সহিহ মুসলিম > গনীমাত সম্পদ দ্বারা মুহাজিরগণ অভাবমুক্ত হওয়ায় আনসার কর্তৃক প্রদত্ত গাছ ও ফলমূলের বাগানসমূহ তাদেরকে ফেরত দেয়া

সহিহ মুসলিম ৪৪৯৪

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن أنس بن مالك، قال لما قدم المهاجرون من مكة المدينة قدموا وليس بأيديهم شىء وكان الأنصار أهل الأرض والعقار فقاسمهم الأنصار على أن أعطوهم أنصاف ثمار أموالهم كل عام ويكفونهم العمل والمئونة وكانت أم أنس بن مالك وهى تدعى أم سليم - وكانت أم عبد الله بن أبي طلحة كان أخا لأنس لأمه - وكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا لها فأعطاها رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد ‏.‏ قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتال أهل خيبر وانصرف إلى المدينة رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم - قال - فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أمي عذاقها وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه ‏.‏ قال ابن شهاب وكان من شأن أم أيمن أم أسامة بن زيد أنها كانت وصيفة لعبد الله بن عبد المطلب وكانت من الحبشة فلما ولدت آمنة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ما توفي أبوه فكانت أم أيمن تحضنه حتى كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعتقها ثم أنكحها زيد بن حارثة ثم توفيت بعد ما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمسة أشهر ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন মুহাজিরগণ মক্কা থেকে মাদীনায় প্রবেশ করেন তখন কোন কিছুই তাদের হাতে ছিল না। (তাঁরা ছিলেন তখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব) আর আনসারগণ ছিলেন জমা-জমির স্বত্বাধিকারী। তখন আনসারগণ মুহাজিরদেরকে তাদের খেজুর বাগানের অর্ধেক এ শর্তে ভাগ করে দেন যে, প্রতি বছর বাগানে মুহাজিরগণ পরিশ্রম ও পরিচর্যা করে উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদেরকে দেবেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর মাতা উম্মু সুলায়ম, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহার মাতা ছিলেন। আর ‘আবদুল্লাহ ছিলেন আনাসের বৈপিত্রেয় ভাই। আনাসের মাতা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর একটি খেজুর গাছ দান করেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটা দিলেন তাঁর আযাদকৃত দাসী উম্মু আইমানকে যিনি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন। ইবনু শিহাব (রাঃ) বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) খবর দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের যুদ্ধ শেষে মাদীনায় প্রত্যাবর্তন করলেন তখন মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানকৃত ফলের বাগানসমূহ ফিরিয়ে দেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমার মাতাকে তাঁর দানকৃত বাগান ফেরত দেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তার পরিবর্তে নিজের বাগানের এক অংশ প্রদান করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে উম্মু আইমান- যিনি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন, তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের দাসী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিতার ইন্তিকালের পর আমিনাহ্‌র গর্ভ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভূমিষ্ট হন তখন উম্মু আইমান তাঁকে বড় হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করেন। এরপর তিনি তাঁকে আযাদ করে দেন। পরবর্তীতে যায়দ ইবনু হারিসাহ্‌র সঙ্গে তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পাঁচ মাস পর ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৪৪৫১, ই.সে. ৪৪৫৩)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন মুহাজিরগণ মক্কা থেকে মাদীনায় প্রবেশ করেন তখন কোন কিছুই তাদের হাতে ছিল না। (তাঁরা ছিলেন তখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব) আর আনসারগণ ছিলেন জমা-জমির স্বত্বাধিকারী। তখন আনসারগণ মুহাজিরদেরকে তাদের খেজুর বাগানের অর্ধেক এ শর্তে ভাগ করে দেন যে, প্রতি বছর বাগানে মুহাজিরগণ পরিশ্রম ও পরিচর্যা করে উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদেরকে দেবেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর মাতা উম্মু সুলায়ম, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহার মাতা ছিলেন। আর ‘আবদুল্লাহ ছিলেন আনাসের বৈপিত্রেয় ভাই। আনাসের মাতা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর একটি খেজুর গাছ দান করেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটা দিলেন তাঁর আযাদকৃত দাসী উম্মু আইমানকে যিনি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন। ইবনু শিহাব (রাঃ) বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) খবর দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের যুদ্ধ শেষে মাদীনায় প্রত্যাবর্তন করলেন তখন মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানকৃত ফলের বাগানসমূহ ফিরিয়ে দেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমার মাতাকে তাঁর দানকৃত বাগান ফেরত দেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তার পরিবর্তে নিজের বাগানের এক অংশ প্রদান করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে উম্মু আইমান- যিনি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন, তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের দাসী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিতার ইন্তিকালের পর আমিনাহ্‌র গর্ভ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভূমিষ্ট হন তখন উম্মু আইমান তাঁকে বড় হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করেন। এরপর তিনি তাঁকে আযাদ করে দেন। পরবর্তীতে যায়দ ইবনু হারিসাহ্‌র সঙ্গে তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পাঁচ মাস পর ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৪৪৫১, ই.সে. ৪৪৫৩)

