখন পাত্রগুলো উপুড় করে ঢেলে দিয়েছিলাম। সে মদ ছিল কাঁচা-পাকা মিশ্রিত খেজুরের বানানো। কাতাদাহ্ বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, মদকে হারাম করা হয়েছে। সেকালে তাদের সাধারণ মদ ছিল কাঁচা-পাকায় সংমিশ্রিত খেজুরের তৈরী। (ই.ফা. ৪৯৭১, ই.সে. ৪৯৭৯)
আনাস ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ তাল্হাহ্, আবূ দুজানাহ্ ও মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে আনসারীদের একদল মানুষের মাঝে মদপান করাচ্ছিলাম। তখন এক লোক আমাদের নিকট এসে বলল, একটি নতুন ব্যাপার ঘটেছে, মদ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতঃপর আমরা তখন পাত্রগুলো উপুড় করে ঢেলে দিয়েছিলাম। সে মদ ছিল কাঁচা-পাকা মিশ্রিত খেজুরের বানানো। কাতাদাহ্ বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, মদকে হারাম করা হয়েছে। সেকালে তাদের সাধারণ মদ ছিল কাঁচা-পাকায় সংমিশ্রিত খেজুরের তৈরী। (ই.ফা. ৪৯৭১, ই.সে. ৪৯৭৯)
وحدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا ابن علية، قال وأخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال كنت أسقي أبا طلحة وأبا دجانة ومعاذ بن جبل في رهط من الأنصار فدخل علينا داخل فقال حدث خبر نزل تحريم الخمر . فكفأناها يومئذ وإنها لخليط البسر والتمر . قال قتادة وقال أنس بن مالك لقد حرمت الخمر وكانت عامة خمورهم يومئذ خليط البسر والتمر .
সহিহ মুসলিম ৫০৩০
وحدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا أخبرنا معاذ، بن هشام حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال إني لأسقي أبا طلحة وأبا دجانة وسهيل ابن بيضاء من مزادة فيها خليط بسر وتمر . بنحو حديث سعيد .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এমন একটি মদপাত্র হতে- আবূ তাল্হাহ্, আবূ দুজানাহ্ ও সুহায়ল ইবনু বাইযা (রাঃ)-কে মদপান করাচ্ছিলাম যার মধ্যে কাঁচা-পাকা খেজুরের মদ ছিল। অতঃপর বর্ণনাকারী সা’ঈদ (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৪৯৭২, ই.সে. ৪৯৮০)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি এমন একটি মদপাত্র হতে- আবূ তাল্হাহ্, আবূ দুজানাহ্ ও সুহায়ল ইবনু বাইযা (রাঃ)-কে মদপান করাচ্ছিলাম যার মধ্যে কাঁচা-পাকা খেজুরের মদ ছিল। অতঃপর বর্ণনাকারী সা’ঈদ (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৪৯৭২, ই.সে. ৪৯৮০)
وحدثنا أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا أخبرنا معاذ، بن هشام حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال إني لأسقي أبا طلحة وأبا دجانة وسهيل ابن بيضاء من مزادة فيها خليط بسر وتمر . بنحو حديث سعيد .
সহিহ মুসলিম ৫০৩১
وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن قتادة بن دعامة، حدثه أنه، سمع أنس بن مالك، يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يخلط التمر والزهو ثم يشرب وإن ذلك كان عامة خمورهم يوم حرمت الخمر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁচা-পাকা খেজুর দিয়ে মদ তৈরী করা এবং তা পান করা থেকে বারণ করেছেন। সেদিন তাই ছিল তাদের সাধারণ নেশাজাতীয় দ্রব্য যেদিন মদ হারাম করা হয়। (ই.ফা. ৪৯৭৩, ই.সে. ৪৯৮১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁচা-পাকা খেজুর দিয়ে মদ তৈরী করা এবং তা পান করা থেকে বারণ করেছেন। সেদিন তাই ছিল তাদের সাধারণ নেশাজাতীয় দ্রব্য যেদিন মদ হারাম করা হয়। (ই.ফা. ৪৯৭৩, ই.সে. ৪৯৮১)
وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، أن قتادة بن دعامة، حدثه أنه، سمع أنس بن مالك، يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يخلط التمر والزهو ثم يشرب وإن ذلك كان عامة خمورهم يوم حرمت الخمر .
