সহিহ মুসলিম > কসম গ্রহণকারীর নিয়্যাত অনুযায়ী কসম হবে
সহিহ মুসলিম ৪১৭৫
حدثنا يحيى بن يحيى، وعمرو الناقد، - قال يحيى أخبرنا هشيم بن بشير، عن عبد الله بن أبي صالح، وقال، عمرو حدثنا هشيم بن بشير، أخبرنا عبد الله بن أبي صالح، - عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يمينك على ما يصدقك عليه صاحبك " . وقال عمرو " يصدقك به صاحبك " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার কসম ঐ উদ্দেশের উপর ধরে নেয়া হবে, যে উদ্দেশের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। ‘আম্র বলেন, এ ভাবে যে, তোমার সঙ্গী যে উদ্দেশ্যে তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। (ই.ফা. ৪১৩৭, ই.সে. ৪১৩৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমার কসম ঐ উদ্দেশের উপর ধরে নেয়া হবে, যে উদ্দেশের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। ‘আম্র বলেন, এ ভাবে যে, তোমার সঙ্গী যে উদ্দেশ্যে তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। (ই.ফা. ৪১৩৭, ই.সে. ৪১৩৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، وعمرو الناقد، - قال يحيى أخبرنا هشيم بن بشير، عن عبد الله بن أبي صالح، وقال، عمرو حدثنا هشيم بن بشير، أخبرنا عبد الله بن أبي صالح، - عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يمينك على ما يصدقك عليه صاحبك " . وقال عمرو " يصدقك به صاحبك " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৬
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن هشيم، عن عباد بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اليمين على نية المستحلف " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কসমকারীর নিয়্যাতের উপরই কসমটি হবে। (ই.ফা. ৪১৩৮, ই.সে. ৪১৩৭)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কসমকারীর নিয়্যাতের উপরই কসমটি হবে। (ই.ফা. ৪১৩৮, ই.সে. ৪১৩৭)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن هشيم، عن عباد بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اليمين على نية المستحلف " .
সহিহ মুসলিম > কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা
সহিহ মুসলিম ৪১৮০
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال سليمان بن داود لأطيفن الليلة على سبعين امرأة تلد كل امرأة منهن غلاما يقاتل في سبيل الله . فقيل له قل إن شاء الله . فلم يقل . فأطاف بهن فلم تلد منهن إلا امرأة واحدة نصف إنسان . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا لحاجته " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে। তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি (ভূলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত। রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তিনি তখন ‘ইন্শা-আল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন। (ই.ফা. ৪১৪২, ই.সে. ৪১৪১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) একদা বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে। তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি (ভূলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত। রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তিনি তখন ‘ইন্শা-আল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন। (ই.ফা. ৪১৪২, ই.সে. ৪১৪১)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق بن همام، أخبرنا معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال سليمان بن داود لأطيفن الليلة على سبعين امرأة تلد كل امرأة منهن غلاما يقاتل في سبيل الله . فقيل له قل إن شاء الله . فلم يقل . فأطاف بهن فلم تلد منهن إلا امرأة واحدة نصف إنسان . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا لحاجته " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৭
حدثني أبو الربيع العتكي، وأبو كامل الجحدري فضيل بن حسين - واللفظ لأبي الربيع - قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال كان لسليمان ستون امرأة فقال لأطوفن عليهن الليلة فتحمل كل واحدة منهن فتلد كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله فلم تحمل منهن إلا واحدة فولدت نصف إنسان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان استثنى لولدت كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কছেই গমন করবো। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্মা) একটি সন্তান প্রসব করলেন। এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন। (ই.ফা. ৪১৩৯, ই.সে. ৪১৩৮)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুলাইমান (‘আঃ) এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কছেই গমন করবো। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্মা) একটি সন্তান প্রসব করলেন। এ প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন। (ই.ফা. ৪১৩৯, ই.সে. ৪১৩৮)
حدثني أبو الربيع العتكي، وأبو كامل الجحدري فضيل بن حسين - واللفظ لأبي الربيع - قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا أيوب، عن محمد، عن أبي هريرة، قال كان لسليمان ستون امرأة فقال لأطوفن عليهن الليلة فتحمل كل واحدة منهن فتلد كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله فلم تحمل منهن إلا واحدة فولدت نصف إنسان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو كان استثنى لولدت كل واحدة منهن غلاما فارسا يقاتل في سبيل الله " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৯
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله أو نحوه .
আবূ হুরাইরাহ্ সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৪১, ই.সে. ৪১৪০)
আবূ হুরাইরাহ্ সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আরেকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৪১, ই.সে. ৪১৪০)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله أو نحوه .
