সহিহ মুসলিম > বাসর ঘর উদ্যাপনের পর স্ত্রী বাকিরা বা সায়্যিবা হলে স্বামীর সাথে থাকার ব্যাপারে কী পরিমাণ সময় লাভের অধিকারিণী

সহিহ মুসলিম ৩৫১৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن حاتم، ويعقوب بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، عن محمد بن أبي بكر، عن عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبيه، عن أم سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوج أم سلمة أقام عندها ثلاثا وقال ‏ "‏ إنه ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت لك وإن سبعت لك سبعت لنسائي ‏"‏ ‏.

উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালামাকে বিবাহ করেন, তখন তিনি তাঁর কাছে তিনদিন অবস্থান করেন এবং তিনি বলেন, তোমার ব্যাপারে তোমার গৃহকর্তার কাছে কোন প্রকার অবজ্ঞা নেই। তুমি যদি চাও তাহলে আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকবো। যদি আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকি তবে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের সঙ্গেও সাতদিন করে থাকব। (ই.ফা. ৩৪৮৬, ই.সে ৩৪৮৫)

উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালামাকে বিবাহ করেন, তখন তিনি তাঁর কাছে তিনদিন অবস্থান করেন এবং তিনি বলেন, তোমার ব্যাপারে তোমার গৃহকর্তার কাছে কোন প্রকার অবজ্ঞা নেই। তুমি যদি চাও তাহলে আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকবো। যদি আমি তোমার কাছে সাতদিন থাকি তবে আমার অন্যান্য স্ত্রীদের সঙ্গেও সাতদিন করে থাকব। (ই.ফা. ৩৪৮৬, ই.সে ৩৪৮৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن حاتم، ويعقوب بن إبراهيم، - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، عن محمد بن أبي بكر، عن عبد الملك، بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبيه، عن أم سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما تزوج أم سلمة أقام عندها ثلاثا وقال ‏ "‏ إنه ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت لك وإن سبعت لك سبعت لنسائي ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৫১৪

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن عبد، الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن ‏{‏ عن أبيه، ‏}‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ‏ "‏ ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وإن شئت ثلثت ثم درت ‏"‏ ‏.‏ قالت ثلث ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদূর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মুহ সালামহ্‌ (রাঃ)-কে বিয়ে করলেন এবং তিনি (উম্মু সালামাহ্‌) (রাত যাপনের পরে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থাকা অবস্থায় যখন সকাল হল তখন নাবি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, তোমার প্রতি তোমার স্বামীর কোন অনাদর অনাগ্রহ নেই। তুমি চাইলে তোমার কাছে সাতদিন (একাধারে) অবস্থান করব এবং তুমি চাইলে তিনদিন করব, এরপর (পালা করে) পরিক্রমা করব। উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তিনদিন অবস্থান করুন। (ই.ফা. ৩৪৮৭, ই.সে. ৩৪৮৬)

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদূর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মুহ সালামহ্‌ (রাঃ)-কে বিয়ে করলেন এবং তিনি (উম্মু সালামাহ্‌) (রাত যাপনের পরে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থাকা অবস্থায় যখন সকাল হল তখন নাবি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেন, তোমার প্রতি তোমার স্বামীর কোন অনাদর অনাগ্রহ নেই। তুমি চাইলে তোমার কাছে সাতদিন (একাধারে) অবস্থান করব এবং তুমি চাইলে তিনদিন করব, এরপর (পালা করে) পরিক্রমা করব। উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) বললেন, তিনদিন অবস্থান করুন। (ই.ফা. ৩৪৮৭, ই.সে. ৩৪৮৬)

حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن عبد، الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن ‏{‏ عن أبيه، ‏}‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ‏ "‏ ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وإن شئت ثلثت ثم درت ‏"‏ ‏.‏ قالت ثلث ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫১৫

وحدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن عبد، الرحمن بن حميد عن عبد الملك بن أبي بكر، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة فدخل عليها فأراد أن يخرج أخذت بثوبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن شئت زدتك وحاسبتك به للبكر سبع وللثيب ثلاث‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রা:) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে বিয়ে করলেন এবং তাঁর সঙ্গে বাসর যাপনের পর বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন উম্মু সালামাহ্‌ তার কাপড় টেনে ধরলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি চাইলে তোমার এখানে (অবস্থানের মেয়াদ) বাড়িয়ে দিব এবং তোমার নামে তা হিসাবে ধরব। (নিয়ম হল নব বিবাহিতা) কুমারীর জন্য সাতদিন ও বিধবার জন্য তিনদিন (প্রাথমিক অধিকার)। (ই.ফা. ৩৪৮৮, ই.সে. ৩৪৮৭)

