সহিহ মুসলিম > (কোন মহিলার দুধ) পাঁচ চুমুক খাওয়াতে হারাম সাব্যস্ত হওয়া প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৩৪৮৯
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن عمرة، عن عائشة، أنها قالت كان فيما أنزل من القرآن عشر رضعات معلومات يحرمن . ثم نسخن بخمس معلومات فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهن فيما يقرأ من القرآن
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআনে এ আয়াতটি নাযিল হয়েছিল (আরবী) “দশবার দুধপানে হারাম সাব্যস্ত হয়”। অতঃপর তা রহিত হয়ে যায় (আরবী)-এর দ্বারা “পাঁচবার পান দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন অথচ ঐ আয়াতটি কুরআনের আয়াত হিসেবে তিলাওয়াত করা হত।” (ই.ফা. ৩৪৬২, ই.সে. ৩৪৬১)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কুরআনে এ আয়াতটি নাযিল হয়েছিল (আরবী) “দশবার দুধপানে হারাম সাব্যস্ত হয়”। অতঃপর তা রহিত হয়ে যায় (আরবী)-এর দ্বারা “পাঁচবার পান দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়।” অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন অথচ ঐ আয়াতটি কুরআনের আয়াত হিসেবে তিলাওয়াত করা হত।” (ই.ফা. ৩৪৬২, ই.সে. ৩৪৬১)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن عبد الله بن أبي بكر، عن عمرة، عن عائشة، أنها قالت كان فيما أنزل من القرآن عشر رضعات معلومات يحرمن . ثم نسخن بخمس معلومات فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهن فيما يقرأ من القرآن
সহিহ মুসলিম ৩৪৯০
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا سليمان بن بلال، عن يحيى، - وهو ابن سعيد - عن عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول - وهى تذكر الذي يحرم من الرضاعة - قالت عمرة فقالت عائشة نزل في القرآن عشر رضعات معلومات ثم نزل أيضا خمس معلومات
‘আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তিনি দুধপানের ঐ পরিমান সম্পর্কে আলোচনা করলেন যার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়। ‘আমরাহ্ বললেন যে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন, আল-কুরআনে নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত দশবার দুধপানে।” অতঃপর নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত পাঁচবার দুধপানে।” (ই.ফা. ৩৪৬৩, ই.সে. ৩৪৬২)
‘আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তিনি দুধপানের ঐ পরিমান সম্পর্কে আলোচনা করলেন যার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়। ‘আমরাহ্ বললেন যে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন, আল-কুরআনে নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত দশবার দুধপানে।” অতঃপর নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত পাঁচবার দুধপানে।” (ই.ফা. ৩৪৬৩, ই.সে. ৩৪৬২)
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا سليمان بن بلال، عن يحيى، - وهو ابن سعيد - عن عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول - وهى تذكر الذي يحرم من الرضاعة - قالت عمرة فقالت عائشة نزل في القرآن عشر رضعات معلومات ثم نزل أيضا خمس معلومات
সহিহ মুসলিম ৩৪৯১
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، قال أخبرتني عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول . بمثله .
‘আমরাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ)-কে অনুরূপ বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৩৪৬৪, ই.সে. ৩৪৬৩)
‘আমরাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ)-কে অনুরূপ বলতে শুনেছেন। (ই.ফা. ৩৪৬৪, ই.সে. ৩৪৬৩)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، قال أخبرتني عمرة، أنها سمعت عائشة، تقول . بمثله .
