সহিহ মুসলিম > কোন মহিলাকে বিবাহ করতে চাইলে বিবাহের পূর্বে তার মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় এক নজর দেখে নেয়া উত্তম
সহিহ মুসলিম ৩৩৭৬
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي، هريرة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه رجل فأخبره أنه تزوج امرأة من الأنصار فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنظرت إليها " . قال لا . قال " فاذهب فانظر إليها فإن في أعين الأنصار شيئا " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে বলল যে, সে আনসার সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি কি তাকে একবার দেখেছো? সে বলল, না। তিনি বললেন, যাও! তুমি তাকে এক নযর দেখে নাও। কারণ আনসারদের চোখে কিছুটা ত্রুটি আছে। (ই.ফা. ৩৩৫০, ই.সে. ৩৩৪৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে বলল যে, সে আনসার সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি কি তাকে একবার দেখেছো? সে বলল, না। তিনি বললেন, যাও! তুমি তাকে এক নযর দেখে নাও। কারণ আনসারদের চোখে কিছুটা ত্রুটি আছে। (ই.ফা. ৩৩৫০, ই.সে. ৩৩৪৯)
حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي، هريرة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه رجل فأخبره أنه تزوج امرأة من الأنصار فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أنظرت إليها " . قال لا . قال " فاذهب فانظر إليها فإن في أعين الأنصار شيئا " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৭৭
وحدثني يحيى بن معين، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، حدثنا يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني تزوجت امرأة من الأنصار . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " هل نظرت إليها فإن في عيون الأنصار شيئا " . قال قد نظرت إليها . قال " على كم تزوجتها " . قال على أربع أواق . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " على أربع أواق كأنما تنحتون الفضة من عرض هذا الجبل ما عندنا ما نعطيك ولكن عسى أن نبعثك في بعث تصيب منه " . قال فبعث بعثا إلى بني عبس بعث ذلك الرجل فيهم .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, আমি জনৈকা আনসারী মহিলা বিবাহ করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি কি দেখে নিয়েছিলে? কেননা আনসারদের চোখে ত্রুটি থাকে। লোকটি বললো, আমি তাকে দেখে নিয়েছি। তিনি বললেন, কী পরিমাণ বিনিময়ে তুমি তাকে বিবাহ করছো? লোকটি বললো, চার উকিয়ার বিনিময়ে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে? মনে হয় তোমরা পাহাড়ের পার্শ্বদেশ থেকে রৌপ্য খুঁড়ে এনে থাক। আমাদের নিকট এমন কিছু নেই যা দিয়ে তোমাকে দান করতে পারি। তবে আমি তোমাকে শীঘ্রই একটি যুদ্ধাভিযানে পাঠিয়ে দিচ্ছি যার লব্ধ গনীমাত থেকে তুমি একাংশ লাভ করতে পারবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বানূ ‘আব্স-এর বিরুদ্ধে একটি অভিযান দল প্রেরণ করেন যার সাথে তিনি ঐ লোকটিকে পাঠিয়ে দেন। (ই.ফা. ৩৩৫১, ই.সে. ৩৩৫০)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, আমি জনৈকা আনসারী মহিলা বিবাহ করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তুমি কি দেখে নিয়েছিলে? কেননা আনসারদের চোখে ত্রুটি থাকে। লোকটি বললো, আমি তাকে দেখে নিয়েছি। তিনি বললেন, কী পরিমাণ বিনিময়ে তুমি তাকে বিবাহ করছো? লোকটি বললো, চার উকিয়ার বিনিময়ে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে? মনে হয় তোমরা পাহাড়ের পার্শ্বদেশ থেকে রৌপ্য খুঁড়ে এনে থাক। আমাদের নিকট এমন কিছু নেই যা দিয়ে তোমাকে দান করতে পারি। তবে আমি তোমাকে শীঘ্রই একটি যুদ্ধাভিযানে পাঠিয়ে দিচ্ছি যার লব্ধ গনীমাত থেকে তুমি একাংশ লাভ করতে পারবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বানূ ‘আব্স-এর বিরুদ্ধে একটি অভিযান দল প্রেরণ করেন যার সাথে তিনি ঐ লোকটিকে পাঠিয়ে দেন। (ই.ফা. ৩৩৫১, ই.সে. ৩৩৫০)
وحدثني يحيى بن معين، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، حدثنا يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني تزوجت امرأة من الأنصار . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " هل نظرت إليها فإن في عيون الأنصار شيئا " . قال قد نظرت إليها . قال " على كم تزوجتها " . قال على أربع أواق . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " على أربع أواق كأنما تنحتون الفضة من عرض هذا الجبل ما عندنا ما نعطيك ولكن عسى أن نبعثك في بعث تصيب منه " . قال فبعث بعثا إلى بني عبس بعث ذلك الرجل فيهم .
সহিহ মুসলিম > মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব
সহিহ মুসলিম ৩৩৮১
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو الربيع، سليمان بن داود العتكي وقتيبة بن سعيد واللفظ ليحيى قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى على عبد الرحمن بن عوف أثر صفرة فقال " ما هذا " . قال يا رسول الله إني تزوجت امرأة على وزن نواة من ذهب . قال " فبارك الله لك أولم ولو بشاة ".
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর কাপড়ে হলদে রঙ দেখে বললেন, একি? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ সোনার বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন, তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদিও একটি বকরী দ্বারা হয়। (ই.ফা. ৩৩৫৫, ই.সে. ৩৩৫৪)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর কাপড়ে হলদে রঙ দেখে বললেন, একি? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ সোনার বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন, তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদিও একটি বকরী দ্বারা হয়। (ই.ফা. ৩৩৫৫, ই.সে. ৩৩৫৪)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وأبو الربيع، سليمان بن داود العتكي وقتيبة بن سعيد واللفظ ليحيى قال يحيى أخبرنا وقال الآخران، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى على عبد الرحمن بن عوف أثر صفرة فقال " ما هذا " . قال يا رسول الله إني تزوجت امرأة على وزن نواة من ذهب . قال " فبارك الله لك أولم ولو بشاة ".
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৫
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن قدامة، قالا أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنسا، يقول قال عبد الرحمن بن عوف رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى بشاشة العرس فقلت تزوجت امرأة من الأنصار . فقال " كم أصدقتها " . فقلت نواة . وفي حديث إسحاق من ذهب .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার চেহারায় বাসর যাপনের প্রফুল্লতা দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তাকে কী পরিমাণ মাহর দিয়েছো? আমি বললাম, এক নাওয়াত (এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণ)। ইসহাক্ব (রহঃ)-এর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেনঃ ‘এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণের’। (ই.ফা. ৩৩৫৯, ই.সে. ৩৩৫৮)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার চেহারায় বাসর যাপনের প্রফুল্লতা দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমি এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তাকে কী পরিমাণ মাহর দিয়েছো? আমি বললাম, এক নাওয়াত (এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণ)। ইসহাক্ব (রহঃ)-এর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেনঃ ‘এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণের’। (ই.ফা. ৩৩৫৯, ই.সে. ৩৩৫৮)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن قدامة، قالا أخبرنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنسا، يقول قال عبد الرحمن بن عوف رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى بشاشة العرس فقلت تزوجت امرأة من الأنصار . فقال " كم أصدقتها " . فقلت نواة . وفي حديث إسحاق من ذهب .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৩
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وكيع، حدثنا شعبة، عن قتادة، وحميد، عن أنس، أن عبد الرحمن بن عوف، تزوج امرأة على وزن نواة من ذهب وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال له " أولم ولو بشاة " .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার (মুহরানার) বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি একটি বকরী দিয়েও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৭, ই.সে. ৩৩৫৬)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার (মুহরানার) বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি একটি বকরী দিয়েও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৭, ই.সে. ৩৩৫৬)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا وكيع، حدثنا شعبة، عن قتادة، وحميد، عن أنس، أن عبد الرحمن بن عوف، تزوج امرأة على وزن نواة من ذهب وأن النبي صلى الله عليه وسلم قال له " أولم ولو بشاة " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮২
وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن عبد الرحمن بن عوف، تزوج على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم على وزن نواة من ذهب . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أولم ولو بشاة ".
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৬, ই.সে. ৩৩৫৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ্ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।” (ই.ফা. ৩৩৫৬, ই.সে. ৩৩৫৫)
وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن عبد الرحمن بن عوف، تزوج على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم على وزن نواة من ذهب . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أولم ولو بشاة ".
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৬
وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن أبي حمزة، - قال شعبة واسمه عبد الرحمن بن أبي عبد الله - عن أنس بن مالك، أن عبد الرحمن، تزوج امرأة على وزن نواة من ذهب .
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান (রাঃ) খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) এক মহিলাকে বিবাহ করেন। (ই.ফা. ৩৩৬০, ই.সে. ৩৩৫৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুর রহমান (রাঃ) খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) এক মহিলাকে বিবাহ করেন। (ই.ফা. ৩৩৬০, ই.সে. ৩৩৫৯)
وحدثنا ابن المثنى، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن أبي حمزة، - قال شعبة واسمه عبد الرحمن بن أبي عبد الله - عن أنس بن مالك، أن عبد الرحمن، تزوج امرأة على وزن نواة من ذهب .
সহিহ মুসলিম ৩৩৭৮
حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، ح وحدثناه قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل بن سعد، الساعدي قال جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جئت أهب لك نفسي . فنظر إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر فيها وصوبه ثم طأطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه فلما رأت المرأة أنه لم يقض فيها شيئا جلست فقام رجل من أصحابه فقال يا رسول الله إن لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها . فقال " فهل عندك من شىء " . فقال لا والله يا رسول الله . فقال " اذهب إلى أهلك فانظر هل تجد شيئا " . فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شيئا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظر ولو خاتما من حديد " . فذهب ثم رجع . فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد . ولكن هذا إزاري - قال سهل ما له رداء - فلها نصفه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تصنع بإزارك إن لبسته لم يكن عليها منه شىء وإن لبسته لم يكن عليك منه شىء " . فجلس الرجل حتى إذا طال مجلسه قام فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فأمر به فدعي فلما جاء قال " ماذا معك من القرآن " . قال معي سورة كذا وسورة كذا - عددها . فقال " تقرؤهن عن ظهر قلبك " . قال نعم . قال " اذهب فقد ملكتكها بما معك من القرآن " . هذا حديث ابن أبي حازم وحديث يعقوب يقاربه في اللفظ .
