সহিহ মুসলিম > যুদ্ধবন্দীদেরকে আটক করা, গ্রেফতার করা এবং বিনা মুক্তিপণে ছেড়ে দেয়া বৈধ

সহিহ মুসলিম ৪৪৮২

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثني عبد الحميد بن جعفر، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا له نحو أرض نجد فجاءت برجل يقال له ثمامة بن أثال الحنفي سيد أهل اليمامة ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث الليث إلا أنه قال إن تقتلني تقتل ذا دم ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল অশ্বারোহী সৈনিক প্রেরণ করলেন ‘নাজদ’ প্রদেশের দিকে। তারা এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে এলো, যার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল আল-হানাফী। তিনি ছিলেন ইয়ামামাবাসীদের নেতা। এরপর তিনি লায়স (রহঃ) –এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, সে বলেছে , যদি আপনি আমাকে হত্যা করনে, তবে খুনের উপযুক্ত ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৮, ই.সে. ৪৪৪০)

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল অশ্বারোহী সৈনিক প্রেরণ করলেন ‘নাজদ’ প্রদেশের দিকে। তারা এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে এলো, যার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল আল-হানাফী। তিনি ছিলেন ইয়ামামাবাসীদের নেতা। এরপর তিনি লায়স (রহঃ) –এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, সে বলেছে , যদি আপনি আমাকে হত্যা করনে, তবে খুনের উপযুক্ত ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৮, ই.সে. ৪৪৪০)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثني عبد الحميد بن جعفر، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا له نحو أرض نجد فجاءت برجل يقال له ثمامة بن أثال الحنفي سيد أهل اليمامة ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث الليث إلا أنه قال إن تقتلني تقتل ذا دم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة ‏.‏ فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فقال ‏"‏ ما عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ قال ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان من الغد فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أطلقوا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ‏.‏ يا محمد والله ما كان على الأرض وجه أبغض إلى من وجهك فقد أصبح وجهك أحب الوجوه كلها إلى والله ما كان من دين أبغض إلى من دينك فأصبح دينك أحب الدين كله إلى والله ما كان من بلد أبغض إلى من بلدك فأصبح بلدك أحب البلاد كلها إلى وإن خيلك أخذتني وأنا أريد العمرة فماذا ترى فبشره رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يعتمر فلما قدم مكة قال له قائل أصبوت فقال لا ولكني أسلمت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا والله لا يأتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى يأذن فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু সংখ্যক অশ্বারোহী সৈন্যকে ‘নাযদ’—এর দিকে পাঠান। অতঃপর বানূ হানীফা গোত্রের এক ব্যক্তিকে তাঁরা ধরে নিয়ে এলো। তার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল। তিনি ইয়ামামাবাসীদের সরদার ছিলেন। তাঁরা মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে তাকে বেঁধে রাখলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছে আসলেন এবং বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে তো ভালই মনে হচ্ছে। আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তাহলে খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করলেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে, আপনি যা চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে যথাবস্থায় রেখে দিলেন। তারপর পরের দিনও তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই মনে হচ্ছে যা আপনার কাছে বলে দিয়েছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে আপনি যা চাবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরের দিন পর্যন্ত তাকে ঐভাবে রাখলেন। তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার নিকট কেমন লাগছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই যা আমি আপনাকে ইতিপূর্বে বলেছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনি অনুগ্রহ করবেন একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে হত্যার উপযুক্ত ব্যাক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে বলুন তাই দেয়া হবে যা আপনি চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা সুমামাহকে ছেড়ে দাও। তারপর তিনি মাসজিদের নিকটবর্তী একটি খেজুর গাছের নিকট গেলেন। সেখানে তিনি গোসল করলেন। এরপর মাসজিদে প্রবেশ করে বললেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ, (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রসূল। হে মুহাম্মাদ! আল্লাহর শপথ! পৃথিবীতে আমার নিকট আপনার চেহারার চেয়ে খারাপ চেহারা আর ছিল না। আর এখন সকল মানুষের চেহারা থেকে আপনার চেহারাই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আল্লাহর শপথ! আপনার ধর্ম থেকে অধিক খারাপ ধর্ম আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার ধর্মই আমার নিকট সকল ধর্ম থেকে অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম! আপনার জনপদ থেকে অধিক নিকৃষ্ট জনপদ আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার জনপদই আমার নিকট সকল জনপদের চেয়ে অধিক প্রিয়। আপনার অশ্বারোহী সৈনিকরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে। অথচ আমি তখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সুসংবাদ দিলেন এবং ‘উমরাহ করার নির্দেশ দিলেন। এরপর যখন তিনি মাক্কায় ফিরে এলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, তুমি কি ধর্মান্তরিত হয়েছ? তখন তিনি বললেন, না। বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলাম গ্রহন করেছি। আল্লাহর কসম! ইয়ামামা ত্থেকে একটি গমের দানাও তোমাদের কাছে পৌঁছাবে না। যতক্ষন না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে সম্মতি দেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৭, ই.সে.৪৪৩৯ )

