সহিহ মুসলিম > যে খলীফার কাছে প্রথম বাই’আত হবে তাকে অগ্রাধিকার দিবে।

সহিহ মুসলিম ৪৬৭২

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو المنذر، إسماعيل بن عمر حدثنا يونس بن، أبي إسحاق الهمداني حدثنا عبد الله بن أبي السفر، عن عامر، عن عبد الرحمن بن عبد، رب الكعبة الصائدي قال رأيت جماعة عند الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث الأعمش ‏.‏

‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বাহ সায়িদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদল লোককে কা’বার নিকট দেখলাম। অতঃপর আ’মাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৬, ই. সে. ৪৬২৭)

‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বাহ সায়িদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদল লোককে কা’বার নিকট দেখলাম। অতঃপর আ’মাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৬, ই. সে. ৪৬২৭)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو المنذر، إسماعيل بن عمر حدثنا يونس بن، أبي إسحاق الهمداني حدثنا عبد الله بن أبي السفر، عن عامر، عن عبد الرحمن بن عبد، رب الكعبة الصائدي قال رأيت جماعة عند الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث الأعمش ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، ووكيع، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن، وهب عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك قال ‏"‏ تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও তোমাদের অপছন্দনীয় অনেক কিছু ঘটবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যকার যাঁরা তা পাবে তাঁদের ব্যাপারে আপনার নির্দেশ কি হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব তোমরা পালন করে যাবে, আর তোমাদের প্রাপ্য হক তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে। (ই. ফা. ৪৬২৩, ই. সে. ৪৬২৪)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও তোমাদের অপছন্দনীয় অনেক কিছু ঘটবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যকার যাঁরা তা পাবে তাঁদের ব্যাপারে আপনার নির্দেশ কি হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব তোমরা পালন করে যাবে, আর তোমাদের প্রাপ্য হক তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে। (ই. ফা. ৪৬২৩, ই. সে. ৪৬২৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، ووكيع، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن، وهب عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك قال ‏"‏ تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فرات القزاز، عن أبي حازم، قال قاعدت أبا هريرة خمس سنين فسمعته يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وإنه لا نبي بعدي وستكون خلفاء فتكثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما تأمرنا قال ‏"‏ فوا ببيعة الأول فالأول وأعطوهم حقهم فإن الله سائلهم عما استرعاهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) –এর সাথে পাঁচ বছর থেকেছি। আমি তার কাছে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলদের পরিচালনা করতেন নাবীগন। তাঁদের মধ্যেকার একজন নবী মৃত্যুবরণ করলে অপর একজন নবী তার স্থলাভিষিক্ত হতেন। আমার পরে আর কোন নবী নেই বরং খলীফাগণ হবেন এবং তারা সংখ্যায় প্রচুর হবেন। তখন সাহাবীগন বললেনঃ তাহলে আপনি (এ ব্যাপারে) আমাদেরকে কি আদেশ করেন? তিনি বললেন, যার হাতে প্রথম বাই’আত বা অনুগত্যের শপথ করবে, তাঁরই অনুগত্য করবে এবং তাঁদেরকে তাঁদের হক প্রদান করবে, আল্লাহ্‌ই তাদেরকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে। (ই. ফা. ৪৬২১, ই. সে. ৪৬২২)

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) –এর সাথে পাঁচ বছর থেকেছি। আমি তার কাছে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলদের পরিচালনা করতেন নাবীগন। তাঁদের মধ্যেকার একজন নবী মৃত্যুবরণ করলে অপর একজন নবী তার স্থলাভিষিক্ত হতেন। আমার পরে আর কোন নবী নেই বরং খলীফাগণ হবেন এবং তারা সংখ্যায় প্রচুর হবেন। তখন সাহাবীগন বললেনঃ তাহলে আপনি (এ ব্যাপারে) আমাদেরকে কি আদেশ করেন? তিনি বললেন, যার হাতে প্রথম বাই’আত বা অনুগত্যের শপথ করবে, তাঁরই অনুগত্য করবে এবং তাঁদেরকে তাঁদের হক প্রদান করবে, আল্লাহ্‌ই তাদেরকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে। (ই. ফা. ৪৬২১, ই. সে. ৪৬২২)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فرات القزاز، عن أبي حازم، قال قاعدت أبا هريرة خمس سنين فسمعته يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وإنه لا نبي بعدي وستكون خلفاء فتكثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما تأمرنا قال ‏"‏ فوا ببيعة الأول فالأول وأعطوهم حقهم فإن الله سائلهم عما استرعاهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭০