সাহ্ল ইবনু সা‘দ আস্ সা‘ইদী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি নিজেকে আপনার জন্য হিবা করছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে নিচে নামালেন। অতঃপর তিনি তাঁর শির মুবারক নত করলেন। মহিলা যখন বুঝতে পারল যে, তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত পৌঁছেননি, তখন সে বসে পড়ল। অতঃপর জনৈক সাহাবী দাঁড়িয়ে আরয করল, হে আল্লাহ্র রসূল! যদি আপনার প্রয়োজন না হয় তাহলে তাকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সাহাবী বললেন, না, আল্লাহর কসম হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেন, তুমি বাড়ী যাও দেখ, কোন কিছু পাও কিনা। সাহাবী বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, আমি বাড়িতে কোন কিছুই পাইনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, লোহার আংটি হলেও (পাও কিনা)। সাহাবী আবার গেল এবং ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র কসম, আমি লোহার আংটিও পাইনি। তবে আমার এ লুঙ্গিটি আছে। (বর্ণনাকারী) সাহ্ল (রাঃ) বলেন, চাদরও ছিল না- যাতে অর্ধেক মহিলাটির জন্য হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার লুঙ্গি দ্বারা কী করবে? তা যদি তুমি পর তাহলে স্ত্রীর জন্য সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। আর যদি সে তা পরিধান করে তাহলে (তোমার জন্য) সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। এরপর সে ব্যক্তি বসে রইল। অনেকক্ষণ বসার পর উঠে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে পাঠালেন। যখন সে এল রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কুরআনের কোন অংশ তোমার জানা আছে? উত্তরে সে বললঃ অমুক সূরাহ্, অমুক সূরাহ্ আমার জানা আছে। এভাবে সে সূরাগুলোর সংখ্যা বলে দিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি এগুলো মুখস্থ পাঠ করতে পার? সাহাবী বলল, হাঁ। তিনি বললেন, যাও, তোমাকে এসব সূরার কারণে এ মহিলাকে তোমার অধিকারে দিয়ে দিলাম। এ হল ইবনু আবূ হাযিম-এর বর্ণনা। আর ইয়া‘কূব-এর বর্ণনা শব্দের দিকে দিয়ে এর কাছাকাছি। (ই.ফা. ৩৩৫২, ই.সে. ৩৩৫১)
সাহ্ল ইবনু সা‘দ আস্ সা‘ইদী (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহ্র রসূল! আমি নিজেকে আপনার জন্য হিবা করছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে নিচে নামালেন। অতঃপর তিনি তাঁর শির মুবারক নত করলেন। মহিলা যখন বুঝতে পারল যে, তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত পৌঁছেননি, তখন সে বসে পড়ল। অতঃপর জনৈক সাহাবী দাঁড়িয়ে আরয করল, হে আল্লাহ্র রসূল! যদি আপনার প্রয়োজন না হয় তাহলে তাকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সাহাবী বললেন, না, আল্লাহর কসম হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি বললেন, তুমি বাড়ী যাও দেখ, কোন কিছু পাও কিনা। সাহাবী বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, আমি বাড়িতে কোন কিছুই পাইনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ, লোহার আংটি হলেও (পাও কিনা)। সাহাবী আবার গেল এবং ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র কসম, আমি লোহার আংটিও পাইনি। তবে আমার এ লুঙ্গিটি আছে। (বর্ণনাকারী) সাহ্ল (রাঃ) বলেন, চাদরও ছিল না- যাতে অর্ধেক মহিলাটির জন্য হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার লুঙ্গি দ্বারা কী করবে? তা যদি তুমি পর তাহলে স্ত্রীর জন্য সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। আর যদি সে তা পরিধান করে তাহলে (তোমার জন্য) সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। এরপর সে ব্যক্তি বসে রইল। অনেকক্ষণ বসার পর উঠে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে পাঠালেন। যখন সে এল রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কুরআনের কোন অংশ তোমার জানা আছে? উত্তরে সে বললঃ অমুক সূরাহ্, অমুক সূরাহ্ আমার জানা আছে। এভাবে সে সূরাগুলোর সংখ্যা বলে দিল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি এগুলো মুখস্থ পাঠ করতে পার? সাহাবী বলল, হাঁ। তিনি বললেন, যাও, তোমাকে এসব সূরার কারণে এ মহিলাকে তোমার অধিকারে দিয়ে দিলাম। এ হল ইবনু আবূ হাযিম-এর বর্ণনা। আর ইয়া‘কূব-এর বর্ণনা শব্দের দিকে দিয়ে এর কাছাকাছি। (ই.ফা. ৩৩৫২, ই.সে. ৩৩৫১)
حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، ح وحدثناه قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن أبيه، عن سهل بن سعد، الساعدي قال جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جئت أهب لك نفسي . فنظر إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر فيها وصوبه ثم طأطأ رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه فلما رأت المرأة أنه لم يقض فيها شيئا جلست فقام رجل من أصحابه فقال يا رسول الله إن لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها . فقال " فهل عندك من شىء " . فقال لا والله يا رسول الله . فقال " اذهب إلى أهلك فانظر هل تجد شيئا " . فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شيئا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظر ولو خاتما من حديد " . فذهب ثم رجع . فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد . ولكن هذا إزاري - قال سهل ما له رداء - فلها نصفه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تصنع بإزارك إن لبسته لم يكن عليها منه شىء وإن لبسته لم يكن عليك منه شىء " . فجلس الرجل حتى إذا طال مجلسه قام فرآه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فأمر به فدعي فلما جاء قال " ماذا معك من القرآن " . قال معي سورة كذا وسورة كذا - عددها . فقال " تقرؤهن عن ظهر قلبك " . قال نعم . قال " اذهب فقد ملكتكها بما معك من القرآن " . هذا حديث ابن أبي حازم وحديث يعقوب يقاربه في اللفظ .
সহিহ মুসলিম ৩৩৭৯
وحدثناه خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن الدراوردي، ح وحدثنا أبو بكر بن، أبي شيبة حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، كلهم عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، بهذا الحديث يزيد بعضهم على بعض غير أن في حديث زائدة قال " انطلق فقد زوجتكها فعلمها من القرآن " .
আবূ হাযিম (রহঃ)-এর সূত্রে সাহল ইবনু সা‘দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য কেউ কেউ একে অপর থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। তবে যায়িদাহ্-এর হাদীসে রয়েছে, “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যাও, আমি তোমার সাথে একে বিবাহ দিলাম। তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।” (ই.ফা. ৩৩৫৩, ই.সে. ৩৩৫২)
আবূ হাযিম (রহঃ)-এর সূত্রে সাহল ইবনু সা‘দ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য কেউ কেউ একে অপর থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। তবে যায়িদাহ্-এর হাদীসে রয়েছে, “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যাও, আমি তোমার সাথে একে বিবাহ দিলাম। তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।” (ই.ফা. ৩৩৫৩, ই.সে. ৩৩৫২)
وحدثناه خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، عن الدراوردي، ح وحدثنا أبو بكر بن، أبي شيبة حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، كلهم عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، بهذا الحديث يزيد بعضهم على بعض غير أن في حديث زائدة قال " انطلق فقد زوجتكها فعلمها من القرآن " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৭
وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا وهب، أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال فقال رجل من ولد عبد الرحمن بن عوف من ذهب .
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে এতে রয়েছে, তিনি বললেনঃ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ-এর কোন এক সন্তান স্বর্ণের শব্দও বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৬১, ই.সে. ৩৩৬০)
শু’বাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে এতে রয়েছে, তিনি বললেনঃ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ-এর কোন এক সন্তান স্বর্ণের শব্দও বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৬১, ই.সে. ৩৩৬০)
وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا وهب، أخبرنا شعبة، بهذا الإسناد غير أنه قال فقال رجل من ولد عبد الرحمن بن عوف من ذهب .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৪
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، ح وحدثنا محمد بن رافع، وهارون، بن عبد الله قالا حدثنا وهب بن جرير، ح وحدثنا أحمد بن خراش، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، عن حميد، بهذا الإسناد غير أن في، حديث وهب قال قال عبد الرحمن تزوجت امرأة .
শু‘বাহ্ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে ওয়াহ্ব-এর হাদীসে রয়েছে, ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেনঃ আমি এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। (ই.ফা. ৩৩৫৮, ই.সে. ৩৩৫৭)
শু‘বাহ্ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে ওয়াহ্ব-এর হাদীসে রয়েছে, ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেনঃ আমি এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। (ই.ফা. ৩৩৫৮, ই.সে. ৩৩৫৭)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا أبو داود، ح وحدثنا محمد بن رافع، وهارون، بن عبد الله قالا حدثنا وهب بن جرير، ح وحدثنا أحمد بن خراش، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، عن حميد، بهذا الإسناد غير أن في، حديث وهب قال قال عبد الرحمن تزوجت امرأة .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮০
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، حدثني يزيد بن عبد، الله بن أسامة بن الهاد ح وحدثني محمد بن أبي عمر المكي، - واللفظ له - حدثنا عبد، العزيز عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أنه قال سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كم كان صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كان صداقه لأزواجه ثنتى عشرة أوقية ونشا . قالت أتدري ما النش قال قلت لا . قالت نصف أوقية . فتلك خمسمائة درهم فهذا صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم لأزواجه.
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবাহে মাহর কী পরিমাণ ছিল? তিনি বললেন, তাঁর বিবিগণের মাহরের পরিমাণ ছিল বারো উকিয়্যাহ্ ও এক নাশ্। তিনি বললেন, তুমি কি জান এক নাশ্ এর পরিমাণ কতটুকু? আমি বললাম, ‘না’। তিনি বললেন, এক নাশ্ এর পরিমাণ হল আধা উকিয়্যাহ্। সুতরাং মোট হল পাঁচশত দিরহাম। এ ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মাহর। (ই.ফা. ৩৩৫৪, ই.সে. ৩৩৫৩)
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবাহে মাহর কী পরিমাণ ছিল? তিনি বললেন, তাঁর বিবিগণের মাহরের পরিমাণ ছিল বারো উকিয়্যাহ্ ও এক নাশ্। তিনি বললেন, তুমি কি জান এক নাশ্ এর পরিমাণ কতটুকু? আমি বললাম, ‘না’। তিনি বললেন, এক নাশ্ এর পরিমাণ হল আধা উকিয়্যাহ্। সুতরাং মোট হল পাঁচশত দিরহাম। এ ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণীগণের মাহর। (ই.ফা. ৩৩৫৪, ই.সে. ৩৩৫৩)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد العزيز بن محمد، حدثني يزيد بن عبد، الله بن أسامة بن الهاد ح وحدثني محمد بن أبي عمر المكي، - واللفظ له - حدثنا عبد، العزيز عن يزيد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، أنه قال سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كم كان صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كان صداقه لأزواجه ثنتى عشرة أوقية ونشا . قالت أتدري ما النش قال قلت لا . قالت نصف أوقية . فتلك خمسمائة درهم فهذا صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم لأزواجه.
সহিহ মুসলিম > স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফাযীলাত প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৯
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن ثابت، وعبد، العزيز بن صهيب عن أنس، ح وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن ثابت، وشعيب، بن حبحاب عن أنس، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز، عن أنس، ح وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن أبي عثمان، عن أنس، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، وعمر بن سعد، وعبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن يونس بن عبيد، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس، كلهم عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أعتق صفية وجعل عتقها صداقها . وفي حديث معاذ عن أبيه تزوج صفية وأصدقها عتقها.
