সহিহ মুসলিম > মুলামাসাহ্ [৭] ও মুনাবাযাহ্ [৮] শ্রেণীর ক্রয়-বিক্রয় বাতিল
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৩
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن محمد بن يحيى بن، حبان عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুলামাসাহ্ ও মুনাবাযাহ্ শ্রেণীর ক্রয়-বিক্রয় বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৫৯, ই.সে. ৩৬৫৯)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুলামাসাহ্ ও মুনাবাযাহ্ শ্রেণীর ক্রয়-বিক্রয় বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৫৯, ই.সে. ৩৬৫৯)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرأت على مالك عن محمد بن يحيى بن، حبان عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة .
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৭
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار عن عطاء بن ميناء، أنه سمعه يحدث، عن أبي هريرة، أنه قال نهي عن بيعتين، الملامسة والمنابذة . أما الملامسة فأن يلمس كل واحد منهما ثوب صاحبه بغير تأمل والمنابذة أن ينبذ كل واحد منهما ثوبه إلى الآخر ولم ينظر واحد منهما إلى ثوب صاحبه.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুলামাসাহ্ ও মুনাবাযাহ্ এ দু’প্রকার কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। মুলামাসাহ্’ অর্থ চিন্তা-ভাবনা না করেই ক্রেতা ও বিক্রেতা পরস্পরের কাপড় স্পর্শ করা। আর ‘মুনাবাযাহ্’ অর্থ (ক্রেতা ও বিক্রেতা) উভয়ে একে অন্যের প্রতি কাপড় ছুঁড়ে দেয়া এবং একজন আরেকজনের কাপড়ের দিকে খেয়াল না করা। (ই.ফা ৩৬৬৩, ই.সে. ৩৬৬৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুলামাসাহ্ ও মুনাবাযাহ্ এ দু’প্রকার কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। মুলামাসাহ্’ অর্থ চিন্তা-ভাবনা না করেই ক্রেতা ও বিক্রেতা পরস্পরের কাপড় স্পর্শ করা। আর ‘মুনাবাযাহ্’ অর্থ (ক্রেতা ও বিক্রেতা) উভয়ে একে অন্যের প্রতি কাপড় ছুঁড়ে দেয়া এবং একজন আরেকজনের কাপড়ের দিকে খেয়াল না করা। (ই.ফা ৩৬৬৩, ই.সে. ৩৬৬৩)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني عمرو، بن دينار عن عطاء بن ميناء، أنه سمعه يحدث، عن أبي هريرة، أنه قال نهي عن بيعتين، الملامسة والمنابذة . أما الملامسة فأن يلمس كل واحد منهما ثوب صاحبه بغير تأمل والمنابذة أن ينبذ كل واحد منهما ثوبه إلى الآخر ولم ينظر واحد منهما إلى ثوب صاحبه.
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৮
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - قالا أخبرنا ابن، وهب أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، أن أبا سعيد، الخدري قال نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيعتين ولبستين نهى عن الملامسة والمنابذة في البيع . والملامسة لمس الرجل ثوب الآخر بيده بالليل أو بالنهار ولا يقلبه إلا بذلك والمنابذة أن ينبذ الرجل إلى الرجل بثوبه وينبذ الآخر إليه ثوبه ويكون ذلك بيعهما من غير نظر ولا تراض .
