সহিহ মুসলিম > হাজ্জ ও ‘উমরাহ্ সমাপনান্তে মুহাজিরগণের মাক্কায় অনধিক তিনদিন অবস্থান জায়িয

সহিহ মুসলিম ৩১৯১

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، وأملاه، علينا إملاء أخبرني إسماعيل بن محمد بن سعد، أن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أخبره أن السائب بن يزيد أخبره أن العلاء بن الحضرمي أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ مكث المهاجر بمكة بعد قضاء نسكه ثلاث ‏"‏ ‏.

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি শেষ করার পর মুহাজিরগণ মাক্কায় তিনদিন অবস্থান করতে পারবে। (ই.ফা. ৩১৬৬, ই.সে. ৩১৬৩)

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি শেষ করার পর মুহাজিরগণ মাক্কায় তিনদিন অবস্থান করতে পারবে। (ই.ফা. ৩১৬৬, ই.সে. ৩১৬৩)

وحدثنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، وأملاه، علينا إملاء أخبرني إسماعيل بن محمد بن سعد، أن حميد بن عبد الرحمن بن عوف، أخبره أن السائب بن يزيد أخبره أن العلاء بن الحضرمي أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ مكث المهاجر بمكة بعد قضاء نسكه ثلاث ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৮৮

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن عبد الرحمن بن حميد، أنه سمع عمر بن عبد العزيز، يسأل السائب بن يزيد يقول هل سمعت في الإقامة، بمكة شيئا فقال السائب سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ للمهاجر إقامة ثلاث بعد الصدر بمكة ‏"‏ ‏.‏ كأنه يقول لا يزيد عليها ‏.

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাজ্জ সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে মুহাজিরগণ তিনদিন মাক্কায় অবস্থান করবে। তিনি যেন এ বাক্যের দ্বারা তিন দিনের অধিক না হবার কথা বলেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৩, ই.সে. ৩১৬০)

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, হাজ্জ সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে মুহাজিরগণ তিনদিন মাক্কায় অবস্থান করবে। তিনি যেন এ বাক্যের দ্বারা তিন দিনের অধিক না হবার কথা বলেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৩, ই.সে. ৩১৬০)

حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن عبد الرحمن بن حميد، أنه سمع عمر بن عبد العزيز، يسأل السائب بن يزيد يقول هل سمعت في الإقامة، بمكة شيئا فقال السائب سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ للمهاجر إقامة ثلاث بعد الصدر بمكة ‏"‏ ‏.‏ كأنه يقول لا يزيد عليها ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৮৯

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا سفيان بن عيينة، عن عبد الرحمن بن حميد، قال سمعت عمر بن عبد العزيز، يقول لجلسائه ما سمعتم في، سكنى مكة فقال السائب بن يزيد سمعت العلاء، - أو قال العلاء بن الحضرمي - قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يقيم المهاجر بمكة بعد قضاء نسكه ثلاثا ‏"‏ ‏.

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহাজিরগণ হাজ্জ সমাপনান্তে মাক্কায় তিনদিন অবস্থান করতে পারবে। (ই.ফা. ৩১৬৪, ই.সে. ৩১৬১)

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহাজিরগণ হাজ্জ সমাপনান্তে মাক্কায় তিনদিন অবস্থান করতে পারবে। (ই.ফা. ৩১৬৪, ই.সে. ৩১৬১)

حدثنا يحيى بن يحيى، أخبرنا سفيان بن عيينة، عن عبد الرحمن بن حميد، قال سمعت عمر بن عبد العزيز، يقول لجلسائه ما سمعتم في، سكنى مكة فقال السائب بن يزيد سمعت العلاء، - أو قال العلاء بن الحضرمي - قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يقيم المهاجر بمكة بعد قضاء نسكه ثلاثا ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯০

وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن عبد الرحمن بن حميد، أنه سمع عمر بن عبد العزيز، يسأل السائب بن يزيد فقال السائب سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ثلاث ليال يمكثهن المهاجر بمكة بعد الصدر ‏"‏ ‏.

