সহিহ মুসলিম > মুনাফিকদের প্রদত্ত কষ্টে আল্লাহর নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু‘আ ও ধৈর্যধারণ
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৩
حدثنا محمد بن عبد الأعلى القيسي، حدثنا المعتمر، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم لو أتيت عبد الله بن أبى قال فانطلق إليه وركب حمارا وانطلق المسلمون وهي أرض سبخة فلما أتاه النبي صلى الله عليه وسلم قال إليك عني فوالله لقد آذاني نتن حمارك . قال فقال رجل من الأنصار والله لحمار رسول الله صلى الله عليه وسلم أطيب ريحا منك - قال - فغضب لعبد الله رجل من قومه - قال - فغضب لكل واحد منهما أصحابه - قال - فكان بينهم ضرب بالجريد وبالأيدي وبالنعال - قال - فبلغنا أنها نزلت فيهم { وإن طائفتان من المؤمنين اقتتلوا فأصلحوا بينهما} .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হলো, (হে আল্লাহ্র রসূল!) যদি আপনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাইর কাছে যেতেন! তিনি তখন একটি গাধায় চড়ে তার কাছে রওনা হলেন। একদল মুসলিমও তাঁর সঙ্গে গেলেন। তাদের পথে পড়লো একটি লোনা ঊষর ভূমি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার কাছে উপস্থিত হলেন, তখন সে বলল, আমার কাছ থেকে দূরে থাকবেন। আল্লাহর কসম! আপনার গাধার দুর্গন্ধ আমাকে বিরক্ত করেছে। রাবী বলেন, তখন আনসারদের একজন উঠে (তৎক্ষণাৎ) জবাব দিলেন, “আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর গাধার গন্ধ তোমার দুর্গন্ধের চেয়ে অনেক উত্তম।” রাবী বলেন, তখন ‘আবদুল্লাহর সম্প্রদায়ের একব্যক্তি ক্ষেপে গেল। রাবী বলেন, তারপর উভয় পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। রাবী বলেন, তখন তাদের মধ্যে লাঠি, হাত ও জুতার দ্বারা মারামারি লেগে গেল। তারপর আমরা জানতে পারলাম তাদের উদ্দেশে কুরআনের আয়াত “যদি ঈমানদারদের দু‘টি দল পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত হয়, তবে তাদের মধ্যে সমঝোতা করে দাও”-(সূরা হুজুরাত ৪৯:৯) নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫১০, ই.সে. ৪৫১২)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হলো, (হে আল্লাহ্র রসূল!) যদি আপনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাইর কাছে যেতেন! তিনি তখন একটি গাধায় চড়ে তার কাছে রওনা হলেন। একদল মুসলিমও তাঁর সঙ্গে গেলেন। তাদের পথে পড়লো একটি লোনা ঊষর ভূমি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার কাছে উপস্থিত হলেন, তখন সে বলল, আমার কাছ থেকে দূরে থাকবেন। আল্লাহর কসম! আপনার গাধার দুর্গন্ধ আমাকে বিরক্ত করেছে। রাবী বলেন, তখন আনসারদের একজন উঠে (তৎক্ষণাৎ) জবাব দিলেন, “আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর গাধার গন্ধ তোমার দুর্গন্ধের চেয়ে অনেক উত্তম।” রাবী বলেন, তখন ‘আবদুল্লাহর সম্প্রদায়ের একব্যক্তি ক্ষেপে গেল। রাবী বলেন, তারপর উভয় পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। রাবী বলেন, তখন তাদের মধ্যে লাঠি, হাত ও জুতার দ্বারা মারামারি লেগে গেল। তারপর আমরা জানতে পারলাম তাদের উদ্দেশে কুরআনের আয়াত “যদি ঈমানদারদের দু‘টি দল পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত হয়, তবে তাদের মধ্যে সমঝোতা করে দাও”-(সূরা হুজুরাত ৪৯:৯) নাযিল হয়েছে। (ই.ফা. ৪৫১০, ই.সে. ৪৫১২)
حدثنا محمد بن عبد الأعلى القيسي، حدثنا المعتمر، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم لو أتيت عبد الله بن أبى قال فانطلق إليه وركب حمارا وانطلق المسلمون وهي أرض سبخة فلما أتاه النبي صلى الله عليه وسلم قال إليك عني فوالله لقد آذاني نتن حمارك . قال فقال رجل من الأنصار والله لحمار رسول الله صلى الله عليه وسلم أطيب ريحا منك - قال - فغضب لعبد الله رجل من قومه - قال - فغضب لكل واحد منهما أصحابه - قال - فكان بينهم ضرب بالجريد وبالأيدي وبالنعال - قال - فبلغنا أنها نزلت فيهم { وإن طائفتان من المؤمنين اقتتلوا فأصلحوا بينهما} .
সহিহ মুসলিম ৪৫৫১
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، - واللفظ لابن رافع - قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، أن أسامة بن زيد، أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم ركب حمارا عليه إكاف تحته قطيفة فدكية وأردف وراءه أسامة وهو يعود سعد بن عبادة في بني الحارث بن الخزرج وذاك قبل وقعة بدر حتى مر بمجلس فيه أخلاط من المسلمين والمشركين عبدة الأوثان واليهود فيهم عبد الله بن أبى وفي المجلس عبد الله بن رواحة فلما غشيت المجلس عجاجة الدابة خمر عبد الله بن أبى أنفه بردائه ثم قال لا تغبروا علينا . فسلم عليهم النبي صلى الله عليه وسلم ثم وقف فنزل فدعاهم إلى الله وقرأ عليهم القرآن فقال عبد الله بن أبى أيها المرء لا أحسن من هذا إن كان ما تقول حقا فلا تؤذنا في مجالسنا وارجع إلى رحلك فمن جاءك منا فاقصص عليه . فقال عبد الله بن رواحة اغشنا في مجالسنا فإنا نحب ذلك . قال فاستب المسلمون والمشركون واليهود حتى هموا أن يتواثبوا فلم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يخفضهم ثم ركب دابته حتى دخل على سعد بن عبادة فقال " أى سعد ألم تسمع إلى ما قال أبو حباب - يريد عبد الله بن أبى - قال كذا وكذا " . قال اعف عنه يا رسول الله واصفح فوالله لقد أعطاك الله الذي أعطاك ولقد اصطلح أهل هذه البحيرة أن يتوجوه فيعصبوه بالعصابة فلما رد الله ذلك بالحق الذي أعطاكه شرق بذلك فذلك فعل به ما رأيت . فعفا عنه النبي صلى الله عليه وسلم .
