সহিহ মুসলিম > জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত

সহিহ মুসলিম ৪৪৯৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا المغيرة، - يعنيان الحزامي ح وحدثنا زهير بن حرب، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، كلاهما عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث زهير يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وقال عمرو رواية ‏ "‏ الناس تبع لقريش في هذا الشأن مسلمهم لمسلمهم وكافرهم لكافرهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “জনগণ প্রশাসনিক ব্যাপারে কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা তাঁদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাঁদের কাফিরদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫০, ই.সে. ৪৫৫৩)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ “জনগণ প্রশাসনিক ব্যাপারে কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা তাঁদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাঁদের কাফিরদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫০, ই.সে. ৪৫৫৩)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا المغيرة، - يعنيان الحزامي ح وحدثنا زهير بن حرب، وعمرو الناقد، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، كلاهما عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي حديث زهير يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وقال عمرو رواية ‏ "‏ الناس تبع لقريش في هذا الشأن مسلمهم لمسلمهم وكافرهم لكافرهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০০

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن جابر بن سمرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يزال أمر الناس ماضيا ما وليهم اثنا عشر رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم تكلم النبي صلى الله عليه وسلم بكلمة خفيت على فسألت أبي ماذا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, মুসলিম শাসন থাকবে যতক্ষণ না তাদের মধ্যে বারজন শাসক শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। জাবির (রহঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু কথা বললেন, যা আমি শুনতে পাইনি। তাই আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন, তিনি বলেছেনঃ সবাই কুরায়শ বংশ থেকে হবে। (ই.ফা. ৪৫৫৫, ই.সে. ৪৫৫৮)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, মুসলিম শাসন থাকবে যতক্ষণ না তাদের মধ্যে বারজন শাসক শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। জাবির (রহঃ) বলেন, এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু কথা বললেন, যা আমি শুনতে পাইনি। তাই আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন, তিনি বলেছেনঃ সবাই কুরায়শ বংশ থেকে হবে। (ই.ফা. ৪৫৫৫, ই.সে. ৪৫৫৮)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن جابر بن سمرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يزال أمر الناس ماضيا ما وليهم اثنا عشر رجلا ‏"‏ ‏.‏ ثم تكلم النبي صلى الله عليه وسلم بكلمة خفيت على فسألت أبي ماذا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯৬

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الناس تبع لقريش في هذا الشأن مسلمهم تبع لمسلمهم وكافرهم تبع لكافرهم ‏"‏ ‏.‏

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) যে সকল হাদীস রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন তন্মধ্যে একটি হল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজন এ ব্যাপারে কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা মুসলিমদের অনুসারী এবং কাফেররা কাফেরদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫১, ই.সে. ৪৫৫৪)

হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা্‌ (রাঃ) যে সকল হাদীস রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন তন্মধ্যে একটি হল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজন এ ব্যাপারে কুরায়শদের অনুসারী। মুসলিমরা মুসলিমদের অনুসারী এবং কাফেররা কাফেরদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫১, ই.সে. ৪৫৫৪)

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الناس تبع لقريش في هذا الشأن مسلمهم تبع لمسلمهم وكافرهم تبع لكافرهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৯৮

وحدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا عاصم بن محمد بن زيد، عن أبيه، قال قال عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي من الناس اثنان ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এ কৃতিত্ব সর্বদা কুরায়শদের মধ্যেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়ায় দু’টি লোকও বেঁচে থাকবে। (ই.ফা. ৪৫৫৩, ই.সে. ৪৫৫৬)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এ কৃতিত্ব সর্বদা কুরায়শদের মধ্যেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়ায় দু’টি লোকও বেঁচে থাকবে। (ই.ফা. ৪৫৫৩, ই.সে. ৪৫৫৬)

وحدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا عاصم بن محمد بن زيد، عن أبيه، قال قال عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يزال هذا الأمر في قريش ما بقي من الناس اثنان ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৯৯

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن حصين، عن جابر بن سمرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، - واللفظ له - حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله الطحان - عن حصين، عن جابر بن سمرة، قال دخلت مع أبي على النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته يقول ‏"‏ إن هذا الأمر لا ينقضي حتى يمضي فيهم اثنا عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم تكلم بكلام خفي على - قال - فقلت لأبي ما قال قال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। তখন আমরা তাঁকে বলতে শুনলাম, শাসন কর্তৃত্ব ধারাবাহিক চলতে থাকবে যতক্ষণ না উম্মাতের মধ্যে বারজন খলীফা অতিবাহিত হবেন। তারপর তিনি অস্ফুট আওয়াজে কিছু বললেন, যা আমি শুনতে পেলাম না। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশ থেকে। (ই.ফা. ৪৫৫৪, ই.সে. ৪৫৫৭)

সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। তখন আমরা তাঁকে বলতে শুনলাম, শাসন কর্তৃত্ব ধারাবাহিক চলতে থাকবে যতক্ষণ না উম্মাতের মধ্যে বারজন খলীফা অতিবাহিত হবেন। তারপর তিনি অস্ফুট আওয়াজে কিছু বললেন, যা আমি শুনতে পেলাম না। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশ থেকে। (ই.ফা. ৪৫৫৪, ই.সে. ৪৫৫৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن حصين، عن جابر بن سمرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ح وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، - واللفظ له - حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الله الطحان - عن حصين، عن جابر بن سمرة، قال دخلت مع أبي على النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته يقول ‏"‏ إن هذا الأمر لا ينقضي حتى يمضي فيهم اثنا عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم تكلم بكلام خفي على - قال - فقلت لأبي ما قال قال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৯৭

