সহিহ মুসলিম > ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক্ব দেয় এবং তার ‘ইদ্দাত শেষ হয়

সহিহ মুসলিম ৩৪২১

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن المرأة يتزوجها الرجل فيطلقها فتتزوج رجلا فيطلقها قبل أن يدخل بها أتحل لزوجها الأول قال ‏ "‏ لا حتى يذوق عسيلتها ‏"‏‏.

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয় যাকে একজন বিবাহ করে, অতঃপর সে তাকে ত্বলাক্ব দেয়। এরপর সে মহিলা আরেকজনকে বিয়ে করে। কিন্তু সে তার সাথে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক্ব দেয়। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে কি? তিনি বললেনঃ না, যে পর্যন্ত না সে ঐ স্ত্রীর স্বাদ গ্রহন করে। (ই.ফা. ৩৩৯৪, ই.সে. ৩৩৯৩)

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয় যাকে একজন বিবাহ করে, অতঃপর সে তাকে ত্বলাক্ব দেয়। এরপর সে মহিলা আরেকজনকে বিয়ে করে। কিন্তু সে তার সাথে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক্ব দেয়। এমতাবস্থায় উক্ত মহিলা প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে কি? তিনি বললেনঃ না, যে পর্যন্ত না সে ঐ স্ত্রীর স্বাদ গ্রহন করে। (ই.ফা. ৩৩৯৪, ই.সে. ৩৩৯৩)

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثنا أبو أسامة، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن المرأة يتزوجها الرجل فيطلقها فتتزوج رجلا فيطلقها قبل أن يدخل بها أتحل لزوجها الأول قال ‏ "‏ لا حتى يذوق عسيلتها ‏"‏‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪২৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبيد الله بن عمر، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت طلق رجل امرأته ثلاثا فتزوجها رجل ثم طلقها قبل أن يدخل بها فأراد زوجها الأول أن يتزوجها فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏ "‏ لا حتى يذوق الآخر من عسيلتها ما ذاق الأول ‏"‏ ‏.

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর অন্য একজন তাকে বিয়ে করে। এরপর সে তাকে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। পরে প্রথম স্বামী তাকে বিয়ে করতে চায়- এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি বললেনঃ না, তা হবে না যে পর্যন্ত না তারা একে অন্যের স্বাদ গ্রহন করবে, যেভাবে প্রথম স্বামী তার স্বাদ গ্রহন করেছিল। (ই.ফা. ৩৩৯৬, ই.সে. ৩৩৯৫)

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর অন্য একজন তাকে বিয়ে করে। এরপর সে তাকে সঙ্গমের আগেই ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। পরে প্রথম স্বামী তাকে বিয়ে করতে চায়- এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি বললেনঃ না, তা হবে না যে পর্যন্ত না তারা একে অন্যের স্বাদ গ্রহন করবে, যেভাবে প্রথম স্বামী তার স্বাদ গ্রহন করেছিল। (ই.ফা. ৩৩৯৬, ই.সে. ৩৩৯৫)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن عبيد الله بن عمر، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت طلق رجل امرأته ثلاثا فتزوجها رجل ثم طلقها قبل أن يدخل بها فأراد زوجها الأول أن يتزوجها فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال ‏ "‏ لا حتى يذوق الآخر من عسيلتها ما ذاق الأول ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪১৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت جاءت امرأة رفاعة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كنت عند رفاعة فطلقني فبت طلاقي فتزوجت عبد الرحمن بن الزبير وإن ما معه مثل هدبة الثوب فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أتريدين أن ترجعي إلى رفاعة لا حتى تذوقي عسيلته ويذوق عسيلتك ‏"‏ ‏.‏ قالت وأبو بكر عنده وخالد بالباب ينتظر أن يؤذن له فنادى يا أبا بكر ألا تسمع هذه ما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফা’আহ্-এর স্ত্রী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, আমি রিফা’আর নিকট ছিলাম। সে আমাকে ত্বলাক্ব দিয়েছে পূর্ণ ত্বলাক্ব। অতঃপর আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিবাহ করি। তার কাছে রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মত। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি হাসলেন এবং বললেন, তুমি কি রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, (তা হয় না) যে পর্যন্ত না তুমি তার স্বাদ গ্রহন করবে এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহন করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন তার কাছে এবং খালিদ ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) ছিলেন দরজায়। তিনি (প্রবেশের) অনুমতির অপেক্ষা করছিলেন। তিনি ডাক দিয়ে বললেন, হে আবূ বকর! আপনি কি শুনেন না এ মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উচ্চৈঃস্বরে কী কথা বলছে। (ই.ফা. ৩৩৯১, ই.সে. ৩৩৯০)

