সহিহ মুসলিম > প্রসূতিদের ‘হদ্দ’- এর ব্যাপারে বিলম্ব করা
সহিহ মুসলিম ৪৩৪২
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا سليمان أبو داود، حدثنا زائدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، قال خطب علي فقال يا أيها الناس أقيموا على أرقائكم الحد من أحصن منهم ومن لم يحصن فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت فأمرني أن أجلدها فإذا هي حديث عهد بنفاس فخشيت إن أنا جلدتها أن أقتلها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " أحسنت " .
আবূ ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) এক ভাষণে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের (ব্যাভিচারী) দাস-দাসীদের উপর শরী’আতের হুকুম “হদ্দ কার্যকর কর, তারা বিবাহিত হোক অথবা অবিবাহিত হোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর এক দাসী ব্যভিচার করেছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমি যেন তাকে (দাসীটিকে) বেত্রাঘাত করি। সে তখন (নিফাস) সদ্য প্রসূতি অবস্থায় ছিল। আমি তখন ভয় করলাম যে, এমতাবস্থায় যদি আমি তাকে বেত্রাঘাত করি- তবে হয়তো তাকে মেরেই ফেলবো। এ ঘটনা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছো। (ই. ফা. ৪৩০১, ই. সে. ৪৩০২)
আবূ ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) এক ভাষণে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের (ব্যাভিচারী) দাস-দাসীদের উপর শরী’আতের হুকুম “হদ্দ কার্যকর কর, তারা বিবাহিত হোক অথবা অবিবাহিত হোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর এক দাসী ব্যভিচার করেছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমি যেন তাকে (দাসীটিকে) বেত্রাঘাত করি। সে তখন (নিফাস) সদ্য প্রসূতি অবস্থায় ছিল। আমি তখন ভয় করলাম যে, এমতাবস্থায় যদি আমি তাকে বেত্রাঘাত করি- তবে হয়তো তাকে মেরেই ফেলবো। এ ঘটনা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছো। (ই. ফা. ৪৩০১, ই. সে. ৪৩০২)
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا سليمان أبو داود، حدثنا زائدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، قال خطب علي فقال يا أيها الناس أقيموا على أرقائكم الحد من أحصن منهم ومن لم يحصن فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت فأمرني أن أجلدها فإذا هي حديث عهد بنفاس فخشيت إن أنا جلدتها أن أقتلها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " أحسنت " .
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৩
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا إسرائيل، عن السدي، بهذا الإسناد ولم يذكر من أحصن منهم ومن لم يحصن . وزاد في الحديث " اتركها حتى تماثل " .
সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত” এ কথার উল্লেখ করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষন না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়”। (ই. ফা. ৪৩০২, ই. সে. ৪৩০৩)
সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত” এ কথার উল্লেখ করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষন না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়”। (ই. ফা. ৪৩০২, ই. সে. ৪৩০৩)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا إسرائيل، عن السدي، بهذا الإسناد ولم يذكر من أحصن منهم ومن لم يحصن . وزاد في الحديث " اتركها حتى تماثل " .
সহিহ মুসলিম > মদ্যপানের শাস্তি
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، أنوسلم كان يضرب في الخمر بالنعال والجريد أربعين . ثم ذكر نحو حديثهما ولم يذكر الريف والقرى .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানের অপরাধে জুতো এবং খেজুরের ডাল দ্বারা চল্লিশটি আঘাত করতেন। অতঃপর ওয়াকী’ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনাকারীদ্বয়ের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আর তিনি ...... ‘পানি ও বসতি’ কথাটির উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩০৭, ই. সে. ৪৩০৮)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানের অপরাধে জুতো এবং খেজুরের ডাল দ্বারা চল্লিশটি আঘাত করতেন। অতঃপর ওয়াকী’ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনাকারীদ্বয়ের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আর তিনি ...... ‘পানি ও বসতি’ কথাটির উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩০৭, ই. সে. ৪৩০৮)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، أنوسلم كان يضرب في الخمر بالنعال والجريد أربعين . ثم ذكر نحو حديثهما ولم يذكر الريف والقرى .