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن أنس بن مالك، قال لما قدم المهاجرون من مكة المدينة قدموا وليس بأيديهم شىء وكان الأنصار أهل الأرض والعقار فقاسمهم الأنصار على أن أعطوهم أنصاف ثمار أموالهم كل عام ويكفونهم العمل والمئونة وكانت أم أنس بن مالك وهى تدعى أم سليم - وكانت أم عبد الله بن أبي طلحة كان أخا لأنس لأمه - وكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا لها فأعطاها رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد ‏.‏ قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتال أهل خيبر وانصرف إلى المدينة رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم - قال - فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أمي عذاقها وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه ‏.‏ قال ابن شهاب وكان من شأن أم أيمن أم أسامة بن زيد أنها كانت وصيفة لعبد الله بن عبد المطلب وكانت من الحبشة فلما ولدت آمنة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ما توفي أبوه فكانت أم أيمن تحضنه حتى كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعتقها ثم أنكحها زيد بن حارثة ثم توفيت بعد ما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمسة أشهر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - حدثنا معتمر بن سليمان التيمي، عن أبيه، عن أنس، أن رجلا، - وقال حامد وابن عبد الأعلى أن الرجل، - كان يجعل للنبي صلى الله عليه وسلم النخلات من أرضه ‏.‏ حتى فتحت عليه قريظة والنضير فجعل بعد ذلك يرد عليه ما كان أعطاه ‏.‏ قال أنس وإن أهلي أمروني أن آتي النبي صلى الله عليه وسلم فأسأله ما كان أهله أعطوه أو بعضه وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه أم أيمن فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطانيهن فجاءت أم أيمن فجعلت الثوب في عنقي وقالت والله لا نعطيكاهن وقد أعطانيهن ‏.‏ فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أم أيمن اتركيه ولك كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ وتقول كلا والذي لا إله إلا هو ‏.‏ فجعل يقول كذا حتى أعطاها عشرة أمثاله أو قريبا من عشرة أمثاله ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করেন) তখন এক এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিজ ভূমির কিছু খেজুর দান করেন। যখন বানূ কুরাইযাহ্‌ এবং বানূ নাযীর গোত্রদ্বয়ের উপর (মুসলিমগণ) বিজয়ী হলেন, তখন সে ব্যক্তি যা দিয়েছিল তিনি তা ফিরিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার পরিবারের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যা দিয়েছিলেন তা অথবা তার অংশবিশেষ তাঁর নিকট হতে চেয়ে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিলেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তা দিয়ে দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাঁর কাছে এসে যখন তা চাইলাম, তখন তিনি তা আমাকে দিয়ে দিলেন। এ সময় উম্মু আইমান (রাঃ) সেখানে এলেন এবং আমার গলায় কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন ও বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে তা দেবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু আইমান! আপনি তাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এই এই সম্পদ দিচ্ছি। তখন তিনি বললেন, কক্ষনো না। সেই আল্লাহর শপথ! যিনি ব্যাতীত আর কোন ইলাহ নেই। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আপনাকে এই এই সম্পদ প্রদান করছি (আপনি তাকে ছেড়ে দিন)। পরিশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে ঐ সম্পদের দশগুণ কিংবা দশগুণের কাছাকাছি প্রদান করেন। (ই.ফা. ৪৪৫২, ই.সে. ৪৪৫৪)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করেন) তখন এক এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিজ ভূমির কিছু খেজুর দান করেন। যখন বানূ কুরাইযাহ্‌ এবং বানূ নাযীর গোত্রদ্বয়ের উপর (মুসলিমগণ) বিজয়ী হলেন, তখন সে ব্যক্তি যা দিয়েছিল তিনি তা ফিরিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার পরিবারের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যা দিয়েছিলেন তা অথবা তার অংশবিশেষ তাঁর নিকট হতে চেয়ে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিলেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তা দিয়ে দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাঁর কাছে এসে যখন তা চাইলাম, তখন তিনি তা আমাকে দিয়ে দিলেন। এ সময় উম্মু আইমান (রাঃ) সেখানে এলেন এবং আমার গলায় কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন ও বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে তা দেবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু আইমান! আপনি তাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এই এই সম্পদ দিচ্ছি। তখন তিনি বললেন, কক্ষনো না। সেই আল্লাহর শপথ! যিনি ব্যাতীত আর কোন ইলাহ নেই। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আপনাকে এই এই সম্পদ প্রদান করছি (আপনি তাকে ছেড়ে দিন)। পরিশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে ঐ সম্পদের দশগুণ কিংবা দশগুণের কাছাকাছি প্রদান করেন। (ই.ফা. ৪৪৫২, ই.সে. ৪৪৫৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - حدثنا معتمر بن سليمان التيمي، عن أبيه، عن أنس، أن رجلا، - وقال حامد وابن عبد الأعلى أن الرجل، - كان يجعل للنبي صلى الله عليه وسلم النخلات من أرضه ‏.‏ حتى فتحت عليه قريظة والنضير فجعل بعد ذلك يرد عليه ما كان أعطاه ‏.‏ قال أنس وإن أهلي أمروني أن آتي النبي صلى الله عليه وسلم فأسأله ما كان أهله أعطوه أو بعضه وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه أم أيمن فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطانيهن فجاءت أم أيمن فجعلت الثوب في عنقي وقالت والله لا نعطيكاهن وقد أعطانيهن ‏.‏ فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا أم أيمن اتركيه ولك كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ وتقول كلا والذي لا إله إلا هو ‏.‏ فجعل يقول كذا حتى أعطاها عشرة أمثاله أو قريبا من عشرة أمثاله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ‘দারুল হার্‌বে’ (বিধর্মী শত্রু রাজ্য) গনীমাত হিসেবে প্রাপ্ত খাদ্যদ্রব্য খাওয়া জায়িয

সহিহ মুসলিম ৪৪৯৬

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - حدثنا حميد، بن هلال عن عبد الله بن مغفل، قال أصبت جرابا من شحم يوم خيبر - قال - فالتزمته فقلت لا أعطي اليوم أحدا من هذا شيئا - قال - فالتفت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم متبسما ‏.‏

’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাইবার যুদ্ধের সময় চর্বি ভর্তি একটি চামড়ার থলে পেলাম। আমি তা তুলে নিলাম এবং বললাম, এর থেকে আমি কাউকে কিছু দেব না। তিনি বললেন, আমি হঠাৎ পিছন ফিরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দেখতে পেলাম, (আমার কথা শুনে) তিনি মৃদু হাসছেন। (ই.ফা. ৪৪৫৩, ই.সে. ৪৪৫৫)

’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাইবার যুদ্ধের সময় চর্বি ভর্তি একটি চামড়ার থলে পেলাম। আমি তা তুলে নিলাম এবং বললাম, এর থেকে আমি কাউকে কিছু দেব না। তিনি বললেন, আমি হঠাৎ পিছন ফিরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে দেখতে পেলাম, (আমার কথা শুনে) তিনি মৃদু হাসছেন। (ই.ফা. ৪৪৫৩, ই.সে. ৪৪৫৫)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - حدثنا حميد، بن هلال عن عبد الله بن مغفل، قال أصبت جرابا من شحم يوم خيبر - قال - فالتزمته فقلت لا أعطي اليوم أحدا من هذا شيئا - قال - فالتفت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم متبسما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯৭

حدثنا محمد بن بشار العبدي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا شعبة، حدثني حميد، بن هلال قال سمعت عبد الله بن مغفل، يقول رمي إلينا جراب فيه طعام وشحم يوم خيبرفوثبت لآخذه قال فالتفت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستحييت منه ‏.‏

’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের সময় আমাদের দিকে কে যেন একটি থলে নিক্ষেপ করল, তাতে খাদ্য ও চর্বি ভর্তি ছিল। আমি তা তুলে নেয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লাম। পিছন ফিরে হঠাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেলাম। আমি তাঁকে দেখে লজ্জিত হলাম। ( ই.ফা. ৪৪৫৪, ই.সে. ৪৪৫৬)

’আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফ্‌ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খাইবার যুদ্ধের সময় আমাদের দিকে কে যেন একটি থলে নিক্ষেপ করল, তাতে খাদ্য ও চর্বি ভর্তি ছিল। আমি তা তুলে নেয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লাম। পিছন ফিরে হঠাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখতে পেলাম। আমি তাঁকে দেখে লজ্জিত হলাম। ( ই.ফা. ৪৪৫৪, ই.সে. ৪৪৫৬)

