সহিহ মুসলিম > আহযাবের (খন্দকের) যুদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৫৩২

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، قال زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال كنا عند حذيفة فقال رجل لو أدركت رسول الله صلى الله عليه وسلم قاتلت معه وأبليت فقال حذيفة أنت كنت تفعل ذلك لقد رأيتنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الأحزاب وأخذتنا ريح شديدة وقر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا رجل يأتيني بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد ثم قال ‏"‏ ألا رجل يأتينا بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد ثم قال ‏"‏ ألا رجل يأتينا بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد فقال ‏"‏ قم يا حذيفة فأتنا بخبر القوم ‏"‏ ‏.‏ فلم أجد بدا إذ دعاني باسمي أن أقوم قال ‏"‏ اذهب فأتني بخبر القوم ولا تذعرهم على ‏"‏ ‏.‏ فلما وليت من عنده جعلت كأنما أمشي في حمام حتى أتيتهم فرأيت أبا سفيان يصلي ظهره بالنار فوضعت سهما في كبد القوس فأردت أن أرميه فذكرت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولا تذعرهم على ‏"‏ ‏.‏ ولو رميته لأصبته فرجعت وأنا أمشي في مثل الحمام فلما أتيته فأخبرته بخبر القوم وفرغت قررت فألبسني رسول الله صلى الله عليه وسلم من فضل عباءة كانت عليه يصلي فيها فلم أزل نائما حتى أصبحت فلما أصبحت قال ‏"‏ قم يا نومان ‏"‏ ‏.‏

ইব্‌রাহীম তাইমীর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমরা হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠল। “হায়, আমি যদি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেতাম, তবে তাঁর সাথে মিলে একত্রে যুদ্ধ করতাম এবং তাতে কোনরূপ পিছপা হতাম না।” হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, হয়তো তুমি তা করতে, কিন্তু আমি তো আহ্‌যাবের রাতে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম (সে রাতে) প্রচণ্ড বায়ু ও তীব্র শীত আমাদের কাবু করে ফেলেছিল। এমনি সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করলেন, “ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শত্রুর খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে কিয়ামতের দিন আমার সঙ্গে (মর্যাদার আসনে) রাখবেন?” আমরা তখন চুপ করে রইলাম এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার বললেন, “ওহে! এমন কোন ব্যক্তি আছে কি যে আমাকে শত্রুপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে কিয়ামাতের দিন আমার সঙ্গে রাখবেন?” এবারও আমরা চুপ রইলাম আর আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার ঘোষণা করলেন, “ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শত্রুপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা কিয়ামতের দিন তাকে আমার সঙ্গে রাখবেন?” এবারও আমরা চুপ করে রইলাম এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি। এবার তিনি বললেন, হে হুযাইফাহ্‌! ওঠো এবং তুমি শত্রুদের খবরাদি আমাকে এনে দাও। রসূলু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এবার আমার নাম ধরেই ডাক দিলেন, তাই উঠা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। এবার তিনি বললেন, “শত্রুপক্ষের খবর আমাকে এনে দাও, কিন্তু সাবধান, তাদের আমার বিরুদ্ধে উত্তেজিত করো না। তারপর আমি যখন তাঁর নিকট থেকে প্রস্থান করলাম, তখন মনে হচ্ছিল আমি যেন উষ্ণ আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছি। এভাবে আমি তাদের (শত্রুপক্ষের) নিকটে পৌঁছে গেলাম। তখন আমি লক্ষ্য করলাম, আবূ সুফ্‌ইয়ান আগুনের দ্বারা তাঁর পিঠে ছেঁক দিচ্ছে। আমি তখন একটি তীর তুলে ধনুকে সংযোজন করলাম এবং তা নিক্ষেপ করতে মনস্থ করলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে দিয়েছেন, “তাদেরকে আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলো না।” আমি যদি তখন তীর নিক্ষেপ করতাম তবে তীর নির্ঘাত লক্ষ্যভেদ করতো, অগত্যা আমি ফিরে আসলাম এবং ফিরে আসার সময়ও উষ্ণতার মধ্য দিয়ে অতিক্রমের মতো উষ্ণতা অনুভব করলাম। তারপর যখন ফিরে এলাম, তখন প্রতিপক্ষের খবর তাঁকে প্রদান করলাম। আমার দায়িত্ব পালন করে অবসর হতেই আবার আমি শীতের তীব্রতা অনুভব করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অতিরিক্ত একটি কম্বল দিয়ে আমাকে আবৃত করে দিলেন, যা তিনি সাধারণতঃ সলাত আদায়ের সময় গায়ে দিতেন। তারপর আমি ভোর পর্যন্ত একটানা নিদ্রায় বিভোর রইলাম। যখন ভোর হল তখন তিনি বললেন, “হে গভীর নিদ্রামগ্ন! এখন উঠে পড়ো (ই.ফা. ৪৪৮৯, ই.সে. ৪৪৯১)

ইব্‌রাহীম তাইমীর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমরা হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠল। “হায়, আমি যদি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে পেতাম, তবে তাঁর সাথে মিলে একত্রে যুদ্ধ করতাম এবং তাতে কোনরূপ পিছপা হতাম না।” হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) বললেন, হয়তো তুমি তা করতে, কিন্তু আমি তো আহ্‌যাবের রাতে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম (সে রাতে) প্রচণ্ড বায়ু ও তীব্র শীত আমাদের কাবু করে ফেলেছিল। এমনি সময় রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করলেন, “ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শত্রুর খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে কিয়ামতের দিন আমার সঙ্গে (মর্যাদার আসনে) রাখবেন?” আমরা তখন চুপ করে রইলাম এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার বললেন, “ওহে! এমন কোন ব্যক্তি আছে কি যে আমাকে শত্রুপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে কিয়ামাতের দিন আমার সঙ্গে রাখবেন?” এবারও আমরা চুপ রইলাম আর আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি। তিনি আবার ঘোষণা করলেন, “ওহে! এমন কেউ আছে কি যে আমাকে শত্রুপক্ষের খবর এনে দেবে, আল্লাহ্‌ তা’আলা কিয়ামতের দিন তাকে আমার সঙ্গে রাখবেন?” এবারও আমরা চুপ করে রইলাম এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি। এবার তিনি বললেন, হে হুযাইফাহ্‌! ওঠো এবং তুমি শত্রুদের খবরাদি আমাকে এনে দাও। রসূলু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এবার আমার নাম ধরেই ডাক দিলেন, তাই উঠা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। এবার তিনি বললেন, “শত্রুপক্ষের খবর আমাকে এনে দাও, কিন্তু সাবধান, তাদের আমার বিরুদ্ধে উত্তেজিত করো না। তারপর আমি যখন তাঁর নিকট থেকে প্রস্থান করলাম, তখন মনে হচ্ছিল আমি যেন উষ্ণ আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে চলেছি। এভাবে আমি তাদের (শত্রুপক্ষের) নিকটে পৌঁছে গেলাম। তখন আমি লক্ষ্য করলাম, আবূ সুফ্‌ইয়ান আগুনের দ্বারা তাঁর পিঠে ছেঁক দিচ্ছে। আমি তখন একটি তীর তুলে ধনুকে সংযোজন করলাম এবং তা নিক্ষেপ করতে মনস্থ করলাম। এমন সময় আমার মনে পড়ে গেল যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে দিয়েছেন, “তাদেরকে আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলো না।” আমি যদি তখন তীর নিক্ষেপ করতাম তবে তীর নির্ঘাত লক্ষ্যভেদ করতো, অগত্যা আমি ফিরে আসলাম এবং ফিরে আসার সময়ও উষ্ণতার মধ্য দিয়ে অতিক্রমের মতো উষ্ণতা অনুভব করলাম। তারপর যখন ফিরে এলাম, তখন প্রতিপক্ষের খবর তাঁকে প্রদান করলাম। আমার দায়িত্ব পালন করে অবসর হতেই আবার আমি শীতের তীব্রতা অনুভব করলাম। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অতিরিক্ত একটি কম্বল দিয়ে আমাকে আবৃত করে দিলেন, যা তিনি সাধারণতঃ সলাত আদায়ের সময় গায়ে দিতেন। তারপর আমি ভোর পর্যন্ত একটানা নিদ্রায় বিভোর রইলাম। যখন ভোর হল তখন তিনি বললেন, “হে গভীর নিদ্রামগ্ন! এখন উঠে পড়ো (ই.ফা. ৪৪৮৯, ই.সে. ৪৪৯১)