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৬
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم جلد في الخمر بالجريد والنعال ثم جلد أبو بكر أربعين . فلما كان عمر ودنا الناس من الريف والقرى قال ما ترون في جلد الخمر فقال عبد الرحمن بن عوف أرى أن تجعلها كأخف الحدود . قال فجلد عمر ثمانين .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ‘আমালে চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস আরম্ভ করলো। তিনি তাদেরকে বললেন, মদ্যপানের বেত্রাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে, আপনি সর্বনিম্ন দন্ড নির্ধারণ করুন। তারপর ‘উমার (রাঃ) মদ্যপানের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। (ই. ফা. ৪৩০৫, ই. সে. ৪৩০৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ‘আমালে চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস আরম্ভ করলো। তিনি তাদেরকে বললেন, মদ্যপানের বেত্রাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে, আপনি সর্বনিম্ন দন্ড নির্ধারণ করুন। তারপর ‘উমার (রাঃ) মদ্যপানের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। (ই. ফা. ৪৩০৫, ই. সে. ৪৩০৬)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم جلد في الخمر بالجريد والنعال ثم جلد أبو بكر أربعين . فلما كان عمر ودنا الناس من الريف والقرى قال ما ترون في جلد الخمر فقال عبد الرحمن بن عوف أرى أن تجعلها كأخف الحدود . قال فجلد عمر ثمانين .
সহিহ মুসলিম ৪৩৫০
حدثني محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي حصين، عن عمير بن سعيد، عن علي، قال ما كنت أقيم على أحد حدا فيموت فيه فأجد منه في نفسي إلا صاحب الخمر لأنه إن مات وديته لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه .
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর ‘হদ্দ’ (শরী’য়তের শাস্তি) প্রয়োগে সে যদি মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার ‘দিয়্যাত’ (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করব। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ই. ফা. ৪৩০৯, ই. সে. ৪৩১০)
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর ‘হদ্দ’ (শরী’য়তের শাস্তি) প্রয়োগে সে যদি মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার ‘দিয়্যাত’ (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করব। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ই. ফা. ৪৩০৯, ই. সে. ৪৩১০)
حدثني محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي حصين، عن عمير بن سعيد، عن علي، قال ما كنت أقيم على أحد حدا فيموت فيه فأجد منه في نفسي إلا صاحب الخمر لأنه إن مات وديته لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه .
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৯
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن علية - عن ابن أبي عروبة، عن عبد الله الداناج، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله بن فيروز، مولى ابن عامر الداناج حدثنا حضين بن المنذر أبو ساسان، قال شهدت عثمان بن عفان وأتي بالوليد قد صلى الصبح ركعتين ثم قال أزيدكم فشهد عليه رجلان أحدهما حمران أنه شرب الخمر وشهد آخر أنه رآه يتقيأ فقال عثمان إنه لم يتقيأ حتى شربها فقال يا علي قم فاجلده . فقال علي قم يا حسن فاجلده . فقال الحسن ول حارها من تولى قارها - فكأنه وجد عليه - فقال يا عبد الله بن جعفر قم فاجلده . فجلده وعلي يعد حتى بلغ أربعين فقال أمسك . ثم قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم أربعين وجلد أبو بكر أربعين وعمر ثمانين وكل سنة وهذا أحب إلى . زاد علي بن حجر في روايته قال إسماعيل وقد سمعت حديث الداناج منه فلم أحفظه .