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফা’আহ্-এর স্ত্রী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, আমি রিফা’আর নিকট ছিলাম। সে আমাকে ত্বলাক্ব দিয়েছে পূর্ণ ত্বলাক্ব। অতঃপর আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিবাহ করি। তার কাছে রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মত। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি হাসলেন এবং বললেন, তুমি কি রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, (তা হয় না) যে পর্যন্ত না তুমি তার স্বাদ গ্রহন করবে এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহন করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন তার কাছে এবং খালিদ ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) ছিলেন দরজায়। তিনি (প্রবেশের) অনুমতির অপেক্ষা করছিলেন। তিনি ডাক দিয়ে বললেন, হে আবূ বকর! আপনি কি শুনেন না এ মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উচ্চৈঃস্বরে কী কথা বলছে। (ই.ফা. ৩৩৯১, ই.সে. ৩৩৯০)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت جاءت امرأة رفاعة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت كنت عند رفاعة فطلقني فبت طلاقي فتزوجت عبد الرحمن بن الزبير وإن ما معه مثل هدبة الثوب فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ أتريدين أن ترجعي إلى رفاعة لا حتى تذوقي عسيلته ويذوق عسيلتك ‏"‏ ‏.‏ قالت وأبو بكر عنده وخالد بالباب ينتظر أن يؤذن له فنادى يا أبا بكر ألا تسمع هذه ما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪২২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية جميعا عن هشام، بهذا الإسناد ‏.

হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)

হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا ابن فضيل، ح وحدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية جميعا عن هشام، بهذا الإسناد ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪২০

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رفاعة القرظي، طلق امرأته فتزوجها عبد الرحمن بن الزبير فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن رفاعة طلقها آخر ثلاث تطليقات ‏.‏ بمثل حديث يونس ‏.

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আহ্ আল কুরাযী তার স্ত্রী ত্বলাক্ব দেয়। এরপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করে। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! রিফা’আহ্ তাকে পুরোপুরি তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। এরপর ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৩৯৩, ই.সে. ৩৩৯২)

‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আহ্ আল কুরাযী তার স্ত্রী ত্বলাক্ব দেয়। এরপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করে। অতঃপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! রিফা’আহ্ তাকে পুরোপুরি তিন ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। এরপর ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ই.ফা. ৩৩৯৩, ই.সে. ৩৩৯২)

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رفاعة القرظي، طلق امرأته فتزوجها عبد الرحمن بن الزبير فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن رفاعة طلقها آخر ثلاث تطليقات ‏.‏ بمثل حديث يونس ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪১৯

حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - قال أبو الطاهر حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رفاعة القرظي طلق امرأته فبت طلاقها فتزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إنها كانت تحت رفاعة فطلقها آخر ثلاث تطليقات فتزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير وإنه والله ما معه إلا مثل الهدبة وأخذت بهدبة من جلبابها ‏.‏ قال فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ضاحكا فقال ‏ "‏ لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة لا حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته ‏"‏ ‏.‏ وأبو بكر الصديق جالس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وخالد بن سعيد بن العاص جالس بباب الحجرة لم يؤذن له قال فطفق خالد ينادي أبا بكر ألا تزجر هذه عما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم

‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা’আহ্ আল কুয়াযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক্ব দেয় এবং সে তাকে পুরাপুরি ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। অতঃপর সে স্ত্রী লোকটি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে ছিল রিফা’আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহ্‌র কসম, তার সাথে তো রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে, মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না তা হয় না, যতক্ষণ না সে তোমার স্বাদ করে এবং তুমি তার স্বাদ কর। আবূ বাক্র (রাঃ) তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বসা ছিলেন। আর খালিদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু ‘আস (রাঃ) ছিলেন হুজরার দরজায় বসা। তাকে (ঘরে প্রবেশ করার) অনুমতি দেয়া হয়নি। রাবী বলেন, তখন খালিদ (রাঃ) আবূ বাক্র (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, আপনি কেন মহিলাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তার এ সব কথা প্রকাশ করা থেকে বারণ করলেন না। (ই.ফা. ৩৩৯২, ই.সে. ৩৩৯১)

