সহিহ মুসলিম > নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বানী- আমরা (নাবীগন) কাউকে উত্তরাধিকারী রেখে যাই না, আমরা যা কিছু রেখে যাই সবই সদাকাহ (বাইতুল মাল)

সহিহ মুসলিম ৪৪৭১

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت إن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم أردن أن يبعثن عثمان بن عفان إلى أبي بكر فيسألنه ميراثهن من النبي صلى الله عليه وسلم قالت عائشة لهن أليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا نورث ما تركنا فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকাল হলো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণীগন ‘উসমান (রাঃ) -কে আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট পাঠাতে মনস্থ করলেন, যেন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে তাঁদের মীরাস তলব করেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁদের বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এ কথা বলে যাননি যে, আমরা (নাবীগণ) সম্পত্তিতে কাউকে ওয়ারিস রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ সর্বসাধারনের জন্য। (ই.ফা. ৪৪২৭, ই.সে. ৪৪২৯)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকাল হলো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণীগন ‘উসমান (রাঃ) -কে আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট পাঠাতে মনস্থ করলেন, যেন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে তাঁদের মীরাস তলব করেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) তাঁদের বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এ কথা বলে যাননি যে, আমরা (নাবীগণ) সম্পত্তিতে কাউকে ওয়ারিস রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ সর্বসাধারনের জন্য। (ই.ফা. ৪৪২৭, ই.সে. ৪৪২৯)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت إن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم أردن أن يبعثن عثمان بن عفان إلى أبي بكر فيسألنه ميراثهن من النبي صلى الله عليه وسلم قالت عائشة لهن أليس قد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا نورث ما تركنا فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৫

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتسم ورثتي دينارا ما تركت بعد نفقة نسائي ومئونة عاملي فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরিত্যক্ত সম্পদের এক দিনারও বন্টিত হবে না। আমি যা রেখে যাই তা থেকে আমার স্ত্রীগনের ব্যয় নির্বাহ এবং রাষ্ট্রীয় পরিচালকের বেতন ভাতার পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা হবে সদাকাহ বা দান। (ই.ফা. ৪৪৩১,ই.সে. ৪৪৩৩)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরিত্যক্ত সম্পদের এক দিনারও বন্টিত হবে না। আমি যা রেখে যাই তা থেকে আমার স্ত্রীগনের ব্যয় নির্বাহ এবং রাষ্ট্রীয় পরিচালকের বেতন ভাতার পর যা অবশিষ্ট থাকবে, তা হবে সদাকাহ বা দান। (ই.ফা. ৪৪৩১,ই.সে. ৪৪৩৩)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتسم ورثتي دينارا ما تركت بعد نفقة نسائي ومئونة عاملي فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৭

وحدثني ابن أبي خلف، حدثنا زكرياء بن عدي، أخبرنا ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা কাউকে উত্তরাধিকারী করে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ বা দান। (ই.ফা. ৪৪৩৩, ই.সে. ৪৪৩৫)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা কাউকে উত্তরাধিকারী করে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ বা দান। (ই.ফা. ৪৪৩৩, ই.সে. ৪৪৩৫)

وحدثني ابن أبي خلف، حدثنا زكرياء بن عدي، أخبرنا ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৪

وحدثنا ابن نمير، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي ح، وحدثنا زهير بن حرب، والحسن بن علي الحلواني قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم سألت أبا بكر بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقسم لها ميراثها مما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه ‏.‏ فقال لها أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة ‏"‏ ‏.‏ قال وعاشت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ستة أشهر وكانت فاطمة تسأل أبا بكر نصيبها مما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر وفدك وصدقته بالمدينة فأبى أبو بكر عليها ذلك وقال لست تاركا شيئا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعمل به إلا عملت به إني أخشى إن تركت شيئا من أمره أن أزيغ فأما صدقته بالمدينة فدفعها عمر إلى علي وعباس فغلبه عليها علي وأما خيبر وفدك فأمسكهما عمر وقال هما صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم كانتا لحقوقه التي تعروه ونوائبه وأمرهما إلى من ولي الأمر قال فهما على ذلك إلى اليوم ‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকালের পর আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিত্যক্ত সম্পত্তির যা আল্লাহ তাকে দিয়েছেন নিজের প্রাপ্য অংশ দাবী করেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা (নবীগণ) সম্পত্তিতে কাউকে উত্তরাধিকার রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকালের পর ফাতিমাহ (রাঃ) ছয় মাস জীবিত ছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট তার সে প্রাপ্য অংশ চেয়েছিলেন- যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার, ফিদাক, এবং মাদীনার (সদাকাহ) দান করে রেখে গিয়েছেন। আবূ বাকর (রাঃ) তাকে তা প্রদান করতে অস্বীকার করলেন এবং বললেন, আমি এমন কোন কাজ ছেড়ে দেব না যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করতেন। কেননা, আমি ভয় করি যে, যদি তার কোন কাজ পরিত্যাগ করি, তবে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবো। তবে হ্যাঁ, মাদীনার (সদাকার ) দানের মাল উমার (রাঃ) তার সময়ে ‘আলী এবং ‘আব্বাসকে প্রদান করেছিলেন। কিন্তু ‘আলী (রাঃ) একাকীই সে সম্পদ অধিকার করে নেন। আর খাইবার এবং ফিদাকের সম্পদ ‘উমার (রাঃ) নিজের দায়িত্বে রাখলেন এবং বললেন, এ ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রয়োজন মেটানোর জন্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যয়ের জন্য। এ দুটো সম্পদের দায়িত্ব থাকে মুসলিমদের ‘আমীরের উপর। বর্ণনাকারী বলেন, এ উভয় সম্পদের বন্টন ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত তদ্রূপই আছে। (ই.ফা. ৪৪৩০, ই.সে. ৪৪৩২)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকালের পর আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিত্যক্ত সম্পত্তির যা আল্লাহ তাকে দিয়েছেন নিজের প্রাপ্য অংশ দাবী করেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা (নবীগণ) সম্পত্তিতে কাউকে উত্তরাধিকার রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হবে সদাকাহ। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইন্তিকালের পর ফাতিমাহ (রাঃ) ছয় মাস জীবিত ছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ) এর নিকট তার সে প্রাপ্য অংশ চেয়েছিলেন- যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাইবার, ফিদাক, এবং মাদীনার (সদাকাহ) দান করে রেখে গিয়েছেন। আবূ বাকর (রাঃ) তাকে তা প্রদান করতে অস্বীকার করলেন এবং বললেন, আমি এমন কোন কাজ ছেড়ে দেব না যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করতেন। কেননা, আমি ভয় করি যে, যদি তার কোন কাজ পরিত্যাগ করি, তবে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবো। তবে হ্যাঁ, মাদীনার (সদাকার ) দানের মাল উমার (রাঃ) তার সময়ে ‘আলী এবং ‘আব্বাসকে প্রদান করেছিলেন। কিন্তু ‘আলী (রাঃ) একাকীই সে সম্পদ অধিকার করে নেন। আর খাইবার এবং ফিদাকের সম্পদ ‘উমার (রাঃ) নিজের দায়িত্বে রাখলেন এবং বললেন, এ ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রয়োজন মেটানোর জন্য এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যয়ের জন্য। এ দুটো সম্পদের দায়িত্ব থাকে মুসলিমদের ‘আমীরের উপর। বর্ণনাকারী বলেন, এ উভয় সম্পদের বন্টন ব্যবস্থা আজ পর্যন্ত তদ্রূপই আছে। (ই.ফা. ৪৪৩০, ই.সে. ৪৪৩২)

