সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম হত্যার প্রচলন করল- তার পাপের বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ৪২৭১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد، الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقتل نفس ظلما إلا كان على ابن آدم الأول كفل من دمها لأنه كان أول من سن القتل ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়, তবে সে খুনের একাংশ (পাপ) আদম (আঃ)-এর প্রথম পুত্র (কাবিল)-এর উপর বর্তায়। কেননা সে সর্বপ্রথম খুনের প্রথা প্রচলন করেছিল। (ই.ফা. ৪২৩২, ই.সে. ৪২৩২)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়, তবে সে খুনের একাংশ (পাপ) আদম (আঃ)-এর প্রথম পুত্র (কাবিল)-এর উপর বর্তায়। কেননা সে সর্বপ্রথম খুনের প্রথা প্রচলন করেছিল। (ই.ফা. ৪২৩২, ই.সে. ৪২৩২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد، الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقتل نفس ظلما إلا كان على ابن آدم الأول كفل من دمها لأنه كان أول من سن القتل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭২

وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد وفي حديث جرير وعيسى بن يونس ‏ "‏ لأنه سن القتل ‏"‏ ‏.‏ لم يذكرا أول ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাসীস বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর এবং ইসহাক্ (রহঃ)-এর হাদীসে …… (কেননা সে খুনের প্রথা প্রচলন করেছে) এ কথার উল্লেখ আছে। কিন্তু …… (প্রথম) কথাটির উল্লেখ নেই।(ই.ফা. ৪২৩৩, ই.সে. ৪২৩৩)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাসীস বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর এবং ইসহাক্ (রহঃ)-এর হাদীসে …… (কেননা সে খুনের প্রথা প্রচলন করেছে) এ কথার উল্লেখ আছে। কিন্তু …… (প্রথম) কথাটির উল্লেখ নেই।(ই.ফা. ৪২৩৩, ই.সে. ৪২৩৩)

وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد وفي حديث جرير وعيسى بن يونس ‏ "‏ لأنه سن القتل ‏"‏ ‏.‏ لم يذكرا أول ‏.‏


সহিহ মুসলিম > পরকালে হত্যার পরিণাম, কিয়ামাতের দিন এর বিচারই প্রথম করা হবে

সহিহ মুসলিম ৪২৭৩

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن عبد الله بن نمير، جميعا عن وكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، ووكيع عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أول ما يقضى بين الناس يوم القيامة في الدماء ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত দিবসে মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম খুনের বিচার করা হবে। (ই.ফা. ৪২৩৪, ই.সে. ৪২৩৪)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামাত দিবসে মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম খুনের বিচার করা হবে। (ই.ফা. ৪২৩৪, ই.সে. ৪২৩৪)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وإسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن عبد الله بن نمير، جميعا عن وكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، ووكيع عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أول ما يقضى بين الناس يوم القيامة في الدماء ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭৪

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - ح وحدثني بشر بن خالد، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن، المثنى وابن بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أن بعضهم قال عن شعبة ‏"‏ يقضى ‏"‏ ‏.‏ وبعضهم قال ‏"‏ يحكم بين الناس ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের কেউ কেউ শু’বাহ্ (রহঃ) হতে …………… (বিচার করা হবে) কথাটি বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ ………………. (মানুষের মাঝে হুকুম (বিচার) করা হবে) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২৩৫, ই.সে. ৪২৩৫)

‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের কেউ কেউ শু’বাহ্ (রহঃ) হতে …………… (বিচার করা হবে) কথাটি বর্ণনা করেছেন। আর কেউ কেউ ………………. (মানুষের মাঝে হুকুম (বিচার) করা হবে) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২৩৫, ই.সে. ৪২৩৫)

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - ح وحدثني بشر بن خالد، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا ابن، المثنى وابن بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، كلهم عن شعبة، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثله غير أن بعضهم قال عن شعبة ‏"‏ يقضى ‏"‏ ‏.‏ وبعضهم قال ‏"‏ يحكم بين الناس ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হত্যা, সম্মান এবং মালের হক বিনষ্ট করা হারাম হওয়ার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারী

সহিহ মুসলিম ৪২৭৬

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال لما كان ذلك اليوم قعد على بعيره وأخذ إنسان بخطامه فقال ‏"‏ أتدرون أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ حتى ظننا أنه سيسميه سوى اسمه ‏.‏ فقال ‏"‏ أليس بيوم النحر ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فأى شهر هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ أليس بذي الحجة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فأى بلد هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - حتى ظننا أنه سيسميه سوى اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس بالبلدة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا فليبلغ الشاهد الغائب ‏"‏ ‏.‏ قال ثم انكفأ إلى كبشين أملحين فذبحهما وإلى جزيعة من الغنم فقسمها بيننا ‏.‏

আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ঐদিন (ইয়াওমুন্নাহার) উপস্থিত হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের উটের উপর উঠলেন। এক ব্যক্তি তাঁর উটের লাগাম ধরে রেখেছিল। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা জান কি, আজ কোন দিন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জ্ঞাত। আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এ নাম ব্যতীত অপর কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেনঃ আজকের দিন কি ইয়াওমুন্নাহারের নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যা, হে আল্লাহর রসূল। তিনি বললেনঃ এটা কোন মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ই সবচেয়ে ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা কি যিলহাজ্জ মাস নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেনঃ এটি কোন শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ই অধিক জ্ঞাত। বর্ণনাকারী বলেন, এতে মনে করলাম যে, তিনি হয়ত এর অন্য কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেন, এ-কি (মাক্কাহ্) শহর নয়। আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তখন তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তোমাদের জান-মাল এবং সম্মান (বিনষ্ট করা) তোমাদের উপর এরূপ হারাম, যেরূপ তোমাদের জন্য আজকের দিন, এ মাস এবং এ নগরের পবিত্রতা বিনষ্ট করা হারাম। তোমাদের উপস্থিতগণ অনুপস্থিতদের কাছে আমার এ বাণী অবশ্যই পৌঁছে দিবে। এরপর তিনি কাল ও সাদা রং-মিশ্রিত দু’টি ছাগলের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন এবং ঐ দু’টি যাবাহ করলেন এবং যাবাহকৃত ছাগলের এক অংশ আমাদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২৩৭, ই.সে. ৪২৩৭)

আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন ঐদিন (ইয়াওমুন্নাহার) উপস্থিত হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের উটের উপর উঠলেন। এক ব্যক্তি তাঁর উটের লাগাম ধরে রেখেছিল। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা জান কি, আজ কোন দিন? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জ্ঞাত। আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এ নাম ব্যতীত অপর কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেনঃ আজকের দিন কি ইয়াওমুন্নাহারের নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যা, হে আল্লাহর রসূল। তিনি বললেনঃ এটা কোন মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ই সবচেয়ে ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ এটা কি যিলহাজ্জ মাস নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেনঃ এটি কোন শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ই অধিক জ্ঞাত। বর্ণনাকারী বলেন, এতে মনে করলাম যে, তিনি হয়ত এর অন্য কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেন, এ-কি (মাক্কাহ্) শহর নয়। আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তখন তিনি বললেনঃ নিশ্চয় তোমাদের জান-মাল এবং সম্মান (বিনষ্ট করা) তোমাদের উপর এরূপ হারাম, যেরূপ তোমাদের জন্য আজকের দিন, এ মাস এবং এ নগরের পবিত্রতা বিনষ্ট করা হারাম। তোমাদের উপস্থিতগণ অনুপস্থিতদের কাছে আমার এ বাণী অবশ্যই পৌঁছে দিবে। এরপর তিনি কাল ও সাদা রং-মিশ্রিত দু’টি ছাগলের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন এবং ঐ দু’টি যাবাহ করলেন এবং যাবাহকৃত ছাগলের এক অংশ আমাদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২৩৭, ই.সে. ৪২৩৭)