সহিহ মুসলিম ৫০৩২
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني مالك بن أنس، عن إسحاق بن، عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، أنه قال كنت أسقي أبا عبيدة بن الجراح وأبا طلحة وأبى بن كعب شرابا من فضيخ وتمر فأتاهم آت فقال إن الخمر قد حرمت . فقال أبو طلحة يا أنس قم إلى هذه الجرة فاكسرها . فقمت إلى مهراس لنا فضربتها بأسفله حتى تكسرت .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনু জার্রাহ্, আবূ তালহাহ্ উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-কে মদপান করাচ্ছিলাম, যা কাঁচা ও শুকনো খেজুর দিয়ে তৈরি ছিল। অতঃপর জনৈক আগত ব্যক্তি এসে বলল, মদ তো হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। আবূ তালহাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আনাস! তুমি সে কলসটির কাছে গিয়ে তা ভেঙ্গে ফেল। আমি আমাদের মিহরাসটির (ছিদ্রযুক্ত পাথর) নিকট গেলাম এবং কলসের নিম্নাংশে আঘাত কর। যার দরুন সেটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৯৭৪, ই.সে. ৪৯৮২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ ‘উবাইদাহ্ ইবনু জার্রাহ্, আবূ তালহাহ্ উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-কে মদপান করাচ্ছিলাম, যা কাঁচা ও শুকনো খেজুর দিয়ে তৈরি ছিল। অতঃপর জনৈক আগত ব্যক্তি এসে বলল, মদ তো হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। আবূ তালহাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আনাস! তুমি সে কলসটির কাছে গিয়ে তা ভেঙ্গে ফেল। আমি আমাদের মিহরাসটির (ছিদ্রযুক্ত পাথর) নিকট গেলাম এবং কলসের নিম্নাংশে আঘাত কর। যার দরুন সেটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৯৭৪, ই.সে. ৪৯৮২)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني مالك بن أنس، عن إسحاق بن، عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، أنه قال كنت أسقي أبا عبيدة بن الجراح وأبا طلحة وأبى بن كعب شرابا من فضيخ وتمر فأتاهم آت فقال إن الخمر قد حرمت . فقال أبو طلحة يا أنس قم إلى هذه الجرة فاكسرها . فقمت إلى مهراس لنا فضربتها بأسفله حتى تكسرت .
সহিহ মুসলিম ৫০৩৩
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا عبد الحميد، بن جعفر حدثني أبي أنه، سمع أنس بن مالك، يقول لقد أنزل الله الآية التي حرم الله فيها الخمر وما بالمدينة شراب يشرب إلا من تمر .
জা’ফার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা যে আয়াতে মদ নিষিদ্ধ করেছেন, সেটি এমন সময় তৈরি করেছেন, যখন মদীনায় শুধুমাত্র খেজুরের তৈরি মদপান করা হত। (ই.ফা. ৪৯৭৫, ই.সে. ৪৯৮৩)
জা’ফার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা যে আয়াতে মদ নিষিদ্ধ করেছেন, সেটি এমন সময় তৈরি করেছেন, যখন মদীনায় শুধুমাত্র খেজুরের তৈরি মদপান করা হত। (ই.ফা. ৪৯৭৫, ই.সে. ৪৯৮৩)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا عبد الحميد، بن جعفر حدثني أبي أنه، سمع أنس بن مالك، يقول لقد أنزل الله الآية التي حرم الله فيها الخمر وما بالمدينة شراب يشرب إلا من تمر .
সহিহ মুসলিম ৫০২৪
وحدثنيه محمد بن عبد الله بن قهزاذ، حدثني عبد الله بن عثمان، عن عبد الله، بن المبارك عن يونس، عن الزهري، بهذا الإسناد مثله .
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণিত আছে। (ই. ফা. ৪৯৬৬, ই. সে. ৪৯৭৪)
যুহরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু বর্ণিত আছে। (ই. ফা. ৪৯৬৬, ই. সে. ৪৯৭৪)
وحدثنيه محمد بن عبد الله بن قهزاذ، حدثني عبد الله بن عثمان، عن عبد الله، بن المبارك عن يونس، عن الزهري، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৫০২২
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرني عبد الرزاق، أخبرني ابن جريج، بهذا الإسناد مثله .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৪৯৬৫, ই. সে. ৪৯৭২)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হুবহু বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ৪৯৬৫, ই. সে. ৪৯৭২)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرني عبد الرزاق، أخبرني ابن جريج، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম > মদ দ্বারা সিরকা তৈরি করা নিষেধ
সহিহ মুসলিম ৫০৩৪
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد الرحمن بن مهدي، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن السدي، عن يحيى بن عباد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل عن الخمر تتخذ خلا فقال " لا " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মদ দিয়ে সিরকা তৈরি করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, না। (ই.ফা. ৪৯৭৬, ই.সে. ৪৯৮৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মদ দিয়ে সিরকা তৈরি করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, না। (ই.ফা. ৪৯৭৬, ই.সে. ৪৯৮৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد الرحمن بن مهدي، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن السدي، عن يحيى بن عباد، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل عن الخمر تتخذ خلا فقال " لا " .