আনাস (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তাঁর আযাদ করাকে মাহর ধার্য করলেন। অপর এক হাদীসে মু’আয তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফিয়্যাকে বিবাহ করেন এবং তাঁর আযাদ করাটাই ছিল মাহর।”(ই.ফা. ৩৩৬৩, ই.সে. ৩৩৬২)
আনাস (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তাঁর আযাদ করাকে মাহর ধার্য করলেন। অপর এক হাদীসে মু’আয তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফিয়্যাকে বিবাহ করেন এবং তাঁর আযাদ করাটাই ছিল মাহর।”(ই.ফা. ৩৩৬৩, ই.সে. ৩৩৬২)
وحدثني أبو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن ثابت، وعبد، العزيز بن صهيب عن أنس، ح وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد، - يعني ابن زيد - عن ثابت، وشعيب، بن حبحاب عن أنس، ح وحدثنا قتيبة، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، وعبد العزيز، عن أنس، ح وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا أبو عوانة، عن أبي عثمان، عن أنس، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، وعمر بن سعد، وعبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن يونس بن عبيد، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس، كلهم عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه أعتق صفية وجعل عتقها صداقها . وفي حديث معاذ عن أبيه تزوج صفية وأصدقها عتقها.
সহিহ মুসলিম ৩৩৯০
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن مطرف، عن عامر، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الذي يعتق جاريته ثم يتزوجها " له أجران " .
আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে তার দাসী আযাদ করে তাকে বিয়ে করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব। (ই.ফা. ৩৩৬৪, ই.সে. ৩৩৬৩)
আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে তার দাসী আযাদ করে তাকে বিয়ে করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব। (ই.ফা. ৩৩৬৪, ই.সে. ৩৩৬৩)
وحدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا خالد بن عبد الله، عن مطرف، عن عامر، عن أبي بردة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الذي يعتق جاريته ثم يتزوجها " له أجران " .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৩
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا سليمان، عن ثابث، عن أنس، ح وحدثني به عبد الله بن هاشم بن حيان، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا سليمان، بن المغيرة عن ثابت، حدثنا أنس، قال صارت صفية لدحية في مقسمه وجعلوا يمدحونها عند رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - ويقولون ما رأينا في السبى مثلها - قال - فبعث إلى دحية فأعطاه بها ما أراد ثم دفعها إلى أمي فقال " أصلحيها " . قال ثم خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر حتى إذا جعلها في ظهره نزل ثم ضرب عليها القبة فلما أصبح قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كان عنده فضل زاد فليأتنا به " . قال فجعل الرجل يجيء بفضل التمر وفضل السويق حتى جعلوا من ذلك سوادا حيسا فجعلوا يأكلون من ذلك الحيس ويشربون من حياض إلى جنبهم من ماء السماء - قال - فقال أنس فكانت تلك وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها - قال - فانطلقنا حتى إذا رأينا جدر المدينة هششنا إليها فرفعنا مطينا ورفع رسول الله صلى الله عليه وسلم مطيته - قال - وصفية خلفه قد أردفها رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فعثرت مطية رسول الله صلى الله عليه وسلم فصرع وصرعت قال فليس أحد من الناس ينظر إليه ولا إليها حتى قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسترها - قال - فأتيناه فقال " لم نضر " . قال فدخلنا المدينة فخرج جواري نسائه يتراءينها ويشمتن بصرعتها .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সফিয়্যাহ্ (রাঃ) দিহ্ইয়া (রাঃ)-এর ভাগে পড়েন। লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর প্রশংসা করে বলতে লাগলো, আমরা কয়েদীদের মধ্যে তাঁর কোন জুড়ি দেখিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন তিনি দিহ্ইয়াকে ডেকে পাঠালেন এবং সফিয়্যার বদলে তাকে যা তিনি চাইলেন তা দিয়ে দিলেন। অত:পর তিনি সফিয়্যাকে আমার মা (উম্মু সুলায়ম)-এর কাছে দিয়ে বললেন, তুমি তাকে (সাজিয়ে) ঠিকঠাক করে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার থেকে বের হয়ে পড়লেন। যখন ছেড়ে আসলেন তখন অবতরণ করলেন। অত:পর সফিয়্যার উপর একটি তাঁবু খাটিয়ে দিলেন। ভোরে উঠে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যার কাছে উদ্বৃত্ত খাদ্য আছে সে যেন তা আমার কাছে নিয়ে আসে। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন লোকজন তার উদ্বৃত্ত খেজুর এবং উদ্বৃত্ত ছাতু আনতে লাগল। এমনকি এগুলোর একটি স্তুপ পরিমাণ জমা করে হায়স তৈরী করল। অত:পর সকলে হায়স থেকে খেতে লাগল এবং বৃষ্টির পানির হাওয থেকে তারা পানি পান করতে লাগল। বর্ণনাকারী (সাবিত) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেন, তাই ছিল সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর ওয়ালীমাহ্। তিনি বলেন, অত:পর আমরা রওনা দিলাম এবং যখন মাদীনার প্রাচীরগুলো দেখতে পেলাম তখন মাদীনার জন্য আমাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠলো। আমরা আমাদের সওয়ারীগুলোকে দ্রুত চালনা করলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সওয়ারীকে দ্রুত চালালেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সফিয়্যাহ্ তাঁর পিছনে তাঁর সাথে সওয়ার করে গিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উটনী হোঁচট খায়। ফলে তিনি ও সফিয়্যাহ্ (রাঃ) পড়ে যান। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা কেউ তাঁর ও সফিয়্যার দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে তাঁকে আবৃত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা মাদীনায় প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপরাপর সহধর্মিণীগণ বের হয়ে সফিয়্যাকে একজন আর একজনকে দেখাতে লাগলেন এবং তাঁর মাটিতে পড়ে যাওয়ার কারণে আফসোস করতে লাগলেন।(ই.ফা. ৩৩৬৬, ই.সে. ৩৩৬৫)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সফিয়্যাহ্ (রাঃ) দিহ্ইয়া (রাঃ)-এর ভাগে পড়েন। লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর প্রশংসা করে বলতে লাগলো, আমরা কয়েদীদের মধ্যে তাঁর কোন জুড়ি দেখিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন তিনি দিহ্ইয়াকে ডেকে পাঠালেন এবং সফিয়্যার বদলে তাকে যা তিনি চাইলেন তা দিয়ে দিলেন। অত:পর তিনি সফিয়্যাকে আমার মা (উম্মু সুলায়ম)-এর কাছে দিয়ে বললেন, তুমি তাকে (সাজিয়ে) ঠিকঠাক করে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার থেকে বের হয়ে পড়লেন। যখন ছেড়ে আসলেন তখন অবতরণ করলেন। অত:পর সফিয়্যার উপর একটি তাঁবু খাটিয়ে দিলেন। ভোরে উঠে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যার কাছে উদ্বৃত্ত খাদ্য আছে সে যেন তা আমার কাছে নিয়ে আসে। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন লোকজন তার উদ্বৃত্ত খেজুর এবং উদ্বৃত্ত ছাতু আনতে লাগল। এমনকি এগুলোর একটি স্তুপ পরিমাণ জমা করে হায়স তৈরী করল। অত:পর সকলে হায়স থেকে খেতে লাগল এবং বৃষ্টির পানির হাওয থেকে তারা পানি পান করতে লাগল। বর্ণনাকারী (সাবিত) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেন, তাই ছিল সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর ওয়ালীমাহ্। তিনি বলেন, অত:পর আমরা রওনা দিলাম এবং যখন মাদীনার প্রাচীরগুলো দেখতে পেলাম তখন মাদীনার জন্য আমাদের মন উৎফুল্ল হয়ে উঠলো। আমরা আমাদের সওয়ারীগুলোকে দ্রুত চালনা করলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সওয়ারীকে দ্রুত চালালেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সফিয়্যাহ্ তাঁর পিছনে তাঁর সাথে সওয়ার করে গিয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উটনী হোঁচট খায়। ফলে তিনি ও সফিয়্যাহ্ (রাঃ) পড়ে যান। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা কেউ তাঁর ও সফিয়্যার দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। ইতোমধ্যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে তাঁকে আবৃত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা মাদীনায় প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অপরাপর সহধর্মিণীগণ বের হয়ে সফিয়্যাকে একজন আর একজনকে দেখাতে লাগলেন এবং তাঁর মাটিতে পড়ে যাওয়ার কারণে আফসোস করতে লাগলেন।(ই.ফা. ৩৩৬৬, ই.সে. ৩৩৬৫)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا سليمان، عن ثابث، عن أنس، ح وحدثني به عبد الله بن هاشم بن حيان، - واللفظ له - حدثنا بهز، حدثنا سليمان، بن المغيرة عن ثابت، حدثنا أنس، قال صارت صفية لدحية في مقسمه وجعلوا يمدحونها عند رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - ويقولون ما رأينا في السبى مثلها - قال - فبعث إلى دحية فأعطاه بها ما أراد ثم دفعها إلى أمي فقال " أصلحيها " . قال ثم خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر حتى إذا جعلها في ظهره نزل ثم ضرب عليها القبة فلما أصبح قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كان عنده فضل زاد فليأتنا به " . قال فجعل الرجل يجيء بفضل التمر وفضل السويق حتى جعلوا من ذلك سوادا حيسا فجعلوا يأكلون من ذلك الحيس ويشربون من حياض إلى جنبهم من ماء السماء - قال - فقال أنس فكانت تلك وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها - قال - فانطلقنا حتى إذا رأينا جدر المدينة هششنا إليها فرفعنا مطينا ورفع رسول الله صلى الله عليه وسلم مطيته - قال - وصفية خلفه قد أردفها رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فعثرت مطية رسول الله صلى الله عليه وسلم فصرع وصرعت قال فليس أحد من الناس ينظر إليه ولا إليها حتى قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فسترها - قال - فأتيناه فقال " لم نضر " . قال فدخلنا المدينة فخرج جواري نسائه يتراءينها ويشمتن بصرعتها .