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، قال لما كان ذلك اليوم قعد على بعيره وأخذ إنسان بخطامه فقال ‏"‏ أتدرون أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا الله ورسوله أعلم ‏.‏ حتى ظننا أنه سيسميه سوى اسمه ‏.‏ فقال ‏"‏ أليس بيوم النحر ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فأى شهر هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ أليس بذي الحجة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فأى بلد هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - حتى ظننا أنه سيسميه سوى اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس بالبلدة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا فليبلغ الشاهد الغائب ‏"‏ ‏.‏ قال ثم انكفأ إلى كبشين أملحين فذبحهما وإلى جزيعة من الغنم فقسمها بيننا ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭৮

حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا قرة بن خالد، حدثنا محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، وعن رجل، آخر هو في نفسي أفضل من عبد الرحمن بن أبي بكرة ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة وأحمد بن خراش قالا حدثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو حدثنا قرة بإسناد يحيى بن سعيد - وسمى الرجل حميد بن عبد الرحمن - عن أبي بكرة قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال ‏"‏ أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ وساقوا الحديث بمثل حديث ابن عون غير أنه لا يذكر ‏"‏ وأعراضكم ‏"‏ ‏.‏ ولا يذكر ثم انكفأ إلى كبشين وما بعده وقال في الحديث ‏"‏ كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا إلى يوم تلقون ربكم ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اشهد ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াওমুন্নাহার- অর্থাৎ- ঈদুল আযহার দিন আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ভাষণে বললেনঃ আজ কোন্দিন? এরপরবর্ণনাকারীগণ, ইবনু ‘আওনেরহাদীসেরঅনুরূপবর্ণনাকরলেন। কিন্তুতারা …..…………. (তোমাদের মান-সম্মান) এ শব্দটি উল্লেখ করেননি এবং ……………. (অতঃপর তিনি দু’টি ছাগলের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন) এবং এর পরবর্তী অংশটুকুও উল্লেখ করেননি। আর তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে ‘তোমাদের এ দিন, এ মাস এবং এ শহরের পবিত্রতার ন্যায়’ থেকে নিয়ে- ……………………………… (যেদিন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎ করবে। শুনো! আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছি? তখন সকলেই বললো, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন) এ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২৩৯, ই.সে. ৪২৩৯)

আবূ বাক্রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াওমুন্নাহার- অর্থাৎ- ঈদুল আযহার দিন আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ভাষণে বললেনঃ আজ কোন্দিন? এরপরবর্ণনাকারীগণ, ইবনু ‘আওনেরহাদীসেরঅনুরূপবর্ণনাকরলেন। কিন্তুতারা …..…………. (তোমাদের মান-সম্মান) এ শব্দটি উল্লেখ করেননি এবং ……………. (অতঃপর তিনি দু’টি ছাগলের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন) এবং এর পরবর্তী অংশটুকুও উল্লেখ করেননি। আর তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে ‘তোমাদের এ দিন, এ মাস এবং এ শহরের পবিত্রতার ন্যায়’ থেকে নিয়ে- ……………………………… (যেদিন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎ করবে। শুনো! আমি কি তোমাদের কাছে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছি? তখন সকলেই বললো, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন) এ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২৩৯, ই.সে. ৪২৩৯)

حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا قرة بن خالد، حدثنا محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، وعن رجل، آخر هو في نفسي أفضل من عبد الرحمن بن أبي بكرة ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة وأحمد بن خراش قالا حدثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو حدثنا قرة بإسناد يحيى بن سعيد - وسمى الرجل حميد بن عبد الرحمن - عن أبي بكرة قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر فقال ‏"‏ أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ وساقوا الحديث بمثل حديث ابن عون غير أنه لا يذكر ‏"‏ وأعراضكم ‏"‏ ‏.‏ ولا يذكر ثم انكفأ إلى كبشين وما بعده وقال في الحديث ‏"‏ كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا إلى يوم تلقون ربكم ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اللهم اشهد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭৭

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن عون، قال قال محمد قال عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال لما كان ذلك اليوم جلس النبي صلى الله عليه وسلم على بعير - قال - ورجل آخذ بزمامه - أو قال بخطامه - فذكر نحو حديث يزيد بن زريع ‏.‏

আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন সেদিন (ইয়াওমুন্নাহারের দিন) উপস্থিত হ’ল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি উটের উপর উপবেশন করলেন। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি তার লাগাম ধরে রেখেছিল। রাবী’র সন্দেহ …….…… শব্দের পরিবর্তে ………..…. (লাগাম) শব্দ বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি ইয়াযীদ ইবনু যুরাই’ (রাঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২৩৮, ই.সে. ৪২৩৮)

আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন সেদিন (ইয়াওমুন্নাহারের দিন) উপস্থিত হ’ল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি উটের উপর উপবেশন করলেন। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি তার লাগাম ধরে রেখেছিল। রাবী’র সন্দেহ …….…… শব্দের পরিবর্তে ………..…. (লাগাম) শব্দ বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি ইয়াযীদ ইবনু যুরাই’ (রাঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২৩৮, ই.সে. ৪২৩৮)

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن عون، قال قال محمد قال عبد الرحمن بن أبي بكرة عن أبيه قال لما كان ذلك اليوم جلس النبي صلى الله عليه وسلم على بعير - قال - ورجل آخذ بزمامه - أو قال بخطامه - فذكر نحو حديث يزيد بن زريع ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ويحيى بن حبيب الحارثي، - وتقاربا في اللفظ - قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن أيوب، عن ابن سيرين، عن ابن أبي بكرة، عن أبي، بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ إن الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاثة متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب شهر مضر الذي بين جمادى وشعبان - ثم قال - أى شهر هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس ذا الحجة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فأى بلد هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس البلدة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فأى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس يوم النحر ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن دماءكم وأموالكم - قال محمد وأحسبه قال - وأعراضكم حرام عليكم كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا في شهركم هذا وستلقون ربكم فيسألكم عن أعمالكم فلا ترجعن بعدي كفارا - أو ضلالا - يضرب بعضكم رقاب بعض ألا ليبلغ الشاهد الغائب فلعل بعض من يبلغه يكون أوعى له من بعض من سمعه ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قال ابن حبيب في روايته ‏"‏ ورجب مضر ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية أبي بكر ‏"‏ فلا ترجعوا بعدي ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাকরাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ কাল আবর্তিত হয়ে পূর্বাবস্থায় ফিরে এসেছে, যে অবস্থায় আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এক বছর হয় বার মাসে, তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস। (অর্থাৎ- তাতে যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম) এর তিন মাস হল ধারাবাহিক- ১. যুল কা’দা, ২. যুলহাজ্জাহ্ এবং ৩. মুহাররাম। আর রজবও নিষিদ্ধ মাস, যা জামাদিউস্ সানী এবং শা’বানের মাঝে অবস্থিত। এর পর তিনি বললেনঃ এটি কোন্ মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে অধিক জানেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। আমরা ভাবলাম যে, তিনি হয়ত এ মাসের নতুন কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেনঃ এ-কি “যুলহাজ্জাহ্” মাস নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ কোন্ শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জানেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এর অপর কোন নাম রাখবেন। তিনি বললেনঃ এ-কি (মাক্কা) শহর নয়। আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ কোন্ দিন? আমরা বললাম আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জ্ঞাত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এর অন্য কোন নাম বলবেন। তিনি বললেনঃ এ-কি ইয়াওমুন্নাহার (ঈদুল আযহার দিন) নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ তোমাদের জান ও মাল এবং রাবী মুহাম্মাদ বলেন, আমি ধারণা করি এর সাথে তিনি তোমাদের মান সম্ভ্রম এ কথা যুক্ত করে বললেনঃ এগুলো তেমন মর্যাদাপূর্ণ যেমন তোমাদের কাছে আজকার দিবস, এ নগর এবং এ মাসও পবিত্র। তোমরা খুব শীঘ্রই তোমাদের প্রভুর সাথে মিলিত হবে। তখন তোমাদেরকে তোমোদের কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অতএব তোমরা আমার পরে পথভ্রষ্ট হয়ে একে অন্যের সাথে ঝগড়া-ফাসাদে লিপ্ত হয়ো না। সাবধান! তোমাদের উপস্থিতগণ অবশ্যই অনুপস্থিতদের কাছে আমার এ বাণী পৌছে দিবে। সম্ভবতঃ উপস্থিত ব্যক্তি যাদের কাছে আমার বাণী পৌছে দিবে, তাঁরা কেউ কেউ হয়ত এখানকার শ্রোতাদের চেয়ে অধিকতর সংরক্ষণকারী হবে। এরপর তিনি বললেনঃ ওহে! শুনো, আমি কি আল্লাহর নির্দেশ পৌছে দেইনি? ইবনু হাবীব তাঁর বর্ণনায় ………………….. (রজব নিষিদ্ধ মাস) বর্ণনা করেছেন। আবূ বকর (রাঃ)-এর অপর বর্ণনায় …………… (তোমরা আমার পরে ধর্মান্তরিত হয়ো না) বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪২৩৬, ই.সে. ৪২৩৬)