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، حدثني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الناس تبع لقريش في الخير والشر ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজন ভাল-মন্দ উভয় ব্যাপারেই কুরায়শদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫২, ই.সে. ৪৫৫৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ লোকজন ভাল-মন্দ উভয় ব্যাপারেই কুরায়শদের অনুসারী। (ই.ফা. ৪৫৫২, ই.সে. ৪৫৫৫)

وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، حدثني أبو الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الناس تبع لقريش في الخير والشر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০১

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن سماك بن جابر بن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ولم يذكر ‏ "‏ لا يزال أمر الناس ماضيا ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি তাতে “লোকদের মধ্যে শাসন ক্ষমতা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকবে” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৫৫৬, ই.সে. ৪৫৫৯)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি তাতে “লোকদের মধ্যে শাসন ক্ষমতা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকবে” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৫৫৬, ই.সে. ৪৫৫৯)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن سماك بن جابر بن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ولم يذكر ‏ "‏ لا يزال أمر الناس ماضيا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০২

حدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن سماك بن حرب، قال سمعت جابر بن سمرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يزال الإسلام عزيزا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ ثم قال كلمة لم أفهمها فقلت لأبي ما قال فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, বারজন খলীফা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলাম প্রবল শক্তিধর অবস্থায় চলতে থাকবে। তারপর তিনি যে কী বললেন, আমি তা বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বলেছেন? তিনি বললেন, বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশ থেকে। (ই.ফা. ৪৫৫৭, ই.সে. ৪৫৬০)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, বারজন খলীফা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ইসলাম প্রবল শক্তিধর অবস্থায় চলতে থাকবে। তারপর তিনি যে কী বললেন, আমি তা বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বলেছেন? তিনি বললেন, বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশ থেকে। (ই.ফা. ৪৫৫৭, ই.সে. ৪৫৬০)

حدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن سماك بن حرب، قال سمعت جابر بن سمرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا يزال الإسلام عزيزا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ ثم قال كلمة لم أفهمها فقلت لأبي ما قال فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن داود، عن الشعبي، عن جابر، بن سمرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يزال هذا الأمر عزيزا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم تكلم بشىء لم أفهمه فقلت لأبي ما قال فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, শাসন কর্তৃত্ব অতি শক্তিশালী থাকবে বারজন খলীফা পর্যন্ত। রাবী বলেন, তারপর তিনি কিছু বললেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। তাই আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশের। [৪১] (ই.ফা. ৪৫৫৮, ই.সে. ৪৫৬১)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, শাসন কর্তৃত্ব অতি শক্তিশালী থাকবে বারজন খলীফা পর্যন্ত। রাবী বলেন, তারপর তিনি কিছু বললেন, যা আমি বুঝতে পারিনি। তাই আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কী বললেন? তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশের। [৪১] (ই.ফা. ৪৫৫৮, ই.সে. ৪৫৬১)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن داود، عن الشعبي، عن جابر، بن سمرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا يزال هذا الأمر عزيزا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم تكلم بشىء لم أفهمه فقلت لأبي ما قال فقال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৪

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا ابن عون، ح وحدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، - واللفظ له - حدثنا أزهر، حدثنا ابن عون، عن الشعبي، عن جابر بن سمرة، قال انطلقت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعي أبي فسمعته يقول ‏"‏ لا يزال هذا الدين عزيزا منيعا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ فقال كلمة صمنيها الناس فقلت لأبي ما قال قال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। আমার সাথে আমার পিতাও ছিলেন। আমি তখন তাঁকে বলতে শুনলাম, এ ধর্ম শক্তিমত্তাসম্পন্ন, সংরক্ষিত থাকবে বারজন খলীফা অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত। তারপর তিনি কোন্‌ কথা বললেন, লোকজনের কথাবার্তার দরুন আমি তা বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, তিনি কী বললেন? তিনি বললেন, বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশের লোক। (ই.ফা. ৪৫৫৯, ই.সে. ৪৫৬২)

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। আমার সাথে আমার পিতাও ছিলেন। আমি তখন তাঁকে বলতে শুনলাম, এ ধর্ম শক্তিমত্তাসম্পন্ন, সংরক্ষিত থাকবে বারজন খলীফা অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত। তারপর তিনি কোন্‌ কথা বললেন, লোকজনের কথাবার্তার দরুন আমি তা বুঝতে পারিনি। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, তিনি কী বললেন? তিনি বললেন, বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরায়শ বংশের লোক। (ই.ফা. ৪৫৫৯, ই.সে. ৪৫৬২)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا ابن عون، ح وحدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، - واللفظ له - حدثنا أزهر، حدثنا ابن عون، عن الشعبي، عن جابر بن سمرة، قال انطلقت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعي أبي فسمعته يقول ‏"‏ لا يزال هذا الدين عزيزا منيعا إلى اثنى عشر خليفة ‏"‏ ‏.‏ فقال كلمة صمنيها الناس فقلت لأبي ما قال قال ‏"‏ كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن المهاجر بن مسمار، عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، قال كتبت إلى جابر بن سمرة مع غلامي نافع أن أخبرني بشىء، سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فكتب إلى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم جمعة عشية رجم الأسلمي يقول ‏"‏ لا يزال الدين قائما حتى تقوم الساعة أو يكون عليكم اثنا عشر خليفة كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ عصيبة من المسلمين يفتتحون البيت الأبيض بيت كسرى أو آل كسرى ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ إن بين يدى الساعة كذابين فاحذروهم ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ إذا أعطى الله أحدكم خيرا فليبدأ بنفسه وأهل بيته ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ أنا الفرط على الحوض ‏"‏ ‏.‏

