সহিহ মুসলিম > কা’বার চারপাশ থেকে মূর্তিসমূহ দূরীকরণ
সহিহ মুসলিম ৪৫১৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن عبد الله، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم مكة وحول الكعبة ثلاثمائة وستون نصبا فجعل يطعنها بعود كان بيده ويقول " { جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا} { جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد} زاد ابن أبي عمر يوم الفتح .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর হাতে একটি ছড়ি (কাঠি) ছিল তিনি তা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন এবং বলছিলেনঃ “সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে; মিথ্যাতো বিলুপ্ত হবারই” – (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭ : ৮১)। “সত্য এসেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে না পারে পুনরাবৃত্তি করতে” – (সূরা সাবা ৩৪ : ৪৯)। ইবনু আবূ ‘উমার (আরবি) (বিজয়ের দিন) কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৭৪, ই.সে. ৪৪৭৬)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর হাতে একটি ছড়ি (কাঠি) ছিল তিনি তা দিয়ে মূর্তিগুলোকে খোঁচা দিচ্ছিলেন এবং বলছিলেনঃ “সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে; মিথ্যাতো বিলুপ্ত হবারই” – (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭ : ৮১)। “সত্য এসেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে না পারে পুনরাবৃত্তি করতে” – (সূরা সাবা ৩৪ : ৪৯)। ইবনু আবূ ‘উমার (আরবি) (বিজয়ের দিন) কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৭৪, ই.সে. ৪৪৭৬)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، عن عبد الله، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم مكة وحول الكعبة ثلاثمائة وستون نصبا فجعل يطعنها بعود كان بيده ويقول " { جاء الحق وزهق الباطل إن الباطل كان زهوقا} { جاء الحق وما يبدئ الباطل وما يعيد} زاد ابن أبي عمر يوم الفتح .
সহিহ মুসলিম ৪৫১৮
وحدثناه حسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، كلاهما عن عبد الرزاق، أخبرنا الثوري، عن ابن أبي نجيح، بهذا الإسناد إلى قوله زهوقا . ولم يذكر الآية الأخرى وقال بدل نصبا صنما .
ইবনু আবূ নাজীহ হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীস, আয়াতের শেষ (আরবি) (বিলুপ্ত হবারই) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি অপর আয়াতটি বর্ণনা করেননি। আর তিনি (আরবি) (মূর্তি, পূজার বেদী) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) (মূর্তি) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৭৫, ই.সে. ৪৪৭৭)
ইবনু আবূ নাজীহ হতে এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীস, আয়াতের শেষ (আরবি) (বিলুপ্ত হবারই) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি অপর আয়াতটি বর্ণনা করেননি। আর তিনি (আরবি) (মূর্তি, পূজার বেদী) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) (মূর্তি) শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৭৫, ই.সে. ৪৪৭৭)
وحدثناه حسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، كلاهما عن عبد الرزاق، أخبرنا الثوري، عن ابن أبي نجيح، بهذا الإسناد إلى قوله زهوقا . ولم يذكر الآية الأخرى وقال بدل نصبا صنما .
সহিহ মুসলিম > বিজয়ের পর কুরায়শদের ধর্মত্যাগের অপরাধে কতল করা হবে না
সহিহ মুসলিম ৪৫১৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ووكيع، عن زكرياء، عن الشعبي، قال أخبرني عبد الله بن مطيع، عن أبيه، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يوم فتح مكة " لا يقتل قرشي صبرا بعد هذا اليوم إلى يوم القيامة " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু মুতী’ (রহঃ) –এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মাক্কাহ বিজয়ের দিন বলতে শুনেছি যে, আজকের দিনের পর কিয়ামাত পর্যন্ত কুরায়শগণকে (ধর্মত্যাগের অপরাধে ও যুদ্ধে) হত্যা করা হবে না। [৩৯] (ই.ফা. ৪৪৭৬, ই.সে. ৪৪৭৮)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মুতী’ (রহঃ) –এর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে মাক্কাহ বিজয়ের দিন বলতে শুনেছি যে, আজকের দিনের পর কিয়ামাত পর্যন্ত কুরায়শগণকে (ধর্মত্যাগের অপরাধে ও যুদ্ধে) হত্যা করা হবে না। [৩৯] (ই.ফা. ৪৪৭৬, ই.সে. ৪৪৭৮)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ووكيع، عن زكرياء، عن الشعبي، قال أخبرني عبد الله بن مطيع، عن أبيه، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول يوم فتح مكة " لا يقتل قرشي صبرا بعد هذا اليوم إلى يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৪৫২০
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، بهذا الإسناد . وزاد قال ولم يكن أسلم أحد من عصاة قريش غير مطيع كان اسمه العاصي فسماه رسول الله صلى الله عليه وسلم مطيعا .
