সহিহ মুসলিম > মহান আল্লাহর বাণী : “তিনি সে সত্তা যিনি তাদের হাতকে তোমাদের উপর থেকে দূরে রেখেছেন”
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৩
حدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن ثمانين، رجلا من أهل مكة هبطوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم من جبل التنعيم متسلحين يريدون غرة النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأخذهم سلما فاستحياهم فأنزل الله عز وجل { وهو الذي كف أيديهم عنكم وأيديكم عنهم ببطن مكة من بعد أن أظفركم عليهم}
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাবাসীদের মধ্য থেকে সশস্ত্র আশি ব্যক্তি একদা অতর্কিতে তান্’ঈম পাহাড় থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দিকে অবতরণ অরে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের অসতর্কতার সুযোগ গ্রহণ। তিনি তাদের বিনা যুদ্ধে বন্দী করলেন, এরপর তাদের জীবিত ছেড়ে দিলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন : (অর্থ) “তিনি সে পবিত্র সত্তা, যিনি মক্কা প্রান্তরে তাদের হাতকে তোমাদের উপর থেকে এবং তোমাদের হাতকে তাদের উপর থেকে বিরত রেখেছেন-তাদের উপর তোমাদের বিজয়ী করার পর”-(সুরা ফাত্হ ৪৮ : ২৪)। (ই.ফা. ৪৫২৯, ই.সে. ৪৫৩১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাবাসীদের মধ্য থেকে সশস্ত্র আশি ব্যক্তি একদা অতর্কিতে তান্’ঈম পাহাড় থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দিকে অবতরণ অরে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের অসতর্কতার সুযোগ গ্রহণ। তিনি তাদের বিনা যুদ্ধে বন্দী করলেন, এরপর তাদের জীবিত ছেড়ে দিলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন : (অর্থ) “তিনি সে পবিত্র সত্তা, যিনি মক্কা প্রান্তরে তাদের হাতকে তোমাদের উপর থেকে এবং তোমাদের হাতকে তাদের উপর থেকে বিরত রেখেছেন-তাদের উপর তোমাদের বিজয়ী করার পর”-(সুরা ফাত্হ ৪৮ : ২৪)। (ই.ফা. ৪৫২৯, ই.সে. ৪৫৩১)
حدثني عمرو بن محمد الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن ثمانين، رجلا من أهل مكة هبطوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم من جبل التنعيم متسلحين يريدون غرة النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأخذهم سلما فاستحياهم فأنزل الله عز وجل { وهو الذي كف أيديهم عنكم وأيديكم عنهم ببطن مكة من بعد أن أظفركم عليهم}
সহিহ মুসলিম > পুরুষদের সাথে যুদ্ধে স্ত্রীলোকদের অংশগ্রহণ
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৬
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بأم سليم ونسوة من الأنصار معه إذا غزا فيسقين الماء ويداوين الجرحى .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলায়ম ও আনসারের কতিপয় মহিলাকে তাঁর সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যেতেন। তারা আর্তদের পানি পান করাতেন এবং আহতদের শুশ্রুষা করতেন। (ই.ফা. ৪৫৩১, ই.সে. ৪৫৩৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু সুলায়ম ও আনসারের কতিপয় মহিলাকে তাঁর সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যেতেন। তারা আর্তদের পানি পান করাতেন এবং আহতদের শুশ্রুষা করতেন। (ই.ফা. ৪৫৩১, ই.সে. ৪৫৩৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بأم سليم ونسوة من الأنصار معه إذا غزا فيسقين الماء ويداوين الجرحى .
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن أم سليم، اتخذت يوم حنين خنجرا فكان معها فرآها أبو طلحة فقال يا رسول الله هذه أم سليم معها خنجر فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذا الخنجر " . قالت اتخذته إن دنا مني أحد من المشركين بقرت به بطنه . فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك قالت يا رسول الله اقتل من بعدنا من الطلقاء انهزموا بك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أم سليم إن الله قد كفى وأحسن "
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তাঁর মা) উম্মু সুলায়ম হুনায়নের যুদ্ধের দিন একটি ছোরা ধারণ করেছিলেন, যা তার সঙ্গে থাকত। (তার স্বামী) আবূ তালহাহ্ তা দেখতে পেয়ে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ইনি উম্মু সুলায়ম। আর তার সাথে একটি ছোরা রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ এ ছোরা কিসের জন্য? তিনি বললেন, এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্মী মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে, তবে এ দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসতে লাগলেন। তখন তিনি (উম্মু সুলায়ম) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (মক্কা বিজয়ের দিন) আমাদের ছাড়া যারা ছাড়া পেয়ে গেছে এবং পরাজয়ের মুখে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তাদের হত্যা করে ফেলুন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! আল্লাহই (মুশরিকদের বিরুদ্ধে) যথেষ্ট। তিনি (আমাদের প্রতি) সদয় রয়েছেন। (ই.ফা. ৪৫৩০, ই.সে. ৪৫৩২)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তাঁর মা) উম্মু সুলায়ম হুনায়নের যুদ্ধের দিন একটি ছোরা ধারণ করেছিলেন, যা তার সঙ্গে থাকত। (তার স্বামী) আবূ তালহাহ্ তা দেখতে পেয়ে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ইনি উম্মু সুলায়ম। আর তার সাথে একটি ছোরা রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ এ ছোরা কিসের জন্য? তিনি বললেন, এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্মী মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে, তবে এ দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসতে লাগলেন। তখন তিনি (উম্মু সুলায়ম) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (মক্কা বিজয়ের দিন) আমাদের ছাড়া যারা ছাড়া পেয়ে গেছে এবং পরাজয়ের মুখে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তাদের হত্যা করে ফেলুন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! আল্লাহই (মুশরিকদের বিরুদ্ধে) যথেষ্ট। তিনি (আমাদের প্রতি) সদয় রয়েছেন। (ই.ফা. ৪৫৩০, ই.সে. ৪৫৩২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن أم سليم، اتخذت يوم حنين خنجرا فكان معها فرآها أبو طلحة فقال يا رسول الله هذه أم سليم معها خنجر فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذا الخنجر " . قالت اتخذته إن دنا مني أحد من المشركين بقرت به بطنه . فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يضحك قالت يا رسول الله اقتل من بعدنا من الطلقاء انهزموا بك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أم سليم إن الله قد كفى وأحسن "
