সহিহ মুসলিম > ইয়াহূদী ও নাসারাদের আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেয়া
সহিহ মুসলিম ৪৪৮৬
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الضحاك بن مخلد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد بن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب حتى لا أدع إلا مسلما " . وحدثني زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، أخبرنا سفيان الثوري، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - كلاهما عن أبي الزبير، بهذا الإسناد مثله .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার কাছে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি ইয়াহূদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেবো। তারপর মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে এখানে থাকতে দেবো না। (ই,ফা, ৪৪৪২, ই সে, ৪৪৪৪) যুহায়র ইবনু হারব ও সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) --- উভয়েই আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ( ই. ফা. ৪৪৪২, ই. সে. ৪৪৪৫)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার কাছে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি ইয়াহূদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেবো। তারপর মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে এখানে থাকতে দেবো না। (ই,ফা, ৪৪৪২, ই সে, ৪৪৪৪) যুহায়র ইবনু হারব ও সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) --- উভয়েই আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ( ই. ফা. ৪৪৪২, ই. সে. ৪৪৪৫)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الضحاك بن مخلد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد بن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب حتى لا أدع إلا مسلما " . وحدثني زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، أخبرنا سفيان الثوري، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - كلاهما عن أبي الزبير، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গ করে তাকে হত্যা করা বৈধ হওয়া এবং দুর্গের অধিবাসীদের কোন ন্যায়পরায়ণ ক্ষমতা প্রদত্ত বিচারকের নির্দেশে অবতরণ বৈধ হওয়া
সহিহ মুসলিম ৪৪৯০
وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، قال قال أبي فأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لقد حكمت فيهم بحكم الله عز وجل " .
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, আমাকে খবর দেয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তাদের সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো।” (ই.ফা. ৪৪৪৭, ই.সে. ৪৪৪৯)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, আমাকে খবর দেয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তাদের সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো।” (ই.ফা. ৪৪৪৭, ই.সে. ৪৪৪৯)
وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، قال قال أبي فأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لقد حكمت فيهم بحكم الله عز وجل " .
সহিহ মুসলিম ৪৪৮৭
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار - وألفاظهم متقاربة - قال أبو بكر حدثنا غندر، عن شعبة، وقال الآخران، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، - عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا سعيد، الخدري قال نزل أهل قريظة على حكم سعد بن معاذ فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سعد فأتاه على حمار فلما دنا قريبا من المسجد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصار " قوموا إلى سيدكم - أو خيركم " . ثم قال " إن هؤلاء نزلوا على حكمك " . قال تقتل مقاتلتهم وتسبي ذريتهم . قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قضيت بحكم الله - وربما قال - قضيت بحكم الملك " . ولم يذكر ابن المثنى وربما قال " قضيت بحكم الملك " .
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ কুরাইযার অবরুদ্ধ লোকেরা সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর নির্দেশ মেনে নিতে সম্মত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালেন। সুতরাং তিনি একটি গাধার উপর আরোহণ করে আসলেন। যখন তিনি মাসজিদের কাছাকাছি আসলেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতার অথবা বললেন, উত্তম ব্যক্তির দিকে উঠে যাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সমস্ত অবরুদ্ধ দুর্গবাসীরা তোমার নির্দেশ মান্য করতে সম্মত হয়েছে। তখন তিনি বললেন, তাদের মধ্যেকার যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো। বর্ণনাকারী কখনো বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি রাজাবিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছ। বর্ণনাকারী ইবনু মুসান্না (রহঃ) কোন কোন সময় তিনি বলেছেনঃ ‘তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো’ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৪৪, ই.সে. ৪৪৪৬)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ কুরাইযার অবরুদ্ধ লোকেরা সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর নির্দেশ মেনে নিতে সম্মত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালেন। সুতরাং তিনি একটি গাধার উপর আরোহণ করে আসলেন। যখন তিনি মাসজিদের কাছাকাছি আসলেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতার অথবা বললেন, উত্তম ব্যক্তির দিকে উঠে যাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সমস্ত অবরুদ্ধ দুর্গবাসীরা তোমার নির্দেশ মান্য করতে সম্মত হয়েছে। তখন তিনি বললেন, তাদের মধ্যেকার যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো। বর্ণনাকারী কখনো বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি রাজাবিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছ। বর্ণনাকারী ইবনু মুসান্না (রহঃ) কোন কোন সময় তিনি বলেছেনঃ ‘তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো’ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৪৪, ই.সে. ৪৪৪৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار - وألفاظهم متقاربة - قال أبو بكر حدثنا غندر، عن شعبة، وقال الآخران، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، - عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا سعيد، الخدري قال نزل أهل قريظة على حكم سعد بن معاذ فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سعد فأتاه على حمار فلما دنا قريبا من المسجد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصار " قوموا إلى سيدكم - أو خيركم " . ثم قال " إن هؤلاء نزلوا على حكمك " . قال تقتل مقاتلتهم وتسبي ذريتهم . قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قضيت بحكم الله - وربما قال - قضيت بحكم الملك " . ولم يذكر ابن المثنى وربما قال " قضيت بحكم الملك " .