যাকারিয়্যা (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, কুরায়শদের মধ্য থেকে কোন ‘আসী ইসলাম গ্রহণ করেনি, মুতী’ ব্যতীত, তার নাম ছিল ‘আসী (অবাধ্য)। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নাম রাখলেন মুতী’ (অনুগত)। (ই.ফা. ৪৪৭৭, ই.সে. ৪৪৭৯)
যাকারিয়্যা (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, কুরায়শদের মধ্য থেকে কোন ‘আসী ইসলাম গ্রহণ করেনি, মুতী’ ব্যতীত, তার নাম ছিল ‘আসী (অবাধ্য)। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নাম রাখলেন মুতী’ (অনুগত)। (ই.ফা. ৪৪৭৭, ই.সে. ৪৪৭৯)
حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا زكرياء، بهذا الإسناد . وزاد قال ولم يكن أسلم أحد من عصاة قريش غير مطيع كان اسمه العاصي فسماه رسول الله صلى الله عليه وسلم مطيعا .
সহিহ মুসলিম > হুদাইবিয়ার সন্ধি সম্পর্কে
সহিহ মুসলিম ৪৫২২
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب، يقول لما صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل الحديبية كتب علي كتابا بينهم قال فكتب " محمد رسول الله " ثم ذكر بنحو حديث معاذ غير أنه لم يذكر في الحديث " هذا ما كاتب عليه " .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদাইবিয়াবাসীদের মধ্যে সন্ধি করলেন, ‘আলী (রাঃ) উভয়ের মধ্যে একটি সন্ধিপত্র লিখলেন। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) লিখলেন, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ, তারপর মু’আয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার হাদীসে (আরবি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৭৯, ই.সে. ৪৪৮১)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদাইবিয়াবাসীদের মধ্যে সন্ধি করলেন, ‘আলী (রাঃ) উভয়ের মধ্যে একটি সন্ধিপত্র লিখলেন। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) লিখলেন, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ, তারপর মু’আয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার হাদীসে (আরবি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৭৯, ই.সে. ৪৪৮১)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب، يقول لما صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل الحديبية كتب علي كتابا بينهم قال فكتب " محمد رسول الله " ثم ذكر بنحو حديث معاذ غير أنه لم يذكر في الحديث " هذا ما كاتب عليه " .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৬
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء ومحمد بن عبد الله بن نمير قالا حدثنا أبو معاوية عن الأعمش، عن شقيق، قال سمعت سهل بن حنيف، يقول بصفين أيها الناس اتهموا رأيكم والله لقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أني أستطيع أن أرد أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم لرددته والله ما وضعنا سيوفنا على عواتقنا إلى أمر قط إلا أسهلن بنا إلى أمر نعرفه إلا أمركم هذا . لم يذكر ابن نمير إلى أمر قط .
শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিফফীন দিবসে সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) –কে আমি বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের নিজেদের অভিমতকে অভিযুক্ত মনে করবে। আল্লাহর কসম! আমি আবূ জান্দালের সে দিনটি দেখেছি। যদি আমার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর আদেশ প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য থাকতো, তবে অবশ্যই তা প্রত্যাখ্যান করতাম। আল্লাহর কসম! আমরা আমাদের তরবারি স্বীয় গর্দানে উঠাতাম না যতক্ষণ না আমাদের কোন বিষয় বোধগম্য ছিল। কিন্তু তোমাদের এ ব্যাপারটির কথা তার বিপরীত। ইবনু নুমায়র তাঁর বর্ণনায় (আরবি) (কোন ব্যাপারে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৮৩, ই.সে. ৪৪৮৫)
শাকীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিফফীন দিবসে সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) –কে আমি বলতে শুনেছি, হে লোক সকল! তোমাদের নিজেদের অভিমতকে অভিযুক্ত মনে করবে। আল্লাহর কসম! আমি আবূ জান্দালের সে দিনটি দেখেছি। যদি আমার রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর আদেশ প্রত্যাখ্যান করার সাধ্য থাকতো, তবে অবশ্যই তা প্রত্যাখ্যান করতাম। আল্লাহর কসম! আমরা আমাদের তরবারি স্বীয় গর্দানে উঠাতাম না যতক্ষণ না আমাদের কোন বিষয় বোধগম্য ছিল। কিন্তু তোমাদের এ ব্যাপারটির কথা তার বিপরীত। ইবনু নুমায়র তাঁর বর্ণনায় (আরবি) (কোন ব্যাপারে) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৮৩, ই.সে. ৪৪৮৫)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء ومحمد بن عبد الله بن نمير قالا حدثنا أبو معاوية عن الأعمش، عن شقيق، قال سمعت سهل بن حنيف، يقول بصفين أيها الناس اتهموا رأيكم والله لقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أني أستطيع أن أرد أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم لرددته والله ما وضعنا سيوفنا على عواتقنا إلى أمر قط إلا أسهلن بنا إلى أمر نعرفه إلا أمركم هذا . لم يذكر ابن نمير إلى أمر قط .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن قريشا، صالحوا النبي صلى الله عليه وسلم فيهم سهيل بن عمرو فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعلي " اكتب بسم الله الرحمن الرحيم " . قال سهيل أما باسم الله فما ندري ما بسم الله الرحمن الرحيم ولكن اكتب ما نعرف باسمك اللهم فقال " اكتب من محمد رسول الله " . قالوا لو علمنا أنك رسول الله لاتبعناك ولكن اكتب اسمك واسم أبيك . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اكتب من محمد بن عبد الله " . فاشترطوا على النبي صلى الله عليه وسلم أن من جاء منكم لم نرده عليكم ومن جاءكم منا رددتموه علينا فقالوا يا رسول الله أنكتب هذا قال " نعم إنه من ذهب منا إليهم فأبعده الله ومن جاءنا منهم سيجعل الله له فرجا ومخرجا " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুরায়শরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে সন্ধি করল। তাদের মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরও ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) –কে বললেনঃ লিখ ‘বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’। সুহায়ল বলল, কি বিসমিল্লা-হ্? আমরা তো জানি না বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম কী? তবে আমরা জানি বি ইসমিকা আল্লাহুমা, তাই লিখ। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পক্ষ থেকে। তখন তারা বলে উঠলো, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম, তাহলে তো আমরা আপনার অনুসরণই করতাম। বরং আপনি আপনার নাম এবং আপনার পিতার নাম লিখুন।” তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর এ মর্মে শর্ত আরোপ করলো যে, যারা আপনাদের নিকট থেকে চলে আসবে, আমরা তাকে ফেরত পাঠাবো না, কিন্তু আমাদের কেউ যদি আপনাদের নিকট চলে যায়, তবে আপনারা তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেবেন। তখন সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি এরূপ লিখবো? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি তাদের কাছে যায় তবে আল্লাহ্ই তাকে (রহমাত থেকে) সরিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে যে আমাদের কাছে আসবে (তাকে ফেরত দিলেও) আল্লাহ্ অচিরেই তার কোন ব্যবস্থা ও পথ বের করে দেবেন। (ই.ফা. ৪৪৮১, ই.সে. ৪৪৮৩)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুরায়শরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাথে সন্ধি করল। তাদের মধ্যে সুহায়ল ইবনু ‘আমরও ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ) –কে বললেনঃ লিখ ‘বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম’। সুহায়ল বলল, কি বিসমিল্লা-হ্? আমরা তো জানি না বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম কী? তবে আমরা জানি বি ইসমিকা আল্লাহুমা, তাই লিখ। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর পক্ষ থেকে। তখন তারা বলে উঠলো, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম, তাহলে তো আমরা আপনার অনুসরণই করতাম। বরং আপনি আপনার নাম এবং আপনার পিতার নাম লিখুন।” তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লিখ, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর এ মর্মে শর্ত আরোপ করলো যে, যারা আপনাদের নিকট থেকে চলে আসবে, আমরা তাকে ফেরত পাঠাবো না, কিন্তু আমাদের কেউ যদি আপনাদের নিকট চলে যায়, তবে আপনারা তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দেবেন। তখন সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি এরূপ লিখবো? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি তাদের কাছে যায় তবে আল্লাহ্ই তাকে (রহমাত থেকে) সরিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে যে আমাদের কাছে আসবে (তাকে ফেরত দিলেও) আল্লাহ্ অচিরেই তার কোন ব্যবস্থা ও পথ বের করে দেবেন। (ই.ফা. ৪৪৮১, ই.সে. ৪৪৮৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن أنس، أن قريشا، صالحوا النبي صلى الله عليه وسلم فيهم سهيل بن عمرو فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعلي " اكتب بسم الله الرحمن الرحيم " . قال سهيل أما باسم الله فما ندري ما بسم الله الرحمن الرحيم ولكن اكتب ما نعرف باسمك اللهم فقال " اكتب من محمد رسول الله " . قالوا لو علمنا أنك رسول الله لاتبعناك ولكن اكتب اسمك واسم أبيك . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اكتب من محمد بن عبد الله " . فاشترطوا على النبي صلى الله عليه وسلم أن من جاء منكم لم نرده عليكم ومن جاءكم منا رددتموه علينا فقالوا يا رسول الله أنكتب هذا قال " نعم إنه من ذهب منا إليهم فأبعده الله ومن جاءنا منهم سيجعل الله له فرجا ومخرجا " .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن جناب المصيصي، جميعا عن عيسى بن يونس، - واللفظ لإسحاق - أخبرنا عيسى بن يونس، أخبرنا زكرياء، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال لما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم عند البيت صالحه أهل مكة على أن يدخلها فيقيم بها ثلاثا ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح السيف وقرابه . ولا يخرج بأحد معه من أهلها ولا يمنع أحدا يمكث بها ممن كان معه . قال لعلي " اكتب الشرط بيننا بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله " . فقال له المشركون لو نعلم أنك رسول الله تابعناك ولكن اكتب محمد بن عبد الله . فأمر عليا أن يمحاها فقال علي لا والله لا أمحاها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرني مكانها " . فأراه مكانها فمحاها وكتب " ابن عبد الله " . فأقام بها ثلاثة أيام فلما أن كان يوم الثالث قالوا لعلي هذا آخر يوم من شرط صاحبك فأمره فليخرج . فأخبره بذلك فقال " نعم " . فخرج . وقال ابن جناب في روايته مكان تابعناك بايعناك .
