সহিহ মুসলিম > ন্যায়পরায়ণ শাসকের মর্যাদা ও অত্যাচারী শাসকের পরিণাম, শাসিতদের প্রতি কোমল আচরণ ও কঠোরতা বর্জন

সহিহ মুসলিম ৪৬২৪

وحدثناه يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن يونس، عن الحسن، قال دخل ابن زياد على معقل بن يسار وهو وجع ‏.‏ بمثل حديث أبي الأشهب وزاد قال ألا كنت حدثتني هذا، قبل اليوم قال ما حدثتك أو، لم أكن لأحدثك ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু যিয়াদ (রহঃ) মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রহঃ)-কে দেখতে গেলেন। তিনি তখন গুরুতর রোগাগ্রস্ত। তারপর আবূল আশহাব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। রাবী অতিরিক্ত এও বলেছেন, আপনি ইতোপূর্বে এ হাদীস আমার নিকট কেন ব্যক্ত করেননি? তিনি বলেন, আমি তোমার কাছে ব্যক্ত করিনি, অথবা বলেছেন আমি তো তোমাদের কাছে ব্যক্ত করতে চাইনি। (ই.ফা. ৪৫৭৮, ই.সে. ৪৫৮১)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু যিয়াদ (রহঃ) মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রহঃ)-কে দেখতে গেলেন। তিনি তখন গুরুতর রোগাগ্রস্ত। তারপর আবূল আশহাব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। রাবী অতিরিক্ত এও বলেছেন, আপনি ইতোপূর্বে এ হাদীস আমার নিকট কেন ব্যক্ত করেননি? তিনি বলেন, আমি তোমার কাছে ব্যক্ত করিনি, অথবা বলেছেন আমি তো তোমাদের কাছে ব্যক্ত করতে চাইনি। (ই.ফা. ৪৫৭৮, ই.সে. ৪৫৮১)

وحدثناه يحيى بن يحيى، أخبرنا يزيد بن زريع، عن يونس، عن الحسن، قال دخل ابن زياد على معقل بن يسار وهو وجع ‏.‏ بمثل حديث أبي الأشهب وزاد قال ألا كنت حدثتني هذا، قبل اليوم قال ما حدثتك أو، لم أكن لأحدثك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير قالوا حدثنا سفيان، بن عيينة عن عمرو، - يعني ابن دينار - عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، قال ابن نمير وأبو بكر يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وفي حديث زهير قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن المقسطين عند الله على منابر من نور عن يمين الرحمن عز وجل وكلتا يديه يمين الذين يعدلون في حكمهم وأهليهم وما ولوا ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ন্যায় বিচারকগণ (কিয়ামাতের দিন) আল্লাহর নিকটে নূরের মিম্বারসমূহে মহামহিম দয়াময় প্রভুর ডানপার্শ্বে উপবিষ্ট থাকবেন। তাঁর উভয় হাতই ডান হাত (অর্থাৎ- সমান মহিয়ান)। যারা তাদের শাসনকার্যে তাদের পরিবারের লোকদের ব্যাপারে এবং তাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বসমূহের ব্যাপারে সুবিচার করে। (ই.ফা. ৪৫৭০, ই.সে. ৪৫৭৩)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ন্যায় বিচারকগণ (কিয়ামাতের দিন) আল্লাহর নিকটে নূরের মিম্বারসমূহে মহামহিম দয়াময় প্রভুর ডানপার্শ্বে উপবিষ্ট থাকবেন। তাঁর উভয় হাতই ডান হাত (অর্থাৎ- সমান মহিয়ান)। যারা তাদের শাসনকার্যে তাদের পরিবারের লোকদের ব্যাপারে এবং তাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বসমূহের ব্যাপারে সুবিচার করে। (ই.ফা. ৪৫৭০, ই.সে. ৪৫৭৩)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وابن، نمير قالوا حدثنا سفيان، بن عيينة عن عمرو، - يعني ابن دينار - عن عمرو بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، قال ابن نمير وأبو بكر يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم وفي حديث زهير قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن المقسطين عند الله على منابر من نور عن يمين الرحمن عز وجل وكلتا يديه يمين الذين يعدلون في حكمهم وأهليهم وما ولوا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২১

وحدثنا يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر كلهم عن إسماعيل بن جعفر، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ح. وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمعنى حديث نافع عن ابن عمر وزاد في حديث الزهري قال وحسبت أنه قد قال ‏ "‏ الرجل راع في مال أبيه ومسئول عن رعيته ‏"‏ ‏.‏

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি, তারপর নাফি’ (রহঃ) সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করতে শুনেছি। যুহরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেন, আমার মনে হয় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পুরুষ তার পিতার সম্পদের উপর দায়িত্ববান এবং সে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (ই.ফা. ৪৫৭৫, ই.সে. ৪৫৭৮)

সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি, তারপর নাফি’ (রহঃ) সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করতে শুনেছি। যুহরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেন, আমার মনে হয় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পুরুষ তার পিতার সম্পদের উপর দায়িত্ববান এবং সে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (ই.ফা. ৪৫৭৫, ই.সে. ৪৫৭৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، ويحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر كلهم عن إسماعيل بن جعفر، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ح. وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ بمعنى حديث نافع عن ابن عمر وزاد في حديث الزهري قال وحسبت أنه قد قال ‏ "‏ الرجل راع في مال أبيه ومسئول عن رعيته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৫

وحدثنا أبو غسان المسمعي، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي المليح، أنإني محدثك بحديث لولا أني في الموت لم أحدثك به سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من أمير يلي أمر المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح إلا لم يدخل معهم الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ মালীহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-এর পীড়িত অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তখন মা’কিল (রাঃ) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, আমি এমন একটি হাদীস তোমার কাছে বর্ণনা করবো, যদি আমি মৃত্যুর মুখোমুখি না হতাম তবে তোমার কাছে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এমন ‘আমীর যার উপর মুসলিমদের শাসন ক্ষমতা অর্পিত হয় অথচ এরপর সে তাদের কল্যাণ সাধনে চেষ্টা না করে বা তাদের মঙ্গল কামনা না করে; আল্লাহ তাঁকে তাদের সাথে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। (ই.ফা. ৪৫৭৯, ই.সে. ৪৫৮২)

আবূ মালীহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-এর পীড়িত অবস্থায় তাকে দেখতে যান। তখন মা’কিল (রাঃ) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, আমি এমন একটি হাদীস তোমার কাছে বর্ণনা করবো, যদি আমি মৃত্যুর মুখোমুখি না হতাম তবে তোমার কাছে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এমন ‘আমীর যার উপর মুসলিমদের শাসন ক্ষমতা অর্পিত হয় অথচ এরপর সে তাদের কল্যাণ সাধনে চেষ্টা না করে বা তাদের মঙ্গল কামনা না করে; আল্লাহ তাঁকে তাদের সাথে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। (ই.ফা. ৪৫৭৯, ই.সে. ৪৫৮২)

وحدثنا أبو غسان المسمعي، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، قال إسحاق أخبرنا وقال الآخران، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أبي المليح، أنإني محدثك بحديث لولا أني في الموت لم أحدثك به سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من أمير يلي أمر المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح إلا لم يدخل معهم الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৩

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن الحسن، قال عاد عبيد الله بن زياد معقل بن يسار المزني في مرضه الذي مات فيه فقال معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لو علمت أن لي حياة ما حدثتك إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ মা’কিল ইবনু ইয়াসারকে দেখতে যান যে অসুখে পরবর্তীতে তিনি মারা যান। মা’কিল তাঁকে বলেনঃ আমি তোমার কাছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে আমার শ্রুত হাদীস বর্ণনা করবো। যদি আমি জানতাম যে, আমার আরও আয়ু আছে তবে আমি তোমার কাছে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে বান্দাকে আল্লাহ প্রজা সাধারণের উপর দায়িত্বশীল করেন অথচ সে যখন মারা যায় তখনও সে তার প্রজা সাধারণের প্রতি প্রতারণাকারী থাকে তবে তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দেন। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৩৬৩] (ই.ফা. ৪৫৭৭, ই.সে. ৪৫৮০)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ মা’কিল ইবনু ইয়াসারকে দেখতে যান যে অসুখে পরবর্তীতে তিনি মারা যান। মা’কিল তাঁকে বলেনঃ আমি তোমার কাছে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে আমার শ্রুত হাদীস বর্ণনা করবো। যদি আমি জানতাম যে, আমার আরও আয়ু আছে তবে আমি তোমার কাছে তা বর্ণনা করতাম না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে বান্দাকে আল্লাহ প্রজা সাধারণের উপর দায়িত্বশীল করেন অথচ সে যখন মারা যায় তখনও সে তার প্রজা সাধারণের প্রতি প্রতারণাকারী থাকে তবে তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দেন। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৩৬৩] (ই.ফা. ৪৫৭৭, ই.সে. ৪৫৮০)

وحدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن الحسن، قال عاد عبيد الله بن زياد معقل بن يسار المزني في مرضه الذي مات فيه فقال معقل إني محدثك حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لو علمت أن لي حياة ما حدثتك إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১৬

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني حرملة، عن عبد الرحمن، بن شماسة قال أتيت عائشة أسألها عن شىء، فقالت ممن أنت فقلت رجل من أهل مصر ‏.‏ فقالت كيف كان صاحبكم لكم في غزاتكم هذه فقال ما نقمنا منه شيئا إن كان ليموت للرجل منا البعير فيعطيه البعير والعبد فيعطيه العبد ويحتاج إلى النفقة فيعطيه النفقة فقالت أما إنه لا يمنعني الذي فعل في محمد بن أبي بكر أخي أن أخبرك ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في بيتي هذا ‏ "‏ اللهم من ولي من أمر أمتي شيئا فشق عليهم فاشقق عليه ومن ولي من أمر أمتي شيئا فرفق بهم فارفق به ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু শুমাসাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট কোন এক ব্যাপারে প্রশ্ন করার জন্য গেলাম। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথাকার লোক? আমি জবাব দিলাম, আমি একজন মিসরবাসী। তখন তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন তোমাদর সে গৃহযুদ্ধকালীন গভর্নর (মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর) কেমন লোক ছিলেন? রাবী বলেন, আমরা তো তার নিকট থেকে অন্যায়মূলক কিছু পাইনি। যদি আমাদের কোন ব্যক্তির উট মারা যেতো তিনি তাকে উট দিতেন। গোলাম মারা গেলে গোলাম দিতেন, কারো জীবিকার প্রয়োজন হলে তিনি তাকে তা প্রদান করতেন। তখন তিনি বললেন, আমার সহোদর মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকরের সাথে যে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমার এ ঘরে যা বলতে শুনেছি তা তোমাকে অবহিত করা থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারছি না। (তিনি বলেছিলেন) হে আল্লাহ! যে আমার উম্মাতের কোনরূপ কর্তৃত্বভার লাভ করে এবং তাদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে তুমি তার প্রতি রূঢ় হও, আর যে আমার উম্মাতের উপর কোনরূপ কর্তৃত্ব লাভ ক’রে তাদের প্রতি নম্র আচরণ করে তুমি তার প্রতি নম্র ও সদয় হও। (ই.ফা. ৪৫৭১, ই.সে. ৪৫৭৪)

