সহিহ মুসলিম > মুজাহিদদের রমণীদের পবিত্রতা এবং তাতে খিয়ানাতকারীদের পাপ

সহিহ মুসলিম ৪৮০৩

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مسعر، عن علقمة بن مرثد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال - يعني النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمعنى حديث الثوري ‏.‏

বুরাইদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বাকী অংশ, সাওরী (রহঃ)-এর অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৭৫৬, ই.সে.৪৭৫৭)

বুরাইদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বাকী অংশ, সাওরী (রহঃ)-এর অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৭৫৬, ই.সে.৪৭৫৭)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مسعر، عن علقمة بن مرثد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال - يعني النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمعنى حديث الثوري ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮০২

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ حرمة نساء المجاهدين على القاعدين كحرمة أمهاتهم وما من رجل من القاعدين يخلف رجلا من المجاهدين فى أهله فيخونه فيهم إلا وقف له يوم القيامة فيأخذ من عمله ما شاء فما ظنكم ‏"‏ ‏.‏

বুরাইদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুজাহিদদের রমণীদের ইজ্জত রক্ষা বাড়ীতে অবস্থাকারীদের জন্যে তাদের মাতাদের ইজ্জতের তুল্য। বাড়ীতে অবস্থানকারী যে ব্যক্তিই কোন মুজাহিদের পক্ষে তার পরিবার বর্গের দেখাশুনার দায়িত্বে থাকে এবং তাতে সে কোনরূপ খিয়ানত বা বিশ্বাস ভঙ্গ করে, কিয়ামাতের দিন সে মুজাহিদকে তার সম্মুখে দাঁড় করানো হবে এবং সে তার খিয়ানতকারীর নেক ‘আমল থেকে যে পরিমাণ ইচ্ছা নিয়ে যাবে। তোমাদের ধারণা কী? (অর্থাৎ, সে কি আর কম নেবে? সমুদয় সাওয়াবই সে কেড়ে নিয়ে যাবে।) (ই,ফা, ৪৭৫৫, ই,সে, ৪৭৫৬)

বুরাইদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুজাহিদদের রমণীদের ইজ্জত রক্ষা বাড়ীতে অবস্থাকারীদের জন্যে তাদের মাতাদের ইজ্জতের তুল্য। বাড়ীতে অবস্থানকারী যে ব্যক্তিই কোন মুজাহিদের পক্ষে তার পরিবার বর্গের দেখাশুনার দায়িত্বে থাকে এবং তাতে সে কোনরূপ খিয়ানত বা বিশ্বাস ভঙ্গ করে, কিয়ামাতের দিন সে মুজাহিদকে তার সম্মুখে দাঁড় করানো হবে এবং সে তার খিয়ানতকারীর নেক ‘আমল থেকে যে পরিমাণ ইচ্ছা নিয়ে যাবে। তোমাদের ধারণা কী? (অর্থাৎ, সে কি আর কম নেবে? সমুদয় সাওয়াবই সে কেড়ে নিয়ে যাবে।) (ই,ফা, ৪৭৫৫, ই,সে, ৪৭৫৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ حرمة نساء المجاهدين على القاعدين كحرمة أمهاتهم وما من رجل من القاعدين يخلف رجلا من المجاهدين فى أهله فيخونه فيهم إلا وقف له يوم القيامة فيأخذ من عمله ما شاء فما ظنكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮০৪

وحدثناه سعيد بن منصور، حدثنا سفيان، عن قعنب، عن علقمة بن مرثد، بهذا الإسناد ‏"‏ فقال فخذ من حسناته ما شئت ‏"‏ ‏.‏ فالتفت إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ فما ظنكم ‏"‏ ‏.‏

‘আলকামাহ্ ইবনু মারসাদ (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরও রিওয়ায়াত করেন যে, মুজাহিদকে বলা হবে তুমি তার নেক ‘আমল থেকে যে পরিমাণ ইচ্ছা নিয়ে নাও। এ কথাটি বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে তাকালেন এবং বললেন, তোমাদের কী ধারণা? (মুজাহিদ কি তখন তার কোন সাওয়াব আর বাকী রাখবে?) (ই.ফা. ৪৭৫৭, ই.সে. ৪৭৫৮)

‘আলকামাহ্ ইবনু মারসাদ (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরও রিওয়ায়াত করেন যে, মুজাহিদকে বলা হবে তুমি তার নেক ‘আমল থেকে যে পরিমাণ ইচ্ছা নিয়ে নাও। এ কথাটি বলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে তাকালেন এবং বললেন, তোমাদের কী ধারণা? (মুজাহিদ কি তখন তার কোন সাওয়াব আর বাকী রাখবে?) (ই.ফা. ৪৭৫৭, ই.সে. ৪৭৫৮)