আবূ বাকরাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ কাল আবর্তিত হয়ে পূর্বাবস্থায় ফিরে এসেছে, যে অবস্থায় আল্লাহ তা’আলা আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এক বছর হয় বার মাসে, তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস। (অর্থাৎ- তাতে যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম) এর তিন মাস হল ধারাবাহিক- ১. যুল কা’দা, ২. যুলহাজ্জাহ্ এবং ৩. মুহাররাম। আর রজবও নিষিদ্ধ মাস, যা জামাদিউস্ সানী এবং শা’বানের মাঝে অবস্থিত। এর পর তিনি বললেনঃ এটি কোন্ মাস? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে অধিক জানেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। আমরা ভাবলাম যে, তিনি হয়ত এ মাসের নতুন কোন নাম বলবেন। এরপর তিনি বললেনঃ এ-কি “যুলহাজ্জাহ্” মাস নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ কোন্ শহর? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জানেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এর অপর কোন নাম রাখবেন। তিনি বললেনঃ এ-কি (মাক্কা) শহর নয়। আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ কোন্ দিন? আমরা বললাম আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিক জ্ঞাত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি কিছুক্ষণ চুপ রইলেন। এতে আমরা ধারণা করলাম যে, তিনি হয়ত এর অন্য কোন নাম বলবেন। তিনি বললেনঃ এ-কি ইয়াওমুন্নাহার (ঈদুল আযহার দিন) নয়? আমরা বললাম, জী-হ্যাঁ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বললেনঃ তোমাদের জান ও মাল এবং রাবী মুহাম্মাদ বলেন, আমি ধারণা করি এর সাথে তিনি তোমাদের মান সম্ভ্রম এ কথা যুক্ত করে বললেনঃ এগুলো তেমন মর্যাদাপূর্ণ যেমন তোমাদের কাছে আজকার দিবস, এ নগর এবং এ মাসও পবিত্র। তোমরা খুব শীঘ্রই তোমাদের প্রভুর সাথে মিলিত হবে। তখন তোমাদেরকে তোমোদের কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অতএব তোমরা আমার পরে পথভ্রষ্ট হয়ে একে অন্যের সাথে ঝগড়া-ফাসাদে লিপ্ত হয়ো না। সাবধান! তোমাদের উপস্থিতগণ অবশ্যই অনুপস্থিতদের কাছে আমার এ বাণী পৌছে দিবে। সম্ভবতঃ উপস্থিত ব্যক্তি যাদের কাছে আমার বাণী পৌছে দিবে, তাঁরা কেউ কেউ হয়ত এখানকার শ্রোতাদের চেয়ে অধিকতর সংরক্ষণকারী হবে। এরপর তিনি বললেনঃ ওহে! শুনো, আমি কি আল্লাহর নির্দেশ পৌছে দেইনি? ইবনু হাবীব তাঁর বর্ণনায় ………………….. (রজব নিষিদ্ধ মাস) বর্ণনা করেছেন। আবূ বকর (রাঃ)-এর অপর বর্ণনায় …………… (তোমরা আমার পরে ধর্মান্তরিত হয়ো না) বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪২৩৬, ই.সে. ৪২৩৬)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ويحيى بن حبيب الحارثي، - وتقاربا في اللفظ - قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن أيوب، عن ابن سيرين، عن ابن أبي بكرة، عن أبي، بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ إن الزمان قد استدار كهيئته يوم خلق الله السموات والأرض السنة اثنا عشر شهرا منها أربعة حرم ثلاثة متواليات ذو القعدة وذو الحجة والمحرم ورجب شهر مضر الذي بين جمادى وشعبان - ثم قال - أى شهر هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس ذا الحجة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فأى بلد هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس البلدة ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فأى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم - قال - فسكت حتى ظننا أنه سيسميه بغير اسمه ‏.‏ قال ‏"‏ أليس يوم النحر ‏"‏ ‏.‏ قلنا بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن دماءكم وأموالكم - قال محمد وأحسبه قال - وأعراضكم حرام عليكم كحرمة يومكم هذا في بلدكم هذا في شهركم هذا وستلقون ربكم فيسألكم عن أعمالكم فلا ترجعن بعدي كفارا - أو ضلالا - يضرب بعضكم رقاب بعض ألا ليبلغ الشاهد الغائب فلعل بعض من يبلغه يكون أوعى له من بعض من سمعه ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ألا هل بلغت ‏"‏ ‏.‏ قال ابن حبيب في روايته ‏"‏ ورجب مضر ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية أبي بكر ‏"‏ فلا ترجعوا بعدي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > হত্যার স্বীকারোক্তি দেয়াএবং নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের কিসাসের দাবি করা বৈধ, হত্যাকারী ব্যক্তির নিহত ব্যক্তির অভিভাবকের নিকট ক্ষমার আবেদন করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৪২৭৯