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ শারীফের নিকট বাধাগ্রস্ত হলেন, তখন মাক্কাবাসীরা এ মর্মে তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলো যে, (পরবর্তী বছর) তিনি মাক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিনদিন অবস্থান করবেন এবং কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া আর কিছু নিয়ে সেখানে প্রবেশ করবেন না এবং কোন মাক্কাবাসী কাউকে নিয়ে মাক্কাহ থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন না। পক্ষান্তরে তাঁর সাথীদের কেউ যদি সেখানে থেকে যেতে চায়, তবে তাকে বারণ করবেন না। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ)–কে বললেনঃ আমাদের মধ্যকার শর্তগুলো এভাবে লিখে নাওঃ বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম ..... এ হচ্ছে সেই সন্ধি যা মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চূড়ান্ত করেছেন। তখন মুশরিকরা তাঁকে বলল, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম তবে আপনার অনুসরণই করতাম, বরং লিখুন, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ) –কে তা মুছে ফেলতে নির্দেশ দিলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তা মুছতে পারব না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে আমাকেই সে স্থান দেখিয়ে দাও। তিনি সে স্থান দেখিয়ে দিলেন আর তিনি তা (স্বহস্তে) মুছে ফেললেন এবং লিখালেন মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তারপর (পরের বছর তিনি সাহাবাদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন) সেখানে তিনি তিনদিন অবস্থান করলেন। যখন তৃতীয়দিন সমাগত হলো, তখন তারা ‘আলী (রাঃ) –কে বললেন এটা হচ্ছে তোমার সাথীর শর্তের স্থিরীকৃত শেষ দিবস। তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলে দাও। তখন তিনি তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি বেরিয়ে গেলেন। ইবনু জানাব (আরবি) স্থলে (আরবি) বলে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৮০, ই.সে. ৪৪৮২)
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ শারীফের নিকট বাধাগ্রস্ত হলেন, তখন মাক্কাবাসীরা এ মর্মে তাঁর সঙ্গে সন্ধি করলো যে, (পরবর্তী বছর) তিনি মাক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিনদিন অবস্থান করবেন এবং কোষবদ্ধ তরবারি ছাড়া আর কিছু নিয়ে সেখানে প্রবেশ করবেন না এবং কোন মাক্কাবাসী কাউকে নিয়ে মাক্কাহ থেকে বেরিয়ে যেতে পারবেন না। পক্ষান্তরে তাঁর সাথীদের কেউ যদি সেখানে থেকে যেতে চায়, তবে তাকে বারণ করবেন না। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ)–কে বললেনঃ আমাদের মধ্যকার শর্তগুলো এভাবে লিখে নাওঃ বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম ..... এ হচ্ছে সেই সন্ধি যা মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চূড়ান্ত করেছেন। তখন মুশরিকরা তাঁকে বলল, আমরা যদি আপনাকে আল্লাহর রসূলই জানতাম তবে আপনার অনুসরণই করতাম, বরং লিখুন, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তখন তিনি ‘আলী (রাঃ) –কে তা মুছে ফেলতে নির্দেশ দিলেন। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তা মুছতে পারব না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে আমাকেই সে স্থান দেখিয়ে দাও। তিনি সে স্থান দেখিয়ে দিলেন আর তিনি তা (স্বহস্তে) মুছে ফেললেন এবং লিখালেন মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ। তারপর (পরের বছর তিনি সাহাবাদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন) সেখানে তিনি তিনদিন অবস্থান করলেন। যখন তৃতীয়দিন সমাগত হলো, তখন তারা ‘আলী (রাঃ) –কে বললেন এটা হচ্ছে তোমার সাথীর শর্তের স্থিরীকৃত শেষ দিবস। তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলে দাও। তখন তিনি তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করলেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি বেরিয়ে গেলেন। ইবনু জানাব (আরবি) স্থলে (আরবি) বলে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৮০, ই.সে. ৪৪৮২)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وأحمد بن جناب المصيصي، جميعا عن عيسى بن يونس، - واللفظ لإسحاق - أخبرنا عيسى بن يونس، أخبرنا زكرياء، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال لما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم عند البيت صالحه أهل مكة على أن يدخلها فيقيم بها ثلاثا ولا يدخلها إلا بجلبان السلاح السيف وقرابه . ولا يخرج بأحد معه من أهلها ولا يمنع أحدا يمكث بها ممن كان معه . قال لعلي " اكتب الشرط بيننا بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما قاضى عليه محمد رسول الله " . فقال له المشركون لو نعلم أنك رسول الله تابعناك ولكن اكتب محمد بن عبد الله . فأمر عليا أن يمحاها فقال علي لا والله لا أمحاها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرني مكانها " . فأراه مكانها فمحاها وكتب " ابن عبد الله " . فأقام بها ثلاثة أيام فلما أن كان يوم الثالث قالوا لعلي هذا آخر يوم من شرط صاحبك فأمره فليخرج . فأخبره بذلك فقال " نعم " . فخرج . وقال ابن جناب في روايته مكان تابعناك بايعناك .