সহিহ মুসলিম > যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির জীবন অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর আক্রমণ করে, তখন যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তা প্রতিহত করে এবং প্রতিহত করার সময় আঘাতকারীর জীবন অথবা অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে, তবে এর জন্য তাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না

সহিহ মুসলিম ৪২৫৮

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، قال قاتل يعلى ابن منية أو ابن أمية رجلا فعض أحدهما صاحبه فانتزع يده من فمه فنزع ثنيته - وقال ابن المثنى ثنيتيه - فاختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أيعض أحدكم كما يعض الفحل لا دية له ‏"‏ ‏.

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইলায়া ইবনু মুন্‌ইয়া অথবা ইবনু উমাইয়াহ্‌ (রাঃ) এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হল। তখন একজন অপর জনের হাতে দাঁত দিয়ে কামড় বসিয়ে দিল। সে যখন আপন হাত তার মুখ থেকে সজোরে টেনে আনল তখন তার সম্মুখভাগের একটি দাঁত খসে গেল। ইবনু মুসান্না (একটির স্থলে) দু’টি দাঁত বলেছেন। উভয়েই তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একজন কি এমনভাবে দাঁত দিয়ে কামড় দিলে যেমনভাবে উট কামড় দেয়? তবে এরজন্য কোন (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নেই। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭০] (ই.ফা. ৪২১৯, ই.সে. ৪২১৯)

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইলায়া ইবনু মুন্‌ইয়া অথবা ইবনু উমাইয়াহ্‌ (রাঃ) এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হল। তখন একজন অপর জনের হাতে দাঁত দিয়ে কামড় বসিয়ে দিল। সে যখন আপন হাত তার মুখ থেকে সজোরে টেনে আনল তখন তার সম্মুখভাগের একটি দাঁত খসে গেল। ইবনু মুসান্না (একটির স্থলে) দু’টি দাঁত বলেছেন। উভয়েই তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একজন কি এমনভাবে দাঁত দিয়ে কামড় দিলে যেমনভাবে উট কামড় দেয়? তবে এরজন্য কোন (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নেই। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭০] (ই.ফা. ৪২১৯, ই.সে. ৪২১৯)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، قال قاتل يعلى ابن منية أو ابن أمية رجلا فعض أحدهما صاحبه فانتزع يده من فمه فنزع ثنيته - وقال ابن المثنى ثنيتيه - فاختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أيعض أحدكم كما يعض الفحل لا دية له ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৪২৬০

حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - يعني ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض ذراع رجل فجذبه فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطله وقال ‏ "‏ أردت أن تأكل لحمه ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে সে ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ দায়ের করা হ’ল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন, তুমি তো প্রতিপক্ষের গোশ্‌ত খেতে চেয়েছিলে। (ই.ফা. ৪২২১, ই.সে. ৪২২১)

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে সে ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ দায়ের করা হ’ল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন, তুমি তো প্রতিপক্ষের গোশ্‌ত খেতে চেয়েছিলে। (ই.ফা. ৪২২১, ই.সে. ৪২২১)

حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - يعني ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض ذراع رجل فجذبه فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطله وقال ‏ "‏ أردت أن تأكل لحمه ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬১

حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن بديل، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، أن أجيرا، ليعلى ابن منية عض رجل ذراعه فجذبها فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطلها وقال ‏ " أردت أن تقضمها كما يقضم الفحل ‏"‏ ‏.‏

সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা (রা.) থেকে বর্নিতঃ

ইয়ালা ইবনু মুন্‌ইয়া (রাঃ)-এর এক শ্রমিকের হাতে এক ব্যক্তি কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে ঐ ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে মুকাদ্দমা দায়ের করা হল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন যে, তুমি তো তার হাত এমনভাবে চিবাতে চেয়েছিলে যেমনভাবে উট চিবায়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭১] (ই.ফা. ৪২২২, ই.সে. ৪২২২)

সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা (রা.) থেকে বর্নিতঃ

ইয়ালা ইবনু মুন্‌ইয়া (রাঃ)-এর এক শ্রমিকের হাতে এক ব্যক্তি কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে ঐ ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে মুকাদ্দমা দায়ের করা হল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন যে, তুমি তো তার হাত এমনভাবে চিবাতে চেয়েছিলে যেমনভাবে উট চিবায়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭১] (ই.ফা. ৪২২২, ই.সে. ৪২২২)

حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن بديل، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، أن أجيرا، ليعلى ابن منية عض رجل ذراعه فجذبها فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطلها وقال ‏ " أردت أن تقضمها كما يقضم الفحل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬৩

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن صفوان بن يعلى ابن، منية عن أبيه، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل وقد عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيتاه - يعني الذي عضه - قال فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم وقال ‏ "‏ أردت أن تقضمه كما يقضم الفحل ‏"‏ ‏.‏

ইয়া’লা ইবনু মুন্‌য়াহ্‌ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি এসে অভিযোগ দায়ের করল-যে অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল। সে যখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার দু’টি দাঁত পড়ে গেল। অর্থাৎ-যে ব্যক্তি দাঁত দ্বারা কামড় দিয়েছিল তার দাঁত পড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ অভিযোগ নাকচ করে দিলেন এবং বললেন, তুমি তার হাত এমনভাবে চর্বন করতে চেয়েছিলে যেমন উট চর্বন করে থাকে। (ই.ফা. ৪২২৪, ই.সে. ৪২২৪)

ইয়া’লা ইবনু মুন্‌য়াহ্‌ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি এসে অভিযোগ দায়ের করল-যে অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল। সে যখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার দু’টি দাঁত পড়ে গেল। অর্থাৎ-যে ব্যক্তি দাঁত দ্বারা কামড় দিয়েছিল তার দাঁত পড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ অভিযোগ নাকচ করে দিলেন এবং বললেন, তুমি তার হাত এমনভাবে চর্বন করতে চেয়েছিলে যেমন উট চর্বন করে থাকে। (ই.ফা. ৪২২৪, ই.সে. ৪২২৪)

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن صفوان بن يعلى ابن، منية عن أبيه، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل وقد عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيتاه - يعني الذي عضه - قال فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم وقال ‏ "‏ أردت أن تقضمه كما يقضم الفحل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني صفوان بن يعلى بن أمية، عن أبيه، قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك - قال وكان يعلى يقول تلك الغزوة أوثق عملي عندي - فقال عطاء قال صفوان قال يعلى كان لي أجير فقاتل إنسانا فعض أحدهما يد الآخر - قال لقد أخبرني صفوان أيهما عض الآخر - فانتزع المعضوض يده من في العاض فانتزع إحدى ثنيتيه فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فأهدر ثنيته ‏.‏

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়াহ্‌ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাবূকের যুদ্ধ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়া’লা বলতেন, ঐ যুদ্ধ আমার নিকট একটি নির্ভরযোগ্য (পুণ্যের) কাজ ছিল। আতা (র.) ..... সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ইয়া’লা (রাঃ) বলেছেন, আমার একজন শ্রমিক ছিল সে এবং অপর এক ব্যক্তি পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হল। এতে একজন অপরজনের হাতে কামড় বসিয়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন তাদের দু’জনের মধ্যে কে অন্যের হাতে কামড় দিয়েছিল। যে ব্যক্তির হাতে কামড় দিয়েছিল সে ব্যক্তি কামড় দাতার মুখ থেকে তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার সম্মুখের দু’টি দাঁতের একটি দাঁত পড়ে গেল। তখন উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ পেশ করল, তখন তিনি দাঁত পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২২৫, ই.সে. ৪২২৫)

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়াহ্‌ (রা.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাবূকের যুদ্ধ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়া’লা বলতেন, ঐ যুদ্ধ আমার নিকট একটি নির্ভরযোগ্য (পুণ্যের) কাজ ছিল। আতা (র.) ..... সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ইয়া’লা (রাঃ) বলেছেন, আমার একজন শ্রমিক ছিল সে এবং অপর এক ব্যক্তি পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হল। এতে একজন অপরজনের হাতে কামড় বসিয়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন তাদের দু’জনের মধ্যে কে অন্যের হাতে কামড় দিয়েছিল। যে ব্যক্তির হাতে কামড় দিয়েছিল সে ব্যক্তি কামড় দাতার মুখ থেকে তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার সম্মুখের দু’টি দাঁতের একটি দাঁত পড়ে গেল। তখন উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ পেশ করল, তখন তিনি দাঁত পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২২৫, ই.সে. ৪২২৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني صفوان بن يعلى بن أمية، عن أبيه، قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك - قال وكان يعلى يقول تلك الغزوة أوثق عملي عندي - فقال عطاء قال صفوان قال يعلى كان لي أجير فقاتل إنسانا فعض أحدهما يد الآخر - قال لقد أخبرني صفوان أيهما عض الآخر - فانتزع المعضوض يده من في العاض فانتزع إحدى ثنيتيه فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فأهدر ثنيته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬২

حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن محمد، بن سيرين عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيته أو ثناياه فاستعدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تأمرني تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل ادفع يدك حتى يعضها ثم انتزعها ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। সে তখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার একটি অথবা দু’টি দাঁত খসে পড়ল। সে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আমার কাছে কি চাও? তুমি কি চাও যে, আমি তাকে নির্দেশ করবো তার হাত তোমার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে, আর তুমি তা কামড়াবে যেমন উট চিবিয়ে থাকে? তুমি ইচ্ছে করলে তোমার হাত তার মুখের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিতে পার, সে তখন তা দাঁতে কর্তন করবে, এরপর তুমিও তা সজোরে টেনে নিও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৬৬] (ই.ফা. ৪২২৩, ই.সে. ৪২২৩)

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। সে তখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার একটি অথবা দু’টি দাঁত খসে পড়ল। সে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করল। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আমার কাছে কি চাও? তুমি কি চাও যে, আমি তাকে নির্দেশ করবো তার হাত তোমার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে, আর তুমি তা কামড়াবে যেমন উট চিবিয়ে থাকে? তুমি ইচ্ছে করলে তোমার হাত তার মুখের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিতে পার, সে তখন তা দাঁতে কর্তন করবে, এরপর তুমিও তা সজোরে টেনে নিও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৬৬] (ই.ফা. ৪২২৩, ই.সে. ৪২২৩)

حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن محمد، بن سيرين عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيته أو ثناياه فاستعدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تأمرني تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل ادفع يدك حتى يعضها ثم انتزعها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৫৯

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عطاء، عن ابن يعلى، عن يعلى، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.

ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)

ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عطاء، عن ابن يعلى، عن يعلى، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.


সহিহ মুসলিম ৪২৬৫

وحدثناه عمرو بن زرارة، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، قال أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৬, ই.সে. ৪২২৬)

ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৬, ই.সে. ৪২২৬)

وحدثناه عمرو بن زرارة، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، قال أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏


সহিহ মুসলিম > দাঁত এবং এর অনুরূপ ব্যাপারে কিসাস (বদলা) সাব্যস্ত করার বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ৪২৬৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، أن أخت الربيع أم حارثة، جرحت إنسانا فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ القصاص القصاص ‏"‏ ‏.‏ فقالت أم الربيع يا رسول الله أيقتص من فلانة والله لا يقتص منها ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبحان الله يا أم الربيع القصاص كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قالت لا والله لا يقتص منها أبدا ‏.‏ قال فما زالت حتى قبلوا الدية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ

রাবী (রাঃ)-এর ভগ্নি হারিসার মাতা এক ব্যক্তিকে আহত করল। এ ব্যাপারে তারা (তার আত্মীয়রা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ আনলো। তখন রসূসুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্‌ কিসাস! আল্‌ কিসাস (বদলা)! অর্থাৎ-এতে কিসাস আরোপিত হবে। তখন উম্মু রাবী বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! অমুকের (উম্মু হারিসার) নিকট হতে কি কিসাস নেয়া হবে? আল্লাহ্‌র কসম! তাঁর নিকট হতে কিসাস না নেয়া হোক। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সুব্‌হানাল্লাহ! (অর্থাৎ- তিনি আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন) হে উম্মু রাবী‘ ! কিসাস নেয়া তো আল্লাহ্‌র কিতাবের নির্দেশ। তিনি বললেন, জী না। আল্লাহ্‌র শপথ নিয়ে আরয করছি, তার নিকট হতে কখনও কিসাস (বদলা) না নেয়া হোক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বারবার এ কথা বলছিলেন। পরিশেষে আহত ব্যক্তির ওয়ারিশগণ (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নিতে সম্মত হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌র বান্দাগণের মধ্যে এমনও লোক আছে, যদি সে আল্লাহ্‌র নামে শপথ করে কোন কথা বলে তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তা সত্যে পরিণত করে দেন। (ই.ফা. ৪২২৭, ই.সে. ৪২২৭)

আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ

রাবী (রাঃ)-এর ভগ্নি হারিসার মাতা এক ব্যক্তিকে আহত করল। এ ব্যাপারে তারা (তার আত্মীয়রা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ আনলো। তখন রসূসুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্‌ কিসাস! আল্‌ কিসাস (বদলা)! অর্থাৎ-এতে কিসাস আরোপিত হবে। তখন উম্মু রাবী বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! অমুকের (উম্মু হারিসার) নিকট হতে কি কিসাস নেয়া হবে? আল্লাহ্‌র কসম! তাঁর নিকট হতে কিসাস না নেয়া হোক। তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সুব্‌হানাল্লাহ! (অর্থাৎ- তিনি আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন) হে উম্মু রাবী‘ ! কিসাস নেয়া তো আল্লাহ্‌র কিতাবের নির্দেশ। তিনি বললেন, জী না। আল্লাহ্‌র শপথ নিয়ে আরয করছি, তার নিকট হতে কখনও কিসাস (বদলা) না নেয়া হোক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বারবার এ কথা বলছিলেন। পরিশেষে আহত ব্যক্তির ওয়ারিশগণ (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নিতে সম্মত হল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌র বান্দাগণের মধ্যে এমনও লোক আছে, যদি সে আল্লাহ্‌র নামে শপথ করে কোন কথা বলে তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা তা সত্যে পরিণত করে দেন। (ই.ফা. ৪২২৭, ই.সে. ৪২২৭)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، أن أخت الربيع أم حارثة، جرحت إنسانا فاختصموا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ القصاص القصاص ‏"‏ ‏.‏ فقالت أم الربيع يا رسول الله أيقتص من فلانة والله لا يقتص منها ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سبحان الله يا أم الربيع القصاص كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قالت لا والله لا يقتص منها أبدا ‏.‏ قال فما زالت حتى قبلوا الدية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن من عباد الله من لو أقسم على الله لأبره ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > মুসলিম ব্যক্তির হত্যা কি অবস্থায় বৈধ

সহিহ মুসলিম ৪২৬৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله إلا بإحدى ثلاث الثيب الزان والنفس بالنفس والتارك لدينه المفارق للجماعة ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়, যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। কিন্তু তিনটি কাজের যে কোন একটি করলে (তা বৈধ)। ১. বিবাহিত ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হলে; ২. জীবনের বিনিময়ে জীবন, অর্থাৎ কাউকে হত্যা করলে; ৩. এবং স্বীয় ধর্ম পরিত্যাগকারী, যে (মুসলিমদের) দল থেকে বিচ্ছিন্ন (মুরতাদ) হয়ে যায়। (ই.ফা. ৪২২৮, ই.সে. ৪২২৮)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়, যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। কিন্তু তিনটি কাজের যে কোন একটি করলে (তা বৈধ)। ১. বিবাহিত ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হলে; ২. জীবনের বিনিময়ে জীবন, অর্থাৎ কাউকে হত্যা করলে; ৩. এবং স্বীয় ধর্ম পরিত্যাগকারী, যে (মুসলিমদের) দল থেকে বিচ্ছিন্ন (মুরতাদ) হয়ে যায়। (ই.ফা. ৪২২৮, ই.সে. ৪২২৮)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله إلا بإحدى ثلاث الثيب الزان والنفس بالنفس والتارك لدينه المفارق للجماعة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬৯

حدثنا أحمد بن حنبل، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لأحمد - قالا حدثنا عبد الرحمن، بن مهدي عن سفيان، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ والذي لا إله غيره لا يحل دم رجل مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله إلا ثلاثة نفر التارك الإسلام المفارق للجماعة أو الجماعة - شك فيه أحمد - والثيب الزاني والنفس بالنفس ‏"‏ ‏.‏ قال الأعمش فحدثت به، إبراهيم فحدثني عن الأسود، عن عائشة، بمثله ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বূদ নেই; এমন কোন মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করা বৈধ নয় যে সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। কিন্তু তিন প্রকার ব্যক্তি ব্যতীত- ১. যে বক্তি ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে মুসলিমদের দল পরিত্যাগকারী হয়। আহ্মাদ (রহঃ) ……….. অথবা ………. শব্দ বর্ণনায় সন্দেহ করেছেন; ২. বিবাহিত ব্যভিচারী এবং ৩. জীবনের বিনিময়ে জীবন। অর্থাৎ- কিসাস গ্রহণ। আ’মাশ (রহঃ) বলেন যে, আমি ইব্রাহীমের নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলাম, তিনিও আসওয়াদ (রহঃ)-এর সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২৩০, ই.সে. ৪২৩০)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বূদ নেই; এমন কোন মুসলিম ব্যক্তিকে হত্যা করা বৈধ নয় যে সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। কিন্তু তিন প্রকার ব্যক্তি ব্যতীত- ১. যে বক্তি ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে মুসলিমদের দল পরিত্যাগকারী হয়। আহ্মাদ (রহঃ) ……….. অথবা ………. শব্দ বর্ণনায় সন্দেহ করেছেন; ২. বিবাহিত ব্যভিচারী এবং ৩. জীবনের বিনিময়ে জীবন। অর্থাৎ- কিসাস গ্রহণ। আ’মাশ (রহঃ) বলেন যে, আমি ইব্রাহীমের নিকট হাদীসটি বর্ণনা করলাম, তিনিও আসওয়াদ (রহঃ)-এর সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২৩০, ই.সে. ৪২৩০)