সহিহ মুসলিম > বয়স্কদের দুধপান করানো
সহিহ মুসলিম ৩৪৯২
حدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءت سهلة بنت سهيل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إني أرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم - وهو حليفه . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أرضعيه " . قالت وكيف أرضعه وهو رجل كبير فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " قد علمت أنه رجل كبير " . زاد عمرو في حديثه وكان قد شهد بدرا . وفي رواية ابن أبي عمر فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুহায়ল-এর কন্যা সাহ্লাল্ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল, আমার সাথে সালিমের দেখা সাক্ষাৎ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলে অসন্তুষ্টির আলামত দেখতে পাচ্ছি অথচ সালিম হল তাঁর হালীফ (পোষ্য পুত্র)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও। তিনি বলেন, আমি কেমন করে তাকে দুধপান করাব, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি দিলেন এবং বললেন, আমি জানি যে, সে একজন বয়স্ক পুরুষ। ‘আম্র (রাবী) তাঁর হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন, সালিম বদর যুদ্বে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর ইবনু আবূ ‘উমারের বর্ণনায় রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। (ই.ফা. ৩৪৬৫, ই.সে. ৩৪৬৪)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সুহায়ল-এর কন্যা সাহ্লাল্ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল, আমার সাথে সালিমের দেখা সাক্ষাৎ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলে অসন্তুষ্টির আলামত দেখতে পাচ্ছি অথচ সালিম হল তাঁর হালীফ (পোষ্য পুত্র)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও। তিনি বলেন, আমি কেমন করে তাকে দুধপান করাব, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি দিলেন এবং বললেন, আমি জানি যে, সে একজন বয়স্ক পুরুষ। ‘আম্র (রাবী) তাঁর হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন, সালিম বদর যুদ্বে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর ইবনু আবূ ‘উমারের বর্ণনায় রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। (ই.ফা. ৩৪৬৫, ই.সে. ৩৪৬৪)
حدثنا عمرو الناقد، وابن أبي عمر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد الرحمن، بن القاسم عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءت سهلة بنت سهيل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إني أرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم - وهو حليفه . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أرضعيه " . قالت وكيف أرضعه وهو رجل كبير فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " قد علمت أنه رجل كبير " . زاد عمرو في حديثه وكان قد شهد بدرا . وفي رواية ابن أبي عمر فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৩
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن أبي عمر، جميعا عن الثقفي، - قال ابن أبي عمر حدثنا عبد الوهاب الثقفي، - عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، عن عائشة، أن سالما، مولى أبي حذيفة كان مع أبي حذيفة وأهله في بيتهم فأتت - تعني ابنة سهيل - النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن سالما قد بلغ ما يبلغ الرجال وعقل ما عقلوا وإنه يدخل علينا وإني أظن أن في نفس أبي حذيفة من ذلك شيئا . فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم " أرضعيه تحرمي عليه ويذهب الذي في نفس أبي حذيفة " . فرجعت فقالت إني قد أرضعته فذهب الذي في نفس أبي حذيفة .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস সালিম (রহঃ) আবূ হুযাইফাহ্ ও তাঁর পরিবারের সাথে একই ঘরে বসবাস করত। একদা সুহায়লের কন্যা (হুযায়ফার স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, সালিম বয়স্ক পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে, সে বুঝে লোকে যা বুঝতে পারে অথচ সে আমাদের নিকট প্রবেশ করে থাকে। আমি ধারণা করি এ কারণে আবূ হুযায়ফার মনে অভিযোগের ভাব সৃষ্টি হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি তাঁকে দুধপান করিয়ে দাও, তুমি তাঁর জন্য হারাম হয়ে যাবে এবং আবূ হুযায়ফার মনের অভিযোগ দূরীভূত হবে। অতঃপর তিনি তাঁর (আবূ হুযায়াফার) নিকট ফিরে এসে বললেন, আমি তাকে (সালিমকে) দুধপান করিয়েছি। তাতে আবূ হুযায়ফার মনের অসন্তোষ দূর হয়ে যায়। (ই.ফা. ৩৪৬৬, ই.সে. ৩৪৬৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস সালিম (রহঃ) আবূ হুযাইফাহ্ ও তাঁর পরিবারের সাথে একই ঘরে বসবাস করত। একদা সুহায়লের কন্যা (হুযায়ফার স্ত্রী) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, সালিম বয়স্ক পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে, সে বুঝে লোকে যা বুঝতে পারে অথচ সে আমাদের নিকট প্রবেশ করে থাকে। আমি ধারণা করি এ কারণে আবূ হুযায়ফার মনে অভিযোগের ভাব সৃষ্টি হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি তাঁকে দুধপান করিয়ে দাও, তুমি তাঁর জন্য হারাম হয়ে যাবে এবং আবূ হুযায়ফার মনের অভিযোগ দূরীভূত হবে। অতঃপর তিনি তাঁর (আবূ হুযায়াফার) নিকট ফিরে এসে বললেন, আমি তাকে (সালিমকে) দুধপান করিয়েছি। তাতে আবূ হুযায়ফার মনের অসন্তোষ দূর হয়ে যায়। (ই.ফা. ৩৪৬৬, ই.সে. ৩৪৬৫)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، ومحمد بن أبي عمر، جميعا عن الثقفي، - قال ابن أبي عمر حدثنا عبد الوهاب الثقفي، - عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، عن عائشة، أن سالما، مولى أبي حذيفة كان مع أبي حذيفة وأهله في بيتهم فأتت - تعني ابنة سهيل - النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن سالما قد بلغ ما يبلغ الرجال وعقل ما عقلوا وإنه يدخل علينا وإني أظن أن في نفس أبي حذيفة من ذلك شيئا . فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم " أرضعيه تحرمي عليه ويذهب الذي في نفس أبي حذيفة " . فرجعت فقالت إني قد أرضعته فذهب الذي في نفس أبي حذيفة .