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - وتقاربا في اللفظ - حدثنا أبي، حدثنا عبد العزيز بن سياه، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، عن أبي وائل، قال قام سهل بن حنيف يوم صفين فقال أيها الناس اتهموا أنفسكم لقد كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية ولو نرى قتالا لقاتلنا وذلك في الصلح الذي كان بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين المشركين فجاء عمر بن الخطاب فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ألسنا على حق وهم على باطل قال " بلى " . قال أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال " بلى " . قال ففيم نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا وبينهم فقال " يا ابن الخطاب إني رسول الله ولن يضيعني الله أبدا " . قال فانطلق عمر فلم يصبر متغيظا فأتى أبا بكر فقال يا أبا بكر ألسنا على حق وهم على باطل قال بلى . قال أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال بلى . قال فعلام نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا وبينهم فقال يا ابن الخطاب إنه رسول الله ولن يضيعه الله أبدا . قال فنزل القرآن على رسول الله صلى الله عليه وسلم بالفتح فأرسل إلى عمر فأقرأه إياه فقال يا رسول الله أوفتح هو قال " نعم " . فطابت نفسه ورجع .
আবুল ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) সিফফীন দিবসে উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা নিজেদের অভিযুক্ত মনে করবে। আমরা হুদাইবিয়ার দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে ছিলাম। আমরা এটিকে যুদ্ধ মনে করলে সেদিন অবশ্যই আমরা যুদ্ধ করতাম। এটি হচ্ছে সেই সন্ধির কথা যা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে হয়েছিল। তখন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এসে বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি সত্যের উপর নই, আর তারা বাতিলের উপর নয়”? তিনি বললেনঃ “হ্যাঁ, তাই।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়?” তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে তাদের ও আমাদের মধ্যে আল্লাহর কোন ফায়সালা আসেনি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে খাত্তাব পুত্র! নিঃসন্দেহে আমি আল্লাহর রসূল। আর তিনি অবশ্যই কখনো আমাকে ধ্বংস করবেন না। রাবী বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) চলে গেলেন। তিনি ক্রোধে ধৈর্যধারণ করতে পারছিলেন না। তাই তিনি আবূ বাকরের কাছে এলেন এবং তাঁকে বললেন, হে আবূ বাকর! আমরা কি হকের উপর এবং তারা কি বাতিলের উপর নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই। আবার তিনি বললেন, “আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়? তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তখন তিনি বললেন, “তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে আমাদের এবং তাদের মধ্যে আল্লাহ কোন ফায়সালা দেননি? তখন তিনি বললেন, হে খাত্তাব তনয়! নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আল্লাহ্ কখনও তাঁর বিনাশ করবেন না। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর প্রতি বিজয়ের সুসংবাদ নিয়ে কুরআন অবতীর্ণ হলো। তখন তিনি ‘উমারকে ডেকে পাঠালেন এবং তাঁর সম্মুখে তা পাঠ করলে তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! এ কি বিজয়?” তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তাঁর অন্তর শান্ত হলো এবং তিনি ফিরে গেলেন। (ই.ফা. ৪৪৮২, ই.সে. ৪৪৮৪)
আবুল ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) সিফফীন দিবসে উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন, “হে লোক সকল! তোমরা নিজেদের অভিযুক্ত মনে করবে। আমরা হুদাইবিয়ার দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সাথে ছিলাম। আমরা এটিকে যুদ্ধ মনে করলে সেদিন অবশ্যই আমরা যুদ্ধ করতাম। এটি হচ্ছে সেই সন্ধির কথা যা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে হয়েছিল। তখন ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নিকট এসে বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি সত্যের উপর নই, আর তারা বাতিলের উপর নয়”? তিনি বললেনঃ “হ্যাঁ, তাই।” তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়?” তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে তাদের ও আমাদের মধ্যে আল্লাহর কোন ফায়সালা আসেনি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে খাত্তাব পুত্র! নিঃসন্দেহে আমি আল্লাহর রসূল। আর তিনি অবশ্যই কখনো আমাকে ধ্বংস করবেন না। রাবী বলেন, তখন ‘উমার (রাঃ) চলে গেলেন। তিনি ক্রোধে ধৈর্যধারণ করতে পারছিলেন না। তাই তিনি আবূ বাকরের কাছে এলেন এবং তাঁকে বললেন, হে আবূ বাকর! আমরা কি হকের উপর এবং তারা কি বাতিলের