সহিহ মুসলিম > কুরবানী করার সময় প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ৪৯৬১

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الأسود، سمع جندبا البجلي، قال شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى يوم أضحى ثم خطب فقال ‏ "‏ من كان ذبح قبل أن يصلي فليعد مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله ‏"‏ ‏.‏

জুন্দাব বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি ঈদুল আয্‌হার সলাত আদায় করছিলেন। অতঃপর তিনি খুৎবা দিতে গিয়ে বলেন, যে লোক সলাত সম্পন্ন হওয়ার আগে যাবাহ করেছে সে যেন এর জায়গায় আরেকটি (পশু) যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি, সে যেন এখন আল্লাহ্‌র নামে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৭, ই.সে. ৪৯১১)

জুন্দাব বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সে সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম, যখন তিনি ঈদুল আয্‌হার সলাত আদায় করছিলেন। অতঃপর তিনি খুৎবা দিতে গিয়ে বলেন, যে লোক সলাত সম্পন্ন হওয়ার আগে যাবাহ করেছে সে যেন এর জায়গায় আরেকটি (পশু) যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি, সে যেন এখন আল্লাহ্‌র নামে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৭, ই.সে. ৪৯১১)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن الأسود، سمع جندبا البجلي، قال شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى يوم أضحى ثم خطب فقال ‏ "‏ من كان ذبح قبل أن يصلي فليعد مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح باسم الله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود، عن الشعبي، عن البراء، بن عازب قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال ‏ "‏ لا يذبحن أحد حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ قال فقال خالي يا رسول الله إن هذا يوم اللحم فيه مكروه ‏.‏ ثم ذكر بمعنى حديث هشيم ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের লক্ষ্য করে খুৎবা দিলেন এবং বললেনঃ সলাত আদায়ের আগে কেউ যেন যাবাহ না করে। বারা (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমার মামা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে তো গোশ্‌ত খোঁজা ভাল নয়। অতঃপর বর্ণনাকারী হুশায়ম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের উপরোল্লিখিত বাক্য বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯১১, ই.সে. ৪৯১৫)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের লক্ষ্য করে খুৎবা দিলেন এবং বললেনঃ সলাত আদায়ের আগে কেউ যেন যাবাহ না করে। বারা (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমার মামা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে তো গোশ্‌ত খোঁজা ভাল নয়। অতঃপর বর্ণনাকারী হুশায়ম (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের উপরোল্লিখিত বাক্য বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯১১, ই.সে. ৪৯১৫)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن داود، عن الشعبي، عن البراء، بن عازب قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال ‏ "‏ لا يذبحن أحد حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ قال فقال خالي يا رسول الله إن هذا يوم اللحم فيه مكروه ‏.‏ ثم ذكر بمعنى حديث هشيم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৫৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن الأسود، بن قيس عن جندب بن سفيان، قال شهدت الأضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قضى صلاته بالناس نظر إلى غنم قد ذبحت فقال ‏ "‏ من ذبح قبل الصلاة فليذبح شاة مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح على اسم الله ‏"‏ ‏.‏

জুন্দাব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ঈদুল আয্‌হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি মানুষের সাথে সলাত শেষ করে একটি বকরী দেখতে পেলেন, যা সলাতের আগেই যাবাহ করা হয়েছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সলাতের আগে যে লোক যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি বকরী যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি সে যেন এখন আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৫, ই.সে. ৪৯০৯)

জুন্দাব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ঈদুল আয্‌হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি মানুষের সাথে সলাত শেষ করে একটি বকরী দেখতে পেলেন, যা সলাতের আগেই যাবাহ করা হয়েছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সলাতের আগে যে লোক যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি বকরী যাবাহ করে। আর যে যাবাহ করেনি সে যেন এখন আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে যাবাহ করে। (ই.ফা. ৪৯০৫, ই.সে. ৪৯০৯)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن الأسود، بن قيس عن جندب بن سفيان، قال شهدت الأضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قضى صلاته بالناس نظر إلى غنم قد ذبحت فقال ‏ "‏ من ذبح قبل الصلاة فليذبح شاة مكانها ومن لم يكن ذبح فليذبح على اسم الله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৩

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن مطرف، عن عامر، عن البراء، قال ضحى خالي أبو بردة قبل الصلاة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك شاة لحم ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله إن عندي جذعة من المعز فقال ‏"‏ ضح بها ولا تصلح لغيرك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ من ضحى قبل الصلاة فإنما ذبح لنفسه ومن ذبح بعد الصلاة فقد تم نسكه وأصاب سنة المسلمين ‏"‏ ‏.‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার মামা আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) সলাতের আগে কুরবানী করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওটা গোশ্‌তের বকরী। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার কাছে ছয় মাসের একটি বকরীর বাচ্চা রয়েছে। তিনি বললেন, সেটি যাবাহ করো। তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য তা ঠিক হবে না। অতঃপর তিনি বললেন, যে লোক সলাতের আগে যাবাহ করল, সে শুধু নিজের জন্যই যাবাহ করল (অর্থাৎ আল্লাহর জন্য হলো না)। আর যে লোক সলাতের পর যাবাহ করল, তার কুরবানী পূর্ণ হয়ে গেল এবং সে মুসলিমদের শারী’আত অনুযায়ী কাজ করল। (ই.ফা. ৪৯০৯, ই.সে. ৪৯১৩)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার মামা আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) সলাতের আগে কুরবানী করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ওটা গোশ্‌তের বকরী। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার কাছে ছয় মাসের একটি বকরীর বাচ্চা রয়েছে। তিনি বললেন, সেটি যাবাহ করো। তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য তা ঠিক হবে না। অতঃপর তিনি বললেন, যে লোক সলাতের আগে যাবাহ করল, সে শুধু নিজের জন্যই যাবাহ করল (অর্থাৎ আল্লাহর জন্য হলো না)। আর যে লোক সলাতের পর যাবাহ করল, তার কুরবানী পূর্ণ হয়ে গেল এবং সে মুসলিমদের শারী’আত অনুযায়ী কাজ করল। (ই.ফা. ৪৯০৯, ই.সে. ৪৯১৩)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن مطرف، عن عامر، عن البراء، قال ضحى خالي أبو بردة قبل الصلاة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تلك شاة لحم ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله إن عندي جذعة من المعز فقال ‏"‏ ضح بها ولا تصلح لغيرك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ من ضحى قبل الصلاة فإنما ذبح لنفسه ومن ذبح بعد الصلاة فقد تم نسكه وأصاب سنة المسلمين ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৫৮