‘আবদুর রহমান ইবনু শুমাসাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদা ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট কোন এক ব্যাপারে প্রশ্ন করার জন্য গেলাম। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথাকার লোক? আমি জবাব দিলাম, আমি একজন মিসরবাসী। তখন তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন তোমাদর সে গৃহযুদ্ধকালীন গভর্নর (মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর) কেমন লোক ছিলেন? রাবী বলেন, আমরা তো তার নিকট থেকে অন্যায়মূলক কিছু পাইনি। যদি আমাদের কোন ব্যক্তির উট মারা যেতো তিনি তাকে উট দিতেন। গোলাম মারা গেলে গোলাম দিতেন, কারো জীবিকার প্রয়োজন হলে তিনি তাকে তা প্রদান করতেন। তখন তিনি বললেন, আমার সহোদর মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকরের সাথে যে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে, তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আমার এ ঘরে যা বলতে শুনেছি তা তোমাকে অবহিত করা থেকে আমাকে বিরত রাখতে পারছি না। (তিনি বলেছিলেন) হে আল্লাহ! যে আমার উম্মাতের কোনরূপ কর্তৃত্বভার লাভ করে এবং তাদের প্রতি রূঢ় আচরণ করে তুমি তার প্রতি রূঢ় হও, আর যে আমার উম্মাতের উপর কোনরূপ কর্তৃত্ব লাভ ক’রে তাদের প্রতি নম্র আচরণ করে তুমি তার প্রতি নম্র ও সদয় হও। (ই.ফা. ৪৫৭১, ই.সে. ৪৫৭৪)

حدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني حرملة، عن عبد الرحمن، بن شماسة قال أتيت عائشة أسألها عن شىء، فقالت ممن أنت فقلت رجل من أهل مصر ‏.‏ فقالت كيف كان صاحبكم لكم في غزاتكم هذه فقال ما نقمنا منه شيئا إن كان ليموت للرجل منا البعير فيعطيه البعير والعبد فيعطيه العبد ويحتاج إلى النفقة فيعطيه النفقة فقالت أما إنه لا يمنعني الذي فعل في محمد بن أبي بكر أخي أن أخبرك ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في بيتي هذا ‏ "‏ اللهم من ولي من أمر أمتي شيئا فشق عليهم فاشقق عليه ومن ولي من أمر أمتي شيئا فرفق بهم فارفق به ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৬

وحدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا يعقوب بن إسحاق، أخبرني سوادة بن أبي، الأسود حدثني أبي أن معقل بن يسار، مرض فأتاه عبيد الله بن زياد يعوده ‏.‏ نحو حديث الحسن عن معقل، ‏.‏

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) পীড়িত হলেন। তখন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) তাঁকে রোগগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে যান। অবশিষ্ট অংশ মা’কিল থেকে হাসান বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৫৮০, ই.সে. ৪৫৮৩)

আবূল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) পীড়িত হলেন। তখন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) তাঁকে রোগগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে যান। অবশিষ্ট অংশ মা’কিল থেকে হাসান বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৫৮০, ই.সে. ৪৫৮৩)

وحدثنا عقبة بن مكرم العمي، حدثنا يعقوب بن إسحاق، أخبرني سوادة بن أبي، الأسود حدثني أبي أن معقل بن يسار، مرض فأتاه عبيد الله بن زياد يعوده ‏.‏ نحو حديث الحسن عن معقل، ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৭

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير بن حازم، حدثنا الحسن، أن عائذ بن عمرو، - وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم - دخل على عبيد الله بن زياد فقال أى بنى إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن شر الرعاء الحطمة فإياك أن تكون منهم ‏"‏ ‏.‏ فقال له اجلس فإنما أنت من نخالة أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال وهل كانت لهم نخالة إنما كانت النخالة بعدهم وفي غيرهم ‏.‏

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী আয়েয ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) একদা ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ)-এর নিকট গেলেন। তখন তিনি তাকে লক্ষ্য করে বললেন, বৎস! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি “নিকৃষ্টতম রাখাল হচ্ছে অত্যাচারী শাসক।” তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়া থেকে সাবধান থাকবে। তখন সে বললো, বসে পড়! তুমি হচ্ছো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবীগণের উচ্ছিষ্টের ন্যায়। জবাবে তিনি বললেন, তাঁদের মধ্যেও কি উচ্ছিষ্ট রয়েছে? উচ্ছিষ্ট তো তাদের পরবর্তীদের এবং অন্যান্যদের মধ্যে। (ই.ফা. ৪৫৮১, ই.সে. ৪৫৮৪)

হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী আয়েয ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) একদা ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদ (রহঃ)-এর নিকট গেলেন। তখন তিনি তাকে লক্ষ্য করে বললেন, বৎস! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি “নিকৃষ্টতম রাখাল হচ্ছে অত্যাচারী শাসক।” তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়া থেকে সাবধান থাকবে। তখন সে বললো, বসে পড়! তুমি হচ্ছো নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবীগণের উচ্ছিষ্টের ন্যায়। জবাবে তিনি বললেন, তাঁদের মধ্যেও কি উচ্ছিষ্ট রয়েছে? উচ্ছিষ্ট তো তাদের পরবর্তীদের এবং অন্যান্যদের মধ্যে। (ই.ফা. ৪৫৮১, ই.সে. ৪৫৮৪)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير بن حازم، حدثنا الحسن، أن عائذ بن عمرو، - وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم - دخل على عبيد الله بن زياد فقال أى بنى إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن شر الرعاء الحطمة فإياك أن تكون منهم ‏"‏ ‏.‏ فقال له اجلس فإنما أنت من نخالة أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال وهل كانت لهم نخالة إنما كانت النخالة بعدهم وفي غيرهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ ألا كلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته فالأمير الذي على الناس راع وهو مسئول عن رعيته والرجل راع على أهل بيته وهو مسئول عنهم والمرأة راعية على بيت بعلها وولده وهي مسئولة عنهم والعبد راع على مال سيده وهو مسئول عنه ألا فكلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন দায়িত্ববান এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ‘আমীর বা নেতা তার অধীনস্থ লোকদের উপর দায়িত্ববান এবং সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার পরিবারের লোকদের উপর দায়িত্বশীল, সে তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী স্বীয় স্বামীর বাড়ী ও সন্তানের উপর দায়িত্ববান, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। গোলাম তার মুনিবের মাল-সম্পদের উপর দায়িত্ববান, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ওহে! তোমাদের প্রত্যেকেই (স্ব-স্ব স্থানে) একজন দায়িত্ববান এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (ই.ফা. ৪৫৭৩, ই.সে. ৪৫৭৬)

ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের প্রত্যেকেই এক একজন দায়িত্ববান এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ‘আমীর বা নেতা তার অধীনস্থ লোকদের উপর দায়িত্ববান এবং সে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার পরিবারের লোকদের উপর দায়িত্বশীল, সে তা সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী স্বীয় স্বামীর বাড়ী ও সন্তানের উপর দায়িত্ববান, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। গোলাম তার মুনিবের মাল-সম্পদের উপর দায়িত্ববান, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। ওহে! তোমাদের প্রত্যেকেই (স্ব-স্ব স্থানে) একজন দায়িত্ববান এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (ই.ফা. ৪৫৭৩, ই.সে. ৪৫৭৬)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ ألا كلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته فالأمير الذي على الناس راع وهو مسئول عن رعيته والرجل راع على أهل بيته وهو مسئول عنهم والمرأة راعية على بيت بعلها وولده وهي مسئولة عنهم والعبد راع على مال سيده وهو مسئول عنه ألا فكلكم راع وكلكم مسئول عن رعيته ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২০

قال أبو إسحاق حدثنا الحسن بن بشر، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، بهذا مثل حديث الليث عن نافع

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসটি লায়স ‘আন্ নাফি’-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসটি লায়স ‘আন্ নাফি’-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)

قال أبو إسحاق حدثنا الحسن بن بشر، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، بهذا مثل حديث الليث عن نافع


সহিহ মুসলিম ৪৬১৭

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا ابن مهدي، حدثنا جرير بن حازم، عن حرملة، المصري عن عبد الرحمن بن شماسة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله

‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭২, ই.সে. ৪৫৭৫)

‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭২, ই.সে. ৪৫৭৫)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا ابن مهدي، حدثنا جرير بن حازم، عن حرملة، المصري عن عبد الرحمن بن شماسة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله


সহিহ মুসলিম ৪৬২২

وحدثني أحمد بن عبد الرحمن بن وهب، أخبرني عمي عبد الله بن وهب، أخبرني رجل، سماه وعمرو بن الحارث عن بكير، عن بسر بن سعيد، حدثه عن عبد الله بن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا المعنى ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ মর্মে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৭৬, ই.সে. ৪৫৭৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ মর্মে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৭৬, ই.সে. ৪৫৭৯)

