সহিহ মুসলিম > বায়িন ত্বলাক্বপ্রাপ্ত[৬১] স্ত্রীর জন্য খোরপোষ নেই

সহিহ মুসলিম ৩৫৯০

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن أبي حازم وقال قتيبة أيضا حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - كلاهما عن أبي حازم، عن أبي، سلمة عن فاطمة بنت قيس، أنه طلقها زوجها في عهد النبي صلى الله عليه وسلم وكان أنفق عليها نفقة دون فلما رأت ذلك قالت والله لأعلمن رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا كان لي نفقة أخذت الذي يصلحني وإن لم تكن لي نفقة لم آخذ منه شيئا قالت فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لا نفقة لك ولا سكنى ‏"‏ ‏.‏

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় তার স্বামী তাকে ত্বলাক্ব দেন। এরপর তার স্বামী তার জন্য (‘ইদ্দতকালীন সময়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য) সামান্য পরিমাণ খোরপোষ দিয়েছিলেন। তিনি তা দেখে বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি অবশ্যই এ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর গোচরে আনব। যদি খোরপোষ আমার প্রাপ্য হয় তবে আমি তা এ পরিমাণে উসুল করব যাতে সুচারুভাবে আমার প্রয়োজন পূরণ হয়। আর খোরপোষ আমার প্রাপ্য না-ই হয় তাহলে আমি তার নিকট থেকে কিছুই গ্রহণ করব না। তিনি বলেন, এরপর আমি বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে উত্থাপন করলাম। তিনি আমাকে বললেন তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই, বাসস্থানও নেই। (ই.ফা. ৩৫৬০, ই.সে. ৩৫৬০)

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় তার স্বামী তাকে ত্বলাক্ব দেন। এরপর তার স্বামী তার জন্য (‘ইদ্দতকালীন সময়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য) সামান্য পরিমাণ খোরপোষ দিয়েছিলেন। তিনি তা দেখে বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমি অবশ্যই এ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর গোচরে আনব। যদি খোরপোষ আমার প্রাপ্য হয় তবে আমি তা এ পরিমাণে উসুল করব যাতে সুচারুভাবে আমার প্রয়োজন পূরণ হয়। আর খোরপোষ আমার প্রাপ্য না-ই হয় তাহলে আমি তার নিকট থেকে কিছুই গ্রহণ করব না। তিনি বলেন, এরপর আমি বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে উত্থাপন করলাম। তিনি আমাকে বললেন তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই, বাসস্থানও নেই। (ই.ফা. ৩৫৬০, ই.সে. ৩৫৬০)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن أبي حازم وقال قتيبة أيضا حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - كلاهما عن أبي حازم، عن أبي، سلمة عن فاطمة بنت قيس، أنه طلقها زوجها في عهد النبي صلى الله عليه وسلم وكان أنفق عليها نفقة دون فلما رأت ذلك قالت والله لأعلمن رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا كان لي نفقة أخذت الذي يصلحني وإن لم تكن لي نفقة لم آخذ منه شيئا قالت فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لا نفقة لك ولا سكنى ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯১

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عمران بن أبي أنس، عن أبي سلمة، أنه قال سألت فاطمة بنت قيس فأخبرتني أن زوجها المخزومي طلقها فأبى أن ينفق عليها فجاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا نفقة لك فانتقلي فاذهبي إلى ابن أم مكتوم فكوني عنده فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك عنده ‏"‏ ‏.‏

আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-কে (তার স্বামী কর্তৃক ত্বলাক্ব সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে জানালেন যে, তার মাখযূমী স্বামী তাকে ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তাকে খোরপোষ প্রদানে অনীহা প্রকাশ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি সেখান থেকে সরে পড় এবং উম্মু মাকতূমের ঘরে গিয়ে অবস্থান কর। কারণ সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে তুমি প্রয়োজনবোধে তোমার গাত্রবস্ত্র খুলে রাখতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৬১, ই.সে. ৩৫৬১)

আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-কে (তার স্বামী কর্তৃক ত্বলাক্ব সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে জানালেন যে, তার মাখযূমী স্বামী তাকে ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তাকে খোরপোষ প্রদানে অনীহা প্রকাশ করলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি সেখান থেকে সরে পড় এবং উম্মু মাকতূমের ঘরে গিয়ে অবস্থান কর। কারণ সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে তুমি প্রয়োজনবোধে তোমার গাত্রবস্ত্র খুলে রাখতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৬১, ই.সে. ৩৫৬১)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عمران بن أبي أنس، عن أبي سلمة، أنه قال سألت فاطمة بنت قيس فأخبرتني أن زوجها المخزومي طلقها فأبى أن ينفق عليها فجاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا نفقة لك فانتقلي فاذهبي إلى ابن أم مكتوم فكوني عنده فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك عنده ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৩

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن فاطمة بنت قيس، قال كتبت ذلك من فيها كتابا قالت كنت عند رجل من بني مخزوم فطلقني البتة فأرسلت إلى أهله أبتغي النفقة ‏.‏ واقتصوا الحديث بمعنى حديث يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة ‏.‏ غير أن في حديث محمد بن عمرو ‏ "‏ لا تفوتينا بنفسك ‏"‏ ‏.‏

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বানূ মাখযূম-এর এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলাম। তিনি আমাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিলেন তখন আমি তার পরিবার পরিজনের কাছে লোক পাঠিয়ে খোরপোষের দাবী জানালাম। এরপর তারা( বর্ণনাকারীত্রয়) আবূ সালামার সূত্রে ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু কাসীরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে গেলেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্‌র বর্ণিত হাদীসে “আমাকে বাদ দিয়ে তুমি তোমার সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নিও না” বলে উল্লেখ রয়েছে। ( ই.ফা. ৩৫৬৩, ই.সে. ৩৫৬৩)

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বানূ মাখযূম-এর এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলাম। তিনি আমাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিলেন তখন আমি তার পরিবার পরিজনের কাছে লোক পাঠিয়ে খোরপোষের দাবী জানালাম। এরপর তারা( বর্ণনাকারীত্রয়) আবূ সালামার সূত্রে ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু কাসীরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে গেলেন। তবে মুহাম্মাদ ইবনু ‘আম্‌র বর্ণিত হাদীসে “আমাকে বাদ দিয়ে তুমি তোমার সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নিও না” বলে উল্লেখ রয়েছে। ( ই.ফা. ৩৫৬৩, ই.সে. ৩৫৬৩)

حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا إسماعيل، - يعنون ابن جعفر - عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا محمد بن عمرو، حدثنا أبو سلمة، عن فاطمة بنت قيس، قال كتبت ذلك من فيها كتابا قالت كنت عند رجل من بني مخزوم فطلقني البتة فأرسلت إلى أهله أبتغي النفقة ‏.‏ واقتصوا الحديث بمعنى حديث يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة ‏.‏ غير أن في حديث محمد بن عمرو ‏ "‏ لا تفوتينا بنفسك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৮৯

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص، طلقها البتة وهو غائب فأرسل إليها وكيله بشعير فسخطته فقال والله ما لك علينا من شىء ‏.‏ فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ‏"‏ ليس لك عليه نفقة ‏"‏ ‏.‏ فأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال ‏"‏ تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي عند ابن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك فإذا حللت فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏ فكرهته ثم قال ‏"‏ انكحي أسامة ‏"‏ ‏.‏ فنكحته فجعل الله فيه خيرا واغتبطت به ‏.‏

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ) (তার স্বামী) অনুপস্থিতিতে তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দেন। এরপর সামান্য যবসহ উকীল কে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ (রাঃ)] তাঁর উপর ভীষণভাবে অসন্তুষ্ট হন। সে (উকীল) বলল, আল্লাহ্‌র কসম! তোমাকে (খোরপোষরূপে) কোন কিছু দেয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। তখন তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ বিনত ক্বায়স (রাযি:)] রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সব খুলে বললেন। (তার কথা শুনে) তিনি বলেন, তোমার জন্য তার [তোমার স্বামী আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ)-এর] দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীক-এর ঘরে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি এও বললেন, সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)-এর বাড়িতে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে প্রয়োজনবোধে তুমি তোমার পরিধানের বস্তু খুলে রাখতে পারবে। ‘ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি বলেন, যখন আমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম যে, মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) ও আবূ জাহ্‌ম (রাঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আবূ জাহ্‌ম এমন একজন লোক যে, তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মু’আবিয়াহ্‌ তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। পরে তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাহ্‌কে বিয়ে কর। তখন আমি তাঁর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম। (ই.ফা. ৩৫৫৯, ই.সে. ৩৫৫৯)

ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ) (তার স্বামী) অনুপস্থিতিতে তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দেন। এরপর সামান্য যবসহ উকীল কে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ (রাঃ)] তাঁর উপর ভীষণভাবে অসন্তুষ্ট হন। সে (উকীল) বলল, আল্লাহ্‌র কসম! তোমাকে (খোরপোষরূপে) কোন কিছু দেয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। তখন তিনি [ফাত্বিমাহ্‌ বিনত ক্বায়স (রাযি:)] রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট সব খুলে বললেন। (তার কথা শুনে) তিনি বলেন, তোমার জন্য তার [তোমার স্বামী আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ (রাঃ)-এর] দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি তাকে উম্মু শারীক-এর ঘরে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি এও বললেন, সে মহিলা (উম্মু শারীক) এমন একজন স্ত্রীলোক যার কাছে আমার সাহাবীগণ ভীড় করে থাকেন। তুমি বরং ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)-এর বাড়িতে গিয়ে ‘ইদ্দাত পালন করতে থাক। কেননা সে একজন অন্ধ মানুষ। সেখানে প্রয়োজনবোধে তুমি তোমার পরিধানের বস্তু খুলে রাখতে পারবে। ‘ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি বলেন, যখন আমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালাম যে, মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান (রাঃ) ও আবূ জাহ্‌ম (রাঃ) আমাকে বিবাহের পায়গাম পাঠিয়েছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আবূ জাহ্‌ম এমন একজন লোক যে, তার কাঁধ থেকে লাঠি নামিয়ে রাখে না। আর মু’আবিয়াহ্‌ তো কপর্দকহীন গরীব মানুষ। তুমি উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হও। কিন্তু আমি তাঁকে পছন্দ করলাম না। পরে তিনি আবার বললেন, তুমি উসামাহ্‌কে বিয়ে কর। তখন আমি তাঁর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। আল্লাহ এতে (তার ঘরে) আমাকে বিরাট কল্যাণ দান করলেন। আর আমি ঈর্ষার পাত্রে পরিণত হলাম। (ই.ফা. ৩৫৫৯, ই.সে. ৩৫৫৯)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص، طلقها البتة وهو غائب فأرسل إليها وكيله بشعير فسخطته فقال والله ما لك علينا من شىء ‏.‏ فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ‏"‏ ليس لك عليه نفقة ‏"‏ ‏.‏ فأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال ‏"‏ تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي عند ابن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك فإذا حللت فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏ فكرهته ثم قال ‏"‏ انكحي أسامة ‏"‏ ‏.‏ فنكحته فجعل الله فيه خيرا واغتبطت به ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯২

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن يحيى، - وهو ابن أبي كثير - أخبرني أبو سلمة، أن فاطمة بنت قيس، أخت الضحاك بن قيس أخبرته أن أبا حفص بن المغيرة المخزومي طلقها ثلاثا ثم انطلق إلى اليمن فقال لها أهله ليس لك علينا نفقة ‏.‏ فانطلق خالد بن الوليد في نفر فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت ميمونة فقالوا إن أبا حفص طلق امرأته ثلاثا فهل لها من نفقة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليست لها نفقة وعليها العدة ‏"‏ ‏.‏ وأرسل إليها ‏"‏ أن لا تسبقيني بنفسك ‏"‏ ‏.‏ وأمرها أن تنتقل إلى أم شريك ثم أرسل إليها ‏"‏ أن أم شريك يأتيها المهاجرون الأولون فانطلقي إلى ابن أم مكتوم الأعمى فإنك إذا وضعت خمارك لم يرك ‏"‏ ‏.‏ فانطلقت إليه فلما مضت عدتها أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد بن حارثة.