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن عبد رب الكعبة، قال دخلت المسجد فإذا عبد الله بن عمرو بن العاص جالس في ظل الكعبة والناس مجتمعون عليه فأتيتهم فجلست إليه فقال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جامعة ‏.‏ فاجتمعنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة فيرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه مهلكتي ‏.‏ ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه هذه ‏.‏ فمن أحب أن يزحزح عن النار ويدخل الجنة فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر ‏"‏ ‏.‏ فدنوت منه فقلت له أنشدك الله آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهوى إلى أذنيه وقلبه بيديه وقال سمعته أذناى ووعاه قلبي ‏.‏ فقلت له هذا ابن عمك معاوية يأمرنا أن نأكل أموالنا بيننا بالباطل ونقتل أنفسنا والله يقول ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم ولا تقتلوا أنفسكم إن الله كان بكم رحيما‏}‏ قال فسكت ساعة ثم قال أطعه في طاعة الله واعصه في معصية الله ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) কা’বার ছায়ায় বসেছিলেন। লোকজন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরেছিল। আমি তাদের নিকট গেলাম এবং তাঁর পাশেই বসে পড়লাম। তখন তিনি বললেন, কোন সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা একটি অবস্থান গ্রহণ করলাম। আমাদের মধ্যেকার কেউ তখন তার তাঁবু ঠিকঠাক করছিল, কেউ তীর ছুঁড়ছিল, কেউ তার পশুপাল দেখাশুনা করছিল। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নকীব হাঁক দিল নামাযের ব্যবস্থা প্রস্তুত! তখন আমরা গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে মিলিত হলাম। তিনি বললেন, আমার পূর্বে এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যাঁর উপর এ দায়িত্ব বর্তায়নি যে, তিনি তাদের জন্য যে মঙ্গলজনক ব্যাপার জানতে পেরেছেন তা উম্মাতদেরকে নির্দেশনা দেননি এবং তিনি তার জন্য যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন, সে বিষয়ে তাদেরকে সাবধান করেননি। আর তোমাদের এ উম্মাত (উম্মাতে মুহাম্মাদ)-এর প্রথম অংশে তার কল্যাণ নিহিত এবং এর শেষ অংশ অচিরেই নানাবিধ পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের এবং এমন সব ব্যাপারের সম্মুখীন হবে, যা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। এমন সব বিপর্যয় একাদিক্রমে আসতে থাকবে যে , একটি অপরটিকে ছোট প্রতিপন্ন করবে। একটি বিপর্যয় আসবে তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে – এটা আমার জন্য ধ্বংসাত্মক, তারপর যখন তা দূর হয়ে অপর বিপর্যয়টি আসবে তখন মুমিন ব্যক্তি বলবে, আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। সুতরাং যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায় –তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ্‌ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমনি আচরণ করে যে আচরণ সে নিজের জন্য পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি কোন ইমাম (বা নেতার) হাতে বাই’আত হয় –আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে তার হাতে হাত দিয়ে এবং অন্তরে সে ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে যেন সাধ্যনুসারে তার অনুগত্য করে যায়। তারপর যদি অপর কেউ তার সাথে (নেতৃত্ব লাভের অভিলাষে) ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় তবে ঐ পরবর্তী জনের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (রাবী বলেন) তখন আমি তাঁর নিকটে ঘেঁষলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে বলছি সত্যিই আপনি (নিজ কানে) কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দু’কান ও অন্তঃকরণের দিকে দু’হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, আমার দু’কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তঃকরণ তা সংরক্ষণ করেছে। তখন আমি তাঁকে লক্ষ্য করে বললাম, ঐ যে আপনার চাচাতো ভাই মু’আবিয়্যাহ (আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি আমাদেরকে আদেশ দেন যেন আমরা আমাদের পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করি আর নিজেদের মধ্যে পরস্পরে হানাহানি করি অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘‘ হে মুমিনগণ ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, ব্যবসার মাধ্যমে পারস্পরিক সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যতীত এবং তোমরা পরস্পরে হানাহানি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান’’ –(সূরা আন নিসা ৪: ২৯)। রাবী বলেন, তখন তিনি কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকলেন। তারপর বললেন, আল্লাহ্‌র অনুগত্যের ব্যাপারসমূহে তুমি তার আনুগত্য করবে এবং আল্লাহ্‌র অবাধ্যতার বিষয়গুলোতে তার অবাধ্যতা করবে। (ই. ফা. ৪৬২৪, ই. সে. ৪৬২৫)

‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) কা’বার ছায়ায় বসেছিলেন। লোকজন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরেছিল। আমি তাদের নিকট গেলাম এবং তাঁর পাশেই বসে পড়লাম। তখন তিনি বললেন, কোন সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা একটি অবস্থান গ্রহণ করলাম। আমাদের মধ্যেকার কেউ তখন তার তাঁবু ঠিকঠাক করছিল, কেউ তীর ছুঁড়ছিল, কেউ তার পশুপাল দেখাশুনা করছিল। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নকীব হাঁক দিল নামাযের ব্যবস্থা প্রস্তুত! তখন আমরা গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে মিলিত হলাম। তিনি বললেন, আমার পূর্বে এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যাঁর উপর এ দায়িত্ব বর্তায়নি যে, তিনি তাদের জন্য যে মঙ্গলজনক ব্যাপার জানতে পেরেছেন তা উম্মাতদেরকে নির্দেশনা দেননি এবং তিনি তার জন্য যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন, সে বিষয়ে তাদেরকে সাবধান করেননি। আর তোমাদের এ উম্মাত (উম্মাতে মুহাম্মাদ)-এর প্রথম অংশে তার কল্যাণ নিহিত এবং এর শেষ অংশ অচিরেই নানাবিধ পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের এবং এমন সব ব্যাপারের সম্মুখীন হবে, যা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। এমন সব বিপর্যয় একাদিক্রমে আসতে থাকবে যে , একটি অপরটিকে ছোট প্রতিপন্ন করবে। একটি বিপর্যয় আসবে তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে – এটা আমার জন্য ধ্বংসাত্মক, তারপর যখন তা দূর হয়ে অপর বিপর্যয়টি আসবে তখন মুমিন ব্যক্তি বলবে, আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। সুতরাং যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায় –তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ্‌ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমনি আচরণ করে যে আচরণ সে নিজের জন্য পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি কোন ইমাম (বা নেতার) হাতে বাই’আত হয় –আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে তার হাতে হাত দিয়ে এবং অন্তরে সে ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে যেন সাধ্যনুসারে তার অনুগত্য করে যায়। তারপর যদি অপর কেউ তার সাথে (নেতৃত্ব লাভের অভিলাষে) ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় তবে ঐ পরবর্তী জনের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (রাবী বলেন) তখন আমি তাঁর নিকটে ঘেঁষলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে বলছি সত্যিই আপনি (নিজ কানে) কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দু’কান ও অন্তঃকরণের দিকে দু’হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, আমার দু’কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তঃকরণ তা সংরক্ষণ করেছে। তখন আমি তাঁকে লক্ষ্য করে বললাম, ঐ যে আপনার চাচাতো ভাই মু’আবিয়্যাহ (আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি আমাদেরকে আদেশ দেন যেন আমরা আমাদের পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করি আর নিজেদের মধ্যে পরস্পরে হানাহানি করি অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘‘ হে মুমিনগণ ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, ব্যবসার মাধ্যমে পারস্পরিক সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যতীত এবং তোমরা পরস্পরে হানাহানি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান’’ –(সূরা আন নিসা ৪: ২৯)। রাবী বলেন, তখন তিনি কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকলেন। তারপর বললেন, আল্লাহ্‌র অনুগত্যের ব্যাপারসমূহে তুমি তার আনুগত্য করবে এবং আল্লাহ্‌র অবাধ্যতার বিষয়গুলোতে তার অবাধ্যতা করবে। (ই. ফা. ৪৬২৪, ই. সে. ৪৬২৫)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن عبد رب الكعبة، قال دخلت المسجد فإذا عبد الله بن عمرو بن العاص جالس في ظل الكعبة والناس مجتمعون عليه فأتيتهم فجلست إليه فقال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جامعة ‏.‏ فاجتمعنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة فيرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه مهلكتي ‏.‏ ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه هذه ‏.‏ فمن أحب أن يزحزح عن النار ويدخل الجنة فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر ‏"‏ ‏.‏ فدنوت منه فقلت له أنشدك الله آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهوى إلى أذنيه وقلبه بيديه وقال سمعته أذناى ووعاه قلبي ‏.‏ فقلت له هذا ابن عمك معاوية يأمرنا أن نأكل أموالنا بيننا بالباطل ونقتل أنفسنا والله يقول ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم ولا تقتلوا أنفسكم إن الله كان بكم رحيما‏}‏ قال فسكت ساعة ثم قال أطعه في طاعة الله واعصه في معصية الله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، قالا حدثنا عبد الله، بن إدريس عن الحسن بن فرات، عن أبيه، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

হাসান ইবনু ফুরাত (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬২২, ই. সে. ৪৬২৩)

হাসান ইবনু ফুরাত (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬২২, ই. সে. ৪৬২৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، قالا حدثنا عبد الله، بن إدريس عن الحسن بن فرات، عن أبيه، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ

সহিহ মুসলিম ৪৬৭৩

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألا تستعملني كما استعملت فلانا فقال ‏ "‏ إنكم ستلقون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض ‏"‏ ‏.‏

উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ই. ফা. ৪৬২৭, ই. সে. ৪৬২৮)

উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ই. ফা. ৪৬২৭, ই. সে. ৪৬২৮)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألا تستعملني كما استعملت فلانا فقال ‏ "‏ إنكم ستلقون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৪

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة بن الحجاج، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يحدث عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله

উসায়দ ইবনু হুরায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করল। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬২৯)

উসায়দ ইবনু হুরায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করল। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬২৯)

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة بن الحجاج، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يحدث عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৫

وحدثنيه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يقل خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে মিলিত হন’’ বর্ণনা করেননি। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬৩০)

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে মিলিত হন’’ বর্ণনা করেননি। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬৩০)

وحدثنيه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يقل خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম > প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করলেও শাসকদের অনুগত থাকা

সহিহ মুসলিম ৪৬৭৬

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه، قال سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله في الثانية أو في الثالثة فجذبه الأشعث بن قيس وقال ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏

ওয়ায়িল হাযরামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালামাহ ইবনু ইয়াযীদ আল জু’ফী (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ্‌র নাবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্ত আমাদের হক তারা দেয় না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদের কে কি করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন। তিনি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশ’আস ইবনু কায়স (রাঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে। (ই. ফা. ৪৬২৯, ই. সে. ৪৬৩১)

ওয়ায়িল হাযরামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালামাহ ইবনু ইয়াযীদ আল জু’ফী (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ্‌র নাবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্ত আমাদের হক তারা দেয় না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদের কে কি করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন। তিনি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশ’আস ইবনু কায়স (রাঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে। (ই. ফা. ৪৬২৯, ই. সে. ৪৬৩১)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه، قال سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله في الثانية أو في الثالثة فجذبه الأشعث بن قيس وقال ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن سماك، بهذا الإسناد مثله وقال فجذبه الأشعث بن قيس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, “আশ ‘আস ইবনু কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।” (ই.ফা. ৪৬৩০, ই.সে. ৪৬৩২)

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, “আশ ‘আস ইবনু কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।” (ই.ফা. ৪৬৩০, ই.সে. ৪৬৩২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن سماك، بهذا الإسناد مثله وقال فجذبه الأشعث بن قيس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ

সহিহ মুসলিম ৪৬৮২

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا مهدي بن ميمون، عن غيلان بن جرير، عن زياد بن رياح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من خرج من الطاعة وفارق الجماعة ثم مات مات ميتة جاهلية ومن قتل تحت راية عمية يغضب للعصبة ويقاتل للعصبة فليس من أمتي ومن خرج من أمتي على أمتي يضرب برها وفاجرها لا يتحاش من مؤمنها ولا يفي بذي عهدها فليس مني ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং মৃত্যুবরণ করলো, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করলো এবং যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রের টানে ক্রুদ্ধ হয় এবং গোত্র প্রীতির জন্যেই যুদ্ধ করে। সে আমার উম্মাত নয়। আর যে ব্যক্তি আমার ‘উম্মাত থেকে বেরিয়ে আমার ‘উম্মাতেরই পূণ্যবান ও পাপাচারী সকলের গর্দান কাটে, মু’মিনদেরকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তার অঙ্গীকারও পালন করে না, সে আমার উম্মাত নয়। ( ই.ফা. ৪৬৩৫, ই.সে. ৪৬৩৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং মৃত্যুবরণ করলো, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করলো এবং যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রের টানে ক্রুদ্ধ হয় এবং গোত্র প্রীতির জন্যেই যুদ্ধ করে। সে আমার উম্মাত নয়। আর যে ব্যক্তি আমার ‘উম্মাত থেকে বেরিয়ে আমার ‘উম্মাতেরই পূণ্যবান ও পাপাচারী সকলের গর্দান কাটে, মু’মিনদেরকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তার অঙ্গীকারও পালন করে না, সে আমার উম্মাত নয়। ( ই.ফা. ৪৬৩৫, ই.সে. ৪৬৩৭)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا مهدي بن ميمون، عن غيلان بن جرير، عن زياد بن رياح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من خرج من الطاعة وفارق الجماعة ثم مات مات ميتة جاهلية ومن قتل تحت راية عمية يغضب للعصبة ويقاتل للعصبة فليس من أمتي ومن خرج من أمتي على أمتي يضرب برها وفاجرها لا يتحاش من مؤمنها ولا يفي بذي عهدها فليس مني ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৬

حدثنا هريم بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي يحدث، عن أبي، مجلز عن جندب بن عبد الله البجلي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل تحت راية عمية يدعو عصبية أو ينصر عصبية فقتلة جاهلية ‏"‏ ‏.‏

জুনদাব ইবনু ‘আবদুল্লাহ বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান জানায় এবং গোত্রপ্রীতির কারণেই সাহায্য করে, তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু। (ই.ফা. ৪৬৩৯, ই.সে. ৪৬৪১)

জুনদাব ইবনু ‘আবদুল্লাহ বাজালী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান জানায় এবং গোত্রপ্রীতির কারণেই সাহায্য করে, তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু। (ই.ফা. ৪৬৩৯, ই.সে. ৪৬৪১)

حدثنا هريم بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي يحدث، عن أبي، مجلز عن جندب بن عبد الله البجلي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل تحت راية عمية يدعو عصبية أو ينصر عصبية فقتلة جاهلية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৫

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الجعد، حدثنا أبو رجاء، العطاردي عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كره من أميره شيئا فليصبر عليه فإنه ليس أحد من الناس خرج من السلطان شبرا فمات عليه إلا مات ميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ‘আমীরের কোন কার্যকলাপ অপছন্দ করে, তার উচিত ধৈর্যধারণ করা। কেননা যে কোন ব্যক্তিই শাসকের থেকে (তার আনুগত্য থেকে) বেরিয়ে গিয়ে বিঘৎ পরিমাণ সরে যাবে এবং তারপর এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু হবে। (ই.ফা. ৪৬৩৮, ই.সে. ৪৬৪০)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার ‘আমীরের কোন কার্যকলাপ অপছন্দ করে, তার উচিত ধৈর্যধারণ করা। কেননা যে কোন ব্যক্তিই শাসকের থেকে (তার আনুগত্য থেকে) বেরিয়ে গিয়ে বিঘৎ পরিমাণ সরে যাবে এবং তারপর এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু হবে। (ই.ফা. ৪৬৩৮, ই.সে. ৪৬৪০)