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الأسود بن قيس، ح وحدثناه يحيى، بن يحيى أخبرنا أبو خيثمة، عن الأسود بن قيس، حدثني جندب بن سفيان، قال شهدت الأضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يعد أن صلى وفرغ من صلاته سلم فإذا هو يرى لحم أضاحي قد ذبحت قبل أن يفرغ من صلاته فقال ‏ "‏ من كان ذبح أضحيته قبل أن يصلي - أو نصلي - فليذبح مكانها أخرى ومن كان لم يذبح فليذبح باسم الله ‏"‏ ‏.‏

জুন্‌দাব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ঈদুল আয্‌হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি অন্য কোন কাজ না করে সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে সালাম ফিরলেন। অতঃপর তিনি কুরবানীর গোশ্‌ত দেখতে পেলেন, যা তাঁর সলাত আদায়ের আগেই যাবাহ করা হয়েছিল। তারপর তিনি বললেন, যে লোক সলাত আদায়ের আগে তার কুরবানীর পশু যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি পশু যাবাহ করে। আর যে ব্যক্তি যাবাহ করেনি সে যেন আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে (বিস্‌মিল্লা-হ) যাবাহ করে। [১] (ই.ফা. ৪৯০৪, ই.সে. ৪৯০৮)

জুন্‌দাব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ঈদুল আয্‌হায় উপস্থিত ছিলাম। তিনি অন্য কোন কাজ না করে সলাত আদায় করলেন। সলাত শেষে সালাম ফিরলেন। অতঃপর তিনি কুরবানীর গোশ্‌ত দেখতে পেলেন, যা তাঁর সলাত আদায়ের আগেই যাবাহ করা হয়েছিল। তারপর তিনি বললেন, যে লোক সলাত আদায়ের আগে তার কুরবানীর পশু যাবাহ করেছে, সে যেন এর জায়গায় অন্য একটি পশু যাবাহ করে। আর যে ব্যক্তি যাবাহ করেনি সে যেন আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে (বিস্‌মিল্লা-হ) যাবাহ করে। [১] (ই.ফা. ৪৯০৪, ই.সে. ৪৯০৮)

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الأسود بن قيس، ح وحدثناه يحيى، بن يحيى أخبرنا أبو خيثمة، عن الأسود بن قيس، حدثني جندب بن سفيان، قال شهدت الأضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يعد أن صلى وفرغ من صلاته سلم فإذا هو يرى لحم أضاحي قد ذبحت قبل أن يفرغ من صلاته فقال ‏ "‏ من كان ذبح أضحيته قبل أن يصلي - أو نصلي - فليذبح مكانها أخرى ومن كان لم يذبح فليذبح باسم الله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৪

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن داود، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، أن خاله أبا بردة بن نيار، ذبح قبل أن يذبح النبي، صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن هذا يوم اللحم فيه مكروه وإني عجلت نسيكتي لأطعم أهلي وجيراني وأهل داري ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعد نسكا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله إن عندي عناق لبن هي خير من شاتى لحم ‏.‏ فقال ‏"‏ هي خير نسيكتيك ولا تجزي جذعة عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর মামা আবু বুরদাহ্‌ ইবনু নিয়ার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যাবাহ এর আগে যাবাহ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে গোশ্‌ত খোঁজা ভাল নয়। তাই আমি আমার পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও স্বীয় গৃহের লোকদের খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে দ্রুত কুরবানী করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আবার কুরবানী করো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার কাছে একটি দুধেল বকরী আছে, যেদি গোশ্‌তের (মাপে) দু’টি বকরীর চেয়েও ভাল। তিনি বললেন, দু’টির কুরবানীর মধ্যে এটিই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। আর তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য ছয় মাসের বকরী যথেষ্ট হবে না। ( ই.ফা. ৪৯১০, ই.সে. ৪৯১৪)

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর মামা আবু বুরদাহ্‌ ইবনু নিয়ার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যাবাহ এর আগে যাবাহ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে গোশ্‌ত খোঁজা ভাল নয়। তাই আমি আমার পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী ও স্বীয় গৃহের লোকদের খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে দ্রুত কুরবানী করেছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আবার কুরবানী করো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার কাছে একটি দুধেল বকরী আছে, যেদি গোশ্‌তের (মাপে) দু’টি বকরীর চেয়েও ভাল। তিনি বললেন, দু’টির কুরবানীর মধ্যে এটিই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। আর তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য ছয় মাসের বকরী যথেষ্ট হবে না। ( ই.ফা. ৪৯১০, ই.সে. ৪৯১৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن داود، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، أن خاله أبا بردة بن نيار، ذبح قبل أن يذبح النبي، صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن هذا يوم اللحم فيه مكروه وإني عجلت نسيكتي لأطعم أهلي وجيراني وأهل داري ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعد نسكا ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله إن عندي عناق لبن هي خير من شاتى لحم ‏.‏ فقال ‏"‏ هي خير نسيكتيك ولا تجزي جذعة عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৬

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن فراس، عن عامر، عن البراء، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من صلى صلاتنا ووجه قبلتنا ونسك نسكنا فلا يذبح حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ فقال خالي يا رسول الله قد نسكت عن ابن لي ‏.‏ فقال ‏"‏ ذاك شىء عجلته لأهلك ‏"‏ ‏.‏ فقال إن عندي شاة خير من شاتين قال ‏"‏ ضح بها فإنها خير نسيكة ‏"‏ ‏.‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আমাদের মতো সলাত আদায় করে, আমাদের কিবলামুখী হয় এবং আমাদের মতো কুরবানী করে, সে যেন সলাতের পূর্বে যাবাহ না করে। পরে আমার মামা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমি তো আমার ছেলের পক্ষ থেকে কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি বললেন, সেটা তো এমন জিনিস, যা তুমি তোমার পরিবারের জন্য জলদি করে (যাবাহ করে) ফেলেছ। তিনি বললেন, আমার কাছে (এমন) একটি বকরি আছে, যা দুটি বকরীর চেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, তুমি সেটা কুরবানী কর। কারন সেটাই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। (ই.ফা. ৪৯১২, ই.সে. ৪৯১৬)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক আমাদের মতো সলাত আদায় করে, আমাদের কিবলামুখী হয় এবং আমাদের মতো কুরবানী করে, সে যেন সলাতের পূর্বে যাবাহ না করে। পরে আমার মামা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমি তো আমার ছেলের পক্ষ থেকে কুরবানী করে ফেলেছি। তিনি বললেন, সেটা তো এমন জিনিস, যা তুমি তোমার পরিবারের জন্য জলদি করে (যাবাহ করে) ফেলেছ। তিনি বললেন, আমার কাছে (এমন) একটি বকরি আছে, যা দুটি বকরীর চেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, তুমি সেটা কুরবানী কর। কারন সেটাই তোমার উত্তম কুরবানী হবে। (ই.ফা. ৪৯১২, ই.সে. ৪৯১৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، عن فراس، عن عامر، عن البراء، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من صلى صلاتنا ووجه قبلتنا ونسك نسكنا فلا يذبح حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ فقال خالي يا رسول الله قد نسكت عن ابن لي ‏.‏ فقال ‏"‏ ذاك شىء عجلته لأهلك ‏"‏ ‏.‏ فقال إن عندي شاة خير من شاتين قال ‏"‏ ضح بها فإنها خير نسيكة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৭