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا أبو يونس، عن سماك بن، حرب أن علقمة بن وائل، حدثه أن أباه حدثه قال إني لقاعد مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال يا رسول الله هذا قتل أخي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقتلته ‏"‏ ‏.‏ فقال إنه لو لم يعترف أقمت عليه البينة ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قتلته قال ‏"‏ كيف قتلته ‏"‏ ‏.‏ قال كنت أنا وهو نختبط من شجرة فسبني فأغضبني فضربته بالفأس على قرنه فقتلته ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل لك من شىء تؤديه عن نفسك ‏"‏ ‏.‏ قال ما لي مال إلا كسائي وفأسي ‏.‏ قال ‏"‏ فترى قومك يشترونك ‏"‏ ‏.‏ قال أنا أهون على قومي من ذاك ‏.‏ فرمى إليه بنسعته ‏.‏ وقال ‏"‏ دونك صاحبك ‏"‏ ‏.‏ فانطلق به الرجل فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن قتله فهو مثله ‏"‏ ‏.‏ فرجع فقال يا رسول الله إنه بلغني أنك قلت ‏"‏ إن قتله فهو مثله ‏"‏ ‏.‏ وأخذته بأمرك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما تريد أن يبوء بإثمك وإثم صاحبك ‏"‏ ‏.‏ قال يا نبي الله - لعله قال - بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فإن ذاك كذاك ‏"‏ ‏.‏ قال فرمى بنسعته وخلى سبيله ‏.‏

আলকামাহ্ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা তার কাছে বর্ণনা করেছেন, আমি একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বসেছিলাম। এমন সময় একটি লোক অপর এক ব্যক্তিকে চামড়ার দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে আগমন করল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ? (তখন সে বলল, যদি সে তা স্বীকার না করতো, তবে আমি তার উপর সাক্ষী দাঁড় করাতাম।) সে তখন বলল, হ্যাঁ আমি তাকে হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন : তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করেছ? সে বলল, আমি এবং সে গাছের পাতা সংগ্রহ করছিলাম। এমন সময় সে আমাকে গালি দিল। এতে আমর রাগ চড়ে গেল। তখন আমি কুঠার দ্বারা তার মাথায় আঘাত করলাম। এভাবে আমি তাকে হত্যা করেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার কি এমন কোন সম্পদ আছে যদ্দ্বারা ‘দিয়্যাত’ (রক্তপণ) পরিশোধ করবে? তখন সে বলল, আমার কাছে একটি কম্বল ও কুঠার ব্যতীত আর কিছুই নেই। তখন তিনি বললেনঃ তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা কি তোমার নিকট থেকে এগুলো কিনে নিয়ে তোমাকে মুক্ত করিয়ে নেবে? সে বলল, আমার সম্প্রদায়ের কাছে আমার এতখানি মর্যাদা নেই। অতএব তিনি তার বন্ধনের দড়ি নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারদের দিকে ছুঁড়ে দিলেন এবং বললেনঃ তুমি তোমার সাথীকে আটকে রাখ। সে তখন তাকে নিয়ে চলে গেল। যখন সে পিছনের দিকে যাচ্ছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি সে তাকে হত্যা করে-তবে সেও তার সমকক্ষ হয়ে গেল। এ কথা শুনে সে ফিরে এলো এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি শুনলাম, আপনি বলছেন : ‘যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সে তার সমান হয়ে যাবে।’ আমি তো তাকে আপনার নির্দেশেই ধরে এনেছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি এ চাওনা যে, সে তোমার এবং তোমার ভাইয়ের পাপের বোঝা গ্রহণ করুক। তখন সে বলল, তাই কি হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন সে বলল, যদি তাই হয়, (তবে ভাল)। এ বলে সে তার বন্ধনের দড়ি নিক্ষেপ করল এবং তাকে মুক্ত করে দিল। (ই.ফা. ৪২৪০, ই.সে. ৪২৪০)