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : হাজ্জ সমাপনান্তে মুহাজিরগণ তিন রাত মাক্কায় অবস্থান করবে। (ই.ফা. ৩১৬৫, ই.সে. ৩১৬২)

‘আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : হাজ্জ সমাপনান্তে মুহাজিরগণ তিন রাত মাক্কায় অবস্থান করবে। (ই.ফা. ৩১৬৫, ই.সে. ৩১৬২)

وحدثنا حسن الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن إبراهيم بن سعد، حدثنا أبي، عن صالح، عن عبد الرحمن بن حميد، أنه سمع عمر بن عبد العزيز، يسأل السائب بن يزيد فقال السائب سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ثلاث ليال يمكثهن المهاجر بمكة بعد الصدر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯২

وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৬৭, ই.সে. ৩১৬৪)

ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩১৬৭, ই.সে. ৩১৬৪)

وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا الضحاك بن مخلد، أخبرنا ابن جريج، بهذا الإسناد مثله ‏.


সহিহ মুসলিম > মাক্কার হারামে হওয়া, হারামের অভ্যন্তরে ও উপকণ্ঠে শিকার কার্য চিরস্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ, এখানকার গাছপালা উপড়ানো ও ঘাস কাটা নিষেধ

সহিহ মুসলিম ৩১৯৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فتح مكة ‏"‏ لا هجرة ولكن جهاد ونية وإذا استنفرتم فانفروا ‏"‏ ‏.‏ وقال يوم الفتح فتح مكة ‏"‏ إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي ولم يحل لي إلا ساعة من نهار فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة لا يعضد شوكه ولا ينفر صيده ولا يلتقط إلا من عرفها ولا يختلى خلاها ‏"‏ ‏.‏ فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقينهم ولبيوتهم ‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন বলেছেনঃ হিজরাতের আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত অব্যাহত থাকবে। তোমাদেরকে যখন জিহাদের আহ্বান জানানো হয় তখন জিহাদে যোগদান কর। মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা’আলা এ শহরকে সম্মানিত করেছেন- যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকে। অতএব ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা এ শহরের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তিনি এ শহরে আমার পূর্বে আর কারও জন্য যুদ্ধ বৈধ করেননি। আমার জন্য মাত্র এক দিনের কিছু সময় তিনি এখানে যুদ্ধ বৈধ করেছিলেন। অতএব তথায় যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম। আল্লাহ তা’আলা কর্তৃক ক্বিয়ামাত পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার কারণে এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছ উপড়ানো যাবে না, এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কিন্তু ইয্খির (লম্বা ঘাস) সম্পর্কে (অনুমতি দিন)। কারণ তা স্বর্ণকার ও তাদের ঘরের কাজে লাগে। তিনি বললেন, কিন্তু ইযখির (তোলার অনুমতি দেয়া হল)। (ই.ফা. ৩১৬৮, ই.সে. ৩১৬৫)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন বলেছেনঃ হিজরাতের আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত অব্যাহত থাকবে। তোমাদেরকে যখন জিহাদের আহ্বান জানানো হয় তখন জিহাদে যোগদান কর। মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা’আলা এ শহরকে সম্মানিত করেছেন- যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকে। অতএব ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা এ শহরের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তিনি এ শহরে আমার পূর্বে আর কারও জন্য যুদ্ধ বৈধ করেননি। আমার জন্য মাত্র এক দিনের কিছু সময় তিনি এখানে যুদ্ধ বৈধ করেছিলেন। অতএব তথায় যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম। আল্লাহ তা’আলা কর্তৃক ক্বিয়ামাত পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার কারণে এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছ উপড়ানো যাবে না, এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কিন্তু ইয্খির (লম্বা ঘাস) সম্পর্কে (অনুমতি দিন)। কারণ তা স্বর্ণকার ও তাদের ঘরের কাজে লাগে। তিনি বললেন, কিন্তু ইযখির (তোলার অনুমতি দেয়া হল)। (ই.ফা. ৩১৬৮, ই.সে. ৩১৬৫)