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن زبيد الإيامي، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن أول ما نبدأ به في يومنا هذا نصلي ثم نرجع فننحر فمن فعل ذلك فقد أصاب سنتنا ومن ذبح فإنما هو لحم قدمه لأهله ليس من النسك في شىء ‏"‏ ‏.‏ وكان أبو بردة بن نيار قد ذبح فقال عندي جذعة خير من مسنة فقال ‏"‏ اذبحها ولن تجزي عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজকের দিনে আমাদের প্রথম কাজ হলো সলাত আদায় করা। তারপর আমরা ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। যে লোক এরূপ করলো সে আমাদের সুন্নাত পালন করলো। আর যে লোক (সলাতের আগে) যাবাহ করলো, সেটা কেবল গোশ্‌ত (খাওয়ার জন্য) হলো, যা সে নিজের পরিবারের জন্য অগ্রিম ব্যবস্থা করলো। সেটা কুরবানীর কিছুই হলো না। আবূ বুরদাহ্‌ ইবনু নিয়ার (রাঃ) পূর্বেই কুরবানীর নিয়্যাতে যাবাহ করে ফেলেছিলেন। তাই তিনি বললেন, আমার কাছে একটি ছয় মাসের বকরীর বাচ্ছা আছে যা এক বছরের বাচ্চার চেয়েও হৃষ্টপুষ্ট। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সেটিই কুরবানী করো। তোমার পরে আর কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৩, ই.সে. ৪৯১৭)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আজকের দিনে আমাদের প্রথম কাজ হলো সলাত আদায় করা। তারপর আমরা ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। যে লোক এরূপ করলো সে আমাদের সুন্নাত পালন করলো। আর যে লোক (সলাতের আগে) যাবাহ করলো, সেটা কেবল গোশ্‌ত (খাওয়ার জন্য) হলো, যা সে নিজের পরিবারের জন্য অগ্রিম ব্যবস্থা করলো। সেটা কুরবানীর কিছুই হলো না। আবূ বুরদাহ্‌ ইবনু নিয়ার (রাঃ) পূর্বেই কুরবানীর নিয়্যাতে যাবাহ করে ফেলেছিলেন। তাই তিনি বললেন, আমার কাছে একটি ছয় মাসের বকরীর বাচ্ছা আছে যা এক বছরের বাচ্চার চেয়েও হৃষ্টপুষ্ট। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সেটিই কুরবানী করো। তোমার পরে আর কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৩, ই.সে. ৪৯১৭)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن زبيد الإيامي، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن أول ما نبدأ به في يومنا هذا نصلي ثم نرجع فننحر فمن فعل ذلك فقد أصاب سنتنا ومن ذبح فإنما هو لحم قدمه لأهله ليس من النسك في شىء ‏"‏ ‏.‏ وكان أبو بردة بن نيار قد ذبح فقال عندي جذعة خير من مسنة فقال ‏"‏ اذبحها ولن تجزي عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৯

وحدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، كلاهما عن منصور، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم النحر بعد الصلاة ‏.‏ ثم ذكر نحو حديثهم ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন সলাতের পর আমাদের লক্ষ্য করে খুৎবা দিলেন। তারপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনাকারীদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯১৫, ই.সে. ৪৯১৯)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন সলাতের পর আমাদের লক্ষ্য করে খুৎবা দিলেন। তারপর রাবী উল্লেখিত বর্ণনাকারীদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯১৫, ই.সে. ৪৯১৯)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، كلاهما عن منصور، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم النحر بعد الصلاة ‏.‏ ثم ذكر نحو حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭০

وحدثني أحمد بن سعيد بن صخر الدارمي، حدثنا أبو النعمان، عارم بن الفضل حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا عاصم الأحول، عن الشعبي، حدثني البراء، بن عازب قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم نحر فقال ‏"‏ لا يضحين أحد حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ قال رجل عندي عناق لبن هي خير من شاتى لحم قال ‏"‏ فضح بها ولا تجزي جذعة عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে খুৎবা দিলেন। তিনি এতে বললেনঃ সলাতের আগে কেউ যেন কুরবানী না করে। এক লোক বলল, আমার কাছে একটি দুধেল বকরী রয়েছে, যেটি গোশ্‌তের (হিসেবে) দু’টি বকরীর চেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, ওটা কুরবানী করো। তোমার পর অন্য কারো জন্য এ রকম ছ’মাসের বাচ্চা (কুরবানী করা) যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৬, ই.সে. ৪৯২০)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরবানীর দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশ্যে খুৎবা দিলেন। তিনি এতে বললেনঃ সলাতের আগে কেউ যেন কুরবানী না করে। এক লোক বলল, আমার কাছে একটি দুধেল বকরী রয়েছে, যেটি গোশ্‌তের (হিসেবে) দু’টি বকরীর চেয়ে উত্তম। তিনি বললেন, ওটা কুরবানী করো। তোমার পর অন্য কারো জন্য এ রকম ছ’মাসের বাচ্চা (কুরবানী করা) যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৬, ই.সে. ৪৯২০)

وحدثني أحمد بن سعيد بن صخر الدارمي، حدثنا أبو النعمان، عارم بن الفضل حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا عاصم الأحول، عن الشعبي، حدثني البراء، بن عازب قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم نحر فقال ‏"‏ لا يضحين أحد حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ قال رجل عندي عناق لبن هي خير من شاتى لحم قال ‏"‏ فضح بها ولا تجزي جذعة عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭১