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রা:) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)-কে বিয়ে করলেন এবং তাঁর সঙ্গে বাসর যাপনের পর বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন উম্মু সালামাহ্‌ তার কাপড় টেনে ধরলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি চাইলে তোমার এখানে (অবস্থানের মেয়াদ) বাড়িয়ে দিব এবং তোমার নামে তা হিসাবে ধরব। (নিয়ম হল নব বিবাহিতা) কুমারীর জন্য সাতদিন ও বিধবার জন্য তিনদিন (প্রাথমিক অধিকার)। (ই.ফা. ৩৪৮৮, ই.সে. ৩৪৮৭)

وحدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن عبد، الرحمن بن حميد عن عبد الملك بن أبي بكر، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة فدخل عليها فأراد أن يخرج أخذت بثوبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن شئت زدتك وحاسبتك به للبكر سبع وللثيب ثلاث‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫১৭

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - عن عبد، الواحد بن أيمن عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أم سلمة، ذكر أنصلى الله عليه وسلم تزوجها وذكر أشياء هذا فيه قال ‏ "‏ إن شئت أن أسبع لك وأسبع لنسائي وإن سبعت لك سبعت لنسائي ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম (রহঃ)-এর সূত্রে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিয়ে করলেন এবং তিনি কতিপয় বিষয় উল্লেখ করেছেন যার মাঝে এ কথাটিও রয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যদি চাও তবে আমি তোমাকে সাতদিন সময় দিব এবং আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিব। তোমাকে সাতদিন সময় দিলে আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিতে হবে। (ই.ফা. ৩৪৯০, ই.সে. ৩৪৮৯)

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম (রহঃ)-এর সূত্রে উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিয়ে করলেন এবং তিনি কতিপয় বিষয় উল্লেখ করেছেন যার মাঝে এ কথাটিও রয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যদি চাও তবে আমি তোমাকে সাতদিন সময় দিব এবং আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিব। তোমাকে সাতদিন সময় দিলে আমার অন্য স্ত্রীদেরও সাতদিন করে সময় দিতে হবে। (ই.ফা. ৩৪৯০, ই.সে. ৩৪৮৯)

حدثني أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - عن عبد، الواحد بن أيمن عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أم سلمة، ذكر أنصلى الله عليه وسلم تزوجها وذكر أشياء هذا فيه قال ‏ "‏ إن شئت أن أسبع لك وأسبع لنسائي وإن سبعت لك سبعت لنسائي ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫১৮

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن خالد، عن أبي قلابة، عن أنس بن، مالك قال إذا تزوج البكر على الثيب أقام عندها سبعا وإذا تزوج الثيب على البكر أقام عندها ثلاثا ‏.‏ قال خالد ولو قلت إنه رفعه لصدقت ولكنه قال السنة كذلك ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিধবা (স্ত্রী ঘরে থাকা অবস্থায়) কুমারীকে বিয়ে করলে তার কাছে (প্রথমবারে লাগাতার) সাতদিন অবস্থান করবে এবং কুমারী স্ত্রী থাকা অবস্থায় বিধবাকে বিয়ে করলে তার কাছে তিনদিন অবস্থান করবে। (মধ্যবর্তী রাবী) খালিদ (রাঃ) বলেন, যদি আমি বলি যে, তিনি (ঊর্ধ্বতন রাবী আনাস) হাদীসটির সানাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত উন্নীত করে মারফূ’ করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, সুন্নাত সম্মত করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। বরং তিনি বলেছিলেন, (নতুন সহধর্মিণীর নিকট) অবস্থান করা সুন্নাতসম্মত। (ই.ফা. ৩৪৯১, ই.সে. ৩৪৯০)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বিধবা (স্ত্রী ঘরে থাকা অবস্থায়) কুমারীকে বিয়ে করলে তার কাছে (প্রথমবারে লাগাতার) সাতদিন অবস্থান করবে এবং কুমারী স্ত্রী থাকা অবস্থায় বিধবাকে বিয়ে করলে তার কাছে তিনদিন অবস্থান করবে। (মধ্যবর্তী রাবী) খালিদ (রাঃ) বলেন, যদি আমি বলি যে, তিনি (ঊর্ধ্বতন রাবী আনাস) হাদীসটির সানাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত উন্নীত করে মারফূ’ করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। কিন্তু তিনি বলেছিলেন, সুন্নাত সম্মত করেছেন তবে আমি তা সত্য বলেই জানব। বরং তিনি বলেছিলেন, (নতুন সহধর্মিণীর নিকট) অবস্থান করা সুন্নাতসম্মত। (ই.ফা. ৩৪৯১, ই.সে. ৩৪৯০)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا هشيم، عن خالد، عن أبي قلابة، عن أنس بن، مالك قال إذا تزوج البكر على الثيب أقام عندها سبعا وإذا تزوج الثيب على البكر أقام عندها ثلاثا ‏.‏ قال خالد ولو قلت إنه رفعه لصدقت ولكنه قال السنة كذلك ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫১৯