وحدثناه سعيد بن منصور، حدثنا سفيان، عن قعنب، عن علقمة بن مرثد، بهذا الإسناد ‏"‏ فقال فخذ من حسناته ما شئت ‏"‏ ‏.‏ فالتفت إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ فما ظنكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ওযরগ্রস্ত ব্যক্তিদের থেকে জিহাদের আবশ্যকতা নিষ্পতিত হওয়া।

সহিহ মুসলিম ৪৮০৬

وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثني أبو إسحاق، عن البراء، قال لما نزلت ‏{‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين‏}‏ كلمه ابن أم مكتوم فنزلت ‏{‏ غير أولي الضرر‏}‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (আরবী) আয়াত নাযিল হলো, তখন ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) সে ব্যাপারে তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর) সঙ্গে আলাপ করলেন। তখন নাযিল হলো (আরবী) অর্থাৎ, যাদের কোন ওজর নেই। (ই,ফা, ৪৭৫৯, ই,সে, ৪৭৬০)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (আরবী) আয়াত নাযিল হলো, তখন ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) সে ব্যাপারে তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর) সঙ্গে আলাপ করলেন। তখন নাযিল হলো (আরবী) অর্থাৎ, যাদের কোন ওজর নেই। (ই,ফা, ৪৭৫৯, ই,সে, ৪৭৬০)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثني أبو إسحاق، عن البراء، قال لما نزلت ‏{‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين‏}‏ كلمه ابن أم مكتوم فنزلت ‏{‏ غير أولي الضرر‏}‏


সহিহ মুসলিম ৪৮০৫

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، أنه سمع البراء، يقول في هذه الآية لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا فجاء بكتف يكتبها فشكا إليه ابن أم مكتوم ضرارته فنزلت ‏{‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر‏}‏ قال شعبة وأخبرني سعد بن إبراهيم عن رجل عن زيد بن ثابت في هذه الآية لا يستوي القاعدون من المؤمنين بمثل حديث البراء وقال ابن بشار في روايته سعد بن إبراهيم عن أبيه عن رجل عن زيد بن ثابت ‏.‏

আবূ ইসহাক্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারা (রাঃ)-কে কুরআন মাজীদের আয়াতঃ “মু’মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে ও যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়” সম্পর্কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে একটি হাড় নিয়ে আসতে আদেশ করলেন এবং তিনি তাতে তা লিখলেন। তখন ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) তাঁর (অন্ধত্বের) ওজর সম্পর্কে অনুযোগ করলেন। এ বিষয়ে নাযিল হলোঃ “মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়।” শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমার কাছে সা’দ ইবনু ইব্‌রাহীম বর্ণনা করেছেন এক ব্যক্তি সূত্রে তিনি যায়দ (রহঃ) হতে এ আয়াত সম্পর্কে “যারা বসে থাকে তারা সমান নয়।” বাকী হাদীস বারা (রাঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। ইবনু বাশ্‌শার তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, সা’দ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে তিনি এক ব্যক্তি থেকে তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে। (ই.ফা. ৪৭৫৭, ই.সে. ৪৭৫৯)

আবূ ইসহাক্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারা (রাঃ)-কে কুরআন মাজীদের আয়াতঃ “মু’মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে ও যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়” সম্পর্কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে একটি হাড় নিয়ে আসতে আদেশ করলেন এবং তিনি তাতে তা লিখলেন। তখন ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) তাঁর (অন্ধত্বের) ওজর সম্পর্কে অনুযোগ করলেন। এ বিষয়ে নাযিল হলোঃ “মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়।” শু’বাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমার কাছে সা’দ ইবনু ইব্‌রাহীম বর্ণনা করেছেন এক ব্যক্তি সূত্রে তিনি যায়দ (রহঃ) হতে এ আয়াত সম্পর্কে “যারা বসে থাকে তারা সমান নয়।” বাকী হাদীস বারা (রাঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। ইবনু বাশ্‌শার তাঁর বর্ণনায় বলেছেন, সা’দ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে তিনি এক ব্যক্তি থেকে তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে। (ই.ফা. ৪৭৫৭, ই.সে. ৪৭৫৯)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، أنه سمع البراء، يقول في هذه الآية لا يستوي القاعدون من المؤمنين والمجاهدون في سبيل الله فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا فجاء بكتف يكتبها فشكا إليه ابن أم مكتوم ضرارته فنزلت ‏{‏ لا يستوي القاعدون من المؤمنين غير أولي الضرر‏}‏ قال شعبة وأخبرني سعد بن إبراهيم عن رجل عن زيد بن ثابت في هذه الآية لا يستوي القاعدون من المؤمنين بمثل حديث البراء وقال ابن بشار في روايته سعد بن إبراهيم عن أبيه عن رجل عن زيد بن ثابت ‏.‏