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু সংখ্যক অশ্বারোহী সৈন্যকে ‘নাযদ’—এর দিকে পাঠান। অতঃপর বানূ হানীফা গোত্রের এক ব্যক্তিকে তাঁরা ধরে নিয়ে এলো। তার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল। তিনি ইয়ামামাবাসীদের সরদার ছিলেন। তাঁরা মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে তাকে বেঁধে রাখলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছে আসলেন এবং বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে তো ভালই মনে হচ্ছে। আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তাহলে খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করলেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে, আপনি যা চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে যথাবস্থায় রেখে দিলেন। তারপর পরের দিনও তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই মনে হচ্ছে যা আপনার কাছে বলে দিয়েছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে আপনি যা চাবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরের দিন পর্যন্ত তাকে ঐভাবে রাখলেন। তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার নিকট কেমন লাগছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই যা আমি আপনাকে ইতিপূর্বে বলেছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনি অনুগ্রহ করবেন একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে হত্যার উপযুক্ত ব্যাক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে বলুন তাই দেয়া হবে যা আপনি চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা সুমামাহকে ছেড়ে দাও। তারপর তিনি মাসজিদের নিকটবর্তী একটি খেজুর গাছের নিকট গেলেন। সেখানে তিনি গোসল করলেন। এরপর মাসজিদে প্রবেশ করে বললেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ, (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রসূল। হে মুহাম্মাদ! আল্লাহর শপথ! পৃথিবীতে আমার নিকট আপনার চেহারার চেয়ে খারাপ চেহারা আর ছিল না। আর এখন সকল মানুষের চেহারা থেকে আপনার চেহারাই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আল্লাহর শপথ! আপনার ধর্ম থেকে অধিক খারাপ ধর্ম আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার ধর্মই আমার নিকট সকল ধর্ম থেকে অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম! আপনার জনপদ থেকে অধিক নিকৃষ্ট জনপদ আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার জনপদই আমার নিকট সকল জনপদের চেয়ে অধিক প্রিয়। আপনার অশ্বারোহী সৈনিকরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে। অথচ আমি তখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সুসংবাদ দিলেন এবং ‘উমরাহ করার নির্দেশ দিলেন। এরপর যখন তিনি মাক্কায় ফিরে এলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, তুমি কি ধর্মান্তরিত হয়েছ? তখন তিনি বললেন, না। বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলাম গ্রহন করেছি। আল্লাহর কসম! ইয়ামামা ত্থেকে একটি গমের দানাও তোমাদের কাছে পৌঁছাবে না। যতক্ষন না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে সম্মতি দেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৭, ই.সে.৪৪৩৯ )

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة ‏.‏ فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فقال ‏"‏ ما عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ قال ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان من الغد فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أطلقوا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ‏.‏ يا محمد والله ما كان على الأرض وجه أبغض إلى من وجهك فقد أصبح وجهك أحب الوجوه كلها إلى والله ما كان من دين أبغض إلى من دينك فأصبح دينك أحب الدين كله إلى والله ما كان من بلد أبغض إلى من بلدك فأصبح بلدك أحب البلاد كلها إلى وإن خيلك أخذتني وأنا أريد العمرة فماذا ترى فبشره رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يعتمر فلما قدم مكة قال له قائل أصبوت فقال لا ولكني أسلمت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا والله لا يأتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى يأذن فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হিজায রাজ্য থেকে ইয়াহূদীদেরকে বহিষ্কার করা