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৪
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قال حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرنا ابن أبي مليكة، أن القاسم بن محمد بن أبي بكر، أخبره أن عائشة أخبرته أن سهلة بنت سهيل بن عمرو جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن سالما - لسالم مولى أبي حذيفة - معنا في بيتنا وقد بلغ ما يبلغ الرجال وعلم ما يعلم الرجال . قال " أرضعيه تحرمي عليه " . قال فمكثت سنة أو قريبا منها لا أحدث به وهبته ثم لقيت القاسم فقلت له لقد حدثتني حديثا ما حدثته بعد . قال فما هو فأخبرته . قال فحدثه عني أن عائشة أخبرتنيه
'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুহায়ল ইবনু ‘আম্র-এর কন্যা সাহ্লাহ্ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস আমাদের সাথে একই ঘরে থাকে, অথচ সে বয়স্ক ও জ্ঞান সম্পন্ন পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে। তিনি বললেন, তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তাতে তুমি তার প্রতি হারাম হয়ে যাবে। রাবী (ইবনু আবূ মুলায়কাহ্) বলেন, অতঃপর আমি এক বছর বা প্রায় এক বছর কাল ভয়ে উক্ত হাদীস বর্ণনা করিনি। অতঃপর কাসিমের সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনি আমার নিকট এতদিন এমনি এক হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমি অদ্যাবধি কারোর নিকট বর্ণনা করিনি। তিনি বললেন, তা কোন হাদীস? তখন আমি তাকে ঐ হাদীসখানার বিষয়ে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি তা আমা হতে এ সুত্রে বর্ণনা কর যে, ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে সে সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৬৭, ই.সে. ৩৪৬৬)
'আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সুহায়ল ইবনু ‘আম্র-এর কন্যা সাহ্লাহ্ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আবূ হুযায়ফার মুক্তদাস আমাদের সাথে একই ঘরে থাকে, অথচ সে বয়স্ক ও জ্ঞান সম্পন্ন পুরুষের স্তরে পৌছে গেছে। তিনি বললেন, তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তাতে তুমি তার প্রতি হারাম হয়ে যাবে। রাবী (ইবনু আবূ মুলায়কাহ্) বলেন, অতঃপর আমি এক বছর বা প্রায় এক বছর কাল ভয়ে উক্ত হাদীস বর্ণনা করিনি। অতঃপর কাসিমের সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনি আমার নিকট এতদিন এমনি এক হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমি অদ্যাবধি কারোর নিকট বর্ণনা করিনি। তিনি বললেন, তা কোন হাদীস? তখন আমি তাকে ঐ হাদীসখানার বিষয়ে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি তা আমা হতে এ সুত্রে বর্ণনা কর যে, ‘আয়িশা (রাঃ) আমাকে সে সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ই.ফা. ৩৪৬৭, ই.সে. ৩৪৬৬)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قال حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرنا ابن أبي مليكة، أن القاسم بن محمد بن أبي بكر، أخبره أن عائشة أخبرته أن سهلة بنت سهيل بن عمرو جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن سالما - لسالم مولى أبي حذيفة - معنا في بيتنا وقد بلغ ما يبلغ الرجال وعلم ما يعلم الرجال . قال " أرضعيه تحرمي عليه " . قال فمكثت سنة أو قريبا منها لا أحدث به وهبته ثم لقيت القاسم فقلت له لقد حدثتني حديثا ما حدثته بعد . قال فما هو فأخبرته . قال فحدثه عني أن عائشة أخبرتنيه
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৫
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أم سلمة، قالت قالت أم سلمة لعائشة إنه يدخل عليك الغلام الأيفع الذي ما أحب أن يدخل على . قال فقالت عائشة أما لك في رسول الله صلى الله عليه وسلم أسوة قالت إن امرأة أبي حذيفة قالت يا رسول الله إن سالما يدخل على وهو رجل وفي نفس أبي حذيفة منه شىء . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرضعيه حتى يدخل عليك "
যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, তোমার নিকট বালিগ হওয়ার নিকটবর্তী ছেলে প্রবেশ করে থাকে, কিন্তু আমার নিকট ঐ ধরনের ছেলের প্রবেশ করাকে পছন্দ করি না। রাবী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তোমার জন্য কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে সুন্দর আদর্শ বিদ্যমান নেই? তিনি আরো বললেন, একদা আবূ হুযায়ফার স্ত্রী আরয করল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আমার নিকট প্রবেশ করে থাকে, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ এবং এজন্য আবূ হুযায়ফার অন্তরে কিছুটা অসন্তোষ ভাব বিদ্যমান। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তোমার দুধপান করিয়ে দাও যাতে সে তোমার নিকট প্রবেশ করতে পারে। (ই.ফা. ৩৪৬৮, ই.সে. ৩৪৬৭)
যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, তোমার নিকট বালিগ হওয়ার নিকটবর্তী ছেলে প্রবেশ করে থাকে, কিন্তু আমার নিকট ঐ ধরনের ছেলের প্রবেশ করাকে পছন্দ করি না। রাবী বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, তোমার জন্য কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে সুন্দর আদর্শ বিদ্যমান নেই? তিনি আরো বললেন, একদা আবূ হুযায়ফার স্ত্রী আরয করল, হে আল্লাহর রসূল! সালিম আমার নিকট প্রবেশ করে থাকে, অথচ সে একজন বয়স্ক পুরুষ এবং এজন্য আবূ হুযায়ফার অন্তরে কিছুটা অসন্তোষ ভাব বিদ্যমান। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে তোমার দুধপান করিয়ে দাও যাতে সে তোমার নিকট প্রবেশ করতে পারে। (ই.ফা. ৩৪৬৮, ই.সে. ৩৪৬৭)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن نافع، عن زينب بنت أم سلمة، قالت قالت أم سلمة لعائشة إنه يدخل عليك الغلام الأيفع الذي ما أحب أن يدخل على . قال فقالت عائشة أما لك في رسول الله صلى الله عليه وسلم أسوة قالت إن امرأة أبي حذيفة قالت يا رسول الله إن سالما يدخل على وهو رجل وفي نفس أبي حذيفة منه شىء . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرضعيه حتى يدخل عليك "
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৬
وحدثني أبو الطاهر، وهارون بن سعيد الأيلي، - واللفظ لهارون - قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال سمعت حميد بن نافع، يقول سمعت زينب، بنت أبي سلمة تقول سمعت أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول لعائشة والله ما تطيب نفسي أن يراني الغلام قد استغنى عن الرضاعة . فقالت لم قد جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله والله إني لأرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم . قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرضعيه " . فقالت إنه ذو لحية . فقال " أرضعيه يذهب ما في وجه أبي حذيفة " . فقالت والله ما عرفته في وجه أبي حذيفة .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহর কসম আমি পছন্দ করি না যে, যে ছেলে দুধপানের সম্পর্ক থেকে মুক্ত আমাকে দেখুক। তিনি বললেন, কেন? একদা সুহায়ল-এর কন্যা সাহ্লাহ্ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম আমার নিকট সালিমের প্রবেশ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলে অসন্তোষের লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তাতে আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলের মলিনতা দূর হয়ে যাবে। সাহ্লার বর্ণনা, আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, তারপরে আমি আবূ হুযায়ফার চেহারায় মলিনতা আর দেখতে পাইনি। (ই.ফা. ৩৪৬৯, ই.সে. ৩৪৬৮)