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৭
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا عبد الله بن عمرو، - وهو أبو معمر المنقري - حدثنا عبد الوارث، حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، بن مالك قال لما كان يوم أحد انهزم ناس من الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة - قال - وكان أبو طلحة رجلا راميا شديد النزع وكسر يومئذ قوسين أو ثلاثا - قال - فكان الرجل يمر معه الجعبة من النبل فيقول انثرها لأبي طلحة . قال ويشرف نبي الله صلى الله عليه وسلم ينظر إلى القوم فيقول أبو طلحة يا نبي الله بأبي أنت وأمي لا تشرف لا يصبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك قال ولقد رأيت عائشة بنت أبي بكر وأم سليم وإنهما لمشمرتان أرى خدم سوقهما تنقلان القرب على متونهما ثم تفرغانه في أفواههم ثم ترجعان فتملآنها ثم تجيئان تفرغانه في أفواه القوم ولقد وقع السيف من يدى أبي طلحة إما مرتين وإما ثلاثا من النعاس .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধের দিন যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আড়াল করে রেখেছিলেন। আর আবূ তালহাহ্ (রাঃ) ছিলেন একজন অতি দক্ষ তীরন্দাজ। সেদিন (যুদ্ধে) তিনি দু’ বা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ফেলেন। রাবী বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি তীর নিয়ে তার পাশ দিয়ে গমন করতো, তখনই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, এগুলো আবূ তালহার জন্য রেখে যাও। রাবী বলেন, যখনই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা তুলে লোকজনের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ তালহাহ্ (রাঃ) বলে উঠতেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান! আপনি মাথা উঠাবেন না; এমন না হয় শত্রুপক্ষের তীর এসে আপনার গায়ে লাগে। আপনার বক্ষ রক্ষার্থে আমার বক্ষ নিবেদিত। আবূ তালহাহ্ বলেন, আমি (সেদিন) আবু বাক্র কন্যা ‘আয়িশাহ্ ও উম্মু সুলায়মকে এমন অবস্থায় দেখেছি, তাঁরা তাঁদের পিঠে পানির মশক বয়ে আনছিলেন। তখন তাঁরা এমনভাবে কাপড় গুছিয়ে চলছিলেন যে, আমি তাদের পায়ে পরিহিত অলংকার দেখতে পাচ্ছিলাম। তাঁরা আহতদের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। তাঁরা আবার গিয়ে মশক ভরে পানি এনে আহতদের মুখে পানি দিচ্ছিলেন। আবূ তালহার হাত থেকে সেদিন তন্দ্রার ঘোরে দু’বার বা তিনবার তলোয়ার পড়ে যায়। (ই.ফা. ৪৫৩২, ই.সে. ৪৫৩৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধের দিন যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে আড়াল করে রেখেছিলেন। আর আবূ তালহাহ্ (রাঃ) ছিলেন একজন অতি দক্ষ তীরন্দাজ। সেদিন (যুদ্ধে) তিনি দু’ বা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ফেলেন। রাবী বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি তীর নিয়ে তার পাশ দিয়ে গমন করতো, তখনই তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, এগুলো আবূ তালহার জন্য রেখে যাও। রাবী বলেন, যখনই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা তুলে লোকজনের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ তালহাহ্ (রাঃ) বলে উঠতেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান! আপনি মাথা উঠাবেন না; এমন না হয় শত্রুপক্ষের তীর এসে আপনার গায়ে লাগে। আপনার বক্ষ রক্ষার্থে আমার বক্ষ নিবেদিত। আবূ তালহাহ্ বলেন, আমি (সেদিন) আবু বাক্র কন্যা ‘আয়িশাহ্ ও উম্মু সুলায়মকে এমন অবস্থায় দেখেছি, তাঁরা তাঁদের পিঠে পানির মশক বয়ে আনছিলেন। তখন তাঁরা এমনভাবে কাপড় গুছিয়ে চলছিলেন যে, আমি তাদের পায়ে পরিহিত অলংকার দেখতে পাচ্ছিলাম। তাঁরা আহতদের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। তাঁরা আবার গিয়ে মশক ভরে পানি এনে আহতদের মুখে পানি দিচ্ছিলেন। আবূ তালহার হাত থেকে সেদিন তন্দ্রার ঘোরে দু’বার বা তিনবার তলোয়ার পড়ে যায়। (ই.ফা. ৪৫৩২, ই.সে. ৪৫৩৫)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا عبد الله بن عمرو، - وهو أبو معمر المنقري - حدثنا عبد الوارث، حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن أنس، بن مالك قال لما كان يوم أحد انهزم ناس من الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبو طلحة بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة - قال - وكان أبو طلحة رجلا راميا شديد النزع وكسر يومئذ قوسين أو ثلاثا - قال - فكان الرجل يمر معه الجعبة من النبل فيقول انثرها لأبي طلحة . قال ويشرف نبي الله صلى الله عليه وسلم ينظر إلى القوم فيقول أبو طلحة يا نبي الله بأبي أنت وأمي لا تشرف لا يصبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك قال ولقد رأيت عائشة بنت أبي بكر وأم سليم وإنهما لمشمرتان أرى خدم سوقهما تنقلان القرب على متونهما ثم تفرغانه في أفواههم ثم ترجعان فتملآنها ثم تجيئان تفرغانه في أفواه القوم ولقد وقع السيف من يدى أبي طلحة إما مرتين وإما ثلاثا من النعاس .
