সহিহ মুসলিম > রাত যাপনে স্ত্রীদের মাঝে পালাবন্টন এবং প্রত্যেকের কাছে এক রাত পরের দিবাভাগ সহ অবস্থান করা সুন্নাত
সহিহ মুসলিম ৩৫২০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم تسع نسوة فكان إذا قسم بينهن لا ينتهي إلى المرأة الأولى إلا في تسع فكن يجتمعن كل ليلة في بيت التي يأتيها فكان في بيت عائشة فجاءت زينب فمد يده إليها فقالت هذه زينب . فكف النبي صلى الله عليه وسلم يده . فتقاولتا حتى استخبتا وأقيمت الصلاة فمر أبو بكر على ذلك فسمع أصواتهما فقال اخرج يا رسول الله إلى الصلاة واحث في أفواههن التراب . فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة الآن يقضي النبي صلى الله عليه وسلم صلاته فيجيء أبو بكر فيفعل بي ويفعل . فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته أتاها أبو بكر فقال لها قولا شديدا وقال أتصنعين هذا
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে পালাবন্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথম স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌছাতেন না। প্রতি রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নাবী পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন তখন যায়নাব (রাঃ) সেখানে আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ও তো যায়নাব! ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত গুটিয়ে নিলেন। তখন তারা দু’জন (‘আয়িশাহ্ ও যায়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের কথা কাটাকাটিতে পরিণত হলো, ইতিমধ্যে সলাতের ইক্বামাত (এর সময় উপস্থিত) হলে আবূ বকর (রাঃ) সেখান দিয়ে (সলাতে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দু’জনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধূলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত আদায় করবেন, তার পরে তো আবূ বকর (রাঃ) এসে আমাকে বকাঝকা ও গালমন্দ করবেন, পরে (তা-ই হল)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত সমাধা করলে আবূ বকর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাকে কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমনটা করে থাক! (ই.ফা. ৩৪৯৩, ই.সে. ৩৪৯২)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে পালাবন্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথম স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌছাতেন না। প্রতি রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নাবী পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন তখন যায়নাব (রাঃ) সেখানে আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ও তো যায়নাব! ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত গুটিয়ে নিলেন। তখন তারা দু’জন (‘আয়িশাহ্ ও যায়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের কথা কাটাকাটিতে পরিণত হলো, ইতিমধ্যে সলাতের ইক্বামাত (এর সময় উপস্থিত) হলে আবূ বকর (রাঃ) সেখান দিয়ে (সলাতে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দু’জনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধূলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত আদায় করবেন, তার পরে তো আবূ বকর (রাঃ) এসে আমাকে বকাঝকা ও গালমন্দ করবেন, পরে (তা-ই হল)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত সমাধা করলে আবূ বকর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাকে কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমনটা করে থাক! (ই.ফা. ৩৪৯৩, ই.সে. ৩৪৯২)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم تسع نسوة فكان إذا قسم بينهن لا ينتهي إلى المرأة الأولى إلا في تسع فكن يجتمعن كل ليلة في بيت التي يأتيها فكان في بيت عائشة فجاءت زينب فمد يده إليها فقالت هذه زينب . فكف النبي صلى الله عليه وسلم يده . فتقاولتا حتى استخبتا وأقيمت الصلاة فمر أبو بكر على ذلك فسمع أصواتهما فقال اخرج يا رسول الله إلى الصلاة واحث في أفواههن التراب . فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة الآن يقضي النبي صلى الله عليه وسلم صلاته فيجيء أبو بكر فيفعل بي ويفعل . فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته أتاها أبو بكر فقال لها قولا شديدا وقال أتصنعين هذا
সহিহ মুসলিম > সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ
সহিহ মুসলিম ৩৫২১
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما رأيت امرأة أحب إلى أن أكون في مسلاخها من سودة بنت زمعة من امرأة فيها حدة قالت فلما كبرت جعلت يومها من رسول الله صلى الله عليه وسلم لعائشة قالت يا رسول الله قد جعلت يومي منك لعائشة . فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم لعائشة يومين يومها ويوم سودة .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ বিনত যাম্’আহ্ (রাঃ)-এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখিনি যার দেহের মধ্যে আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বিতা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বৃদ্ধা হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর প্রাপ্য (পালার) দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি ‘আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য দু’দিন পালা বন্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদাহ (রাঃ)-এর (এক) দিন। (ই.ফা. ৩৪৯৪, ই.সে. ৩৪৯৩)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদাহ্ বিনত যাম্’আহ্ (রাঃ)-এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখিনি যার দেহের মধ্যে আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বিতা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বৃদ্ধা হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর প্রাপ্য (পালার) দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি ‘আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য দু’দিন পালা বন্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদাহ (রাঃ)-এর (এক) দিন। (ই.ফা. ৩৪৯৪, ই.সে. ৩৪৯৩)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما رأيت امرأة أحب إلى أن أكون في مسلاخها من سودة بنت زمعة من امرأة فيها حدة قالت فلما كبرت جعلت يومها من رسول الله صلى الله عليه وسلم لعائشة قالت يا رسول الله قد جعلت يومي منك لعائشة . فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم لعائشة يومين يومها ويوم سودة .