যাহ্‌হাক ইবনু ক্বায়স-এর ভগ্নী ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার স্বামী আবূ হাফ্‌স ইবনু মুগীরাহ্‌ (রাঃ) তাকে একত্রে তিন ত্বলাক্ব প্রদান করেন। এরপর তিনি ইয়ামান চলে যান। তখন তার( আবূ ‘আমর-এর) পরিবারের লোকজন তাকে (ফাত্বিমাকে) বলল, তোমার জন্য আমাদের দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাযি:) একদল লোকসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন। তখন তিনি মায়মূনাহ্‌ (রাঃ) এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। তারা বললেন, (ইয়া রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!) আবূ হাফস্‌ তার স্ত্রীকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এখন তার স্ত্রী কি খোরপোষ পাবে?! বললেনঃ না, তার জন্য কোন খোরপোষ নেই; তার উপর ‘ইদ্দাত পালন করা ওয়াজিব। তিনি তাকে বলে পাঠালেন যে, তুমি আমাকে না জানিয়ে বিবাহের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। তিনি তাকে ‘ইদ্দাত পালনের জন্য উম্মু শারীক–এর ঘরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি তাকে লোক মারফত জানিয়ে দিলেন যে, উম্মু শারীক এমন একজন মহিলা যার কাছে প্রাথমিক হিজরতকারী সাহাবীগণ যাওয়া আসা করে থাকেন। সুতরাং তুমি অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতূম এর ঘরে চলে যাও। কারণ সেখানে তুমি প্রয়োজনবোধে তোমার দোপাট্টা (ওড়না) নামিয়ে রাখলে সে তোমাকে দেখতে পাবে না। যখন তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্‌ ইবনু হারিসাহ্‌ (রাঃ)-এর সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। ( ই.ফা. ৩৫৬২, ই.সে. ৩৫৬২)

যাহ্‌হাক ইবনু ক্বায়স-এর ভগ্নী ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার স্বামী আবূ হাফ্‌স ইবনু মুগীরাহ্‌ (রাঃ) তাকে একত্রে তিন ত্বলাক্ব প্রদান করেন। এরপর তিনি ইয়ামান চলে যান। তখন তার( আবূ ‘আমর-এর) পরিবারের লোকজন তাকে (ফাত্বিমাকে) বলল, তোমার জন্য আমাদের দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাযি:) একদল লোকসহ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন। তখন তিনি মায়মূনাহ্‌ (রাঃ) এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। তারা বললেন, (ইয়া রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)!) আবূ হাফস্‌ তার স্ত্রীকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এখন তার স্ত্রী কি খোরপোষ পাবে?! বললেনঃ না, তার জন্য কোন খোরপোষ নেই; তার উপর ‘ইদ্দাত পালন করা ওয়াজিব। তিনি তাকে বলে পাঠালেন যে, তুমি আমাকে না জানিয়ে বিবাহের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। তিনি তাকে ‘ইদ্দাত পালনের জন্য উম্মু শারীক–এর ঘরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি তাকে লোক মারফত জানিয়ে দিলেন যে, উম্মু শারীক এমন একজন মহিলা যার কাছে প্রাথমিক হিজরতকারী সাহাবীগণ যাওয়া আসা করে থাকেন। সুতরাং তুমি অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতূম এর ঘরে চলে যাও। কারণ সেখানে তুমি প্রয়োজনবোধে তোমার দোপাট্টা (ওড়না) নামিয়ে রাখলে সে তোমাকে দেখতে পাবে না। যখন তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উসামাহ্‌ ইবনু হারিসাহ্‌ (রাঃ)-এর সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন। ( ই.ফা. ৩৫৬২, ই.সে. ৩৫৬২)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا شيبان، عن يحيى، - وهو ابن أبي كثير - أخبرني أبو سلمة، أن فاطمة بنت قيس، أخت الضحاك بن قيس أخبرته أن أبا حفص بن المغيرة المخزومي طلقها ثلاثا ثم انطلق إلى اليمن فقال لها أهله ليس لك علينا نفقة ‏.‏ فانطلق خالد بن الوليد في نفر فأتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت ميمونة فقالوا إن أبا حفص طلق امرأته ثلاثا فهل لها من نفقة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليست لها نفقة وعليها العدة ‏"‏ ‏.‏ وأرسل إليها ‏"‏ أن لا تسبقيني بنفسك ‏"‏ ‏.‏ وأمرها أن تنتقل إلى أم شريك ثم أرسل إليها ‏"‏ أن أم شريك يأتيها المهاجرون الأولون فانطلقي إلى ابن أم مكتوم الأعمى فإنك إذا وضعت خمارك لم يرك ‏"‏ ‏.‏ فانطلقت إليه فلما مضت عدتها أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد بن حارثة.


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৬

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - واللفظ لعبد - قالا أخبرنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عتبة، أن أبا عمرو بن حفص بن المغيرة، خرج مع علي بن أبي طالب إلى اليمن فأرسل إلى امرأته فاطمة بنت قيس بتطليقة كانت بقيت من طلاقها وأمر لها الحارث بن هشام وعياش بن أبي ربيعة بنفقة فقالا لها والله ما لك نفقة إلا أن تكوني حاملا ‏.‏ فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت له قولهما ‏.‏ فقال ‏"‏ لا نفقة لك ‏"‏ ‏.‏ فاستأذنته في الانتقال فأذن لها ‏.‏ فقالت أين يا رسول الله فقال ‏"‏ إلى ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏ وكان أعمى تضع ثيابها عنده ولا يراها فلما مضت عدتها أنكحها النبي صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد فأرسل إليها مروان قبيصة بن ذؤيب يسألها عن الحديث فحدثته به فقال مروان لم نسمع هذا الحديث إلا من امرأة سنأخذ بالعصمة التي وجدنا الناس عليها ‏.‏ فقالت فاطمة حين بلغها قول مروان فبيني وبينكم القرآن قال الله عز وجل ‏{‏ لا تخرجوهن من بيوتهن‏}‏ الآية قالت هذا لمن كانت له مراجعة فأى أمر يحدث بعد الثلاث فكيف تقولون لا نفقة لها إذا لم تكن حاملا فعلام تحبسونها

‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উত্‌বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ ইবনু মুগীরাহ্‌ (রাঃ) ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)-এর সঙ্গে ইয়ামানে গমন করেন। এরপর তিনি তার স্ত্রী ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়সকে অবশিষ্ট এক ত্বলাকের কথা বলে পাঠালেন( দু’ ত্বলাক্ব আগেই দিয়েছিলেন)। তিনি হারিস ইবনু হিশাম ও আবূ রাবী’আকে নিজের পক্ষ থেকে তার (স্ত্রীকে) খোরপোষ হিসেবে কিছু দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। তখন তারা দু’জন তাকে (ফাত্বিমাকে) বললেন, আল্লাহর কসম! তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে তুমি গর্ভবতী হলে ভিন্ন কথা। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন এবং তাদের দু’জনের উক্তি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে স্বামীর ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি কোথায় যাব? তিনি বললেন, ইবনু উম্মু মাকতূমের কাছে চলে যাও। সে অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে তার নিকট গাত্র বস্ত্র খুলতে পারবে এবং সে তোমাকে দেখতে পাবে না। এরপর যখন তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন। পরবর্তীকালে (উমাইয়্যাহ্‌ গভর্নর) মারওয়ান এ হাদীসের সত্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার উদ্দেশে ক্বাবীসাহ্‌ ইবনু যুআয়বকে তার কাছে পাঠান। তখন তিনি তার (ক্বাবীসার) কাছে এই হাদীস বর্ণনা করেন। এখবর শুনে মারওয়ান বললেন, একজন মহিলা ছাড়া অন্য কারো কাছে আমি এ হাদীস শুনিনি। আমরা এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ মত গ্রহণ করব যার উপর আমরা মুসলিম জনসাধারণকে পেয়েছি। ফ্বাতিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর নিকট মারওয়ানের মন্তব্য পৌছলে তিনি বলেন, আমার ও তোমাদের মধ্যে কুরআনই চূড়ান্ত মীমাংসাকারী। আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ো না।” তিনি বলেন, এ আয়াত সে সব মহিলাদের জন্য প্রযোজ্য যাদের জন্য রাজ’আতের অধিকার আছে। তাই তিন ত্বলাকের পর নতুন করে আর কী থাকতে পারে? এরপর তোমরা কী করে বলতে পার যে, যে মহিলা গর্ভবতী নয় তার জন্য কোন খোরপোষ নেই? এরপরও তোমরা তাকে কিসের ভিত্তিতে তোমাদের ঘরে আটক করে রাখবে? (ই.ফা. ৩৫৬৬, ই.সে. ৩৫৬৬)

‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উত্‌বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ‘আম্‌র ইবনু হাফস্‌ ইবনু মুগীরাহ্‌ (রাঃ) ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)-এর সঙ্গে ইয়ামানে গমন করেন। এরপর তিনি তার স্ত্রী ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়সকে অবশিষ্ট এক ত্বলাকের কথা বলে পাঠালেন( দু’ ত্বলাক্ব আগেই দিয়েছিলেন)। তিনি হারিস ইবনু হিশাম ও আবূ রাবী’আকে নিজের পক্ষ থেকে তার (স্ত্রীকে) খোরপোষ হিসেবে কিছু দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। তখন তারা দু’জন তাকে (ফাত্বিমাকে) বললেন, আল্লাহর কসম! তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে তুমি গর্ভবতী হলে ভিন্ন কথা। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন এবং তাদের দু’জনের উক্তি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলেন। তখন তিনি বললেন, তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। এরপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে স্বামীর ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি কোথায় যাব? তিনি বললেন, ইবনু উম্মু মাকতূমের কাছে চলে যাও। সে অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে তার নিকট গাত্র বস্ত্র খুলতে পারবে এবং সে তোমাকে দেখতে পাবে না। এরপর যখন তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন। পরবর্তীকালে (উমাইয়্যাহ্‌ গভর্নর) মারওয়ান এ হাদীসের সত্যতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার উদ্দেশে ক্বাবীসাহ্‌ ইবনু যুআয়বকে তার কাছে পাঠান। তখন তিনি তার (ক্বাবীসার) কাছে এই হাদীস বর্ণনা করেন। এখবর শুনে মারওয়ান বললেন, একজন মহিলা ছাড়া অন্য কারো কাছে আমি এ হাদীস শুনিনি। আমরা এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ মত গ্রহণ করব যার উপর আমরা মুসলিম জনসাধারণকে পেয়েছি। ফ্বাতিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর নিকট মারওয়ানের মন্তব্য পৌছলে তিনি বলেন, আমার ও তোমাদের মধ্যে কুরআনই চূড়ান্ত মীমাংসাকারী। আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ো না।” তিনি বলেন, এ আয়াত সে সব মহিলাদের জন্য প্রযোজ্য যাদের জন্য রাজ’আতের অধিকার আছে। তাই তিন ত্বলাকের পর নতুন করে আর কী থাকতে পারে? এরপর তোমরা কী করে বলতে পার যে, যে মহিলা গর্ভবতী নয় তার জন্য কোন খোরপোষ নেই? এরপরও তোমরা তাকে কিসের ভিত্তিতে তোমাদের ঘরে আটক করে রাখবে? (ই.ফা. ৩৫৬৬, ই.সে. ৩৫৬৬)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، - واللفظ لعبد - قالا أخبرنا عبد، الرزاق أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبيد الله بن عتبة، أن أبا عمرو بن حفص بن المغيرة، خرج مع علي بن أبي طالب إلى اليمن فأرسل إلى امرأته فاطمة بنت قيس بتطليقة كانت بقيت من طلاقها وأمر لها الحارث بن هشام وعياش بن أبي ربيعة بنفقة فقالا لها والله ما لك نفقة إلا أن تكوني حاملا ‏.‏ فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت له قولهما ‏.‏ فقال ‏"‏ لا نفقة لك ‏"‏ ‏.‏ فاستأذنته في الانتقال فأذن لها ‏.‏ فقالت أين يا رسول الله فقال ‏"‏ إلى ابن أم مكتوم ‏"‏ ‏.‏ وكان أعمى تضع ثيابها عنده ولا يراها فلما مضت عدتها أنكحها النبي صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد فأرسل إليها مروان قبيصة بن ذؤيب يسألها عن الحديث فحدثته به فقال مروان لم نسمع هذا الحديث إلا من امرأة سنأخذ بالعصمة التي وجدنا الناس عليها ‏.‏ فقالت فاطمة حين بلغها قول مروان فبيني وبينكم القرآن قال الله عز وجل ‏{‏ لا تخرجوهن من بيوتهن‏}‏ الآية قالت هذا لمن كانت له مراجعة فأى أمر يحدث بعد الثلاث فكيف تقولون لا نفقة لها إذا لم تكن حاملا فعلام تحبسونها


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৮

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن حصين، وداود، ومغيرة، وإسماعيل، وأشعث عن الشعبي، أنه قال دخلت على فاطمة بنت قيس ‏.‏ بمثل حديث زهير عن هشيم

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাতিমাহ বিনত ক্বায়স (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৫৬৮, ই.সে. ৩৫৬৮)

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাতিমাহ বিনত ক্বায়স (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। এরপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৫৬৮, ই.সে. ৩৫৬৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن حصين، وداود، ومغيرة، وإسماعيل، وأشعث عن الشعبي، أنه قال دخلت على فاطمة بنت قيس ‏.‏ بمثل حديث زهير عن هشيم


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৭

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، وحصين، ومغيرة، وأشعث، ومجالد وإسماعيل بن أبي خالد وداود كلهم عن الشعبي، قال دخلت على فاطمة بنت قيس فسألتها عن قضاء، رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها فقالت طلقها زوجها البتة ‏.‏ فقالت فخاصمته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في السكنى والنفقة - قالت - فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم ‏.‏

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি তার (ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স) কাছে গেলাম এবং তার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিদ্ধান্ত সর্ম্পকে তাকে জিজ্ঞেস করালাম। তিনি বলেন, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, এরপর আমি বাসস্থান ও খোরপোষের জন্য তার বিরুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিচারপ্রার্থী হলাম। তিনি বলেন, তিনি আমার পক্ষে বাসস্থান ও খোরপোষের রায় দেননি। উপরন্তু তিনি আমাকে ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে ‘ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ৩৫৬৭, ই.সে. ৩৫৬৭)

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি তার (ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স) কাছে গেলাম এবং তার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিদ্ধান্ত সর্ম্পকে তাকে জিজ্ঞেস করালাম। তিনি বলেন, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়ে দিলেন। তিনি বলেন, এরপর আমি বাসস্থান ও খোরপোষের জন্য তার বিরুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিচারপ্রার্থী হলাম। তিনি বলেন, তিনি আমার পক্ষে বাসস্থান ও খোরপোষের রায় দেননি। উপরন্তু তিনি আমাকে ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে ‘ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। (ই.ফা. ৩৫৬৭, ই.সে. ৩৫৬৭)

حدثني زهير بن حرب، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، وحصين، ومغيرة، وأشعث، ومجالد وإسماعيل بن أبي خالد وداود كلهم عن الشعبي، قال دخلت على فاطمة بنت قيس فسألتها عن قضاء، رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها فقالت طلقها زوجها البتة ‏.‏ فقالت فخاصمته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في السكنى والنفقة - قالت - فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০১

وحدثني إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا عمار بن، رزيق عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت طلقني زوجي ثلاثا فأردت النقلة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ انتقلي إلى بيت ابن عمك عمرو بن أم مكتوم فاعتدي عنده ‏"‏ ‏.‏

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিলেন। এতে আমি তার ঘর থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম। (এ পর্যায়ে) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার চাচাত ভাই ‘আম্‌র ইবনু উম্মু মাকতূমের বাড়িতে চলে যাও এবং তাঁর ঘরেই ইদ্দাত পালন করতে থাক। (ই.ফা. ৩৫৭১, ই.সে. ৩৫৭১)

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিলেন। এতে আমি তার ঘর থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম। (এ পর্যায়ে) আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার চাচাত ভাই ‘আম্‌র ইবনু উম্মু মাকতূমের বাড়িতে চলে যাও এবং তাঁর ঘরেই ইদ্দাত পালন করতে থাক। (ই.ফা. ৩৫৭১, ই.সে. ৩৫৭১)

وحدثني إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا يحيى بن آدم، حدثنا عمار بن، رزيق عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت طلقني زوجي ثلاثا فأردت النقلة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ انتقلي إلى بيت ابن عمك عمرو بن أم مكتوم فاعتدي عنده ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৯

حدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث الهجيمي، حدثنا قرة، حدثنا سيار، أبو الحكم حدثنا الشعبي، قال دخلنا على فاطمة بنت قيس فأتحفتنا برطب ابن طاب وسقتنا سويق سلت فسألتها عن المطلقة، ثلاثا أين تعتد قالت طلقني بعلي ثلاثا فأذن لي النبي صلى الله عليه وسلم أن أعتد في أهلي ‏

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেররকে ইবনু ত্বাব নামক টাটকা খেজুর দ্বারা আপ্যায়িত করলেন এবং গম ও মূলত ছাতুর শরবত পান করালেন। এরপর আমি তাকে তিন ত্বালাক্বপ্রাপ্তা মহিলা সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করলাম যে, সে ‘ইদ্দাত পালন করবে কোথায়? তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ‘ইদ্দাত পালনের অনুমতি দিলেন। (ই.ফা. ৩৫৬৯, ই.সে. ৩৫৬৯)

শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেররকে ইবনু ত্বাব নামক টাটকা খেজুর দ্বারা আপ্যায়িত করলেন এবং গম ও মূলত ছাতুর শরবত পান করালেন। এরপর আমি তাকে তিন ত্বালাক্বপ্রাপ্তা মহিলা সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করলাম যে, সে ‘ইদ্দাত পালন করবে কোথায়? তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ‘ইদ্দাত পালনের অনুমতি দিলেন। (ই.ফা. ৩৫৬৯, ই.সে. ৩৫৬৯)

حدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا خالد بن الحارث الهجيمي، حدثنا قرة، حدثنا سيار، أبو الحكم حدثنا الشعبي، قال دخلنا على فاطمة بنت قيس فأتحفتنا برطب ابن طاب وسقتنا سويق سلت فسألتها عن المطلقة، ثلاثا أين تعتد قالت طلقني بعلي ثلاثا فأذن لي النبي صلى الله عليه وسلم أن أعتد في أهلي ‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০২

وحدثناه محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا أبو أحمد، حدثنا عمار بن رزيق، عن أبي إسحاق، قال كنت مع الأسود بن يزيد جالسا في المسجد الأعظم ومعنا الشعبي فحدث الشعبي بحديث فاطمة بنت قيس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يجعل لها سكنى ولا نفقة ثم أخذ الأسود كفا من حصى فحصبه به ‏.‏ فقال ويلك تحدث بمثل هذا قال عمر لا نترك كتاب الله وسنة نبينا صلى الله عليه وسلم لقول امرأة لا ندري لعلها حفظت أو نسيت لها السكنى والنفقة قال الله عز وجل ‏{‏ لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة‏}‏ ‏

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদের সঙ্গে সেখানকার বড় মসজিদে বসা ছিলাম। শা’বীও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স বর্ণিত হাদীস প্রসঙ্গে বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের সিদ্ধান্ত দেননি। তখন আসওয়াদ তার হাতে এক মুঠো কংকর নিয়ে শা’বীর দিকে নিক্ষেপ করলেন। এরপর বললেন, সর্বনাশ! তুমি এমন ধরনের হাদীস বর্ণনা করছ? (অথচ) ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, আমরা আল্লাহর কিতাব এবং আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’র সুন্নাত এমন একজন মহিলার উক্তির কারনে ছেড়ে দিতে পারি না। আমরা জানি না, সে স্মরণ রাখতে পেরেছে অথবা ভুলে যে তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ আছে। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, “তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ থেকে বহিষ্কার করে দিয়ো না এবং তারাও যেন ঘর থেকে বের না হয়। তবে তারা স্পষ্ট কোন অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে ভিন্ন কথা”-(সূরাহ্‌ আত্ ত্বলাক্ব ৬৫:১)। (ই.ফা. ৩৫৭২, ই.সে. ৩৫৭২)

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদের সঙ্গে সেখানকার বড় মসজিদে বসা ছিলাম। শা’বীও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তিনি ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স বর্ণিত হাদীস প্রসঙ্গে বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের সিদ্ধান্ত দেননি। তখন আসওয়াদ তার হাতে এক মুঠো কংকর নিয়ে শা’বীর দিকে নিক্ষেপ করলেন। এরপর বললেন, সর্বনাশ! তুমি এমন ধরনের হাদীস বর্ণনা করছ? (অথচ) ‘উমার (রাঃ) বলেছেন, আমরা আল্লাহর কিতাব এবং আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’র সুন্নাত এমন একজন মহিলার উক্তির কারনে ছেড়ে দিতে পারি না। আমরা জানি না, সে স্মরণ রাখতে পেরেছে অথবা ভুলে যে তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ আছে। আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, “তোমরা তাদেরকে তাদের বাসগৃহ থেকে বহিষ্কার করে দিয়ো না এবং তারাও যেন ঘর থেকে বের না হয়। তবে তারা স্পষ্ট কোন অশ্লীলতায় লিপ্ত হলে ভিন্ন কথা”-(সূরাহ্‌ আত্ ত্বলাক্ব ৬৫:১)। (ই.ফা. ৩৫৭২, ই.সে. ৩৫৭২)