সহিহ মুসলিম > মদ দিয়ে চিকিৎসা করা হারাম
সহিহ মুসলিম ৫০৩৫
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، وائل الحضرمي، أن طارق بن سويد الجعفي، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن الخمر فنها أو كره أن يصنعها فقال إنما أصنعها للدواء فقال " إنه ليس بدواء ولكنه داء " .
ওয়ায়িল আল-হায্রামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তারিক ইবনু সুওয়াইদ জু‘ফী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মদ সস্পর্কে প্রশ্ন করলেন। তিনি তাকে বারণ করলেন, কিংবা মদ প্রস্তুত করাকে খুব জঘন্য মনে করলেন। তিনি [তারিক (রাঃ)] বললেন, আমি তো শুধু ঔষধ তৈরি করার জন্য মদ প্রস্তুত করি। তিনি বললেনঃ এটি তো (ব্যাধি নিরামক) ঔষধ নয়, বরং এটি নিজেই ব্যাধি। (ই.ফা. ৪৯৭৭, ই.সে. ৪৯৮৫)
ওয়ায়িল আল-হায্রামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তারিক ইবনু সুওয়াইদ জু‘ফী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মদ সস্পর্কে প্রশ্ন করলেন। তিনি তাকে বারণ করলেন, কিংবা মদ প্রস্তুত করাকে খুব জঘন্য মনে করলেন। তিনি [তারিক (রাঃ)] বললেন, আমি তো শুধু ঔষধ তৈরি করার জন্য মদ প্রস্তুত করি। তিনি বললেনঃ এটি তো (ব্যাধি নিরামক) ঔষধ নয়, বরং এটি নিজেই ব্যাধি। (ই.ফা. ৪৯৭৭, ই.সে. ৪৯৮৫)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، وائل الحضرمي، أن طارق بن سويد الجعفي، سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن الخمر فنها أو كره أن يصنعها فقال إنما أصنعها للدواء فقال " إنه ليس بدواء ولكنه داء " .
সহিহ মুসলিম > খেজুর ও আঙ্গুর হতে যা কিছু পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় তাই মদ নামে পরিচিত
সহিহ মুসলিম ৫০৩৭
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأوزاعي، حدثنا أبو كثير، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الخمر من هاتين الشجرتين النخلة والعنبة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মদ তৈরি হয় ঐ দু’টি গাছ (এর ফল) থেকে, তা হলো- খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ই.ফা. ৪৯৭৯, ই.সে. ৪৯৮৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, মদ তৈরি হয় ঐ দু’টি গাছ (এর ফল) থেকে, তা হলো- খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ই.ফা. ৪৯৭৯, ই.সে. ৪৯৮৭)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا الأوزاعي، حدثنا أبو كثير، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الخمر من هاتين الشجرتين النخلة والعنبة " .
সহিহ মুসলিম ৫০৩৮
وحدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن الأوزاعي، وعكرمة، بن عمار وعقبة بن التوأم عن أبي كثير، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الخمر من هاتين الشجرتين الكرمة والنخلة " . وفي رواية أبي كريب " الكرم والنخل " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদ তৈরি হয় ঐ দু’টি গাছ (এর ফল) থেকে, তা হলো- আঙ্গুর ও খেজুর গাছ (এর ফল)। আবূ কুরায়ব (রহঃ)-এর বর্ণনায় আঙ্গুরকে খেজুর বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪৯৮০, ই.সে. ৪৯৮৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদ তৈরি হয় ঐ দু’টি গাছ (এর ফল) থেকে, তা হলো- আঙ্গুর ও খেজুর গাছ (এর ফল)। আবূ কুরায়ব (রহঃ)-এর বর্ণনায় আঙ্গুরকে খেজুর বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৪৯৮০, ই.সে. ৪৯৮৮)
وحدثنا زهير بن حرب، وأبو كريب قالا حدثنا وكيع، عن الأوزاعي، وعكرمة، بن عمار وعقبة بن التوأم عن أبي كثير، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الخمر من هاتين الشجرتين الكرمة والنخلة " . وفي رواية أبي كريب " الكرم والنخل " .
সহিহ মুসলিম ৫০৩৬
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا الحجاج بن أبي، عثمان حدثني يحيى بن أبي كثير، أن أبا كثير، حدثه عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الخمر من هاتين الشجرتين النخلة والعنبة " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদ তৈরি হয় দু’টি গাছ (এর ফল) হতে, তা হলো- খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ই.ফা. ৪৯৭৮, ই.সে. ৪৯৮৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মদ তৈরি হয় দু’টি গাছ (এর ফল) হতে, তা হলো- খেজুর ও আঙ্গুর গাছ (এর ফল)। (ই.ফা. ৪৯৭৮, ই.সে. ৪৯৮৬)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، أخبرنا الحجاج بن أبي، عثمان حدثني يحيى بن أبي كثير، أن أبا كثير، حدثه عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الخمر من هاتين الشجرتين النخلة والعنبة " .