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহর কসম আমি পছন্দ করি না যে, যে ছেলে দুধপানের সম্পর্ক থেকে মুক্ত আমাকে দেখুক। তিনি বললেন, কেন? একদা সুহায়ল-এর কন্যা সাহ্লাহ্ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম আমার নিকট সালিমের প্রবেশ করার কারণে আমি আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলে অসন্তোষের লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধপান করিয়ে দাও, তাতে আবূ হুযায়ফার মুখমন্ডলের মলিনতা দূর হয়ে যাবে। সাহ্লার বর্ণনা, আমি আল্লাহর কসম করে বলছি যে, তারপরে আমি আবূ হুযায়ফার চেহারায় মলিনতা আর দেখতে পাইনি। (ই.ফা. ৩৪৬৯, ই.সে. ৩৪৬৮)
وحدثني أبو الطاهر، وهارون بن سعيد الأيلي، - واللفظ لهارون - قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال سمعت حميد بن نافع، يقول سمعت زينب، بنت أبي سلمة تقول سمعت أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول لعائشة والله ما تطيب نفسي أن يراني الغلام قد استغنى عن الرضاعة . فقالت لم قد جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله والله إني لأرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم . قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أرضعيه " . فقالت إنه ذو لحية . فقال " أرضعيه يذهب ما في وجه أبي حذيفة " . فقالت والله ما عرفته في وجه أبي حذيفة .
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৭
حدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، أنه قال أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة، أن أمه، زينب بنت أبي سلمة أخبرته أن أمها أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخلن عليهن أحدا بتلك الرضاعة وقلن لعائشة والله ما نرى هذا إلا رخصة أرخصها رسول الله صلى الله عليه وسلم لسالم خاصة فما هو بداخل علينا أحد بهذه الرضاعة ولا رائينا
উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকল সহধর্মিনী দুধপান সম্পর্কের দ্বারা কাউকে তাদের নিকট প্রবেশ করতে নিষেধ করেন এবং তারা ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলেন, আল্লাহর কসম, আমরা এটাকে (প্রাপ্ত বয়সে দুধপান দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হওয়াকে) একটি বিশেষ অনুমতি মনে করি যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল সালিমের জন্য দিয়েছিলেন। অতএব এ ধরনের দুধপানের মাধ্যমে কেউ আমাদের নিকট প্রবেশ করতে পারবে না এবং আমাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করতে পারবে না। (ই.ফা. ৩৪৭০, ই.সে. ৩৪৬৯)
উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকল সহধর্মিনী দুধপান সম্পর্কের দ্বারা কাউকে তাদের নিকট প্রবেশ করতে নিষেধ করেন এবং তারা ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলেন, আল্লাহর কসম, আমরা এটাকে (প্রাপ্ত বয়সে দুধপান দ্বারা হুরমত সাব্যস্ত হওয়াকে) একটি বিশেষ অনুমতি মনে করি যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল সালিমের জন্য দিয়েছিলেন। অতএব এ ধরনের দুধপানের মাধ্যমে কেউ আমাদের নিকট প্রবেশ করতে পারবে না এবং আমাদের প্রতি দৃষ্টিপাতও করতে পারবে না। (ই.ফা. ৩৪৭০, ই.সে. ৩৪৬৯)
حدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني أبي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، أنه قال أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة، أن أمه، زينب بنت أبي سلمة أخبرته أن أمها أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخلن عليهن أحدا بتلك الرضاعة وقلن لعائشة والله ما نرى هذا إلا رخصة أرخصها رسول الله صلى الله عليه وسلم لسالم خاصة فما هو بداخل علينا أحد بهذه الرضاعة ولا رائينا
সহিহ মুসলিম > ক্ষুধার্ত অবস্থায় দুধপান করাতেই দুধভাই সাব্যস্ত হয়
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৮
حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن أبيه، عن مسروق، قال قالت عائشة دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي رجل قاعد فاشتد ذلك عليه ورأيت الغضب في وجهه قالت فقلت يا رسول الله إنه أخي من الرضاعة . قالت فقال " انظرن إخوتكن من الرضاعة فإنما الرضاعة من المجاعة"
‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন তখন আমার নিকট একজন পুরুষ উপবিষ্ট ছিলেন। তাতে তাঁর মন অতিভারাক্রান্ত হয় এবং আমি তার চেহারায় ক্রোধের আলামত দেখতে পেলাম। তিনি বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার দুধভাই। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কারা তোমাদের দুধ ভাই, তা তোমরা ভাল করে দেখে নিও। কেননা রযা’আহ্ সাবিত হয় যখন দুধপানের দ্বারা সন্তানের ক্ষুধা নিবারিত হয়। (ই.ফা. ৩৪৭১, ই.সে. ৩৪৭০)
‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন তখন আমার নিকট একজন পুরুষ উপবিষ্ট ছিলেন। তাতে তাঁর মন অতিভারাক্রান্ত হয় এবং আমি তার চেহারায় ক্রোধের আলামত দেখতে পেলাম। তিনি বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি আমার দুধভাই। তিনি বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কারা তোমাদের দুধ ভাই, তা তোমরা ভাল করে দেখে নিও। কেননা রযা’আহ্ সাবিত হয় যখন দুধপানের দ্বারা সন্তানের ক্ষুধা নিবারিত হয়। (ই.ফা. ৩৪৭১, ই.সে. ৩৪৭০)
حدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو الأحوص، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن أبيه، عن مسروق، قال قالت عائشة دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي رجل قاعد فاشتد ذلك عليه ورأيت الغضب في وجهه قالت فقلت يا رسول الله إنه أخي من الرضاعة . قالت فقال " انظرن إخوتكن من الرضاعة فإنما الرضاعة من المجاعة"
সহিহ মুসলিম ৩৪৯৯
وحدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي قالا، جميعا حدثنا شعبة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، جميعا عن سفيان، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، كلهم عن أشعث بن أبي الشعثاء، بإسناد أبي الأحوص كمعنى حديثه غير أنهم قالوا " من المجاعة "
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার, ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মু’আয, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, যুহায়র ইবনু হারব ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই আশ’আস ইবনু শা’সা আবুল আহওয়াস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে তাঁরা বলেন, “ক্ষুধার কারণ”। (ই.ফা. ৩৪৭২, ই.সা. ৩৪৭১)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার, ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মু’আয, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, যুহায়র ইবনু হারব ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) থেকে বর্নিতঃ
সকলেই আশ’আস ইবনু শা’সা আবুল আহওয়াস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের মর্মানুযায়ী বর্ণনা করেন। তবে তাঁরা বলেন, “ক্ষুধার কারণ”। (ই.ফা. ৩৪৭২, ই.সা. ৩৪৭১)
وحدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي قالا، جميعا حدثنا شعبة، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، جميعا عن سفيان، ح وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، كلهم عن أشعث بن أبي الشعثاء، بإسناد أبي الأحوص كمعنى حديثه غير أنهم قالوا " من المجاعة "
সহিহ মুসলিম > ইসতিবরার [৫২] পর যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে সঙ্গম করা জায়িয এবং তার স্বামী বর্তমান থাকলে সে বিবাহ বাতিল
সহিহ মুসলিম ৩৫০০
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة القواريري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، بن أبي عروبة عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد، الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم حنين بعث جيشا إلى أوطاس فلقوا عدوا فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن ناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله عز وجل في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم} أى فهن لكم حلال إذا انقضت عدتهن .