حدثنا إسحاق بن إبراهيم الحنظلي، أخبرنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فتح مكة ‏"‏ لا هجرة ولكن جهاد ونية وإذا استنفرتم فانفروا ‏"‏ ‏.‏ وقال يوم الفتح فتح مكة ‏"‏ إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السموات والأرض فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة وإنه لم يحل القتال فيه لأحد قبلي ولم يحل لي إلا ساعة من نهار فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة لا يعضد شوكه ولا ينفر صيده ولا يلتقط إلا من عرفها ولا يختلى خلاها ‏"‏ ‏.‏ فقال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقينهم ولبيوتهم ‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح سمعته أذناى ووعاه قلبي وأبصرته عيناى حين تكلم به أنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏ "‏ إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرة فإن أحد ترخص بقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب ‏"‏ ‏.‏ فقيل لأبي شريح ما قال لك عمرو قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة ‏.

আবূ শুরায়হ আল ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আম্‌র ইবনু সা’ঈদ (ইবনুল ‘আস ইবনু উমাইয়্যাহ্) যখন মাক্কাহ অভিযানের উদ্দেশে সৈন্য বাহিনীসহ রওনা করেন তখন আবূ শুরায়হ (রাঃ) তাকে বলেন, হে আমীর! আমাকে অনুমতি দিন একটি কথা বলতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সকাল বেলা দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- যা আমার দু’কান শুনেছে, আমার অন্তর সংরক্ষণ করেছে এবং উভয় চোখ সে দৃশ্য দেখেছে। যখন তিনি তা বলেছিলেন, প্রথমে তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চয়ই মাক্কাকে আল্লাহ তা’আলা হারামে পরিণত করেছেন- কোন মানুষ তাকে হারামের মর্যাদায় উন্নীত করেনি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে- তার পক্ষে সেখানে রক্ত প্রবাহিত করা বা সেখানকার কোন গাছ উপড়ানো হালাল নয়। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর রসূলের উদাহরণ পেশ করে এখানে রক্তপাত বৈধ করতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এজন্য অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তোমাদের জন্য কখনও অনুমতি দেননি। আর আমার জন্য তিনি তাও এক দিনের সামান্য সময় সেখানে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন। আজকে তার সে হুরমাত (মর্যাদা) গতকালের মতো পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত লোকেরা যেন (এ কথা) অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল- ‘আম্‌র আপনাকে কী জবাব দিল? তিনি বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! এ সম্পর্কে আমি আপনারে চেয়ে অধিক জ্ঞাত আছি। নিশ্চয়ই হারাম (কা’বাহ্) কোন পাপীকে, কোন হত্যাকারীকে এবং কোন অনিষ্টকারীকে আশ্রয় দেয় না। (ই.ফা. ৩১৭০, ই.সে. ৩১৬৭)