সহিহ মুসলিম ৩৫২৩
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أغار على اللاتي وهبن أنفسهن لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأقول وتهب المرأة نفسها فلما أنزل الله عز وجل { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء ومن ابتغيت ممن عزلت} قالت قلت والله ما أرى ربك إلا يسارع لك في هواك
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে নারীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মানিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না”- (সুরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:৫১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ৩৪৯৬, ই.সে. ৩৪৯৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে নারীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মানিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না”- (সুরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:৫১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ৩৪৯৬, ই.সে. ৩৪৯৫)
حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أغار على اللاتي وهبن أنفسهن لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأقول وتهب المرأة نفسها فلما أنزل الله عز وجل { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء ومن ابتغيت ممن عزلت} قالت قلت والله ما أرى ربك إلا يسارع لك في هواك
সহিহ মুসলিম ৩৫২৪
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها كانت تقول أما تستحيي امرأة تهب نفسها لرجل حتى أنزل الله عز وجل { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء} فقلت إن ربك ليسارع لك في هواك.
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, “তুমি তাঁদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার” তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।” (ই.ফা. ৩৪৯৭, ই.সে. ৩৪৯৬)
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, “তুমি তাঁদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার” তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।” (ই.ফা. ৩৪৯৭, ই.সে. ৩৪৯৬)
وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها كانت تقول أما تستحيي امرأة تهب نفسها لرجل حتى أنزل الله عز وجل { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء} فقلت إن ربك ليسارع لك في هواك.
সহিহ মুসলিম ৩৫২৫
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، قال محمد بن حاتم حدثنا محمد، بن بكر أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، قال حضرنا مع ابن عباس جنازة ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم بسرف فقال ابن عباس هذه زوج النبي صلى الله عليه وسلم فإذا رفعتم نعشها فلا تزعزعوا ولا تزلزلوا وارفقوا فإنه كان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع فكان يقسم لثمان ولا يقسم لواحدة . قال عطاء التي لا يقسم لها صفية بنت حيى بن أخطب .
‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মূনাহ্ (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমার যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোড়ে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, যাঁর জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়্যাহ্ বিন্ত হুয়াই ইবনু আখত্বাব (রাঃ)।[৫৩] (ই.ফা. ৩৪৯৮, ই.সে. ৩৪৯৭)
‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মূনাহ্ (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমার যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোড়ে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, যাঁর জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়্যাহ্ বিন্ত হুয়াই ইবনু আখত্বাব (রাঃ)।[৫৩] (ই.ফা. ৩৪৯৮, ই.সে. ৩৪৯৭)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، قال محمد بن حاتم حدثنا محمد، بن بكر أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، قال حضرنا مع ابن عباس جنازة ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم بسرف فقال ابن عباس هذه زوج النبي صلى الله عليه وسلم فإذا رفعتم نعشها فلا تزعزعوا ولا تزلزلوا وارفقوا فإنه كان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع فكان يقسم لثمان ولا يقسم لواحدة . قال عطاء التي لا يقسم لها صفية بنت حيى بن أخطب .