সহিহ মুসলিম ৪৪৮৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء الهمداني، كلاهما عن ابن نمير، قال ابن العلاء حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت أصيب سعد يوم الخندق رماه رجل من قريش يقال له ابن العرقة . رماه في الأكحل فضرب عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم خيمة في المسجد يعوده من قريب فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم من الخندق وضع السلاح فاغتسل فأتاه جبريل وهو ينفض رأسه من الغبار فقال وضعت السلاح والله ما وضعناه اخرج إليهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فأين " . فأشار إلى بني قريظة فقاتلهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحكم فيهم إلى سعد قال فإني أحكم فيهم أن تقتل المقاتلة وأن تسبى الذرية والنساء وتقسم أموالهم .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সা’দ (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হন। কুরায়শের ইবনুল আরিকা নামক এক ব্যক্তি তাঁর শিরায় তীর নিক্ষেপ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর জন্য মাসজিদে একটি তাঁবু স্থাপন করে দিলেন, যেন নিকট থেকে তাঁকে দেখাশোনা করা যায়। যখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) খন্দকের যুদ্ধ থেকে ফিরে অস্ত্র রেখে সবেমাত্র গোসলের কাজ সমাপ্ত করেছেন এমন সময় জিবরাঈল (আঃ) স্বীয় মাথা থেকে ধূলিবালি ঝাড়তে ঝাড়তে আগমন করলেন। এরপর বললেন, আপনি অস্ত্র রেখে দিয়েছেন? আল্লাহর শপথ! আমরা তো অস্ত্র রাখিনি। তাদের দিকে গমন করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন্ দিকে? তখন তিনি বানূ কুরাইযার দিকে ইঙ্গিত করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুদ্ধ করলেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নির্দেশে দূর্গ থেকে অবতরণ করলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিচারের ভার (তাদের নেতা) সা’দ (রাঃ) এর উপর অর্পণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক, নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক এবং তাদের সম্পদগুলো ভাগ করা হোক। (ই.ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৪৮)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সা’দ (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হন। কুরায়শের ইবনুল আরিকা নামক এক ব্যক্তি তাঁর শিরায় তীর নিক্ষেপ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর জন্য মাসজিদে একটি তাঁবু স্থাপন করে দিলেন, যেন নিকট থেকে তাঁকে দেখাশোনা করা যায়। যখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) খন্দকের যুদ্ধ থেকে ফিরে অস্ত্র রেখে সবেমাত্র গোসলের কাজ সমাপ্ত করেছেন এমন সময় জিবরাঈল (আঃ) স্বীয় মাথা থেকে ধূলিবালি ঝাড়তে ঝাড়তে আগমন করলেন। এরপর বললেন, আপনি অস্ত্র রেখে দিয়েছেন? আল্লাহর শপথ! আমরা তো অস্ত্র রাখিনি। তাদের দিকে গমন করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন্ দিকে? তখন তিনি বানূ কুরাইযার দিকে ইঙ্গিত করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুদ্ধ করলেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নির্দেশে দূর্গ থেকে অবতরণ করলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিচারের ভার (তাদের নেতা) সা’দ (রাঃ) এর উপর অর্পণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক, নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক এবং তাদের সম্পদগুলো ভাগ করা হোক। (ই.ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৪৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء الهمداني، كلاهما عن ابن نمير، قال ابن العلاء حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت أصيب سعد يوم الخندق رماه رجل من قريش يقال له ابن العرقة . رماه في الأكحل فضرب عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم خيمة في المسجد يعوده من قريب فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم من الخندق وضع السلاح فاغتسل فأتاه جبريل وهو ينفض رأسه من الغبار فقال وضعت السلاح والله ما وضعناه اخرج إليهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فأين " . فأشار إلى بني قريظة فقاتلهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحكم فيهم إلى سعد قال فإني أحكم فيهم أن تقتل المقاتلة وأن تسبى الذرية والنساء وتقسم أموالهم .
