সহিহ মুসলিম > যে আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে আল্লাহর পথের মুজাহিদ
সহিহ মুসলিম ৪৮১৫
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن أبي موسى، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله الرجل يقاتل منا شجاعة . فذكر مثله .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এলাম এবং আরয করলাম , হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে। তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ( ই.ফা. ৪৭৬৮, ই. সে. ৪৭৬৯)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এলাম এবং আরয করলাম , হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে। তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ( ই.ফা. ৪৭৬৮, ই. সে. ৪৭৬৯)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن أبي موسى، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله الرجل يقاتل منا شجاعة . فذكر مثله .
সহিহ মুসলিম ৪৮১৩
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال حدثنا أبو موسى، الأشعري أن رجلا، أعرابيا أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل ليذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله أعلى فهو في سبيل الله " .
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জৈনেক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি স্মরণীয় হওয়ার জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলার মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গন্য হবে? তখন রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ই.ফা. ৪৭৬৬, ই.সে. ৪৭৬৭)
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, জৈনেক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি স্মরণীয় হওয়ার জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলার মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গন্য হবে? তখন রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ই.ফা. ৪৭৬৬, ই.সে. ৪৭৬৭)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال حدثنا أبو موسى، الأشعري أن رجلا، أعرابيا أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل ليذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله أعلى فهو في سبيل الله " .
সহিহ মুসলিম ৪৮১৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم ومحمد بن العلاء قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي، موسى قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يقاتل شجاعة ويقاتل حمية ويقاتل رياء أى ذلك في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله " .
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গন্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গন্য হবে)। ( ই.ফা. ৪৭৬৭, ই.সে. ৪৭৬৮)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গন্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গন্য হবে)। ( ই.ফা. ৪৭৬৭, ই.সে. ৪৭৬৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم ومحمد بن العلاء قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي، موسى قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يقاتل شجاعة ويقاتل حمية ويقاتل رياء أى ذلك في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله " .
সহিহ মুসলিম ৪৮১৬
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي، موسى الأشعري أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القتال في سبيل الله عز وجل فقال الرجل يقاتل غضبا ويقاتل حمية قال فرفع رأسه إليه - وما رفع رأسه إليه إلا أنه كان قائما - فقال " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله " .
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তাঁর এ মাথা তোলা শুধু এজন্যই ছিল যে , সে লোকটি দন্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্য যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বানী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। ( ই. ফা. ৪৭৬৯, ই. সে. ৪৭৭০ )
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তাঁর এ মাথা তোলা শুধু এজন্যই ছিল যে , সে লোকটি দন্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্য যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বানী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। ( ই. ফা. ৪৭৬৯, ই. সে. ৪৭৭০ )
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي، موسى الأشعري أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القتال في سبيل الله عز وجل فقال الرجل يقاتل غضبا ويقاتل حمية قال فرفع رأسه إليه - وما رفع رأسه إليه إلا أنه كان قائما - فقال " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله " .
সহিহ মুসলিম > লোক দেখানো এবং খ্যাতির উদ্দেশে যে যুদ্ধ করে সে জাহান্নামের যোগ্য হয়
সহিহ মুসলিম ৪৮১৭
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرق الناس عن أبي هريرة، فقال له ناتل أهل الشام أيها الشيخ حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن أول الناس يقضى يوم القيامة عليه رجل استشهد فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال قاتلت فيك حتى استشهدت . قال كذبت ولكنك قاتلت لأن يقال جريء . فقد قيل . ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار ورجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن . قال كذبت ولكنك تعلمت العلم ليقال عالم . وقرأت القرآن ليقال هو قارئ . فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار . ورجل وسع الله عليه وأعطاه من أصناف المال كله فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال ما تركت من سبيل تحب أن ينفق فيها إلا أنفقت فيها لك قال كذبت ولكنك فعلت ليقال هو جواد . فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه ثم ألقي في النار " .