وحدثني أحمد بن عبد الرحمن بن وهب، أخبرني عمي عبد الله بن وهب، أخبرني رجل، سماه وعمرو بن الحارث عن بكير، عن بسر بن سعيد، حدثه عن عبد الله بن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا المعنى ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا يحيى، - يعني القطان - كلهم عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثنا أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، جميعا عن أيوب، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - ح وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني أسامة، كل هؤلاء عن نافع، عن ابن عمر، مثل حديث الليث عن نافع، ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, ইবনু মুসান্না ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা’ঈদ সকলেই ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার থেকে অন্য সানাদে আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও হারূন ইবনু সা’ঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, ইবনু মুসান্না ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু সা’ঈদ সকলেই ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার থেকে অন্য সানাদে আবূ রাবী’ ও আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও হারূন ইবনু সা’ঈদ আইলী (রহঃ) সকলেই নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا يحيى، - يعني القطان - كلهم عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثنا أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، جميعا عن أيوب، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - ح وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني أسامة، كل هؤلاء عن نافع، عن ابن عمر، مثل حديث الليث عن نافع، ‏.‏


সহিহ মুসলিম > গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করা কঠিন হারাম

সহিহ মুসলিম ৪৬৩০

وحدثني أحمد بن سعيد بن صخر الدارمي، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن أيوب، عن يحيى بن سعيد، عن أبي زرعة بن عمرو بن جرير، عن أبي هريرة، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الغلول فعظمه ‏.‏ واقتص الحديث قال حماد ثم سمعت يحيى بعد ذلك يحدثه فحدثنا بنحو ما حدثنا عنه أيوب ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গনীমাতের মাল ‘আত্মসাৎকরণ’ এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। এভাবে তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৪, ই.সে. ৪৫৮৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গনীমাতের মাল ‘আত্মসাৎকরণ’ এবং এর ভয়াবহতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। এভাবে তিনি পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৪, ই.সে. ৪৫৮৭)

وحدثني أحمد بن سعيد بن صخر الدارمي، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن أيوب، عن يحيى بن سعيد، عن أبي زرعة بن عمرو بن جرير، عن أبي هريرة، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الغلول فعظمه ‏.‏ واقتص الحديث قال حماد ثم سمعت يحيى بعد ذلك يحدثه فحدثنا بنحو ما حدثنا عنه أيوب ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৮

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أبي حيان، عن أبي، زرعة عن أبي هريرة، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم فذكر الغلول فعظمه وعظم أمره ثم قال ‏ "‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته بعير له رغاء يقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته فرس له حمحمة فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته شاة لها ثغاء يقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته نفس لها صياح فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته رقاع تخفق فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته صامت فيقول يا رسول الله أغثني فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালেন এবং গনীমাতের মাল আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি এর উপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করলেন। তারপর বললেন, আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাত দিবসে যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত উট তার ঘাড়ের উপর সওয়ার হয়ে আছে, আর সে আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাহায্য করুন! তখন আমি বলবো : তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। আমি (এর পূর্বেও) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাতের দিন যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত ঘোড়া তার কাঁধের উপর সওয়ার হয়ে আছে আর সে আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। তখন আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই, আমি তো (এর পূর্বে) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামাত দিবসে এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, কোন আর্তনাদরত ব্যক্তিকে সে বয়ে নিয়ে আসছে আর আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র কিছু করার নেই। আর আমি (ইতোপূর্বেই তা) তোমার নিকট প্রচার করেছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাতের দিন এমন অবস্থায় যেন উপস্থিত না পাই যে, তার ঘাড়ের উপর পতপত করে কাপড় উড়ছে আর সে ফরিয়াদ করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আমি বলবো যে, তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই। আমি তো (ইতোপূর্বেই তা) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। আর এমন যেন না হয় যে, কিয়ামাতের দিন তোমাদের মধ্যকার কাউকে এ অবস্থায় পাই যে, তার ঘাড়ে স্বর্ণ, রৌপ্য বয়ে নিয়ে আসবে আর আরয করবে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমাকে সাহায্য করার কোন সাধ্য আমার নেই, আমি তো (পূর্বেই সে বিষয়ে) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। (ই.ফা. ৪৫৮২, ই.সে. ৪৫৮৫)

আবূ হুরাইয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালেন এবং গনীমাতের মাল আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি এর উপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করলেন। তারপর বললেন, আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাত দিবসে যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত উট তার ঘাড়ের উপর সওয়ার হয়ে আছে, আর সে আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সাহায্য করুন! তখন আমি বলবো : তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। আমি (এর পূর্বেও) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাতের দিন যেন এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, চিৎকাররত ঘোড়া তার কাঁধের উপর সওয়ার হয়ে আছে আর সে আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। তখন আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই, আমি তো (এর পূর্বে) তোমাকে (এ ব্যাপারে) জানিয়ে দিয়েছি। আমি তোমাদের কাউকে যেন কিয়ামাত দিবসে এমন অবস্থায় উপস্থিত না পাই যে, কোন আর্তনাদরত ব্যক্তিকে সে বয়ে নিয়ে আসছে আর আরয করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমার ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র কিছু করার নেই। আর আমি (ইতোপূর্বেই তা) তোমার নিকট প্রচার করেছি। আমি তোমাদের কাউকে কিয়ামাতের দিন এমন অবস্থায় যেন উপস্থিত না পাই যে, তার ঘাড়ের উপর পতপত করে কাপড় উড়ছে আর সে ফরিয়াদ করছে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আমি বলবো যে, তোমার ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই। আমি তো (ইতোপূর্বেই তা) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। আর এমন যেন না হয় যে, কিয়ামাতের দিন তোমাদের মধ্যকার কাউকে এ অবস্থায় পাই যে, তার ঘাড়ে স্বর্ণ, রৌপ্য বয়ে নিয়ে আসবে আর আরয করবে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে সাহায্য করুন। আর আমি বলবো, তোমাকে সাহায্য করার কোন সাধ্য আমার নেই, আমি তো (পূর্বেই সে বিষয়ে) তোমাকে জানিয়ে দিয়েছি। (ই.ফা. ৪৫৮২, ই.সে. ৪৫৮৫)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أبي حيان، عن أبي، زرعة عن أبي هريرة، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم فذكر الغلول فعظمه وعظم أمره ثم قال ‏ "‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته بعير له رغاء يقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته فرس له حمحمة فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته شاة لها ثغاء يقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته نفس لها صياح فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته رقاع تخفق فيقول يا رسول الله أغثني ‏.‏ فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏.‏ لا ألفين أحدكم يجيء يوم القيامة على رقبته صامت فيقول يا رسول الله أغثني فأقول لا أملك لك شيئا قد أبلغتك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬২৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن أبي حيان، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن أبي حيان، وعمارة بن القعقاع، جميعا عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، بمثل حديث إسماعيل عن أبي حيان، ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসমা’ঈল (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হাইয়্যান (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৩, ই.সে. ৪৫৮৬)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইসমা’ঈল (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হাইয়্যান (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৩, ই.সে. ৪৫৮৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن أبي حيان، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن أبي حيان، وعمارة بن القعقاع، جميعا عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، بمثل حديث إسماعيل عن أبي حيان، ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩১

وحدثني أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن يحيى بن سعيد بن حيان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحو حديثهم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লেখিত রাবীদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৫, ই.সে. ৪৫৮৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লেখিত রাবীদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৮৫, ই.সে. ৪৫৮৮)

وحدثني أحمد بن الحسن بن خراش، حدثنا أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن يحيى بن سعيد بن حيان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بنحو حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > সরকারী কর্মচারীদের উপহার গ্রহণ নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৬৩৬

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن الشيباني، عن عبد الله بن ذكوان، - وهو أبو الزناد - عن عروة بن الزبير، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على الصدقة فجاء بسواد كثير فجعل يقول هذا لكم وهذا أهدي إلى ‏.‏ فذكر نحوه قال عروة فقلت لأبي حميد الساعدي أسمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من فيه إلى أذني ‏.‏

‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে সদাকাহ্ উসূলের জন্য কর্মচারী নিযুক্ত করেন। সে প্রচুর মাল নিয়ে আসলো আর বলতে লাগলো এটা আপনাদের আর ওটা আমাকে উপহার দেয়া হয়েছে। তারপর রাবী অনুরূপ বর্ণনা করেন। রাবী ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, আমি আবূ হুমায়দ আস্-সা’ইদী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি নিজে কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন? জবাবে তিনি বললেন, তাঁর পবিত্র মুখ থেকে সরাসরি আমার কানে শুনেছি। (ই.ফা. ৪৫৯০, ই.সে. ৪৫৯৩)

‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে সদাকাহ্ উসূলের জন্য কর্মচারী নিযুক্ত করেন। সে প্রচুর মাল নিয়ে আসলো আর বলতে লাগলো এটা আপনাদের আর ওটা আমাকে উপহার দেয়া হয়েছে। তারপর রাবী অনুরূপ বর্ণনা করেন। রাবী ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) বলেন, আমি আবূ হুমায়দ আস্-সা’ইদী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম আপনি নিজে কি তা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন? জবাবে তিনি বললেন, তাঁর পবিত্র মুখ থেকে সরাসরি আমার কানে শুনেছি। (ই.ফা. ৪৫৯০, ই.সে. ৪৫৯৩)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، عن الشيباني، عن عبد الله بن ذكوان، - وهو أبو الزناد - عن عروة بن الزبير، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على الصدقة فجاء بسواد كثير فجعل يقول هذا لكم وهذا أهدي إلى ‏.‏ فذكر نحوه قال عروة فقلت لأبي حميد الساعدي أسمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال من فيه إلى أذني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩৯

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا الفضل بن موسى، حدثنا إسماعيل، بن أبي خالد أخبرنا قيس بن أبي حازم، قال سمعت عدي بن عميرة الكندي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بمثل حديثهم ‏.‏

‘আদী ইবনু ‘আমীর আল-কিন্দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে অনুরূপ বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৪৫৯৩, ই.সে. ৪৫৯৫)

‘আদী ইবনু ‘আমীর আল-কিন্দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে অনুরূপ বলতে শুনেছি। (ই.ফা. ৪৫৯৩, ই.সে. ৪৫৯৫)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا الفضل بن موسى، حدثنا إسماعيل، بن أبي خالد أخبرنا قيس بن أبي حازم، قال سمعت عدي بن عميرة الكندي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بمثل حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا من الأسد يقال له ابن اللتبية - قال عمرو وابن أبي عمر على الصدقة - فلما قدم قال هذا لكم وهذا لي أهدي لي قال فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فحمد الله وأثنى عليه وقال ‏"‏ ما بال عامل أبعثه فيقول هذا لكم وهذا أهدي لي ‏.‏ أفلا قعد في بيت أبيه أو في بيت أمه حتى ينظر أيهدى إليه أم لا والذي نفس محمد بيده لا ينال أحد منكم منها شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على عنقه بعير له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ‏"‏ ‏.‏ ثم رفع يديه حتى رأينا عفرتى إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ مرتين ‏.‏

