সহিহ মুসলিম > স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম

সহিহ মুসলিম ৩৬২১

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، قالت توفي حميم لأم حبيبة فدعت بصفرة فمسحته بذراعيها وقالت إنما أصنع هذا لأني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিক়াল করেন৷ এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়৷ তৰে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিক়াল করেন৷ এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়৷ তৰে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، قالت توفي حميم لأم حبيبة فدعت بصفرة فمسحته بذراعيها وقالت إنما أصنع هذا لأني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৪

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، بالحديثين جميعا حديث أم سلمة في الكحل وحديث أم سلمة وأخرى من أزواج النبي صلى الله عليه وسلم غير أنه لم تسمها زينب نحو حديث محمد بن جعفر ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্‌ (রাযি:) বর্ণিত হাদীস এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন- “মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফার (রহ:) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।” (ই.ফা. ৩৫৯০, ই.সে. ৩৫৯০)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্‌ (রাযি:) বর্ণিত হাদীস এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন- “মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফার (রহ:) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।” (ই.ফা. ৩৫৯০, ই.সে. ৩৫৯০)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، بالحديثين جميعا حديث أم سلمة في الكحل وحديث أم سلمة وأخرى من أزواج النبي صلى الله عليه وسلم غير أنه لم تسمها زينب نحو حديث محمد بن جعفر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৩

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، تحدث عن أمها، أن امرأة، توفي زوجها فخافوا على عينها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاستأذنوه في الكحل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن تكون في شر بيتها في أحلاسها - أو في شر أحلاسها في بيتها - حولا فإذا مر كلب رمت ببعرة فخرجت أفلا أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তাঁর মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল৷ লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল৷ তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন৷ তারা তাঁর কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিঁড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (‘ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত৷ এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে ঊটেব বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হযে পড়ত৷ এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ই.ফা. ৩৫৮৯, ই.সে. ৩৫৮৯)

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তাঁর মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল৷ লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল৷ তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন৷ তারা তাঁর কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিঁড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (‘ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত৷ এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে ঊটেব বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হযে পড়ত৷ এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ই.ফা. ৩৫৮৯, ই.সে. ৩৫৮৯)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، تحدث عن أمها، أن امرأة، توفي زوجها فخافوا على عينها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاستأذنوه في الكحل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن تكون في شر بيتها في أحلاسها - أو في شر أحلاسها في بيتها - حولا فإذا مر كلب رمت ببعرة فخرجت أفلا أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن حميد بن نافع، أنه سمع زينب بنت أبي سلمة، تحدث عن أم سلمة، وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن بنتا لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهى تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشر ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্‌ ও উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যাবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ই.ফা ৩৫৯১, ই.সে. ৩৫৯১)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্‌ ও উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যাবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ই.ফা ৩৫৯১, ই.সে. ৩৫৯১)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن حميد بن نافع، أنه سمع زينب بنت أبي سلمة، تحدث عن أم سلمة، وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن بنتا لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهى تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৭

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، أنها أخبرته هذه الأحاديث الثلاثة، قال قالت زينب دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়নাব বিনতু আৰূ সালামাহ্‌ (রাঃ) তাকে এ তিনটি হাদীস রর্ণনা করেছেন৷ তিনি (হুমায়দ ইবনু নাফি') বলেন, যায়নাব (রাঃ) বলেছেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সহধর্মিণী উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ)-এর পিতা আবু সুফ্‌ইয়ান ইন্‌তিকাল করেন তখন আমি তাঁর কাছে গেলাম৷ আমি দেখতে পেলাম যে, উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ) হলদে বর্ণের মিশ্রিত সুগন্ধি আনলেন অথবা অন্য কোন প্রসাধনী চেয়ে পাঠালেন৷ এরপর তা থেকে একটি বালিকাকে নিজ হাতে লাগিয়ে দিলেন৷ এরপর তিনি তার দু' কপালে হাত মুছে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না৷ তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখে সে মহিলার জন্য তার কোন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়I তবে বিধবা তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করতে পারবে৷ (ই.ফা ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়নাব বিনতু আৰূ সালামাহ্‌ (রাঃ) তাকে এ তিনটি হাদীস রর্ণনা করেছেন৷ তিনি (হুমায়দ ইবনু নাফি') বলেন, যায়নাব (রাঃ) বলেছেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সহধর্মিণী উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ)-এর পিতা আবু সুফ্‌ইয়ান ইন্‌তিকাল করেন তখন আমি তাঁর কাছে গেলাম৷ আমি দেখতে পেলাম যে, উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ) হলদে বর্ণের মিশ্রিত সুগন্ধি আনলেন অথবা অন্য কোন প্রসাধনী চেয়ে পাঠালেন৷ এরপর তা থেকে একটি বালিকাকে নিজ হাতে লাগিয়ে দিলেন৷ এরপর তিনি তার দু' কপালে হাত মুছে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না৷ তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখে সে মহিলার জন্য তার কোন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়I তবে বিধবা তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করতে পারবে৷ (ই.ফা ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، أنها أخبرته هذه الأحاديث الثلاثة، قال قالت زينب دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৬

وحدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لعمرو - حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، قالت لما أتى أم حبيبة نعي أبي سفيان دعت في اليوم الثالث بصفرة فمسحت به ذراعيها وعارضيها وقالت كنت عن هذا غنية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏‏.‏

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সা)-এর সহধর্মিণী হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে তার পিতা আবূ সুফ্‌ইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিত্নি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু’হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯২, ই.সে. ৩৫৯২)

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সা)-এর সহধর্মিণী হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে তার পিতা আবূ সুফ্‌ইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিত্নি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু’হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯২, ই.সে. ৩৫৯২)

وحدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لعمرو - حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، قالت لما أتى أم حبيبة نعي أبي سفيان دعت في اليوم الثالث بصفرة فمسحت به ذراعيها وعارضيها وقالت كنت عن هذا غنية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩০

وحدثنا أبو الربيع، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، جميعا عن نافع، عن صفية بنت أبي عبيد، عن بعض، أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم ‏.‏

সফিয়্যাহ্‌ বিনতু আবূ উবায়দ (রহঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহধার্মিণী সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৫৯৬, ই.সে. ৩৫৯৬)

সফিয়্যাহ্‌ বিনতু আবূ উবায়দ (রহঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহধার্মিণী সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৫৯৬, ই.সে. ৩৫৯৬)

وحدثنا أبو الربيع، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، جميعا عن نافع، عن صفية بنت أبي عبيد، عن بعض، أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৯

وحدثناه أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول سمعت نافعا، يحدث عن صفية بنت أبي عبيد، أنها سمعت حفصة بنت عمر، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث الليث وابن دينار وزاد ‏ "‏ فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

সফিয়্যাহ্‌ বর্ণিত আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধার্মিণী ‘উমারের কন্যা হাফ্‌সাহ্‌ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। রাবী কর্তৃক বর্ণিত এ বর্ণনাটি লায়স ও ইবনু দীনার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে “কারণ সে তার (স্বামীর) জন্য চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (ই.ফা ৩৫৯৫, ই.সে. ৩৫৯৫)

সফিয়্যাহ্‌ বর্ণিত আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধার্মিণী ‘উমারের কন্যা হাফ্‌সাহ্‌ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। রাবী কর্তৃক বর্ণিত এ বর্ণনাটি লায়স ও ইবনু দীনার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে “কারণ সে তার (স্বামীর) জন্য চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (ই.ফা ৩৫৯৫, ই.সে. ৩৫৯৫)

وحدثناه أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول سمعت نافعا، يحدث عن صفية بنت أبي عبيد، أنها سمعت حفصة بنت عمر، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث الليث وابن دينار وزاد ‏ "‏ فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩২

وحدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحد امرأة على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تمس طيبا إلا إذا طهرت نبذة من قسط أو أظفار ‏"‏ ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এ সময় সীমায় (‘ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যাবহার করবে না এবং সে হায়য থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শন স্বরূপ) কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৮, ই.সে. ৩৫৯৮)