আবূ শুরায়হ আল ‘আদাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আম্‌র ইবনু সা’ঈদ (ইবনুল ‘আস ইবনু উমাইয়্যাহ্) যখন মাক্কাহ অভিযানের উদ্দেশে সৈন্য বাহিনীসহ রওনা করেন তখন আবূ শুরায়হ (রাঃ) তাকে বলেন, হে আমীর! আমাকে অনুমতি দিন একটি কথা বলতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সকাল বেলা দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- যা আমার দু’কান শুনেছে, আমার অন্তর সংরক্ষণ করেছে এবং উভয় চোখ সে দৃশ্য দেখেছে। যখন তিনি তা বলেছিলেন, প্রথমে তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চয়ই মাক্কাকে আল্লাহ তা’আলা হারামে পরিণত করেছেন- কোন মানুষ তাকে হারামের মর্যাদায় উন্নীত করেনি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে- তার পক্ষে সেখানে রক্ত প্রবাহিত করা বা সেখানকার কোন গাছ উপড়ানো হালাল নয়। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর রসূলের উদাহরণ পেশ করে এখানে রক্তপাত বৈধ করতে চায় তবে তোমরা তাকে বলে দিও, আল্লাহ তা’আলা তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এজন্য অনুমতি দিয়েছিলেন এবং তোমাদের জন্য কখনও অনুমতি দেননি। আর আমার জন্য তিনি তাও এক দিনের সামান্য সময় সেখানে যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলেন। আজকে তার সে হুরমাত (মর্যাদা) গতকালের মতো পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত লোকেরা যেন (এ কথা) অনুপস্থিতদের নিকট পৌঁছে দেয়। আবূ শুরায়হ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল- ‘আম্‌র আপনাকে কী জবাব দিল? তিনি বললেন, হে আবূ শুরায়হ্! এ সম্পর্কে আমি আপনারে চেয়ে অধিক জ্ঞাত আছি। নিশ্চয়ই হারাম (কা’বাহ্) কোন পাপীকে, কোন হত্যাকারীকে এবং কোন অনিষ্টকারীকে আশ্রয় দেয় না। (ই.ফা. ৩১৭০, ই.সে. ৩১৬৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي شريح العدوي، أنه قال لعمرو بن سعيد وهو يبعث البعوث إلى مكة ائذن لي أيها الأمير أحدثك قولا قام به رسول الله صلى الله عليه وسلم الغد من يوم الفتح سمعته أذناى ووعاه قلبي وأبصرته عيناى حين تكلم به أنه حمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏ "‏ إن مكة حرمها الله ولم يحرمها الناس فلا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسفك بها دما ولا يعضد بها شجرة فإن أحد ترخص بقتال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقولوا له إن الله أذن لرسوله ولم يأذن لكم وإنما أذن لي فيها ساعة من نهار وقد عادت حرمتها اليوم كحرمتها بالأمس وليبلغ الشاهد الغائب ‏"‏ ‏.‏ فقيل لأبي شريح ما قال لك عمرو قال أنا أعلم بذلك منك يا أبا شريح إن الحرم لا يعيذ عاصيا ولا فارا بدم ولا فارا بخربة ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯৬

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، جميعا عن الوليد، - قال زهير حدثنا الوليد بن مسلم، - حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة، - هو ابن عبد الرحمن - حدثني أبو هريرة، قال لما فتح الله عز وجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنها لن تحل لأحد كان قبلي وإنها أحلت لي ساعة من نهار وإنها لن تحل لأحد بعدي فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يفدى وإما أن يقتل ‏"‏ ‏.‏ فقال العباس إلا الإذخر يا رسول الله فإنا نجعله في قبورنا وبيوتنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.‏ فقام أبو شاه رجل من أهل اليمن فقال اكتبوا لي يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ قال الوليد فقلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাক্কাহ্ বিজয় দান করলেন- তখন তিনি লোকদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চিত আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশে বাধা প্রদান করেছেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে মাক্কাহ্ অভিযানে বিজয়ী করেছেন। আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত বৈধ ছিল না। আর আমার জন্যও একদিনের কিছু সময় এখানে যুদ্ধ করা হালাল করা হয়েছিল। আমার পরে আর কারও জন্য তা কখনও হালাল করা হবে না। অতএব এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার কাঁটাদার গাছও উপড়ানো যাবে না এবং এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী (তা তুলে নিতে পারবে)। কারও কোন আত্মীয় নিহত হয়ে তার জন্য দু’টি অবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের অধিকার রয়েছে : হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে নতুবা হত্যাকারীকে ক্বিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! কিন্তু ইযখির ঘাস যা আমরা ক্ববরে দিয়ে থাকি এবং আমাদের ঘরের চালায় ব্যবহার করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিন্তু ইযখির ঘাস (এর কাটার অনুমতি দেয়া হল)। ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ্ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আমাকে (এ কথাগুলো) লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ (রহঃ) বলেন, আমি আওযা‘ঈ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম : “হে আল্লাহর রসূল! আমকে লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন”- তাঁর এ কথার অর্থ কী? তিনি বললেন, যে ভাষণ তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিতে শুনলেন তা। (ই.ফা. ৩১৭১, ই.সে. ৩১৬৮)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মাক্কাহ্ বিজয় দান করলেন- তখন তিনি লোকদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, নিশ্চিত আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশে বাধা প্রদান করেছেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে মাক্কাহ্ অভিযানে বিজয়ী করেছেন। আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত বৈধ ছিল না। আর আমার জন্যও একদিনের কিছু সময় এখানে যুদ্ধ করা হালাল করা হয়েছিল। আমার পরে আর কারও জন্য তা কখনও হালাল করা হবে না। অতএব এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার কাঁটাদার গাছও উপড়ানো যাবে না এবং এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী (তা তুলে নিতে পারবে)। কারও কোন আত্মীয় নিহত হয়ে তার জন্য দু’টি অবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের অধিকার রয়েছে : হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে নতুবা হত্যাকারীকে ক্বিসাস স্বরূপ হত্যা করতে হবে। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসুল! কিন্তু ইযখির ঘাস যা আমরা ক্ববরে দিয়ে থাকি এবং আমাদের ঘরের চালায় ব্যবহার করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কিন্তু ইযখির ঘাস (এর কাটার অনুমতি দেয়া হল)। ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ্ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসুল! আমাকে (এ কথাগুলো) লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ (রহঃ) বলেন, আমি আওযা‘ঈ (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম : “হে আল্লাহর রসূল! আমকে লিখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন”- তাঁর এ কথার অর্থ কী? তিনি বললেন, যে ভাষণ তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিতে শুনলেন তা। (ই.ফা. ৩১৭১, ই.সে. ৩১৬৮)

حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، جميعا عن الوليد، - قال زهير حدثنا الوليد بن مسلم، - حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة، - هو ابن عبد الرحمن - حدثني أبو هريرة، قال لما فتح الله عز وجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنها لن تحل لأحد كان قبلي وإنها أحلت لي ساعة من نهار وإنها لن تحل لأحد بعدي فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يفدى وإما أن يقتل ‏"‏ ‏.‏ فقال العباس إلا الإذخر يا رسول الله فإنا نجعله في قبورنا وبيوتنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.‏ فقام أبو شاه رجل من أهل اليمن فقال اكتبوا لي يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ قال الوليد فقلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯৭

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، أخبرني أبو سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول إن خزاعة قتلوا رجلا من بني ليث عام فتح مكة بقتيل منهم قتلوه فأخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فركب راحلته فخطب فقال ‏"‏ إن الله عز وجل حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين ألا وإنها لم تحل لأحد قبلي ولن تحل لأحد بعدي ألا وإنها أحلت لي ساعة من النهار ألا وإنها ساعتي هذه حرام لا يخبط شوكها ولا يعضد شجرها ولا يلتقط ساقطتها إلا منشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يعطى - يعني الدية - وإما أن يقاد أهل القتيل ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال اكتب لي يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل من قريش إلا الإذخر فإنا نجعله في بيوتنا وقبورنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ লায়স কর্তৃক বানূ খুযা’আর এক ব্যক্তি হত্যার প্রতিশোধ স্বরূপ শেষোক্ত গোত্রের লোকেরা মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে প্রথমোক্ত গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তিনি নিজ সওয়ারীতে আরোহণ পূর্বক ভাষণ দেন এবং বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশ প্রতিরোধ করেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে এর উপর বিজয়ী করেন। সাবধান! আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কখনও কারও জন্য তা হালাল নয়। সাবধান! আমার জন্যও এক দিনের সামান্য সময় এখানে (রক্তপাত) বৈধ করা হয়েছিল। সাবধান! এ মুহূর্তে আবার তা (আমার জন্যও) হারাম হয়ে গেল। অতএব এখানকার কাঁটাযুক্ত বৃক্ষও উপড়ানো যাবে না, গাছপালাও কাটা যাবে না এবং পথে পড়ে থাকা বস্তুও তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি (তা তুলতে পারবে)। যার কোন আত্মীয় নিহত হয়েছে তার দু’টি ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে, নতুবা ক্বিসাস স্বরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করতে হবে। রাবী বলেন, আবূ শাহ্ (রাঃ) নামক ইয়ামানের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আামকে লিখে দিন। তিনি বললেন, তোমরা আবূ শাহ্কে লিখে দাও। কুরায়শ বংশের এক ব্যক্তি বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস- আমরা তো তা আমাদের ঘর তৈরির কাজে এবং ক্ববরে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। (ই.ফা. ৩১৭২, ই.সে. ৩১৬৯)