সহিহ মুসলিম ৩৫২২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عقبة بن خالد، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا الأسود بن عامر، حدثنا زهير، ح وحدثنا مجاهد بن موسى، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شريك، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد أن سودة، لما كبرت . بمعنى حديث جرير وزاد في حديث شريك قالت وكانت أول امرأة تزوجها بعدي .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ‘আমর আন্ নাক্বিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) যখন বৃদ্ধা হয়ে গেলেন...(পূর্বোক্ত যুহায়র সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শাক্বীক্ব (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) বলেছেন, সে [‘আয়িশা (রাঃ)] ছিল প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন। (ই.ফা. ৩৪৯৫, ই.সে. ৩৪৯৪)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ‘আমর আন্ নাক্বিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) যখন বৃদ্ধা হয়ে গেলেন...(পূর্বোক্ত যুহায়র সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শাক্বীক্ব (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) বলেছেন, সে [‘আয়িশা (রাঃ)] ছিল প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন। (ই.ফা. ৩৪৯৫, ই.সে. ৩৪৯৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عقبة بن خالد، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا الأسود بن عامر، حدثنا زهير، ح وحدثنا مجاهد بن موسى، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شريك، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد أن سودة، لما كبرت . بمعنى حديث جرير وزاد في حديث شريك قالت وكانت أول امرأة تزوجها بعدي .
সহিহ মুসলিম ৩৫২৬
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وزاد قال عطاء كانت آخرهن موتا ماتت بالمدينة .
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
ঐ সানাদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, ‘আত্বা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মূনাহ্) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মাদীনায় মৃত্যবরণ করেন।[৫৪] (ই.ফা. ৩৪৯৯, ই.সে. ৩৪৯৮)
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
ঐ সানাদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, ‘আত্বা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মূনাহ্) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মাদীনায় মৃত্যবরণ করেন।[৫৪] (ই.ফা. ৩৪৯৯, ই.সে. ৩৪৯৮)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وزاد قال عطاء كانت آخرهن موتا ماتت بالمدينة .
সহিহ মুসলিম > দ্বীনের মানদন্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৩৫২৭
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، بن سعيد عن عبيد الله، أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تنكح المرأة لأربع لمالها ولحسبها ولجمالها ولدينها فاظفر بذات الدين تربت يداك " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুনের কারণে এবং তার দীনদারীর কারনে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। [৫৫] (ই.ফা. ৩৫০০, ই.সে. ৩৪৯৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুনের কারণে এবং তার দীনদারীর কারনে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। [৫৫] (ই.ফা. ৩৫০০, ই.সে. ৩৪৯৯)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، بن سعيد عن عبيد الله، أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تنكح المرأة لأربع لمالها ولحسبها ولجمالها ولدينها فاظفر بذات الدين تربت يداك " .
সহিহ মুসলিম ৩৫২৮
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، أخبرني جابر بن عبد الله، قال تزوجت امرأة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فلقيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " يا جابر تزوجت " . قلت نعم . قال " بكر أم ثيب " . قلت ثيب . قال " فهلا بكرا تلاعبها " . قلت يا رسول الله إن لي أخوات فخشيت أن تدخل بيني وبينهن . قال " فذاك إذا . إن المرأة تنكح على دينها ومالها وجمالها فعليك بذات الدين تربت يداك " .
‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল, আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই-ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। (ই.ফা. ৩৫০১, ই.সে. ৩৫০০)
‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল, আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই-ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। (ই.ফা. ৩৫০১, ই.সে. ৩৫০০)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، أخبرني جابر بن عبد الله، قال تزوجت امرأة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فلقيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " يا جابر تزوجت " . قلت نعم . قال " بكر أم ثيب " . قلت ثيب . قال " فهلا بكرا تلاعبها " . قلت يا رسول الله إن لي أخوات فخشيت أن تدخل بيني وبينهن . قال " فذاك إذا . إن المرأة تنكح على دينها ومالها وجمالها فعليك بذات الدين تربت يداك " .