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن أيوب، وخالد، الحذاء عن أبي قلابة، عن أنس، قال من السنة أن يقيم، عند البكر سبعا ‏.‏ قال خالد ولو شئت قلت رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুন্নাত পদ্ধতি হল (নব বিবাহিতা) কুমারীর নিকট সাতদিন অবস্থান করা। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি চাইলে বলতে পারি যে, তিনি [আনাস (রাঃ)] হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত মারফু‘ সানাদে উন্নীত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৯২, ই.সে. ৩৪৯১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুন্নাত পদ্ধতি হল (নব বিবাহিতা) কুমারীর নিকট সাতদিন অবস্থান করা। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি চাইলে বলতে পারি যে, তিনি [আনাস (রাঃ)] হাদীসটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত মারফু‘ সানাদে উন্নীত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৯২, ই.সে. ৩৪৯১)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن أيوب، وخالد، الحذاء عن أبي قلابة، عن أنس، قال من السنة أن يقيم، عند البكر سبعا ‏.‏ قال خالد ولو شئت قلت رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫১৬

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو ضمرة، عن عبد الرحمن بن حميد، بهذا الإسناد مثله ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু হুমায়দ (রহ:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৮৯, ই.সে. ৩৪৮৮)

‘আবদুর রহমান ইবনু হুমায়দ (রহ:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে অনুরূপ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৮৯, ই.সে. ৩৪৮৮)

وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا أبو ضمرة، عن عبد الرحمن بن حميد، بهذا الإسناد مثله ‏.‏


সহিহ মুসলিম > রাত যাপনে স্ত্রীদের মাঝে পালাবন্টন এবং প্রত্যেকের কাছে এক রাত পরের দিবাভাগ সহ অবস্থান করা সুন্নাত

সহিহ মুসলিম ৩৫২০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم تسع نسوة فكان إذا قسم بينهن لا ينتهي إلى المرأة الأولى إلا في تسع فكن يجتمعن كل ليلة في بيت التي يأتيها فكان في بيت عائشة فجاءت زينب فمد يده إليها فقالت هذه زينب ‏.‏ فكف النبي صلى الله عليه وسلم يده ‏.‏ فتقاولتا حتى استخبتا وأقيمت الصلاة فمر أبو بكر على ذلك فسمع أصواتهما فقال اخرج يا رسول الله إلى الصلاة واحث في أفواههن التراب ‏.‏ فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة الآن يقضي النبي صلى الله عليه وسلم صلاته فيجيء أبو بكر فيفعل بي ويفعل ‏.‏ فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته أتاها أبو بكر فقال لها قولا شديدا وقال أتصنعين هذا

