সহিহ মুসলিম > ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা

সহিহ মুসলিম ৪৩৩৪

وحدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول رجم النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من أسلم ورجلا من اليهود وامرأته ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী পুরুষ ও মহিলার প্রতি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর নিক্ষেপ করার শাস্তি বলবৎ করেন। (ই. ফা. ৪২৯৩, ই. সে. ৪২৯৪)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী পুরুষ ও মহিলার প্রতি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর নিক্ষেপ করার শাস্তি বলবৎ করেন। (ই. ফা. ৪২৯৩, ই. সে. ৪২৯৪)

وحدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول رجم النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من أسلم ورجلا من اليهود وامرأته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৭

وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه سمعه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إذا زنت أمة أحدكم فتبين زناها فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم إن زنت فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم إن زنت الثالثة فتبين زناها فليبعها ولو بحبل من شعر ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যদি তোমাদের কোন দাসী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যাভিচার কার্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে তবে তাকে শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি (আরবী) অনুযায়ী বেত্রাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার তিরস্কার করবে না। এরপর যদি দ্বিতীয়বার সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি বেত্রাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার ধমকি দিবে না। এরপর যদি তৃতীয়বার ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার কার্য প্রকাশ পায় তবে তাকে বিক্রি করে দেবে, চুলের দড়ি পরিমাণ মূল্যে হলেও। ( অর্থাৎ- অতি কম মূল্য হলেও।) (ই. ফা. ৪২৯৬, ই. সে. ৪২৯৭)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যদি তোমাদের কোন দাসী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যাভিচার কার্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে তবে তাকে শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি (আরবী) অনুযায়ী বেত্রাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার তিরস্কার করবে না। এরপর যদি দ্বিতীয়বার সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি বেত্রাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার ধমকি দিবে না। এরপর যদি তৃতীয়বার ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার কার্য প্রকাশ পায় তবে তাকে বিক্রি করে দেবে, চুলের দড়ি পরিমাণ মূল্যে হলেও। ( অর্থাৎ- অতি কম মূল্য হলেও।) (ই. ফা. ৪২৯৬, ই. সে. ৪২৯৭)

وحدثني عيسى بن حماد المصري، أخبرنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه سمعه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ إذا زنت أمة أحدكم فتبين زناها فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم إن زنت فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم إن زنت الثالثة فتبين زناها فليبعها ولو بحبل من شعر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৯

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا مالك، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال قرأت على مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الأمة إذا زنت ولم تحصن قال ‏ "‏ إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم بيعوها ولو بضفير ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب لا أدري أبعد الثالثة أو الرابعة ‏.‏ وقال القعنبي في روايته قال ابن شهاب والضفير الحبل ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করা হলো- যখন কোন অবিবাহিত দাসী ব্যভিচার করে এর হুকুম সম্পর্কে। তখন তিনি বললেন, যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আবার যদি সে ব্যভিচার করে তবে আবারও বেত্রাঘাত করবে। এরপরও যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে এবং পরিশেষে তাকে বিক্রি করে দেবে, একটি দড়ির মূল্য পরিমাণ মূল্যে হলেও। ইবনু শিহাব (সন্দেহসূচক) বর্ণনা করেছেন যে, আমি জানি না (আরবী) (বিক্রি করার নির্দেশটি কি তৃতীয় বারের পরে, না চতুর্থ বারের পরে)। কা’নবী (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন যে, ইবনু শিহাব (রহঃ) (আরবী) শব্দের অর্থ (আরবী) (দড়ি) বলেছেন। (ই. ফা. ৪২৯৮, ই. সে. ৪২৯৯)

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করা হলো- যখন কোন অবিবাহিত দাসী ব্যভিচার করে এর হুকুম সম্পর্কে। তখন তিনি বললেন, যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে। আবার যদি সে ব্যভিচার করে তবে আবারও বেত্রাঘাত করবে। এরপরও যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করবে এবং পরিশেষে তাকে বিক্রি করে দেবে, একটি দড়ির মূল্য পরিমাণ মূল্যে হলেও। ইবনু শিহাব (সন্দেহসূচক) বর্ণনা করেছেন যে, আমি জানি না (আরবী) (বিক্রি করার নির্দেশটি কি তৃতীয় বারের পরে, না চতুর্থ বারের পরে)। কা’নবী (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন যে, ইবনু শিহাব (রহঃ) (আরবী) শব্দের অর্থ (আরবী) (দড়ি) বলেছেন। (ই. ফা. ৪২৯৮, ই. সে. ৪২৯৯)

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا مالك، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال قرأت على مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الأمة إذا زنت ولم تحصن قال ‏ "‏ إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم إن زنت فاجلدوها ثم بيعوها ولو بضفير ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب لا أدري أبعد الثالثة أو الرابعة ‏.‏ وقال القعنبي في روايته قال ابن شهاب والضفير الحبل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩২

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن أبي معاوية، قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر على النبي صلى الله عليه وسلم بيهودي محمما مجلودا فدعاهم صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ هكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم فقال ‏"‏ أنشدك بالله الذي أنزل التوراة على موسى أهكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ قال لا ولولا أنك نشدتني بهذا لم أخبرك نجده الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الشريف تركناه وإذا أخذنا الضعيف أقمنا عليه الحد قلنا تعالوا فلنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فجعلنا التحميم والجلد مكان الرجم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ فأمر به فرجم فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الرسول لا يحزنك الذين يسارعون في الكفر‏}‏ إلى قوله ‏{‏ إن أوتيتم هذا فخذوه‏}‏ يقول ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فإن أمركم بالتحميم والجلد فخذوه وإن أفتاكم بالرجم فاحذروا ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون‏}‏ ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الظالمون‏}‏ ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الفاسقون‏}‏ في الكفار كلها ‏.‏