وحدثنا ابن نمير، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي ح، وحدثنا زهير بن حرب، والحسن بن علي الحلواني قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم سألت أبا بكر بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقسم لها ميراثها مما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه ‏.‏ فقال لها أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة ‏"‏ ‏.‏ قال وعاشت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ستة أشهر وكانت فاطمة تسأل أبا بكر نصيبها مما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر وفدك وصدقته بالمدينة فأبى أبو بكر عليها ذلك وقال لست تاركا شيئا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعمل به إلا عملت به إني أخشى إن تركت شيئا من أمره أن أزيغ فأما صدقته بالمدينة فدفعها عمر إلى علي وعباس فغلبه عليها علي وأما خيبر وفدك فأمسكهما عمر وقال هما صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم كانتا لحقوقه التي تعروه ونوائبه وأمرهما إلى من ولي الأمر قال فهما على ذلك إلى اليوم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، و محمد بن رافع وعبد بن حميد قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أنصلى الله عليه وسلم وهما حينئذ يطلبان أرضه من فدك وسهمه من خيبر ‏.‏ فقال لهما أبو بكر إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وساق الحديث بمثل معنى حديث عقيل عن الزهري غير أنه قال ثم قام علي فعظم من حق أبي بكر وذكر فضيلته وسابقته ثم مضى إلى أبي بكر فبايعه فأقبل الناس إلى علي فقالوا أصبت وأحسنت ‏.‏ فكان الناس قريبا إلى علي حين قارب الأمر المعروف ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমাহ এবং ‘আব্বাস (রাঃ) উভয়েই আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন, তখন তারা উভয়ে ফেদাকের ভূমি ও খাইবারের প্রাপ্য অংশ দাবী করলেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উভয়কেই বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি... এরপর যুহরী (রহঃ) হতে ‘উকায়ল কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মর্মার্থের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি তাছাড়া এতে বর্ণনা করলেন যে, এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং আবূ বাকর (রাঃ) এর যোগ্যতা ও মর্যাদা বর্ণনা করলেন এবং তার সর্বকাজে উল্লেখ করলেন। এরপর তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে গেলেন এবং তার অগ্রগামীরা বাই’আত গ্রহন করলেন। তারপর জনগন ‘আলী (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন, আপনি ভালই করেছেন। যখন ‘আলী (রাঃ) কল্যাণকর ব্যবস্থার নিকটবর্তী হলেন, তখন লোকজনও তার সংস্পর্শে আসতে লাগলো। (ই.ফা. ৪৪২৯, ই.সে. ৪৪৩১)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমাহ এবং ‘আব্বাস (রাঃ) উভয়েই আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন, তখন তারা উভয়ে ফেদাকের ভূমি ও খাইবারের প্রাপ্য অংশ দাবী করলেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) উভয়কেই বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি... এরপর যুহরী (রহঃ) হতে ‘উকায়ল কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মর্মার্থের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি তাছাড়া এতে বর্ণনা করলেন যে, এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং আবূ বাকর (রাঃ) এর যোগ্যতা ও মর্যাদা বর্ণনা করলেন এবং তার সর্বকাজে উল্লেখ করলেন। এরপর তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে গেলেন এবং তার অগ্রগামীরা বাই’আত গ্রহন করলেন। তারপর জনগন ‘আলী (রাঃ) এর নিকট এসে বললেন, আপনি ঠিকই করেছেন, আপনি ভালই করেছেন। যখন ‘আলী (রাঃ) কল্যাণকর ব্যবস্থার নিকটবর্তী হলেন, তখন লোকজনও তার সংস্পর্শে আসতে লাগলো। (ই.ফা. ৪৪২৯, ই.সে. ৪৪৩১)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، و محمد بن رافع وعبد بن حميد قال ابن رافع حدثنا وقال الآخران، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أنصلى الله عليه وسلم وهما حينئذ يطلبان أرضه من فدك وسهمه من خيبر ‏.‏ فقال لهما أبو بكر إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وساق الحديث بمثل معنى حديث عقيل عن الزهري غير أنه قال ثم قام علي فعظم من حق أبي بكر وذكر فضيلته وسابقته ثم مضى إلى أبي بكر فبايعه فأقبل الناس إلى علي فقالوا أصبت وأحسنت ‏.‏ فكان الناس قريبا إلى علي حين قارب الأمر المعروف ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭২

حدثني محمد بن رافع، أخبرنا حجين، حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أنها أخبرته أن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر الصديق تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد - صلى الله عليه وسلم - في هذا المال ‏"‏ ‏.‏ وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كانت عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك - قال - فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي بن أبي طالب ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها علي وكان لعلي من الناس وجهة حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن بايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا معك أحد - كراهية محضر عمر بن الخطاب - فقال عمر لأبي بكر والله لا تدخل عليهم وحدك ‏.‏ فقال أبو بكر وما عساهم أن يفعلوا بي إني والله لآتينهم ‏.‏ فدخل عليهم أبو بكر ‏.‏ فتشهد علي بن أبي طالب ثم قال إنا قد عرفنا يا أبا بكر فضيلتك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نحن نرى لنا حقا لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فلم يزل يكلم أبا بكر حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فإني لم آل فيه عن الحق ولم أترك أمرا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنعه فيها إلا صنعته ‏.‏ فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة ‏.‏ فلما صلى أبو بكر صلاة الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي بن أبي طالب فعظم حق أبي بكر وأنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا كنا نرى لنا في الأمر نصيبا فاستبد علينا به فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت ‏.‏ فكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমাহ বিনতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বাকর-এর নিকট লোক পাঠালেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্পদে তাঁর মীরাস এর দাবী করে, যা আল্লাহ তা’আলা তাকে মাদীনাহ ও ফিদাক-এর ফাই এবং খাইবারের অবশিষ্ট এক পঞ্চমাংশ থেকে প্রদান করেছেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে গিয়েছেন- আমরা আমাদের (নাবীগনের) পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে কাউকে ওয়ারিস রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হয় সদাকাহ (বাইতুল মাল)। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারবর্গ তা থেকে জীবিকা গ্রহন করবেন। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময়কালে সদাকাহর যে অবস্থা চালু ছিল, তা আমি পরিবর্তন করব না। আর এতে আমি নিশ্চয়ই সে কাজ করবো, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করে গিয়েছেন। অতএব, আবূ বাকর (রাঃ) ফাতিমাহ (রাঃ)-কে তা থেকে কিছু প্রদান করতে অস্বীকার করলেন। সুতরাং ফাতিমাহ (রাঃ) এতে রাগান্বিত হয়ে তাঁকে পরিত্যাগ করলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোন কথা বলেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। এরপর যখন তিনি ইন্তিকাল করলেন, তখন তার স্বামী ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাকে রাতে দাফন করলেন এবং ফাতিমাহ-এর মৃত্যু সংবাদ পর্যন্ত আবূ বাকর (রাঃ)-কে দেননি। ‘আলী (রাঃ) তাঁর জানাযার সলাত আদায় করলেন। ফাতিমাহ (রাঃ)-এর জীবিতকাল পর্যন্ত ‘আলী (রাঃ)-এর প্রতি জনগণের বিশেষ মর্যাদাবোধ ছিল। এরপর যখন তাঁর ইন্তিকাল হলো তখন তিনি লোকের চেহারায় অপছন্দনীয় ভাব দেখতে পেলেন। অতএব তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে ফায়সালা করে তাঁর বাই’আতের প্রার্থনা করলেন। কেননা তিনি ঐ মাসগুলোতে তার বাই’আত গ্রহন করেননি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঁঠিয়ে সংবাদ দিলেন যে, আপনি একাকী আমার সাথে সাক্ষাৎ করুন। আপনার সাথে অন্য কাউকে আনবেন না। কেননা, তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর আগমন কে অপছন্দ করছিলেন। ‘উমার (রাঃ) আবূ বাকরকে বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একাকী তাঁদের কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমি আশংকা করিনি যে, তাঁরা আমার সাথে কিছু করবেন। আল্লাহর কসম! আমি একাকীই যাব। পরিশেষে আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। এরপর ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাশাহহুদ [তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য বাণী] পাঠ করলেন, তারপর বললেন, হে আবূ বাকর! আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ তা’আলা আপনাকে যে সম্মান প্রদান করেছেন, তা আমরা জানি। আর আল্লাহ তা’আলা আপনাকে যে নি’আমাত প্রদান করেছেন, তাতে আমাদের কোন হিংসা নেই। কিন্তু আপনি আমাদের উপেক্ষা করে খিলাফাতের দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আত্মীয়ের কারণে আমরা মনে করতাম যে, আমাদেরও অধিকার আছে। আবূ বাকরের সঙ্গে তিনি এভাবে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পরিশেষে আবূ বাকর (রাঃ)-এর দু’চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হলো। এরপর যখন আবূ বাকর (রাঃ) কথা বলতে শুরু করলেন, তখন তিনি বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আত্মীয়ের প্রতি উত্তম আচরণ করা আমার কাছে অধিক প্রিয় আমার নিজ আত্মীয়ের প্রতি ভাল আচরণের চেয়েও। তবে আমার এবং আপনাদের মধ্যে এ সম্পদ নিয়ে যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে তাতে আমি সত্য পরিহার করব না। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এতে যা করতে দেখেছি তা আমি পরিত্যাগ করব না। এরপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেন যে, আমি বাই’আতের জন্য আপনাকে আজ বিকাল বেলায় কথা দিলাম। যখন আবূ বাকর (রাঃ) যুহরের সলাত শেষ করলেন তখন তিনি মিম্বারে আরোহণ করলেন এবং তাশাহহুদ পাঠ করলেন। এরপর তিনি ‘আলী (রাঃ)-এর ঘটনা বর্ণনা করেন এবং তাঁর বাই’আত গ্রহণে বিলম্ব ও এ বিষয়ে তাঁর ওযর বর্ণনা করেন, যা তার কাছে বর্ণনা করা হয়েছিল। এরপর তিনি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারপর ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাশাহহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মহত্ত্ব বর্ণনা করলেন। আর তিনি ব্যক্ত করলেন যে, তিনি যা করেছেন, তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা পোষণ করে নয়। আর না আছে আমাদের প্রতি আল্লাহ প্রদত্ত কোন সম্মান ও নি’আমাতের অস্বীকৃতি। বরং আমরা মনে করতাম যে, খিলাফাতের মধ্যে আমাদেরও অংশ আছে। কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ) আমাদের উপেক্ষা করে এ কাজের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। এতে আমরা মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছি। এ কথা শুনে মুসলিমগণ আনন্দিত হলেন এবং তাঁরা বললেন যে, আপনি তা ঠিক বলেছেন। তখন তিনি কল্যাণের প্রতি ফিরে এলেন অর্থাৎ- তখন মনোমালিন্যের অবসান হলো এবং আবূ বাকর (রাঃ) এর বাই’আত গ্রহন করা হলো, তখন থেকে মুসলিমগণ ‘আলী (রাঃ)-এর সংস্পর্শে আসতে লাগলেন। (ই.ফা. ৪৪২৮, ই.সে. ৪৪৩০)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ফাতিমাহ বিনতু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বাকর-এর নিকট লোক পাঠালেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সম্পদে তাঁর মীরাস এর দাবী করে, যা আল্লাহ তা’আলা তাকে মাদীনাহ ও ফিদাক-এর ফাই এবং খাইবারের অবশিষ্ট এক পঞ্চমাংশ থেকে প্রদান করেছেন। তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে গিয়েছেন- আমরা আমাদের (নাবীগনের) পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে কাউকে ওয়ারিস রেখে যাই না। আমরা যা রেখে যাই তা হয় সদাকাহ (বাইতুল মাল)। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারবর্গ তা থেকে জীবিকা গ্রহন করবেন। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময়কালে সদাকাহর যে অবস্থা চালু ছিল, তা আমি পরিবর্তন করব না। আর এতে আমি নিশ্চয়ই সে কাজ করবো, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করে গিয়েছেন। অতএব, আবূ বাকর (রাঃ) ফাতিমাহ (রাঃ)-কে তা থেকে কিছু প্রদান করতে অস্বীকার করলেন। সুতরাং ফাতিমাহ (রাঃ) এতে রাগান্বিত হয়ে তাঁকে পরিত্যাগ করলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোন কথা বলেননি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পর তিনি ছয় মাস জীবিত ছিলেন। এরপর যখন তিনি ইন্তিকাল করলেন, তখন তার স্বামী ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাকে রাতে দাফন করলেন এবং ফাতিমাহ-এর মৃত্যু সংবাদ পর্যন্ত আবূ বাকর (রাঃ)-কে দেননি। ‘আলী (রাঃ) তাঁর জানাযার সলাত আদায় করলেন। ফাতিমাহ (রাঃ)-এর জীবিতকাল পর্যন্ত ‘আলী (রাঃ)-এর প্রতি জনগণের বিশেষ মর্যাদাবোধ ছিল। এরপর যখন তাঁর ইন্তিকাল হলো তখন তিনি লোকের চেহারায় অপছন্দনীয় ভাব দেখতে পেলেন। অতএব তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে ফায়সালা করে তাঁর বাই’আতের প্রার্থনা করলেন। কেননা তিনি ঐ মাসগুলোতে তার বাই’আত গ্রহন করেননি। তারপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঁঠিয়ে সংবাদ দিলেন যে, আপনি একাকী আমার সাথে সাক্ষাৎ করুন। আপনার সাথে অন্য কাউকে আনবেন না। কেননা, তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর আগমন কে অপছন্দ করছিলেন। ‘উমার (রাঃ) আবূ বাকরকে বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি একাকী তাঁদের কাছে যাবেন না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমি আশংকা করিনি যে, তাঁরা আমার সাথে কিছু করবেন। আল্লাহর কসম! আমি একাকীই যাব। পরিশেষে আবূ বাকর (রাঃ) তাঁদের কাছে গেলেন। এরপর ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাশাহহুদ [তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য বাণী] পাঠ করলেন, তারপর বললেন, হে আবূ বাকর! আপনার মর্যাদা এবং আল্লাহ তা’আলা আপনাকে যে সম্মান প্রদান করেছেন, তা আমরা জানি। আর আল্লাহ তা’আলা আপনাকে যে নি’আমাত প্রদান করেছেন, তাতে আমাদের কোন হিংসা নেই। কিন্তু আপনি আমাদের উপেক্ষা করে খিলাফাতের দায়িত্বভার গ্রহন করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আত্মীয়ের কারণে আমরা মনে করতাম যে, আমাদেরও অধিকার আছে। আবূ বাকরের সঙ্গে তিনি এভাবে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পরিশেষে আবূ বাকর (রাঃ)-এর দু’চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হলো। এরপর যখন আবূ বাকর (রাঃ) কথা বলতে শুরু করলেন, তখন তিনি বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আত্মীয়ের প্রতি উত্তম আচরণ করা আমার কাছে অধিক প্রিয় আমার নিজ আত্মীয়ের প্রতি ভাল আচরণের চেয়েও। তবে আমার এবং আপনাদের মধ্যে এ সম্পদ নিয়ে যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে তাতে আমি সত্য পরিহার করব না। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এতে যা করতে দেখেছি তা আমি পরিত্যাগ করব না। এরপর ‘আলী (রাঃ) আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললেন যে, আমি বাই’আতের জন্য আপনাকে আজ বিকাল বেলায় কথা দিলাম। যখন আবূ বাকর (রাঃ) যুহরের সলাত শেষ করলেন তখন তিনি মিম্বারে আরোহণ করলেন এবং তাশাহহুদ পাঠ করলেন। এরপর তিনি ‘আলী (রাঃ)-এর ঘটনা বর্ণনা করেন এবং তাঁর বাই’আত গ্রহণে বিলম্ব ও এ বিষয়ে তাঁর ওযর বর্ণনা করেন, যা তার কাছে বর্ণনা করা হয়েছিল। এরপর তিনি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারপর ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাশাহহুদ পাঠ করলেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-এর মহত্ত্ব বর্ণনা করলেন। আর তিনি ব্যক্ত করলেন যে, তিনি যা করেছেন, তা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি হিংসা পোষণ করে নয়। আর না আছে আমাদের প্রতি আল্লাহ প্রদত্ত কোন সম্মান ও নি’আমাতের অস্বীকৃতি। বরং আমরা মনে করতাম যে, খিলাফাতের মধ্যে আমাদেরও অংশ আছে। কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ) আমাদের উপেক্ষা করে এ কাজের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। এতে আমরা মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছি। এ কথা শুনে মুসলিমগণ আনন্দিত হলেন এবং তাঁরা বললেন যে, আপনি তা ঠিক বলেছেন। তখন তিনি কল্যাণের প্রতি ফিরে এলেন অর্থাৎ- তখন মনোমালিন্যের অবসান হলো এবং আবূ বাকর (রাঃ) এর বাই’আত গ্রহন করা হলো, তখন থেকে মুসলিমগণ ‘আলী (রাঃ)-এর সংস্পর্শে আসতে লাগলেন। (ই.ফা. ৪৪২৮, ই.সে. ৪৪৩০)

حدثني محمد بن رافع، أخبرنا حجين، حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، أنها أخبرته أن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم أرسلت إلى أبي بكر الصديق تسأله ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم مما أفاء الله عليه بالمدينة وفدك وما بقي من خمس خيبر فقال أبو بكر إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نورث ما تركنا صدقة إنما يأكل آل محمد - صلى الله عليه وسلم - في هذا المال ‏"‏ ‏.‏ وإني والله لا أغير شيئا من صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حالها التي كانت عليها في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأعملن فيها بما عمل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أبو بكر أن يدفع إلى فاطمة شيئا فوجدت فاطمة على أبي بكر في ذلك - قال - فهجرته فلم تكلمه حتى توفيت وعاشت بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ستة أشهر فلما توفيت دفنها زوجها علي بن أبي طالب ليلا ولم يؤذن بها أبا بكر وصلى عليها علي وكان لعلي من الناس وجهة حياة فاطمة فلما توفيت استنكر علي وجوه الناس فالتمس مصالحة أبي بكر ومبايعته ولم يكن بايع تلك الأشهر فأرسل إلى أبي بكر أن ائتنا ولا يأتنا معك أحد - كراهية محضر عمر بن الخطاب - فقال عمر لأبي بكر والله لا تدخل عليهم وحدك ‏.‏ فقال أبو بكر وما عساهم أن يفعلوا بي إني والله لآتينهم ‏.‏ فدخل عليهم أبو بكر ‏.‏ فتشهد علي بن أبي طالب ثم قال إنا قد عرفنا يا أبا بكر فضيلتك وما أعطاك الله ولم ننفس عليك خيرا ساقه الله إليك ولكنك استبددت علينا بالأمر وكنا نحن نرى لنا حقا لقرابتنا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فلم يزل يكلم أبا بكر حتى فاضت عينا أبي بكر فلما تكلم أبو بكر قال والذي نفسي بيده لقرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلى أن أصل من قرابتي وأما الذي شجر بيني وبينكم من هذه الأموال فإني لم آل فيه عن الحق ولم أترك أمرا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنعه فيها إلا صنعته ‏.‏ فقال علي لأبي بكر موعدك العشية للبيعة ‏.‏ فلما صلى أبو بكر صلاة الظهر رقي على المنبر فتشهد وذكر شأن علي وتخلفه عن البيعة وعذره بالذي اعتذر إليه ثم استغفر وتشهد علي بن أبي طالب فعظم حق أبي بكر وأنه لم يحمله على الذي صنع نفاسة على أبي بكر ولا إنكارا للذي فضله الله به ولكنا كنا نرى لنا في الأمر نصيبا فاستبد علينا به فوجدنا في أنفسنا فسر بذلك المسلمون وقالوا أصبت ‏.‏ فكان المسلمون إلى علي قريبا حين راجع الأمر المعروف ‏.


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৬

حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৪৩২, ই.সে. ৪৪৩৪)

আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৪৩২, ই.সে. ৪৪৩৪)

حدثنا محمد بن يحيى بن أبي عمر المكي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > উপস্থিত মুজাহিদের মাঝে গনীমাত (যুদ্ধলব্ধ)সম্পদের বন্টন পদ্ধতি

সহিহ মুসলিম ৪৪৭৮

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كامل فضيل بن حسين كلاهما عن سليم، قال يحيى أخبرنا سليم بن أخضر، عن عبيد الله بن عمر، حدثنا نافع، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم في النفل للفرس سهمين وللرجل سهما ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধলব্ধ সম্পদের মধ্যে অশ্বারোহী সৈনিকের জন্য দু’ভাগ এবং পদাতিক সৈনিকের জন্য এক ভাগ হিসেবে বন্টন করেন। (ই.ফা. ৪৪৩৪, ই.সে. ৪৪৩৬)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধলব্ধ সম্পদের মধ্যে অশ্বারোহী সৈনিকের জন্য দু’ভাগ এবং পদাতিক সৈনিকের জন্য এক ভাগ হিসেবে বন্টন করেন। (ই.ফা. ৪৪৩৪, ই.সে. ৪৪৩৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو كامل فضيل بن حسين كلاهما عن سليم، قال يحيى أخبرنا سليم بن أخضر، عن عبيد الله بن عمر، حدثنا نافع، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قسم في النفل للفرس سهمين وللرجل سهما ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৭৯

حدثناه ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، بهذا الإسناد مثله ولم يذكر في النفل ‏.‏

ইবনু নুমায়র (রহঃ) এ একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি (আরবী) (গনীমাতের সম্পদে) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৩৫, ই.সে. ৪৪৩৭)

ইবনু নুমায়র (রহঃ) এ একই সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি (আরবী) (গনীমাতের সম্পদে) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৪৩৫, ই.সে. ৪৪৩৭)

حدثناه ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، بهذا الإسناد مثله ولم يذكر في النفل ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বদর যুদ্ধে ফেরেশতা দ্বারা সাহায্যে এবং গনীমাতের মাল বৈধ হওয়া

সহিহ মুসলিম ৪৪৮০

حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن المبارك، عن عكرمة بن عمار، حدثني سماك، الحنفي قال سمعت ابن عباس، يقول حدثني عمر بن الخطاب، قال لما كان يوم بدر ح وحدثنا زهير بن حرب - واللفظ له - حدثنا عمر بن يونس الحنفي حدثنا عكرمة بن عمار حدثني أبو زميل - هو سماك الحنفي - حدثني عبد الله بن عباس قال حدثني عمر بن الخطاب قال لما كان يوم بدر نظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المشركين وهم ألف وأصحابه ثلاثمائة وتسعة عشر رجلا فاستقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم القبلة ثم مد يديه فجعل يهتف بربه ‏"‏ اللهم أنجز لي ما وعدتني اللهم آت ما وعدتني اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الإسلام لا تعبد في الأرض ‏"‏ ‏.‏ فمازال يهتف بربه مادا يديه مستقبل القبلة حتى سقط رداؤه عن منكبيه فأتاه أبو بكر فأخذ رداءه فألقاه على منكبيه ثم التزمه من ورائه ‏.‏ وقال يا نبي الله كذاك مناشدتك ربك فإنه سينجز لك ما وعدك فأنزل الله عز وجل ‏{‏ إذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم أني ممدكم بألف من الملائكة مردفين‏}‏ فأمده الله بالملائكة ‏.‏ قال أبو زميل فحدثني ابن عباس قال بينما رجل من المسلمين يومئذ يشتد في أثر رجل من المشركين أمامه إذ سمع ضربة بالسوط فوقه وصوت الفارس يقول أقدم حيزوم ‏.‏ فنظر إلى المشرك أمامه فخر مستلقيا فنظر إليه فإذا هو قد خطم أنفه وشق وجهه كضربة السوط فاخضر ذلك أجمع ‏.‏ فجاء الأنصاري فحدث بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ صدقت ذلك من مدد السماء الثالثة ‏"‏ ‏.‏ فقتلوا يومئذ سبعين وأسروا سبعين ‏.‏ قال أبو زميل قال ابن عباس فلما أسروا الأسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر وعمر ‏"‏ ما ترون في هؤلاء الأسارى ‏"‏ ‏.‏ فقال أبو بكر يا نبي الله هم بنو العم والعشيرة أرى أن تأخذ منهم فدية فتكون لنا قوة على الكفار فعسى الله أن يهديهم للإسلام ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما ترى يا ابن الخطاب ‏"‏ ‏.‏ قلت لا والله يا رسول الله ما أرى الذي رأى أبو بكر ولكني أرى أن تمكنا فنضرب أعناقهم فتمكن عليا من عقيل فيضرب عنقه وتمكني من فلان - نسيبا لعمر - فأضرب عنقه فإن هؤلاء أئمة الكفر وصناديدها فهوي رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال أبو بكر ولم يهو ما قلت فلما كان من الغد جئت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر قاعدين يبكيان قلت يا رسول الله أخبرني من أى شىء تبكي أنت وصاحبك فإن وجدت بكاء بكيت وإن لم أجد بكاء تباكيت لبكائكما ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبكي للذي عرض على أصحابك من أخذهم الفداء لقد عرض على عذابهم أدنى من هذه الشجرة ‏"‏ ‏.‏ شجرة قريبة من نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وأنزل الله عز وجل ‏{‏ ما كان لنبي أن يكون له أسرى حتى يثخن في الأرض‏}‏ إلى قوله ‏{‏ فكلوا مما غنمتم حلالا طيبا‏}‏ فأحل الله الغنيمة لهم ‏.‏

‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বাদরের যুদ্ধের দিনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দিকে তাকালেন, দেখলেন যে, তারা সংখ্যায় এক হাজার ছিল। আর তাঁর সাহাবী ছিলেন তিনশ’ তের জন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হলেন, এরপর দু’হাত উঁচু করে আওয়াজ করে আপন প্রভুর কাছে দু’আ অরতে লাগলেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে ওয়াদা দিয়েছ আমার জন্য তা পূরণ করো। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়াছ, তা দাও। হে আল্লাহ! যদি মুসলিমদের এ ক্ষুদ্র সেনাদল ধ্বংস করে দাও তবে পৃথিবীতে তোমার ‘ইবাদাত করার মত আর কেউ থাকবে না। তিনি এমনিভাবে দু’হাত উঁচু করে কিবলামুখী হয়ে প্রভুর কাছে উচ্চৈঃস্বরে দু’আ করে যাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তাঁর কাঁধ থেকে চাদর পড়ে গেল। তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর কাছে এসে চাদরটি তাঁর কাঁধে পুনরায় তুলে দিলেন। তারপর তাঁর পিছন দিক থেকে তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার এতটুকু দু’আই যথেষ্ট আপনার প্রভুর কাছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা আপনার সঙ্গে যে ওয়াদা’ করেছেন, তা অচিরেই পূর্ণ করবেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন-[আরবি] –“ স্মরণ করো, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে; তখন তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আমি তোমাদেরকে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব যারা একের পর এক আসবে।” ( সুরা আনফাল ৮ : ৯) অতঃপর আল্লাহ তা’আআ ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করলেন। আবু যুমায়ল বর্ণনা করেন যে, আমার নিকট ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন যে, সেদিন একজন মুসলিম সৈনিক তার সামনের একজন মুশরিকের পিছনে ধাওয়া করেছিলেন। এমন সময় তিনি তাঁর উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ শুনতে পেলেন এবং তার উপর দিকে অশ্বারোহীর এরু ধ্বনি শুনতে পেলেন। তিনি বলতেছিলেন, হে হায়যুম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সামনের দিকে অগ্রসর হও। তখন তিনি তার সামনের এক মুশরিক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে চিৎ হয়ে পড়ে আছে। আরো দেখেন যে, তার নাক-ক্ষতযুক্ত এবং তার মুখমণ্ডল আঘাতপ্রাপ্ত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। আহত স্হানগুলো সবুজ বর্ণ ধারণ করেছে। (বেত্রের বিষাক্ততায়)। এরপর আনসারী ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে যাবতীয় ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ। এ সাহায্য তৃতীয় আকাশ থেকে এসেছে। পরিশেষে সেদিন মুসলিমগণ সত্তর জন কাফিরকে হত্যা এবং সত্তর জনকে বন্দী করলেন। আবূ যুমায়ল বলেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে আটক করা হলো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যুদ্ধবন্দী সম্পর্কে আবূ বাকর (রাঃ) এবং ‘উমর (রাঃ) এর সাথে কথা বললেন, “এ সকল যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আপনারা কি মত দিচ্ছেন”। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! তারা তো আমাদের চাচাতো ভাই এবং স্বগোত্রীয়। আমি উচিত মনে করি যে, তাদের নিকট থেকে আপনি মুক্তিপণ (আরবি) গ্রহন করুন। এতে কাফিরদের উপর আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। আশা করা যায় আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ইসলামের হিদায়াত দিবেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ইবনুল খাত্তাব! এ ব্যাপারে আপনি কী বলছেন? ‘উমার (রাঃ) বললেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহর কসম! হে আল্লাহর রাসুল! আবূ বাকর যা উচিত মনে করেন আমি তা উচিত মনে করি না। আমি উচিত মনে করি যে, আপনি তাদেরকে আমাদের হস্তগত করুন। আমরা তাদের গর্দান উড়িয়ে দেব। আর আকিল–কে আলী এর হস্তগত করুন। তিনি তার শিরোচ্ছেদ করবেন। আর আমার বংশের অমুককে আমার কাছে অর্পণ করুন, আমি তার শিরোচ্ছেদ করবো। কেননা তারা হল কাফিরদের মর্যাদাশালী নেতৃস্হানীয় ব্যক্তিবর্গ। অতএব আবূ বাকর (রাঃ) যা বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাই পছন্দ করলেন এবং আমি যা বললাম তা তিনি পছন্দ করলেন না। পরের দিন যখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলাম, তখন দেখি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বাকর (রাঃ) উভয়য়েই বসে কাঁদছেন। আমি বললাম , হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বলুন, আপনি এবং আপনার সাথি কেন কাঁদছেন? আমার কান্না আসলে আমিও কাঁদবো। আর যদি আমার কান্না না আসে তবে আপনাদের কাঁদার কারণে আমিও কান্নার ভান করবো (প্রচেষ্টা চালাবো)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুক্তিপণ গ্রহনের কারণে তোমার সাথীদের উপর সমাগত বিপদের কথা স্মরণ করে আমি কাঁদছি। আমার নিকট তাদের শাস্তি পেশ করা হল—এ বৃক্ষ থেকেও নিকটে। বৃক্ষটি ছিল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটবর্তী। (একটি বৃক্ষের দিকে লক্ষ করে বললেন, এ বৃক্ষের চাইতেও কাছে তোমাদের উপর সমাগত আযাব আমাকে দেখান হয়েছিল।) অতঃপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। (আরবি) “ দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাস্ত না করা পর্যন্ত বন্দী কোন নাবীর জন্য সঙ্গত নয় ----যুদ্ধে যা তোমরা লাভ করেছ তা বৈধ ও উত্তম বলে তোমরা ভোগ কর “ ---( সুরা আল-আনফাল ৮ ঃ ৬৭-৬০)। এর ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের জন্য মালে গনীমাত হালাল করে দেন। ( ই. ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৩৮)

‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বাদরের যুদ্ধের দিনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দিকে তাকালেন, দেখলেন যে, তারা সংখ্যায় এক হাজার ছিল। আর তাঁর সাহাবী ছিলেন তিনশ’ তের জন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হলেন, এরপর দু’হাত উঁচু করে আওয়াজ করে আপন প্রভুর কাছে দু’আ অরতে লাগলেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে ওয়াদা দিয়েছ আমার জন্য তা পূরণ করো। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়াছ, তা দাও। হে আল্লাহ! যদি মুসলিমদের এ ক্ষুদ্র সেনাদল ধ্বংস করে দাও তবে পৃথিবীতে তোমার ‘ইবাদাত করার মত আর কেউ থাকবে না। তিনি এমনিভাবে দু’হাত উঁচু করে কিবলামুখী হয়ে প্রভুর কাছে উচ্চৈঃস্বরে দু’আ করে যাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তাঁর কাঁধ থেকে চাদর পড়ে গেল। তখন আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর কাছে এসে চাদরটি তাঁর কাঁধে পুনরায় তুলে দিলেন। তারপর তাঁর পিছন দিক থেকে তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আপনার এতটুকু দু’আই যথেষ্ট আপনার প্রভুর কাছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা আপনার সঙ্গে যে ওয়াদা’ করেছেন, তা অচিরেই পূর্ণ করবেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন-[আরবি] –“ স্মরণ করো, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে; তখন তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আমি তোমাদেরকে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব যারা একের পর এক আসবে।” ( সুরা আনফাল ৮ : ৯) অতঃপর আল্লাহ তা’আআ ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করলেন। আবু যুমায়ল বর্ণনা করেন যে, আমার নিকট ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন যে, সেদিন একজন মুসলিম সৈনিক তার সামনের একজন মুশরিকের পিছনে ধাওয়া করেছিলেন। এমন সময় তিনি তাঁর উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ শুনতে পেলেন এবং তার উপর দিকে অশ্বারোহীর এরু ধ্বনি শুনতে পেলেন। তিনি বলতেছিলেন, হে হায়যুম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সামনের দিকে অগ্রসর হও। তখন তিনি তার সামনের এক মুশরিক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে চিৎ হয়ে পড়ে আছে। আরো দেখেন যে, তার নাক-ক্ষতযুক্ত এবং তার মুখমণ্ডল আঘাতপ্রাপ্ত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। আহত স্হানগুলো সবুজ বর্ণ ধারণ করেছে। (বেত্রের বিষাক্ততায়)। এরপর আনসারী ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে যাবতীয় ঘটনা বর্ণনা করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছ। এ সাহায্য তৃতীয় আকাশ থেকে এসেছে। পরিশেষে সেদিন মুসলিমগণ সত্তর জন কাফিরকে হত্যা এবং সত্তর জনকে বন্দী করলেন। আবূ যুমায়ল বলেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে আটক করা হলো, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যুদ্ধবন্দী সম্পর্কে আবূ বাকর (রাঃ) এবং ‘উমর (রাঃ) এর সাথে কথা বললেন, “এ সকল যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আপনারা কি মত দিচ্ছেন”। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! তারা তো আমাদের চাচাতো ভাই এবং স্বগোত্রীয়। আমি উচিত মনে করি যে, তাদের নিকট থেকে আপনি মুক্তিপণ (আরবি) গ্রহন করুন। এতে কাফিরদের উপর আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। আশা করা যায় আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ইসলামের হিদায়াত দিবেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে ইবনুল খাত্তাব! এ ব্যাপারে আপনি কী বলছেন? ‘উমার (রাঃ) বললেন, তখন আমি বললাম, আল্লাহর কসম! হে আল্লাহর রাসুল! আবূ বাকর যা উচিত মনে করেন আমি তা উচিত মনে করি না। আমি উচিত মনে করি যে, আপনি তাদেরকে আমাদের হস্তগত করুন। আমরা তাদের গর্দান উড়িয়ে দেব। আর আকিল–কে আলী এর হস্তগত করুন। তিনি তার শিরোচ্ছেদ করবেন। আর আমার বংশের অমুককে আমার কাছে অর্পণ করুন, আমি তার শিরোচ্ছেদ করবো। কেননা তারা হল কাফিরদের মর্যাদাশালী নেতৃস্হানীয় ব্যক্তিবর্গ। অতএব আবূ বাকর (রাঃ) যা বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটাই পছন্দ করলেন এবং আমি যা বললাম তা তিনি পছন্দ করলেন না। পরের দিন যখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলাম, তখন দেখি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বাকর (রাঃ) উভয়য়েই বসে কাঁদছেন। আমি বললাম , হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বলুন, আপনি এবং আপনার সাথি কেন কাঁদছেন? আমার কান্না আসলে আমিও কাঁদবো। আর যদি আমার কান্না না আসে তবে আপনাদের কাঁদার কারণে আমিও কান্নার ভান করবো (প্রচেষ্টা চালাবো)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুক্তিপণ গ্রহনের কারণে তোমার সাথীদের উপর সমাগত বিপদের কথা স্মরণ করে আমি কাঁদছি। আমার নিকট তাদের শাস্তি পেশ করা হল—এ বৃক্ষ থেকেও নিকটে। বৃক্ষটি ছিল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকটবর্তী। (একটি বৃক্ষের দিকে লক্ষ করে বললেন, এ বৃক্ষের চাইতেও কাছে তোমাদের উপর সমাগত আযাব আমাকে দেখান হয়েছিল।) অতঃপর আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। (আরবি) “ দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাস্ত না করা পর্যন্ত বন্দী কোন নাবীর জন্য সঙ্গত নয় ----যুদ্ধে যা তোমরা লাভ করেছ তা বৈধ ও উত্তম বলে তোমরা ভোগ কর “ ---( সুরা আল-আনফাল ৮ ঃ ৬৭-৬০)। এর ফলে আল্লাহ তা’আলা তাদের জন্য মালে গনীমাত হালাল করে দেন। ( ই. ফা. ৪৪৪৬, ই.সে. ৪৪৩৮)

حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن المبارك، عن عكرمة بن عمار، حدثني سماك، الحنفي قال سمعت ابن عباس، يقول حدثني عمر بن الخطاب، قال لما كان يوم بدر ح وحدثنا زهير بن حرب - واللفظ له - حدثنا عمر بن يونس الحنفي حدثنا عكرمة بن عمار حدثني أبو زميل - هو سماك الحنفي - حدثني عبد الله بن عباس قال حدثني عمر بن الخطاب قال لما كان يوم بدر نظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المشركين وهم ألف وأصحابه ثلاثمائة وتسعة عشر رجلا فاستقبل نبي الله صلى الله عليه وسلم القبلة ثم مد يديه فجعل يهتف بربه ‏"‏ اللهم أنجز لي ما وعدتني اللهم آت ما وعدتني اللهم إن تهلك هذه العصابة من أهل الإسلام لا تعبد في الأرض ‏"‏ ‏.‏ فمازال يهتف بربه مادا يديه مستقبل القبلة حتى سقط رداؤه عن منكبيه فأتاه أبو بكر فأخذ رداءه فألقاه على منكبيه ثم التزمه من ورائه ‏.‏ وقال يا نبي الله كذاك مناشدتك ربك فإنه سينجز لك ما وعدك فأنزل الله عز وجل ‏{‏ إذ تستغيثون ربكم فاستجاب لكم أني ممدكم بألف من الملائكة مردفين‏}‏ فأمده الله بالملائكة ‏.‏ قال أبو زميل فحدثني ابن عباس قال بينما رجل من المسلمين يومئذ يشتد في أثر رجل من المشركين أمامه إذ سمع ضربة بالسوط فوقه وصوت الفارس يقول أقدم حيزوم ‏.‏ فنظر إلى المشرك أمامه فخر مستلقيا فنظر إليه فإذا هو قد خطم أنفه وشق وجهه كضربة السوط فاخضر ذلك أجمع ‏.‏ فجاء الأنصاري فحدث بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ صدقت ذلك من مدد السماء الثالثة ‏"‏ ‏.‏ فقتلوا يومئذ سبعين وأسروا سبعين ‏.‏ قال أبو زميل قال ابن عباس فلما أسروا الأسارى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي بكر وعمر ‏"‏ ما ترون في هؤلاء الأسارى ‏"‏ ‏.‏ فقال أبو بكر يا نبي الله هم بنو العم والعشيرة أرى أن تأخذ منهم فدية فتكون لنا قوة على الكفار فعسى الله أن يهديهم للإسلام ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما ترى يا ابن الخطاب ‏"‏ ‏.‏ قلت لا والله يا رسول الله ما أرى الذي رأى أبو بكر ولكني أرى أن تمكنا فنضرب أعناقهم فتمكن عليا من عقيل فيضرب عنقه وتمكني من فلان - نسيبا لعمر - فأضرب عنقه فإن هؤلاء أئمة الكفر وصناديدها فهوي رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال أبو بكر ولم يهو ما قلت فلما كان من الغد جئت فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر قاعدين يبكيان قلت يا رسول الله أخبرني من أى شىء تبكي أنت وصاحبك فإن وجدت بكاء بكيت وإن لم أجد بكاء تباكيت لبكائكما ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أبكي للذي عرض على أصحابك من أخذهم الفداء لقد عرض على عذابهم أدنى من هذه الشجرة ‏"‏ ‏.‏ شجرة قريبة من نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وأنزل الله عز وجل ‏{‏ ما كان لنبي أن يكون له أسرى حتى يثخن في الأرض‏}‏ إلى قوله ‏{‏ فكلوا مما غنمتم حلالا طيبا‏}‏ فأحل الله الغنيمة لهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যুদ্ধবন্দীদেরকে আটক করা, গ্রেফতার করা এবং বিনা মুক্তিপণে ছেড়ে দেয়া বৈধ

সহিহ মুসলিম ৪৪৮২

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثني عبد الحميد بن جعفر، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا له نحو أرض نجد فجاءت برجل يقال له ثمامة بن أثال الحنفي سيد أهل اليمامة ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث الليث إلا أنه قال إن تقتلني تقتل ذا دم ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল অশ্বারোহী সৈনিক প্রেরণ করলেন ‘নাজদ’ প্রদেশের দিকে। তারা এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে এলো, যার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল আল-হানাফী। তিনি ছিলেন ইয়ামামাবাসীদের নেতা। এরপর তিনি লায়স (রহঃ) –এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, সে বলেছে , যদি আপনি আমাকে হত্যা করনে, তবে খুনের উপযুক্ত ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৮, ই.সে. ৪৪৪০)

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল অশ্বারোহী সৈনিক প্রেরণ করলেন ‘নাজদ’ প্রদেশের দিকে। তারা এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে এলো, যার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল আল-হানাফী। তিনি ছিলেন ইয়ামামাবাসীদের নেতা। এরপর তিনি লায়স (রহঃ) –এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, সে বলেছে , যদি আপনি আমাকে হত্যা করনে, তবে খুনের উপযুক্ত ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৮, ই.সে. ৪৪৪০)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثني عبد الحميد بن جعفر، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا له نحو أرض نجد فجاءت برجل يقال له ثمامة بن أثال الحنفي سيد أهل اليمامة ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث الليث إلا أنه قال إن تقتلني تقتل ذا دم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪৮১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة ‏.‏ فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فقال ‏"‏ ما عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ قال ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان من الغد فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أطلقوا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ‏.‏ يا محمد والله ما كان على الأرض وجه أبغض إلى من وجهك فقد أصبح وجهك أحب الوجوه كلها إلى والله ما كان من دين أبغض إلى من دينك فأصبح دينك أحب الدين كله إلى والله ما كان من بلد أبغض إلى من بلدك فأصبح بلدك أحب البلاد كلها إلى وإن خيلك أخذتني وأنا أريد العمرة فماذا ترى فبشره رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يعتمر فلما قدم مكة قال له قائل أصبوت فقال لا ولكني أسلمت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا والله لا يأتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى يأذن فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু সংখ্যক অশ্বারোহী সৈন্যকে ‘নাযদ’—এর দিকে পাঠান। অতঃপর বানূ হানীফা গোত্রের এক ব্যক্তিকে তাঁরা ধরে নিয়ে এলো। তার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল। তিনি ইয়ামামাবাসীদের সরদার ছিলেন। তাঁরা মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে তাকে বেঁধে রাখলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছে আসলেন এবং বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে তো ভালই মনে হচ্ছে। আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তাহলে খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করলেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে, আপনি যা চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে যথাবস্থায় রেখে দিলেন। তারপর পরের দিনও তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই মনে হচ্ছে যা আপনার কাছে বলে দিয়েছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে আপনি যা চাবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরের দিন পর্যন্ত তাকে ঐভাবে রাখলেন। তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার নিকট কেমন লাগছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই যা আমি আপনাকে ইতিপূর্বে বলেছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনি অনুগ্রহ করবেন একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে হত্যার উপযুক্ত ব্যাক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে বলুন তাই দেয়া হবে যা আপনি চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা সুমামাহকে ছেড়ে দাও। তারপর তিনি মাসজিদের নিকটবর্তী একটি খেজুর গাছের নিকট গেলেন। সেখানে তিনি গোসল করলেন। এরপর মাসজিদে প্রবেশ করে বললেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ, (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রসূল। হে মুহাম্মাদ! আল্লাহর শপথ! পৃথিবীতে আমার নিকট আপনার চেহারার চেয়ে খারাপ চেহারা আর ছিল না। আর এখন সকল মানুষের চেহারা থেকে আপনার চেহারাই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আল্লাহর শপথ! আপনার ধর্ম থেকে অধিক খারাপ ধর্ম আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার ধর্মই আমার নিকট সকল ধর্ম থেকে অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম! আপনার জনপদ থেকে অধিক নিকৃষ্ট জনপদ আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার জনপদই আমার নিকট সকল জনপদের চেয়ে অধিক প্রিয়। আপনার অশ্বারোহী সৈনিকরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে। অথচ আমি তখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সুসংবাদ দিলেন এবং ‘উমরাহ করার নির্দেশ দিলেন। এরপর যখন তিনি মাক্কায় ফিরে এলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, তুমি কি ধর্মান্তরিত হয়েছ? তখন তিনি বললেন, না। বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলাম গ্রহন করেছি। আল্লাহর কসম! ইয়ামামা ত্থেকে একটি গমের দানাও তোমাদের কাছে পৌঁছাবে না। যতক্ষন না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে সম্মতি দেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৭, ই.সে.৪৪৩৯ )

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু সংখ্যক অশ্বারোহী সৈন্যকে ‘নাযদ’—এর দিকে পাঠান। অতঃপর বানূ হানীফা গোত্রের এক ব্যক্তিকে তাঁরা ধরে নিয়ে এলো। তার নাম ছিল সুমামাহ ইবনু উসাল। তিনি ইয়ামামাবাসীদের সরদার ছিলেন। তাঁরা মাসজিদের একটি খুঁটির সাথে তাকে বেঁধে রাখলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার কাছে আসলেন এবং বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে তো ভালই মনে হচ্ছে। আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তাহলে খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করলেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে, আপনি যা চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে যথাবস্থায় রেখে দিলেন। তারপর পরের দিনও তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই মনে হচ্ছে যা আপনার কাছে বলে দিয়েছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনার অনুগ্রহ হবে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি হত্যা করেন, তবে আপনি একজন খুনী ব্যক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান তবে আপনাকে তাই দেয়া হবে আপনি যা চাবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরের দিন পর্যন্ত তাকে ঐভাবে রাখলেন। তিনি বললেন, হে সুমামাহ! তোমার নিকট কেমন লাগছে? তিনি বললেন, আমার নিকট তাই যা আমি আপনাকে ইতিপূর্বে বলেছি। যদি আপনি অনুগ্রহ করেন, তবে আপনি অনুগ্রহ করবেন একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর। আর যদি আপনি আমাকে হত্যা করেন, তবে হত্যার উপযুক্ত ব্যাক্তিকেই হত্যা করবেন। আর যদি আপনি সম্পদ চান, তবে বলুন তাই দেয়া হবে যা আপনি চাইবেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা সুমামাহকে ছেড়ে দাও। তারপর তিনি মাসজিদের নিকটবর্তী একটি খেজুর গাছের নিকট গেলেন। সেখানে তিনি গোসল করলেন। এরপর মাসজিদে প্রবেশ করে বললেন, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ, (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বান্দা ও রসূল। হে মুহাম্মাদ! আল্লাহর শপথ! পৃথিবীতে আমার নিকট আপনার চেহারার চেয়ে খারাপ চেহারা আর ছিল না। আর এখন সকল মানুষের চেহারা থেকে আপনার চেহারাই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আল্লাহর শপথ! আপনার ধর্ম থেকে অধিক খারাপ ধর্ম আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার ধর্মই আমার নিকট সকল ধর্ম থেকে অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম! আপনার জনপদ থেকে অধিক নিকৃষ্ট জনপদ আমার কাছে আর ছিল না। আর এখন আপনার জনপদই আমার নিকট সকল জনপদের চেয়ে অধিক প্রিয়। আপনার অশ্বারোহী সৈনিকরা আমাকে ধরে নিয়ে এসেছে। অথচ আমি তখন ‘উমরাহ করার ইচ্ছা করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে সুসংবাদ দিলেন এবং ‘উমরাহ করার নির্দেশ দিলেন। এরপর যখন তিনি মাক্কায় ফিরে এলেন, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, তুমি কি ধর্মান্তরিত হয়েছ? তখন তিনি বললেন, না। বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলাম গ্রহন করেছি। আল্লাহর কসম! ইয়ামামা ত্থেকে একটি গমের দানাও তোমাদের কাছে পৌঁছাবে না। যতক্ষন না রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে সম্মতি দেন। ( ই.ফা. ৪৪৩৭, ই.সে.৪৪৩৯ )

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة ‏.‏ فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فقال ‏"‏ ما عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ قال ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان من الغد فقال ‏"‏ ماذا عندك يا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فقال عندي ما قلت لك إن تنعم تنعم على شاكر وإن تقتل تقتل ذا دم وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أطلقوا ثمامة ‏"‏ ‏.‏ فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ‏.‏ يا محمد والله ما كان على الأرض وجه أبغض إلى من وجهك فقد أصبح وجهك أحب الوجوه كلها إلى والله ما كان من دين أبغض إلى من دينك فأصبح دينك أحب الدين كله إلى والله ما كان من بلد أبغض إلى من بلدك فأصبح بلدك أحب البلاد كلها إلى وإن خيلك أخذتني وأنا أريد العمرة فماذا ترى فبشره رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يعتمر فلما قدم مكة قال له قائل أصبوت فقال لا ولكني أسلمت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا والله لا يأتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى يأذن فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00