সহিহ মুসলিম > কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা
সহিহ মুসলিম ৪১৮০
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال سليمان بن داود لأطيفن الليلة على سبعين امرأة تلد كل امرأة منهن غلاما يقاتل في سبيل الله . فقيل له قل إن شاء الله . فلم يقل . فأطاف بهن فلم تلد منهن إلا امرأة واحدة نصف إنسان . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا لحاجته " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে। তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি (ভূলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত। রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তিনি তখন ‘ইন্শা-আল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন। (ই.ফা. ৪১৪২, ই.সে. ৪১৪১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে। তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি (ভূলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত। রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তিনি তখন ‘ইন্শা-আল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন। (ই.ফা. ৪১৪২, ই.সে. ৪১৪১)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال سليمان بن داود لأطيفن الليلة على سبعين امرأة تلد كل امرأة منهن غلاما يقاتل في سبيل الله . فقيل له قل إن شاء الله . فلم يقل . فأطاف بهن فلم تلد منهن إلا امرأة واحدة نصف إنسان . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا لحاجته " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৭
حدثني أبو الربيع العتكي، وأبو كامل الجحدري فضيل بن حسين - واللفظ لأبي الربيع - قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال كان لسليمان ستون امرأة فقال لأطوفن عليهن الليلة فتحمل كل واحدة منهن فتلد كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله فلم تحمل منهن إلا واحدة فولدت نصف إنسان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان استثنى لولدت كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কছেই গমন করবো। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্মা) একটি সন্তান প্রসব করলেন। এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন। (ই.ফা. ৪১৩৯, ই.সে. ৪১৩৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কছেই গমন করবো। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্মা) একটি সন্তান প্রসব করলেন। এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন। (ই.ফা. ৪১৩৯, ই.সে. ৪১৩৮)
حدثني أبو الربيع العتكي، وأبو كامل الجحدري فضيل بن حسين - واللفظ لأبي الربيع - قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال كان لسليمان ستون امرأة فقال لأطوفن عليهن الليلة فتحمل كل واحدة منهن فتلد كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله فلم تحمل منهن إلا واحدة فولدت نصف إنسان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان استثنى لولدت كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৯
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله أو نحوه .
আবূ হুরাইরাহ্ সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৪১, ই.সে. ৪১৪০)
আবূ হুরাইরাহ্ সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৪১, ই.সে. ৪১৪০)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله أو نحوه .
সহিহ মুসলিম ৪১৮২
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد بهذا الإسناد مثله . غير أنه قال " كلها تحمل غلاما يجاهد في سبيل الله ".
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে- প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। (ই.ফা. ৪১৪৪, ই.সে. ৪১৪৩)
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে- প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। (ই.ফা. ৪১৪৪, ই.সে. ৪১৪৩)
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد بهذا الإسناد مثله . غير أنه قال " كلها تحمل غلاما يجاهد في سبيل الله ".
সহিহ মুসলিম ৪১৮১
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على تسعين امرأة كلها تأتي بفارس يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه قل إن شاء الله . فلم يقل إن شاء الله . فطاف عليهن جميعا فلم تحمل منهن إلا امرأة واحدة فجاءت بشق رجل وايم الذي نفس محمد بيده لو قال إن شاء الله . لجاهدوا في سبيل الله فرسانا أجمعون " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী তাঁকে বললেন, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সন্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। সেই মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবন, যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ই.ফা. ৪১৪৩, ই.সে. ৪১৪২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী তাঁকে বললেন, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সন্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। সেই মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবন, যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ই.ফা. ৪১৪৩, ই.সে. ৪১৪২)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على تسعين امرأة كلها تأتي بفارس يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه قل إن شاء الله . فلم يقل إن شاء الله . فطاف عليهن جميعا فلم تحمل منهن إلا امرأة واحدة فجاءت بشق رجل وايم الذي نفس محمد بيده لو قال إن شاء الله . لجاهدوا في سبيل الله فرسانا أجمعون " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৮
وحدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود نبي الله لأطوفن الليلة على سبعين امرأة كلهن تأتي بغلام يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه أو الملك قل إن شاء الله . فلم يقل ونسي . فلم تأت واحدة من نسائه إلا واحدة جاءت بشق غلام " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ولو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا له في حاجته " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আল্লাহর নবী সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাঁকে বললেন যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন! কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএর, তাঁর স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন। (ই.ফা. ৪১৪০, ই.সে. ৪১৩৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আল্লাহর নবী সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাঁকে বললেন যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন! কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএর, তাঁর স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন। (ই.ফা. ৪১৪০, ই.সে. ৪১৩৯)
وحدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود نبي الله لأطوفن الليلة على سبعين امرأة كلهن تأتي بغلام يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه أو الملك قل إن شاء الله . فلم يقل ونسي . فلم تأت واحدة من نسائه إلا واحدة جاءت بشق غلام " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ولو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا له في حاجته " .