সহিহ মুসলিম ৪৪৯১
حدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، عن هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن سعدا، قال وتحجر كلمه للبرء فقال اللهم إنك تعلم أن ليس أحد أحب إلى أن أجاهد فيك من قوم كذبوا رسولك صلى الله عليه وسلم وأخرجوه اللهم فإن كان بقي من حرب قريش شىء فأبقني أجاهدهم فيك اللهم فإني أظن أنك قد وضعت الحرب بيننا وبينهم فإن كنت وضعت الحرب بيننا وبينهم فافجرها واجعل موتي فيها . فانفجرت من لبته فلم يرعهم - وفي المسجد معه خيمة من بني غفار - إلا والدم يسيل إليهم فقالوا يا أهل الخيمة ما هذا الذي يأتينا من قبلكم فإذا سعد جرحه يغذ دما فمات منها .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ (রাঃ) বলেছেন, তাঁর আঘাত শুকিয়ে গেল এবং তিনি ক্রমান্বয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আপনি জানেন, আমার নিকট আপনার রসূলকে যে সম্প্রদায় অস্বীকার করেছে, তাঁকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আপনার পথে যুদ্ধ করার চাইতে অধিক পছন্দনীয় বিষয় আর নেই। হে আল্লাহ! যদি কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করা এখনও বাকী থাকে তবে আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, যেন আমি আপনার পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি। হে আল্লাহ! আমি মনে করি যে, আমাদের এবং তাদের মধ্যে আপনি যুদ্ধ সমাপ্ত করেছেন। যদি তাই হয়, তবে আপনি আমার ক্ষতস্থান উন্মুক্ত করে দিন এবং এতেই আমাকে শাহাদাত নসীব করুন। অতঃপর তাঁর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। মাসজিদে বানূ গিফারের একটি তাঁবু ছিল। তাদের দিকে রক্ত প্রবাহের কারণে তারা ঘাবড়িয়ে গেল। তখন তারা বলল, হে তাঁবুবাসী! তোমাদের দিক থেকে এ কী আসছে? আশ্চর্যের ব্যাপার যে, সা’দ (রাঃ) - এর ক্ষতস্থান থেকে তখন রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল এবং এতেই তিনি ইন্তিকাল করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪৮, ই.সে. ৪৪৫০)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ (রাঃ) বলেছেন, তাঁর আঘাত শুকিয়ে গেল এবং তিনি ক্রমান্বয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আপনি জানেন, আমার নিকট আপনার রসূলকে যে সম্প্রদায় অস্বীকার করেছে, তাঁকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আপনার পথে যুদ্ধ করার চাইতে অধিক পছন্দনীয় বিষয় আর নেই। হে আল্লাহ! যদি কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করা এখনও বাকী থাকে তবে আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, যেন আমি আপনার পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি। হে আল্লাহ! আমি মনে করি যে, আমাদের এবং তাদের মধ্যে আপনি যুদ্ধ সমাপ্ত করেছেন। যদি তাই হয়, তবে আপনি আমার ক্ষতস্থান উন্মুক্ত করে দিন এবং এতেই আমাকে শাহাদাত নসীব করুন। অতঃপর তাঁর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। মাসজিদে বানূ গিফারের একটি তাঁবু ছিল। তাদের দিকে রক্ত প্রবাহের কারণে তারা ঘাবড়িয়ে গেল। তখন তারা বলল, হে তাঁবুবাসী! তোমাদের দিক থেকে এ কী আসছে? আশ্চর্যের ব্যাপার যে, সা’দ (রাঃ) - এর ক্ষতস্থান থেকে তখন রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল এবং এতেই তিনি ইন্তিকাল করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪৮, ই.সে. ৪৪৫০)
حدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، عن هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن سعدا، قال وتحجر كلمه للبرء فقال اللهم إنك تعلم أن ليس أحد أحب إلى أن أجاهد فيك من قوم كذبوا رسولك صلى الله عليه وسلم وأخرجوه اللهم فإن كان بقي من حرب قريش شىء فأبقني أجاهدهم فيك اللهم فإني أظن أنك قد وضعت الحرب بيننا وبينهم فإن كنت وضعت الحرب بيننا وبينهم فافجرها واجعل موتي فيها . فانفجرت من لبته فلم يرعهم - وفي المسجد معه خيمة من بني غفار - إلا والدم يسيل إليهم فقالوا يا أهل الخيمة ما هذا الذي يأتينا من قبلكم فإذا سعد جرحه يغذ دما فمات منها .