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘আলী ইবনু হুজর ও ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) হাদীসের শব্দগুলো তাঁরই (বর্ণনা করা), হুসায়ন ইবনু মুনযির আবূ হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদকে তাঁর কাছে আনা হল। সে ফজরের দু’রাক’আত সলাত আদায় করে বলেছিল, আমি তোমাদের উদ্দেশে আরও অধিক রাক’আত পড়ব। তখন দু’ব্যক্তি ওয়ালীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিল। তন্মধ্যে একজনের নাম ছিল হুমরান। সে বলল, সে মদ খেয়েছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল যে, সে তাকে বমি করতে দেখেছে (মদ্যপানের কারণে)। তখন, ‘উসমান (রাঃ) বললেন, সে মদ খাওয়ার পরই বমি করেছে। অতএব তিনি বললেন, হে আলী (রাঃ) আপনি উঠুন ও তাকে বেত্রাঘাত করুন। তখন আলী (রাঃ) হাসান (রাঃ) কে বললেন, হে হাসান! তুমি উঠ ও তাকে বেত্রাঘাত কর। হাসান (রাঃ) বললেন, যে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেছে সে তার তিক্ততা ভোগ করুক। এতে যেন ‘আলী (রাঃ) তার প্রতি মর্মাহত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার! তুমি উঠ এবং তাকে দুর্রা (বেত্রাঘাত) কর। তিনি তাকে দুর্রা মারলেন। আর ‘আলী (রাঃ) তা গণনা করলেন। যখন চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, তুমি বিরত হও। এরপর তিনি বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-ও তাঁর খিলাফাতকালে চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন। আর ‘উমার (রাঃ) (তাঁর খিলাফাত কালে) আশিটি দুর্রা মেরেছেন। আর এতদুভয় সংখ্যার প্রতিটিই সুন্নাত। তবে এটি (শেষোক্তটি) আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। ‘আলী ইবনু হুজ্র (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইসমা’ঈল (রহঃ) বলেন যে, আমি তা দানাজ থেকে শুনেছিলাম, কিন্তু এখন তা আমার মনে নেই। (ই. ফা. ৪৩০৮, ই. সে. ৪৩০৯)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘আলী ইবনু হুজর ও ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) হাদীসের শব্দগুলো তাঁরই (বর্ণনা করা), হুসায়ন ইবনু মুনযির আবূ হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদকে তাঁর কাছে আনা হল। সে ফজরের দু’রাক’আত সলাত আদায় করে বলেছিল, আমি তোমাদের উদ্দেশে আরও অধিক রাক’আত পড়ব। তখন দু’ব্যক্তি ওয়ালীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিল। তন্মধ্যে একজনের নাম ছিল হুমরান। সে বলল, সে মদ খেয়েছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল যে, সে তাকে বমি করতে দেখেছে (মদ্যপানের কারণে)। তখন, ‘উসমান (রাঃ) বললেন, সে মদ খাওয়ার পরই বমি করেছে। অতএব তিনি বললেন, হে আলী (রাঃ) আপনি উঠুন ও তাকে বেত্রাঘাত করুন। তখন আলী (রাঃ) হাসান (রাঃ) কে বললেন, হে হাসান! তুমি উঠ ও তাকে বেত্রাঘাত কর। হাসান (রাঃ) বললেন, যে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেছে সে তার তিক্ততা ভোগ করুক। এতে যেন ‘আলী (রাঃ) তার প্রতি মর্মাহত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার! তুমি উঠ এবং তাকে দুর্রা (বেত্রাঘাত) কর। তিনি তাকে দুর্রা মারলেন। আর ‘আলী (রাঃ) তা গণনা করলেন। যখন চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, তুমি বিরত হও। এরপর তিনি বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-ও তাঁর খিলাফাতকালে চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন। আর ‘উমার (রাঃ) (তাঁর খিলাফাত কালে) আশিটি দুর্রা মেরেছেন। আর এতদুভয় সংখ্যার প্রতিটিই সুন্নাত। তবে এটি (শেষোক্তটি) আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। ‘আলী ইবনু হুজ্র (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইসমা’ঈল (রহঃ) বলেন যে, আমি তা দানাজ থেকে শুনেছিলাম, কিন্তু এখন তা আমার মনে নেই। (ই. ফা. ৪৩০৮, ই. সে. ৪৩০৯)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن علية - عن ابن أبي عروبة، عن عبد الله الداناج، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله بن فيروز، مولى ابن عامر الداناج حدثنا حضين بن المنذر أبو ساسان، قال شهدت عثمان بن عفان وأتي بالوليد قد صلى الصبح ركعتين ثم قال أزيدكم فشهد عليه رجلان أحدهما حمران أنه شرب الخمر وشهد آخر أنه رآه يتقيأ فقال عثمان إنه لم يتقيأ حتى شربها فقال يا علي قم فاجلده . فقال علي قم يا حسن فاجلده . فقال الحسن ول حارها من تولى قارها - فكأنه وجد عليه - فقال يا عبد الله بن جعفر قم فاجلده . فجلده وعلي يعد حتى بلغ أربعين فقال أمسك . ثم قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم أربعين وجلد أبو بكر أربعين وعمر ثمانين وكل سنة وهذا أحب إلى . زاد علي بن حجر في روايته قال إسماعيل وقد سمعت حديث الداناج منه فلم أحفظه .