‘উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফা’আহ্ আল কুয়াযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক্ব দেয় এবং সে তাকে পুরাপুরি ত্বলাক্ব দিয়ে দেয়। অতঃপর সে স্ত্রী লোকটি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। এরপর সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সে ছিল রিফা’আর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন দিন ত্বলাক্ব দেয়। অতঃপর সে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহ্‌র কসম, তার সাথে তো রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মতো। এ বলে, মহিলা তার উড়নার আঁচল ধরে দেখাল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি সম্ভবত রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না তা হয় না, যতক্ষণ না সে তোমার স্বাদ করে এবং তুমি তার স্বাদ কর। আবূ বাক্র (রাঃ) তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বসা ছিলেন। আর খালিদ ইবনু সা’ঈদ ইবনু ‘আস (রাঃ) ছিলেন হুজরার দরজায় বসা। তাকে (ঘরে প্রবেশ করার) অনুমতি দেয়া হয়নি। রাবী বলেন, তখন খালিদ (রাঃ) আবূ বাক্র (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, আপনি কেন মহিলাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তার এ সব কথা প্রকাশ করা থেকে বারণ করলেন না। (ই.ফা. ৩৩৯২, ই.সে. ৩৩৯১)

حدثني أبو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - قال أبو الطاهر حدثنا وقال، حرملة أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رفاعة القرظي طلق امرأته فبت طلاقها فتزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إنها كانت تحت رفاعة فطلقها آخر ثلاث تطليقات فتزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير وإنه والله ما معه إلا مثل الهدبة وأخذت بهدبة من جلبابها ‏.‏ قال فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ضاحكا فقال ‏ "‏ لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة لا حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته ‏"‏ ‏.‏ وأبو بكر الصديق جالس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وخالد بن سعيد بن العاص جالس بباب الحجرة لم يؤذن له قال فطفق خالد ينادي أبا بكر ألا تزجر هذه عما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم


সহিহ মুসলিম ৩৪২৪

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - جميعا عن عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ وفي حديث يحيى عن عبيد الله حدثنا القاسم عن عائشة ‏.

‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইয়াহ্ইয়া অর্থাৎ ইবনু সা’ঈদ সহ সকলেই ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ‘উবায়দুল্লাহ্ সুত্রে ইয়াহ্ইয়া হাদীসে বলেন যে, কাসিম ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৯৭, ই.সে. ৩৩৯৬)

‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... ইয়াহ্ইয়া অর্থাৎ ইবনু সা’ঈদ সহ সকলেই ‘উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। ‘উবায়দুল্লাহ্ সুত্রে ইয়াহ্ইয়া হাদীসে বলেন যে, কাসিম ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৯৭, ই.সে. ৩৩৯৬)

وحدثناه محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - جميعا عن عبيد الله، بهذا الإسناد ‏.‏ مثله ‏.‏ وفي حديث يحيى عن عبيد الله حدثنا القاسم عن عائشة ‏.


সহিহ মুসলিম > মিলনের প্রাক্কালে যা পাঠ করা মুস্তাহাব

সহিহ মুসলিম ৩৪২৫

حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ ليحيى - قالا أخبرنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا ‏"‏‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলতে চায় সে যেন বলে (অর্থ-) “বিসমিল্লাহ্ হে আল্লাহ্! আমাদের শায়ত্বান থেকে রক্ষা করুন, আর আমাদের যা তুমি দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখুন”। কেননা এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শায়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না। (ই.ফা. ৩৩৯৮, ই.সে. ৩৩৯৭)

ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ তার স্ত্রীর সাথে মিলতে চায় সে যেন বলে (অর্থ-) “বিসমিল্লাহ্ হে আল্লাহ্! আমাদের শায়ত্বান থেকে রক্ষা করুন, আর আমাদের যা তুমি দান করবে তাকেও শয়তান থেকে দূরে রাখুন”। কেননা এ মিলনে তাদের ভাগ্যে যদি কোন সন্তান হয় তবে শায়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারবে না। (ই.ফা. ৩৩৯৮, ই.সে. ৩৩৯৭)

حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، - واللفظ ليحيى - قالا أخبرنا جرير، عن منصور، عن سالم، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو أن أحدهم إذا أراد أن يأتي أهله قال باسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا ‏"‏‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪২৬

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، جميعا عن الثوري، كلاهما عن منصور، بمعنى حديث جرير غير أن شعبة ليس في حديثه ذكر ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية عبد الرزاق عن الثوري ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن نمير قال منصور أراه قال ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার, ইবনু নুমায়র ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই সাওরী (রহঃ) থেকে, তারা (শু’বাহ্ ও ‘আবদুর রায্যাক) উভয়ে মানসূর থেকে বর্নিতঃ