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৫
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا إسحاق بن، عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، في قصة أم سليم عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل حديث ثابت
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু সুলায়মের কাহিনী বর্ণনা প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৩০, ই.সে. ৪৫৩৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মু সুলায়মের কাহিনী বর্ণনা প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৩০, ই.সে. ৪৫৩৩)
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا إسحاق بن، عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، في قصة أم سليم عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل حديث ثابت
সহিহ মুসলিম > জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৩
وحدثني أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، حدثنا زائدة، حدثنا سليمان الأعمش، عن المختار بن صيفي، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس . فذكر بعض الحديث ولم يتم القصة كإتمام من ذكرنا حديثهم .
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে লিখেছিলেন, বর্ণনাকারী এ হাদীসের কিয়দংশ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের হাদীসসমূহের মতো তিনি ঘটনা হুবহু বর্ননা করেননি। (ই.ফা. ৪৫৩৮, ই.সে. ৪৫৪১)
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে লিখেছিলেন, বর্ণনাকারী এ হাদীসের কিয়দংশ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের হাদীসসমূহের মতো তিনি ঘটনা হুবহু বর্ননা করেননি। (ই.ফা. ৪৫৩৮, ই.সে. ৪৫৪১)
وحدثني أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، حدثنا زائدة، حدثنا سليمان الأعمش، عن المختار بن صيفي، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس . فذكر بعض الحديث ولم يتم القصة كإتمام من ذكرنا حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮১
وحدثناه عبد الرحمن بن بشر العبدي، حدثنا سفيان، حدثنا إسماعيل بن أمية، عن سعيد بن أبي سعيد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس . وساق الحديث بمثله . قال أبو إسحاق حدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا سفيان، بهذا الحديث بطوله
ইয়াযীদ ইবনু হুরমু্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখেন এবং অনুরূপ হাদীস বর্ননা করেন। আবূ ইসহাক্ বলেন, সুফ্ইয়ান (রহঃ) অনুরূপ হাদীস বিস্তারিত বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৩৬, ই.সে. ৪৫৩৯)
ইয়াযীদ ইবনু হুরমু্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখেন এবং অনুরূপ হাদীস বর্ননা করেন। আবূ ইসহাক্ বলেন, সুফ্ইয়ান (রহঃ) অনুরূপ হাদীস বিস্তারিত বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৫৩৬, ই.সে. ৪৫৩৯)
وحدثناه عبد الرحمن بن بشر العبدي، حدثنا سفيان، حدثنا إسماعيل بن أمية، عن سعيد بن أبي سعيد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس . وساق الحديث بمثله . قال أبو إسحاق حدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا سفيان، بهذا الحديث بطوله
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن يزيد بن هرمز، أن نجدة، كتب إلى ابن عباس يسأله عن خمس، خلال . فقال ابن عباس لولا أن أكتم، علما ما كتبت إليه . كتب إليه نجدة أما بعد فأخبرني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وهل كان يضرب لهن بسهم وهل كان يقتل الصبيان ومتى ينقضي يتم اليتيم وعن الخمس لمن هو فكتب إليه ابن عباس كتبت تسألني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وقد كان يغزو بهن فيداوين الجرحى ويحذين من الغنيمة وأما بسهم فلم يضرب لهن وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان وكتبت تسألني متى ينقضي يتم اليتيم فلعمري إن الرجل لتنبت لحيته وإنه لضعيف الأخذ لنفسه ضعيف العطاء منها فإذا أخذ لنفسه من صالح ما يأخذ الناس فقد ذهب عنه اليتم وكتبت تسألني عن الخمس لمن هو وإنا كنا نقول هو لنا . فأبى علينا قومنا ذاك .
