সহিহ মুসলিম > গর্ভবতী যুদ্ধবন্দিনী দাসীর সাথে সঙ্গম করা হারাম

সহিহ মুসলিম ৩৪৫৫

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، جميعا عن شعبة، في هذا الإسناد ‏.

শু’বাহ্ (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এই সানাদে বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪২৮, ই.সে. ৩৪২৭)

শু’বাহ্ (রহঃ) সুত্র থেকে বর্নিতঃ

এই সানাদে বর্ণিত। (ই.ফা. ৩৪২৮, ই.সে. ৩৪২৭)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو داود، جميعا عن شعبة، في هذا الإسناد ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৫৪

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، قال سمعت عبد الرحمن بن جبير، يحدث عن أبيه، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أتى بامرأة مجح على باب فسطاط فقال ‏"‏ لعله يريد أن يلم بها ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نعم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقد هممت أن ألعنه لعنا يدخل معه قبره كيف يورثه وهو لا يحل له كيف يستخدمه وهو لا يحل له ‏"‏ ‏.

আবূ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আসন্ন প্রসবা জনৈকা গর্ভবতী দাসীকে তাঁবুর দরজায় আনা হয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবত ঐ ব্যক্তি তার সাথে সঙ্গম করতে চায়। লোকেরা বলল, হাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি মনে করেছি, তাকে এমন লা’নাত দেই, যে লা’নাতসহ সে ক্ববরে প্রবেশ করে। কিভাবে সে তাকে (দাসীর গর্ভস্থ সন্তানকে) ওয়ারিস বানাবে অথচ তা তার জন্য বৈধ নয়? কেমন করে সে তাকে (সন্তানকে) খাদিম বানাবে অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়। (ই.ফা. ৩৪২৭, ই.সে. ৩৪২৬)

আবূ দারদা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আসন্ন প্রসবা জনৈকা গর্ভবতী দাসীকে তাঁবুর দরজায় আনা হয়। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবত ঐ ব্যক্তি তার সাথে সঙ্গম করতে চায়। লোকেরা বলল, হাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি মনে করেছি, তাকে এমন লা’নাত দেই, যে লা’নাতসহ সে ক্ববরে প্রবেশ করে। কিভাবে সে তাকে (দাসীর গর্ভস্থ সন্তানকে) ওয়ারিস বানাবে অথচ তা তার জন্য বৈধ নয়? কেমন করে সে তাকে (সন্তানকে) খাদিম বানাবে অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়। (ই.ফা. ৩৪২৭, ই.সে. ৩৪২৬)

وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، قال سمعت عبد الرحمن بن جبير، يحدث عن أبيه، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أتى بامرأة مجح على باب فسطاط فقال ‏"‏ لعله يريد أن يلم بها ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نعم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لقد هممت أن ألعنه لعنا يدخل معه قبره كيف يورثه وهو لا يحل له كيف يستخدمه وهو لا يحل له ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > ‘গীলাহ্’ অর্থাৎ স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের বৈধতা এবং ‘আয্ল মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে

সহিহ মুসলিম ৩৪৫৭

حدثنا عبيد الله بن سعيد، ومحمد بن أبي عمر، قالا حدثنا المقرئ، حدثنا سعيد، بن أبي أيوب حدثني أبو الأسود، عن عروة، عن عائشة، عن جدامة بنت وهب، أخت عكاشة قالت حضرت رسول الله صلى الله عليه وسلم في أناس وهو يقول ‏"‏ لقد هممت أن أنهى عن الغيلة فنظرت في الروم وفارس فإذا هم يغيلون أولادهم فلا يضر أولادهم ذلك شيئا ‏"‏ ‏.‏ ثم سألوه عن العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك الوأد الخفي ‏"‏ ‏.‏ زاد عبيد الله في حديثه عن المقرئ وهى ‏{‏ وإذا الموءودة سئلت‏}