সহিহ মুসলিম > কুমারীর পানিগ্রহণ মুস্তাহাব
সহিহ মুসলিম ৩৫২৯
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محارب، عن جابر بن، عبد الله قال تزوجت امرأة فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل تزوجت " . قلت نعم . قال " أبكرا أم ثيبا " . قلت ثيبا . قال " فأين أنت من العذارى ولعابها " . قال شعبة فذكرته لعمرو بن دينار فقال قد سمعته من جابر وإنما قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك "
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন কোন কুমারীকে না বিধবাকে? আমি বললাম, একটি বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে কুমারী ও তার আমোদ-স্ফূর্তি হতে তুমি কতদূরে? (মধ্যবর্তী) রাবী শু’বাহ্ (রহঃ) বলেন, পরে আমি ‘আম্র ইবনু দীনার (রহঃ)-এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাঃ)-এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোরী (তরুনী)-কে কেন নয়- যে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাসা করত, তুমিও তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করতে? (ই.ফা. ৩৫০২, ই.সে. ৩৫০১)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন কোন কুমারীকে না বিধবাকে? আমি বললাম, একটি বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে কুমারী ও তার আমোদ-স্ফূর্তি হতে তুমি কতদূরে? (মধ্যবর্তী) রাবী শু’বাহ্ (রহঃ) বলেন, পরে আমি ‘আম্র ইবনু দীনার (রহঃ)-এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাঃ)-এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোরী (তরুনী)-কে কেন নয়- যে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাসা করত, তুমিও তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করতে? (ই.ফা. ৩৫০২, ই.সে. ৩৫০১)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن محارب، عن جابر بن، عبد الله قال تزوجت امرأة فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل تزوجت " . قلت نعم . قال " أبكرا أم ثيبا " . قلت ثيبا . قال " فأين أنت من العذارى ولعابها " . قال شعبة فذكرته لعمرو بن دينار فقال قد سمعته من جابر وإنما قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك "
সহিহ মুসলিম ৩৫৩১
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل نكحت يا جابر " . وساق الحديث إلى قوله امرأة تقوم عليهن وتمشطهن قال " أصبت " . ولم يذكر ما بعده .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিবাহ্ করেছো, হে জাবির? তিনি হাদীসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন-যার শেষে রয়েছে এমন একটি মহিলাকে যে তাদের তত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছো” ...... এর পরের অংশ তিনি (কুতায়বাহ্) উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৩৫০৪, ই.সে. ৩৫০৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিবাহ্ করেছো, হে জাবির? তিনি হাদীসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন-যার শেষে রয়েছে এমন একটি মহিলাকে যে তাদের তত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছো” ...... এর পরের অংশ তিনি (কুতায়বাহ্) উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৩৫০৪, ই.সে. ৩৫০৩)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن جابر بن عبد الله، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل نكحت يا جابر " . وساق الحديث إلى قوله امرأة تقوم عليهن وتمشطهن قال " أصبت " . ولم يذكر ما بعده .
সহিহ মুসলিম ৩৫৩০
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع الزهراني، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، أن عبد الله، هلك وترك تسع بنات - أو قال سبع - فتزوجت امرأة ثيبا فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا جابر تزوجت " . قال قلت نعم . قال " فبكر أم ثيب " . قال قلت بل ثيب يا رسول الله . قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . أو قال " تضاحكها وتضاحكك " . قال قلت له إن عبد الله هلك وترك تسع بنات - أو سبع - وإني كرهت أن آتيهن أو أجيئهن بمثلهن فأحببت أن أجيء بامرأة تقوم عليهن وتصلحهن . قال " فبارك الله لك " . أو قال لي خيرا وفي رواية أبي الربيع " تلاعبها وتلاعبك وتضاحكها وتضاحكك " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বরং বিধবা হে আল্লাহর রসূল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে তা কোন তরুনী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহ্ইয়া রিওয়ায়াতে) তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে, সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করবে কিংবা তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) ‘আবদুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মতো একজনকে নিয়া আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবূ রবী’ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে রয়েছে- “তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে ও তার সঙ্গে হাস্য-রস করবে, সেও তোমার সাথে হাস্য রস করবে।” (ই.ফা. ৩৫০৩, ই.সে. ৩৫০২)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললামঃ হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তা কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বরং বিধবা হে আল্লাহর রসূল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে তা কোন তরুনী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহ্ইয়া রিওয়ায়াতে) তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে, সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করবে কিংবা তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) ‘আবদুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মতো একজনকে নিয়া আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবূ রবী’ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে রয়েছে- “তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে ও তার সঙ্গে হাস্য-রস করবে, সেও তোমার সাথে হাস্য রস করবে।” (ই.ফা. ৩৫০৩, ই.সে. ৩৫০২)
حدثنا يحيى بن يحيى، وأبو الربيع الزهراني، قال يحيى أخبرنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن جابر بن عبد الله، أن عبد الله، هلك وترك تسع بنات - أو قال سبع - فتزوجت امرأة ثيبا فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا جابر تزوجت " . قال قلت نعم . قال " فبكر أم ثيب " . قال قلت بل ثيب يا رسول الله . قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . أو قال " تضاحكها وتضاحكك " . قال قلت له إن عبد الله هلك وترك تسع بنات - أو سبع - وإني كرهت أن آتيهن أو أجيئهن بمثلهن فأحببت أن أجيء بامرأة تقوم عليهن وتصلحهن . قال " فبارك الله لك " . أو قال لي خيرا وفي رواية أبي الربيع " تلاعبها وتلاعبك وتضاحكها وتضاحكك " .
