সহিহ মুসলিম > ‘কাসামাহ’ খুনের ব্যাপারে হলফ করা
সহিহ মুসলিম ৪২৪০
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعيد بن عبيد، حدثنا بشير، بن يسار الأنصاري عن سهل بن أبي حثمة الأنصاري، أنه أخبره أن نفرا منهم انطلقوا إلى خيبر فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا . وساق الحديث وقال فيه فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة .
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তাদের মধ্য হতে একদল লোক খাইবারের দিকে গমন করল। এরপর তারা সেখান হতে পৃথক হয়ে গেল। তারপর তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পেল। এভাবে হাদীসের শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুনের বদলা (দিয়্যাত) বাতিল হয়ে যাওয়াকে অপছন্দ মনে করলেন। অতএব, তিনি সদাকাহ্র উট থেকে একশ’ উট ‘দিয়্যাত’ হিসেবে প্রদান করলেন। (ই.ফা. ৪২০১ , ই.সে. ৪২০১)
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তাদের মধ্য হতে একদল লোক খাইবারের দিকে গমন করল। এরপর তারা সেখান হতে পৃথক হয়ে গেল। তারপর তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পেল। এভাবে হাদীসের শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুনের বদলা (দিয়্যাত) বাতিল হয়ে যাওয়াকে অপছন্দ মনে করলেন। অতএব, তিনি সদাকাহ্র উট থেকে একশ’ উট ‘দিয়্যাত’ হিসেবে প্রদান করলেন। (ই.ফা. ৪২০১ , ই.সে. ৪২০১)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا سعيد بن عبيد، حدثنا بشير، بن يسار الأنصاري عن سهل بن أبي حثمة الأنصاري، أنه أخبره أن نفرا منهم انطلقوا إلى خيبر فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا . وساق الحديث وقال فيه فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة .
সহিহ মুসলিম ৪২৪১
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا بشر بن عمر، قال سمعت مالك بن أنس، يقول حدثني أبو ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سهل، عن سهل بن أبي حثمة، أنه أخبره عن رجال، من كبراء قومه أن عبد، الله بن سهل ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهم فأتى محيصة فأخبر أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في عين أو فقير فأتى يهود فقال أنتم والله قتلتموه . قالوا والله ما قتلناه . ثم أقبل حتى قدم على قومه فذكر لهم ذلك ثم أقبل هو وأخوه حويصة وهو أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمحيصة " كبر كبر " . يريد السن فتكلم حويصة ثم تكلم محيصة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إما أن يدوا صاحبكم وإما أن يؤذنوا بحرب " . فكتب رسول الله صلى الله عليه وسلم إليهم في ذلك فكتبوا إنا والله ما قتلناه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن " أتحلفون وتستحقون دم صاحبكم " . قالوا لا . قال " فتحلف لكم يهود " . قالوا ليسوا بمسلمين . فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم مائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار . فقال سهل فلقد ركضتني منها ناقة حمراء .
সাহ্ল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে গণ্য ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল এবং মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) উভয়েই খাইবারের দিকে গমন করলেন দূর্গম পথ দিয়ে। এরপর এক ব্যক্তি মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট এসে খবর দিল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) নিহত হয়েছেন এবং তাঁকে একটি নর্দমা বা কূপের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে। সুতরাং তিনি তথাকার ইয়াহূদীদের কাছে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ তোমরাই তাঁকে হত্যা করেছ। তারা আল্লাহর শপথ করে বললো, আমরা তাঁকে হত্যা করিনি! এরপর তিনি স্বীয় সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে এলেন এবং তাঁদের কাছে ঐ ঘটনা বর্ণনা করলেন। পরিশেষে তিনি ও তাঁর বড় ভাই হুওয়াইয়িসাহ্ এবং ‘আবদূর রহমান ইবনু সাহল (রাঃ) (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে) আগমন করলেন। এরপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) কথা বলার জন্য অগ্রসর হলেন, যিনি (নিহত ব্যক্তির সঙ্গে) খাইবারে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন, বড় জন! বড় জন! অর্থাৎ বয়ষ্ক ব্যক্তিকে কথা বলতে দাও। তখন হুওয়াইয়িসাহ্ (রাঃ) কথাবার্তা বললেন, এরপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ)-ও কথা বললেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হয়ত তারা তোমাদের সাথীর খুনের বদলা (দিয়্যাত) আদায় করে দিবে, নতুবা যুদ্ধের জন্য তৈরি হবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে ঐ ব্যাপারে পত্র লিখলেন। প্রতি উত্তরে তারা লিখল যে, আল্লাহর শপথ নিশ্চয়ই আমরা তাকে হত্যা করিনি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুওয়াইয়িসাহ্, মুহাইয়্যিসাহ্ ও ‘আবদূর রহমানকে বললেন, তোমরা কি শপথের মাধ্যমে তোমাদের সাথীর রক্তপণ আদায়ের হকদার হতে সক্ষম হবে? তাঁরা বলল, না। তখন তিনি বললেনঃ তাহলে ইয়াহুদীরা তোমাদের কাছে হলফ করে বলুক। তাঁরা তখন বলল, তারাতো (ইয়াহূদী) মুসলিম নয়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর ‘দিয়্যাত’ (খুনের বদলা) আদায় করে দিলেন। এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের একশ’ উটনী প্রদান করলেন এবং ঐগুলো তাদের বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়া হলো। সাহল (রাঃ) বলেন, ঐগুলির মধ্য হতে একটি লাল রঙের উটনী আমাকে লাথি মেরেছিল। (ই.ফা. ৪২০২ , ই.সে. ৪২০২)
সাহ্ল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে গণ্য ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল এবং মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) উভয়েই খাইবারের দিকে গমন করলেন দূর্গম পথ দিয়ে। এরপর এক ব্যক্তি মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ)-এর নিকট এসে খবর দিল যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) নিহত হয়েছেন এবং তাঁকে একটি নর্দমা বা কূপের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছে। সুতরাং তিনি তথাকার ইয়াহূদীদের কাছে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ তোমরাই তাঁকে হত্যা করেছ। তারা আল্লাহর শপথ করে বললো, আমরা তাঁকে হত্যা করিনি! এরপর তিনি স্বীয় সম্প্রদায়ের নিকট ফিরে এলেন এবং তাঁদের কাছে ঐ ঘটনা বর্ণনা করলেন। পরিশেষে তিনি ও তাঁর বড় ভাই হুওয়াইয়িসাহ্ এবং ‘আবদূর রহমান ইবনু সাহল (রাঃ) (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে) আগমন করলেন। এরপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) কথা বলার জন্য অগ্রসর হলেন, যিনি (নিহত ব্যক্তির সঙ্গে) খাইবারে ছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) কে লক্ষ্য করে বললেন, বড় জন! বড় জন! অর্থাৎ বয়ষ্ক ব্যক্তিকে কথা বলতে দাও। তখন হুওয়াইয়িসাহ্ (রাঃ) কথাবার্তা বললেন, এরপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ)-ও কথা বললেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হয়ত তারা তোমাদের সাথীর খুনের বদলা (দিয়্যাত) আদায় করে দিবে, নতুবা যুদ্ধের জন্য তৈরি হবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছে ঐ ব্যাপারে পত্র লিখলেন। প্রতি উত্তরে তারা লিখল যে, আল্লাহর শপথ নিশ্চয়ই আমরা তাকে হত্যা করিনি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুওয়াইয়িসাহ্, মুহাইয়্যিসাহ্ ও ‘আবদূর রহমানকে বললেন, তোমরা কি শপথের মাধ্যমে তোমাদের সাথীর রক্তপণ আদায়ের হকদার হতে সক্ষম হবে? তাঁরা বলল, না। তখন তিনি বললেনঃ তাহলে ইয়াহুদীরা তোমাদের কাছে হলফ করে বলুক। তাঁরা তখন বলল, তারাতো (ইয়াহূদী) মুসলিম নয়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর ‘দিয়্যাত’ (খুনের বদলা) আদায় করে দিলেন। এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের একশ’ উটনী প্রদান করলেন এবং ঐগুলো তাদের বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়া হলো। সাহল (রাঃ) বলেন, ঐগুলির মধ্য হতে একটি লাল রঙের উটনী আমাকে লাথি মেরেছিল। (ই.ফা. ৪২০২ , ই.সে. ৪২০২)
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا بشر بن عمر، قال سمعت مالك بن أنس، يقول حدثني أبو ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سهل، عن سهل بن أبي حثمة، أنه أخبره عن رجال، من كبراء قومه أن عبد، الله بن سهل ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهم فأتى محيصة فأخبر أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في عين أو فقير فأتى يهود فقال أنتم والله قتلتموه . قالوا والله ما قتلناه . ثم أقبل حتى قدم على قومه فذكر لهم ذلك ثم أقبل هو وأخوه حويصة وهو أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمحيصة " كبر كبر " . يريد السن فتكلم حويصة ثم تكلم محيصة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إما أن يدوا صاحبكم وإما أن يؤذنوا بحرب " . فكتب رسول الله صلى الله عليه وسلم إليهم في ذلك فكتبوا إنا والله ما قتلناه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن " أتحلفون وتستحقون دم صاحبكم " . قالوا لا . قال " فتحلف لكم يهود " . قالوا ليسوا بمسلمين . فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم مائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار . فقال سهل فلقد ركضتني منها ناقة حمراء .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن يحيى، - وهو ابن سعيد - عن بشير، بن يسار عن سهل بن أبي حثمة، - قال يحيى وحسبت قال - وعن رافع بن خديج، أنهما قالا خرج عبد الله بن سهل بن زيد ومحيصة بن مسعود بن زيد حتى إذا كانا بخيبر تفرقا في بعض ما هنالك ثم إذا محيصة يجد عبد الله بن سهل قتيلا فدفنه ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم هو وحويصة بن مسعود وعبد الرحمن بن سهل وكان أصغر القوم فذهب عبد الرحمن ليتكلم قبل صاحبيه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " كبر " . الكبر في السن فصمت فتكلم صاحباه وتكلم معهما فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم مقتل عبد الله بن سهل فقال لهم " أتحلفون خمسين يمينا فتستحقون صاحبكم " . أو " قاتلكم " . قالوا وكيف نحلف ولم نشهد قال " فتبرئكم يهود بخمسين يمينا " . قالوا وكيف نقبل أيمان قوم كفار فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطى عقله .