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে পাঁচটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, যদি আমি ‘ইল্ম গোপনকারী হওয়ার আশংকা না করতাম তাহলে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। নাজ্দাহ সে পত্রে তাঁকে লিখেছিলেন, হাম্দ ও সালাতের পর আমাকে অবহিত করুন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? তিনি তাদেরকে কি গনীমাতের ভাগ দিতেন? তিনি কি শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করতেন? আর কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়? আর গনীমাতের এক পঞ্চমাংশের হকদার কারা? জবাবে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) লিখলেন, তুমি আমাকে লিখিত প্রশ্ন করেছো যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? হ্যাঁ, তিনি তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধ যাত্রা করতেন এবং তাঁরা আহতদের সেবা-শুশ্রুষা করতেন এবং গনীমাতের মাল থেকে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হতো, কিন্তু গনীমাতের ভাগ তাদের জন্য বরাদ্দ করা হতো না। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও শিশুদের হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও শিশুদেরকে হত্যা করবে না। আর তোমার চিঠিতে আমাকে এও প্রশ্ন করেছ যে, কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থা সমাপ্ত হয়? আমার জীবনের শপথ! অনেক সময় কোন ব্যক্তির দাড়ি গজিয়ে যায়; অথচ সে তার নিজের হক গ্রহণে দুর্বল থাকে এবং অন্য কারো হক প্রদানের বেলায়ও দুর্বল থাকে। সুতরাং যখন সে লোকদের মতো নিজের অধিকার বুঝে নিতে পারে তখনই তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়। আর তুমি লিখেছ, গনীমাতের এক পঞ্চমাংশ কাদের প্রাপ্য? আমরা বলি, তা আমাদের (আহলে বায়তদের) জন্যই, কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা (বানূ উমাইয়াহ্) তা অস্বীকার করছে। (ই.ফা. ৪৫৩৩, ই.সে. ৪৫৩৬)
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে পাঁচটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, যদি আমি ‘ইল্ম গোপনকারী হওয়ার আশংকা না করতাম তাহলে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। নাজ্দাহ সে পত্রে তাঁকে লিখেছিলেন, হাম্দ ও সালাতের পর আমাকে অবহিত করুন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? তিনি তাদেরকে কি গনীমাতের ভাগ দিতেন? তিনি কি শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করতেন? আর কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়? আর গনীমাতের এক পঞ্চমাংশের হকদার কারা? জবাবে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) লিখলেন, তুমি আমাকে লিখিত প্রশ্ন করেছো যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? হ্যাঁ, তিনি তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধ যাত্রা করতেন এবং তাঁরা আহতদের সেবা-শুশ্রুষা করতেন এবং গনীমাতের মাল থেকে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হতো, কিন্তু গনীমাতের ভাগ তাদের জন্য বরাদ্দ করা হতো না। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও শিশুদের হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও শিশুদেরকে হত্যা করবে না। আর তোমার চিঠিতে আমাকে এও প্রশ্ন করেছ যে, কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থা সমাপ্ত হয়? আমার জীবনের শপথ! অনেক সময় কোন ব্যক্তির দাড়ি গজিয়ে যায়; অথচ সে তার নিজের হক গ্রহণে দুর্বল থাকে এবং অন্য কারো হক প্রদানের বেলায়ও দুর্বল থাকে। সুতরাং যখন সে লোকদের মতো নিজের অধিকার বুঝে নিতে পারে তখনই তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়। আর তুমি লিখেছ, গনীমাতের এক পঞ্চমাংশ কাদের প্রাপ্য? আমরা বলি, তা আমাদের (আহলে বায়তদের) জন্যই, কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা (বানূ উমাইয়াহ্) তা অস্বীকার করছে। (ই.ফা. ৪৫৩৩, ই.সে. ৪৫৩৬)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن يزيد بن هرمز، أن نجدة، كتب إلى ابن عباس يسأله عن خمس، خلال . فقال ابن عباس لولا أن أكتم، علما ما كتبت إليه . كتب إليه نجدة أما بعد فأخبرني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وهل كان يضرب لهن بسهم وهل كان يقتل الصبيان ومتى ينقضي يتم اليتيم وعن الخمس لمن هو فكتب إليه ابن عباس كتبت تسألني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وقد كان يغزو بهن فيداوين الجرحى ويحذين من الغنيمة وأما بسهم فلم يضرب لهن وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان وكتبت تسألني متى ينقضي يتم اليتيم فلعمري إن الرجل لتنبت لحيته وإنه لضعيف الأخذ لنفسه ضعيف العطاء منها فإذا أخذ لنفسه من صالح ما يأخذ الناس فقد ذهب عنه اليتم وكتبت تسألني عن الخمس لمن هو وإنا كنا نقول هو لنا . فأبى علينا قومنا ذاك .
সহিহ মুসলিম ৪৫৭৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن حاتم بن إسماعيل، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن يزيد بن هرمز، أن نجدة، كتب إلى ابن عباس يسأله عن خلال، . بمثل حديث سليمان بن بلال غير أن في، حديث حاتم وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان إلا أن تكون تعلم ما علم الخضر من الصبي الذي قتل . وزاد إسحاق في حديثه عن حاتم وتميز المؤمن فتقتل الكافر وتدع المؤمن .
ইবনূ হুরমু্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে কয়েকটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখেন। পরবর্তী অংশ সুলাইমান ইবনু বিলালের হাদীসের অনুরূপ। তবে হাতিমের এ হাদীসে রয়েছে যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও বালকদেরকে হত্যা করবে না। তবে যদি তুমি তা জানতে পারো, যা ‘খিযির’ সেই বালক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন, যাকে তিনি হত্যা করেছিলেন, তবে স্বতন্ত্র কথা। এ হাদীসের একজন রাবী ইসহাক্ (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় হাদীসের সূত্রে এতটুকু বাড়িয়েছেন-আর যদি তুমি বেছে বের করতে পারো মু’মিনকে, তবে তুমি কাফিরকে হত্যা করবে এবং মু’মিনকে ছেড়ে দিবে। (ই.ফা. ৪৫৩৪, ই.সে. ৪৫৩৭)
ইবনূ হুরমু্য (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে কয়েকটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখেন। পরবর্তী অংশ সুলাইমান ইবনু বিলালের হাদীসের অনুরূপ। তবে হাতিমের এ হাদীসে রয়েছে যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও বালকদেরকে হত্যা করবে না। তবে যদি তুমি তা জানতে পারো, যা ‘খিযির’ সেই বালক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন, যাকে তিনি হত্যা করেছিলেন, তবে স্বতন্ত্র কথা। এ হাদীসের একজন রাবী ইসহাক্ (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় হাদীসের সূত্রে এতটুকু বাড়িয়েছেন-আর যদি তুমি বেছে বের করতে পারো মু’মিনকে, তবে তুমি কাফিরকে হত্যা করবে এবং মু’মিনকে ছেড়ে দিবে। (ই.ফা. ৪৫৩৪, ই.সে. ৪৫৩৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، كلاهما عن حاتم بن إسماعيل، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن يزيد بن هرمز، أن نجدة، كتب إلى ابن عباس يسأله عن خلال، . بمثل حديث سليمان بن بلال غير أن في، حديث حاتم وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان إلا أن تكون تعلم ما علم الخضر من الصبي الذي قتل . وزاد إسحاق في حديثه عن حاتم وتميز المؤمن فتقتل الكافر وتدع المؤمن .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮০
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أمية، عن سعيد المقبري، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر الحروري إلى ابن عباس يسأله عن العبد، والمرأة يحضران المغنم هل يقسم لهما وعن قتل الولدان وعن اليتيم متى ينقطع عنه اليتم وعن ذوي القربى من هم فقال ليزيد اكتب إليه فلولا أن يقع في أحموقة ما كتبت إليه اكتب إنك كتبت تسألني عن المرأة والعبد يحضران المغنم هل يقسم لهما شىء وإنه ليس لهما شىء إلا أن يحذيا وكتبت تسألني عن قتل الولدان وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يقتلهم وأنت فلا تقتلهم إلا أن تعلم منهم ما علم صاحب موسى من الغلام الذي قتله وكتبت تسألني عن اليتيم متى ينقطع عنه اسم اليتم وإنه لا ينقطع عنه اسم اليتم حتى يبلغ ويؤنس منه رشد وكتبت تسألني عن ذوي القربى من هم وإنا زعمنا أنا هم فأبى ذلك علينا قومنا .