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বানূ লায়স কর্তৃক বানূ খুযা’আর এক ব্যক্তি হত্যার প্রতিশোধ স্বরূপ শেষোক্ত গোত্রের লোকেরা মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে প্রথমোক্ত গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ খবর পৌঁছলে তিনি নিজ সওয়ারীতে আরোহণ পূর্বক ভাষণ দেন এবং বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা হস্তী বাহিনীর মাক্কায় প্রবেশ প্রতিরোধ করেন এবং তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মু’মিনদেরকে এর উপর বিজয়ী করেন। সাবধান! আমার পূর্বে কারও জন্য এখানে রক্তপাত হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কখনও কারও জন্য তা হালাল নয়। সাবধান! আমার জন্যও এক দিনের সামান্য সময় এখানে (রক্তপাত) বৈধ করা হয়েছিল। সাবধান! এ মুহূর্তে আবার তা (আমার জন্যও) হারাম হয়ে গেল। অতএব এখানকার কাঁটাযুক্ত বৃক্ষও উপড়ানো যাবে না, গাছপালাও কাটা যাবে না এবং পথে পড়ে থাকা বস্তুও তোলা যাবে না। তবে ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি (তা তুলতে পারবে)। যার কোন আত্মীয় নিহত হয়েছে তার দু’টি ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। হয় ফিদ্য়া (রক্তপণ) গ্রহণ করতে হবে, নতুবা ক্বিসাস স্বরূপ হত্যাকারীকে হত্যা করতে হবে। রাবী বলেন, আবূ শাহ্ (রাঃ) নামক ইয়ামানের এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আামকে লিখে দিন। তিনি বললেন, তোমরা আবূ শাহ্কে লিখে দাও। কুরায়শ বংশের এক ব্যক্তি বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস- আমরা তো তা আমাদের ঘর তৈরির কাজে এবং ক্ববরে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। (ই.ফা. ৩১৭২, ই.সে. ৩১৬৯)

حدثني إسحاق بن منصور، أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن يحيى، أخبرني أبو سلمة، أنه سمع أبا هريرة، يقول إن خزاعة قتلوا رجلا من بني ليث عام فتح مكة بقتيل منهم قتلوه فأخبر بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فركب راحلته فخطب فقال ‏"‏ إن الله عز وجل حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين ألا وإنها لم تحل لأحد قبلي ولن تحل لأحد بعدي ألا وإنها أحلت لي ساعة من النهار ألا وإنها ساعتي هذه حرام لا يخبط شوكها ولا يعضد شجرها ولا يلتقط ساقطتها إلا منشد ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يعطى - يعني الدية - وإما أن يقاد أهل القتيل ‏"‏ ‏.‏ قال فجاء رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال اكتب لي يا رسول الله ‏.‏ فقال ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل من قريش إلا الإذخر فإنا نجعله في بيوتنا وقبورنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম ৩১৯৪