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৭
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، بهذا الإسناد مثله
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০৬, ই. সে. ৪৩০৭)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০৬, ই. সে. ৪৩০৭)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، بهذا الإسناد مثله
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৪
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد شرب الخمر فجلده بجريدتين نحو أربعين . قال وفعله أبو بكر فلما كان عمر استشار الناس فقال عبد الرحمن أخف الحدود ثمانين . فأمر به عمر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একদিন একজন মদ্যপানকারী ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো। তখন তিনি দু’টি খেজুরের ডাল দিয়ে চল্লিশ বারের মত তাকে বেত্রাঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আবূ বকর (রাঃ)- ও (তাঁর খিলাফত আমলে) তাই করেন। পরে যখন ‘উমার (রাঃ) খলীফা হলেন, তিনি এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শ চাইলেন। তখন ‘আবদুর রহমান’ (রাঃ) বললেন, অপরাধের শাস্তি কমপক্ষে আশি বেত্রাঘাত হওয়া প্রয়োজন। তাই ‘উমার (রাঃ) এরই নির্দেশ দিলেন। (ই. ফা. ৪৩০৩, ই. সে. ৪৩০৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একদিন একজন মদ্যপানকারী ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো। তখন তিনি দু’টি খেজুরের ডাল দিয়ে চল্লিশ বারের মত তাকে বেত্রাঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আবূ বকর (রাঃ)- ও (তাঁর খিলাফত আমলে) তাই করেন। পরে যখন ‘উমার (রাঃ) খলীফা হলেন, তিনি এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শ চাইলেন। তখন ‘আবদুর রহমান’ (রাঃ) বললেন, অপরাধের শাস্তি কমপক্ষে আশি বেত্রাঘাত হওয়া প্রয়োজন। তাই ‘উমার (রাঃ) এরই নির্দেশ দিলেন। (ই. ফা. ৪৩০৩, ই. সে. ৪৩০৪)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد شرب الخمر فجلده بجريدتين نحو أربعين . قال وفعله أبو بكر فلما كان عمر استشار الناس فقال عبد الرحمن أخف الحدود ثمانين . فأمر به عمر .
সহিহ মুসলিম ৪৩৫১
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، بهذا الإسناد مثله .
সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুফ্ইয়ান (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩১০, ই. সে ৪৩১১)
সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুফ্ইয়ান (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩১০, ই. সে ৪৩১১)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৪৩৪৫
وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت أنسا، يقول أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل . فذكر نحوه .
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর নিকট এক ব্যাক্তিকে আনা হল...অতঃপর রাবী আনাস উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩০৪, ই. সে. ৪৩০৫)
কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর নিকট এক ব্যাক্তিকে আনা হল...অতঃপর রাবী আনাস উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩০৪, ই. সে. ৪৩০৫)
وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت أنسا، يقول أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل . فذكر نحوه .