আলকামাহ্ ইবনু ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা তার কাছে বর্ণনা করেছেন, আমি একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বসেছিলাম। এমন সময় একটি লোক অপর এক ব্যক্তিকে চামড়ার দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে আগমন করল এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ? (তখন সে বলল, যদি সে তা স্বীকার না করতো, তবে আমি তার উপর সাক্ষী দাঁড় করাতাম।) সে তখন বলল, হ্যাঁ আমি তাকে হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন : তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করেছ? সে বলল, আমি এবং সে গাছের পাতা সংগ্রহ করছিলাম। এমন সময় সে আমাকে গালি দিল। এতে আমর রাগ চড়ে গেল। তখন আমি কুঠার দ্বারা তার মাথায় আঘাত করলাম। এভাবে আমি তাকে হত্যা করেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার কি এমন কোন সম্পদ আছে যদ্দ্বারা ‘দিয়্যাত’ (রক্তপণ) পরিশোধ করবে? তখন সে বলল, আমার কাছে একটি কম্বল ও কুঠার ব্যতীত আর কিছুই নেই। তখন তিনি বললেনঃ তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা কি তোমার নিকট থেকে এগুলো কিনে নিয়ে তোমাকে মুক্ত করিয়ে নেবে? সে বলল, আমার সম্প্রদায়ের কাছে আমার এতখানি মর্যাদা নেই। অতএব তিনি তার বন্ধনের দড়ি নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারদের দিকে ছুঁড়ে দিলেন এবং বললেনঃ তুমি তোমার সাথীকে আটকে রাখ। সে তখন তাকে নিয়ে চলে গেল। যখন সে পিছনের দিকে যাচ্ছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি সে তাকে হত্যা করে-তবে সেও তার সমকক্ষ হয়ে গেল। এ কথা শুনে সে ফিরে এলো এবং বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি শুনলাম, আপনি বলছেন : ‘যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সে তার সমান হয়ে যাবে।’ আমি তো তাকে আপনার নির্দেশেই ধরে এনেছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি এ চাওনা যে, সে তোমার এবং তোমার ভাইয়ের পাপের বোঝা গ্রহণ করুক। তখন সে বলল, তাই কি হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন সে বলল, যদি তাই হয়, (তবে ভাল)। এ বলে সে তার বন্ধনের দড়ি নিক্ষেপ করল এবং তাকে মুক্ত করে দিল। (ই.ফা. ৪২৪০, ই.সে. ৪২৪০)

حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا أبو يونس، عن سماك بن، حرب أن علقمة بن وائل، حدثه أن أباه حدثه قال إني لقاعد مع النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال يا رسول الله هذا قتل أخي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقتلته ‏"‏ ‏.‏ فقال إنه لو لم يعترف أقمت عليه البينة ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قتلته قال ‏"‏ كيف قتلته ‏"‏ ‏.‏ قال كنت أنا وهو نختبط من شجرة فسبني فأغضبني فضربته بالفأس على قرنه فقتلته ‏.‏ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل لك من شىء تؤديه عن نفسك ‏"‏ ‏.‏ قال ما لي مال إلا كسائي وفأسي ‏.‏ قال ‏"‏ فترى قومك يشترونك ‏"‏ ‏.‏ قال أنا أهون على قومي من ذاك ‏.‏ فرمى إليه بنسعته ‏.‏ وقال ‏"‏ دونك صاحبك ‏"‏ ‏.‏ فانطلق به الرجل فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن قتله فهو مثله ‏"‏ ‏.‏ فرجع فقال يا رسول الله إنه بلغني أنك قلت ‏"‏ إن قتله فهو مثله ‏"‏ ‏.‏ وأخذته بأمرك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما تريد أن يبوء بإثمك وإثم صاحبك ‏"‏ ‏.‏ قال يا نبي الله - لعله قال - بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فإن ذاك كذاك ‏"‏ ‏.‏ قال فرمى بنسعته وخلى سبيله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৮০

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا هشيم، أخبرنا إسماعيل، بن سالم عن علقمة بن وائل، عن أبيه، قال أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل قتل رجلا فأقاد ولي المقتول منه فانطلق به وفي عنقه نسعة يجرها فلما أدبر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ القاتل والمقتول في النار ‏"‏ ‏.‏ فأتى رجل الرجل فقال له مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم فخلى عنه ‏.‏ قال إسماعيل بن سالم فذكرت ذلك لحبيب بن أبي ثابت فقال حدثني ابن أشوع أن النبي صلى الله عليه وسلم إنما سأله أن يعفو عنه فأبى ‏.‏

ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে হাযির করা হল, যে অপর এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। তখন তিনি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে তার কাছে হতে কিসাস গ্রহণের অনুমতি দিলেন। তখন সেতাকে নিয়ে চলল এমনঅবস্থায় যে, তার গলায় একটি চামড়ার দড়ি ছিল, যদ্দ্বারা তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। যখন সে ফিরে যাচ্ছিল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামী। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এক লোক ঐ ব্যক্তির সাথে গিয়ে মিলিত হল এবং তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী শোনাল। সে তখন হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। ইসমা’ঈল ইবনু সালিম (রহঃ) বলেন, আমি এ ঘটনা হাবীব ইবনু সাবিত (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাকে ইবনু আশ্ওয়া’ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার জন্য তাকে (ইতোপূর্বে) বলেছিলেন, কিন্তু সে তা অস্বীকার করেছিল। (ই.ফা. ৪২৪১, ই.সে. ৪২৪১)

ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে হাযির করা হল, যে অপর এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। তখন তিনি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে তার কাছে হতে কিসাস গ্রহণের অনুমতি দিলেন। তখন সেতাকে নিয়ে চলল এমনঅবস্থায় যে, তার গলায় একটি চামড়ার দড়ি ছিল, যদ্দ্বারা তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। যখন সে ফিরে যাচ্ছিল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই জাহান্নামী। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এক লোক ঐ ব্যক্তির সাথে গিয়ে মিলিত হল এবং তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণী শোনাল। সে তখন হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। ইসমা’ঈল ইবনু সালিম (রহঃ) বলেন, আমি এ ঘটনা হাবীব ইবনু সাবিত (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেন, আমাকে ইবনু আশ্ওয়া’ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার জন্য তাকে (ইতোপূর্বে) বলেছিলেন, কিন্তু সে তা অস্বীকার করেছিল। (ই.ফা. ৪২৪১, ই.সে. ৪২৪১)

وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا هشيم، أخبرنا إسماعيل، بن سالم عن علقمة بن وائل، عن أبيه، قال أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل قتل رجلا فأقاد ولي المقتول منه فانطلق به وفي عنقه نسعة يجرها فلما أدبر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ القاتل والمقتول في النار ‏"‏ ‏.‏ فأتى رجل الرجل فقال له مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم فخلى عنه ‏.‏ قال إسماعيل بن سالم فذكرت ذلك لحبيب بن أبي ثابت فقال حدثني ابن أشوع أن النبي صلى الله عليه وسلم إنما سأله أن يعفو عنه فأبى ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00