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, নাজদাহ্ ইবনু ‘আম্র হারূরী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর নিকট পত্র লিখে জানতে চাইলেন, জিহাদে উপস্থিত গোলাম ও মহিলাদের গনীমাতের অংশ দেয়া হবে কি? আর (শত্রুপক্ষের) শিশুদের হত্যা সম্পর্কে এবং ইয়াতীম সম্পর্কে যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? এবং ‘যাবিল কুরবা’ বা নিকটাত্মীয় কারা? তখন তিনি ইয়াযীদকে বললেন, তুমি তাকে লিখ, তার নির্বুদ্ধিতায় পতিত হবার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাকে পত্র লিখাতাম না। লিখ, তুমি আমাকে লিখেছো এ প্রশ্ন করে যে, যারা জিহাদে যোগ দিয়েছে এমন নারী এবং গোলামকে কি গনীমাতের কিছু দেয়া হবে? তাদের (নির্ধারিত) কিছুই দেয়া হবে না। তবে সবার কাছ থেকে কিছু কিছু নিয়ে (বখ্শিশরূপে) দেয়া হবে। তুমি আমকে প্রশ্ন করে লিখেছ শিশুদের হত্যা সম্পর্কে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও তাদেরকে হত্যা করেন নি এবং তুমিও তাদেরকে হত্যা করবে না। তবে (তা স্বতন্ত্র কথা) যদি তুমি তাদের ব্যাপারে তা জানতে পারো যা মূসা (‘আঃ)-এর সঙ্গী [খিযির (আঃ)] জানতে পেরেছিলেন, যে ছেলেটিকে তিনি হত্যা করেছিলেন তার সম্পর্কে। তার ইয়াতীম নাম ঘুচবে না যতক্ষণ না সে বালিগ হবে এবং তার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হবে। আর তুমি আমাকে ‘যাবিল কুরবা’ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে লিখেছ যে, তারা কারা? আমরা মনে করি, আমরাই তাঁরা। কিন্তু আমাদের লোকেরা তা অস্বীকার করেছে। (ই.ফা. ৪৫৩৫, ই.সে. ৪৫৩৮)
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, নাজদাহ্ ইবনু ‘আম্র হারূরী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -এর নিকট পত্র লিখে জানতে চাইলেন, জিহাদে উপস্থিত গোলাম ও মহিলাদের গনীমাতের অংশ দেয়া হবে কি? আর (শত্রুপক্ষের) শিশুদের হত্যা সম্পর্কে এবং ইয়াতীম সম্পর্কে যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? এবং ‘যাবিল কুরবা’ বা নিকটাত্মীয় কারা? তখন তিনি ইয়াযীদকে বললেন, তুমি তাকে লিখ, তার নির্বুদ্ধিতায় পতিত হবার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাকে পত্র লিখাতাম না। লিখ, তুমি আমাকে লিখেছো এ প্রশ্ন করে যে, যারা জিহাদে যোগ দিয়েছে এমন নারী এবং গোলামকে কি গনীমাতের কিছু দেয়া হবে? তাদের (নির্ধারিত) কিছুই দেয়া হবে না। তবে সবার কাছ থেকে কিছু কিছু নিয়ে (বখ্শিশরূপে) দেয়া হবে। তুমি আমকে প্রশ্ন করে লিখেছ শিশুদের হত্যা সম্পর্কে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনও তাদেরকে হত্যা করেন নি এবং তুমিও তাদেরকে হত্যা করবে না। তবে (তা স্বতন্ত্র কথা) যদি তুমি তাদের ব্যাপারে তা জানতে পারো যা মূসা (‘আঃ)-এর সঙ্গী [খিযির (আঃ)] জানতে পেরেছিলেন, যে ছেলেটিকে তিনি হত্যা করেছিলেন তার সম্পর্কে। তার ইয়াতীম নাম ঘুচবে না যতক্ষণ না সে বালিগ হবে এবং তার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হবে। আর তুমি আমাকে ‘যাবিল কুরবা’ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে লিখেছ যে, তারা কারা? আমরা মনে করি, আমরাই তাঁরা। কিন্তু আমাদের লোকেরা তা অস্বীকার করেছে। (ই.ফা. ৪৫৩৫, ই.সে. ৪৫৩৮)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أمية، عن سعيد المقبري، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر الحروري إلى ابن عباس يسأله عن العبد، والمرأة يحضران المغنم هل يقسم لهما وعن قتل الولدان وعن اليتيم متى ينقطع عنه اليتم وعن ذوي القربى من هم فقال ليزيد اكتب إليه فلولا أن يقع في أحموقة ما كتبت إليه اكتب إنك كتبت تسألني عن المرأة والعبد يحضران المغنم هل يقسم لهما شىء وإنه ليس لهما شىء إلا أن يحذيا وكتبت تسألني عن قتل الولدان وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يقتلهم وأنت فلا تقتلهم إلا أن تعلم منهم ما علم صاحب موسى من الغلام الذي قتله وكتبت تسألني عن اليتيم متى ينقطع عنه اسم اليتم وإنه لا ينقطع عنه اسم اليتم حتى يبلغ ويؤنس منه رشد وكتبت تسألني عن ذوي القربى من هم وإنا زعمنا أنا هم فأبى ذلك علينا قومنا .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮২
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وهب بن جرير بن حازم، حدثني أبي قال، سمعت قيسا، يحدث عن يزيد بن هرمز، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - قال حدثنا بهز، حدثنا جرير بن حازم، حدثني قيس بن سعد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر إلى ابن عباس قال فشهدت ابن عباس حين قرأ كتابه وحين كتب جوابه وقال ابن عباس والله لولا أن أرده عن نتن يقع فيه ما كتبت إليه ولا نعمة عين قال فكتب إليه إنك سألت عن سهم ذي القربى الذي ذكر الله من هم وإنا كنا نرى أن قرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم هم نحن فأبى ذلك علينا قومنا وسألت عن اليتيم متى ينقضي يتمه وإنه إذا بلغ النكاح وأونس منه رشد ودفع إليه ماله فقد انقضى يتمه وسألت هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقتل من صبيان المشركين أحدا فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل منهم أحدا وأنت فلا تقتل منهم أحدا إلا أن تكون تعلم منهم ما علم الخضر من الغلام حين قتله وسألت عن المرأة والعبد هل كان لهما سهم معلوم إذا حضروا البأس فإنهم لم يكن لهم سهم معلوم إلا أن يحذيا من غنائم القوم
কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হুরমুযকে আমি এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু ‘আমির ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে পত্র লিখেন। রাবী বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যখন তাঁর পত্রখানি পাঠ করেন এবং যখন তিনি তার জবাব লিখেন তখন আমি তাঁর (ইবনু ‘আব্বাস) সামনেই উপস্থিত ছিলাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যদি সে নাপাকীতে (অজ্ঞানতা প্রসূত কথাবার্তায়) পতিত হবে বলে আশংকা না করতাম তবে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। তার চোখ কোন দিন না জুড়াক (অর্থাৎ আল্লাহ তাকে খুশী না রাখুক, তার বাতিল ‘আকীদার দরুন এ বদদু’আ করলেন)। রাবী (ইয়াযীদ) বলেন, তারপর তিনি তাকে লিখলেন, তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, আল্লাহ (গনীমাতের অংশ সংক্রান্ত আয়াতে) যাদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘনিষ্ঠজন কারা? আমরা মনে করি, আমরাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে ঘনিষ্ঠজন। কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা তা অস্বীকার করে। আর তুমি ইয়াতীম সম্পর্কে প্রশ্ন করেছ যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? যখন সে বিবাহযোগ্য হয়, তার মধ্যে বুদ্ধি বিবেচনা পরিলক্ষিত হয় এবং তার সম্পদ তার কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়, তখন তার ইয়াতীম অবস্থার অবসান ঘটে। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করতেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোনদিন তাদের শিশুদের কাউকে হত্যা করেন নি। সুতরাং তুমিও তাদের কাউকে হত্যা করবে না। অবশ্য তুমি যদি অবগত হও, যা অবগত হয়েছিলেন খিযির (‘আঃ) সে বালকটির সম্পর্কে যখন তিনি তাকে হত্যা করেন। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, নারী ও গোলাম সম্পর্কে, যখন তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ নেই। তবে লোকদের গনীমাতের মাল থেকে তারা উপঢৌকন হিসেবে পায়। (ই.ফা. ৪৫৩৭, ই.সে. ৪৫৪০)
কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হুরমুযকে আমি এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু ‘আমির ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে পত্র লিখেন। রাবী বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) যখন তাঁর পত্রখানি পাঠ করেন এবং যখন তিনি তার জবাব লিখেন তখন আমি তাঁর (ইবনু ‘আব্বাস) সামনেই উপস্থিত ছিলাম। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, যদি সে নাপাকীতে (অজ্ঞানতা প্রসূত কথাবার্তায়) পতিত হবে বলে আশংকা না করতাম তবে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। তার চোখ কোন দিন না জুড়াক (অর্থাৎ আল্লাহ তাকে খুশী না রাখুক, তার বাতিল ‘আকীদার দরুন এ বদদু’আ করলেন)। রাবী (ইয়াযীদ) বলেন, তারপর তিনি তাকে লিখলেন, তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, আল্লাহ (গনীমাতের অংশ সংক্রান্ত আয়াতে) যাদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ঘনিষ্ঠজন কারা? আমরা মনে করি, আমরাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সে ঘনিষ্ঠজন। কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা তা অস্বীকার করে। আর তুমি ইয়াতীম সম্পর্কে প্রশ্ন করেছ যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? যখন সে বিবাহযোগ্য হয়, তার মধ্যে বুদ্ধি বিবেচনা পরিলক্ষিত হয় এবং তার সম্পদ তার কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়, তখন তার ইয়াতীম অবস্থার অবসান ঘটে। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করতেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোনদিন তাদের শিশুদের কাউকে হত্যা করেন নি। সুতরাং তুমিও তাদের কাউকে হত্যা করবে না। অবশ্য তুমি যদি অবগত হও, যা অবগত হয়েছিলেন খিযির (‘আঃ) সে বালকটির সম্পর্কে যখন তিনি তাকে হত্যা করেন। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, নারী ও গোলাম সম্পর্কে, যখন তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ নেই। তবে লোকদের গনীমাতের মাল থেকে তারা উপঢৌকন হিসেবে পায়। (ই.ফা. ৪৫৩৭, ই.সে. ৪৫৪০)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وهب بن جرير بن حازم، حدثني أبي قال، سمعت قيسا، يحدث عن يزيد بن هرمز، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - قال حدثنا بهز، حدثنا جرير بن حازم، حدثني قيس بن سعد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر إلى ابن عباس قال فشهدت ابن عباس حين قرأ كتابه وحين كتب جوابه وقال ابن عباس والله لولا أن أرده عن نتن يقع فيه ما كتبت إليه ولا نعمة عين قال فكتب إليه إنك سألت عن سهم ذي القربى الذي ذكر الله من هم وإنا كنا نرى أن قرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم هم نحن فأبى ذلك علينا قومنا وسألت عن اليتيم متى ينقضي يتمه وإنه إذا بلغ النكاح وأونس منه رشد ودفع إليه ماله فقد انقضى يتمه وسألت هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقتل من صبيان المشركين أحدا فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل منهم أحدا وأنت فلا تقتل منهم أحدا إلا أن تكون تعلم منهم ما علم الخضر من الغلام حين قتله وسألت عن المرأة والعبد هل كان لهما سهم معلوم إذا حضروا البأس فإنهم لم يكن لهم سهم معلوم إلا أن يحذيا من غنائم القوم
