সহিহ মুসলিম > মাক্কার হারামে হওয়া, হারামের অভ্যন্তরে ও উপকণ্ঠে শিকার কার্য চিরস্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ, এখানকার গাছপালা উপড়ানো ও ঘাস কাটা নিষেধ
সহিহ মুসলিম ৩১৯৩
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فتح مكة " لا هجرة ولكن جهاد ونية وإذا استنفرتم فانفروا " . وقال يوم الفتح فتح مكة " إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي ولم يحل لي إلا ساعة من نهار فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة لا يعضد شوكه ولا ينفر صيده ولا يلتقط إلا من عرفها ولا يختلى خلاها " . فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقينهم ولبيوتهم . فقال " إلا الإذخر " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন বলেছেনঃ হিজরাতের আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত অব্যাহত থাকবে। তোমাদেরকে যখন জিহাদের আহ্বান জানানো হয় তখন জিহাদে যোগদান কর। মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা’আলা এ শহরকে সম্মানিত করেছেন- যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকে। অতএব ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা এ শহরের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তিনি এ শহরে আমার পূর্বে আর কারও জন্য যুদ্ধ বৈধ করেননি। আমার জন্য মাত্র এক দিনের কিছু সময় তিনি এখানে যুদ্ধ বৈধ করেছিলেন। অতএব তথায় যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম। আল্লাহ তা’আলা কর্তৃক ক্বিয়ামাত পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার কারণে এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছ উপড়ানো যাবে না, এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! কিন্তু ইয্খির (লম্বা ঘাস) সম্পর্কে (অনুমতি দিন)। কারণ তা স্বর্ণকার ও তাদের ঘরের কাজে লাগে। তিনি বললেন, কিন্তু ইযখির (তোলার অনুমতি দেয়া হল)। (ই.ফা. ৩১৬৮, ই.সে. ৩১৬৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন বলেছেনঃ হিজরাতের আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত অব্যাহত থাকবে। তোমাদেরকে যখন জিহাদের আহ্বান জানানো হয় তখন জিহাদে যোগদান কর। মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা’আলা এ শহরকে সম্মানিত করেছেন- যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকে। অতএব ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা এ শহরের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তিনি এ শহরে আমার পূর্বে আর কারও জন্য যুদ্ধ বৈধ করেননি। আমার জন্য মাত্র এক দিনের কিছু সময় তিনি এখানে যুদ্ধ বৈধ করেছিলেন। অতএব তথায় যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম। আল্লাহ তা’আলা কর্তৃক ক্বিয়ামাত পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার কারণে এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছ উপড়ানো যাবে না, এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! কিন্তু ইয্খির (লম্বা ঘাস) সম্পর্কে (অনুমতি দিন)। কারণ তা স্বর্ণকার ও তাদের ঘরের কাজে লাগে। তিনি বললেন, কিন্তু ইযখির (তোলার অনুমতি দেয়া হল)। (ই.ফা. ৩১৬৮, ই.সে. ৩১৬৫)
حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فتح مكة " لا هجرة ولكن جهاد ونية وإذا استنفرتم فانفروا " . وقال يوم الفتح فتح مكة " إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي ولم يحل لي إلا ساعة من نهار فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة لا يعضد شوكه ولا ينفر صيده ولا يلتقط إلا من عرفها ولا يختلى خلاها " . فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقينهم ولبيوتهم . فقال " إلا الإذخر " .
সহিহ মুসলিম ৩১৯৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح سمعته أذناى ووعاه قلبي وأبصرته عيناى حين تكلم به أنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرة فإن أحد ترخص بقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب " . فقيل لأبي شريح ما قال لك عمرو قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة .
আবূ শুরায়হ আল ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আম্র ইবনু সা’ঈদ (ইবনুল ‘আস ইবনু উমাইয়্যাহ্) যখন মাক্কাহ অভিযানের উদ্দেশে সৈন্য বাহিনীসহ রওনা করেন তখন আবূ শুরায়হ (রাঃ) তাকে বলেন, হে আমীর! আমাকে অনুমতি দিন একটি কথা বলতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সকাল বেলা দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- যা আমার দু’কান শুনেছে, আমার অন্তর সংরক্ষণ করেছে এবং উভয় চোখ সে দৃশ্য দেখেছে। যখন তিনি তা বলেছিলেন, প্রথমে তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চয়ই মাক্কাকে আল্লাহ তা’আলা হারামে পরিণত করেছেন- কোন মানুষ তাকে হারামের মর্যাদায় উন্নীত করেনি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে- তার পক্ষে সেখানে রক্ত প্রবাহিত করা বা সেখানকার কোন গাছ উপড়ানো হালাল নয়। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর রসূলের উদাহরণ পেশ করে এখানে রক্তপাত বৈধ করতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এজন্য অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তোমাদের জন্য কখনও অনুমতি দেননি। আর আমার জন্য তিনি তাও এক দিনের সামান্য সময় সেখানে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন। আজকে তার সে হুরমাত (মর্যাদা) গতকালের মতো পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত লোকেরা যেন (এ কথা) অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল- ‘আম্র আপনাকে কী জবাব দিল? তিনি বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! এ সম্পর্কে আমি আপনারে চেয়ে অধিক জ্ঞাত আছি। নিশ্চয়ই হারাম (কা’বাহ্) কোন পাপীকে, কোন হত্যাকারীকে এবং কোন অনিষ্টকারীকে আশ্রয় দেয় না। (ই.ফা. ৩১৭০, ই.সে. ৩১৬৭)
আবূ শুরায়হ আল ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আম্র ইবনু সা’ঈদ (ইবনুল ‘আস ইবনু উমাইয়্যাহ্) যখন মাক্কাহ অভিযানের উদ্দেশে সৈন্য বাহিনীসহ রওনা করেন তখন আবূ শুরায়হ (রাঃ) তাকে বলেন, হে আমীর! আমাকে অনুমতি দিন একটি কথা বলতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সকাল বেলা দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- যা আমার দু’কান শুনেছে, আমার অন্তর সংরক্ষণ করেছে এবং উভয় চোখ সে দৃশ্য দেখেছে। যখন তিনি তা বলেছিলেন, প্রথমে তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চয়ই মাক্কাকে আল্লাহ তা’আলা হারামে পরিণত করেছেন- কোন মানুষ তাকে হারামের মর্যাদায় উন্নীত করেনি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে- তার পক্ষে সেখানে রক্ত প্রবাহিত করা বা সেখানকার কোন গাছ উপড়ানো হালাল নয়। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর রসূলের উদাহরণ পেশ করে এখানে রক্তপাত বৈধ করতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এজন্য অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তোমাদের জন্য কখনও অনুমতি দেননি। আর আমার জন্য তিনি তাও এক দিনের সামান্য সময় সেখানে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন। আজকে তার সে হুরমাত (মর্যাদা) গতকালের মতো পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত লোকেরা যেন (এ কথা) অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল- ‘আম্র আপনাকে কী জবাব দিল? তিনি বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! এ সম্পর্কে আমি আপনারে চেয়ে অধিক জ্ঞাত আছি। নিশ্চয়ই হারাম (কা’বাহ্) কোন পাপীকে, কোন হত্যাকারীকে এবং কোন অনিষ্টকারীকে আশ্রয় দেয় না। (ই.ফা. ৩১৭০, ই.সে. ৩১৬৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح سمعته أذناى ووعاه قلبي وأبصرته عيناى حين تكلم به أنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرة فإن أحد ترخص بقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب " . فقيل لأبي شريح ما قال لك عمرو قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة .
সহিহ মুসলিম ৩১৯৬
حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، جميعا عن الوليد، - قال زهير حدثنا الوليد بن مسلم، - حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة، - هو ابن عبد الرحمن - حدثني أبو هريرة، قال لما فتح الله عز وجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنها لن تحل لأحد كان قبلي وإنها أحلت لي ساعة من نهار وإنها لن تحل لأحد بعدي فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يفدى وإما أن يقتل " . فقال العباس إلا الإذخر يا رسول الله فإنا نجعله في قبورنا وبيوتنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " . فقام أبو شاه رجل من أهل اليمن فقال اكتبوا لي يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكتبوا لأبي شاه " . قال الوليد فقلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাক্কাহ্ বিজয় দান করলেন- তখন তিনি লোকদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চিত আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশে বাধা প্রদান করেছেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে মাক্কাহ্ অভিযানে বিজয়ী করেছেন। আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত বৈধ ছিল না। আর আমার জন্যও একদিনের কিছু সময় এখানে যুদ্ধ করা হালাল করা হয়েছিল। আমার পরে আর কারও জন্য তা কখনও হালাল করা হবে না। অতএব এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার কাঁটাদার গাছও উপড়ানো যাবে না এবং এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী (তা তুলে নিতে পারবে)। কারও কোন আত্মীয় নিহত হয়ে তার জন্য দু’টি অবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের অধিকার রয়েছে : হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে নতুবা হত্যাকারীকে ক্বিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! কিন্তু ইযখির ঘাস যা আমরা ক্ববরে দিয়ে থাকি এবং আমাদের ঘরের চালায় ব্যবহার করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিন্তু ইযখির ঘাস (এর কাটার অনুমতি দেয়া হল)। ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ্ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আমাকে (এ কথাগুলো) লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ (রহঃ) বলেন, আমি আওযা‘ঈ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম : “হে আল্লাহর রসূল! আমকে লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন”- তাঁর এ কথার অর্থ কী? তিনি বললেন, যে ভাষণ তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিতে শুনলেন তা। (ই.ফা. ৩১৭১, ই.সে. ৩১৬৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাক্কাহ্ বিজয় দান করলেন- তখন তিনি লোকদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চিত আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশে বাধা প্রদান করেছেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে মাক্কাহ্ অভিযানে বিজয়ী করেছেন। আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত বৈধ ছিল না। আর আমার জন্যও একদিনের কিছু সময় এখানে যুদ্ধ করা হালাল করা হয়েছিল। আমার পরে আর কারও জন্য তা কখনও হালাল করা হবে না। অতএব এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার কাঁটাদার গাছও উপড়ানো যাবে না এবং এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী (তা তুলে নিতে পারবে)। কারও কোন আত্মীয় নিহত হয়ে তার জন্য দু’টি অবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের অধিকার রয়েছে : হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে নতুবা হত্যাকারীকে ক্বিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! কিন্তু ইযখির ঘাস যা আমরা ক্ববরে দিয়ে থাকি এবং আমাদের ঘরের চালায় ব্যবহার করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিন্তু ইযখির ঘাস (এর কাটার অনুমতি দেয়া হল)। ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ্ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আমাকে (এ কথাগুলো) লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ (রহঃ) বলেন, আমি আওযা‘ঈ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম : “হে আল্লাহর রসূল! আমকে লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন”- তাঁর এ কথার অর্থ কী? তিনি বললেন, যে ভাষণ তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিতে শুনলেন তা। (ই.ফা. ৩১৭১, ই.সে. ৩১৬৮)
حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، جميعا عن الوليد، - قال زهير حدثنا الوليد بن مسلم، - حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة، - هو ابن عبد الرحمن - حدثني أبو هريرة، قال لما فتح الله عز وجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنها لن تحل لأحد كان قبلي وإنها أحلت لي ساعة من نهار وإنها لن تحل لأحد بعدي فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يفدى وإما أن يقتل " . فقال العباس إلا الإذخر يا رسول الله فإنا نجعله في قبورنا وبيوتنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " . فقام أبو شاه رجل من أهل اليمن فقال اكتبوا لي يا رسول الله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكتبوا لأبي شاه " . قال الوليد فقلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সহিহ মুসলিম ৩১৯৭
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، أخبرني أبو سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول إن خزاعة قتلوا رجلا من بني ليث عام فتح مكة بقتيل منهم قتلوه فأخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فركب راحلته فخطب فقال " إن الله عز وجل حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين ألا وإنها لم تحل لأحد قبلي ولن تحل لأحد بعدي ألا وإنها أحلت لي ساعة من النهار ألا وإنها ساعتي هذه حرام لا يخبط شوكها ولا يعضد شجرها ولا يلتقط ساقطتها إلا منشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يعطى - يعني الدية - وإما أن يقاد أهل القتيل " . قال فجاء رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال اكتب لي يا رسول الله . فقال " اكتبوا لأبي شاه " . فقال رجل من قريش إلا الإذخر فإنا نجعله في بيوتنا وقبورنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ লায়স কর্তৃক বানূ খুযা’আর এক ব্যক্তি হত্যার প্রতিশোধ স্বরূপ শেষোক্ত গোত্রের লোকেরা মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে প্রথমোক্ত গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তিনি নিজ সওয়ারীতে আরোহণ পূর্বক ভাষণ দেন এবং বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশ প্রতিরোধ করেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে এর উপর বিজয়ী করেন। সাবধান! আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কখনও কারও জন্য তা হালাল নয়। সাবধান! আমার জন্যও এক দিনের সামান্য সময় এখানে (রক্তপাত) বৈধ করা হয়েছিল। সাবধান! এ মুহূর্তে আবার তা (আমার জন্যও) হারাম হয়ে গেল। অতএব এখানকার কাঁটাযুক্ত বৃক্ষও উপড়ানো যাবে না, গাছপালাও কাটা যাবে না এবং পথে পড়ে থাকা বস্তুও তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি (তা তুলতে পারবে)। যার কোন আত্মীয় নিহত হয়েছে তার দু’টি ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে, নতুবা ক্বিসাস স্বরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করতে হবে। রাবী বলেন, আবূ শাহ্ (রাঃ) নামক ইয়ামানের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আামকে লিখে দিন। তিনি বললেন, তোমরা আবূ শাহ্কে লিখে দাও। কুরায়শ বংশের এক ব্যক্তি বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস- আমরা তো তা আমাদের ঘর তৈরির কাজে এবং ক্ববরে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। (ই.ফা. ৩১৭২, ই.সে. ৩১৬৯)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বানূ লায়স কর্তৃক বানূ খুযা’আর এক ব্যক্তি হত্যার প্রতিশোধ স্বরূপ শেষোক্ত গোত্রের লোকেরা মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে প্রথমোক্ত গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তিনি নিজ সওয়ারীতে আরোহণ পূর্বক ভাষণ দেন এবং বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশ প্রতিরোধ করেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে এর উপর বিজয়ী করেন। সাবধান! আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কখনও কারও জন্য তা হালাল নয়। সাবধান! আমার জন্যও এক দিনের সামান্য সময় এখানে (রক্তপাত) বৈধ করা হয়েছিল। সাবধান! এ মুহূর্তে আবার তা (আমার জন্যও) হারাম হয়ে গেল। অতএব এখানকার কাঁটাযুক্ত বৃক্ষও উপড়ানো যাবে না, গাছপালাও কাটা যাবে না এবং পথে পড়ে থাকা বস্তুও তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি (তা তুলতে পারবে)। যার কোন আত্মীয় নিহত হয়েছে তার দু’টি ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে, নতুবা ক্বিসাস স্বরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করতে হবে। রাবী বলেন, আবূ শাহ্ (রাঃ) নামক ইয়ামানের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আামকে লিখে দিন। তিনি বললেন, তোমরা আবূ শাহ্কে লিখে দাও। কুরায়শ বংশের এক ব্যক্তি বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস- আমরা তো তা আমাদের ঘর তৈরির কাজে এবং ক্ববরে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। (ই.ফা. ৩১৭২, ই.সে. ৩১৬৯)
حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، أخبرني أبو سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول إن خزاعة قتلوا رجلا من بني ليث عام فتح مكة بقتيل منهم قتلوه فأخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فركب راحلته فخطب فقال " إن الله عز وجل حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين ألا وإنها لم تحل لأحد قبلي ولن تحل لأحد بعدي ألا وإنها أحلت لي ساعة من النهار ألا وإنها ساعتي هذه حرام لا يخبط شوكها ولا يعضد شجرها ولا يلتقط ساقطتها إلا منشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يعطى - يعني الدية - وإما أن يقاد أهل القتيل " . قال فجاء رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال اكتب لي يا رسول الله . فقال " اكتبوا لأبي شاه " . فقال رجل من قريش إلا الإذخر فإنا نجعله في بيوتنا وقبورنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " .
সহিহ মুসলিম ৩১৯৪
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، عن منصور، في هذا الإسناد بمثله ولم يذكر " يوم خلق السموات والأرض " . وقال بدل القتال " القتل " . وقال " لا يلتقط لقطته إلا من عرفها " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানসূর (রহঃ) থেকে এ সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্য সহকারে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে তিনি “যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন” কথাটুকুর উল্লেখ করেননি এবং ‘ক্বিতাল’ শব্দের পরিবর্তে ‘ক্বতল’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৯, ই.সে. ৩১৬৬)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মানসূর (রহঃ) থেকে এ সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্য সহকারে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে তিনি “যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন” কথাটুকুর উল্লেখ করেননি এবং ‘ক্বিতাল’ শব্দের পরিবর্তে ‘ক্বতল’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৯, ই.সে. ৩১৬৬)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، عن منصور، في هذا الإسناد بمثله ولم يذكر " يوم خلق السموات والأرض " . وقال بدل القتال " القتل " . وقال " لا يلتقط لقطته إلا من عرفها " .
সহিহ মুসলিম > নিষ্প্রয়োজনে মাক্কায় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ
সহিহ মুসলিম ৩১৯৮
حدثني سلمة بن شبيب، حدثنا ابن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لأحدكم أن يحمل بمكة السلاح" .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তোমাদের কারো জন্য মাক্কায় অস্ত্র বহন করা হালাল নয়। (ই.ফা. ৩১৭৩, ই.সে. ৩১৭০)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তোমাদের কারো জন্য মাক্কায় অস্ত্র বহন করা হালাল নয়। (ই.ফা. ৩১৭৩, ই.সে. ৩১৭০)
حدثني سلمة بن شبيب، حدثنا ابن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لأحدكم أن يحمل بمكة السلاح" .
সহিহ মুসলিম > মাক্কায় ইহরামবিহীন অবস্থায় প্রবেশ জায়িয
সহিহ মুসলিম ৩১৯৯
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، ويحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، أما القعنبي فقال قرأت على مالك بن أنس وأما قتيبة فقال حدثنا مالك وقال يحيى - واللفظ له - قلت لمالك أحدثك ابن شهاب عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه مغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة . فقال " اقتلوه " . فقال مالك نعم .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি যখন তা মাথা থেকে নামিয়ে রাখলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, ইবনু খাত্বালা-কে কা’বার গেলাফের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। [ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইমাম মালিককে জিজ্ঞেস করেন যে, ইমাম যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে তাঁকে এ হাদীস বলেছেন, কিনা] তিনি বলেন, হাঁ। [৩৭] (ই.ফা. ৩১৭৪, ই.সে. ৩১৭১)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি যখন তা মাথা থেকে নামিয়ে রাখলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, ইবনু খাত্বালা-কে কা’বার গেলাফের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। [ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইমাম মালিককে জিজ্ঞেস করেন যে, ইমাম যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে তাঁকে এ হাদীস বলেছেন, কিনা] তিনি বলেন, হাঁ। [৩৭] (ই.ফা. ৩১৭৪, ই.সে. ৩১৭১)
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، ويحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، أما القعنبي فقال قرأت على مالك بن أنس وأما قتيبة فقال حدثنا مالك وقال يحيى - واللفظ له - قلت لمالك أحدثك ابن شهاب عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه مغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة . فقال " اقتلوه " . فقال مالك نعم .
সহিহ মুসলিম ৩২০০
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد الثقفي، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا معاوية بن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة - وقال قتيبة دخل يوم فتح مكة - وعليه عمامة سوداء بغير إحرام . وفي رواية قتيبة قال حدثنا أبو الزبير عن جابر .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় প্রবেশ করলেন। কুতায়বাহ (রহঃ) বলেন, “তিনি মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন ইহরামবিহীন অবস্থায় কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কায় প্রবেশ করেন। কুতায়বাহ্ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ রয়েছে যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৫, ই.সে. ৩১৭২)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় প্রবেশ করলেন। কুতায়বাহ (রহঃ) বলেন, “তিনি মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন ইহরামবিহীন অবস্থায় কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কায় প্রবেশ করেন। কুতায়বাহ্ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ রয়েছে যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৫, ই.সে. ৩১৭২)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد الثقفي، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا معاوية بن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة - وقال قتيبة دخل يوم فتح مكة - وعليه عمامة سوداء بغير إحرام . وفي رواية قتيبة قال حدثنا أبو الزبير عن جابر .
সহিহ মুসলিম ৩২০২
حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، قالا أخبرنا وكيع، عن مساور، الوراق عن جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس وعليه عمامة سوداء .
জা’ফার ইবনু আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথায় কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় লোকদের উদ্দেশ্যে (মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন) ভাষণ দেন। (ই.ফা. ৩১৭৭, ই.সে. ৩১৭৪)
জা’ফার ইবনু আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথায় কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় লোকদের উদ্দেশ্যে (মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন) ভাষণ দেন। (ই.ফা. ৩১৭৭, ই.সে. ৩১৭৪)
حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، قالا أخبرنا وكيع، عن مساور، الوراق عن جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس وعليه عمامة سوداء .
সহিহ মুসলিম ৩২০১
حدثنا علي بن حكيم الأودي، أخبرنا شريك، عن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم فتح مكة وعليه عمامة سوداء .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৬, ই.সে. ৩১৭৩)
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৬, ই.সে. ৩১৭৩)
حدثنا علي بن حكيم الأودي، أخبرنا شريك، عن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم فتح مكة وعليه عمامة سوداء .
সহিহ মুসলিম ৩২০৩
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، والحسن الحلواني، قالا حدثنا أبو أسامة، عن مساور الوراق، قال حدثني وفي، رواية الحلواني قال سمعت جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وعليه عمامة سوداء قد أرخى طرفيها بين كتفيه . ولم يقل أبو بكر على المنبر .
জা’ফার ইবনু ‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ)-এর পিতার সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর (উপবিস্ট) দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি পাগড়ীর দু’প্রান্ত কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনায় ‘মিম্বারের উপর’ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৭৮, ই.সে. ৩১৭৫)
জা’ফার ইবনু ‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ)-এর পিতার সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর (উপবিস্ট) দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি পাগড়ীর দু’প্রান্ত কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনায় ‘মিম্বারের উপর’ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৭৮, ই.সে. ৩১৭৫)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، والحسن الحلواني، قالا حدثنا أبو أسامة، عن مساور الوراق، قال حدثني وفي، رواية الحلواني قال سمعت جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وعليه عمامة سوداء قد أرخى طرفيها بين كتفيه . ولم يقل أبو بكر على المنبر .