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الجعد، حدثنا أبو رجاء، العطاردي عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من كره من أميره شيئا فليصبر عليه فإنه ليس أحد من الناس خرج من السلطان شبرا فمات عليه إلا مات ميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৪

حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا حماد بن زيد، عن الجعد أبي عثمان، عن أبي، رجاء عن ابن عباس، يرويه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من رأى من أميره شيئا يكرهه فليصبر فإنه من فارق الجماعة شبرا فمات فميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার আমীরের মধ্যে এমন কোন ব্যাপার দেখে যা সে অপছন্দ করে, তবে সে যেন ধৈর্যের পথ অবলম্বন করে। কেননা যে ব্যক্তি জামা’আত থেকে সামান্য পরিমাণ সরে গেল এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুই বরণ করলো। (ই.ফা. ৪৬৩৭, ই.সে. ৪৬৩৯)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার আমীরের মধ্যে এমন কোন ব্যাপার দেখে যা সে অপছন্দ করে, তবে সে যেন ধৈর্যের পথ অবলম্বন করে। কেননা যে ব্যক্তি জামা’আত থেকে সামান্য পরিমাণ সরে গেল এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুই বরণ করলো। (ই.ফা. ৪৬৩৭, ই.সে. ৪৬৩৯)

حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا حماد بن زيد، عن الجعد أبي عثمان، عن أبي، رجاء عن ابن عباس، يرويه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من رأى من أميره شيئا يكرهه فليصبر فإنه من فارق الجماعة شبرا فمات فميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৮

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن، جابر حدثني بسر بن عبيد الله الحضرمي، أنه سمع أبا إدريس الخولاني، يقول سمعت حذيفة بن اليمان، يقول كان الناس يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخير وكنت أسأله عن الشر مخافة أن يدركني فقلت يا رسول الله إنا كنا في جاهلية وشر فجاءنا الله بهذا الخير فهل بعد هذا الخير شر قال ‏"‏ نعم ‏"‏ فقلت هل بعد ذلك الشر من خير قال ‏"‏ نعم وفيه دخن ‏"‏ ‏.‏ قلت وما دخنه قال ‏"‏ قوم يستنون بغير سنتي ويهدون بغير هديي تعرف منهم وتنكر ‏"‏ ‏.‏ فقلت هل بعد ذلك الخير من شر قال ‏"‏ نعم دعاة على أبواب جهنم من أجابهم إليها قذفوه فيها ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله صفهم لنا ‏.‏ قال ‏"‏ نعم قوم من جلدتنا ويتكلمون بألسنتنا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله فما ترى إن أدركني ذلك قال ‏"‏ تلزم جماعة المسلمين وإمامهم ‏"‏ ‏.‏ فقلت فإن لم تكن لهم جماعة ولا إمام قال ‏"‏ فاعتزل تلك الفرق كلها ولو أن تعض على أصل شجرة حتى يدركك الموت وأنت على ذلك ‏"‏ ‏.‏

আবূ ইদ্রীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আমি হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কল্যাণের বিষয়ে প্রশ্ন করতো আর আমি তাঁর নিকট প্রশ্ন করতাম অকল্যাণ সম্পর্কে এ ভয়ে যে, পরে না তা আমাকে পেয়ে বসে। তাই আমি (কোন এক সময়) প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ছিলাম অজ্ঞতা ও অমঙ্গলের মধ্যে। তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য এ কল্যাণ প্রদান করলেন। এ কল্যাণের পরও কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ। তারপর আমি বললাম, ঐ অকল্যাণের পর কি আবার কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ, তবে তাতে ধুম্রতা আছে। আমি বললাম, কী সে ধুম্রতা? তিনি বললেন, তখন এমন একদল লোকের উদ্ভব হবে যারা আমার প্রবর্তিত পদ্ধতি ছাড়া অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করবে, আমার প্রদর্শিত হিদায়াতের পথ ছেড়ে অন্যত্র হিদায়াত তুমি খুঁজবে। দেখবে তাদের মধ্যে ভাল মন্দ উভয়টাই। তখন আমি আরয করলাম, এ কল্যাণের পর কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ, জাহান্নামের দরজার দিকে আহ্বানকারীদের উদ্ভব হবে। যারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে তারা তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করবে। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তাদের পরিচয় ব্যক্ত করুন। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাদের বর্ণ হবে আমাদেরই মতো এবং তারা আমাদেরই ভাষায় কথা বলবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যদি সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে আমাদেরকে আপনি কী করতে বলেন? তিনি বললেন, তোমরা মুসলিমদের জামা’আত ও ইমামের সাথে আকঁড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তাদের কোন জামা’আত বা ইমাম না থাকে? তিনি বললেন, তা হল সে সব বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে তুমি আলাদা থাকবে-যদিও তুমি একটি বৃক্ষমূল দাঁত দিয়ে আকঁড়ে থাক এবং এ অবস্থায়ই মৃত্যু তোমার নাগাল পায়। (ই.ফা. ৪৬৩১, ই.সে. ৪৬৩৩)