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن هشام، عن حفصة، بنت سيرين عن أم عطية الأنصارية، قالت غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات أخلفهم في رحالهم فأصنع لهم الطعام وأداوي الجرحى وأقوم على المرضى
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ আন্সারীয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাঁদের শিবিরের পশ্চাতে অবস্থান করতাম, তাদের খাবার তৈরী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম, এবং রোগীদের সেবাশুশ্রূষা করতাম। (ই.ফা. ৪৫৩৯, ই.সে. ৪৫৪২)
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্ আন্সারীয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাঁদের শিবিরের পশ্চাতে অবস্থান করতাম, তাদের খাবার তৈরী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম, এবং রোগীদের সেবাশুশ্রূষা করতাম। (ই.ফা. ৪৫৩৯, ই.সে. ৪৫৪২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن هشام، عن حفصة، بنت سيرين عن أم عطية الأنصارية، قالت غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات أخلفهم في رحالهم فأصنع لهم الطعام وأداوي الجرحى وأقوم على المرضى
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৫
وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا هشام بن حسان، بهذا الإسناد نحوه .
হিশাম ইবনু হাস্সান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪০, ই.সে. ৪৫৪৩)
হিশাম ইবনু হাস্সান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪০, ই.সে. ৪৫৪৩)
وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا هشام بن حسان، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن زيد بن أرقم، سمعه منه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا تسع عشرة غزوة وحج بعد ما هاجر حجة لم يحج غيرها حجة الوداع .
যায়দ ইবনু আকরাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনিশটি যুদ্ধ করেছেন। হিজরাতের পর একবার মাত্র হাজ্জ করেছিলেন, যেটি ছাড়া আর কোন হাজ্জ করেননি- তা হল বিদায় হাজ্জ। (ই.ফা. ৪৫৪২, ই.সে. ৪৫৪৫)
যায়দ ইবনু আকরাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনিশটি যুদ্ধ করেছেন। হিজরাতের পর একবার মাত্র হাজ্জ করেছিলেন, যেটি ছাড়া আর কোন হাজ্জ করেননি- তা হল বিদায় হাজ্জ। (ই.ফা. ৪৫৪২, ই.সে. ৪৫৪৫)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن زيد بن أرقم، سمعه منه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا تسع عشرة غزوة وحج بعد ما هاجر حجة لم يحج غيرها حجة الوداع .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৮
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا زكرياء، أخبرنا أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة - قال جابر - لم أشهد بدرا ولا أحدا منعني أبي فلما قتل عبد الله يوم أحد لم أتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة قط .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে উনিশটি যুদ্ধ করেছি। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বাদর ও উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার পিতা আমাকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলেন। তারপর যখন উহুদ যুদ্ধে (আমার পিতা) ‘আবদুল্লাহ নিহত হলেন, তারপর থেকে আমি আর কখনো কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পশ্চাৎপদ হইনি। (ই.ফা. ৪৫৪৩, ই.সে. ৪৫৪৬)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সঙ্গে উনিশটি যুদ্ধ করেছি। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বাদর ও উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার পিতা আমাকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলেন। তারপর যখন উহুদ যুদ্ধে (আমার পিতা) ‘আবদুল্লাহ নিহত হলেন, তারপর থেকে আমি আর কখনো কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে পশ্চাৎপদ হইনি। (ই.ফা. ৪৫৪৩, ই.সে. ৪৫৪৬)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا زكرياء، أخبرنا أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة - قال جابر - لم أشهد بدرا ولا أحدا منعني أبي فلما قتل عبد الله يوم أحد لم أتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة قط .
সহিহ মুসলিম ৪৫৯০
وحدثني أحمد بن حنبل، حدثنا معتمر بن سليمان، عن كهمس، عن ابن بريدة، عن أبيه، أنه قال غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ست عشرة غزوة .
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। (ই.ফা. ৪৫৪৫, ই.সে. ৪৫৪৮)
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। (ই.ফা. ৪৫৪৫, ই.সে. ৪৫৪৮)
وحدثني أحمد بن حنبل، حدثنا معتمر بن سليمان، عن كهمس، عن ابن بريدة، عن أبيه، أنه قال غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ست عشرة غزوة .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، ح وحدثنا سعيد بن محمد، الجرمي حدثنا أبو تميلة، قالا جميعا حدثنا حسين بن واقد، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، . قال غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة قاتل في ثمان منهن . ولم يقل أبو بكر منهن . وقال في حديثه حدثني عبد الله بن بريدة .