আবূ সাঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দু’প্রকার কেনা-বেচা করতে ও দু’প্রকার বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তিনি ‘মুলামাসাহ্’ ও ‘মুনাবাযাহ্’ বারণ করেছেন। ‘মুলামাসাহ্’ হল (ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে) রাতে হোক কিংবা দিনে হোক একজন অপরজনের কাপড় হাতে স্পর্শ করবে। এরূপ করা ছাড়া (মাল) উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে দেখা হয় না। আর ‘মুনাবাযাহ’ হল, পরস্পরের প্রতি কাপড় ছুঁড়ে মারবে এবং এরূপ করলেই উত্তমরূপে দেখে শুনে সম্মতি ছাড়াই উভয়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়ে যেত। (ই.ফা. ৩৬৬৪, ই.সে. ৩৬৬৪)
আবূ সাঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দু’প্রকার কেনা-বেচা করতে ও দু’প্রকার বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন। ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে তিনি ‘মুলামাসাহ্’ ও ‘মুনাবাযাহ্’ বারণ করেছেন। ‘মুলামাসাহ্’ হল (ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে) রাতে হোক কিংবা দিনে হোক একজন অপরজনের কাপড় হাতে স্পর্শ করবে। এরূপ করা ছাড়া (মাল) উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে দেখা হয় না। আর ‘মুনাবাযাহ’ হল, পরস্পরের প্রতি কাপড় ছুঁড়ে মারবে এবং এরূপ করলেই উত্তমরূপে দেখে শুনে সম্মতি ছাড়াই উভয়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়ে যেত। (ই.ফা. ৩৬৬৪, ই.সে. ৩৬৬৪)
وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - قالا أخبرنا ابن، وهب أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، أن أبا سعيد، الخدري قال نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيعتين ولبستين نهى عن الملامسة والمنابذة في البيع . والملامسة لمس الرجل ثوب الآخر بيده بالليل أو بالنهار ولا يقلبه إلا بذلك والمنابذة أن ينبذ الرجل إلى الرجل بثوبه وينبذ الآخر إليه ثوبه ويكون ذلك بيعهما من غير نظر ولا تراض .
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৯
وحدثنيه عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد .
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে একই সূত্রে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৬৬৫, ই.সে. ৩৬৬৫)
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে একই সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে একই সূত্রে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৬৬৫, ই.সে. ৩৬৬৫)
وحدثنيه عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد .
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৬
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، بن أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . مثله .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬২, ই.সে. ৩৬৬২)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬২, ই.সে. ৩৬৬২)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، بن أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . مثله .
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৫
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، وأبو أسامة ح وحدثنا محمد، بن عبد الله بن نمير حدثنا أبي ح، وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، كلهم عن عبيد الله بن عمر، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদিল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬১, ই.সে. ৩৬৬১)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদিল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যমে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬১, ই.সে. ৩৬৬১)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن نمير، وأبو أسامة ح وحدثنا محمد، بن عبد الله بن نمير حدثنا أبي ح، وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، كلهم عن عبيد الله بن عمر، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله .
সহিহ মুসলিম ৩৬৯৪
وحدثنا أبو كريب، وابن أبي عمر، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬০, ই.সে. ৩৬৬০)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৬৬০, ই.সে. ৩৬৬০)
وحدثنا أبو كريب، وابن أبي عمر، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله .
সহিহ মুসলিম > পাথরের টুকরা নিক্ষেপের দ্বারা ক্রয়-বিক্রয় ও ধোঁকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ
সহিহ মুসলিম ৩৭০০
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، ويحيى بن سعيد، وأبو أسامة عن عبيد الله، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، حدثني أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الحصاة وعن بيع الغرر .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: পাথরের টুকরা নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় ও ধোঁকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৬৬, ই.সে. ৩৬৬৬)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: পাথরের টুকরা নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় ও ধোঁকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৬৬, ই.সে. ৩৬৬৬)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، ويحيى بن سعيد، وأبو أسامة عن عبيد الله، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، حدثني أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الحصاة وعن بيع الغرر .
