সহিহ মুসলিম > অন্যায় হক প্রতিষ্ঠিত হয় না বিচারকের সদৃশ ফায়সালায়

সহিহ মুসলিম ৪৩৬৮

وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث يونس ‏.‏ وفي حديث معمر قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم لجبة خصم بباب أم سلمة ‏.‏

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মা’মার (রহঃ)-এর হাদীসে (আরবী) –এর পরিবর্তে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল উম্মু সালামার (হুজরার) দরজাতে শুনতে পেলেন। (ই. ফা. ৪৩২৭, ই. সে. ৪৩২৮)

যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে ইউনুস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মা’মার (রহঃ)-এর হাদীসে (আরবী) –এর পরিবর্তে (আরবী) উল্লেখ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল উম্মু সালামার (হুজরার) দরজাতে শুনতে পেলেন। (ই. ফা. ৪৩২৭, ই. সে. ৪৩২৮)

وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، بهذا الإسناد نحو حديث يونس ‏.‏ وفي حديث معمر قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم لجبة خصم بباب أم سلمة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৬৬

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن، نمير كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن، نمير كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৬৭

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أخبرني عروة بن الزبير، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سمع جلبة خصم بباب حجرته فخرج إليهم فقال ‏ "‏ إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضهم أن يكون أبلغ من بعض فأحسب أنه صادق فأقضي له فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليحملها أو يذرها ‏"‏ ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হুজ্‌রার দ্বার প্রান্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ আর আমার কাছে কোন মুকাদ্দমা দায়েরকারী আসে। তাদের একজনের চেয়ে অন্যজন খুব ভাল করে কথা বলতে জানে। আমি তখন মনে করি সেই সঠিক, তাতে আমি তার পক্ষে রায় প্রদান করি। আমি যার পক্ষে (অপর)মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। অতএব সে তা গ্রহন করুক কিংবা ছেড়ে দিক। (ই. ফা. ৪৩২৬, ই. সে. ৪৩২৭)

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হুজ্‌রার দ্বার প্রান্তে জনৈক ঝগড়াকারীর শোরগোল শুনতে পেলেন। তখন তিনি তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন, আমি তো একজন মানুষ আর আমার কাছে কোন মুকাদ্দমা দায়েরকারী আসে। তাদের একজনের চেয়ে অন্যজন খুব ভাল করে কথা বলতে জানে। আমি তখন মনে করি সেই সঠিক, তাতে আমি তার পক্ষে রায় প্রদান করি। আমি যার পক্ষে (অপর)মুসলিমদের হকের ব্যাপারে রায় দেই, তা বস্তুত জাহান্নামের একটি টুকরা। অতএব সে তা গ্রহন করুক কিংবা ছেড়ে দিক। (ই. ফা. ৪৩২৬, ই. সে. ৪৩২৭)

وحدثني حرملة بن يحيى، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن، شهاب أخبرني عروة بن الزبير، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سمع جلبة خصم بباب حجرته فخرج إليهم فقال ‏ "‏ إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضهم أن يكون أبلغ من بعض فأحسب أنه صادق فأقضي له فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليحملها أو يذرها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৪৩৬৫

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنكم تختصمون إلى ولعل بعضكم أن يكون ألحن بحجته من بعض فأقضي له على نحو مما أسمع منه فمن قطعت له من حق أخيه شيئا فلا يأخذه فإنما أقطع له به قطعة من النار ‏"‏ ‏.‏

উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মুকাদ্দমা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অপরজন অপেক্ষা অধিক বাকপটু হয়ে যুক্তি খাটিয়ে স্বীয় দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কর। আমি কথা শুনে তাঁর অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়ত এতে তার কোন অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড আগুন প্রদান করলাম। (ই. ফা. ৪৩২৪, ই. সে. ৪৩২৫)

উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মুকাদ্দমা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অপরজন অপেক্ষা অধিক বাকপটু হয়ে যুক্তি খাটিয়ে স্বীয় দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা কর। আমি কথা শুনে তাঁর অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়ত এতে তার কোন অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড আগুন প্রদান করলাম। (ই. ফা. ৪৩২৪, ই. সে. ৪৩২৫)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا أبو معاوية، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنكم تختصمون إلى ولعل بعضكم أن يكون ألحن بحجته من بعض فأقضي له على نحو مما أسمع منه فمن قطعت له من حق أخيه شيئا فلا يأخذه فإنما أقطع له به قطعة من النار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > ‘হিন্দার ঘটনা’