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনিশটি যুদ্ধে শরীক হন। তন্মধ্যে আটটিতে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। রাবী আবূ বাক্র ‘তন্মধ্যে’ শব্দটি বলেননি বরং তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ্ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন’ বলে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪৪, ই.সে. ৪৫৪৭)
বুরাইদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনিশটি যুদ্ধে শরীক হন। তন্মধ্যে আটটিতে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। রাবী আবূ বাক্র ‘তন্মধ্যে’ শব্দটি বলেননি বরং তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ্ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন’ বলে উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪৪, ই.সে. ৪৫৪৭)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، ح وحدثنا سعيد بن محمد، الجرمي حدثنا أبو تميلة، قالا جميعا حدثنا حسين بن واقد، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، . قال غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة قاتل في ثمان منهن . ولم يقل أبو بكر منهن . وقال في حديثه حدثني عبد الله بن بريدة .
সহিহ মুসলিম ৪৫৯১
حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - وهو ابن أبي عبيد قال سمعت سلمة، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وخرجت فيما يبعث من البعوث تسع غزوات مرة علينا أبو بكر ومرة علينا أسامة بن زيد .
সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি যতগুলো অভিযানে সৈন্য প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে নয়টিতে আমি অংশগ্রহণ করি। একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ বকর (রাঃ) আর একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)। (ই.ফা. ৪৫৪৬, ই.সে. ৪৫৪৯)
সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি যতগুলো অভিযানে সৈন্য প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে নয়টিতে আমি অংশগ্রহণ করি। একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ বকর (রাঃ) আর একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)। (ই.ফা. ৪৫৪৬, ই.সে. ৪৫৪৯)
حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن إسماعيل - عن يزيد، - وهو ابن أبي عبيد قال سمعت سلمة، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وخرجت فيما يبعث من البعوث تسع غزوات مرة علينا أبو بكر ومرة علينا أسامة بن زيد .
সহিহ মুসলিম ৪৫৮৬
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، أن عبد الله بن يزيد، خرج يستسقي بالناس فصلى ركعتين ثم استسقى قال فلقيت يومئذ زيد بن أرقم - وقال - ليس بيني وبينه غير رجل أو بيني وبينه رجل - قال - فقلت له كم غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تسع عشرة فقلت كم غزوت أنت معه قال سبع عشرة غزوة - قال - فقلت فما أول غزوة غزاها قال ذات العسير أو العشير .
আবূ ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) লোকজনকে নিয়ে ইস্তিকার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সলাত আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি দু’রাক’আত সলাত আদায় করলেন, এরপর বৃষ্টির জন্যে দু’আ করলেন। রাবী বলেন, সেদিন আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেন, আমার এবং তাঁর মাঝে একজন ছাড়া কোন লোক ছিল না। অথবা তিনি বলেছেন, আমার এবং তাঁর মাঝে কেবল একজন লোক ছিল, আমি তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতগুলো যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, ঊনিশটি। তখন আমি বললাম, আপনি তাঁর সঙ্গে কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটি যুদ্ধে। রাবী বলেন, তখন আমি প্রশ্ন করলাম, সর্বপ্রথম তিনি কোন্ যুদ্ধটি করেছেন? তিনি বললেন, যাতুল-উসায়র বা যাতুল-উশায়র। (ই.ফা. ৪৫৪১, ই.সে. ৪৫৪৪)
আবূ ইসহাক্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) লোকজনকে নিয়ে ইস্তিকার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সলাত আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি দু’রাক’আত সলাত আদায় করলেন, এরপর বৃষ্টির জন্যে দু’আ করলেন। রাবী বলেন, সেদিন আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেন, আমার এবং তাঁর মাঝে একজন ছাড়া কোন লোক ছিল না। অথবা তিনি বলেছেন, আমার এবং তাঁর মাঝে কেবল একজন লোক ছিল, আমি তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতগুলো যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, ঊনিশটি। তখন আমি বললাম, আপনি তাঁর সঙ্গে কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটি যুদ্ধে। রাবী বলেন, তখন আমি প্রশ্ন করলাম, সর্বপ্রথম তিনি কোন্ যুদ্ধটি করেছেন? তিনি বললেন, যাতুল-উসায়র বা যাতুল-উশায়র। (ই.ফা. ৪৫৪১, ই.সে. ৪৫৪৪)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، أن عبد الله بن يزيد، خرج يستسقي بالناس فصلى ركعتين ثم استسقى قال فلقيت يومئذ زيد بن أرقم - وقال - ليس بيني وبينه غير رجل أو بيني وبينه رجل - قال - فقلت له كم غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تسع عشرة فقلت كم غزوت أنت معه قال سبع عشرة غزوة - قال - فقلت فما أول غزوة غزاها قال ذات العسير أو العشير .
সহিহ মুসলিম ৪৫৯২
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، بهذا الإسناد . غير أنه قال في كلتيهما سبع غزوات .
হাতিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীসটি উল্লেখিত সুত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় উভয় ধরনের সাতটি অভিযানের সংখ্যা বলেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪৭, ই.সে. ৪৫৫০)
হাতিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীসটি উল্লেখিত সুত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় উভয় ধরনের সাতটি অভিযানের সংখ্যা বলেছেন। (ই.ফা. ৪৫৪৭, ই.সে. ৪৫৫০)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، بهذا الإسناد . غير أنه قال في كلتيهما سبع غزوات .