আবূ হুমায়দ সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসাদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে কর্মচারী নিযুক্ত করলেন- যাকে ইবনুল লুত্বিয়্যাহ্ নামে অভিহিত করা হতো। রাবী ‘আম্‌র ও ইবনু আবূ ‘উমার বলেন, যাকাত আদায়ের জন্য। যখন সে ফিরে এলো, তখন সে বললো, এটি আপনাদের (অর্থাৎ- বায়তুল মালের) এবং ওটি আমাকে উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারের উপরে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করার পর বললেন, সে কর্মচারীর কী হলো, যাকে আমি (আদায়কারীরূপে) প্রেরণ করলাম, আর সে (যেমন দিয়ে আসে তেমন) বলে! ওটা আপনাদের আর এটি আমাকে উপঢৌকন দেয়া হয়েছে? সে তার পিতার বা মাতার ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন যে তাকে উপঢৌকন দেয়া হয় কি-না? মুহাম্মাদের প্রাণ যে পবিত্র সত্তার হাতে তাঁর কসম! যে কেউ এরূপ সম্পদের কিছুমাত্র কুক্ষিগত করবে, কিয়ামাতের দিন তাই সে তার ঘাড়ে বহন করে নিয়ে আসবে- তার ঘাড়ের উপর চিৎকাররত উট হবে অথবা হাম্বা-হাম্বারত গাভী হবে অথবা চিৎকাররত বকরী হবে। তারপর তিনি দু’হাত উপরের দিকে উঠিয়ে ধরলেন, এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! আমি কি তোমার নির্দেশ পৌঁছিয়ে দিয়েছি?” এ কথা তিনি দু’বার বললেন। (ই.ফা. ৪৫৮৬, ই.সে. ৪৫৮৯)

আবূ হুমায়দ সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসাদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে কর্মচারী নিযুক্ত করলেন- যাকে ইবনুল লুত্বিয়্যাহ্ নামে অভিহিত করা হতো। রাবী ‘আম্‌র ও ইবনু আবূ ‘উমার বলেন, যাকাত আদায়ের জন্য। যখন সে ফিরে এলো, তখন সে বললো, এটি আপনাদের (অর্থাৎ- বায়তুল মালের) এবং ওটি আমাকে উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে। রাবী বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারের উপরে দাঁড়ালেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করার পর বললেন, সে কর্মচারীর কী হলো, যাকে আমি (আদায়কারীরূপে) প্রেরণ করলাম, আর সে (যেমন দিয়ে আসে তেমন) বলে! ওটা আপনাদের আর এটি আমাকে উপঢৌকন দেয়া হয়েছে? সে তার পিতার বা মাতার ঘরে বসে থেকে দেখে না কেন যে তাকে উপঢৌকন দেয়া হয় কি-না? মুহাম্মাদের প্রাণ যে পবিত্র সত্তার হাতে তাঁর কসম! যে কেউ এরূপ সম্পদের কিছুমাত্র কুক্ষিগত করবে, কিয়ামাতের দিন তাই সে তার ঘাড়ে বহন করে নিয়ে আসবে- তার ঘাড়ের উপর চিৎকাররত উট হবে অথবা হাম্বা-হাম্বারত গাভী হবে অথবা চিৎকাররত বকরী হবে। তারপর তিনি দু’হাত উপরের দিকে উঠিয়ে ধরলেন, এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বললেন, “হে আল্লাহ! আমি কি তোমার নির্দেশ পৌঁছিয়ে দিয়েছি?” এ কথা তিনি দু’বার বললেন। (ই.ফা. ৪৫৮৬, ই.সে. ৪৫৮৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا من الأسد يقال له ابن اللتبية - قال عمرو وابن أبي عمر على الصدقة - فلما قدم قال هذا لكم وهذا لي أهدي لي قال فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فحمد الله وأثنى عليه وقال ‏"‏ ما بال عامل أبعثه فيقول هذا لكم وهذا أهدي لي ‏.‏ أفلا قعد في بيت أبيه أو في بيت أمه حتى ينظر أيهدى إليه أم لا والذي نفس محمد بيده لا ينال أحد منكم منها شيئا إلا جاء به يوم القيامة يحمله على عنقه بعير له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ‏"‏ ‏.‏ ثم رفع يديه حتى رأينا عفرتى إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ مرتين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل النبي صلى الله عليه وسلم ابن اللتبية - رجلا من الأزد - على الصدقة فجاء بالمال فدفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هذا مالكم وهذه هدية أهديت لي ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أفلا قعدت في بيت أبيك وأمك فتنظر أيهدى إليك أم لا ‏"‏ ‏.‏ ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم خطيبا ‏.‏ ثم ذكر نحو حديث سفيان ‏.‏

আবূ হুমায়দ সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয্দ গোত্রের ইবনুল লুত্বিয়্যাহ্ নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত উসূলের উদ্দেশে কর্মচারী নিয়োগ করেন। সে যখন (যাকাতের উসূলকৃত) মালামাল নিয়ে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট অর্পণ করলো, তখন সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের, আর ওটা আমাকে উপঢৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থেকে দেখলে না কেন, তোমার জন্য উপঢৌকনাদি প্রেরিত হয় কি-না? তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুৎবাহ্ দিতে দাঁড়ালেন। এরপর রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা দেন। (ই.ফা. ৪৫৮৭, ই.সে. ৪৫৯০)

আবূ হুমায়দ সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয্দ গোত্রের ইবনুল লুত্বিয়্যাহ্ নামক এক ব্যক্তিকে যাকাত উসূলের উদ্দেশে কর্মচারী নিয়োগ করেন। সে যখন (যাকাতের উসূলকৃত) মালামাল নিয়ে এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট অর্পণ করলো, তখন সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের, আর ওটা আমাকে উপঢৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থেকে দেখলে না কেন, তোমার জন্য উপঢৌকনাদি প্রেরিত হয় কি-না? তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুৎবাহ্ দিতে দাঁড়ালেন। এরপর রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা দেন। (ই.ফা. ৪৫৮৭, ই.সে. ৪৫৯০)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، قالا أخبرنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل النبي صلى الله عليه وسلم ابن اللتبية - رجلا من الأزد - على الصدقة فجاء بالمال فدفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال هذا مالكم وهذه هدية أهديت لي ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أفلا قعدت في بيت أبيك وأمك فتنظر أيهدى إليك أم لا ‏"‏ ‏.‏ ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم خطيبا ‏.‏ ثم ذكر نحو حديث سفيان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، حدثنا إسماعيل بن أبي، خالد عن قيس بن أبي حازم، عن عدي بن عميرة الكندي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من استعملناه منكم على عمل فكتمنا مخيطا فما فوقه كان غلولا يأتي به يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال فقام إليه رجل أسود من الأنصار كأني أنظر إليه فقال يا رسول الله اقبل عني عملك قال ‏"‏ وما لك ‏"‏ ‏.‏ قال سمعتك تقول كذا وكذا ‏.‏ قال ‏"‏ وأنا أقوله الآن من استعملناه منكم على عمل فليجئ بقليله وكثيره فما أوتي منه أخذ وما نهي عنه انتهى ‏"‏ ‏.‏

‘আদী ইবনু ‘উমাইরাহ্‌ আল-কিন্দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমরা তোমাদের মধ্যে যাকে আদায়কারী নিযুক্ত করি, আর সে একটি সূঁচ পরিমাণ বা তার চাইতেও কম মাল আমাদের কাছে গোপন করে, তাই আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে এবং তা নিয়েই কিয়ামতের দিন সে উপস্থিত হবে। রাবী বলেন, তখন একজন কৃষ্ণকায় আনসারী (সাহাবী) তাঁর দিকে অগ্রসর হলেন, আমি যেন তাঁকে দেখতে পাচ্ছি। তিনি আরয করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার দায়িত্বভার আপনি বুঝে নিন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কি হয়েছে? তিনি আরয করলেন, আমি আপনাকে এরূপ এরূপ (কঠিন ভাষা) বলতে শুনেছি। তখন তিনি বললেন, আমি এখনও বলছি, তোমাদের মধ্যকার যাকেই আমি কর্মচারী নিযুক্ত করি আর সে অল্প বিস্তর যা-ই আদায় করে এনে উপস্থিত করে, তারপর তাকে যা-ই দেয়া হয় তা-ই গ্রহণ করে এবং যা থেকে নিষেধ করা হয় তা থেকে বিরত থাকে (তার জন্য ভয়ের কারণ নেই)। (ই.ফা. ৪৫৯১, ই.সে. ৪৫৯৪)

‘আদী ইবনু ‘উমাইরাহ্‌ আল-কিন্দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমরা তোমাদের মধ্যে যাকে আদায়কারী নিযুক্ত করি, আর সে একটি সূঁচ পরিমাণ বা তার চাইতেও কম মাল আমাদের কাছে গোপন করে, তাই আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে এবং তা নিয়েই কিয়ামতের দিন সে উপস্থিত হবে। রাবী বলেন, তখন একজন কৃষ্ণকায় আনসারী (সাহাবী) তাঁর দিকে অগ্রসর হলেন, আমি যেন তাঁকে দেখতে পাচ্ছি। তিনি আরয করলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার দায়িত্বভার আপনি বুঝে নিন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কি হয়েছে? তিনি আরয করলেন, আমি আপনাকে এরূপ এরূপ (কঠিন ভাষা) বলতে শুনেছি। তখন তিনি বললেন, আমি এখনও বলছি, তোমাদের মধ্যকার যাকেই আমি কর্মচারী নিযুক্ত করি আর সে অল্প বিস্তর যা-ই আদায় করে এনে উপস্থিত করে, তারপর তাকে যা-ই দেয়া হয় তা-ই গ্রহণ করে এবং যা থেকে নিষেধ করা হয় তা থেকে বিরত থাকে (তার জন্য ভয়ের কারণ নেই)। (ই.ফা. ৪৫৯১, ই.সে. ৪৫৯৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، حدثنا إسماعيل بن أبي، خالد عن قيس بن أبي حازم، عن عدي بن عميرة الكندي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ من استعملناه منكم على عمل فكتمنا مخيطا فما فوقه كان غلولا يأتي به يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال فقام إليه رجل أسود من الأنصار كأني أنظر إليه فقال يا رسول الله اقبل عني عملك قال ‏"‏ وما لك ‏"‏ ‏.‏ قال سمعتك تقول كذا وكذا ‏.‏ قال ‏"‏ وأنا أقوله الآن من استعملناه منكم على عمل فليجئ بقليله وكثيره فما أوتي منه أخذ وما نهي عنه انتهى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩৪

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا من الأزد على صدقات بني سليم يدعى ابن الأتبية فلما جاء حاسبه قال هذا مالكم وهذا هدية ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فهلا جلست في بيت أبيك وأمك حتى تأتيك هديتك إن كنت صادقا ‏"‏ ‏.‏ ثم خطبنا فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ أما بعد فإني أستعمل الرجل منكم على العمل مما ولاني الله فيأتي فيقول هذا مالكم وهذا هدية أهديت لي ‏.‏ أفلا جلس في بيت أبيه وأمه حتى تأتيه هديته إن كان صادقا والله لا يأخذ أحد منكم منها شيئا بغير حقه إلا لقي الله تعالى يحمله يوم القيامة فلأعرفن أحدا منكم لقي الله يحمل بعيرا له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ‏"‏ ‏.‏ ثم رفع يديه حتى رئي بياض إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ بصر عيني وسمع أذني ‏.‏

আবূ হুমায়দ আস্-সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয্দ গোত্রের এক ব্যক্তিকে বানূ সুলায়ম গোত্রের যাকাত উসূল করার জন্য কর্মচারী নিযুক্ত করেন। লোকটিকে ইবনু উত্বিয়্যাহ্ বলে ডাকা হতো। যখন সে (কাজ সম্পাদন করে) আসলো, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিসাব-নিকাশ চাইলেন। সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের মাল আর ওটা (আমাকে প্রদত্ত) উপঢৌকন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থাকলে না কেন? তোমার উপঢৌকন পৌঁছাতো, যদি তুমি সত্যবাদী হও। তারপর তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুৎবাহ্ দিলেন। তাতে আল্লাহর প্রশংসা করে বললেন, “আমি তোমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তিকে কোন কাজে নিযুক্ত করি যার দায়িত্ব আল্লাহ আমার উপর বর্তিয়েছেন। তারপর সে (কর্ম সম্পাদন করে) এসে বলে, এটা আপনাদের মাল আর এটা আমাকে উপঢৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। সে কেন তার পিতা-মাতার ঘরে বসে রইলো না তার উপঢৌকন সেখানে তার কাছে এসে পৌঁছতো, যদি সে সত্যবাদী হয়ে থাকে? আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যকার যে কেউ তার প্রাপ্য ব্যতিরেকে সেসব সম্পদের অংশবিশেষও কুক্ষিগত করবে, কিয়ামাতের দিন সে তা বহন ক’রে আল্লাহ তা‘আলার সমীপে উপস্থিত হবে। তোমাদের মধ্যকার যে কেউ চিৎকাররত উট, গাভী বা বকরী বহত করতঃ আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে, আমি তাকে পুরোপুরি চিনতে পারবো। তারপর তিনি দু’হাত এমনভাবে ঊর্ধ্বে তুললেন যে তাঁর বগলদ্বয়ের শুভ্রতা দেখা গেল। তিনি বলছিলেন, হে আল্লাহ! আমি কি (তোমার নির্দেশ) পৌঁছে দিয়েছি? (রাবী বলেন, সে দৃশ্যটি) আমার চোখ দেখেছে এবং সে বক্তব্য আমার কান শুনেছে। (ই.ফা. ৪৫৮৮, ই.সে. ৪৫৯১)

আবূ হুমায়দ আস্-সা’ইদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আয্দ গোত্রের এক ব্যক্তিকে বানূ সুলায়ম গোত্রের যাকাত উসূল করার জন্য কর্মচারী নিযুক্ত করেন। লোকটিকে ইবনু উত্বিয়্যাহ্ বলে ডাকা হতো। যখন সে (কাজ সম্পাদন করে) আসলো, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিসাব-নিকাশ চাইলেন। সে বলল, এগুলো হচ্ছে আপনাদের মাল আর ওটা (আমাকে প্রদত্ত) উপঢৌকন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তোমার পিতা-মাতার ঘরে বসে থাকলে না কেন? তোমার উপঢৌকন পৌঁছাতো, যদি তুমি সত্যবাদী হও। তারপর তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে খুৎবাহ্ দিলেন। তাতে আল্লাহর প্রশংসা করে বললেন, “আমি তোমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তিকে কোন কাজে নিযুক্ত করি যার দায়িত্ব আল্লাহ আমার উপর বর্তিয়েছেন। তারপর সে (কর্ম সম্পাদন করে) এসে বলে, এটা আপনাদের মাল আর এটা আমাকে উপঢৌকন স্বরূপ দেয়া হয়েছে। সে কেন তার পিতা-মাতার ঘরে বসে রইলো না তার উপঢৌকন সেখানে তার কাছে এসে পৌঁছতো, যদি সে সত্যবাদী হয়ে থাকে? আল্লাহর কসম! তোমাদের মধ্যকার যে কেউ তার প্রাপ্য ব্যতিরেকে সেসব সম্পদের অংশবিশেষও কুক্ষিগত করবে, কিয়ামাতের দিন সে তা বহন ক’রে আল্লাহ তা‘আলার সমীপে উপস্থিত হবে। তোমাদের মধ্যকার যে কেউ চিৎকাররত উট, গাভী বা বকরী বহত করতঃ আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে, আমি তাকে পুরোপুরি চিনতে পারবো। তারপর তিনি দু’হাত এমনভাবে ঊর্ধ্বে তুললেন যে তাঁর বগলদ্বয়ের শুভ্রতা দেখা গেল। তিনি বলছিলেন, হে আল্লাহ! আমি কি (তোমার নির্দেশ) পৌঁছে দিয়েছি? (রাবী বলেন, সে দৃশ্যটি) আমার চোখ দেখেছে এবং সে বক্তব্য আমার কান শুনেছে। (ই.ফা. ৪৫৮৮, ই.সে. ৪৫৯১)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، حدثنا هشام، عن أبيه، عن أبي حميد الساعدي، قال استعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا من الأزد على صدقات بني سليم يدعى ابن الأتبية فلما جاء حاسبه قال هذا مالكم وهذا هدية ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فهلا جلست في بيت أبيك وأمك حتى تأتيك هديتك إن كنت صادقا ‏"‏ ‏.‏ ثم خطبنا فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ أما بعد فإني أستعمل الرجل منكم على العمل مما ولاني الله فيأتي فيقول هذا مالكم وهذا هدية أهديت لي ‏.‏ أفلا جلس في بيت أبيه وأمه حتى تأتيه هديته إن كان صادقا والله لا يأخذ أحد منكم منها شيئا بغير حقه إلا لقي الله تعالى يحمله يوم القيامة فلأعرفن أحدا منكم لقي الله يحمل بعيرا له رغاء أو بقرة لها خوار أو شاة تيعر ‏"‏ ‏.‏ ثم رفع يديه حتى رئي بياض إبطيه ثم قال ‏"‏ اللهم هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ بصر عيني وسمع أذني ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৩৮

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ومحمد بن بشر، ح وحدثني محمد، بن رافع حدثنا أبو أسامة، قالوا حدثنا إسماعيل، بهذا الإسناد بمثله ‏.‏

ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৫৯২, ই.সে. ৪৫৯৪/ক)

ইসমা’ঈল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৫৯২, ই.সে. ৪৫৯৪/ক)

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ومحمد بن بشر، ح وحدثني محمد، بن رافع حدثنا أبو أسامة، قالوا حدثنا إسماعيل، بهذا الإسناد بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > পাপের কাজ ছাড়া অন্য সব ব্যাপারে শাসকের আনুগত্য আবশ্যক এবং পাপ কাজের ক্ষেত্রে (আনুগত্য) হারাম

সহিহ মুসলিম ৪৬৫১

وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي عمران، بهذا الإسناد كما قال ابن إدريس عبدا مجدع الأطراف ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত হাদীসে আছে “হাত-পা কাটা গোলাম”। (ই.ফা. ৪৬০৫, ই.সে. ৪৬০৭)

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত হাদীসে আছে “হাত-পা কাটা গোলাম”। (ই.ফা. ৪৬০৫, ই.সে. ৪৬০৭)

وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي عمران، بهذا الإسناد كما قال ابن إدريس عبدا مجدع الأطراف ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫২

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يحيى بن حصين، قال سمعت جدتي، تحدث أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب في حجة الوداع وهو يقول ‏ "‏ ولو استعمل عليكم عبد يقودكم بكتاب الله فاسمعوا له وأطيعوا ‏"‏ ‏.‏

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার দাদী থেকে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিদায় হাজ্জের ভাষণ দেয়ার সময় তাঁকে বলতে শুনেছেন “যদি তোমাদের উপর একজন গোলামকেও কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয় আর সে তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব অনুসারে পরিচালনা করে, তবে তোমরা তার কথা শুনবে এবং মেনে চলবে।” (ই.ফা. ৪৬০৬, ই.সে. ৪৬০৮)

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার দাদী থেকে শুনেছি, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিদায় হাজ্জের ভাষণ দেয়ার সময় তাঁকে বলতে শুনেছেন “যদি তোমাদের উপর একজন গোলামকেও কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয় আর সে তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব অনুসারে পরিচালনা করে, তবে তোমরা তার কথা শুনবে এবং মেনে চলবে।” (ই.ফা. ৪৬০৬, ই.সে. ৪৬০৮)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يحيى بن حصين، قال سمعت جدتي، تحدث أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب في حجة الوداع وهو يقول ‏ "‏ ولو استعمل عليكم عبد يقودكم بكتاب الله فاسمعوا له وأطيعوا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৮

وحدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن يعقوب، قال سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن أبي حازم، عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عليك السمع والطاعة في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليك ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তুমি অবশ্যই ‘আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে তোমার সংকটকালে ও স্বাভাবিক সময়ে, অনুরাগ ও বিরাগে এবং যখন তোমার উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে তখনও। (ই.ফা. ৪৬০২, ই.সে. ৪৬০৪)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তুমি অবশ্যই ‘আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে তোমার সংকটকালে ও স্বাভাবিক সময়ে, অনুরাগ ও বিরাগে এবং যখন তোমার উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে তখনও। (ই.ফা. ৪৬০২, ই.সে. ৪৬০৪)

وحدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن يعقوب، قال سعيد حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن أبي حازم، عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عليك السمع والطاعة في عسرك ويسرك ومنشطك ومكرهك وأثرة عليك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪০

حدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج نزل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا أطيعوا الله وأطيعوا الرسول وأولي الأمر منكم‏}‏ في عبد الله بن حذافة بن قيس بن عدي السهمي بعثه النبي صلى الله عليه وسلم في سرية ‏.‏ أخبرنيه يعلى بن مسلم عن سعيد بن جبير عن ابن عباس ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (মহান আল্লাহর বাণী) “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ ও রসূল এবং তোমাদের মধ্যকার শাসকের আনুগত্য করবে”-(সূরা আন্‌ নিসা ৪: ৫৯) আয়াতটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ্‌ ইবনু কায়স ইবনু ‘আদী সাহমী (রাঃ)-এর শানে নাযিল হয়েছে। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে একটি সামরিক অভিযানে পাঠিয়েছিলেন। ইয়া’লা ইবনু মুসলিম, সা’ঈদ ইবনু জুবায়রের সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৯৪, ই.সে. ৪৫৯৬)

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (মহান আল্লাহর বাণী) “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ ও রসূল এবং তোমাদের মধ্যকার শাসকের আনুগত্য করবে”-(সূরা আন্‌ নিসা ৪: ৫৯) আয়াতটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ্‌ ইবনু কায়স ইবনু ‘আদী সাহমী (রাঃ)-এর শানে নাযিল হয়েছে। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে একটি সামরিক অভিযানে পাঠিয়েছিলেন। ইয়া’লা ইবনু মুসলিম, সা’ঈদ ইবনু জুবায়রের সূত্রে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৯৪, ই.সে. ৪৫৯৬)

حدثني زهير بن حرب، وهارون بن عبد الله، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج نزل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا أطيعوا الله وأطيعوا الرسول وأولي الأمر منكم‏}‏ في عبد الله بن حذافة بن قيس بن عدي السهمي بعثه النبي صلى الله عليه وسلم في سرية ‏.‏ أخبرنيه يعلى بن مسلم عن سعيد بن جبير عن ابن عباس ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالوا حدثنا ابن إدريس، عن شعبة، عن أبي عمران، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال إن خليلي أوصاني أن أسمع وأطيع وإن كان عبدا مجدع الأطراف ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পরম বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে উপদেশ দিয়েছেন, আমি যেন (‘আমীরের নির্দেশ) শুনি ও মানি যদি ‘আমীর হাত-পা কর্তিত দাসও হয়। (ই.ফা. ৪৬০৩, ই.সে. ৪৬০৫)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পরম বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে উপদেশ দিয়েছেন, আমি যেন (‘আমীরের নির্দেশ) শুনি ও মানি যদি ‘আমীর হাত-পা কর্তিত দাসও হয়। (ই.ফা. ৪৬০৩, ই.সে. ৪৬০৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن براد الأشعري، وأبو كريب قالوا حدثنا ابن إدريس، عن شعبة، عن أبي عمران، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال إن خليلي أوصاني أن أسمع وأطيع وإن كان عبدا مجدع الأطراف ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৪

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا مكي بن إبراهيم، حدثنا ابن جريج، عن زياد، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله سواء ‏.

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৯৮, ই.সে. ৪৬০০)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৯৮, ই.সে. ৪৬০০)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا مكي بن إبراهيم، حدثنا ابن جريج، عن زياد، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، أخبره أنه، سمع أبا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله سواء ‏.


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৬

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن زيد بن أبي، أنيسة عن يحيى بن حصين، عن جدته أم الحصين، قال سمعتها تقول، حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولا كثيرا ثم سمعته يقول ‏ "‏ إن أمر عليكم عبد مجدع - حسبتها قالت - أسود يقودكم بكتاب الله فاسمعوا له وأطيعوا ‏"‏ ‏.‏

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন-এর দাদী উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাবী ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন বলেন যে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি- আমি বিদায় হজ্জে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে হজ্জ আদায় করি। তিনি (রাবী) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন অনেক কথাই বলেছিলেন। এরপর আমি তাঁকে বলতে শুনলাম, যদি তোমাদের উপর কোন হাত-পা কাটা গোলামকেও ‘আমীর নিযুক্ত করা হয় (ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন বলেন)- আমার ধারণা হয় তিনি (দাদী আরও) বলেছেন- কালো (অর্থাৎ- কৃষ্ণকায় হাবশী গোলাম) আর সে তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব অনুসারে পরিচালিত করে তবে তোমরা তার কথা শুনবে এবং মানবে। (ই.ফা. ৪৬১০, ই.সে. ৪৬১২)

ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন-এর দাদী উম্মুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাবী ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন বলেন যে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি- আমি বিদায় হজ্জে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে হজ্জ আদায় করি। তিনি (রাবী) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন অনেক কথাই বলেছিলেন। এরপর আমি তাঁকে বলতে শুনলাম, যদি তোমাদের উপর কোন হাত-পা কাটা গোলামকেও ‘আমীর নিযুক্ত করা হয় (ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু হুসায়ন বলেন)- আমার ধারণা হয় তিনি (দাদী আরও) বলেছেন- কালো (অর্থাৎ- কৃষ্ণকায় হাবশী গোলাম) আর সে তোমাদেরকে আল্লাহর কিতাব অনুসারে পরিচালিত করে তবে তোমরা তার কথা শুনবে এবং মানবে। (ই.ফা. ৪৬১০, ই.সে. ৪৬১২)

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، عن زيد بن أبي، أنيسة عن يحيى بن حصين، عن جدته أم الحصين، قال سمعتها تقول، حججت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع - قالت - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قولا كثيرا ثم سمعته يقول ‏ "‏ إن أمر عليكم عبد مجدع - حسبتها قالت - أسود يقودكم بكتاب الله فاسمعوا له وأطيعوا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৯

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن زبيد، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، أنعليه وسلم بعث جيشا وأمر عليهم رجلا فأوقد نارا وقال ادخلوها ‏.‏ فأراد ناس أن يدخلوها وقال الآخرون إنا قد فررنا منها ‏.‏ فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال للذين أرادوا أن يدخلوها ‏"‏ لو دخلتموها لم تزالوا فيها إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وقال للآخرين قولا حسنا وقال ‏"‏ لا طاعة في معصية الله إنما الطاعة في المعروف ‏"‏ ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি সেনাবাহিনী পাঠান এবং এক ব্যক্তিকে তার ‘আমীর নিযুক্ত করে দেন। সে একটি অগ্নিকুণ্ড প্রজ্বলিত করলো এবং তাদেরকে তাতে ঝাঁপ দিতে নির্দেশ দিল। একদল লোক তাতে ঝাঁপ দিতে প্রস্ততি নিলো এবং অপর একদল বলল, আমরা (ইসলাম গ্রহনের মাধ্যমে তো) আগুন থেকেই পালিয়ে এসেছি। (সুতরাং আগুনে ঝাঁপ দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না) যথাসময়ে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দরবারে সে ব্যাপারটি উত্থাপিত হল। তখন তিনি যারা আগুনে ঝাঁপ দিতে প্রস্তুত হয়েছিল তাদের কে লক্ষ্য করে বললেন, যদি তোমরা তাতে প্রবেশ করতে তবে কিয়ামত পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করতে। পক্ষান্তরে অপরদলকে লক্ষ্য করে তিনি ভাল কথা বললেন। তিনি আরো বললেন, আল্লাহর অবাধ্যতা হয় এমন কাজে অনুগত্য নেই। আনুগত্য কেবলই ভাল কাজে। (ই. ফা. ৪৬১৩, ই. সে. ৪৬১৫)

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি সেনাবাহিনী পাঠান এবং এক ব্যক্তিকে তার ‘আমীর নিযুক্ত করে দেন। সে একটি অগ্নিকুণ্ড প্রজ্বলিত করলো এবং তাদেরকে তাতে ঝাঁপ দিতে নির্দেশ দিল। একদল লোক তাতে ঝাঁপ দিতে প্রস্ততি নিলো এবং অপর একদল বলল, আমরা (ইসলাম গ্রহনের মাধ্যমে তো) আগুন থেকেই পালিয়ে এসেছি। (সুতরাং আগুনে ঝাঁপ দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না) যথাসময়ে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর দরবারে সে ব্যাপারটি উত্থাপিত হল। তখন তিনি যারা আগুনে ঝাঁপ দিতে প্রস্তুত হয়েছিল তাদের কে লক্ষ্য করে বললেন, যদি তোমরা তাতে প্রবেশ করতে তবে কিয়ামত পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করতে। পক্ষান্তরে অপরদলকে লক্ষ্য করে তিনি ভাল কথা বললেন। তিনি আরো বললেন, আল্লাহর অবাধ্যতা হয় এমন কাজে অনুগত্য নেই। আনুগত্য কেবলই ভাল কাজে। (ই. ফা. ৪৬১৩, ই. সে. ৪৬১৫)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن زبيد، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، أنعليه وسلم بعث جيشا وأمر عليهم رجلا فأوقد نارا وقال ادخلوها ‏.‏ فأراد ناس أن يدخلوها وقال الآخرون إنا قد فررنا منها ‏.‏ فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال للذين أرادوا أن يدخلوها ‏"‏ لو دخلتموها لم تزالوا فيها إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وقال للآخرين قولا حسنا وقال ‏"‏ لا طاعة في معصية الله إنما الطاعة في المعروف ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬০

