সহিহ মুসলিম > শহীদদের রূহ জান্নাতে আর তাঁরা জীবিত, তাঁরা তাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত হন

সহিহ মুসলিম ৪৭৭৯

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن أبي معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، جميعا عن الأعمش، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا أسباط، وأبو معاوية قالا حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، قال سألنا عبد الله عن هذه الآية، ‏{‏ ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا بل أحياء عند ربهم يرزقون‏}‏ قال أما إنا قد سألنا عن ذلك فقال ‏"‏ أرواحهم في جوف طير خضر لها قناديل معلقة بالعرش تسرح من الجنة حيث شاءت ثم تأوي إلى تلك القناديل فاطلع إليهم ربهم اطلاعة فقال هل تشتهون شيئا قالوا أى شىء نشتهي ونحن نسرح من الجنة حيث شئنا ففعل ذلك بهم ثلاث مرات فلما رأوا أنهم لن يتركوا من أن يسألوا قالوا يا رب نريد أن ترد أرواحنا في أجسادنا حتى نقتل في سبيلك مرة أخرى ‏.‏ فلما رأى أن ليس لهم حاجة تركوا ‏"‏ ‏.‏

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ)-কে এ আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যাতে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “যাঁরা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনো তোমরা মৃত মনে করো না বরং তাঁরা জীবিত, তাঁদের প্রতিপালকের নিকট থেকে তারা জীবিকাপ্রাপ্ত” - (সূরা আ-লি ‘ইমরান ৩ : ১৬৯)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি এ আয়াত সম্পর্কে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে) জিজ্ঞেস করেছিলাম তখন তিনি বললেন, তাদের রূহসমূহ সবুজ পাখীর উদরে রক্ষিত থাকে, যা ‘আরশের সাথে ঝুলন্ত দীপাধারে বাস করে। জান্নাতের সর্বত্র তারা যেখানে চায় সেখানে বিচরণ করে। অবশেষে সে দীপাধারগুলোতে ফিরে আসে। একবার তাদের প্রভু তাদের দিকে পরিপূর্ণভাবে তাকালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কি কোন আকাঙ্ক্ষা আছে? জবাবে তারা বলল, আমাদের আর কি আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে, আমরা তো যেভাবে ইচ্ছা জান্নাতে ঘোরাফেরা করছি। আল্লাহ তা’আলা তাদের সাথে এরূপ তিন তিনবার করলেন। যখন তারা দেখলো জবাব না দিয়ে প্রশ্ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না তখন তারা বলল, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের আকাঙ্ক্ষা হয় যদি আমাদের রূহগুলোকে আমাদের দেহসমূহে ফিরিয়ে দিতেন আর পুনরায় আমরা আপনারই পথে নিহত হতে পারতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ যখন দেখলেন, তাদের আর কোন প্রয়োজনই নেই, তখন তদেরকে ছেড়ে দেয়া হলো (আর প্রশ্ন করা হলো না)। (ই.ফা. ৪৭৩২, ই.সে. ৪৭৩৩)

মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ)-কে এ আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যাতে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “যাঁরা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনো তোমরা মৃত মনে করো না বরং তাঁরা জীবিত, তাঁদের প্রতিপালকের নিকট থেকে তারা জীবিকাপ্রাপ্ত” - (সূরা আ-লি ‘ইমরান ৩ : ১৬৯)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি এ আয়াত সম্পর্কে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে) জিজ্ঞেস করেছিলাম তখন তিনি বললেন, তাদের রূহসমূহ সবুজ পাখীর উদরে রক্ষিত থাকে, যা ‘আরশের সাথে ঝুলন্ত দীপাধারে বাস করে। জান্নাতের সর্বত্র তারা যেখানে চায় সেখানে বিচরণ করে। অবশেষে সে দীপাধারগুলোতে ফিরে আসে। একবার তাদের প্রভু তাদের দিকে পরিপূর্ণভাবে তাকালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের কি কোন আকাঙ্ক্ষা আছে? জবাবে তারা বলল, আমাদের আর কি আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে, আমরা তো যেভাবে ইচ্ছা জান্নাতে ঘোরাফেরা করছি। আল্লাহ তা’আলা তাদের সাথে এরূপ তিন তিনবার করলেন। যখন তারা দেখলো জবাব না দিয়ে প্রশ্ন থেকে রেহাই পাচ্ছে না তখন তারা বলল, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের আকাঙ্ক্ষা হয় যদি আমাদের রূহগুলোকে আমাদের দেহসমূহে ফিরিয়ে দিতেন আর পুনরায় আমরা আপনারই পথে নিহত হতে পারতাম। অতঃপর মহান আল্লাহ যখন দেখলেন, তাদের আর কোন প্রয়োজনই নেই, তখন তদেরকে ছেড়ে দেয়া হলো (আর প্রশ্ন করা হলো না)। (ই.ফা. ৪৭৩২, ই.সে. ৪৭৩৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن أبي معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، جميعا عن الأعمش، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا أسباط، وأبو معاوية قالا حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، قال سألنا عبد الله عن هذه الآية، ‏{‏ ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا بل أحياء عند ربهم يرزقون‏}‏ قال أما إنا قد سألنا عن ذلك فقال ‏"‏ أرواحهم في جوف طير خضر لها قناديل معلقة بالعرش تسرح من الجنة حيث شاءت ثم تأوي إلى تلك القناديل فاطلع إليهم ربهم اطلاعة فقال هل تشتهون شيئا قالوا أى شىء نشتهي ونحن نسرح من الجنة حيث شئنا ففعل ذلك بهم ثلاث مرات فلما رأوا أنهم لن يتركوا من أن يسألوا قالوا يا رب نريد أن ترد أرواحنا في أجسادنا حتى نقتل في سبيلك مرة أخرى ‏.‏ فلما رأى أن ليس لهم حاجة تركوا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > জিহাদ ও রিবাত (শত্রুর মুকাবিলায় বিনিদ্র প্রহরা)- এর ফযীলাত

সহিহ মুসলিম ৪৭৮৩

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن بعجة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من خير معاش الناس لهم رجل ممسك عنان فرسه في سبيل الله يطير على متنه كلما سمع هيعة أو فزعة طار عليه يبتغي القتل والموت مظانه أو رجل في غنيمة في رأس شعفة من هذه الشعف أو بطن واد من هذه الأودية يقيم الصلاة ويؤتي الزكاة ويعبد ربه حتى يأتيه اليقين ليس من الناس إلا في خير ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ সর্বোত্তম জীবন হলো সে ব্যক্তির জীবন যে আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে ঘোড়ার লাগাম ধরে থাকে। শত্রুর উপস্থিতি ও শত্রুর দিকে ধাবমান হওয়ার শব্দ শুনামাত্র ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়ে যথাস্থানে সে শত্রুকে হত্যা এবং নিজ শাহাদাতের সন্ধান করে। অথবা ঐ লোকের জীবনই উত্তম যে ছাগপাল নিয়ে কোন পাহাড় চূড়ায় বা (নির্জন) উপত্যকায় বসবাস করে আর যথারীতি সলাত আদায় করে, যাকাত দান করে এবং আমৃত্যু তার প্রভুর ‘ইবাদাতে নিমগ্ন থাকে। লোকটি কেবল মঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে। (ই.ফা. ৪৭৩৬, ই.সে. ৪৭৩৭)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ সর্বোত্তম জীবন হলো সে ব্যক্তির জীবন যে আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে ঘোড়ার লাগাম ধরে থাকে। শত্রুর উপস্থিতি ও শত্রুর দিকে ধাবমান হওয়ার শব্দ শুনামাত্র ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়ে যথাস্থানে সে শত্রুকে হত্যা এবং নিজ শাহাদাতের সন্ধান করে। অথবা ঐ লোকের জীবনই উত্তম যে ছাগপাল নিয়ে কোন পাহাড় চূড়ায় বা (নির্জন) উপত্যকায় বসবাস করে আর যথারীতি সলাত আদায় করে, যাকাত দান করে এবং আমৃত্যু তার প্রভুর ‘ইবাদাতে নিমগ্ন থাকে। লোকটি কেবল মঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে। (ই.ফা. ৪৭৩৬, ই.সে. ৪৭৩৭)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن بعجة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من خير معاش الناس لهم رجل ممسك عنان فرسه في سبيل الله يطير على متنه كلما سمع هيعة أو فزعة طار عليه يبتغي القتل والموت مظانه أو رجل في غنيمة في رأس شعفة من هذه الشعف أو بطن واد من هذه الأودية يقيم الصلاة ويؤتي الزكاة ويعبد ربه حتى يأتيه اليقين ليس من الناس إلا في خير ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮০

حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا يحيى بن حمزة، عن محمد بن الوليد الزبيدي، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال أى الناس أفضل فقال ‏"‏ رجل يجاهد في سبيل الله بماله ونفسه ‏"‏ قال ثم من قال ‏"‏ مؤمن في شعب من الشعاب يعبد الله ربه ويدع الناس من شره ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, সে মু’মিন যে তার জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। সে ব্যক্তি বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, যে মু’মিন কোন পাহাড়ী উপত্যকায় নির্জনে বসে তার প্রতিপালকের ‘ইবাদাত করে এবং স্বীয় অনিষ্ট থেকে লোকজনকে রক্ষা করে। (ই.ফা. ৪৭৩৩, ই.সে. ৪৭৩৪)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, সে মু’মিন যে তার জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। সে ব্যক্তি বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, যে মু’মিন কোন পাহাড়ী উপত্যকায় নির্জনে বসে তার প্রতিপালকের ‘ইবাদাত করে এবং স্বীয় অনিষ্ট থেকে লোকজনকে রক্ষা করে। (ই.ফা. ৪৭৩৩, ই.সে. ৪৭৩৪)

حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا يحيى بن حمزة، عن محمد بن الوليد الزبيدي، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن أبي سعيد الخدري، أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال أى الناس أفضل فقال ‏"‏ رجل يجاهد في سبيل الله بماله ونفسه ‏"‏ قال ثم من قال ‏"‏ مؤمن في شعب من الشعاب يعبد الله ربه ويدع الناس من شره ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮১

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عطاء، بن يزيد الليثي عن أبي سعيد، قال قال رجل أى الناس أفضل يا رسول الله قال ‏"‏ مؤمن يجاهد بنفسه وماله في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم رجل معتزل في شعب من الشعاب يعبد ربه ويدع الناس من شره ‏"‏ ‏.‏ সমস্যা? রিপোর্ট করুন!

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, ঐ ব্যক্তি যে তার জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। সে ব্যক্তি বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তারপর হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোন নিভৃত উপত্যকায় তার প্রতিপালকের ‘ইবাদাতে মনোনিবেশ করে থাকে এবং লোকজনকে তার নিজ ক্ষতিকারক বিষয়াদি থেকে বাঁচায়। (ই.ফা. ৪৭৩৪, ই.সে. ৪৭৩৫)

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! সর্বোত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, ঐ ব্যক্তি যে তার জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। সে ব্যক্তি বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তারপর হচ্ছে ঐ ব্যক্তি যে সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোন নিভৃত উপত্যকায় তার প্রতিপালকের ‘ইবাদাতে মনোনিবেশ করে থাকে এবং লোকজনকে তার নিজ ক্ষতিকারক বিষয়াদি থেকে বাঁচায়। (ই.ফা. ৪৭৩৪, ই.সে. ৪৭৩৫)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عطاء، بن يزيد الليثي عن أبي سعيد، قال قال رجل أى الناس أفضل يا رسول الله قال ‏"‏ مؤمن يجاهد بنفسه وماله في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم رجل معتزل في شعب من الشعاب يعبد ربه ويدع الناس من شره ‏"‏ ‏.‏ সমস্যা? রিপোর্ট করুন!