حدثنا محمد بن بشار العبدي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا شعبة، حدثني حميد، بن هلال قال سمعت عبد الله بن مغفل، يقول رمي إلينا جراب فيه طعام وشحم يوم خيبرفوثبت لآخذه قال فالتفت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستحييت منه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯৮

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال جراب من شحم ولم يذكر الطعام ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু তিনি (আরবী) (চর্বির থলে) কথাটি বলেন এবং (আরবী) (খাদ্যের) কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৫৫, ই.সে. ৪৪৫৭)

মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

কিন্তু তিনি (আরবী) (চর্বির থলে) কথাটি বলেন এবং (আরবী) (খাদ্যের) কথা উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৫৫, ই.সে. ৪৪৫৭)

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال جراب من شحم ولم يذكر الطعام ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বাদশাহ হিরাক্‌ল-এর নিকট ইসলামের দা’ওয়াত দিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পত্র

সহিহ মুসলিম ৪৪৯৯

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وابن أبي عمر، ومحمد بن رافع، وعبد بن، حميد - واللفظ لابن رافع - قال ابن رافع وابن أبي عمر حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن أبا سفيان، أخبره من، فيه إلى فيه قال انطلقت في المدة التي كانت بيني وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فبينا أنا بالشأم إذ جيء بكتاب من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى هرقل يعني عظيم الروم - قال - وكان دحية الكلبي جاء به فدفعه إلى عظيم بصرى فدفعه عظيم بصرى إلى هرقل فقال هرقل هل ها هنا أحد من قوم هذا الرجل الذي يزعم أنه نبي قالوا نعم - قال - فدعيت في نفر من قريش فدخلنا على هرقل فأجلسنا بين يديه فقال أيكم أقرب نسبا من هذا الرجل الذي يزعم أنه نبي فقال أبو سفيان فقلت أنا ‏.‏ فأجلسوني بين يديه وأجلسوا أصحابي خلفي ثم دعا بترجمانه فقال له قل لهم إني سائل هذا عن الرجل الذي يزعم أنه نبي فإن كذبني فكذبوه ‏.‏ قال فقال أبو سفيان وايم الله لولا مخافة أن يؤثر على الكذب لكذبت ‏.‏ ثم قال لترجمانه سله كيف حسبه فيكم قال قلت هو فينا ذو حسب قال فهل كان من آبائه ملك قلت لا ‏.‏ قال فهل كنتم تتهمونه بالكذب قبل أن يقول ما قال قلت لا ‏.‏ قال ومن يتبعه أشراف الناس أم ضعفاؤهم قال قلت بل ضعفاؤهم ‏.‏ قال أيزيدون أم ينقصون قال قلت لا بل يزيدون ‏.‏ قال هل يرتد أحد منهم عن دينه بعد أن يدخل فيه سخطة له قال قلت لا ‏.‏ قال فهل قاتلتموه قلت نعم ‏.‏ قال فكيف كان قتالكم إياه قال قلت تكون الحرب بيننا وبينه سجالا يصيب منا ونصيب منه ‏.‏ قال فهل يغدر قلت لا ‏.‏ ونحن منه في مدة لا ندري ما هو صانع فيها ‏.‏ قال فوالله ما أمكنني من كلمة أدخل فيها شيئا غير هذه ‏.‏ قال فهل قال هذا القول أحد قبله قال قلت لا ‏.‏ قال لترجمانه قل له إني سألتك عن حسبه فزعمت أنه فيكم ذو حسب وكذلك الرسل تبعث في أحساب قومها ‏.‏ وسألتك هل كان في آبائه ملك فزعمت أن لا ‏.‏ فقلت لو كان من آبائه ملك قلت رجل يطلب ملك آبائه ‏.‏ وسألتك عن أتباعه أضعفاؤهم أم أشرافهم فقلت بل ضعفاؤهم وهم أتباع الرسل ‏.‏ وسألتك هل كنتم تتهمونه بالكذب قبل أن يقول ما قال فزعمت أن لا ‏.‏ فقد عرفت أنه لم يكن ليدع الكذب على الناس ثم يذهب فيكذب على الله ‏.‏ وسألتك هل يرتد أحد منهم عن دينه بعد أن يدخله سخطة له فزعمت أن لا ‏.‏ وكذلك الإيمان إذا خالط بشاشة القلوب ‏.‏ وسألتك هل يزيدون أو ينقصون فزعمت أنهم يزيدون وكذلك الإيمان حتى يتم ‏.‏ وسألتك هل قاتلتموه فزعمت أنكم قد قاتلتموه فتكون الحرب بينكم وبينه سجالا ينال منكم وتنالون منه ‏.‏ وكذلك الرسل تبتلى ثم تكون لهم العاقبة وسألتك هل يغدر فزعمت أنه لا يغدر ‏.‏ وكذلك الرسل لا تغدر ‏.‏ وسألتك هل قال هذا القول أحد قبله فزعمت أن لا ‏.‏ فقلت لو قال هذا القول أحد قبله قلت رجل ائتم بقول قيل قبله ‏.‏ قال ثم قال بم يأمر كم قلت يأمرنا بالصلاة والزكاة والصلة والعفاف قال إن يكن ما تقول فيه حقا فإنه نبي وقد كنت أعلم أنه خارج ولم أكن أظنه منكم ولو أني أعلم أني أخلص إليه لأحببت لقاءه ولو كنت عنده لغسلت عن قدميه وليبلغن ملكه ما تحت قدمى ‏.‏ قال ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأه فإذا فيه ‏"‏ بسم الله الرحمن الرحيم من محمد رسول الله إلى هرقل عظيم الروم سلام على من اتبع الهدى أما بعد فإني أدعوك بدعاية الإسلام أسلم تسلم وأسلم يؤتك الله أجرك مرتين وإن توليت فإن عليك إثم الأريسيين و ‏{‏ يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم أن لا نعبد إلا الله ولا نشرك به شيئا ولا يتخذ بعضنا بعضا أربابا من دون الله فإن تولوا فقولوا اشهدوا بأنا مسلمون‏}‏ فلما فرغ من قراءة الكتاب ارتفعت الأصوات عنده وكثر اللغط وأمر بنا فأخرجنا ‏.‏ قال فقلت لأصحابي حين خرجنا لقد أمر أمر ابن أبي كبشة إنه ليخافه ملك بني الأصفر - قال - فما زلت موقنا بأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سيظهر حتى أدخل الله على الإسلام ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) তাঁকে সামনা-সামনি খবর দিয়েছেন, আমি তথায় (শাম দেশে) যাত্রা করলাম। যখন আমার মধ্যে এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে (হুদাইবিয়ার) সন্ধির সময়কাল কার্যকর ছিল (ষষ্ঠ হিজরীতে)। যখন আমি শাম দেশে উপস্থিত হলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রেরিত একটা পত্র হিরাক্‌ল (হিরাক্লিয়াস) বাদশাহ্‌র নিকট পৌঁছল। দিহ্‌ইয়াতুল কালবী (রাঃ) (দূত) এ পত্র নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সে পত্র বসরার এক নেতাকে প্রদান করেন। এরপর বসরার সে নেতা, হিরাক্‌ল বাদশাহ্‌র নিকট পত্রটি হস্তান্তর করেন। তখন হিরাক্‌ল বাদশাহ বললেন, এখানে ঐ লোকটির (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) সম্প্রদায়ের কোন লোক আছে কি, যিনি নিজেকে নবী বলে দাবী করছেন? তারা বলল, হ্যাঁ। তখন কুরায়শের এক দল লোকের মধ্যে আমাকেও ডাকা হল। এরপর আমরা হিরাক্‌ল বাদশাহর দরবারে প্রবেশ করলাম। আমাদেরকে তার সম্মুখেই বসান হল। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, যিনি নবী দাবী করছেন তাঁর সাথে আত্মীয়তার দিক দিয়ে তোমাদের মধ্যে কে অধিক নিকটবর্তী? তখন আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আমি। তখন তারা আমাকে বাদশাহর সামনেই বসালেন এবং আমার সঙ্গীদেরকে আমার পিছনে বসালেন। এরপর তিনি তাঁর দোভাষীকে ডাকলেন এবং তাকে বললেন, “আপনি তাদেরকে আমার পক্ষ হতে বলে দিন যে, আমি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) ঐ লোকটি সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করব নবী বলে যিনি দাবী করছেন। যদি তিনি (আবূ সুফ্‌ইয়ান) আমার নিকট মিথ্যা কথা বলেন, তবে আপনারাও তাকে মিথ্যাবাদী বলে ঘোষণা দেবেন। তখন আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমার এ ভয় না হত যে, মিথ্যা বললে তা আমার বরাতে বর্ণিত হতে থাকবে তবে নিশ্চয়ই (তাঁর সম্পর্কে) মিথ্যা কথা বলতাম। অতঃপর বাদশাহ তাঁর দোভাষীকে বললেন, আপনি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) জিজ্ঞেস করুন, আপনাদের মাঝে ঐ লোকটির বংশ পরিচয় কেমন? আমি প্রতি উত্তরে বললাম, তিনি আমাদের মাঝে সম্ভ্রান্ত বংশীয়। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর পূর্ব পুরুষদের মধ্যে কেউ কি কখনও বাদশাহ ছিলেন? আমি বললাম, না। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কি কখনও তাঁকে এ কথা বলার পূর্বে, যা তিনি বলেছেন, মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছেন? আমি বললাম, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন,সমাজের কোন শ্রেনীর লোক তাঁর অনুসরণ করে? সম্ভ্রান্ত প্রভাবশালীরা, না দুর্বলেরা? আমি বললাম, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা নয়; বরং দুর্বল শ্রেনীর লোকেরা। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর অনুগামীর সংখ্যা কি বৃদ্ধি পাচ্ছে, না কমছে? আমি বললাম, কমছে না, বরং দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, যেসব লোক তাঁর ধর্মে দীক্ষিত হচ্ছে তারা কি পরবর্তীতে তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে সে ধর্ম থেকে ফিরে আসছে? আমি বললাম, না। এরপর তিনি বললেন, আপনারা কি কখনও তাঁর সাথে কোন যুদ্ধ করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনাদের এবং তাঁর মাঝে সংঘটিত যুদ্ধের ফলাফল কিরূপ? আমি বললাম, আমাদের এবং তাঁর মাঝে যুদ্ধের অবস্থা পালাবদল হচ্ছে। কখনও তিনি বিজয়ী হন এবং কখনও বা আমরা বিজয়ী হই। সম্রাট হিরাক্‌ল আবার জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কি কখনও সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করেছেন? আমি বললাম, না। কিন্তু আমরা বর্তমানে তাঁর সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত সন্ধি চুক্তিতে আবদ্ধ আছি। আমরা জানি না যে, পরিশেষে তিনি তাতে কী করেন। আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আল্লাহর শপথ! প্রশ্ন উত্তরে আমার পক্ষ হতে এ কথাটি ছাড়া অন্য কোন অতিরিক্ত কথা সংযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর সম্রাট হিরাক্‌ল বললেন, (আপনাদের দেশে) তাঁর নবূওয়াত দাবীর পূর্বে কি কোন ব্যক্তি কখনো এরূপ দাবী করেছে? আমি বললাম, না। এরপর সম্রাট হিরাক্‌ল তাঁর দোভাষীকে বললেন, আপনি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) বলে দিন যে, আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর) বংশ পরিচয় সম্পর্কে। আপনি তখন উত্তর দিয়েছিলেন যে, তিনি সম্ভ্রান্ত বংশীয়। এমনিভাবে রসূলগণ স্বীয় সম্প্রদায়ের উত্তম বংশে প্রেরিত হয়ে থাকেন। এরপরে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর পিতৃপুরুষদের মধ্যে কি কেউ বাদশাহ ছিলেন? আপনি এর উত্তরে বলেছিলেন, না। আমি এ কথা বলেছিলাম এ কারণে যে, যদি তাঁর পিতৃপুরুষদের মধ্যে কেউ বাদশাহ থাকতেন, তবে আমি মনে করতাম যে, হয়ত বা তিনি তাঁর পিতৃপুরুষদের রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে চান। তারপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, তাঁর অনুসারীগণ কি সমাজের দুর্বল শ্রেনীর লোক, না সম্ভ্রান্ত শ্রেণীর লোক? আপনি উত্তরে বলেছিলেন, দুর্বল শ্রেনীর লোক তাঁর অনুসারী হয়ে থাকে। এরপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যে তিনি (নুবূওয়াতের) যে কথা বলেছেন এর পূর্বে কি আপনারা তাঁকে কখনও মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন? প্রতি উত্তরে আপনি বলেছিলেন যে ,না। এতে আমি বুঝতে পারলাম, যে ব্যক্তি জাগতিক ব্যাপারে মিথ্যা বলেন না, তিনি কি কারণে আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করতে যাবেন? এরপর আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে, কোন ব্যক্তি কি তাঁর ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁর ধর্ম পরিত্যাগ করেছে? আপনি উত্তরে বলেছিলেন, না। ঈমানের প্রকৃত অবস্থা এটাই। যখন অন্তরের অন্তঃস্থলে একবার তা প্রবেশ করে তখন সেখানেই স্থায়ীভাবে অবস্থান করে। এরপর আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর অনুগামীদের সংখ্যা কি দিন দিন বাড়ছে, না কমছে? প্রতি উত্তরে আপনি বলেছিলেন, তারা সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটাই হল ঈমানের প্রকৃর অবস্থা। তা বৃদ্ধি পেতে পেতে অবশেষে পূর্ণত্ব লাভ করে। এরপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনারা কি তাঁর সাথে কোন যুদ্ধ করেছেন? উত্তরে আপনি বলেছেন যে, হ্যাঁ, আপনারা তাঁর সাথে যুদ্ধ করেছেন। তবে আপনাদের মাঝে ও তাঁর মাঝে যুদ্ধের অবস্থা হল পালাবদলের মত। কখনও তিনি বিজয়ী হন, আবার কখনও আপনারা বিজয়ী হন। এভাবে রসূলগনকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা হয়। পরিণামে তাঁরাই বিজয়ী হয়ে থাকেন। এরপর আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, তিনি কি কখনও কোন সন্ধির চুক্তিভঙ্গ করেছেন? প্রতি উত্তরে আপনি বলছেন, তিনি কোন চুক্তিভঙ্গ করেননি! এভাবে রসূলগণ কখনও চুক্তি ভঙ্গ করেন না। আর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, তাঁর এ কথা (নুবূওয়াতের কথা) বলার পূর্বে কি কোন ব্যক্তি অনুরূপ কথা বলেছেন? আপনি বলেছিলেন যে, না। আমি তা এ কারণে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, যদি তাঁর পূর্বে কেউ এরূপ দাবী করে থাকতো, তবে আমি মনে করতাম যে, সে ব্যক্তি তার পূর্বে যে কথা বলা হয়েছে তার অনুকরণ করেছে। রাবী বলেন, এরপর হিরাক্‌ল জিজ্ঞেস করলেন, তিনি আমাদেরকে সলাত আদায় করতে, যাকাত দিতে, নিকট আত্মীয় ও হকদার ব্যক্তিদের প্রতি সদ্ব্যবহার করতে এবং অবৈধ ও অসৌজন্যমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়ে থাকেন। বাদশাহ হিরাক্‌ল বললেন, তিনি আপনাদেরকে কী কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকেন? আমি তাকে বললাম আপনি তাঁর সম্পর্কে যা বললেন তাঁর অবস্থা যদি ঠিক তাই হয় তবে তিনি অবশ্যই নাবী। আমি জানতাম যে, একজন নাবীর আবির্ভাব ঘটবে। কিন্তু আমি ধারণা করিনি যে, তিনি আপনাদের থেকে হবেন। যদি আমি জানতাম যে, আমি তাঁর নিকট নির্বিঘ্নে পৌঁছতে পারবো তবে নিশ্চয়ই আমি তাঁর মুবারক পদদ্বয় ধুয়ে দিতাম। (জেনে রেখো) নিশ্চয়ই তাঁর রাজত্ব আমার দু’পায়ের নীচ পর্যন্ত পৌঁছবে। এরপর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চিঠিটি তলব করেলন এবং তা পাঠ করলেন। এতে ছিল- “বিস্‌মিল্লা-হির রহ্‌মান-নির রহীম! এটা মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পক্ষ হতে রোমের মহান ব্যাক্তি হিরাক্‌ল-এর প্রতি। শান্তি ধারা সে ব্যক্তির উপর, যিনি সঠিক পথ অনুসরণ করেন। অতঃপর, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে ইসলামের আহবান জানাচ্ছি। ইসলাম গ্রহন করুন, নিরাপত্তা লাভ করুন। আপনি মুসলিম হোন, আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দান করবেন। আর যদি আপনি (ইসলাম থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেন, তবে নিশ্চয়ই প্রজাদের অপরাধ আপনার উপর আরোপিত হবে। “হে আহলে কিতাব! তোমরা এসো সে কথায়, যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই; যেন আমরা আল্লাহ ব্যাতীত অন্য কারও ‘ইবাদাত না করি, কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি...তবে বল, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম” পর্যন্ত। এরপর তিনি পত্র পাঠ শেষ করলে তাঁর নিকটে শোরগোল এবং অযথা কথাবার্তা হতে লাগল। এদিকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দেয়া হল। আমরা বেরিয়ে এলাম। আবূ সুফ্‌ইয়ান বলেন, আমরা যখন বেরিয়ে এলাম তখন আমি আমার সঙ্গীদের বললাম, আবূ কাবশার [৩৮] পুত্রের মর্যাদা অনেক বেড়ে গেছে। রোমীয়দের বাদশাহ্‌ও তাঁকে ভয় করছে। তিনি আরও বলেন, সেদিন থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর ব্যাপারে আমার দৃঢ় প্রত্যয় হল যে, নিশ্চয়ই তিনি বিজয়ী হবেন। অবশেষে আল্লাহ্‌ তা’আলা আমার অন্তরে ইসলাম প্রবেশ করিয়ে দিলেন। (ই.ফা. ৪৪৫৬, ই.সে. ৪৪৫৮)