حدثنا زهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن جرير، قال زهير حدثنا جرير، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال كنا عند حذيفة فقال رجل لو أدركت رسول الله صلى الله عليه وسلم قاتلت معه وأبليت فقال حذيفة أنت كنت تفعل ذلك لقد رأيتنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الأحزاب وأخذتنا ريح شديدة وقر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ألا رجل يأتيني بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد ثم قال ‏"‏ ألا رجل يأتينا بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد ثم قال ‏"‏ ألا رجل يأتينا بخبر القوم جعله الله معي يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ فسكتنا فلم يجبه منا أحد فقال ‏"‏ قم يا حذيفة فأتنا بخبر القوم ‏"‏ ‏.‏ فلم أجد بدا إذ دعاني باسمي أن أقوم قال ‏"‏ اذهب فأتني بخبر القوم ولا تذعرهم على ‏"‏ ‏.‏ فلما وليت من عنده جعلت كأنما أمشي في حمام حتى أتيتهم فرأيت أبا سفيان يصلي ظهره بالنار فوضعت سهما في كبد القوس فأردت أن أرميه فذكرت قول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولا تذعرهم على ‏"‏ ‏.‏ ولو رميته لأصبته فرجعت وأنا أمشي في مثل الحمام فلما أتيته فأخبرته بخبر القوم وفرغت قررت فألبسني رسول الله صلى الله عليه وسلم من فضل عباءة كانت عليه يصلي فيها فلم أزل نائما حتى أصبحت فلما أصبحت قال ‏"‏ قم يا نومان ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > উহুদ যুদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৫৩৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه وهو يمسح الدم عن وجهه ويقول ‏ "‏ رب اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পাচ্ছি যে, তিনি এমন একজন নাবীর কথা কাহিনীরূপে বর্ণনা করছেন, যাঁকে তাঁর সম্প্রদায়ের লোকজন আঘাত করেছে। আর তিনি তাঁর নিজের কপাল থেকে রক্ত মুছছেন এবং বলছেন, “প্রভু! আমার সম্প্রদায়কে ক্ষমা কর, কেন না তারা বুঝে না।” আ’মাশ (রহঃ) থেকে সামান্য পার্থক্য সহ অন্য সূত্রেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯৫, ই.সে. ৪৪৯৭)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পাচ্ছি যে, তিনি এমন একজন নাবীর কথা কাহিনীরূপে বর্ণনা করছেন, যাঁকে তাঁর সম্প্রদায়ের লোকজন আঘাত করেছে। আর তিনি তাঁর নিজের কপাল থেকে রক্ত মুছছেন এবং বলছেন, “প্রভু! আমার সম্প্রদায়কে ক্ষমা কর, কেন না তারা বুঝে না।” আ’মাশ (রহঃ) থেকে সামান্য পার্থক্য সহ অন্য সূত্রেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯৫, ই.সে. ৪৪৯৭)

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن عبد الله، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الأنبياء ضربه قومه وهو يمسح الدم عن وجهه ويقول ‏ "‏ رب اغفر لقومي فإنهم لا يعلمون ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৭

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كسرت رباعيته يوم أحد وشج في رأسه فجعل يسلت الدم عنه ويقول ‏"‏ كيف يفلح قوم شجوا نبيهم وكسروا رباعيته وهو يدعوهم إلى الله ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ ليس لك من الأمر شىء‏}‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ওহুদ দিবসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রুবা’ইয়াত দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হয়, তাঁর মাথায় আঘাত করা হয় এবং তিনি তাঁর শরীর থেকে রক্ত মুছতে মুছতে বলছিলেন, সে জাতি কিভাবে সাফল্য অর্জন করবে, যারা তাদের নাবীকে আহত করলো এবং তাঁর সম্মুখের দু’টি দাঁত ভেঙ্গে দিল অথচ তিনি তাদের আল্লাহ্‌র দিকে আহব্বান জানাচ্ছিলেন? তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা আয়াত নাযিল করলেন : “হে রসূল! এ ব্যাপারে আপনার করণীয় কিছুই নেই”- (সূরা আ-লি ইমরান : ১২৮। (ই.ফা. ৪৪৯৪, ই.সে. ৪৪৯৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ওহুদ দিবসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রুবা’ইয়াত দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হয়, তাঁর মাথায় আঘাত করা হয় এবং তিনি তাঁর শরীর থেকে রক্ত মুছতে মুছতে বলছিলেন, সে জাতি কিভাবে সাফল্য অর্জন করবে, যারা তাদের নাবীকে আহত করলো এবং তাঁর সম্মুখের দু’টি দাঁত ভেঙ্গে দিল অথচ তিনি তাদের আল্লাহ্‌র দিকে আহব্বান জানাচ্ছিলেন? তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা আয়াত নাযিল করলেন : “হে রসূল! এ ব্যাপারে আপনার করণীয় কিছুই নেই”- (সূরা আ-লি ইমরান : ১২৮। (ই.ফা. ৪৪৯৪, ই.সে. ৪৪৯৬)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كسرت رباعيته يوم أحد وشج في رأسه فجعل يسلت الدم عنه ويقول ‏"‏ كيف يفلح قوم شجوا نبيهم وكسروا رباعيته وهو يدعوهم إلى الله ‏"‏ ‏.‏ فأنزل الله عز وجل ‏{‏ ليس لك من الأمر شىء‏}‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৪

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، أنه سمع سهل بن سعد، يسأل عن جرح، رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد فقال جرح وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم وكسرت رباعيته وهشمت البيضة على رأسه فكانت فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم تغسل الدم وكان علي بن أبي طالب يسكب عليها بالمجن فلما رأت فاطمة أن الماء لا يزيد الدم إلا كثرة أخذت قطعة حصير فأحرقته حتى صار رمادا ثم ألصقته بالجرح فاستمسك الدم ‏.‏

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উহুদ যুদ্ধের দিন আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (পবিত্র) মুখমণ্ডল যখম করা হয়, তাঁর ‘রুবাই’ [৪০] দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং তাঁর মাথায় লৌহ শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে ঢুকে যায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) রক্ত ধুইয়ে দিচ্ছিলেন এবং আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ঢাল দিয়ে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) যখন দেখলেন যে, তাতে রক্তপড়া আরো বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন তিনি একটি মাদুর খণ্ড পোড়ালেন এবং ছাই হয়ে গেলে তা যখমের উপর চেপে ধরলেন। এতে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৪৯১, ই.সে. ৪৪৯৩)