সহিহ মুসলিম ৪৭৮২

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا محمد بن يوسف، عن الأوزاعي، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد فقال ‏"‏ ورجل في شعب ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل ‏"‏ ثم رجل ‏"‏ ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ উপত্যকায় অবস্থানকারী লোক, তারপর ‘ঐ ব্যক্তি’ তিনি বলেননি। (ই.ফা. ৪৭৩৫, ই.সে. ৪৭৩৬)

ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ উপত্যকায় অবস্থানকারী লোক, তারপর ‘ঐ ব্যক্তি’ তিনি বলেননি। (ই.ফা. ৪৭৩৫, ই.সে. ৪৭৩৬)

وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا محمد بن يوسف، عن الأوزاعي، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد فقال ‏"‏ ورجل في شعب ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل ‏"‏ ثم رجل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮৪

وحدثناه قتيبة بن سعيد، عن عبد العزيز بن أبي حازم، ويعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - كلاهما عن أبي حازم، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله وقال عن بعجة بن، عبد الله بن بدر وقال ‏ "‏ في شعبة من هذه الشعاب ‏"‏ ‏.‏ خلاف رواية يحيى ‏.‏

আবূ হাযিম (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি (কুতাইবাহ) বলেছেন, বা’জাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু বাদর (আরবী) এ শব্দের পরিবর্তে (আরবী) শব্দে ইয়াহইয়া থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭৩৭, ই.সে. ৪৭৩৮)

আবূ হাযিম (রহঃ) হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি (কুতাইবাহ) বলেছেন, বা’জাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু বাদর (আরবী) এ শব্দের পরিবর্তে (আরবী) শব্দে ইয়াহইয়া থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭৩৭, ই.সে. ৪৭৩৮)

وحدثناه قتيبة بن سعيد، عن عبد العزيز بن أبي حازم، ويعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - كلاهما عن أبي حازم، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله وقال عن بعجة بن، عبد الله بن بدر وقال ‏ "‏ في شعبة من هذه الشعاب ‏"‏ ‏.‏ خلاف رواية يحيى ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮৫

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، و أبو كريب قالوا حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن بعجة بن عبد الله الجهني، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث أبي حازم عن بعجة وقال ‏ "‏ في شعب من الشعاب ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে রয়েছে, (আরবী)। (ই.ফা. ৪৭৩৮, ই.সে. ৪৭৩৯)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে রয়েছে, (আরবী)। (ই.ফা. ৪৭৩৮, ই.সে. ৪৭৩৯)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، و أبو كريب قالوا حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن بعجة بن عبد الله الجهني، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث أبي حازم عن بعجة وقال ‏ "‏ في شعب من الشعاب ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > পরস্পর একজন অন্যজনকে হত্যা করে উভয় ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে

সহিহ মুসলিম ৪৭৮৮

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يضحك الله لرجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة ‏"‏ قالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ يقتل هذا فيلج الجنة ثم يتوب الله على الآخر فيهديه إلى الإسلام ثم يجاهد في سبيل الله فيستشهد ‏"‏ ‏.‏

হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনেকগুলো হাদীস বর্ণনা করেন, তন্মধ্যে এটিও ছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা এমন দু’ব্যক্তির জন্য হাসবেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে অথচ তাদের উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবীগণ আরয করলেন, তা কেমন করে হবে হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, একজন নিহত হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারপর আল্লাহ অপরজনের প্রতিও সদয় হবেন এবং তাকেও ইসলামের হিদায়াত দান করবেন। তারপর সেও আল্লাহর পথে জিহাদ করবে এবং শহীদ হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৪৭৪১, ই.সে. ৪৭৪২)

হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনেকগুলো হাদীস বর্ণনা করেন, তন্মধ্যে এটিও ছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা এমন দু’ব্যক্তির জন্য হাসবেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে অথচ তাদের উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবীগণ আরয করলেন, তা কেমন করে হবে হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, একজন নিহত হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারপর আল্লাহ অপরজনের প্রতিও সদয় হবেন এবং তাকেও ইসলামের হিদায়াত দান করবেন। তারপর সেও আল্লাহর পথে জিহাদ করবে এবং শহীদ হয়ে যাবে। (ই.ফা. ৪৭৪১, ই.সে. ৪৭৪২)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يضحك الله لرجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة ‏"‏ قالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ يقتل هذا فيلج الجنة ثم يتوب الله على الآخر فيهديه إلى الإسلام ثم يجاهد في سبيل الله فيستشهد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮৬

حدثنا محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يضحك الله إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ يقاتل هذا في سبيل الله عز وجل فيستشهد ثم يتوب الله على القاتل فيسلم فيقاتل في سبيل الله عز وجل فيستشهد ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঐ দু’ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে হাসেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে অথচ উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবীগন বললেন, তা কেমন করে হবে হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়ে যাবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা হত্যাকারীর প্রতি সদয় দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন এবং সে ইসলাম গ্রহণ করে ফেলবে এবং সেও আল্লাহর পথে জিহাদ করে শাহাদাত বরণ করবে। (ই.ফা. ৪৭৩৯, ই.সে. ৪৭৪০)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঐ দু’ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে হাসেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করবে অথচ উভয়েই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবীগন বললেন, তা কেমন করে হবে হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)? তিনি বললেন, এক ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদ করে শহীদ হয়ে যাবে। তারপর আল্লাহ তা’আলা হত্যাকারীর প্রতি সদয় দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন এবং সে ইসলাম গ্রহণ করে ফেলবে এবং সেও আল্লাহর পথে জিহাদ করে শাহাদাত বরণ করবে। (ই.ফা. ৪৭৩৯, ই.সে. ৪৭৪০)

حدثنا محمد بن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يضحك الله إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ فقالوا كيف يا رسول الله قال ‏"‏ يقاتل هذا في سبيل الله عز وجل فيستشهد ثم يتوب الله على القاتل فيسلم فيقاتل في سبيل الله عز وجل فيستشهد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৭৪০, ই.সে. ৪৭৪১)

আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৭৪০, ই.সে. ৪৭৪১)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب قالوا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি কোন কাফিরকে হত্যা করে নিজেও সঠিক পথে চলল

সহিহ মুসলিম ৪৭৯০

حدثنا عبد الله بن عون الهلالي، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، إبراهيم بن محمد عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يجتمعان في النار اجتماعا يضر أحدهما الآخر ‏"‏ ‏.‏ قيل من هم يا رسول الله قال ‏"‏ مؤمن قتل كافرا ثم سدد ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এমন দু’ব্যক্তি জাহান্নামে একত্রিত হবে না যে, একের উপস্থিতি অন্যকে বিব্রত করে। তখন জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কারা এ দু’ব্যক্তি? তিনি বললেন, সে মু’মিন ব্যক্তি যে কোন কাফিরকে হত্যা করেছে তারপর নিজে ন্যায় পথে চলেছে। (ই.ফা. ৪৭৪৩, ই.সে. ৪৭৪৪)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এমন দু’ব্যক্তি জাহান্নামে একত্রিত হবে না যে, একের উপস্থিতি অন্যকে বিব্রত করে। তখন জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কারা এ দু’ব্যক্তি? তিনি বললেন, সে মু’মিন ব্যক্তি যে কোন কাফিরকে হত্যা করেছে তারপর নিজে ন্যায় পথে চলেছে। (ই.ফা. ৪৭৪৩, ই.সে. ৪৭৪৪)

حدثنا عبد الله بن عون الهلالي، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، إبراهيم بن محمد عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يجتمعان في النار اجتماعا يضر أحدهما الآخر ‏"‏ ‏.‏ قيل من هم يا رسول الله قال ‏"‏ مؤمن قتل كافرا ثم سدد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৭৮৯

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يجتمع كافر وقاتله في النار أبدا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কাফির এবং তার হত্যাকারী (মু’মিন) কখনও জাহান্নামে একত্রিত হবে না। (ই.ফা. ৪৭৪২, ই.সে. ৪৭৪৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ কাফির এবং তার হত্যাকারী (মু’মিন) কখনও জাহান্নামে একত্রিত হবে না। (ই.ফা. ৪৭৪২, ই.সে. ৪৭৪৩)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يجتمع كافر وقاتله في النار أبدا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00