সহিহ মুসলিম ৪৪৮৮
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال في حديثه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقد حكمت فيهم بحكم الله " . وقال مرة " لقد حكمت بحكم الملك " .
.শু’বাহ (রহঃ) -এর কাছ থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আর তিনি এ কথাটুকু তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করেছ।” আর একবার বলেছেন, “তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুমনুযায়ী বিচার করেছ।” (ই.ফা. ৪৪৪৫, ই.সে. ৪৪৪৭)
.শু’বাহ (রহঃ) -এর কাছ থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আর তিনি এ কথাটুকু তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করেছ।” আর একবার বলেছেন, “তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুমনুযায়ী বিচার করেছ।” (ই.ফা. ৪৪৪৫, ই.সে. ৪৪৪৭)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال في حديثه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقد حكمت فيهم بحكم الله " . وقال مرة " لقد حكمت بحكم الملك " .
সহিহ মুসলিম ৪৪৯২
وحدثنا علي بن الحسين بن سليمان الكوفي، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال فانفجر من ليلته فمازال يسيل حتى مات وزاد في الحديث قال فذاك حين يقول الشاعر ألا يا سعد سعد بني معاذ فما فعلت قريظة والنضير لعمرك إن سعد بني معاذ غداة تحملوا لهو الصبور تركتم قدركم لا شىء فيها وقدر القوم حامية تفور وقد قال الكريم أبو حباب أقيموا قينقاع ولا تسيروا وقد كانوا ببلدتهم ثقالا كما ثقلت بميطان الصخور
হিশাম (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এটুকু ব্যতিক্রম বলেছেন যে, “সে রাত থেকেই রক্ত প্রবাহিত হতে লাগলো। এভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি (হিশাম) তাঁর হাদীসে আরো কিছু বাড়তি বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে একজন কবি বলেনঃ “ হে সা’দ ইবনু মু’আয! তোমার ব্যাপারে বানূ কুরাইযাহ ও বানূ নাযীর কী করেছে? তোমার জীবনের শপথ! নিশ্চয় সা’দ ইবনু মু’আয যে প্রভাতে তোমরা তার জন্য কষ্টানুভব করছিলে, সে আজ নিশ্চুপ। (হে আওস সম্প্রদায়) তোমরা তোমাদের হাঁড়িগুলো খালি রেখে দিয়েছ, তাতে আজ কোন কিছু নেই, অর্থাৎ-তোমাদের অধঃপতন হয়েছে। অথচ তোমাদের বিপক্ষের (খাজরাজ) সম্প্রদায়ের ডেগগুলো গরম, তা টগবগ করছে অর্থাৎ- তারা আজ প্রভাবশালী ধনী। আর একজন সম্ভ্রান্ত আবূ হুবাব বলেছিলেন, তোমরা বানূ কাইনূকা গোত্রকে অবস্থান করতে দাও, তাদেরকে যেতে দিও না। আর তারা তাদের শহরে ছিল ধনাঢ্য যেমন গেড়ে থাকে মায়তান অর্থাৎ বঞ্চিত নিস্তব্ধ পাথর।” (ই.ফা. ৪৪৪৯, ই.সে. ৪৪৫১)
হিশাম (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এটুকু ব্যতিক্রম বলেছেন যে, “সে রাত থেকেই রক্ত প্রবাহিত হতে লাগলো। এভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি (হিশাম) তাঁর হাদীসে আরো কিছু বাড়তি বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে একজন কবি বলেনঃ “ হে সা’দ ইবনু মু’আয! তোমার ব্যাপারে বানূ কুরাইযাহ ও বানূ নাযীর কী করেছে? তোমার জীবনের শপথ! নিশ্চয় সা’দ ইবনু মু’আয যে প্রভাতে তোমরা তার জন্য কষ্টানুভব করছিলে, সে আজ নিশ্চুপ। (হে আওস সম্প্রদায়) তোমরা তোমাদের হাঁড়িগুলো খালি রেখে দিয়েছ, তাতে আজ কোন কিছু নেই, অর্থাৎ-তোমাদের অধঃপতন হয়েছে। অথচ তোমাদের বিপক্ষের (খাজরাজ) সম্প্রদায়ের ডেগগুলো গরম, তা টগবগ করছে অর্থাৎ- তারা আজ প্রভাবশালী ধনী। আর একজন সম্ভ্রান্ত আবূ হুবাব বলেছিলেন, তোমরা বানূ কাইনূকা গোত্রকে অবস্থান করতে দাও, তাদেরকে যেতে দিও না। আর তারা তাদের শহরে ছিল ধনাঢ্য যেমন গেড়ে থাকে মায়তান অর্থাৎ বঞ্চিত নিস্তব্ধ পাথর।” (ই.ফা. ৪৪৪৯, ই.সে. ৪৪৫১)