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে পালাবন্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথম স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌছাতেন না। প্রতি রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নাবী পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন তখন যায়নাব (রাঃ) সেখানে আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ও তো যায়নাব! ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত গুটিয়ে নিলেন। তখন তারা দু’জন (‘আয়িশাহ্‌ ও যায়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের কথা কাটাকাটিতে পরিণত হলো, ইতিমধ্যে সলাতের ইক্বামাত (এর সময় উপস্থিত) হলে আবূ বকর (রাঃ) সেখান দিয়ে (সলাতে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দু’জনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধূলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত আদায় করবেন, তার পরে তো আবূ বকর (রাঃ) এসে আমাকে বকাঝকা ও গালমন্দ করবেন, পরে (তা-ই হল)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত সমাধা করলে আবূ বকর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাকে কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমনটা করে থাক! (ই.ফা. ৩৪৯৩, ই.সে. ৩৪৯২)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নয়জন সহধর্মিণী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে পালাবন্টন কালে নয় দিনের আগে (পালার) প্রথম স্ত্রীর কাছে পুনরায় পৌছাতেন না। প্রতি রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ঘরে অবস্থান করতেন সেখানে তারা (নাবী পত্নীগণ) সমবেত হতেন। একরাতে তিনি যখন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন তখন যায়নাব (রাঃ) সেখানে আগমন করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে নিজের হাত প্রসারিত করলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ও তো যায়নাব! ফলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত গুটিয়ে নিলেন। তখন তারা দু’জন (‘আয়িশাহ্‌ ও যায়নাব) কথা কাটাকাটি করতে লাগলেন। এমনকি তাদের কথা কাটাকাটিতে পরিণত হলো, ইতিমধ্যে সলাতের ইক্বামাত (এর সময় উপস্থিত) হলে আবূ বকর (রাঃ) সেখান দিয়ে (সলাতে) যাচ্ছিলেন। তিনি ঐ দু’জনের আওয়াজ শুনতে পেয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বের হয়ে আসুন এবং ওদের মুখে ধূলা-মাটি ছুঁড়ে (দিয়ে মুখ বন্ধ করে) দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এলেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, এখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত আদায় করবেন, তার পরে তো আবূ বকর (রাঃ) এসে আমাকে বকাঝকা ও গালমন্দ করবেন, পরে (তা-ই হল)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সলাত সমাধা করলে আবূ বকর (রাঃ) ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাকে কড়া কথা বললেন এবং বললেন, তুমি এমনটা করে থাক! (ই.ফা. ৩৪৯৩, ই.সে. ৩৪৯২)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة بن سوار، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم تسع نسوة فكان إذا قسم بينهن لا ينتهي إلى المرأة الأولى إلا في تسع فكن يجتمعن كل ليلة في بيت التي يأتيها فكان في بيت عائشة فجاءت زينب فمد يده إليها فقالت هذه زينب ‏.‏ فكف النبي صلى الله عليه وسلم يده ‏.‏ فتقاولتا حتى استخبتا وأقيمت الصلاة فمر أبو بكر على ذلك فسمع أصواتهما فقال اخرج يا رسول الله إلى الصلاة واحث في أفواههن التراب ‏.‏ فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فقالت عائشة الآن يقضي النبي صلى الله عليه وسلم صلاته فيجيء أبو بكر فيفعل بي ويفعل ‏.‏ فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته أتاها أبو بكر فقال لها قولا شديدا وقال أتصنعين هذا


সহিহ মুসলিম > সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ

সহিহ মুসলিম ৩৫২১

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما رأيت امرأة أحب إلى أن أكون في مسلاخها من سودة بنت زمعة من امرأة فيها حدة قالت فلما كبرت جعلت يومها من رسول الله صلى الله عليه وسلم لعائشة قالت يا رسول الله قد جعلت يومي منك لعائشة ‏.‏ فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم لعائشة يومين يومها ويوم سودة ‏.‏

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাওদাহ্‌ বিনত যাম্‌’আহ্‌ (রাঃ)-এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখিনি যার দেহের মধ্যে আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বিতা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বৃদ্ধা হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর প্রাপ্য (পালার) দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি ‘আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য দু’দিন পালা বন্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদাহ (রাঃ)-এর (এক) দিন। (ই.ফা. ৩৪৯৪, ই.সে. ৩৪৯৩)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাওদাহ্‌ বিনত যাম্‌’আহ্‌ (রাঃ)-এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয়া কোন নারীকে আমি দেখিনি যার দেহের মধ্যে আমি আমার অবস্থান পছন্দ করব- এমন এক নারী যার মাঝে ছিল (ব্যক্তিত্ব সুলভ) তেজস্বিতা। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বৃদ্ধা হয়ে গেলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর প্রাপ্য (পালার) দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে হিবা করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কাছে আমার পালার দিনটি ‘আয়িশার জন্য দিয়ে দিলাম। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য দু’দিন পালা বন্টন করতেন, তার নিজের (এক) দিন এবং সাওদাহ (রাঃ)-এর (এক) দিন। (ই.ফা. ৩৪৯৪, ই.সে. ৩৪৯৩)