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সম্মুখ দিয়ে একজন ইয়াহূদীকে কালি মাখা এবং বেত্রাঘাতকৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, তোমরা কি তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারের শাস্তি এরূপই পেয়েছ? তারা বলল, হ্যাঁ। এরপর তিনি তাদের মধ্য হতে একজন ‘আলিম (পাদরী) ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং বললেন, তোমাকে সে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, যিনি মূসা (আঃ)-এর প্রতি তাওরাত কিতাব অবতীর্ণ করেছিলেন, এরূপই কি তোমরা তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারীর শাস্তি পেয়েছ? তখন ইয়াহূদী ‘আলিম ব্যক্তি বললেন, না। তিনি আরো বললেন, আপনি যদি আমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে এভাবে না বলতেন তবে আমি আপনাকে জানাতাম না যে, এর প্রকৃত শাস্তি রজম (পাথর নিক্ষেপ করা)। কিন্তু আমাদের সমাজের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে এর ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে। অতএব, আমরা যখন এতে কোন সম্ভ্রান্ত লোককে পেতাম, তখন তাকে ছেড়ে দিতাম এবং যখন কোন নিঃস্ব ব্যক্তিকে পাকড়াও করতাম তখন তার উপর শারী’আতের প্রকৃত শাস্তি (আরবী) বাস্তবায়িত করতাম। পরিশেষে আমরা বললাম, তোমরা সকলেই এসো, আমরা সবাই মিলে এ ব্যাপারে একটি শাস্তি নির্ধারিত করে নেই, যা ভদ্র ও অভদ্র সকলের উপরই প্রযোজ্য হবে। সুতরাং আমরা ব্যভিচারের শাস্তি কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাত করাকেই স্থির করে নিলাম, পাথর নিক্ষেপের পরিবর্তে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি, যে তোমার নির্দেশ (আরবী) বাস্তবায়িত (পুনর্জীবিত) করলাম, যা তারা বাতিল করে ফেলেছিল। সুতরাং তিনি তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিলেন। অবশেষে ঐ ইয়াহূদীকে পাথর মারা হল। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াতঃ “হে রসূল! যারা কুফরী কাজে দ্রুতগামী তাদের কার্যকলাপ যেন আপনাকে চিন্তিত না করে। ..... অতঃপর সেই বাণী পর্যন্ত যদি তোমরা তা প্রদত্ত হও, তবে তা ধারণ কর”-(সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪১) পর্যন্ত অবতীর্ণ করেন। তারা (ইয়াহূদীরা) বলতো যে, তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গমন করো, যদি তিনি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে- কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাতের নির্দেশ প্রদান করেন, তবে তোমরা তা কার্যকর করবে; আর যদি তিনি রজমের নির্দেশ দেন তবে তা প্রত্যাখ্যান করবে। আল্লাহ তা’আলা (এ মর্মে) আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত মুতাবিক বিচারকার্য পরিচালনা করে না তারাই হলো কাফির (অস্বীকারকারী) সম্প্রদায়”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৪)। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুসারে বিচার করে না তারাই হলো অত্যাচারী দল”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৫)। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুযায়ী বিচার করে না তারাই হলো সীমালঙ্ঘনকারী দল”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৭)। এ সবগুলো আয়াত কাফিরদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়। (ই. ফা. ৪২৯১, ই. সে. ৪২৯২)

বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সম্মুখ দিয়ে একজন ইয়াহূদীকে কালি মাখা এবং বেত্রাঘাতকৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, তোমরা কি তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারের শাস্তি এরূপই পেয়েছ? তারা বলল, হ্যাঁ। এরপর তিনি তাদের মধ্য হতে একজন ‘আলিম (পাদরী) ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং বললেন, তোমাকে সে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, যিনি মূসা (আঃ)-এর প্রতি তাওরাত কিতাব অবতীর্ণ করেছিলেন, এরূপই কি তোমরা তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারীর শাস্তি পেয়েছ? তখন ইয়াহূদী ‘আলিম ব্যক্তি বললেন, না। তিনি আরো বললেন, আপনি যদি আমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে এভাবে না বলতেন তবে আমি আপনাকে জানাতাম না যে, এর প্রকৃত শাস্তি রজম (পাথর নিক্ষেপ করা)। কিন্তু আমাদের সমাজের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে এর ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে। অতএব, আমরা যখন এতে কোন সম্ভ্রান্ত লোককে পেতাম, তখন তাকে ছেড়ে দিতাম এবং যখন কোন নিঃস্ব ব্যক্তিকে পাকড়াও করতাম তখন তার উপর শারী’আতের প্রকৃত শাস্তি (আরবী) বাস্তবায়িত করতাম। পরিশেষে আমরা বললাম, তোমরা সকলেই এসো, আমরা সবাই মিলে এ ব্যাপারে একটি শাস্তি নির্ধারিত করে নেই, যা ভদ্র ও অভদ্র সকলের উপরই প্রযোজ্য হবে। সুতরাং আমরা ব্যভিচারের শাস্তি কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাত করাকেই স্থির করে নিলাম, পাথর নিক্ষেপের পরিবর্তে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি, যে তোমার নির্দেশ (আরবী) বাস্তবায়িত (পুনর্জীবিত) করলাম, যা তারা বাতিল করে ফেলেছিল। সুতরাং তিনি তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিলেন। অবশেষে ঐ ইয়াহূদীকে পাথর মারা হল। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াতঃ “হে রসূল! যারা কুফরী কাজে দ্রুতগামী তাদের কার্যকলাপ যেন আপনাকে চিন্তিত না করে। ..... অতঃপর সেই বাণী পর্যন্ত যদি তোমরা তা প্রদত্ত হও, তবে তা ধারণ কর”-(সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪১) পর্যন্ত অবতীর্ণ করেন। তারা (ইয়াহূদীরা) বলতো যে, তোমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গমন করো, যদি তিনি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে- কালি লাগানো এবং বেত্রাঘাতের নির্দেশ প্রদান করেন, তবে তোমরা তা কার্যকর করবে; আর যদি তিনি রজমের নির্দেশ দেন তবে তা প্রত্যাখ্যান করবে। আল্লাহ তা’আলা (এ মর্মে) আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত মুতাবিক বিচারকার্য পরিচালনা করে না তারাই হলো কাফির (অস্বীকারকারী) সম্প্রদায়”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৪)। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুসারে বিচার করে না তারাই হলো অত্যাচারী দল”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৫)। “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুযায়ী বিচার করে না তারাই হলো সীমালঙ্ঘনকারী দল”- (সূরা মায়িদাহ্‌ ৫:৪৭)। এ সবগুলো আয়াত কাফিরদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়। (ই. ফা. ৪২৯১, ই. সে. ৪২৯২)

حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن أبي معاوية، قال يحيى أخبرنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر على النبي صلى الله عليه وسلم بيهودي محمما مجلودا فدعاهم صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ هكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم فقال ‏"‏ أنشدك بالله الذي أنزل التوراة على موسى أهكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ قال لا ولولا أنك نشدتني بهذا لم أخبرك نجده الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الشريف تركناه وإذا أخذنا الضعيف أقمنا عليه الحد قلنا تعالوا فلنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فجعلنا التحميم والجلد مكان الرجم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ فأمر به فرجم فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الرسول لا يحزنك الذين يسارعون في الكفر‏}‏ إلى قوله ‏{‏ إن أوتيتم هذا فخذوه‏}‏ يقول ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فإن أمركم بالتحميم والجلد فخذوه وإن أفتاكم بالرجم فاحذروا ‏.‏ فأنزل الله تعالى ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون‏}‏ ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الظالمون‏}‏ ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الفاسقون‏}‏ في الكفار كلها ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا هشام بن حسان، كلاهما عن أيوب بن موسى، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني أسامة، بن زيد ح وحدثنا هناد بن السري، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم عن عبدة بن سليمان، عن محمد بن إسحاق، كل هؤلاء عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن ابن إسحاق قال في حديثه عن سعيد عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في جلد الأمة إذا زنت ثلاثا ‏ "‏ ثم ليبعها في الرابعة ‏"‏

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)- এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)- এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে দাসীর বেত্রাঘাত সম্পর্কে, “যখন সে তিনবার ব্যভিচার করে, এরপর চতুর্থবারে তাকে বিক্রি করে দেবে”। (ই. ফা. ৪২৯৭, ই. সে. ৪২৯৮)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)- এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা্ (রাঃ)- এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে দাসীর বেত্রাঘাত সম্পর্কে, “যখন সে তিনবার ব্যভিচার করে, এরপর চতুর্থবারে তাকে বিক্রি করে দেবে”। (ই. ফা. ৪২৯৭, ই. সে. ৪২৯৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، جميعا عن ابن عيينة، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا هشام بن حسان، كلاهما عن أيوب بن موسى، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، وابن، نمير عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثني هارون بن سعيد الأيلي، حدثنا ابن وهب، حدثني أسامة، بن زيد ح وحدثنا هناد بن السري، وأبو كريب وإسحاق بن إبراهيم عن عبدة بن سليمان، عن محمد بن إسحاق، كل هؤلاء عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا أن ابن إسحاق قال في حديثه عن سعيد عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في جلد الأمة إذا زنت ثلاثا ‏ "‏ ثم ليبعها في الرابعة ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৫

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ غير أنه قال وامرأة ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি “এবং একজন মহিলা” এ শব্দটি উল্লেখ করেন। (ই. ফা. ৪২৯৪, ই. সে. ৪২৯৫)

ইবনু জুরায়জ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি “এবং একজন মহিলা” এ শব্দটি উল্লেখ করেন। (ই. ফা. ৪২৯৪, ই. সে. ৪২৯৫)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.‏ غير أنه قال وامرأة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৩

حدثنا ابن نمير، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه إلى قوله فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فرجم ‏.‏ ولم يذكر ما بعده من نزول الآية ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে (আরবী) “তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর (রজম করার) নির্দেশ করলেন, এরপর (ঐ ইয়াহূদীকে) পাথর মারা হল” পর্যন্ত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু এরপরে বর্ণিত আয়াতসমূহ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৪২৯২, ই. সে. ৪২৯৩)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে (আরবী) “তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর (রজম করার) নির্দেশ করলেন, এরপর (ঐ ইয়াহূদীকে) পাথর মারা হল” পর্যন্ত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু এরপরে বর্ণিত আয়াতসমূহ তিনি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৪২৯২, ই. সে. ৪২৯৩)

حدثنا ابن نمير، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، بهذا الإسناد ‏.‏ نحوه إلى قوله فأمر به النبي صلى الله عليه وسلم فرجم ‏.‏ ولم يذكر ما بعده من نزول الآية ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩১

وحدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن، عمر أن اليهود، جاءوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل منهم وامرأة قد زنيا ‏.‏ وساق الحديث بنحو حديث عبيد الله عن نافع ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহূদীরা তাদের ব্যভিচারী একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এলো। অতঃপর তিনি ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) কর্তৃক নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের ন্যায় হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪২৯০, ই. সে. ৪২৯১)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহূদীরা তাদের ব্যভিচারী একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিয়ে এলো। অতঃপর তিনি ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) কর্তৃক নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের ন্যায় হাদীসটি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪২৯০, ই. সে. ৪২৯১)

وحدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن، عمر أن اليهود، جاءوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل منهم وامرأة قد زنيا ‏.‏ وساق الحديث بنحو حديث عبيد الله عن نافع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩২৯

حدثني الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب بن إسحاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي بيهودي ويهودية قد زنيا فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى جاء يهود فقال ‏"‏ ما تجدون في التوراة على من زنى ‏"‏ ‏.‏ قالوا نسود وجوههما ونحملهما ونخالف بين وجوههما ويطاف بهما ‏.‏ قال ‏"‏ فأتوا بالتوراة إن كنتم صادقين ‏"‏ ‏.‏ فجاءوا بها فقرءوها حتى إذا مروا بآية الرجم وضع الفتى الذي يقرأ يده على آية الرجم وقرأ ما بين يديها وما وراءها فقال له عبد الله بن سلام وهو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مره فليرفع يده فرفعها فإذا تحتها آية الرجم فأمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجما ‏.‏ قال عبد الله بن عمر كنت فيمن رجمهما فلقد رأيته يقيها من الحجارة بنفسه ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একজন ইয়াহূদী পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী মহিলাকে আনা হল, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কাছে গেলেন এবং তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা তাওরাতে ব্যভিচারী ব্যক্তির শাস্তি কী পেয়েছ? তারা বলল, এতে আমরা উভয়ের মুখমণ্ডলে কালি লাগিয়ে দেই এবং উভয়কে বিপরীতমুখী করে উটের উপর উঠিয়ে পরিভ্রমণ করাই। (এ হল তাওরাত বর্ণিত শাস্তি) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাহলে তোমরা তাওরাত কিতাব নিয়ে এসো, যদি তোমরা এ ব্যাপারে সত্যবাদী হয়ে থাক। তারা তখন তাওরাত কিতাব নিয়ে এলো এবং পাঠ করতে শুরু করল। যখন (আরবী) (ব্যভিচারের শাস্তি)-এর আয়াত নিকটবর্তী হল তখন যে যুবকটি তাওরাত পাঠ করছিল সে আপন হাত (আরবী) (পাথর নিক্ষেপের আয়াত)-এর উপর রেখে দিল এবং রক্ষিত হাতের আগের-পেছনের অংশ পাঠ করলো। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) [২৭], (তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, আপনি তাকে নির্দেশ করুন- যেন সে আপন হাত উঠিয়ে ফেলে। সে তার হাত উঠিয়ে নিল। হঠাৎ দেখা গেল যে, এর নিচেই (আরবী) (পাথর নিক্ষেপের আয়াত) রয়েছে। সুতরাং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উভয়কে পাথর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। সুতরাং উভয়কে পাথর মারা হল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন যে, যারা উভয়কে পাথর মেরেছিল, আমিও তাদের মধ্যে একজন ছিলাম। আমি দেখতে পেলাম যে, পুরুষটি মহিলাটিকে পাথরের আঘাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। (অর্থাৎ- ভালবাসার আকর্ষণে নিজেই তার পাথরের আঘাত গ্রহণ করছে)। (ই. ফা. ৪২৮৮, ই. সে. ৪২৮৯)

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একজন ইয়াহূদী পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী মহিলাকে আনা হল, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কাছে গেলেন এবং তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা তাওরাতে ব্যভিচারী ব্যক্তির শাস্তি কী পেয়েছ? তারা বলল, এতে আমরা উভয়ের মুখমণ্ডলে কালি লাগিয়ে দেই এবং উভয়কে বিপরীতমুখী করে উটের উপর উঠিয়ে পরিভ্রমণ করাই। (এ হল তাওরাত বর্ণিত শাস্তি) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাহলে তোমরা তাওরাত কিতাব নিয়ে এসো, যদি তোমরা এ ব্যাপারে সত্যবাদী হয়ে থাক। তারা তখন তাওরাত কিতাব নিয়ে এলো এবং পাঠ করতে শুরু করল। যখন (আরবী) (ব্যভিচারের শাস্তি)-এর আয়াত নিকটবর্তী হল তখন যে যুবকটি তাওরাত পাঠ করছিল সে আপন হাত (আরবী) (পাথর নিক্ষেপের আয়াত)-এর উপর রেখে দিল এবং রক্ষিত হাতের আগের-পেছনের অংশ পাঠ করলো। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) [২৭], (তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলেন) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, আপনি তাকে নির্দেশ করুন- যেন সে আপন হাত উঠিয়ে ফেলে। সে তার হাত উঠিয়ে নিল। হঠাৎ দেখা গেল যে, এর নিচেই (আরবী) (পাথর নিক্ষেপের আয়াত) রয়েছে। সুতরাং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উভয়কে পাথর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। সুতরাং উভয়কে পাথর মারা হল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন যে, যারা উভয়কে পাথর মেরেছিল, আমিও তাদের মধ্যে একজন ছিলাম। আমি দেখতে পেলাম যে, পুরুষটি মহিলাটিকে পাথরের আঘাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে। (অর্থাৎ- ভালবাসার আকর্ষণে নিজেই তার পাথরের আঘাত গ্রহণ করছে)। (ই. ফা. ৪২৮৮, ই. সে. ৪২৮৯)