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، وأبو سعيد الأشج - وتقاربوا في اللفظ - قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية واستعمل عليهم رجلا من الأنصار وأمرهم أن يسمعوا له ويطيعوا فأغضبوه في شىء فقال اجمعوا لي حطبا ‏.‏ فجمعوا له ثم قال أوقدوا نارا ‏.‏ فأوقدوا ثم قال ألم يأمركم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تسمعوا لي وتطيعوا قالوا بلى ‏.‏ قال فادخلوها ‏.‏ قال فنظر بعضهم إلى بعض فقالوا إنما فررنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من النار ‏.‏ فكانوا كذلك وسكن غضبه وطفئت النار فلما رجعوا ذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لو دخلوها ما خرجوا منها إنما الطاعة في المعروف ‏"‏ ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন এক অভিযানে একটি বাহিনী প্রেরণ করলেন এবং জনৈক আনসারীকে তাদের ‘আমীর নিযুক্ত করে দিলেন। তাদেরকে তার কথা শুনতে ও আনুগত্য করতে আদেশ করলেন। তারপর কোন বিষয়ে তারা তাকে রাগান্বিত করে তুলল। সে তখন বলল, আমার জন্য কাঠ কুড়িয়ে এনে একত্রিত করো। তারা তা করলো। এরপর সে বলল, আগুন প্রজ্বলিত করো। তখন তারা আগুন প্রজ্বলিত করল। তারপর সে বলল, রসূলুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তোমাদেরকে আমার কথা শুনার এবং আমার কথা আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? তারা বলল, জী-হ্যা। তখন সে বলল, তাহলে তোমরা এবার এই আগুনে ঝাঁপ দাও। তখন তারা পরস্পর পরস্পরের দিকে তাকাতে শুরু করলো। তারপর তারা জবাব দিল-আমরা তো এ আগুন থেকে বাঁচার জন্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর শরণাপন্ন হয়েছি। তারা আগুনে ঝাঁপ দিলেন না। তার ক্রোধ প্রশমিত হল এবং আগুন নিভিয়ে দেওয়া হল। তারপর যখন তারা ফিরে এলো এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উত্থাপন করলো তখন তিনি বললেন, যদি তারা তখন আগুনে ঝাঁপ দিতো, তাহলে আর বেরোতে পারতো না। আনুগত্য কেবল সৎ কাজে। (ই. ফা. ৪৬১৪, ই. সে. ৪৬১৬)

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন এক অভিযানে একটি বাহিনী প্রেরণ করলেন এবং জনৈক আনসারীকে তাদের ‘আমীর নিযুক্ত করে দিলেন। তাদেরকে তার কথা শুনতে ও আনুগত্য করতে আদেশ করলেন। তারপর কোন বিষয়ে তারা তাকে রাগান্বিত করে তুলল। সে তখন বলল, আমার জন্য কাঠ কুড়িয়ে এনে একত্রিত করো। তারা তা করলো। এরপর সে বলল, আগুন প্রজ্বলিত করো। তখন তারা আগুন প্রজ্বলিত করল। তারপর সে বলল, রসূলুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তোমাদেরকে আমার কথা শুনার এবং আমার কথা আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? তারা বলল, জী-হ্যা। তখন সে বলল, তাহলে তোমরা এবার এই আগুনে ঝাঁপ দাও। তখন তারা পরস্পর পরস্পরের দিকে তাকাতে শুরু করলো। তারপর তারা জবাব দিল-আমরা তো এ আগুন থেকে বাঁচার জন্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর শরণাপন্ন হয়েছি। তারা আগুনে ঝাঁপ দিলেন না। তার ক্রোধ প্রশমিত হল এবং আগুন নিভিয়ে দেওয়া হল। তারপর যখন তারা ফিরে এলো এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বিষয়টি উত্থাপন করলো তখন তিনি বললেন, যদি তারা তখন আগুনে ঝাঁপ দিতো, তাহলে আর বেরোতে পারতো না। আনুগত্য কেবল সৎ কাজে। (ই. ফা. ৪৬১৪, ই. সে. ৪৬১৬)

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، وأبو سعيد الأشج - وتقاربوا في اللفظ - قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، عن علي، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية واستعمل عليهم رجلا من الأنصار وأمرهم أن يسمعوا له ويطيعوا فأغضبوه في شىء فقال اجمعوا لي حطبا ‏.‏ فجمعوا له ثم قال أوقدوا نارا ‏.‏ فأوقدوا ثم قال ألم يأمركم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تسمعوا لي وتطيعوا قالوا بلى ‏.‏ قال فادخلوها ‏.‏ قال فنظر بعضهم إلى بعض فقالوا إنما فررنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من النار ‏.‏ فكانوا كذلك وسكن غضبه وطفئت النار فلما رجعوا ذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لو دخلوها ما خرجوا منها إنما الطاعة في المعروف ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن يحيى بن سعيد، وعبيد الله بن عمر عن عبادة بن الوليد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في العسر واليسر والمنشط والمكره وعلى أثرة علينا وعلى أن لا ننازع الأمر أهله وعلى أن نقول بالحق أينما كنا لا نخاف في الله لومة لائم ‏.‏

‘উবাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাতে বাই’আত হলাম এ মর্মে যে, আমরা শুনবো ও মানবো, সংকটের সময় ও স্বাচ্ছন্দ্যের সময়, খুশির অবস্থায় ও অপছন্দের অবস্থায় এবং আমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দিলেও। আর এ মর্মে যে, আমরা যোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্ব বরণ করে নিতে কোনরূপ কোন্দল করবো না। আর এ মর্মে যে, আমরা যেখানেই থাকবো হক কথা বলব। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভর্ৎসনাকারীর ভর্ৎসনাকে ভয় করবো না। (ই.ফা. ৪৬১৬, ই. সে. ৪৬১৭)

‘উবাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) –এর হাতে বাই’আত হলাম এ মর্মে যে, আমরা শুনবো ও মানবো, সংকটের সময় ও স্বাচ্ছন্দ্যের সময়, খুশির অবস্থায় ও অপছন্দের অবস্থায় এবং আমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দিলেও। আর এ মর্মে যে, আমরা যোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্ব বরণ করে নিতে কোনরূপ কোন্দল করবো না। আর এ মর্মে যে, আমরা যেখানেই থাকবো হক কথা বলব। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভর্ৎসনাকারীর ভর্ৎসনাকে ভয় করবো না। (ই.ফা. ৪৬১৬, ই. সে. ৪৬১৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن يحيى بن سعيد، وعبيد الله بن عمر عن عبادة بن الوليد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في العسر واليسر والمنشط والمكره وعلى أثرة علينا وعلى أن لا ننازع الأمر أهله وعلى أن نقول بالحق أينما كنا لا نخاف في الله لومة لائم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৪

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن يزيد، - وهو ابن الهاد - عن عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن أبيه، حدثني أبي قال، بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابن إدريس ‏.‏

‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত হই। এরপর ইবনু ইদ্রিস –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬১৮, ই. সে. ৪৬১৯)

‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাতে বাই’আত হই। এরপর ইবনু ইদ্রিস –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৬১৮, ই. সে. ৪৬১৯)

وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن يزيد، - وهو ابن الهاد - عن عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن أبيه، حدثني أبي قال، بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابن إدريس ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৫

حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن وهب بن مسلم، حدثنا عمي عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، حدثني بكير، عن بسر بن سعيد، عن جنادة بن أبي أمية، قال دخلنا على عبادة بن الصامت وهو مريض فقلنا حدثنا أصلحك الله، بحديث ينفع الله به سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال دعانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعناه فكان فيما أخذ علينا أن بايعنا على السمع والطاعة في منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا وأثرة علينا وأن لا ننازع الأمر أهله قال ‏ "‏ إلا أن تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان ‏"‏ ‏.‏

যুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর খিদমাতে গেলাম। তখন তিনি রোগগ্রস্ত। আমরা আরয করলাম, আল্লাহ্‌ আপনাকে আরোগ্য করুন। আমাদেরকে এমন কোন হাদীস বলুন-যা দ্বারা আল্লাহ্‌ আমাদেরকে উপকৃত করবেন, যা আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে ডাকলেন এবং আমরা বাই’আত হলাম। তিনি তখন আমাদেরকে যে শপথ গ্রহন করান তার মধ্যে ছিল- আমরা শুনবো ও মেনে চলব, আমাদের খুশি অবস্থায় ও বিরক্ত অবস্থায় ,আমাদের সংকটে ও স্বাচ্ছন্দ্যে এবং আমাদের উপর অন্যকে প্রাধান্য দিলেও সুযোগ্য ব্যক্তির সাথে আমরা নেতৃত্ব নিয়ে কোন্দল করবো না। তিনি বলেন- যাবৎ না তোমরা তার মধ্যে প্রকাশ্য কুফর দেখতে পাবে এবং তোমাদের কাছে এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আল্লাহর সুস্পষ্ট প্রমান থাকবে। (ই. ফা. ৪৬১৯,এ ই. সে. ৪৬২০)

যুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমরা ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) –এর খিদমাতে গেলাম। তখন তিনি রোগগ্রস্ত। আমরা আরয করলাম, আল্লাহ্‌ আপনাকে আরোগ্য করুন। আমাদেরকে এমন কোন হাদীস বলুন-যা দ্বারা আল্লাহ্‌ আমাদেরকে উপকৃত করবেন, যা আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে ডাকলেন এবং আমরা বাই’আত হলাম। তিনি তখন আমাদেরকে যে শপথ গ্রহন করান তার মধ্যে ছিল- আমরা শুনবো ও মেনে চলব, আমাদের খুশি অবস্থায় ও বিরক্ত অবস্থায় ,আমাদের সংকটে ও স্বাচ্ছন্দ্যে এবং আমাদের উপর অন্যকে প্রাধান্য দিলেও সুযোগ্য ব্যক্তির সাথে আমরা নেতৃত্ব নিয়ে কোন্দল করবো না। তিনি বলেন- যাবৎ না তোমরা তার মধ্যে প্রকাশ্য কুফর দেখতে পাবে এবং তোমাদের কাছে এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আল্লাহর সুস্পষ্ট প্রমান থাকবে। (ই. ফা. ৪৬১৯,এ ই. সে. ৪৬২০)

حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن وهب بن مسلم، حدثنا عمي عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، حدثني بكير، عن بسر بن سعيد، عن جنادة بن أبي أمية، قال دخلنا على عبادة بن الصامت وهو مريض فقلنا حدثنا أصلحك الله، بحديث ينفع الله به سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال دعانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعناه فكان فيما أخذ علينا أن بايعنا على السمع والطاعة في منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا وأثرة علينا وأن لا ننازع الأمر أهله قال ‏ "‏ إلا أن تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪১