সহিহ মুসলিম ৩৩৮৮
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر قال فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة وأنا رديف أبي طلحة فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وانحسر الإزار عن فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما دخل القرية قال " الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قالها ثلاث مرات قال وقد خرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد والله . قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا محمد والخميس . قال وأصبناها عنوة وجمع السبى فجاءه دحية فقال يا رسول الله أعطني جارية من السبى . فقال " اذهب فخذ جارية " . فأخذ صفية بنت حيى فجاء رجل إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أعطيت دحية صفية بنت حيى سيد قريظة والنضير ما تصلح إلا لك . قال " ادعوه بها " . قال فجاء بها فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال " خذ جارية من السبى غيرها " . قال وأعتقها وتزوجها . فقال له ثابت يا أبا حمزة ما أصدقها قال نفسها أعتقها وتزوجها حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم فأهدتها له من الليل فأصبح النبي صلى الله عليه وسلم عروسا فقال " من كان عنده شىء فليجئ به " قال وبسط نطعا قال فجعل الرجل يجيء بالأقط وجعل الرجل يجيء بالتمر وجعل الرجل يجيء بالسمن فحاسوا حيسا . فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফাজ্রের সলাত আদায় করলাম। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবূ ত্বলহাহ (রাঃ)-এর রাদীফ (তাঁর বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরু থেকে লুঙ্গি সরে যাচ্ছিল। আর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করলেন তখন বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এসেছেন)। বর্ণনাকারী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, ‘পুরো বাহিনী সহ’। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহ্ইয়া (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেনঃযাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সফিয়্যাহ্ বিন্ত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর নাবী! আপনি বানূ কুরায়যাহ্ ও বানূ নাযীর-এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সফিয়্যাকে দিহ্ইয়াকে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হতে পারে। তিনি বললেন তাকে সফিয়্যাহ্সহ ডাক। তারপর দিহ্ইয়া (রাঃ) সফিয়্যাহ্সহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি দিহ্ইয়া, (রাঃ)-কে বললেন, তুমি সফিয়্যাহ্ ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তাঁকে বিবাহ করলেন। আনাসকে লক্ষ্য করে সাবিত (রাঃ) বললেন, হে আবূ হামযাহ্! তিনি তাঁকে কী মাহর দিলেন? তিনি বললেন, তিনি তাঁর সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাঁকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন (ফেরার) পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-কে তাঁর জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাযির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হায়স তৈরী করেন। আর তাই ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়ালীমাহ্। (ই.ফা. ৩৩৬২, ই.সে. ৩৩৬১)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফাজ্রের সলাত আদায় করলাম। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ ত্বলহাহ্ (রাঃ) সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবূ ত্বলহাহ (রাঃ)-এর রাদীফ (তাঁর বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরু থেকে লুঙ্গি সরে যাচ্ছিল। আর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করলেন তখন বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (এসেছেন)। বর্ণনাকারী ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, ‘পুরো বাহিনী সহ’। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহ্ইয়া (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেনঃযাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সফিয়্যাহ্ বিন্ত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর নাবী! আপনি বানূ কুরায়যাহ্ ও বানূ নাযীর-এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সফিয়্যাকে দিহ্ইয়াকে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হতে পারে। তিনি বললেন তাকে সফিয়্যাহ্সহ ডাক। তারপর দিহ্ইয়া (রাঃ) সফিয়্যাহ্সহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি দিহ্ইয়া, (রাঃ)-কে বললেন, তুমি সফিয়্যাহ্ ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তাঁকে বিবাহ করলেন। আনাসকে লক্ষ্য করে সাবিত (রাঃ) বললেন, হে আবূ হামযাহ্! তিনি তাঁকে কী মাহর দিলেন? তিনি বললেন, তিনি তাঁর সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাঁকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন (ফেরার) পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-কে তাঁর জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাযির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হায়স তৈরী করেন। আর তাই ছিল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওয়ালীমাহ্। (ই.ফা. ৩৩৬২, ই.সে. ৩৩৬১)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر قال فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة وأنا رديف أبي طلحة فأجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر وإن ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وانحسر الإزار عن فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما دخل القرية قال " الله أكبر خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قالها ثلاث مرات قال وقد خرج القوم إلى أعمالهم فقالوا محمد والله . قال عبد العزيز وقال بعض أصحابنا محمد والخميس . قال وأصبناها عنوة وجمع السبى فجاءه دحية فقال يا رسول الله أعطني جارية من السبى . فقال " اذهب فخذ جارية " . فأخذ صفية بنت حيى فجاء رجل إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أعطيت دحية صفية بنت حيى سيد قريظة والنضير ما تصلح إلا لك . قال " ادعوه بها " . قال فجاء بها فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال " خذ جارية من السبى غيرها " . قال وأعتقها وتزوجها . فقال له ثابت يا أبا حمزة ما أصدقها قال نفسها أعتقها وتزوجها حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم فأهدتها له من الليل فأصبح النبي صلى الله عليه وسلم عروسا فقال " من كان عنده شىء فليجئ به " قال وبسط نطعا قال فجعل الرجل يجيء بالأقط وجعل الرجل يجيء بالتمر وجعل الرجل يجيء بالسمن فحاسوا حيسا . فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال كنت ردف أبي طلحة يوم خيبر وقدمي تمس قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فأتيناهم حين بزغت الشمس وقد أخرجوا مواشيهم وخرجوا بفئوسهم ومكاتلهم ومرورهم فقالوا محمد والخميس - قال - وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قال وهزمهم الله عز وجل ووقعت في سهم دحية جارية جميلة فاشتراها رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبعة أرؤس ثم دفعها إلى أم سليم تصنعها له وتهيئها - قال وأحسبه قال - وتعتد في بيتها وهي صفية بنت حيى - قال - وجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وليمتها التمر والأقط والسمن فحصت الأرض أفاحيص وجيء بالأنطاع فوضعت فيها وجيء بالأقط والسمن فشبع الناس - قال - وقال الناس لا ندري أتزوجها أم اتخذها أم ولد . قالوا إن حجبها فهى امرأته وإن لم يحجبها فهى أم ولد فلما أراد أن يركب حجبها فقعدت على عجز البعير فعرفوا أنه قد تزوجها . فلما دنوا من المدينة دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفعنا - قال - فعثرت الناقة العضباء وندر رسول الله صلى الله عليه وسلم وندرت فقام فسترها وقد أشرفت النساء فقلن أبعد الله اليهودية . قال قلت يا أبا حمزة أوقع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إي والله لقد وقع .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধে আমি আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-এর পিছনে সওয়ার ছিলাম। আমার পা তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কদম মুবারক স্পর্শ করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সূর্যোদয়ের সময় খায়বারবাসীদের নিকট পৌছলাম। তারা তখন চতুষ্পদ জন্তু, কোদাল, বস্তু ও রশি নিয়ে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পঞ্চবাহিনী (পূর্ণ বাহিনী) নিয়ে এসে গেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃখায়বার ধ্বংস হোক, আমরা যখন কোন শত্রু দলের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃত লোকদের প্রভাত হয় মন্দ। বর্ণনাকারী বলেন, (ঐ অভিযানে) আল্লাহ তাদের পরাজিত করেছেন। দিহ্ইয়া (রাঃ)-এর ভাগে পড়ে সুন্দরী দাসী। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাতজন দাসের বিনিময়ে সে দাসীকে খরিদ করে নেন। অত:পর তিনি তাকে উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর হাওয়ালা করেন যাতে তিনি তাঁকে ঠিকঠাক করে প্রস্তুত করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় রাবী এ কথাও বলেছেন, সে যেন তাঁর ঘরে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে। তিনি ছিলেন হুয়াইর কন্যা সফিয়্যাহ্। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর, পানীয় ও ঘি দিয়ে তার ওয়ালীমাহ্ করলেন। এ উদ্দেশে জমিনের কিছু অংশ গর্ত আকারের করে তাতে চামড়ার বড় দস্তরখান বিছিয়ে দেয়া হয়। এতেই পানীয় ও ঘি রাখা হয়। সকলেই তা তৃপ্তির সাথে আহার করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বলতে লাগল: আমরা জানি না, তিনি তাকে বিবাহ করলেন, না উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) রূপে গ্রহণ করলেন। আবার কয়েকজন বলতে লাগল, যদি তিনি তাঁর পর্দার ব্যবস্থা না করেন তবে তিনি তাঁর উম্মু ওয়ালাদ। তিনি যখন বাহনে সওয়ার হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তাঁর জন্য পর্দার ব্যবস্থা করলেন। এরপর সফিয়্যাহ্ (রাঃ) উটের পিছনের দিকে বসলেন। তখন লোকেরা জানতে পারল যে, তিনি তাঁকে বিবাহ করেছেন। সাহাবীগণ যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন দ্রুত অগ্রসর হতে থাকলেন এবং আমরাও দ্রুত চললাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আদবা’ নামক উষ্ট্রী হোঁচট খেলে তিনি উটের পিঠ থেকে জমিনে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জমিনে পড়ে যান এবং সফিয়্যাহ্ (রাঃ)ও পড়ে যান। তিনি দাঁড়িয়ে সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-কে পর্দার দ্বারা আবৃত করে দেন। এ দেখে কতিপয় মহিলা বলতে লাগল, ইয়াহুদী মহিলাকে আল্লাহ তাঁর রহমাত থেকে বঞ্চিত করুন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হামযাহ্! সত্যিই কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটনী থেকে জমিনে পড়ে গিয়েছিলেন? তিনি শপথ করে বললেন, হাঁ। (ই.ফা. ৩৩৬৫, ই.