সহিহ মুসলিম ৩৫৩২
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن سيار، عن الشعبي، عن جابر بن عبد، الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فلما أقبلنا تعجلت على بعير لي قطوف فلحقني راكب خلفي فنخس بعيري بعنزة كانت معه فانطلق بعيري كأجود ما أنت راء من الإبل فالتفت فإذا أنا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما يعجلك يا جابر " . قلت يا رسول الله إني حديث عهد بعرس . فقال " أبكرا تزوجتها أم ثيبا " . قال قلت بل ثيبا . قال " هلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . قال فلما قدمنا المدينة ذهبنا لندخل فقال " أمهلوا حتى ندخل ليلا - أى عشاء - كى تمتشط الشعثة وتستحد المغيبة " . قال وقال " إذا قدمت فالكيس الكيس " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন প্রত্যাগমন করতে লাগলাম তখন আমি আমার একটি ধীরগামী উটে করে দ্রুত চলার চেষ্টা করলাম। আমার পিছন থেকে একজন আরোহী আমার সঙ্গে মিলিত হল এবং সে তার হাতের একটি ছোট্ট বর্শা দিয়ে আমার উটকে খোঁচা দিল। ফলে আমার উটটি তোমার দেখা উটপালের শ্রেষ্ঠ উটের ন্যায় দ্রুতগতিতে চলতে লাগল। আমি তখন পিছনের দিকে তাকালাম- দেখি যে, আমি রয়েছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে। তিনি বললেন, হে জাবির! তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ঘরে নতুন স্ত্রী রেখে এসেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোন কুমারীকে বিয়ে করেছো না কোন বিধবাকে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন তরুনী (কুমারী)-কে কেন বিয়ে করলে না- যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-আহলাদ করত। জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা যখন মাদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ‘ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিনী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিনী ‘পরিচ্ছন্নতা’ অর্জনের প্রস্তুতি নিতে পারে। জাবির (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, তুমি যখন পৌছে যাবে তখন সঙ্গ সুখ লাভ করবে। (ই.ফা. ৩৫০৫, ই.সে. ৩৫০৪)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন প্রত্যাগমন করতে লাগলাম তখন আমি আমার একটি ধীরগামী উটে করে দ্রুত চলার চেষ্টা করলাম। আমার পিছন থেকে একজন আরোহী আমার সঙ্গে মিলিত হল এবং সে তার হাতের একটি ছোট্ট বর্শা দিয়ে আমার উটকে খোঁচা দিল। ফলে আমার উটটি তোমার দেখা উটপালের শ্রেষ্ঠ উটের ন্যায় দ্রুতগতিতে চলতে লাগল। আমি তখন পিছনের দিকে তাকালাম- দেখি যে, আমি রয়েছি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে। তিনি বললেন, হে জাবির! তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি ঘরে নতুন স্ত্রী রেখে এসেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোন কুমারীকে বিয়ে করেছো না কোন বিধবাকে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কোন তরুনী (কুমারী)-কে কেন বিয়ে করলে না- যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-আহলাদ করত। জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা যখন মাদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ‘ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিনী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিনী ‘পরিচ্ছন্নতা’ অর্জনের প্রস্তুতি নিতে পারে। জাবির (রাঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, তুমি যখন পৌছে যাবে তখন সঙ্গ সুখ লাভ করবে। (ই.ফা. ৩৫০৫, ই.সে. ৩৫০৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن سيار، عن الشعبي، عن جابر بن عبد، الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فلما أقبلنا تعجلت على بعير لي قطوف فلحقني راكب خلفي فنخس بعيري بعنزة كانت معه فانطلق بعيري كأجود ما أنت راء من الإبل فالتفت فإذا أنا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما يعجلك يا جابر " . قلت يا رسول الله إني حديث عهد بعرس . فقال " أبكرا تزوجتها أم ثيبا " . قال قلت بل ثيبا . قال " هلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . قال فلما قدمنا المدينة ذهبنا لندخل فقال " أمهلوا حتى ندخل ليلا - أى عشاء - كى تمتشط الشعثة وتستحد المغيبة " . قال وقال " إذا قدمت فالكيس الكيس " .