সহিহ মুসলিম ৪৩৭১

وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت جاءت هند إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله والله ما كان على ظهر الأرض أهل خباء أحب إلى من أن يذلهم الله من أهل خبائك وما على ظهر الأرض أهل خباء أحب إلى من أن يعزهم الله من أهل خبائك ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأيضا والذي نفسي بيده ‏"‏ ‏.‏ ثم قالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل ممسك فهل على حرج أن أنفق على عياله من ماله بغير إذنه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا حرج عليك أن تنفقي عليهم بالمعروف ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবেনা। (ই. ফা. ৪৩৩০, ই. সে. ৪৩৩১)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবেনা। (ই. ফা. ৪৩৩০, ই. সে. ৪৩৩১)

وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت جاءت هند إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله والله ما كان على ظهر الأرض أهل خباء أحب إلى من أن يذلهم الله من أهل خبائك وما على ظهر الأرض أهل خباء أحب إلى من أن يعزهم الله من أهل خبائك ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأيضا والذي نفسي بيده ‏"‏ ‏.‏ ثم قالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل ممسك فهل على حرج أن أنفق على عياله من ماله بغير إذنه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا حرج عليك أن تنفقي عليهم بالمعروف ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭২

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي الزهري، عن عمه، أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت جاءت هند بنت عتبة بن ربيعة فقالت يا رسول الله والله ما كان على ظهر الأرض خباء أحب إلى من أن يذلوا من أهل خبائك وما أصبح اليوم على ظهر الأرض خباء أحب إلى من أن يعزوا من أهل خبائك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأيضا والذي نفسي بيده ‏"‏ ‏.‏ ثم قالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل مسيك فهل على حرج من أن أطعم من الذي له عيالنا فقال لها ‏"‏ لا إلا بالمعروف ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা ইনু রবী’য়াহ্‌, এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মুসলিম হওয়ার পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর আজ (মুসলিম হওয়ার পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তারপর হিন্দা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেনঃ না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে। (ই. ফা. ৪৩৩১, ই. সে. ৪৩৩২)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা ইনু রবী’য়াহ্‌, এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! (মুসলিম হওয়ার পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্চিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিলনা। আর আজ (মুসলিম হওয়ার পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে মহান আল্লাহর কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে। তারপর হিন্দা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে? তিনি বললেনঃ না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে। (ই. ফা. ৪৩৩১, ই. সে. ৪৩৩২)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا ابن أخي الزهري، عن عمه، أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، قالت جاءت هند بنت عتبة بن ربيعة فقالت يا رسول الله والله ما كان على ظهر الأرض خباء أحب إلى من أن يذلوا من أهل خبائك وما أصبح اليوم على ظهر الأرض خباء أحب إلى من أن يعزوا من أهل خبائك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأيضا والذي نفسي بيده ‏"‏ ‏.‏ ثم قالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل مسيك فهل على حرج من أن أطعم من الذي له عيالنا فقال لها ‏"‏ لا إلا بالمعروف ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৬৯

حدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت دخلت هند بنت عتبة امرأة أبي سفيان على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل شحيح لا يعطيني من النفقة ما يكفيني ويكفي بني إلا ما أخذت من ماله بغير علمه ‏.‏ فهل على في ذلك من جناح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذي من ماله بالمعروف ما يكفيك ويكفي بنيك ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহন করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ই. ফা. ৪৩২৮, ই. সে. ৪৩২৯)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিন্দা বিন্‌ত উত্‌বা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আবূ সুফ্‌ইয়ান একজন কৃপণ ব্যক্তি। তিনি আমার এবং আমার সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করেন না। তবে আমি তাকে না জানিয়েই তার সম্পদ থেকে প্রয়োজনীয় খরচাদি গ্রহন করে থাকি। এতে কি আমার কোন পাপ হবে? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সম্পদ থেকে ততটুকু গ্রহণ করতে পার, যা তোমার ও তোমার সন্তানদের জন্য যথেষ্ট হয়। (ই. ফা. ৪৩২৮, ই. সে. ৪৩২৯)

حدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت دخلت هند بنت عتبة امرأة أبي سفيان على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن أبا سفيان رجل شحيح لا يعطيني من النفقة ما يكفيني ويكفي بني إلا ما أخذت من ماله بغير علمه ‏.‏ فهل على في ذلك من جناح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ خذي من ماله بالمعروف ما يكفيك ويكفي بنيك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭০

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو كريب كلاهما عن عبد الله بن نمير، ووكيع ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - كلهم عن هشام، بهذا الإسناد ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩২৯, ই. সে. ৪৩৩০)

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ কুরায়ব, ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে এ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩২৯, ই. সে. ৪৩৩০)

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، وأبو كريب كلاهما عن عبد الله بن نمير، ووكيع ح وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا ابن أبي فديك، أخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - كلهم عن هشام، بهذا الإسناد ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৪৩৭৩