সহিহ মুসলিম > তা’যীর [২৮] –এর বেত্রাঘাতের পরিমাণ
সহিহ মুসলিম ৪৩৫২
حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، قال بينا نحن عند سليمان بن يسار إذ جاءه عبد الرحمن بن جابر فحدثه فأقبل، علينا سليمان فقال حدثني عبد الرحمن بن جابر، عن أبيه، عن أبي بردة الأنصاري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يجلد أحد فوق عشرة أسواط إلا في حد من حدود الله " .
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, কাউকে যেন আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত অপরাধের নির্দিষ্ট হদ্দ (দণ্ড) ব্যতীত দশ বেত্রাঘাতের বেশি বেত্রাঘাত না করা হয়। (ই. ফা. ৪৩১১, ই. সে. ৪৩১২)
আবূ বুরদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, কাউকে যেন আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত অপরাধের নির্দিষ্ট হদ্দ (দণ্ড) ব্যতীত দশ বেত্রাঘাতের বেশি বেত্রাঘাত না করা হয়। (ই. ফা. ৪৩১১, ই. সে. ৪৩১২)
حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، قال بينا نحن عند سليمان بن يسار إذ جاءه عبد الرحمن بن جابر فحدثه فأقبل، علينا سليمان فقال حدثني عبد الرحمن بن جابر، عن أبيه، عن أبي بردة الأنصاري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يجلد أحد فوق عشرة أسواط إلا في حد من حدود الله " .
সহিহ মুসলিম > হুদূদ’ তথা শরীয়ত কর্তৃক নির্দিষ্ট দণ্ড কার্যকরে অপরাধীর পাপ ক্ষমা হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৪৩৫৩
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وإسحاق بن إبراهيم وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - واللفظ لعمرو قال حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أبي إدريس، عن عبادة بن الصامت، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال " تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تزنوا ولا تسرقوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب شيئا من ذلك فعوقب به فهو كفارة له ومن أصاب شيئا من ذلك فستره الله عليه فأمره إلى الله إن شاء عفا عنه وإن شاء عذبه " .
উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমরা কোন এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন যে, তোমরা আমার কাছে এর উপর বাই’আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক করবে না, ব্যভিচার করবে না, চুরি করবে না এবং কাউকে হত্যা করবে না যাকে হত্যা করা আল্লাহ্ নিষেধ করেছেন। কিন্তু, ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস হিসেবে অথবা মুরতাদ হলে কিংবা বিয়ের পর যিনা করলে)। অতএব, তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তা পূর্ণ করবে, সে তার পুরস্কার আল্লাহ্র কাছে পাবে। আর যদি কেউ উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয়ে শাস্তি ভোগ করে থাকে, তবে তাই তার জন্য কাফ্ফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যদি কোন ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয় অতঃপর আল্লাহ্ তা’আলা তা গোপন রাখেন, তবে বিষয়টি মহান আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন। (ই. ফা. ৪৩১২, ই. সে. ৪৩১৩)
উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমরা কোন এক মজলিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেন যে, তোমরা আমার কাছে এর উপর বাই’আত কর যে, তোমরা আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক করবে না, ব্যভিচার করবে না, চুরি করবে না এবং কাউকে হত্যা করবে না যাকে হত্যা করা আল্লাহ্ নিষেধ করেছেন। কিন্তু, ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস হিসেবে অথবা মুরতাদ হলে কিংবা বিয়ের পর যিনা করলে)। অতএব, তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তা পূর্ণ করবে, সে তার পুরস্কার আল্লাহ্র কাছে পাবে। আর যদি কেউ উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয়ে শাস্তি ভোগ করে থাকে, তবে তাই তার জন্য কাফ্ফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যদি কোন ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধের কোন একটিতে পতিত হয় অতঃপর আল্লাহ্ তা’আলা তা গোপন রাখেন, তবে বিষয়টি মহান আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন এবং ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন। (ই. ফা. ৪৩১২, ই. সে. ৪৩১৩)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وإسحاق بن إبراهيم وابن نمير كلهم عن ابن عيينة، - واللفظ لعمرو قال حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أبي إدريس، عن عبادة بن الصامت، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس فقال " تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تزنوا ولا تسرقوا ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب شيئا من ذلك فعوقب به فهو كفارة له ومن أصاب شيئا من ذلك فستره الله عليه فأمره إلى الله إن شاء عفا عنه وإن شاء عذبه " .