সহিহ মুসলিম > মাদীনার ফাযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মাদীনার হারামের সীমা
সহিহ মুসলিম ৩২০৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد الدراوردي - عن عمرو بن يحيى المازني، عن عباد بن تميم، عن عمه عبد الله بن زيد بن عاصم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن إبراهيم حرم مكة ودعا لأهلها وإني حرمت المدينة كما حرم إبراهيم مكة وإني دعوت في صاعها ومدها بمثلى ما دعا به إبراهيم لأهل مكة " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আসিম থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারাম বানিয়েছেন এবং এখানকার বাসিন্দাদের জন্য দু’আ করেছেন। আর আমি নিশ্চয়ই মাদীনাকে হারামে পরিণত করলাম ঠিক যেভাবে ইবরাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন। আমি এখানকার মুদ্দ ও সা’ (ওজন পরিমাপের দু’টি একক) এর জন্য দু’আ করলাম যেরূপ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার অধিবাসীদের জন্য দু’আ করেছেন। (ই.ফা. ৩১৭৯, ই.সে. ৩১৭৬)
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আসিম থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারাম বানিয়েছেন এবং এখানকার বাসিন্দাদের জন্য দু’আ করেছেন। আর আমি নিশ্চয়ই মাদীনাকে হারামে পরিণত করলাম ঠিক যেভাবে ইবরাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন। আমি এখানকার মুদ্দ ও সা’ (ওজন পরিমাপের দু’টি একক) এর জন্য দু’আ করলাম যেরূপ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার অধিবাসীদের জন্য দু’আ করেছেন। (ই.ফা. ৩১৭৯, ই.সে. ৩১৭৬)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد الدراوردي - عن عمرو بن يحيى المازني، عن عباد بن تميم، عن عمه عبد الله بن زيد بن عاصم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن إبراهيم حرم مكة ودعا لأهلها وإني حرمت المدينة كما حرم إبراهيم مكة وإني دعوت في صاعها ومدها بمثلى ما دعا به إبراهيم لأهل مكة " .
সহিহ মুসলিম ৩২০৬
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن ابن الهاد، عن أبي، بكر بن محمد عن عبد الله بن عمرو بن عثمان، عن رافع بن خديج، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن إبراهيم حرم مكة وإني أحرم ما بين لابتيها " . يريد المدينة .
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন, আর আমি দু’টি কৃষ্ণ প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম ঘোষণা করছি। তিনি মাদীনাকে বুঝিয়েছেন। (ই.ফা. ৩১৮১, ই.সে. ৩১৭৮)
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কাকে হারামে পরিণত করেছেন, আর আমি দু’টি কৃষ্ণ প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম ঘোষণা করছি। তিনি মাদীনাকে বুঝিয়েছেন। (ই.ফা. ৩১৮১, ই.সে. ৩১৭৮)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر، - يعني ابن مضر - عن ابن الهاد، عن أبي، بكر بن محمد عن عبد الله بن عمرو بن عثمان، عن رافع بن خديج، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن إبراهيم حرم مكة وإني أحرم ما بين لابتيها " . يريد المدينة .
সহিহ মুসলিম ৩২০৭
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان بن بلال، عن عتبة بن مسلم، عن نافع بن جبير، أن مروان بن الحكم، خطب الناس فذكر مكة وأهلها وحرمتها ولم يذكر المدينة وأهلها وحرمتها فناداه رافع بن خديج فقال ما لي أسمعك ذكرت مكة وأهلها وحرمتها ولم تذكر المدينة وأهلها وحرمتها وقد حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها وذلك عندنا في أديم خولاني إن شئت أقرأتكه . قال فسكت مروان ثم قال قد سمعت بعض ذلك .
নাফি’ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ইবনু হাকাম লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি মাক্কাহ্ ও তার বাসিন্দা এবং এর হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করলেন। তখন রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) তাকে ডাক দিয়ে বললেন, কী ব্যাপার! আমি আপনাকে মাক্কাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করতে শুনছি, অথচ মাদীনাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে আপনি কিছুই বলেননি; অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এ হাদীস আমাদের নিকট একটি খাওলানী চামড়ায় লিপিবদ্ধ আছে। আপনি চাইলে আমি তা আপনার সামনে পড়ে শোনাতে পারি। রাবী বলেন, মারওয়ান চুপ হয়ে গেলেন, অতঃপর বললেন, অবশ্য আমিও এ রকম কিছু শুনেছি। (ই.ফা. ৩১৮২, ই.সে. ৩১৭৯)
নাফি’ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ইবনু হাকাম লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি মাক্কাহ্ ও তার বাসিন্দা এবং এর হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করলেন। তখন রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) তাকে ডাক দিয়ে বললেন, কী ব্যাপার! আমি আপনাকে মাক্কাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে উল্লেখ করতে শুনছি, অথচ মাদীনাহ্, তার অধিবাসী এবং তার হারামের মর্যাদা সম্পর্কে আপনি কিছুই বলেননি; অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর এ হাদীস আমাদের নিকট একটি খাওলানী চামড়ায় লিপিবদ্ধ আছে। আপনি চাইলে আমি তা আপনার সামনে পড়ে শোনাতে পারি। রাবী বলেন, মারওয়ান চুপ হয়ে গেলেন, অতঃপর বললেন, অবশ্য আমিও এ রকম কিছু শুনেছি। (ই.ফা. ৩১৮২, ই.সে. ৩১৭৯)
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان بن بلال، عن عتبة بن مسلم، عن نافع بن جبير، أن مروان بن الحكم، خطب الناس فذكر مكة وأهلها وحرمتها ولم يذكر المدينة وأهلها وحرمتها فناداه رافع بن خديج فقال ما لي أسمعك ذكرت مكة وأهلها وحرمتها ولم تذكر المدينة وأهلها وحرمتها وقد حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها وذلك عندنا في أديم خولاني إن شئت أقرأتكه . قال فسكت مروان ثم قال قد سمعت بعض ذلك .
সহিহ মুসলিম ৩২০৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، كلاهما عن أبي أحمد، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، - حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن إبراهيم حرم مكة وإني حرمت المدينة ما بين لابتيها لا يقطع عضاهها ولا يصاد صيدها " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার হারাম নির্ধারণ করেছেন, আর আমি মাদীনাকে হারাম বলে ঘোষণা করছি- এর দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে। অতএবং এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। (ই.ফা. ৩১৮৩, ই.সে. ৩১৮০)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) মাক্কার হারাম নির্ধারণ করেছেন, আর আমি মাদীনাকে হারাম বলে ঘোষণা করছি- এর দু’প্রান্তের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে। অতএবং এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। (ই.ফা. ৩১৮৩, ই.সে. ৩১৮০)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعمرو الناقد، كلاهما عن أبي أحمد، - قال أبو بكر حدثنا محمد بن عبد الله الأسدي، - حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " إن إبراهيم حرم مكة وإني حرمت المدينة ما بين لابتيها لا يقطع عضاهها ولا يصاد صيدها " .
সহিহ মুসলিম ৩২০৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني أحرم ما بين لابتى المدينة أن يقطع عضاهها أو يقتل صيدها - وقال - المدينة خير لهم لو كانوا يعلمون لا يدعها أحد رغبة عنها إلا أبدل الله فيها من هو خير منه ولا يثبت أحد على لأوائها وجهدها إلا كنت له شفيعا أو شهيدا يوم القيامة " .
‘আমির ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে হারাম বলে ঘোষণা দিচ্ছি। এখানকার কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, মাদীনাহ্ তার অধিবাসীদের জন্য কল্যাণকর স্থান, যদি তারা বুঝে। যে ব্যক্তি অনাগ্রহবশতঃ মাদীনাহ্ ত্যাগ করে, আল্লাহ তার চাইতে উত্তম ব্যক্তিকে তার স্থলবর্তী করেন। আর যে ব্যক্তি এখানে ক্ষুধা ও কষ্টের সময় ধৈর্যধারণ করে, আমি তার জন্য ক্বিয়ামাতের দিন শাফা’আতকারী অথবা বলেছেন, সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩১৮৪, ই.সে. ৩১৮১)
‘আমির ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশকে হারাম বলে ঘোষণা দিচ্ছি। এখানকার কাঁটাযুক্ত গাছও কাটা যাবে না এবং এখানকার জীবজন্তুও শিকার করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, মাদীনাহ্ তার অধিবাসীদের জন্য কল্যাণকর স্থান, যদি তারা বুঝে। যে ব্যক্তি অনাগ্রহবশতঃ মাদীনাহ্ ত্যাগ করে, আল্লাহ তার চাইতে উত্তম ব্যক্তিকে তার স্থলবর্তী করেন। আর যে ব্যক্তি এখানে ক্ষুধা ও কষ্টের সময় ধৈর্যধারণ করে, আমি তার জন্য ক্বিয়ামাতের দিন শাফা’আতকারী অথবা বলেছেন, সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩১৮৪, ই.সে. ৩১৮১)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا أبي، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثني عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني أحرم ما بين لابتى المدينة أن يقطع عضاهها أو يقتل صيدها - وقال - المدينة خير لهم لو كانوا يعلمون لا يدعها أحد رغبة عنها إلا أبدل الله فيها من هو خير منه ولا يثبت أحد على لأوائها وجهدها إلا كنت له شفيعا أو شهيدا يوم القيامة " .