উপর নয়? তিনি বললেন, অবশ্যই। আবার তিনি বললেন, “আমাদের নিহতরা কি জান্নাতী এবং তাদের নিহতরা কি জাহান্নামী নয়? তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তখন তিনি বললেন, “তাহলে কী কারণে আমরা দ্বীনের ব্যাপারে লাঞ্ছনা মেনে নিয়ে ফিরে যাবো, অথচ এখনো এ ব্যাপারে আমাদের এবং তাদের মধ্যে আল্লাহ কোন ফায়সালা দেননি? তখন তিনি বললেন, হে খাত্তাব তনয়! নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আল্লাহ্ কখনও তাঁর বিনাশ করবেন না। রাবী বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর প্রতি বিজয়ের সুসংবাদ নিয়ে কুরআন অবতীর্ণ হলো। তখন তিনি ‘উমারকে ডেকে পাঠালেন এবং তাঁর সম্মুখে তা পাঠ করলে তখন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! এ কি বিজয়?” তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তাঁর অন্তর শান্ত হলো এবং তিনি ফিরে গেলেন। (ই.ফা. ৪৪৮২, ই.সে. ৪৪৮৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - وتقاربا في اللفظ - حدثنا أبي، حدثنا عبد العزيز بن سياه، حدثنا حبيب بن أبي ثابت، عن أبي وائل، قال قام سهل بن حنيف يوم صفين فقال أيها الناس اتهموا أنفسكم لقد كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية ولو نرى قتالا لقاتلنا وذلك في الصلح الذي كان بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين المشركين فجاء عمر بن الخطاب فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ألسنا على حق وهم على باطل قال " بلى " . قال أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال " بلى " . قال ففيم نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا وبينهم فقال " يا ابن الخطاب إني رسول الله ولن يضيعني الله أبدا " . قال فانطلق عمر فلم يصبر متغيظا فأتى أبا بكر فقال يا أبا بكر ألسنا على حق وهم على باطل قال بلى . قال أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال بلى . قال فعلام نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا وبينهم فقال يا ابن الخطاب إنه رسول الله ولن يضيعه الله أبدا . قال فنزل القرآن على رسول الله صلى الله عليه وسلم بالفتح فأرسل إلى عمر فأقرأه إياه فقال يا رسول الله أوفتح هو قال " نعم " . فطابت نفسه ورجع .
সহিহ মুসলিম ৪৫২১
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب، يقول كتب علي بن أبي طالب الصلح بين النبي صلى الله عليه وسلم وبين المشركين يوم الحديبية فكتب " هذا ما كاتب عليه محمد رسول الله" . فقالوا لا تكتب رسول الله فلو نعلم أنك رسول الله لم نقاتلك . فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعلي " امحه " . فقال ما أنا بالذي أمحاه . فمحاه النبي صلى الله عليه وسلم بيده قال وكان فيما اشترطوا أن يدخلوا مكة فيقيموا بها ثلاثا ولا يدخلها بسلاح إلا جلبان السلاح . قلت لأبي إسحاق وما جلبان السلاح قال القراب وما فيه .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘হুদাইবিয়াহ দিবসে’ ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে সন্ধিপত্র লিপিবদ্ধ করলেন, “এ সন্ধিটি লিখিয়েছেন মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন তারা বলল, ‘রসূলুল্লাহ’ কথাটি লেখবেন না। যদি আমরা বিশ্বাস করতাম যে, আপনি আল্লাহর রসূল, তবে তো আপনার সাথে আমরা যুদ্ধ করতাম না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)–কে বললেন, এ অংশটি কেটে দাও। তখন ‘আলী বললেন, আমি তা কেটে দেয়ার লোক নই। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–ই নিজ হাতে তা কেটে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধির একটি শর্ত এই ছিল যে, তারা মাক্কায় প্রবেশ করে তিন দিন অবস্থান করতে পারবে এবং তখন তারা কোন অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু কোষবদ্ধ তলোয়ার নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। আমি আবূ ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম, (আরবি) এর অর্থ কী? তখন তিনি বলেন, এর অর্থ খাপ এবং এর মধ্যে যা থাকে। (ই.ফা. ৪৪৭৮, ই.সে. ৪৪৮০)
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘হুদাইবিয়াহ দিবসে’ ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং মুশরিকদের মধ্যে সন্ধিপত্র লিপিবদ্ধ করলেন, “এ সন্ধিটি লিখিয়েছেন মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তখন তারা বলল, ‘রসূলুল্লাহ’ কথাটি লেখবেন না। যদি আমরা বিশ্বাস করতাম যে, আপনি আল্লাহর রসূল, তবে তো আপনার সাথে আমরা যুদ্ধ করতাম না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আলী (রাঃ)–কে বললেন, এ অংশটি কেটে দাও। তখন ‘আলী বললেন, আমি তা কেটে দেয়ার লোক নই। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–ই নিজ হাতে তা কেটে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধির একটি শর্ত এই ছিল যে, তারা মাক্কায় প্রবেশ করে তিন দিন অবস্থান করতে পারবে এবং তখন তারা কোন অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু কোষবদ্ধ তলোয়ার নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। আমি আবূ ইসহাককে জিজ্ঞেস করলাম, (আরবি) এর অর্থ কী? তখন তিনি বলেন, এর অর্থ খাপ এবং এর মধ্যে যা থাকে। (ই.ফা. ৪৪৭৮, ই.সে. ৪৪৮০)