ইয়াহইয়া এবং রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়েই বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ (রাঃ) ও মুহাইয়্যিসাহ ইবনু মাস‘ঊদ বাড়ি থেকে বের হয়ে খাইবার পর্যন্ত এলেন। এরপর সেখান থেকে উভয়েই আলাদা হয়ে গেলেন। তারপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সাহলকে একস্থানে খুন হওয়া অবস্থায় পেলেন। তখন তিনি তাঁকে দাফন করলেন। এরপর তিনি এবং হুওয়াইয়িসাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ও ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলেন। আর তিনি ছিলেন দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর উভয় সাথীর আগে কথা বলার জন্য এগিয়ে এলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বয়সে বড় সে কথা বলার জন্য সামনে এসো। সুতরাং তিনি চুপ করে গেলেন এবং তার সাথী দু‘জন কথা বললেন। আর তিনি তাদের দু‘জনের সাথে কথা বললেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ বিন সাহলের (হত্যা ও) হত্যাস্থান বিষয়ে কথা বললেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃতোমরা কি এ ব্যাপারে পঞ্চাশবার হলফ (শপথ) করতে পারবে (যে হত্যাকারী পার্শ্ববর্তী ইয়াহূদী সম্প্রদায়) তাহলে নিহত ব্যাক্তির কিসাস বা দিয়াত প্রাপ্তির ব্যাপারে হকদার হবে। প্রতি উত্তরে তারা বলল, আমরা কিভাবে এ ব্যাপারে হলফ (শপথ) করবো? আমরা তো সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতাহলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশবার হলফ করে তোমাদের দাবী নাকচ করে দিবে। তারা তখন বলল, আমরা কিভাবে কাফির সম্প্রদায়ের হলফ গ্রহণ করে নেব? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ঐ অবস্থা অবলোকন করলেন, তখন তার ‘দিয়্যাত’ দিয়ে দিলেন (নিজের থেকে)। (ই.ফা. ৪১৯৫, ই.সে. ৪১৯৫)
ইয়াহইয়া এবং রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা উভয়েই বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ (রাঃ) ও মুহাইয়্যিসাহ ইবনু মাস‘ঊদ বাড়ি থেকে বের হয়ে খাইবার পর্যন্ত এলেন। এরপর সেখান থেকে উভয়েই আলাদা হয়ে গেলেন। তারপর মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সাহলকে একস্থানে খুন হওয়া অবস্থায় পেলেন। তখন তিনি তাঁকে দাফন করলেন। এরপর তিনি এবং হুওয়াইয়িসাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ও ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আগমন করলেন। আর তিনি ছিলেন দলের সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর উভয় সাথীর আগে কথা বলার জন্য এগিয়ে এলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি বয়সে বড় সে কথা বলার জন্য সামনে এসো। সুতরাং তিনি চুপ করে গেলেন এবং তার সাথী দু‘জন কথা বললেন। আর তিনি তাদের দু‘জনের সাথে কথা বললেন। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ বিন সাহলের (হত্যা ও) হত্যাস্থান বিষয়ে কথা বললেন তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃতোমরা কি এ ব্যাপারে পঞ্চাশবার হলফ (শপথ) করতে পারবে (যে হত্যাকারী পার্শ্ববর্তী ইয়াহূদী সম্প্রদায়) তাহলে নিহত ব্যাক্তির কিসাস বা দিয়াত প্রাপ্তির ব্যাপারে হকদার হবে। প্রতি উত্তরে তারা বলল, আমরা কিভাবে এ ব্যাপারে হলফ (শপথ) করবো? আমরা তো সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতাহলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশবার হলফ করে তোমাদের দাবী নাকচ করে দিবে। তারা তখন বলল, আমরা কিভাবে কাফির সম্প্রদায়ের হলফ গ্রহণ করে নেব? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ঐ অবস্থা অবলোকন করলেন, তখন তার ‘দিয়্যাত’ দিয়ে দিলেন (নিজের থেকে)। (ই.ফা. ৪১৯৫, ই.সে. ৪১৯৫)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن يحيى، - وهو ابن سعيد - عن بشير، بن يسار عن سهل بن أبي حثمة، - قال يحيى وحسبت قال - وعن رافع بن خديج، أنهما قالا خرج عبد الله بن سهل بن زيد ومحيصة بن مسعود بن زيد حتى إذا كانا بخيبر تفرقا في بعض ما هنالك ثم إذا محيصة يجد عبد الله بن سهل قتيلا فدفنه ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم هو وحويصة بن مسعود وعبد الرحمن بن سهل وكان أصغر القوم فذهب عبد الرحمن ليتكلم قبل صاحبيه فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " كبر " . الكبر في السن فصمت فتكلم صاحباه وتكلم معهما فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم مقتل عبد الله بن سهل فقال لهم " أتحلفون خمسين يمينا فتستحقون صاحبكم " . أو " قاتلكم " . قالوا وكيف نحلف ولم نشهد قال " فتبرئكم يهود بخمسين يمينا " . قالوا وكيف نقبل أيمان قوم كفار فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطى عقله .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৭
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - جميعا عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل، بن أبي حثمة بنحو حديثهم .
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে তাঁদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১৯৮ ,ই.সে. ৪১৯৮)
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) থেকে তাঁদের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১৯৮ ,ই.সে. ৪১৯৮)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني الثقفي - جميعا عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل، بن أبي حثمة بنحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৯
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن رجلا، من الأنصار من بني حارثة يقال له عبد الله بن سهل بن زيد انطلق هو وابن عم له يقال له محيصة بن مسعود بن زيد . وساق الحديث بنحو حديث الليث إلى قوله فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده . قال يحيى فحدثني بشير بن يسار قال أخبرني سهل بن أبي حثمة قال لقد ركضتني فريضة من تلك الفرائض بالمربد .
বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ হারিসাহ্ গোত্রের এক আনসারী ব্যক্তি যাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ নামে ডাকা হতো, সে এবং তার এক চাচাতো ভাই, যাকে মুহাইয়্যিসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ ইবনু যায়দ নামে ডাকা হতো….. এর পরবর্তী হাদীসের অংশটুকু লায়স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং তার হাদীসের শেষ কথা----- (তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তার ‘দিয়্যাত’ আদায় করেছেন) পর্যন্ত বর্ণনা করেন। ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বলেন, আমার নিকট বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, “নিশ্চয় ফার্য হিসেবে আদায়কৃত ঐ সমস্ত ‘দিয়্যাতের’ উট রাখার স্থানে একটি উটনী আমাকে লাথি মেরেছিল।” (ই.ফা. ৪২০০ , ই.সে. ৪২০০)
বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ হারিসাহ্ গোত্রের এক আনসারী ব্যক্তি যাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ নামে ডাকা হতো, সে এবং তার এক চাচাতো ভাই, যাকে মুহাইয়্যিসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ ইবনু যায়দ নামে ডাকা হতো….. এর পরবর্তী হাদীসের অংশটুকু লায়স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং তার হাদীসের শেষ কথা----- (তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তার ‘দিয়্যাত’ আদায় করেছেন) পর্যন্ত বর্ণনা করেন। ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বলেন, আমার নিকট বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, “নিশ্চয় ফার্য হিসেবে আদায়কৃত ঐ সমস্ত ‘দিয়্যাতের’ উট রাখার স্থানে একটি উটনী আমাকে লাথি মেরেছিল।” (ই.ফা. ৪২০০ , ই.সে. ৪২০০)
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن رجلا، من الأنصار من بني حارثة يقال له عبد الله بن سهل بن زيد انطلق هو وابن عم له يقال له محيصة بن مسعود بن زيد . وساق الحديث بنحو حديث الليث إلى قوله فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده . قال يحيى فحدثني بشير بن يسار قال أخبرني سهل بن أبي حثمة قال لقد ركضتني فريضة من تلك الفرائض بالمربد .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৬
وحدثنا القواريري، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن، يسار عن سهل بن أبي حثمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . نحوه . وقال في حديثه فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده . ولم يقل في حديثه فركضتني ناقة .