জারীরের হাদীসের মর্মানুযায়ী রিওয়ায়াত করেন। তবে শু’বাহ্ তার হাদীসে “বিসমিল্লাহ্” এর উল্লেখ করেননি এবং সাওরী সুত্রে ‘আবদুর রায্যাক এর রিওয়ায়াতে “বিসমিল্লাহ্” রয়েছে। আর ইবনু নুমায়র-এর রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, মানসূর বলেছেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন, “বিসমিল্লাহ্” (ই.ফা. ৩৩৯৯, ই.সে. ৩৩৯৮)

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশ্শার, ইবনু নুমায়র ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই সাওরী (রহঃ) থেকে, তারা (শু’বাহ্ ও ‘আবদুর রায্যাক) উভয়ে মানসূর থেকে বর্নিতঃ

জারীরের হাদীসের মর্মানুযায়ী রিওয়ায়াত করেন। তবে শু’বাহ্ তার হাদীসে “বিসমিল্লাহ্” এর উল্লেখ করেননি এবং সাওরী সুত্রে ‘আবদুর রায্যাক এর রিওয়ায়াতে “বিসমিল্লাহ্” রয়েছে। আর ইবনু নুমায়র-এর রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, মানসূর বলেছেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন, “বিসমিল্লাহ্” (ই.ফা. ৩৩৯৯, ই.সে. ৩৩৯৮)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي ح، وحدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، جميعا عن الثوري، كلاهما عن منصور، بمعنى حديث جرير غير أن شعبة ليس في حديثه ذكر ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية عبد الرزاق عن الثوري ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.‏ وفي رواية ابن نمير قال منصور أراه قال ‏"‏ باسم الله ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > মলদ্বার ব্যতীত স্ত্রীর সম্মুখ বা পেছন দিক থেকে সঙ্গম করা জায়িয

সহিহ মুসলিম ৩৪২৭

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا سفيان عن ابن المنكدر سمع جابرا يقول كانت اليهود تقول إذا أتى الرجل امرأته من دبرها في قبلها كان الولد أحول فنزلت ‏{‏ نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم‏}

জাবির (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ইয়াহূদিরা বলতো, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনি দারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ “স্ত্রীগন তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার”-(সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২:২২৩)। (ই.ফা ৩৪০০, ই.সে ৩৩৯৯)

জাবির (রাযি:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ইয়াহূদিরা বলতো, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনি দারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ “স্ত্রীগন তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার”-(সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২:২২৩)। (ই.ফা ৩৪০০, ই.সে ৩৩৯৯)

حدثنا قتيبة بن سعيد، وأبو بكر بن أبي شيبة وعمرو الناقد - واللفظ لأبي بكر - قالوا حدثنا سفيان عن ابن المنكدر سمع جابرا يقول كانت اليهود تقول إذا أتى الرجل امرأته من دبرها في قبلها كان الولد أحول فنزلت ‏{‏ نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم‏}


সহিহ মুসলিম ৩৪২৮

وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن الهاد، عن أبي حازم، عن محمد، بن المنكدر عن جابر بن عبد الله، أن يهود، كانت تقول إذا أتيت المرأة من دبرها في قبلها ثم حملت كان ولدها أحول ‏.‏ قال فأنزلت ‏{‏ نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم‏}

ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহূদীরা বলত যে, স্ত্রীর পিছন দিক থেকে যোনী দ্বারে যদি সঙ্গম করা হয় এবং এতে সে যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার সন্তান হবে টেরা চক্ষু বিশিষ্ট। রাবী বলেন, এ প্রসঙ্গে নাযিল হল- “স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার”- (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২:২২৩)। (ই.ফা ৩৪০১, ই.সে ৩৪০০)

ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহূদীরা বলত যে, স্ত্রীর পিছন দিক থেকে যোনী দ্বারে যদি সঙ্গম করা হয় এবং এতে সে যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার সন্তান হবে টেরা চক্ষু বিশিষ্ট। রাবী বলেন, এ প্রসঙ্গে নাযিল হল- “স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার”- (সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ ২:২২৩)। (ই.ফা ৩৪০১, ই.সে ৩৪০০)

وحدثنا محمد بن رمح، أخبرنا الليث، عن ابن الهاد، عن أبي حازم، عن محمد، بن المنكدر عن جابر بن عبد الله، أن يهود، كانت تقول إذا أتيت المرأة من دبرها في قبلها ثم حملت كان ولدها أحول ‏.‏ قال فأنزلت ‏{‏ نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم‏}


সহিহ মুসলিম ৩৪২৯

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، عن جدي، عن أيوب، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، ح وحدثني عبيد الله، بن سعيد وهارون بن عبد الله وأبو معن الرقاشي قالوا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، ح وحدثني سليمان بن معبد، حدثنا معلى بن أسد، حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن المختار - عن سهيل بن أبي صالح، كل هؤلاء عن محمد بن المنكدر، عن جابر، بهذا الحديث وزاد في حديث النعمان عن الزهري إن شاء مجبية وإن شاء غير مجبية غير أن ذلك في صمام واحد ‏.