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা লোকজন যখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর নিকট থেকে বিদায় নিচ্ছিল, তখন সিরিয়াবাসী নাতিল (রহঃ) বললেন, হে শায়খ! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন এমন একখানা হাদীস আমাদেরকে শুনান। তিনি বলেন, হ্যাঁ! (শুনাবো)। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যার বিচার করা হবে, সে হচ্ছে এমন একজন যে শহীদ হয়েছিল। তাঁকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ তাঁর নিয়ামাতরাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সবটাই চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, এর বিনিময়ে ‘কী আমাল করেছিলে?’ সে বলবে, আমি তোমারই পথে যুদ্ধ করেছি এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি বরং এ জন্যেই যুদ্ধ করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে বলে, তুমি বীর। তা বলা হয়েছে, এরপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকে উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার করা হবে যে জ্ঞান অর্জন ও বিতরণ করেছে এবং কুরআন মাজীদ অধ্যয়ন করেছে। তখন তাকে হাযির করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রদত্ত নি’আমাতের কথা তাকে বলবেন এবং সে তা চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, এত বড় নি’আমাত পেয়ে বিনিময়ে তুমি কী করলে? জবাবে সে বলবে, আমি জ্ঞান অর্জন করেছি এবং তা শিক্ষা দিয়েছি এবং তোমারই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কুরআন অধ্যয়ন করেছি। জবাবে আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি তো জ্ঞান অর্জন করেছিলে এজন্যে যাতে লোকে তোমাকে জ্ঞানী বলে। কুরআন তিলাওয়াত করেছিলে এ জন্যে যাতে লোকে বলে, তুমি একজন ক্বারী। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে, সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার হবে যাকে আল্লাহ তা’আলা সচ্ছলতা এবং সর্ববিধ বিত্ত-বৈভব দান করেছেন। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং তাকে প্রদত্ত নি’আমাতসমূহের কথা তাঁকে বলবেন। সে তা চিনতে পারবে (স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, ‘এসব নি’আমাতের বিনিময়ে তুমি কী ‘আমল করেছো?’ জবাবে সে বলবে, সম্পদ ব্যয়ের এমন কোন খাত নেই যাতে সম্পদ ব্যয় করা তুমি পছন্দ কর, আমি সে খাতে তোমার সন্তুষ্টির জন্যে ব্যয় করেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছো। তুমি বরং এ জন্যে তা করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে ‘দানবীর’ বলে অভিহিত করে। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (ই.ফা. ৪৭৭০, ই.সে. ৪৭৭১)
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা লোকজন যখন আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)-এর নিকট থেকে বিদায় নিচ্ছিল, তখন সিরিয়াবাসী নাতিল (রহঃ) বললেন, হে শায়খ! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন এমন একখানা হাদীস আমাদেরকে শুনান। তিনি বলেন, হ্যাঁ! (শুনাবো)। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যার বিচার করা হবে, সে হচ্ছে এমন একজন যে শহীদ হয়েছিল। তাঁকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ তাঁর নিয়ামাতরাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সবটাই চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, এর বিনিময়ে ‘কী আমাল করেছিলে?’ সে বলবে, আমি তোমারই পথে যুদ্ধ করেছি এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি বরং এ জন্যেই যুদ্ধ করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে বলে, তুমি বীর। তা বলা হয়েছে, এরপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকে উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার করা হবে যে জ্ঞান অর্জন ও বিতরণ করেছে এবং কুরআন মাজীদ অধ্যয়ন করেছে। তখন তাকে হাযির করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রদত্ত নি’আমাতের কথা তাকে বলবেন এবং সে তা চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, এত বড় নি’আমাত পেয়ে বিনিময়ে তুমি কী করলে? জবাবে সে বলবে, আমি জ্ঞান অর্জন করেছি এবং তা শিক্ষা দিয়েছি এবং তোমারই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কুরআন অধ্যয়ন করেছি। জবাবে আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি তো জ্ঞান অর্জন করেছিলে এজন্যে যাতে লোকে তোমাকে জ্ঞানী বলে। কুরআন তিলাওয়াত করেছিলে এ জন্যে যাতে লোকে বলে, তুমি একজন ক্বারী। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে, সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার হবে যাকে আল্লাহ তা’আলা সচ্ছলতা এবং সর্ববিধ বিত্ত-বৈভব দান করেছেন। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং তাকে প্রদত্ত নি’আমাতসমূহের কথা তাঁকে বলবেন। সে তা চিনতে পারবে (স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, ‘এসব নি’আমাতের বিনিময়ে তুমি কী ‘আমল করেছো?’ জবাবে সে বলবে, সম্পদ ব্যয়ের এমন কোন খাত নেই যাতে সম্পদ ব্যয় করা তুমি পছন্দ কর, আমি সে খাতে তোমার সন্তুষ্টির জন্যে ব্যয় করেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছো। তুমি বরং এ জন্যে তা করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে ‘দানবীর’ বলে অভিহিত করে। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (ই.ফা. ৪৭৭০, ই.সে. ৪৭৭১)
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرق الناس عن أبي هريرة، فقال له ناتل أهل الشام أيها الشيخ حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن أول الناس يقضى يوم القيامة عليه رجل استشهد فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال قاتلت فيك حتى استشهدت . قال كذبت ولكنك قاتلت لأن يقال جريء . فقد قيل . ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار ورجل تعلم العلم وعلمه وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن . قال كذبت ولكنك تعلمت العلم ليقال عالم . وقرأت القرآن ليقال هو قارئ . فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه حتى ألقي في النار . ورجل وسع الله عليه وأعطاه من أصناف المال كله فأتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال ما تركت من سبيل تحب أن ينفق فيها إلا أنفقت فيها لك قال كذبت ولكنك فعلت ليقال هو جواد . فقد قيل ثم أمر به فسحب على وجهه ثم ألقي في النار " .