সহিহ মুসলিম ৪৩৫৫
وحدثني إسماعيل بن سالم، أخبرنا هشيم، أخبرنا خالد، عن أبي قلابة، عن أبي الأشعث الصنعاني، عن عبادة بن الصامت، قال أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم كما أخذ على النساء أن لا نشرك بالله شيئا ولا نسرق ولا نزني ولا نقتل أولادنا ولا يعضه بعضنا بعضا " فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أتى منكم حدا فأقيم عليه فهو كفارته ومن ستره الله عليه فأمره إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له " .
উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের থেকে অনুরূপ অঙ্গীকার নিলেন, যেরূপ অঙ্গীকার নিয়েছেন মহিলাদের থেকে যেন আমরা আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক না করি, চুরি না করি, ব্যভিচার না করি, আমাদের সন্তানদেরকে হত্যা না করি এবং একে অপরের ক্ষতি না করি। অতএব, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা পূর্ণ করবে তার পুরস্কার আল্লাহ্র কাছে পাবে। আর তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন কোন অপরাধ করে যাতে (হদ্দ) শরীয়তের শাস্তি অত্যাবশ্যকীয় হয়, অতঃপর তার উপর সে শাস্তি কার্যকরী হয়, তবে তা তার অপরাধের কাফ্ফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তির পাপ কার্য আল্লাহ্ গোপন রাখলেন, তার বিষয় আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। যদি তিনি ইচ্ছা করেন তবে তাকে শাস্তি দিবেন। আর যদি ইচ্ছা করেন তবে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। (ই. ফা. ৪৩১৪, ই. সে. ৪৩১৫)
উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের থেকে অনুরূপ অঙ্গীকার নিলেন, যেরূপ অঙ্গীকার নিয়েছেন মহিলাদের থেকে যেন আমরা আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক না করি, চুরি না করি, ব্যভিচার না করি, আমাদের সন্তানদেরকে হত্যা না করি এবং একে অপরের ক্ষতি না করি। অতএব, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তা পূর্ণ করবে তার পুরস্কার আল্লাহ্র কাছে পাবে। আর তোমাদের মধ্যে যদি কেউ এমন কোন অপরাধ করে যাতে (হদ্দ) শরীয়তের শাস্তি অত্যাবশ্যকীয় হয়, অতঃপর তার উপর সে শাস্তি কার্যকরী হয়, তবে তা তার অপরাধের কাফ্ফারা (বদলা) হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তির পাপ কার্য আল্লাহ্ গোপন রাখলেন, তার বিষয় আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। যদি তিনি ইচ্ছা করেন তবে তাকে শাস্তি দিবেন। আর যদি ইচ্ছা করেন তবে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। (ই. ফা. ৪৩১৪, ই. সে. ৪৩১৫)
وحدثني إسماعيل بن سالم، أخبرنا هشيم، أخبرنا خالد، عن أبي قلابة، عن أبي الأشعث الصنعاني، عن عبادة بن الصامت، قال أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم كما أخذ على النساء أن لا نشرك بالله شيئا ولا نسرق ولا نزني ولا نقتل أولادنا ولا يعضه بعضنا بعضا " فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أتى منكم حدا فأقيم عليه فهو كفارته ومن ستره الله عليه فأمره إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له " .
সহিহ মুসলিম ৪৩৫৪
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد وزاد في الحديث فتلا علينا آية النساء { أن لا يشركن بالله شيئا} الآية .