সহিহ মুসলিম > হাবালুল হাবালাহ্ ক্রয়-বিক্রয় হারাম
সহিহ মুসলিম ৩৭০২
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، قال كان أهل الجاهلية يتبايعون لحم الجزور إلى حبل الحبلة . وحبل الحبلة أن تنتج الناقة ثم تحمل التي نتجت فنهاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: জাহিলী যুগের লোকেরা ‘হাবালুর হাবালাহ্’ শর্তে উটের গোশত কেনা-বেচা করত। “হাবালুল হাবালাহ” হল উটনীর বাচ্চা হবে, তারপর ঐ বাচ্চা গর্ভধারন করলে মূল্য পরিশোধ করা হবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (ই.ফা.৩৬৬৮, ই.সে. ৩৬৬৮)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: জাহিলী যুগের লোকেরা ‘হাবালুর হাবালাহ্’ শর্তে উটের গোশত কেনা-বেচা করত। “হাবালুল হাবালাহ” হল উটনীর বাচ্চা হবে, তারপর ঐ বাচ্চা গর্ভধারন করলে মূল্য পরিশোধ করা হবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (ই.ফা.৩৬৬৮, ই.সে. ৩৬৬৮)
حدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، قال كان أهل الجاهلية يتبايعون لحم الجزور إلى حبل الحبلة . وحبل الحبلة أن تنتج الناقة ثم تحمل التي نتجت فنهاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك .
সহিহ মুসলিম ৩৭০১
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن بيع حبل الحبلة .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতাইবাহ্ ইবনু সা`ঈদ (রহ:) আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি “হাবালুর হাবালা” শর্তে কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৬৭, ই.সে. ৩৬৬৭)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ও কুতাইবাহ্ ইবনু সা`ঈদ (রহ:) আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি “হাবালুর হাবালা” শর্তে কেনা-বেচা নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৬৭, ই.সে. ৩৬৬৭)
حدثنا يحيى بن يحيى، ومحمد بن رمح، قالا أخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة بن، سعيد حدثنا ليث، عن نافع، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى عن بيع حبل الحبلة .
সহিহ মুসলিম > কোন ভাইয়ের কেনা-বেচার সময় তার মূল্যের চেয়ে বেশী মূল্য বলা, কেউ কোন বস্তু কেনার জন্য দরাদরি করছে তার উপরে দরাদরি করা, ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়াই মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশ্যে দাম বলা এবং বেশী দেখানোর জন্যে ওলানে দুধ জমা করা হারাম
সহিহ মুসলিম ৩৭০৩
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يبع بعضكم على بيع بعض " .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে একে অপরের দামের উপর দাম বাড়িয়ে যেন কোন বস্তু ক্রয় না করে। (ই.ফা. ৩৬৬৯, ই.সে. ৩৬৬৯)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে একে অপরের দামের উপর দাম বাড়িয়ে যেন কোন বস্তু ক্রয় না করে। (ই.ফা. ৩৬৬৯, ই.সে. ৩৬৬৯)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يبع بعضكم على بيع بعض " .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৫
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يسم المسلم على سوم أخيه " .
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “কোন মুসলিম যেন অন্য মুসলিমের মূল্যের উপর মূল্য না বলে।” (ই.ফা. ৩৬৭১, ই.সে. ৩৬৭১)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “কোন মুসলিম যেন অন্য মুসলিমের মূল্যের উপর মূল্য না বলে।” (ই.ফা. ৩৬৭১, ই.সে. ৩৬৭১)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - وهو ابن جعفر - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يسم المسلم على سوم أخيه " .
সহিহ মুসলিম ৩৭১০
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن النجش .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়া মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে মূল্য বলতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৭৬, ই.সে. ৩৬৭৬)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ক্রয় করার ইচ্ছা ছাড়া মূল্য বাড়ানোর উদ্দেশে মূল্য বলতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৩৬৭৬, ই.সে. ৩৬৭৬)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن النجش .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৮
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن التلقي للركبان وأن يبيع حاضر لباد وأن تسأل المرأة طلاق أختها وعن النجش والتصرية وأن يستام الرجل على سوم أخيه .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন- পণ্য দ্রব্য নিয়ে আগমনকারীদের দিকে সামনে অগ্রসর হয়ে খরিদ করার উদ্দেশে সাক্ষাৎ করতে, শহুরে লোকদের এগিয়ে গিয়ে গ্রাম্য লোকদের থেকে পণ্য ক্রয় করতে, কোন সতীনকে তার অপর সতীনকে তালাক দিতে (স্বামীর কাছে) বলতে, মূল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশে দাম বলতে, বিক্রয়ের পূর্বে দোহন না করে ওলানে দুধ জমা করে রাখতে এবং অপর ভাইয়ের দরদামের উপর দরদাম করতে। (ই.ফা. ৩৬৭৪,ই.সে. ৩৬৭৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন- পণ্য দ্রব্য নিয়ে আগমনকারীদের দিকে সামনে অগ্রসর হয়ে খরিদ করার উদ্দেশে সাক্ষাৎ করতে, শহুরে লোকদের এগিয়ে গিয়ে গ্রাম্য লোকদের থেকে পণ্য ক্রয় করতে, কোন সতীনকে তার অপর সতীনকে তালাক দিতে (স্বামীর কাছে) বলতে, মূল্য বৃদ্ধি করার উদ্দেশে দাম বলতে, বিক্রয়ের পূর্বে দোহন না করে ওলানে দুধ জমা করে রাখতে এবং অপর ভাইয়ের দরদামের উপর দরদাম করতে। (ই.ফা. ৩৬৭৪,ই.সে. ৩৬৭৪)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن التلقي للركبان وأن يبيع حاضر لباد وأن تسأل المرأة طلاق أختها وعن النجش والتصرية وأن يستام الرجل على سوم أخيه .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৭
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يتلقى الركبان لبيع ولا يبع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبع حاضر لباد ولا تصروا الإبل والغنم فمن ابتاعها بعد ذلك فهو بخير النظرين بعد أن يحلبها فإن رضيها أمسكها وإن سخطها ردها وصاعا من تمر " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেনার উদ্দেশে কাফিলার সাথে আগেই গিয়ে সাক্ষাৎ করা যাবে না। তোমাদের কেউ যেন অপরের দাম বলার উপর দাম না বলে। কেনার উদ্দেশে ছাড়া মালের দাম বলে বৃদ্ধি করো না। শহরবাসী যেন পল্লীবাসী লোকের থেকে এগিয়ে গিয়ে দ্রব্য নিয়ে বিক্রি না করে। আর উট ও বকরীর ওলানে দুধ জমা করে না রাখে। এ অবস্থায় কেউ তা খরিদ করলে তার জন্য দু’পথের এক পথ অবলম্বনের অনুমতি রয়েছে- হয় সে তা রেখে দিবে, না হয় সে তা ফেরত দিবে এক সা’ খেজুরসহ। [৯] (ই.ফা. ৩৬৭৩, ই.সে. ৩৬৭৩)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেনার উদ্দেশে কাফিলার সাথে আগেই গিয়ে সাক্ষাৎ করা যাবে না। তোমাদের কেউ যেন অপরের দাম বলার উপর দাম না বলে। কেনার উদ্দেশে ছাড়া মালের দাম বলে বৃদ্ধি করো না। শহরবাসী যেন পল্লীবাসী লোকের থেকে এগিয়ে গিয়ে দ্রব্য নিয়ে বিক্রি না করে। আর উট ও বকরীর ওলানে দুধ জমা করে না রাখে। এ অবস্থায় কেউ তা খরিদ করলে তার জন্য দু’পথের এক পথ অবলম্বনের অনুমতি রয়েছে- হয় সে তা রেখে দিবে, না হয় সে তা ফেরত দিবে এক সা’ খেজুরসহ। [৯] (ই.ফা. ৩৬৭৩, ই.সে. ৩৬৭৩)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يتلقى الركبان لبيع ولا يبع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبع حاضر لباد ولا تصروا الإبل والغنم فمن ابتاعها بعد ذلك فهو بخير النظرين بعد أن يحلبها فإن رضيها أمسكها وإن سخطها ردها وصاعا من تمر " .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৪
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا يحيى، عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يبع الرجل على بيع أخيه ولا يخطب على خطبة أخيه إلا أن يأذن له " .
ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন লোক যেন তার ভাইয়ের ক্রয় করার সময় তার উপর বেশী মূল্য বলে ক্রয় না করে এবং কেউ যেন তার অপর ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপরে তার অনুমতি ছাড়া প্রস্তাব না পাঠায়। (ই.ফা. ৩৬৭০, ই.সে. ৩৬৭০)
ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কোন লোক যেন তার ভাইয়ের ক্রয় করার সময় তার উপর বেশী মূল্য বলে ক্রয় না করে এবং কেউ যেন তার অপর ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপরে তার অনুমতি ছাড়া প্রস্তাব না পাঠায়। (ই.ফা. ৩৬৭০, ই.সে. ৩৬৭০)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا يحيى، عن عبيد الله، أخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يبع الرجل على بيع أخيه ولا يخطب على خطبة أخيه إلا أن يأذن له " .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৬
وحدثنيه أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثني عبد الصمد، حدثنا شعبة، عن العلاء، وسهيل عن أبيهما، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح. وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح. وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يستام الرجل على سوم أخيه . وفي رواية الدورقي على سيمة أخيه .
আহমদ ইবনু ইব্রাহীম দাওরাকী, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন ভাইয়ের দরদাম করার সময় কেউ যেন ঐ জিনিসের দরদাম না করে। দাওরাকীর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর স্থলে (আরবী) বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৩৬৭২ ই.সে. ৩৬৭২)
আহমদ ইবনু ইব্রাহীম দাওরাকী, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন ভাইয়ের দরদাম করার সময় কেউ যেন ঐ জিনিসের দরদাম না করে। দাওরাকীর রিওয়ায়াতে (আরবী) এর স্থলে (আরবী) বলা হয়েছে। (ই.ফা. ৩৬৭২ ই.সে. ৩৬৭২)
وحدثنيه أحمد بن إبراهيم الدورقي، حدثني عبد الصمد، حدثنا شعبة، عن العلاء، وسهيل عن أبيهما، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح. وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد، حدثنا شعبة، عن الأعمش، عن أبي، صالح عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح. وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عدي، - وهو ابن ثابت - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يستام الرجل على سوم أخيه . وفي رواية الدورقي على سيمة أخيه .
সহিহ মুসলিম ৩৭০৯
وحدثنيه أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا وهب، بن جرير ح وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثنا أبي قالوا، جميعا حدثنا شعبة، بهذا الإسناد . في حديث غندر ووهب نهي . وفي حديث عبد الصمد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى . بمثل حديث معاذ عن شعبة .
আবু বাকর ইবনু নাফি’, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবদুল ওয়ারিস ইবনু ‘আবদুস সামাদ শু‘বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে গুনদার ও ওয়াহব- এর হাদীসে আছে, “নিষেধ করা হয়েছে।” আর ‘আবদুস সামাদের হাদীসে আছে-রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন। যেমনটি আছে শু’বাহ থেকে মু‘আয বর্ণিত হাদীসে। (ই.ফা. ৩৬৭৫, ই.সে. ৩৬৭৫)
আবু বাকর ইবনু নাফি’, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আবদুল ওয়ারিস ইবনু ‘আবদুস সামাদ শু‘বাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে গুনদার ও ওয়াহব- এর হাদীসে আছে, “নিষেধ করা হয়েছে।” আর ‘আবদুস সামাদের হাদীসে আছে-রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন। যেমনটি আছে শু’বাহ থেকে মু‘আয বর্ণিত হাদীসে। (ই.ফা. ৩৬৭৫, ই.সে. ৩৬৭৫)
وحدثنيه أبو بكر بن نافع، حدثنا غندر، ح وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا وهب، بن جرير ح وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثنا أبي قالوا، جميعا حدثنا شعبة، بهذا الإسناد . في حديث غندر ووهب نهي . وفي حديث عبد الصمد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى . بمثل حديث معاذ عن شعبة .