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن سلمة، عن أبي جحيفة، عن البراء بن عازب، قال ذبح أبو بردة قبل الصلاة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبدلها ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله ليس عندي إلا جذعة - قال شعبة وأظنه قال - وهي خير من مسنة ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اجعلها مكانها ولن تجزي عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) সলাতের পূর্বে কুরবানী করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটার পরিবর্তে অন্য একটি কুরবানী করো। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার নিকট শুধু একটি ছ’মাসের বকরীর বাচ্চা আছে। শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, মনে হয় তিনি বলেছেন, সেটা এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেটির স্থানে এটি কুরবানী করো। আর তোমার পর অন্য কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৭, ই.সে. ৪৯২১)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) সলাতের পূর্বে কুরবানী করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটার পরিবর্তে অন্য একটি কুরবানী করো। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার নিকট শুধু একটি ছ’মাসের বকরীর বাচ্চা আছে। শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, মনে হয় তিনি বলেছেন, সেটা এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেটির স্থানে এটি কুরবানী করো। আর তোমার পর অন্য কারো জন্য এটা যথেষ্ট হবে না। (ই.ফা. ৪৯১৭, ই.সে. ৪৯২১)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن سلمة، عن أبي جحيفة، عن البراء بن عازب، قال ذبح أبو بردة قبل الصلاة فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبدلها ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله ليس عندي إلا جذعة - قال شعبة وأظنه قال - وهي خير من مسنة ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اجعلها مكانها ولن تجزي عن أحد بعدك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৩

وحدثني يحيى بن أيوب، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لعمرو - قال حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن محمد، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر ‏ "‏ من كان ذبح قبل الصلاة فليعد ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل فقال يا رسول الله هذا يوم يشتهى فيه اللحم ‏.‏ وذكر هنة من جيرانه كأن رسول الله صلى الله عليه وسلم صدقه قال وعندي جذعة هي أحب إلى من شاتى لحم أفأذبحها قال فرخص له فقال لا أدري أبلغت رخصته من سواه أم لا قال وانكفأ رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى كبشين فذبحهما فقام الناس إلى غنيمة فتوزعوها ‏.‏ أو قال فتجزعوها ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বে যাবাহ করেছে, সে যেন আবার যাবাহ করে। এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে তো গোশ্‌ত খাওয়ার ইচ্ছা হয়ে থাকে! এ সময় সে তার প্রতিবেশীদের প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন তার কথাকে সত্য মনে করলেন। সে আরো বলল, আমার কাছে একটি ছ’মাসের বকরীর বাচ্চা রয়েছে, যেটি গোশ্‌তের (হিসেবে) অন্য দু’টি বকরীর চাইতেও উত্তম, আমি কি সেটি যাবাহ করব? আনাস (রাঃ) বলেন, পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। আমার জানা নেই যে, ঐ অনুমতি এ লোক ব্যতিত অন্য কারো জন্যে ছিল কি-না। আনাস (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’টি দুম্বার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দু’টি যাবাহ করলেন, আর লোকজন বকরীগুলোর দিকে (অর্থাৎ ঐ দুম্বাগুলোর দিকে) এগিয়ে গেল এবং সেগুলো বন্টন করল। অথবা তিনি বলেছেন, তারা পরস্পর ভাগ-বাটোয়ারা করল। (ই.ফা. ৪৯১৯, ই.সে. ৪৯২৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন বললেনঃ যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বে যাবাহ করেছে, সে যেন আবার যাবাহ করে। এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আজকের দিনে তো গোশ্‌ত খাওয়ার ইচ্ছা হয়ে থাকে! এ সময় সে তার প্রতিবেশীদের প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন তার কথাকে সত্য মনে করলেন। সে আরো বলল, আমার কাছে একটি ছ’মাসের বকরীর বাচ্চা রয়েছে, যেটি গোশ্‌তের (হিসেবে) অন্য দু’টি বকরীর চাইতেও উত্তম, আমি কি সেটি যাবাহ করব? আনাস (রাঃ) বলেন, পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। আমার জানা নেই যে, ঐ অনুমতি এ লোক ব্যতিত অন্য কারো জন্যে ছিল কি-না। আনাস (রাঃ) আরো বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’টি দুম্বার দিকে এগিয়ে গেলেন এবং সে দু’টি যাবাহ করলেন, আর লোকজন বকরীগুলোর দিকে (অর্থাৎ ঐ দুম্বাগুলোর দিকে) এগিয়ে গেল এবং সেগুলো বন্টন করল। অথবা তিনি বলেছেন, তারা পরস্পর ভাগ-বাটোয়ারা করল। (ই.ফা. ৪৯১৯, ই.সে. ৪৯২৩)

وحدثني يحيى بن أيوب، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، جميعا عن ابن علية، - واللفظ لعمرو - قال حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن محمد، عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر ‏ "‏ من كان ذبح قبل الصلاة فليعد ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل فقال يا رسول الله هذا يوم يشتهى فيه اللحم ‏.‏ وذكر هنة من جيرانه كأن رسول الله صلى الله عليه وسلم صدقه قال وعندي جذعة هي أحب إلى من شاتى لحم أفأذبحها قال فرخص له فقال لا أدري أبلغت رخصته من سواه أم لا قال وانكفأ رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى كبشين فذبحهما فقام الناس إلى غنيمة فتوزعوها ‏.‏ أو قال فتجزعوها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৪

حدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، وهشام، عن محمد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى ثم خطب فأمر من كان ذبح قبل الصلاة أن يعيد ذبحا ثم ذكر بمثل حديث ابن علية ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন, এরপর খুৎবা দিলেন। অতঃপর যে লোক সলাতের আগে কুরবানী করেছে তাকে আবার কুরবানী করার নির্দেশ দিলেন। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু ‘উলাইয়্যার হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯২০ ই.সে. ৪৯২৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করলেন, এরপর খুৎবা দিলেন। অতঃপর যে লোক সলাতের আগে কুরবানী করেছে তাকে আবার কুরবানী করার নির্দেশ দিলেন। এরপর বর্ণনাকারী ইবনু ‘উলাইয়্যার হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯২০ ই.সে. ৪৯২৪)

حدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، وهشام، عن محمد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى ثم خطب فأمر من كان ذبح قبل الصلاة أن يعيد ذبحا ثم ذكر بمثل حديث ابن علية ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৫