حدثني عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء بن عازب، يقول كتب علي بن أبي طالب الصلح بين النبي صلى الله عليه وسلم وبين المشركين يوم الحديبية فكتب " هذا ما كاتب عليه محمد رسول الله" . فقالوا لا تكتب رسول الله فلو نعلم أنك رسول الله لم نقاتلك . فقال النبي صلى الله عليه وسلم لعلي " امحه " . فقال ما أنا بالذي أمحاه . فمحاه النبي صلى الله عليه وسلم بيده قال وكان فيما اشترطوا أن يدخلوا مكة فيقيموا بها ثلاثا ولا يدخلها بسلاح إلا جلبان السلاح . قلت لأبي إسحاق وما جلبان السلاح قال القراب وما فيه .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৮
وحدثني إبراهيم بن سعيد الجوهري، حدثنا أبو أسامة، عن مالك بن مغول، عن أبي حصين، عن أبي وائل، قال سمعت سهل بن حنيف، بصفين يقول اتهموا رأيكم على دينكم فلقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أستطيع أن أرد أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم - ما فتحنا منه في خصم إلا انفجر علينا منه خصم .
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে সিফ্ফীনে বলতে শুনেছি, “তোমরা তোমাদের নিজেদের মতকে তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে অভিযুক্ত মনে করবে। কারণ আমি আবূ জান্দালের দিনটি প্রত্যক্ষ করেছি। যদি আমার সেদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সামর্থ্য থাকত (তবে তাই করতাম, এখন ব্যপার এত সঙ্গীন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে,) আমরা এক দিকের ছিদ্র বন্ধ করলে ওপর দিকের ছিদ্র খুলে যায়। (ই.ফা. ৪৪৮৫, ই.সে. ৪৪৮৭)
আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে সিফ্ফীনে বলতে শুনেছি, “তোমরা তোমাদের নিজেদের মতকে তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে অভিযুক্ত মনে করবে। কারণ আমি আবূ জান্দালের দিনটি প্রত্যক্ষ করেছি। যদি আমার সেদিন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সামর্থ্য থাকত (তবে তাই করতাম, এখন ব্যপার এত সঙ্গীন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে,) আমরা এক দিকের ছিদ্র বন্ধ করলে ওপর দিকের ছিদ্র খুলে যায়। (ই.ফা. ৪৪৮৫, ই.সে. ৪৪৮৭)
وحدثني إبراهيم بن سعيد الجوهري، حدثنا أبو أسامة، عن مالك بن مغول، عن أبي حصين، عن أبي وائل، قال سمعت سهل بن حنيف، بصفين يقول اتهموا رأيكم على دينكم فلقد رأيتني يوم أبي جندل ولو أستطيع أن أرد أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم - ما فتحنا منه في خصم إلا انفجر علينا منه خصم .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৯
وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد بن أبي، عروبة عن قتادة، أن أنس بن مالك، حدثهم قال لما نزلت { إنا فتحنا لك فتحا مبينا * ليغفر لك الله} إلى قوله { فوزا عظيما} مرجعه من الحديبية وهم يخالطهم الحزن والكآبة وقد نحر الهدى بالحديبية فقال " لقد أنزلت على آية هي أحب إلى من الدنيا جميعا " .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাঁদের বলেছেন, হুদাইবিয়াহ্ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় যখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “নিশ্চয় আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়, যেন আল্লাহ্ তোমার ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন ..... মহা সাফল্য” পর্যন্ত (সূরা ফাতহ্ ৪৮ : ১-৪), তখন তাঁদের সব দুঃখ বেদনা ক্ষোভে পূর্ণ ছিল। আর হুদাইবিয়াতেই (কুরবানীর) পশুগুলো কুরবানী করা হয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার প্রতি এমন আয়াত নাযিল হয়েছে, যা সমগ্র দুনিয়া থেকে আমার কাছে অধিক প্রিয়। (ই.ফা. ৪৪৮৬, ই.সে. ৪৪৮৮)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাঁদের বলেছেন, হুদাইবিয়াহ্ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় যখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “নিশ্চয় আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়, যেন আল্লাহ্ তোমার ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন ..... মহা সাফল্য” পর্যন্ত (সূরা ফাতহ্ ৪৮ : ১-৪), তখন তাঁদের সব দুঃখ বেদনা ক্ষোভে পূর্ণ ছিল। আর হুদাইবিয়াতেই (কুরবানীর) পশুগুলো কুরবানী করা হয়েছিল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার প্রতি এমন আয়াত নাযিল হয়েছে, যা সমগ্র দুনিয়া থেকে আমার কাছে অধিক প্রিয়। (ই.ফা. ৪৪৮৬, ই.সে. ৪৪৮৮)
وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد بن أبي، عروبة عن قتادة، أن أنس بن مالك، حدثهم قال لما نزلت { إنا فتحنا لك فتحا مبينا * ليغفر لك الله} إلى قوله { فوزا عظيما} مرجعه من الحديبية وهم يخالطهم الحزن والكآبة وقد نحر الهدى بالحديبية فقال " لقد أنزلت على آية هي أحب إلى من الدنيا جميعا " .