وحدثناه محمد بن عمرو بن جبلة، حدثنا أبو أحمد، حدثنا عمار بن رزيق، عن أبي إسحاق، قال كنت مع الأسود بن يزيد جالسا في المسجد الأعظم ومعنا الشعبي فحدث الشعبي بحديث فاطمة بنت قيس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يجعل لها سكنى ولا نفقة ثم أخذ الأسود كفا من حصى فحصبه به ‏.‏ فقال ويلك تحدث بمثل هذا قال عمر لا نترك كتاب الله وسنة نبينا صلى الله عليه وسلم لقول امرأة لا ندري لعلها حفظت أو نسيت لها السكنى والنفقة قال الله عز وجل ‏{‏ لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة‏}‏ ‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৭

وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثني أبو بكر، قال دخلت أنا وأبو سلمة على فاطمة بنت قيس زمن ابن الزبير فحدثتنا أن زوجها طلقها طلاقا باتا ‏.‏ بنحو حديث سفيان ‏.‏

আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর শাসনামলে আমি এবং আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেরকে সুফ্‌ইয়ানের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে বললেন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। (ই.ফা. ৩৫৭৭, ই.সে. ৩৫৭৭)

আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর শাসনামলে আমি এবং আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি আমাদেরকে সুফ্‌ইয়ানের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করে বললেন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। (ই.ফা. ৩৫৭৭, ই.সে. ৩৫৭৭)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، حدثني أبو بكر، قال دخلت أنا وأبو سلمة على فاطمة بنت قيس زمن ابن الزبير فحدثتنا أن زوجها طلقها طلاقا باتا ‏.‏ بنحو حديث سفيان ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৫

وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي بكر بن، أبي الجهم قال سمعت فاطمة بنت قيس، تقول أرسل إلى زوجي أبو عمرو بن حفص بن المغيرة عياش بن أبي ربيعة بطلاقي وأرسل معه بخمسة آصع تمر وخمسة آصع شعير فقلت أما لي نفقة إلا هذا ولا أعتد في منزلكم قال لا ‏.‏ قالت فشددت على ثيابي وأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ كم طلقك ‏"‏ ‏.‏ قلت ثلاثا ‏.‏ قال ‏"‏ صدق ليس لك نفقة ‏.‏ اعتدي في بيت ابن عمك ابن أم مكتوم فإنه ضرير البصر تلقي ثوبك عنده فإذا انقضت عدتك فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ قالت فخطبني خطاب منهم معاوية وأبو الجهم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن معاوية ترب خفيف الحال وأبو الجهم منه شدة على النساء - أو يضرب النساء أو نحو هذا - ولكن عليك بأسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ জাহ্‌ম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়সকে বলতে শুনেছি যে, আমার স্বামী আবূ ‘আমর হাফস্‌ ইবনু মুগীরাহ্ (রাঃ) ‘আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ্‌-কে আমার নিকটে আমাকে ত্বলাক্ব দেয়ার সংবাদ দিয়ে পাঠান। তিনি তার সাথে আমার খোরপোষের জন্য পাঁচ সা’ (এক সা’ সাড়ে তিন কেজির সমান) খেজুর এবং পাঁচ সা’ যব পাঠিয়ে দেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমার জন্য কি খোরপোষ এ পরিমাণ? আমি তোমাদের ঘরে ‘ইদ্দাত করব না। তিনি (‘আইয়্যাশ) বললেন, না তা হতে পারে না। তিনি (ফাত্বিমাহ্‌) বললেন, আমি তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, সে তোমাকে কত ত্বলাক্ব দিয়েছে? আমি বললাম, তিন ত্বলাক্ব। তিনি বললেন, সে (আয়্যাশ) ঠিকই বলেছে। তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি তোমার চাচাতো ভাই ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে গিয়ে ইদ্দাত পালন কর। সে একজন অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে তার কাছে কাপড় চোপড় খুলে রাখতে পারবে। এরপর তোমার ‘ইদ্দাত পূর্ন হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি [ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)] বলেন, আমার ‘ইদ্দাতকাল অতিবাহিত হলে বেশ কয়েকজন লোক আমার কাছে বিয়ের পায়গাম পাঠালেন। তার মধ্যে মু’আবিয়াহ্‌ ও আবু জাহ্‌মও ছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’আবিয়াহ্‌ তো একজন গরীব মানুষ, নগণ্য সম্পদের অধিকারী আর আবূ জাহম তো নারীদের প্রতি কঠোর (অথবা বললেন) সে স্ত্রীদের লাঠিপেটা করে অথবা এরূপ কিছু বললেন। তবে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দকেই গ্রহন করা তোমার জন্য উচিত হবে। (ই.ফা. ৩৫৭৫, ই.সে. ৩৫৭৫)

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ জাহ্‌ম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়সকে বলতে শুনেছি যে, আমার স্বামী আবূ ‘আমর হাফস্‌ ইবনু মুগীরাহ্ (রাঃ) ‘আইয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ্‌-কে আমার নিকটে আমাকে ত্বলাক্ব দেয়ার সংবাদ দিয়ে পাঠান। তিনি তার সাথে আমার খোরপোষের জন্য পাঁচ সা’ (এক সা’ সাড়ে তিন কেজির সমান) খেজুর এবং পাঁচ সা’ যব পাঠিয়ে দেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমার জন্য কি খোরপোষ এ পরিমাণ? আমি তোমাদের ঘরে ‘ইদ্দাত করব না। তিনি (‘আইয়্যাশ) বললেন, না তা হতে পারে না। তিনি (ফাত্বিমাহ্‌) বললেন, আমি তখন কাপড় চোপড় পরিধান করে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন, সে তোমাকে কত ত্বলাক্ব দিয়েছে? আমি বললাম, তিন ত্বলাক্ব। তিনি বললেন, সে (আয়্যাশ) ঠিকই বলেছে। তোমার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তুমি তোমার চাচাতো ভাই ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে গিয়ে ইদ্দাত পালন কর। সে একজন অন্ধ মানুষ। তুমি প্রয়োজনবোধে তার কাছে কাপড় চোপড় খুলে রাখতে পারবে। এরপর তোমার ‘ইদ্দাত পূর্ন হলে তুমি আমাকে জানাবে। তিনি [ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)] বলেন, আমার ‘ইদ্দাতকাল অতিবাহিত হলে বেশ কয়েকজন লোক আমার কাছে বিয়ের পায়গাম পাঠালেন। তার মধ্যে মু’আবিয়াহ্‌ ও আবু জাহ্‌মও ছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’আবিয়াহ্‌ তো একজন গরীব মানুষ, নগণ্য সম্পদের অধিকারী আর আবূ জাহম তো নারীদের প্রতি কঠোর (অথবা বললেন) সে স্ত্রীদের লাঠিপেটা করে অথবা এরূপ কিছু বললেন। তবে উসামাহ্‌ ইবনু যায়দকেই গ্রহন করা তোমার জন্য উচিত হবে। (ই.ফা. ৩৫৭৫, ই.সে. ৩৫৭৫)

وحدثني إسحاق بن منصور، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن أبي بكر بن، أبي الجهم قال سمعت فاطمة بنت قيس، تقول أرسل إلى زوجي أبو عمرو بن حفص بن المغيرة عياش بن أبي ربيعة بطلاقي وأرسل معه بخمسة آصع تمر وخمسة آصع شعير فقلت أما لي نفقة إلا هذا ولا أعتد في منزلكم قال لا ‏.‏ قالت فشددت على ثيابي وأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ كم طلقك ‏"‏ ‏.‏ قلت ثلاثا ‏.‏ قال ‏"‏ صدق ليس لك نفقة ‏.‏ اعتدي في بيت ابن عمك ابن أم مكتوم فإنه ضرير البصر تلقي ثوبك عنده فإذا انقضت عدتك فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ قالت فخطبني خطاب منهم معاوية وأبو الجهم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن معاوية ترب خفيف الحال وأبو الجهم منه شدة على النساء - أو يضرب النساء أو نحو هذا - ولكن عليك بأسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৮

وحدثني حسن بن علي الحلواني، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا حسن بن صالح، عن السدي، عن البهي، عن فاطمة بنت قيس، قالت طلقني زوجي ثلاثا فلم يجعل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة ‏.‏

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য বাসস্থান এবং খোরপোষের ফায়সালা দেননি। (ই.ফা. ৩৫৭৮, ই.সে. ৩৫৭৮)

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার জন্য বাসস্থান এবং খোরপোষের ফায়সালা দেননি। (ই.ফা. ৩৫৭৮, ই.সে. ৩৫৭৮)

وحدثني حسن بن علي الحلواني، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا حسن بن صالح، عن السدي، عن البهي، عن فاطمة بنت قيس، قالت طلقني زوجي ثلاثا فلم يجعل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৪

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي بكر بن أبي، الجهم بن صخير العدوي قال سمعت فاطمة بنت قيس، تقول إن زوجها طلقها ثلاثا فلم يجعل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا حللت فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ فآذنته فخطبها معاوية وأبو جهم وأسامة بن زيد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما معاوية فرجل ترب لا مال له وأما أبو جهم فرجل ضراب للنساء ولكن أسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏ فقالت بيدها هكذا أسامة أسامة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ طاعة الله وطاعة رسوله خير لك ‏"‏ ‏.‏ قالت فتزوجته فاغتبطت ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ জাহ্‌ম ইবনু সুখায়র আল ‘আদাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়স(রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তার স্বামী তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের অধিকার দেননি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন, তোমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। এরপর আমি তাঁকে ‘ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার কথা জানালাম। তখন মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ), আবূ জাহম (রাঃ) ও উসামাহ্‌ (রাঃ) তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠান। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’আবিয়াহ্‌ তো একজন গরীব মানুষ, তার কোন ধনসম্পদ নেই। আর আবূ জাহম-সে তো স্ত্রীদের প্রহারকারী। তবে উসামাহ্‌- তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহন করতে পার। তখন তিনি তার হাতের ইশারায় বললেন, উসামাহ্‌ তো এরূপ। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করাই তোমার জন্য কল্যাণকর। তিনি বললেন, তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। (আল্লাহ আমাকে প্রাচুর্য ও বিত্তবৈভবে পরিপূর্ণ করে দিলেন) ফলে আমি ঈর্ষার কেন্দ্রে পরিণত হলাম। (ই.ফা. ৩৫৭৪, ই.সে. ৩৫৭৪)

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ জাহ্‌ম ইবনু সুখায়র আল ‘আদাবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়স(রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তার স্বামী তাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষের অধিকার দেননি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন, তোমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হলে তুমি আমাকে জানাবে। এরপর আমি তাঁকে ‘ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার কথা জানালাম। তখন মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ), আবূ জাহম (রাঃ) ও উসামাহ্‌ (রাঃ) তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠান। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মু’আবিয়াহ্‌ তো একজন গরীব মানুষ, তার কোন ধনসম্পদ নেই। আর আবূ জাহম-সে তো স্ত্রীদের প্রহারকারী। তবে উসামাহ্‌- তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহন করতে পার। তখন তিনি তার হাতের ইশারায় বললেন, উসামাহ্‌ তো এরূপ। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করাই তোমার জন্য কল্যাণকর। তিনি বললেন, তখন আমি তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। (আল্লাহ আমাকে প্রাচুর্য ও বিত্তবৈভবে পরিপূর্ণ করে দিলেন) ফলে আমি ঈর্ষার কেন্দ্রে পরিণত হলাম। (ই.ফা. ৩৫৭৪, ই.সে. ৩৫৭৪)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي بكر بن أبي، الجهم بن صخير العدوي قال سمعت فاطمة بنت قيس، تقول إن زوجها طلقها ثلاثا فلم يجعل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا حللت فآذنيني ‏"‏ ‏.‏ فآذنته فخطبها معاوية وأبو جهم وأسامة بن زيد ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما معاوية فرجل ترب لا مال له وأما أبو جهم فرجل ضراب للنساء ولكن أسامة بن زيد ‏"‏ ‏.‏ فقالت بيدها هكذا أسامة أسامة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ طاعة الله وطاعة رسوله خير لك ‏"‏ ‏.‏ قالت فتزوجته فاغتبطت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১০