وحدثني زياد بن يحيى الحساني، حدثنا حاتم، - يعني ابن وردان - حدثنا أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أضحى - قال - فوجد ريح لحم فنهاهم أن يذبحوا قال ‏ "‏ من كان ضحى فليعد ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديثهما ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন আমাদের উদ্দেশ্যে খুৎবা দিলেন। তারপর গোশ্‌তের গন্ধ পেয়ে (সলাতের আগে) কুরবানী করতে বারণ করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বে কুরবানী করেছে, সে যেন আবার কুরবানী করে। তারপর বর্ণনাকারী ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্‌ ও হাম্মাদ (রহঃ)-এর হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯২১, ই.সে. ৪৯২৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন আমাদের উদ্দেশ্যে খুৎবা দিলেন। তারপর গোশ্‌তের গন্ধ পেয়ে (সলাতের আগে) কুরবানী করতে বারণ করলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বে কুরবানী করেছে, সে যেন আবার কুরবানী করে। তারপর বর্ণনাকারী ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্‌ ও হাম্মাদ (রহঃ)-এর হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯২১, ই.সে. ৪৯২৫)

وحدثني زياد بن يحيى الحساني، حدثنا حاتم، - يعني ابن وردان - حدثنا أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أضحى - قال - فوجد ريح لحم فنهاهم أن يذبحوا قال ‏ "‏ من كان ضحى فليعد ‏"‏ ‏.‏ ثم ذكر بمثل حديثهما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬৮

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن زبيد، سمع الشعبي، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯১৪, ই.সে. ৪৯১৮)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯১৪, ই.সে. ৪৯১৮)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن زبيد، سمع الشعبي، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬২

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৮, ই.সে. ৪৯১২)

শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৮, ই.সে. ৪৯১২)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৬০

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن، أبي عمر عن ابن عيينة، كلاهما عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد وقالا على اسم الله ‏.‏ كحديث أبي الأحوص ‏.‏

আস্ওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সূত্রে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তাঁরা আবুল আহ্ওয়াস (রহঃ)-এর হাদীসের হুবুহু ... বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৬, ই.সে. ৪৯১০)

আস্ওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সূত্রে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন এবং তাঁরা আবুল আহ্ওয়াস (রহঃ)-এর হাদীসের হুবুহু ... বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৬, ই.সে. ৪৯১০)

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن، أبي عمر عن ابن عيينة، كلاهما عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد وقالا على اسم الله ‏.‏ كحديث أبي الأحوص ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭২

وحدثناه ابن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أبو عامر العقدي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ ولم يذكر الشك في قوله هي خير من مسنة ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তবে তিনি এটা ‘এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম’ এ বাক্যের বর্ণনায় সংশয়ের বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৪৯১৮, ই.সে. ৪৯২২)

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তবে তিনি এটা ‘এক বছরের বাচ্চার চাইতেও উত্তম’ এ বাক্যের বর্ণনায় সংশয়ের বর্ণনা করেননি। (ই.ফা. ৪৯১৮, ই.সে. ৪৯২২)

وحدثناه ابن المثنى، حدثني وهب بن جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أبو عامر العقدي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ‏.‏ ولم يذكر الشك في قوله هي خير من مسنة ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কুরবানীর পশুর বয়স

সহিহ মুসলিম ৪৯৮০

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا يحيى، - يعني ابن حسان - أخبرنا معاوية، - وهو ابن سلام - حدثني يحيى بن أبي كثير، أخبرني بعجة بن عبد، الله أن عقبة بن عامر الجهني، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم ضحايا بين أصحابه ‏.‏ بمثل معناه ‏.‏

‘উক্‌বাহ্‌ ‘আমির জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে কুরবানীর জন্তু ভাগ করলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী উল্লেখিত অনুবাদের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৪৯২৬, ই.সে. ৪৯৩০)

‘উক্‌বাহ্‌ ‘আমির জুহানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে কুরবানীর জন্তু ভাগ করলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী উল্লেখিত অনুবাদের হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৪৯২৬, ই.সে. ৪৯৩০)

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا يحيى، - يعني ابن حسان - أخبرنا معاوية، - وهو ابن سلام - حدثني يحيى بن أبي كثير، أخبرني بعجة بن عبد، الله أن عقبة بن عامر الجهني، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم ضحايا بين أصحابه ‏.‏ بمثل معناه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৬

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تذبحوا إلا مسنة إلا أن يعسر عليكم فتذبحوا جذعة من الضأن ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মুসিন্নাহ্‌ (দুধ দাঁত পড়ে গেছে এমন পশু) ছাড়া কুরবানী করবে না। তবে এটা তোমাদের জন্য কষ্টকর মনে হলে তোমরা ছ’মাসের মেষ-শাবক কুরবানী করতে পার। (ই.ফা. ৪৯২২, ই.সে. ৪৯২৬)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মুসিন্নাহ্‌ (দুধ দাঁত পড়ে গেছে এমন পশু) ছাড়া কুরবানী করবে না। তবে এটা তোমাদের জন্য কষ্টকর মনে হলে তোমরা ছ’মাসের মেষ-শাবক কুরবানী করতে পার। (ই.ফা. ৪৯২২, ই.সে. ৪৯২৬)

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تذبحوا إلا مسنة إلا أن يعسر عليكم فتذبحوا جذعة من الضأن ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৭

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر بالمدينة فتقدم رجال فنحروا وظنوا أن النبي صلى الله عليه وسلم قد نحر فأمر النبي صلى الله عليه وسلم من كان نحر قبله أن يعيد بنحر آخر ولا ينحروا حتى ينحر النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মাদীনায় আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন। তারপর কিছু লোক এ মনে করে আগেই কুরবানী করে ফেললো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্ভবত কুরবানী করেছেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যারা তাঁর পূর্বে কুরবানী করেছে, তাদেরকে আবার আর একটি কুরবানী করার আদেশ করেন এবং তিনি নির্দেশ দেন, কেউ যেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কুরবানী করার আগে কুরবানী না করে। (ই.ফা. ৪৯২৩, ই.সে. ৪৯২৭)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মাদীনায় আমাদের নিয়ে সলাত আদায় করলেন। তারপর কিছু লোক এ মনে করে আগেই কুরবানী করে ফেললো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্ভবত কুরবানী করেছেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যারা তাঁর পূর্বে কুরবানী করেছে, তাদেরকে আবার আর একটি কুরবানী করার আদেশ করেন এবং তিনি নির্দেশ দেন, কেউ যেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কুরবানী করার আগে কুরবানী না করে। (ই.ফা. ৪৯২৩, ই.সে. ৪৯২৭)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر بالمدينة فتقدم رجال فنحروا وظنوا أن النبي صلى الله عليه وسلم قد نحر فأمر النبي صلى الله عليه وسلم من كان نحر قبله أن يعيد بنحر آخر ولا ينحروا حتى ينحر النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৮