সে. ৩৩৬৪)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধে আমি আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ)-এর পিছনে সওয়ার ছিলাম। আমার পা তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কদম মুবারক স্পর্শ করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সূর্যোদয়ের সময় খায়বারবাসীদের নিকট পৌছলাম। তারা তখন চতুষ্পদ জন্তু, কোদাল, বস্তু ও রশি নিয়ে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর পঞ্চবাহিনী (পূর্ণ বাহিনী) নিয়ে এসে গেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃখায়বার ধ্বংস হোক, আমরা যখন কোন শত্রু দলের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃত লোকদের প্রভাত হয় মন্দ। বর্ণনাকারী বলেন, (ঐ অভিযানে) আল্লাহ তাদের পরাজিত করেছেন। দিহ্ইয়া (রাঃ)-এর ভাগে পড়ে সুন্দরী দাসী। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাতজন দাসের বিনিময়ে সে দাসীকে খরিদ করে নেন। অত:পর তিনি তাকে উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-এর হাওয়ালা করেন যাতে তিনি তাঁকে ঠিকঠাক করে প্রস্তুত করে দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় রাবী এ কথাও বলেছেন, সে যেন তাঁর ঘরে ‘ইদ্দাত পূর্ণ করে। তিনি ছিলেন হুয়াইর কন্যা সফিয়্যাহ্। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর, পানীয় ও ঘি দিয়ে তার ওয়ালীমাহ্ করলেন। এ উদ্দেশে জমিনের কিছু অংশ গর্ত আকারের করে তাতে চামড়ার বড় দস্তরখান বিছিয়ে দেয়া হয়। এতেই পানীয় ও ঘি রাখা হয়। সকলেই তা তৃপ্তির সাথে আহার করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বলতে লাগল: আমরা জানি না, তিনি তাকে বিবাহ করলেন, না উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) রূপে গ্রহণ করলেন। আবার কয়েকজন বলতে লাগল, যদি তিনি তাঁর পর্দার ব্যবস্থা না করেন তবে তিনি তাঁর উম্মু ওয়ালাদ। তিনি যখন বাহনে সওয়ার হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তাঁর জন্য পর্দার ব্যবস্থা করলেন। এরপর সফিয়্যাহ্ (রাঃ) উটের পিছনের দিকে বসলেন। তখন লোকেরা জানতে পারল যে, তিনি তাঁকে বিবাহ করেছেন। সাহাবীগণ যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন দ্রুত অগ্রসর হতে থাকলেন এবং আমরাও দ্রুত চললাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আদবা’ নামক উষ্ট্রী হোঁচট খেলে তিনি উটের পিঠ থেকে জমিনে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জমিনে পড়ে যান এবং সফিয়্যাহ্ (রাঃ)ও পড়ে যান। তিনি দাঁড়িয়ে সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-কে পর্দার দ্বারা আবৃত করে দেন। এ দেখে কতিপয় মহিলা বলতে লাগল, ইয়াহুদী মহিলাকে আল্লাহ তাঁর রহমাত থেকে বঞ্চিত করুন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হামযাহ্! সত্যিই কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উটনী থেকে জমিনে পড়ে গিয়েছিলেন? তিনি শপথ করে বললেন, হাঁ। (ই.ফা. ৩৩৬৫, ই.সে. ৩৩৬৪)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن أنس، قال كنت ردف أبي طلحة يوم خيبر وقدمي تمس قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فأتيناهم حين بزغت الشمس وقد أخرجوا مواشيهم وخرجوا بفئوسهم ومكاتلهم ومرورهم فقالوا محمد والخميس - قال - وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خربت خيبر إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قال وهزمهم الله عز وجل ووقعت في سهم دحية جارية جميلة فاشتراها رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبعة أرؤس ثم دفعها إلى أم سليم تصنعها له وتهيئها - قال وأحسبه قال - وتعتد في بيتها وهي صفية بنت حيى - قال - وجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وليمتها التمر والأقط والسمن فحصت الأرض أفاحيص وجيء بالأنطاع فوضعت فيها وجيء بالأقط والسمن فشبع الناس - قال - وقال الناس لا ندري أتزوجها أم اتخذها أم ولد . قالوا إن حجبها فهى امرأته وإن لم يحجبها فهى أم ولد فلما أراد أن يركب حجبها فقعدت على عجز البعير فعرفوا أنه قد تزوجها . فلما دنوا من المدينة دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفعنا - قال - فعثرت الناقة العضباء وندر رسول الله صلى الله عليه وسلم وندرت فقام فسترها وقد أشرفت النساء فقلن أبعد الله اليهودية . قال قلت يا أبا حمزة أوقع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إي والله لقد وقع .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯২
قال أنس وشهدت وليمة زينب فأشبع الناس خبزا ولحما وكان يبعثني فأدعو الناس فلما فرغ قام وتبعته فتخلف رجلان استأنس بهما الحديث لم يخرجا فجعل يمر على نسائه فيسلم على كل واحدة منهن " سلام عليكم كيف أنتم يا أهل البيت " . فيقولون بخير يا رسول الله كيف وجدت أهلك فيقول " بخير " . فلما فرغ رجع ورجعت معه فلما بلغ الباب إذا هو بالرجلين قد استأنس بهما الحديث فلما رأياه قد رجع قاما فخرجا فوالله ما أدري أنا أخبرته أم أنزل عليه الوحى بأنهما قد خرجا فرجع ورجعت معه فلما وضع رجله في أسكفة الباب أرخى الحجاب بيني وبينه وأنزل الله تعالى هذه الآية { لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم} الآية .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নিজে যায়নাব (রাঃ)-এর ওয়ালীমাহ্ অনুষ্ঠানে ছিলাম। সে অনুষ্ঠানে র সূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের তৃপ্তি সহকারে রুটি ও গোশত আহার করিয়ে ছিলেন। সে ওয়ালীমার দা‘ওয়াত দেয়ার জন্য তিনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি যখন ওয়ালীমার কাজ শেষ করে উঠলেন আমিও তাঁর পিছনে চললাম। তখনও দু’জন লোক ঘরে কথাবার্তায় ব্যস্ত রইল, তারা বের হল না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগনের নিকট গেলেন এবং প্রত্যেককেই ‘আস্সালামু আলায়কুম’ বলে সালাম জানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে গৃহবাসী! তোমরা কেমন আছো? উত্তরে প্রত্যেকেই বলেন, “আমরা ভাল আছি, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আপনার নব পরিণীতাকে কেমন পেয়েছেন? বললেন, ভালই। তিনি যখন এ কাজ শেষ করে ফিরে এলেন আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার কাছে এলেন- দেখলেন যে, সে দু’জন আলোচনায় রত আছে। তারা তাঁকে ফিরে যেতে দেখে উঠে চলে গেল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার মনে নেই, ঘর থেকে ঐ দু’জন লোকের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমি তাঁকে জানিয়ে ছিলাম, না এ ব্যাপারে তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হয়েছিল। তিনি আবার ফিরে এলেন এবং আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার চৌকাঠে পা রাখলেন তখন তিনি আমার ও তাঁর মাঝে পর্দা টেনে দিলেন, আর আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “তোমরা নাবীর ঘরে তাঁর বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করবে না।” (ই.ফা. ৩৩৬৫, ই.সে. ৩৩৬৪)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নিজে যায়নাব (রাঃ)-এর ওয়ালীমাহ্ অনুষ্ঠানে ছিলাম। সে অনুষ্ঠানে র সূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের তৃপ্তি সহকারে রুটি ও গোশত আহার করিয়ে ছিলেন। সে ওয়ালীমার দা‘ওয়াত দেয়ার জন্য তিনি আমাকে পাঠিয়েছিলেন। তিনি যখন ওয়ালীমার কাজ শেষ করে উঠলেন আমিও তাঁর পিছনে চললাম। তখনও দু’জন লোক ঘরে কথাবার্তায় ব্যস্ত রইল, তারা বের হল না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীগনের নিকট গেলেন এবং প্রত্যেককেই ‘আস্সালামু আলায়কুম’ বলে সালাম জানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে গৃহবাসী! তোমরা কেমন আছো? উত্তরে প্রত্যেকেই বলেন, “আমরা ভাল আছি, হে আল্লাহ্র রসূল! আপনি আপনার নব পরিণীতাকে কেমন পেয়েছেন? বললেন, ভালই। তিনি যখন এ কাজ শেষ করে ফিরে এলেন আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার কাছে এলেন- দেখলেন যে, সে দু’জন আলোচনায় রত আছে। তারা তাঁকে ফিরে যেতে দেখে উঠে চলে গেল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার মনে নেই, ঘর থেকে ঐ দু’জন লোকের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমি তাঁকে জানিয়ে ছিলাম, না এ ব্যাপারে তাঁর উপর ওয়াহী নাযিল হয়েছিল। তিনি আবার ফিরে এলেন এবং আমিও তার সঙ্গে ফিরে এলাম। যখন তিনি দরজার চৌকাঠে পা রাখলেন তখন তিনি আমার ও তাঁর মাঝে পর্দা টেনে দিলেন, আর আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করেন- “তোমরা নাবীর ঘরে তাঁর বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করবে না।” (ই.ফা. ৩৩৬৫, ই.সে. ৩৩৬৪)
قال أنس وشهدت وليمة زينب فأشبع الناس خبزا ولحما وكان يبعثني فأدعو الناس فلما فرغ قام وتبعته فتخلف رجلان استأنس بهما الحديث لم يخرجا فجعل يمر على نسائه فيسلم على كل واحدة منهن " سلام عليكم كيف أنتم يا أهل البيت " . فيقولون بخير يا رسول الله كيف وجدت أهلك فيقول " بخير " . فلما فرغ رجع ورجعت معه فلما بلغ الباب إذا هو بالرجلين قد استأنس بهما الحديث فلما رأياه قد رجع قاما فخرجا فوالله ما أدري أنا أخبرته أم أنزل عليه الوحى بأنهما قد خرجا فرجع ورجعت معه فلما وضع رجله في أسكفة الباب أرخى الحجاب بيني وبينه وأنزل الله تعالى هذه الآية { لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم} الآية .
সহিহ মুসলিম > যায়নাব বিনতু জাহ্শকে বিবাহ করা, পর্দার হুমুম নাযিল হওয়া এবং বিবাহের ওয়ালীমাহ্ সাবিত হওয়া
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৫
حدثنا أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل فضيل بن حسين وقتيبة بن سعيد قالوا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - عن ثابت، عن أنس، - وفي رواية أبي كامل سمعت أنسا، - قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أولم على امرأة - وقال أبو كامل على شىء - من نسائه ما أولم على زينب فإنه ذبح شاة .
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন মহিলার জন্য- আবূ কামিল বলেন, তাঁর কোন স্ত্রীর জন্য- সেরূপ ওয়ালীমাহ করতে দেখিনি যেমন ওয়ালীমাহ করেছেন যায়নাবের জন্য। তার জন্য তিনি একটি বকরী যাবাহ করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৬৮, ই.সে. ৩৩৬৭)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন মহিলার জন্য- আবূ কামিল বলেন, তাঁর কোন স্ত্রীর জন্য- সেরূপ ওয়ালীমাহ করতে দেখিনি যেমন ওয়ালীমাহ করেছেন যায়নাবের জন্য। তার জন্য তিনি একটি বকরী যাবাহ করেছেন। (ই.ফা. ৩৩৬৮, ই.সে. ৩৩৬৭)
حدثنا أبو الربيع الزهراني، وأبو كامل فضيل بن حسين وقتيبة بن سعيد قالوا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - عن ثابت، عن أنس، - وفي رواية أبي كامل سمعت أنسا، - قال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أولم على امرأة - وقال أبو كامل على شىء - من نسائه ما أولم على زينب فإنه ذبح شاة .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৬
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد، - وهو ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ما أولم رسول الله صلى الله عليه وسلم على امرأة من نسائه أكثر أو أفضل مما أولم على زينب . فقال ثابت البناني بما أولم قال أطعمهم خبزا ولحما حتى تركوه .