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت ما رأيت امرأة أحب إلى أن أكون في مسلاخها من سودة بنت زمعة من امرأة فيها حدة قالت فلما كبرت جعلت يومها من رسول الله صلى الله عليه وسلم لعائشة قالت يا رسول الله قد جعلت يومي منك لعائشة ‏.‏ فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم لعائشة يومين يومها ويوم سودة ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫২৩

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أغار على اللاتي وهبن أنفسهن لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأقول وتهب المرأة نفسها فلما أنزل الله عز وجل ‏{‏ ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء ومن ابتغيت ممن عزلت‏}‏ قالت قلت والله ما أرى ربك إلا يسارع لك في هواك

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে নারীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মানিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না”- (সুরাহ্‌ আল আহ্‌যাব ৩৩:৫১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ৩৪৯৬, ই.সে. ৩৪৯৫)

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে নারীরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মানিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না”- (সুরাহ্‌ আল আহ্‌যাব ৩৩:৫১)। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন। (ই.ফা. ৩৪৯৬, ই.সে. ৩৪৯৫)

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، قالت كنت أغار على اللاتي وهبن أنفسهن لرسول الله صلى الله عليه وسلم وأقول وتهب المرأة نفسها فلما أنزل الله عز وجل ‏{‏ ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء ومن ابتغيت ممن عزلت‏}‏ قالت قلت والله ما أرى ربك إلا يسارع لك في هواك


সহিহ মুসলিম ৩৫২৪

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها كانت تقول أما تستحيي امرأة تهب نفسها لرجل حتى أنزل الله عز وجل ‏{‏ ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء‏}‏ فقلت إن ربك ليسارع لك في هواك.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, “তুমি তাঁদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার” তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।” (ই.ফা. ৩৪৯৭, ই.সে. ৩৪৯৬)

আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, “তুমি তাঁদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার” তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।” (ই.ফা. ৩৪৯৭, ই.সে. ৩৪৯৬)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أنها كانت تقول أما تستحيي امرأة تهب نفسها لرجل حتى أنزل الله عز وجل ‏{‏ ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء‏}‏ فقلت إن ربك ليسارع لك في هواك.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫২৫

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، قال محمد بن حاتم حدثنا محمد، بن بكر أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، قال حضرنا مع ابن عباس جنازة ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم بسرف فقال ابن عباس هذه زوج النبي صلى الله عليه وسلم فإذا رفعتم نعشها فلا تزعزعوا ولا تزلزلوا وارفقوا فإنه كان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع فكان يقسم لثمان ولا يقسم لواحدة ‏.‏ قال عطاء التي لا يقسم لها صفية بنت حيى بن أخطب ‏.‏

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মূনাহ্‌ (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমার যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোড়ে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, যাঁর জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়্যাহ্‌ বিন্‌ত হুয়াই ইবনু আখত্বাব (রাঃ)।[৫৩] (ই.ফা. ৩৪৯৮, ই.সে. ৩৪৯৭)

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সারিফ নামক স্থানে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মূনাহ্‌ (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমার যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোড়ে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবী ‘আত্বা (রহঃ) বলেন, যাঁর জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়্যাহ্‌ বিন্‌ত হুয়াই ইবনু আখত্বাব (রাঃ)।[৫৩] (ই.ফা. ৩৪৯৮, ই.সে. ৩৪৯৭)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن حاتم، قال محمد بن حاتم حدثنا محمد، بن بكر أخبرنا ابن جريج، أخبرني عطاء، قال حضرنا مع ابن عباس جنازة ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم بسرف فقال ابن عباس هذه زوج النبي صلى الله عليه وسلم فإذا رفعتم نعشها فلا تزعزعوا ولا تزلزلوا وارفقوا فإنه كان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع فكان يقسم لثمان ولا يقسم لواحدة ‏.‏ قال عطاء التي لا يقسم لها صفية بنت حيى بن أخطب ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫২২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عقبة بن خالد، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا الأسود بن عامر، حدثنا زهير، ح وحدثنا مجاهد بن موسى، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شريك، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد أن سودة، لما كبرت ‏.‏ بمعنى حديث جرير وزاد في حديث شريك قالت وكانت أول امرأة تزوجها بعدي ‏.‏