حدثني الحكم بن موسى أبو صالح، حدثنا شعيب بن إسحاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي بيهودي ويهودية قد زنيا فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى جاء يهود فقال ‏"‏ ما تجدون في التوراة على من زنى ‏"‏ ‏.‏ قالوا نسود وجوههما ونحملهما ونخالف بين وجوههما ويطاف بهما ‏.‏ قال ‏"‏ فأتوا بالتوراة إن كنتم صادقين ‏"‏ ‏.‏ فجاءوا بها فقرءوها حتى إذا مروا بآية الرجم وضع الفتى الذي يقرأ يده على آية الرجم وقرأ ما بين يديها وما وراءها فقال له عبد الله بن سلام وهو مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مره فليرفع يده فرفعها فإذا تحتها آية الرجم فأمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجما ‏.‏ قال عبد الله بن عمر كنت فيمن رجمهما فلقد رأيته يقيها من الحجارة بنفسه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩০

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن أيوب، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني رجال، من أهل العلم منهم مالك بن أنس أن نافعا، أخبرهم عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رجم في الزنى يهوديين رجلا وامرأة زنيا فأتت اليهود إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بهما ‏.‏ وساقوا الحديث بنحوه ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’জন ইয়াহূদীকে ব্যভিচারের অপরাধে রজম (পাথর নিক্ষেপ) করেন। তন্মধ্যে একজন ছিল পুরুষ এবং অপরজন মহিলা, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। ইয়াহূদীরা উভয়কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে এসেছিল। এরপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪২৮৯, ই. সে. ৪২৯০)

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’জন ইয়াহূদীকে ব্যভিচারের অপরাধে রজম (পাথর নিক্ষেপ) করেন। তন্মধ্যে একজন ছিল পুরুষ এবং অপরজন মহিলা, যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। ইয়াহূদীরা উভয়কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে এসেছিল। এরপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪২৮৯, ই. সে. ৪২৯০)

وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن أيوب، ح وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، أخبرني رجال، من أهل العلم منهم مالك بن أنس أن نافعا، أخبرهم عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رجم في الزنى يهوديين رجلا وامرأة زنيا فأتت اليهود إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بهما ‏.‏ وساقوا الحديث بنحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪০

وحدثنا أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال سمعت مالكا، يقول حدثني ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الأمة ‏.‏ بمثل حديثهما ولم يذكر قول ابن شهاب والضفير الحبل ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলেন, ...... এ হাদীসটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ এবং ইয়াহইয়া বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (ইবনু ওয়াহ্ব) ইবনু শিহাবের কথা (আরবী) এর অর্থ (আরবী) (দড়ি) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৪২৯৯, ই. সে. ৪৩০০)

আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলেন, ...... এ হাদীসটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ এবং ইয়াহইয়া বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (ইবনু ওয়াহ্ব) ইবনু শিহাবের কথা (আরবী) এর অর্থ (আরবী) (দড়ি) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই. ফা. ৪২৯৯, ই. সে. ৪৩০০)

وحدثنا أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، قال سمعت مالكا، يقول حدثني ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الأمة ‏.‏ بمثل حديثهما ولم يذكر قول ابن شهاب والضفير الحبل ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪১

حدثني عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثني أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن عبيد، الله عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث مالك والشك في حديثهما جميعا في بيعها في الثالثة أو الرابعة ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খলিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিহ এবং মা’মার তারা উভয়ে মালিকের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তারা তাদের হাদীসে দাসী বিক্রি সম্পর্কে (আরবী) (তৃতীয়বারে অথবা চতুর্থবারে) এ কথা সন্দেহসূচক বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০০, ই. সে. ৪৩০১)

আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খলিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিহ এবং মা’মার তারা উভয়ে মালিকের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তারা তাদের হাদীসে দাসী বিক্রি সম্পর্কে (আরবী) (তৃতীয়বারে অথবা চতুর্থবারে) এ কথা সন্দেহসূচক বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০০, ই. সে. ৪৩০১)

حدثني عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثني أبي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن عبيد، الله عن أبي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث مالك والشك في حديثهما جميعا في بيعها في الثالثة أو الرابعة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৩৬

وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، قال سألت عبد الله بن أبي أوفى ح. وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن أبي، إسحاق الشيباني قال سألت عبد الله بن أبي أوفى هل رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ‏.‏ قال قلت بعد ما أنزلت سورة النور أم قبلها قال لا أدري ‏.‏

আবূ ইস্‌হাক শাইবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর মেরেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, ‘সূরা নূর’ অবতীর্ণ হওয়ার আগে, না পরে? তখন তিনি বললেন, আমি তা জানি না। (ই. ফা. ৪২৯৫, ই. সে. ৪২৯৬)

আবূ ইস্‌হাক শাইবানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর মেরেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, ‘সূরা নূর’ অবতীর্ণ হওয়ার আগে, না পরে? তখন তিনি বললেন, আমি তা জানি না। (ই. ফা. ৪২৯৫, ই. সে. ৪২৯৬)

وحدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، قال سألت عبد الله بن أبي أوفى ح. وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن أبي، إسحاق الشيباني قال سألت عبد الله بن أبي أوفى هل رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ‏.‏ قال قلت بعد ما أنزلت سورة النور أم قبلها قال لا أدري ‏.‏


সহিহ মুসলিম > প্রসূতিদের ‘হদ্দ’- এর ব্যাপারে বিলম্ব করা

সহিহ মুসলিম ৪৩৪২

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا سليمان أبو داود، حدثنا زائدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، قال خطب علي فقال يا أيها الناس أقيموا على أرقائكم الحد من أحصن منهم ومن لم يحصن فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت فأمرني أن أجلدها فإذا هي حديث عهد بنفاس فخشيت إن أنا جلدتها أن أقتلها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أحسنت ‏"‏ ‏.‏