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়নাব (রাঃ)-এর জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত অধিক পরিমাণ অথবা উত্তমভাবে ওয়ালীমাহ্ করেছিলেন, যা তিনি তাঁর সহধর্মিণীদের কারো জন্য করেননি। সাবিত বুনানী জিজ্ঞেস করেন, তিনি কী দিয়ে ওয়ালীমাহ্ করেছিলেন? তিনি (আনাস রাযিঃ) বললেন, সবাইকে তিনি রুটি ও গোশ্ত খাওয়ালেন। এমনকি তারা উদ্বৃত্ত রেখে গেল। (ই.ফা. ৩৩৬৯, ই.সে. ৩৩৬৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যায়নাব (রাঃ)-এর জন্য রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এত অধিক পরিমাণ অথবা উত্তমভাবে ওয়ালীমাহ্ করেছিলেন, যা তিনি তাঁর সহধর্মিণীদের কারো জন্য করেননি। সাবিত বুনানী জিজ্ঞেস করেন, তিনি কী দিয়ে ওয়ালীমাহ্ করেছিলেন? তিনি (আনাস রাযিঃ) বললেন, সবাইকে তিনি রুটি ও গোশ্ত খাওয়ালেন। এমনকি তারা উদ্বৃত্ত রেখে গেল। (ই.ফা. ৩৩৬৯, ই.সে. ৩৩৬৮)
حدثنا محمد بن عمرو بن عباد بن جبلة بن أبي رواد، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد، - وهو ابن جعفر - حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ما أولم رسول الله صلى الله عليه وسلم على امرأة من نسائه أكثر أو أفضل مما أولم على زينب . فقال ثابت البناني بما أولم قال أطعمهم خبزا ولحما حتى تركوه .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৭
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، وعاصم بن النضر التيمي، ومحمد بن عبد الأعلى، كلهم عن معتمر، - واللفظ لابن حبيب - حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي، حدثنا أبو مجلز، عن أنس بن مالك، قال لما تزوج النبي صلى الله عليه وسلم زينب بنت جحش دعا القوم فطعموا ثم جلسوا يتحدثون - قال - فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا فلما رأى ذلك قام فلما قام قام من قام من القوم . زاد عاصم وابن عبد الأعلى في حديثهما قال فقعد ثلاثة وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس ثم إنهم قاموا فانطلقوا - قال - فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا - قال - فجاء حتى دخل فذهبت أدخل فألقى الحجاب بيني وبينه - قال - وأنزل الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} إلى قوله { إن ذلكم كان عند الله عظيما} .
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-কে বিবাহ করেন তখন তিনি লোকদের দা’ওয়াত করেন। তারা খাওয়া-দাওয়া করে বসে কথাবার্তা বলতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন দাঁড়াতে উদ্যত হলেন তবুও তারা উঠল না। এরূপ দেখে তিনি উঠে গেলেন। তারা উঠে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে যারা উঠবার তারা উঠে গেল। ‘আসিম ও ইবনু ‘আবদুল আ’লা (রহঃ)-এর বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে- আনাস (রাঃ) বলেন, কিন্তু তিনজন লোক ঘরে বসে রইল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘবে প্রবেশ করার জন্য এসে দেখতে পান যে, কয়েকজন লোক বসে আছে। এরপর তারাও উঠে চলে গেল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি এসে তাদের চলে যাওয়ার সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি এসে প্রবেশ করলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে প্রবেশ করতে অগ্রসর হলাম। এ সময় তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আর আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করেন: “তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে নাবীগৃহে প্রবেশ করবে না।... -আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা গুরুতর অপরাধ”। (ই.ফা. ৩৩৭০, ই.সে. ৩৩৬৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যায়নাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-কে বিবাহ করেন তখন তিনি লোকদের দা’ওয়াত করেন। তারা খাওয়া-দাওয়া করে বসে কথাবার্তা বলতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন দাঁড়াতে উদ্যত হলেন তবুও তারা উঠল না। এরূপ দেখে তিনি উঠে গেলেন। তারা উঠে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে যারা উঠবার তারা উঠে গেল। ‘আসিম ও ইবনু ‘আবদুল আ’লা (রহঃ)-এর বর্ণনায় অতিরিক্ত রয়েছে- আনাস (রাঃ) বলেন, কিন্তু তিনজন লোক ঘরে বসে রইল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘবে প্রবেশ করার জন্য এসে দেখতে পান যে, কয়েকজন লোক বসে আছে। এরপর তারাও উঠে চলে গেল। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি এসে তাদের চলে যাওয়ার সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি এসে প্রবেশ করলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে প্রবেশ করতে অগ্রসর হলাম। এ সময় তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আর আল্লাহ তা‘আলা নাযিল করেন: “তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে নাবীগৃহে প্রবেশ করবে না।... -আল্লাহর দৃষ্টিতে এটা গুরুতর অপরাধ”। (ই.ফা. ৩৩৭০, ই.সে. ৩৩৬৯)
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، وعاصم بن النضر التيمي، ومحمد بن عبد الأعلى، كلهم عن معتمر، - واللفظ لابن حبيب - حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت أبي، حدثنا أبو مجلز، عن أنس بن مالك، قال لما تزوج النبي صلى الله عليه وسلم زينب بنت جحش دعا القوم فطعموا ثم جلسوا يتحدثون - قال - فأخذ كأنه يتهيأ للقيام فلم يقوموا فلما رأى ذلك قام فلما قام قام من قام من القوم . زاد عاصم وابن عبد الأعلى في حديثهما قال فقعد ثلاثة وإن النبي صلى الله عليه وسلم جاء ليدخل فإذا القوم جلوس ثم إنهم قاموا فانطلقوا - قال - فجئت فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم أنهم قد انطلقوا - قال - فجاء حتى دخل فذهبت أدخل فألقى الحجاب بيني وبينه - قال - وأنزل الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} إلى قوله { إن ذلكم كان عند الله عظيما} .
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৮
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، قال ابن شهاب إن أنس بن مالك قال أنا أعلم الناس، بالحجاب لقد كان أبى بن كعب يسألني عنه . قال أنس أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم عروسا بزينب بنت جحش - قال - وكان تزوجها بالمدينة فدعا الناس للطعام بعد ارتفاع النهار فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلس معه رجال بعد ما قام القوم حتى قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فمشى فمشيت معه حتى بلغ باب حجرة عائشة ثم ظن أنهم قد خرجوا فرجع ورجعت معه فإذا هم جلوس مكانهم فرجع فرجعت الثانية حتى بلغ حجرة عائشة فرجع فرجعت فإذا هم قد قاموا فضرب بيني وبينه بالستر وأنزل الله آية الحجاب.
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি পর্দার হুকুম সংক্রান্ত ঘটনা সম্পর্কে সবার চাইতে বেশি অবগত। এ ব্যাপারে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাব বিনতু জাহ্শের স্বামী হন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিবাহ করেন মাদীনায়। এ উপলক্ষে তিনি দ্বিপ্রহরের সময় খাওয়ার জন্য লোকদের দা’ওয়াত দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং তারা তাঁর সঙ্গে বসল। লোকদের যারা উঠে যাওয়ার উঠে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠলেন এবং রওনা হলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে চলতে থাকলাম। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর হুজরায় পৌঁছলেন। যখন তিনি ধারণা করলেন যে, তারা (উপবিষ্ট লোকজন) বেরিয়ে গেছে তখন তিনি ফিরে এলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে এলাম। দেখা গেল, তখন তারা তাদের জায়গায় বসা আছে। তখন তিনি ফিরে গেলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে দ্বিতীয়বার ফিরে গেলাম। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর হুজরায় পৌঁছলেন। আবার তিনি যায়নাবের ঘরের দিকে ফিরলেন। দেখা গেল, লোকেরা চলে গেছে। তখন তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। (ই.ফা. ৩৩৭১, ই.সে. ৩৩৭০)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি পর্দার হুকুম সংক্রান্ত ঘটনা সম্পর্কে সবার চাইতে বেশি অবগত। এ ব্যাপারে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাব বিনতু জাহ্শের স্বামী হন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিবাহ করেন মাদীনায়। এ উপলক্ষে তিনি দ্বিপ্রহরের সময় খাওয়ার জন্য লোকদের দা’ওয়াত দেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং তারা তাঁর সঙ্গে বসল। লোকদের যারা উঠে যাওয়ার উঠে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠলেন এবং রওনা হলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে চলতে থাকলাম। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর হুজরায় পৌঁছলেন। যখন তিনি ধারণা করলেন যে, তারা (উপবিষ্ট লোকজন) বেরিয়ে গেছে তখন তিনি ফিরে এলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে ফিরে এলাম। দেখা গেল, তখন তারা তাদের জায়গায় বসা আছে। তখন তিনি ফিরে গেলেন এবং আমিও তাঁর সঙ্গে দ্বিতীয়বার ফিরে গেলাম। তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর হুজরায় পৌঁছলেন। আবার তিনি যায়নাবের ঘরের দিকে ফিরলেন। দেখা গেল, লোকেরা চলে গেছে। তখন তিনি আমার ও তাঁর মাঝখানে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। (ই.ফা. ৩৩৭১, ই.সে. ৩৩৭০)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، قال ابن شهاب إن أنس بن مالك قال أنا أعلم الناس، بالحجاب لقد كان أبى بن كعب يسألني عنه . قال أنس أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم عروسا بزينب بنت جحش - قال - وكان تزوجها بالمدينة فدعا الناس للطعام بعد ارتفاع النهار فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلس معه رجال بعد ما قام القوم حتى قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فمشى فمشيت معه حتى بلغ باب حجرة عائشة ثم ظن أنهم قد خرجوا فرجع ورجعت معه فإذا هم جلوس مكانهم فرجع فرجعت الثانية حتى بلغ حجرة عائشة فرجع فرجعت فإذا هم قد قاموا فضرب بيني وبينه بالستر وأنزل الله آية الحجاب.