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يرضى لكم ثلاثا ويكره لكم ثلاثا فيرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا ولا تفرقوا ويكره لكم قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হলঃ ১. তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত করবে, ২. তাঁর সঙ্গে কিছুই শারীক করবেনা এবং ৩. তোমরা সম্মিলিতভাবে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না। আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেনঃ ১. নিরর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩২, ই. সে. ৪৩৩৩)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হলঃ ১. তোমরা তাঁরই ‘ইবাদাত করবে, ২. তাঁর সঙ্গে কিছুই শারীক করবেনা এবং ৩. তোমরা সম্মিলিতভাবে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না। আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেনঃ ১. নিরর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩২, ই. সে. ৪৩৩৩)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله يرضى لكم ثلاثا ويكره لكم ثلاثا فيرضى لكم أن تعبدوه ولا تشركوا به شيئا وأن تعتصموا بحبل الله جميعا ولا تفرقوا ويكره لكم قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن خالد الحذاء، حدثني ابن أشوع، عن الشعبي، حدثني كاتب المغيرة بن شعبة، قال كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى بشىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فكتب إليه أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله كره لكم ثلاثا قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال ‏"‏ ‏.‏

শা’বি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ)-এর লেখক আমাকে বলেছেন যে, মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) মুগীরাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলেন, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে অবহিত করুন। তখন তিনি তাঁকে লিখলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ ১. অনর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. সম্পদ বিনষ্ট করা এবং ৩. বেশী বেশী প্রশ্ন করা। (ই. ফা. ৪৩৩৬, ই. সে. ৪৩৩৭)

শা’বি (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ)-এর লেখক আমাকে বলেছেন যে, মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ) মুগীরাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলেন, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে অবহিত করুন। তখন তিনি তাঁকে লিখলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ ১. অনর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. সম্পদ বিনষ্ট করা এবং ৩. বেশী বেশী প্রশ্ন করা। (ই. ফা. ৪৩৩৬, ই. সে. ৪৩৩৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن خالد الحذاء، حدثني ابن أشوع، عن الشعبي، حدثني كاتب المغيرة بن شعبة، قال كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى بشىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فكتب إليه أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله كره لكم ثلاثا قيل وقال وإضاعة المال وكثرة السؤال ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৮

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، عن محمد بن سوقة، أخبرنا محمد بن عبيد الله الثقفي، عن وراد، قال كتب المغيرة إلى معاوية سلام عليك أما بعد فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله حرم ثلاثا ونهى عن ثلاث حرم عقوق الوالد ووأد البنات ولا وهات ‏.‏ ونهى عن ثلاث قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏

ওয়ার্‌রাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ (রাঃ) মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি হারাম করেছেনঃ পিতা-মাতার নাফরমানী, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং পাওনাদারের হক আদায় না করা। আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং ৩. ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৭, ই. সে. ৪৩৩৮)

ওয়ার্‌রাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মুগীরাহ্‌ (রাঃ) মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি হারাম করেছেনঃ পিতা-মাতার নাফরমানী, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং পাওনাদারের হক আদায় না করা। আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা, ২. অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং ৩. ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৭, ই. সে. ৪৩৩৮)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، عن محمد بن سوقة، أخبرنا محمد بن عبيد الله الثقفي، عن وراد، قال كتب المغيرة إلى معاوية سلام عليك أما بعد فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إن الله حرم ثلاثا ونهى عن ثلاث حرم عقوق الوالد ووأد البنات ولا وهات ‏.‏ ونهى عن ثلاث قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৪

وحدثنا شيبان بن فروخ، أخبرنا أبو عوانة، عن سهيل، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنه قال ويسخط لكم ثلاثا ‏.‏ ولم يذكر ولا تفرقوا ‏.‏

সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ “এবং তিনি তোমাদের তিনটি কাজে রাগাম্বিত হন”। “এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩৩৩, ই. সে. ৪৩৩৪)

সুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ “এবং তিনি তোমাদের তিনটি কাজে রাগাম্বিত হন”। “এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩৩৩, ই. সে. ৪৩৩৪)

وحدثنا شيبان بن فروخ، أخبرنا أبو عوانة، عن سهيل، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله غير أنه قال ويسخط لكم ثلاثا ‏.‏ ولم يذكر ولا تفرقوا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৫

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن الشعبي، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة عن المغيرة بن شعبة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله عز وجل حرم عليكم عقوق الأمهات ووأد البنات ومنعا وهات وكره لكم ثلاثا قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏

মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়েদের অবাধ্য হওয়া, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ ১. নিরর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৪, ই. সে. ৪৩৩৫)

মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়েদের অবাধ্য হওয়া, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ ১. নিরর্থক কথা-বার্তা বলা, ২. অধিক প্রশ্ন করা এবং ৩. সম্পদ বিনষ্ট করা। (ই. ফা. ৪৩৩৪, ই. সে. ৪৩৩৫)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن الشعبي، عن وراد، مولى المغيرة بن شعبة عن المغيرة بن شعبة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله عز وجل حرم عليكم عقوق الأمهات ووأد البنات ومنعا وهات وكره لكم ثلاثا قيل وقال وكثرة السؤال وإضاعة المال ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৬

وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن منصور، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ غير أنه قال وحرم عليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يقل إن الله حرم عليكم ‏.‏

মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্ত তিনি “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” স্থলে বলেছেন “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের উপর হারাম করেছেন। (ই. ফা. ৪৩৩৫, ই. সে. ৪৩৩৬)

মানসূর (রহঃ) হতে উক্ত সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্ত তিনি “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” স্থলে বলেছেন “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের উপর হারাম করেছেন। (ই. ফা. ৪৩৩৫, ই. সে. ৪৩৩৬)

وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن منصور، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ غير أنه قال وحرم عليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ولم يقل إن الله حرم عليكم ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বিচারকের প্রতিদান, প্রচেষ্টার পর সে যথাযথ সমাধানে পৌঁছুক বা ভুল করুক

সহিহ মুসলিম ৪৩৮০

وحدثني إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن أبي عمر، كلاهما عن عبد العزيز بن، محمد بهذا الإسناد مثله وزاد في عقب الحديث قال يزيد فحدثت هذا الحديث أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم فقال هكذا حدثني أبو سلمة عن أبي هريرة ‏.‏

ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং হাদীসের শেষাংশে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন, রাবী ইযাযীদ বলেন, আমি হাদীসটি আবূ বকর ইবনু ‘আম্‌র ইবনু হায্ম (রহঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন যে, আমার কাছে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে আবূ সালমাহ্ (রহঃ)-এরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ৪৩৩৯, ই. সে. ৪৩৪০)

ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং হাদীসের শেষাংশে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন, রাবী ইযাযীদ বলেন, আমি হাদীসটি আবূ বকর ইবনু ‘আম্‌র ইবনু হায্ম (রহঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন যে, আমার কাছে আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) থেকে আবূ সালমাহ্ (রহঃ)-এরূপ বলেছেন। (ই. ফা. ৪৩৩৯, ই. সে. ৪৩৪০)

وحدثني إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن أبي عمر، كلاهما عن عبد العزيز بن، محمد بهذا الإسناد مثله وزاد في عقب الحديث قال يزيد فحدثت هذا الحديث أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم فقال هكذا حدثني أبو سلمة عن أبي هريرة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৭৯

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، عن يزيد بن عبد، الله بن أسامة بن الهاد عن محمد بن إبراهيم، عن بسر بن سعيد، عن أبي قيس، مولى عمرو بن العاص عن عمرو بن العاص، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا حكم الحاكم فاجتهد ثم أصاب فله أجران ‏.‏ وإذا حكم فاجتهد ثم أخطأ فله أجر ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কোন বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর সমাধান প্রদান করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেন, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুন পুরস্কার। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদান করেন তারপরও তিনি ভুল করেন, তবুও তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার। [২৯] (ই.ফা. ৪৩৩৮, ই.সে. ৪৩৩৯)

‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কোন বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর সমাধান প্রদান করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেন, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুন পুরস্কার। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদান করেন তারপরও তিনি ভুল করেন, তবুও তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার। [২৯] (ই.ফা. ৪৩৩৮, ই.সে. ৪৩৩৯)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، عن يزيد بن عبد، الله بن أسامة بن الهاد عن محمد بن إبراهيم، عن بسر بن سعيد، عن أبي قيس، مولى عمرو بن العاص عن عمرو بن العاص، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا حكم الحاكم فاجتهد ثم أصاب فله أجران ‏.‏ وإذا حكم فاجتهد ثم أخطأ فله أجر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৮১

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا مروان، - يعني ابن محمد الدمشقي - حدثنا الليث بن سعد، حدثني يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد الليثي، بهذا الحديث مثل رواية عبد العزيز بن محمد بالإسنادين جميعا ‏.‏

ইয়াযীদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

হাদীসটি উভয় সূত্রে ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর বর্ণিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩৪০, ই. সে. ৪৩৪০)

ইয়াযীদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

হাদীসটি উভয় সূত্রে ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর বর্ণিত রিওয়ায়াতের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩৪০, ই. সে. ৪৩৪০)

وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا مروان، - يعني ابن محمد الدمشقي - حدثنا الليث بن سعد، حدثني يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد الليثي، بهذا الحديث مثل رواية عبد العزيز بن محمد بالإسنادين جميعا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00