সহিহ মুসলিম > কসম দ্বারা যদি পরিবারের লোকদের কষ্ট হয় তবে কসম ভঙ্গ না করা নিষেধ, তবে তাতে শর্ত হলো কাজটি হারাম হবে না
সহিহ মুসলিম ৪১৮৩
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لأن يلج أحدكم بيمينه في أهله آثم له عند الله من أن يعطي كفارته التي فرض الله " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ্ আদায় করার তুলনায়। [২৩] (ই.ফা. ৪১৪৫, ই.সে. ৪১৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ্ আদায় করার তুলনায়। [২৩] (ই.ফা. ৪১৪৫, ই.সে. ৪১৪৪)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لأن يلج أحدكم بيمينه في أهله آثم له عند الله من أن يعطي كفارته التي فرض الله " .
সহিহ মুসলিম > কোন কাফির ব্যক্তি কুফ্রী অবস্থায় কোন মানৎ করে, অতঃপর মুসলিম হয়ে যায়
সহিহ মুসলিম ৪১৮৪
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن المثنى، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا يحيى، - وهو ابن سعيد القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن عمر، قال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف ليلة في المسجد الحرام . قال " فأوف بنذرك " .
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি জাহিলিয়্যাতের জামানায় মাসজিদুল হারামে এক রাত্রি ‘ই‘তিকাফ’ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানৎ পূর্ণ কর। (ই.ফা. ৪১৪৬, ই.সে. ৪১৪৫)
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি জাহিলিয়্যাতের জামানায় মাসজিদুল হারামে এক রাত্রি ‘ই‘তিকাফ’ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানৎ পূর্ণ কর। (ই.ফা. ৪১৪৬, ই.সে. ৪১৪৫)
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن المثنى، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا يحيى، - وهو ابن سعيد القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن عمر، قال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف ليلة في المسجد الحرام . قال " فأوف بنذرك " .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৭
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال لما قفل النبي صلى الله عليه وسلم من حنين سأل عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نذر كان نذره في الجاهلية اعتكاف يوم . ثم ذكر بمعنى حديث جرير بن حازم .
ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন 'উমার (রাঃ) তাঁর জাহিলী যুগে করা একদিনের ই'তিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ)- এর হাদীসের মর্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৪৯, ই.সে. ৪১৪৮)
ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন 'উমার (রাঃ) তাঁর জাহিলী যুগে করা একদিনের ই'তিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ)- এর হাদীসের মর্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৪৯, ই.সে. ৪১৪৮)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال لما قفل النبي صلى الله عليه وسلم من حنين سأل عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نذر كان نذره في الجاهلية اعتكاف يوم . ثم ذكر بمعنى حديث جرير بن حازم .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৮
وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن نافع، قال ذكر عند ابن عمر عمرة رسول الله صلى الله عليه وسلم من الجعرانة فقال لم يعتمر منها - قال - وكان عمر نذر اعتكاف ليلة في الجاهلية . ثم ذكر نحو حديث جرير بن حازم ومعمر عن أيوب .
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর নিকট জি'রানাহ্ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর 'উমরাহ্' করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি 'উমরাহ্ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, 'উমার (রাঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ই'তিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৫০, ই.সে. ৪১৪৯)
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর নিকট জি'রানাহ্ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর 'উমরাহ্' করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি 'উমরাহ্ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, 'উমার (রাঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ই'তিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৫০, ই.সে. ৪১৪৯)
وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن نافع، قال ذكر عند ابن عمر عمرة رسول الله صلى الله عليه وسلم من الجعرانة فقال لم يعتمر منها - قال - وكان عمر نذر اعتكاف ليلة في الجاهلية . ثم ذكر نحو حديث جرير بن حازم ومعمر عن أيوب .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৫
وحدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، وإسحاق، بن إبراهيم جميعا عن حفص بن غياث، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، وقال، حفص من بينهم عن عمر، بهذا الحديث أما أبو أسامة والثقفي ففي حديثهما اعتكاف ليلة . وأما في حديث شعبة فقال جعل عليه يوما يعتكفه . وليس في حديث حفص ذكر يوم ولا ليلة .