আবূ ইদ্রীস খাওলানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আমি হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কল্যাণের বিষয়ে প্রশ্ন করতো আর আমি তাঁর নিকট প্রশ্ন করতাম অকল্যাণ সম্পর্কে এ ভয়ে যে, পরে না তা আমাকে পেয়ে বসে। তাই আমি (কোন এক সময়) প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ছিলাম অজ্ঞতা ও অমঙ্গলের মধ্যে। তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য এ কল্যাণ প্রদান করলেন। এ কল্যাণের পরও কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ। তারপর আমি বললাম, ঐ অকল্যাণের পর কি আবার কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ, তবে তাতে ধুম্রতা আছে। আমি বললাম, কী সে ধুম্রতা? তিনি বললেন, তখন এমন একদল লোকের উদ্ভব হবে যারা আমার প্রবর্তিত পদ্ধতি ছাড়া অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করবে, আমার প্রদর্শিত হিদায়াতের পথ ছেড়ে অন্যত্র হিদায়াত তুমি খুঁজবে। দেখবে তাদের মধ্যে ভাল মন্দ উভয়টাই। তখন আমি আরয করলাম, এ কল্যাণের পর কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হাঁ, জাহান্নামের দরজার দিকে আহ্বানকারীদের উদ্ভব হবে। যারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে তারা তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করবে। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তাদের পরিচয় ব্যক্ত করুন। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাদের বর্ণ হবে আমাদেরই মতো এবং তারা আমাদেরই ভাষায় কথা বলবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যদি সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে আমাদেরকে আপনি কী করতে বলেন? তিনি বললেন, তোমরা মুসলিমদের জামা’আত ও ইমামের সাথে আকঁড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তাদের কোন জামা’আত বা ইমাম না থাকে? তিনি বললেন, তা হল সে সব বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে তুমি আলাদা থাকবে-যদিও তুমি একটি বৃক্ষমূল দাঁত দিয়ে আকঁড়ে থাক এবং এ অবস্থায়ই মৃত্যু তোমার নাগাল পায়। (ই.ফা. ৪৬৩১, ই.সে. ৪৬৩৩)

حدثني محمد بن المثنى، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن، جابر حدثني بسر بن عبيد الله الحضرمي، أنه سمع أبا إدريس الخولاني، يقول سمعت حذيفة بن اليمان، يقول كان الناس يسألون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخير وكنت أسأله عن الشر مخافة أن يدركني فقلت يا رسول الله إنا كنا في جاهلية وشر فجاءنا الله بهذا الخير فهل بعد هذا الخير شر قال ‏"‏ نعم ‏"‏ فقلت هل بعد ذلك الشر من خير قال ‏"‏ نعم وفيه دخن ‏"‏ ‏.‏ قلت وما دخنه قال ‏"‏ قوم يستنون بغير سنتي ويهدون بغير هديي تعرف منهم وتنكر ‏"‏ ‏.‏ فقلت هل بعد ذلك الخير من شر قال ‏"‏ نعم دعاة على أبواب جهنم من أجابهم إليها قذفوه فيها ‏"‏ ‏.‏ فقلت يا رسول الله صفهم لنا ‏.‏ قال ‏"‏ نعم قوم من جلدتنا ويتكلمون بألسنتنا ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله فما ترى إن أدركني ذلك قال ‏"‏ تلزم جماعة المسلمين وإمامهم ‏"‏ ‏.‏ فقلت فإن لم تكن لهم جماعة ولا إمام قال ‏"‏ فاعتزل تلك الفرق كلها ولو أن تعض على أصل شجرة حتى يدركك الموت وأنت على ذلك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৯

وحدثني محمد بن سهل بن عسكر التميمي، حدثنا يحيى بن حسان، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا يحيى، - وهو ابن حسان - حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - حدثنا زيد بن سلام، عن أبي سلام، قال قال حذيفة بن اليمان قلت يا رسول الله إنا كنا بشر فجاء الله بخير فنحن فيه فهل من وراء هذا الخير شر قال نعم ‏.‏ قلت هل وراء ذلك الشر خير قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فهل وراء ذلك الخير شر قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت كيف قال ‏"‏ يكون بعدي أئمة لا يهتدون بهداى ولا يستنون بسنتي وسيقوم فيهم رجال قلوبهم قلوب الشياطين في جثمان إنس ‏"‏ ‏.‏ قال قلت كيف أصنع يا رسول الله إن أدركت ذلك قال ‏"‏ تسمع وتطيع للأمير وإن ضرب ظهرك وأخذ مالك فاسمع وأطع ‏"‏ ‏.‏

হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন- আমি আরয করলাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা ছিলাম অকল্যাণের মধ্যে; তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য কল্যাণ নিয়ে আসলেন। আমরা তাতে অবস্থান করছি। এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি বললাম, তা কিভাবে? তিনি বললেন, আমার পরে এমন সব নেতার উদ্ভব হবে, যারা আমার হিদায়াতে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে না এবং আমার সুন্নাতও তারা অবলম্বন করবে না। অচিরেই তাদের মধ্যে এমন সব ব্যক্তির উদ্ভব হবে, যাদের আত্মা হবে মানব দেহে শাইতানের আত্মা। রাবী বলেন, তখন আমি বললাম, তখন আমরা কী করবো হে আল্লাহর রসূল! যদি আমরা সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই? বললেন, তুমি আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে যদি তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করা হয় বা তোমার ধন-সম্পদ কেড়েও নেয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং মানবে। (ই.ফা. ৪৬৩২, ই.সে. ৪৬৩৪)

হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন- আমি আরয করলাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা ছিলাম অকল্যাণের মধ্যে; তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য কল্যাণ নিয়ে আসলেন। আমরা তাতে অবস্থান করছি। এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি বললাম, তা কিভাবে? তিনি বললেন, আমার পরে এমন সব নেতার উদ্ভব হবে, যারা আমার হিদায়াতে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে না এবং আমার সুন্নাতও তারা অবলম্বন করবে না। অচিরেই তাদের মধ্যে এমন সব ব্যক্তির উদ্ভব হবে, যাদের আত্মা হবে মানব দেহে শাইতানের আত্মা। রাবী বলেন, তখন আমি বললাম, তখন আমরা কী করবো হে আল্লাহর রসূল! যদি আমরা সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই? বললেন, তুমি আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে যদি তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করা হয় বা তোমার ধন-সম্পদ কেড়েও নেয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং মানবে। (ই.ফা. ৪৬৩২, ই.সে. ৪৬৩৪)

وحدثني محمد بن سهل بن عسكر التميمي، حدثنا يحيى بن حسان، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا يحيى، - وهو ابن حسان - حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - حدثنا زيد بن سلام، عن أبي سلام، قال قال حذيفة بن اليمان قلت يا رسول الله إنا كنا بشر فجاء الله بخير فنحن فيه فهل من وراء هذا الخير شر قال نعم ‏.‏ قلت هل وراء ذلك الشر خير قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت فهل وراء ذلك الخير شر قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت كيف قال ‏"‏ يكون بعدي أئمة لا يهتدون بهداى ولا يستنون بسنتي وسيقوم فيهم رجال قلوبهم قلوب الشياطين في جثمان إنس ‏"‏ ‏.‏ قال قلت كيف أصنع يا رسول الله إن أدركت ذلك قال ‏"‏ تسمع وتطيع للأمير وإن ضرب ظهرك وأخذ مالك فاسمع وأطع ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৭

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا عاصم، - وهو ابن محمد بن زيد - عن زيد بن محمد، عن نافع، قال جاء عبد الله بن عمر إلى عبد الله بن مطيع حين كان من أمر الحرة ما كان زمن يزيد بن معاوية فقال اطرحوا لأبي عبد الرحمن وسادة فقال إني لم آتك لأجلس أتيتك لأحدثك حديثا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوله سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من خلع يدا من طاعة لقي الله يوم القيامة لا حجة له ومن مات وليس في عنقه بيعة مات ميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুতী’ (রাঃ)-এর নিকট এলেন তখন হার্রা (হৃদয় বিদারক)- এর ঘটনা ঘটেছে এবং যুগটা ছিল ইয়াযীদ ইবনু মু’আবিয়ার যুগ। তখন তিনি (ইবনু মুতী) বললেন, আবূ ‘আবদুর রহমানের জন্য বিছানা পেতে দাও। তখন তিনি বললেন, আমি তোমার কাছে বসতে আসিনি, এসেছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যে হাদীস শুনেছি তা তোমাকে শুনাতে। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিয়ে মৃত্যুবরণ করে সে কিয়ামাতের দিন আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে তার কোন দলীল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো আর তার ঘাড়ে আনুগত্যের কোন চুক্তি নেই তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু হবে। (ই.ফা. ৪৬৪০, ই.সে. ৪৬৪২)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুতী’ (রাঃ)-এর নিকট এলেন তখন হার্রা (হৃদয় বিদারক)- এর ঘটনা ঘটেছে এবং যুগটা ছিল ইয়াযীদ ইবনু মু’আবিয়ার যুগ। তখন তিনি (ইবনু মুতী) বললেন, আবূ ‘আবদুর রহমানের জন্য বিছানা পেতে দাও। তখন তিনি বললেন, আমি তোমার কাছে বসতে আসিনি, এসেছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যে হাদীস শুনেছি তা তোমাকে শুনাতে। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিয়ে মৃত্যুবরণ করে সে কিয়ামাতের দিন আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে তার কোন দলীল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো আর তার ঘাড়ে আনুগত্যের কোন চুক্তি নেই তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু হবে। (ই.ফা. ৪৬৪০, ই.সে. ৪৬৪২)