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) তাঁকে সামনা-সামনি খবর দিয়েছেন, আমি তথায় (শাম দেশে) যাত্রা করলাম। যখন আমার মধ্যে এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে (হুদাইবিয়ার) সন্ধির সময়কাল কার্যকর ছিল (ষষ্ঠ হিজরীতে)। যখন আমি শাম দেশে উপস্থিত হলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রেরিত একটা পত্র হিরাক্‌ল (হিরাক্লিয়াস) বাদশাহ্‌র নিকট পৌঁছল। দিহ্‌ইয়াতুল কালবী (রাঃ) (দূত) এ পত্র নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি সে পত্র বসরার এক নেতাকে প্রদান করেন। এরপর বসরার সে নেতা, হিরাক্‌ল বাদশাহ্‌র নিকট পত্রটি হস্তান্তর করেন। তখন হিরাক্‌ল বাদশাহ বললেন, এখানে ঐ লোকটির (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) সম্প্রদায়ের কোন লোক আছে কি, যিনি নিজেকে নবী বলে দাবী করছেন? তারা বলল, হ্যাঁ। তখন কুরায়শের এক দল লোকের মধ্যে আমাকেও ডাকা হল। এরপর আমরা হিরাক্‌ল বাদশাহর দরবারে প্রবেশ করলাম। আমাদেরকে তার সম্মুখেই বসান হল। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, যিনি নবী দাবী করছেন তাঁর সাথে আত্মীয়তার দিক দিয়ে তোমাদের মধ্যে কে অধিক নিকটবর্তী? তখন আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আমি। তখন তারা আমাকে বাদশাহর সামনেই বসালেন এবং আমার সঙ্গীদেরকে আমার পিছনে বসালেন। এরপর তিনি তাঁর দোভাষীকে ডাকলেন এবং তাকে বললেন, “আপনি তাদেরকে আমার পক্ষ হতে বলে দিন যে, আমি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) ঐ লোকটি সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করব নবী বলে যিনি দাবী করছেন। যদি তিনি (আবূ সুফ্‌ইয়ান) আমার নিকট মিথ্যা কথা বলেন, তবে আপনারাও তাকে মিথ্যাবাদী বলে ঘোষণা দেবেন। তখন আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমার এ ভয় না হত যে, মিথ্যা বললে তা আমার বরাতে বর্ণিত হতে থাকবে তবে নিশ্চয়ই (তাঁর সম্পর্কে) মিথ্যা কথা বলতাম। অতঃপর বাদশাহ তাঁর দোভাষীকে বললেন, আপনি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) জিজ্ঞেস করুন, আপনাদের মাঝে ঐ লোকটির বংশ পরিচয় কেমন? আমি প্রতি উত্তরে বললাম, তিনি আমাদের মাঝে সম্ভ্রান্ত বংশীয়। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর পূর্ব পুরুষদের মধ্যে কেউ কি কখনও বাদশাহ ছিলেন? আমি বললাম, না। এরপর জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা কি কখনও তাঁকে এ কথা বলার পূর্বে, যা তিনি বলেছেন, মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছেন? আমি বললাম, না। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন,সমাজের কোন শ্রেনীর লোক তাঁর অনুসরণ করে? সম্ভ্রান্ত প্রভাবশালীরা, না দুর্বলেরা? আমি বললাম, সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা নয়; বরং দুর্বল শ্রেনীর লোকেরা। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর অনুগামীর সংখ্যা কি বৃদ্ধি পাচ্ছে, না কমছে? আমি বললাম, কমছে না, বরং দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, যেসব লোক তাঁর ধর্মে দীক্ষিত হচ্ছে তারা কি পরবর্তীতে তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে সে ধর্ম থেকে ফিরে আসছে? আমি বললাম, না। এরপর তিনি বললেন, আপনারা কি কখনও তাঁর সাথে কোন যুদ্ধ করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনাদের এবং তাঁর মাঝে সংঘটিত যুদ্ধের ফলাফল কিরূপ? আমি বললাম, আমাদের এবং তাঁর মাঝে যুদ্ধের অবস্থা পালাবদল হচ্ছে। কখনও তিনি বিজয়ী হন এবং কখনও বা আমরা বিজয়ী হই। সম্রাট হিরাক্‌ল আবার জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কি কখনও সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করেছেন? আমি বললাম, না। কিন্তু আমরা বর্তমানে তাঁর সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত সন্ধি চুক্তিতে আবদ্ধ আছি। আমরা জানি না যে, পরিশেষে তিনি তাতে কী করেন। আবূ সুফ্‌ইয়ান বললেন, আল্লাহর শপথ! প্রশ্ন উত্তরে আমার পক্ষ হতে এ কথাটি ছাড়া অন্য কোন অতিরিক্ত কথা সংযোগ করা সম্ভব হয়নি। এরপর সম্রাট হিরাক্‌ল বললেন, (আপনাদের দেশে) তাঁর নবূওয়াত দাবীর পূর্বে কি কোন ব্যক্তি কখনো এরূপ দাবী করেছে? আমি বললাম, না। এরপর সম্রাট হিরাক্‌ল তাঁর দোভাষীকে বললেন, আপনি তাঁকে (আবূ সুফ্‌ইয়ানকে) বলে দিন যে, আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর (মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর) বংশ পরিচয় সম্পর্কে। আপনি তখন উত্তর দিয়েছিলেন যে, তিনি সম্ভ্রান্ত বংশীয়। এমনিভাবে রসূলগণ স্বীয় সম্প্রদায়ের উত্তম বংশে প্রেরিত হয়ে থাকেন। এরপরে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর পিতৃপুরুষদের মধ্যে কি কেউ বাদশাহ ছিলেন? আপনি এর উত্তরে বলেছিলেন, না। আমি এ কথা বলেছিলাম এ কারণে যে, যদি তাঁর পিতৃপুরুষদের মধ্যে কেউ বাদশাহ থাকতেন, তবে আমি মনে করতাম যে, হয়ত বা তিনি তাঁর পিতৃপুরুষদের রাজ্য পুনরুদ্ধার করতে চান। তারপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, তাঁর অনুসারীগণ কি সমাজের দুর্বল শ্রেনীর লোক, না সম্ভ্রান্ত শ্রেণীর লোক? আপনি উত্তরে বলেছিলেন, দুর্বল শ্রেনীর লোক তাঁর অনুসারী হয়ে থাকে। এরপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যে তিনি (নুবূওয়াতের) যে কথা বলেছেন এর পূর্বে কি আপনারা তাঁকে কখনও মিথ্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন? প্রতি উত্তরে আপনি বলেছিলেন যে ,না। এতে আমি বুঝতে পারলাম, যে ব্যক্তি জাগতিক ব্যাপারে মিথ্যা বলেন না, তিনি কি কারণে আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করতে যাবেন? এরপর আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম যে, কোন ব্যক্তি কি তাঁর ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁর ধর্ম পরিত্যাগ করেছে? আপনি উত্তরে বলেছিলেন, না। ঈমানের প্রকৃত অবস্থা এটাই। যখন অন্তরের অন্তঃস্থলে একবার তা প্রবেশ করে তখন সেখানেই স্থায়ীভাবে অবস্থান করে। এরপর আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, তাঁর অনুগামীদের সংখ্যা কি দিন দিন বাড়ছে, না কমছে? প্রতি উত্তরে আপনি বলেছিলেন, তারা সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটাই হল ঈমানের প্রকৃর অবস্থা। তা বৃদ্ধি পেতে পেতে অবশেষে পূর্ণত্ব লাভ করে। এরপর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনারা কি তাঁর সাথে কোন যুদ্ধ করেছেন? উত্তরে আপনি বলেছেন যে, হ্যাঁ, আপনারা তাঁর সাথে যুদ্ধ করেছেন। তবে আপনাদের মাঝে ও তাঁর মাঝে যুদ্ধের অবস্থা হল পালাবদলের মত। কখনও তিনি বিজয়ী হন, আবার কখনও আপনারা বিজয়ী হন। এভাবে রসূলগনকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা হয়। পরিণামে তাঁরাই বিজয়ী হয়ে থাকেন। এরপর আমি আপনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, তিনি কি কখনও কোন সন্ধির চুক্তিভঙ্গ করেছেন? প্রতি উত্তরে আপনি বলছেন, তিনি কোন চুক্তিভঙ্গ করেননি! এভাবে রসূলগণ কখনও চুক্তি ভঙ্গ করেন না। আর আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, তাঁর এ কথা (নুবূওয়াতের কথা) বলার পূর্বে কি কোন ব্যক্তি অনুরূপ কথা বলেছেন? আপনি বলেছিলেন যে, না। আমি তা এ কারণে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, যদি তাঁর পূর্বে কেউ এরূপ দাবী করে থাকতো, তবে আমি মনে করতাম যে, সে ব্যক্তি তার পূর্বে যে কথা বলা হয়েছে তার অনুকরণ করেছে। রাবী বলেন, এরপর হিরাক্‌ল জিজ্ঞেস করলেন, তিনি আমাদেরকে সলাত আদায় করতে, যাকাত দিতে, নিকট আত্মীয় ও হকদার ব্যক্তিদের প্রতি সদ্ব্যবহার করতে এবং অবৈধ ও অসৌজন্যমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়ে থাকেন। বাদশাহ হিরাক্‌ল বললেন, তিনি আপনাদেরকে কী কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকেন? আমি তাকে বললাম আপনি তাঁর সম্পর্কে যা বললেন তাঁর অবস্থা যদি ঠিক তাই হয় তবে তিনি অবশ্যই নাবী। আমি জানতাম যে, একজন নাবীর আবির্ভাব ঘটবে। কিন্তু আমি ধারণা করিনি যে, তিনি আপনাদের থেকে হবেন। যদি আমি জানতাম যে, আমি তাঁর নিকট নির্বিঘ্নে পৌঁছতে পারবো তবে নিশ্চয়ই আমি তাঁর মুবারক পদদ্বয় ধুয়ে দিতাম। (জেনে রেখো) নিশ্চয়ই তাঁর রাজত্ব আমার দু’পায়ের নীচ পর্যন্ত পৌঁছবে। এরপর তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চিঠিটি তলব করেলন এবং তা পাঠ করলেন। এতে ছিল- “বিস্‌মিল্লা-হির রহ্‌মান-নির রহীম! এটা মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পক্ষ হতে রোমের মহান ব্যাক্তি হিরাক্‌ল-এর প্রতি। শান্তি ধারা সে ব্যক্তির উপর, যিনি সঠিক পথ অনুসরণ করেন। অতঃপর, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে ইসলামের আহবান জানাচ্ছি। ইসলাম গ্রহন করুন, নিরাপত্তা লাভ করুন। আপনি মুসলিম হোন, আল্লাহ আপনাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দান করবেন। আর যদি আপনি (ইসলাম থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেন, তবে নিশ্চয়ই প্রজাদের অপরাধ আপনার উপর আরোপিত হবে। “হে আহলে কিতাব! তোমরা এসো সে কথায়, যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই; যেন আমরা আল্লাহ ব্যাতীত অন্য কারও ‘ইবাদাত না করি, কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি...তবে বল, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম” পর্যন্ত। এরপর তিনি পত্র পাঠ শেষ করলে তাঁর নিকটে শোরগোল এবং অযথা কথাবার্তা হতে লাগল। এদিকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসার নির্দেশ দেয়া হল। আমরা বেরিয়ে এলাম। আবূ সুফ্‌ইয়ান বলেন, আমরা যখন বেরিয়ে এলাম তখন আমি আমার সঙ্গীদের বললাম, আবূ কাবশার [৩৮] পুত্রের মর্যাদা অনেক বেড়ে গেছে। রোমীয়দের বাদশাহ্‌ও তাঁকে ভয় করছে। তিনি আরও বলেন, সেদিন থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর ব্যাপারে আমার দৃঢ় প্রত্যয় হল যে, নিশ্চয়ই তিনি বিজয়ী হবেন। অবশেষে আল্লাহ্‌ তা’আলা আমার অন্তরে ইসলাম প্রবেশ করিয়ে দিলেন। (ই.ফা. ৪৪৫৬, ই.সে. ৪৪৫৮)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، وابن أبي عمر، ومحمد بن رافع، وعبد بن، حميد - واللفظ لابن رافع - قال ابن رافع وابن أبي عمر حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن أبا سفيان، أخبره من، فيه إلى فيه قال انطلقت في المدة التي كانت بيني وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فبينا أنا بالشأم إذ جيء بكتاب من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى هرقل يعني عظيم الروم - قال - وكان دحية الكلبي جاء به فدفعه إلى عظيم بصرى فدفعه عظيم بصرى إلى هرقل فقال هرقل هل ها هنا أحد من قوم هذا الرجل الذي يزعم أنه نبي قالوا نعم - قال - فدعيت في نفر من قريش فدخلنا على هرقل فأجلسنا بين يديه فقال أيكم أقرب نسبا من هذا الرجل الذي يزعم أنه نبي فقال أبو سفيان فقلت أنا ‏.‏ فأجلسوني بين يديه وأجلسوا أصحابي خلفي ثم دعا بترجمانه فقال له قل لهم إني سائل هذا عن الرجل الذي يزعم أنه نبي فإن كذبني فكذبوه ‏.‏ قال فقال أبو سفيان وايم الله لولا مخافة أن يؤثر على الكذب لكذبت ‏.‏ ثم قال لترجمانه سله كيف حسبه فيكم قال قلت هو فينا ذو حسب قال فهل كان من آبائه ملك قلت لا ‏.‏ قال فهل كنتم تتهمونه بالكذب قبل أن يقول ما قال قلت لا ‏.‏ قال ومن يتبعه أشراف الناس أم ضعفاؤهم قال قلت بل ضعفاؤهم ‏.‏ قال أيزيدون أم ينقصون قال قلت لا بل يزيدون ‏.‏ قال هل يرتد أحد منهم عن دينه بعد أن يدخل فيه سخطة له قال قلت لا ‏.‏ قال فهل قاتلتموه قلت نعم ‏.‏ قال فكيف كان قتالكم إياه قال قلت تكون الحرب بيننا وبينه سجالا يصيب منا ونصيب منه ‏.‏ قال فهل يغدر قلت لا ‏.‏ ونحن منه في مدة لا ندري ما هو صانع فيها ‏.‏ قال فوالله ما أمكنني من كلمة أدخل فيها شيئا غير هذه ‏.‏ قال فهل قال هذا القول أحد قبله قال قلت لا ‏.‏ قال لترجمانه قل له إني سألتك عن حسبه فزعمت أنه فيكم ذو حسب وكذلك الرسل تبعث في أحساب قومها ‏.‏ وسألتك هل كان في آبائه ملك فزعمت أن لا ‏.‏ فقلت لو كان من آبائه ملك قلت رجل يطلب ملك آبائه ‏.‏ وسألتك عن أتباعه أضعفاؤهم أم أشرافهم فقلت بل ضعفاؤهم وهم أتباع الرسل ‏.‏ وسألتك هل كنتم تتهمونه بالكذب قبل أن يقول ما قال فزعمت أن لا ‏.‏ فقد عرفت أنه لم يكن ليدع الكذب على الناس ثم يذهب فيكذب على الله ‏.‏ وسألتك هل يرتد أحد منهم عن دينه بعد أن يدخله سخطة له فزعمت أن لا ‏.‏ وكذلك الإيمان إذا خالط بشاشة القلوب ‏.‏ وسألتك هل يزيدون أو ينقصون فزعمت أنهم يزيدون وكذلك الإيمان حتى يتم ‏.‏ وسألتك هل قاتلتموه فزعمت أنكم قد قاتلتموه فتكون الحرب بينكم وبينه سجالا ينال منكم وتنالون منه ‏.‏ وكذلك الرسل تبتلى ثم تكون لهم العاقبة وسألتك هل يغدر فزعمت أنه لا يغدر ‏.‏ وكذلك الرسل لا تغدر ‏.‏ وسألتك هل قال هذا القول أحد قبله فزعمت أن لا ‏.‏ فقلت لو قال هذا القول أحد قبله قلت رجل ائتم بقول قيل قبله ‏.‏ قال ثم قال بم يأمر كم قلت يأمرنا بالصلاة والزكاة والصلة والعفاف قال إن يكن ما تقول فيه حقا فإنه نبي وقد كنت أعلم أنه خارج ولم أكن أظنه منكم ولو أني أعلم أني أخلص إليه لأحببت لقاءه ولو كنت عنده لغسلت عن قدميه وليبلغن ملكه ما تحت قدمى ‏.‏ قال ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرأه فإذا فيه ‏"‏ بسم الله الرحمن الرحيم من محمد رسول الله إلى هرقل عظيم الروم سلام على من اتبع الهدى أما بعد فإني أدعوك بدعاية الإسلام أسلم تسلم وأسلم يؤتك الله أجرك مرتين وإن توليت فإن عليك إثم الأريسيين و ‏{‏ يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم أن لا نعبد إلا الله ولا نشرك به شيئا ولا يتخذ بعضنا بعضا أربابا من دون الله فإن تولوا فقولوا اشهدوا بأنا مسلمون‏}‏ فلما فرغ من قراءة الكتاب ارتفعت الأصوات عنده وكثر اللغط وأمر بنا فأخرجنا ‏.‏ قال فقلت لأصحابي حين خرجنا لقد أمر أمر ابن أبي كبشة إنه ليخافه ملك بني الأصفر - قال - فما زلت موقنا بأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سيظهر حتى أدخل الله على الإسلام ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫০০

عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد وزاد في الحديث وكان قيصر لما كشف الله عنه جنود فارس مشى من حمص إلى إيلياء شكرا لما أبلاه الله ‏.‏ وقال في الحديث ‏"‏ من محمد عبد الله ورسوله ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ إثم اليريسيين ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ بداعية الإسلام ‏"‏ ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ হাদীসে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন, “যখন আল্লাহ তা’আলা রোম সম্রাট (কায়সার) দ্বারা পারস্যের সেনাদলকে পরাজিত করলেন, তখন তিনি এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে ‘হিম্স’ থেকে ‘ঈলিয়া’ (বাইতুল মুকাদ্দাস) পর্যন্ত পায়ে হেঁটে যান আর তিনি তাঁর হাদীসে “এ পত্র মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূলের পক্ষ হতে” এবং (আরবি) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) শব্দ বলেছেন। আর তিনি (আরবি) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) শব্দ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৫৭, ই.সে. ৪৪৫৯)

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ হাদীসে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন, “যখন আল্লাহ তা’আলা রোম সম্রাট (কায়সার) দ্বারা পারস্যের সেনাদলকে পরাজিত করলেন, তখন তিনি এ বিজয়ের জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে ‘হিম্স’ থেকে ‘ঈলিয়া’ (বাইতুল মুকাদ্দাস) পর্যন্ত পায়ে হেঁটে যান আর তিনি তাঁর হাদীসে “এ পত্র মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূলের পক্ষ হতে” এবং (আরবি) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) শব্দ বলেছেন। আর তিনি (আরবি) শব্দের পরিবর্তে (আরবি) শব্দ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪৫৭, ই.সে. ৪৪৫৯)

عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد وزاد في الحديث وكان قيصر لما كشف الله عنه جنود فارس مشى من حمص إلى إيلياء شكرا لما أبلاه الله ‏.‏ وقال في الحديث ‏"‏ من محمد عبد الله ورسوله ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ إثم اليريسيين ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ بداعية الإسلام ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বিধর্মী শাসকদের নিকট মহামহিম আল্লাহর প্রতি আহবান জানিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পত্রাবলী

সহিহ মুসলিম ৪৫০১

حدثني يوسف بن حماد المعني، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كتب إلى كسرى وإلى قيصر وإلى النجاشي وإلى كل جبار يدعوهم إلى الله تعالى وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘কিসরা’ (পারস্যের সম্রাট), ‘কায়সার’ (রোমের সম্রাট) ও নাজাশী এবং অন্যান্য প্রভাবশালী শাসকগণের নিকট পত্র লিখেন, যাতে তিনি তাদের আল্লাহর দিকে দা’ওয়াত দেন। ইনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন। (ই.ফা. ৪৪৫৮, ই.সে. ৪৪৬০)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘কিসরা’ (পারস্যের সম্রাট), ‘কায়সার’ (রোমের সম্রাট) ও নাজাশী এবং অন্যান্য প্রভাবশালী শাসকগণের নিকট পত্র লিখেন, যাতে তিনি তাদের আল্লাহর দিকে দা’ওয়াত দেন। ইনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন। (ই.ফা. ৪৪৫৮, ই.সে. ৪৪৬০)

حدثني يوسف بن حماد المعني، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كتب إلى كسرى وإلى قيصر وإلى النجاشي وإلى كل جبار يدعوهم إلى الله تعالى وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫০৩

وحدثنيه نصر بن علي الجهضمي، أخبرني أبي، حدثني خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس، ولم يذكر وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এ কথা উল্লেখ করেননি যে, “তিনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন।” (ই.ফা. ৪৪৬০, ই.সে. ৪৪৬২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উল্লিখিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এ কথা উল্লেখ করেননি যে, “তিনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন।” (ই.ফা. ৪৪৬০, ই.সে. ৪৪৬২)

وحدثنيه نصر بن علي الجهضمي، أخبرني أبي، حدثني خالد بن قيس، عن قتادة، عن أنس، ولم يذكر وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৫০২

وحدثناه محمد بن عبد الله الرزي، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء، عن سعيد، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله ولم يقل وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এ কথা বলেননি যে, “তিনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন।” (ই.ফা. ৪৪৫৯, ই.সে. ৪৪৬১)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এ কথা বলেননি যে, “তিনি সে নাজাশী নন, যাঁর জানাযার সলাত নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদায় করেছিলেন।” (ই.ফা. ৪৪৫৯, ই.সে. ৪৪৬১)

وحدثناه محمد بن عبد الله الرزي، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء، عن سعيد، عن قتادة، حدثنا أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله ولم يقل وليس بالنجاشي الذي صلى عليه النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00