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁকে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উহুদ যুদ্ধের দিন আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (পবিত্র) মুখমণ্ডল যখম করা হয়, তাঁর ‘রুবাই’ [৪০] দাঁত ভেঙ্গে দেয়া হয় এবং তাঁর মাথায় লৌহ শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে ঢুকে যায়। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) রক্ত ধুইয়ে দিচ্ছিলেন এবং আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) ঢাল দিয়ে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। ফাতিমাহ্‌ (রাঃ) যখন দেখলেন যে, তাতে রক্তপড়া আরো বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন তিনি একটি মাদুর খণ্ড পোড়ালেন এবং ছাই হয়ে গেলে তা যখমের উপর চেপে ধরলেন। এতে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেল। (ই.ফা. ৪৪৯১, ই.সে. ৪৪৯৩)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، أنه سمع سهل بن سعد، يسأل عن جرح، رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد فقال جرح وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم وكسرت رباعيته وهشمت البيضة على رأسه فكانت فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم تغسل الدم وكان علي بن أبي طالب يسكب عليها بالمجن فلما رأت فاطمة أن الماء لا يزيد الدم إلا كثرة أخذت قطعة حصير فأحرقته حتى صار رمادا ثم ألصقته بالجرح فاستمسك الدم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৩

وحدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، وثابت، البناني عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد يوم أحد في سبعة من الأنصار ورجلين من قريش فلما رهقوه قال ‏"‏ من يردهم عنا وله الجنة أو هو رفيقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فتقدم رجل من الأنصار فقاتل حتى قتل ثم رهقوه أيضا فقال ‏"‏ من يردهم عنا وله الجنة أو هو رفيقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فتقدم رجل من الأنصار فقاتل حتى قتل فلم يزل كذلك حتى قتل السبعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لصاحبيه ‏"‏ ما أنصفنا أصحابنا ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উহুদ যুদ্ধের দিন কেবল সাতজন আনসার ও দু’জন কুরায়শ (মুহাজির) সাথীসহ (শত্রুবাহিনী কর্তৃক) অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং তা তাঁকে (চতুর্দিক থেকে) বেষ্টন করে ফেলে, তিনি বললেন, কে আমার পক্ষ থেকে শত্রুদের প্রতিহত করবে, তার জন্য রয়েছে জান্নাত। অথবা বললেন, সে জান্নাতে আমার সঙ্গী হবে? তখন আনসারদের মধ্যকার একব্যক্তি অগ্রসর হয়ে যুদ্ধ শুরু করলেন এবং পরিশেষে শহীদ হলেন। তারপর পুনরায় তারা তাঁকে ঘেরাও করে ফেললো এবং অনুরূপভাবে লড়াই করতে করতে তাঁদের সাতজনই শহীদ হলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদ্বয়কে লক্ষ্য করে বললেন, আমরা (কুরায়শরা) সঙ্গীদের প্রতি সুবিচার করিনি। (আমরা বেঁচে রইলাম, অথচ আনসাররা শহীদ হলেন।) (ই.ফা. ৪৪৯০, ই.সে. ৪৪৯২)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উহুদ যুদ্ধের দিন কেবল সাতজন আনসার ও দু’জন কুরায়শ (মুহাজির) সাথীসহ (শত্রুবাহিনী কর্তৃক) অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং তা তাঁকে (চতুর্দিক থেকে) বেষ্টন করে ফেলে, তিনি বললেন, কে আমার পক্ষ থেকে শত্রুদের প্রতিহত করবে, তার জন্য রয়েছে জান্নাত। অথবা বললেন, সে জান্নাতে আমার সঙ্গী হবে? তখন আনসারদের মধ্যকার একব্যক্তি অগ্রসর হয়ে যুদ্ধ শুরু করলেন এবং পরিশেষে শহীদ হলেন। তারপর পুনরায় তারা তাঁকে ঘেরাও করে ফেললো এবং অনুরূপভাবে লড়াই করতে করতে তাঁদের সাতজনই শহীদ হলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গীদ্বয়কে লক্ষ্য করে বললেন, আমরা (কুরায়শরা) সঙ্গীদের প্রতি সুবিচার করিনি। (আমরা বেঁচে রইলাম, অথচ আনসাররা শহীদ হলেন।) (ই.ফা. ৪৪৯০, ই.সে. ৪৪৯২)

وحدثنا هداب بن خالد الأزدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، وثابت، البناني عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد يوم أحد في سبعة من الأنصار ورجلين من قريش فلما رهقوه قال ‏"‏ من يردهم عنا وله الجنة أو هو رفيقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فتقدم رجل من الأنصار فقاتل حتى قتل ثم رهقوه أيضا فقال ‏"‏ من يردهم عنا وله الجنة أو هو رفيقي في الجنة ‏"‏ ‏.‏ فتقدم رجل من الأنصار فقاتل حتى قتل فلم يزل كذلك حتى قتل السبعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لصاحبيه ‏"‏ ما أنصفنا أصحابنا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، أنه سمع سهل بن سعد، وهو يسأل عن جرح، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أم والله إني لأعرف من كان يغسل جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن كان يسكب الماء ‏.‏ وبماذا دووي جرحه ‏.‏ ثم ذكر نحو حديث عبد العزيز غير أنه زاد وجرح وجهه وقال مكان هشمت كسرت ‏.‏

কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্‌ল ইবনু সা’ঈদ (রাঃ)-কে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি অবশ্যই জানি, কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যখম ধুয়ে দিচ্ছিলেন, কে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন এবং কিসের দ্বারা তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল। তারপর তিনি ‘আবদুল ‘আযীযের মাধ্যমে বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তাঁর বর্ণনায় এ পার্থক্য রয়েছে : “তাঁর মুখমণ্ডল যখম করা হয় এবং (আরবী) এর স্থলে (আরবী) শব্দ ব্যবহার করেছেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহত হওয়া সংক্রান্ত সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর এ বর্ণনাটি সামান্য শাব্দিক পরিবর্তনসহ অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯২, ই.সে. ৪৪৯৪)

কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্‌ল ইবনু সা’ঈদ (রাঃ)-কে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি অবশ্যই জানি, কে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যখম ধুয়ে দিচ্ছিলেন, কে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন এবং কিসের দ্বারা তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছিল। তারপর তিনি ‘আবদুল ‘আযীযের মাধ্যমে বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তাঁর বর্ণনায় এ পার্থক্য রয়েছে : “তাঁর মুখমণ্ডল যখম করা হয় এবং (আরবী) এর স্থলে (আরবী) শব্দ ব্যবহার করেছেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আহত হওয়া সংক্রান্ত সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর এ বর্ণনাটি সামান্য শাব্দিক পরিবর্তনসহ অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯২, ই.সে. ৪৪৯৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، أنه سمع سهل بن سعد، وهو يسأل عن جرح، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أم والله إني لأعرف من كان يغسل جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن كان يسكب الماء ‏.‏ وبماذا دووي جرحه ‏.‏ ثم ذكر نحو حديث عبد العزيز غير أنه زاد وجرح وجهه وقال مكان هشمت كسرت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ومحمد بن بشر، عن الأعمش، بهذا الإسناد غير أنه قال فهو ينضح الدم عن جبينه ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি তাঁর কপাল থেকে রক্ত মুছছিলেন। (ই.ফা. ৪৪৯৬, ই.সে. ৪৪৯৮)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় রয়েছে যে, তিনি তাঁর কপাল থেকে রক্ত মুছছিলেন। (ই.ফা. ৪৪৯৬, ই.সে. ৪৪৯৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ومحمد بن بشر، عن الأعمش، بهذا الإسناد غير أنه قال فهو ينضح الدم عن جبينه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৩৬