সহিহ মুসলিম ৪৪৮৪

وحدثني محمد بن رافع، وإسحاق بن منصور، قال ابن رافع حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أنالله عليه وسلم فأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بني النضير وأقر قريظة ومن عليهم حتى حاربت قريظة بعد ذلك فقتل رجالهم وقسم نساءهم وأولادهم وأموالهم بين المسلمين إلا أن بعضهم لحقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فآمنهم وأسلموا وأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يهود المدينة كلهم بني قينقاع - وهم قوم عبد الله بن سلام - ويهود بني حارثة وكل يهودي كان بالمدينة ‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানু নাযীর এবং বানু কুরাইযাহ গোত্র দুটির ইয়াহূদীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে যুদ্ধ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ নাযীরকে দেশান্তর করেন। এবং বনূ কুরাইযাকে সেখানে থাকার অনুমতি দিলেন এবং তিনি তাদের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করলেন। পরিশেষে বানূ কুরাইযাও যুদ্ধ করল। ফলে তিনি তাদের পুরুষদেরকে হত্যা করলেন এবং তাদের নারী, শিশু ও সম্পদসমূহ মুসলিমদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। কিন্তু তাদের কিছু সংখ্যক লোক যারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিল তাদেরকে তিনি নিরাপত্তা প্রদান করেন। তখন তারা মুসলিম হয়ে গিয়েছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় সকল ইয়াহূদীকে দেশান্তর করেন। বানূ কায়নুকা’ গোত্রের ইয়াহূদী (‘আবদুল্লাহ ইবনু সালামের ইয়াহুদী গোত্র) , বানু হারিসাহর ‘ইয়াহুদী এবং মাদীনায় বসবাসরত সকল ইয়াহূদীকেই দেশ থেকে বহিষ্কার করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪০, ই. সে. ৪৪৪২ )।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানু নাযীর এবং বানু কুরাইযাহ গোত্র দুটির ইয়াহূদীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে যুদ্ধ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বানূ নাযীরকে দেশান্তর করেন। এবং বনূ কুরাইযাকে সেখানে থাকার অনুমতি দিলেন এবং তিনি তাদের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করলেন। পরিশেষে বানূ কুরাইযাও যুদ্ধ করল। ফলে তিনি তাদের পুরুষদেরকে হত্যা করলেন এবং তাদের নারী, শিশু ও সম্পদসমূহ মুসলিমদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। কিন্তু তাদের কিছু সংখ্যক লোক যারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে মিলিত হয়েছিল তাদেরকে তিনি নিরাপত্তা প্রদান করেন। তখন তারা মুসলিম হয়ে গিয়েছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনায় সকল ইয়াহূদীকে দেশান্তর করেন। বানূ কায়নুকা’ গোত্রের ইয়াহূদী (‘আবদুল্লাহ ইবনু সালামের ইয়াহুদী গোত্র) , বানু হারিসাহর ‘ইয়াহুদী এবং মাদীনায় বসবাসরত সকল ইয়াহূদীকেই দেশ থেকে বহিষ্কার করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪০, ই. সে. ৪৪৪২ )।

وحدثني محمد بن رافع، وإسحاق بن منصور، قال ابن رافع حدثنا وقال، إسحاق أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أنالله عليه وسلم فأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بني النضير وأقر قريظة ومن عليهم حتى حاربت قريظة بعد ذلك فقتل رجالهم وقسم نساءهم وأولادهم وأموالهم بين المسلمين إلا أن بعضهم لحقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فآمنهم وأسلموا وأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يهود المدينة كلهم بني قينقاع - وهم قوم عبد الله بن سلام - ويهود بني حارثة وكل يهودي كان بالمدينة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي، هريرة أنه قال بينا نحن في المسجد إذ خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ انطلقوا إلى يهود ‏"‏ ‏.‏ فخرجنا معه حتى جئناهم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فناداهم فقال ‏"‏ يا معشر يهود أسلموا تسلموا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم ‏.‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك أريد أسلموا تسلموا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم ‏.‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك أريد ‏"‏ ‏.‏ فقال لهم الثالثة فقال ‏"‏ اعلموا أنما الأرض لله ورسوله وأني أريد أن أجليكم من هذه الأرض فمن وجد منكم بماله شيئا فليبعه وإلا فاعلموا أن الأرض لله ورسوله ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা মাসজিদে বসা ছিলাম। হঠাৎ আমাদের দিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমরা ইয়াহুদীদের দিকে যাও। সুতরাং আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম। পরিশেষে তাদের কাছে এলাম। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং তাদেরকে (ধর্মের দিকে) আহবান করে বললেন, হে ইয়াহুদী সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম গ্রহন কর, তাহলে শান্তিতে থাকতে পারবে। তখন তারা বলল, হে আবুল কাসেম! নিশ্চয়ই আপনি (আল্লাহর নির্দেশ) প্রচার করছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ আমি এ কথাই শুনতে চেয়েছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন। তোমরা ইসলাম গ্রহন কর, তাহলে শান্তিতে থাকতে পারবে। তখন তারা বলল, হে আবুল কাসেম! নিশ্চয়ই আপনি প্রচার করছেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তাই চেয়েছিলাম। এরপর তৃতীয়বার তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা জেনে রেখো! নিশ্চয়ই পৃথিবী আল্লাহ ও তাঁর রসূলের। আর আমার ইচ্ছা যে, তোমাদেরকে আমি এ ভূখণ্ড থেকে বহিস্কার করবো। অতএব তোমাদের মধ্যে হতে যদি কারো কিছু মালামাল থাকে তাহলে সে যেন তা বিক্রি করে দেয়। নতুবা জেনে রেখো যে, সমগ্র ভু-মণ্ডল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের। ( ই.ফা. ৪৪৩৯, ই. সে. ৪৪৪১)