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গাধায় আরোহণ করলেন যার উপর জীন (বসার গদি) ছিল এবং তার নীচে একটি ফদকী মখমল বিছানো ছিল। তিনি তার পশ্চাতে উসামাহ্ (রাঃ)-কে বসালেন। বানী হারিস ইবনু খাযরাজ গোত্রের এলাকায় তিনি সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ)-কে (অসু্স্হ অবস্থায়) দেখতে যাচ্ছিলেন। এটি ছিল বদর যুদ্ধের পূর্বের ঘটনা। তিনি এমন একটি মাজলিস অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, যেখানে মুসলিম, মুশরিক পৌত্তলিক ও ইয়াহূদীরা একত্রে বসা ছিল। তাদের মধ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাইও ছিল এবং মাজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-ও ছিলেন। যখন মাজলিসটি সাওয়ারীর ধূলায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল, তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই তার নাক চাদর দিয়ে ঢেকে নিল। এরপর বলল, আপনারা আমাদের উপর ধূলি উঠাবেন না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সালাম দিলেন। তারপর তিনি সেখানে থামলেন এবং নামলেন। আর তাদের আল্লাহর পথে দা‘ওয়াত দিলেন এবং তাদের সম্মুখে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই বলে উঠলো, ওহে লোক! আপনি যা বলছেন তা যদি সত্য হয় তবে এর চাইতে উত্তম আর কিছু নয়, তবে আমার মাজলিসে এসে আপনি আমাদের কষ্ট দিবেন না। আপনি আপনার বাসস্থানে ফিরে যান। সেখানে আমাদের মধ্যকার যে ব্যক্তি যায় তার কাছে আপনি এসব উপদেশ পরিবেশন করবেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বলে উঠলেন, “(হে আল্লাহ্র রসূল!)” আমাদের মাজলিসে (যতখুশি ইচ্ছা) ধূলি উড়াবেন। কেননা, আমরা তা পছন্দ করি। তখন মুসলিম, মুশরিক, ইয়াহূদীরা পরস্পরে বাদানুবাদ ও গালগালিতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এমনকি রীতিমত একটি দাঙ্গা বাধার উপক্রম হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিবৃত করতে লাগলেন। তারপর তাঁর বাহনে সাওয়ার হয়ে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ)-এর বাড়ীতে গিয়ে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আয় সা‘দ! তুমি কি শোননি আবূ হুবাব অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই কী বলেছে? সে এরূপ এরূপ কথা বলেছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! ওকে ক্ষমা করে দিন এবং উপেক্ষা করুন। আল্লাহর কসম! আল্লাহ আপনাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন, তা তো দিয়েছেনই। (কিন্তু তার ব্যাপার?) এ জনপদের লোকজন স্থির করেছিল যে, তাকে রাজ মুকুট ও পাগড়ী পরাবে। (অর্থাৎ -তাকে তাদের বাদশাহ্ বানাবে) কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে যে সত্য দান করেছেন,তা দিয়ে যখন আল্লাহ তা‘আলা তার চাওয়া পাওয়াকে রুদ্ধ করে দিলেন, তাতে বিদ্বেষপ্রবণ হয়ে পড়ে। তাই সে এরূপ আচরণ করেছে যা আপনি প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মার্জনা করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৫০৮, ই.সে. ৪৫১০)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গাধায় আরোহণ করলেন যার উপর জীন (বসার গদি) ছিল এবং তার নীচে একটি ফদকী মখমল বিছানো ছিল। তিনি তার পশ্চাতে উসামাহ্ (রাঃ)-কে বসালেন। বানী হারিস ইবনু খাযরাজ গোত্রের এলাকায় তিনি সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ)-কে (অসু্স্হ অবস্থায়) দেখতে যাচ্ছিলেন। এটি ছিল বদর যুদ্ধের পূর্বের ঘটনা। তিনি এমন একটি মাজলিস অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, যেখানে মুসলিম, মুশরিক পৌত্তলিক ও ইয়াহূদীরা একত্রে বসা ছিল। তাদের মধ্যে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাইও ছিল এবং মাজলিসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-ও ছিলেন। যখন মাজলিসটি সাওয়ারীর ধূলায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল, তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই তার নাক চাদর দিয়ে ঢেকে নিল। এরপর বলল, আপনারা আমাদের উপর ধূলি উঠাবেন না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সালাম দিলেন। তারপর তিনি সেখানে থামলেন এবং নামলেন। আর তাদের আল্লাহর পথে দা‘ওয়াত দিলেন এবং তাদের সম্মুখে কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই বলে উঠলো, ওহে লোক! আপনি যা বলছেন তা যদি সত্য হয় তবে এর চাইতে উত্তম আর কিছু নয়, তবে আমার মাজলিসে এসে আপনি আমাদের কষ্ট দিবেন না। আপনি আপনার বাসস্থানে ফিরে যান। সেখানে আমাদের মধ্যকার যে ব্যক্তি যায় তার কাছে আপনি এসব উপদেশ পরিবেশন করবেন। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ) বলে উঠলেন, “(হে আল্লাহ্র রসূল!)” আমাদের মাজলিসে (যতখুশি ইচ্ছা) ধূলি উড়াবেন। কেননা, আমরা তা পছন্দ করি। তখন মুসলিম, মুশরিক, ইয়াহূদীরা পরস্পরে বাদানুবাদ ও গালগালিতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। এমনকি রীতিমত একটি দাঙ্গা বাধার উপক্রম হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিবৃত করতে লাগলেন। তারপর তাঁর বাহনে সাওয়ার হয়ে সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্ (রাঃ)-এর বাড়ীতে গিয়ে প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আয় সা‘দ! তুমি কি শোননি আবূ হুবাব অর্থাৎ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই কী বলেছে? সে এরূপ এরূপ কথা বলেছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! ওকে ক্ষমা করে দিন এবং উপেক্ষা করুন। আল্লাহর কসম! আল্লাহ আপনাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন, তা তো দিয়েছেনই। (কিন্তু তার ব্যাপার?) এ জনপদের লোকজন স্থির করেছিল যে, তাকে রাজ মুকুট ও পাগড়ী পরাবে। (অর্থাৎ -তাকে তাদের বাদশাহ্ বানাবে) কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে যে সত্য দান করেছেন,তা দিয়ে যখন আল্লাহ তা‘আলা তার চাওয়া পাওয়াকে রুদ্ধ করে দিলেন, তাতে বিদ্বেষপ্রবণ হয়ে পড়ে। তাই সে এরূপ আচরণ করেছে যা আপনি প্রত্যক্ষ করেছেন। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মার্জনা করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৫০৮, ই.সে. ৪৫১০)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، - واللفظ لابن رافع - قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، أن أسامة بن زيد، أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم ركب حمارا عليه إكاف تحته قطيفة فدكية وأردف وراءه أسامة وهو يعود سعد بن عبادة في بني الحارث بن الخزرج وذاك قبل وقعة بدر حتى مر بمجلس فيه أخلاط من المسلمين والمشركين عبدة الأوثان واليهود فيهم عبد الله بن أبى وفي المجلس عبد الله بن رواحة فلما غشيت المجلس عجاجة الدابة خمر عبد الله بن أبى أنفه بردائه ثم قال لا تغبروا علينا . فسلم عليهم النبي صلى الله عليه وسلم ثم وقف فنزل فدعاهم إلى الله وقرأ عليهم القرآن فقال عبد الله بن أبى أيها المرء لا أحسن من هذا إن كان ما تقول حقا فلا تؤذنا في مجالسنا وارجع إلى رحلك فمن جاءك منا فاقصص عليه . فقال عبد الله بن رواحة اغشنا في مجالسنا فإنا نحب ذلك . قال فاستب المسلمون والمشركون واليهود حتى هموا أن يتواثبوا فلم يزل النبي صلى الله عليه وسلم يخفضهم ثم ركب دابته حتى دخل على سعد بن عبادة فقال " أى سعد ألم تسمع إلى ما قال أبو حباب - يريد عبد الله بن أبى - قال كذا وكذا " . قال اعف عنه يا رسول الله واصفح فوالله لقد أعطاك الله الذي أعطاك ولقد اصطلح أهل هذه البحيرة أن يتوجوه فيعصبوه بالعصابة فلما رد الله ذلك بالحق الذي أعطاكه شرق بذلك فذلك فعل به ما رأيت . فعفا عنه النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৪৫৫২
حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، - يعني ابن المثنى - حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، في هذا الإسناد بمثله وزاد وذلك قبل أن يسلم عبد الله .