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، عن منصور، في هذا الإسناد بمثله ولم يذكر ‏"‏ يوم خلق السموات والأرض ‏"‏ ‏.‏ وقال بدل القتال ‏"‏ القتل ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ لا يلتقط لقطته إلا من عرفها ‏"‏ ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মানসূর (রহঃ) থেকে এ সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্য সহকারে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে তিনি “যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন” কথাটুকুর উল্লেখ করেননি এবং ‘ক্বিতাল’ শব্দের পরিবর্তে ‘ক্বতল’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৯, ই.সে. ৩১৬৬)

মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মানসূর (রহঃ) থেকে এ সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্য সহকারে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে তিনি “যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন” কথাটুকুর উল্লেখ করেননি এবং ‘ক্বিতাল’ শব্দের পরিবর্তে ‘ক্বতল’ শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ই.ফা. ৩১৬৯, ই.সে. ৩১৬৬)

وحدثني محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا مفضل، عن منصور، في هذا الإسناد بمثله ولم يذكر ‏"‏ يوم خلق السموات والأرض ‏"‏ ‏.‏ وقال بدل القتال ‏"‏ القتل ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏"‏ لا يلتقط لقطته إلا من عرفها ‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > নিষ্প্রয়োজনে মাক্কায় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিম ৩১৯৮

حدثني سلمة بن شبيب، حدثنا ابن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لأحدكم أن يحمل بمكة السلاح‏"‏ ‏.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তোমাদের কারো জন্য মাক্কায় অস্ত্র বহন করা হালাল নয়। (ই.ফা. ৩১৭৩, ই.সে. ৩১৭০)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তোমাদের কারো জন্য মাক্কায় অস্ত্র বহন করা হালাল নয়। (ই.ফা. ৩১৭৩, ই.সে. ৩১৭০)

حدثني سلمة بن شبيب، حدثنا ابن أعين، حدثنا معقل، عن أبي الزبير، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل لأحدكم أن يحمل بمكة السلاح‏"‏ ‏.


সহিহ মুসলিম > মাক্কায় ইহরামবিহীন অবস্থায় প্রবেশ জায়িয

সহিহ মুসলিম ৩১৯৯

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، ويحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، أما القعنبي فقال قرأت على مالك بن أنس وأما قتيبة فقال حدثنا مالك وقال يحيى - واللفظ له - قلت لمالك أحدثك ابن شهاب عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه مغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة ‏.‏ فقال ‏ "‏ اقتلوه ‏"‏ ‏.‏ فقال مالك نعم ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি যখন তা মাথা থেকে নামিয়ে রাখলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, ইবনু খাত্বালা-কে কা’বার গেলাফের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। [ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইমাম মালিককে জিজ্ঞেস করেন যে, ইমাম যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে তাঁকে এ হাদীস বলেছেন, কিনা] তিনি বলেন, হাঁ। [৩৭] (ই.ফা. ৩১৭৪, ই.সে. ৩১৭১)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের সময়ে লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি যখন তা মাথা থেকে নামিয়ে রাখলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বলল, ইবনু খাত্বালা-কে কা’বার গেলাফের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। [ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইমাম মালিককে জিজ্ঞেস করেন যে, ইমাম যুহরী (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে তাঁকে এ হাদীস বলেছেন, কিনা] তিনি বলেন, হাঁ। [৩৭] (ই.ফা. ৩১৭৪, ই.সে. ৩১৭১)

حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، ويحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، أما القعنبي فقال قرأت على مالك بن أنس وأما قتيبة فقال حدثنا مالك وقال يحيى - واللفظ له - قلت لمالك أحدثك ابن شهاب عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه مغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة ‏.‏ فقال ‏ "‏ اقتلوه ‏"‏ ‏.‏ فقال مالك نعم ‏.