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি আরবী (তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর “দিয়্যাত” আদায় করে দেন) এ কথা বলেছেন। কিন্তু তাঁর বর্ণিত হাদীসে আরবী (উটনী আমাকে লাথি মারল) এ কথা বলেননি। (ই.ফা. ৪১৯৭, ই.সে. ৪১৯৭)
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি আরবী (তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর “দিয়্যাত” আদায় করে দেন) এ কথা বলেছেন। কিন্তু তাঁর বর্ণিত হাদীসে আরবী (উটনী আমাকে লাথি মারল) এ কথা বলেননি। (ই.ফা. ৪১৯৭, ই.সে. ৪১৯৭)
وحدثنا القواريري، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن، يسار عن سهل بن أبي حثمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . نحوه . وقال في حديثه فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده . ولم يقل في حديثه فركضتني ناقة .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن عبد الله بن سهل بن زيد، ومحيصة بن مسعود بن زيد الأنصاريين، ثم من بني حارثة خرجا إلى خيبر في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي يومئذ صلح وأهلها يهود فتفرقا لحاجتهما فقتل عبد الله بن سهل فوجد في شربة مقتولا فدفنه صاحبه ثم أقبل إلى المدينة فمشى أخو المقتول عبد الرحمن بن سهل ومحيصة وحويصة فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم شأن عبد الله وحيث قتل فزعم بشير وهو يحدث عمن أدرك من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال لهم " تحلفون خمسين يمينا وتستحقون قاتلكم " . أو " صاحبكم " . قالوا يا رسول الله ما شهدنا ولا حضرنا . فزعم أنه قال " فتبرئكم يهود بخمسين " . فقالوا يا رسول الله كيف نقبل أيمان قوم كفار فزعم بشير أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عقله من عنده .
বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ হারিসাহ্ গোত্রের ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ আনসারী ও মুহাইয়্যিসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে খাইবার গমন করেন। সেখানকার অধিবাসী ছিল ইয়াহূদী সম্প্রদায়। তখন ইয়াহূদী ও মুসলিমদের মধ্যে চুক্তি বলবৎ ছিল। কোন প্রয়োজনের তাগিদে তখন সেখান থেকে উভয়েই পৃথক হয়ে গেলেন। এরপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) নিহত হলেন। তাঁকে এক হাউজের মধ্যে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন তাঁর সাথী তাঁকে দাফন করলেন। এরপর তিনি মাদীনায় ফিরে এলেন। নিহত ব্যক্তির ভাই ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল, মুহাইয়্যিসাহ্ ও হুওয়াইয়্যিসাহ্ (রাঃ) এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর মৃত্যুর ঘটনা এবং যে স্থানে নিহত হলেন সবই বর্ণনা করলেন। বুশায়র (রহঃ) ধারণা করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা এ ব্যাপারে পঞ্চাশবার হলফ করে বলবে, তাহলে তোমরা তোমাদের নিহত ব্যক্তির অথবা তোমাদের সাথীর দিয়্যাতের (খুনের জরিমানা) হকদার হবে। তারা বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো তখন সেখানে প্রত্যক্ষ দেখিনি এবং উপস্থিতও ছিলাম না। তিনি ধারণা করছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়াহূদীরা পঞ্চাশবার এ ব্যাপারে ‘হলফ’ করে তোমাদের খুনের দাবী নাকচ করে দেবে। তখন তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কিভাবে একটি কাফির সম্প্রদায়ের হলফ গ্রহণ করতে পারি? বুশায়র (রহঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজের পক্ষ হতে তার দিয়্যাত আদায় করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৪১৯৯ , ই.সে. ৪১৯৯)
বুশায়র ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বানূ হারিসাহ্ গোত্রের ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল ইবনু যায়দ আনসারী ও মুহাইয়্যিসাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ ইবনু যায়দ আনসারী (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে খাইবার গমন করেন। সেখানকার অধিবাসী ছিল ইয়াহূদী সম্প্রদায়। তখন ইয়াহূদী ও মুসলিমদের মধ্যে চুক্তি বলবৎ ছিল। কোন প্রয়োজনের তাগিদে তখন সেখান থেকে উভয়েই পৃথক হয়ে গেলেন। এরপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) নিহত হলেন। তাঁকে এক হাউজের মধ্যে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন তাঁর সাথী তাঁকে দাফন করলেন। এরপর তিনি মাদীনায় ফিরে এলেন। নিহত ব্যক্তির ভাই ‘আবদুর রহমান ইবনু সাহল, মুহাইয়্যিসাহ্ ও হুওয়াইয়্যিসাহ্ (রাঃ) এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর মৃত্যুর ঘটনা এবং যে স্থানে নিহত হলেন সবই বর্ণনা করলেন। বুশায়র (রহঃ) ধারণা করেছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা এ ব্যাপারে পঞ্চাশবার হলফ করে বলবে, তাহলে তোমরা তোমাদের নিহত ব্যক্তির অথবা তোমাদের সাথীর দিয়্যাতের (খুনের জরিমানা) হকদার হবে। তারা বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তো তখন সেখানে প্রত্যক্ষ দেখিনি এবং উপস্থিতও ছিলাম না। তিনি ধারণা করছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইয়াহূদীরা পঞ্চাশবার এ ব্যাপারে ‘হলফ’ করে তোমাদের খুনের দাবী নাকচ করে দেবে। তখন তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কিভাবে একটি কাফির সম্প্রদায়ের হলফ গ্রহণ করতে পারি? বুশায়র (রহঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজের পক্ষ হতে তার দিয়্যাত আদায় করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৪১৯৯ , ই.সে. ৪১৯৯)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن عبد الله بن سهل بن زيد، ومحيصة بن مسعود بن زيد الأنصاريين، ثم من بني حارثة خرجا إلى خيبر في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي يومئذ صلح وأهلها يهود فتفرقا لحاجتهما فقتل عبد الله بن سهل فوجد في شربة مقتولا فدفنه صاحبه ثم أقبل إلى المدينة فمشى أخو المقتول عبد الرحمن بن سهل ومحيصة وحويصة فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم شأن عبد الله وحيث قتل فزعم بشير وهو يحدث عمن أدرك من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال لهم " تحلفون خمسين يمينا وتستحقون قاتلكم " . أو " صاحبكم " . قالوا يا رسول الله ما شهدنا ولا حضرنا . فزعم أنه قال " فتبرئكم يهود بخمسين " . فقالوا يا رسول الله كيف نقبل أيمان قوم كفار فزعم بشير أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عقله من عنده .
সহিহ মুসলিম ৪২৩৫
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، ورافع بن خديج، أن محيصة بن مسعود، وعبد، الله بن سهل انطلقا قبل خيبر فتفرقا في النخل فقتل عبد الله بن سهل فاتهموا اليهود فجاء أخوه عبد الرحمن وابنا عمه حويصة ومحيصة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم عبد الرحمن في أمر أخيه وهو أصغر منهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر - أو قال - ليبدإ الأكبر " . فتكلما في أمر صاحبهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقسم خمسون منكم على رجل منهم فيدفع برمته " . قالوا أمر لم نشهده كيف نحلف قال " فتبرئكم يهود بأيمان خمسين منهم " . قالوا يا رسول الله قوم كفار قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله . قال سهل فدخلت مربدا لهم يوما فركضتني ناقة من تلك الإبل ركضة برجلها . قال حماد هذا أو نحوه .