ইবনু শিহাব (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তাতে এতটুকু বর্ধিত অংশ উল্লেখ করেছেন, এটি ‘আবদুল্লাহর (বাহ্যতঃ) ইসলাম গ্রহণের পূর্বের কথা। (ই.ফা. ৪৫০৯, ই.সে. ৪৫১১)
ইবনু শিহাব (রহঃ) -এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তাতে এতটুকু বর্ধিত অংশ উল্লেখ করেছেন, এটি ‘আবদুল্লাহর (বাহ্যতঃ) ইসলাম গ্রহণের পূর্বের কথা। (ই.ফা. ৪৫০৯, ই.সে. ৪৫১১)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين، - يعني ابن المثنى - حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، في هذا الإسناد بمثله وزاد وذلك قبل أن يسلم عبد الله .
সহিহ মুসলিম > আবূ জাহ্লের নিধন
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৪
حدثنا علي بن حجر السعدي، أخبرنا إسماعيل، - يعني ابن علية - حدثنا سليمان، التيمي حدثنا أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من ينظر لنا ما صنع أبو جهل " . فانطلق ابن مسعود فوجده قد ضربه ابنا عفراء حتى برك - قال - فأخذ بلحيته فقال آنت أبو جهل فقال وهل فوق رجل قتلتموه - أو قال - قتله قومه قال وقال أبو مجلز قال أبو جهل فلو غير أكار قتلني .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বাদ্র যুদ্ধের দিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআবূ জাহ্লের কী হলো, কে আমাদের জানাবে? তখন ইবনু মাস‘ঊদ বেরিয়ে গেলেন এবং (যুদ্ধক্ষেত্রে) গিয়ে দেখলেন, আফরা-এর দু’পুত্র তাকে এমনি আঘাত করেছে যে, সে ঠান্ডা হয়ে গেছে। রাবী বলেন, তখন ইবনু মাস‘ঊদ তার দাড়ি ধরে বললেন, তুমিই কি আবূ জাহ্ল? সে বলল, তার চাইতেও উত্তম কাউকে তোমরা হত্যা করেছ? অথবা সে বলল, “যাকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা হত্যা করেছে?” রাবী বলেন, আবূ মিজলায (রহঃ) বলেছেন, আবূ জাহ্ল বলেছে, হায়! চাষা ছাড়া অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করতো। (ই.ফা. ৪৫১১, ই.সে. ৪৫১৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (বাদ্র যুদ্ধের দিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআবূ জাহ্লের কী হলো, কে আমাদের জানাবে? তখন ইবনু মাস‘ঊদ বেরিয়ে গেলেন এবং (যুদ্ধক্ষেত্রে) গিয়ে দেখলেন, আফরা-এর দু’পুত্র তাকে এমনি আঘাত করেছে যে, সে ঠান্ডা হয়ে গেছে। রাবী বলেন, তখন ইবনু মাস‘ঊদ তার দাড়ি ধরে বললেন, তুমিই কি আবূ জাহ্ল? সে বলল, তার চাইতেও উত্তম কাউকে তোমরা হত্যা করেছ? অথবা সে বলল, “যাকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা হত্যা করেছে?” রাবী বলেন, আবূ মিজলায (রহঃ) বলেছেন, আবূ জাহ্ল বলেছে, হায়! চাষা ছাড়া অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করতো। (ই.ফা. ৪৫১১, ই.সে. ৪৫১৩)
حدثنا علي بن حجر السعدي، أخبرنا إسماعيل، - يعني ابن علية - حدثنا سليمان، التيمي حدثنا أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من ينظر لنا ما صنع أبو جهل " . فانطلق ابن مسعود فوجده قد ضربه ابنا عفراء حتى برك - قال - فأخذ بلحيته فقال آنت أبو جهل فقال وهل فوق رجل قتلتموه - أو قال - قتله قومه قال وقال أبو مجلز قال أبو جهل فلو غير أكار قتلني .
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৫
حدثنا حامد بن عمر البكراوي، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي يقول، حدثنا أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يعلم لي ما فعل أبو جهل " . بمثل حديث ابن علية وقول أبي مجلز كما ذكره إسماعيل .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাতে তিনি বলেন, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “আবূ জাহ্ল কি করলো, তা কে আমার পক্ষ থেকে জেনে আসবে? অতঃপর তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্ ও আবূ মিজলায (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যেমন ইসমা‘ঈল (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫১২, ই.সে. ৪৫১৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাতে তিনি বলেন, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, “আবূ জাহ্ল কি করলো, তা কে আমার পক্ষ থেকে জেনে আসবে? অতঃপর তিনি ইবনু ‘উলাইয়্যাহ্ ও আবূ মিজলায (রহঃ)-এর অনুরূপ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, যেমন ইসমা‘ঈল (রহঃ) বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫১২, ই.সে. ৪৫১৪)
حدثنا حامد بن عمر البكراوي، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي يقول، حدثنا أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من يعلم لي ما فعل أبو جهل " . بمثل حديث ابن علية وقول أبي مجلز كما ذكره إسماعيل .
সহিহ মুসলিম > ইয়াহূদী নেতা কা‘ব ইবনু আশরাফের হত্যা
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৬
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وعبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور، الزهري كلاهما عن ابن عيينة، - واللفظ للزهري - حدثنا سفيان، عن عمرو، سمعت جابرا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من لكعب بن الأشرف فإنه قد آذى الله ورسوله " . فقال محمد بن مسلمة يا رسول الله أتحب أن أقتله قال " نعم " . قال ائذن لي فلأقل قال " قل " . فأتاه فقال له وذكر ما بينهما وقال إن هذا الرجل قد أراد صدقة وقد عنانا . فلما سمعه قال وأيضا والله لتملنه . قال إنا قد اتبعناه الآن ونكره أن ندعه حتى ننظر إلى أى شىء يصير أمره - قال - وقد أردت أن تسلفني سلفا قال فما ترهنني قال ما تريد . قال ترهنني نساءكم قال أنت أجمل العرب أنرهنك نساءنا قال له ترهنوني أولادكم . قال يسب ابن أحدنا فيقال رهن في وسقين من تمر . ولكن نرهنك اللأمة - يعني السلاح - قال فنعم . وواعده أن يأتيه بالحارث وأبي عبس بن جبر وعباد بن بشر قال فجاءوا فدعوه ليلا فنزل إليهم قال سفيان قال غير عمرو قالت له امرأته إني لأسمع صوتا كأنه صوت دم قال إنما هذا محمد بن مسلمة ورضيعه وأبو نائلة إن الكريم لو دعي إلى طعنة ليلا لأجاب . قال محمد إني إذا جاء فسوف أمد يدي إلى رأسه فإذا استمكنت منه فدونكم قال فلما نزل نزل وهو متوشح فقالوا نجد منك ريح الطيب قال نعم تحتي فلانة هي أعطر نساء العرب . قال فتأذن لي أن أشم منه قال نعم فشم . فتناول فشم ثم قال أتأذن لي أن أعود قال فاستمكن من رأسه ثم قال دونكم . قال فقتلوه .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃকা‘ব ইবনু আশরাফের (নিধনের) জন্য কে আছ? কেননা, সে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কষ্ট দিয়েছে। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে আমাকে (প্রয়োজনমত যা ইচ্ছা) বলার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, বলো। তারপর তিনি তার কাছে এলেন। তিনি (কথা প্রসঙ্গে তাদের পূর্বেকার) পারস্পরিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন, “এ ব্যক্তি তো (অর্থাৎ -নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সদাকাহ্ উসূল করতে চায় এবং সে আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে।” সে যখন তা শুনতে পেলো, তখন বললো, আরো অপেক্ষা কর। আল্লাহর কসম, সে তোমাদের কষ্ট দেবেই। তখন তিনি বললেন, আমরা সবেমাত্র তারঁ অনুসারী হয়েছি। তাই ব্যাপারটি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা না দেখে এ মুহূর্তেই তাকে ছেড়ে যাওয়াটা ঠিক মনে করছি না। এখন আমি চাই তুমি আমাকে কিছু ধার দাও। সে বলল, তুমি আমার কাছে কিছু বন্ধক রাখবে? তিনি বললেন, তুমি কী চাও? সে বলল, তোমাদের রমণীদের আমার কাছে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, “তুমি হলে আরবের সবচাইতে সুন্দর পুরুষ। তোমার কাছে বন্ধক রাখব আমাদের রমণীদের?” তখন সে বলল, ‘তাহলে তোমাদের সন্তানদের আমার কাছে বন্ধক রাখ।’ জবাবে তিনি বললেন, “আমাদের কারো সন্তানকে এ বলে গালি দেয়া হবে যে, তাকে মাত্র দু‘ওসাক (৫ মণ আড়াই সের পরিমাণ) খেজুরের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছিল। আমরা বরং তোমাদের কাছে যুদ্ধাস্ত্র বন্ধক রাখবো। সে বলল, “ঠিক আছে।” তখন তার সাথে ওয়া‘দাবদ্ধ হলেন যে, হারিস, আবূ আবস ইবনু জাব্র ও ‘আব্বাদ ইবনু বিশ্রসহ তার কাছে আসবেন। তারপর রাতের বেলা তাঁরা তার কাছে আসলেন এবং তাকে ডাকলেন। সে তাদের কাছে নেমে এল। রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, রাবী ‘আম্র ব্যতীত অন্য রাবী বলেন, তখন তার স্ত্রী তাকে বলল, আমি এমন একটি আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি তা যেন খুনের স্বর। সে বলল, এ হচ্ছে মুহাম্মাদ আর তার দুধভাই আবূ নায়িলাহ্। সম্ভ্র্রান্ত লোককে যদি রাতের বেলা বর্শাবিদ্ধ হওয়ার দিকে ডাকা হয় তবুও সে ডাকে সে সাড়া দেয়। মুহাম্মাদ (তার সঙ্গীদের) বললেন, সে যখন আসবে, তখন আমি তার মাথা লক্ষ্য করে আমার হাত বাড়াবো। যখন আমি তা ভালমতো ধরে নেবো, তখন তোমরা তোমাদের কাজ সেরে নেবে। তিনি বলেন, তারপর সে গায়ে চাদর জড়িয়ে নীচে নেমে এল। তাঁরা বললেন, আমরা তোমার নিকট থেকে অতি সুঘ্রাণ পাচ্ছি। সে বলল, হ্যাঁ, আমার স্ত্রী অমুক হচ্ছে আরবের সর্বাধিক সুগন্ধ-পছন্দ মহিলা। তখন তিনি বললেন, “আমাকে তা থেকে একটু সুবাস নিতে অনুমতি দিবেন?” তখন সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তার মাথা শুঁকলেন। তারপর আবার শুঁকলেন। এরপর পুনরায় বললেন, আমাকে কি আবারও একটু ঘ্রাণ নিতে দিবেন? এ কথা বলে তিনি তার মাথা শক্ত করে ধরে সাথীদের বললেন, তোমরা সেরে ফেল। তিনি বলেন, তখন তাঁরা তাকে হত্যা করে ফেললো। (ই.ফা. ৪৫১৩, ই.সে. ৪৫১৫)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃকা‘ব ইবনু আশরাফের (নিধনের) জন্য কে আছ? কেননা, সে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে কষ্ট দিয়েছে। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে আমাকে (প্রয়োজনমত যা ইচ্ছা) বলার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, বলো। তারপর তিনি তার কাছে এলেন। তিনি (কথা প্রসঙ্গে তাদের পূর্বেকার) পারস্পরিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেন এবং বললেন, “এ ব্যক্তি তো (অর্থাৎ -নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সদাকাহ্ উসূল করতে চায় এবং সে আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে।” সে যখন তা শুনতে পেলো, তখন বললো, আরো অপেক্ষা কর। আল্লাহর কসম, সে তোমাদের কষ্ট দেবেই। তখন তিনি বললেন, আমরা সবেমাত্র তারঁ অনুসারী হয়েছি। তাই ব্যাপারটি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা না দেখে এ মুহূর্তেই তাকে ছেড়ে যাওয়াটা ঠিক মনে করছি না। এখন আমি চাই তুমি আমাকে কিছু ধার দাও। সে বলল, তুমি আমার কাছে কিছু বন্ধক রাখবে? তিনি বললেন, তুমি কী চাও? সে বলল, তোমাদের রমণীদের আমার কাছে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, “তুমি হলে আরবের সবচাইতে সুন্দর পুরুষ। তোমার কাছে বন্ধক রাখব আমাদের রমণীদের?” তখন সে বলল, ‘তাহলে তোমাদের সন্তানদের আমার কাছে বন্ধক রাখ।’ জবাবে তিনি বললেন, “আমাদের কারো সন্তানকে এ বলে গালি দেয়া হবে যে, তাকে মাত্র দু‘ওসাক (৫ মণ আড়াই সের পরিমাণ) খেজুরের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছিল। আমরা বরং তোমাদের কাছে যুদ্ধাস্ত্র বন্ধক রাখবো। সে বলল, “ঠিক আছে।” তখন তার সাথে ওয়া‘দাবদ্ধ হলেন যে, হারিস, আবূ আবস ইবনু জাব্র ও ‘আব্বাদ ইবনু বিশ্রসহ তার কাছে আসবেন। তারপর রাতের বেলা তাঁরা তার কাছে আসলেন এবং তাকে ডাকলেন। সে তাদের কাছে নেমে এল। রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, রাবী ‘আম্র ব্যতীত অন্য রাবী বলেন, তখন তার স্ত্রী তাকে বলল, আমি এমন একটি আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি তা যেন খুনের স্বর। সে বলল, এ হচ্ছে মুহাম্মাদ আর তার দুধভাই আবূ নায়িলাহ্। সম্ভ্র্রান্ত লোককে যদি রাতের বেলা বর্শাবিদ্ধ হওয়ার দিকে ডাকা হয় তবুও সে ডাকে সে সাড়া দেয়। মুহাম্মাদ (তার সঙ্গীদের) বললেন, সে যখন আসবে, তখন আমি তার মাথা লক্ষ্য করে আমার হাত বাড়াবো। যখন আমি তা ভালমতো ধরে নেবো, তখন তোমরা তোমাদের কাজ সেরে নেবে। তিনি বলেন, তারপর সে গায়ে চাদর জড়িয়ে নীচে নেমে এল। তাঁরা বললেন, আমরা তোমার নিকট থেকে অতি সুঘ্রাণ পাচ্ছি। সে বলল, হ্যাঁ, আমার স্ত্রী অমুক হচ্ছে আরবের সর্বাধিক সুগন্ধ-পছন্দ মহিলা। তখন তিনি বললেন, “আমাকে তা থেকে একটু সুবাস নিতে অনুমতি দিবেন?” তখন সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তার মাথা শুঁকলেন। তারপর আবার শুঁকলেন। এরপর পুনরায় বললেন, আমাকে কি আবারও একটু ঘ্রাণ নিতে দিবেন? এ কথা বলে তিনি তার মাথা শক্ত করে ধরে সাথীদের বললেন, তোমরা সেরে ফেল। তিনি বলেন, তখন তাঁরা তাকে হত্যা করে ফেললো। (ই.ফা. ৪৫১৩, ই.