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৪
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو النضر، هاشم بن القاسم قالا جميعا حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، وهذا حديث بهز قال لما انقضت عدة زينب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزيد " فاذكرها على " . قال فانطلق زيد حتى أتاها وهى تخمر عجينها قال فلما رأيتها عظمت في صدري حتى ما أستطيع أن أنظر إليها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكرها فوليتها ظهري ونكصت على عقبي فقلت يا زينب أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرك . قالت ما أنا بصانعة شيئا حتى أوامر ربي . فقامت إلى مسجدها ونزل القرآن وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليها بغير إذن قال فقال ولقد رأيتنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أطعمنا الخبز واللحم حين امتد النهار فخرج الناس وبقي رجال يتحدثون في البيت بعد الطعام فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم واتبعته فجعل يتتبع حجر نسائه يسلم عليهن ويقلن يا رسول الله كيف وجدت أهلك قال فما أدري أنا أخبرته أن القوم خرجوا أو أخبرني - قال - فانطلق حتى دخل البيت فذهبت أدخل معه فألقى الستر بيني وبينه ونزل الحجاب قال ووعظ القوم بما وعظوا به . زاد ابن رافع في حديثه { لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} إلى قوله { والله لا يستحيي من الحق}
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন যায়নাব (রাঃ)-এর ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি যায়নাবের নিকট আমার কথা উল্লেখ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, যায়দ (রাঃ) রওনা হলেন এবং তাঁর নিকট গেলেন। তখন তিনি আটা খামির করছিলেন। যায়দ (রাঃ) বলেন, আমি যখন তাঁকে দেখলাম তাঁর মর্যাদা আমার অন্তরে এমনভাবে জাগ্রত হল যে, আমি তাঁর প্রতি তাকাতে পারলাম না। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে স্মরণ করেছেন। তাই আমি তাঁর দিকে পিঠ ফিরে দাঁড়ালাম এবং পিছনের দিকে সরে পড়লাম। এরপর বললাম, হে যায়নাব! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে স্মরণ করে আমাকে পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে কিছুই করব না যে পর্যন্ত না আমি আমার রবের কাছ থেকে নির্দেশ লাভ না করি। এরপর তিনি তার সলাতের জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। এদিকে কুরআন নাযিল হল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে যায়নাবের বিনা অনুমতিতেই তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা দেখেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (যায়নাবের সে বিবাহ উপলক্ষে) দুপুর বেলায় আমাদের রুটি গোশ্ত খাইয়েছেন। খাওয়া-দাওয়ার পর লোকেরা বের হয়ে গেল কিন্তু কয়েকজন লোক খাওয়ার পর আলাপে মশগুল থাকল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে পড়লেন, আমিও তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি তাঁর বিবিগণের ঘরে ঘরে উপস্থিত হয়ে তাঁদের সালাম করতে লাগলেন। আর বিবিগণ তাঁকে জিজ্ঞেস করছিলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার এ স্ত্রীকে কেমন পেয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার মনে নেই, (আলাপরত) সে লোকদের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমিই তাঁকে জানিয়ে ছিলাম, না তিনিই আমাকে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অত:পর তিনি চললেন এবং সে ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলাম। তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার বিধান নাযিল হল। আনাস (রাঃ) বলেন, লোকদের নাসীহাত দিলেন দেয়ার যা ছিল। ইবনু রাফি’ তার হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করতে গিয়ে এ আয়াত উল্লেখ করেন: (অর্থ) “তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে নবী গৃহে প্রবেশ করবে না... কিন্তু আল্লাহ সত্য বলতে সংকোচবোধ করেন না।”- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩:৫৩)।” (ই.ফা. ৩৩৬৭, ই.সে. ৩৩৬৬)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন যায়নাব (রাঃ)-এর ‘ইদ্দাত পূর্ণ হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি যায়নাবের নিকট আমার কথা উল্লেখ কর। আনাস (রাঃ) বলেন, যায়দ (রাঃ) রওনা হলেন এবং তাঁর নিকট গেলেন। তখন তিনি আটা খামির করছিলেন। যায়দ (রাঃ) বলেন, আমি যখন তাঁকে দেখলাম তাঁর মর্যাদা আমার অন্তরে এমনভাবে জাগ্রত হল যে, আমি তাঁর প্রতি তাকাতে পারলাম না। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে স্মরণ করেছেন। তাই আমি তাঁর দিকে পিঠ ফিরে দাঁড়ালাম এবং পিছনের দিকে সরে পড়লাম। এরপর বললাম, হে যায়নাব! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে স্মরণ করে আমাকে পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন, আমি এ সম্পর্কে কিছুই করব না যে পর্যন্ত না আমি আমার রবের কাছ থেকে নির্দেশ লাভ না করি। এরপর তিনি তার সলাতের জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালেন। এদিকে কুরআন নাযিল হল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে যায়নাবের বিনা অনুমতিতেই তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা দেখেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (যায়নাবের সে বিবাহ উপলক্ষে) দুপুর বেলায় আমাদের রুটি গোশ্ত খাইয়েছেন। খাওয়া-দাওয়ার পর লোকেরা বের হয়ে গেল কিন্তু কয়েকজন লোক খাওয়ার পর আলাপে মশগুল থাকল। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে পড়লেন, আমিও তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি তাঁর বিবিগণের ঘরে ঘরে উপস্থিত হয়ে তাঁদের সালাম করতে লাগলেন। আর বিবিগণ তাঁকে জিজ্ঞেস করছিলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনার এ স্ত্রীকে কেমন পেয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার মনে নেই, (আলাপরত) সে লোকদের বের হয়ে যাওয়ার কথা আমিই তাঁকে জানিয়ে ছিলাম, না তিনিই আমাকে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অত:পর তিনি চললেন এবং সে ঘরে প্রবেশ করলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলাম। তিনি আমার ও তাঁর মধ্যে পর্দা টেনে দিলেন। আর পর্দার বিধান নাযিল হল। আনাস (রাঃ) বলেন, লোকদের নাসীহাত দিলেন দেয়ার যা ছিল। ইবনু রাফি’ তার হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করতে গিয়ে এ আয়াত উল্লেখ করেন: (অর্থ) “তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে নবী গৃহে প্রবেশ করবে না... কিন্তু আল্লাহ সত্য বলতে সংকোচবোধ করেন না।”- (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩:৫৩)।” (ই.ফা. ৩৩৬৭, ই.সে. ৩৩৬৬)
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا أبو النضر، هاشم بن القاسم قالا جميعا حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، وهذا حديث بهز قال لما انقضت عدة زينب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزيد " فاذكرها على " . قال فانطلق زيد حتى أتاها وهى تخمر عجينها قال فلما رأيتها عظمت في صدري حتى ما أستطيع أن أنظر إليها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكرها فوليتها ظهري ونكصت على عقبي فقلت يا زينب أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرك . قالت ما أنا بصانعة شيئا حتى أوامر ربي . فقامت إلى مسجدها ونزل القرآن وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليها بغير إذن قال فقال ولقد رأيتنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أطعمنا الخبز واللحم حين امتد النهار فخرج الناس وبقي رجال يتحدثون في البيت بعد الطعام فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم واتبعته فجعل يتتبع حجر نسائه يسلم عليهن ويقلن يا رسول الله كيف وجدت أهلك قال فما أدري أنا أخبرته أن القوم خرجوا أو أخبرني - قال - فانطلق حتى دخل البيت فذهبت أدخل معه فألقى الستر بيني وبينه ونزل الحجاب قال ووعظ القوم بما وعظوا به . زاد ابن رافع في حديثه { لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} إلى قوله { والله لا يستحيي من الحق}
সহিহ মুসলিম ৩৩৯৯
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن الجعد أبي عثمان، عن أنس بن مالك، قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل بعثت بهذا إليك أمي وهى تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله - قال - فذهبت بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . فقال " ضعه - ثم قال - اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . وسمى رجالا - قال - فدعوت من سمى ومن لقيت . قال قلت لأنس عدد كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا - قال - فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت - قال - وجلس طوائف منهم يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه - قال - فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم تى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على . وأنزلت هذه الآية فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وقرأهن على الناس { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ولكن إذا دعيتم فادخلوا فإذا طعمتم فانتشروا ولا مستأنسين لحديث إن ذلكم كان يؤذي النبي} إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس بن مالك أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء النبي صلى الله عليه وسلم .
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (যায়নাব বিনতু জাহ্শকে) বিবাহ করেন এবং তার সহধর্মিণীর কাছে গেলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার মা উম্মু সুলায়ম (রাঃ) হায়স (হালুয়া) তৈরী করেছিলেন এবং তা একখানি ছোট পাত্রে রেখে আমাকে বললেন, হে আনাস! এটা রসূলুল্লাহ এর কাছে নিয়ে যাও এবং তাঁকে বল, এটা আমার মা আপনার খিদমাতে পাঠিয়েছেন এবং আপনাকে সালাম পৌছিয়েছেন। (আরও বলো যে) তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এ সামান্য (হায়স) আপনার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে (দেয়া হল)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি হায়স নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার মা আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং বলেছেনঃ এ সামান্য (হায়স) আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে দেয়া হল। তিনি বললেন, এটা রাখ। অত:পর বললেনঃতুমি যাও, অমুক অমুক অমুককে দা’ওয়াত দাও এবং সেসব লোককেও যাদের সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে। এ বলে, তিনি লোকদের নাম বললেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তখন বর্ণিত লোকদের দা’ওয়াত দিলাম এবং তাদেরও যাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হল। সাবিত (র:) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, (আমন্ত্রিত লোকদের) সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিনশত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে আনাস! (হায়সের) পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতপ্রাপ্ত লোকজন এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে ও তাঁর চতুষ্পার্শ্বে ভীড় করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন- তোমরা দশ দশ জন করে একত্রিত হয়ে প্রত্যেকই পাত্র থেকে নিজের সামনের স্থান থেকে খাদ্য গ্রহণ কর। আনাস (রাঃ) বললেন, সকলেই খেয়ে তৃপ্ত হলেন। তিনি বলেন, একদল গেল আরেক দল প্রবেশ করল। এভাবে সকলে খাবার কাজ সেরে নিল। অত:পর তিনি আমাকে বললেন, হে আনাস! (হায়সের পাত্র) উঠাও। তিনি বলেন, এরপর আমি পাত্রটি তুলে নিলাম। পাত্রটি রাখার সময় এতে খাদ্য বেশি ছিল কিনা সেটি উঠাবার সময় তা আমি বুঝতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, তাদের কিছু লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে কথাবার্তা বলতে লাগল। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সেখানে) বসা ছিলেন এবং তাঁর সহধর্মিণী (যায়নাব) দেয়ালমুখী হয়ে পিছনে ফিরে রইলেন। তাদের উপস্থিতি তাঁর কাছে কষ্টকর মনে হল। অত:পর তিনি তাঁর অন্যান্য বিবিদের কাছে বেরিয়ে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন। তাঁরা যখন দেখল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে এসেছেন, তারা বুঝতে পারল যে, তাদের এ কাজ (আলাপচারিতা) তাঁর (সাঃ-এর) জন্য কষ্টকর হয়েছে। আনাস (রাঃ) বললেন, তখন তারা তাড়াতাড়ি দরজার দিকে এগিয়ে গেল এবং সবাই বেরিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন এবং পর্দা টেনে দিলেন এবং পর্দার ভিতরে প্রবেশ করলেন। আমি ঘরে বসে রইলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি আমার কাছে ফিরে এলেন। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এসে এ আয়াতগুলো লোকদের কাছে পাঠ করে শোনালেন- (অর্থ) “হে মুমিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা আহার্য প্রস্তুতের জন্য অপেক্ষা না করে আহার গ্রহণের জন্য নাবীর গৃহে প্রবশ করবে না, তবে তোমাদের আহ্বান করলে তোমরা প্রবেশ করবে এবং আহারের পর তোমরা চলে যাবে এবং কথাবার্তায় মশগুল হয়ে পড়বে না। কারণ তোমাদের এ আচরণ নাবীকে কষ্ট দেয়” ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩: ৫৩) রাবী জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমি লোকদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলাম, এ আয়াতের প্রতি অনুগত হওয়ার জন্যে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবিগণকে পর্দার আড়ালে নেয়া হল। (ই.ফা. ৩৩৭২, ই.সে. ৩৩৭১)