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ এবং রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা মুহাইয়িসাহ ইবনু মাস‘ঊদ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) উভয়েই খাইবারের দিকে গমন করলেন। তারা সেখানের এক খেজুরের বাগানের নিকট থেকে পৃথক হয়ে গেলেন। এরপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) তথায় নিহত হলেন। (এই খুনের জন্য) তারা ইয়াহূদী সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত করলেন। এরপর তাঁর ভাই ‘আবদুর রহমান এবং চাচাত ভাই হুওয়াইয়্যিসাহ ও মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আগমন করলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর ভাই এর ব্যাপারে কথোপকথন করলেন। আর তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃবয়োজ্যেষ্ঠকে সম্মান দাও। অথবা বললেন, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরই কথা আরম্ভ করা উচিত। তখন তাঁরা দু’জন সাথীদের ব্যাপারে কথাবার্তা বললেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতাদের কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে তোমাদের মধ্য থেকে কাউকে পঞ্চাশবার হলফ করে বলতে হবে, তাহলে তার দিয়্যাত প্রদান করা হবে। তখন তারা বলল, ব্যাপারটি এমন যে, আমরা তথায় তখন উপস্থিত ছিলাম না। এমতাবস্থায় আমরা কিভাবে হলফ করে বলবো? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতবে ইয়াহূদীদের মধ্য থেকে কেউ পঞ্চাশবার ‘হলফ’ করে তোমাদের খুনের দাবী নাকচ করে দেবে। তাঁরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! তারা তো কাফির সম্প্রদায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর “দিয়্যাত” আদায় করে দিলেন। সাহল (রাঃ) বরেন, এরপর একদা আমি তাদের উট রাখার স্থানে প্রবেশ করলাম। তখন ঐ উটের মধ্য হতে একটি উটনী আমাকে তার পা দ্বারা লাথি মারল। হাম্মাদ (রহঃ) এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন- অথবা এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৯৬, ই.সে. ৪১৯৬)
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ এবং রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা মুহাইয়িসাহ ইবনু মাস‘ঊদ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) উভয়েই খাইবারের দিকে গমন করলেন। তারা সেখানের এক খেজুরের বাগানের নিকট থেকে পৃথক হয়ে গেলেন। এরপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাহল (রাঃ) তথায় নিহত হলেন। (এই খুনের জন্য) তারা ইয়াহূদী সম্প্রদায়কে অভিযুক্ত করলেন। এরপর তাঁর ভাই ‘আবদুর রহমান এবং চাচাত ভাই হুওয়াইয়্যিসাহ ও মুহাইয়্যিসাহ্ (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে আগমন করলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর ভাই এর ব্যাপারে কথোপকথন করলেন। আর তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃবয়োজ্যেষ্ঠকে সম্মান দাও। অথবা বললেন, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরই কথা আরম্ভ করা উচিত। তখন তাঁরা দু’জন সাথীদের ব্যাপারে কথাবার্তা বললেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতাদের কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে তোমাদের মধ্য থেকে কাউকে পঞ্চাশবার হলফ করে বলতে হবে, তাহলে তার দিয়্যাত প্রদান করা হবে। তখন তারা বলল, ব্যাপারটি এমন যে, আমরা তথায় তখন উপস্থিত ছিলাম না। এমতাবস্থায় আমরা কিভাবে হলফ করে বলবো? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতবে ইয়াহূদীদের মধ্য থেকে কেউ পঞ্চাশবার ‘হলফ’ করে তোমাদের খুনের দাবী নাকচ করে দেবে। তাঁরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! তারা তো কাফির সম্প্রদায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তাঁর “দিয়্যাত” আদায় করে দিলেন। সাহল (রাঃ) বরেন, এরপর একদা আমি তাদের উট রাখার স্থানে প্রবেশ করলাম। তখন ঐ উটের মধ্য হতে একটি উটনী আমাকে তার পা দ্বারা লাথি মারল। হাম্মাদ (রহঃ) এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন- অথবা এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৯৬, ই.সে. ৪১৯৬)
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، ورافع بن خديج، أن محيصة بن مسعود، وعبد، الله بن سهل انطلقا قبل خيبر فتفرقا في النخل فقتل عبد الله بن سهل فاتهموا اليهود فجاء أخوه عبد الرحمن وابنا عمه حويصة ومحيصة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فتكلم عبد الرحمن في أمر أخيه وهو أصغر منهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كبر الكبر - أو قال - ليبدإ الأكبر " . فتكلما في أمر صاحبهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقسم خمسون منكم على رجل منهم فيدفع برمته " . قالوا أمر لم نشهده كيف نحلف قال " فتبرئكم يهود بأيمان خمسين منهم " . قالوا يا رسول الله قوم كفار قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله . قال سهل فدخلت مربدا لهم يوما فركضتني ناقة من تلك الإبل ركضة برجلها . قال حماد هذا أو نحوه .
সহিহ মুসলিম ৪২৪২
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قال أبو الطاهر حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان، بن يسار مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقر القسامة على ما كانت عليه في الجاهلية .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একজন আনসারী সাহাবার থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুনের ব্যাপারে হলফ করে বলা ----- যা জাহিলী যুগে চলত তা পূর্বের ন্যায় বলবৎ রেখেছেন। (ই.ফা. ৪২০৩ , ই.সে. ৪২০৩)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একজন আনসারী সাহাবার থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুনের ব্যাপারে হলফ করে বলা ----- যা জাহিলী যুগে চলত তা পূর্বের ন্যায় বলবৎ রেখেছেন। (ই.ফা. ৪২০৩ , ই.সে. ৪২০৩)
حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قال أبو الطاهر حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان، بن يسار مولى ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقر القسامة على ما كانت عليه في الجاهلية .
সহিহ মুসলিম ৪২৪৩
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، قال أخبرنا ابن جريج، حدثنا ابن، شهاب بهذا الإسناد مثله . وزاد وقضى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم بين ناس من الأنصار في قتيل ادعوه على اليهود .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ), ইবনু শিহাব থেকে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং এ কথা অতিরিক্ত করেছেন যে, ----- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে (দিয়্যাতের) ব্যাপারে নিষ্পত্তি করেছিলেন, যা তারা ইয়াহূদীদের উপর (হত্যার) দাবী উত্থাপন করছিল। (ই.ফা. ৪২০৪, ই.সে. ৪২০৪)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি‘ (রহঃ), ইবনু শিহাব থেকে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং এ কথা অতিরিক্ত করেছেন যে, ----- রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে (দিয়্যাতের) ব্যাপারে নিষ্পত্তি করেছিলেন, যা তারা ইয়াহূদীদের উপর (হত্যার) দাবী উত্থাপন করছিল। (ই.ফা. ৪২০৪, ই.সে. ৪২০৪)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، قال أخبرنا ابن جريج، حدثنا ابن، شهاب بهذا الإسناد مثله . وزاد وقضى بها رسول الله صلى الله عليه وسلم بين ناس من الأنصار في قتيل ادعوه على اليهود .
সহিহ মুসলিম ৪২৪৪
وحدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان بن يسار، أخبراه عن ناس، من الأنصار عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابن جريج .
হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনসারী লোকদের সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবনু জুরাইজ (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২০৫, ইসলামিক সেন্টার ৪২০৫)
হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনসারী লোকদের সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ইবনু জুরাইজ (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২০৫, ইসলামিক সেন্টার ৪২০৫)
وحدثنا حسن بن علي الحلواني، حدثنا يعقوب، - وهو ابن إبراهيم بن سعد - حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان بن يسار، أخبراه عن ناس، من الأنصار عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابن جريج .
সহিহ মুসলিম > শত্রু সৈন্য এবং মুরতাদদের বিচার
সহিহ মুসলিম ৪২৪৭
وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي رجاء، مولى أبي قلابة قال قال أبو قلابة حدثنا أنس بن مالك، قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم قوم من عكل أو عرينة فاجتووا المدينة فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بلقاح وأمرهم أن يشربوا من أبوالها وألبانها . بمعنى حديث حجاج بن أبي عثمان . قال وسمرت أعينهم وألقوا في الحرة يستسقون فلا يسقون
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট ‘উকল’ অথবা ‘উরাইনাহ্’ গোত্রের একদল লোক এলো। মাদীনার আবহাওয়া তাদের (বসবাসের) জন্য উপযোগী হয়নি। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে ‘লিকাহর’ (দুগ্ধবতী উটনীর) নির্দেশ দিলেন। তাদেরকে আরো নির্দেশ দিলেন এর মূত্র ও দুগ্ধ পান করার জন্য। এ হাদীসটি হাজ্জাজ ইবনু আবূ উসমানের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেন যে, এবং তাদের চক্ষুসমূহ উপড়ে ফেলা হল আর তারা রৌদ্রে নিক্ষিপ্ত হল। তারা পানি পান করতে চাইল, কিন্তু তাদেরকে পানি পান করানো হল না। (ই.ফা. ৪২০৮, ই.সে. ৪২০৮)
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর নিকট ‘উকল’ অথবা ‘উরাইনাহ্’ গোত্রের একদল লোক এলো। মাদীনার আবহাওয়া তাদের (বসবাসের) জন্য উপযোগী হয়নি। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে ‘লিকাহর’ (দুগ্ধবতী উটনীর) নির্দেশ দিলেন। তাদেরকে আরো নির্দেশ দিলেন এর মূত্র ও দুগ্ধ পান করার জন্য। এ হাদীসটি হাজ্জাজ ইবনু আবূ উসমানের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেন যে, এবং তাদের চক্ষুসমূহ উপড়ে ফেলা হল আর তারা রৌদ্রে নিক্ষিপ্ত হল। তারা পানি পান করতে চাইল, কিন্তু তাদেরকে পানি পান করানো হল না। (ই.ফা. ৪২০৮, ই.সে. ৪২০৮)
وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي رجاء، مولى أبي قلابة قال قال أبو قلابة حدثنا أنس بن مالك، قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم قوم من عكل أو عرينة فاجتووا المدينة فأمر لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بلقاح وأمرهم أن يشربوا من أبوالها وألبانها . بمعنى حديث حجاج بن أبي عثمان . قال وسمرت أعينهم وألقوا في الحرة يستسقون فلا يسقون
সহিহ মুসলিম ৪২৪৯
وحدثنا الحسن بن أبي شعيب الحراني، حدثنا مسكين، - وهو ابن بكير الحراني - أخبرنا الأوزاعي، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا محمد بن يوسف، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية نفر من عكل . بنحو حديثهم . وزاد في الحديث ولم يحسمهم .
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ‘উকল’ সম্প্রদায়ের আটজন লোক এলো- এ হাদীস উপরে বর্ণিত হাদীসের মতই, শুধু “তাদেরকে তিনি দাগ দেননি” (তপ্ত লৌহ শলাকা দ্বারা কর্তিত স্থানে পুড়ে দেয়া) এ কথাটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২১০, ই.সে. ৪২১০)
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ‘উকল’ সম্প্রদায়ের আটজন লোক এলো- এ হাদীস উপরে বর্ণিত হাদীসের মতই, শুধু “তাদেরকে তিনি দাগ দেননি” (তপ্ত লৌহ শলাকা দ্বারা কর্তিত স্থানে পুড়ে দেয়া) এ কথাটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২১০, ই.সে. ৪২১০)
وحدثنا الحسن بن أبي شعيب الحراني، حدثنا مسكين، - وهو ابن بكير الحراني - أخبرنا الأوزاعي، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، أخبرنا محمد بن يوسف، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أنس بن مالك، قال قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية نفر من عكل . بنحو حديثهم . وزاد في الحديث ولم يحسمهم .
সহিহ মুসলিম ৪২৪৬
حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال حدثنا ابن علية، عن حجاج بن أبي عثمان، حدثني أبو رجاء، مولى أبي قلابة عن أبي قلابة، حدثني أنس، أن نفرا، من عكل ثمانية قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعوه على الإسلام فاستوخموا الأرض وسقمت أجسامهم فشكوا ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " ألا تخرجون مع راعينا في إبله فتصيبون من أبوالها وألبانها " . فقالوا بلى . فخرجوا فشربوا من أبوالها وألبانها فصحوا فقتلوا الراعي وطردوا الإبل فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهم فأدركوا فجيء بهم فأمر بهم فقطعت أيديهم وأرجلهم وسمر أعينهم ثم نبذوا في الشمس حتى ماتوا . وقال ابن الصباح في روايته واطردوا النعم . وقال وسمرت أعينهم .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“উকল” গোত্রের আটজনের একটি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলো। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলামের উপর বাই‘আত করল। অতঃপর মাদীনার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হওয়ায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি আমাদের রাখালের সাথে গমন করে উটের মূত্র এবং দুগ্ধ পান করতে পারবে? তখন তারা বলল, জী-হ্যাঁ। এরপর তারা বের হয়ে গেল এবং এর (উটের) মূত্র ও দুগ্ধ পান করল। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল অতঃপর তারা রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছল। তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন। তাঁরা তাদেরকে পাকড়াও করে নিয়ে এল। তাদের প্রতি নির্দেশ জারি করা হলো। তখন তাদের হাত-পা কর্তন করা হলো এবং তপ্ত লৌহ শলাকা চোখে প্রবেশ করানো হলো। এরপর তাদেরকে রৌদ্রে নিক্ষেপ করা হলো। অবশেষে তারা মারা গেল। ইবনু সাব্বাহ (রহঃ) ….. বর্ণনা ---- এর স্থলে ---- উল্লেখ রয়েছে। রাবী বলেন, অতঃপর তাদের চোখগুলো উপড়ে ফেলা হলো। (ই.ফা. ৪২০৭ , ই.সে. ৪২০৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
“উকল” গোত্রের আটজনের একটি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলো। তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ইসলামের উপর বাই‘আত করল। অতঃপর মাদীনার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হওয়ায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি আমাদের রাখালের সাথে গমন করে উটের মূত্র এবং দুগ্ধ পান করতে পারবে? তখন তারা বলল, জী-হ্যাঁ। এরপর তারা বের হয়ে গেল এবং এর (উটের) মূত্র ও দুগ্ধ পান করল। এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল অতঃপর তারা রাখালকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। এ সংবাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছল। তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন। তাঁরা তাদেরকে পাকড়াও করে নিয়ে এল। তাদের প্রতি নির্দেশ জারি করা হলো। তখন তাদের হাত-পা কর্তন করা হলো এবং তপ্ত লৌহ শলাকা চোখে প্রবেশ করানো হলো। এরপর তাদেরকে রৌদ্রে নিক্ষেপ করা হলো। অবশেষে তারা মারা গেল। ইবনু সাব্বাহ (রহঃ) ….. বর্ণনা ---- এর স্থলে ---- উল্লেখ রয়েছে। রাবী বলেন, অতঃপর তাদের চোখগুলো উপড়ে ফেলা হলো। (ই.ফা. ৪২০৭ , ই.সে. ৪২০৭)
حدثنا أبو جعفر، محمد بن الصباح وأبو بكر بن أبي شيبة - واللفظ لأبي بكر - قال حدثنا ابن علية، عن حجاج بن أبي عثمان، حدثني أبو رجاء، مولى أبي قلابة عن أبي قلابة، حدثني أنس، أن نفرا، من عكل ثمانية قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعوه على الإسلام فاستوخموا الأرض وسقمت أجسامهم فشكوا ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " ألا تخرجون مع راعينا في إبله فتصيبون من أبوالها وألبانها " . فقالوا بلى . فخرجوا فشربوا من أبوالها وألبانها فصحوا فقتلوا الراعي وطردوا الإبل فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهم فأدركوا فجيء بهم فأمر بهم فقطعت أيديهم وأرجلهم وسمر أعينهم ثم نبذوا في الشمس حتى ماتوا . وقال ابن الصباح في روايته واطردوا النعم . وقال وسمرت أعينهم .
সহিহ মুসলিম ৪২৪৮
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن معاذ، ح وحدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أزهر السمان، قالا حدثنا ابن عون، حدثنا أبو رجاء، مولى أبي قلابة عن أبي قلابة، قال كنت جالسا خلف عمر بن عبد العزيز فقال للناس ما تقولون في القسامة فقال عنبسة قد حدثنا أنس بن مالك كذا وكذا فقلت إياى حدث أنس قدم على النبي صلى الله عليه وسلم قوم . وساق الحديث بنحو حديث أيوب وحجاج . قال أبو قلابة فلما فرغت قال عنبسة سبحان الله - قال أبو قلابة - فقلت أتتهمني يا عنبسة قال لا هكذا حدثنا أنس بن مالك لن تزالوا بخير يا أهل الشام مادام فيكم هذا أو مثل هذا
আবূ কিলাবাহ্ (র.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রাঃ)-এর পিছনে বসা ছিলাম। তিনি জনগণের কাছে জানতে চাইলেন, তোমরা ‘কাসামাহ্’ (খুনের ব্যাপারে হলফ করা) সম্পর্কে কি বল? আম্বাসাহ (র.) বললেন, আমাদের কাছে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এমন হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম, আনাস (রাঃ) বিশেষ করে আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে একদল লোক আগমন করল। এরপর আনাস আইয়ূব এবং হাজ্জাজ এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ কিলাবাহ্ (র.) বলেন, আমি যখন হাদীসের বর্ণনা শেষ করলাম, তখন বললাম, হে আম্বাসাহ! আপনি কি আমার উপর মিথ্যার অভিযোগ আনলেন? তখন তিনি বললেন, না। আমার কাছে আনাস (রাঃ)-এরূপেই হাদীস বর্ণনা করেছেন। হে সিরিয়াবাসী! তোমরা সর্বদাই কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন তোমাদের মাঝে এই লোক বিদ্যমান থাকবেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তাঁর মত লোক তোমাদের মাঝে অবস্থান করবেন। (অর্থাৎ এ দ্বারা তিনি আবূ কিলাবার স্মরণশক্তির প্রশংসা করলেন।) (ই.ফা. ৪২০৯, ই.সে. ৪২০৯)
আবূ কিলাবাহ্ (র.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি উমার ইবনু আবদুল আযীয (রাঃ)-এর পিছনে বসা ছিলাম। তিনি জনগণের কাছে জানতে চাইলেন, তোমরা ‘কাসামাহ্’ (খুনের ব্যাপারে হলফ করা) সম্পর্কে কি বল? আম্বাসাহ (র.) বললেন, আমাদের কাছে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এমন হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম, আনাস (রাঃ) বিশেষ করে আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে একদল লোক আগমন করল। এরপর আনাস আইয়ূব এবং হাজ্জাজ এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ কিলাবাহ্ (র.) বলেন, আমি যখন হাদীসের বর্ণনা শেষ করলাম, তখন বললাম, হে আম্বাসাহ! আপনি কি আমার উপর মিথ্যার অভিযোগ আনলেন? তখন তিনি বললেন, না। আমার কাছে আনাস (রাঃ)-এরূপেই হাদীস বর্ণনা করেছেন। হে সিরিয়াবাসী! তোমরা সর্বদাই কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন তোমাদের মাঝে এই লোক বিদ্যমান থাকবেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তাঁর মত লোক তোমাদের মাঝে অবস্থান করবেন। (অর্থাৎ এ দ্বারা তিনি আবূ কিলাবার স্মরণশক্তির প্রশংসা করলেন।) (ই.ফা. ৪২০৯, ই.সে. ৪২০৯)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن معاذ، ح وحدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا أزهر السمان، قالا حدثنا ابن عون، حدثنا أبو رجاء، مولى أبي قلابة عن أبي قلابة، قال كنت جالسا خلف عمر بن عبد العزيز فقال للناس ما تقولون في القسامة فقال عنبسة قد حدثنا أنس بن مالك كذا وكذا فقلت إياى حدث أنس قدم على النبي صلى الله عليه وسلم قوم . وساق الحديث بنحو حديث أيوب وحجاج . قال أبو قلابة فلما فرغت قال عنبسة سبحان الله - قال أبو قلابة - فقلت أتتهمني يا عنبسة قال لا هكذا حدثنا أنس بن مالك لن تزالوا بخير يا أهل الشام مادام فيكم هذا أو مثل هذا
সহিহ মুসলিম ৪২৫১
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس، ح. وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس، وفي حديث همام قدم على النبي صلى الله عليه وسلم رهط من عرينة وفي حديث سعيد من عكل وعرينة . بنحو حديثهم .
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
হাম্মাম এর হাদীসে উল্লেখ রয়েছে যে, উরাইনাহ্ গোত্রের একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করল। আর সা’ঈদ (রাঃ)-এর হাদীসে ‘উক্ল’ এবং ‘উরাইনাহ্’ এর কথা উল্লেখ আছে। এরপর তিনি উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২১২, ই.সে. ৪২১২)
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
হাম্মাম এর হাদীসে উল্লেখ রয়েছে যে, উরাইনাহ্ গোত্রের একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করল। আর সা’ঈদ (রাঃ)-এর হাদীসে ‘উক্ল’ এবং ‘উরাইনাহ্’ এর কথা উল্লেখ আছে। এরপর তিনি উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২১২, ই.সে. ৪২১২)
حدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس، ح. وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس، وفي حديث همام قدم على النبي صلى الله عليه وسلم رهط من عرينة وفي حديث سعيد من عكل وعرينة . بنحو حديثهم .
সহিহ মুসলিম ৪২৪৫
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن هشيم، - واللفظ ليحيى - قال أخبرنا هشيم، عن عبد العزيز بن صهيب، وحميد، عن أنس بن مالك، أن ناسا، من عرينة قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة فاجتووها فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن شئتم أن تخرجوا إلى إبل الصدقة فتشربوا من ألبانها وأبوالها " . ففعلوا فصحوا ثم مالوا على الرعاء فقتلوهم وارتدوا عن الإسلام وساقوا ذود رسول الله صلى الله عليه وسلم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فبعث في أثرهم فأتي بهم فقطع أيديهم وأرجلهم وسمل أعينهم وتركهم في الحرة حتى ماتوا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরাইনাহ্’ গোত্রের কিছু সংখ্যক লোক মাদীনায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। (সেখানের আবহাওয়া তাদের অনুকূলে না হওয়ায়) তারা অসুস্থ হয়ে পড়ল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা ইচ্ছে করলে সদাকাহ্র ঐ সব কাছে যেতে পার এবং তার দুধ ও মূত্র পান করতে পার। তারা তা-ই করল এবং এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল। এরপর তারা রাখালদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদেরকে হত্যা করল। পরিশেষে তারা ইসলাম ত্যাগ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাল সম্পদ নিয়ে পলায়ন করে। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন, তাঁরা তাদেরকে গ্রেফতার করল। এরপর তাদের হাত-পা কেটে দিল এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলল এবং তাদেরকে রৌদ্রে নিক্ষেপ করল। এভাবে তারা মারা গেল। (ই.ফা. ৪২০৬ , ই.সে. ৪২০৬)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরাইনাহ্’ গোত্রের কিছু সংখ্যক লোক মাদীনায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এল। (সেখানের আবহাওয়া তাদের অনুকূলে না হওয়ায়) তারা অসুস্থ হয়ে পড়ল। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা ইচ্ছে করলে সদাকাহ্র ঐ সব কাছে যেতে পার এবং তার দুধ ও মূত্র পান করতে পার। তারা তা-ই করল এবং এতে তারা সুস্থ হয়ে গেল। এরপর তারা রাখালদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদেরকে হত্যা করল। পরিশেষে তারা ইসলাম ত্যাগ করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাল সম্পদ নিয়ে পলায়ন করে। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি তাদের পিছনে লোক পাঠালেন, তাঁরা তাদেরকে গ্রেফতার করল। এরপর তাদের হাত-পা কেটে দিল এবং তাদের চোখ উপড়ে ফেলল এবং তাদেরকে রৌদ্রে নিক্ষেপ করল। এভাবে তারা মারা গেল। (ই.ফা. ৪২০৬ , ই.সে. ৪২০৬)
وحدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو بكر بن أبي شيبة كلاهما عن هشيم، - واللفظ ليحيى - قال أخبرنا هشيم، عن عبد العزيز بن صهيب، وحميد، عن أنس بن مالك، أن ناسا، من عرينة قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة فاجتووها فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن شئتم أن تخرجوا إلى إبل الصدقة فتشربوا من ألبانها وأبوالها " . ففعلوا فصحوا ثم مالوا على الرعاء فقتلوهم وارتدوا عن الإسلام وساقوا ذود رسول الله صلى الله عليه وسلم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فبعث في أثرهم فأتي بهم فقطع أيديهم وأرجلهم وسمل أعينهم وتركهم في الحرة حتى ماتوا
সহিহ মুসলিম ৪২৫২
وحدثني الفضل بن سهل الأعرج، حدثنا يحيى بن غيلان، حدثنا يزيد بن زريع، عن سليمان التيمي، عن أنس، قال إنما سمل النبي صلى الله عليه وسلم أعين أولئك لأنهم سملوا أعين الرعاء .
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ লোকদের চোখে গরম লোহা ঢুকিয়ে দেন। কেননা তারা রাখালদের চক্ষুসমূহে গরম লোহা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। (ই.ফা. ৪২১৩, ই.সে. ৪২১৩)
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ লোকদের চোখে গরম লোহা ঢুকিয়ে দেন। কেননা তারা রাখালদের চক্ষুসমূহে গরম লোহা ঢুকিয়ে দিয়েছিল। (ই.ফা. ৪২১৩, ই.সে. ৪২১৩)
وحدثني الفضل بن سهل الأعرج، حدثنا يحيى بن غيلان، حدثنا يزيد بن زريع، عن سليمان التيمي، عن أنس، قال إنما سمل النبي صلى الله عليه وسلم أعين أولئك لأنهم سملوا أعين الرعاء .
সহিহ মুসলিম ৪২৫০
وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا زهير، حدثنا سماك، بن حرب عن معاوية بن قرة، عن أنس، قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم نفر من عرينة فأسلموا وبايعوه وقد وقع بالمدينة الموم - وهو البرسام - ثم ذكر نحو حديثهم وزاد وعنده شباب من الأنصار قريب من عشرين فأرسلهم إليهم وبعث معهم قائفا يقتص أثرهم .
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উরাইনাহ্’ গোত্রের একদল লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করে ইসলাম গ্রহণ করল এবং তাঁর কাছে বাই‘আত নিল। মাদীনায় অবস্থানকালে তাদের মস্তিষ্কে বিভ্রাটজনিত রোগ দেখা দিল। (--) শব্দের অর্থ (--) মস্তিষ্কের রোগ, কিংবা হৃৎপিণ্ডের রোগ উদরী রোগ। এরপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের বর্ণনাকারীর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। শুধু এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তাঁর (নাবী সঃ-এর) কাছে তখন বিশজনের মত আনসারী যুবক ছিল। তাদেরকে তিনি ওদের (ধরার) জন্য প্রেরণ করলেন। এবং তাদের সঙ্গে একজন এমন অভিজ্ঞ লোক প্রেরণ করলেন, যিনি তাদের পদচিহ্ন দেখে গন্তব্য স্থল নির্ণয় করতে সক্ষম। (ই.ফা. ৪২১১, ই.সে. ৪২১১)
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উরাইনাহ্’ গোত্রের একদল লোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আগমন করে ইসলাম গ্রহণ করল এবং তাঁর কাছে বাই‘আত নিল। মাদীনায় অবস্থানকালে তাদের মস্তিষ্কে বিভ্রাটজনিত রোগ দেখা দিল। (--) শব্দের অর্থ (--) মস্তিষ্কের রোগ, কিংবা হৃৎপিণ্ডের রোগ উদরী রোগ। এরপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের বর্ণনাকারীর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। শুধু এতটুকু অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তাঁর (নাবী সঃ-এর) কাছে তখন বিশজনের মত আনসারী যুবক ছিল। তাদেরকে তিনি ওদের (ধরার) জন্য প্রেরণ করলেন। এবং তাদের সঙ্গে একজন এমন অভিজ্ঞ লোক প্রেরণ করলেন, যিনি তাদের পদচিহ্ন দেখে গন্তব্য স্থল নির্ণয় করতে সক্ষম। (ই.ফা. ৪২১১, ই.সে. ৪২১১)
وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا زهير، حدثنا سماك، بن حرب عن معاوية بن قرة، عن أنس، قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم نفر من عرينة فأسلموا وبايعوه وقد وقع بالمدينة الموم - وهو البرسام - ثم ذكر نحو حديثهم وزاد وعنده شباب من الأنصار قريب من عشرين فأرسلهم إليهم وبعث معهم قائفا يقتص أثرهم .
সহিহ মুসলিম > পাথর ও অন্যান্য ধারালো কর্তনকারী ও ভারী জিনিস দ্বারা হত্যা করার দায়ে ‘কিসাস’ আরোপিত হবে এবং মহিলা কর্তৃক পুরুষকে হত্যার দায়েও কিসাস আরোপিত হবে
সহিহ মুসলিম ৪২৫৩
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك، أن يهوديا، قتل جارية على أوضاح لها فقتلها بحجر - قال - فجيء بها إلى النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق فقال لها " أقتلك فلان " . فأشارت برأسها أن لا ثم قال لها الثانية فأشارت برأسها أن لا ثم سألها الثالثة فقالت نعم . وأشارت برأسها فقتله رسول الله صلى الله عليه وسلم بين حجرين .
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ইয়াহূদী একটি মেয়েকে কয়েকটি রূপার টুকরার জন্য পাথর দ্বারা হত্যা করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তাকে এমন অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হল যে, তখনও তার জীবন অবশিষ্ট ছিল। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি মেরেছে? সে তখন মাথা নেড়ে উত্তর দিল, না। এরপর তিনি তাকে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, তখনও সে মাথা নেড়ে উত্তর দিল, না। আবার তিনি তাকে তৃতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, তখন সে বলল, হ্যাঁ এবং মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াহূদীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করল) তখন তাকে তিনি দু’টি পাথরের মাঝে চাপা দিয়ে হত্যা করলেন। (ই.ফা. ৪২১৪, ই.সে. ৪২১৪)
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ইয়াহূদী একটি মেয়েকে কয়েকটি রূপার টুকরার জন্য পাথর দ্বারা হত্যা করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তাকে এমন অবস্থায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হল যে, তখনও তার জীবন অবশিষ্ট ছিল। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাকে কি অমুক ব্যক্তি মেরেছে? সে তখন মাথা নেড়ে উত্তর দিল, না। এরপর তিনি তাকে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, তখনও সে মাথা নেড়ে উত্তর দিল, না। আবার তিনি তাকে তৃতীয়বার জিজ্ঞেস করলেন, তখন সে বলল, হ্যাঁ এবং মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইয়াহূদীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার কথা স্বীকার করল) তখন তাকে তিনি দু’টি পাথরের মাঝে চাপা দিয়ে হত্যা করলেন। (ই.ফা. ৪২১৪, ই.সে. ৪২১৪)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك، أن يهوديا، قتل جارية على أوضاح لها فقتلها بحجر - قال - فجيء بها إلى النبي صلى الله عليه وسلم وبها رمق فقال لها " أقتلك فلان " . فأشارت برأسها أن لا ثم قال لها الثانية فأشارت برأسها أن لا ثم سألها الثالثة فقالت نعم . وأشارت برأسها فقتله رسول الله صلى الله عليه وسلم بين حجرين .
সহিহ মুসলিম ৪২৫৫
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن رجلا، من اليهود قتل جارية من الأنصار على حلي لها ثم ألقاها في القليب ورضخ رأسها بالحجارة فأخذ فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر به أن يرجم حتى يموت فرجم حتى مات .
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী ব্যক্তি কোন এক আনসারী মেয়েকে তার গহনার জন্য হত্যা করল। এরপর তাকে একটি কূপে ফেলে দিল এবং তার মাথা পাথর দ্বারা পিষে দিল। এরপর তাকে পাকড়াও করা হল এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হল। তিনি নির্দেশ দিলেন, তার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তার উপর পাথর নিক্ষেপ করার জন্য। তখন তার প্রতি পাথর নিক্ষেপ করা হল। অবশেষে সে মারা গেল। (ই.ফা. ৪২১৬, ই.সে. ৪২১৬)
আনাস (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহূদী ব্যক্তি কোন এক আনসারী মেয়েকে তার গহনার জন্য হত্যা করল। এরপর তাকে একটি কূপে ফেলে দিল এবং তার মাথা পাথর দ্বারা পিষে দিল। এরপর তাকে পাকড়াও করা হল এবং রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হল। তিনি নির্দেশ দিলেন, তার মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তার উপর পাথর নিক্ষেপ করার জন্য। তখন তার প্রতি পাথর নিক্ষেপ করা হল। অবশেষে সে মারা গেল। (ই.ফা. ৪২১৬, ই.সে. ৪২১৬)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن رجلا، من اليهود قتل جارية من الأنصار على حلي لها ثم ألقاها في القليب ورضخ رأسها بالحجارة فأخذ فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر به أن يرجم حتى يموت فرجم حتى مات .
সহিহ মুসলিম ৪২৫৭
وحدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، أن جارية، وجد رأسها قد رض بين حجرين فسألوها من صنع هذا بك فلان فلان حتى ذكروا يهوديا فأومت برأسها فأخذ اليهودي فأقر فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة .
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ক্রীতদাসীকে এমন অবস্থায় পাওয়া গেল যে, তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে পিষে দেয়া হয়েছে। তখন তারা (পরিবারের লোকেরা) তাকে জিজ্ঞেস করল, কে তোমাকে এমন করেছে, অমুক-অমুক ব্যক্তি? এভাবে (জিজ্ঞেস করতে করতে) তারা এক ইয়াহূদীর নাম উল্লেখ করল। তখন সে মাথা নেড়ে (হ্যাঁ সূচক) উত্তর দিল। তখন ইয়াহূদীকে আটকানো হল। সে তা স্বীকার করল। অতএব রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা পাথর দ্বারা পিষে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ৪২১৮, ই.সে. ৪২১৮)
আনাস ইবনু মালিক (রা.) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ক্রীতদাসীকে এমন অবস্থায় পাওয়া গেল যে, তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে পিষে দেয়া হয়েছে। তখন তারা (পরিবারের লোকেরা) তাকে জিজ্ঞেস করল, কে তোমাকে এমন করেছে, অমুক-অমুক ব্যক্তি? এভাবে (জিজ্ঞেস করতে করতে) তারা এক ইয়াহূদীর নাম উল্লেখ করল। তখন সে মাথা নেড়ে (হ্যাঁ সূচক) উত্তর দিল। তখন ইয়াহূদীকে আটকানো হল। সে তা স্বীকার করল। অতএব রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা পাথর দ্বারা পিষে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ৪২১৮, ই.সে. ৪২১৮)
وحدثنا هداب بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، أن جارية، وجد رأسها قد رض بين حجرين فسألوها من صنع هذا بك فلان فلان حتى ذكروا يهوديا فأومت برأسها فأخذ اليهودي فأقر فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة .
সহিহ মুসলিম ৪২৫৬
وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني معمر، عن أيوب، بهذا الإسناد مثله .
ইসহাক্ ইবনু মানসূর (র.) আইয়ূব (র.) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২১৭, ই.সে. ৪২১৭)
ইসহাক্ ইবনু মানসূর (র.) আইয়ূব (র.) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২১৭, ই.সে. ৪২১৭)
وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا محمد بن بكر، أخبرنا ابن جريج، أخبرني معمر، عن أيوب، بهذا الإسناد مثله .
সহিহ মুসলিম ৪২৫৪
وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد . نحوه وفي حديث ابن إدريس فرضخ رأسه بين حجرين .
শু’বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর ইবনু ইদ্রীসের বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, (--) (তখন তিনি তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে পিষে দিলেন।) (ই.ফা. ৪২১৫, ই.সে. ৪২১৫)
শু’বাহ্ থেকে বর্নিতঃ
উল্লিখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর ইবনু ইদ্রীসের বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, (--) (তখন তিনি তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে পিষে দিলেন।) (ই.ফা. ৪২১৫, ই.সে. ৪২১৫)
وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا ابن إدريس، كلاهما عن شعبة، بهذا الإسناد . نحوه وفي حديث ابن إدريس فرضخ رأسه بين حجرين .
সহিহ মুসলিম > যখন কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির জীবন অথবা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উপর আক্রমণ করে, তখন যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তা প্রতিহত করে এবং প্রতিহত করার সময় আঘাতকারীর জীবন অথবা অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে, তবে এর জন্য তাকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না
সহিহ মুসলিম ৪২৫৮
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، قال قاتل يعلى ابن منية أو ابن أمية رجلا فعض أحدهما صاحبه فانتزع يده من فمه فنزع ثنيته - وقال ابن المثنى ثنيتيه - فاختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أيعض أحدكم كما يعض الفحل لا دية له " .
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইলায়া ইবনু মুন্ইয়া অথবা ইবনু উমাইয়াহ্ (রাঃ) এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হল। তখন একজন অপর জনের হাতে দাঁত দিয়ে কামড় বসিয়ে দিল। সে যখন আপন হাত তার মুখ থেকে সজোরে টেনে আনল তখন তার সম্মুখভাগের একটি দাঁত খসে গেল। ইবনু মুসান্না (একটির স্থলে) দু’টি দাঁত বলেছেন। উভয়েই তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একজন কি এমনভাবে দাঁত দিয়ে কামড় দিলে যেমনভাবে উট কামড় দেয়? তবে এরজন্য কোন (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নেই। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭০] (ই.ফা. ৪২১৯, ই.সে. ৪২১৯)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইলায়া ইবনু মুন্ইয়া অথবা ইবনু উমাইয়াহ্ (রাঃ) এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হল। তখন একজন অপর জনের হাতে দাঁত দিয়ে কামড় বসিয়ে দিল। সে যখন আপন হাত তার মুখ থেকে সজোরে টেনে আনল তখন তার সম্মুখভাগের একটি দাঁত খসে গেল। ইবনু মুসান্না (একটির স্থলে) দু’টি দাঁত বলেছেন। উভয়েই তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একজন কি এমনভাবে দাঁত দিয়ে কামড় দিলে যেমনভাবে উট কামড় দেয়? তবে এরজন্য কোন (দিয়্যাত) ক্ষতিপূরণ নেই। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭০] (ই.ফা. ৪২১৯, ই.সে. ৪২১৯)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، قال قاتل يعلى ابن منية أو ابن أمية رجلا فعض أحدهما صاحبه فانتزع يده من فمه فنزع ثنيته - وقال ابن المثنى ثنيتيه - فاختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أيعض أحدكم كما يعض الفحل لا دية له " .
সহিহ মুসলিম ৪২৬০
حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - يعني ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض ذراع رجل فجذبه فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطله وقال " أردت أن تأكل لحمه " .
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে সে ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ দায়ের করা হ’ল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন, তুমি তো প্রতিপক্ষের গোশ্ত খেতে চেয়েছিলে। (ই.ফা. ৪২২১, ই.সে. ৪২২১)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে সে ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। এ ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ দায়ের করা হ’ল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন, তুমি তো প্রতিপক্ষের গোশ্ত খেতে চেয়েছিলে। (ই.ফা. ৪২২১, ই.সে. ৪২২১)
حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - يعني ابن هشام - حدثني أبي، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض ذراع رجل فجذبه فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطله وقال " أردت أن تأكل لحمه " .
সহিহ মুসলিম ৪২৬১
حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن بديل، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، أن أجيرا، ليعلى ابن منية عض رجل ذراعه فجذبها فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطلها وقال " أردت أن تقضمها كما يقضم الفحل " .
সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা (রা.) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা ইবনু মুন্ইয়া (রাঃ)-এর এক শ্রমিকের হাতে এক ব্যক্তি কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে ঐ ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে মুকাদ্দমা দায়ের করা হল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন যে, তুমি তো তার হাত এমনভাবে চিবাতে চেয়েছিলে যেমনভাবে উট চিবায়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭১] (ই.ফা. ৪২২২, ই.সে. ৪২২২)
সাফওয়ান ইবনু ইয়া’লা (রা.) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ালা ইবনু মুন্ইয়া (রাঃ)-এর এক শ্রমিকের হাতে এক ব্যক্তি কামড় বসিয়ে দিল। তখন সে সজোরে তার হাত টেনে নিল। এতে ঐ ব্যক্তির দাঁত খসে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে মুকাদ্দমা দায়ের করা হল। তখন তিনি তা নাকচ করে দেন এবং বলেন যে, তুমি তো তার হাত এমনভাবে চিবাতে চেয়েছিলে যেমনভাবে উট চিবায়। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৭১] (ই.ফা. ৪২২২, ই.সে. ৪২২২)
حدثني أبو غسان المسمعي، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن بديل، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، أن أجيرا، ليعلى ابن منية عض رجل ذراعه فجذبها فسقطت ثنيته فرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأبطلها وقال " أردت أن تقضمها كما يقضم الفحل " .
সহিহ মুসলিম ৪২৬৩
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن صفوان بن يعلى ابن، منية عن أبيه، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل وقد عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيتاه - يعني الذي عضه - قال فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم وقال " أردت أن تقضمه كما يقضم الفحل " .
ইয়া’লা ইবনু মুন্য়াহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি এসে অভিযোগ দায়ের করল-যে অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল। সে যখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার দু’টি দাঁত পড়ে গেল। অর্থাৎ-যে ব্যক্তি দাঁত দ্বারা কামড় দিয়েছিল তার দাঁত পড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ অভিযোগ নাকচ করে দিলেন এবং বললেন, তুমি তার হাত এমনভাবে চর্বন করতে চেয়েছিলে যেমন উট চর্বন করে থাকে। (ই.ফা. ৪২২৪, ই.সে. ৪২২৪)
ইয়া’লা ইবনু মুন্য়াহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি এসে অভিযোগ দায়ের করল-যে অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিয়েছিল। সে যখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার দু’টি দাঁত পড়ে গেল। অর্থাৎ-যে ব্যক্তি দাঁত দ্বারা কামড় দিয়েছিল তার দাঁত পড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ অভিযোগ নাকচ করে দিলেন এবং বললেন, তুমি তার হাত এমনভাবে চর্বন করতে চেয়েছিলে যেমন উট চর্বন করে থাকে। (ই.ফা. ৪২২৪, ই.সে. ৪২২৪)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا همام، حدثنا عطاء، عن صفوان بن يعلى ابن، منية عن أبيه، قال أتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل وقد عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيتاه - يعني الذي عضه - قال فأبطلها النبي صلى الله عليه وسلم وقال " أردت أن تقضمه كما يقضم الفحل " .
সহিহ মুসলিম ৪২৬৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني صفوان بن يعلى بن أمية، عن أبيه، قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك - قال وكان يعلى يقول تلك الغزوة أوثق عملي عندي - فقال عطاء قال صفوان قال يعلى كان لي أجير فقاتل إنسانا فعض أحدهما يد الآخر - قال لقد أخبرني صفوان أيهما عض الآخر - فانتزع المعضوض يده من في العاض فانتزع إحدى ثنيتيه فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فأهدر ثنيته .
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়াহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাবূকের যুদ্ধ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়া’লা বলতেন, ঐ যুদ্ধ আমার নিকট একটি নির্ভরযোগ্য (পুণ্যের) কাজ ছিল। আতা (র.) ..... সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ইয়া’লা (রাঃ) বলেছেন, আমার একজন শ্রমিক ছিল সে এবং অপর এক ব্যক্তি পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হল। এতে একজন অপরজনের হাতে কামড় বসিয়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন তাদের দু’জনের মধ্যে কে অন্যের হাতে কামড় দিয়েছিল। যে ব্যক্তির হাতে কামড় দিয়েছিল সে ব্যক্তি কামড় দাতার মুখ থেকে তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার সম্মুখের দু’টি দাঁতের একটি দাঁত পড়ে গেল। তখন উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ পেশ করল, তখন তিনি দাঁত পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২২৫, ই.সে. ৪২২৫)
ইয়া’লা ইবনু উমাইয়াহ্ (রা.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে তাবূকের যুদ্ধ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ইয়া’লা বলতেন, ঐ যুদ্ধ আমার নিকট একটি নির্ভরযোগ্য (পুণ্যের) কাজ ছিল। আতা (র.) ..... সাফওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, ইয়া’লা (রাঃ) বলেছেন, আমার একজন শ্রমিক ছিল সে এবং অপর এক ব্যক্তি পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হল। এতে একজন অপরজনের হাতে কামড় বসিয়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেন, সাফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন তাদের দু’জনের মধ্যে কে অন্যের হাতে কামড় দিয়েছিল। যে ব্যক্তির হাতে কামড় দিয়েছিল সে ব্যক্তি কামড় দাতার মুখ থেকে তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার সম্মুখের দু’টি দাঁতের একটি দাঁত পড়ে গেল। তখন উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ পেশ করল, তখন তিনি দাঁত পড়ে যাওয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিলেন। (ই.ফা. ৪২২৫, ই.সে. ৪২২৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، أخبرني صفوان بن يعلى بن أمية، عن أبيه، قال غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك - قال وكان يعلى يقول تلك الغزوة أوثق عملي عندي - فقال عطاء قال صفوان قال يعلى كان لي أجير فقاتل إنسانا فعض أحدهما يد الآخر - قال لقد أخبرني صفوان أيهما عض الآخر - فانتزع المعضوض يده من في العاض فانتزع إحدى ثنيتيه فأتيا النبي صلى الله عليه وسلم فأهدر ثنيته .
সহিহ মুসলিম ৪২৬২
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن محمد، بن سيرين عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيته أو ثناياه فاستعدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تأمرني تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل ادفع يدك حتى يعضها ثم انتزعها " .
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। সে তখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার একটি অথবা দু’টি দাঁত খসে পড়ল। সে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আমার কাছে কি চাও? তুমি কি চাও যে, আমি তাকে নির্দেশ করবো তার হাত তোমার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে, আর তুমি তা কামড়াবে যেমন উট চিবিয়ে থাকে? তুমি ইচ্ছে করলে তোমার হাত তার মুখের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিতে পার, সে তখন তা দাঁতে কর্তন করবে, এরপর তুমিও তা সজোরে টেনে নিও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৬৬] (ই.ফা. ৪২২৩, ই.সে. ৪২২৩)
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রা.) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির হাতে কামড় বসিয়ে দিল। সে তখন তার হাত সজোরে টেনে নিল। এতে তার একটি অথবা দু’টি দাঁত খসে পড়ল। সে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি আমার কাছে কি চাও? তুমি কি চাও যে, আমি তাকে নির্দেশ করবো তার হাত তোমার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে, আর তুমি তা কামড়াবে যেমন উট চিবিয়ে থাকে? তুমি ইচ্ছে করলে তোমার হাত তার মুখের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিতে পার, সে তখন তা দাঁতে কর্তন করবে, এরপর তুমিও তা সজোরে টেনে নিও। [দ্রষ্টব্য হাদীস ৪৩৬৬] (ই.ফা. ৪২২৩, ই.সে. ৪২২৩)
حدثنا أحمد بن عثمان النوفلي، حدثنا قريش بن أنس، عن ابن عون، عن محمد، بن سيرين عن عمران بن حصين، أن رجلا، عض يد رجل فانتزع يده فسقطت ثنيته أو ثناياه فاستعدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تأمرني تأمرني أن آمره أن يدع يده في فيك تقضمها كما يقضم الفحل ادفع يدك حتى يعضها ثم انتزعها " .
সহিহ মুসলিম ৪২৫৯
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عطاء، عن ابن يعلى، عن يعلى، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)
ইবনু ইয়া’লা (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ইয়া’লা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪২২০, ই.সে. ৪২২০)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عطاء، عن ابن يعلى، عن يعلى، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৪২৬৫
وحدثناه عمرو بن زرارة، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، قال أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه .
ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৬, ই.সে. ৪২২৬)
ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
ইবনু জুরায়জ (র.) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৬, ই.সে. ৪২২৬)
وحدثناه عمرو بن زرارة، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، قال أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد نحوه .