আবূ ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) এক ভাষণে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের (ব্যাভিচারী) দাস-দাসীদের উপর শরী’আতের হুকুম “হদ্দ কার্যকর কর, তারা বিবাহিত হোক অথবা অবিবাহিত হোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর এক দাসী ব্যভিচার করেছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমি যেন তাকে (দাসীটিকে) বেত্রাঘাত করি। সে তখন (নিফাস) সদ্য প্রসূতি অবস্থায় ছিল। আমি তখন ভয় করলাম যে, এমতাবস্থায় যদি আমি তাকে বেত্রাঘাত করি- তবে হয়তো তাকে মেরেই ফেলবো। এ ঘটনা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছো। (ই. ফা. ৪৩০১, ই. সে. ৪৩০২)

আবূ ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) এক ভাষণে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের (ব্যাভিচারী) দাস-দাসীদের উপর শরী’আতের হুকুম “হদ্দ কার্যকর কর, তারা বিবাহিত হোক অথবা অবিবাহিত হোক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর এক দাসী ব্যভিচার করেছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমি যেন তাকে (দাসীটিকে) বেত্রাঘাত করি। সে তখন (নিফাস) সদ্য প্রসূতি অবস্থায় ছিল। আমি তখন ভয় করলাম যে, এমতাবস্থায় যদি আমি তাকে বেত্রাঘাত করি- তবে হয়তো তাকে মেরেই ফেলবো। এ ঘটনা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছো। (ই. ফা. ৪৩০১, ই. সে. ৪৩০২)

حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، حدثنا سليمان أبو داود، حدثنا زائدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن، قال خطب علي فقال يا أيها الناس أقيموا على أرقائكم الحد من أحصن منهم ومن لم يحصن فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت فأمرني أن أجلدها فإذا هي حديث عهد بنفاس فخشيت إن أنا جلدتها أن أقتلها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أحسنت ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৩

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا إسرائيل، عن السدي، بهذا الإسناد ولم يذكر من أحصن منهم ومن لم يحصن ‏.‏ وزاد في الحديث ‏ "‏ اتركها حتى تماثل ‏"‏ ‏.‏

সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত” এ কথার উল্লেখ করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষন না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়”। (ই. ফা. ৪৩০২, ই. সে. ৪৩০৩)

সুদ্দী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত” এ কথার উল্লেখ করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, “তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষন না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়”। (ই. ফা. ৪৩০২, ই. সে. ৪৩০৩)

وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا إسرائيل، عن السدي، بهذا الإسناد ولم يذكر من أحصن منهم ومن لم يحصن ‏.‏ وزاد في الحديث ‏ "‏ اتركها حتى تماثل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মদ্যপানের শাস্তি

সহিহ মুসলিম ৪৩৪৮

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، أنوسلم كان يضرب في الخمر بالنعال والجريد أربعين ‏.‏ ثم ذكر نحو حديثهما ولم يذكر الريف والقرى ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানের অপরাধে জুতো এবং খেজুরের ডাল দ্বারা চল্লিশটি আঘাত করতেন। অতঃপর ওয়াকী’ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনাকারীদ্বয়ের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আর তিনি ...... ‘পানি ও বসতি’ কথাটির উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩০৭, ই. সে. ৪৩০৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানের অপরাধে জুতো এবং খেজুরের ডাল দ্বারা চল্লিশটি আঘাত করতেন। অতঃপর ওয়াকী’ উল্লিখিত হাদীস বর্ণনাকারীদ্বয়ের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আর তিনি ...... ‘পানি ও বসতি’ কথাটির উল্লেখ করেন নি। (ই. ফা. ৪৩০৭, ই. সে. ৪৩০৮)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن أنس، أنوسلم كان يضرب في الخمر بالنعال والجريد أربعين ‏.‏ ثم ذكر نحو حديثهما ولم يذكر الريف والقرى ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৬

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم جلد في الخمر بالجريد والنعال ثم جلد أبو بكر أربعين ‏.‏ فلما كان عمر ودنا الناس من الريف والقرى قال ما ترون في جلد الخمر فقال عبد الرحمن بن عوف أرى أن تجعلها كأخف الحدود ‏.‏ قال فجلد عمر ثمانين ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ‘আমালে চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস আরম্ভ করলো। তিনি তাদেরকে বললেন, মদ্যপানের বেত্রাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে, আপনি সর্বনিম্ন দন্ড নির্ধারণ করুন। তারপর ‘উমার (রাঃ) মদ্যপানের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। (ই. ফা. ৪৩০৫, ই. সে. ৪৩০৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদ্যপানে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ‘আমালে চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন। ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস আরম্ভ করলো। তিনি তাদেরকে বললেন, মদ্যপানের বেত্রাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে, আপনি সর্বনিম্ন দন্ড নির্ধারণ করুন। তারপর ‘উমার (রাঃ) মদ্যপানের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। (ই. ফা. ৪৩০৫, ই. সে. ৪৩০৬)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن أنس، بن مالك أن نبي الله صلى الله عليه وسلم جلد في الخمر بالجريد والنعال ثم جلد أبو بكر أربعين ‏.‏ فلما كان عمر ودنا الناس من الريف والقرى قال ما ترون في جلد الخمر فقال عبد الرحمن بن عوف أرى أن تجعلها كأخف الحدود ‏.‏ قال فجلد عمر ثمانين ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৫০

حدثني محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي حصين، عن عمير بن سعيد، عن علي، قال ما كنت أقيم على أحد حدا فيموت فيه فأجد منه في نفسي إلا صاحب الخمر لأنه إن مات وديته لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর ‘হদ্দ’ (শরী’য়তের শাস্তি) প্রয়োগে সে যদি মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার ‘দিয়্যাত’ (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করব। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ই. ফা. ৪৩০৯, ই. সে. ৪৩১০)

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর ‘হদ্দ’ (শরী’য়তের শাস্তি) প্রয়োগে সে যদি মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার ‘দিয়্যাত’ (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করব। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ই. ফা. ৪৩০৯, ই. সে. ৪৩১০)

حدثني محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي حصين، عن عمير بن سعيد، عن علي، قال ما كنت أقيم على أحد حدا فيموت فيه فأجد منه في نفسي إلا صاحب الخمر لأنه إن مات وديته لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৯

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن علية - عن ابن أبي عروبة، عن عبد الله الداناج، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله بن فيروز، مولى ابن عامر الداناج حدثنا حضين بن المنذر أبو ساسان، قال شهدت عثمان بن عفان وأتي بالوليد قد صلى الصبح ركعتين ثم قال أزيدكم فشهد عليه رجلان أحدهما حمران أنه شرب الخمر وشهد آخر أنه رآه يتقيأ فقال عثمان إنه لم يتقيأ حتى شربها فقال يا علي قم فاجلده ‏.‏ فقال علي قم يا حسن فاجلده ‏.‏ فقال الحسن ول حارها من تولى قارها - فكأنه وجد عليه - فقال يا عبد الله بن جعفر قم فاجلده ‏.‏ فجلده وعلي يعد حتى بلغ أربعين فقال أمسك ‏.‏ ثم قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم أربعين وجلد أبو بكر أربعين وعمر ثمانين وكل سنة وهذا أحب إلى ‏.‏ زاد علي بن حجر في روايته قال إسماعيل وقد سمعت حديث الداناج منه فلم أحفظه ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘আলী ইবনু হুজর ও ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) হাদীসের শব্দগুলো তাঁরই (বর্ণনা করা), হুসায়ন ইবনু মুনযির আবূ হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদকে তাঁর কাছে আনা হল। সে ফজরের দু’রাক’আত সলাত আদায় করে বলেছিল, আমি তোমাদের উদ্দেশে আরও অধিক রাক’আত পড়ব। তখন দু’ব্যক্তি ওয়ালীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিল। তন্মধ্যে একজনের নাম ছিল হুমরান। সে বলল, সে মদ খেয়েছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল যে, সে তাকে বমি করতে দেখেছে (মদ্যপানের কারণে)। তখন, ‘উসমান (রাঃ) বললেন, সে মদ খাওয়ার পরই বমি করেছে। অতএব তিনি বললেন, হে আলী (রাঃ) আপনি উঠুন ও তাকে বেত্রাঘাত করুন। তখন আলী (রাঃ) হাসান (রাঃ) কে বললেন, হে হাসান! তুমি উঠ ও তাকে বেত্রাঘাত কর। হাসান (রাঃ) বললেন, যে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেছে সে তার তিক্ততা ভোগ করুক। এতে যেন ‘আলী (রাঃ) তার প্রতি মর্মাহত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার! তুমি উঠ এবং তাকে দুর্রা (বেত্রাঘাত) কর। তিনি তাকে দুর্রা মারলেন। আর ‘আলী (রাঃ) তা গণনা করলেন। যখন চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, তুমি বিরত হও। এরপর তিনি বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-ও তাঁর খিলাফাতকালে চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন। আর ‘উমার (রাঃ) (তাঁর খিলাফাত কালে) আশিটি দুর্রা মেরেছেন। আর এতদুভয় সংখ্যার প্রতিটিই সুন্নাত। তবে এটি (শেষোক্তটি) আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। ‘আলী ইবনু হুজ্র (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইসমা’ঈল (রহঃ) বলেন যে, আমি তা দানাজ থেকে শুনেছিলাম, কিন্তু এখন তা আমার মনে নেই। (ই. ফা. ৪৩০৮, ই. সে. ৪৩০৯)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘আলী ইবনু হুজর ও ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) হাদীসের শব্দগুলো তাঁরই (বর্ণনা করা), হুসায়ন ইবনু মুনযির আবূ হাসান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদকে তাঁর কাছে আনা হল। সে ফজরের দু’রাক’আত সলাত আদায় করে বলেছিল, আমি তোমাদের উদ্দেশে আরও অধিক রাক’আত পড়ব। তখন দু’ব্যক্তি ওয়ালীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিল। তন্মধ্যে একজনের নাম ছিল হুমরান। সে বলল, সে মদ খেয়েছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল যে, সে তাকে বমি করতে দেখেছে (মদ্যপানের কারণে)। তখন, ‘উসমান (রাঃ) বললেন, সে মদ খাওয়ার পরই বমি করেছে। অতএব তিনি বললেন, হে আলী (রাঃ) আপনি উঠুন ও তাকে বেত্রাঘাত করুন। তখন আলী (রাঃ) হাসান (রাঃ) কে বললেন, হে হাসান! তুমি উঠ ও তাকে বেত্রাঘাত কর। হাসান (রাঃ) বললেন, যে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেছে সে তার তিক্ততা ভোগ করুক। এতে যেন ‘আলী (রাঃ) তার প্রতি মর্মাহত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফার! তুমি উঠ এবং তাকে দুর্রা (বেত্রাঘাত) কর। তিনি তাকে দুর্রা মারলেন। আর ‘আলী (রাঃ) তা গণনা করলেন। যখন চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, তুমি বিরত হও। এরপর তিনি বললেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চল্লিশটি বেত্রাঘাত করেছেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-ও তাঁর খিলাফাতকালে চল্লিশটি দুর্রা মেরেছেন। আর ‘উমার (রাঃ) (তাঁর খিলাফাত কালে) আশিটি দুর্রা মেরেছেন। আর এতদুভয় সংখ্যার প্রতিটিই সুন্নাত। তবে এটি (শেষোক্তটি) আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। ‘আলী ইবনু হুজ্র (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইসমা’ঈল (রহঃ) বলেন যে, আমি তা দানাজ থেকে শুনেছিলাম, কিন্তু এখন তা আমার মনে নেই। (ই. ফা. ৪৩০৮, ই. সে. ৪৩০৯)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن علية - عن ابن أبي عروبة، عن عبد الله الداناج، ح وحدثنا إسحاق، بن إبراهيم الحنظلي - واللفظ له - أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله بن فيروز، مولى ابن عامر الداناج حدثنا حضين بن المنذر أبو ساسان، قال شهدت عثمان بن عفان وأتي بالوليد قد صلى الصبح ركعتين ثم قال أزيدكم فشهد عليه رجلان أحدهما حمران أنه شرب الخمر وشهد آخر أنه رآه يتقيأ فقال عثمان إنه لم يتقيأ حتى شربها فقال يا علي قم فاجلده ‏.‏ فقال علي قم يا حسن فاجلده ‏.‏ فقال الحسن ول حارها من تولى قارها - فكأنه وجد عليه - فقال يا عبد الله بن جعفر قم فاجلده ‏.‏ فجلده وعلي يعد حتى بلغ أربعين فقال أمسك ‏.‏ ثم قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم أربعين وجلد أبو بكر أربعين وعمر ثمانين وكل سنة وهذا أحب إلى ‏.‏ زاد علي بن حجر في روايته قال إسماعيل وقد سمعت حديث الداناج منه فلم أحفظه ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৭

