সহিহ মুসলিম > মালিকের বিনানুমতিতে কোন পশুর দুধ দোহন হারাম

সহিহ মুসলিম ৪৪০৩

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك بن أنس عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه أيحب أحدكم أن تؤتى مشربته فتكسر خزانته فينتقل طعامه إنما تخزن لهم ضروع مواشيهم أطعمتهم فلا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যেন কোন ব্যক্তির পশুর দুধ তার অনুমতি ব্যতীত দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার কুটিরে কিছু সঞ্চিত হোক, তারপর অন্য কেউ তার ভান্ডার ভেঙ্গে খাদ্য সামগ্রী বের করে নিয়ে যাক? এমনিভাবে পশুদের স্তন তাদের ধনাগার স্বরূপ, তাতে তারা তাদের খাদ্য সামগ্রী সঞ্চয় করে। অতঃপর কেউ যেন কারো পশুর দুগ্ধ মালিকের বিনানুমতিতে দোহন না করে। (ই.ফা. ৪৩৬২, ই.সে. ৪৩৬২)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যেন কোন ব্যক্তির পশুর দুধ তার অনুমতি ব্যতীত দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার কুটিরে কিছু সঞ্চিত হোক, তারপর অন্য কেউ তার ভান্ডার ভেঙ্গে খাদ্য সামগ্রী বের করে নিয়ে যাক? এমনিভাবে পশুদের স্তন তাদের ধনাগার স্বরূপ, তাতে তারা তাদের খাদ্য সামগ্রী সঞ্চয় করে। অতঃপর কেউ যেন কারো পশুর দুগ্ধ মালিকের বিনানুমতিতে দোহন না করে। (ই.ফা. ৪৩৬২, ই.সে. ৪৩৬২)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك بن أنس عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه أيحب أحدكم أن تؤتى مشربته فتكسر خزانته فينتقل طعامه إنما تخزن لهم ضروع مواشيهم أطعمتهم فلا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪০৪

وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن رمح، جميعا عن الليث بن سعد، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثني أبي كلاهما، عن عبيد الله، ح وحدثني أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - جميعا عن أيوب، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أمية، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر،عن أيوب، وابن، جريج عن موسى، كل هؤلاء عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ نحو حديث مالك غير أن في حديثهم جميعا ‏"‏ فينتثل ‏"‏ ‏.‏ إلا الليث بن سعد فإن في حديثه ‏"‏ فينتقل طعامه ‏"‏ ‏.‏ كرواية مالك ‏.‏

কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, আবূ রাবি’, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ ‘উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রাঃ) –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে (আরবী) রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে “তাঁর খাদ্য সামগ্রী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়” অংশটি মালিক (রাঃ) –এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৪৩৬৩, ই.সে. ৪৩৬৩)

কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইবনু নুমায়র, আবূ রাবি’, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ ‘উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মালিক (রাঃ) –এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে (আরবী) রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে “তাঁর খাদ্য সামগ্রী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়” অংশটি মালিক (রাঃ) –এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ই.ফা. ৪৩৬৩, ই.সে. ৪৩৬৩)

وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن رمح، جميعا عن الليث بن سعد، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، ح وحدثنا ابن نمير، حدثني أبي كلاهما، عن عبيد الله، ح وحدثني أبو الربيع، وأبو كامل قالا حدثنا حماد، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - جميعا عن أيوب، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن إسماعيل بن أمية، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر،عن أيوب، وابن، جريج عن موسى، كل هؤلاء عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ نحو حديث مالك غير أن في حديثهم جميعا ‏"‏ فينتثل ‏"‏ ‏.‏ إلا الليث بن سعد فإن في حديثه ‏"‏ فينتقل طعامه ‏"‏ ‏.‏ كرواية مالك ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মেহমানদের আপ্যায়ন এবং অনুরূপ বিষয়

সহিহ মুসলিম ৪৪০৬

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي شريح الخزاعي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الضيافة ثلاثة أيام وجائزته يوم وليلة ولا يحل لرجل مسلم أن يقيم عند أخيه حتى يؤثمه ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وكيف يؤثمه قال ‏"‏ يقيم عنده ولا شىء له يقريه به ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ খুযা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মেহমানদারী তিন দিন এবং উত্তমরূপে মেহমানদারী একদিন ও একরাত্রি। কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে সে তার ভাই-এর নিকট অবস্থান করে তাকে পাপে নিপতিত করবে। তখন সাহাবাগন বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিভাবে সে তাকে পাপে নিপতিত করবে? তিনি বললেন, সে (মেহমান) তার নিকট (এমন বেশী দিন) থাকবে, অথচ তার (মেযবানের) এমন সম্বল নেই যা দ্বারা সে তার মেহমেনদারী করবে। (ই.ফা. ৪৩৬৫, ই.সে. ৪৩৬৫)