সহিহ মুসলিম > শহীদের জন্য জান্নাত অবধারিত হওয়া

সহিহ মুসলিম ৪৮০৭

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، وسويد بن سعيد، - واللفظ لسعيد - أخبرنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول قال رجل أين أنا يا، رسول الله إن قتلت قال ‏ "‏ في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فألقى تمرات كن في يده ثم قاتل حتى قتل ‏.‏ وفي حديث سويد قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد ‏.‏

‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি (এসে) বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি যদি (আল্লাহর রাস্তায়) নিহিত হই তবে কোথায় থাকবো। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জান্নাতে। লোকটি তখন তার হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো, অবশেষে শহীদ হলো। সুওয়াইদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, উহুদ যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল। (ই,ফা, ৪৭৬০, ই,সে, ৪৭৬১)

‘আম্‌র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি (এসে) বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি যদি (আল্লাহর রাস্তায়) নিহিত হই তবে কোথায় থাকবো। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, জান্নাতে। লোকটি তখন তার হাতের খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো, অবশেষে শহীদ হলো। সুওয়াইদ (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, উহুদ যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলল। (ই,ফা, ৪৭৬০, ই,সে, ৪৭৬১)

حدثنا سعيد بن عمرو الأشعثي، وسويد بن سعيد، - واللفظ لسعيد - أخبرنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول قال رجل أين أنا يا، رسول الله إن قتلت قال ‏ "‏ في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فألقى تمرات كن في يده ثم قاتل حتى قتل ‏.‏ وفي حديث سويد قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يوم أحد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮০৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن زكرياء، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال جاء رجل من بني النبيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا أحمد بن جناب المصيصي حدثنا عيسى - يعني ابن يونس - عن زكرياء عن أبي إسحاق عن البراء قال جاء رجل من بني النبيت - قبيل من الأنصار - فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأنك عبده ورسوله ‏.‏ ثم تقدم فقاتل حتى قتل فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عمل هذا يسيرا وأجر كثيرا ‏"‏ ‏.‏

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ নবীতের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন, আহ্‌মাদ ইবনু জানাব মিস্‌সীসী (রহঃ)... বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারদের অন্তর্ভুক্ত একটি কবীলা বানূ নাবীতের এক ব্যক্তি আসলো এবং বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আপনি তাঁর বান্দা ও রসূল। তারপর সে অগ্রসর হলো এবং যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো। এমনকি শেষ পর্যন্ত সে শহীদ হলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে খুবই সহজ কাজ করলো তবে তাকে প্রচুর সাওয়াব দেয়া হয়েছে। (ই.ফা।। ৪৭৬১, ই.সে. ৪৭৬২)

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ নবীতের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলো। তিনি বলেন, আহ্‌মাদ ইবনু জানাব মিস্‌সীসী (রহঃ)... বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারদের অন্তর্ভুক্ত একটি কবীলা বানূ নাবীতের এক ব্যক্তি আসলো এবং বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আপনি তাঁর বান্দা ও রসূল। তারপর সে অগ্রসর হলো এবং যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো। এমনকি শেষ পর্যন্ত সে শহীদ হলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে খুবই সহজ কাজ করলো তবে তাকে প্রচুর সাওয়াব দেয়া হয়েছে। (ই.ফা।। ৪৭৬১, ই.সে. ৪৭৬২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن زكرياء، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال جاء رجل من بني النبيت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا أحمد بن جناب المصيصي حدثنا عيسى - يعني ابن يونس - عن زكرياء عن أبي إسحاق عن البراء قال جاء رجل من بني النبيت - قبيل من الأنصار - فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأنك عبده ورسوله ‏.‏ ثم تقدم فقاتل حتى قتل فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عمل هذا يسيرا وأجر كثيرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১২