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، بهذا الإسناد مثله

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০৬, ই. সে. ৪৩০৭)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩০৬, ই. সে. ৪৩০৭)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، بهذا الإسناد مثله


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৪

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد شرب الخمر فجلده بجريدتين نحو أربعين ‏.‏ قال وفعله أبو بكر فلما كان عمر استشار الناس فقال عبد الرحمن أخف الحدود ثمانين ‏.‏ فأمر به عمر ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একদিন একজন মদ্যপানকারী ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো। তখন তিনি দু’টি খেজুরের ডাল দিয়ে চল্লিশ বারের মত তাকে বেত্রাঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আবূ বকর (রাঃ)- ও (তাঁর খিলাফত আমলে) তাই করেন। পরে যখন ‘উমার (রাঃ) খলীফা হলেন, তিনি এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শ চাইলেন। তখন ‘আবদুর রহমান’ (রাঃ) বললেন, অপরাধের শাস্তি কমপক্ষে আশি বেত্রাঘাত হওয়া প্রয়োজন। তাই ‘উমার (রাঃ) এরই নির্দেশ দিলেন। (ই. ফা. ৪৩০৩, ই. সে. ৪৩০৪)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একদিন একজন মদ্যপানকারী ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো। তখন তিনি দু’টি খেজুরের ডাল দিয়ে চল্লিশ বারের মত তাকে বেত্রাঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আবূ বকর (রাঃ)- ও (তাঁর খিলাফত আমলে) তাই করেন। পরে যখন ‘উমার (রাঃ) খলীফা হলেন, তিনি এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের পরামর্শ চাইলেন। তখন ‘আবদুর রহমান’ (রাঃ) বললেন, অপরাধের শাস্তি কমপক্ষে আশি বেত্রাঘাত হওয়া প্রয়োজন। তাই ‘উমার (রাঃ) এরই নির্দেশ দিলেন। (ই. ফা. ৪৩০৩, ই. সে. ৪৩০৪)

حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد شرب الخمر فجلده بجريدتين نحو أربعين ‏.‏ قال وفعله أبو بكر فلما كان عمر استشار الناس فقال عبد الرحمن أخف الحدود ثمانين ‏.‏ فأمر به عمر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৫১

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুফ্ইয়ান (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩১০, ই. সে ৪৩১১)

সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সুফ্ইয়ান (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩১০, ই. সে ৪৩১১)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪৩৪৫

وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت أنسا، يقول أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل ‏.‏ فذكر نحوه ‏.‏

কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর নিকট এক ব্যাক্তিকে আনা হল...অতঃপর রাবী আনাস উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩০৪, ই. সে. ৪৩০৫)

কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস (রাঃ)- কে বলতে শুনেছি, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর নিকট এক ব্যাক্তিকে আনা হল...অতঃপর রাবী আনাস উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৪৩০৪, ই. সে. ৪৩০৫)

وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت أنسا، يقول أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل ‏.‏ فذكر نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > তা’যীর [২৮] –এর বেত্রাঘাতের পরিমাণ

সহিহ মুসলিম ৪৩৫২

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، قال بينا نحن عند سليمان بن يسار إذ جاءه عبد الرحمن بن جابر فحدثه فأقبل، علينا سليمان فقال حدثني عبد الرحمن بن جابر، عن أبيه، عن أبي بردة الأنصاري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يجلد أحد فوق عشرة أسواط إلا في حد من حدود الله ‏"‏ ‏.‏

আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, কাউকে যেন আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত অপরাধের নির্দিষ্ট হদ্দ (দণ্ড) ব্যতীত দশ বেত্রাঘাতের বেশি বেত্রাঘাত না করা হয়। (ই. ফা. ৪৩১১, ই. সে. ৪৩১২)

আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছেন, কাউকে যেন আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত অপরাধের নির্দিষ্ট হদ্দ (দণ্ড) ব্যতীত দশ বেত্রাঘাতের বেশি বেত্রাঘাত না করা হয়। (ই. ফা. ৪৩১১, ই. সে. ৪৩১২)

حدثنا أحمد بن عيسى، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، قال بينا نحن عند سليمان بن يسار إذ جاءه عبد الرحمن بن جابر فحدثه فأقبل، علينا سليمان فقال حدثني عبد الرحمن بن جابر، عن أبيه، عن أبي بردة الأنصاري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يجلد أحد فوق عشرة أسواط إلا في حد من حدود الله ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00