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (যায়নাব বিনতু জাহ্শকে) বিবাহ করেন এবং তার সহধর্মিণীর কাছে গেলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার মা উম্মু সুলায়ম (রাঃ) হায়স (হালুয়া) তৈরী করেছিলেন এবং তা একখানি ছোট পাত্রে রেখে আমাকে বললেন, হে আনাস! এটা রসূলুল্লাহ এর কাছে নিয়ে যাও এবং তাঁকে বল, এটা আমার মা আপনার খিদমাতে পাঠিয়েছেন এবং আপনাকে সালাম পৌছিয়েছেন। (আরও বলো যে) তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এ সামান্য (হায়স) আপনার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে (দেয়া হল)। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি হায়স নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম এবং বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার মা আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং বলেছেনঃ এ সামান্য (হায়স) আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে দেয়া হল। তিনি বললেন, এটা রাখ। অত:পর বললেনঃতুমি যাও, অমুক অমুক অমুককে দা’ওয়াত দাও এবং সেসব লোককেও যাদের সাথে তোমার সাক্ষাৎ হবে। এ বলে, তিনি লোকদের নাম বললেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তখন বর্ণিত লোকদের দা’ওয়াত দিলাম এবং তাদেরও যাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হল। সাবিত (র:) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, (আমন্ত্রিত লোকদের) সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, প্রায় তিনশত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে আনাস! (হায়সের) পাত্রটি নিয়ে এসো। আনাস (রাঃ) বলেন, দা’ওয়াতপ্রাপ্ত লোকজন এসে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে ও তাঁর চতুষ্পার্শ্বে ভীড় করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন- তোমরা দশ দশ জন করে একত্রিত হয়ে প্রত্যেকই পাত্র থেকে নিজের সামনের স্থান থেকে খাদ্য গ্রহণ কর। আনাস (রাঃ) বললেন, সকলেই খেয়ে তৃপ্ত হলেন। তিনি বলেন, একদল গেল আরেক দল প্রবেশ করল। এভাবে সকলে খাবার কাজ সেরে নিল। অত:পর তিনি আমাকে বললেন, হে আনাস! (হায়সের পাত্র) উঠাও। তিনি বলেন, এরপর আমি পাত্রটি তুলে নিলাম। পাত্রটি রাখার সময় এতে খাদ্য বেশি ছিল কিনা সেটি উঠাবার সময় তা আমি বুঝতে পারিনি। আনাস (রাঃ) বলেন, তাদের কিছু লোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঘরে বসে কথাবার্তা বলতে লাগল। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (সেখানে) বসা ছিলেন এবং তাঁর সহধর্মিণী (যায়নাব) দেয়ালমুখী হয়ে পিছনে ফিরে রইলেন। তাদের উপস্থিতি তাঁর কাছে কষ্টকর মনে হল। অত:পর তিনি তাঁর অন্যান্য বিবিদের কাছে বেরিয়ে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন। তাঁরা যখন দেখল যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে এসেছেন, তারা বুঝতে পারল যে, তাদের এ কাজ (আলাপচারিতা) তাঁর (সাঃ-এর) জন্য কষ্টকর হয়েছে। আনাস (রাঃ) বললেন, তখন তারা তাড়াতাড়ি দরজার দিকে এগিয়ে গেল এবং সবাই বেরিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এলেন এবং পর্দা টেনে দিলেন এবং পর্দার ভিতরে প্রবেশ করলেন। আমি ঘরে বসে রইলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি আমার কাছে ফিরে এলেন। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এসে এ আয়াতগুলো লোকদের কাছে পাঠ করে শোনালেন- (অর্থ) “হে মুমিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা আহার্য প্রস্তুতের জন্য অপেক্ষা না করে আহার গ্রহণের জন্য নাবীর গৃহে প্রবশ করবে না, তবে তোমাদের আহ্বান করলে তোমরা প্রবেশ করবে এবং আহারের পর তোমরা চলে যাবে এবং কথাবার্তায় মশগুল হয়ে পড়বে না। কারণ তোমাদের এ আচরণ নাবীকে কষ্ট দেয়” ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ্ আল আহযাব ৩৩: ৫৩) রাবী জা’দ (রহঃ) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমি লোকদের কাছে হাদীস বর্ণনা করছিলাম, এ আয়াতের প্রতি অনুগত হওয়ার জন্যে। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিবিগণকে পর্দার আড়ালে নেয়া হল। (ই.ফা. ৩৩৭২, ই.সে. ৩৩৭১)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن الجعد أبي عثمان، عن أنس بن مالك، قال تزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل بأهله - قال - فصنعت أمي أم سليم حيسا فجعلته في تور فقالت يا أنس اذهب بهذا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقل بعثت بهذا إليك أمي وهى تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله - قال - فذهبت بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إن أمي تقرئك السلام وتقول إن هذا لك منا قليل يا رسول الله . فقال " ضعه - ثم قال - اذهب فادع لي فلانا وفلانا وفلانا ومن لقيت " . وسمى رجالا - قال - فدعوت من سمى ومن لقيت . قال قلت لأنس عدد كم كانوا قال زهاء ثلاثمائة . وقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا أنس هات التور " . قال فدخلوا حتى امتلأت الصفة والحجرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليتحلق عشرة عشرة وليأكل كل إنسان مما يليه " . قال فأكلوا حتى شبعوا - قال - فخرجت طائفة ودخلت طائفة حتى أكلوا كلهم . فقال لي " يا أنس ارفع " . قال فرفعت فما أدري حين وضعت كان أكثر أم حين رفعت - قال - وجلس طوائف منهم يتحدثون في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس وزوجته مولية وجهها إلى الحائط فثقلوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلم على نسائه ثم رجع فلما رأوا رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رجع ظنوا أنهم قد ثقلوا عليه - قال - فابتدروا الباب فخرجوا كلهم وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم تى أرخى الستر ودخل وأنا جالس في الحجرة فلم يلبث إلا يسيرا حتى خرج على . وأنزلت هذه الآية فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وقرأهن على الناس { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه ولكن إذا دعيتم فادخلوا فإذا طعمتم فانتشروا ولا مستأنسين لحديث إن ذلكم كان يؤذي النبي} إلى آخر الآية . قال الجعد قال أنس بن مالك أنا أحدث الناس عهدا بهذه الآيات وحجبن نساء النبي صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩৪০০
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن أبي عثمان، عن أنس، قال لما تزوج النبي صلى الله عليه وسلم زينب أهدت له أم سليم حيسا في تور من حجارة فقال أنس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذهب فادع لي من لقيت من المسلمين " . فدعوت له من لقيت فجعلوا يدخلون عليه فيأكلون ويخرجون ووضع النبي صلى الله عليه وسلم يده على الطعام فدعا فيه وقال فيه ما شاء الله أن يقول ولم أدع أحدا لقيته إلا دعوته فأكلوا حتى شبعوا وخرجوا وبقي طائفة منهم فأطالوا عليه الحديث فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يستحيي منهم أن يقول لهم شيئا فخرج وتركهم في البيت فأنزل الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} قال قتادة غير متحينين طعاما ولكن إذا دعيتم فادخلوا حتى بلغ { ذلكم أطهر لقلوبكم وقلوبهن}
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাবকে বিবাহ করলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) পাথরের একটি পাত্রে তাঁর জন্য হায়স পাঠালেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতুমি যাও, মুসলিমদের মধ্যে যার সঙ্গে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে আমার পক্ষ থেকে দা’ওয়াত দাও। অত:পর যার সঙ্গে সাক্ষাৎ হল আমি তাকে দা’ওয়াত দিলাম। তারা তাঁর কাছে আসতে শুরু করল এবং খেয়ে চলে যেতে লাগল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত খাদ্যের উপর রাখলেন এবং তাতে দু’আ পড়লেন। এতে আল্লাহ্র ইচ্ছায় তিনি যা পাঠ করার তা পড়লেন। যারই সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে তাকেই দা’ওয়াত দিতে বাদ দেইনি। সকলেই খেল এবং তৃপ্ত হল। তারা বেরিয়ে গেল কিন্তু তাদের একদল রয়ে গেল। তারা তাঁর সেখানে দীর্ঘালাপে লিপ্ত রইল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কিছু বলতে লজ্জাবোধ করছিলেন। তাই তিনি নিজেই বেরিয়ে গেলেন এবং তাদের ঘরে রেখে গেলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন- (অর্থ) “হে মু’মিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে আহার্য প্রস্তুতের জন্য অপেক্ষা না করে আহার গ্রহণের জন্য তোমরা নবী গৃহে প্রবেশ করবে না।” ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, তোমরা আহার্য প্রস্তুতির সময়ের যদি অপেক্ষা না কর তবে তোমাদের আহ্বান করলে তোমরা প্রবেশ করবে। এ বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র”- (সূরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:৫৩)। (ই.ফা. ৩৩৭৩, ই.সে. ৩৩৭২)
আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাবকে বিবাহ করলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) পাথরের একটি পাত্রে তাঁর জন্য হায়স পাঠালেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতুমি যাও, মুসলিমদের মধ্যে যার সঙ্গে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে আমার পক্ষ থেকে দা’ওয়াত দাও। অত:পর যার সঙ্গে সাক্ষাৎ হল আমি তাকে দা’ওয়াত দিলাম। তারা তাঁর কাছে আসতে শুরু করল এবং খেয়ে চলে যেতে লাগল। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাত খাদ্যের উপর রাখলেন এবং তাতে দু’আ পড়লেন। এতে আল্লাহ্র ইচ্ছায় তিনি যা পাঠ করার তা পড়লেন। যারই সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে তাকেই দা’ওয়াত দিতে বাদ দেইনি। সকলেই খেল এবং তৃপ্ত হল। তারা বেরিয়ে গেল কিন্তু তাদের একদল রয়ে গেল। তারা তাঁর সেখানে দীর্ঘালাপে লিপ্ত রইল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কিছু বলতে লজ্জাবোধ করছিলেন। তাই তিনি নিজেই বেরিয়ে গেলেন এবং তাদের ঘরে রেখে গেলেন। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন- (অর্থ) “হে মু’মিনগণ! তোমাদের অনুমতি দেয়া না হলে আহার্য প্রস্তুতের জন্য অপেক্ষা না করে আহার গ্রহণের জন্য তোমরা নবী গৃহে প্রবেশ করবে না।” ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, তোমরা আহার্য প্রস্তুতির সময়ের যদি অপেক্ষা না কর তবে তোমাদের আহ্বান করলে তোমরা প্রবেশ করবে। এ বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র”- (সূরাহ্ আল আহ্যাব ৩৩:৫৩)। (ই.ফা. ৩৩৭৩, ই.সে. ৩৩৭২)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن أبي عثمان، عن أنس، قال لما تزوج النبي صلى الله عليه وسلم زينب أهدت له أم سليم حيسا في تور من حجارة فقال أنس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذهب فادع لي من لقيت من المسلمين " . فدعوت له من لقيت فجعلوا يدخلون عليه فيأكلون ويخرجون ووضع النبي صلى الله عليه وسلم يده على الطعام فدعا فيه وقال فيه ما شاء الله أن يقول ولم أدع أحدا لقيته إلا دعوته فأكلوا حتى شبعوا وخرجوا وبقي طائفة منهم فأطالوا عليه الحديث فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يستحيي منهم أن يقول لهم شيئا فخرج وتركهم في البيت فأنزل الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا لا تدخلوا بيوت النبي إلا أن يؤذن لكم إلى طعام غير ناظرين إناه} قال قتادة غير متحينين طعاما ولكن إذا دعيتم فادخلوا حتى بلغ { ذلكم أطهر لقلوبكم وقلوبهن}