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এ সময় সীমায় (‘ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যাবহার করবে না এবং সে হায়য থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শন স্বরূপ) কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৮, ই.সে. ৩৫৯৮)

وحدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحد امرأة على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تمس طيبا إلا إذا طهرت نبذة من قسط أو أظفار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩৪

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت كنا ننهى أن نحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا نكتحل ولا نتطيب ولا نلبس ثوبا مصبوغا وقد رخص للمرأة في طهرها إذا اغتسلت إحدانا من محيضها في نبذة من قسط وأظفار ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা চোখে (‘ইদ্দাতকালীন) সময়ে সুরমা লাগাতাম না, কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যাবহার করতাম না এবং রঙিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোন মহিলা যখন হায়য থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত। (ই.ফা. ৩৬০০, ই.সে. ৩৬০০)

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা চোখে (‘ইদ্দাতকালীন) সময়ে সুরমা লাগাতাম না, কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যাবহার করতাম না এবং রঙিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোন মহিলা যখন হায়য থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত। (ই.ফা. ৩৬০০, ই.সে. ৩৬০০)

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت كنا ننهى أن نحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا نكتحل ولا نتطيب ولا نلبس ثوبا مصبوغا وقد رخص للمرأة في طهرها إذا اغتسلت إحدانا من محيضها في نبذة من قسط وأظفار ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩১

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب - واللفظ ليحيى - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ্‌ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৭, ই.সে. ৩৫৯৭)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ্‌ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৭, ই.সে. ৩৫৯৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب - واللفظ ليحيى - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৯

قالت زينب سمعت أمي أم سلمة، تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها أفنكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال ‏"‏ إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول ‏"

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি আমার মা উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, একবার এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কন্যাকে রেখে তার স্বামী ইন্তিকাল করেছেন৷ তার (শোক পালন করতে গিয়ে) চোখে অসুখ হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কি তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'না'৷ এরপর সে দুই কি তিন বার জিজ্ঞেস করল। প্রতিবারই তিনি বললেন, ‘না’। এরপর তিনি বললেন, তার ‘ইদ্দাত তো চারমাস দশদিন। অথচ জাহিলিইয়্যাহ যুগে তোমাদের একজন মহিলা বছরাস্তে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি আমার মা উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, একবার এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কন্যাকে রেখে তার স্বামী ইন্তিকাল করেছেন৷ তার (শোক পালন করতে গিয়ে) চোখে অসুখ হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কি তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'না'৷ এরপর সে দুই কি তিন বার জিজ্ঞেস করল। প্রতিবারই তিনি বললেন, ‘না’। এরপর তিনি বললেন, তার ‘ইদ্দাত তো চারমাস দশদিন। অথচ জাহিলিইয়্যাহ যুগে তোমাদের একজন মহিলা বছরাস্তে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

قالت زينب سمعت أمي أم سلمة، تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها أفنكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال ‏"‏ إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول ‏"