‘আমের ইবনু সা’আদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট আমার গোলাম নাফি’র মাধ্যমে চিঠি প্রেরণ করলাম যে, আপনি আমাকে এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত করুন যা আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন। রাবী বলেন, তিনি আমাকে লিখলেনঃ জুমু’আর দিন সন্ধ্যায় যে দিন (মায়েজ) আসলামীকে রজম (ব্যাভিচারজনিত অপরাধের শাস্তি হিসেবে পাথর মেরে হত্যা) করা হয়, সেদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এ দ্বীন অব্যাহতভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে যতক্ষণ কিয়ামাত কায়িম হয় অথবা তোমরা বারজন খলীফা কর্তৃক শাসিত হও, এঁদের সকলেই হবে কুরায়শ থেকে। আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, মুসলিমদের একটি ছোট্ট দল জয় করবে শ্বেতভবন যা কিসরা কিংবা কিসরা বংশীয় রাজমহল। আমি আরও বলতে শুনেছি, “কিয়ামাতের প্রাক্কালে অনেক মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব হবে, তোমরা তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।” আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, “তোমাদের কাউকে যখন আল্লাহ কল্যাণ (সম্পদ) দান করেন তখন সে নিজের এবং তার পরিবারস্থ লোকজন দ্বারা ব্যয় শুরু করবে।” আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, “হাওযে (কাউসারে) আমি তোমাদের অগ্রগামী হবো।” (ই.ফা. ৪৫৬০, ই.সে. ৪৫৬৩)

‘আমের ইবনু সা’আদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট আমার গোলাম নাফি’র মাধ্যমে চিঠি প্রেরণ করলাম যে, আপনি আমাকে এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত করুন যা আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন। রাবী বলেন, তিনি আমাকে লিখলেনঃ জুমু’আর দিন সন্ধ্যায় যে দিন (মায়েজ) আসলামীকে রজম (ব্যাভিচারজনিত অপরাধের শাস্তি হিসেবে পাথর মেরে হত্যা) করা হয়, সেদিন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, এ দ্বীন অব্যাহতভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে যতক্ষণ কিয়ামাত কায়িম হয় অথবা তোমরা বারজন খলীফা কর্তৃক শাসিত হও, এঁদের সকলেই হবে কুরায়শ থেকে। আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, মুসলিমদের একটি ছোট্ট দল জয় করবে শ্বেতভবন যা কিসরা কিংবা কিসরা বংশীয় রাজমহল। আমি আরও বলতে শুনেছি, “কিয়ামাতের প্রাক্কালে অনেক মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব হবে, তোমরা তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।” আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, “তোমাদের কাউকে যখন আল্লাহ কল্যাণ (সম্পদ) দান করেন তখন সে নিজের এবং তার পরিবারস্থ লোকজন দ্বারা ব্যয় শুরু করবে।” আমি তাঁকে আরও বলতে শুনেছি, “হাওযে (কাউসারে) আমি তোমাদের অগ্রগামী হবো।” (ই.ফা. ৪৫৬০, ই.সে. ৪৫৬৩)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن المهاجر بن مسمار، عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، قال كتبت إلى جابر بن سمرة مع غلامي نافع أن أخبرني بشىء، سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فكتب إلى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم جمعة عشية رجم الأسلمي يقول ‏"‏ لا يزال الدين قائما حتى تقوم الساعة أو يكون عليكم اثنا عشر خليفة كلهم من قريش ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ عصيبة من المسلمين يفتتحون البيت الأبيض بيت كسرى أو آل كسرى ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ إن بين يدى الساعة كذابين فاحذروهم ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ إذا أعطى الله أحدكم خيرا فليبدأ بنفسه وأهل بيته ‏"‏ ‏.‏ وسمعته يقول ‏"‏ أنا الفرط على الحوض ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৬

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، حدثنا ابن أبي ذئب، عن مهاجر، بن مسمار عن عامر بن سعد، أنه أرسل إلى ابن سمرة العدوي حدثنا ما، سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ فذكر نحو حديث حاتم ‏.‏

‘আমীর ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু সামুরাহ্‌ ‘আদাবীর কাছে চিঠি প্রেরণ করেন যে, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা জেনেছেন তা বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি... পরবর্তী অংশ হাতিমের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৬১, ই.সে. ৪৫৬৮)

‘আমীর ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু সামুরাহ্‌ ‘আদাবীর কাছে চিঠি প্রেরণ করেন যে, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা জেনেছেন তা বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি... পরবর্তী অংশ হাতিমের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৬১, ই.সে. ৪৫৬৮)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، حدثنا ابن أبي ذئب، عن مهاجر، بن مسمار عن عامر بن سعد، أنه أرسل إلى ابن سمرة العدوي حدثنا ما، سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏.‏ فذكر نحو حديث حاتم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > খলীফা মনোনয়ন করা এবং বর্জন করা