সহিহ মুসলিম ৪৮১৮
وحدثناه علي بن خشرم، أخبرنا الحجاج، - يعني ابن محمد - عن ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرج الناس عن أبي هريرة، فقال له ناتل الشام واقتص الحديث بمثل حديث خالد بن الحارث .
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘তাফাররাকা’-এর স্থলে ‘তাফাররাজা’ এবং ‘নাতিল আহলিশ শাম’-এর স্থলে ‘নাতিলুশ শাম’ বলে উল্লেখ করেছেন। অবশিষ্ট হাদীস খালিদ ইবনু হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭৭১, ই.সে. ৪৭৭২)
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘তাফাররাকা’-এর স্থলে ‘তাফাররাজা’ এবং ‘নাতিল আহলিশ শাম’-এর স্থলে ‘নাতিলুশ শাম’ বলে উল্লেখ করেছেন। অবশিষ্ট হাদীস খালিদ ইবনু হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭৭১, ই.সে. ৪৭৭২)
وحدثناه علي بن خشرم، أخبرنا الحجاج، - يعني ابن محمد - عن ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرج الناس عن أبي هريرة، فقال له ناتل الشام واقتص الحديث بمثل حديث خالد بن الحارث .
সহিহ মুসলিম > যুদ্ধ করে যারা গনীমাত লাভ করল ও যারা করেনি তাঁদের সাওয়াবের পরিমাণ সম্পর্কে
সহিহ মুসলিম ৪৮১৯
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الله بن يزيد أبو عبد الرحمن، حدثنا حيوة بن، شريح عن أبي هانئ، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من غازية تغزو في سبيل الله فيصيبون الغنيمة إلا تعجلوا ثلثى أجرهم من الآخرة ويبقى لهم الثلث وإن لم يصيبوا غنيمة تم لهم أجرهم " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে বাহিনী আল্লাহর পথে জিহাদ করলো এবং তাতে গনীমাত লাভ করলো তারা এ দুনিয়াতেই আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময় নগদ পেয়ে গেল। তাদের জন্য কেবল এক-তৃতীয়াংশ বিনিময় অবশিষ্ট রইলো। আর যে বাহিনী কোন গনীমাত লাভ করলো না, তাদের পূর্ণ বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৭২, ই.সে. ৪৭৭৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে বাহিনী আল্লাহর পথে জিহাদ করলো এবং তাতে গনীমাত লাভ করলো তারা এ দুনিয়াতেই আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময় নগদ পেয়ে গেল। তাদের জন্য কেবল এক-তৃতীয়াংশ বিনিময় অবশিষ্ট রইলো। আর যে বাহিনী কোন গনীমাত লাভ করলো না, তাদের পূর্ণ বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৭২, ই.সে. ৪৭৭৩)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الله بن يزيد أبو عبد الرحمن، حدثنا حيوة بن، شريح عن أبي هانئ، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من غازية تغزو في سبيل الله فيصيبون الغنيمة إلا تعجلوا ثلثى أجرهم من الآخرة ويبقى لهم الثلث وإن لم يصيبوا غنيمة تم لهم أجرهم " .
