সহিহ মুসলিম > শাসক যখন আল্লাহ্‌ভীতির আদেশ দেন এবং ন্যায় বিচার করেন তখন তার জন্য পুরস্কার রয়েছে

সহিহ মুসলিম ৪৬৬৬

حدثنا إبراهيم، عن مسلم، حدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما الإمام جنة يقاتل من ورائه ويتقى به فإن أمر بتقوى الله عز وجل وعدل كان له بذلك أجر وإن يأمر بغيره كان عليه منه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) –এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম বা শাসক ঢাল সরূপ। তার নেতৃত্বে যুদ্ধ করা হয় এবং শত্রুর ক্ষতি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। সে যদি তাকওয়া বা আল্লাহভীতি ও ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে, তবে তার জন্য সে পুরস্কার হবে। আর যদি ন্যায় ব্যতীত অন্য কিছু আদেশ করে তবে সে পাপের জন্য দায়ী হবে। (ই. ফা. ৪৬২০, ই. সে. ৪৬২১)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) –এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম বা শাসক ঢাল সরূপ। তার নেতৃত্বে যুদ্ধ করা হয় এবং শত্রুর ক্ষতি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। সে যদি তাকওয়া বা আল্লাহভীতি ও ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে, তবে তার জন্য সে পুরস্কার হবে। আর যদি ন্যায় ব্যতীত অন্য কিছু আদেশ করে তবে সে পাপের জন্য দায়ী হবে। (ই. ফা. ৪৬২০, ই. সে. ৪৬২১)

حدثنا إبراهيم، عن مسلم، حدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما الإمام جنة يقاتل من ورائه ويتقى به فإن أمر بتقوى الله عز وجل وعدل كان له بذلك أجر وإن يأمر بغيره كان عليه منه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে খলীফার কাছে প্রথম বাই’আত হবে তাকে অগ্রাধিকার দিবে।

সহিহ মুসলিম ৪৬৭২

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو المنذر، إسماعيل بن عمر حدثنا يونس بن، أبي إسحاق الهمداني حدثنا عبد الله بن أبي السفر، عن عامر، عن عبد الرحمن بن عبد، رب الكعبة الصائدي قال رأيت جماعة عند الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث الأعمش ‏.‏

‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বাহ সায়িদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদল লোককে কা’বার নিকট দেখলাম। অতঃপর আ’মাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৬, ই. সে. ৪৬২৭)

‘আব্দুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বাহ সায়িদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদল লোককে কা’বার নিকট দেখলাম। অতঃপর আ’মাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৬, ই. সে. ৪৬২৭)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو المنذر، إسماعيل بن عمر حدثنا يونس بن، أبي إسحاق الهمداني حدثنا عبد الله بن أبي السفر، عن عامر، عن عبد الرحمن بن عبد، رب الكعبة الصائدي قال رأيت جماعة عند الكعبة ‏.‏ فذكر نحو حديث الأعمش ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، ووكيع، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن، وهب عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك قال ‏"‏ تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও তোমাদের অপছন্দনীয় অনেক কিছু ঘটবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যকার যাঁরা তা পাবে তাঁদের ব্যাপারে আপনার নির্দেশ কি হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব তোমরা পালন করে যাবে, আর তোমাদের প্রাপ্য হক তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে। (ই. ফা. ৪৬২৩, ই. সে. ৪৬২৪)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও তোমাদের অপছন্দনীয় অনেক কিছু ঘটবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যকার যাঁরা তা পাবে তাঁদের ব্যাপারে আপনার নির্দেশ কি হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব তোমরা পালন করে যাবে, আর তোমাদের প্রাপ্য হক তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে। (ই. ফা. ৪৬২৩, ই. সে. ৪৬২৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو الأحوص، ووكيع، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، وابن، نمير قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن، وهب عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إنها ستكون بعدي أثرة وأمور تنكرونها ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله كيف تأمر من أدرك منا ذلك قال ‏"‏ تؤدون الحق الذي عليكم وتسألون الله الذي لكم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فرات القزاز، عن أبي حازم، قال قاعدت أبا هريرة خمس سنين فسمعته يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وإنه لا نبي بعدي وستكون خلفاء فتكثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما تأمرنا قال ‏"‏ فوا ببيعة الأول فالأول وأعطوهم حقهم فإن الله سائلهم عما استرعاهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) –এর সাথে পাঁচ বছর থেকেছি। আমি তার কাছে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলদের পরিচালনা করতেন নাবীগন। তাঁদের মধ্যেকার একজন নবী মৃত্যুবরণ করলে অপর একজন নবী তার স্থলাভিষিক্ত হতেন। আমার পরে আর কোন নবী নেই বরং খলীফাগণ হবেন এবং তারা সংখ্যায় প্রচুর হবেন। তখন সাহাবীগন বললেনঃ তাহলে আপনি (এ ব্যাপারে) আমাদেরকে কি আদেশ করেন? তিনি বললেন, যার হাতে প্রথম বাই’আত বা অনুগত্যের শপথ করবে, তাঁরই অনুগত্য করবে এবং তাঁদেরকে তাঁদের হক প্রদান করবে, আল্লাহ্‌ই তাদেরকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে। (ই. ফা. ৪৬২১, ই. সে. ৪৬২২)