সহিহ মুসলিম ৪৬০৮

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، وألفاظهم، متقاربة قال إسحاق وعبد أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الرزاق، - أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سالم، عن ابن عمر، قال دخلت على حفصة فقالت أعلمت أن أباك غير مستخلف قال قلت ما كان ليفعل ‏.‏ قالت إنه فاعل ‏.‏ قال فحلفت أني أكلمه في ذلك فسكت حتى غدوت ولم أكلمه - قال - فكنت كأنما أحمل بيميني جبلا حتى رجعت فدخلت عليه فسألني عن حال الناس وأنا أخبره - قال - ثم قلت له إني سمعت الناس يقولون مقالة فآليت أن أقولها لك زعموا أنك غير مستخلف وإنه لو كان لك راعي إبل أو راعي غنم ثم جاءك وتركها رأيت أن قد ضيع فرعاية الناس أشد قال فوافقه قولي فوضع رأسه ساعة ثم رفعه إلى فقال إن الله عز وجل يحفظ دينه وإني لئن لا أستخلف فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يستخلف وإن أستخلف فإن أبا بكر قد استخلف ‏.‏ قال فوالله ما هو إلا أن ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر فعلمت أنه لم يكن ليعدل برسول الله صلى الله عليه وسلم أحدا وأنه غير مستخلف ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাফসাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান যে, তোমার পিতা কাউকে খলীফা মনোনীত করছেন না? আমি বললাম, তিনি এমনটি করবেন না। তিনি বললেন, তিনি তা-ই করবেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তখন আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে, আমি অবশ্যই এ ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে আলাপ করবো। এরপর আমি নীরব থাকলাম। পরের দিন ভোর পর্যন্ত আমি তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করিনি। রাবী বলেন, আমার মনে হলো যে, আমি আমার শপথের পাহাড় বহন করছি। অবশেষে আমি ফিরে এলাম এবং তাঁর [‘উমার (রাঃ)-এর] কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি আামার কাছে লোকদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে তা জানালাম। তারপর আমি তাঁকে বললাম, আমি লোকজনকে একটি কথা বলাবলি করতে শুনে আমি তা আপনাকে বলবো বলে শপথ করেছি। লোকেরা বলছে যে, আপনি কাউকে খলীফা মনোনীত করবেন না। অথচ আপনার যদি কোন উটের রাখাল বা ছাগলের রাখাল থাকে আর সে তার পাল পরিত্যাগ করে আপনার কাছে চলে আসে, তা হলে আপনি নিশ্চয়ই মনে করবেন যে, সে পশুপালের সর্বনাশ করেছে। মানুষের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারটি তার চাইতেও গুরুতর। আমার কথা তাঁর অন্তরে রেখাপাত করলো এবং তিনি কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, অবশ্যই মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত আল্লাহ তাঁর দ্বীনের হিফাযাত করবেন। আমি যদি কাউকে খলীফা মনোনীত করি তবে আবূ বকর (রাঃ) খলীফা মনোনীত করে গেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! তিনি যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ)-এর কথা উল্লেখ করলেন, তখনই আমি বুঝে ফেলি যে, তিনি আর কাউকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সমকক্ষ করবেন না এবং তিনি কাউকে খলীফাও মনোনীত করে যাবেন না। (ই.ফা. ৪৫৬৩, ই.সে. ৪৫৬৬)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি হাফসাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান যে, তোমার পিতা কাউকে খলীফা মনোনীত করছেন না? আমি বললাম, তিনি এমনটি করবেন না। তিনি বললেন, তিনি তা-ই করবেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, তখন আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে, আমি অবশ্যই এ ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে আলাপ করবো। এরপর আমি নীরব থাকলাম। পরের দিন ভোর পর্যন্ত আমি তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করিনি। রাবী বলেন, আমার মনে হলো যে, আমি আমার শপথের পাহাড় বহন করছি। অবশেষে আমি ফিরে এলাম এবং তাঁর [‘উমার (রাঃ)-এর] কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি আামার কাছে লোকদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে তা জানালাম। তারপর আমি তাঁকে বললাম, আমি লোকজনকে একটি কথা বলাবলি করতে শুনে আমি তা আপনাকে বলবো বলে শপথ করেছি। লোকেরা বলছে যে, আপনি কাউকে খলীফা মনোনীত করবেন না। অথচ আপনার যদি কোন উটের রাখাল বা ছাগলের রাখাল থাকে আর সে তার পাল পরিত্যাগ করে আপনার কাছে চলে আসে, তা হলে আপনি নিশ্চয়ই মনে করবেন যে, সে পশুপালের সর্বনাশ করেছে। মানুষের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারটি তার চাইতেও গুরুতর। আমার কথা তাঁর অন্তরে রেখাপাত করলো এবং তিনি কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকলেন। তারপর মাথা উঠিয়ে আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, অবশ্যই মহিমান্বিত ও গৌরবান্বিত আল্লাহ তাঁর দ্বীনের হিফাযাত করবেন। আমি যদি কাউকে খলীফা মনোনীত করি তবে আবূ বকর (রাঃ) খলীফা মনোনীত করে গেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! তিনি যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ)-এর কথা উল্লেখ করলেন, তখনই আমি বুঝে ফেলি যে, তিনি আর কাউকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সমকক্ষ করবেন না এবং তিনি কাউকে খলীফাও মনোনীত করে যাবেন না। (ই.ফা. ৪৫৬৩, ই.সে. ৪৫৬৬)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وابن أبي عمر، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، وألفاظهم، متقاربة قال إسحاق وعبد أخبرنا وقال الآخران، حدثنا عبد الرزاق، - أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني سالم، عن ابن عمر، قال دخلت على حفصة فقالت أعلمت أن أباك غير مستخلف قال قلت ما كان ليفعل ‏.‏ قالت إنه فاعل ‏.‏ قال فحلفت أني أكلمه في ذلك فسكت حتى غدوت ولم أكلمه - قال - فكنت كأنما أحمل بيميني جبلا حتى رجعت فدخلت عليه فسألني عن حال الناس وأنا أخبره - قال - ثم قلت له إني سمعت الناس يقولون مقالة فآليت أن أقولها لك زعموا أنك غير مستخلف وإنه لو كان لك راعي إبل أو راعي غنم ثم جاءك وتركها رأيت أن قد ضيع فرعاية الناس أشد قال فوافقه قولي فوضع رأسه ساعة ثم رفعه إلى فقال إن الله عز وجل يحفظ دينه وإني لئن لا أستخلف فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يستخلف وإن أستخلف فإن أبا بكر قد استخلف ‏.‏ قال فوالله ما هو إلا أن ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر فعلمت أنه لم يكن ليعدل برسول الله صلى الله عليه وسلم أحدا وأنه غير مستخلف ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৭