আবূ শুরাইহ্‌ খুযা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মেহমানদারী তিন দিন এবং উত্তমরূপে মেহমানদারী একদিন ও একরাত্রি। কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে সে তার ভাই-এর নিকট অবস্থান করে তাকে পাপে নিপতিত করবে। তখন সাহাবাগন বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)! কিভাবে সে তাকে পাপে নিপতিত করবে? তিনি বললেন, সে (মেহমান) তার নিকট (এমন বেশী দিন) থাকবে, অথচ তার (মেযবানের) এমন সম্বল নেই যা দ্বারা সে তার মেহমেনদারী করবে। (ই.ফা. ৪৩৬৫, ই.সে. ৪৩৬৫)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي شريح الخزاعي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الضيافة ثلاثة أيام وجائزته يوم وليلة ولا يحل لرجل مسلم أن يقيم عند أخيه حتى يؤثمه ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله وكيف يؤثمه قال ‏"‏ يقيم عنده ولا شىء له يقريه به ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪০৭

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا عبد الحميد، بن جعفر حدثنا سعيد المقبري، أنه سمع أبا شريح الخزاعي، يقول سمعت أذناى، وبصر، عيني ووعاه قلبي حين تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث الليث وذكر فيه ‏ "‏ ولا يحل لأحدكم أن يقيم عند أخيه حتى يؤثمه ‏"‏ ‏.‏ بمثل ما في حديث وكيع ‏.‏

আবূ শুরায়হ্ খুযা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দু’কান শুনেছে, আমার দু’চক্ষু দেখেছে এবং আমার অন্তর স্মরণ রেখেছে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি লায়স-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন, কারো জন্য বৈধ নয় তার ভাই-এর নিকট এত সময় অবস্থান করা, যা’তে সে তাকে পাপে ফেলে দেয়। বাকী অংশ ওয়াকী‘ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৩৬৬, ই.সে. ৪৩৬৬)

আবূ শুরায়হ্ খুযা‘ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দু’কান শুনেছে, আমার দু’চক্ষু দেখেছে এবং আমার অন্তর স্মরণ রেখেছে যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি লায়স-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন, কারো জন্য বৈধ নয় তার ভাই-এর নিকট এত সময় অবস্থান করা, যা’তে সে তাকে পাপে ফেলে দেয়। বাকী অংশ ওয়াকী‘ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৪৩৬৬, ই.সে. ৪৩৬৬)

وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا عبد الحميد، بن جعفر حدثنا سعيد المقبري، أنه سمع أبا شريح الخزاعي، يقول سمعت أذناى، وبصر، عيني ووعاه قلبي حين تكلم به رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث الليث وذكر فيه ‏ "‏ ولا يحل لأحدكم أن يقيم عند أخيه حتى يؤثمه ‏"‏ ‏.‏ بمثل ما في حديث وكيع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪০৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فلا يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏ ‏.‏

‘উকবাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের (বিভিন্ন স্থানে) পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ করি, যারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃযদি তোমরা কোন সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ কর, আর তারা তোমাদের জন্য এমন সব আসবাব পত্র প্রদান করার হুকুম করে যা মেহমানদারীর জন্য প্রয়োজন, তবে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তারা তা না করে তবে তোমরা তাদের থেকে মেহমানদারীর হক আদায় করে নেবে, যা তাদের করণীয়। (ই. ফা. ৪৩৬৭, ই. সে. ৪৩৬৭)

‘উকবাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বললাম হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের (বিভিন্ন স্থানে) পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ করি, যারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃযদি তোমরা কোন সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ কর, আর তারা তোমাদের জন্য এমন সব আসবাব পত্র প্রদান করার হুকুম করে যা মেহমানদারীর জন্য প্রয়োজন, তবে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তারা তা না করে তবে তোমরা তাদের থেকে মেহমানদারীর হক আদায় করে নেবে, যা তাদের করণীয়। (ই. ফা. ৪৩৬৭, ই. সে. ৪৩৬৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فلا يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৪০৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال سمعت أذناى، وأبصرت، عيناى حين تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته ‏"‏ ‏.‏ قالوا وما جائزته يا رسول الله قال ‏"‏ يومه وليلته والضيافة ثلاثة أيام فما كان وراء ذلك فهو صدقة عليه - وقال - من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দু’কান শুনেছে এবং দু’চক্ষু দেখেছে, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালভাবে নিজ মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। তখন সাহাবীগন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)! ভালভাবে মানে কি? তখন তিনি বললেন, তাকে একদিন ও এক রাত্রি আপ্যায়ন করবে। আর (সাধারনভাবে) মেহমানদারীর সময়কাল তিন দিন। এর চাইতে বেশি দিন মেহমানদারী করা তার জন্য সাদকাহ্‌ স্বরূপ। তিনি আরো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। [দ্রষ্টব্য হাদীস ১৭৬] (ই.ফা. ৪৩৬৪, ই.সে. ৪৩৬৪)