সহিহ মুসলিম ৩২০০

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد الثقفي، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا معاوية بن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة - وقال قتيبة دخل يوم فتح مكة - وعليه عمامة سوداء بغير إحرام ‏.‏ وفي رواية قتيبة قال حدثنا أبو الزبير عن جابر ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় প্রবেশ করলেন। কুতায়বাহ (রহঃ) বলেন, “তিনি মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন ইহরামবিহীন অবস্থায় কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কায় প্রবেশ করেন। কুতায়বাহ্ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ রয়েছে যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৫, ই.সে. ৩১৭২)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কায় প্রবেশ করলেন। কুতায়বাহ (রহঃ) বলেন, “তিনি মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন ইহরামবিহীন অবস্থায় কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কায় প্রবেশ করেন। কুতায়বাহ্ (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে উল্লেখ রয়েছে যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কালো পাগড়ী পরিধান করে মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৫, ই.সে. ৩১৭২)

حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد الثقفي، قال يحيى أخبرنا وقال، قتيبة حدثنا معاوية بن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله الأنصاري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة - وقال قتيبة دخل يوم فتح مكة - وعليه عمامة سوداء بغير إحرام ‏.‏ وفي رواية قتيبة قال حدثنا أبو الزبير عن جابر ‏.


সহিহ মুসলিম ৩২০২

حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، قالا أخبرنا وكيع، عن مساور، الوراق عن جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس وعليه عمامة سوداء ‏.

জা’ফার ইবনু আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথায় কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় লোকদের উদ্দেশ্যে (মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন) ভাষণ দেন। (ই.ফা. ৩১৭৭, ই.সে. ৩১৭৪)

জা’ফার ইবনু আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথায় কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় লোকদের উদ্দেশ্যে (মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন) ভাষণ দেন। (ই.ফা. ৩১৭৭, ই.সে. ৩১৭৪)

حدثنا يحيى بن يحيى، وإسحاق بن إبراهيم، قالا أخبرنا وكيع، عن مساور، الوراق عن جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس وعليه عمامة سوداء ‏.


সহিহ মুসলিম ৩২০১

حدثنا علي بن حكيم الأودي، أخبرنا شريك، عن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم فتح مكة وعليه عمامة سوداء ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৬, ই.সে. ৩১৭৩)

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ্ বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মাক্কায় প্রবেশ করেন। (ই.ফা. ৩১৭৬, ই.সে. ৩১৭৩)

حدثنا علي بن حكيم الأودي، أخبرنا شريك، عن عمار الدهني، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم فتح مكة وعليه عمامة سوداء ‏.


সহিহ মুসলিম ৩২০৩

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، والحسن الحلواني، قالا حدثنا أبو أسامة، عن مساور الوراق، قال حدثني وفي، رواية الحلواني قال سمعت جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وعليه عمامة سوداء قد أرخى طرفيها بين كتفيه ‏.‏ ولم يقل أبو بكر على المنبر ‏.

জা’ফার ইবনু ‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ)-এর পিতার সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর (উপবিস্ট) দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি পাগড়ীর দু’প্রান্ত কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনায় ‘মিম্বারের উপর’ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৭৮, ই.সে. ৩১৭৫)

জা’ফার ইবনু ‘আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ)-এর পিতার সূ্ত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কালো পাগড়ী পরিহিত অবস্থায় মিম্বারের উপর (উপবিস্ট) দেখতে পাচ্ছি এবং তিনি পাগড়ীর দু’প্রান্ত কাঁধের মাঝ বরাবর ঝুলিয়ে রেখেছেন। আবূ বকর (রহঃ)-এর বর্ণনায় ‘মিম্বারের উপর’ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ই.ফা. ৩১৭৮, ই.সে. ৩১৭৫)

وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، والحسن الحلواني، قالا حدثنا أبو أسامة، عن مساور الوراق، قال حدثني وفي، رواية الحلواني قال سمعت جعفر بن عمرو بن حريث، عن أبيه، قال كأني أنظر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وعليه عمامة سوداء قد أرخى طرفيها بين كتفيه ‏.‏ ولم يقل أبو بكر على المنبر ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00