আবূ হাযিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) –এর সাথে পাঁচ বছর থেকেছি। আমি তার কাছে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ বানী ইসরাঈলদের পরিচালনা করতেন নাবীগন। তাঁদের মধ্যেকার একজন নবী মৃত্যুবরণ করলে অপর একজন নবী তার স্থলাভিষিক্ত হতেন। আমার পরে আর কোন নবী নেই বরং খলীফাগণ হবেন এবং তারা সংখ্যায় প্রচুর হবেন। তখন সাহাবীগন বললেনঃ তাহলে আপনি (এ ব্যাপারে) আমাদেরকে কি আদেশ করেন? তিনি বললেন, যার হাতে প্রথম বাই’আত বা অনুগত্যের শপথ করবে, তাঁরই অনুগত্য করবে এবং তাঁদেরকে তাঁদের হক প্রদান করবে, আল্লাহ্‌ই তাদেরকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে। (ই. ফা. ৪৬২১, ই. সে. ৪৬২২)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فرات القزاز، عن أبي حازم، قال قاعدت أبا هريرة خمس سنين فسمعته يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وإنه لا نبي بعدي وستكون خلفاء فتكثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا فما تأمرنا قال ‏"‏ فوا ببيعة الأول فالأول وأعطوهم حقهم فإن الله سائلهم عما استرعاهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭০