সে. ৪৫১৫)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وعبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن المسور، الزهري كلاهما عن ابن عيينة، - واللفظ للزهري - حدثنا سفيان، عن عمرو، سمعت جابرا، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من لكعب بن الأشرف فإنه قد آذى الله ورسوله " . فقال محمد بن مسلمة يا رسول الله أتحب أن أقتله قال " نعم " . قال ائذن لي فلأقل قال " قل " . فأتاه فقال له وذكر ما بينهما وقال إن هذا الرجل قد أراد صدقة وقد عنانا . فلما سمعه قال وأيضا والله لتملنه . قال إنا قد اتبعناه الآن ونكره أن ندعه حتى ننظر إلى أى شىء يصير أمره - قال - وقد أردت أن تسلفني سلفا قال فما ترهنني قال ما تريد . قال ترهنني نساءكم قال أنت أجمل العرب أنرهنك نساءنا قال له ترهنوني أولادكم . قال يسب ابن أحدنا فيقال رهن في وسقين من تمر . ولكن نرهنك اللأمة - يعني السلاح - قال فنعم . وواعده أن يأتيه بالحارث وأبي عبس بن جبر وعباد بن بشر قال فجاءوا فدعوه ليلا فنزل إليهم قال سفيان قال غير عمرو قالت له امرأته إني لأسمع صوتا كأنه صوت دم قال إنما هذا محمد بن مسلمة ورضيعه وأبو نائلة إن الكريم لو دعي إلى طعنة ليلا لأجاب . قال محمد إني إذا جاء فسوف أمد يدي إلى رأسه فإذا استمكنت منه فدونكم قال فلما نزل نزل وهو متوشح فقالوا نجد منك ريح الطيب قال نعم تحتي فلانة هي أعطر نساء العرب . قال فتأذن لي أن أشم منه قال نعم فشم . فتناول فشم ثم قال أتأذن لي أن أعود قال فاستمكن من رأسه ثم قال دونكم . قال فقتلوه .
সহিহ মুসলিম > খাইবার যুদ্ধ
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৯
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، قالا أخبرنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال لما أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر قال " إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারে এলেন, তখন বললেন, আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় পৌঁছি, তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। (ই.ফা. ৪৫১৬, ই.সে. ৪৫১৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারে এলেন, তখন বললেন, আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় পৌঁছি, তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। (ই.ফা. ৪৫১৬, ই.সে. ৪৫১৮)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وإسحاق بن منصور، قالا أخبرنا النضر بن شميل، أخبرنا شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال لما أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر قال " إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " .
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৭
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، بن صهيب عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر قال فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة وأنا رديف أبي طلحة فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وانحسر الإزار عن فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما دخل القرية قال " الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قالها ثلاث مرار قال وقد خرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد - قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا - والخميس قال وأصبناها عنوة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধে যাত্রা করেন। আমরা সেদিন তাঁর সঙ্গে সকালের সলাত (ফাজ্র) অন্ধকারে আদায় করি। তারপর আল্লাহর -নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বাহনে আরোহণ করলেন এবং আবূ তালহাহ্ (রাঃ)–ও তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করলেন। আর আমি (আরোহী) ছিলাম আবূ তালহার পশ্চাতে। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের গলিপথে চললেন। (আমরা এত পাশাপাশি পথ চলছিলাম যে) আমার হাঁটু আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরু স্পর্শ করেছিল। এমন সময় আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর লুঙ্গি তাঁর উরুদেশ থেকে সরে গেল। আর আমি আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুর শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি যখন খাইবারের জনপদে প্রবেশ করলেন, তখন বললেনঃআল্লাহু আকবার, খাইবার ধ্বংস হলো। আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় পৌঁছি, তখন যাদের সতর্ক করা হয়েছে, তাদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। তিনি এ কথা তিনবার বললেন। রাবী বলেন, লোকজন তাদের কাজ- কর্মে বেরিয়ে গেল। তারা বলে উঠলো, “মুহাম্মাদ (এসে পড়েছেন দেখছি)”। রাবী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন সঙ্গী বললেন, আর তাঁর পঞ্চভুজবিশিষ্ট বাহিনীও। রাবী বলেন, আমরা প্রভাব বিস্তার করে তা জয় করে নিলাম। (ই.ফা. ৪৫১৪, ই.সে. ৪৫১৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের যুদ্ধে যাত্রা করেন। আমরা সেদিন তাঁর সঙ্গে সকালের সলাত (ফাজ্র) অন্ধকারে আদায় করি। তারপর আল্লাহর -নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বাহনে আরোহণ করলেন এবং আবূ তালহাহ্ (রাঃ)–ও তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করলেন। আর আমি (আরোহী) ছিলাম আবূ তালহার পশ্চাতে। আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবারের গলিপথে চললেন। (আমরা এত পাশাপাশি পথ চলছিলাম যে) আমার হাঁটু আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরু স্পর্শ করেছিল। এমন সময় আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর লুঙ্গি তাঁর উরুদেশ থেকে সরে গেল। আর আমি আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুর শুভ্রতা দেখতে পেলাম। তিনি যখন খাইবারের জনপদে প্রবেশ করলেন, তখন বললেনঃআল্লাহু আকবার, খাইবার ধ্বংস হলো। আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় পৌঁছি, তখন যাদের সতর্ক করা হয়েছে, তাদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। তিনি এ কথা তিনবার বললেন। রাবী বলেন, লোকজন তাদের কাজ- কর্মে বেরিয়ে গেল। তারা বলে উঠলো, “মুহাম্মাদ (এসে পড়েছেন দেখছি)”। রাবী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন সঙ্গী বললেন, আর তাঁর পঞ্চভুজবিশিষ্ট বাহিনীও। রাবী বলেন, আমরা প্রভাব বিস্তার করে তা জয় করে নিলাম। (ই.ফা. ৪৫১৪, ই.সে. ৪৫১৬)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، بن صهيب عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر قال فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة وأنا رديف أبي طلحة فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وانحسر الإزار عن فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما دخل القرية قال " الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قالها ثلاث مرار قال وقد خرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد - قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا - والخميس قال وأصبناها عنوة .