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن، أبي عمر جميعا عن ابن عيينة، ح وحدثنا عمرو بن سواد العامري، أخبرنا عبد الله بن، وهب أخبرني عمرو بن الحارث، عن سعيد بن أبي هلال، ح وحدثني محمد بن سهل التميمي، حدثني ابن أبي مريم، حدثنا محمد، - يعني ابن مطرف - كلهم عن أبي حازم، عن سهل، بن سعد ‏.‏ بهذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ في حديث ابن أبي هلال أصيب وجهه ‏.‏ وفي حديث ابن مطرف جرح وجهه ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার সকলেই ইবনু উয়াইনাহ্ থেকে এবং ‘আমর ইবনু সাও্ওয়াদ ‘আমিরী, মুহাম্মদ ইবনু সাহল তামীমী সকলেই আবূ হাযিম সূত্রে সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবূ হিলাল-এর হাদীসে আছে, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডলে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল। আর মুতার্রফ-এর হাদীসে আছে তাঁর মুখমণ্ডলে যখম হয়েছিল। (ই.ফা. ৪৪৯৩, ই.সে. ৪৪৯৫)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম, ইবনু আবূ ‘উমার সকলেই ইবনু উয়াইনাহ্ থেকে এবং ‘আমর ইবনু সাও্ওয়াদ ‘আমিরী, মুহাম্মদ ইবনু সাহল তামীমী সকলেই আবূ হাযিম সূত্রে সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবূ হিলাল-এর হাদীসে আছে, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডলে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল। আর মুতার্রফ-এর হাদীসে আছে তাঁর মুখমণ্ডলে যখম হয়েছিল। (ই.ফা. ৪৪৯৩, ই.সে. ৪৪৯৫)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وإسحاق بن إبراهيم، وابن، أبي عمر جميعا عن ابن عيينة، ح وحدثنا عمرو بن سواد العامري، أخبرنا عبد الله بن، وهب أخبرني عمرو بن الحارث، عن سعيد بن أبي هلال، ح وحدثني محمد بن سهل التميمي، حدثني ابن أبي مريم، حدثنا محمد، - يعني ابن مطرف - كلهم عن أبي حازم، عن سهل، بن سعد ‏.‏ بهذا الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ في حديث ابن أبي هلال أصيب وجهه ‏.‏ وفي حديث ابن مطرف جرح وجهه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাকে হত্যা করেন তার উপর আল্লাহ্‌র ভয়াবহ গযব

সহিহ মুসলিম ৪৫৪০

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اشتد غضب الله على قوم فعلوا هذا برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ وهو حينئذ يشير إلى رباعيته وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اشتد غضب الله على رجل يقتله رسول الله في سبيل الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে সব হাদীস বর্ণনা করেছেন এর মধ্যে তিনি এটিও বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “সে সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ্‌র গযব ভয়াবহ হয়, যারা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ আচরণ করে”। এ কথা বলতে বলতে তিনি তার সম্মুখের দু’টি (ভগ্ন) দাঁতের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন, মহামহিম আল্লাহ্‌র গযব তার উপরও ভয়াবহ হয়, যাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র পথে হত্যা করেন। (ই.ফা. ৪৪৯৭, ই.সে. ৪৪৯৯)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে সব হাদীস বর্ণনা করেছেন এর মধ্যে তিনি এটিও বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “সে সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ্‌র গযব ভয়াবহ হয়, যারা আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি এরূপ আচরণ করে”। এ কথা বলতে বলতে তিনি তার সম্মুখের দু’টি (ভগ্ন) দাঁতের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন, মহামহিম আল্লাহ্‌র গযব তার উপরও ভয়াবহ হয়, যাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র পথে হত্যা করেন। (ই.ফা. ৪৪৯৭, ই.সে. ৪৪৯৯)

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اشتد غضب الله على قوم فعلوا هذا برسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ وهو حينئذ يشير إلى رباعيته وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اشتد غضب الله على رجل يقتله رسول الله في سبيل الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মুশরিক ও মুনাফিকদের হাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুঃখ-যাতনা

সহিহ মুসলিম ৪৫৪৪

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال استقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت فدعا على ستة نفر من قريش ‏.‏ فيهم أبو جهل وأمية بن خلف وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط فأقسم بالله لقد رأيتهم صرعى على بدر ‏.‏ قد غيرتهم الشمس وكان يوما حارا ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বাইতুল্লাহর দিকে মুখ করে কুরায়শের ছয় ব্যক্তির জন্য বদদু’আ করলেন। তাদের মধ্যে আবূ জাহ্‌ল, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আয়ত রয়েছে। আল্লাহ্‌র কসম করে বলছি, আমি তাদের কর্তিত মৃত লাশগুলো বাদ্‌রে দেখেছি। সূর্যতাপ তাদের বিকৃত করে ফেলেছিল। আর সেদিনটিও ছিল অত্যন্ত গরমের। (ই.ফা. ৪৫০১, ই.সে. ৪৫০৩)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা বাইতুল্লাহর দিকে মুখ করে কুরায়শের ছয় ব্যক্তির জন্য বদদু’আ করলেন। তাদের মধ্যে আবূ জাহ্‌ল, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আয়ত রয়েছে। আল্লাহ্‌র কসম করে বলছি, আমি তাদের কর্তিত মৃত লাশগুলো বাদ্‌রে দেখেছি। সূর্যতাপ তাদের বিকৃত করে ফেলেছিল। আর সেদিনটিও ছিল অত্যন্ত গরমের। (ই.ফা. ৪৫০১, ই.সে. ৪৫০৩)

وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال استقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت فدعا على ستة نفر من قريش ‏.‏ فيهم أبو جهل وأمية بن خلف وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط فأقسم بالله لقد رأيتهم صرعى على بدر ‏.‏ قد غيرتهم الشمس وكان يوما حارا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৭

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد وقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في غار فنكبت إصبعه ‏.‏

আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাতে বর্ণনাকারী আরও বলেছেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন এক গুহায় ছিলেন, তখন তাঁর আঙ্গুলে যখম হয়। (ই.ফা. ৪৫০৪, ই.সে. ৪৫০৬)

আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাতে বর্ণনাকারী আরও বলেছেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন এক গুহায় ছিলেন, তখন তাঁর আঙ্গুলে যখম হয়। (ই.ফা. ৪৫০৪, ই.সে. ৪৫০৬)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد وقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في غار فنكبت إصبعه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৬

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن أبي عوانة، قال يحيى أخبرنا أبو عوانة، عن الأسود بن قيس، عن جندب بن سفيان، قال دميت إصبع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض تلك المشاهد فقال ‏ "‏ هل أنت إلا إصبع دميت وفي سبيل الله ما لقيت ‏"‏ ‏.‏

জুন্দুব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি আঙ্গুলি কোন একটি অভিযানে রক্তাক্ত হয়। তখন তিনি (উক্ত আঙ্গুলিকে লক্ষ্য করে) বললেন, তুমি তো আঙ্গুলি ছাড়া কিছু নও, তুমি আহত হয়েছ এবং তুমি যে কষ্ট পেয়েছ, তা আল্লাহ্‌র পথেই গণ্য। (ই.ফা. ৪৫০৩, ই.সে. ৪৫০৫)

জুন্দুব ইবনু সুফ্‌ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি আঙ্গুলি কোন একটি অভিযানে রক্তাক্ত হয়। তখন তিনি (উক্ত আঙ্গুলিকে লক্ষ্য করে) বললেন, তুমি তো আঙ্গুলি ছাড়া কিছু নও, তুমি আহত হয়েছ এবং তুমি যে কষ্ট পেয়েছ, তা আল্লাহ্‌র পথেই গণ্য। (ই.ফা. ৪৫০৩, ই.সে. ৪৫০৫)

حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن أبي عوانة، قال يحيى أخبرنا أبو عوانة، عن الأسود بن قيس، عن جندب بن سفيان، قال دميت إصبع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض تلك المشاهد فقال ‏ "‏ هل أنت إلا إصبع دميت وفي سبيل الله ما لقيت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪২

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت أبا إسحاق، يحدث عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش إذ جاء عقبة بن أبي معيط بسلا جزور فقذفه على ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه فجاءت فاطمة فأخذته عن ظهره ودعت على من صنع ذلك فقال ‏ "‏ اللهم عليك الملأ من قريش أبا جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط وشيبة بن ربيعة وأمية بن خلف أو أبى بن خلف ‏"‏ ‏.‏ شعبة الشاك قال فلقد رأيتهم قتلوا يوم بدر فألقوا في بئر غير أن أمية أو أبيا تقطعت أوصاله فلم يلق في البئر ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দারত ছিলেন এবং তাঁর আশেপাশে কুরায়শের কিছু লোকজন জড়ো ছিল। এমন সময় উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আয়ত (উটনীর নাড়ি-ভুড়িসহ) জরায়ু নিয়ে এলো এবং তা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠে নিক্ষেপ করলো। তিনি মাথা উঠাতে পারছিলেন না। তারপর ফাতিমাহ্‌ আসলেন এবং তা তাঁর পিঠ থেকে সরিয়ে দিলেন এবং যে ব্যক্তি তা করেছে, তাকে বদদু’আ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তোমার উপরই কুরায়শ সম্প্রদায়ের আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশাম, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবীআ’, উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আইত, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ অথবা উবাই ইবনু খালাফ এদের চিনে নাও। তবে রাবী শু’বাহ্‌ (শেষের দু’ নামের) কোন্‌টি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, সে ব্যাপারে) সন্দেহ করেছেন। রাবী বলেন, এরপর আমি বাদ্‌রের দিন তাদের দেখেছি যে, তারা সকলে নিহত হয়েছে এবং একটি কূপে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। কেবল উমাইয়াহ্‌ বা উবাই এর লাশ বাদ ছিল। কেননা, তার লাশ জোড়ায় জোড়ায় কেটে ফেলা হয়েছিল বিধায় কূপে নিক্ষেপ করা হয়নি। (ই.ফা. ৪৪৯৯, ই.সে. ৪৫০১)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দারত ছিলেন এবং তাঁর আশেপাশে কুরায়শের কিছু লোকজন জড়ো ছিল। এমন সময় উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আয়ত (উটনীর নাড়ি-ভুড়িসহ) জরায়ু নিয়ে এলো এবং তা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠে নিক্ষেপ করলো। তিনি মাথা উঠাতে পারছিলেন না। তারপর ফাতিমাহ্‌ আসলেন এবং তা তাঁর পিঠ থেকে সরিয়ে দিলেন এবং যে ব্যক্তি তা করেছে, তাকে বদদু’আ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইয়া আল্লাহ্‌! তোমার উপরই কুরায়শ সম্প্রদায়ের আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশাম, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবীআ’, উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মু’আইত, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ অথবা উবাই ইবনু খালাফ এদের চিনে নাও। তবে রাবী শু’বাহ্‌ (শেষের দু’ নামের) কোন্‌টি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, সে ব্যাপারে) সন্দেহ করেছেন। রাবী বলেন, এরপর আমি বাদ্‌রের দিন তাদের দেখেছি যে, তারা সকলে নিহত হয়েছে এবং একটি কূপে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। কেবল উমাইয়াহ্‌ বা উবাই এর লাশ বাদ ছিল। কেননা, তার লাশ জোড়ায় জোড়ায় কেটে ফেলা হয়েছিল বিধায় কূপে নিক্ষেপ করা হয়নি। (ই.ফা. ৪৪৯৯, ই.সে. ৪৫০১)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت أبا إسحاق، يحدث عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش إذ جاء عقبة بن أبي معيط بسلا جزور فقذفه على ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يرفع رأسه فجاءت فاطمة فأخذته عن ظهره ودعت على من صنع ذلك فقال ‏ "‏ اللهم عليك الملأ من قريش أبا جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وعقبة بن أبي معيط وشيبة بن ربيعة وأمية بن خلف أو أبى بن خلف ‏"‏ ‏.‏ شعبة الشاك قال فلقد رأيتهم قتلوا يوم بدر فألقوا في بئر غير أن أمية أو أبيا تقطعت أوصاله فلم يلق في البئر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৫

وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح وحرملة بن يحيى وعمرو بن سواد العامري - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم حدثته أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله هل أتى عليك يوم كان أشد من يوم أحد فقال ‏"‏ لقد لقيت من قومك وكان أشد ما لقيت منهم يوم العقبة إذ عرضت نفسي على ابن عبد ياليل بن عبد كلال فلم يجبني إلى ما أردت فانطلقت وأنا مهموم على وجهي فلم أستفق إلا بقرن الثعالب فرفعت رأسي فإذا أنا بسحابة قد أظلتني فنظرت فإذا فيها جبريل فناداني فقال إن الله عز وجل قد سمع قول قومك لك وما ردوا عليك وقد بعث إليك ملك الجبال لتأمره بما شئت فيهم قال فناداني ملك الجبال وسلم على ‏.‏ ثم قال يا محمد إن الله قد سمع قول قومك لك وأنا ملك الجبال وقد بعثني ربك إليك لتأمرني بأمرك فما شئت إن شئت أن أطبق عليهم الأخشبين ‏"‏ ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بل أرجو أن يخرج الله من أصلابهم من يعبد الله وحده لا يشرك به شيئا ‏"‏ ‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহধর্মিণী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার জীবনে কি উহুদ দিবসের চেয়েও অধিকতর কঠিন কোন দিন এসেছে? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের হাতে আকাবার দিন যে নির্যাতনের শিকার হয়েছি, তা এর চেয়েও অধিকতর কঠিন ছিল। যখন আমি (আল্লাহ্‌র পানে দাওয়াত দিতে গিয়ে) ইবনু আব্‌দে ইয়ালীল ইবনু আব্‌দে কিলালের কাছে নিজেকে পেশ করেছিলাম। কিন্তু সে আমার কাঙ্ক্ষিত ডাকে সাড়া দেয়নি। তখন আমি অত্যন্ত বিষণ্ণ অবস্থায় সম্মুখের দিকে চলতে লাগলাম এবং কারনুস সা’আলিব নামক স্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত আমি সম্বিৎ ফিরে পাইনি। তারপর যখন আমি মাথা উঠালাম তখন দেখি, একখণ্ড মেঘ আমাকে ছায়াপাত করছে এবং এর মধ্যে জিবরাঈল (আঃ)-কে দেখতে পেলাম। তিনি আমাকে ডাক দিয়ে বললেন, মহা মহিমান্বিত আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি আপনার সম্প্রদায়ের উক্তি এবং আপনার বিরুদ্ধে তাদের উত্তরও শুনেছেন এবং তিনি আপনার নিকট পাহাড়ের ফেরেশ্‌তাকে পাঠিয়েছেন, যেন আপনি আপনার সম্প্রদায়ের লোকজনের ব্যাপারে যেরূপ ইচ্ছা সেরূপ আদেশ তাঁকে করেন। তখন পাহাড়ের ফেরেশ্‌তাও আমাকে ডাক দিলেন এবং আমাকে সালাম দিলেন। তারপর বললেন, “হে মুহাম্মাদ! আপনার প্রতি আপনার সম্প্রদায়ের লোকজনের উক্তি আল্লাহ্‌ তা’আলা শুনেছেন আর আমি হলাম পাহাড়ের (তত্ত্বাবধানকারী) ফেরেশ্‌তা। আপনার রব আপনার কাছে আমাকে এজন্যে পাঠিয়েছেন যেন আপনি আপনার ইচ্ছামত আমাকে নির্দেশ দেন। (আপনি বললে) আমি এ পাহাড় দু’টিকে তাদের উপর চাপা দিয়ে দিব। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বরং আশা করি যে, আল্লাহ্‌ তা’আলা হয়তো এদের ঔরস থেকেই এমন ব্যক্তি বের করে আনবেন, যারা তাঁর সঙ্গে কিছুকে শরীক না করে এক আল্লাহ্‌র ইবাদাত করবে। (ই.ফা. ৪৫০২, ই.সে. ৪৫০৪)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সহধর্মিণী আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার জীবনে কি উহুদ দিবসের চেয়েও অধিকতর কঠিন কোন দিন এসেছে? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের হাতে আকাবার দিন যে নির্যাতনের শিকার হয়েছি, তা এর চেয়েও অধিকতর কঠিন ছিল। যখন আমি (আল্লাহ্‌র পানে দাওয়াত দিতে গিয়ে) ইবনু আব্‌দে ইয়ালীল ইবনু আব্‌দে কিলালের কাছে নিজেকে পেশ করেছিলাম। কিন্তু সে আমার কাঙ্ক্ষিত ডাকে সাড়া দেয়নি। তখন আমি অত্যন্ত বিষণ্ণ অবস্থায় সম্মুখের দিকে চলতে লাগলাম এবং কারনুস সা’আলিব নামক স্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত আমি সম্বিৎ ফিরে পাইনি। তারপর যখন আমি মাথা উঠালাম তখন দেখি, একখণ্ড মেঘ আমাকে ছায়াপাত করছে এবং এর মধ্যে জিবরাঈল (আঃ)-কে দেখতে পেলাম। তিনি আমাকে ডাক দিয়ে বললেন, মহা মহিমান্বিত আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি আপনার সম্প্রদায়ের উক্তি এবং আপনার বিরুদ্ধে তাদের উত্তরও শুনেছেন এবং তিনি আপনার নিকট পাহাড়ের ফেরেশ্‌তাকে পাঠিয়েছেন, যেন আপনি আপনার সম্প্রদায়ের লোকজনের ব্যাপারে যেরূপ ইচ্ছা সেরূপ আদেশ তাঁকে করেন। তখন পাহাড়ের ফেরেশ্‌তাও আমাকে ডাক দিলেন এবং আমাকে সালাম দিলেন। তারপর বললেন, “হে মুহাম্মাদ! আপনার প্রতি আপনার সম্প্রদায়ের লোকজনের উক্তি আল্লাহ্‌ তা’আলা শুনেছেন আর আমি হলাম পাহাড়ের (তত্ত্বাবধানকারী) ফেরেশ্‌তা। আপনার রব আপনার কাছে আমাকে এজন্যে পাঠিয়েছেন যেন আপনি আপনার ইচ্ছামত আমাকে নির্দেশ দেন। (আপনি বললে) আমি এ পাহাড় দু’টিকে তাদের উপর চাপা দিয়ে দিব। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বরং আশা করি যে, আল্লাহ্‌ তা’আলা হয়তো এদের ঔরস থেকেই এমন ব্যক্তি বের করে আনবেন, যারা তাঁর সঙ্গে কিছুকে শরীক না করে এক আল্লাহ্‌র ইবাদাত করবে। (ই.ফা. ৪৫০২, ই.সে. ৪৫০৪)

وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح وحرملة بن يحيى وعمرو بن سواد العامري - وألفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم حدثته أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله هل أتى عليك يوم كان أشد من يوم أحد فقال ‏"‏ لقد لقيت من قومك وكان أشد ما لقيت منهم يوم العقبة إذ عرضت نفسي على ابن عبد ياليل بن عبد كلال فلم يجبني إلى ما أردت فانطلقت وأنا مهموم على وجهي فلم أستفق إلا بقرن الثعالب فرفعت رأسي فإذا أنا بسحابة قد أظلتني فنظرت فإذا فيها جبريل فناداني فقال إن الله عز وجل قد سمع قول قومك لك وما ردوا عليك وقد بعث إليك ملك الجبال لتأمره بما شئت فيهم قال فناداني ملك الجبال وسلم على ‏.‏ ثم قال يا محمد إن الله قد سمع قول قومك لك وأنا ملك الجبال وقد بعثني ربك إليك لتأمرني بأمرك فما شئت إن شئت أن أطبق عليهم الأخشبين ‏"‏ ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بل أرجو أن يخرج الله من أصلابهم من يعبد الله وحده لا يشرك به شيئا ‏"‏ ‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪১

وحدثنا عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان الجعفي، حدثنا عبد الرحيم، - يعني ابن سليمان - عن زكرياء، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون الأودي، عن ابن مسعود، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي عند البيت وأبو جهل وأصحاب له جلوس وقد نحرت جزور بالأمس فقال أبو جهل أيكم يقوم إلى سلا جزور بني فلان فيأخذه فيضعه في كتفى محمد إذا سجد فانبعث أشقى القوم فأخذه فلما سجد النبي صلى الله عليه وسلم وضعه بين كتفيه قال فاستضحكوا وجعل بعضهم يميل على بعض وأنا قائم أنظر ‏.‏ لو كانت لي منعة طرحته عن ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم والنبي صلى الله عليه وسلم ساجد ما يرفع رأسه حتى انطلق إنسان فأخبر فاطمة فجاءت وهي جويرية فطرحته عنه ‏.‏ ثم أقبلت عليهم تشتمهم فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته رفع صوته ثم دعا عليهم وكان إذا دعا دعا ثلاثا ‏.‏ وإذا سأل سأل ثلاثا ثم قال ‏"‏ اللهم عليك بقريش ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات فلما سمعوا صوته ذهب عنهم الضحك وخافوا دعوته ثم قال ‏"‏ اللهم عليك بأبي جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة والوليد بن عقبة وأمية بن خلف وعقبة بن أبي معيط ‏"‏ ‏.‏ وذكر السابع ولم أحفظه فوالذي بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق لقد رأيت الذين سمى صرعى يوم بدر ثم سحبوا إلى القليب قليب بدر ‏.‏ قال أبو إسحاق الوليد بن عقبة غلط في هذا الحديث ‏.‏

ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইতুল্লাহিল হারামের নিকট সলাত আদায় করছিলেন। আবূ জাহল ও তার সাথীরা অদূরে উপবিষ্ট ছিল। পূর্বদিন সেখানে একটি উট নহর করা হয়েছিল। আবূ জাহল বলল, কে অমুক গোত্রের উটের (নাড়ি-ভূড়িসহ) জরায়ুকে নিয়ে আসবে এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সিজদারত হবে, তখন তার দু’কাঁধের মাঝখানে তা রেখে দেবে? তখন সম্প্রদায়ের সবচাইতে হতভাগা দূরাচার লোকটি উঠে দাঁড়াল এবং তা নিয়ে আসলো এবং যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দায় গেলেন তখন তাঁর দু’কাঁধের মাঝখানে তা রেখে দিল। তখন তারা হাসাহাসি করতে লাগল এবং একে অপরের গায়ের উপর ঢলে পড়তে লাগল, আর আমি তখন দাঁড়িয়ে তা দেখলাম। যদি আমার প্রতিরোধের সাধ্য থাকতো তবে আমি তা অবশ্যই রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠ থেকে ফেলে দিতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দায় রইলেন এবং তিনি মাথা উঠাতে পারছিলেন না। অবশেষে এক ব্যক্তি গিয়ে ফাতিমাহ্‌কে খবর দিল। ফাতিমাহ্‌ সাথে সাথে আসলেন। আর তিনি তখন বালিকা। তিনি তা তাঁর উপর থেকে ফেলে দিলেন। তারপর তাদের দিকে মুখ করে তাদেরকে মন্দাচারের বিষয়ে বলছিলেন। তারপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত সম্পন্ন করলেন তখন উচ্চৈঃস্বরে তাদেরকে বদদু’আ দিলেন আর তিনি যখন দু’আ করতেন (সাধারণতঃ) তিনবার করতেন এবং যখন কিছু প্রার্থনা করতেন তখন তিনি তিনবার করতেন। তারপর তিনি তিন তিনবার বললেন “ইয়া আল্লাহ্‌! তোমার উপরেই কুরায়শদের বিচারের ভার ন্যাস্ত করলাম। যখন তারা তাঁর আওয়াজ শুনতে পেল তখন তাদের হাসি চলে গেল এবং তারা তাঁর বদ দু’আয় ভয় পেয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌! আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশাম, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, ওয়ালিদ ইবনু উক্‌বাহ্‌, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ ও উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মুআ’য়তের শাস্তির ভার তোমার উপর ন্যস্ত। রাবী বলেন, তিনি সপ্তম আরেকজনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। আমি তা স্মরণ রাখতে পারিনি। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যে পবিত্র সত্তা সত্যসহ রসূলরূপে প্রেরণ করেছেন, তাঁর কসম! তিনি যাদের নাম সেদিন উচ্চারণ করেছিলেন বাদ্‌রের দিন তাদের পতিত লাশ আমি দেখেছি। তারপর তাদের হেঁচড়িয়ে বাদ্‌রের একটি নোংরা কূপে নিক্ষেপ করা হয়। আবূ ইসহাক্‌ বলেন, ওয়ালিদ ইবনু উকবার নাম এখানে ভুলে হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯৮, ই.সে. ৪৫০০)

ইবনু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাইতুল্লাহিল হারামের নিকট সলাত আদায় করছিলেন। আবূ জাহল ও তার সাথীরা অদূরে উপবিষ্ট ছিল। পূর্বদিন সেখানে একটি উট নহর করা হয়েছিল। আবূ জাহল বলল, কে অমুক গোত্রের উটের (নাড়ি-ভূড়িসহ) জরায়ুকে নিয়ে আসবে এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সিজদারত হবে, তখন তার দু’কাঁধের মাঝখানে তা রেখে দেবে? তখন সম্প্রদায়ের সবচাইতে হতভাগা দূরাচার লোকটি উঠে দাঁড়াল এবং তা নিয়ে আসলো এবং যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দায় গেলেন তখন তাঁর দু’কাঁধের মাঝখানে তা রেখে দিল। তখন তারা হাসাহাসি করতে লাগল এবং একে অপরের গায়ের উপর ঢলে পড়তে লাগল, আর আমি তখন দাঁড়িয়ে তা দেখলাম। যদি আমার প্রতিরোধের সাধ্য থাকতো তবে আমি তা অবশ্যই রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিঠ থেকে ফেলে দিতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিজ্‌দায় রইলেন এবং তিনি মাথা উঠাতে পারছিলেন না। অবশেষে এক ব্যক্তি গিয়ে ফাতিমাহ্‌কে খবর দিল। ফাতিমাহ্‌ সাথে সাথে আসলেন। আর তিনি তখন বালিকা। তিনি তা তাঁর উপর থেকে ফেলে দিলেন। তারপর তাদের দিকে মুখ করে তাদেরকে মন্দাচারের বিষয়ে বলছিলেন। তারপর যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত সম্পন্ন করলেন তখন উচ্চৈঃস্বরে তাদেরকে বদদু’আ দিলেন আর তিনি যখন দু’আ করতেন (সাধারণতঃ) তিনবার করতেন এবং যখন কিছু প্রার্থনা করতেন তখন তিনি তিনবার করতেন। তারপর তিনি তিন তিনবার বললেন “ইয়া আল্লাহ্‌! তোমার উপরেই কুরায়শদের বিচারের ভার ন্যাস্ত করলাম। যখন তারা তাঁর আওয়াজ শুনতে পেল তখন তাদের হাসি চলে গেল এবং তারা তাঁর বদ দু’আয় ভয় পেয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌! আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশাম, উত্‌বাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, শাইবাহ্‌ ইবনু রাবী’আহ্‌, ওয়ালিদ ইবনু উক্‌বাহ্‌, উমাইয়াহ্‌ ইবনু খালাফ ও উক্‌বাহ্‌ ইবনু আবূ মুআ’য়তের শাস্তির ভার তোমার উপর ন্যস্ত। রাবী বলেন, তিনি সপ্তম আরেকজনের কথা উল্লেখ করেছিলেন। আমি তা স্মরণ রাখতে পারিনি। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যে পবিত্র সত্তা সত্যসহ রসূলরূপে প্রেরণ করেছেন, তাঁর কসম! তিনি যাদের নাম সেদিন উচ্চারণ করেছিলেন বাদ্‌রের দিন তাদের পতিত লাশ আমি দেখেছি। তারপর তাদের হেঁচড়িয়ে বাদ্‌রের একটি নোংরা কূপে নিক্ষেপ করা হয়। আবূ ইসহাক্‌ বলেন, ওয়ালিদ ইবনু উকবার নাম এখানে ভুলে হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৯৮, ই.সে. ৪৫০০)

وحدثنا عبد الله بن عمر بن محمد بن أبان الجعفي، حدثنا عبد الرحيم، - يعني ابن سليمان - عن زكرياء، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون الأودي، عن ابن مسعود، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي عند البيت وأبو جهل وأصحاب له جلوس وقد نحرت جزور بالأمس فقال أبو جهل أيكم يقوم إلى سلا جزور بني فلان فيأخذه فيضعه في كتفى محمد إذا سجد فانبعث أشقى القوم فأخذه فلما سجد النبي صلى الله عليه وسلم وضعه بين كتفيه قال فاستضحكوا وجعل بعضهم يميل على بعض وأنا قائم أنظر ‏.‏ لو كانت لي منعة طرحته عن ظهر رسول الله صلى الله عليه وسلم والنبي صلى الله عليه وسلم ساجد ما يرفع رأسه حتى انطلق إنسان فأخبر فاطمة فجاءت وهي جويرية فطرحته عنه ‏.‏ ثم أقبلت عليهم تشتمهم فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته رفع صوته ثم دعا عليهم وكان إذا دعا دعا ثلاثا ‏.‏ وإذا سأل سأل ثلاثا ثم قال ‏"‏ اللهم عليك بقريش ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات فلما سمعوا صوته ذهب عنهم الضحك وخافوا دعوته ثم قال ‏"‏ اللهم عليك بأبي جهل بن هشام وعتبة بن ربيعة وشيبة بن ربيعة والوليد بن عقبة وأمية بن خلف وعقبة بن أبي معيط ‏"‏ ‏.‏ وذكر السابع ولم أحفظه فوالذي بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق لقد رأيت الذين سمى صرعى يوم بدر ثم سحبوا إلى القليب قليب بدر ‏.‏ قال أبو إسحاق الوليد بن عقبة غلط في هذا الحديث ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৮