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن عبد رب الكعبة، قال دخلت المسجد فإذا عبد الله بن عمرو بن العاص جالس في ظل الكعبة والناس مجتمعون عليه فأتيتهم فجلست إليه فقال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جامعة ‏.‏ فاجتمعنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة فيرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه مهلكتي ‏.‏ ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه هذه ‏.‏ فمن أحب أن يزحزح عن النار ويدخل الجنة فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر ‏"‏ ‏.‏ فدنوت منه فقلت له أنشدك الله آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهوى إلى أذنيه وقلبه بيديه وقال سمعته أذناى ووعاه قلبي ‏.‏ فقلت له هذا ابن عمك معاوية يأمرنا أن نأكل أموالنا بيننا بالباطل ونقتل أنفسنا والله يقول ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم ولا تقتلوا أنفسكم إن الله كان بكم رحيما‏}‏ قال فسكت ساعة ثم قال أطعه في طاعة الله واعصه في معصية الله ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) কা’বার ছায়ায় বসেছিলেন। লোকজন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরেছিল। আমি তাদের নিকট গেলাম এবং তাঁর পাশেই বসে পড়লাম। তখন তিনি বললেন, কোন সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা একটি অবস্থান গ্রহণ করলাম। আমাদের মধ্যেকার কেউ তখন তার তাঁবু ঠিকঠাক করছিল, কেউ তীর ছুঁড়ছিল, কেউ তার পশুপাল দেখাশুনা করছিল। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নকীব হাঁক দিল নামাযের ব্যবস্থা প্রস্তুত! তখন আমরা গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে মিলিত হলাম। তিনি বললেন, আমার পূর্বে এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যাঁর উপর এ দায়িত্ব বর্তায়নি যে, তিনি তাদের জন্য যে মঙ্গলজনক ব্যাপার জানতে পেরেছেন তা উম্মাতদেরকে নির্দেশনা দেননি এবং তিনি তার জন্য যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন, সে বিষয়ে তাদেরকে সাবধান করেননি। আর তোমাদের এ উম্মাত (উম্মাতে মুহাম্মাদ)-এর প্রথম অংশে তার কল্যাণ নিহিত এবং এর শেষ অংশ অচিরেই নানাবিধ পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের এবং এমন সব ব্যাপারের সম্মুখীন হবে, যা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। এমন সব বিপর্যয় একাদিক্রমে আসতে থাকবে যে , একটি অপরটিকে ছোট প্রতিপন্ন করবে। একটি বিপর্যয় আসবে তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে – এটা আমার জন্য ধ্বংসাত্মক, তারপর যখন তা দূর হয়ে অপর বিপর্যয়টি আসবে তখন মুমিন ব্যক্তি বলবে, আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। সুতরাং যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায় –তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ্‌ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমনি আচরণ করে যে আচরণ সে নিজের জন্য পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি কোন ইমাম (বা নেতার) হাতে বাই’আত হয় –আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে তার হাতে হাত দিয়ে এবং অন্তরে সে ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে যেন সাধ্যনুসারে তার অনুগত্য করে যায়। তারপর যদি অপর কেউ তার সাথে (নেতৃত্ব লাভের অভিলাষে) ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় তবে ঐ পরবর্তী জনের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (রাবী বলেন) তখন আমি তাঁর নিকটে ঘেঁষলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে বলছি সত্যিই আপনি (নিজ কানে) কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দু’কান ও অন্তঃকরণের দিকে দু’হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, আমার দু’কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তঃকরণ তা সংরক্ষণ করেছে। তখন আমি তাঁকে লক্ষ্য করে বললাম, ঐ যে আপনার চাচাতো ভাই মু’আবিয়্যাহ (আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি আমাদেরকে আদেশ দেন যেন আমরা আমাদের পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করি আর নিজেদের মধ্যে পরস্পরে হানাহানি করি অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘‘ হে মুমিনগণ ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, ব্যবসার মাধ্যমে পারস্পরিক সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যতীত এবং তোমরা পরস্পরে হানাহানি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান’’ –(সূরা আন নিসা ৪: ২৯)। রাবী বলেন, তখন তিনি কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকলেন। তারপর বললেন, আল্লাহ্‌র অনুগত্যের ব্যাপারসমূহে তুমি তার আনুগত্য করবে এবং আল্লাহ্‌র অবাধ্যতার বিষয়গুলোতে তার অবাধ্যতা করবে। (ই. ফা. ৪৬২৪, ই. সে. ৪৬২৫)

‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) কা’বার ছায়ায় বসেছিলেন। লোকজন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরেছিল। আমি তাদের নিকট গেলাম এবং তাঁর পাশেই বসে পড়লাম। তখন তিনি বললেন, কোন সফরে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা একটি অবস্থান গ্রহণ করলাম। আমাদের মধ্যেকার কেউ তখন তার তাঁবু ঠিকঠাক করছিল, কেউ তীর ছুঁড়ছিল, কেউ তার পশুপাল দেখাশুনা করছিল। এমন সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নকীব হাঁক দিল নামাযের ব্যবস্থা প্রস্তুত! তখন আমরা গিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে মিলিত হলাম। তিনি বললেন, আমার পূর্বে এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যাঁর উপর এ দায়িত্ব বর্তায়নি যে, তিনি তাদের জন্য যে মঙ্গলজনক ব্যাপার জানতে পেরেছেন তা উম্মাতদেরকে নির্দেশনা দেননি এবং তিনি তার জন্য যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন, সে বিষয়ে তাদেরকে সাবধান করেননি। আর তোমাদের এ উম্মাত (উম্মাতে মুহাম্মাদ)-এর প্রথম অংশে তার কল্যাণ নিহিত এবং এর শেষ অংশ অচিরেই নানাবিধ পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের এবং এমন সব ব্যাপারের সম্মুখীন হবে, যা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। এমন সব বিপর্যয় একাদিক্রমে আসতে থাকবে যে , একটি অপরটিকে ছোট প্রতিপন্ন করবে। একটি বিপর্যয় আসবে তখন মু’মিন ব্যক্তি বলবে – এটা আমার জন্য ধ্বংসাত্মক, তারপর যখন তা দূর হয়ে অপর বিপর্যয়টি আসবে তখন মুমিন ব্যক্তি বলবে, আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। সুতরাং যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায় –তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ্‌ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমনি আচরণ করে যে আচরণ সে নিজের জন্য পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি কোন ইমাম (বা নেতার) হাতে বাই’আত হয় –আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে তার হাতে হাত দিয়ে এবং অন্তরে সে ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে যেন সাধ্যনুসারে তার অনুগত্য করে যায়। তারপর যদি অপর কেউ তার সাথে (নেতৃত্ব লাভের অভিলাষে) ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় তবে ঐ পরবর্তী জনের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (রাবী বলেন) তখন আমি তাঁর নিকটে ঘেঁষলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে বলছি সত্যিই আপনি (নিজ কানে) কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দু’কান ও অন্তঃকরণের দিকে দু’হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, আমার দু’কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তঃকরণ তা সংরক্ষণ করেছে। তখন আমি তাঁকে লক্ষ্য করে বললাম, ঐ যে আপনার চাচাতো ভাই মু’আবিয়্যাহ (আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি আমাদেরকে আদেশ দেন যেন আমরা আমাদের পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করি আর নিজেদের মধ্যে পরস্পরে হানাহানি করি অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘‘ হে মুমিনগণ ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, ব্যবসার মাধ্যমে পারস্পরিক সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যতীত এবং তোমরা পরস্পরে হানাহানি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান’’ –(সূরা আন নিসা ৪: ২৯)। রাবী বলেন, তখন তিনি কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকলেন। তারপর বললেন, আল্লাহ্‌র অনুগত্যের ব্যাপারসমূহে তুমি তার আনুগত্য করবে এবং আল্লাহ্‌র অবাধ্যতার বিষয়গুলোতে তার অবাধ্যতা করবে। (ই. ফা. ৪৬২৪, ই. সে. ৪৬২৫)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، قال إسحاق أخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن عبد رب الكعبة، قال دخلت المسجد فإذا عبد الله بن عمرو بن العاص جالس في ظل الكعبة والناس مجتمعون عليه فأتيتهم فجلست إليه فقال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره إذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جامعة ‏.‏ فاجتمعنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إنه لم يكن نبي قبلي إلا كان حقا عليه أن يدل أمته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وإن أمتكم هذه جعل عافيتها في أولها وسيصيب آخرها بلاء وأمور تنكرونها وتجيء فتنة فيرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه مهلكتي ‏.‏ ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المؤمن هذه هذه ‏.‏ فمن أحب أن يزحزح عن النار ويدخل الجنة فلتأته منيته وهو يؤمن بالله واليوم الآخر وليأت إلى الناس الذي يحب أن يؤتى إليه ومن بايع إماما فأعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه إن استطاع فإن جاء آخر ينازعه فاضربوا عنق الآخر ‏"‏ ‏.‏ فدنوت منه فقلت له أنشدك الله آنت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهوى إلى أذنيه وقلبه بيديه وقال سمعته أذناى ووعاه قلبي ‏.‏ فقلت له هذا ابن عمك معاوية يأمرنا أن نأكل أموالنا بيننا بالباطل ونقتل أنفسنا والله يقول ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم ولا تقتلوا أنفسكم إن الله كان بكم رحيما‏}‏ قال فسكت ساعة ثم قال أطعه في طاعة الله واعصه في معصية الله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، قالا حدثنا عبد الله، بن إدريس عن الحسن بن فرات، عن أبيه، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