সহিহ মুসলিম ৩২১০
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال . ثم ذكر مثل حديث ابن نمير وزاد في الحديث " ولا يريد أحد أهل المدينة بسوء إلا أذابه الله في النار ذوب الرصاص أو ذوب الملح في الماء " .
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তৎপরবর্তী অংশ উপরোক্ত ইবনু নুমায়রের অনুরূপ। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত আছে যে, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন] যে ব্যক্তিই মাদীনাবাসীদের ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করবে আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের আগুনে এমনভাবে বিগলিত করবেন, যেভাবে আগুনের তাপে সীসা গলে যায় অথবা লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৩১৮৫, ই.সে. ৩১৮২)
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তৎপরবর্তী অংশ উপরোক্ত ইবনু নুমায়রের অনুরূপ। তবে এ হাদীসে অতিরিক্ত আছে যে, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন] যে ব্যক্তিই মাদীনাবাসীদের ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করবে আল্লাহ তা’আলা তাকে জাহান্নামের আগুনে এমনভাবে বিগলিত করবেন, যেভাবে আগুনের তাপে সীসা গলে যায় অথবা লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। (ই.ফা. ৩১৮৫, ই.সে. ৩১৮২)
وحدثنا ابن أبي عمر، حدثنا مروان بن معاوية، حدثنا عثمان بن حكيم الأنصاري، أخبرني عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال . ثم ذكر مثل حديث ابن نمير وزاد في الحديث " ولا يريد أحد أهل المدينة بسوء إلا أذابه الله في النار ذوب الرصاص أو ذوب الملح في الماء " .
সহিহ মুসলিম ৩২১১
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، جميعا عن العقدي، - قال عبد أخبرنا عبد الملك بن عمرو، - حدثنا عبد الله بن جعفر، عن إسماعيل بن محمد، عن عامر بن، سعد أن سعدا، ركب إلى قصره بالعقيق فوجد عبدا يقطع شجرا أو يخبطه فسلبه فلما رجع سعد جاءه أهل العبد فكلموه أن يرد على غلامهم أو عليهم ما أخذ من غلامهم فقال معاذ الله أن أرد شيئا نفلنيه رسول الله صلى الله عليه وسلم . وأبى أن يرد عليهم .
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ (রাঃ) আল-‘আক্বীক্বে তার আবাসে রওনা হলেন। পথিমধ্যে তিনি একটি ক্রীতদাসকে একটি গাছ কাটতে অথবা (লাঠি দিয়ে) এর পাতা ঝরাতে দেখলেন। অতএব তিনি তার অস্ত্র কেড়ে নিলেন। তিনি ফিরে এলে ঐ গোলামের মনিব এসে তার সাথে আলাপ করলেন এবং তাদের গোলামের নিকট থেকে তিনি যা কেড়ে নিয়েছেন তা তাদের কাছে অথবা তাদের গোলামের কাছে ফেরত দিতে অনুরোধ করলেন। তিনি বললেন, যে জিনিস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে উপহার স্বরূপ দিয়েছেন তা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। অতএবং তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করলেন। (ই.ফা. ৩১৮৬, ই.সে. ৩১৮৩)
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ (রাঃ) আল-‘আক্বীক্বে তার আবাসে রওনা হলেন। পথিমধ্যে তিনি একটি ক্রীতদাসকে একটি গাছ কাটতে অথবা (লাঠি দিয়ে) এর পাতা ঝরাতে দেখলেন। অতএব তিনি তার অস্ত্র কেড়ে নিলেন। তিনি ফিরে এলে ঐ গোলামের মনিব এসে তার সাথে আলাপ করলেন এবং তাদের গোলামের নিকট থেকে তিনি যা কেড়ে নিয়েছেন তা তাদের কাছে অথবা তাদের গোলামের কাছে ফেরত দিতে অনুরোধ করলেন। তিনি বললেন, যে জিনিস রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে উপহার স্বরূপ দিয়েছেন তা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। অতএবং তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করলেন। (ই.ফা. ৩১৮৬, ই.সে. ৩১৮৩)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، وعبد بن حميد، جميعا عن العقدي، - قال عبد أخبرنا عبد الملك بن عمرو، - حدثنا عبد الله بن جعفر، عن إسماعيل بن محمد، عن عامر بن، سعد أن سعدا، ركب إلى قصره بالعقيق فوجد عبدا يقطع شجرا أو يخبطه فسلبه فلما رجع سعد جاءه أهل العبد فكلموه أن يرد على غلامهم أو عليهم ما أخذ من غلامهم فقال معاذ الله أن أرد شيئا نفلنيه رسول الله صلى الله عليه وسلم . وأبى أن يرد عليهم .
সহিহ মুসলিম ৩২১৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اللهم بارك لهم في مكيالهم وبارك لهم في صاعهم وبارك لهم في مدهم " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: হে আল্লাহ! তাদের বারাকাত দান করুন দাঁড়িপাল্লায়, তাদের সা’-এ এবং তাদের মুদ্দ-এ। (ই.ফা. ৩১৯১, ই.সে. ৩১৮৮)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: হে আল্লাহ! তাদের বারাকাত দান করুন দাঁড়িপাল্লায়, তাদের সা’-এ এবং তাদের মুদ্দ-এ। (ই.ফা. ৩১৯১, ই.সে. ৩১৮৮)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، فيما قرئ عليه عن إسحاق بن عبد، الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اللهم بارك لهم في مكيالهم وبارك لهم في صاعهم وبارك لهم في مدهم " .
সহিহ মুসলিম ৩২১২
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن جعفر، - أخبرني عمرو بن أبي عمرو، مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طلحة " التمس لي غلاما من غلمانكم يخدمني " . فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل وقال في الحديث ثم أقبل حتى إذا بدا له أحد قال " هذا جبل يحبنا ونحبه " . فلما أشرف على المدينة قال " اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به إبراهيم مكة اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم " .
‘আম্র ইবনু আবূ ‘আম্র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) কে বললেনঃ তোমাদের বালকদের মধ্য থেকে একজন বালক আমার খিদমাতের জন্য খুজে আন। অতএব আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) আমাকে বাহনে তাঁর পিছনে বসিয়ে রওনা হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই (বাহন থেকে) নামতেন, আমি তাঁর প্রয়োজনীয় সেবা করতাম। এ হাদীসে তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অগ্রসর হতে থাকলেন এবং উহুদ পাহাড় তাঁর দৃষ্টিগোচর হল- তিনি বললেনঃ “এ পাহাড় আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি”। তিনি যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন তখন বললেনঃ “হে আল্লাহ! তাদের (মাদীনার অধিবাসীদের) মুদ্দ ও সা’-এ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৮৭, ই.সে. ৩১৮৪)
‘আম্র ইবনু আবূ ‘আম্র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) কে বললেনঃ তোমাদের বালকদের মধ্য থেকে একজন বালক আমার খিদমাতের জন্য খুজে আন। অতএব আবূ ত্বল্হাহ্ (রাঃ) আমাকে বাহনে তাঁর পিছনে বসিয়ে রওনা হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখনই (বাহন থেকে) নামতেন, আমি তাঁর প্রয়োজনীয় সেবা করতাম। এ হাদীসে তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অগ্রসর হতে থাকলেন এবং উহুদ পাহাড় তাঁর দৃষ্টিগোচর হল- তিনি বললেনঃ “এ পাহাড় আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি”। তিনি যখন মাদীনার নিকটবর্তী হলেন তখন বললেনঃ “হে আল্লাহ! তাদের (মাদীনার অধিবাসীদের) মুদ্দ ও সা’-এ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৮৭, ই.সে. ৩১৮৪)
حدثنا يحيى بن أيوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر جميعا عن إسماعيل، - قال ابن أيوب حدثنا إسماعيل بن جعفر، - أخبرني عمرو بن أبي عمرو، مولى المطلب بن عبد الله بن حنطب أنه سمع أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبي طلحة " التمس لي غلاما من غلمانكم يخدمني " . فخرج بي أبو طلحة يردفني وراءه فكنت أخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم كلما نزل وقال في الحديث ثم أقبل حتى إذا بدا له أحد قال " هذا جبل يحبنا ونحبه " . فلما أشرف على المدينة قال " اللهم إني أحرم ما بين جبليها مثل ما حرم به إبراهيم مكة اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم " .
সহিহ মুসলিম ৩২১৭
وحدثني زهير بن حرب، وإبراهيم بن محمد السامي، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت يونس، يحدث عن الزهري، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اجعل بالمدينة ضعفى ما بمكة من البركة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : “হে আল্লাহ! আপনি মাক্কাতে বারাকাত দান করেছেন, মাদীনায় তার দ্বিগুণ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৯২, ই.সে. ৩১৮৯)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’আ করলেন : “হে আল্লাহ! আপনি মাক্কাতে বারাকাত দান করেছেন, মাদীনায় তার দ্বিগুণ বারাকাত দান করুন”। (ই.ফা. ৩১৯২, ই.সে. ৩১৮৯)
وحدثني زهير بن حرب، وإبراهيم بن محمد السامي، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت يونس، يحدث عن الزهري، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اجعل بالمدينة ضعفى ما بمكة من البركة " .
সহিহ মুসলিম ৩২২১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي الجعفي، عن زائدة، عن سليمان، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المدينة حرم فمن أحدث فيها حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة عدل ولا صرف " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনাহ্ হারাম। অতএব, যে এখানে কোন পাপে লিপ্ত হয় অথবা কোন পাপীকে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল (কিছুই) কবূল করা হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৬, ই.সে. ৩১৯৩)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনাহ্ হারাম। অতএব, যে এখানে কোন পাপে লিপ্ত হয় অথবা কোন পাপীকে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল (কিছুই) কবূল করা হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৬, ই.সে. ৩১৯৩)
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي الجعفي، عن زائدة، عن سليمان، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المدينة حرم فمن أحدث فيها حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة عدل ولا صرف " .
সহিহ মুসলিম ৩২২৩
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه كان يقول لو رأيت الظباء ترتع بالمدينة ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بين لابتيها حرام " .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি মাদীনায় হরিণ বিচরণ করতে দেখি তবে তাকে ভয় দেখাব না। (কেননা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম। (ই.ফা. ৩১৯৮, ই.সে. ৩১৯৫)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি মাদীনায় হরিণ বিচরণ করতে দেখি তবে তাকে ভয় দেখাব না। (কেননা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাদীনার দু’ পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম। (ই.ফা. ৩১৯৮, ই.সে. ৩১৯৫)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرأت على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أنه كان يقول لو رأيت الظباء ترتع بالمدينة ما ذعرتها قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما بين لابتيها حرام " .
সহিহ মুসলিম ৩২২৪
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال إسحاق أخبرنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتى المدينة . قال أبو هريرة فلو وجدت الظباء ما بين لابتيها ما ذعرتها . وجعل اثنى عشر ميلا حول المدينة حمى .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম ঘোষণা করেছেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি যদি মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশে হরিণ বিচরণ করতে দেখি, তবে আমি তাকে উত্যক্ত করব না এবং তিনি মাদীনার চারপাশের বারো মাইল পর্যন্ত চরণভূমি ঘোষণা করেছেন। (ই.ফা. ৩১৯৯, ই.সে. ৩১৯৬)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশ হারাম ঘোষণা করেছেন। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি যদি মাদীনার দু’পার্শ্বের কঙ্করময় মাঠের মধ্যবর্তী অংশে হরিণ বিচরণ করতে দেখি, তবে আমি তাকে উত্যক্ত করব না এবং তিনি মাদীনার চারপাশের বারো মাইল পর্যন্ত চরণভূমি ঘোষণা করেছেন। (ই.ফা. ৩১৯৯, ই.সে. ৩১৯৬)
وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال إسحاق أخبرنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتى المدينة . قال أبو هريرة فلو وجدت الظباء ما بين لابتيها ما ذعرتها . وجعل اثنى عشر ميلا حول المدينة حمى .
সহিহ মুসলিম ৩২২৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، - فيما قرئ عليه - عن سهيل بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه قال كان الناس إذا رأوا أول الثمر جاءوا به إلى النبي صلى الله عليه وسلم فإذا أخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اللهم بارك لنا في ثمرنا وبارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في صاعنا وبارك لنا في مدنا اللهم إن إبراهيم عبدك وخليلك ونبيك وإني عبدك ونبيك وإنه دعاك لمكة وإني أدعوك للمدينة بمثل ما دعاك لمكة ومثله معه " . قال ثم يدعو أصغر وليد له فيعطيه ذلك الثمر.
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা যখন প্রথম (পাকা) ফল দেখতে পেত, তা নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসত এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তা গ্রহণ করতেন তখন তিনি নিম্নোক্ত দু’আ পড়তেন : “হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে) বারাকাত দান করুন, আমাদের মাদীনায় বারাকাত দান করুন, আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন এবং আমাদের মুদ্দ-এ বারাকাত দান করুন। হে আল্লাহ! নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) আপনার বান্দা, প্রিয় বন্ধু ও নবী। আর আমিও আপনার বান্দা ও নবী। তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছেন। আমিও আপনার নিকট মাদীনার জন্য দু’আ করছি- যেমন তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছিলেন এবং তার সাথে অনুরূপ আরও কিছু”। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি কোন শিশুকে ডাকতেন এবং তাকে এ ফল দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০০, ই.সে. ৩১৯৭)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, লোকেরা যখন প্রথম (পাকা) ফল দেখতে পেত, তা নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসত এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তা গ্রহণ করতেন তখন তিনি নিম্নোক্ত দু’আ পড়তেন : “হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে) বারাকাত দান করুন, আমাদের মাদীনায় বারাকাত দান করুন, আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন এবং আমাদের মুদ্দ-এ বারাকাত দান করুন। হে আল্লাহ! নিশ্চয় ইব্রাহীম (‘আঃ) আপনার বান্দা, প্রিয় বন্ধু ও নবী। আর আমিও আপনার বান্দা ও নবী। তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছেন। আমিও আপনার নিকট মাদীনার জন্য দু’আ করছি- যেমন তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু’আ করেছিলেন এবং তার সাথে অনুরূপ আরও কিছু”। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি কোন শিশুকে ডাকতেন এবং তাকে এ ফল দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০০, ই.সে. ৩১৯৭)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن أنس، - فيما قرئ عليه - عن سهيل بن، أبي صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه قال كان الناس إذا رأوا أول الثمر جاءوا به إلى النبي صلى الله عليه وسلم فإذا أخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اللهم بارك لنا في ثمرنا وبارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في صاعنا وبارك لنا في مدنا اللهم إن إبراهيم عبدك وخليلك ونبيك وإني عبدك ونبيك وإنه دعاك لمكة وإني أدعوك للمدينة بمثل ما دعاك لمكة ومثله معه " . قال ثم يدعو أصغر وليد له فيعطيه ذلك الثمر.