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاه غنما يقسمها على أصحابه ضحايا فبقي عتود فذكره لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ضح به أنت ‏"‏ ‏.‏ قال قتيبة على صحابته ‏.‏

‘উক্‌বাহ্‌ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীগনের মধ্যে কুরবানীর পশু বন্টন করার জন্য তাঁকে কিছু বকরী দিলেন। একটি বাচ্চা (ছ’মাসের) বাকী রয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে জানালে তিনি বললেন, তুমি এটা কুরবানী করো। কুতাইবাহ্‌ (রহঃ) ... শব্দের স্থলে ... শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯২৪, ই.সে. ৪৯২৮)

‘উক্‌বাহ্‌ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীগনের মধ্যে কুরবানীর পশু বন্টন করার জন্য তাঁকে কিছু বকরী দিলেন। একটি বাচ্চা (ছ’মাসের) বাকী রয়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে জানালে তিনি বললেন, তুমি এটা কুরবানী করো। কুতাইবাহ্‌ (রহঃ) ... শব্দের স্থলে ... শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯২৪, ই.সে. ৪৯২৮)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاه غنما يقسمها على أصحابه ضحايا فبقي عتود فذكره لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ضح به أنت ‏"‏ ‏.‏ قال قتيبة على صحابته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৭৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن هشام الدستوائي، عن يحيى بن أبي كثير، عن بعجة الجهني، عن عقبة بن عامر الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا ضحايا فأصابني جذع فقلت يا رسول الله إنه أصابني جذع ‏.‏ فقال ‏ "‏ ضح به ‏"‏ ‏.‏

‘উক্‌বাহ্‌ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে কুরবানীর জন্ত ভাগ করলে আমার ভাগে একটি ছ’মাসের বাচ্চা ছাগল পড়ে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো ছ’মাসের একটি বাচ্চা (ছাগল) পেয়েছি? তিনি বললেন তা-ই তুমি কুরবানী করো। (ই.ফা. ৪৯২৫, ই.সে. ৪৯২৯)

‘উক্‌বাহ্‌ ইবনু ‘আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে কুরবানীর জন্ত ভাগ করলে আমার ভাগে একটি ছ’মাসের বাচ্চা ছাগল পড়ে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তো ছ’মাসের একটি বাচ্চা (ছাগল) পেয়েছি? তিনি বললেন তা-ই তুমি কুরবানী করো। (ই.ফা. ৪৯২৫, ই.সে. ৪৯২৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن هشام الدستوائي، عن يحيى بن أبي كثير، عن بعجة الجهني، عن عقبة بن عامر الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا ضحايا فأصابني جذع فقلت يا رسول الله إنه أصابني جذع ‏.‏ فقال ‏ "‏ ضح به ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৪৯৮২

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن شعبة، عن قتادة، عن أنس، قال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين قال ورأيته يذبحهما بيده ورأيته واضعا قدمه على صفاحهما قال وسمى وكبر ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’শিং যুক্ত সাদা-কালো বর্ণের দু’টি দুম্বা কুরবানী করেন। তিনি আরও বলেন, আমি-তাঁকে দুম্বা দু’টি স্বহস্তে যাবাহ করতে দেখেছি। আরও দেখেছি, তিনি ও দু’টির ঘাড়ের পাশে নিজ পা দিয়ে চেপে রাখেন এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্লাহ আকবার’ বলেন। (ই.ফা. ৪৯২৮, ই.সে. ৪৯৩২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’শিং যুক্ত সাদা-কালো বর্ণের দু’টি দুম্বা কুরবানী করেন। তিনি আরও বলেন, আমি-তাঁকে দুম্বা দু’টি স্বহস্তে যাবাহ করতে দেখেছি। আরও দেখেছি, তিনি ও দু’টির ঘাড়ের পাশে নিজ পা দিয়ে চেপে রাখেন এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্লাহ আকবার’ বলেন। (ই.ফা. ৪৯২৮, ই.সে. ৪৯৩২)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا وكيع، عن شعبة، عن قتادة، عن أنس، قال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين قال ورأيته يذبحهما بيده ورأيته واضعا قدمه على صفاحهما قال وسمى وكبر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده وسمى وكبر ووضع رجله على صفاحهما ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ শিং বিশিষ্ট সাদা-কালো ধুসর রংয়ের দু’টি দুম্বা স্বহস্তে যাবাহ করেন। (যাবাহ করার সময়) তিনি ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলেন [২] এবং (যাবাহ্‌কালে) তাঁর একখানা পা দুম্বা দু’টির ঘাড়ের পাশে রাখেন। (ই.ফা. ৪৯২৭, ই.সে. ৪৯৩১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ শিং বিশিষ্ট সাদা-কালো ধুসর রংয়ের দু’টি দুম্বা স্বহস্তে যাবাহ করেন। (যাবাহ করার সময়) তিনি ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলেন [২] এবং (যাবাহ্‌কালে) তাঁর একখানা পা দুম্বা দু’টির ঘাড়ের পাশে রাখেন। (ই.ফা. ৪৯২৭, ই.সে. ৪৯৩১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس، قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده وسمى وكبر ووضع رجله على صفاحهما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৩

وحدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، أخبرني قتادة، قال سمعت أنسا، يقول ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله ‏.‏ قال قلت آنت سمعته من أنس قال نعم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানী করেন। রাবী পরবর্তী অংশ উল্লেখিত হাদীসের মতই রিওয়ায়াত করেন। শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমি কাতাদাহ্‌কে বললাম, আপনি কি আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ (শুনেছি)। (ই.ফা. ৪৯২৯, ই.সে. ৪৯৩৩)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানী করেন। রাবী পরবর্তী অংশ উল্লেখিত হাদীসের মতই রিওয়ায়াত করেন। শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমি কাতাদাহ্‌কে বললাম, আপনি কি আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ (শুনেছি)। (ই.ফা. ৪৯২৯, ই.সে. ৪৯৩৩)

وحدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، أخبرني قتادة، قال سمعت أنسا، يقول ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله ‏.‏ قال قلت آنت سمعته من أنس قال نعم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৫

حدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، قال قال حيوة أخبرني أبو صخر، عن يزيد بن قسيط، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بكبش أقرن يطأ في سواد ويبرك في سواد وينظر في سواد فأتي به ليضحي به فقال لها ‏"‏ يا عائشة هلمي المدية ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ اشحذيها بحجر ‏"‏ ‏.‏ ففعلت ثم أخذها وأخذ الكبش فأضجعه ثم ذبحه ثم قال ‏"‏ باسم الله اللهم تقبل من محمد وآل محمد ومن أمة محمد ‏"‏ ‏.‏ ثم ضحى به ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানী করার জন্য শিংওয়ালা দুম্বাটি আনতে নির্দেশ দেন- যেটি কালোর মধ্যে চলাফেরা করতো (অর্থাৎ- পায়ের গোড়া কালো ছিল), কালোর মধ্যে শুইতো (অর্থাৎ- পেটের নিচের অংশ কালো ছিল) এবং কালো মধ্য দিয়ে দেখতে (অর্থাৎ- চোখের চারদিকে কালো ছিল)। সেটি আনা হলে তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, ছোরাটি নিয়ে এসো। অতঃপর বলেন, ওটা পাথরে ধার দাও। তিনি তা ধার দিলেন। পরে তিনি সেটি নিলেন এবং দুম্বাটি ধরে শোয়ালেন। তারপর সেটা যাবাহ করলেন এবং বললেন- ............ “আল্লাহ্‌র নামে। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার ও তাঁর উম্মাতের পক্ষ হতে এটা ক্ববূল করে নাও”। তারপর এটা কুরবানী করেন। (ই.ফা. ৪৯৩১, ই.সে. ৪৯৩৫)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানী করার জন্য শিংওয়ালা দুম্বাটি আনতে নির্দেশ দেন- যেটি কালোর মধ্যে চলাফেরা করতো (অর্থাৎ- পায়ের গোড়া কালো ছিল), কালোর মধ্যে শুইতো (অর্থাৎ- পেটের নিচের অংশ কালো ছিল) এবং কালো মধ্য দিয়ে দেখতে (অর্থাৎ- চোখের চারদিকে কালো ছিল)। সেটি আনা হলে তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, ছোরাটি নিয়ে এসো। অতঃপর বলেন, ওটা পাথরে ধার দাও। তিনি তা ধার দিলেন। পরে তিনি সেটি নিলেন এবং দুম্বাটি ধরে শোয়ালেন। তারপর সেটা যাবাহ করলেন এবং বললেন- ............ “আল্লাহ্‌র নামে। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার ও তাঁর উম্মাতের পক্ষ হতে এটা ক্ববূল করে নাও”। তারপর এটা কুরবানী করেন। (ই.ফা. ৪৯৩১, ই.সে. ৪৯৩৫)

حدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، قال قال حيوة أخبرني أبو صخر، عن يزيد بن قسيط، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بكبش أقرن يطأ في سواد ويبرك في سواد وينظر في سواد فأتي به ليضحي به فقال لها ‏"‏ يا عائشة هلمي المدية ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ اشحذيها بحجر ‏"‏ ‏.‏ ففعلت ثم أخذها وأخذ الكبش فأضجعه ثم ذبحه ثم قال ‏"‏ باسم الله اللهم تقبل من محمد وآل محمد ومن أمة محمد ‏"‏ ‏.‏ ثم ضحى به ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৪

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه قال ويقول ‏ "‏ باسم الله والله أكبر ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘আমি তাঁকে ......... বলতেও শুনেছি। (ই.ফা. ৪৯৩০, ই.সে. ৪৯৩৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘আমি তাঁকে ......... বলতেও শুনেছি। (ই.ফা. ৪৯৩০, ই.সে. ৪৯৩৪)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله غير أنه قال ويقول ‏ "‏ باسم الله والله أكبر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত

সহিহ মুসলিম ৪৯৮৭

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وكيع، حدثنا سفيان بن سعيد بن مسروق، عن أبيه، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن رافع بن خديج، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة من تهامة فأصبنا غنما وإبلا فعجل القوم فأغلوا بها القدور فأمر بها فكفئت ثم عدل عشرا من الغنم بجزور ‏.‏ وذكر باقي الحديث كنحو حديث يحيى بن سعيد ‏.‏

রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা তিহামার অন্তর্গত ‘যুল-হুলাইফাহ্‌’ নামক জায়গায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। সেখানে আমরা বকরী ও উট পেলাম। লোকজন তাড়াতাড়ি করে ডেগের মধ্যে এগুলোর গোশ্‌ত জ্বাল দিতে লাগলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে ডেগগুলোর পার্শ্বদেশ উল্টিয়ে দেয়া হলো। তারপর একটি উট দশটি ছাগলের সমান গণ্য করা হলো। রাবী হাদীসের অবশিষ্টাংশ ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সা‘ঈদ- এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯৩৩, ই.সে. ৪৯৩৭)

রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা তিহামার অন্তর্গত ‘যুল-হুলাইফাহ্‌’ নামক জায়গায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। সেখানে আমরা বকরী ও উট পেলাম। লোকজন তাড়াতাড়ি করে ডেগের মধ্যে এগুলোর গোশ্‌ত জ্বাল দিতে লাগলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে ডেগগুলোর পার্শ্বদেশ উল্টিয়ে দেয়া হলো। তারপর একটি উট দশটি ছাগলের সমান গণ্য করা হলো। রাবী হাদীসের অবশিষ্টাংশ ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু সা‘ঈদ- এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৯৩৩, ই.সে. ৪৯৩৭)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وكيع، حدثنا سفيان بن سعيد بن مسروق، عن أبيه، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن رافع بن خديج، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة من تهامة فأصبنا غنما وإبلا فعجل القوم فأغلوا بها القدور فأمر بها فكفئت ثم عدل عشرا من الغنم بجزور ‏.‏ وذكر باقي الحديث كنحو حديث يحيى بن سعيد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৯০

وحدثنا محمد بن الوليد بن عبد الحميد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة بن رافع، عن رافع بن خديج، أنه قال يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليس معنا مدى وساق الحديث ولم يذكر فعجل القوم فأغلوا بها القدور فأمر بها فكفئت وذكر سائر القصة ‏.‏

রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল দুশমনের সঙ্গে মুকাবিলা করবো, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। শু‘বাহ্‌ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি, “কিছু লোক তাড়াতাড়ি করে, পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে সেগুলো (ডেগ বা পাতিলগুলো) উল্টিয়ে দেয়া হয়।” তবে (এ অংশটি ব্যতীত) তিনি পুরো ঘটনাই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯৩৫, ই.সে.৪৯৪০)

রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল দুশমনের সঙ্গে মুকাবিলা করবো, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। শু‘বাহ্‌ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি, “কিছু লোক তাড়াতাড়ি করে, পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে সেগুলো (ডেগ বা পাতিলগুলো) উল্টিয়ে দেয়া হয়।” তবে (এ অংশটি ব্যতীত) তিনি পুরো ঘটনাই বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৯৩৫, ই.সে.৪৯৪০)

وحدثنا محمد بن الوليد بن عبد الحميد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة بن رافع، عن رافع بن خديج، أنه قال يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليس معنا مدى وساق الحديث ولم يذكر فعجل القوم فأغلوا بها القدور فأمر بها فكفئت وذكر سائر القصة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৮

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن مسلم، عن سعيد بن مسروق، عن عباية، عن جده، رافع ثم حدثنيه عمر بن سعيد بن مسروق، عن أبيه، عن عباية بن، رفاعة بن رافع بن خديج عن جده، قال قلنا يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليس معنا مدى فنذكي بالليط وذكر الحديث بقصته وقال فند علينا بعير منها فرميناه بالنبل حتى وهصناه ‏.‏

রাফি ‘ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। (ধারালো) বাঁশের খোলস দ্বারা কি যাবাহ করবো? রাবী ইসমা’ঈল পুরো ঘটনাসহ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি [”রাফি (রাঃ)] আরও বলেন, উক্ত উটগুলোর মধ্য হতে একটি উট ছুটে গেলে আমরা তীর ছুঁড়ে সেটাকে পাকড়াও। (ই.ফা. ৪৯৩৪, ই.সে. ৪৯৩৮)

রাফি ‘ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। (ধারালো) বাঁশের খোলস দ্বারা কি যাবাহ করবো? রাবী ইসমা’ঈল পুরো ঘটনাসহ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি [”রাফি (রাঃ)] আরও বলেন, উক্ত উটগুলোর মধ্য হতে একটি উট ছুটে গেলে আমরা তীর ছুঁড়ে সেটাকে পাকড়াও। (ই.ফা. ৪৯৩৪, ই.সে. ৪৯৩৮)

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن مسلم، عن سعيد بن مسروق، عن عباية، عن جده، رافع ثم حدثنيه عمر بن سعيد بن مسروق، عن أبيه، عن عباية بن، رفاعة بن رافع بن خديج عن جده، قال قلنا يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليس معنا مدى فنذكي بالليط وذكر الحديث بقصته وقال فند علينا بعير منها فرميناه بالنبل حتى وهصناه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৬

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني أبي، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن رافع بن خديج، قلت يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليست معنا مدى قال صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعجل أو أرني ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة ‏"‏ ‏.‏ قال وأصبنا نهب إبل وغنم فند منها بعير فرماه رجل بسهم فحبسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن لهذه الإبل أوابد كأوابد الوحش فإذا غلبكم منها شىء فاصنعوا به هكذا ‏"‏ ‏.‏

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেন, তাড়াতাড়ি কিংবা ভালভাবে দেখে নিখঁতভাবে যাবাহ করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে, যার উপর আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয় তা (দিয়ে যাবাহকৃত জন্তু) খাও। তবে তা যেন দাঁত ও নখ না হয়। আমি তোমাদের কাছে এর কারণ বর্ণনা করেছি। কেননা দাঁত হলো হাড় বিশেষ, আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। রাবী বলেন, আমরা গনীমাতের কিছু উট ও বকরী পেলাম। সেখান থেকে একটি উট ছুটে গেলে এক লোক তীর মেরে সেটাকে আটকিয়ে ফেললো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এসব উটের মধ্যেও বন্য প্রাণীর মতো আচরণ রয়েছে। অতএব এগুলোর মাঝে কোন একটি যদি নিয়ন্ত্রণ হারা হয়ে যায় তবে তার সঙ্গে এরূপ ব্যবহারই করবে। (ই.ফা. ৪৯৩২, ই.সে. ৪৯৩৬)

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেন, তাড়াতাড়ি কিংবা ভালভাবে দেখে নিখঁতভাবে যাবাহ করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে, যার উপর আল্লাহ্‌র নাম নেয়া হয় তা (দিয়ে যাবাহকৃত জন্তু) খাও। তবে তা যেন দাঁত ও নখ না হয়। আমি তোমাদের কাছে এর কারণ বর্ণনা করেছি। কেননা দাঁত হলো হাড় বিশেষ, আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। রাবী বলেন, আমরা গনীমাতের কিছু উট ও বকরী পেলাম। সেখান থেকে একটি উট ছুটে গেলে এক লোক তীর মেরে সেটাকে আটকিয়ে ফেললো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এসব উটের মধ্যেও বন্য প্রাণীর মতো আচরণ রয়েছে। অতএব এগুলোর মাঝে কোন একটি যদি নিয়ন্ত্রণ হারা হয়ে যায় তবে তার সঙ্গে এরূপ ব্যবহারই করবে। (ই.ফা. ৪৯৩২, ই.সে. ৪৯৩৬)

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني أبي، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن رافع بن خديج، قلت يا رسول الله إنا لاقو العدو غدا وليست معنا مدى قال صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعجل أو أرني ما أنهر الدم وذكر اسم الله فكل ليس السن والظفر وسأحدثك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة ‏"‏ ‏.‏ قال وأصبنا نهب إبل وغنم فند منها بعير فرماه رجل بسهم فحبسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن لهذه الإبل أوابد كأوابد الوحش فإذا غلبكم منها شىء فاصنعوا به هكذا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৯৮৯

وحدثنيه القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن سعيد بن مسروق، بهذا الإسناد الحديث إلى آخره بتمامه وقال فيه وليست معنا مدى أفنذبح بالقصب

সা‘ঈদ ইবনু মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসে তিনি ‘আমাদের সঙ্গে ছুরি নেই, আমরা কি বাঁশ দ্বারা যাবাহ করবো’ রাফি‘-এর এ উক্তিটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪৯৩৪, ই.সে. ৪৯৩৯)

সা‘ঈদ ইবনু মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসে তিনি ‘আমাদের সঙ্গে ছুরি নেই, আমরা কি বাঁশ দ্বারা যাবাহ করবো’ রাফি‘-এর এ উক্তিটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪৯৩৪, ই.সে. ৪৯৩৯)

وحدثنيه القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن سعيد بن مسروق، بهذا الإسناد الحديث إلى آخره بتمامه وقال فيه وليست معنا مدى أفنذبح بالقصب


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00