যুহরী (রহঃ) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি তাঁর হাদীসে শুধু এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “অতএব, তিনি আমাদের কাছে সূরা নিসা-এর আয়াত (অর্থ) : তারা যেন আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক না করে .... আয়াতের শেষ পর্যন্ত তিলায়াত করলেন। (ই. ফা. ৪৩১৩, ই. সে. ৪৩১৪)
যুহরী (রহঃ) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি তাঁর হাদীসে শুধু এটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “অতএব, তিনি আমাদের কাছে সূরা নিসা-এর আয়াত (অর্থ) : তারা যেন আল্লাহ্র সাথে কাউকে শরীক না করে .... আয়াতের শেষ পর্যন্ত তিলায়াত করলেন। (ই. ফা. ৪৩১৩, ই. সে. ৪৩১৪)
حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الإسناد وزاد في الحديث فتلا علينا آية النساء { أن لا يشركن بالله شيئا} الآية .
সহিহ মুসলিম ৪৩৫৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال إني لمن النقباء الذين بايعوا رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال بايعناه على أن لا نشرك بالله شيئا ولا نزني ولا نسرق ولا نقتل النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا ننتهب ولا نعصي فالجنة إن فعلنا ذلك فإن غشينا من ذلك شيئا كان قضاء ذلك إلى الله . وقال ابن رمح كان قضاؤه إلى الله .
কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ (রহঃ) .... উভয়ে ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সেসব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলাম, যাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বাই’আত নিয়েছিলেন। আমরা শপথ নিলাম যে, আমরা আল্লাহ্র সাথে কোন কিছু শরীক করবো না, ব্যভিচার করব না, চুরি করবো না, কাউকে হত্যা করবো না- যেগুলো (যাদেরকে হত্যা করতে) আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু, ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস তথা অবৈধ হত্যার পরিবর্তে বা মুরতাদ হলে বা বিয়ের পর যিনা করলে হত্যা করবে)। আর ডাকাতি করবো না ও কোন প্রকার নিষিদ্ধ কর্মও করবো না। যদি আমরা ঐরূপ কার্যাবলী না করে চলতে পারি তবে আমাদের জান্নাত মিলবে। আর যদি আমরা উল্লিখিত অপরাধের কোনটিতে লিপ্ত হই, তবে এর ফায়সালা আল্লাহ্র কাছেই। ইবনু রুম্হ বলেন, এর ফায়সালা মহান আল্লাহ্র কাছেই। (ই. ফা. ৪৩১৫, ই. সে. ৪৩১৬)
কুতাইবাহ্ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ (রহঃ) .... উভয়ে ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সেসব নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলাম, যাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বাই’আত নিয়েছিলেন। আমরা শপথ নিলাম যে, আমরা আল্লাহ্র সাথে কোন কিছু শরীক করবো না, ব্যভিচার করব না, চুরি করবো না, কাউকে হত্যা করবো না- যেগুলো (যাদেরকে হত্যা করতে) আল্লাহ্ নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু, ন্যায়সঙ্গতভাবে (অর্থাৎ- কিসাস তথা অবৈধ হত্যার পরিবর্তে বা মুরতাদ হলে বা বিয়ের পর যিনা করলে হত্যা করবে)। আর ডাকাতি করবো না ও কোন প্রকার নিষিদ্ধ কর্মও করবো না। যদি আমরা ঐরূপ কার্যাবলী না করে চলতে পারি তবে আমাদের জান্নাত মিলবে। আর যদি আমরা উল্লিখিত অপরাধের কোনটিতে লিপ্ত হই, তবে এর ফায়সালা আল্লাহ্র কাছেই। ইবনু রুম্হ বলেন, এর ফায়সালা মহান আল্লাহ্র কাছেই। (ই. ফা. ৪৩১৫, ই. সে. ৪৩১৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، أنه قال إني لمن النقباء الذين بايعوا رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال بايعناه على أن لا نشرك بالله شيئا ولا نزني ولا نسرق ولا نقتل النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا ننتهب ولا نعصي فالجنة إن فعلنا ذلك فإن غشينا من ذلك شيئا كان قضاء ذلك إلى الله . وقال ابن رمح كان قضاؤه إلى الله .