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر، قال حضرت أبي حين أصيب فأثنوا عليه وقالوا جزاك الله خيرا ‏.‏ فقال راغب وراهب قالوا استخلف فقال أتحمل أمركم حيا وميتا لوددت أن حظي منها الكفاف لا على ولا لي فإن أستخلف فقد استخلف من هو خير مني - يعني أبا بكر - وإن أترككم فقد ترككم من هو خير مني رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال عبد الله فعرفت أنه حين ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم غير مستخلف ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা যখন আহত হলেন তখন আমি তাঁর কাছে গিয়ে উপস্থিত হই। লোকজন তাঁর প্রশংসা করল তারপর বলল, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন! তিনি তখন বললেন, আমি আশাবাদী ও শঙ্কিত। তখন লোকেরা বললো, আপনি কাউকে খলীফা মনোনীত করে যান। তখন তিনি বললেন, আমি কি জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায়ই তোমাদের বোঝা বহন করব? আমার আকাঙ্খা খিলাফাতের ব্যাপারে আমার ভাগ্যে শুধু নিষ্কৃতি লাভ হোক। আমার উপর কোন অভিযোগও অর্পিত না হোক, আর আমি লাভবানও না হই। আমি যদি কাউকে খলীফা মনোনীত করি (তবে তার দৃষ্টান্ত) আমার চেয়ে যিনি উত্তম ছিলেন তিনি [অর্থাৎ- আবূ বকর (রাঃ)] খলীফা মনোনীত করে গেছেন, আর যদি আমি তোমাদের (খলীফা মনোনীত করা ছাড়াই) ছেড়ে যাই, তবে আমাদের উত্তম যিনি ছিলেন (অর্থাৎ- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার (নীতির) উপরেই তোমাদের রেখে গেছেন। রাবী ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) বলেন, তিনি যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কথা উল্লেখ করলেন তখনই আমি বুঝেছি যে, তিনি কাউকে খলীফা মনোনীত করবেন না। (ই.ফা. ৪৫৬২, ই.সে. ৪৫৬৫)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা যখন আহত হলেন তখন আমি তাঁর কাছে গিয়ে উপস্থিত হই। লোকজন তাঁর প্রশংসা করল তারপর বলল, আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন! তিনি তখন বললেন, আমি আশাবাদী ও শঙ্কিত। তখন লোকেরা বললো, আপনি কাউকে খলীফা মনোনীত করে যান। তখন তিনি বললেন, আমি কি জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায়ই তোমাদের বোঝা বহন করব? আমার আকাঙ্খা খিলাফাতের ব্যাপারে আমার ভাগ্যে শুধু নিষ্কৃতি লাভ হোক। আমার উপর কোন অভিযোগও অর্পিত না হোক, আর আমি লাভবানও না হই। আমি যদি কাউকে খলীফা মনোনীত করি (তবে তার দৃষ্টান্ত) আমার চেয়ে যিনি উত্তম ছিলেন তিনি [অর্থাৎ- আবূ বকর (রাঃ)] খলীফা মনোনীত করে গেছেন, আর যদি আমি তোমাদের (খলীফা মনোনীত করা ছাড়াই) ছেড়ে যাই, তবে আমাদের উত্তম যিনি ছিলেন (অর্থাৎ- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার (নীতির) উপরেই তোমাদের রেখে গেছেন। রাবী ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমার) বলেন, তিনি যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কথা উল্লেখ করলেন তখনই আমি বুঝেছি যে, তিনি কাউকে খলীফা মনোনীত করবেন না। (ই.ফা. ৪৫৬২, ই.সে. ৪৫৬৫)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر، قال حضرت أبي حين أصيب فأثنوا عليه وقالوا جزاك الله خيرا ‏.‏ فقال راغب وراهب قالوا استخلف فقال أتحمل أمركم حيا وميتا لوددت أن حظي منها الكفاف لا على ولا لي فإن أستخلف فقد استخلف من هو خير مني - يعني أبا بكر - وإن أترككم فقد ترككم من هو خير مني رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال عبد الله فعرفت أنه حين ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم غير مستخلف ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নেতৃত্ব, প্রার্থনা ও ক্ষমতার লোভ নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৬১১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، بن عبد الله عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم أنا ورجلان من بني عمي فقال أحد الرجلين يا رسول الله أمرنا على بعض ما ولاك الله عز وجل ‏.‏ وقال الآخر مثل ذلك فقال ‏ "‏ إنا والله لا نولي على هذا العمل أحدا سأله ولا أحدا حرص عليه ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) আমি এবং আমার দু’চাচাত ভাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। দু’জনের একজন বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে যে সমস্ত রাজ্যের কর্তৃত্ব প্রদান করেছেন তার কতক অংশে আমাদেরকে প্রশাসক নিযুক্ত করুন। অপরজনও অনুরূপ বলল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমরা এমন কাউকে নেতৃত্বে বসাই না, যে সেটির জন্য প্রার্থী হয় এবং যে তার জন্য লালায়িত হয়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৫২৬] (ই.ফা. ৪৫৬৬, ই.সে. ৪৫৬৯)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) আমি এবং আমার দু’চাচাত ভাই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। দু’জনের একজন বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে যে সমস্ত রাজ্যের কর্তৃত্ব প্রদান করেছেন তার কতক অংশে আমাদেরকে প্রশাসক নিযুক্ত করুন। অপরজনও অনুরূপ বলল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমরা এমন কাউকে নেতৃত্বে বসাই না, যে সেটির জন্য প্রার্থী হয় এবং যে তার জন্য লালায়িত হয়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৫২৬] (ই.ফা. ৪৫৬৬, ই.সে. ৪৫৬৯)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، قالا حدثنا أبو أسامة، عن بريد، بن عبد الله عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم أنا ورجلان من بني عمي فقال أحد الرجلين يا رسول الله أمرنا على بعض ما ولاك الله عز وجل ‏.‏ وقال الآخر مثل ذلك فقال ‏ "‏ إنا والله لا نولي على هذا العمل أحدا سأله ولا أحدا حرص عليه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬০৯