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন-এর যুদ্ধের সময় একটি দল আওত্বাস-এর দিকে পাঠান। তারা শত্রু দলের মুখোমুখী হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্যে থেকে দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গম করা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকজন সাহাবা যেন নাজায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে নিবে। (ই.ফা. ৩৪৭৩, ই.সে. ৩৪৭২)
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন-এর যুদ্ধের সময় একটি দল আওত্বাস-এর দিকে পাঠান। তারা শত্রু দলের মুখোমুখী হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে এবং তাদের অনেক কয়েদী তাদের হস্তগত হয়। এদের মধ্যে থেকে দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গম করা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কয়েকজন সাহাবা যেন নাজায়িয মনে করলেন, তাদের মুশরিক স্বামী বর্তমান থাকার কারণে। আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ” অর্থাৎ তারা তোমাদের জন্য হালাল, যখন তারা তাদের ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে নিবে। (ই.ফা. ৩৪৭৩, ই.সে. ৩৪৭২)
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة القواريري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، بن أبي عروبة عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد، الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم حنين بعث جيشا إلى أوطاس فلقوا عدوا فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن ناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله عز وجل في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم} أى فهن لكم حلال إذا انقضت عدتهن .
সহিহ মুসলিম ৩৫০১
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا حدثنا عبد، الأعلى عن سعيد، عن قتادة، عن أبي الخليل، أن أبا علقمة الهاشمي، حدث أن أبا سعيد الخدري حدثهم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين سرية . بمعنى حديث يزيد بن زريع غير أنه قال إلا ما ملكت أيمانكم منهن فحلال لكم ولم يذكر إذا انقضت عدتهن
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন যুদ্ধের সময় একটি ছোট সেনাদল পাঠান- পরবর্তী অংশ ইয়াযীদ ইবনু যুরা’য় এর হাদীসের মর্মানুসারে। তবে এতে রয়েছে- তাদের (সধবাদের) মধ্য থেকে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত তারা তোমাদের জন্য হালাল। এ বর্ণায় “যখন তারা তাদের ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে নিবে”-অংশটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩৪৭৪, ই.সে. ৩৪৭৩)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন যুদ্ধের সময় একটি ছোট সেনাদল পাঠান- পরবর্তী অংশ ইয়াযীদ ইবনু যুরা’য় এর হাদীসের মর্মানুসারে। তবে এতে রয়েছে- তাদের (সধবাদের) মধ্য থেকে যারা তোমাদের অধিকারভুক্ত তারা তোমাদের জন্য হালাল। এ বর্ণায় “যখন তারা তাদের ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে নিবে”-অংশটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩৪৭৪, ই.সে. ৩৪৭৩)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا حدثنا عبد، الأعلى عن سعيد، عن قتادة، عن أبي الخليل، أن أبا علقمة الهاشمي، حدث أن أبا سعيد الخدري حدثهم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين سرية . بمعنى حديث يزيد بن زريع غير أنه قال إلا ما ملكت أيمانكم منهن فحلال لكم ولم يذكر إذا انقضت عدتهن
সহিহ মুসলিম ৩৫০৩
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، عن قتادة، بهذا الإسناد نحوه .
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আওত্বাস-এর যুদ্ধে কিছু কয়েদী সাহাবীগনের হস্তগত হয়, যাদের স্বামী ছিল। তারা (তাদের সাথে সঙ্গম করতে) ভয় পেলেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়- “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ।” (ই.ফা. ৩৪৭৬, ই.সা. ৩৪৭৫)
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আওত্বাস-এর যুদ্ধে কিছু কয়েদী সাহাবীগনের হস্তগত হয়, যাদের স্বামী ছিল। তারা (তাদের সাথে সঙ্গম করতে) ভয় পেলেন। তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়- “এবং নারীর মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত সকল সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ।” (ই.ফা. ৩৪৭৬, ই.সা. ৩৪৭৫)
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، عن قتادة، بهذا الإسناد نحوه .
সহিহ মুসলিম ৩৫০২
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد، قال أصابوا سبيا يوم أوطاس لهن أزواج فتخوفوا فأنزلت هذه الآية { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم} .
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪৭৫, ই.সে. ৩৪৭৪)
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪৭৫, ই.সে. ৩৪৭৪)
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن أبي الخليل، عن أبي سعيد، قال أصابوا سبيا يوم أوطاس لهن أزواج فتخوفوا فأنزلت هذه الآية { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم} .
সহিহ মুসলিম ৩৫০৪
وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد نحوه .
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪৭৭, ই.সে. ৩৪৭৬)
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদ থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪৭৭, ই.সে. ৩৪৭৬)
وحدثني يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا سعيد، عن قتادة، بهذا الإسناد نحوه .