وحدثنا علي بن الحسين بن سليمان الكوفي، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال فانفجر من ليلته فمازال يسيل حتى مات وزاد في الحديث قال فذاك حين يقول الشاعر ألا يا سعد سعد بني معاذ فما فعلت قريظة والنضير لعمرك إن سعد بني معاذ غداة تحملوا لهو الصبور تركتم قدركم لا شىء فيها وقدر القوم حامية تفور وقد قال الكريم أبو حباب أقيموا قينقاع ولا تسيروا وقد كانوا ببلدتهم ثقالا كما ثقلت بميطان الصخور
সহিহ মুসলিম > যুদ্ধে তাড়াতাড়ি করা এবং দু’টি জরুরী কাজের মধ্যে একটিকে অগ্রাধিকার দেয়া
সহিহ মুসলিম ৪৪৯৩
وحدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية بن أسماء، عن نافع، عن عبد الله، قال نادى فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم انصرف عن الأحزاب " أن لا يصلين أحد الظهر إلا في بني قريظة " . فتخوف ناس فوت الوقت فصلوا دون بني قريظة . وقال آخرون لا نصلي إلا حيث أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وإن فاتنا الوقت قال فما عنف واحدا من الفريقين .
’আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের যুদ্ধ থেকে ফিরে আসলেন- তখন তিনি আমাদের মাঝে ঘোষণা দিলেন যে, কেউ যেন যুহরের সলাত আদায় না করে, যতক্ষণ না বানী কুরাইযার মহল্লায় গিয়ে পৌঁছবে। তখন কিছু সংখ্যক লোক যুহরের সলাতের সময় চলে যাওয়ার ভয় করলেন এবং তারা বানূ কুরাইযাহ্ গোত্রে পৌঁছার পূর্বেই সলাত আদায় করলেন। আর অন্যান্যরা বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যে স্থানে সলাত আদায় করতে বলেছেন, সে স্থান ব্যাতীত আমরা সলাত আদায় করব না, যদিও সময় চলে যায়। রাবী বলেন, এ ঘটনা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’দলের কারো প্রতি রাগান্বিত হননি। (ই.ফা. ৪৪৫০ ই.সে. ৪৪৫২)
’আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের যুদ্ধ থেকে ফিরে আসলেন- তখন তিনি আমাদের মাঝে ঘোষণা দিলেন যে, কেউ যেন যুহরের সলাত আদায় না করে, যতক্ষণ না বানী কুরাইযার মহল্লায় গিয়ে পৌঁছবে। তখন কিছু সংখ্যক লোক যুহরের সলাতের সময় চলে যাওয়ার ভয় করলেন এবং তারা বানূ কুরাইযাহ্ গোত্রে পৌঁছার পূর্বেই সলাত আদায় করলেন। আর অন্যান্যরা বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যে স্থানে সলাত আদায় করতে বলেছেন, সে স্থান ব্যাতীত আমরা সলাত আদায় করব না, যদিও সময় চলে যায়। রাবী বলেন, এ ঘটনা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’দলের কারো প্রতি রাগান্বিত হননি। (ই.ফা. ৪৪৫০ ই.সে. ৪৪৫২)
وحدثني عبد الله بن محمد بن أسماء الضبعي، حدثنا جويرية بن أسماء، عن نافع، عن عبد الله، قال نادى فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم انصرف عن الأحزاب " أن لا يصلين أحد الظهر إلا في بني قريظة " . فتخوف ناس فوت الوقت فصلوا دون بني قريظة . وقال آخرون لا نصلي إلا حيث أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وإن فاتنا الوقت قال فما عنف واحدا من الفريقين .