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، قال قال أنس عمي الذي سميت به لم يشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بدرا - قال - فشق عليه قال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غيبت عنه وإن أراني الله مشهدا فيما بعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليراني الله ما أصنع - قال - فهاب أن يقول غيرها - قال - فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد - قال - فاستقبل سعد بن معاذ فقال له أنس يا أبا عمرو أين فقال واها لريح الجنة أجده دون أحد - قال - فقاتلهم حتى قتل - قال - فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية - قال - فقالت أخته عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه ‏.‏ ونزلت هذه الآية ‏{‏ رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا‏}‏ قال فكانوا يرون أنها نزلت فيه وفي أصحابه ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার যে চাচার নামানুসারে আমার নামকরণ করা হয়েছে সে আনাস (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে শরীক হতে পারেননি। রাবী বলেন, এটা ছিল তাঁর জন্যে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি (প্রায়ই) বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথম যে যুদ্ধটি করেছিলেন, তাতে আমি শরীক হতে পারলাম না। এরপর যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাঁর কোন যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দান করেন তাহলে আমি কী করি তা আল্লাহ দেখবেন। রাবী বলেন, এর বেশী কিছু বলতে তিনি ভয় পেতেন। তারপর উহুদ যুদ্ধের দিন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। রাবী বলেন, সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ) যখন অগ্রসর হলেন তখন আনাস (রাঃ) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ ‘আম্‌র! কোথায় (যাচ্ছো)? আহা! জান্নাতের ঘ্রাণ আমি উহুদ প্রান্ত থেকে পাচ্ছি। রাবী বলেন, তারপর তিনি কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন এমন কি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়ে গেলেন। রাবী বলেন, তারপর তাঁর মৃত লাশে আশিটিরও অধিক তরবারি, বর্শা ও তীরের চিহ্ন পাওয়া যায়। রাবী আনাস (রাঃ) বলেন, তাঁর বোন এবং আমার ফুফু রুবাইয়্যি’ বিনতু নায্‌র (রাঃ) বলেন, (শহীদের ক্ষত-বিক্ষত দেহের) কেবল তাঁর আঙ্গুলের জোড়া দেখেই তাঁকে আমি সনাক্ত করেছি। (অন্য কোন পরিচয়ই অবশিষ্ট ছিল না।) তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “এরা হচ্ছে সেসব ব্যক্তি, যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণ করে দেখিয়েছে। তাদের কেউ অঙ্গীকার ইতোমধ্যেই পূরণ করে ফেলেছে, আর কেউ তার প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা মোটেই পরিবর্তিত হয়নি”-(সুরা আহযাব ৩৩ঃ২৩)। রাবী বলেন, সাহাবীগণ মনে করতেন যে এ আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীদের সম্পর্কেই নাযিল হয়েছিল। (ই.ফা. ৪৭৬৫, ই.সে. ৪৭৬৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার যে চাচার নামানুসারে আমার নামকরণ করা হয়েছে সে আনাস (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে শরীক হতে পারেননি। রাবী বলেন, এটা ছিল তাঁর জন্যে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি (প্রায়ই) বলতেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথম যে যুদ্ধটি করেছিলেন, তাতে আমি শরীক হতে পারলাম না। এরপর যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে তাঁর কোন যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দান করেন তাহলে আমি কী করি তা আল্লাহ দেখবেন। রাবী বলেন, এর বেশী কিছু বলতে তিনি ভয় পেতেন। তারপর উহুদ যুদ্ধের দিন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। রাবী বলেন, সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ) যখন অগ্রসর হলেন তখন আনাস (রাঃ) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ ‘আম্‌র! কোথায় (যাচ্ছো)? আহা! জান্নাতের ঘ্রাণ আমি উহুদ প্রান্ত থেকে পাচ্ছি। রাবী বলেন, তারপর তিনি কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন এমন কি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়ে গেলেন। রাবী বলেন, তারপর তাঁর মৃত লাশে আশিটিরও অধিক তরবারি, বর্শা ও তীরের চিহ্ন পাওয়া যায়। রাবী আনাস (রাঃ) বলেন, তাঁর বোন এবং আমার ফুফু রুবাইয়্যি’ বিনতু নায্‌র (রাঃ) বলেন, (শহীদের ক্ষত-বিক্ষত দেহের) কেবল তাঁর আঙ্গুলের জোড়া দেখেই তাঁকে আমি সনাক্ত করেছি। (অন্য কোন পরিচয়ই অবশিষ্ট ছিল না।) তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “এরা হচ্ছে সেসব ব্যক্তি, যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণ করে দেখিয়েছে। তাদের কেউ অঙ্গীকার ইতোমধ্যেই পূরণ করে ফেলেছে, আর কেউ তার প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা মোটেই পরিবর্তিত হয়নি”-(সুরা আহযাব ৩৩ঃ২৩)। রাবী বলেন, সাহাবীগণ মনে করতেন যে এ আয়াতটি তাঁর এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীদের সম্পর্কেই নাযিল হয়েছিল। (ই.ফা. ৪৭৬৫, ই.সে. ৪৭৬৬)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، قال قال أنس عمي الذي سميت به لم يشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بدرا - قال - فشق عليه قال أول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غيبت عنه وإن أراني الله مشهدا فيما بعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليراني الله ما أصنع - قال - فهاب أن يقول غيرها - قال - فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد - قال - فاستقبل سعد بن معاذ فقال له أنس يا أبا عمرو أين فقال واها لريح الجنة أجده دون أحد - قال - فقاتلهم حتى قتل - قال - فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية - قال - فقالت أخته عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت أخي إلا ببنانه ‏.‏ ونزلت هذه الآية ‏{‏ رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا‏}‏ قال فكانوا يرون أنها نزلت فيه وفي أصحابه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১১