সহিহ মুসলিম ৪১৮২
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد بهذا الإسناد مثله . غير أنه قال " كلها تحمل غلاما يجاهد في سبيل الله ".
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে- প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। (ই.ফা. ৪১৪৪, ই.সে. ৪১৪৩)
আবূ যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যিনাদ (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি কিছু শাব্দিক পরিবর্তন করে বলেছেন যে- প্রত্যেক স্ত্রী এমন সন্তানদের প্রসব করবে, যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। (ই.ফা. ৪১৪৪, ই.সে. ৪১৪৩)
وحدثنيه سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن أبي، الزناد بهذا الإسناد مثله . غير أنه قال " كلها تحمل غلاما يجاهد في سبيل الله ".
সহিহ মুসলিম ৪১৮১
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على تسعين امرأة كلها تأتي بفارس يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه قل إن شاء الله . فلم يقل إن شاء الله . فطاف عليهن جميعا فلم تحمل منهن إلا امرأة واحدة فجاءت بشق رجل وايم الذي نفس محمد بيده لو قال إن شاء الله . لجاهدوا في سبيل الله فرسانا أجمعون " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী তাঁকে বললেন, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সন্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। সেই মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবন, যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ই.ফা. ৪১৪৩, ই.সে. ৪১৪২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে নব্বইজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছেই গমন করবো। এতে তারা এমন যোগ্য সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী তাঁকে বললেন, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেননি। এরপর তিনি সকল স্ত্রীর সঙ্গেই সহবাস করলেন। কিন্তু মাত্র একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না। তিনি যে সন্তানটি প্রসব করলেন- তাও ছিল অপূর্ণাঙ্গ। সেই মহান সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবন, যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তারা সকলেই (স্ত্রীদের জন্ম দেয়া সন্তান) অশ্বারোহী সৈনিক হয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতো। (ই.ফা. ৪১৪৩, ই.সে. ৪১৪২)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود لأطوفن الليلة على تسعين امرأة كلها تأتي بفارس يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه قل إن شاء الله . فلم يقل إن شاء الله . فطاف عليهن جميعا فلم تحمل منهن إلا امرأة واحدة فجاءت بشق رجل وايم الذي نفس محمد بيده لو قال إن شاء الله . لجاهدوا في سبيل الله فرسانا أجمعون " .
সহিহ মুসলিম ৪১৭৮
وحدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود نبي الله لأطوفن الليلة على سبعين امرأة كلهن تأتي بغلام يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه أو الملك قل إن شاء الله . فلم يقل ونسي . فلم تأت واحدة من نسائه إلا واحدة جاءت بشق غلام " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ولو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا له في حاجته " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আল্লাহর নবী সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাঁকে বললেন যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন! কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএর, তাঁর স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন। (ই.ফা. ৪১৪০, ই.সে. ৪১৩৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, একদা আল্লাহর নবী সুলাইমান ইবনু দাঊদ (‘আঃ) বলেছিলেন, অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে। তখন তাঁর কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাঁকে বললেন যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন! কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএর, তাঁর স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন। (ই.ফা. ৪১৪০, ই.সে. ৪১৩৯)
وحدثنا محمد بن عباد، وابن أبي عمر، - واللفظ لابن أبي عمر - قالا حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال سليمان بن داود نبي الله لأطوفن الليلة على سبعين امرأة كلهن تأتي بغلام يقاتل في سبيل الله . فقال له صاحبه أو الملك قل إن شاء الله . فلم يقل ونسي . فلم تأت واحدة من نسائه إلا واحدة جاءت بشق غلام " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ولو قال إن شاء الله . لم يحنث وكان دركا له في حاجته " .
সহিহ মুসলিম > কসম দ্বারা যদি পরিবারের লোকদের কষ্ট হয় তবে কসম ভঙ্গ না করা নিষেধ, তবে তাতে শর্ত হলো কাজটি হারাম হবে না
সহিহ মুসলিম ৪১৮৩
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لأن يلج أحدكم بيمينه في أهله آثم له عند الله من أن يعطي كفارته التي فرض الله " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ্ আদায় করার তুলনায়। [২৩] (ই.ফা. ৪১৪৫, ই.সে. ৪১৪৪)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)- এর সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর কসম! তোমাদের কেউ স্বীয় পরিবারের সাথে (কোন বিষয়) আল্লাহর নামে কসম করে এর পুনরাবৃত্তি করে বা এর উপর অটল থাকে তা অধিক গুনাহর কারণ বলে বিবেচিত হবে- কসম করে আল্লাহর নির্ধারিত (শপথ ভঙ্গের) কাফফারাহ্ আদায় করার তুলনায়। [২৩] (ই.ফা. ৪১৪৫, ই.সে. ৪১৪৪)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر أحاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله لأن يلج أحدكم بيمينه في أهله آثم له عند الله من أن يعطي كفارته التي فرض الله " .