সহিহ মুসলিম ৩৫৩৪
حدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال كنا في مسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا على ناضح إنما هو في أخريات الناس - قال - فضربه رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال نخسه - أراه قال - بشىء كان معه قال فجعل بعد ذلك يتقدم الناس ينازعني حتى إني لأكفه قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتبيعنيه بكذا وكذا والله يغفر لك " . قال قلت هو لك يا نبي الله . قال " أتبيعنيه بكذا وكذا والله يغفر لك " . قال قلت هو لك يا نبي الله . قال وقال لي " أتزوجت بعد أبيك " . قلت نعم . قال " ثيبا أم بكرا " . قال قلت ثيبا . قال " فهلا تزوجت بكرا تضاحكك وتضاحكها وتلاعبك وتلاعبها " . قال أبو نضرة فكانت كلمة يقولها المسلمون . افعل كذا وكذا والله يغفر لك .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমি ছিলাম আমার একটি (পানিবাহী) উটের পিঠে। ওটি ছিল কাফিলার পশ্চাদ্বর্তীদের মাঝে। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পিটুনী দিলেন কিংবা (বর্ণনা দ্বিধা) তিনি বলেছেন যে, তাকে খোঁচা দিলেন- আমার (আবূ নায্র) ধারণা তিনি (জাবির) বলেছেন যে, কোন কিছু দিয়ে যা তার সঙ্গে ছিল। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমন কি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বললেনঃ এত এত-এর বিনিময়ে এটি তুমি আমার কাছে বেঁচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য, হে আল্লাহর নাবী! তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জ্বি হাঁ। তিনি বললেন, বিধবা না কুমারীকে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, “তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমাকে আমোদ-প্রমোদে রাখত আর তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া স্ফূর্তি করতে।” (রাবী) আবূ নায্রাহ্ (রহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন!) ছিল একটি বাক্যাংশ যা মুসলিমগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গী রূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলেতেন এরূপ ও এমন কর...আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন। (ই.ফা. ৩৫০৯, ই.ফা. ৩৫০৬)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমি ছিলাম আমার একটি (পানিবাহী) উটের পিঠে। ওটি ছিল কাফিলার পশ্চাদ্বর্তীদের মাঝে। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে পিটুনী দিলেন কিংবা (বর্ণনা দ্বিধা) তিনি বলেছেন যে, তাকে খোঁচা দিলেন- আমার (আবূ নায্র) ধারণা তিনি (জাবির) বলেছেন যে, কোন কিছু দিয়ে যা তার সঙ্গে ছিল। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমন কি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বললেনঃ এত এত-এর বিনিময়ে এটি তুমি আমার কাছে বেঁচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য, হে আল্লাহর নাবী! তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জ্বি হাঁ। তিনি বললেন, বিধবা না কুমারীকে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, “তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমাকে আমোদ-প্রমোদে রাখত আর তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া স্ফূর্তি করতে।” (রাবী) আবূ নায্রাহ্ (রহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন!) ছিল একটি বাক্যাংশ যা মুসলিমগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গী রূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলেতেন এরূপ ও এমন কর...আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন। (ই.ফা. ৩৫০৯, ই.ফা. ৩৫০৬)
حدثنا محمد بن عبد الأعلى، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي، حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال كنا في مسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا على ناضح إنما هو في أخريات الناس - قال - فضربه رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال نخسه - أراه قال - بشىء كان معه قال فجعل بعد ذلك يتقدم الناس ينازعني حتى إني لأكفه قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتبيعنيه بكذا وكذا والله يغفر لك " . قال قلت هو لك يا نبي الله . قال " أتبيعنيه بكذا وكذا والله يغفر لك " . قال قلت هو لك يا نبي الله . قال وقال لي " أتزوجت بعد أبيك " . قلت نعم . قال " ثيبا أم بكرا " . قال قلت ثيبا . قال " فهلا تزوجت بكرا تضاحكك وتضاحكها وتلاعبك وتلاعبها " . قال أبو نضرة فكانت كلمة يقولها المسلمون . افعل كذا وكذا والله يغفر لك .