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير بن حازم، حدثنا الحسن، حدثنا عبد الرحمن، بن سمرة قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عبد الرحمن لا تسأل الإمارة فإنك إن أعطيتها عن مسألة أكلت إليها وإن أعطيتها عن غير مسألة أعنت عليها ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! তুমি শাসন ক্ষমতা চাইবে না। কারণ যদি চাওয়ার মাধ্যমে তা পাও, তবে তার দয়িত্ব তোমার উপর ন্যস্ত হবে। আর যদি তুমি চাওয়া ছাড়া তা পেয়ে যাও, তবে এ ব্যাপারে তুমি (আল্লাহর তরফ থেকে) সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪২৮১] (ই.ফা. ৪৫৬৪, ই.সে. ৪৫৬৭)

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে ‘আবদুর রহমান! তুমি শাসন ক্ষমতা চাইবে না। কারণ যদি চাওয়ার মাধ্যমে তা পাও, তবে তার দয়িত্ব তোমার উপর ন্যস্ত হবে। আর যদি তুমি চাওয়া ছাড়া তা পেয়ে যাও, তবে এ ব্যাপারে তুমি (আল্লাহর তরফ থেকে) সাহায্যপ্রাপ্ত হবে। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪২৮১] (ই.ফা. ৪৫৬৪, ই.সে. ৪৫৬৭)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير بن حازم، حدثنا الحسن، حدثنا عبد الرحمن، بن سمرة قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا عبد الرحمن لا تسأل الإمارة فإنك إن أعطيتها عن مسألة أكلت إليها وإن أعطيتها عن غير مسألة أعنت عليها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১২

حدثنا عبيد الله بن سعيد، ومحمد بن حاتم، - واللفظ لابن حاتم - قالا حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا قرة بن خالد، حدثنا حميد بن هلال، حدثني أبو بردة، قال قال أبو موسى أقبلت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ومعي رجلان من الأشعريين أحدهما عن يميني والآخر عن يساري فكلاهما سأل العمل والنبي صلى الله عليه وسلم يستاك فقال ‏"‏ ما تقول يا أبا موسى أو يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت والذي بعثك بالحق ما أطلعاني على ما في أنفسهما وما شعرت أنهما يطلبان العمل ‏.‏ قال وكأني أنظر إلى سواكه تحت شفته وقد قلصت فقال ‏"‏ لن أو لا نستعمل على عملنا من أراده ولكن اذهب أنت يا أبا موسى أو يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ فبعثه على اليمن ثم أتبعه معاذ بن جبل فلما قدم عليه قال انزل وألقى له وسادة وإذا رجل عنده موثق قال ما هذا قال هذا كان يهوديا فأسلم ثم راجع دينه دين السوء فتهود قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله فقال اجلس نعم ‏.‏ قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله ثلاث مرات ‏.‏ فأمر به فقتل ثم تذاكرا القيام من الليل فقال أحدهما معاذ أما أنا فأنام وأقوم وأرجو في نومتي ما أرجو في قومتي ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন (একদা) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার সাথে আশ’আরী বংশের দু’জন লোক ছিল। তাদের একজন ছিল আমার ডানে অপরজন আমার বামে। তারা দু’জনই (পদে) নিযুক্তি প্রার্থনা করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন মেসওয়াক করছিলেন। তখন তিনি (আমাকে লক্ষ্য করে) বললেন, হে আবূ মূসা অথবা হে ‘আবদুল্লাহ! তুমি কী বল? তিনি বলেন, আমি বললাম, যে পবিত্র সত্তা আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! তাদের অন্তরে যে কী রয়েছে সে সম্পর্কে তারা আমাকে মোটেও জানায়নি, আর আমি মোটেও টের পাইনি যে, তারা আপনার কাছে (পদে) নিযুক্তি প্রার্থনা করবে। রাবী বলেন, আমি যেন (স্পষ্টই) তাঁর ওষ্ঠ মুবারকের নীচে মিসওয়াক দেখতে পাচ্ছি। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের কোন কাজে কখনো এমন লোককে নিযুক্তি প্রদান করি না- যে তার জন্য লালায়িত। বরং তুমি যাও। হে আবূ মূসা! অথবা তিনি বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! অতঃপর তিনি তাঁকে ইয়ামানের গভর্নর করে পাঠালেন। এরপর তিনি মু’আয ইবনু জাবালকে তাঁর সাহায্যার্থে পাঠালেন। তিনি (মু’আয) যখন তাঁর (আবূ মূসার) নিকট গিয়ে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ অবতরণ করুন এবং সাথে সাথে তিনি একটি আসন পেতে দিলেন। তখন তাঁর নিকট হাত পা বাঁধা অবস্থায় একটি লোক ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন : এ লোকটি কে? উত্তরে তিনি বললেন, লোকটি প্রথমে ইয়াহূদী ছিল, তারপর সে ইসলাম গ্রহণ করে। এরপর সে আবার তার বাতিল ধর্মে ফিরে যায় এবং ইয়াহূদী হয়ে যায়। মু’আয (রাঃ) বললেন, যতক্ষণ আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিধান অনুসারে তাকে হত্যা করা না হবে, ততক্ষণ আমি বসবো না। এরূপ তারা তিনবার কথোপকথন করলেন। এরপর তিনি তাকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। তারপর তারা রাত্রি জাগরণ (তাহাজ্জুদ) সম্পর্কে পরস্পরের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করলেন। তাঁদের মধ্যে মু’আয (রাঃ) বললেন- আমার অবস্থা হচ্ছে এই যে, আমি (রাত্রির কিয়দংশে) নিদ্রাও যাই আবার (কিয়দংশে) ‘ইবাদাতে জাগরণও করি এবং আমার নিদ্রায়ও সেরূপ সাওয়াবই প্রত্যাশা করি যেরূপ সাওয়াব প্রত্যাশা করি আমার জাগরণ ও ‘ইবাদাতে। (ই.ফা. ৪৫৬৭, ই.সে. ৪৫৭০)