হাসান ইবনু ফুরাত (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬২২, ই. সে. ৪৬২৩)

হাসান ইবনু ফুরাত (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬২২, ই. সে. ৪৬২৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، قالا حدثنا عبد الله، بن إدريس عن الحسن بن فرات، عن أبيه، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৫, ই. সে. ৪৬২৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وابن، نمير وأبو سعيد الأشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ

সহিহ মুসলিম ৪৬৭৩

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألا تستعملني كما استعملت فلانا فقال ‏ "‏ إنكم ستلقون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض ‏"‏ ‏.‏

উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ই. ফা. ৪৬২৭, ই. সে. ৪৬২৮)

উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ই. ফা. ৪৬২৭, ই. সে. ৪৬২৮)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألا تستعملني كما استعملت فلانا فقال ‏ "‏ إنكم ستلقون بعدي أثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৪

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة بن الحجاج، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يحدث عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله

উসায়দ ইবনু হুরায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করল। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬২৯)

উসায়দ ইবনু হুরায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করল। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬২৯)

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة بن الحجاج، عن قتادة، قال سمعت أنسا، يحدث عن أسيد بن حضير، أن رجلا، من الأنصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৫

وحدثنيه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يقل خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে মিলিত হন’’ বর্ণনা করেননি। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬৩০)

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শু’বাহ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে একান্তে মিলিত হন’’ বর্ণনা করেননি। (ই. ফা. ৪৬২৮, ই. সে. ৪৬৩০)

وحدثنيه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يقل خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম > প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করলেও শাসকদের অনুগত থাকা

সহিহ মুসলিম ৪৬৭৬

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه، قال سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله في الثانية أو في الثالثة فجذبه الأشعث بن قيس وقال ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏

ওয়ায়িল হাযরামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালামাহ ইবনু ইয়াযীদ আল জু’ফী (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ্‌র নাবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্ত আমাদের হক তারা দেয় না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদের কে কি করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন। তিনি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশ’আস ইবনু কায়স (রাঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে। (ই. ফা. ৪৬২৯, ই. সে. ৪৬৩১)

ওয়ায়িল হাযরামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালামাহ ইবনু ইয়াযীদ আল জু’ফী (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহ্‌র নাবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্ত আমাদের হক তারা দেয় না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদের কে কি করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন। তিনি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশ’আস ইবনু কায়স (রাঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে। (ই. ফা. ৪৬২৯, ই. সে. ৪৬৩১)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه، قال سأل سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أرأيت إن قامت علينا أمراء يسألونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تأمرنا فأعرض عنه ثم سأله فأعرض عنه ثم سأله في الثانية أو في الثالثة فجذبه الأشعث بن قيس وقال ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৭৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن سماك، بهذا الإسناد مثله وقال فجذبه الأشعث بن قيس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, “আশ ‘আস ইবনু কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।” (ই.ফা. ৪৬৩০, ই.সে. ৪৬৩২)

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, “আশ ‘আস ইবনু কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।” (ই.ফা. ৪৬৩০, ই.সে. ৪৬৩২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن سماك، بهذا الإسناد مثله وقال فجذبه الأشعث بن قيس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اسمعوا وأطيعوا فإنما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00