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলা, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই ‘উবাহদুল্লাহ (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) ‘উমার (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফী (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (এক রাত্রির ই‘তিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শু‘বাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (তিনি তাঁর উপর একদিনের ই‘তিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফ্স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে ‘একদিন এবং এক রাত্রির’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪১৪৭, ই.সে. ৪১৪৬)
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলা, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই ‘উবাহদুল্লাহ (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) ‘উমার (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফী (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (এক রাত্রির ই‘তিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শু‘বাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (তিনি তাঁর উপর একদিনের ই‘তিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফ্স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে ‘একদিন এবং এক রাত্রির’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪১৪৭, ই.সে. ৪১৪৬)
وحدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، وإسحاق، بن إبراهيم جميعا عن حفص بن غياث، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، وقال، حفص من بينهم عن عمر، بهذا الحديث أما أبو أسامة والثقفي ففي حديثهما اعتكاف ليلة . وأما في حديث شعبة فقال جعل عليه يوما يعتكفه . وليس في حديث حفص ذكر يوم ولا ليلة .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৯
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا حجاج بن المنهال، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، . بهذا الحديث في النذر وفي حديثهما جميعا اعتكاف يوم .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) .... উভয়েই নাফি' (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানৎ সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই (আরবী) (একদিনের ই'তিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫১, ই.সে. ৪১৫০)
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) .... উভয়েই নাফি' (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানৎ সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই (আরবী) (একদিনের ই'তিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫১, ই.সে. ৪১৫০)
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا حجاج بن المنهال، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، . بهذا الحديث في النذر وفي حديثهما جميعا اعتكاف يوم .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৬
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا جرير بن حازم، أن أيوب، حدثه أن نافعا حدثه أن عبد الله بن عمر حدثه أن عمر بن الخطاب سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة بعد أن رجع من الطائف فقال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف يوما في المسجد الحرام فكيف ترى قال " اذهب فاعتكف يوما " . قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه جارية من الخمس فلما أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس سمع عمر بن الخطاب أصواتهم يقولون أعتقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ما هذا فقالوا أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس . فقال عمر يا عبد الله اذهب إلى تلك الجارية فخل سبيلها .
আবূ তাহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জি‘রানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি অজ্ঞতার যুগে মাস্জিদুল হারামে একদিন ই‘তিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তিনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ই‘তিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমাতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন ‘উমার (রাঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। ‘উমার (রাযি;) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ই.ফা. ৪১৪৮, ই.সে. ৪১৪৭)
আবূ তাহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জি‘রানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি অজ্ঞতার যুগে মাস্জিদুল হারামে একদিন ই‘তিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তিনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ই‘তিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমাতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন ‘উমার (রাঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। ‘উমার (রাযি;) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ই.ফা. ৪১৪৮, ই.সে. ৪১৪৭)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا جرير بن حازم، أن أيوب، حدثه أن نافعا حدثه أن عبد الله بن عمر حدثه أن عمر بن الخطاب سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة بعد أن رجع من الطائف فقال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف يوما في المسجد الحرام فكيف ترى قال " اذهب فاعتكف يوما " . قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه جارية من الخمس فلما أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس سمع عمر بن الخطاب أصواتهم يقولون أعتقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ما هذا فقالوا أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس . فقال عمر يا عبد الله اذهب إلى تلك الجارية فخل سبيلها .
সহিহ মুসলিম > ক্রীতদাসদের সাথে আচার-আচরণ এবং দাসকে চপেটাঘাতের কাফ্ফারা
সহিহ মুসলিম ৪১৯০
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا أبو عوانة، عن فراس، عن ذكوان أبي صالح، عن زاذان أبي عمر، قال أتيت ابن عمر وقد أعتق مملوكا - قال - فأخذ من الأرض عودا أو شيئا فقال ما فيه من الأجر ما يسوى هذا إلا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من لطم مملوكه أو ضربه فكفارته أن يعتقه "
আবূ 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর কাছে আগমন করলাম, ইতোমধ্যে একজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, তিনি মাটি থেকে একটি কাঠি অথবা অন্য কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে তার সমতুল্য পুণ্যও নেই। কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নিজ ক্রীতদাসকে চপেটাঘাত করল অথবা প্রহার করল, এর কাফ্ফারা হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ই.ফা. ৪১৫২, ই.সে. ৪১৫১)
আবূ 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর কাছে আগমন করলাম, ইতোমধ্যে একজন ক্রীতদাসকে মুক্ত করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, তিনি মাটি থেকে একটি কাঠি অথবা অন্য কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে তার সমতুল্য পুণ্যও নেই। কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নিজ ক্রীতদাসকে চপেটাঘাত করল অথবা প্রহার করল, এর কাফ্ফারা হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ই.ফা. ৪১৫২, ই.সে. ৪১৫১)
حدثني أبو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا أبو عوانة، عن فراس، عن ذكوان أبي صالح، عن زاذان أبي عمر، قال أتيت ابن عمر وقد أعتق مملوكا - قال - فأخذ من الأرض عودا أو شيئا فقال ما فيه من الأجر ما يسوى هذا إلا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من لطم مملوكه أو ضربه فكفارته أن يعتقه "
সহিহ মুসলিম ৪১৯৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا ابن إدريس، عن حصين، عن هلال بن يساف، قال عجل شيخ فلطم خادما له فقال له سويد بن مقرن عجز عليك إلا حر وجهها لقد رأيتني سابع سبعة من بني مقرن ما لنا خادم إلا واحدة لطمها أصغرنا فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نعتقها .
হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বৃদ্ধ তার চাকরকে তড়িঘড়ি করতে গিয়ে চপেটাঘাত করল। সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রহঃ) তাকে বললেন, আপনি তার মূল্যবান চেহারা ছাড়া আর কোন স্থান পেলেন না। আপনি আমাকে বানী মুকার্রিন গোত্রের সাঃত সদস্য বিশিষ্ট পরিবারে সপ্তম লোক হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের একজন গোলাম ব্যতীত অন্য কোন গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার সর্ব কনিষ্ঠ ব্যক্তি তাকে চপেটাঘাত করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে আযাদ করে দিতে। (ই.ফা. ৪১৫৬, ই.সে. ৪১৫৫)
হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বৃদ্ধ তার চাকরকে তড়িঘড়ি করতে গিয়ে চপেটাঘাত করল। সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রহঃ) তাকে বললেন, আপনি তার মূল্যবান চেহারা ছাড়া আর কোন স্থান পেলেন না। আপনি আমাকে বানী মুকার্রিন গোত্রের সাঃত সদস্য বিশিষ্ট পরিবারে সপ্তম লোক হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের একজন গোলাম ব্যতীত অন্য কোন গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার সর্ব কনিষ্ঠ ব্যক্তি তাকে চপেটাঘাত করল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে আযাদ করে দিতে। (ই.ফা. ৪১৫৬, ই.সে. ৪১৫৫)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ لأبي بكر - قالا حدثنا ابن إدريس، عن حصين، عن هلال بن يساف، قال عجل شيخ فلطم خادما له فقال له سويد بن مقرن عجز عليك إلا حر وجهها لقد رأيتني سابع سبعة من بني مقرن ما لنا خادم إلا واحدة لطمها أصغرنا فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نعتقها .
সহিহ মুসলিম ৪১৯৫
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، عن حصين، عن هلال بن يساف، قال كنا نبيع البز في دار سويد بن مقرن أخي النعمان بن مقرن فخرجت جارية فقالت لرجل منا كلمة فلطمها فغضب سويد . فذكر نحو حديث ابن إدريس .
হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নু’মান ইবনু মুকার্রিন (রহঃ)- এর ভাই সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রহঃ)- এর বাড়িতে কাপড় বিক্রি করছিলাম। এমন সময় একজন দাসী বেরিয়ে এসে আমাদের একজন লোকের সাথে তর্ক করল। তখন সে তাকে একটি চপেটাঘাত মারল। এতে সুওয়াইদ (রাঃ) রাগান্বিত হলেন। তখন তিনি ইবনু ইদ্রীস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১৫৭, ই.সে. ৪১৫৬)
হিলাল ইবনু ইয়াসাফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নু’মান ইবনু মুকার্রিন (রহঃ)- এর ভাই সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রহঃ)- এর বাড়িতে কাপড় বিক্রি করছিলাম। এমন সময় একজন দাসী বেরিয়ে এসে আমাদের একজন লোকের সাথে তর্ক করল। তখন সে তাকে একটি চপেটাঘাত মারল। এতে সুওয়াইদ (রাঃ) রাগান্বিত হলেন। তখন তিনি ইবনু ইদ্রীস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১৫৭, ই.সে. ৪১৫৬)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن أبي عدي، عن شعبة، عن حصين، عن هلال بن يساف، قال كنا نبيع البز في دار سويد بن مقرن أخي النعمان بن مقرن فخرجت جارية فقالت لرجل منا كلمة فلطمها فغضب سويد . فذكر نحو حديث ابن إدريس .
সহিহ মুসলিম ৪১৯৭
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، عن وهب بن جرير، أخبرنا شعبة، قال قال لي محمد بن المنكدر ما اسمك فذكر بمثل حديث عبد الصمد .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদার (রাঃ) এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কী? অতঃপর তিনি ‘আবদুস সামাদ (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫৯, ই.সে. ৪১৫৮)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুনকাদার (রাঃ) এরপর আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নাম কী? অতঃপর তিনি ‘আবদুস সামাদ (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫৯, ই.সে. ৪১৫৮)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن المثنى، عن وهب بن جرير، أخبرنا شعبة، قال قال لي محمد بن المنكدر ما اسمك فذكر بمثل حديث عبد الصمد .