সহিহ মুসলিম > গনীমাত সম্পদ দ্বারা মুহাজিরগণ অভাবমুক্ত হওয়ায় আনসার কর্তৃক প্রদত্ত গাছ ও ফলমূলের বাগানসমূহ তাদেরকে ফেরত দেয়া
সহিহ মুসলিম ৪৪৯৪
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن أنس بن مالك، قال لما قدم المهاجرون من مكة المدينة قدموا وليس بأيديهم شىء وكان الأنصار أهل الأرض والعقار فقاسمهم الأنصار على أن أعطوهم أنصاف ثمار أموالهم كل عام ويكفونهم العمل والمئونة وكانت أم أنس بن مالك وهى تدعى أم سليم - وكانت أم عبد الله بن أبي طلحة كان أخا لأنس لأمه - وكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا لها فأعطاها رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد . قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتال أهل خيبر وانصرف إلى المدينة رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم - قال - فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أمي عذاقها وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه . قال ابن شهاب وكان من شأن أم أيمن أم أسامة بن زيد أنها كانت وصيفة لعبد الله بن عبد المطلب وكانت من الحبشة فلما ولدت آمنة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ما توفي أبوه فكانت أم أيمن تحضنه حتى كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعتقها ثم أنكحها زيد بن حارثة ثم توفيت بعد ما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمسة أشهر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মুহাজিরগণ মক্কা থেকে মাদীনায় প্রবেশ করেন তখন কোন কিছুই তাদের হাতে ছিল না। (তাঁরা ছিলেন তখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব) আর আনসারগণ ছিলেন জমা-জমির স্বত্বাধিকারী। তখন আনসারগণ মুহাজিরদেরকে তাদের খেজুর বাগানের অর্ধেক এ শর্তে ভাগ করে দেন যে, প্রতি বছর বাগানে মুহাজিরগণ পরিশ্রম ও পরিচর্যা করে উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদেরকে দেবেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর মাতা উম্মু সুলায়ম, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহার মাতা ছিলেন। আর ‘আবদুল্লাহ ছিলেন আনাসের বৈপিত্রেয় ভাই। আনাসের মাতা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর একটি খেজুর গাছ দান করেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটা দিলেন তাঁর আযাদকৃত দাসী উম্মু আইমানকে যিনি উসামাহ্ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন। ইবনু শিহাব (রাঃ) বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) খবর দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের যুদ্ধ শেষে মাদীনায় প্রত্যাবর্তন করলেন তখন মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানকৃত ফলের বাগানসমূহ ফিরিয়ে দেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমার মাতাকে তাঁর দানকৃত বাগান ফেরত দেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তার পরিবর্তে নিজের বাগানের এক অংশ প্রদান করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে উম্মু আইমান- যিনি উসামাহ্ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন, তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের দাসী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিতার ইন্তিকালের পর আমিনাহ্র গর্ভ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভূমিষ্ট হন তখন উম্মু আইমান তাঁকে বড় হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করেন। এরপর তিনি তাঁকে আযাদ করে দেন। পরবর্তীতে যায়দ ইবনু হারিসাহ্র সঙ্গে তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পাঁচ মাস পর ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৪৪৫১, ই.