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ‘আমর আন্ নাক্বিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) যখন বৃদ্ধা হয়ে গেলেন...(পূর্বোক্ত যুহায়র সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শাক্বীক্ব (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) বলেছেন, সে [‘আয়িশা (রাঃ)] ছিল প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন। (ই.ফা. ৩৪৯৫, ই.সে. ৩৪৯৪)

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ‘আমর আন্ নাক্বিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) যখন বৃদ্ধা হয়ে গেলেন...(পূর্বোক্ত যুহায়র সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শাক্বীক্ব (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদাহ্ (রাঃ) বলেছেন, সে [‘আয়িশা (রাঃ)] ছিল প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন। (ই.ফা. ৩৪৯৫, ই.সে. ৩৪৯৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عقبة بن خالد، ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا الأسود بن عامر، حدثنا زهير، ح وحدثنا مجاهد بن موسى، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شريك، كلهم عن هشام، بهذا الإسناد أن سودة، لما كبرت ‏.‏ بمعنى حديث جرير وزاد في حديث شريك قالت وكانت أول امرأة تزوجها بعدي ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫২৬

حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وزاد قال عطاء كانت آخرهن موتا ماتت بالمدينة ‏.‏

ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ঐ সানাদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, ‘আত্বা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মূনাহ্) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মাদীনায় মৃত্যবরণ করেন।[৫৪] (ই.ফা. ৩৪৯৯, ই.সে. ৩৪৯৮)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

ঐ সানাদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, ‘আত্বা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মূনাহ্) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মাদীনায় মৃত্যবরণ করেন।[৫৪] (ই.ফা. ৩৪৯৯, ই.সে. ৩৪৯৮)

حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، عن ابن جريج، بهذا الإسناد وزاد قال عطاء كانت آخرهن موتا ماتت بالمدينة ‏.‏


সহিহ মুসলিম > দ্বীনের মানদন্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৩৫২৭

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، بن سعيد عن عبيد الله، أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تنكح المرأة لأربع لمالها ولحسبها ولجمالها ولدينها فاظفر بذات الدين تربت يداك ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুনের কারণে এবং তার দীনদারীর কারনে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। [৫৫] (ই.ফা. ৩৫০০, ই.সে. ৩৪৯৯)

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুনের কারণে এবং তার দীনদারীর কারনে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। [৫৫] (ই.ফা. ৩৫০০, ই.সে. ৩৪৯৯)

حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، بن سعيد عن عبيد الله، أخبرني سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تنكح المرأة لأربع لمالها ولحسبها ولجمالها ولدينها فاظفر بذات الدين تربت يداك ‏"‏ ‏.‏


সহিহ মুসলিম ৩৫২৮

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، أخبرني جابر بن عبد الله، قال تزوجت امرأة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فلقيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ يا جابر تزوجت ‏"‏ ‏.‏ قلت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ بكر أم ثيب ‏"‏ ‏.‏ قلت ثيب ‏.‏ قال ‏"‏ فهلا بكرا تلاعبها ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله إن لي أخوات فخشيت أن تدخل بيني وبينهن ‏.‏ قال ‏"‏ فذاك إذا ‏.‏ إن المرأة تنكح على دينها ومالها وجمالها فعليك بذات الدين تربت يداك ‏"‏ ‏.‏

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল, আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই-ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। (ই.ফা. ৩৫০১, ই.সে. ৩৫০০)

‘আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল, আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই-ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক। (ই.ফা. ৩৫০১, ই.সে. ৩৫০০)

وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عبد الملك بن أبي سليمان، عن عطاء، أخبرني جابر بن عبد الله، قال تزوجت امرأة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فلقيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ يا جابر تزوجت ‏"‏ ‏.‏ قلت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ بكر أم ثيب ‏"‏ ‏.‏ قلت ثيب ‏.‏ قال ‏"‏ فهلا بكرا تلاعبها ‏"‏ ‏.‏ قلت يا رسول الله إن لي أخوات فخشيت أن تدخل بيني وبينهن ‏.‏ قال ‏"‏ فذاك إذا ‏.‏ إن المرأة تنكح على دينها ومالها وجمالها فعليك بذات الدين تربت يداك ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00