আবূ শুরাইহ্‌ ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার দু’কান শুনেছে এবং দু’চক্ষু দেখেছে, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালভাবে নিজ মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। তখন সাহাবীগন বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)! ভালভাবে মানে কি? তখন তিনি বললেন, তাকে একদিন ও এক রাত্রি আপ্যায়ন করবে। আর (সাধারনভাবে) মেহমানদারীর সময়কাল তিন দিন। এর চাইতে বেশি দিন মেহমানদারী করা তার জন্য সাদকাহ্‌ স্বরূপ। তিনি আরো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। [দ্রষ্টব্য হাদীস ১৭৬] (ই.ফা. ৪৩৬৪, ই.সে. ৪৩৬৪)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال سمعت أذناى، وأبصرت، عيناى حين تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته ‏"‏ ‏.‏ قالوا وما جائزته يا رسول الله قال ‏"‏ يومه وليلته والضيافة ثلاثة أيام فما كان وراء ذلك فهو صدقة عليه - وقال - من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > নিজের প্রয়োজনাতিরিক্ত সম্পদের দ্বারা অন্যের সহায়তা করা মুসতাহাব

সহিহ মুসলিম ৪৪০৯

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال بينما نحن في سفر مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل على راحلة له قال فجعل يصرف بصره يمينا وشمالا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كان معه فضل ظهر فليعد به على من لا ظهر له ومن كان له فضل من زاد فليعد به على من لا زاد له ‏"‏ ‏.‏ قال فذكر من أصناف المال ما ذكر حتى رأينا أنه لا حق لأحد منا في فضل ‏.‏

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সওয়ারীতে আরোহণ করে তাঁর কাছে এলো এবং ডানদিকে ও বামদিকে তাকাতে লাগলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃযার কাছে আরোহণের কোন অতিরিক্ত বাহন থাকে, সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার কোন বাহন নেই। আর যার কাছে অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য থাকে সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার খাদ্যদ্রব্য নেই। তারপর তিনি বিভিন্ন প্রকার সম্পদ সম্পর্কে এমনিভানে বললেন। এমনকি আমাদের মনে হল যে, অতিরিক্ত সম্পদের মধ্যে আমাদের কারো কোন অধিকার নেই। (ই.ফা. ৪৩৬৮, ই.সে. ৪৩৬৮)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সওয়ারীতে আরোহণ করে তাঁর কাছে এলো এবং ডানদিকে ও বামদিকে তাকাতে লাগলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃযার কাছে আরোহণের কোন অতিরিক্ত বাহন থাকে, সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার কোন বাহন নেই। আর যার কাছে অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য থাকে সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার খাদ্যদ্রব্য নেই। তারপর তিনি বিভিন্ন প্রকার সম্পদ সম্পর্কে এমনিভানে বললেন। এমনকি আমাদের মনে হল যে, অতিরিক্ত সম্পদের মধ্যে আমাদের কারো কোন অধিকার নেই। (ই.ফা. ৪৩৬৮, ই.সে. ৪৩৬৮)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا أبو الأشهب، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، قال بينما نحن في سفر مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل على راحلة له قال فجعل يصرف بصره يمينا وشمالا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من كان معه فضل ظهر فليعد به على من لا ظهر له ومن كان له فضل من زاد فليعد به على من لا زاد له ‏"‏ ‏.‏ قال فذكر من أصناف المال ما ذكر حتى رأينا أنه لا حق لأحد منا في فضل ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যখন খাদ্যদ্রব্য পরিমাণে কম হয় তখন সমস্ত খাদ্যদ্রব্য একত্রে মিলিয়ে ফেলা এবং তদদ্বারা একে অন্যকে সাহায্য করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৪৪১০

حدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا النضر، - يعني ابن محمد اليمامي - حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إياس بن سلمة، عن أبيه، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة فأصابنا جهد حتى هممنا أن ننحر بعض ظهرنا فأمر نبي الله صلى الله عليه وسلم فجمعنا مزاودنا فبسطنا له نطعا فاجتمع زاد القوم على النطع قال فتطاولت لأحزره كم هو فحزرته كربضة العنز ونحن أربع عشرة مائة قال فأكلنا حتى شبعنا جميعا ثم حشونا جربنا فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فهل من وضوء ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل بإداوة له فيها نطفة فأفرغها في قدح فتوضأنا كلنا ندغفقه دغفقة أربع عشرة مائة ‏.‏ قال ثم جاء بعد ذلك ثمانية فقالوا هل من طهور فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فرغ الوضوء ‏"‏ ‏.‏

সালামাহ্ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক যুদ্ধে গিয়েছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে খাদ্যের অভাব দেখা দিল। অবশেষে আমাদের কিছু সওয়ারীর বাহন যাবাহ করার কথা ইচ্ছা করেছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশে আমরা আমাদের খাদ্যদ্রব্য একত্রিত করলাম। আমরা একটি চামড়া বিছালাম এবং তাতে লোকদের খাদ্যদ্রব্য জমা করা হল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সেটির প্রশস্ততা অনুমান করার জন্য দাঁড়ালাম এবং আমি আন্দাজ করলাম সেটি একটি ছাগল বসার স্থানের সমান। আর আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ’। রাবী বলেন, আমরা সকলেই তৃপ্তির সাথে খেলাম। তারপর আমাদের নিজ নিজ খাদ্য রাখার থলে পূর্ণ করে নিলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃওযূর জন্য কি পানি আছে? বর্ণনাকারী বলেন, এক ব্যক্তি তার পাত্রে সামান্য পানি নিয়ে এগিয়ে এল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) তা একটি বড় পাত্রে ঢেলে দিলেন। এরপর আমরা চৌদ্দশ’ লোক সকলেই তার থেকে পানি ঢেলে ঢেলে ওযূ করলাম। তারপর আরো আটজন লোক এসে বলল, ওযূর জন্য কি পানি আছে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃওযূর পানি সমাপ্ত হয়ে গেছে। (ই. ফা ৪৩৬৯, ই. সে. ৪৩৬৯)

সালামাহ্ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এক যুদ্ধে গিয়েছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে খাদ্যের অভাব দেখা দিল। অবশেষে আমাদের কিছু সওয়ারীর বাহন যাবাহ করার কথা ইচ্ছা করেছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশে আমরা আমাদের খাদ্যদ্রব্য একত্রিত করলাম। আমরা একটি চামড়া বিছালাম এবং তাতে লোকদের খাদ্যদ্রব্য জমা করা হল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সেটির প্রশস্ততা অনুমান করার জন্য দাঁড়ালাম এবং আমি আন্দাজ করলাম সেটি একটি ছাগল বসার স্থানের সমান। আর আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ’। রাবী বলেন, আমরা সকলেই তৃপ্তির সাথে খেলাম। তারপর আমাদের নিজ নিজ খাদ্য রাখার থলে পূর্ণ করে নিলাম। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃওযূর জন্য কি পানি আছে? বর্ণনাকারী বলেন, এক ব্যক্তি তার পাত্রে সামান্য পানি নিয়ে এগিয়ে এল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) তা একটি বড় পাত্রে ঢেলে দিলেন। এরপর আমরা চৌদ্দশ’ লোক সকলেই তার থেকে পানি ঢেলে ঢেলে ওযূ করলাম। তারপর আরো আটজন লোক এসে বলল, ওযূর জন্য কি পানি আছে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃওযূর পানি সমাপ্ত হয়ে গেছে। (ই. ফা ৪৩৬৯, ই. সে. ৪৩৬৯)

حدثني أحمد بن يوسف الأزدي، حدثنا النضر، - يعني ابن محمد اليمامي - حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا إياس بن سلمة، عن أبيه، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة فأصابنا جهد حتى هممنا أن ننحر بعض ظهرنا فأمر نبي الله صلى الله عليه وسلم فجمعنا مزاودنا فبسطنا له نطعا فاجتمع زاد القوم على النطع قال فتطاولت لأحزره كم هو فحزرته كربضة العنز ونحن أربع عشرة مائة قال فأكلنا حتى شبعنا جميعا ثم حشونا جربنا فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فهل من وضوء ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل بإداوة له فيها نطفة فأفرغها في قدح فتوضأنا كلنا ندغفقه دغفقة أربع عشرة مائة ‏.‏ قال ثم جاء بعد ذلك ثمانية فقالوا هل من طهور فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فرغ الوضوء ‏"‏ ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00