সে. ৪৪৫৩)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন মুহাজিরগণ মক্কা থেকে মাদীনায় প্রবেশ করেন তখন কোন কিছুই তাদের হাতে ছিল না। (তাঁরা ছিলেন তখন সম্পূর্ণ নিঃস্ব) আর আনসারগণ ছিলেন জমা-জমির স্বত্বাধিকারী। তখন আনসারগণ মুহাজিরদেরকে তাদের খেজুর বাগানের অর্ধেক এ শর্তে ভাগ করে দেন যে, প্রতি বছর বাগানে মুহাজিরগণ পরিশ্রম ও পরিচর্যা করে উৎপাদিত ফসলের অর্ধেক তাদেরকে দেবেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -এর মাতা উম্মু সুলায়ম, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহার মাতা ছিলেন। আর ‘আবদুল্লাহ ছিলেন আনাসের বৈপিত্রেয় ভাই। আনাসের মাতা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর একটি খেজুর গাছ দান করেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটা দিলেন তাঁর আযাদকৃত দাসী উম্মু আইমানকে যিনি উসামাহ্ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন। ইবনু শিহাব (রাঃ) বলেন, আমাকে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) খবর দিয়েছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন খাইবারের যুদ্ধ শেষে মাদীনায় প্রত্যাবর্তন করলেন তখন মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানকৃত ফলের বাগানসমূহ ফিরিয়ে দেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমার মাতাকে তাঁর দানকৃত বাগান ফেরত দেন এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তার পরিবর্তে নিজের বাগানের এক অংশ প্রদান করেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন যে উম্মু আইমান- যিনি উসামাহ্ ইবনু যায়দের মাতা ছিলেন, তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের দাসী ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পিতার ইন্তিকালের পর আমিনাহ্র গর্ভ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভূমিষ্ট হন তখন উম্মু আইমান তাঁকে বড় হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করেন। এরপর তিনি তাঁকে আযাদ করে দেন। পরবর্তীতে যায়দ ইবনু হারিসাহ্র সঙ্গে তাঁকে বিয়ে দিয়ে দেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পাঁচ মাস পর ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৪৪৫১, ই.সে. ৪৪৫৩)
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة، قالا أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب عن أنس بن مالك، قال لما قدم المهاجرون من مكة المدينة قدموا وليس بأيديهم شىء وكان الأنصار أهل الأرض والعقار فقاسمهم الأنصار على أن أعطوهم أنصاف ثمار أموالهم كل عام ويكفونهم العمل والمئونة وكانت أم أنس بن مالك وهى تدعى أم سليم - وكانت أم عبد الله بن أبي طلحة كان أخا لأنس لأمه - وكانت أعطت أم أنس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا لها فأعطاها رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مولاته أم أسامة بن زيد . قال ابن شهاب فأخبرني أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتال أهل خيبر وانصرف إلى المدينة رد المهاجرون إلى الأنصار منائحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم - قال - فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى أمي عذاقها وأعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم أم أيمن مكانهن من حائطه . قال ابن شهاب وكان من شأن أم أيمن أم أسامة بن زيد أنها كانت وصيفة لعبد الله بن عبد المطلب وكانت من الحبشة فلما ولدت آمنة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ما توفي أبوه فكانت أم أيمن تحضنه حتى كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعتقها ثم أنكحها زيد بن حارثة ثم توفيت بعد ما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم بخمسة أشهر .