সহিহ মুসলিম ৪৫৫৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال كنت ردف أبي طلحة يوم خيبر وقدمي تمس قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فأتيناهم حين بزغت الشمس وقد أخرجوا مواشيهم وخرجوا بفئوسهم ومكاتلهم ومرورهم فقالوا محمد والخميس . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قال فهزمهم الله عز وجل .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,খাইবারের যুদ্ধের দিন আমি আবূ তালহার পিছনে (একই ঘোড়ার পিঠে সওয়ার) ছিলাম। আমার দু’পা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদদ্বয়কে স্পর্শ করছিল। রাবী বলেন, সূর্যোদয়ের সময়ে আমরা সেখানে এলাম। তখন লোকজন তাদের পশুগুলো সবেমাত্র ঘর থেকে বের করেছে এবং তারা তাদের কোদাল কুড়াল, রশি –জাম্বিল নিয়ে (কাজের জন্য) বেরিয়ে পড়েছে। তখন তারা (সবিষ্ময়ে) বলল, “মুহাম্মাদ এবং পঞ্চভুজবিশিষ্ট বাহিনী!” রাবী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃখাইবার ধ্বংস হলো। আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। রাবী বলেন, মহান আল্লাহ তা‘আলা তাদের ধ্বংস করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৫১৫, ই.সে. ৪৫১৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,খাইবারের যুদ্ধের দিন আমি আবূ তালহার পিছনে (একই ঘোড়ার পিঠে সওয়ার) ছিলাম। আমার দু’পা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদদ্বয়কে স্পর্শ করছিল। রাবী বলেন, সূর্যোদয়ের সময়ে আমরা সেখানে এলাম। তখন লোকজন তাদের পশুগুলো সবেমাত্র ঘর থেকে বের করেছে এবং তারা তাদের কোদাল কুড়াল, রশি –জাম্বিল নিয়ে (কাজের জন্য) বেরিয়ে পড়েছে। তখন তারা (সবিষ্ময়ে) বলল, “মুহাম্মাদ এবং পঞ্চভুজবিশিষ্ট বাহিনী!” রাবী বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃখাইবার ধ্বংস হলো। আমরা যখন কোন কাওমের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত অশুভ হয়ে যায়। রাবী বলেন, মহান আল্লাহ তা‘আলা তাদের ধ্বংস করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৫১৫, ই.সে. ৪৫১৭)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال كنت ردف أبي طلحة يوم خيبر وقدمي تمس قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فأتيناهم حين بزغت الشمس وقد أخرجوا مواشيهم وخرجوا بفئوسهم ومكاتلهم ومرورهم فقالوا محمد والخميس . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قال فهزمهم الله عز وجل .
সহিহ মুসলিম ৪৫৬০
حدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عباد، - واللفظ لابن عباد - قالا حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن يزيد بن أبي عبيد، مولى سلمة بن الأكوع عن سلمة بن الأكوع، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى خيبر فتسيرنا ليلا فقال رجل من القوم لعامر بن الأكوع ألا تسمعنا من هنيهاتك وكان عامر رجلا شاعرا فنزل يحدو بالقوم يقول اللهم لولا أنت ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فاغفر فداء لك ما اقتفينا وثبت الأقدام إن لاقينا وألقين سكينة علينا إنا إذا صيح بنا أتينا وبالصياح عولوا علينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هذا السائق " . قالوا عامر . قال " يرحمه الله " . فقال رجل من القوم وجبت يا رسول الله لولا أمتعتنا به . قال فأتينا خيبر فحصرناهم حتى أصابتنا مخمصة شديدة ثم قال " إن الله فتحها عليكم " . قال فلما أمسى الناس مساء اليوم الذي فتحت عليهم أوقدوا نيرانا كثيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذه النيران على أى شىء توقدون " . فقالوا على لحم . قال " أى لحم " . قالوا لحم حمر الإنسية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أهريقوها واكسروها " . فقال رجل أو يهريقوها ويغسلوها فقال " أو ذاك " . قال فلما تصاف القوم كان سيف عامر فيه قصر فتناول به ساق يهودي ليضربه ويرجع ذباب سيفه فأصاب ركبة عامر فمات منه قال فلما قفلوا قال سلمة وهو آخذ بيدي قال فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم ساكتا قال " ما لك " . قلت له فداك أبي وأمي زعموا أن عامرا حبط عمله قال " من قاله " . قلت فلان وفلان وأسيد بن حضير الأنصاري فقال " كذب من قاله إن له لأجرين " . وجمع بين إصبعيه " إنه لجاهد مجاهد قل عربي مشى بها مثله " . وخالف قتيبة محمدا في الحديث في حرفين وفي رواية ابن عباد وألق سكينة علينا .
সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে বের হলাম। আমরা রাতের বেলা (এ অভিযানে) বেরিয়েছিলাম। তখন এক ব্যক্তি (আমার ভাই) ‘আমির ইবনু আকওয়া (রাঃ)-কে বললোঃ “ওহে! তুমি কি তোমার রণ সঙ্গীত থেকে আমাদেরকে কিছু শুনাবে না?” ‘আমির (রাঃ) ছিলেন একজন কবি। তখন তিনি সওয়ারী থেকে অবতরণ করে সকলকে শুনিয়ে শুনিয়ে তাঁর হুদী সঙ্গীত আবৃত্তি করতে করতে লোকদেরকে হাঁকিয়ে নিয়ে চললেন: “ইয়া আল্লাহ! আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না, আমরা সদাকাহ্ ও সলাত আদায় করতাম না। আপনার জন্য আমাদের জান কুরবান, আমাদের পিছনের সকল অপরাধ আপনি ক্ষমা করে দিন, যতদিন আমরা আপনার আনুগত্য করব। শক্রুর সম্মুখীন হলে আমাদের পা অটল রাখুন। আমাদের উপর শান্তি বর্ষণ করুন। যখন আমাদের ডাকা হয় আমরা উপস্হিত হই। এবং তারাই চীৎকার দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে লোক জমা করে।” তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “এ চালকটি কে?” সাহাবীগণ বললেন, ‘আমির’। তিনি বললেন, ‘আল্লাহ তার প্রতি রহমাত করুন।’ তখন গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, “তাঁর জন্য তো শাহাদাত অবধারিত হয়ে গেছে, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আমাদের যদি তাঁর দ্বারা আরো উপকৃত করতেন, (তবে ভাল হত)। রাবী বলেন, তারপর আমরা খাইবারে এসে তাদের ঘেরাও করলাম। (অবরোধ দীর্ঘ হল) এমনকি আমাদের দারুন খাদ্যভাব দেখা দিল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃনিঃসন্দেহে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তাদের বিজয় দান করেছেন। তারপর বিজয়ের দিন যখন লোকদের সন্ধ্যা হলো তখন তারা বহু স্থানে আগুন জ্বালালো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ আগুন কিসের? কিসের উপর (কী রান্না করার জন্যে) লোকজন এ আগুন জ্বালাচ্ছে? তারা বললেন, গোশ্ত। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কিসের গোশ্ত? তারা বললেন, গৃহপালিত গাধার গোশ্ত। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএগুলো ফেলে দাও আর রান্নাপাত্রগুলো ভেঙ্গে ফেল। এক ব্যক্তি বলল, তারা কি এগুলো ফেলে দেবে এবং রান্নার পাত্রগুলো ধুয়ে ফেলবে? তিনি বললেনঃতা হতে পারে। রাবী বলেন, এরপর যখন লোকজন (যুদ্ধের জন্য) সারিবদ্ধ হল, ‘আমিরের তরবারিখানা ছিল খাটো। তিনি জনৈক ইয়াহূদীর পায়ের নলা লক্ষ্য করে যে আঘাত করলেন সে আঘাত ফিরে এসে ‘আমিরের হাটুতে লাগে, এতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তারপর যখন লোকজন (খাইবার থেকে) ফিরে এলো, তখন সালামাহ্ আমার হাত ধরে বললেন, (রাবী বললেন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আমাকে নির্বাক অবস্থায় দেখতে পেলেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, “আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! লোকজনের ধারণা ‘আমির (আত্মহত্যা) করে তাঁর (সারা জীবনের) ‘আমাল বরবাদ করে দিয়েছেন।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তা কে বলেছে? আমি বললাম, অমুক অমুক এবং উসায়দ ইবনু হুযায়র আনসারী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃযে এরূপ বলেছে, সে মিথ্যা বলেছে। অবশ্যই তার (‘আমিরের) জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। তখন তিনি তাঁর দু’টি আঙ্গুল একত্রিত করলেন (এবং বললেন), সে (আল্লাহর রাস্তায়) সত্যিকার যোদ্ধা ও মুজাহিদ। খুব কম আরবই তাঁর মতো চলেছে (বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছে)। কুতাইবাহ্ এ হাদীস বর্ণনায় মুহাম্মাদের সাথে দু’টি শব্দে দ্বিমত করেছেন। ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছে (আরবি)। (ই.ফা. ৪৫১৭, ই.সে. ৪৫১৯)
সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে খাইবার অভিযানে বের হলাম। আমরা রাতের বেলা (এ অভিযানে) বেরিয়েছিলাম। তখন এক ব্যক্তি (আমার ভাই) ‘আমির ইবনু আকওয়া (রাঃ)-কে বললোঃ “ওহে! তুমি কি তোমার রণ সঙ্গীত থেকে আমাদেরকে কিছু শুনাবে না?” ‘আমির (রাঃ) ছিলেন একজন কবি। তখন তিনি সওয়ারী থেকে অবতরণ করে সকলকে শুনিয়ে শুনিয়ে তাঁর হুদী সঙ্গীত আবৃত্তি করতে করতে লোকদেরকে হাঁকিয়ে নিয়ে চললেন: “ইয়া আল্লাহ! আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না, আমরা সদাকাহ্ ও সলাত আদায় করতাম না। আপনার জন্য আমাদের জান কুরবান, আমাদের পিছনের সকল অপরাধ আপনি ক্ষমা করে দিন, যতদিন আমরা আপনার আনুগত্য করব। শক্রুর সম্মুখীন হলে আমাদের পা অটল রাখুন। আমাদের উপর শান্তি বর্ষণ করুন। যখন আমাদের ডাকা হয় আমরা উপস্হিত হই। এবং তারাই চীৎকার দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে লোক জমা করে।” তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “এ চালকটি কে?” সাহাবীগণ বললেন, ‘আমির’। তিনি বললেন, ‘আল্লাহ তার প্রতি রহমাত করুন।’ তখন গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, “তাঁর জন্য তো শাহাদাত অবধারিত হয়ে গেছে, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আমাদের যদি তাঁর দ্বারা আরো উপকৃত করতেন, (তবে ভাল হত)। রাবী বলেন, তারপর আমরা খাইবারে এসে তাদের ঘেরাও করলাম। (অবরোধ দীর্ঘ হল) এমনকি আমাদের দারুন খাদ্যভাব দেখা দিল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃনিঃসন্দেহে আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তাদের বিজয় দান করেছেন। তারপর বিজয়ের দিন যখন লোকদের সন্ধ্যা হলো তখন তারা বহু স্থানে আগুন জ্বালালো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ আগুন কিসের? কিসের উপর (কী রান্না করার জন্যে) লোকজন এ আগুন জ্বালাচ্ছে? তারা বললেন, গোশ্ত। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: কিসের গোশ্ত? তারা বললেন, গৃহপালিত গাধার গোশ্ত। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএগুলো ফেলে দাও আর রান্নাপাত্রগুলো ভেঙ্গে ফেল। এক ব্যক্তি বলল, তারা কি এগুলো ফেলে দেবে এবং রান্নার পাত্রগুলো ধুয়ে ফেলবে? তিনি বললেনঃতা হতে পারে। রাবী বলেন, এরপর যখন লোকজন (যুদ্ধের জন্য) সারিবদ্ধ হল, ‘আমিরের তরবারিখানা ছিল খাটো। তিনি জনৈক ইয়াহূদীর পায়ের নলা লক্ষ্য করে যে আঘাত করলেন সে আঘাত ফিরে এসে ‘আমিরের হাটুতে লাগে, এতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তারপর যখন লোকজন (খাইবার থেকে) ফিরে এলো, তখন সালামাহ্ আমার হাত ধরে বললেন, (রাবী বললেন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আমাকে নির্বাক অবস্থায় দেখতে পেলেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, “আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবান হোক! লোকজনের ধারণা ‘আমির (আত্মহত্যা) করে তাঁর (সারা জীবনের) ‘আমাল বরবাদ করে দিয়েছেন।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তা কে বলেছে? আমি বললাম, অমুক অমুক এবং উসায়দ ইবনু হুযায়র আনসারী। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃযে এরূপ বলেছে, সে মিথ্যা বলেছে। অবশ্যই তার (‘আমিরের) জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। তখন তিনি তাঁর দু’টি আঙ্গুল একত্রিত করলেন (এবং বললেন), সে (আল্লাহর রাস্তায়) সত্যিকার যোদ্ধা ও মুজাহিদ। খুব কম আরবই তাঁর মতো চলেছে (বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছে)। কুতাইবাহ্ এ হাদীস বর্ণনায় মুহাম্মাদের সাথে দু’টি শব্দে দ্বিমত করেছেন। ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছে (আরবি)। (ই.ফা. ৪৫১৭, ই.সে. ৪৫১৯)
حدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عباد، - واللفظ لابن عباد - قالا حدثنا حاتم، - وهو ابن إسماعيل - عن يزيد بن أبي عبيد، مولى سلمة بن الأكوع عن سلمة بن الأكوع، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى خيبر فتسيرنا ليلا فقال رجل من القوم لعامر بن الأكوع ألا تسمعنا من هنيهاتك وكان عامر رجلا شاعرا فنزل يحدو بالقوم يقول اللهم لولا أنت ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فاغفر فداء لك ما اقتفينا وثبت الأقدام إن لاقينا وألقين سكينة علينا إنا إذا صيح بنا أتينا وبالصياح عولوا علينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من هذا السائق " . قالوا عامر . قال " يرحمه الله " . فقال رجل من القوم وجبت يا رسول الله لولا أمتعتنا به . قال فأتينا خيبر فحصرناهم حتى أصابتنا مخمصة شديدة ثم قال " إن الله فتحها عليكم " . قال فلما أمسى الناس مساء اليوم الذي فتحت عليهم أوقدوا نيرانا كثيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذه النيران على أى شىء توقدون " . فقالوا على لحم . قال " أى لحم " . قالوا لحم حمر الإنسية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أهريقوها واكسروها " . فقال رجل أو يهريقوها ويغسلوها فقال " أو ذاك " . قال فلما تصاف القوم كان سيف عامر فيه قصر فتناول به ساق يهودي ليضربه ويرجع ذباب سيفه فأصاب ركبة عامر فمات منه قال فلما قفلوا قال سلمة وهو آخذ بيدي قال فلما رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم ساكتا قال " ما لك " . قلت له فداك أبي وأمي زعموا أن عامرا حبط عمله قال " من قاله " . قلت فلان وفلان وأسيد بن حضير الأنصاري فقال " كذب من قاله إن له لأجرين " . وجمع بين إصبعيه " إنه لجاهد مجاهد قل عربي مشى بها مثله " . وخالف قتيبة محمدا في الحديث في حرفين وفي رواية ابن عباد وألق سكينة علينا .