সহিহ মুসলিম ৩৫৩৩
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني ابن عبد المجيد الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فأبطأ بي جملي فأتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لي " يا جابر " . قلت نعم . قال " ما شأنك " . قلت أبطأ بي جملي وأعيا فتخلفت . فنزل فحجنه بمحجنه ثم قال " اركب " . فركبت فلقد رأيتني أكفه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أتزوجت " . فقلت نعم . فقال " أبكرا أم ثيبا " . فقلت بل ثيب . قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . قلت إن لي أخوات فأحببت أن أتزوج امرأة تجمعهن وتمشطهن وتقوم عليهن . قال " أما إنك قادم فإذا قدمت فالكيس الكيس " . ثم قال " أتبيع جملك " . قلت نعم . فاشتراه مني بأوقية ثم قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقدمت بالغداة فجئت المسجد فوجدته على باب المسجد فقال " الآن حين قدمت " . قلت نعم . قال " فدع جملك وادخل فصل ركعتين " . قال فدخلت فصليت ثم رجعت فأمر بلالا أن يزن لي أوقية فوزن لي بلال فأرجح في الميزان - قال - فانطلقت فلما وليت قال " ادع لي جابرا " . فدعيت فقلت الآن يرد على الجمل . ولم يكن شىء أبغض إلى منه فقال " خذ جملك ولك ثمنه " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে ধীরগামিতার শিকার বানাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির, আমি বললাম জ্বী! তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কী? আমি বললাম আমার উট আমাকে ধীরগামিতায় ফেলে দিয়েছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নেমে পড়ে তার (বাঁকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন এরপর বললেন, আরোহণ কর, আমি তখন আরোহন করলাম। আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম : বিধবা! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রিয়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফূর্তি করত? আমি বললাম আমার বেশ ক’টি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ; তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জ্বী হাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মাসজিদে (নাবাবীতে) পৌছলাম এবং তাঁকে মাসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জ্বী হাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মাসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকা’আত সলাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সলাত আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক উকিয়্যাহ্ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাঃ)-কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূরে চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, “তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল”। (ই.ফা. ৩৫০৬, ই.সে. ৩৫০৫)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একটি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে ধীরগামিতার শিকার বানাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির, আমি বললাম জ্বী! তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কী? আমি বললাম আমার উট আমাকে ধীরগামিতায় ফেলে দিয়েছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নেমে পড়ে তার (বাঁকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন এরপর বললেন, আরোহণ কর, আমি তখন আরোহন করলাম। আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম : বিধবা! তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রিয়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফূর্তি করত? আমি বললাম আমার বেশ ক’টি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ; তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জ্বী হাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মাসজিদে (নাবাবীতে) পৌছলাম এবং তাঁকে মাসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জ্বী হাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মাসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকা’আত সলাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সলাত আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক উকিয়্যাহ্ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাঃ)-কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূরে চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, “তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল”। (ই.ফা. ৩৫০৬, ই.সে. ৩৫০৫)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، - يعني ابن عبد المجيد الثقفي - حدثنا عبيد الله، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فأبطأ بي جملي فأتى على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لي " يا جابر " . قلت نعم . قال " ما شأنك " . قلت أبطأ بي جملي وأعيا فتخلفت . فنزل فحجنه بمحجنه ثم قال " اركب " . فركبت فلقد رأيتني أكفه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " أتزوجت " . فقلت نعم . فقال " أبكرا أم ثيبا " . فقلت بل ثيب . قال " فهلا جارية تلاعبها وتلاعبك " . قلت إن لي أخوات فأحببت أن أتزوج امرأة تجمعهن وتمشطهن وتقوم عليهن . قال " أما إنك قادم فإذا قدمت فالكيس الكيس " . ثم قال " أتبيع جملك " . قلت نعم . فاشتراه مني بأوقية ثم قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقدمت بالغداة فجئت المسجد فوجدته على باب المسجد فقال " الآن حين قدمت " . قلت نعم . قال " فدع جملك وادخل فصل ركعتين " . قال فدخلت فصليت ثم رجعت فأمر بلالا أن يزن لي أوقية فوزن لي بلال فأرجح في الميزان - قال - فانطلقت فلما وليت قال " ادع لي جابرا " . فدعيت فقلت الآن يرد على الجمل . ولم يكن شىء أبغض إلى منه فقال " خذ جملك ولك ثمنه " .