জাবির (রাযিঃ) থেকে যুহরী সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নু’মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে। (ই.ফা ৩৪০২, ই.সে ৩৪০১)

জাবির (রাযিঃ) থেকে যুহরী সুত্র থেকে বর্নিতঃ

নু’মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে। (ই.ফা ৩৪০২, ই.সে ৩৪০১)

وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو عوانة، ح وحدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد، حدثني أبي، عن جدي، عن أيوب، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثني وهب بن جرير، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، ح وحدثني عبيد الله، بن سعيد وهارون بن عبد الله وأبو معن الرقاشي قالوا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان بن راشد، يحدث عن الزهري، ح وحدثني سليمان بن معبد، حدثنا معلى بن أسد، حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن المختار - عن سهيل بن أبي صالح، كل هؤلاء عن محمد بن المنكدر، عن جابر، بهذا الحديث وزاد في حديث النعمان عن الزهري إن شاء مجبية وإن شاء غير مجبية غير أن ذلك في صمام واحد ‏.


সহিহ মুসলিম > স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৩৪৩২

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان، عن يزيد، - يعني ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والذي نفسي بيده ما من رجل يدعو امرأته إلى فراشها فتأبى عليه إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عنها ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহবান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি না হয়, ততক্ষন আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে। (ই.ফা. ৩৪০৫, ই.সে. ৩৪০৪)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহবান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি না হয়, ততক্ষন আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে। (ই.ফা. ৩৪০৫, ই.সে. ৩৪০৪)

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان، عن يزيد، - يعني ابن كيسان - عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ والذي نفسي بيده ما من رجل يدعو امرأته إلى فراشها فتأبى عليه إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عنها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৩৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثني أبو سعيد الأشج، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا جرير، كلهم عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا دعا الرجل امرأته إلى فراشه فلم تأته فبات غضبان عليها لعنتها الملائكة حتى تصبح ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসে তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা’নাত করতে থাকে। (ই.ফা. ৩৪০৬, ই.সে. ৩৪০৫)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসে তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা’নাত করতে থাকে। (ই.ফা. ৩৪০৬, ই.সে. ৩৪০৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وأبو كريب قالا حدثنا أبو معاوية، ح وحدثني أبو سعيد الأشج، حدثنا وكيع، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا جرير، كلهم عن الأعمش، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا دعا الرجل امرأته إلى فراشه فلم تأته فبات غضبان عليها لعنتها الملائكة حتى تصبح ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৩০

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن زرارة بن أوفى، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا باتت المرأة هاجرة فراش زوجها لعنتها الملائكة حتى تصبح ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)-এর সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, স্বামীর বিছানা পরিহার করে কোন স্ত্রী রাত্রি যাপন করলে ফজর পর্যন্ত মালাকগণ তার প্রতি লা’নত করতে থাকে। (ই.ফা ৩৪০৩, ই.সে ৩৪০২)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)-এর সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, স্বামীর বিছানা পরিহার করে কোন স্ত্রী রাত্রি যাপন করলে ফজর পর্যন্ত মালাকগণ তার প্রতি লা’নত করতে থাকে। (ই.ফা ৩৪০৩, ই.সে ৩৪০২)

وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن زرارة بن أوفى، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا باتت المرأة هاجرة فراش زوجها لعنتها الملائكة حتى تصبح ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৩১

وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ حتى ترجع ‏"‏ ‏.

শু’বাহ্ (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এই সানাদের বর্ণনায় বলেছেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কথার উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৩৪০৪, ই.সে. ৩৪০৩)

শু’বাহ্ (রহঃ)-এর সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এই সানাদের বর্ণনায় বলেছেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কথার উল্লেখ আছে। (ই.ফা. ৩৪০৪, ই.সে. ৩৪০৩)

وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، بهذا الإسناد وقال ‏ "‏ حتى ترجع ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00