সহিহ মুসলিম ৪৫৬১
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الرحمن، - ونسبه غير ابن وهب فقال ابن عبد الله بن كعب بن مالك - أن سلمة، بن الأكوع قال لما كان يوم خيبر قاتل أخي قتالا شديدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فارتد عليه سيفه فقتله فقال أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك وشكوا فيه رجل مات في سلاحه . وشكوا في بعض أمره . قال سلمة فقفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر فقلت يا رسول الله ائذن لي أن أرجز لك . فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر بن الخطاب أعلم ما تقول قال فقلت والله لولا الله ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدقت " . وأنزلن سكينة علينا وثبت الأقدام إن لاقينا والمشركون قد بغوا علينا قال فلما قضيت رجزي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال هذا " . قلت قاله أخي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يرحمه الله " . قال فقلت يا رسول الله إن ناسا ليهابون الصلاة عليه يقولون رجل مات بسلاحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مات جاهدا مجاهدا " . قال ابن شهاب ثم سألت ابنا لسلمة بن الأكوع فحدثني عن أبيه مثل ذلك غير أنه قال - حين قلت إن ناسا يهابون الصلاة عليه - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كذبوا مات جاهدا مجاهدا فله أجره مرتين " . وأشار بإصبعيه .
সালামাহ্ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবারের যুদ্ধের দিন আমার ভাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে থেকে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন। তাঁর তরবারি ফিরে এসে স্বয়ং তাঁকেই নিহত করে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাহাবীগণ তাঁর ব্যাপারে নানা মন্তব্য করতে থাকেন এবং তাঁর শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহ করেন। তাঁরা বলাবলি করেন যে, সে এমন লোক যে তার নিজ অস্ত্রের আঘাতে মারা গেছে। আর তাঁরা তাঁর কোন কোন ব্যাপারেও সন্দেহ করেন। সালামাহ্ বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার থেকে ফিরলে আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি তাঁর কবিতার কয়েকটি পংক্তি আবৃতি করি।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তখন বলে উঠলেন, আমি জানি, তুমি কী বলবে। রাবী বলেন, তারপর আমি আবৃত্তি করলাম: “হে আল্লাহ! আপনি না করলে, আমরা হিদায়াত পেতাম না, আমরা সদাকাহ্ দিতাম না এবং সলাত আদায় করতাম না।” তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতুমি যর্থাথই বলেছো। তখন আমি আবৃত্তি করে চললাম:“আমাদের প্রশান্তি দান করুন এবং শক্রুর সম্মুখীন হলে আমাদের পা অটল রাখুন। মুশরিকরা আমাদের প্রতি বিদ্রোহী হল।” যখন আমি আমার কবিতা আবৃত্তি শেষ করলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএ কবিতাটি কে রচনা করেছে? আমি বললাম, আমার ভাই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহ তাঁর প্রতি সদয় হোন। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! কিছু লোক তাঁর প্রতি আল্লাহর রহমাত বর্ষণে দ্বিধাগ্রস্ত! তাঁরা বলেন, সে এমন লোক যে তার নিজ অস্ত্রের আঘাতে মারা গেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে জিহাদ করতে করতে মুজাহিদের মত মরেছে। রাবী ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তারপর আমি সালামার এক পুত্রকে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে তাঁর পিতার সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ব্যতিক্রম এতটুকু যে, তিনি বলেন, আমি যখন বললাম, কিছু কিছু লোক তাঁর প্রতি দু‘আ করতে দ্বিধাগ্রস্ত, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতারা মিথ্যা বলেছে। সে জিহাদ করতে করতে মুজাহিদের মত মারা গেছে। তার দু’টি পুরস্কার এজন্যে নির্ধারিত রয়েছে। এবং তিনি তখন তাঁর দু’টি অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করলেন। (ই.ফা. ৪৫১৮, ই.সে. ৪৫২০)
সালামাহ্ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খাইবারের যুদ্ধের দিন আমার ভাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে থেকে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন। তাঁর তরবারি ফিরে এসে স্বয়ং তাঁকেই নিহত করে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাহাবীগণ তাঁর ব্যাপারে নানা মন্তব্য করতে থাকেন এবং তাঁর শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহ করেন। তাঁরা বলাবলি করেন যে, সে এমন লোক যে তার নিজ অস্ত্রের আঘাতে মারা গেছে। আর তাঁরা তাঁর কোন কোন ব্যাপারেও সন্দেহ করেন। সালামাহ্ বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার থেকে ফিরলে আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি তাঁর কবিতার কয়েকটি পংক্তি আবৃতি করি।” রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তখন বলে উঠলেন, আমি জানি, তুমি কী বলবে। রাবী বলেন, তারপর আমি আবৃত্তি করলাম: “হে আল্লাহ! আপনি না করলে, আমরা হিদায়াত পেতাম না, আমরা সদাকাহ্ দিতাম না এবং সলাত আদায় করতাম না।” তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতুমি যর্থাথই বলেছো। তখন আমি আবৃত্তি করে চললাম:“আমাদের প্রশান্তি দান করুন এবং শক্রুর সম্মুখীন হলে আমাদের পা অটল রাখুন। মুশরিকরা আমাদের প্রতি বিদ্রোহী হল।” যখন আমি আমার কবিতা আবৃত্তি শেষ করলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএ কবিতাটি কে রচনা করেছে? আমি বললাম, আমার ভাই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহ তাঁর প্রতি সদয় হোন। তখন আমি বললাম, “হে আল্লাহর রসূল! কিছু লোক তাঁর প্রতি আল্লাহর রহমাত বর্ষণে দ্বিধাগ্রস্ত! তাঁরা বলেন, সে এমন লোক যে তার নিজ অস্ত্রের আঘাতে মারা গেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃসে জিহাদ করতে করতে মুজাহিদের মত মরেছে। রাবী ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তারপর আমি সালামার এক পুত্রকে প্রশ্ন করলে তিনি আমাকে তাঁর পিতার সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে ব্যতিক্রম এতটুকু যে, তিনি বলেন, আমি যখন বললাম, কিছু কিছু লোক তাঁর প্রতি দু‘আ করতে দ্বিধাগ্রস্ত, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতারা মিথ্যা বলেছে। সে জিহাদ করতে করতে মুজাহিদের মত মারা গেছে। তার দু’টি পুরস্কার এজন্যে নির্ধারিত রয়েছে। এবং তিনি তখন তাঁর দু’টি অঙ্গুলি দ্বারা ইশারা করলেন। (ই.ফা. ৪৫১৮, ই.সে. ৪৫২০)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الرحمن، - ونسبه غير ابن وهب فقال ابن عبد الله بن كعب بن مالك - أن سلمة، بن الأكوع قال لما كان يوم خيبر قاتل أخي قتالا شديدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فارتد عليه سيفه فقتله فقال أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك وشكوا فيه رجل مات في سلاحه . وشكوا في بعض أمره . قال سلمة فقفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر فقلت يا رسول الله ائذن لي أن أرجز لك . فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر بن الخطاب أعلم ما تقول قال فقلت والله لولا الله ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدقت " . وأنزلن سكينة علينا وثبت الأقدام إن لاقينا والمشركون قد بغوا علينا قال فلما قضيت رجزي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال هذا " . قلت قاله أخي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يرحمه الله " . قال فقلت يا رسول الله إن ناسا ليهابون الصلاة عليه يقولون رجل مات بسلاحه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مات جاهدا مجاهدا " . قال ابن شهاب ثم سألت ابنا لسلمة بن الأكوع فحدثني عن أبيه مثل ذلك غير أنه قال - حين قلت إن ناسا يهابون الصلاة عليه - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كذبوا مات جاهدا مجاهدا فله أجره مرتين " . وأشار بإصبعيه .