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা মাসজিদে বসা ছিলাম। হঠাৎ আমাদের দিকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমরা ইয়াহুদীদের দিকে যাও। সুতরাং আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম। পরিশেষে তাদের কাছে এলাম। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং তাদেরকে (ধর্মের দিকে) আহবান করে বললেন, হে ইয়াহুদী সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম গ্রহন কর, তাহলে শান্তিতে থাকতে পারবে। তখন তারা বলল, হে আবুল কাসেম! নিশ্চয়ই আপনি (আল্লাহর নির্দেশ) প্রচার করছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ আমি এ কথাই শুনতে চেয়েছি। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন। তোমরা ইসলাম গ্রহন কর, তাহলে শান্তিতে থাকতে পারবে। তখন তারা বলল, হে আবুল কাসেম! নিশ্চয়ই আপনি প্রচার করছেন। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তাই চেয়েছিলাম। এরপর তৃতীয়বার তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা জেনে রেখো! নিশ্চয়ই পৃথিবী আল্লাহ ও তাঁর রসূলের। আর আমার ইচ্ছা যে, তোমাদেরকে আমি এ ভূখণ্ড থেকে বহিস্কার করবো। অতএব তোমাদের মধ্যে হতে যদি কারো কিছু মালামাল থাকে তাহলে সে যেন তা বিক্রি করে দেয়। নতুবা জেনে রেখো যে, সমগ্র ভু-মণ্ডল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের। ( ই.ফা. ৪৪৩৯, ই. সে. ৪৪৪১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي، هريرة أنه قال بينا نحن في المسجد إذ خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ انطلقوا إلى يهود ‏"‏ ‏.‏ فخرجنا معه حتى جئناهم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فناداهم فقال ‏"‏ يا معشر يهود أسلموا تسلموا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم ‏.‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك أريد أسلموا تسلموا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم ‏.‏ فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك أريد ‏"‏ ‏.‏ فقال لهم الثالثة فقال ‏"‏ اعلموا أنما الأرض لله ورسوله وأني أريد أن أجليكم من هذه الأرض فمن وجد منكم بماله شيئا فليبعه وإلا فاعلموا أن الأرض لله ورسوله ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮৫

وحدثني أبو الطاهر، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني حفص بن ميسرة، عن موسى، بهذا الإسناد هذا الحديث وحديث ابن جريج أكثر وأتم ‏.‏

মুসা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আর ইবনু জুরাইজ (রহঃ) –এর হাদীসটি অনেক সুত্রে বর্ণিত এবং সেটিই পুর্ণাঙ্গ। (ই.ফ. ৪৪৪১, ই.সে. ৪৪৪৩)

মুসা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আর ইবনু জুরাইজ (রহঃ) –এর হাদীসটি অনেক সুত্রে বর্ণিত এবং সেটিই পুর্ণাঙ্গ। (ই.ফ. ৪৪৪১, ই.সে. ৪৪৪৩)

وحدثني أبو الطاهر، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني حفص بن ميسرة، عن موسى، بهذا الإسناد هذا الحديث وحديث ابن جريج أكثر وأتم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ইয়াহূদী ও নাসারাদের আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেয়া

সহিহ মুসলিম ৪৪৮৬

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الضحاك بن مخلد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد بن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب حتى لا أدع إلا مسلما ‏"‏ ‏.‏ وحدثني زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، أخبرنا سفيان الثوري، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - كلاهما عن أبي الزبير، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার কাছে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি ইয়াহূদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেবো। তারপর মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে এখানে থাকতে দেবো না। (ই,ফা, ৪৪৪২, ই সে, ৪৪৪৪) যুহায়র ইবনু হারব ও সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) --- উভয়েই আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ( ই. ফা. ৪৪৪২, ই. সে. ৪৪৪৫)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমার কাছে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি ইয়াহূদী ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়কে আরব উপ-দ্বীপ থেকে বের করে দেবো। তারপর মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে এখানে থাকতে দেবো না। (ই,ফা, ৪৪৪২, ই সে, ৪৪৪৪) যুহায়র ইবনু হারব ও সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) --- উভয়েই আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ( ই. ফা. ৪৪৪২, ই. সে. ৪৪৪৫)

وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الضحاك بن مخلد، عن ابن جريج، ح وحدثني محمد بن رافع، - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب حتى لا أدع إلا مسلما ‏"‏ ‏.‏ وحدثني زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، أخبرنا سفيان الثوري، ح وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن أعين، حدثنا معقل، - وهو ابن عبيد الله - كلاهما عن أبي الزبير، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি চুক্তি ভঙ্গ করে তাকে হত্যা করা বৈধ হওয়া এবং দুর্গের অধিবাসীদের কোন ন্যায়পরায়ণ ক্ষমতা প্রদত্ত বিচারকের নির্দেশে অবতরণ বৈধ হওয়া

সহিহ মুসলিম ৪৪৯০

وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، قال قال أبي فأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لقد حكمت فيهم بحكم الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, আমাকে খবর দেয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তাদের সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো।” (ই.ফা. ৪৪৪৭, ই.সে. ৪৪৪৯)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, আমাকে খবর দেয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি তাদের সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো।” (ই.ফা. ৪৪৪৭, ই.সে. ৪৪৪৯)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، قال قال أبي فأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لقد حكمت فيهم بحكم الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮৭

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار - وألفاظهم متقاربة - قال أبو بكر حدثنا غندر، عن شعبة، وقال الآخران، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، - عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا سعيد، الخدري قال نزل أهل قريظة على حكم سعد بن معاذ فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سعد فأتاه على حمار فلما دنا قريبا من المسجد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصار ‏"‏ قوموا إلى سيدكم - أو خيركم ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ إن هؤلاء نزلوا على حكمك ‏"‏ ‏.‏ قال تقتل مقاتلتهم وتسبي ذريتهم ‏.‏ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قضيت بحكم الله - وربما قال - قضيت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ابن المثنى وربما قال ‏"‏ قضيت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানূ কুরাইযার অবরুদ্ধ লোকেরা সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর নির্দেশ মেনে নিতে সম্মত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালেন। সুতরাং তিনি একটি গাধার উপর আরোহণ করে আসলেন। যখন তিনি মাসজিদের কাছাকাছি আসলেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতার অথবা বললেন, উত্তম ব্যক্তির দিকে উঠে যাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সমস্ত অবরুদ্ধ দুর্গবাসীরা তোমার নির্দেশ মান্য করতে সম্মত হয়েছে। তখন তিনি বললেন, তাদের মধ্যেকার যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো। বর্ণনাকারী কখনো বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি রাজাবিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছ। বর্ণনাকারী ইবনু মুসান্না (রহঃ) কোন কোন সময় তিনি বলেছেনঃ ‘তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো’ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৪৪, ই.সে. ৪৪৪৬)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বানূ কুরাইযার অবরুদ্ধ লোকেরা সা’দ ইবনু মু’আয (রাঃ)-এর নির্দেশ মেনে নিতে সম্মত হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালেন। সুতরাং তিনি একটি গাধার উপর আরোহণ করে আসলেন। যখন তিনি মাসজিদের কাছাকাছি আসলেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতার অথবা বললেন, উত্তম ব্যক্তির দিকে উঠে যাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সমস্ত অবরুদ্ধ দুর্গবাসীরা তোমার নির্দেশ মান্য করতে সম্মত হয়েছে। তখন তিনি বললেন, তাদের মধ্যেকার যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো। বর্ণনাকারী কখনো বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি রাজাবিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছ। বর্ণনাকারী ইবনু মুসান্না (রহঃ) কোন কোন সময় তিনি বলেছেনঃ ‘তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী বিচার করেছো’ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৪৪, ই.সে. ৪৪৪৬)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار - وألفاظهم متقاربة - قال أبو بكر حدثنا غندر، عن شعبة، وقال الآخران، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، - عن سعد بن إبراهيم، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، قال سمعت أبا سعيد، الخدري قال نزل أهل قريظة على حكم سعد بن معاذ فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سعد فأتاه على حمار فلما دنا قريبا من المسجد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصار ‏"‏ قوموا إلى سيدكم - أو خيركم ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ إن هؤلاء نزلوا على حكمك ‏"‏ ‏.‏ قال تقتل مقاتلتهم وتسبي ذريتهم ‏.‏ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قضيت بحكم الله - وربما قال - قضيت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر ابن المثنى وربما قال ‏"‏ قضيت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء الهمداني، كلاهما عن ابن نمير، قال ابن العلاء حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت أصيب سعد يوم الخندق رماه رجل من قريش يقال له ابن العرقة ‏.‏ رماه في الأكحل فضرب عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم خيمة في المسجد يعوده من قريب فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم من الخندق وضع السلاح فاغتسل فأتاه جبريل وهو ينفض رأسه من الغبار فقال وضعت السلاح والله ما وضعناه اخرج إليهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فأين ‏"‏ ‏.‏ فأشار إلى بني قريظة فقاتلهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحكم فيهم إلى سعد قال فإني أحكم فيهم أن تقتل المقاتلة وأن تسبى الذرية والنساء وتقسم أموالهم ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সা’দ (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হন। কুরায়শের ইবনুল আরিকা নামক এক ব্যক্তি তাঁর শিরায় তীর নিক্ষেপ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর জন্য মাসজিদে একটি তাঁবু স্থাপন করে দিলেন, যেন নিকট থেকে তাঁকে দেখাশোনা করা যায়। যখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) খন্দকের যুদ্ধ থেকে ফিরে অস্ত্র রেখে সবেমাত্র গোসলের কাজ সমাপ্ত করেছেন এমন সময় জিবরাঈল (আঃ) স্বীয় মাথা থেকে ধূলিবালি ঝাড়তে ঝাড়তে আগমন করলেন। এরপর বললেন, আপনি অস্ত্র রেখে দিয়েছেন? আল্লাহর শপথ! আমরা তো অস্ত্র রাখিনি। তাদের দিকে গমন করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন্‌ দিকে? তখন তিনি বানূ কুরাইযার দিকে ইঙ্গিত করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুদ্ধ করলেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নির্দেশে দূর্গ থেকে অবতরণ করলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিচারের ভার (তাদের নেতা) সা’দ (রাঃ) এর উপর অর্পণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক, নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক এবং তাদের সম্পদগুলো ভাগ করা হোক। (ই.ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৪৮)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সা’দ (রাঃ) আঘাতপ্রাপ্ত হন। কুরায়শের ইবনুল আরিকা নামক এক ব্যক্তি তাঁর শিরায় তীর নিক্ষেপ করেছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সা’দ (রাঃ)-এর জন্য মাসজিদে একটি তাঁবু স্থাপন করে দিলেন, যেন নিকট থেকে তাঁকে দেখাশোনা করা যায়। যখন তিনি (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) খন্দকের যুদ্ধ থেকে ফিরে অস্ত্র রেখে সবেমাত্র গোসলের কাজ সমাপ্ত করেছেন এমন সময় জিবরাঈল (আঃ) স্বীয় মাথা থেকে ধূলিবালি ঝাড়তে ঝাড়তে আগমন করলেন। এরপর বললেন, আপনি অস্ত্র রেখে দিয়েছেন? আল্লাহর শপথ! আমরা তো অস্ত্র রাখিনি। তাদের দিকে গমন করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন্‌ দিকে? তখন তিনি বানূ কুরাইযার দিকে ইঙ্গিত করলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুদ্ধ করলেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর নির্দেশে দূর্গ থেকে অবতরণ করলো। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিচারের ভার (তাদের নেতা) সা’দ (রাঃ) এর উপর অর্পণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে যুদ্ধের উপযুক্ত (যুবক) লোকদেরকে হত্যা করা হোক, নারী ও শিশুদেরকে বন্দী করা হোক এবং তাদের সম্পদগুলো ভাগ করা হোক। (ই.ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৪৮)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء الهمداني، كلاهما عن ابن نمير، قال ابن العلاء حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت أصيب سعد يوم الخندق رماه رجل من قريش يقال له ابن العرقة ‏.‏ رماه في الأكحل فضرب عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم خيمة في المسجد يعوده من قريب فلما رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم من الخندق وضع السلاح فاغتسل فأتاه جبريل وهو ينفض رأسه من الغبار فقال وضعت السلاح والله ما وضعناه اخرج إليهم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فأين ‏"‏ ‏.‏ فأشار إلى بني قريظة فقاتلهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحكم فيهم إلى سعد قال فإني أحكم فيهم أن تقتل المقاتلة وأن تسبى الذرية والنساء وتقسم أموالهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯১

حدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، عن هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن سعدا، قال وتحجر كلمه للبرء فقال اللهم إنك تعلم أن ليس أحد أحب إلى أن أجاهد فيك من قوم كذبوا رسولك صلى الله عليه وسلم وأخرجوه اللهم فإن كان بقي من حرب قريش شىء فأبقني أجاهدهم فيك اللهم فإني أظن أنك قد وضعت الحرب بيننا وبينهم فإن كنت وضعت الحرب بيننا وبينهم فافجرها واجعل موتي فيها ‏.‏ فانفجرت من لبته فلم يرعهم - وفي المسجد معه خيمة من بني غفار - إلا والدم يسيل إليهم فقالوا يا أهل الخيمة ما هذا الذي يأتينا من قبلكم فإذا سعد جرحه يغذ دما فمات منها ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ (রাঃ) বলেছেন, তাঁর আঘাত শুকিয়ে গেল এবং তিনি ক্রমান্বয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আপনি জানেন, আমার নিকট আপনার রসূলকে যে সম্প্রদায় অস্বীকার করেছে, তাঁকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আপনার পথে যুদ্ধ করার চাইতে অধিক পছন্দনীয় বিষয় আর নেই। হে আল্লাহ! যদি কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করা এখনও বাকী থাকে তবে আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, যেন আমি আপনার পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি। হে আল্লাহ! আমি মনে করি যে, আমাদের এবং তাদের মধ্যে আপনি যুদ্ধ সমাপ্ত করেছেন। যদি তাই হয়, তবে আপনি আমার ক্ষতস্থান উন্মুক্ত করে দিন এবং এতেই আমাকে শাহাদাত নসীব করুন। অতঃপর তাঁর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। মাসজিদে বানূ গিফারের একটি তাঁবু ছিল। তাদের দিকে রক্ত প্রবাহের কারণে তারা ঘাবড়িয়ে গেল। তখন তারা বলল, হে তাঁবুবাসী! তোমাদের দিক থেকে এ কী আসছে? আশ্চর্যের ব্যাপার যে, সা’দ (রাঃ) - এর ক্ষতস্থান থেকে তখন রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল এবং এতেই তিনি ইন্তিকাল করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪৮, ই.সে. ৪৪৫০)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ (রাঃ) বলেছেন, তাঁর আঘাত শুকিয়ে গেল এবং তিনি ক্রমান্বয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আপনি জানেন, আমার নিকট আপনার রসূলকে যে সম্প্রদায় অস্বীকার করেছে, তাঁকে দেশ থেকে বের করে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আপনার পথে যুদ্ধ করার চাইতে অধিক পছন্দনীয় বিষয় আর নেই। হে আল্লাহ! যদি কুরায়শদের সাথে যুদ্ধ করা এখনও বাকী থাকে তবে আপনি আমাকে জীবিত রাখুন, যেন আমি আপনার পথে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি। হে আল্লাহ! আমি মনে করি যে, আমাদের এবং তাদের মধ্যে আপনি যুদ্ধ সমাপ্ত করেছেন। যদি তাই হয়, তবে আপনি আমার ক্ষতস্থান উন্মুক্ত করে দিন এবং এতেই আমাকে শাহাদাত নসীব করুন। অতঃপর তাঁর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। মাসজিদে বানূ গিফারের একটি তাঁবু ছিল। তাদের দিকে রক্ত প্রবাহের কারণে তারা ঘাবড়িয়ে গেল। তখন তারা বলল, হে তাঁবুবাসী! তোমাদের দিক থেকে এ কী আসছে? আশ্চর্যের ব্যাপার যে, সা’দ (রাঃ) - এর ক্ষতস্থান থেকে তখন রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল এবং এতেই তিনি ইন্তিকাল করেন। ( ই.ফা. ৪৪৪৮, ই.সে. ৪৪৫০)

حدثنا أبو كريب، حدثنا ابن نمير، عن هشام، أخبرني أبي، عن عائشة، أن سعدا، قال وتحجر كلمه للبرء فقال اللهم إنك تعلم أن ليس أحد أحب إلى أن أجاهد فيك من قوم كذبوا رسولك صلى الله عليه وسلم وأخرجوه اللهم فإن كان بقي من حرب قريش شىء فأبقني أجاهدهم فيك اللهم فإني أظن أنك قد وضعت الحرب بيننا وبينهم فإن كنت وضعت الحرب بيننا وبينهم فافجرها واجعل موتي فيها ‏.‏ فانفجرت من لبته فلم يرعهم - وفي المسجد معه خيمة من بني غفار - إلا والدم يسيل إليهم فقالوا يا أهل الخيمة ما هذا الذي يأتينا من قبلكم فإذا سعد جرحه يغذ دما فمات منها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮৮

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال في حديثه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقد حكمت فيهم بحكم الله ‏"‏ ‏.‏ وقال مرة ‏"‏ لقد حكمت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏

.শু’বাহ (রহঃ) -এর কাছ থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

আর তিনি এ কথাটুকু তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করেছ।” আর একবার বলেছেন, “তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুমনুযায়ী বিচার করেছ।” (ই.ফা. ৪৪৪৫, ই.সে. ৪৪৪৭)

.শু’বাহ (রহঃ) -এর কাছ থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

আর তিনি এ কথাটুকু তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর বিধান অনুযায়ী বিচার করেছ।” আর একবার বলেছেন, “তুমি রাজাধিরাজ আল্লাহর হুকুমনুযায়ী বিচার করেছ।” (ই.ফা. ৪৪৪৫, ই.সে. ৪৪৪৭)

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، بهذا الإسناد وقال في حديثه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقد حكمت فيهم بحكم الله ‏"‏ ‏.‏ وقال مرة ‏"‏ لقد حكمت بحكم الملك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৯২

وحدثنا علي بن الحسين بن سليمان الكوفي، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال فانفجر من ليلته فمازال يسيل حتى مات وزاد في الحديث قال فذاك حين يقول الشاعر ألا يا سعد سعد بني معاذ فما فعلت قريظة والنضير لعمرك إن سعد بني معاذ غداة تحملوا لهو الصبور تركتم قدركم لا شىء فيها وقدر القوم حامية تفور وقد قال الكريم أبو حباب أقيموا قينقاع ولا تسيروا وقد كانوا ببلدتهم ثقالا كما ثقلت بميطان الصخور

হিশাম (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এটুকু ব্যতিক্রম বলেছেন যে, “সে রাত থেকেই রক্ত প্রবাহিত হতে লাগলো। এভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি (হিশাম) তাঁর হাদীসে আরো কিছু বাড়তি বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে একজন কবি বলেনঃ “ হে সা’দ ইবনু মু’আয! তোমার ব্যাপারে বানূ কুরাইযাহ ও বানূ নাযীর কী করেছে? তোমার জীবনের শপথ! নিশ্চয় সা’দ ইবনু মু’আয যে প্রভাতে তোমরা তার জন্য কষ্টানুভব করছিলে, সে আজ নিশ্চুপ। (হে আওস সম্প্রদায়) তোমরা তোমাদের হাঁড়িগুলো খালি রেখে দিয়েছ, তাতে আজ কোন কিছু নেই, অর্থাৎ-তোমাদের অধঃপতন হয়েছে। অথচ তোমাদের বিপক্ষের (খাজরাজ) সম্প্রদায়ের ডেগগুলো গরম, তা টগবগ করছে অর্থাৎ- তারা আজ প্রভাবশালী ধনী। আর একজন সম্ভ্রান্ত আবূ হুবাব বলেছিলেন, তোমরা বানূ কাইনূকা গোত্রকে অবস্থান করতে দাও, তাদেরকে যেতে দিও না। আর তারা তাদের শহরে ছিল ধনাঢ্য যেমন গেড়ে থাকে মায়তান অর্থাৎ বঞ্চিত নিস্তব্ধ পাথর।” (ই.ফা. ৪৪৪৯, ই.সে. ৪৪৫১)

হিশাম (রহঃ) হতে একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এটুকু ব্যতিক্রম বলেছেন যে, “সে রাত থেকেই রক্ত প্রবাহিত হতে লাগলো। এভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল। অবশেষে তিনি মারা যান। তিনি (হিশাম) তাঁর হাদীসে আরো কিছু বাড়তি বর্ণনা করেছেন। এ সম্পর্কে একজন কবি বলেনঃ “ হে সা’দ ইবনু মু’আয! তোমার ব্যাপারে বানূ কুরাইযাহ ও বানূ নাযীর কী করেছে? তোমার জীবনের শপথ! নিশ্চয় সা’দ ইবনু মু’আয যে প্রভাতে তোমরা তার জন্য কষ্টানুভব করছিলে, সে আজ নিশ্চুপ। (হে আওস সম্প্রদায়) তোমরা তোমাদের হাঁড়িগুলো খালি রেখে দিয়েছ, তাতে আজ কোন কিছু নেই, অর্থাৎ-তোমাদের অধঃপতন হয়েছে। অথচ তোমাদের বিপক্ষের (খাজরাজ) সম্প্রদায়ের ডেগগুলো গরম, তা টগবগ করছে অর্থাৎ- তারা আজ প্রভাবশালী ধনী। আর একজন সম্ভ্রান্ত আবূ হুবাব বলেছিলেন, তোমরা বানূ কাইনূকা গোত্রকে অবস্থান করতে দাও, তাদেরকে যেতে দিও না। আর তারা তাদের শহরে ছিল ধনাঢ্য যেমন গেড়ে থাকে মায়তান অর্থাৎ বঞ্চিত নিস্তব্ধ পাথর।” (ই.ফা. ৪৪৪৯, ই.সে. ৪৪৫১)

وحدثنا علي بن الحسين بن سليمان الكوفي، حدثنا عبدة، عن هشام، بهذا الإسناد نحوه غير أنه قال فانفجر من ليلته فمازال يسيل حتى مات وزاد في الحديث قال فذاك حين يقول الشاعر ألا يا سعد سعد بني معاذ فما فعلت قريظة والنضير لعمرك إن سعد بني معاذ غداة تحملوا لهو الصبور تركتم قدركم لا شىء فيها وقدر القوم حامية تفور وقد قال الكريم أبو حباب أقيموا قينقاع ولا تسيروا وقد كانوا ببلدتهم ثقالا كما ثقلت بميطان الصخور


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00