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন (একদা) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার সাথে আশ’আরী বংশের দু’জন লোক ছিল। তাদের একজন ছিল আমার ডানে অপরজন আমার বামে। তারা দু’জনই (পদে) নিযুক্তি প্রার্থনা করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন মেসওয়াক করছিলেন। তখন তিনি (আমাকে লক্ষ্য করে) বললেন, হে আবূ মূসা অথবা হে ‘আবদুল্লাহ! তুমি কী বল? তিনি বলেন, আমি বললাম, যে পবিত্র সত্তা আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! তাদের অন্তরে যে কী রয়েছে সে সম্পর্কে তারা আমাকে মোটেও জানায়নি, আর আমি মোটেও টের পাইনি যে, তারা আপনার কাছে (পদে) নিযুক্তি প্রার্থনা করবে। রাবী বলেন, আমি যেন (স্পষ্টই) তাঁর ওষ্ঠ মুবারকের নীচে মিসওয়াক দেখতে পাচ্ছি। তখন তিনি বললেন, আমরা আমাদের কোন কাজে কখনো এমন লোককে নিযুক্তি প্রদান করি না- যে তার জন্য লালায়িত। বরং তুমি যাও। হে আবূ মূসা! অথবা তিনি বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! অতঃপর তিনি তাঁকে ইয়ামানের গভর্নর করে পাঠালেন। এরপর তিনি মু’আয ইবনু জাবালকে তাঁর সাহায্যার্থে পাঠালেন। তিনি (মু’আয) যখন তাঁর (আবূ মূসার) নিকট গিয়ে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ অবতরণ করুন এবং সাথে সাথে তিনি একটি আসন পেতে দিলেন। তখন তাঁর নিকট হাত পা বাঁধা অবস্থায় একটি লোক ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন : এ লোকটি কে? উত্তরে তিনি বললেন, লোকটি প্রথমে ইয়াহূদী ছিল, তারপর সে ইসলাম গ্রহণ করে। এরপর সে আবার তার বাতিল ধর্মে ফিরে যায় এবং ইয়াহূদী হয়ে যায়। মু’আয (রাঃ) বললেন, যতক্ষণ আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিধান অনুসারে তাকে হত্যা করা না হবে, ততক্ষণ আমি বসবো না। এরূপ তারা তিনবার কথোপকথন করলেন। এরপর তিনি তাকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। তারপর তারা রাত্রি জাগরণ (তাহাজ্জুদ) সম্পর্কে পরস্পরের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করলেন। তাঁদের মধ্যে মু’আয (রাঃ) বললেন- আমার অবস্থা হচ্ছে এই যে, আমি (রাত্রির কিয়দংশে) নিদ্রাও যাই আবার (কিয়দংশে) ‘ইবাদাতে জাগরণও করি এবং আমার নিদ্রায়ও সেরূপ সাওয়াবই প্রত্যাশা করি যেরূপ সাওয়াব প্রত্যাশা করি আমার জাগরণ ও ‘ইবাদাতে। (ই.ফা. ৪৫৬৭, ই.সে. ৪৫৭০)