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال جاء ناس إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا أن ابعث معنا رجالا يعلمونا القرآن والسنة ‏.‏ فبعث إليهم سبعين رجلا من الأنصار يقال لهم القراء فيهم خالي حرام يقرءون القرآن ويتدارسون بالليل يتعلمون وكانوا بالنهار يجيئون بالماء فيضعونه في المسجد ويحتطبون فيبيعونه ويشترون به الطعام لأهل الصفة وللفقراء فبعثهم النبي صلى الله عليه وسلم إليهم فعرضوا لهم فقتلوهم قبل أن يبلغوا المكان ‏.‏ فقالوا اللهم بلغ عنا نبينا أنا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا - قال - وأتى رجل حراما خال أنس من خلفه فطعنه برمح حتى أنفذه ‏.‏ فقال حرام فزت ورب الكعبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏ "‏ إن إخوانكم قد قتلوا وإنهم قالوا اللهم بلغ عنا نبينا أنا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, আমাদের সঙ্গে এমন কিছু লোক দিন যাঁরা আমাদেরকে কুরআন এবং সুন্নাহ্‌ শিক্ষা দেবেন। তখন তিনি আনসারদের সত্তর ব্যক্তিকে তাদের সাথে পাঠালেন। তাদেরকে কুররা (ক্বারী সমাজ) বলা হতো। এঁদের মধ্যে আমার মামা হারামও ছিলেন। তাঁরা কুরআন তিলওয়াত করতেন এবং রাত্রে এর অর্থ অনুধাবন ও শিক্ষায় নিমগ্ন থাকতেন, আর দিনের বেলায় জলাশয়ে গিয়ে পানি এনে মাসজিদে রাখতেন এবং কাঠ সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে বিক্রি লব্ধ অর্থে সুফ্‌ফাবাসীগণ এবং নিঃস্ব ফকীরদের জন্যে আহার্য সামগ্রী ক্রয় করতেন। এঁদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সঙ্গে পাঠিয়েছিলেন। ওরা তাঁদের উপর আক্রমণ করলো এবং তাঁরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছার পূর্বেই তাঁদেরকে হত্যা করলো। তখন তাঁরা বললেন, হে আল্লাহ ! আমাদের পক্ষ থেকে আমাদের নাবীর নিকট সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গিয়েছি এবং আপনার প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছি। আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছেন। রাবী বলেন, এক লোক আনাস (রাঃ)-এর মামা হারাম (রাঃ)-এর পিছন দিক দিয়ে এসে বর্শা দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা (শহীদ) করে দিল। হারাম (রাঃ) বলে উঠলেন, কা’বার প্রভুর কসম! আমি সাফল্যমন্ডিত হয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমাদের ভাইগন নিহত হয়েছেন। আর (অন্তিম মুহূর্তে) তাঁরা বলেছেন, হে আল্লাহ! আমাদের নাবীকে সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গেছি এ অবস্থায় যে, আমরা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট। (ই.ফা. ৪৭৪৬, ই.সে. ৪৭৬৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, আমাদের সঙ্গে এমন কিছু লোক দিন যাঁরা আমাদেরকে কুরআন এবং সুন্নাহ্‌ শিক্ষা দেবেন। তখন তিনি আনসারদের সত্তর ব্যক্তিকে তাদের সাথে পাঠালেন। তাদেরকে কুররা (ক্বারী সমাজ) বলা হতো। এঁদের মধ্যে আমার মামা হারামও ছিলেন। তাঁরা কুরআন তিলওয়াত করতেন এবং রাত্রে এর অর্থ অনুধাবন ও শিক্ষায় নিমগ্ন থাকতেন, আর দিনের বেলায় জলাশয়ে গিয়ে পানি এনে মাসজিদে রাখতেন এবং কাঠ সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে বিক্রি লব্ধ অর্থে সুফ্‌ফাবাসীগণ এবং নিঃস্ব ফকীরদের জন্যে আহার্য সামগ্রী ক্রয় করতেন। এঁদেরকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সঙ্গে পাঠিয়েছিলেন। ওরা তাঁদের উপর আক্রমণ করলো এবং তাঁরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছার পূর্বেই তাঁদেরকে হত্যা করলো। তখন তাঁরা বললেন, হে আল্লাহ ! আমাদের পক্ষ থেকে আমাদের নাবীর নিকট সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গিয়েছি এবং আপনার প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছি। আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছেন। রাবী বলেন, এক লোক আনাস (রাঃ)-এর মামা হারাম (রাঃ)-এর পিছন দিক দিয়ে এসে বর্শা দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা (শহীদ) করে দিল। হারাম (রাঃ) বলে উঠলেন, কা’বার প্রভুর কসম! আমি সাফল্যমন্ডিত হয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমাদের ভাইগন নিহত হয়েছেন। আর (অন্তিম মুহূর্তে) তাঁরা বলেছেন, হে আল্লাহ! আমাদের নাবীকে সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গেছি এ অবস্থায় যে, আমরা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট। (ই.ফা. ৪৭৪৬, ই.সে. ৪৭৬৫)

حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس بن مالك، قال جاء ناس إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا أن ابعث معنا رجالا يعلمونا القرآن والسنة ‏.‏ فبعث إليهم سبعين رجلا من الأنصار يقال لهم القراء فيهم خالي حرام يقرءون القرآن ويتدارسون بالليل يتعلمون وكانوا بالنهار يجيئون بالماء فيضعونه في المسجد ويحتطبون فيبيعونه ويشترون به الطعام لأهل الصفة وللفقراء فبعثهم النبي صلى الله عليه وسلم إليهم فعرضوا لهم فقتلوهم قبل أن يبلغوا المكان ‏.‏ فقالوا اللهم بلغ عنا نبينا أنا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا - قال - وأتى رجل حراما خال أنس من خلفه فطعنه برمح حتى أنفذه ‏.‏ فقال حرام فزت ورب الكعبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏ "‏ إن إخوانكم قد قتلوا وإنهم قالوا اللهم بلغ عنا نبينا أنا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১০

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد، - واللفظ ليحيى - قال قتيبة حدثنا وقال، يحيى أخبرنا جعفر بن سليمان، عن أبي عمران الجوني، عن أبي بكر بن، عبد الله بن قيس عن أبيه، قال سمعت أبي وهو، بحضرة العدو يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أبواب الجنة تحت ظلال السيوف ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل رث الهيئة فقال يا أبا موسى آنت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا قال نعم ‏.‏ قال فرجع إلى أصحابه فقال أقرأ عليكم السلام ‏.‏ ثم كسر جفن سيفه فألقاه ثم مشى بسيفه إلى العدو فضرب به حتى قتل ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি- আর তিনি ছিলেন তখন শত্রুর মুখোমুখি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নিশ্চয়ই জান্নাতের দরজাসমূহ রয়েছে তরবারির ছায়ার নীচে। তখন আলুথালু এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো এবং বলল, হে আবূ মূসা! আপনি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন সে ব্যক্তি তাঁর সাথীবর্গের কাছে ফিরে গেলো। তারপর বলল, আমি তোমাদেরকে (বিদায়ী) সালাম জানাচ্ছি। এরপর সে তার তরবারির কোষ ভেঙ্গে ফেলে তা দূরে নিক্ষেপ করলো। তারপর নিজ তরবারিসহ শত্রুদের কাছে গিয়ে তা দিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৬৩, ই.সে. ৪৭৬৪)

‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি- আর তিনি ছিলেন তখন শত্রুর মুখোমুখি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, নিশ্চয়ই জান্নাতের দরজাসমূহ রয়েছে তরবারির ছায়ার নীচে। তখন আলুথালু এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো এবং বলল, হে আবূ মূসা! আপনি কি নিজে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন সে ব্যক্তি তাঁর সাথীবর্গের কাছে ফিরে গেলো। তারপর বলল, আমি তোমাদেরকে (বিদায়ী) সালাম জানাচ্ছি। এরপর সে তার তরবারির কোষ ভেঙ্গে ফেলে তা দূরে নিক্ষেপ করলো। তারপর নিজ তরবারিসহ শত্রুদের কাছে গিয়ে তা দিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৭৬৩, ই.সে. ৪৭৬৪)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد، - واللفظ ليحيى - قال قتيبة حدثنا وقال، يحيى أخبرنا جعفر بن سليمان، عن أبي عمران الجوني، عن أبي بكر بن، عبد الله بن قيس عن أبيه، قال سمعت أبي وهو، بحضرة العدو يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أبواب الجنة تحت ظلال السيوف ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل رث الهيئة فقال يا أبا موسى آنت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا قال نعم ‏.‏ قال فرجع إلى أصحابه فقال أقرأ عليكم السلام ‏.‏ ثم كسر جفن سيفه فألقاه ثم مشى بسيفه إلى العدو فضرب به حتى قتل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮০৯

حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، وهارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، - وهو ابن المغيرة - عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم بسيسة عينا ينظر ما صنعت عير أبي سفيان فجاء وما في البيت أحد غيري وغير رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا أدري ما استثنى بعض نسائه قال فحدثه الحديث قال فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم فقال ‏"‏ إن لنا طلبة فمن كان ظهره حاضرا فليركب معنا ‏"‏ ‏.‏ فجعل رجال يستأذنونه في ظهرانهم في علو المدينة فقال ‏"‏ لا إلا من كان ظهره حاضرا ‏"‏ ‏.‏ فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه حتى سبقوا المشركين إلى بدر وجاء المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يقدمن أحد منكم إلى شىء حتى أكون أنا دونه ‏"‏ ‏.‏ فدنا المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قوموا إلى جنة عرضها السموات والأرض ‏"‏ ‏.‏ قال يقول عمير بن الحمام الأنصاري يا رسول الله جنة عرضها السموات والأرض قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال بخ بخ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما يحملك على قولك بخ بخ ‏"‏ ‏.‏ قال لا والله يا رسول الله إلا رجاءة أن أكون من أهلها ‏.‏ قال ‏"‏ فإنك من أهلها ‏"‏ ‏.‏ فأخرج تمرات من قرنه فجعل يأكل منهن ثم قال لئن أنا حييت حتى آكل تمراتي هذه إنها لحياة طويلة - قال - فرمى بما كان معه من التمر ‏.‏ ثم قاتلهم حتى قتل ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বুসায়সা (রাঃ)-কে আবূ সুফ্‌ইয়ানের বাণিজ্যিক কাফিলার গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্যে পাঠান। তারপর তিনি ফিরে আসলেন। তখন আমি ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাড়া ঘরে আর কেউই ছিল না। রাবী বলেন, আমি স্মরণ করতে পারছি না, তিনি (আনাস) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন সহধর্মিণীর কথাও বলেছেন কি-না। এরপর তিনি সমুদয় ঘটনা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং (লোকজনকে লক্ষ্য করে) তিনি বললেন, আমি দুশমনের খোঁজে বের হচ্ছি। যার সওয়ারী মওজুদ আছে সে যেন আমাদের সঙ্গে সওয়ার হয়ে যায়। তখন কিছুলোক মাদীনার উপরাঞ্চল থেকে তাদের সওয়ারী নিয়ে আসার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি বললেন, না; কেবল যাদের সওয়ারী প্রস্তুত আছে তারাই যাবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ রওনা করলেন এবং মুশরিকদের পূর্বেই বদরে গিয়ে পৌছলেন। এর পরপরই মুশরিকরা এসে পৌঁছলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কেউ যেন কোন ব্যাপারে আমার অগ্রবর্তী না হয়, যতক্ষন না আমি তার সামনে থাকি। এরপর মুশরিকরা নিকটবর্তী হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা জান্নাতের দিকে অগ্রসর হও যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মত। রাবী বলেন, ‘উমায়র ইবনু হুমাম আনসারী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রশস্ততা কি আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার ন্যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ। ‘উমায়র বলে উঠলেন, বাহ্‌, বাহ্‌, কী চমৎকার! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বাহ্‌, বাহ্‌ বলতে তোমাকে কিসে উদ্বুদ্ধ করলো হে? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! বরং আল্লাহ্‌র কসম! আমি তার অধিবাসী হওয়ার আশায়ই এরূপ বলেছি। তখন তিনি বললেন, তুমি নিশ্চয়ই তার অধিবাসী (হবে)। রাবী বলেন, তারপর তিনি তাঁর তূণ থেকে কয়েকটি খেজুর বের করলেন এবং তা খেতে লাগলেন। তারপর বললেন, আমি যদি এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে তাও হবে এক দীর্ঘ জীবন। রাবী বলেন, তারপর তিনি তাঁর কাছে রক্ষিত খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিলেন তারপর জিহাদে প্রবৃত্ত হলেন এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হলেন। (ই,ফা, ৪৭৬২, ই,সে, ৪৭৬৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বুসায়সা (রাঃ)-কে আবূ সুফ্‌ইয়ানের বাণিজ্যিক কাফিলার গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্যে পাঠান। তারপর তিনি ফিরে আসলেন। তখন আমি ও রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাড়া ঘরে আর কেউই ছিল না। রাবী বলেন, আমি স্মরণ করতে পারছি না, তিনি (আনাস) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন সহধর্মিণীর কথাও বলেছেন কি-না। এরপর তিনি সমুদয় ঘটনা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং (লোকজনকে লক্ষ্য করে) তিনি বললেন, আমি দুশমনের খোঁজে বের হচ্ছি। যার সওয়ারী মওজুদ আছে সে যেন আমাদের সঙ্গে সওয়ার হয়ে যায়। তখন কিছুলোক মাদীনার উপরাঞ্চল থেকে তাদের সওয়ারী নিয়ে আসার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি বললেন, না; কেবল যাদের সওয়ারী প্রস্তুত আছে তারাই যাবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ রওনা করলেন এবং মুশরিকদের পূর্বেই বদরে গিয়ে পৌছলেন। এর পরপরই মুশরিকরা এসে পৌঁছলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমাদের কেউ যেন কোন ব্যাপারে আমার অগ্রবর্তী না হয়, যতক্ষন না আমি তার সামনে থাকি। এরপর মুশরিকরা নিকটবর্তী হলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা জান্নাতের দিকে অগ্রসর হও যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মত। রাবী বলেন, ‘উমায়র ইবনু হুমাম আনসারী (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রশস্ততা কি আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার ন্যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ। ‘উমায়র বলে উঠলেন, বাহ্‌, বাহ্‌, কী চমৎকার! তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বাহ্‌, বাহ্‌ বলতে তোমাকে কিসে উদ্বুদ্ধ করলো হে? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! বরং আল্লাহ্‌র কসম! আমি তার অধিবাসী হওয়ার আশায়ই এরূপ বলেছি। তখন তিনি বললেন, তুমি নিশ্চয়ই তার অধিবাসী (হবে)। রাবী বলেন, তারপর তিনি তাঁর তূণ থেকে কয়েকটি খেজুর বের করলেন এবং তা খেতে লাগলেন। তারপর বললেন, আমি যদি এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে তাও হবে এক দীর্ঘ জীবন। রাবী বলেন, তারপর তিনি তাঁর কাছে রক্ষিত খেজুরগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিলেন তারপর জিহাদে প্রবৃত্ত হলেন এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হলেন। (ই,ফা, ৪৭৬২, ই,সে, ৪৭৬৩)

حدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، وهارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، - وهو ابن المغيرة - عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم بسيسة عينا ينظر ما صنعت عير أبي سفيان فجاء وما في البيت أحد غيري وغير رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا أدري ما استثنى بعض نسائه قال فحدثه الحديث قال فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم فقال ‏"‏ إن لنا طلبة فمن كان ظهره حاضرا فليركب معنا ‏"‏ ‏.‏ فجعل رجال يستأذنونه في ظهرانهم في علو المدينة فقال ‏"‏ لا إلا من كان ظهره حاضرا ‏"‏ ‏.‏ فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه حتى سبقوا المشركين إلى بدر وجاء المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يقدمن أحد منكم إلى شىء حتى أكون أنا دونه ‏"‏ ‏.‏ فدنا المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قوموا إلى جنة عرضها السموات والأرض ‏"‏ ‏.‏ قال يقول عمير بن الحمام الأنصاري يا رسول الله جنة عرضها السموات والأرض قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال بخ بخ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما يحملك على قولك بخ بخ ‏"‏ ‏.‏ قال لا والله يا رسول الله إلا رجاءة أن أكون من أهلها ‏.‏ قال ‏"‏ فإنك من أهلها ‏"‏ ‏.‏ فأخرج تمرات من قرنه فجعل يأكل منهن ثم قال لئن أنا حييت حتى آكل تمراتي هذه إنها لحياة طويلة - قال - فرمى بما كان معه من التمر ‏.‏ ثم قاتلهم حتى قتل ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে আল্লাহর পথের মুজাহিদ

সহিহ মুসলিম ৪৮১৫

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن أبي موسى، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله الرجل يقاتل منا شجاعة ‏.‏ فذكر مثله ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এলাম এবং আরয করলাম , হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে। তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ( ই.ফা. ৪৭৬৮, ই. সে. ৪৭৬৯)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)–এর কাছে এলাম এবং আরয করলাম , হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে। তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। ( ই.ফা. ৪৭৬৮, ই. সে. ৪৭৬৯)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن أبي موسى، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله الرجل يقاتل منا شجاعة ‏.‏ فذكر مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১৩

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال حدثنا أبو موسى، الأشعري أن رجلا، أعرابيا أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل ليذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله أعلى فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, জৈনেক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি স্মরণীয় হওয়ার জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলার মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গন্য হবে? তখন রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ই.ফা. ৪৭৬৬, ই.সে. ৪৭৬৭)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, জৈনেক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি স্মরণীয় হওয়ার জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলার মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গন্য হবে? তখন রসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ই.ফা. ৪৭৬৬, ই.সে. ৪৭৬৭)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت أبا وائل، قال حدثنا أبو موسى، الأشعري أن رجلا، أعرابيا أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل ليذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله أعلى فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم ومحمد بن العلاء قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي، موسى قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يقاتل شجاعة ويقاتل حمية ويقاتل رياء أى ذلك في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গন্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গন্য হবে)। ( ই.ফা. ৪৭৬৭, ই.সে. ৪৭৬৮)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গন্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গন্য হবে)। ( ই.ফা. ৪৭৬৭, ই.সে. ৪৭৬৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وإسحاق بن إبراهيم ومحمد بن العلاء قال إسحاق أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن شقيق، عن أبي، موسى قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يقاتل شجاعة ويقاتل حمية ويقاتل رياء أى ذلك في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৮১৬

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي، موسى الأشعري أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القتال في سبيل الله عز وجل فقال الرجل يقاتل غضبا ويقاتل حمية قال فرفع رأسه إليه - وما رفع رأسه إليه إلا أنه كان قائما - فقال ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তাঁর এ মাথা তোলা শুধু এজন্যই ছিল যে , সে লোকটি দন্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্য যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বানী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। ( ই. ফা. ৪৭৬৯, ই. সে. ৪৭৭০ )

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তাঁর এ মাথা তোলা শুধু এজন্যই ছিল যে , সে লোকটি দন্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্য যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বানী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। ( ই. ফা. ৪৭৬৯, ই. সে. ৪৭৭০ )

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي، موسى الأشعري أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القتال في سبيل الله عز وجل فقال الرجل يقاتل غضبا ويقاتل حمية قال فرفع رأسه إليه - وما رفع رأسه إليه إلا أنه كان قائما - فقال ‏ "‏ من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00