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا سفيان، عن الأسود بن قيس، أنه سمع جندبا، يقول أبطأ جبريل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال المشركون قد ودع محمد فأنزل الله عز وجل ‏{‏ والضحى * والليل إذا سجى * ما ودعك ربك وما قلى‏}‏

আসওয়াদ ইবনু কায়স থেকে বর্নিতঃ

তিনি জুন্দুব (রহঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, জিবরাঈল (‘আঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসতে বিলম্ব করেন। এতে মুশরিকরা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ পরিত্যক্ত হয়েছেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন, “শপথ পূর্বাহ্নের,শপথ রজনীর! যখন তা হয় নিঝুম, তোমার প্রতিপালক তোমাকে ছেড়ে দেননি এবং তোমার প্রতি নারাজও হননি।” (ই.ফা. ৪৫০৫, ই.সে. ৪৫০৭)

আসওয়াদ ইবনু কায়স থেকে বর্নিতঃ

তিনি জুন্দুব (রহঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, জিবরাঈল (‘আঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসতে বিলম্ব করেন। এতে মুশরিকরা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ পরিত্যক্ত হয়েছেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন, “শপথ পূর্বাহ্নের,শপথ রজনীর! যখন তা হয় নিঝুম, তোমার প্রতিপালক তোমাকে ছেড়ে দেননি এবং তোমার প্রতি নারাজও হননি।” (ই.ফা. ৪৫০৫, ই.সে. ৪৫০৭)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا سفيان، عن الأسود بن قيس، أنه سمع جندبا، يقول أبطأ جبريل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال المشركون قد ودع محمد فأنزل الله عز وجل ‏{‏ والضحى * والليل إذا سجى * ما ودعك ربك وما قلى‏}‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৯

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قال إسحاق أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن الأسود بن قيس، قال سمعت جندب بن سفيان، يقول اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يقم ليلتين أو ثلاثا فجاءته امرأة فقالت يا محمد إني لأرجو أن يكون شيطانك قد تركك لم أره قربك منذ ليلتين أو ثلاث قال فأنزل الله عز وجل ‏{‏ والضحى * والليل إذا سجى * ما ودعك ربك وما قلى‏}‏

আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) –কে বলতে শুনেছি, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পীড়িত হন বিধায় দুই বা তিন রাত্রি জাগতে পারেননি (তাহাজ্জুদের জন্যে)। তখন একটি মহিলা এসে বলল, “মুহাম্মাদ, আশা করি, এবার তোমার শাইতান তোমাকে ছেড়ে দিয়েছে। কেননা, দুই বা তিন রাত যাবৎ তোমার নিকটে আগমন লক্ষ্য করছি না।” তখন আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন, “শপথ পূর্বাহ্নের, শপথ রজনীর! যখন তা হয় নিঝ্ঝুম, তোমার প্রতিপালক তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি অসন্তুষ্টও হননি।” (ই.ফা. ৪৫০৬, ই.সে. ৪৫০৮)

আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) –কে বলতে শুনেছি, একবার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পীড়িত হন বিধায় দুই বা তিন রাত্রি জাগতে পারেননি (তাহাজ্জুদের জন্যে)। তখন একটি মহিলা এসে বলল, “মুহাম্মাদ, আশা করি, এবার তোমার শাইতান তোমাকে ছেড়ে দিয়েছে। কেননা, দুই বা তিন রাত যাবৎ তোমার নিকটে আগমন লক্ষ্য করছি না।” তখন আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করলেন, “শপথ পূর্বাহ্নের, শপথ রজনীর! যখন তা হয় নিঝ্ঝুম, তোমার প্রতিপালক তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি অসন্তুষ্টও হননি।” (ই.ফা. ৪৫০৬, ই.সে. ৪৫০৮)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قال إسحاق أخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن الأسود بن قيس، قال سمعت جندب بن سفيان، يقول اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يقم ليلتين أو ثلاثا فجاءته امرأة فقالت يا محمد إني لأرجو أن يكون شيطانك قد تركك لم أره قربك منذ ليلتين أو ثلاث قال فأنزل الله عز وجل ‏{‏ والضحى * والليل إذا سجى * ما ودعك ربك وما قلى‏}‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৪৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، أخبرنا سفيان، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد نحوه وزاد وكان يستحب ثلاثا يقول ‏ "‏ اللهم عليك بقريش اللهم عليك بقريش اللهم عليك بقريش ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا وذكر فيهم الوليد بن عتبة وأمية بن خلف ولم يشك ‏.‏ قال أبو إسحاق ونسيت السابع ‏.‏

আবূ ইস্হাক (রহঃ) হতে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বাড়িয়ে বলেছেন, “এবং তিনি তিনবার বলা পছন্দ করতেন। তিনি বলেছিলেন, ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শের (এদের) বিচারের ভার তোমার উপর ন্যাস্ত। ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শদের বিচারের ভার তোমার উপর ন্যস্ত। ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শের বিচারের ভার তোমার উপরই ন্যাস্ত। এভাবে তিনবার তিনি বলেন, এবং এদের মধ্যে ওয়ালীদ ইবনু উত্বাহ্ ও উমাইয়াহ্ ইবনু খালাফের কথা তিনি উল্লেখ করেন এবং তাতে কোনরূপ সন্দেহ প্রকাশ করেননি। রাবী আবূ ইসহাক্ বলেন, আমি সপ্তম (অভিশপ্ত) ব্যক্তির নাম ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৪৫০০, ই.সে. ৪৫০২)

আবূ ইস্হাক (রহঃ) হতে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী সুফ্ইয়ান (রহঃ) বাড়িয়ে বলেছেন, “এবং তিনি তিনবার বলা পছন্দ করতেন। তিনি বলেছিলেন, ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শের (এদের) বিচারের ভার তোমার উপর ন্যাস্ত। ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শদের বিচারের ভার তোমার উপর ন্যস্ত। ইয়া আল্লাহ্! কুরায়শের বিচারের ভার তোমার উপরই ন্যাস্ত। এভাবে তিনবার তিনি বলেন, এবং এদের মধ্যে ওয়ালীদ ইবনু উত্বাহ্ ও উমাইয়াহ্ ইবনু খালাফের কথা তিনি উল্লেখ করেন এবং তাতে কোনরূপ সন্দেহ প্রকাশ করেননি। রাবী আবূ ইসহাক্ বলেন, আমি সপ্তম (অভিশপ্ত) ব্যক্তির নাম ভুলে গেছি। (ই.ফা. ৪৫০০, ই.সে. ৪৫০২)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، أخبرنا سفيان، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد نحوه وزاد وكان يستحب ثلاثا يقول ‏ "‏ اللهم عليك بقريش اللهم عليك بقريش اللهم عليك بقريش ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا وذكر فيهم الوليد بن عتبة وأمية بن خلف ولم يشك ‏.‏ قال أبو إسحاق ونسيت السابع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫৫০

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا حدثنا محمد، بن جعفر عن شعبة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا الملائي، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد نحو حديثهما ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রহঃ) শু‘বাহ (রহঃ) হতে এবং ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) …সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উভয়ে উক্ত সানাদে আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫০৭, ই.সে. ৪৫০৯)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশ্শার (রহঃ) শু‘বাহ (রহঃ) হতে এবং ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) …সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উভয়ে উক্ত সানাদে আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫০৭, ই.সে. ৪৫০৯)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا حدثنا محمد، بن جعفر عن شعبة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا الملائي، حدثنا سفيان، كلاهما عن الأسود بن قيس، بهذا الإسناد نحو حديثهما ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00