حدثنا عبيد الله بن سعيد، ومحمد بن حاتم، - واللفظ لابن حاتم - قالا حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا قرة بن خالد، حدثنا حميد بن هلال، حدثني أبو بردة، قال قال أبو موسى أقبلت إلى النبي صلى الله عليه وسلم ومعي رجلان من الأشعريين أحدهما عن يميني والآخر عن يساري فكلاهما سأل العمل والنبي صلى الله عليه وسلم يستاك فقال ‏"‏ ما تقول يا أبا موسى أو يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت والذي بعثك بالحق ما أطلعاني على ما في أنفسهما وما شعرت أنهما يطلبان العمل ‏.‏ قال وكأني أنظر إلى سواكه تحت شفته وقد قلصت فقال ‏"‏ لن أو لا نستعمل على عملنا من أراده ولكن اذهب أنت يا أبا موسى أو يا عبد الله بن قيس ‏"‏ ‏.‏ فبعثه على اليمن ثم أتبعه معاذ بن جبل فلما قدم عليه قال انزل وألقى له وسادة وإذا رجل عنده موثق قال ما هذا قال هذا كان يهوديا فأسلم ثم راجع دينه دين السوء فتهود قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله فقال اجلس نعم ‏.‏ قال لا أجلس حتى يقتل قضاء الله ورسوله ثلاث مرات ‏.‏ فأمر به فقتل ثم تذاكرا القيام من الليل فقال أحدهما معاذ أما أنا فأنام وأقوم وأرجو في نومتي ما أرجو في قومتي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১০

وحدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا خالد بن عبد الله، عن يونس، ح وحدثني علي، بن حجر السعدي حدثنا هشيم، عن يونس، ومنصور، وحميد، ح وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن سماك بن عطية، ويونس بن عبيد، وهشام بن حسان، كلهم عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث جرير ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৬৫, ই.সে. ৪৫৬৮)

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫৬৫, ই.সে. ৪৫৬৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا خالد بن عبد الله، عن يونس، ح وحدثني علي، بن حجر السعدي حدثنا هشيم، عن يونس، ومنصور، وحميد، ح وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا حماد بن زيد، عن سماك بن عطية، ويونس بن عبيد، وهشام بن حسان، كلهم عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث جرير ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নিষ্প্রয়োজনে ক্ষমতায় যাওয়া অনভিপ্রেত

সহিহ মুসলিম ৪৬১৩

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي شعيب بن الليث، حدثني الليث، بن سعد حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن بكر بن عمرو، عن الحارث بن يزيد الحضرمي، عن ابن حجيرة الأكبر، عن أبي ذر، قال قلت يا رسول الله ألا تستعملني قال فضرب بيده على منكبي ثم قال ‏ "‏ يا أبا ذر إنك ضعيف وإنها أمانة وإنها يوم القيامة خزى وندامة إلا من أخذها بحقها وأدى الذي عليه فيها ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবেদন করলাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি আমাকে প্রশাসক পদে প্রদান করবেন? রাবী বলেন, তিনি তখন তাঁর হাত দিয়ে আমার কাঁধে আঘাত করে বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি দুর্বল অথচ এটি হচ্ছে একটি আমানাত। আর কিয়ামাতের দিন এ হবে লাঞ্ছনা ও অনুশোচনা। তবে যে এর হক সম্পূর্ণ আদায় করবে তার কথা ভিন্ন। (ই.ফা. ৪৫৬৮, ই.সে. ৪৫৭১)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবেদন করলাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি আমাকে প্রশাসক পদে প্রদান করবেন? রাবী বলেন, তিনি তখন তাঁর হাত দিয়ে আমার কাঁধে আঘাত করে বললেনঃ হে আবূ যার! তুমি দুর্বল অথচ এটি হচ্ছে একটি আমানাত। আর কিয়ামাতের দিন এ হবে লাঞ্ছনা ও অনুশোচনা। তবে যে এর হক সম্পূর্ণ আদায় করবে তার কথা ভিন্ন। (ই.ফা. ৪৫৬৮, ই.সে. ৪৫৭১)

حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي شعيب بن الليث، حدثني الليث، بن سعد حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن بكر بن عمرو، عن الحارث بن يزيد الحضرمي، عن ابن حجيرة الأكبر، عن أبي ذر، قال قلت يا رسول الله ألا تستعملني قال فضرب بيده على منكبي ثم قال ‏ "‏ يا أبا ذر إنك ضعيف وإنها أمانة وإنها يوم القيامة خزى وندامة إلا من أخذها بحقها وأدى الذي عليه فيها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৬১৪

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن المقرئ، قال زهير حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن عبيد الله بن أبي جعفر القرشي، عن سالم، بن أبي سالم الجيشاني عن أبيه، عن أبي ذر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يا أبا ذر إني أراك ضعيفا وإني أحب لك ما أحب لنفسي لا تأمرن على اثنين ولا تولين مال يتيم ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে আবূ যার! আমি দেখছি তুমি দুর্বল প্রকৃতির লোক আর আমি তোমার জন্য তাই পছন্দ করি, যা আমি নিজের জন্য পছন্দ করি। কোন দু’ব্যক্তির উপরও কর্তৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করো না এবং ইয়াতীমের সম্পদের দায়িত্বশীল হতে যেয়ো না। (ই.ফা. ৪৫৬৯, ই.সে. ৪৫৭২)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে আবূ যার! আমি দেখছি তুমি দুর্বল প্রকৃতির লোক আর আমি তোমার জন্য তাই পছন্দ করি, যা আমি নিজের জন্য পছন্দ করি। কোন দু’ব্যক্তির উপরও কর্তৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করো না এবং ইয়াতীমের সম্পদের দায়িত্বশীল হতে যেয়ো না। (ই.ফা. ৪৫৬৯, ই.সে. ৪৫৭২)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن المقرئ، قال زهير حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، عن عبيد الله بن أبي جعفر القرشي، عن سالم، بن أبي سالم الجيشاني عن أبيه، عن أبي ذر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يا أبا ذر إني أراك ضعيفا وإني أحب لك ما أحب لنفسي لا تأمرن على اثنين ولا تولين مال يتيم ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00