حدثنا أحمد بن حنبل، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لأحمد - قالا حدثنا عبد الرحمن، بن مهدي عن سفيان، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ والذي لا إله غيره لا يحل دم رجل مسلم يشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله إلا ثلاثة نفر التارك الإسلام المفارق للجماعة أو الجماعة - شك فيه أحمد - والثيب الزاني والنفس بالنفس ‏"‏ ‏.‏ قال الأعمش فحدثت به، إبراهيم فحدثني عن الأسود، عن عائشة، بمثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৬৮

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৯, ই.সে. ৪২২৯)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৯, ই.সে. ৪২২৯)

حدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعلي بن خشرم، قالا أخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭০

وحدثني حجاج بن الشاعر، والقاسم بن زكرياء، قالا حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن الأعمش، بالإسنادين جميعا ‏.‏ نحو حديث سفيان ولم يذكرا في الحديث قوله ‏ "‏ والذي لا إله غيره ‏"‏ ‏.‏

হাজ্জাজ ইবনু শা’ইর ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হতে উভয় সানাদে সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে ………… (সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত কোন মা’বূদ নেই) এ কথার উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪২৩১, ই.সে. ৪২৩১)

হাজ্জাজ ইবনু শা’ইর ও কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) হতে উভয় সানাদে সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণিত হাদীসে ………… (সে সত্তার কসম যিনি ব্যতীত কোন মা’বূদ নেই) এ কথার উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪২৩১, ই.সে. ৪২৩১)

وحدثني حجاج بن الشاعر، والقاسم بن زكرياء، قالا حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن الأعمش، بالإسنادين جميعا ‏.‏ نحو حديث سفيان ولم يذكرا في الحديث قوله ‏ "‏ والذي لا إله غيره ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম হত্যার প্রচলন করল- তার পাপের বর্ণনা

সহিহ মুসলিম ৪২৭১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد، الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقتل نفس ظلما إلا كان على ابن آدم الأول كفل من دمها لأنه كان أول من سن القتل ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়, তবে সে খুনের একাংশ (পাপ) আদম (আঃ)-এর প্রথম পুত্র (কাবিল)-এর উপর বর্তায়। কেননা সে সর্বপ্রথম খুনের প্রথা প্রচলন করেছিল। (ই.ফা. ৪২৩২, ই.সে. ৪২৩২)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে খুন হয়, তবে সে খুনের একাংশ (পাপ) আদম (আঃ)-এর প্রথম পুত্র (কাবিল)-এর উপর বর্তায়। কেননা সে সর্বপ্রথম খুনের প্রথা প্রচলন করেছিল। (ই.ফা. ৪২৩২, ই.সে. ৪২৩২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لابن أبي شيبة - قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد، الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقتل نفس ظلما إلا كان على ابن آدم الأول كفل من دمها لأنه كان أول من سن القتل ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৪২৭২

وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد وفي حديث جرير وعيسى بن يونس ‏ "‏ لأنه سن القتل ‏"‏ ‏.‏ لم يذكرا أول ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাসীস বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর এবং ইসহাক্ (রহঃ)-এর হাদীসে …… (কেননা সে খুনের প্রথা প্রচলন করেছে) এ কথার উল্লেখ আছে। কিন্তু …… (প্রথম) কথাটির উল্লেখ নেই।(ই.ফা. ৪২৩৩, ই.সে. ৪২৩৩)

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে হাসীস বর্ণনা করেছেন। তবে জারীর এবং ইসহাক্ (রহঃ)-এর হাদীসে …… (কেননা সে খুনের প্রথা প্রচলন করেছে) এ কথার উল্লেখ আছে। কিন্তু …… (প্রথম) কথাটির উল্লেখ নেই।(ই.ফা. ৪২৩৩, ই.সে. ৪২৩৩)

وحدثناه عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، وعيسى بن يونس، ح وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن الأعمش، بهذا الإسناد وفي حديث جرير وعيسى بن يونس ‏ "‏ لأنه سن القتل ‏"‏ ‏.‏ لم يذكرا أول ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00