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا هشام، عن أبيه، عن فاطمة، بنت قيس قالت قلت يا رسول الله زوجي طلقني ثلاثا وأخاف أن يقتحم على ‏.‏ قال فأمرها فتحولت ‏.‏

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন, আমার আশংকা হয় যে, তিনি আমার উপর চড়াও হবেন। তখন তিনি তাকে অন্যত্র চলে যাবার নির্দেশ দিলেন এবং তিনি চলে গেলেন। (ই.ফা. ৩৫৮০, ই.সে. ৩৫৮০)

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে তিন ত্বলাক্ব দিয়েছেন, আমার আশংকা হয় যে, তিনি আমার উপর চড়াও হবেন। তখন তিনি তাকে অন্যত্র চলে যাবার নির্দেশ দিলেন এবং তিনি চলে গেলেন। (ই.ফা. ৩৫৮০, ই.সে. ৩৫৮০)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا حفص بن غياث، حدثنا هشام، عن أبيه، عن فاطمة، بنت قيس قالت قلت يا رسول الله زوجي طلقني ثلاثا وأخاف أن يقتحم على ‏.‏ قال فأمرها فتحولت ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১১

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت ما لفاطمة خير أن تذكر هذا ‏.‏ قال تعني قولها لا سكنى ولا نفقة ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স-এর জন্য এ কথা বলায় কোন কল্যাণ নেই যে, তিন ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নেই। (ই.ফা. ৩৫৮১, ই.সে. ৩৫৮১)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাত্বিমাহ্‌ বিনতু ক্বায়স-এর জন্য এ কথা বলায় কোন কল্যাণ নেই যে, তিন ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নেই। (ই.ফা. ৩৫৮১, ই.সে. ৩৫৮১)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، عن عائشة، أنها قالت ما لفاطمة خير أن تذكر هذا ‏.‏ قال تعني قولها لا سكنى ولا نفقة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৪

حدثنا حسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم، بن سعد حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، أخبره أن فاطمة بنت قيس أخبرته أنها، كانت تحت أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فطلقها آخر ثلاث تطليقات فزعمت أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تستفتيه في خروجها من بيتها فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى فأبى مروان أن يصدقه في خروج المطلقة من بيتها وقال عروة إن عائشة أنكرت ذلك على فاطمة بنت قيس.‏

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ ‘আমর ইবনু হাফস্ ইবনু মুগীরাহ্ (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাকে চূড়ান্ত তিন ত্বলাক্ব দিলেন। তখন তিনি [ফাত্বিমাহ্ বিনত ক্বায়স(রাঃ)] ভাবলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে যাবেন এবং তার স্বামীর ঘর থেকে অন্যত্র অবস্থানের ব্যাপারে তাঁর নিকট থেকে সিদ্ধান্ত জেনে নিবেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেন যে, তুমি অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে চলে যাও। মারওয়ান (উমাইয়্যা গভর্নর) ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলার (স্বামীর) ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে তার (আবূ সালামার) বর্ণনার সত্যতা অস্বীকার করেন। ‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ও ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর বিষয়টি (স্বামীর ঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করা) প্রত্যাখ্যান করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৬৪, ই.সে. ৩৫৬৪)

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ ‘আমর ইবনু হাফস্ ইবনু মুগীরাহ্ (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাকে চূড়ান্ত তিন ত্বলাক্ব দিলেন। তখন তিনি [ফাত্বিমাহ্ বিনত ক্বায়স(রাঃ)] ভাবলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে যাবেন এবং তার স্বামীর ঘর থেকে অন্যত্র অবস্থানের ব্যাপারে তাঁর নিকট থেকে সিদ্ধান্ত জেনে নিবেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেন যে, তুমি অন্ধ ইবনু উম্মু মাকতূমের ঘরে চলে যাও। মারওয়ান (উমাইয়্যা গভর্নর) ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলার (স্বামীর) ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে তার (আবূ সালামার) বর্ণনার সত্যতা অস্বীকার করেন। ‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ও ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর বিষয়টি (স্বামীর ঘর ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করা) প্রত্যাখ্যান করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৬৪, ই.সে. ৩৫৬৪)

حدثنا حسن بن علي الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم، بن سعد حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، أخبره أن فاطمة بنت قيس أخبرته أنها، كانت تحت أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فطلقها آخر ثلاث تطليقات فزعمت أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم تستفتيه في خروجها من بيتها فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى فأبى مروان أن يصدقه في خروج المطلقة من بيتها وقال عروة إن عائشة أنكرت ذلك على فاطمة بنت قيس.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৩

وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا أبو داود، حدثنا سليمان بن معاذ، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد نحو حديث أبي أحمد عن عمار بن رزيق، بقصته ‏.‏

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে আবূ আহ্‌মাদ ‘আম্মার ইবনু রুযায়ক্ব সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৭৩, ই.সে. ৩৫৭৩)

আবূ ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে আবূ আহ্‌মাদ ‘আম্মার ইবনু রুযায়ক্ব সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৭৩, ই.সে. ৩৫৭৩)

وحدثنا أحمد بن عبدة الضبي، حدثنا أبو داود، حدثنا سليمان بن معاذ، عن أبي، إسحاق بهذا الإسناد نحو حديث أبي أحمد عن عمار بن رزيق، بقصته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০০

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في المطلقة ثلاثا قال ‏ "‏ ليس لها سكنى ولا نفقة ‏"‏ ‏.‏

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তিন ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলা সর্ম্পকে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ কোনটাই নেই। (ই.ফা. ৩৫৭০, ই.সে. ৩৫৭০)

ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তিন ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলা সর্ম্পকে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ কোনটাই নেই। (ই.ফা. ৩৫৭০, ই.সে. ৩৫৭০)

حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن سلمة بن كهيل، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في المطلقة ثلاثا قال ‏ "‏ ليس لها سكنى ولا نفقة ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৬

وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو عاصم، حدثنا سفيان الثوري، حدثني أبو بكر بن أبي الجهم، قال دخلت أنا وأبو سلمة بن عبد الرحمن على فاطمة بنت قيس فسألناها فقالت كنت عند أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فخرج في غزوة نجران ‏.‏ وساق الحديث بنحو حديث ابن مهدي وزاد قالت فتزوجته فشرفني الله بابن زيد وكرمني الله بابن زيد ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি এবং আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স এর কাছে গেলাম। এরপর আমরা তাকে (তার ত্বলাক্ব সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আবূ ‘আম্‌র হাফস্ ইবনু মুগীরার স্ত্রী ছিলাম। একবার তিনি নাজরানের যুদ্ধে রওনা হয়ে গেলেন। এরপর আবূ বকর ইবনু আবূ জাহ্ম (রাঃ) ইবনু মাহদী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন যে, “তিনি (ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স) বলেন, আর আমি তাকে বিয়ে করলাম। এরপর আল্লাহ ইবনু যায়দের দ্বারা আমাকে সম্মানিত করলেন এবং আমাকে তার মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করলেন। (ই.ফা. ৩৫৭৬, ই.সে. ৩৫৭৬)

আবূ বাকর ইবনু আবূ জাহম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি এবং আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স এর কাছে গেলাম। এরপর আমরা তাকে (তার ত্বলাক্ব সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি আবূ ‘আম্‌র হাফস্ ইবনু মুগীরার স্ত্রী ছিলাম। একবার তিনি নাজরানের যুদ্ধে রওনা হয়ে গেলেন। এরপর আবূ বকর ইবনু আবূ জাহ্ম (রাঃ) ইবনু মাহদী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন যে, “তিনি (ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স) বলেন, আর আমি তাকে বিয়ে করলাম। এরপর আল্লাহ ইবনু যায়দের দ্বারা আমাকে সম্মানিত করলেন এবং আমাকে তার মাধ্যমে উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করলেন। (ই.ফা. ৩৫৭৬, ই.সে. ৩৫৭৬)

وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا أبو عاصم، حدثنا سفيان الثوري، حدثني أبو بكر بن أبي الجهم، قال دخلت أنا وأبو سلمة بن عبد الرحمن على فاطمة بنت قيس فسألناها فقالت كنت عند أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فخرج في غزوة نجران ‏.‏ وساق الحديث بنحو حديث ابن مهدي وزاد قالت فتزوجته فشرفني الله بابن زيد وكرمني الله بابن زيد ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫৯৫

وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا حجين، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد مثله مع قول عروة إن عائشة أنكرت ذلك على فاطمة ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়ার উক্তিসহ বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ্( রাযিঃ) ফাত্বিমার উক্ত ঘটনা অস্বীকার করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৬৫, ই.সে. ৩৫৬৫)

ইবনু শিহাব (রহঃ) এ সানাদ থেকে বর্নিতঃ

‘উরওয়ার উক্তিসহ বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ্( রাযিঃ) ফাত্বিমার উক্ত ঘটনা অস্বীকার করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৬৫, ই.সে. ৩৫৬৫)

وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا حجين، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، بهذا الإسناد مثله مع قول عروة إن عائشة أنكرت ذلك على فاطمة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬০৯

وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، حدثني أبي قال، تزوج يحيى بن سعيد بن العاص بنت عبد الرحمن بن الحكم فطلقها فأخرجها من عنده فعاب ذلك عليهم عروة فقالوا إن فاطمة قد خرجت ‏.‏ قال عروة فأتيت عائشة فأخبرتها بذلك فقالت ما لفاطمة بنت قيس خير في أن تذكر هذا الحديث ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম-এর কন্যাকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি তাকে তিন ত্বলাক্ব দেন এবং তাকে তার থেকে বের করে দেন। ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) এতে তাদের ভর্ৎসনা করেন। তারা বললেন, ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)ও তো ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। ‘উরওয়াহ্ বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এলাম এবং তাঁর কাছে এ ঘটনা উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর জন্য কোন কল্যাণ নেই যে, সে এ হাদীস বর্ণনা করবে। (ই.ফা. ৩৫৭৯, ই.সে. ৩৫৭৯)

হিশাম (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম-এর কন্যাকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি তাকে তিন ত্বলাক্ব দেন এবং তাকে তার থেকে বের করে দেন। ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) এতে তাদের ভর্ৎসনা করেন। তারা বললেন, ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)ও তো ঘর থেকে বের হয়েছিলেন। ‘উরওয়াহ্ বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এলাম এবং তাঁর কাছে এ ঘটনা উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স-এর জন্য কোন কল্যাণ নেই যে, সে এ হাদীস বর্ণনা করবে। (ই.ফা. ৩৫৭৯, ই.সে. ৩৫৭৯)

وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، حدثني أبي قال، تزوج يحيى بن سعيد بن العاص بنت عبد الرحمن بن الحكم فطلقها فأخرجها من عنده فعاب ذلك عليهم عروة فقالوا إن فاطمة قد خرجت ‏.‏ قال عروة فأتيت عائشة فأخبرتها بذلك فقالت ما لفاطمة بنت قيس خير في أن تذكر هذا الحديث ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১২

وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، قال قال عروة بن الزبير لعائشة ألم ترى إلى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئسما صنعت ‏.‏ فقال ألم تسمعي إلى قول فاطمة فقالت أما إنه لا خير لها في ذكر ذلك ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু ক্বাসিম (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, হাকামের অমুক মেয়েটির সম্পর্কে আপনি কি অবহিত নন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়েছে। তিনি বললেন, আপনি কি ফাত্বিমার উক্তি শুনেননি? তখন তিনি (‘উরওয়াহ্) বললেন, তার উক্তি বর্ণনার মধ্যে তার জন্য কোন কল্যাণ নেই। (ই.ফা. ৩৫৮২, ই.সে. ৩৫৮২)

‘আবদুর রহমান ইবনু ক্বাসিম (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, হাকামের অমুক মেয়েটির সম্পর্কে আপনি কি অবহিত নন যে, তার স্বামী তাকে বায়িন ত্বলাক্ব দিয়েছেন। এরপর সে ঘর থেকে বের হয়েছে। তিনি বললেন, আপনি কি ফাত্বিমার উক্তি শুনেননি? তখন তিনি (‘উরওয়াহ্) বললেন, তার উক্তি বর্ণনার মধ্যে তার জন্য কোন কল্যাণ নেই। (ই.ফা. ৩৫৮২, ই.সে. ৩৫৮২)

وحدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، قال قال عروة بن الزبير لعائشة ألم ترى إلى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت فقالت بئسما صنعت ‏.‏ فقال ألم تسمعي إلى قول فاطمة فقالت أما إنه لا خير لها في ذكر ذلك ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বায়িন ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলা এবং বিধবার জন্য ‘ইদ্দাত পালনকালে প্রয়োজনে দিনের বেলায় ঘরের বাইরে যাওয়া জায়িয

সহিহ মুসলিম ৩৬১৩

وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، ح وحدثني هارون بن عبد الله، - واللفظ له - حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول طلقت خالتي فأرادت أن تجد نخلها فزجرها رجل أن تخرج فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ بلى فجدي نخلك فإنك عسى أن تصدقي أو تفعلي معروفا ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খালা ত্বালাক্বপ্রাপ্তা হন। এরপর তিনি তাঁর (খেজুর বাগানের) খেজুর পাড়ার ইচ্ছা করলেন। এক ব্যক্তি তাকে বাইরে যেতে বাধা দিলেন। তখন তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর পাড়ার জন্য বাইরে যেতে পার। কারন সম্ভবত তা থেকে অন্যদের সদাক্বাহ্ করবে অথবা অন্য কোন ভাল কাজ করবে। (ই.ফা. ৩৫৮৩, ই.সে. ৩৫৮৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খালা ত্বালাক্বপ্রাপ্তা হন। এরপর তিনি তাঁর (খেজুর বাগানের) খেজুর পাড়ার ইচ্ছা করলেন। এক ব্যক্তি তাকে বাইরে যেতে বাধা দিলেন। তখন তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর পাড়ার জন্য বাইরে যেতে পার। কারন সম্ভবত তা থেকে অন্যদের সদাক্বাহ্ করবে অথবা অন্য কোন ভাল কাজ করবে। (ই.ফা. ৩৫৮৩, ই.সে. ৩৫৮৩)

وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، ح وحدثني هارون بن عبد الله، - واللفظ له - حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول طلقت خالتي فأرادت أن تجد نخلها فزجرها رجل أن تخرج فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ بلى فجدي نخلك فإنك عسى أن تصدقي أو تفعلي معروفا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম > বিধবা ও অন্যান্য ত্বলাক্বপ্রাপ্তা মহিলার সন্তান প্রসবের সাথে সাথে ‘ইদ্দাত পূর্ণ হওয়া

সহিহ মুসলিম ৩৬১৫

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، أخبرني سليمان بن يسار، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، وابن، عباس اجتمعا عند أبي هريرة وهما يذكران المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال ‏.‏ فقال ابن عباس عدتها آخر الأجلين ‏.‏ وقال أبو سلمة قد حلت ‏.‏ فجعلا يتنازعان ذلك قال فقال أبو هريرة أنا مع ابن أخي - يعني أبا سلمة - فبعثوا كريبا - مولى ابن عباس - إلى أم سلمة يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أن أم سلمة قالت إن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال وإنها ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرها أن تتزوج ‏.‏

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর কাছে সমবেত হলেন। তাঁরা এমন একজন মহিলার কথা আলোচনা করছিলেনি যিনি তাঁর স্বামীর ইনতিকালের কয়েক দিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তার ইদ্দাত হবে দু’টির মধ্যে দীর্ঘতরটি। আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা দু’জনে বিতর্ক শুরূ করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি আমার ভাতিজা আবূ সালামার পক্ষে। এরপর তারা সবাই ইবনু ‘আব্বাসের মুক্তদাস কুরায়বকে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন। সে তাদের কাছে এসে বলল যে, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, সুবায়’আহ্‌ আসলামিয়্যাহ্‌ তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক রাত পরই সন্তান প্রসব করেন এবং সে বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট উপস্থাপন করেন। তখন তিনি তাকে বিবাহ করার অনুমতি দেন। (ই.ফা. ৩৫৮৫, ই.সে. ৩৫৮৫)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর কাছে সমবেত হলেন। তাঁরা এমন একজন মহিলার কথা আলোচনা করছিলেনি যিনি তাঁর স্বামীর ইনতিকালের কয়েক দিন পরেই সন্তান প্রসব করেছেন। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তার ইদ্দাত হবে দু’টির মধ্যে দীর্ঘতরটি। আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা দু’জনে বিতর্ক শুরূ করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) বললেন, আমি আমার ভাতিজা আবূ সালামার পক্ষে। এরপর তারা সবাই ইবনু ‘আব্বাসের মুক্তদাস কুরায়বকে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন। সে তাদের কাছে এসে বলল যে, উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, সুবায়’আহ্‌ আসলামিয়্যাহ্‌ তার স্বামীর ইনতিকালের কয়েক রাত পরই সন্তান প্রসব করেন এবং সে বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট উপস্থাপন করেন। তখন তিনি তাকে বিবাহ করার অনুমতি দেন। (ই.ফা. ৩৫৮৫, ই.সে. ৩৫৮৫)

حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، أخبرني سليمان بن يسار، أن أبا سلمة بن عبد الرحمن، وابن، عباس اجتمعا عند أبي هريرة وهما يذكران المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال ‏.‏ فقال ابن عباس عدتها آخر الأجلين ‏.‏ وقال أبو سلمة قد حلت ‏.‏ فجعلا يتنازعان ذلك قال فقال أبو هريرة أنا مع ابن أخي - يعني أبا سلمة - فبعثوا كريبا - مولى ابن عباس - إلى أم سلمة يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أن أم سلمة قالت إن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال وإنها ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرها أن تتزوج ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৪

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - وتقاربا في اللفظ - قال حرملة حدثنا وقال أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، - حدثني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن أباه، كتب إلى عمر بن عبد الله بن الأرقم الزهري يأمره أن يدخل، على سبيعة بنت الحارث الأسلمية فيسألها عن حديثها وعما قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين استفتته فكتب عمر بن عبد الله إلى عبد الله بن عتبة يخبره أن سبيعة أخبرته أنها كانت تحت سعد ابن خولة وهو في بني عامر بن لؤى وكان ممن شهد بدرا فتوفي عنها في حجة الوداع وهى حامل فلم تنشب أن وضعت حملها بعد وفاته فلما تعلت من نفاسها تجملت للخطاب فدخل عليها أبو السنابل بن بعكك - رجل من بني عبد الدار - فقال لها ما لي أراك متجملة لعلك ترجين النكاح إنك والله ما أنت بناكح حتى تمر عليك أربعة أشهر وعشر ‏.‏ قالت سبيعة فلما قال لي ذلك جمعت على ثيابي حين أمسيت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألته عن ذلك فأفتاني بأني قد حللت حين وضعت حملي وأمرني بالتزوج إن بدا لي ‏.‏ قال ابن شهاب فلا أرى بأسا أن تتزوج حين وضعت وإن كانت في دمها غير أن لا يقربها زوجها حتى تطهر ‏.‏

‘উবায়দুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আরক্বাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়’আহ্ বিনতু হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। যখন তিনি রসুলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফাতাওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন তখন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উত্বাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়’আহ্ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বানূ ‘আমির ইবনু লুঈ গোত্রের সা’দ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বদরী সহাবী এবং বিদায় হাজ্জের সময় ওফাত পান। সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতার জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বানূ ‘আবদুদ্ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা’কাক নামক এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মতলব কী? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবায়’আহ্ বললেন, যখন লোকটি আমাকে এ কথা বলল, তখন কাপড়-চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে চলে এলাম। এরপর আমি তাঁকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রসূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আমি দূষনীয় মনে করি না, যদিও সে তখন নিফাসের ‘ইদ্দাত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী যেন স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম না করে। (ই.ফা. ৩৫৮৪, ই.সে. ৩৫৮৪)

‘উবায়দুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আরক্বাম যুহরীকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন যে, তিনি যেন সুবায়’আহ্ বিনতু হারিস আসলামীর কাছে চলে যান। এরপর তাকে তার হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। যখন তিনি রসুলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফাতাওয়া চাইছিলেন এবং তিনি তাকে যা বলেছিলেন তখন ‘উমার ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উত্বাকে লিখে পাঠালেন যে, সুবায়’আহ্ তাকে জানিয়েছেন- তিনি বানূ ‘আমির ইবনু লুঈ গোত্রের সা’দ ইবনু খাওলার স্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন বদরী সহাবী এবং বিদায় হাজ্জের সময় ওফাত পান। সে সময়ে তিনি গর্ভবতী ছিলেন। তার স্বামীর ইন্তিকালের অব্যবহিত পরেই তিনি সন্তান প্রসব করেন। এরপর যখন তিনি নিফাস থেকে পবিত্র হলেন, তখন বিবাহের পয়গামদাতার জন্য সাজসজ্জা করতে লাগলেন। তখন বানূ ‘আবদুদ্ দার গোত্রের আবূ সানাবিল ইবনু বা’কাক নামক এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এলেন। তখন তিনি তাঁকে বললেন, মতলব কী? আমি তোমাকে সাজসজ্জা করতে দেখতে পাচ্ছি! সম্ভবত তুমি বিবাহ প্রত্যাশী? আল্লাহর কসম! চার মাস দশদিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি বিয়ে করতে পারবে না। সুবায়’আহ্ বললেন, যখন লোকটি আমাকে এ কথা বলল, তখন কাপড়-চোপড় পরিধান করে সন্ধ্যাবেলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে চলে এলাম। এরপর আমি তাঁকে সে বিষয়ে জানিয়ে দিলাম। তিনি আমাকে জানিয়ে দিলেন যে, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সাথে সাথেই আমার ‘ইদ্দাত পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তিনি আমাকে আরও নির্দেশ দিলেন যে, আমি ইচ্ছা করলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই প্রসূতির জন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে আমি দূষনীয় মনে করি না, যদিও সে তখন নিফাসের ‘ইদ্দাত পালনরত থাকে। তবে নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পূর্বে স্বামী যেন স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গম না করে। (ই.ফা. ৩৫৮৪, ই.সে. ৩৫৮৪)

وحدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - وتقاربا في اللفظ - قال حرملة حدثنا وقال أبو الطاهر، أخبرنا ابن وهب، - حدثني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، أن أباه، كتب إلى عمر بن عبد الله بن الأرقم الزهري يأمره أن يدخل، على سبيعة بنت الحارث الأسلمية فيسألها عن حديثها وعما قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم حين استفتته فكتب عمر بن عبد الله إلى عبد الله بن عتبة يخبره أن سبيعة أخبرته أنها كانت تحت سعد ابن خولة وهو في بني عامر بن لؤى وكان ممن شهد بدرا فتوفي عنها في حجة الوداع وهى حامل فلم تنشب أن وضعت حملها بعد وفاته فلما تعلت من نفاسها تجملت للخطاب فدخل عليها أبو السنابل بن بعكك - رجل من بني عبد الدار - فقال لها ما لي أراك متجملة لعلك ترجين النكاح إنك والله ما أنت بناكح حتى تمر عليك أربعة أشهر وعشر ‏.‏ قالت سبيعة فلما قال لي ذلك جمعت على ثيابي حين أمسيت فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألته عن ذلك فأفتاني بأني قد حللت حين وضعت حملي وأمرني بالتزوج إن بدا لي ‏.‏ قال ابن شهاب فلا أرى بأسا أن تتزوج حين وضعت وإن كانت في دمها غير أن لا يقربها زوجها حتى تطهر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৬

وحدثناه محمد بن رمح، أخبرنا الليث، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو، الناقد قالا حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن يحيى بن سعيد، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أنقال في حديثه فأرسلوا إلى أم سلمة ولم يسم كريبا ‏.‏

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে, “তারা সবাই উম্মু সালামার কাছে সংবাদ পাঠালেন” এবং তিনি (লায়স) কুরায়বের নাম উল্লেখ করেনেনি। (ই.ফা. ৩৫৮৬, ই.সে. ৩৫৮৬)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে, “তারা সবাই উম্মু সালামার কাছে সংবাদ পাঠালেন” এবং তিনি (লায়স) কুরায়বের নাম উল্লেখ করেনেনি। (ই.ফা. ৩৫৮৬, ই.সে. ৩৫৮৬)

وحدثناه محمد بن رمح، أخبرنا الليث، ح وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو، الناقد قالا حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن يحيى بن سعيد، بهذا الإسناد ‏.‏ غير أنقال في حديثه فأرسلوا إلى أم سلمة ولم يسم كريبا ‏.‏


সহিহ মুসলিম > স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম

সহিহ মুসলিম ৩৬২১

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، قالت توفي حميم لأم حبيبة فدعت بصفرة فمسحته بذراعيها وقالت إنما أصنع هذا لأني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিক়াল করেন৷ এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়৷ তৰে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনত উম্মু সালামাকে বলতে শুনেছি যে, উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর একজন নিকট আত্মীয় ইনতিক়াল করেন৷ এরপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠান এবং তার দু' বাহুতে মেখে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আমি তা এজন্য করলাম যে, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়৷ তৰে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، قالت توفي حميم لأم حبيبة فدعت بصفرة فمسحته بذراعيها وقالت إنما أصنع هذا لأني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৪

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، بالحديثين جميعا حديث أم سلمة في الكحل وحديث أم سلمة وأخرى من أزواج النبي صلى الله عليه وسلم غير أنه لم تسمها زينب نحو حديث محمد بن جعفر ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্‌ (রাযি:) বর্ণিত হাদীস এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন- “মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফার (রহ:) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।” (ই.ফা. ৩৫৯০, ই.সে. ৩৫৯০)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত উম্মু সালামাহ্‌ (রাযি:) বর্ণিত হাদীস এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মধ্যে থেকে কোন একজনের বর্ণিত হাদীস উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ করেছেন- “মুহাম্মাদ ইবনু জা‘ফার (রহ:) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। যায়নাব তার নাম উল্লেখ করেননি।” (ই.ফা. ৩৫৯০, ই.সে. ৩৫৯০)

وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، بالحديثين جميعا حديث أم سلمة في الكحل وحديث أم سلمة وأخرى من أزواج النبي صلى الله عليه وسلم غير أنه لم تسمها زينب نحو حديث محمد بن جعفر ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৩

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، تحدث عن أمها، أن امرأة، توفي زوجها فخافوا على عينها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاستأذنوه في الكحل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن تكون في شر بيتها في أحلاسها - أو في شر أحلاسها في بيتها - حولا فإذا مر كلب رمت ببعرة فخرجت أفلا أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তাঁর মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল৷ লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল৷ তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন৷ তারা তাঁর কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিঁড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (‘ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত৷ এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে ঊটেব বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হযে পড়ত৷ এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ই.ফা. ৩৫৮৯, ই.সে. ৩৫৮৯)

হুমায়দ ইবনু নাফ়ি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাকে তাঁর মায়ের সূত্রে বলতে শুনেছি যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেল৷ লোকেরা তার চোখের ব্যাপারে আশংকাবোধ করল৷ তখন তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলেন৷ তারা তাঁর কাছে মহিলার চোখে সুরমা ব্যবহারের অনুমতি চাইল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে তোমাদের কেউ কেউ সাদা-মাটা কাপড়-চোপড় কিংবা ছিঁড়ে-ফাড়া বস্ত্র পরিধান করে একটি সংকীর্ণ কক্ষে পুরো এক বছর (‘ইদ্দাত পালনের জন্য) অতিবাহিত করত৷ এরপর কোন কুকুর তার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে সে ঊটেব বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে বাইরে বের হযে পড়ত৷ এ কুসংস্কারের পরিবর্তে চারমাস দশদিন পর্যন্ত প্রতীক্ষা করতে তোমরা কি সক্ষম হবে না? (ই.ফা. ৩৫৮৯, ই.সে. ৩৫৮৯)

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، قال سمعت زينب بنت أم سلمة، تحدث عن أمها، أن امرأة، توفي زوجها فخافوا على عينها فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فاستأذنوه في الكحل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن تكون في شر بيتها في أحلاسها - أو في شر أحلاسها في بيتها - حولا فإذا مر كلب رمت ببعرة فخرجت أفلا أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৫

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن حميد بن نافع، أنه سمع زينب بنت أبي سلمة، تحدث عن أم سلمة، وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن بنتا لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهى تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشر ‏"‏ ‏.‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্‌ ও উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যাবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ই.ফা ৩৫৯১, ই.সে. ৩৫৯১)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যায়নাব বিনতু আবূ সালামাকে উম্মু সালামাহ্‌ ও উম্মু হাবীবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলো। তিনি তাঁর (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) কাছে উত্থাপন করলেন যে, আমার মেয়ের স্বামী মারা গিয়েছে। (তার শোক পালন করতে গিয়ে) তার চোখে অসুখ হয়েছে। সে এখন তার চোখে সুরমা ব্যাবহার করতে চায়। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ (জাহিলিয়্যাত যুগে স্বামীর মৃত্যুতে) তোমাদের কেউ এক বছর পূর্তি পর্যন্ত উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চারমাস দশদিন। (ই.ফা ৩৫৯১, ই.সে. ৩৫৯১)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا يحيى بن سعيد، عن حميد بن نافع، أنه سمع زينب بنت أبي سلمة، تحدث عن أم سلمة، وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له أن بنتا لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهى تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشر ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৭

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، أنها أخبرته هذه الأحاديث الثلاثة، قال قالت زينب دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়নাব বিনতু আৰূ সালামাহ্‌ (রাঃ) তাকে এ তিনটি হাদীস রর্ণনা করেছেন৷ তিনি (হুমায়দ ইবনু নাফি') বলেন, যায়নাব (রাঃ) বলেছেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সহধর্মিণী উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ)-এর পিতা আবু সুফ্‌ইয়ান ইন্‌তিকাল করেন তখন আমি তাঁর কাছে গেলাম৷ আমি দেখতে পেলাম যে, উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ) হলদে বর্ণের মিশ্রিত সুগন্ধি আনলেন অথবা অন্য কোন প্রসাধনী চেয়ে পাঠালেন৷ এরপর তা থেকে একটি বালিকাকে নিজ হাতে লাগিয়ে দিলেন৷ এরপর তিনি তার দু' কপালে হাত মুছে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না৷ তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখে সে মহিলার জন্য তার কোন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়I তবে বিধবা তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করতে পারবে৷ (ই.ফা ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

হুমায়দ ইবনু নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়নাব বিনতু আৰূ সালামাহ্‌ (রাঃ) তাকে এ তিনটি হাদীস রর্ণনা করেছেন৷ তিনি (হুমায়দ ইবনু নাফি') বলেন, যায়নাব (রাঃ) বলেছেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সহধর্মিণী উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ)-এর পিতা আবু সুফ্‌ইয়ান ইন্‌তিকাল করেন তখন আমি তাঁর কাছে গেলাম৷ আমি দেখতে পেলাম যে, উম্মু হাৰীবাহ্ (রাঃ) হলদে বর্ণের মিশ্রিত সুগন্ধি আনলেন অথবা অন্য কোন প্রসাধনী চেয়ে পাঠালেন৷ এরপর তা থেকে একটি বালিকাকে নিজ হাতে লাগিয়ে দিলেন৷ এরপর তিনি তার দু' কপালে হাত মুছে নিলেন৷ এরপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না৷ তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান রাখে সে মহিলার জন্য তার কোন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়I তবে বিধবা তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করতে পারবে৷ (ই.ফা ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، أنها أخبرته هذه الأحاديث الثلاثة، قال قالت زينب دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت منه جارية ثم مست بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ‏"‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৬

وحدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لعمرو - حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، قالت لما أتى أم حبيبة نعي أبي سفيان دعت في اليوم الثالث بصفرة فمسحت به ذراعيها وعارضيها وقالت كنت عن هذا غنية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏‏.‏

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সা)-এর সহধর্মিণী হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে তার পিতা আবূ সুফ্‌ইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিত্নি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু’হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯২, ই.সে. ৩৫৯২)

যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন নবী (সা)-এর সহধর্মিণী হাবীবাহ্‌ (রাঃ)-এর কাছে তার পিতা আবূ সুফ্‌ইয়ানের ইনতিকালের খবর পৌঁছল তখন তৃতীয় দিনে তিত্নি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার দু’হাতে গায়ে ভাল করে তা মেখে নিলেন। আর বললেন, আমার এর কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি স্বতন্ত্র। কেননা সে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯২, ই.সে. ৩৫৯২)

وحدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، - واللفظ لعمرو - حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب بن موسى، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أبي سلمة، قالت لما أتى أم حبيبة نعي أبي سفيان دعت في اليوم الثالث بصفرة فمسحت به ذراعيها وعارضيها وقالت كنت عن هذا غنية سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد فوق ثلاث إلا على زوج فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩০

وحدثنا أبو الربيع، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، جميعا عن نافع، عن صفية بنت أبي عبيد، عن بعض، أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم ‏.‏

সফিয়্যাহ্‌ বিনতু আবূ উবায়দ (রহঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহধার্মিণী সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৫৯৬, ই.সে. ৩৫৯৬)

সফিয়্যাহ্‌ বিনতু আবূ উবায়দ (রহঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সহধার্মিণী সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তাদের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৫৯৬, ই.সে. ৩৫৯৬)