সহিহ মুসলিম ৩২২৬
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن محمد المدني، عن سهيل بن أبي، صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يؤتى بأول الثمر فيقول " اللهم بارك لنا في مدينتنا وفي ثمارنا وفي مدنا وفي صاعنا بركة مع بركة " . ثم يعطيه أصغر من يحضره من الولدان .
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মৌসুমের প্রথম ফল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেয়া হত। তিনি তখন বলতেন : “হে আল্লাহ! আমাদের মাদীনায়, আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে), আমাদের মুদ্দ-এ ও আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন, বারাকাতের উপর বারাকাত দান করুন”। অতঃপর তিনি ফলটি তাঁর নিকট উপস্থিত সবচেয়ে শিশুকে দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০১, ই.সে. ৩১৯৮)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মৌসুমের প্রথম ফল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেয়া হত। তিনি তখন বলতেন : “হে আল্লাহ! আমাদের মাদীনায়, আমাদের ফলে (বা উৎপন্ন ফসলে), আমাদের মুদ্দ-এ ও আমাদের সা’-এ বারাকাত দান করুন, বারাকাতের উপর বারাকাত দান করুন”। অতঃপর তিনি ফলটি তাঁর নিকট উপস্থিত সবচেয়ে শিশুকে দিয়ে দিতেন। (ই.ফা. ৩২০১, ই.সে. ৩১৯৮)
حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا عبد العزيز بن محمد المدني، عن سهيل بن أبي، صالح عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يؤتى بأول الثمر فيقول " اللهم بارك لنا في مدينتنا وفي ثمارنا وفي مدنا وفي صاعنا بركة مع بركة " . ثم يعطيه أصغر من يحضره من الولدان .
সহিহ মুসলিম ৩২১৩
وحدثناه سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن عمرو بن أبي عمرو، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أنه قال " إني أحرم ما بين لابتيها " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূ্ত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি মাদীনার দু’ প্রান্তের কংকরময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম করছি।” (ই.ফা. ৩১৮৮, ই.সে. ৩১৮৫)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূ্ত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “আমি মাদীনার দু’ প্রান্তের কংকরময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম করছি।” (ই.ফা. ৩১৮৮, ই.সে. ৩১৮৫)
وحدثناه سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن عبد الرحمن القاري - عن عمرو بن أبي عمرو، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير أنه قال " إني أحرم ما بين لابتيها " .
সহিহ মুসলিম ৩২১৯
وحدثني علي بن حجر السعدي، أخبرنا علي بن مسهر، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، جميعا عن الأعمش، بهذا الإسناد . نحو حديث أبي كريب عن أبي، معاوية إلى آخره وزاد في الحديث " فمن أخفر مسلما فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة صرف ولا عدل " . وليس في حديثهما " من ادعى إلى غير أبيه " . وليس في رواية وكيع ذكر يوم القيامة .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে উল্লেখ আছে “যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে (নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর) বিশ্বাসঘাতকতা করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নাফল কোন ‘ইবাদাতই কবূল করা হবে না। তাদের (‘আলী ও ওয়াকী’) উভয়ের বর্ণনায় “যে ব্যক্তি নিজ পিতৃ পরিচয়ের পরিবর্তে অন্য পিতৃ পরিচয়ের দাবী করে” কথাটুকুর উল্লেখ এবং ওয়াকী’র বর্ণনায় “ক্বিয়ামাতের দিন” কথাটুকুর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৯৪, ই.সে. ৩১৯১)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে উল্লেখ আছে “যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে (নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর) বিশ্বাসঘাতকতা করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নাফল কোন ‘ইবাদাতই কবূল করা হবে না। তাদের (‘আলী ও ওয়াকী’) উভয়ের বর্ণনায় “যে ব্যক্তি নিজ পিতৃ পরিচয়ের পরিবর্তে অন্য পিতৃ পরিচয়ের দাবী করে” কথাটুকুর উল্লেখ এবং ওয়াকী’র বর্ণনায় “ক্বিয়ামাতের দিন” কথাটুকুর উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৯৪, ই.সে. ৩১৯১)
وحدثني علي بن حجر السعدي، أخبرنا علي بن مسهر، ح وحدثني أبو سعيد، الأشج حدثنا وكيع، جميعا عن الأعمش، بهذا الإسناد . نحو حديث أبي كريب عن أبي، معاوية إلى آخره وزاد في الحديث " فمن أخفر مسلما فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة صرف ولا عدل " . وليس في حديثهما " من ادعى إلى غير أبيه " . وليس في رواية وكيع ذكر يوم القيامة .
সহিহ মুসলিম ৩২০৫
وحدثنيه أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد العزيز يعني ابن المختار، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان بن بلال، ح وحدثناه إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا المخزومي، حدثنا وهيب، كلهم عن عمرو بن يحيى، - هو المازني - بهذا الإسناد أما حديث وهيب فكرواية الدراوردي " بمثلى ما دعا به إبراهيم " . وأما سليمان بن بلال وعبد العزيز بن المختار ففي روايتهما " مثل ما دعا به إبراهيم ".
‘আমর ইবনু ইয়াহ্ইয়া আল মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৮০, ই.সে. ৩১৭৭)
‘আমর ইবনু ইয়াহ্ইয়া আল মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৮০, ই.সে. ৩১৭৭)
وحدثنيه أبو كامل الجحدري، حدثنا عبد العزيز يعني ابن المختار، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان بن بلال، ح وحدثناه إسحاق، بن إبراهيم أخبرنا المخزومي، حدثنا وهيب، كلهم عن عمرو بن يحيى، - هو المازني - بهذا الإسناد أما حديث وهيب فكرواية الدراوردي " بمثلى ما دعا به إبراهيم " . وأما سليمان بن بلال وعبد العزيز بن المختار ففي روايتهما " مثل ما دعا به إبراهيم ".
সহিহ মুসলিম ৩২১৪
وحدثناه حامد بن عمر، حدثنا عبد الواحد، حدثنا عاصم، قال قلت لأنس بن مالك أحرم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة قال نعم ما بين كذا إلى كذا فمن أحدث فيها حدثا - قال - ثم قال لي هذه شديدة " من أحدث فيها حدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا " . قال فقال ابن أنس أو آوى محدثا .
‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখান থেকে ওখানের মধ্যবর্তী স্থান। অতএব যে ব্যক্তি এখানে কোন পাপ করে, তিনি পুণরায় আমাকে বললেন, তা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার যে, এখানে কোন পাপ করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা তাঁর ফরয অথবা নফল কোন ‘ইবাদাতই কবুল করবেন না। [৩৮] রাবী বলেন, আনাস (রাঃ)-এর পুত্র বললেন, “অথবা যে কোন পাপীকে আশ্রয় দিল”। (ই.ফা. ৩১৮৯, ই.সে. ৩১৮৬)
‘আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখান থেকে ওখানের মধ্যবর্তী স্থান। অতএব যে ব্যক্তি এখানে কোন পাপ করে, তিনি পুণরায় আমাকে বললেন, তা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার যে, এখানে কোন পাপ করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তা’আলা তাঁর ফরয অথবা নফল কোন ‘ইবাদাতই কবুল করবেন না। [৩৮] রাবী বলেন, আনাস (রাঃ)-এর পুত্র বললেন, “অথবা যে কোন পাপীকে আশ্রয় দিল”। (ই.ফা. ৩১৮৯, ই.সে. ৩১৮৬)
وحدثناه حامد بن عمر، حدثنا عبد الواحد، حدثنا عاصم، قال قلت لأنس بن مالك أحرم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة قال نعم ما بين كذا إلى كذا فمن أحدث فيها حدثا - قال - ثم قال لي هذه شديدة " من أحدث فيها حدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا " . قال فقال ابن أنس أو آوى محدثا .