সহিহ মুসলিম ৩৬২০

قال حميد قلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ‏.‏

হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি যায়নাবকে বললাম, এ যাবৎ উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করার তাৎপর্য কী ছিল? তখন যায়নাব (রাঃ) বললেন, সে কালে কোন স্বামী ইন্তিকাল করলে স্ত্রীকে একটি সংকীর্ণ কক্ষে (কুঠরীতে) প্রবেশ করতে হত। ছিঁড়ে-ফাড়া কাপড়-চোপড় পরিধান করতে হত। সে কোন প্রসাধনী দ্রব্য স্পর্শ করতে পারত না কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহার করত না। এমনিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কেটে যেত। এরপর তার সামনে আনা হত গাধা, বকরী কিংবা পাখী জাতীয় কোন প্রাণী এবং সে ঐ প্রাণীকে স্পর্শ করে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করত। সে যে প্রাণীকে স্পর্শ করত তা খুব কমই বাঁচত। এরপর সে ঐ সংকীর্ণ কুঠরী থেকে বের হয়ে আসত। তখন তার হাতে উটের বিষ্ঠা দেয়া হত এবং সে তা ছুঁড়ে মারত। এরপর সে তার পছন্দসই প্রসাধনী সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যাবহারের প্রতি মনোযোগী হত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি যায়নাবকে বললাম, এ যাবৎ উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করার তাৎপর্য কী ছিল? তখন যায়নাব (রাঃ) বললেন, সে কালে কোন স্বামী ইন্তিকাল করলে স্ত্রীকে একটি সংকীর্ণ কক্ষে (কুঠরীতে) প্রবেশ করতে হত। ছিঁড়ে-ফাড়া কাপড়-চোপড় পরিধান করতে হত। সে কোন প্রসাধনী দ্রব্য স্পর্শ করতে পারত না কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহার করত না। এমনিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কেটে যেত। এরপর তার সামনে আনা হত গাধা, বকরী কিংবা পাখী জাতীয় কোন প্রাণী এবং সে ঐ প্রাণীকে স্পর্শ করে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করত। সে যে প্রাণীকে স্পর্শ করত তা খুব কমই বাঁচত। এরপর সে ঐ সংকীর্ণ কুঠরী থেকে বের হয়ে আসত। তখন তার হাতে উটের বিষ্ঠা দেয়া হত এবং সে তা ছুঁড়ে মারত। এরপর সে তার পছন্দসই প্রসাধনী সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যাবহারের প্রতি মনোযোগী হত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

قال حميد قلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২২

وحدثته زينب، عن أمها، وعن زينب، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عن امرأة من بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসখানা তার মা [উম্মু সালামাহ্ (রাযি:)] এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসখানা তার মা [উম্মু সালামাহ্ (রাযি:)] এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

وحدثته زينب، عن أمها، وعن زينب، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عن امرأة من بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৮

قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এরপর আমি (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহ্ধর্মিণী) যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাযীঃ)-এর কাছে গেলাম। সে সময় তার ভাই ইনতিকাল করেছিলেন। আমি দেখলাম, তিনিও সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার থেকে স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে তার জন্য মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়৷ তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৭)

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এরপর আমি (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহ্ধর্মিণী) যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাযীঃ)-এর কাছে গেলাম। সে সময় তার ভাই ইনতিকাল করেছিলেন। আমি দেখলাম, তিনিও সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার থেকে স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে তার জন্য মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়৷ তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৭)

قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا


সহিহ মুসলিম ৩৬২৭

وحدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، عن نافع، أن صفية، بنت أبي عبيد حدثته عن حفصة، أو عن عائشة، أو عن كلتيهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر - أو تؤمن بالله ورسوله - أن تحد على ميت فوق ثلاثة أيام إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏

হাফসাহ্ (রাঃ) কিংবা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু’জন থেকে যৌথভাবে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৩, ই.সে. ৩৫৯৩)

হাফসাহ্ (রাঃ) কিংবা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু’জন থেকে যৌথভাবে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৩, ই.সে. ৩৫৯৩)

وحدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، عن نافع، أن صفية، بنت أبي عبيد حدثته عن حفصة، أو عن عائشة، أو عن كلتيهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر - أو تؤمن بالله ورسوله - أن تحد على ميت فوق ثلاثة أيام إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৮

وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا عبد، الله بن دينار عن نافع، بإسناد حديث الليث ‏.‏ مثل روايته ‏.‏

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৫৯৪, ই.সে. ৩৫৯৪)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৫৯৪, ই.সে. ৩৫৯৪)

وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا عبد، الله بن دينار عن نافع، بإسناد حديث الليث ‏.‏ مثل روايته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩৩

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد وقالا ‏ "‏ عند أدنى طهرها نبذة من قسط وأظفار ‏"‏ ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে ‘আম্‌র আন্ নাক্বিদ ও ইয়াযীদ ইবনু হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুস্ত্ব ও আয্ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৯, ই.সে. ৩৫৯৯)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে ‘আম্‌র আন্ নাক্বিদ ও ইয়াযীদ ইবনু হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুস্ত্ব ও আয্ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৯, ই.সে. ৩৫৯৯)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد وقالا ‏ "‏ عند أدنى طهرها نبذة من قسط وأظفار ‏"‏ ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00