সহিহ মুসলিম ৪৮২০
حدثني محمد بن سهل التميمي، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا نافع بن يزيد، حدثني أبو هانئ، حدثني أبو عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من غازية أو سرية تغزو فتغنم وتسلم إلا كانوا قد تعجلوا ثلثى أجورهم وما من غازية أو سرية تخفق وتصاب إلا تم أجورهم " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বাহিনী মাত্রই যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করলো এবং গনীমাত লাভ করলো, তারপর নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করলো তাঁরা আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময়ই নগদ পেয়ে গেল। যারা খালি হাতে বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ফিরে আসলো, তাদের পুরো বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৭৩, ই.সে. ৪৭৭৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বাহিনী মাত্রই যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করলো এবং গনীমাত লাভ করলো, তারপর নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করলো তাঁরা আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময়ই নগদ পেয়ে গেল। যারা খালি হাতে বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ফিরে আসলো, তাদের পুরো বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৭৩, ই.সে. ৪৭৭৪)
حدثني محمد بن سهل التميمي، حدثنا ابن أبي مريم، أخبرنا نافع بن يزيد، حدثني أبو هانئ، حدثني أبو عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من غازية أو سرية تغزو فتغنم وتسلم إلا كانوا قد تعجلوا ثلثى أجورهم وما من غازية أو سرية تخفق وتصاب إلا تم أجورهم " .
সহিহ মুসলিম > নিয়্যাত অনুসারে ‘আমালের সাওয়াব, জিহাদ প্রভৃতি ‘আমালও এর অন্তর্ভুক্ত
সহিহ মুসলিম ৪৮২১
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد، بن إبراهيم عن علقمة بن وقاص، عن عمر بن الخطاب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما الأعمال بالنية وإنما لامرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه " .
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ‘আমালের ফলাফল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল এবং কোন ব্যক্তি কেবল তাই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে। যার হিজরাত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উদ্দেশ্যে, তার হিজরাত আল্লাহ ও রসূলের উদ্দেশ্য হিজরাত বলে গণ্য হবে, আর যার হিজরাত পার্থিব কোন মহিলাকে বিবাহের গ্রহণের উদ্দেশে হবে তার হিজরাত সে উদ্দেশের হিজরাত বলেই গণ্য হবে। (ই.ফা. ৪৭৭৪, ই.সে. ৪৭৭৫)
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক ‘আমালের ফলাফল নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল এবং কোন ব্যক্তি কেবল তাই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে। যার হিজরাত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের উদ্দেশ্যে, তার হিজরাত আল্লাহ ও রসূলের উদ্দেশ্য হিজরাত বলে গণ্য হবে, আর যার হিজরাত পার্থিব কোন মহিলাকে বিবাহের গ্রহণের উদ্দেশে হবে তার হিজরাত সে উদ্দেশের হিজরাত বলেই গণ্য হবে। (ই.ফা. ৪৭৭৪, ই.সে. ৪৭৭৫)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد، بن إبراهيم عن علقمة بن وقاص، عن عمر بن الخطاب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما الأعمال بالنية وإنما لامرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله فهجرته إلى الله ورسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها فهجرته إلى ما هاجر إليه " .
সহিহ মুসলিম ৪৮২২
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، ح وحدثنا أبو الربيع العتكي، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أبو خالد الأحمر، سليمان بن حيان ح وحدثنا محمد بن عبد، الله بن نمير حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - ويزيد بن هارون ح وحدثنا محمد بن، العلاء الهمداني حدثنا ابن المبارك، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن يحيى، بن سعيد بإسناد مالك ومعنى حديثه وفي حديث سفيان سمعت عمر بن الخطاب على المنبر يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সুফ্ইয়ান (রহঃ) সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ
আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বরাতে বলতে শুনেছি .....। (ই.ফা. ৪৭৭৫, ই.সে. ৪৭৭৬)
সুফ্ইয়ান (রহঃ) সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ
আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বরাতে বলতে শুনেছি .....। (ই.ফা. ৪৭৭৫, ই.সে. ৪৭৭৬)
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، أخبرنا الليث، ح وحدثنا أبو الربيع العتكي، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا أبو خالد الأحمر، سليمان بن حيان ح وحدثنا محمد بن عبد، الله بن نمير حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - ويزيد بن هارون ح وحدثنا محمد بن، العلاء الهمداني حدثنا ابن المبارك، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن يحيى، بن سعيد بإسناد مالك ومعنى حديثه وفي حديث سفيان سمعت عمر بن الخطاب على المنبر يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم .