সহিহ মুসলিম > কাফিরদের গাছ-পালা কাটা ও জ্বালিয়ে দেয়া বৈধ
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৪
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة . زاد قتيبة وابن رمح في حديثهما فأنزل الله عز وجل { ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها فبإذن الله وليخزي الفاسقين}
‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিলেন এবং কেটে দিলেন। বুওয়াইরাহ ছিল সে বাগানের নাম। কুতাইবাহ এবং ইবনু রুমহ (রহঃ) উভয়েই তাঁদের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেন: “তোমরা যেসব খেজুর বৃক্ষ কেটে ফেলেছো কিংবা তার কাণ্ডের উপর খাড়া রেখেছ, সবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে, যাতে তিনি পাপাচারীদের অপদস্থ করেন।” (ই.ফা. ৪৪০২, ই.সে. ৪৪২০)
‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিলেন এবং কেটে দিলেন। বুওয়াইরাহ ছিল সে বাগানের নাম। কুতাইবাহ এবং ইবনু রুমহ (রহঃ) উভয়েই তাঁদের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেন: “তোমরা যেসব খেজুর বৃক্ষ কেটে ফেলেছো কিংবা তার কাণ্ডের উপর খাড়া রেখেছ, সবই ছিল আল্লাহর নির্দেশে, যাতে তিনি পাপাচারীদের অপদস্থ করেন।” (ই.ফা. ৪৪০২, ই.সে. ৪৪২০)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة . زاد قتيبة وابن رمح في حديثهما فأنزل الله عز وجل { ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها فبإذن الله وليخزي الفاسقين}
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৫
حدثنا سعيد بن منصور، وهناد بن السري، قالا حدثنا ابن المبارك، عن موسى، بن عقبة عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع نخل بني النضير وحرق ولها يقول حسان وهان على سراة بني لؤى حريق بالبويرة مستطير وفي ذلك نزلت { ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها} الآية .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান কেটেছিলেন এবং জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে কবি হাসসান (রাঃ) বলেন, “বনী লুওয়াই (অর্থাৎ-কুরায়শ) এর নেতাদের কাছে বুওয়াইরায় আগুনের লেলিহান শিখা খুব সহজ হয়ে গেছে।” আর এ সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে এ আয়াত : (অর্থ) “তোমরা যেসব খেজুর গাছ কেটেছো অথবা তা কাণ্ডের উপর রেখে দিয়েছ” আয়াতটির শেষ পর্যন্ত। (ই.ফা. ৪৪০৩, ই.সে. ৪৪০৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান কেটেছিলেন এবং জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। এ সম্পর্কে কবি হাসসান (রাঃ) বলেন, “বনী লুওয়াই (অর্থাৎ-কুরায়শ) এর নেতাদের কাছে বুওয়াইরায় আগুনের লেলিহান শিখা খুব সহজ হয়ে গেছে।” আর এ সম্পর্কেই নাযিল হয়েছে এ আয়াত : (অর্থ) “তোমরা যেসব খেজুর গাছ কেটেছো অথবা তা কাণ্ডের উপর রেখে দিয়েছ” আয়াতটির শেষ পর্যন্ত। (ই.ফা. ৪৪০৩, ই.সে. ৪৪০৩)
حدثنا سعيد بن منصور، وهناد بن السري، قالا حدثنا ابن المبارك، عن موسى، بن عقبة عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع نخل بني النضير وحرق ولها يقول حسان وهان على سراة بني لؤى حريق بالبويرة مستطير وفي ذلك نزلت { ما قطعتم من لينة أو تركتموها قائمة على أصولها} الآية .
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৬
وحدثنا سهل بن عثمان، أخبرني عقبة بن خالد السكوني، عن عبيد الله، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ৪৪০৪, ই.সে. ৪৪০৪)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাযীর গোত্রের খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। (ই.ফা. ৪৪০৪, ই.সে. ৪৪০৪)
وحدثنا سهل بن عثمان، أخبرني عقبة بن خالد السكوني، عن عبيد الله، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير.
সহিহ মুসলিম > ‘বিশেষভাবে এ উম্মাত’ এর জন্য গনীমাত হালাল
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৭
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن المبارك، عن معمر، ح وحدثنا محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " غزا نبي من الأنبياء فقال لقومه لا يتبعني رجل قد ملك بضع امرأة وهو يريد أن يبني بها ولما يبن ولا آخر قد بنى بنيانا ولما يرفع سقفها ولا آخر قد اشترى غنما أو خلفات وهو منتظر ولادها . قال فغزا فأدنى للقرية حين صلاة العصر أو قريبا من ذلك فقال للشمس أنت مأمورة وأنا مأمور اللهم احبسها على شيئا . فحبست عليه حتى فتح الله عليه - قال - فجمعوا ما غنموا فأقبلت النار لتأكله فأبت أن تطعمه فقال فيكم غلول فليبايعني من كل قبيلة رجل . فبايعوه فلصقت يد رجل بيده فقال فيكم الغلول فلتبايعني قبيلتك . فبايعته - قال - فلصقت بيد رجلين أو ثلاثة فقال فيكم الغلول أنتم غللتم - قال - فأخرجوا له مثل رأس بقرة من ذهب - قال - فوضعوه في المال وهو بالصعيد فأقبلت النار فأكلته . فلم تحل الغنائم لأحد من قبلنا ذلك بأن الله تبارك وتعالى رأى ضعفنا وعجزنا فطيبها لنا " .
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যে সকল হাদীস আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, এর মধ্যে এটিও যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নাবীগণের মধ্যে কোন এক নবী [ইউশা’ ইবনু নূন (‘আঃ) যিনি লাম (বাহরাইন) দেশে মূসা (‘আঃ)-এর প্রতিনিধি ছিলেন] জিহাদে রওনা দিলেন। তিনি তাঁর লোকদের বললেন, এমন লোক যেন আমার সাথে অভিযানে না আসে, যে ব্যক্তি সদ্য বিবাহ করেছে এবং বাসর যাপনে ইচ্ছুক; কিন্তু এখনো তা সম্পন্ন হয়নি। সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গৃহ নির্মাণ করেছে এবং এখনো তার ছাদ দেয়নি এবং সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গর্ভবতী ছাগল বা উটনী ক্রয় করেছে এবং সেগুলোর বাচ্চা প্রসবের অপক্ষায় আছে। রাবী বলেন, তারপর তিনি জিহাদে গমন করেন এবং ‘আসরের সালাতের সময় যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এক গ্রামে পৌঁছেন। তখন তিনি সূর্যকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমিও আদিষ্ট এবং আমিও আদিষ্ট। ইয়া আল্লাহ! তুমি একে আমার জন্য কিছুক্ষণ থামিয়ে রাখো (সূর্যাস্তের পূর্বেই বিজয় পাওয়ার জন্য)। সূর্যকে থামিয়ে দেয়া হলো। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা তাঁকে বিজয় প্রদান করলেন। রাবী বলেন, তারা গনীমাতের মাল একত্রিত করল। তখন তা খাওয়ার জন্য আগুন এগিয়ে এলো। কিন্তু অগ্নি তা খেতে অস্বীকার করল। [৩৫] তখন সে নবী (‘আঃ) বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে আমার কাছে বাই’আত করবে। সুতরাং তারা তাঁর কাছে বাই’আত করল। এতে এক ব্যক্তির হাত নবীর হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের গোত্রের লোকেরা আমার কাছে বাই’আত করুক। অতঃপর তার ঐ গোত্রের লোকেরা বাই’আত করল। রাবী বলেন, তখন নবী (‘আঃ)-এর হাত দু’ বা তিন ব্যক্তির হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। তোমরা আত্মসাৎ করেছ। রাবী বলেন, তারপর তারা নাবীর কাছে একটি গাভীর মাথার পরিমাণ স্বর্ণখন্ড বের করে দিলো। আর তারা সেটিও ঐ সম্পদের সাথে রাখল। তারপর আগুন এগিয়ে এসে তা খেয়ে ফেলল। আমাদের পূর্বে কারো জন্য গনীমাতের মাল হালাল ছিল না। আল্লাহ তা’আলা আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দেখে আমাদের জন্য গনীমাতের মাল হালাল করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৪০৫, ই.সে. ৪৪০৫)
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যে সকল হাদীস আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, এর মধ্যে এটিও যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নাবীগণের মধ্যে কোন এক নবী [ইউশা’ ইবনু নূন (‘আঃ) যিনি লাম (বাহরাইন) দেশে মূসা (‘আঃ)-এর প্রতিনিধি ছিলেন] জিহাদে রওনা দিলেন। তিনি তাঁর লোকদের বললেন, এমন লোক যেন আমার সাথে অভিযানে না আসে, যে ব্যক্তি সদ্য বিবাহ করেছে এবং বাসর যাপনে ইচ্ছুক; কিন্তু এখনো তা সম্পন্ন হয়নি। সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গৃহ নির্মাণ করেছে এবং এখনো তার ছাদ দেয়নি এবং সে ব্যক্তি যেন না আসে যে গর্ভবতী ছাগল বা উটনী ক্রয় করেছে এবং সেগুলোর বাচ্চা প্রসবের অপক্ষায় আছে। রাবী বলেন, তারপর তিনি জিহাদে গমন করেন এবং ‘আসরের সালাতের সময় যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিকটবর্তী এক গ্রামে পৌঁছেন। তখন তিনি সূর্যকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমিও আদিষ্ট এবং আমিও আদিষ্ট। ইয়া আল্লাহ! তুমি একে আমার জন্য কিছুক্ষণ থামিয়ে রাখো (সূর্যাস্তের পূর্বেই বিজয় পাওয়ার জন্য)। সূর্যকে থামিয়ে দেয়া হলো। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা তাঁকে বিজয় প্রদান করলেন। রাবী বলেন, তারা গনীমাতের মাল একত্রিত করল। তখন তা খাওয়ার জন্য আগুন এগিয়ে এলো। কিন্তু অগ্নি তা খেতে অস্বীকার করল। [৩৫] তখন সে নবী (‘আঃ) বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের প্রত্যেক গোত্র থেকে একজন করে আমার কাছে বাই’আত করবে। সুতরাং তারা তাঁর কাছে বাই’আত করল। এতে এক ব্যক্তির হাত নবীর হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। কাজেই তোমাদের গোত্রের লোকেরা আমার কাছে বাই’আত করুক। অতঃপর তার ঐ গোত্রের লোকেরা বাই’আত করল। রাবী বলেন, তখন নবী (‘আঃ)-এর হাত দু’ বা তিন ব্যক্তির হাতের সাথে লেগে গেল। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আত্মসাৎকারী রয়েছে। তোমরা আত্মসাৎ করেছ। রাবী বলেন, তারপর তারা নাবীর কাছে একটি গাভীর মাথার পরিমাণ স্বর্ণখন্ড বের করে দিলো। আর তারা সেটিও ঐ সম্পদের সাথে রাখল। তারপর আগুন এগিয়ে এসে তা খেয়ে ফেলল। আমাদের পূর্বে কারো জন্য গনীমাতের মাল হালাল ছিল না। আল্লাহ তা’আলা আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দেখে আমাদের জন্য গনীমাতের মাল হালাল করে দিলেন। (ই.ফা. ৪৪০৫, ই.সে. ৪৪০৫)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن المبارك، عن معمر، ح وحدثنا محمد، بن رافع - واللفظ له - حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " غزا نبي من الأنبياء فقال لقومه لا يتبعني رجل قد ملك بضع امرأة وهو يريد أن يبني بها ولما يبن ولا آخر قد بنى بنيانا ولما يرفع سقفها ولا آخر قد اشترى غنما أو خلفات وهو منتظر ولادها . قال فغزا فأدنى للقرية حين صلاة العصر أو قريبا من ذلك فقال للشمس أنت مأمورة وأنا مأمور اللهم احبسها على شيئا . فحبست عليه حتى فتح الله عليه - قال - فجمعوا ما غنموا فأقبلت النار لتأكله فأبت أن تطعمه فقال فيكم غلول فليبايعني من كل قبيلة رجل . فبايعوه فلصقت يد رجل بيده فقال فيكم الغلول فلتبايعني قبيلتك . فبايعته - قال - فلصقت بيد رجلين أو ثلاثة فقال فيكم الغلول أنتم غللتم - قال - فأخرجوا له مثل رأس بقرة من ذهب - قال - فوضعوه في المال وهو بالصعيد فأقبلت النار فأكلته . فلم تحل الغنائم لأحد من قبلنا ذلك بأن الله تبارك وتعالى رأى ضعفنا وعجزنا فطيبها لنا " .
সহিহ মুসলিম > গনীমাতের মালের বর্ণনা
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৪
وحدثناه أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، قال كتبت إلى نافع أسأله عن النفل، فكتب إلى أن ابن عمر كان في سرية وحدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني موسى، ح وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، كلهم عن نافع، بهذا الإسناد نحو حديثهم .
ইবনু ‘আওন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নফল সম্পর্কে জানতে চেয়ে নাফি’ (রহঃ)-এর কাছে লিখলাম। তিনি উত্তরে আমাকে লিখলেন যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) একটি সেনাদলে ছিলেন। ইবনু রাফি’ ও হারুন ইবনু সা’ঈদ আঈলি (রহঃ) তারা সকলেই নাফি’ (রহঃ)- এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ননা করেন। (ই.ফা. ৪৪১২, ই.সে. ৪৪১২)
ইবনু ‘আওন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নফল সম্পর্কে জানতে চেয়ে নাফি’ (রহঃ)-এর কাছে লিখলাম। তিনি উত্তরে আমাকে লিখলেন যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) একটি সেনাদলে ছিলেন। ইবনু রাফি’ ও হারুন ইবনু সা’ঈদ আঈলি (রহঃ) তারা সকলেই নাফি’ (রহঃ)- এর সূত্রে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ননা করেন। (ই.ফা. ৪৪১২, ই.সে. ৪৪১২)
وحدثناه أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن ابن عون، قال كتبت إلى نافع أسأله عن النفل، فكتب إلى أن ابن عمر كان في سرية وحدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني موسى، ح وحدثنا هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، كلهم عن نافع، بهذا الإسناد نحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৬
وحدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن المبارك، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، كلاهما عن يونس، عن ابن شهاب، قال بلغني عن ابن عمر، قال نفل رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية بنحو حديث ابن رجاء .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ক্ষুদ্র সেনাদলের মাঝে যুদ্ধলব্ধ মালামাল বন্টণের ব্যাপারে ইবনু ‘উমার থেকে আমার নিকট ইবনু রাজা কতৃক বর্ণিত হাদীসের মতো একটি হাদীস এসেছে। ( ই.ফা. ৪৪১৪, ই.সে. ৪৪১৪)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ক্ষুদ্র সেনাদলের মাঝে যুদ্ধলব্ধ মালামাল বন্টণের ব্যাপারে ইবনু ‘উমার থেকে আমার নিকট ইবনু রাজা কতৃক বর্ণিত হাদীসের মতো একটি হাদীস এসেছে। ( ই.ফা. ৪৪১৪, ই.সে. ৪৪১৪)
وحدثنا هناد بن السري، حدثنا ابن المبارك، ح وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا ابن وهب، كلاهما عن يونس، عن ابن شهاب، قال بلغني عن ابن عمر، قال نفل رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية بنحو حديث ابن رجاء .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫২
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية إلى نجد فخرجت فيها فأصبنا إبلا وغنما فبلغت سهماننا اثنى عشر بعيرا ونفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعيرا بعيرا .
ইবনু ‘উমার ( রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাজদের দিকে একটি সেনাদল প্রেরন করেন। আর আমিও এতে গিয়েছিলাম। আমরা বহু উট এবং ছাগল পেলাম। আমাদের প্রত্যেক জনের ভাগে বারটি করে উট পরল এবং রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেককে আরো একটি করে অতিরিক্ত উট প্রদান করলেন। ( ই.ফা. ৪৪১০, ই.সে. ৪৪১০)
ইবনু ‘উমার ( রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাজদের দিকে একটি সেনাদল প্রেরন করেন। আর আমিও এতে গিয়েছিলাম। আমরা বহু উট এবং ছাগল পেলাম। আমাদের প্রত্যেক জনের ভাগে বারটি করে উট পরল এবং রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেককে আরো একটি করে অতিরিক্ত উট প্রদান করলেন। ( ই.ফা. ৪৪১০, ই.সে. ৪৪১০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وعبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية إلى نجد فخرجت فيها فأصبنا إبلا وغنما فبلغت سهماننا اثنى عشر بعيرا ونفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعيرا بعيرا .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৭
وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، قال حدثني عقيل، بن خالد عن ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد كان ينفل بعض من يبعث من السرايا لأنفسهم خاصة سوى قسم عامة الجيش والخمس في ذلك واجب كله .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ষুদ্র সেনাদলে যেসব সৈনিককে প্রেরণ করতেন, তাদের কোন কোন সময় সাধারন সৈনিকদের অংশের চেয়েও কিছু অতিরিক্ত বিশেষভাবে প্রদান করতেন। আর সকল অর্জিত গনীমাতের মালের উপরেই এক পঞ্চমাংশ বের করা ওয়াজিব। (ই.ফা. ৪৪১৫, ই.সে. ৪৪১৫ )
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ষুদ্র সেনাদলে যেসব সৈনিককে প্রেরণ করতেন, তাদের কোন কোন সময় সাধারন সৈনিকদের অংশের চেয়েও কিছু অতিরিক্ত বিশেষভাবে প্রদান করতেন। আর সকল অর্জিত গনীমাতের মালের উপরেই এক পঞ্চমাংশ বের করা ওয়াজিব। (ই.ফা. ৪৪১৫, ই.সে. ৪৪১৫ )
وحدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، قال حدثني عقيل، بن خالد عن ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد كان ينفل بعض من يبعث من السرايا لأنفسهم خاصة سوى قسم عامة الجيش والخمس في ذلك واجب كله .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫১
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية قبل نجد وفيهم ابن عمر وأن سهمانهم بلغت اثنى عشر بعيرا ونفلوا سوى ذلك بعيرا فلم يغيره رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠান এবং তাদের মধ্যে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। যুদ্ধলব্দ সম্পদের বন্টনে তাদের ভাগে পড়ল বারটি করে উট। আর তা ছাড়া বাড়তি একটি করে উট দেয়া হলো। আর রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপ বন্টন সমর্থন করলে পরিবর্তন করেননি। (ই.ফা. ৪৪০৯ , ই.সে. ৪৪০৯ )
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠান এবং তাদের মধ্যে ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। যুদ্ধলব্দ সম্পদের বন্টনে তাদের ভাগে পড়ল বারটি করে উট। আর তা ছাড়া বাড়তি একটি করে উট দেয়া হলো। আর রসুলা্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরূপ বন্টন সমর্থন করলে পরিবর্তন করেননি। (ই.ফা. ৪৪০৯ , ই.সে. ৪৪০৯ )
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث سرية قبل نجد وفيهم ابن عمر وأن سهمانهم بلغت اثنى عشر بعيرا ونفلوا سوى ذلك بعيرا فلم يغيره رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫০
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم سرية وأنا فيهم قبل نجد فغنموا إبلا كثيرة فكانت سهمانهم اثنى عشر بعيرا أو أحد عشر بعيرا ونفلوا بعيرا بعيرا .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা একটি সেনাদল নাজদের দিকে পাঠান। আমিও তার মধ্যে ছিলাম। তাঁরা সেখানে অনেক উট গনীমাত হিসেবে লাভ করলেন। প্রত্যেকের অংশে বারটি করে অথবা এগারটি করে উট পড়ল এবং প্রত্যেককেই একটি করে বাড়তি উট প্রদান করা হলো। (ই.ফা. ৪৪০৮, ই.সে. ৪৪০৮)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা একটি সেনাদল নাজদের দিকে পাঠান। আমিও তার মধ্যে ছিলাম। তাঁরা সেখানে অনেক উট গনীমাত হিসেবে লাভ করলেন। প্রত্যেকের অংশে বারটি করে অথবা এগারটি করে উট পড়ল এবং প্রত্যেককেই একটি করে বাড়তি উট প্রদান করা হলো। (ই.ফা. ৪৪০৮, ই.সে. ৪৪০৮)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم سرية وأنا فيهم قبل نجد فغنموا إبلا كثيرة فكانت سهمانهم اثنى عشر بعيرا أو أحد عشر بعيرا ونفلوا بعيرا بعيرا .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৩
وحدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الإسناد .
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৪১১, ই.সে. ৪৪১১)
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) থেকে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪৪১১, ই.সে. ৪৪১১)
وحدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৮
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن سماك، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال أخذ أبي من الخمس سيفا فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال هب لي هذا . فأبى فأنزل الله عز وجل { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول}
মাস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ হতে কিছু বস্তু নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলেন, এটি আমাকে উপঢৌকন প্রদান করুন। তিনি অস্বীকার করেন। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন : “তারা আপনার কাছে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে, আপনি বলে দিন, যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার আল্লাহ ও রসূলের ” আয়াতটি শেষ পর্যন্ত নাযিল হলো। (ই.ফা. ৪৪০৬, ই.সে. ৪৪০৬)
মাস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ হতে কিছু বস্তু নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলেন, এটি আমাকে উপঢৌকন প্রদান করুন। তিনি অস্বীকার করেন। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন : “তারা আপনার কাছে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে, আপনি বলে দিন, যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার আল্লাহ ও রসূলের ” আয়াতটি শেষ পর্যন্ত নাযিল হলো। (ই.ফা. ৪৪০৬, ই.সে. ৪৪০৬)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، عن سماك، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال أخذ أبي من الخمس سيفا فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال هب لي هذا . فأبى فأنزل الله عز وجل { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول}
সহিহ মুসলিম ৪৪৪৯
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال نزلت في أربع آيات أصبت سيفا فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نفلنيه . فقال " ضعه " . ثم قام فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث أخذته " . ثم قام فقال نفلنيه يا رسول الله . فقال " ضعه " . فقام فقال يا رسول الله نفلنيه أأجعل كمن لا غناء له فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث أخذته " . قال فنزلت هذه الآية { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول}
মুস’আব বিন সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার সম্বন্ধে চারটি আয়াত নাযিল হয়েছে। আমি একটি তলোয়ার পেলাম। এরপর সেটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এসে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি আমাকে দান করুন। তিনি বললেনঃতুমি এটি রেখে দাও। তারপর আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে প্রদান করুন। তখনও তিনি বললেন, এটি যেখান থেকে নিয়েছো সেখানে রেখে দাও। তারপর তিনি আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে দিয়ে দিন। আমাকে কি সে ব্যক্তির মতো গণ্য করা হলো যার এটার দরকার নেই? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটি যেখান থেকে নিয়েছ সেখানে রেখে দাও। এরপর এ আয়াত নাযিল হয়: (অর্থ) “তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্যসম্ভার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ ও রসূলের জন্য”.......। (ই.ফা. ৪৪০৭, ই.সে. ৪৪০৭)
মুস’আব বিন সা’দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার সম্বন্ধে চারটি আয়াত নাযিল হয়েছে। আমি একটি তলোয়ার পেলাম। এরপর সেটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এসে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি এটি আমাকে দান করুন। তিনি বললেনঃতুমি এটি রেখে দাও। তারপর আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে প্রদান করুন। তখনও তিনি বললেন, এটি যেখান থেকে নিয়েছো সেখানে রেখে দাও। তারপর তিনি আবার দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটি আমাকে দিয়ে দিন। আমাকে কি সে ব্যক্তির মতো গণ্য করা হলো যার এটার দরকার নেই? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটি যেখান থেকে নিয়েছ সেখানে রেখে দাও। এরপর এ আয়াত নাযিল হয়: (অর্থ) “তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্যসম্ভার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ ও রসূলের জন্য”.......। (ই.ফা. ৪৪০৭, ই.সে. ৪৪০৭)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال نزلت في أربع آيات أصبت سيفا فأتى به النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نفلنيه . فقال " ضعه " . ثم قام فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث أخذته " . ثم قام فقال نفلنيه يا رسول الله . فقال " ضعه " . فقام فقال يا رسول الله نفلنيه أأجعل كمن لا غناء له فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ضعه من حيث أخذته " . قال فنزلت هذه الآية { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول}
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৫
وحدثنا سريج بن يونس، وعمرو الناقد، - واللفظ لسريج - قالا حدثنا عبد، الله بن رجاء عن يونس، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال نفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم نفلا سوى نصيبنا من الخمس فأصابني شارف والشارف المسن الكبير
সালিম তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের অংশ পঞ্চমাংশ ছাড়াও বাড়তি দান করলেন। অতএব আমাদের ভাগে একটি ‘শারিফ’ মিললো। ‘শারিফ’ মানে বড় ধরনের বয়স্ক উট। (ই.ফা.৪৪১৩, ই.সে. ৪৪১৩)
সালিম তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের অংশ পঞ্চমাংশ ছাড়াও বাড়তি দান করলেন। অতএব আমাদের ভাগে একটি ‘শারিফ’ মিললো। ‘শারিফ’ মানে বড় ধরনের বয়স্ক উট। (ই.ফা.৪৪১৩, ই.সে. ৪৪১৩)
وحدثنا سريج بن يونس، وعمرو الناقد، - واللفظ لسريج - قالا حدثنا عبد، الله بن رجاء عن يونس، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال نفلنا رسول الله صلى الله عليه وسلم نفلا سوى نصيبنا من الخمس فأصابني شارف والشارف المسن الكبير
সহিহ মুসলিম > নিহত শত্রু থেকে সম্পদ হত্যাকারী মুজাহিদের প্রাপ্য
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৮
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن، كثير بن أفلح عن أبي محمد الأنصاري، وكان، جليسا لأبي قتادة قال قال أبو قتادة واقتص الحديث .
আবু মুহাম্মদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন আবূ কাতাদার সহচর। তিনি বলেন, আবু কাতাদাহ বলেন, ...... এরপর এতদসংক্রান্ত বিস্তৃত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। ( ই.ফা. ৪৪১৬, ই. সে. ৪৪১৬ )
আবু মুহাম্মদ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন আবূ কাতাদার সহচর। তিনি বলেন, আবু কাতাদাহ বলেন, ...... এরপর এতদসংক্রান্ত বিস্তৃত একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। ( ই.ফা. ৪৪১৬, ই. সে. ৪৪১৬ )
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن، كثير بن أفلح عن أبي محمد الأنصاري، وكان، جليسا لأبي قتادة قال قال أبو قتادة واقتص الحديث .
সহিহ মুসলিম ৪৪৫৯
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة أن أبا قتادة، قال . وساق الحديث .
আবু কাতাদাহ (রাঃ)-এর আযাদকৃত দাস আবূ মুহাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ
আবু কাতাদাহ (রাঃ) বলেন ......... অতঃপর পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪১৬, ই.সে. ৪৪১৭)
আবু কাতাদাহ (রাঃ)-এর আযাদকৃত দাস আবূ মুহাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ
আবু কাতাদাহ (রাঃ) বলেন ......... অতঃপর পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৪১৬, ই.সে. ৪৪১৭)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة أن أبا قتادة، قال . وساق الحديث .
সহিহ মুসলিম ৪৪৬১
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا يوسف بن الماجشون، عن صالح بن إبراهيم، بن عبد الرحمن بن عوف عن أبيه، عن عبد الرحمن بن عوف، أنه قال بينا أنا واقف، في الصف يوم بدر نظرت عن يميني، وشمالي، فإذا أنا بين، غلامين من الأنصار حديثة أسنانهما تمنيت لو كنت بين أضلع منهما فغمزني أحدهما . فقال يا عم هل تعرف أبا جهل قال قلت نعم وما حاجتك إليه يا ابن أخي قال أخبرت أنه يسب رسول الله صلى الله عليه وسلم والذي نفسي بيده لئن رأيته لا يفارق سوادي سواده حتى يموت الأعجل منا . قال فتعجبت لذلك فغمزني الآخر فقال مثلها - قال - فلم أنشب أن نظرت إلى أبي جهل يزول في الناس فقلت ألا تريان هذا صاحبكما الذي تسألان عنه قال فابتدراه فضرباه بسيفيهما حتى قتلاه ثم انصرفا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبراه . فقال " أيكما قتله " . فقال كل واحد منهما أنا قتلت . فقال " هل مسحتما سيفيكما " . قالا لا . فنظر في السيفين فقال " كلاكما قتله " . وقضى بسلبه لمعاذ بن عمرو بن الجموح والرجلان معاذ بن عمرو بن الجموح ومعاذ ابن عفراء .
‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদরের দিন যুদ্ধ সারিতে অবস্হান করছিলাম। এমন সময় আমি ডান ও বাম দিকে তাকিয়ে দেখি যে, আমি দু’জন আনসারী বালকের মাঝখানে আছি। আমি আশা করেছিলাম, যদি আমি দু’জন শক্তিশালী যুবকের মাঝে থাকতে পেতাম। এমন সময় তাদের একজন আমাকে ইঙ্গিতে বললো, হে আমার চাচা! আপনি কি আবূ জাহেল কে চিনেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। আর তাকে তোমার প্রয়োজন কী হে ভ্রাতুস্পুত্র! সে বলল, আমি সংবাদ জেনেছি যে, সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গালাগালি করে। সেই আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার জীবন, যদি আমি তাকে দেখতে পাই তবে অবশ্যই তাকে ছেড়ে দিব না, যতক্ষন না আমাদের দু’জনের থেকে যার মৃত্যু পূর্বে হওয়া অবধারিত তার মৃত্যু হয়। বর্ণনাকারী বলেন, কিশোরের এ কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম। তারপর অপর কিশোর আমার দিকে ইঙ্গিত করে অনুরূপ কথা বলল। পরে বেশি সময় অতিবাহিত হয়নি, হঠাৎ আমি দেখলাম, আবূ জাহল লোকদের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আমি তখন বালক দু’জনকে বললাম, তোমরা কি দেখছ না এ ব্যাক্তিকে যার ব্যাপারে তোমরা জানতে চাচ্ছ। উভয়ে দৌড়ে গিয়ে তাদের তলোয়ার দ্বারা তাকে আঘাত করলো এবং হত্যা করে ফেললো। অতঃপর উভয়েই ফিরে এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এই ঘটনার সংবাদ দিলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে তাকে কে হত্যা করেছে? তাঁদের প্রত্যেকে বললো, আমি তাকে হত্যা করেছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের তলোয়ার কি পরিস্কার করে ফেলেছো? তাঁরা বলল, না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয়ের তলোয়ার পরীক্ষা করে দেখলেন। তারপর বললেন, তোমরা উভয়েই তাকে হত্যা করেছ। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহকে খুলে নেয়া সম্পদ প্রদানের নির্দেশ দেন। আর সে দু’বালক হলো, মু’আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহ এবং মু’আয ইবনু ‘আফরা (রাঃ)। ( ই.ফা. ৪৪১৭, ই.সে. ৪৪১৯ )
‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদরের দিন যুদ্ধ সারিতে অবস্হান করছিলাম। এমন সময় আমি ডান ও বাম দিকে তাকিয়ে দেখি যে, আমি দু’জন আনসারী বালকের মাঝখানে আছি। আমি আশা করেছিলাম, যদি আমি দু’জন শক্তিশালী যুবকের মাঝে থাকতে পেতাম। এমন সময় তাদের একজন আমাকে ইঙ্গিতে বললো, হে আমার চাচা! আপনি কি আবূ জাহেল কে চিনেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। আর তাকে তোমার প্রয়োজন কী হে ভ্রাতুস্পুত্র! সে বলল, আমি সংবাদ জেনেছি যে, সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গালাগালি করে। সেই আল্লাহর শপথ! যার হাতে আমার জীবন, যদি আমি তাকে দেখতে পাই তবে অবশ্যই তাকে ছেড়ে দিব না, যতক্ষন না আমাদের দু’জনের থেকে যার মৃত্যু পূর্বে হওয়া অবধারিত তার মৃত্যু হয়। বর্ণনাকারী বলেন, কিশোরের এ কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম। তারপর অপর কিশোর আমার দিকে ইঙ্গিত করে অনুরূপ কথা বলল। পরে বেশি সময় অতিবাহিত হয়নি, হঠাৎ আমি দেখলাম, আবূ জাহল লোকদের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আমি তখন বালক দু’জনকে বললাম, তোমরা কি দেখছ না এ ব্যাক্তিকে যার ব্যাপারে তোমরা জানতে চাচ্ছ। উভয়ে দৌড়ে গিয়ে তাদের তলোয়ার দ্বারা তাকে আঘাত করলো এবং হত্যা করে ফেললো। অতঃপর উভয়েই ফিরে এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এই ঘটনার সংবাদ দিলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে তাকে কে হত্যা করেছে? তাঁদের প্রত্যেকে বললো, আমি তাকে হত্যা করেছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের তলোয়ার কি পরিস্কার করে ফেলেছো? তাঁরা বলল, না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয়ের তলোয়ার পরীক্ষা করে দেখলেন। তারপর বললেন, তোমরা উভয়েই তাকে হত্যা করেছ। অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহকে খুলে নেয়া সম্পদ প্রদানের নির্দেশ দেন। আর সে দু’বালক হলো, মু’আয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহ এবং মু’আয ইবনু ‘আফরা (রাঃ)। ( ই.ফা. ৪৪১৭, ই.সে. ৪৪১৯ )
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا يوسف بن الماجشون، عن صالح بن إبراهيم، بن عبد الرحمن بن عوف عن أبيه، عن عبد الرحمن بن عوف، أنه قال بينا أنا واقف، في الصف يوم بدر نظرت عن يميني، وشمالي، فإذا أنا بين، غلامين من الأنصار حديثة أسنانهما تمنيت لو كنت بين أضلع منهما فغمزني أحدهما . فقال يا عم هل تعرف أبا جهل قال قلت نعم وما حاجتك إليه يا ابن أخي قال أخبرت أنه يسب رسول الله صلى الله عليه وسلم والذي نفسي بيده لئن رأيته لا يفارق سوادي سواده حتى يموت الأعجل منا . قال فتعجبت لذلك فغمزني الآخر فقال مثلها - قال - فلم أنشب أن نظرت إلى أبي جهل يزول في الناس فقلت ألا تريان هذا صاحبكما الذي تسألان عنه قال فابتدراه فضرباه بسيفيهما حتى قتلاه ثم انصرفا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبراه . فقال " أيكما قتله " . فقال كل واحد منهما أنا قتلت . فقال " هل مسحتما سيفيكما " . قالا لا . فنظر في السيفين فقال " كلاكما قتله " . وقضى بسلبه لمعاذ بن عمرو بن الجموح والرجلان معاذ بن عمرو بن الجموح ومعاذ ابن عفراء .
সহিহ মুসলিম ৪৪৬৩
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا صفوان بن عمرو، عن عبد، الرحمن بن جبير بن نفير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال خرجت مع من خرج مع زيد بن حارثة في غزوة مؤتة ورافقني مددي من اليمن . وساق الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحوه غير أنه قال في الحديث قال عوف فقلت يا خالد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالسلب للقاتل قال بلى ولكني استكثرته .
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাঃ)- এর সঙ্গে যারা মুতার যুদ্ধে গিয়েছিল, তন্মধ্যে আমিও ছিলাম। ইয়ামানের একজন সাহায্যকারীও আমার সাথি হলো। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি হাদীসে বলেছেন যে, ‘আওফ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি বললাম, হে খালিদ! তুমি কি জাননা যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শত্রু থেকে ছিনিয়ে নেয়া লব্ধ সম্পদ হত্যাকারী মুজাহিদ ব্যাক্তির প্রাপ্য বলে নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, কিন্তু এই সম্পদ আমার কাছে অধিক মনে হলো। ( তাই আমি নিষেধ করেছিলাম।) ( ই.ফা. ৪৪১৯, ই.সে. ৪৪২১)
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাঃ)- এর সঙ্গে যারা মুতার যুদ্ধে গিয়েছিল, তন্মধ্যে আমিও ছিলাম। ইয়ামানের একজন সাহায্যকারীও আমার সাথি হলো। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি হাদীসে বলেছেন যে, ‘আওফ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি বললাম, হে খালিদ! তুমি কি জাননা যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শত্রু থেকে ছিনিয়ে নেয়া লব্ধ সম্পদ হত্যাকারী মুজাহিদ ব্যাক্তির প্রাপ্য বলে নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, কিন্তু এই সম্পদ আমার কাছে অধিক মনে হলো। ( তাই আমি নিষেধ করেছিলাম।) ( ই.ফা. ৪৪১৯, ই.সে. ৪৪২১)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا صفوان بن عمرو، عن عبد، الرحمن بن جبير بن نفير عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال خرجت مع من خرج مع زيد بن حارثة في غزوة مؤتة ورافقني مددي من اليمن . وساق الحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحوه غير أنه قال في الحديث قال عوف فقلت يا خالد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالسلب للقاتل قال بلى ولكني استكثرته .
সহিহ মুসলিম ৪৪৬২
وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن بن جبير، عن أبيه، عن عوف بن مالك، قال قتل رجل من حمير رجلا من العدو فأراد سلبه فمنعه خالد بن الوليد وكان واليا عليهم فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عوف بن مالك فأخبره فقال لخالد " ما منعك أن تعطيه سلبه " . قال استكثرته يا رسول الله . قال " ادفعه إليه " . فمر خالد بعوف فجر بردائه ثم قال هل أنجزت لك ما ذكرت لك من رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعه رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستغضب فقال " لا تعطه يا خالد لا تعطه يا خالد هل أنتم تاركون لي أمرائي إنما مثلكم ومثلهم كمثل رجل استرعي إبلا أو غنما فرعاها ثم تحين سقيها فأوردها حوضا فشرعت فيه فشربت صفوه وتركت كدره فصفوه لكم وكدره عليهم " .
‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুমাইর গোত্রের এক ব্যাক্তি শত্রু পক্ষের এক ব্যাক্তিকে হত্যা করল এবং তার যুদ্ধলব্ধ সম্পদ নিতে চাইল। কিন্তু তাদের সেনাপতি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। তারপর ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং ঐ ঘটনার সংবাদ দিলেন। তখন তিনি খালিদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি (নিহত ব্যাক্তির) সম্পদ তাকে প্রদান করলে না? খালিদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তার প্রচুর সম্পদ পেয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে তা দিয়ে দাও। তারপর খালিদ (রাঃ) ‘আওফ (রাঃ)-এর কাছে দিয়ে গেলেন এবং ‘আওফ (রাঃ) তার চাদর ধরে টান দিয়ে বললেন, আমি তো আগেই বলেছিলাম ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছাবো। তাই কি হয়নি? অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা শুনতে পেলেন। এতে তিনি রাগাম্বিত হলেন। এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে খালিদ! তুমি তাকে তা দেবে না! হে খালিদ! তুমি তাকে তা দেবে না ! তোমরা কি আমার নেতাদের পরিত্যাগ করবে? নিশ্চয় তোমাদের এবং তাদের দৃষ্টান্ত এমন, যেমন কোন ব্যাক্তি উট কিংবা ছাগল চড়াতে মনস্থ করলো। এবং মাঠে নিয়ে চড়াল। তারপর পিপাসার সময় পানি পান করানোর জন্য জলাশয়ে নিয়ে গেল। পরিস্কার পানি পান করতে শুরু করল এবং ঘোলাটে পানি পরিত্যাগ করল। অতঃপর এমনিভাবে পরিস্কারটা তোমাদের জন্য এবং অপরিষ্কারটা তোমাদের নেতাদের জন্য। ( ই.ফা. ৪৪১৮, ই.সে. ৪৪২০)
‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুমাইর গোত্রের এক ব্যাক্তি শত্রু পক্ষের এক ব্যাক্তিকে হত্যা করল এবং তার যুদ্ধলব্ধ সম্পদ নিতে চাইল। কিন্তু তাদের সেনাপতি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। তারপর ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন এবং ঐ ঘটনার সংবাদ দিলেন। তখন তিনি খালিদ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তুমি (নিহত ব্যাক্তির) সম্পদ তাকে প্রদান করলে না? খালিদ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি তার প্রচুর সম্পদ পেয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে তা দিয়ে দাও। তারপর খালিদ (রাঃ) ‘আওফ (রাঃ)-এর কাছে দিয়ে গেলেন এবং ‘আওফ (রাঃ) তার চাদর ধরে টান দিয়ে বললেন, আমি তো আগেই বলেছিলাম ব্যাপারটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছাবো। তাই কি হয়নি? অতএব রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা শুনতে পেলেন। এতে তিনি রাগাম্বিত হলেন। এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে খালিদ! তুমি তাকে তা দেবে না! হে খালিদ! তুমি তাকে তা দেবে না ! তোমরা কি আমার নেতাদের পরিত্যাগ করবে? নিশ্চয় তোমাদের এবং তাদের দৃষ্টান্ত এমন, যেমন কোন ব্যাক্তি উট কিংবা ছাগল চড়াতে মনস্থ করলো। এবং মাঠে নিয়ে চড়াল। তারপর পিপাসার সময় পানি পান করানোর জন্য জলাশয়ে নিয়ে গেল। পরিস্কার পানি পান করতে শুরু করল এবং ঘোলাটে পানি পরিত্যাগ করল। অতঃপর এমনিভাবে পরিস্কারটা তোমাদের জন্য এবং অপরিষ্কারটা তোমাদের নেতাদের জন্য। ( ই.ফা. ৪৪১৮, ই.সে. ৪৪২০)
وحدثني أبو الطاهر، أحمد بن عمرو بن سرح أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني معاوية بن صالح، عن عبد الرحمن بن جبير، عن أبيه، عن عوف بن مالك، قال قتل رجل من حمير رجلا من العدو فأراد سلبه فمنعه خالد بن الوليد وكان واليا عليهم فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم عوف بن مالك فأخبره فقال لخالد " ما منعك أن تعطيه سلبه " . قال استكثرته يا رسول الله . قال " ادفعه إليه " . فمر خالد بعوف فجر بردائه ثم قال هل أنجزت لك ما ذكرت لك من رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعه رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستغضب فقال " لا تعطه يا خالد لا تعطه يا خالد هل أنتم تاركون لي أمرائي إنما مثلكم ومثلهم كمثل رجل استرعي إبلا أو غنما فرعاها ثم تحين سقيها فأوردها حوضا فشرعت فيه فشربت صفوه وتركت كدره فصفوه لكم وكدره عليهم " .
সহিহ মুসলিম ৪৪৬০
وحدثنا أبو الطاهر، وحرملة، - واللفظ له - أخبرنا عبد الله بن وهب، قال سمعت مالك بن أنس، يقول حدثني يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة عن أبي قتادة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة . قال فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين فاستدرت إليه حتى أتيته من ورائه فضربته على حبل عاتقه وأقبل على فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني فلحقت عمر بن الخطاب فقال ما للناس فقلت أمر الله . ثم إن الناس رجعوا وجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " . قال فقمت فقلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال مثل ذلك فقال فقمت فقلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا قتادة " . فقصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله سلب ذلك القتيل عندي فأرضه من حقه . وقال أبو بكر الصديق لاها الله إذا لا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله وعن رسوله فيعطيك سلبه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدق فأعطه إياه " . فأعطاني قال فبعت الدرع فابتعت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام . وفي حديث الليث فقال أبو بكر كلا لا يعطيه أضيبع من قريش ويدع أسدا من أسد الله . وفي حديث الليث لأول مال تأثلته .
আবু কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধের সময় আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে বের হলাম। আমরা যখন শত্রুদের মুখোমুখি হলাম তখন মুসলিমদের মধ্যে ছুটাছুটি আরম্ভ হলো। এ সময় আমি একজন মুশরিককে দেখতে পেলাম যে, সে একজন মুসলিম এর উপর চড়াও করেছে। তখন আমি একটু ঘুরে এসে পিছন দিক দিয়ে তার কাঁধের উপর আঘাত করলাম। তখন সে আমার দিকে অগ্রসর হয়ে আমাকে এমনভাবে চেপে ধরলো যে, আমি এতে মৃত্যুর গন্ধ পেলাম। এরপর সে মৃত্যুমুখে ঢলে পরল এবং আমাকে ছেড়ে দিলো। এরপর আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে একত্রিত হলাম। তিনি বললেন, লোকদের কি হয়েছে? আমি বললাম, এ আল্লাহর ব্যাপার (ইচ্ছে)। তারপর (পলায়নপর) লোকেরা ফিরে এলো। রসুলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (যুদ্ধক্ষেত্রে) বসেছিলেন। তিনি বললেন, যে মুসলিম সৈন্য অপর কোন শত্রু সৈন্যকে হত্যা করেছে এবং এতে তার প্রমান আছে, তাহলে তার সম্পদ তারই (হত্যাকারী মুজাহিদেরই প্রাপ্য)। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম, আমার জন্য কেউ সাক্ষ্য দেবে? তারপর আমি বসে পড়লাম। তিনি আবারও সেরূপ কথা বললেন, আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম কেউ আমার জন্য সাক্ষ্য দেবে? এবং আমি বসে পড়লাম। তিনি তৃতীয়বারও ঐরূপ বলেন। তা শুনে আমি (আবার) দন্ডায়মান হলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কি হয়েছে? হে আবু কাতাদা্হ! আমি তাঁর কাছে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তখন এক ব্যাক্তি বললো, হে আল্লাহর রসূল! তিনি (আবূ কাতাদা্হ) সত্য বলেছেন। ঐ নিহত ব্যাক্তির (পরিত্যক্ত) সম্পদ আমার কাছে রক্ষিত আছে। আপনি তার হক আমাকে দেয়ার ব্যাপারে তাঁকে রাজি করিয়ে দিন। তখন আবু বাকর সিদ্দিক (রাঃ) বললেন, না, আল্লাহর কসম! তা হতে পারে না। আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য হতে কোনো এক সিংহ (যোদ্ধা) যিনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন, আর তার প্রাপ্য সম্পদ যিনি তোমাকে প্রদান করবেন এমন হতে পারে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ (আবূ বাকর) ঠিকই বলেছেন। সুতরাং তিনি তাকে (আবু কাতাদাহকেই) তা প্রদানের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তা আমাকেই দিলেন। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি তা থেকে লৌহ বর্মটি বিক্রি করলাম এবং তা দিয়ে বানী সালামার মহল্লায় একটি ফলের বাগান খরিদ করলাম। এ ছিল আমার ইসলামী জীবনের প্রথম অর্জিত সম্পদ। লায়স (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য থেকে কোন এক সিংহকে বাদ দিয়ে তা কুরায়শের কোনো শৃগালকে (কাপুরুসকে) প্রদান করেন না। লায়স (রহঃ) এর বর্ণনায় রয়েছে এটিই আমার প্রথম সম্পদ যা আমি সংগ্রহ করেছি। (ই.ফা. ৪৪১৬, ই.সে. ৪৪১৮ )
আবু কাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধের সময় আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে বের হলাম। আমরা যখন শত্রুদের মুখোমুখি হলাম তখন মুসলিমদের মধ্যে ছুটাছুটি আরম্ভ হলো। এ সময় আমি একজন মুশরিককে দেখতে পেলাম যে, সে একজন মুসলিম এর উপর চড়াও করেছে। তখন আমি একটু ঘুরে এসে পিছন দিক দিয়ে তার কাঁধের উপর আঘাত করলাম। তখন সে আমার দিকে অগ্রসর হয়ে আমাকে এমনভাবে চেপে ধরলো যে, আমি এতে মৃত্যুর গন্ধ পেলাম। এরপর সে মৃত্যুমুখে ঢলে পরল এবং আমাকে ছেড়ে দিলো। এরপর আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে একত্রিত হলাম। তিনি বললেন, লোকদের কি হয়েছে? আমি বললাম, এ আল্লাহর ব্যাপার (ইচ্ছে)। তারপর (পলায়নপর) লোকেরা ফিরে এলো। রসুলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন (যুদ্ধক্ষেত্রে) বসেছিলেন। তিনি বললেন, যে মুসলিম সৈন্য অপর কোন শত্রু সৈন্যকে হত্যা করেছে এবং এতে তার প্রমান আছে, তাহলে তার সম্পদ তারই (হত্যাকারী মুজাহিদেরই প্রাপ্য)। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম, আমার জন্য কেউ সাক্ষ্য দেবে? তারপর আমি বসে পড়লাম। তিনি আবারও সেরূপ কথা বললেন, আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম কেউ আমার জন্য সাক্ষ্য দেবে? এবং আমি বসে পড়লাম। তিনি তৃতীয়বারও ঐরূপ বলেন। তা শুনে আমি (আবার) দন্ডায়মান হলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কি হয়েছে? হে আবু কাতাদা্হ! আমি তাঁর কাছে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম। তখন এক ব্যাক্তি বললো, হে আল্লাহর রসূল! তিনি (আবূ কাতাদা্হ) সত্য বলেছেন। ঐ নিহত ব্যাক্তির (পরিত্যক্ত) সম্পদ আমার কাছে রক্ষিত আছে। আপনি তার হক আমাকে দেয়ার ব্যাপারে তাঁকে রাজি করিয়ে দিন। তখন আবু বাকর সিদ্দিক (রাঃ) বললেন, না, আল্লাহর কসম! তা হতে পারে না। আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য হতে কোনো এক সিংহ (যোদ্ধা) যিনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষে যুদ্ধ করেছেন, আর তার প্রাপ্য সম্পদ যিনি তোমাকে প্রদান করবেন এমন হতে পারে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ (আবূ বাকর) ঠিকই বলেছেন। সুতরাং তিনি তাকে (আবু কাতাদাহকেই) তা প্রদানের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তা আমাকেই দিলেন। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আমি তা থেকে লৌহ বর্মটি বিক্রি করলাম এবং তা দিয়ে বানী সালামার মহল্লায় একটি ফলের বাগান খরিদ করলাম। এ ছিল আমার ইসলামী জীবনের প্রথম অর্জিত সম্পদ। লায়স (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, আবূ বাকর (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর সিংহসমূহের মধ্য থেকে কোন এক সিংহকে বাদ দিয়ে তা কুরায়শের কোনো শৃগালকে (কাপুরুসকে) প্রদান করেন না। লায়স (রহঃ) এর বর্ণনায় রয়েছে এটিই আমার প্রথম সম্পদ যা আমি সংগ্রহ করেছি। (ই.ফা. ৪৪১৬, ই.সে. ৪৪১৮ )
وحدثنا أبو الطاهر، وحرملة، - واللفظ له - أخبرنا عبد الله بن وهب، قال سمعت مالك بن أنس، يقول حدثني يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة عن أبي قتادة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة . قال فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين فاستدرت إليه حتى أتيته من ورائه فضربته على حبل عاتقه وأقبل على فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني فلحقت عمر بن الخطاب فقال ما للناس فقلت أمر الله . ثم إن الناس رجعوا وجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " . قال فقمت فقلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال مثل ذلك فقال فقمت فقلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا قتادة " . فقصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله سلب ذلك القتيل عندي فأرضه من حقه . وقال أبو بكر الصديق لاها الله إذا لا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله وعن رسوله فيعطيك سلبه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدق فأعطه إياه " . فأعطاني قال فبعت الدرع فابتعت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام . وفي حديث الليث فقال أبو بكر كلا لا يعطيه أضيبع من قريش ويدع أسدا من أسد الله . وفي حديث الليث لأول مال تأثلته .
সহিহ মুসলিম ৪৪৬৪
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس الحنفي، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثني إياس بن سلمة، حدثني أبي سلمة بن الأكوع، قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم هوازن فبينا نحن نتضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل على جمل أحمر فأناخه ثم انتزع طلقا من حقبه فقيد به الجمل ثم تقدم يتغدى مع القوم وجعل ينظر وفينا ضعفة ورقة في الظهر وبعضنا مشاة إذ خرج يشتد فأتى جمله فأطلق قيده ثم أناخه وقعد عليه فأثاره فاشتد به الجمل فاتبعه رجل على ناقة ورقاء . قال سلمة وخرجت أشتد فكنت عند ورك الناقة . ثم تقدمت حتى كنت عند ورك الجمل ثم تقدمت حتى أخذت بخطام الجمل فأنخته فلما وضع ركبته في الأرض اخترطت سيفي فضربت رأس الرجل فندر ثم جئت بالجمل أقوده عليه رحله وسلاحه فاستقبلني رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس معه فقال " من قتل الرجل " . قالوا ابن الأكوع . قال " له سلبه أجمع " .
আবু সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাওয়াযিন গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ছিলাম। একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সকালের খাওয়ায় শামিল ছিলাম। এমন সময় এক ব্যাক্তি লাল রঙের উটে চড়ে এসে উটটিকে বসাল এবং তার কোমর থেকে একটি চামড়ার রশি বের করে এর দ্বারা সেটিকে বাধঁলো। এরপর সে এসে লোকদের সাথে সকালের নাস্তা খেতে লাগল এবং এদিক-সেদিক তাকাতে লাগলো (সে ছিলো গুপ্তচর) আমাদের মধ্যে দুর্বলতাও ছিল। সওয়ারীও কম ছিল। আমাদের কেউ কেউ পায়ে হেটেঁ চলছিল। এমন সময় সে ব্যাক্তি দ্রুত গতিতে নিজের উটের কাছে এসে এর রশি খুললো। এরপর উটটিকে বসিয়ে এর উপর সওয়ার হয়ে হাঁকালো এবং উট তাকে নিয়ে ছুটলো। তখন এক ব্যাক্তি একটি ধুসর বর্ণের উটনীর উপর আরোহণ করে তার পশ্চাদ্ধাবন করল। সালামাহ (রাঃ) বলেন, আমি বের হয়ে দৌড় দিলাম। অতঃপর আরও অগ্রসর হয়ে আমি উটনীর লাগাম ধরে ফেললাম। এবং আমি তাকে বসালাম। যখন উটটি তার হাঁটু মাটিতে রাখল, তখন আমি তলোয়ার বের করে লোকটির মাথায় আঘাত করলাম। সে মাটিতে লুটিয়ে পরল। এরপর আমি উটটি টেনে নিয়ে এলাম। এর উপর ঐ ব্যাক্তির আসবাবপত্র ও অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোক জনসহ আমাকে এগিয়ে নিলেন। তিনি বললেন, কে এই লোকটিকে হত্যা করেছে? লোকেরা বললো, ইবনু আকওয়া। তিনি বললেন, (নিহত ব্যাক্তির) থেকে খুলে আনা সমুদয় সম্পদ আকওয়ার পুত্র সালামার জন্য। (ই.ফা. ৪৪২০, ই.সে. ৪৪২২ )
আবু সালামাহ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাওয়াযিন গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ছিলাম। একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সকালের খাওয়ায় শামিল ছিলাম। এমন সময় এক ব্যাক্তি লাল রঙের উটে চড়ে এসে উটটিকে বসাল এবং তার কোমর থেকে একটি চামড়ার রশি বের করে এর দ্বারা সেটিকে বাধঁলো। এরপর সে এসে লোকদের সাথে সকালের নাস্তা খেতে লাগল এবং এদিক-সেদিক তাকাতে লাগলো (সে ছিলো গুপ্তচর) আমাদের মধ্যে দুর্বলতাও ছিল। সওয়ারীও কম ছিল। আমাদের কেউ কেউ পায়ে হেটেঁ চলছিল। এমন সময় সে ব্যাক্তি দ্রুত গতিতে নিজের উটের কাছে এসে এর রশি খুললো। এরপর উটটিকে বসিয়ে এর উপর সওয়ার হয়ে হাঁকালো এবং উট তাকে নিয়ে ছুটলো। তখন এক ব্যাক্তি একটি ধুসর বর্ণের উটনীর উপর আরোহণ করে তার পশ্চাদ্ধাবন করল। সালামাহ (রাঃ) বলেন, আমি বের হয়ে দৌড় দিলাম। অতঃপর আরও অগ্রসর হয়ে আমি উটনীর লাগাম ধরে ফেললাম। এবং আমি তাকে বসালাম। যখন উটটি তার হাঁটু মাটিতে রাখল, তখন আমি তলোয়ার বের করে লোকটির মাথায় আঘাত করলাম। সে মাটিতে লুটিয়ে পরল। এরপর আমি উটটি টেনে নিয়ে এলাম। এর উপর ঐ ব্যাক্তির আসবাবপত্র ও অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোক জনসহ আমাকে এগিয়ে নিলেন। তিনি বললেন, কে এই লোকটিকে হত্যা করেছে? লোকেরা বললো, ইবনু আকওয়া। তিনি বললেন, (নিহত ব্যাক্তির) থেকে খুলে আনা সমুদয় সম্পদ আকওয়ার পুত্র সালামার জন্য। (ই.ফা. ৪৪২০, ই.সে. ৪৪২২ )
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس الحنفي، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثني إياس بن سلمة، حدثني أبي سلمة بن الأكوع، قال غزونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم هوازن فبينا نحن نتضحى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل على جمل أحمر فأناخه ثم انتزع طلقا من حقبه فقيد به الجمل ثم تقدم يتغدى مع القوم وجعل ينظر وفينا ضعفة ورقة في الظهر وبعضنا مشاة إذ خرج يشتد فأتى جمله فأطلق قيده ثم أناخه وقعد عليه فأثاره فاشتد به الجمل فاتبعه رجل على ناقة ورقاء . قال سلمة وخرجت أشتد فكنت عند ورك الناقة . ثم تقدمت حتى كنت عند ورك الجمل ثم تقدمت حتى أخذت بخطام الجمل فأنخته فلما وضع ركبته في الأرض اخترطت سيفي فضربت رأس الرجل فندر ثم جئت بالجمل أقوده عليه رحله وسلاحه فاستقبلني رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس معه فقال " من قتل الرجل " . قالوا ابن الأكوع . قال " له سلبه أجمع " .