সহিহ মুসলিম ৪৫২৭
وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق، جميعا عن جرير، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . وفي حديثهما إلى أمر يفظعنا.
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তবে তাদের হাদীসে (আরবী) (আমাদের ঘাবড়িয়ে দেয়) উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৪, ই.সে. ৪৪৮৬)
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তবে তাদের হাদীসে (আরবী) (আমাদের ঘাবড়িয়ে দেয়) উল্লেখ রয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৪, ই.সে. ৪৪৮৬)
وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق، جميعا عن جرير، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، كلاهما عن الأعمش، بهذا الإسناد . وفي حديثهما إلى أمر يفظعنا.
সহিহ মুসলিম ৪৫৩০
وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي، حدثنا قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا همام، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان، جميعا عن قتادة، عن أنس، نحو حديث ابن أبي عروبة .
ইবনু মুসান্না, আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আরূবাহ্ (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৭, ই.সে. ৪৪৮৯)
ইবনু মুসান্না, আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আরূবাহ্ (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪৪৮৭, ই.সে. ৪৪৮৯)
وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي، حدثنا قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا همام، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان، جميعا عن قتادة، عن أنس، نحو حديث ابن أبي عروبة .
সহিহ মুসলিম > প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা
সহিহ মুসলিম ৪৫৩১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد بن جميع، حدثنا أبو الطفيل حدثنا حذيفة بن اليمان، قال ما منعني أن أشهد، بدرا إلا أني خرجت أنا وأبي - حسيل - قال فأخذنا كفار قريش قالوا إنكم تريدون محمدا فقلنا ما نريده ما نريد إلا المدينة . فأخذوا منا عهد الله وميثاقه لننصرفن إلى المدينة ولا نقاتل معه فأتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرناه الخبر فقال " انصرفا نفي لهم بعهدهم ونستعين الله عليهم " .
হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে বদর যুদ্ধে যোগদান থেকে এছাড়া অন্য কিছু বিরত রাখেনি যে, আমি এবং আমার পিতা হুসায়ল ঘর থেকে বেড়িয়েছিলাম। এমন সময় কুরায়শ কাফির আমাদের ধরে বসে এবং বলে যে, তোমরা অবশ্যই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যেতে মনস্থ করেছো। জবাবে আমরা বললাম, আমরা তাঁর কাছে যেতে চাইনা বরং আমরা মাদীনায় (ফিরে) যেতে চাই। তখন তারা আল্লাহ্র নামে আমাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিল যে, আমরা অবশ্যই মাদীনায় ফিরে যাব এবং তাঁর সাথে যুদ্ধ করবো না। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং সে সংবাদ তাঁকে জানালাম। তখন তিনি বললেন, ফিরে যাও। আমরা তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করবো এবং তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্র সাহায্য চাইব। (ই.ফা. ৪৪৮৮, ই.সে. ৪৪৯০)
হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে বদর যুদ্ধে যোগদান থেকে এছাড়া অন্য কিছু বিরত রাখেনি যে, আমি এবং আমার পিতা হুসায়ল ঘর থেকে বেড়িয়েছিলাম। এমন সময় কুরায়শ কাফির আমাদের ধরে বসে এবং বলে যে, তোমরা অবশ্যই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যেতে মনস্থ করেছো। জবাবে আমরা বললাম, আমরা তাঁর কাছে যেতে চাইনা বরং আমরা মাদীনায় (ফিরে) যেতে চাই। তখন তারা আল্লাহ্র নামে আমাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিল যে, আমরা অবশ্যই মাদীনায় ফিরে যাব এবং তাঁর সাথে যুদ্ধ করবো না। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম এবং সে সংবাদ তাঁকে জানালাম। তখন তিনি বললেন, ফিরে যাও। আমরা তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করবো এবং তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্র সাহায্য চাইব। (ই.ফা. ৪৪৮৮, ই.সে. ৪৪৯০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد بن جميع، حدثنا أبو الطفيل حدثنا حذيفة بن اليمان، قال ما منعني أن أشهد، بدرا إلا أني خرجت أنا وأبي - حسيل - قال فأخذنا كفار قريش قالوا إنكم تريدون محمدا فقلنا ما نريده ما نريد إلا المدينة . فأخذوا منا عهد الله وميثاقه لننصرفن إلى المدينة ولا نقاتل معه فأتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرناه الخبر فقال " انصرفا نفي لهم بعهدهم ونستعين الله عليهم " .