সহিহ মুসলিম ৪৪৯৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - حدثنا معتمر بن سليمان التيمي، عن أبيه، عن أنس، أن رجلا، - وقال حامد وابن عبد الأعلى أن الرجل، - كان يجعل للنبي صلى الله عليه وسلم النخلات من أرضه . حتى فتحت عليه قريظة والنضير فجعل بعد ذلك يرد عليه ما كان أعطاه . قال أنس وإن أهلي أمروني أن آتي النبي صلى الله عليه وسلم فأسأله ما كان أهله أعطوه أو بعضه وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه أم أيمن فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطانيهن فجاءت أم أيمن فجعلت الثوب في عنقي وقالت والله لا نعطيكاهن وقد أعطانيهن . فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " يا أم أيمن اتركيه ولك كذا وكذا " . وتقول كلا والذي لا إله إلا هو . فجعل يقول كذا حتى أعطاها عشرة أمثاله أو قريبا من عشرة أمثاله .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করেন) তখন এক এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিজ ভূমির কিছু খেজুর দান করেন। যখন বানূ কুরাইযাহ্ এবং বানূ নাযীর গোত্রদ্বয়ের উপর (মুসলিমগণ) বিজয়ী হলেন, তখন সে ব্যক্তি যা দিয়েছিল তিনি তা ফিরিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার পরিবারের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যা দিয়েছিলেন তা অথবা তার অংশবিশেষ তাঁর নিকট হতে চেয়ে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিলেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তা দিয়ে দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাঁর কাছে এসে যখন তা চাইলাম, তখন তিনি তা আমাকে দিয়ে দিলেন। এ সময় উম্মু আইমান (রাঃ) সেখানে এলেন এবং আমার গলায় কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন ও বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে তা দেবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু আইমান! আপনি তাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এই এই সম্পদ দিচ্ছি। তখন তিনি বললেন, কক্ষনো না। সেই আল্লাহর শপথ! যিনি ব্যাতীত আর কোন ইলাহ নেই। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আপনাকে এই এই সম্পদ প্রদান করছি (আপনি তাকে ছেড়ে দিন)। পরিশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে ঐ সম্পদের দশগুণ কিংবা দশগুণের কাছাকাছি প্রদান করেন। (ই.ফা. ৪৪৫২, ই.সে. ৪৪৫৪)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় আগমন করেন) তখন এক এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নিজ ভূমির কিছু খেজুর দান করেন। যখন বানূ কুরাইযাহ্ এবং বানূ নাযীর গোত্রদ্বয়ের উপর (মুসলিমগণ) বিজয়ী হলেন, তখন সে ব্যক্তি যা দিয়েছিল তিনি তা ফিরিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার পরিবারের লোকজন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যা দিয়েছিলেন তা অথবা তার অংশবিশেষ তাঁর নিকট হতে চেয়ে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দিলেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে তা দিয়ে দিয়েছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাঁর কাছে এসে যখন তা চাইলাম, তখন তিনি তা আমাকে দিয়ে দিলেন। এ সময় উম্মু আইমান (রাঃ) সেখানে এলেন এবং আমার গলায় কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন ও বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে তা দেবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে উম্মু আইমান! আপনি তাকে ছেড়ে দিন। আমি আপনাকে এই এই সম্পদ দিচ্ছি। তখন তিনি বললেন, কক্ষনো না। সেই আল্লাহর শপথ! যিনি ব্যাতীত আর কোন ইলাহ নেই। তখনও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আপনাকে এই এই সম্পদ প্রদান করছি (আপনি তাকে ছেড়ে দিন)। পরিশেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উম্মু আইমানকে ঐ সম্পদের দশগুণ কিংবা দশগুণের কাছাকাছি প্রদান করেন। (ই.ফা. ৪৪৫২, ই.সে. ৪৪৫৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الأعلى، القيسي كلهم عن المعتمر، - واللفظ لابن أبي شيبة - حدثنا معتمر بن سليمان التيمي، عن أبيه، عن أنس، أن رجلا، - وقال حامد وابن عبد الأعلى أن الرجل، - كان يجعل للنبي صلى الله عليه وسلم النخلات من أرضه . حتى فتحت عليه قريظة والنضير فجعل بعد ذلك يرد عليه ما كان أعطاه . قال أنس وإن أهلي أمروني أن آتي النبي صلى الله عليه وسلم فأسأله ما كان أهله أعطوه أو بعضه وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه أم أيمن فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأعطانيهن فجاءت أم أيمن فجعلت الثوب في عنقي وقالت والله لا نعطيكاهن وقد أعطانيهن . فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " يا أم أيمن اتركيه ولك كذا وكذا " . وتقول كلا والذي لا إله إلا هو . فجعل يقول كذا حتى أعطاها عشرة أمثاله أو قريبا من عشرة أمثاله .