সহিহ মুসলিম > কোন কাফির ব্যক্তি কুফ্রী অবস্থায় কোন মানৎ করে, অতঃপর মুসলিম হয়ে যায়
সহিহ মুসলিম ৪১৮৪
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن المثنى، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا يحيى، - وهو ابن سعيد القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن عمر، قال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف ليلة في المسجد الحرام . قال " فأوف بنذرك " .
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি জাহিলিয়্যাতের জামানায় মাসজিদুল হারামে এক রাত্রি ‘ই‘তিকাফ’ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানৎ পূর্ণ কর। (ই.ফা. ৪১৪৬, ই.সে. ৪১৪৫)
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি জাহিলিয়্যাতের জামানায় মাসজিদুল হারামে এক রাত্রি ‘ই‘তিকাফ’ করার মানৎ করেছিলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার মানৎ পূর্ণ কর। (ই.ফা. ৪১৪৬, ই.সে. ৪১৪৫)
حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي، ومحمد بن المثنى، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالوا حدثنا يحيى، - وهو ابن سعيد القطان - عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن عمر، قال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف ليلة في المسجد الحرام . قال " فأوف بنذرك " .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৭
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال لما قفل النبي صلى الله عليه وسلم من حنين سأل عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نذر كان نذره في الجاهلية اعتكاف يوم . ثم ذكر بمعنى حديث جرير بن حازم .
ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন 'উমার (রাঃ) তাঁর জাহিলী যুগে করা একদিনের ই'তিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ)- এর হাদীসের মর্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৪৯, ই.সে. ৪১৪৮)
ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধ থেকে ফিরে এলেন- তখন 'উমার (রাঃ) তাঁর জাহিলী যুগে করা একদিনের ই'তিকাফ করার মানৎ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ)- এর হাদীসের মর্মানুরূপ হাদীসটি উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৪৯, ই.সে. ৪১৪৮)
وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال لما قفل النبي صلى الله عليه وسلم من حنين سأل عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نذر كان نذره في الجاهلية اعتكاف يوم . ثم ذكر بمعنى حديث جرير بن حازم .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৮
وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن نافع، قال ذكر عند ابن عمر عمرة رسول الله صلى الله عليه وسلم من الجعرانة فقال لم يعتمر منها - قال - وكان عمر نذر اعتكاف ليلة في الجاهلية . ثم ذكر نحو حديث جرير بن حازم ومعمر عن أيوب .
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর নিকট জি'রানাহ্ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর 'উমরাহ্' করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি 'উমরাহ্ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, 'উমার (রাঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ই'তিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৫০, ই.সে. ৪১৪৯)
নাফি' (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু 'উমার (রাঃ)- এর নিকট জি'রানাহ্ থেকে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর 'উমরাহ্' করার কথা উল্লেখ করা হল। তখন তিনি বললেন, সেখান থেকে তিনি 'উমরাহ্ করেননি। বর্ণনাকারী বলেন যে, 'উমার (রাঃ) জাহিলী যুগে একরাত্রি ই'তিকাফ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর জারীর ইবনু হাযিম ও মা'মার সূত্রে আইয়ূব হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৪১৫০, ই.সে. ৪১৪৯)
وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا أيوب، عن نافع، قال ذكر عند ابن عمر عمرة رسول الله صلى الله عليه وسلم من الجعرانة فقال لم يعتمر منها - قال - وكان عمر نذر اعتكاف ليلة في الجاهلية . ثم ذكر نحو حديث جرير بن حازم ومعمر عن أيوب .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৫
وحدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، وإسحاق، بن إبراهيم جميعا عن حفص بن غياث، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، وقال، حفص من بينهم عن عمر، بهذا الحديث أما أبو أسامة والثقفي ففي حديثهما اعتكاف ليلة . وأما في حديث شعبة فقال جعل عليه يوما يعتكفه . وليس في حديث حفص ذكر يوم ولا ليلة .
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলা, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই ‘উবাহদুল্লাহ (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) ‘উমার (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফী (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (এক রাত্রির ই‘তিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শু‘বাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (তিনি তাঁর উপর একদিনের ই‘তিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফ্স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে ‘একদিন এবং এক রাত্রির’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪১৪৭, ই.সে. ৪১৪৬)
আবূ সা’ঈদ আশাজ্জ, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলা, ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্র ইবনু জাবালা ইবনু আবূ রাওয়াদ (রহঃ) ..... সকলেই ‘উবাহদুল্লাহ (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের মধ্য হতে হাফ্স (রহঃ) ‘উমার (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবূ উসামাহ্ এবং সাকিফী (রহঃ) উভয়ের বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (এক রাত্রির ই‘তিকাফের) কথা উল্লেখ আছে। আর শু‘বাহ্ (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে (আরবী) (তিনি তাঁর উপর একদিনের ই‘তিকাফ করা ধার্য করে নিয়েছিলেন)। উল্লেখিত হাফ্স (রহঃ)- এর বর্ণিত হাদীসে ‘একদিন এবং এক রাত্রির’ কথা উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৪১৪৭, ই.সে. ৪১৪৬)
وحدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا أبو أسامة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن العلاء، وإسحاق، بن إبراهيم جميعا عن حفص بن غياث، ح وحدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، كلهم عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، وقال، حفص من بينهم عن عمر، بهذا الحديث أما أبو أسامة والثقفي ففي حديثهما اعتكاف ليلة . وأما في حديث شعبة فقال جعل عليه يوما يعتكفه . وليس في حديث حفص ذكر يوم ولا ليلة .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৯
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا حجاج بن المنهال، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، . بهذا الحديث في النذر وفي حديثهما جميعا اعتكاف يوم .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) .... উভয়েই নাফি' (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানৎ সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই (আরবী) (একদিনের ই'তিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫১, ই.সে. ৪১৫০)
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুর রহমান দারিমী, ইয়াহ্ইয়া ইবনু খালাফ (রহঃ) .... উভয়েই নাফি' (রহঃ)- এর সূত্রে ইবনু 'উমার (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানৎ সম্পর্কে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর উভয়ের বর্ণিত হাদীসে সকলেই (আরবী) (একদিনের ই'তিকাফ) কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪১৫১, ই.সে. ৪১৫০)
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا حجاج بن المنهال، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، كلاهما عن نافع، عن ابن عمر، . بهذا الحديث في النذر وفي حديثهما جميعا اعتكاف يوم .
সহিহ মুসলিম ৪১৮৬
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا جرير بن حازم، أن أيوب، حدثه أن نافعا حدثه أن عبد الله بن عمر حدثه أن عمر بن الخطاب سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة بعد أن رجع من الطائف فقال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف يوما في المسجد الحرام فكيف ترى قال " اذهب فاعتكف يوما " . قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه جارية من الخمس فلما أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس سمع عمر بن الخطاب أصواتهم يقولون أعتقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ما هذا فقالوا أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس . فقال عمر يا عبد الله اذهب إلى تلك الجارية فخل سبيلها .
আবূ তাহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জি‘রানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি অজ্ঞতার যুগে মাস্জিদুল হারামে একদিন ই‘তিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তিনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ই‘তিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমাতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন ‘উমার (রাঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। ‘উমার (রাযি;) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ই.ফা. ৪১৪৮, ই.সে. ৪১৪৭)
আবূ তাহির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়িফ থেকে ফিরে আসার পর জি‘রানাহ্ নামক স্থানে অবস্থান কালে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি অজ্ঞতার যুগে মাস্জিদুল হারামে একদিন ই‘তিকাফ করার মানৎ করেছিলাম। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন তিনি বললেনঃ যাও এবং একদিন ই‘তিকাফ করো। বর্ণনাকারী বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত সম্পদের (গনীমাতের) এক পঞ্চমাংশ থেকে একটি দাসী প্রদান করেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্ত করে দেন তখন ‘উমার (রাঃ) তাদের শোরগোল শুনতে পান। তারা বলাবলি করছিল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। ‘উমার (রাযি;) বললেন, ব্যাপার কী? তখন তারা বলল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ! ঐ দাসীটির কাছে গিয়ে তাকে মুক্ত করে দাও। (ই.ফা. ৪১৪৮, ই.সে. ৪১৪৭)
وحدثني أبو الطاهر، أخبرنا عبد الله بن وهب، حدثنا جرير بن حازم، أن أيوب، حدثه أن نافعا حدثه أن عبد الله بن عمر حدثه أن عمر بن الخطاب سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بالجعرانة بعد أن رجع من الطائف فقال يا رسول الله إني نذرت في الجاهلية أن أعتكف يوما في المسجد الحرام فكيف ترى قال " اذهب فاعتكف يوما " . قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أعطاه جارية من الخمس فلما أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس سمع عمر بن الخطاب أصواتهم يقولون أعتقنا رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال ما هذا فقالوا أعتق رسول الله صلى الله عليه وسلم سبايا الناس . فقال عمر يا عبد الله اذهب إلى تلك الجارية فخل سبيلها .