وحدثنا أبو الربيع، حدثنا حماد، عن أيوب، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبيد الله، جميعا عن نافع، عن صفية بنت أبي عبيد، عن بعض، أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديثهم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৯

وحدثناه أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول سمعت نافعا، يحدث عن صفية بنت أبي عبيد، أنها سمعت حفصة بنت عمر، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث الليث وابن دينار وزاد ‏ "‏ فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏

সফিয়্যাহ্‌ বর্ণিত আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধার্মিণী ‘উমারের কন্যা হাফ্‌সাহ্‌ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। রাবী কর্তৃক বর্ণিত এ বর্ণনাটি লায়স ও ইবনু দীনার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে “কারণ সে তার (স্বামীর) জন্য চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (ই.ফা ৩৫৯৫, ই.সে. ৩৫৯৫)

সফিয়্যাহ্‌ বর্ণিত আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধার্মিণী ‘উমারের কন্যা হাফ্‌সাহ্‌ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। রাবী কর্তৃক বর্ণিত এ বর্ণনাটি লায়স ও ইবনু দীনার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে তার বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে “কারণ সে তার (স্বামীর) জন্য চার মাস দশদিন শোক পালন করবে।” (ই.ফা ৩৫৯৫, ই.সে. ৩৫৯৫)

وحدثناه أبو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول سمعت نافعا، يحدث عن صفية بنت أبي عبيد، أنها سمعت حفصة بنت عمر، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث الليث وابن دينار وزاد ‏ "‏ فإنها تحد عليه أربعة أشهر وعشرا ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩২

وحدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحد امرأة على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تمس طيبا إلا إذا طهرت نبذة من قسط أو أظفار ‏"‏ ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এ সময় সীমায় (‘ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যাবহার করবে না এবং সে হায়য থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শন স্বরূপ) কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৮, ই.সে. ৩৫৯৮)

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এ সময় সীমায় (‘ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যাবহার করবে না এবং সে হায়য থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শন স্বরূপ) কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৮, ই.সে. ৩৫৯৮)

وحدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، عن هشام، عن حفصة، عن أم عطية، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحد امرأة على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تمس طيبا إلا إذا طهرت نبذة من قسط أو أظفار ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩৪

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت كنا ننهى أن نحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا نكتحل ولا نتطيب ولا نلبس ثوبا مصبوغا وقد رخص للمرأة في طهرها إذا اغتسلت إحدانا من محيضها في نبذة من قسط وأظفار ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা চোখে (‘ইদ্দাতকালীন) সময়ে সুরমা লাগাতাম না, কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যাবহার করতাম না এবং রঙিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোন মহিলা যখন হায়য থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত। (ই.ফা. ৩৬০০, ই.সে. ৩৬০০)

উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা চোখে (‘ইদ্দাতকালীন) সময়ে সুরমা লাগাতাম না, কোন প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যাবহার করতাম না এবং রঙিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোন মহিলা যখন হায়য থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুস্‌ত ও আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত। (ই.ফা. ৩৬০০, ই.সে. ৩৬০০)

وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت كنا ننهى أن نحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا ولا نكتحل ولا نتطيب ولا نلبس ثوبا مصبوغا وقد رخص للمرأة في طهرها إذا اغتسلت إحدانا من محيضها في نبذة من قسط وأظفار ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩১

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب - واللفظ ليحيى - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ্‌ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৭, ই.সে. ৩৫৯৭)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ্‌ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৭, ই.সে. ৩৫৯৭)

وحدثنا يحيى بن يحيى، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب - واللفظ ليحيى - قال يحيى أخبرنا وقال الآخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৯

قالت زينب سمعت أمي أم سلمة، تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها أفنكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال ‏"‏ إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول ‏"

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি আমার মা উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, একবার এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কন্যাকে রেখে তার স্বামী ইন্তিকাল করেছেন৷ তার (শোক পালন করতে গিয়ে) চোখে অসুখ হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কি তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'না'৷ এরপর সে দুই কি তিন বার জিজ্ঞেস করল। প্রতিবারই তিনি বললেন, ‘না’। এরপর তিনি বললেন, তার ‘ইদ্দাত তো চারমাস দশদিন। অথচ জাহিলিইয়্যাহ যুগে তোমাদের একজন মহিলা বছরাস্তে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর যায়নাব (রাঃ) বলেন, আমি আমার মা উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, একবার এক মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার কন্যাকে রেখে তার স্বামী ইন্তিকাল করেছেন৷ তার (শোক পালন করতে গিয়ে) চোখে অসুখ হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা কি তার চোখে সুরমা ব্যবহার করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ 'না'৷ এরপর সে দুই কি তিন বার জিজ্ঞেস করল। প্রতিবারই তিনি বললেন, ‘না’। এরপর তিনি বললেন, তার ‘ইদ্দাত তো চারমাস দশদিন। অথচ জাহিলিইয়্যাহ যুগে তোমাদের একজন মহিলা বছরাস্তে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

قالت زينب سمعت أمي أم سلمة، تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها أفنكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال ‏"‏ إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول ‏"


সহিহ মুসলিম ৩৬২০

قال حميد قلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ‏.‏

হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি যায়নাবকে বললাম, এ যাবৎ উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করার তাৎপর্য কী ছিল? তখন যায়নাব (রাঃ) বললেন, সে কালে কোন স্বামী ইন্তিকাল করলে স্ত্রীকে একটি সংকীর্ণ কক্ষে (কুঠরীতে) প্রবেশ করতে হত। ছিঁড়ে-ফাড়া কাপড়-চোপড় পরিধান করতে হত। সে কোন প্রসাধনী দ্রব্য স্পর্শ করতে পারত না কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহার করত না। এমনিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কেটে যেত। এরপর তার সামনে আনা হত গাধা, বকরী কিংবা পাখী জাতীয় কোন প্রাণী এবং সে ঐ প্রাণীকে স্পর্শ করে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করত। সে যে প্রাণীকে স্পর্শ করত তা খুব কমই বাঁচত। এরপর সে ঐ সংকীর্ণ কুঠরী থেকে বের হয়ে আসত। তখন তার হাতে উটের বিষ্ঠা দেয়া হত এবং সে তা ছুঁড়ে মারত। এরপর সে তার পছন্দসই প্রসাধনী সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যাবহারের প্রতি মনোযোগী হত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি যায়নাবকে বললাম, এ যাবৎ উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করার তাৎপর্য কী ছিল? তখন যায়নাব (রাঃ) বললেন, সে কালে কোন স্বামী ইন্তিকাল করলে স্ত্রীকে একটি সংকীর্ণ কক্ষে (কুঠরীতে) প্রবেশ করতে হত। ছিঁড়ে-ফাড়া কাপড়-চোপড় পরিধান করতে হত। সে কোন প্রসাধনী দ্রব্য স্পর্শ করতে পারত না কিংবা অন্য কোন সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যবহার করত না। এমনিভাবে দীর্ঘ একটি বছর কেটে যেত। এরপর তার সামনে আনা হত গাধা, বকরী কিংবা পাখী জাতীয় কোন প্রাণী এবং সে ঐ প্রাণীকে স্পর্শ করে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করত। সে যে প্রাণীকে স্পর্শ করত তা খুব কমই বাঁচত। এরপর সে ঐ সংকীর্ণ কুঠরী থেকে বের হয়ে আসত। তখন তার হাতে উটের বিষ্ঠা দেয়া হত এবং সে তা ছুঁড়ে মারত। এরপর সে তার পছন্দসই প্রসাধনী সুগন্ধি ইত্যাদি ব্যাবহারের প্রতি মনোযোগী হত। (ই.ফা. ৩৫৮৭, ই.সে. ৩৫৮৭)

قال حميد قلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشىء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২২

وحدثته زينب، عن أمها، وعن زينب، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عن امرأة من بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসখানা তার মা [উম্মু সালামাহ্ (রাযি:)] এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

এ হাদীসখানা তার মা [উম্মু সালামাহ্ (রাযি:)] এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী যায়নাব (রাযি:) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৮)

وحدثته زينب، عن أمها، وعن زينب، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عن امرأة من بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬১৮

قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এরপর আমি (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহ্ধর্মিণী) যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাযীঃ)-এর কাছে গেলাম। সে সময় তার ভাই ইনতিকাল করেছিলেন। আমি দেখলাম, তিনিও সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার থেকে স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে তার জন্য মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়৷ তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৭)

যায়নাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এরপর আমি (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহ্ধর্মিণী) যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাযীঃ)-এর কাছে গেলাম। সে সময় তার ভাই ইনতিকাল করেছিলেন। আমি দেখলাম, তিনিও সুগন্ধি চেয়ে পাঠালেন এবং তার থেকে স্পর্শ করলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কসম! আমার সুগন্ধি ব্যবহারের কোন প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি যে, যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে তার জন্য মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়৷ তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশদিন শোক পালন করা যাবে৷ (ই.ফা. ৩৫৮৮, ই.সে. ৩৫৮৭)

قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر ‏"‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا


সহিহ মুসলিম ৩৬২৭

وحدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، عن نافع، أن صفية، بنت أبي عبيد حدثته عن حفصة، أو عن عائشة، أو عن كلتيهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر - أو تؤمن بالله ورسوله - أن تحد على ميت فوق ثلاثة أيام إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏

হাফসাহ্ (রাঃ) কিংবা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু’জন থেকে যৌথভাবে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৩, ই.সে. ৩৫৯৩)

হাফসাহ্ (রাঃ) কিংবা ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে পৃথকভাবে অথবা তাদের দু’জন থেকে যৌথভাবে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে কিংবা যে মহিলা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে। (ই.ফা. ৩৫৯৩, ই.সে. ৩৫৯৩)

وحدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة، وابن، رمح عن الليث بن سعد، عن نافع، أن صفية، بنت أبي عبيد حدثته عن حفصة، أو عن عائشة، أو عن كلتيهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر - أو تؤمن بالله ورسوله - أن تحد على ميت فوق ثلاثة أيام إلا على زوجها ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬২৮

وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا عبد، الله بن دينار عن نافع، بإسناد حديث الليث ‏.‏ مثل روايته ‏.‏

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৫৯৪, ই.সে. ৩৫৯৪)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স বর্ণিত হাদীসে অনুরূপ বর্ণিত আছে। (ই.ফা. ৩৫৯৪, ই.সে. ৩৫৯৪)

وحدثناه شيبان بن فروخ، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن مسلم - حدثنا عبد، الله بن دينار عن نافع، بإسناد حديث الليث ‏.‏ مثل روايته ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৬৩৩

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد وقالا ‏ "‏ عند أدنى طهرها نبذة من قسط وأظفار ‏"‏ ‏.‏

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে ‘আম্‌র আন্ নাক্বিদ ও ইয়াযীদ ইবনু হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুস্ত্ব ও আয্ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৯, ই.সে. ৩৫৯৯)

হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে ‘আম্‌র আন্ নাক্বিদ ও ইয়াযীদ ইবনু হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুস্ত্ব ও আয্ফার নামক সুগন্ধি ব্যাবহার করতে পারবে। (ই.ফা. ৩৫৯৯, ই.সে. ৩৫৯৯)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن هشام، بهذا الإسناد وقالا ‏ "‏ عند أدنى طهرها نبذة من قسط وأظفار ‏"‏ ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00