উকাশার ভগ্নি জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদিন কিছু সংখ্যক লোকের সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাযির হলাম। তিনি তখন বলছিলেন, আমি স্তন্যদায়িনী মহিলার সাথে সঙ্গম করা নিষেধ করার ইচ্ছা করলাম, এমতাবস্হায় আমি রোম ও পারস্যবাসী লোকদের অবস্হার কথা বিবেচনা করে অবগত হলাম যে, তারা তাদের স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সংগম করে থাকে, কিন্তু তা তাদের সন্তান সন্ততির কোনরূপ ক্ষতি করে না। অতঃপর লোকেরা তাকে ‘আয্ল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হল গোপন হত্যা। রাবী ‘উবায়দুল্লাহ্ তাঁর বর্ণনায় আল মুক্রি সূত্রে আয়াতটুকুও উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ “যখন জীবন্ত সমাধিস্হ কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আত্ তাকভীরঃ ৮১:৮-৯) (ই.ফা. ৩৪৩০, ই.সে. ৩৪২৯)

উকাশার ভগ্নি জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একদিন কিছু সংখ্যক লোকের সাথে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে হাযির হলাম। তিনি তখন বলছিলেন, আমি স্তন্যদায়িনী মহিলার সাথে সঙ্গম করা নিষেধ করার ইচ্ছা করলাম, এমতাবস্হায় আমি রোম ও পারস্যবাসী লোকদের অবস্হার কথা বিবেচনা করে অবগত হলাম যে, তারা তাদের স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সংগম করে থাকে, কিন্তু তা তাদের সন্তান সন্ততির কোনরূপ ক্ষতি করে না। অতঃপর লোকেরা তাকে ‘আয্ল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হল গোপন হত্যা। রাবী ‘উবায়দুল্লাহ্ তাঁর বর্ণনায় আল মুক্রি সূত্রে আয়াতটুকুও উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ “যখন জীবন্ত সমাধিস্হ কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে”- (সূরাহ্ আত্ তাকভীরঃ ৮১:৮-৯) (ই.ফা. ৩৪৩০, ই.সে. ৩৪২৯)

حدثنا عبيد الله بن سعيد، ومحمد بن أبي عمر، قالا حدثنا المقرئ، حدثنا سعيد، بن أبي أيوب حدثني أبو الأسود، عن عروة، عن عائشة، عن جدامة بنت وهب، أخت عكاشة قالت حضرت رسول الله صلى الله عليه وسلم في أناس وهو يقول ‏"‏ لقد هممت أن أنهى عن الغيلة فنظرت في الروم وفارس فإذا هم يغيلون أولادهم فلا يضر أولادهم ذلك شيئا ‏"‏ ‏.‏ ثم سألوه عن العزل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ذلك الوأد الخفي ‏"‏ ‏.‏ زاد عبيد الله في حديثه عن المقرئ وهى ‏{‏ وإذا الموءودة سئلت‏}


সহিহ মুসলিম ৩৪৫৬

وحدثنا خلف بن هشام، حدثنا مالك بن أنس، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال قرأت على مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة عن عائشة عن جدامة بنت وهب الأسدية أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن الروم وفارس يصنعون ذلك فلا يضر أولادهم ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم وأما خلف فقال عن جذامة الأسدية ‏.‏ والصحيح ما قاله يحيى بالدال ‏.

জুদামাহ্ বিন্তু ওয়াহ্ব আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, আমি স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ইচ্ছে করলাম। এরপর আমার নিকট আলোচনা করা হল যে, রোম ও পারস্যবাসী লোকেরাও তা করে থাকে, অথচ তাতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, খালাফ তার সানাদ বর্ণনায় “জুদামাহ্ আল আসদিয়্যাহ্” উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইয়াহ্ইয়া বর্ণিত ‘জুযামাহ্’ শব্দটিই সঠিক ও নির্ভুল। (ই.ফা. ৩৪২৯, ই.সে. ৩৪২৮)

জুদামাহ্ বিন্তু ওয়াহ্ব আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, আমি স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ইচ্ছে করলাম। এরপর আমার নিকট আলোচনা করা হল যে, রোম ও পারস্যবাসী লোকেরাও তা করে থাকে, অথচ তাতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, খালাফ তার সানাদ বর্ণনায় “জুদামাহ্ আল আসদিয়্যাহ্” উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইয়াহ্ইয়া বর্ণিত ‘জুযামাহ্’ শব্দটিই সঠিক ও নির্ভুল। (ই.ফা. ৩৪২৯, ই.সে. ৩৪২৮)

وحدثنا خلف بن هشام، حدثنا مالك بن أنس، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال قرأت على مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة عن عائشة عن جدامة بنت وهب الأسدية أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن الروم وفارس يصنعون ذلك فلا يضر أولادهم ‏"‏ ‏.‏ قال مسلم وأما خلف فقال عن جذامة الأسدية ‏.‏ والصحيح ما قاله يحيى بالدال ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৫৮

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن إسحاق، حدثنا يحيى بن أيوب، عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل القرشي، عن عروة، عن عائشة، عن جدامة بنت وهب، الأسدية أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث سعيد بن أبي أيوب في العزل والغيلة ‏.‏ غير أنه قال ‏ "‏ الغيال ‏"‏ ‏.

জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব আল আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। (এরপর) সা’ঈদ ইবনু আবূ আয়য়ূব (রহঃ) থেকে বর্ণিত ‘আয্ল ও গীলাহ্ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে (গীলাহ্-এর পরিবর্তে) ‘গিয়াল’ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৩৪৩১, ই.সে. ৩৪৩০)

জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব আল আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি। (এরপর) সা’ঈদ ইবনু আবূ আয়য়ূব (রহঃ) থেকে বর্ণিত ‘আয্ল ও গীলাহ্ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে (গীলাহ্-এর পরিবর্তে) ‘গিয়াল’ উল্লেখ করেন। (ই.ফা. ৩৪৩১, ই.সে. ৩৪৩০)

وحدثناه أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن إسحاق، حدثنا يحيى بن أيوب، عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل القرشي، عن عروة، عن عائشة، عن جدامة بنت وهب، الأسدية أنها قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فذكر بمثل حديث سعيد بن أبي أيوب في العزل والغيلة ‏.‏ غير أنه قال ‏ "‏ الغيال ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩৪৫৯

حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، - واللفظ لابن نمير - قالا حدثنا عبد الله بن يزيد المقبري، حدثنا حيوة، حدثني عياش بن عباس، أن أبا النضر، حدثه عن عامر بن سعد، أن أسامة بن زيد، أخبر والده، سعد بن أبي وقاص أن رجلا، جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني أعزل عن امرأتي ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم تفعل ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجل أشفق على ولدها أو على أولادها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو كان ذلك ضارا ضر فارس والروم ‏"‏ ‏.‏ وقال زهير في روايته ‏"‏ إن كان لذلك فلا ما ضار ذلك فارس ولا الروم ‏"‏.

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে ‘আয্ল করে থাকি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি এ কাজ কেন কর? লোকটি বলল, আমি তার সন্তানের ক্ষতির আশংকা করি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি এ কাজ ক্ষতিকর হত তাহলে তা পারস্য ও রোমবাসীদেরও ক্ষতিসাধন করত। রাবী যুহায়র তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, এ কাজ (‘আয্ল) যদি এ উদ্দেশ্যেই হয় তাহলে তা করা সঠিক নয়। কেননা তা পারস্য ও রোমবাসীদের কোন প্রকার ক্ষতি করে নি। (ই.ফা. ৩৪৩২, ই.সে. ৩৪৩১)

সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, আমি আমার স্ত্রীর সাথে ‘আয্ল করে থাকি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি এ কাজ কেন কর? লোকটি বলল, আমি তার সন্তানের ক্ষতির আশংকা করি। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি এ কাজ ক্ষতিকর হত তাহলে তা পারস্য ও রোমবাসীদেরও ক্ষতিসাধন করত। রাবী যুহায়র তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, এ কাজ (‘আয্ল) যদি এ উদ্দেশ্যেই হয় তাহলে তা করা সঠিক নয়। কেননা তা পারস্য ও রোমবাসীদের কোন প্রকার ক্ষতি করে নি। (ই.ফা. ৩৪৩২, ই.সে. ৩৪৩১)

حدثني محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، - واللفظ لابن نمير - قالا حدثنا عبد الله بن يزيد المقبري، حدثنا حيوة، حدثني عياش بن عباس، أن أبا النضر، حدثه عن عامر بن سعد، أن أسامة بن زيد، أخبر والده، سعد بن أبي وقاص أن رجلا، جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني أعزل عن امرأتي ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لم تفعل ذلك ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجل أشفق على ولدها أو على أولادها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو كان ذلك ضارا ضر فارس والروم ‏"‏ ‏.‏ وقال زهير في روايته ‏"‏ إن كان لذلك فلا ما ضار ذلك فارس ولا الروم ‏"‏.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00