সহিহ মুসলিম ৩২১৮
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - قال أبو كريب حدثنا أبو معاوية، - حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال خطبنا علي بن أبي طالب فقال من زعم أن عندنا، شيئا نقرأه إلا كتاب الله وهذه الصحيفة - قال وصحيفة معلقة في قراب سيفه - فقد كذب فيها أسنان الإبل وأشياء من الجراحات وفيها قال النبي صلى الله تعالى عليه وسلم " المدينة حرم ما بين عير إلى ثور فمن أحدث فيها حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا وذمة المسلمين واحدة يسعى بها أدناهم ومن ادعى إلى غير أبيه أو انتمى إلى غير مواليه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا " . وانتهى حديث أبي بكر وزهير عند قوله " يسعى بها أدناهم " . ولم يذكرا ما بعده وليس في حديثهما معلقة في قراب سيفه .
ইব্রাহীম আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আমাদের (আহলে বায়ত) কাছে আল্লাহ্র কিতাব ছাড়া যা আমরা পাঠ করি এবং এ সহীফাহ্ রাবী বলেন, অর্থাৎ ঐ সহীফাহ্ যা তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত ছিল তা ছাড়া কিছু আছে, সে মিথ্যা বলে। এ সহীফায় উটের বয়স [৩৯] এবং কিছু যখমের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে আরও ছিল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনার ‘আয়র ও সাওর এর মধ্যবর্তী স্থান হারাম। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতী কর্মে লিপ্ত হয় অথবা কোন বিদ্’আতীতে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তার কোন ফারয ও নফল ‘ইবাদাত কবূল করবেন না। মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকর। যে অন্য পিতার সাথে নিজ বংশ দাবী করে অথবা নিজ মুনীবের পরিবর্তে অন্য মুনীবের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। আল্লাহ তা’আলা ক্বিয়ামাতরে দিন তার ফরয বা নফল কোন ‘ইবাদাতই গ্রহণ করবেন না। রাবী বলেন, আবূ বকর ও যুহায়রের হাদীস শেষ হয়ে গেছে “তাদের নিন্মস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকরী” এ কথা পর্যন্ত। তারা এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি। তাদের উভয়ের বর্ণনায় “তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত” কথাটুকু উল্লেখিত হয়নি। (ই.ফা. ৩১৯৩, ই.সে. ৩১৯০)
ইব্রাহীম আত্ তায়মী (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আমাদের (আহলে বায়ত) কাছে আল্লাহ্র কিতাব ছাড়া যা আমরা পাঠ করি এবং এ সহীফাহ্ রাবী বলেন, অর্থাৎ ঐ সহীফাহ্ যা তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত ছিল তা ছাড়া কিছু আছে, সে মিথ্যা বলে। এ সহীফায় উটের বয়স [৩৯] এবং কিছু যখমের বর্ণনা ছিল। এর মধ্যে আরও ছিল, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মাদীনার ‘আয়র ও সাওর এর মধ্যবর্তী স্থান হারাম। এখানে যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতী কর্মে লিপ্ত হয় অথবা কোন বিদ্’আতীতে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকার ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তার কোন ফারয ও নফল ‘ইবাদাত কবূল করবেন না। মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকর। যে অন্য পিতার সাথে নিজ বংশ দাবী করে অথবা নিজ মুনীবের পরিবর্তে অন্য মুনীবের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। আল্লাহ তা’আলা ক্বিয়ামাতরে দিন তার ফরয বা নফল কোন ‘ইবাদাতই গ্রহণ করবেন না। রাবী বলেন, আবূ বকর ও যুহায়রের হাদীস শেষ হয়ে গেছে “তাদের নিন্মস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকরী” এ কথা পর্যন্ত। তারা এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি। তাদের উভয়ের বর্ণনায় “তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত” কথাটুকু উল্লেখিত হয়নি। (ই.ফা. ৩১৯৩, ই.সে. ৩১৯০)
وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، وأبو كريب جميعا عن أبي معاوية، - قال أبو كريب حدثنا أبو معاوية، - حدثنا الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، قال خطبنا علي بن أبي طالب فقال من زعم أن عندنا، شيئا نقرأه إلا كتاب الله وهذه الصحيفة - قال وصحيفة معلقة في قراب سيفه - فقد كذب فيها أسنان الإبل وأشياء من الجراحات وفيها قال النبي صلى الله تعالى عليه وسلم " المدينة حرم ما بين عير إلى ثور فمن أحدث فيها حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا وذمة المسلمين واحدة يسعى بها أدناهم ومن ادعى إلى غير أبيه أو انتمى إلى غير مواليه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل الله منه يوم القيامة صرفا ولا عدلا " . وانتهى حديث أبي بكر وزهير عند قوله " يسعى بها أدناهم " . ولم يذكرا ما بعده وليس في حديثهما معلقة في قراب سيفه .
সহিহ মুসলিম ৩২১৫
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم الأحول، قال سألت أنسا أحرم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة قال نعم هي حرام لا يختلى خلاها فمن فعل ذلك فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين .
‘আসিম আল আহওয়ার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ, তা হারাম। অতএব এখানকার উদ্ভিদ উপড়ানো যাবে না। যে বক্তি তা করবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। (ই.ফা. ৩১৯০, ই.সে. ৩১৮৭)
‘আসিম আল আহওয়ার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি মাদীনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন হ্যাঁ, তা হারাম। অতএব এখানকার উদ্ভিদ উপড়ানো যাবে না। যে বক্তি তা করবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালাক্ব এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। (ই.ফা. ৩১৯০, ই.সে. ৩১৮৭)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عاصم الأحول، قال سألت أنسا أحرم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة قال نعم هي حرام لا يختلى خلاها فمن فعل ذلك فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين .
সহিহ মুসলিম ৩২২০
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد نحو حديث ابن مسهر ووكيع إلا قوله " من تولى غير مواليه " وذكر اللعنة له .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূ্ত্রে ইবনু মুসহির ও ওয়াকী’র হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এদের বর্ণনায় “গোলাম নিজের মুনীবের পরিবর্তে অন্যকে নিজের মুনীব বলে পরিচয় দেয়” কথাটুকু নেই। আর তার প্রতি লা’নাতের কথা উল্লেখিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৯৫, ই.সে. ৩১৯২)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূ্ত্রে ইবনু মুসহির ও ওয়াকী’র হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এদের বর্ণনায় “গোলাম নিজের মুনীবের পরিবর্তে অন্যকে নিজের মুনীব বলে পরিচয় দেয়” কথাটুকু নেই। আর তার প্রতি লা’নাতের কথা উল্লেখিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৯৫, ই.সে. ৩১৯২)
وحدثني عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، قالا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد نحو حديث ابن مسهر ووكيع إلا قوله " من تولى غير مواليه " وذكر اللعنة له .
সহিহ মুসলিম ৩২২২
وحدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، حدثني أبو النضر، حدثني عبيد الله، الأشجعي عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد . مثله ولم يقل " يوم القيامة " وزاد " وذمة المسلمين واحدة يسعى بها أدناهم فمن أخفر مسلما فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة عدل ولا صرف " .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি ‘ক্বিয়ামাতের দিন’ কথাটুকু বলেননি। তিনি বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন, “মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তা ও কার্যকর। কেউ যদি মুসলিম প্রদত্ত নিরাপত্তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল কিছুই কবূল হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৭, ই.সে. ৩১৯৪)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি ‘ক্বিয়ামাতের দিন’ কথাটুকু বলেননি। তিনি বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন, “মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তা ও কার্যকর। কেউ যদি মুসলিম প্রদত্ত নিরাপত্তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে তবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর মালায়িকাহ্ এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। ক্বিয়ামাতের দিন তার ফারয বা নফল কিছুই কবূল হবে না। (ই.ফা. ৩১৯৭, ই.সে. ৩১৯৪)
وحدثنا أبو بكر بن النضر بن أبي النضر، حدثني أبو النضر، حدثني عبيد الله، الأشجعي عن سفيان، عن الأعمش، بهذا الإسناد . مثله ولم يقل " يوم القيامة " وزاد " وذمة المسلمين واحدة يسعى بها أدناهم فمن أخفر مسلما فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه يوم القيامة عدل ولا صرف " .