সহিহ মুসলিম ৪১৯১
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن فراس، قال سمعت ذكوان، يحدث عن زاذان، أن ابن عمر، دعا بغلام له فرأى بظهره أثرا فقال له أوجعتك قال لا . قال فأنت عتيق . قال ثم أخذ شيئا من الأرض فقال ما لي فيه من الأجر ما يزن هذا إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من ضرب غلاما له حدا لم يأته أو لطمه فإن كفارته أن يعتقه " .
যযান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
, ইবনু 'উমার (রাঃ) তাঁর এক গোলামকে ডাকলেন। এরপর তার পিঠে (প্রহারের) দাগ দেখতে পেলেন। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি এতে যন্ত্রণা অনুভব করছ? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তুমি মুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি মাটি থেক কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে এতটুকু পুণ্যও মেলেনি। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আপন গোলামকে বিনা অপরাধে প্রহার করল কিংবা চপেটাঘাত করল, এর কাফ্ফারাহ্ হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ই.ফা. ৪১৫৩, ই.সে. ৪১৫২)
যযান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
, ইবনু 'উমার (রাঃ) তাঁর এক গোলামকে ডাকলেন। এরপর তার পিঠে (প্রহারের) দাগ দেখতে পেলেন। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি এতে যন্ত্রণা অনুভব করছ? সে বলল, না। তখন তিনি বললেন, তুমি মুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি মাটি থেক কোন বস্তু নিয়ে বললেন, তাকে আযাদ করার মধ্যে এতটুকু পুণ্যও মেলেনি। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আপন গোলামকে বিনা অপরাধে প্রহার করল কিংবা চপেটাঘাত করল, এর কাফ্ফারাহ্ হল তাকে মুক্ত করে দেয়া। (ই.ফা. ৪১৫৩, ই.সে. ৪১৫২)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن فراس، قال سمعت ذكوان، يحدث عن زاذان، أن ابن عمر، دعا بغلام له فرأى بظهره أثرا فقال له أوجعتك قال لا . قال فأنت عتيق . قال ثم أخذ شيئا من الأرض فقال ما لي فيه من الأجر ما يزن هذا إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من ضرب غلاما له حدا لم يأته أو لطمه فإن كفارته أن يعتقه " .
সহিহ মুসলিম ৪১৯৮
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال قال أبو مسعود البدري كنت أضرب غلاما لي بالسوط فسمعت صوتا من خلفي " اعلم أبا مسعود " . فلم أفهم الصوت من الغضب - قال - فلما دنا مني إذا هو رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هو يقول " اعلم أبا مسعود اعلم أبا مسعود " . قال فألقيت السوط من يدي فقال " اعلم أبا مسعود أن الله أقدر عليك منك على هذا الغلام " . قال فقلت لا أضرب مملوكا بعده أبدا .
আবূ মাস’ঊদ বদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার ক্রীতদাসকে চাবুক দিয়ে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছনে থেকে একটি শব্দ শোনলাম, হে আবূ মাস’ঊদ! জেনে রেখো! রাগের কারণে আমি শব্দটি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম না। বর্ণনাকারী বলেন, যখন তিনি আমার কাছাকাছি এলেন তখন দেখতে পেলাম, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এবং তিনি বলছেনঃ হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো, হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো! বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি চাবুকটি আমার হাত থেকে ফেলে দিলাম। এরপর তিনি বললেন, হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো যে, এ গোলামের উপর তোমার ক্ষমতার চেয়ে তোমার উপর আল্লাহ তা’আলা অধিক ক্ষমতাবান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এরপর কখনও কোন কৃতদাসকে আমি প্রহার করবো না। (ই.ফা. ৪১৬০, ই.সে. ৪১৫৯)
আবূ মাস’ঊদ বদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার ক্রীতদাসকে চাবুক দিয়ে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছনে থেকে একটি শব্দ শোনলাম, হে আবূ মাস’ঊদ! জেনে রেখো! রাগের কারণে আমি শব্দটি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম না। বর্ণনাকারী বলেন, যখন তিনি আমার কাছাকাছি এলেন তখন দেখতে পেলাম, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এবং তিনি বলছেনঃ হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো, হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো! বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি চাবুকটি আমার হাত থেকে ফেলে দিলাম। এরপর তিনি বললেন, হে আবূ মাস’ঊদ! তুমি জেনে রেখো যে, এ গোলামের উপর তোমার ক্ষমতার চেয়ে তোমার উপর আল্লাহ তা’আলা অধিক ক্ষমতাবান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, এরপর কখনও কোন কৃতদাসকে আমি প্রহার করবো না। (ই.ফা. ৪১৬০, ই.সে. ৪১৫৯)
حدثنا أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال قال أبو مسعود البدري كنت أضرب غلاما لي بالسوط فسمعت صوتا من خلفي " اعلم أبا مسعود " . فلم أفهم الصوت من الغضب - قال - فلما دنا مني إذا هو رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هو يقول " اعلم أبا مسعود اعلم أبا مسعود " . قال فألقيت السوط من يدي فقال " اعلم أبا مسعود أن الله أقدر عليك منك على هذا الغلام " . قال فقلت لا أضرب مملوكا بعده أبدا .
সহিহ মুসলিম ৪২০১
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا ابن، أبي عدي عن شعبة، عن سليمان، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي مسعود، أنه كان يضرب غلامه فجعل يقول أعوذ بالله - قال - فجعل يضربه فقال أعوذ برسول الله . فتركه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لله أقدر عليك منك عليه " . قال فأعتقه .
আবূ মাস’ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একদা তার গোলামকে মারছিলেন। তখন সে বলতে লাগলো- আমি আল্লাহর কাচে পরিত্রাণ চাই। বর্ণনাকারী বলেন, তখনও তিনি তাকে প্রহার করছিলেন। এরপর সে বলল, আমি আল্লাহর রসূলের কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি তাঁকে ছেড়ে দিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তুমি তার উপর যতটুকু শক্তিমান, আল্লাহ তা’আলা তোমার উপর তার চেয়ে অধিক শক্তিমান। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তাকে আযাদ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৪১৬৩, ই.সে. ৪১৬২)
আবূ মাস’ঊদ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি একদা তার গোলামকে মারছিলেন। তখন সে বলতে লাগলো- আমি আল্লাহর কাচে পরিত্রাণ চাই। বর্ণনাকারী বলেন, তখনও তিনি তাকে প্রহার করছিলেন। এরপর সে বলল, আমি আল্লাহর রসূলের কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি তাঁকে ছেড়ে দিলেন। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তুমি তার উপর যতটুকু শক্তিমান, আল্লাহ তা’আলা তোমার উপর তার চেয়ে অধিক শক্তিমান। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তাকে আযাদ করে দিয়েছেন। (ই.ফা. ৪১৬৩, ই.সে. ৪১৬২)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا ابن، أبي عدي عن شعبة، عن سليمان، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي مسعود، أنه كان يضرب غلامه فجعل يقول أعوذ بالله - قال - فجعل يضربه فقال أعوذ برسول الله . فتركه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لله أقدر عليك منك عليه " . قال فأعتقه .
সহিহ মুসলিম ৪১৯৬
وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا شعبة، قال قال لي محمد بن المنكدر ما اسمك قلت شعبة . فقال محمد حدثني أبو شعبة العراقي عن سويد بن مقرن أن جارية له لطمها إنسان فقال له سويد أما علمت أن الصورة محرمة فقال لقد رأيتني وإني لسابع إخوة لي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وما لنا خادم غير واحد فعمد أحدنا فلطمه فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نعتقه .
সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর একজন দাসী ছিল। এক ব্যক্তি একদা তাকে চপেটাঘাত করল। তখন সুওয়াইদ (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি জাননা যে, চেহারায় চপেটাঘাত করা নিষিদ্ধ? নিশ্চয়ই তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছ যে, আমরা সাঃত ভাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর যামানায় আমাদের একজনের গোলাম ব্যতীত আর কারো গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার জনৈক ব্যক্তি তাকে চপেটাঘাত করল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য। (ই.ফা. ৪১৫৮, ই.সে. ৪১৫৭)
সুওয়াইদ ইবনু মুকার্রিন (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর একজন দাসী ছিল। এক ব্যক্তি একদা তাকে চপেটাঘাত করল। তখন সুওয়াইদ (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি জাননা যে, চেহারায় চপেটাঘাত করা নিষিদ্ধ? নিশ্চয়ই তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছ যে, আমরা সাঃত ভাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর যামানায় আমাদের একজনের গোলাম ব্যতীত আর কারো গোলাম ছিল না। একদা আমাদের মধ্যকার জনৈক ব্যক্তি তাকে চপেটাঘাত করল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিলেন তাকে মুক্ত করে দেয়ার জন্য। (ই.ফা. ৪১৫৮, ই.সে. ৪১৫৭)
وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، حدثنا شعبة، قال قال لي محمد بن المنكدر ما اسمك قلت شعبة . فقال محمد حدثني أبو شعبة العراقي عن سويد بن مقرن أن جارية له لطمها إنسان فقال له سويد أما علمت أن الصورة محرمة فقال لقد رأيتني وإني لسابع إخوة لي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وما لنا خادم غير واحد فعمد أحدنا فلطمه فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نعتقه .
সহিহ মুসলিম ৪১৯৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن معاوية بن سويد، قال لطمت مولى لنا فهربت ثم جئت قبيل الظهر فصليت خلف أبي فدعاه ودعاني ثم قال امتثل منه . فعفا ثم قال كنا بني مقرن على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس لنا إلا خادم واحدة فلطمها أحدنا فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أعتقوها " . قالوا ليس لهم خادم غيرها قال " فليستخدموها فإذا استغنوا عنها فليخلوا سبيلها " .
মু’আবিয়াহ্ ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আমি আমাদের এক গোলামকে চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি পালিয়ে গেলাম এবং যুহরের সালাতের আগে আগে ফিরে এলাম। আমি আমার পিতার পিছনে সলাত আদায় করলাম। তিনি তাকে এবং আমাকে ডাকলেন। গোলামকে বললেন, তুমি তার কাছ থেকে বদলা নাও। অবশেষে সে ক্ষমা করে দিল। এরপর তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সময়কালে বানী মুকার্রিন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমাদের মাত্র একটি গোলাম ছিল। একদা আমাদের কোন একজন তাকে চপেটাঘাত করল এবং এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছল। তখন তিনি বললেন, তাকে আযাদ করে দাও। তারা বলল, সে ব্যতীত তাদের কোন খাদেম নেই। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা তার কাছ হতে সেবা গ্রহণ করতে থাক, যখনই তার প্রয়োজন মিটে যাবে তখনই তোমরা তাকে মুক্ত করে দিবে। (ই.ফা. ৪১৫৫, ই.সে. ৪১৫৪)
মু’আবিয়াহ্ ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আমি আমাদের এক গোলামকে চপেটাঘাত করলাম। এরপর আমি পালিয়ে গেলাম এবং যুহরের সালাতের আগে আগে ফিরে এলাম। আমি আমার পিতার পিছনে সলাত আদায় করলাম। তিনি তাকে এবং আমাকে ডাকলেন। গোলামকে বললেন, তুমি তার কাছ থেকে বদলা নাও। অবশেষে সে ক্ষমা করে দিল। এরপর তিনি বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সময়কালে বানী মুকার্রিন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমাদের মাত্র একটি গোলাম ছিল। একদা আমাদের কোন একজন তাকে চপেটাঘাত করল এবং এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছল। তখন তিনি বললেন, তাকে আযাদ করে দাও। তারা বলল, সে ব্যতীত তাদের কোন খাদেম নেই। তখন তিনি বললেনঃ তোমরা তার কাছ হতে সেবা গ্রহণ করতে থাক, যখনই তার প্রয়োজন মিটে যাবে তখনই তোমরা তাকে মুক্ত করে দিবে। (ই.ফা. ৪১৫৫, ই.সে. ৪১৫৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا أبي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن معاوية بن سويد، قال لطمت مولى لنا فهربت ثم جئت قبيل الظهر فصليت خلف أبي فدعاه ودعاني ثم قال امتثل منه . فعفا ثم قال كنا بني مقرن على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس لنا إلا خادم واحدة فلطمها أحدنا فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أعتقوها " . قالوا ليس لهم خادم غيرها قال " فليستخدموها فإذا استغنوا عنها فليخلوا سبيلها " .
সহিহ মুসলিম ৪২০০
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، التيمي عن أبيه، عن أبي مسعود الأنصاري، قال كنت أضرب غلاما لي فسمعت من خلفي صوتا " اعلم أبا مسعود لله أقدر عليك منك عليه " . فالتفت فإذا هو رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله هو حر لوجه الله . فقال " أما لو لم تفعل للفحتك النار أو لمستك النار " .
আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার এক দাসকে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছন দিক থেকে একটি আওয়াজ শোনলাম। হে আবু মাস’ঊদ! জেনে রেখো, তুমি তার উপর যেরূপ শক্তিমান, আল্লাহ তা’আলা তোমার ওপর এর চেয়ে অধিক শক্তিমান। হঠাৎ পিছন দিকে তাকিয়ে দেখি তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে আল্লাহর ওয়াস্তে মুক্ত। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! যদি তুমি তা না করতে তাহলে অবশ্যই দোযখ তোমাকে গ্রাস করতো। কিংবা (রাবীর সন্দেহ) দোযখ তোমাকে অবশ্যই স্পর্শ করতো। (ই.ফা. ৪১৬২, ই.সে. ৪১৬১)
আবূ মাস’ঊদ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার এক দাসকে প্রহার করছিলাম। হঠাৎ আমার পিছন দিক থেকে একটি আওয়াজ শোনলাম। হে আবু মাস’ঊদ! জেনে রেখো, তুমি তার উপর যেরূপ শক্তিমান, আল্লাহ তা’আলা তোমার ওপর এর চেয়ে অধিক শক্তিমান। হঠাৎ পিছন দিকে তাকিয়ে দেখি তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! সে আল্লাহর ওয়াস্তে মুক্ত। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাবধান! যদি তুমি তা না করতে তাহলে অবশ্যই দোযখ তোমাকে গ্রাস করতো। কিংবা (রাবীর সন্দেহ) দোযখ তোমাকে অবশ্যই স্পর্শ করতো। (ই.ফা. ৪১৬২, ই.সে. ৪১৬১)
وحدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، التيمي عن أبيه، عن أبي مسعود الأنصاري، قال كنت أضرب غلاما لي فسمعت من خلفي صوتا " اعلم أبا مسعود لله أقدر عليك منك عليه " . فالتفت فإذا هو رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله هو حر لوجه الله . فقال " أما لو لم تفعل للفحتك النار أو لمستك النار " .
সহিহ মুসলিম ৪১৯২
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، كلاهما عن سفيان، عن فراس، بإسناد شعبة وأبي عوانة أما حديث ابن مهدي فذكر فيه " حدا لم يأته " . وفي حديث وكيع " من لطم عبده " . ولم يذكر الحد.
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু মুসাঃন্না (রহঃ) উভয়েই সুফ্ইয়ান (রহঃ)- এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
ইবনু মাহদী (রহঃ)- এর হাদীসের উল্লেকপূর্বক বলেন যে, এতে (আরবী) (বিনা অপরাধে) কথাটি উল্লেখ আছে। আর ওয়াকী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (যে ব্যক্তি আপন গোলামকে চপেটাঘাত করল) বাক্যটির উল্লেখ আছে। তিনি তাঁর হাদীসে (আরবী) (অপরাধের শাস্তি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪১৫৪, ই.সে. ৪১৫৩)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু মুসাঃন্না (রহঃ) উভয়েই সুফ্ইয়ান (রহঃ)- এর সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
ইবনু মাহদী (রহঃ)- এর হাদীসের উল্লেকপূর্বক বলেন যে, এতে (আরবী) (বিনা অপরাধে) কথাটি উল্লেখ আছে। আর ওয়াকী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (যে ব্যক্তি আপন গোলামকে চপেটাঘাত করল) বাক্যটির উল্লেখ আছে। তিনি তাঁর হাদীসে (আরবী) (অপরাধের শাস্তি) কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪১৫৪, ই.সে. ৪১৫৩)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، كلاهما عن سفيان، عن فراس، بإسناد شعبة وأبي عوانة أما حديث ابن مهدي فذكر فيه " حدا لم يأته " . وفي حديث وكيع " من لطم عبده " . ولم يذكر الحد.
সহিহ মুসলিম ৪১৯৯
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن حميد، - وهو المعمري - عن سفيان، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد، الرزاق أخبرنا سفيان، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبو عوانة، كلهم عن الأعمش، بإسناد عبد الواحد . نحو حديثه . غير أن في حديث جرير فسقط من يدي السوط من هيبته .
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) সকলেই আ’মাশ (রহঃ) সুত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীস (আরবী) (তাঁর ভয়ে আমার হাত থেকে চাবুকটি পড়ে গেল) এ বাক্যটি অতিরিক্ত সংযোজিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪১৬১, ই.সে. ৪১৬০)
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) সকলেই আ’মাশ (রহঃ) সুত্রে থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীস (আরবী) (তাঁর ভয়ে আমার হাত থেকে চাবুকটি পড়ে গেল) এ বাক্যটি অতিরিক্ত সংযোজিত হয়েছে। (ই.ফা. ৪১৬১, ই.সে. ৪১৬০)
وحدثناه إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا جرير، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا محمد بن حميد، - وهو المعمري - عن سفيان، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد، الرزاق أخبرنا سفيان، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا أبو عوانة، كلهم عن الأعمش، بإسناد عبد الواحد . نحو حديثه . غير أن في حديث جرير فسقط من يدي السوط من هيبته .
সহিহ মুসলিম ৪২০২
وحدثنيه بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، بهذا الإسناد ولم يذكر قوله أعوذ بالله أعوذ برسول الله صلى الله عليه وسلم .
বিশর ইবনু খালিদ উক্ত হাদীসটি শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি (আরবী) (আমি আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাই, আমি আল্লাহর রাসূলের কাছে সাহায্য চাই) এ বাক্যটির উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪১৬৪, ই.সে. ৪১৬৩)
বিশর ইবনু খালিদ উক্ত হাদীসটি শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি (আরবী) (আমি আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাই, আমি আল্লাহর রাসূলের কাছে সাহায্য চাই) এ বাক্যটির উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪১৬৪, ই.সে. ৪১৬৩)
وحدثنيه بشر بن خالد، أخبرنا محمد، - يعني ابن جعفر - عن شعبة، بهذا الإسناد ولم يذكر قوله أعوذ بالله أعوذ برسول الله صلى الله عليه وسلم .