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من أطاعني فقد أطاع الله ومن يعصني فقد عصى الله ومن يطع الأمير فقد أطاعني ومن يعص الأمير فقد عصاني ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করলো, সে আল্লাহর আনুগত্য করলো আর যে আমার অবাধ্যতা করলো সে আল্লাহর অবাধ্যতা করলো। যে ব্যক্তি আমীরের আনুগত্য করলো সে আমারই আনুগত্য করলো আর যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো। (ই.ফা. ৪৫৯৫, ই.সে. ৪৫৯৭)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করলো, সে আল্লাহর আনুগত্য করলো আর যে আমার অবাধ্যতা করলো সে আল্লাহর অবাধ্যতা করলো। যে ব্যক্তি আমীরের আনুগত্য করলো সে আমারই আনুগত্য করলো আর যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো। (ই.ফা. ৪৫৯৫, ই.সে. ৪৫৯৭)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا المغيرة بن عبد الرحمن الحزامي، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من أطاعني فقد أطاع الله ومن يعصني فقد عصى الله ومن يطع الأمير فقد أطاعني ومن يعص الأمير فقد عصاني ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৫

وحدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن يعلى بن عطاء، عن أبي علقمة، قال حدثني أبو هريرة، من فيه إلى في قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ح. وحدثني عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، بن جعفر قالا حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، سمع أبا علقمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديثهم ‏.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উপরোক্ত রাবীগণের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৯৯, ই.সে. ৪৬০১)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উপরোক্ত রাবীগণের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৯৯, ই.সে. ৪৬০১)

وحدثني أبو كامل الجحدري، حدثنا أبو عوانة، عن يعلى بن عطاء، عن أبي علقمة، قال حدثني أبو هريرة، من فيه إلى في قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ح. وحدثني عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، بن جعفر قالا حدثنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، سمع أبا علقمة، سمع أبا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديثهم ‏.


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৭

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن حيوة، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه قال سمعت أبا هريرة، يقول عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك وقال ‏ "‏ من أطاع الأمير ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل أميري وكذلك في حديث همام عن أبي هريرة ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এ হাদীসে ‘আমীরী’ শব্দের স্থলে “আমীর” শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে হাম্মাম (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬০১, ই.সে. ৪৬০৩)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তবে এ হাদীসে ‘আমীরী’ শব্দের স্থলে “আমীর” শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে হাম্মাম (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৪৬০১, ই.সে. ৪৬০৩)

وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، عن حيوة، أن أبا يونس، مولى أبي هريرة حدثه قال سمعت أبا هريرة، يقول عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك وقال ‏ "‏ من أطاع الأمير ‏"‏ ‏.‏ ولم يقل أميري وكذلك في حديث همام عن أبي هريرة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৬

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديثهم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৬০০, ই.সে. ৪৬০২)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৬০০, ই.সে. ৪৬০২)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪৩

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبره قال حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من أطاعني فقد أطاع الله ومن عصاني فقد عصى الله ومن أطاع أميري فقد أطاعني ومن عصى أميري فقد عصاني ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে আমার আনুগত্য করলো, সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই আনুগত্য করলো। আর যে আমার অবাধ্যতা করলো সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই অবাধ্যতা করলো। আর যে ব্যক্তি আমার নিযুক্ত ‘আমীরের আনুগত্য করলো সে আমারই আনুগত্য করলো, আর যে ব্যক্তি আমার নিযুক্ত ‘আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো। (ই.ফা. ৪৫৯৭, ই.সে. ৪৫৯৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে আমার আনুগত্য করলো, সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই আনুগত্য করলো। আর যে আমার অবাধ্যতা করলো সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহরই অবাধ্যতা করলো। আর যে ব্যক্তি আমার নিযুক্ত ‘আমীরের আনুগত্য করলো সে আমারই আনুগত্য করলো, আর যে ব্যক্তি আমার নিযুক্ত ‘আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো। (ই.ফা. ৪৫৯৭, ই.সে. ৪৫৯৯)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبره قال حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من أطاعني فقد أطاع الله ومن عصاني فقد عصى الله ومن أطاع أميري فقد أطاعني ومن عصى أميري فقد عصاني ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৪২

وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا ابن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد ولم يذكر " ومن يعص الأمير فقد عصاني

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি “যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো” অংশটুকু উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৫৯৬, ই.সে. ৪৫৯৮)

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি “যে ব্যক্তি আমীরের অবাধ্যতা করলো সে আমারই অবাধ্যতা করলো” অংশটুকু উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৫৯৬, ই.সে. ৪৫৯৮)

وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا ابن عيينة، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد ولم يذكر " ومن يعص الأمير فقد عصاني


সহিহ মুসলিম ৪৬৫০

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا النضر، بن شميل جميعا عن شعبة، عن أبي عمران، بهذا الإسناد وقالا في الحديث عبدا حبشيا مجدع الأطراف ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) ও ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে আছে “হাত-পা কাটা হাবশী গোলামও যদি ‘আমীর হয় (তবুও তার আনুগত্য করবে)।” (ই.ফা. ৪৬০৪, ই.সে. ৪৬০৬)

মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) ও ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে আছে “হাত-পা কাটা হাবশী গোলামও যদি ‘আমীর হয় (তবুও তার আনুগত্য করবে)।” (ই.ফা. ৪৬০৪, ই.সে. ৪৬০৬)

وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا إسحاق، أخبرنا النضر، بن شميل جميعا عن شعبة، عن أبي عمران، بهذا الإسناد وقالا في الحديث عبدا حبشيا مجدع الأطراف ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৩

وحدثناه ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال عبدا حبشيا ‏.‏

শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে ‘হাবশী গোলাম’ শব্দটি আছে। (ই.ফা. ৪৬০৭, ই.সে. ৪৬০৯)

শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে ‘হাবশী গোলাম’ শব্দটি আছে। (ই.ফা. ৪৬০৭, ই.সে. ৪৬০৯)

وحدثناه ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال عبدا حبشيا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৪

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال عبدا حبشيا مجدعا ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ থেকে বর্নিতঃ

আছে “হাত-পা কাটা হাবশী গোলাম”। (ই.ফা. ৪৬০৮, ই.সে. ৪৬১০)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ থেকে বর্নিতঃ

আছে “হাত-পা কাটা হাবশী গোলাম”। (ই.ফা. ৪৬০৮, ই.সে. ৪৬১০)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال عبدا حبشيا مجدعا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ على المرء المسلم السمع والطاعة فيما أحب وكره إلا أن يؤمر بمعصية فإن أمر بمعصية فلا سمع ولا طاعة ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মুসলিম ব্যক্তির অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হচ্ছে শোনা ও মানা তার প্রতিটি প্রিয় ও অপ্রিয় ব্যাপারে যতক্ষণ না তাকে আল্লাহর অবাধ্যতার আদেশ করা হয়। যদি আল্লাহর অবাধ্যতার নির্দেশ তাকে দেওয়া হয় তাহলে তা শুনবেও না এবং মানবেও না। (ই. ফা. ৪৬১১, ই. সে. ৪৬১৩)

ইবনু ‘উমার (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, মুসলিম ব্যক্তির অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হচ্ছে শোনা ও মানা তার প্রতিটি প্রিয় ও অপ্রিয় ব্যাপারে যতক্ষণ না তাকে আল্লাহর অবাধ্যতার আদেশ করা হয়। যদি আল্লাহর অবাধ্যতার নির্দেশ তাকে দেওয়া হয় তাহলে তা শুনবেও না এবং মানবেও না। (ই. ফা. ৪৬১১, ই. সে. ৪৬১৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ على المرء المسلم السمع والطاعة فيما أحب وكره إلا أن يؤمر بمعصية فإن أمر بمعصية فلا سمع ولا طاعة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৫

وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يذكر حبشيا مجدعا وزاد أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى أو بعرفات ‏

‘আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে “হাত-পা কাটা হাবশী” শব্দদ্বয়ের উল্লেখ নেই। তাতে বর্ধিত এতটুকু আছে- তিনি (বর্ণনাকারিণী ইয়াহ্ইয়া ইবনু হুসায়নের দাদী) মিনায় অথবা ‘আরাফাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৪৬০৯, ই.সে. ৪৬১১)

‘আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিওয়ায়াতে “হাত-পা কাটা হাবশী” শব্দদ্বয়ের উল্লেখ নেই। তাতে বর্ধিত এতটুকু আছে- তিনি (বর্ণনাকারিণী ইয়াহ্ইয়া ইবনু হুসায়নের দাদী) মিনায় অথবা ‘আরাফাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৪৬০৯, ই.সে. ৪৬১১)

وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، حدثنا بهز، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد ولم يذكر حبشيا مجدعا وزاد أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى أو بعرفات ‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৫৮

وحدثناه زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، وهو القطان ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي كلاهما، عن عبيد الله، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

যুহায়র ইবনু হারব, এবং মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১২, ই. সে. ৪৬১৪)

যুহায়র ইবনু হারব, এবং মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১২, ই. সে. ৪৬১৪)

وحدثناه زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، وهو القطان ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي كلاهما، عن عبيد الله، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬১

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৫, ই. সে. ৪৬১৬)

আ’মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৫, ই. সে. ৪৬১৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، وأبو معاوية عن الأعمش، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬৬৩

وحدثناه ابن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - حدثنا ابن عجلان، وعبيد الله بن عمر ويحيى بن سعيد عن عبادة بن الوليد، في هذا الإسناد مثله ‏.‏

‘উবাদাহ ইবনু ওয়ালীদ থেকে বর্নিতঃ

‘উবাদাহ ইবনু ওয়ালীদের হাদীসের বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৭, ই. সে. ৪৬১৮)

‘উবাদাহ ইবনু ওয়ালীদ থেকে বর্নিতঃ

‘উবাদাহ ইবনু ওয়ালীদের হাদীসের বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৬১৭, ই. সে. ৪৬১৮)

وحدثناه ابن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن إدريس - حدثنا ابن عجلان، وعبيد الله بن عمر ويحيى بن سعيد عن عبادة بن الوليد، في هذا الإسناد مثله ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00