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا عاصم، - وهو ابن محمد بن زيد - عن زيد بن محمد، عن نافع، قال جاء عبد الله بن عمر إلى عبد الله بن مطيع حين كان من أمر الحرة ما كان زمن يزيد بن معاوية فقال اطرحوا لأبي عبد الرحمن وسادة فقال إني لم آتك لأجلس أتيتك لأحدثك حديثا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوله سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من خلع يدا من طاعة لقي الله يوم القيامة لا حجة له ومن مات وليس في عنقه بيعة مات ميتة جاهلية ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮০

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير، - يعني ابن حازم - حدثنا غيلان بن، جرير عن أبي قيس بن رياح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من خرج من الطاعة وفارق الجماعة فمات مات ميتة جاهلية ومن قاتل تحت راية عمية يغضب لعصبة أو يدعو إلى عصبة أو ينصر عصبة فقتل فقتلة جاهلية ومن خرج على أمتي يضرب برها وفاجرها ولا يتحاش من مؤمنها ولا يفي لذي عهد عهده فليس مني ولست منه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যে ব্যক্তি (‘আমীরের) আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং ‘জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করল। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোন ব্যাপার থাকে না) আর তাতে নিহত হয়, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করে। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের উপর আক্রমণ করে, আমার উম্মাতের ভালমন্দ সকলকেই নির্বিচারে হত্যা করে। মু’মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ও’য়াদাবদ্ধ হয় তার ও’য়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই। (ই.ফা. ৪৬৩৩, ই.সে. ৪৬৩৫)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত, যে ব্যক্তি (‘আমীরের) আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং ‘জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করল। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোন ব্যাপার থাকে না) আর তাতে নিহত হয়, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করে। আর যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের উপর আক্রমণ করে, আমার উম্মাতের ভালমন্দ সকলকেই নির্বিচারে হত্যা করে। মু’মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ও’য়াদাবদ্ধ হয় তার ও’য়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই। (ই.ফা. ৪৬৩৩, ই.সে. ৪৬৩৫)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير، - يعني ابن حازم - حدثنا غيلان بن، جرير عن أبي قيس بن رياح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من خرج من الطاعة وفارق الجماعة فمات مات ميتة جاهلية ومن قاتل تحت راية عمية يغضب لعصبة أو يدعو إلى عصبة أو ينصر عصبة فقتل فقتلة جاهلية ومن خرج على أمتي يضرب برها وفاجرها ولا يتحاش من مؤمنها ولا يفي لذي عهد عهده فليس مني ولست منه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৩

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن غيلان بن جرير، بهذا الإسناد ‏.‏ أما ابن المثنى فلم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم في الحديث وأما ابن بشار فقال في روايته قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না এবং ইবনু বাশ্শার থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ইবনু মুসান্না তাঁর বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেননি। পক্ষান্তরে ইবনু বাশ্শার তাঁর বর্ণনায় “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন” বলে উল্লেখ করেছেন যা উপর্যুক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৬৩৬, ই.সে. ৪৬৩৮)

মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না এবং ইবনু বাশ্শার থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু ইবনু মুসান্না তাঁর বর্ণনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেননি। পক্ষান্তরে ইবনু বাশ্শার তাঁর বর্ণনায় “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন” বলে উল্লেখ করেছেন যা উপর্যুক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৬৩৬, ই.সে. ৪৬৩৮)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن غيلان بن جرير، بهذا الإسناد ‏.‏ أما ابن المثنى فلم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم في الحديث وأما ابن بشار فقال في روايته قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮১

وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن غيلان، بن جرير عن زياد بن رياح القيسي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديث جرير وقال ‏ "‏ لا يتحاشى من مؤمنها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৩৪, ই.সে. ৪৬৩৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৩৪, ই.সে. ৪৬৩৬)

وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن غيلان، بن جرير عن زياد بن رياح القيسي، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديث جرير وقال ‏ "‏ لا يتحاشى من مؤمنها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৯

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا ابن مهدي، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا بشر بن عمر، قالا جميعا حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث نافع عن ابن عمر ‏.‏

‘আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি’ (রহঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৪২, ই.সে. ৪৬৪৪)

‘আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাফি’ (রহঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৪২, ই.সে. ৪৬৪৪)

حدثنا عمرو بن علي، حدثنا ابن مهدي، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا بشر بن عمر، قالا جميعا حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث نافع عن ابن عمر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৮৮

وحدثنا ابن نمير، حدثنا يحيى بن عبد الله بن بكير، حدثنا ليث، عن عبيد الله، بن أبي جعفر عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن نافع، عن ابن عمر، أنه أتى ابن مطيع ‏.‏ فذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏

ইবনু নুমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৪১, ই.সে. ৪৬৪৩)

ইবনু নুমায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬৪১, ই.সে. ৪৬৪৩)

وحدثنا ابن نمير، حدثنا يحيى بن عبد الله بن بكير، حدثنا ليث، عن عبيد الله، بن أبي جعفر عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن نافع، عن ابن عمر، أنه أتى ابن مطيع ‏.‏ فذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00